• আজ সোমবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২২ ৷

মাদারীপুরে চাঞ্চল্যকর ফরিদা হত্যা মামলায় ১৪ বছর পরে প্রেমিকের ফাঁসি


❏ মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৫, ২০২২ ঢাকা, দেশের খবর

মেহেদী হাসান সোহাগ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, মাদারীপুর: মাদারীপুরের সদর উপজেলায় ফরিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যা মামলায় ১৪ বছর পরে প্রেমিক শহিদুল মোল্লাকে (৪২) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস এই রায়ের আদেশ দেন।

দন্ডপ্রাপ্ত শহিদুল মোল্লা সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের ব্র্রাহ্মণদী গ্রামের মোহাম্মদ মোল্লা ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার ব্রাহ্মণদী এলাকার মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে শহিদুল মোল্লার সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকার আব্দুল করীম ক্কারীর মেয়ে ফরিদা বেগমের সাথে। ২০০৮ সালের ৬ মে সকালে ফরিদা বেগম শহিদুল মোল্লার সাথে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসে না। পরের দিন ৭ মে সকালে কালকিনি উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিন ধুয়াসার এলাকার কাদের কবিরাজের পেঁপে বাগান থেকে ফরিদা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে কালকিনি থানা পুলিশ।

পরবর্তীতে এ ঘটনায় নিহতের ভাই হান্নান ক্কারী একই দিন বিকেলে শহিদুল মোল্লাকে ও অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনকে আসামী করে কালকিনি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে এ ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই সময়ের কালকিনি থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ ঘটনার তদন্তের পর ২০০৯ সালের ২২শে জুন আসামী শহিদুল মোল্লাকে একমাত্র আসামী করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

মাদারীপুর আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি সিদ্দিকুর রহমান সিং জানিয়েছেন, আাদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১২ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে। পরে বিচারিক আদালতে দীর্ঘ ১৪ বছর যুক্তিতর্ক শেষে উপযুক্ত স্বাক্ষী প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে শহিদুল মোল্লাকে মৃত্যুদন্ডসহ ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। আমরা এই রায়ে খুশি।