• আজ সোমবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২২ ৷

ফরিদপুর-২ উপনির্বাচন: প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে নৌকার জয়

Faridpur news
❏ শনিবার, নভেম্বর ৫, ২০২২ ঢাকা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: অর্ধ লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদীয় এলাকা ২১২ ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী। তিনি সদ্য প্রয়াত সাবেক সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর কনিষ্ঠ পুত্র। আসনটিতে মোট ১২৩ কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ৫৩ হাজার ৯৩৪ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, এ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু পেয়েছেন মোট ৬৮ হাজার ৮১২ ভোট। তাঁর নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মনোনীত বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়া পেয়েছেন ১৪ হাজার ৮৭৮ ভোট।

বিষয়টি শনিবার (০৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে ফরিদপুর জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মো. হাবিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ নির্বাচনে মোট ভোটারের ২৬.২৭% ভোট প্রয়োগ করেছেন।

ফরিদপুর-২ আসনটি (সালথা, নগরকান্দা উপজেলা ও সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন) নিয়ে গঠিত এ আসনটিতে শনিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪ পর্যন্ত ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এতে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৫ জন ভোটারের মধ্যে ৮৩ হাজার ৬৯০ ভোট কাস্টিং হয় বলে ফরিদপুর নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়।

নির্বাচন অফিস সূত্রে আরো জানা যায়, আসনটিতে মোট ভোটারের মধ্যে নগরকান্দা উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৫। সালথা উপজেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬০ ও সদরপুরের কৃঞ্চপুর ইউনিয়নে ২৮ হাজার ১৩৭ ভোটার রয়েছেন। এ নির্বাচনে ১২৩ ভোট কেন্দ্রের ৮০৬টি ভোটকক্ষে ইভিএমে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত ছিলো। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু স্বাভাবিকভাবে ভোট গ্রহণ সম্পর্ণ হয়েছে।

খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও ফরিদপুর-২ আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. হুমায়ূন কবির বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসারের পাশাপাশি তিনজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন।