🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ রবিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

রিজার্ভ মানুষের কল্যাণে খরচ করেছি: প্রধানমন্ত্রী


❏ সোমবার, নভেম্বর ১৪, ২০২২ জাতীয়, প্রধান খবর

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: অনেকে রিজার্ভ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রিজার্ভ আমরা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য খরচ করেছি। আমার দেশের মানুষ যদি না খেয়ে থাকে তাহলে আমার রিজার্ভ থেকে কী হবে। তিনি বলেন, বিএনপি রিজার্ভ চুরি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। করোনার সময় রিজার্ভের অর্থ খরচ হয়। ওই সময় রিজার্ভ জমা হয়নি। সূত্র: দৈনিক মানবজমিন

আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে (বিআইসিসি) নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব একথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোকো যখন মারা যায় আমি তখন খালেদা জিয়ার খবর নিতে তার বাসায় গেলাম। কিন্তু তারা আমাকে বাসায় ঢুকতে দেয়নি। আমি বঙ্গবন্ধুর কন্যা এবং একজন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তারা আমাকে অপমান করল। তারা মনের মধ্যে হিংসা বিদ্বেষ পুষে রাখে। কিন্তু আমাদের মনে কোনো হিংসা বিদ্বেষ নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি রিজার্ভ নিয়ে কথা বলে, কিন্তু তাদের নেতা তারেক রহমান মানি লন্ডারিং, অবৈধ সম্পদ, অর্থ পাচার, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক আসামি।

বিএনপির চরিত্র অপপ্রচার চালানো। এদের কারণে মানুষ যেন বিভ্রান্ত না হয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার বিনা পয়সায় খাবার, ঘর করে দিচ্ছে। দেশের একটি মানুষও গৃহহীন-ভূমিহীন থাকবে না। নিজেদের টাকায় বিমান কেনা হয়েছে। রফতানিতে প্রণোদনা দিয়েছি। বিশ্ব পরিস্থিতিতে এখন অতি বেশি মূল্য দিয়ে খাদ্য, পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে এখন আর কেউ অবহেলা করে না। এই দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। অতীতে নির্বাচন কেমন হতো তা সবাই জানে।

নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তারা ভোগ দখলের জন্য নির্বাচিত হননি। বরং জনগণের সেবা করার জন্য আপনারা নির্বাচিত হয়েছে। সুতরাং আপনারা যদি চান নিজেরা ভোগ দখল করবেন তাহলে করে একবারেই বিদায় নিতে পারেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, করোনা মহামারি শেষ হতে না হতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সবকিছুর দাম বেড়েছে। আমাদের বিদেশ থেকে অনেক কিছু আমদানি করতে হয়। এজন্য আমাদের অর্থ দরকার।