• আজ বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

ফতুল্লায় ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যা, দম্পতির যাবজ্জীবন

Narayangonj news
❏ মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৫, ২০২২ ঢাকা

সুমন আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক কিশোরীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অপরাধে দায়ের করা মামলার রায়ে স্বপন গাজী ও তার স্ত্রী আঁখি আক্তার তমাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে দুজনকে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

একই মামলায় আদালত অবৈধভাবে দেহ ব্যবসার আরেকটি আইনে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে আসামিরা গ্রেফতার হয়ে আদালত থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপন করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত স্বপন গাজী (৩৬) পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার পাঁচদনীয়া গাজী বাড়ির আব্দুল মজিদ ওরফে মান্নানের ছেলে। তিনি ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় পাইলট স্কুল সংলগ্ন রাসেল মিয়ার বাড়িতে স্ত্রী আঁখি আক্তার তমাকে (৩০) নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

মামলার বরাত দিয়ে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৬টায় বাড়িওয়ালা রাসেল ও তার স্ত্রী সাবিনা কান্নাকাটির শব্দ শুনে ভাড়াটিয়া স্বপন গাজীর রুমে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন স্বপন ও তার স্ত্রী আঁখি কান্নাকাটি করছেন। তাদের কথাবার্তা সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তাদের কাছ থেকে জানতে পারেন ভায়রার মেয়ে পরিচয় দেওয়া মর্জিনা আক্তারকে (১৬) ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে স্বপন। এ হত্যায় সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী আঁখি।

এ সময় পুলিশ তাদের ঘর থেকে নূরজাহান ও নূরুন্নাহার নামে আরও দুজন তরুণীকে উদ্ধার করে। স্বপন গাজী ও তার স্ত্রী আঁখি তরুণীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাসায় এনে অবৈধভাবে দেহব্যবসা করায়। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালা রাসেল বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।