এইমাত্র
  • এইচএসসিতে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল 
  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৫.৯৫
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেলজিয়ামের রানির সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • তুরস্কে ভূমিকম্প : ছোট্ট ভাইকে মমতায় আঁকড়ে রাখল ৭ বছরের মেয়ে
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আ. লীগের মনোনয়নের ভার শেখ হাসিনার হাতে
  • গাজীপুরে শিবিরের ২০ নেতাকর্মী গ্রেফতার
  • কামরাঙ্গীরচরে মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • উপহারের গাড়িটি জনসেবায় অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দিলেন হিরো আলম
  • আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: ওবায়দুল কাদের
  • বানর থেকে মানুষের তথ্য, পাঠ্যবইয়ের কোথাও নেই: শিক্ষামন্ত্রী
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ মাঘ, ১৪২৯ | ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেলজিয়ামের রানির সৌজন্য সাক্ষাৎ
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সফররত বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তিনি এ সাক্ষাৎ করেন। এর আগে, তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অ্যাডভোকেট (দূত) হিসেবে বাংলাদেশ সফর করছেন তিনি। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকায় পৌঁছালে রানি মাথিল্ডেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। আরআই
    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আ. লীগের মনোনয়নের ভার শেখ হাসিনার হাতে
    রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে হবেন, তা ঠিক করার দায়িত্ব দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার রাতে সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির সভা শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে দায়িত্ব দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দেবে তিনিই হবেন রাষ্ট্রপতি। আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে। এফএস

    জাতীয়

    সব দেখুন
    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেলজিয়ামের রানির সৌজন্য সাক্ষাৎ
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সফররত বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তিনি এ সাক্ষাৎ করেন। এর আগে, তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অ্যাডভোকেট (দূত) হিসেবে বাংলাদেশ সফর করছেন তিনি। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকায় পৌঁছালে রানি মাথিল্ডেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। আরআই
    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আ. লীগের মনোনয়নের ভার শেখ হাসিনার হাতে
    রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে হবেন, তা ঠিক করার দায়িত্ব দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার রাতে সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির সভা শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে দায়িত্ব দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দেবে তিনিই হবেন রাষ্ট্রপতি। আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে। এফএস
    তিন দিনের সফরে ঢাকায় বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। আজ সোমবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় বেলজিয়ামের রানিকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনু বিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন জানান, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য নিয়োজিত ১৭ জন অ্যাডভোকেটের একজন হিসেবে বেলজিয়ামের রানি বাংলাদেশ সফরে আসবেন। বেলজিয়ামের কোনো রানির এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর। জানা গেছে, এ সফরের সময় বেলজিয়ামের রানি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়া, তিনি কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প, ঢাকা ও খুলনা জেলার একটি পোশাক কারখানা এবং স্থানীয় স্কুল ও বন্যার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রকল্প পরিদর্শন করতে পারেন। এদিকে, গত ৩০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) আইন, ২০২১’-এর ধারা ২ এর দফা ক-তে দেওয়া ক্ষমতাবলে বেলজিয়ামের রানিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রানি মাথিল্ডে বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, পারিবারিক সহিংসতার প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার অগ্রগতি দেখার পাশাপাশি জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখবেন।
    যেভাবে খুশি সেভাবেই লুটপাট হচ্ছে: সংসদে মোকাব্বির
    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: গণফোরাম দলীয় সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান বলেছেন, এই সংসদের বর্তমান এবং সাবেক অনেক সদস্য, অনেক আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ দেশের অর্থ লুটপাট করেছেন। আর এ অর্থে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে বেগমপাড়া, সেকেন্ড হোম, থার্ড হোম তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, এটা আমার কথা নয়, প্রতিনিয়তই এসব খবর আমরা গণমাধ্যমে দেখতে পাই। এই গত কয়েক দিন আগেও একজন আমলার যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাড়ির চিত্র গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এই সেকেন্ড হোম নিয়ে কথা বললে দেখা যাবে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে। তাই আমি বিস্তারিত ঘটনায় যাব না। রোববার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় এই সদস্য এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যেভাবে খুশি সেভাবেই লুটপাট করছে, তাদের কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্তরা সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। অনেকে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে। সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যের কার্ড