• আজ সোমবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২২ ৷

১১ নভেম্বরের পর সারাদেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে: পরশ

Rangpur news
❏ শনিবার, নভেম্বর ৫, ২০২২ জাতীয়

সাইফুল ইসলাম মুকুল,স্টাফ করেসপন্ডেন্ট(রংপুর): বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, এখন যত খুশি মিছিল মিটিং করুন, আগামী ১১ নভেম্বরের পর সারাদেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে, তখন টের পাবেন কত ধানে কত চাল।

শেখ পরশ বলেন, বিএনপি ভন্ডদের দল, প্রতারকদের দল। এই দল এখন সভা সমাবেশের নামে দেশজুড়ে মিথ্যাচার করছে। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে ধোকা দেয়ার চেষ্টা করছে। সমাবেশে গিয়ে তাদের নেতারা নাকে কান্না করছে। মানুষের ভন্ডামির সীমা আছে কিন্তু বিএনপির কোন সীমা নেই। তাদের কোন লজ্জা শরম নেই।

শেখ পরশ বলেন, ৫ বছর বয়সে বাবা-মা হারিয়েছি। ২১ বছর কোথাও বিচার চাইতে পারিনি। সেই বিভৎসতা এ দেশের মানুষ ভোলেনি। যুবলীগ সদস্যরা সকল ষড়যন্ত্র উৎখাত করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আগামী নির্বাচনে আবারও রাষ্ট্র নায়ক নির্বাচিত করবেন।

শনিবার বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বিএনপির সমাবেশে হলে পরিবহন ধর্মঘট আওয়ামী লীগ দেয় না। এই ধর্মঘট দেন পরিবহন শ্রমিকরা। কারণ পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা জানে বিএনপি অতীতে আন্দোলন সমাবেশের নামে জ্বালাও পোড়াও করেছে, ভাঙচুর করেছে। পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে, ১৬৭ জন জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। একারণে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বিএনপির হামলা ভাঙচুরের ভয়ে পরিবহন ধর্মঘট দেন। তারা ভয়ে গাড়ি বের করেন না। বিএনপির ভয়ে মানুষ ঘর থেকে বের হতে চায় না।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। বিএনপি চাঁদাবাজদের দল। এই দলের শীর্ষ নেতা থেকে তৃণমূলের নেতা পর্যন্ত চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। এখন চাঁদাবাজ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কিছু নেতা সুর মিলাচ্ছেন। অথচ বিএনপির শাসনামলে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে এরশাদকে কারাগারে রাখা হয়েছিল। জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা এই ইতিহাস ভুলে গেছেন। অথচ বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগ এরশাদের দল জাতীয় পার্টিকে ভালো রেখেছেন।

এদিকে দীর্ঘ ২৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে রংপুর জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সকাল থেকেই যুবলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে মাঠে আসেন। দীর্ঘ দিন পর সম্মেলন হওয়ায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এক ডজন নেতা প্রার্থী হয়ে ফেস্টুন, পোস্টার, ব্যানার, তোরন নির্মাণ করেছেন রংপুর নগরী সহ পুরো জেলায়।সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।

সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শ্রী রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, শাজাহান খান এমপি, বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুন্সি এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক এমপি ।