• আজ সোমবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২২ ৷

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বিএনপি


❏ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৪, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: বিএনপিকে শর্তসাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান যে বক্তব্য দিয়েছেন তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি জানিয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তারা সমাবেশের অনুমতি চায়নি। নয়াপল্টনেই সমাবেশ করার দাবিতে অনড় বিএনপি।

বৃস্পতিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান জানান, তারা নয়াপল্টনেই সমাবেশের অনুমতি চেয়েছেন। এর আগে নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ হয়েছে, সমাবেশ হয়েছে। এবারও সেখানে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ করতে চান তারা। এখনও নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি পাবেন বলে আশাবাদী তারা।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চায়নি। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে এক অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানান, তারা নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছেন। তিনি বলেন, অনুমতি দিলেও নয়াপল্টনে সমাবেশ করব, না দিলেও সেখানে সমাবেশ করব।

গত ১৫ নভেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সঙ্গে দেখা করেন দলটির নেতারা।

এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাবেশের আরও কয়েকটি বিকল্প ভেন্যুর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপি নেতারা কিছু বলেননি। তবে সমাবেশের বিকল্প হিসেবে তিনটি স্থান নিয়ে পরিকল্পনা করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। এরই ধারাবাহিকতায় তারা মানিক মিয়া এভিনিউ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যোন ও আরামবাগ মোড় পরিদর্শনও করেন। তবে এসব ভেন্যুর তালিকা প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে বিএনপি।

গত সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকায় সমাবেশের ভেন্যু নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান, ১০ ডিসেম্বর ঢাকার বিভাগীয় সমাবেশ ঘোষিত স্থানেই হবে এবং নির্দিষ্ট দিনেই হবে।

এর পরদিন মঙ্গলবার নয়াপল্টনে এক সমাবেশেও মির্জা ফখরুল একই কথা জানান। তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এটা জনগণের ঘোষণা। ওইদিন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেই সমাবেশ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সেদিন থেকে শুরু হবে এক দফার আন্দোলন। এখানে কোনো আপোস নেই।

এরই মধ্যে আজ সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শর্তসাপেক্ষে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।