দিচ্ছে- এখানে মারাত্মক অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি হচ্ছে। এই কার্ডগুলো ৮০ ভাগ দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেওয়া হচ্ছে, চাইলে ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে। দুর্নীতিবাজ ও অসাধু ব্যবসায়ী সব সময় মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে লুটপাট করে। তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব- আগেও বলেছি আজকেও দাবি করছি এসব দুর্নীতিবাজ, লুটেরাদের আইনের আওতায় এনে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে কয়েকজন শীর্ষ দুর্নীতিবাজ, লুটেরাকে সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন। আমি হলফ করে বলতে পারি, দুর্নীতি অনেক কমে যাবে। আশা করি প্রধানমন্ত্রী আপনি জাতির পিতার কন্যা সাধারণ মানুষের কষ্টের কথাগুলো মাথায় নিয়ে বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। গণফোরামের এ সদস্য বলেন, গত ১৪ বছরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে সেটা আমরা অস্বীকার করি না, এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি কোভিডের আঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, অর্থ পাচার, কিছু কিছু জায়গায় সরকারের অব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং এবং আর্থিক খাতে ব্যাপক লুটপাটের কারণে দ্রব্যমূল্য আজ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এটা কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বাজারে গেলে দেশে কোনো সরকার আছে বলে মনে হয় না। মোকাব্বির খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডে আমার একটি সেকেন্ড হোমের কথা বলেছেন। হ্যাঁ, যুক্তরাজ্যে আমার সেকেন্ড হোম আছে, সেটা গোপনীয় কিছু নয়। আর এটা নিয়ে আমার বিব্রত হওয়ারও কিছু নেই। আমার সৌভাগ্য হয়েছে, আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা, নাম বলতে চাই না, এখানেও আছেন, তারা আমার এই সেকেন্ড হোমে গিয়েছেন। তবে আমি বলতে চাই, লুটপাটের অর্থ তো নয়ই, এমনকি বাংলাদেশ থেকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির কোনো টাকা নিয়েও সেই সেকেন্ড হোম আমি তৈরি করিনি। আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে আমি ইংল্যান্ডে অত্যন্ত সফলভাবে ব্যবসা করে সেই বাড়ির মালিক হয়েছি। এখন আমার পরিবার সেই বাড়িতে বসবাস করছে। আমি ইংল্যান্ডে ব্যবসা করতাম- একজন সফল ব্যবসায়ী হিসাবে সেখানে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেছি। বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করেছি। তিনি আরও বলেন, এই সংসদে অনেকেই, এমপি হওয়ার সুবাদে অনেকেই হয়তো শত শত বা হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। একাধিক গাড়ি, বাড়ি, অট্টালিকার মালিক হয়েছেন। কিন্তু যেদিন থেকে আমি বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করলাম সেদিন থেকে আমার জীবনের মোড় পালটে গেল। বিশেষ করে এই সংসদে সদস্য হওয়ার পর জীবনের বিলাসিতা ছেড়ে নিজেকে জনগণের জন্য উৎসর্গ করেছি। চেষ্টা করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতার দর্শনকে ধারণ করে একজন পরিছন্ন রাজনীতিবিদ হতে। মোকাব্বির খান বলেন, অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্য, আমার মতো হতভাগা এমপি হয় তো এই সংসদে একজনও নেই। আমি হলফ করে বলতে পারি, বাংলাদেশে আমার নামে কোথাও ফ্ল্যাট, প্লট বা কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই। আমি সরকারি কোনো ফ্ল্যাট বা প্লটের জন্য আবেদনও করিনি। এমপি হওয়ার সুবাধে ন্যাম ভবনে একটি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পেয়েছি সেটিতে বসবাস করছি। সিলেটে পৈতৃক যে বাড়িটি আছে সেটাও নিজের নামে করার সুযোগ হয়নি। রাজনীতি করলে ঢাকায় নিজের একটা ঠিকানা থাকা দরকার মনে করে উত্তরায় একটি বাড়ি কিনেছিলাম, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস সংসদ সদস্য হওয়ার পর অর্থাভাবে এটিও বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। তিনি বলেন, আমি হয় তো একমাত্র সংসদ সদস্য যার কোনো গাড়ি নেই। এমপি হওয়ার সুবাদে ট্যাক্স ফ্রি একটি গাড়ি নেওয়ার সুযোগ থাকলেও আমি সেই গাড়িটি নেইনি এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেটা নেব না। ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি একজন সংসদ-সদস্যের আইনসিদ্ধ অধিকার। বিবেক, নীতি-নৈতিকতার কাছে সেটি স্বস্তিদায়ক মনে হচ্ছে না। একটি ভাড়া গাড়িতে চলাফেরা করি এবং এমপি হিসাবে যে সম্মানি ভাতা পাই বাকিটা ইংল্যান্ডে আমার পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে জীবনযাপন করি। একই আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিএনপি যতই হরতাল, অবরোধ করুক বাংলাদেশে আমরা শতদল ফোটাবোই। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করে যে তাণ্ডব চালিয়েছিল তা অবর্ণনীয়। ১৫ সালে তারা অবরোধের নামে গাড়িতে আগুন দিয়ে একশর মতো মানুষ হত্যা করেছিল। হরতাল-অবরোধের ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে খালেদা জিয়া বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন। এই সেদিনও বলেছিল, ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ চলবে খালেদা জিয়ার নির্দেশে। কিন্তু শেখ হাসিনার উদারতার কারণে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বাড়িতে থাকার সুযোগ পেয়েছেন।
    জাপা চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না বলে নিম্ন আদালতের রায় স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে জাপা চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা কাটল। আজ রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. আবদুল হাফিজের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। জি এম কাদেরের পক্ষে আদালতে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, গত ১৯ জানুয়ারি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালত জিএম কাদেরের আপিল খারিজ করে দেন। ওই খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করা হয়।  আজ হাইকোর্ট শুনানি গ্রহণ করে অধস্তন আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে ওই নিষেধাজ্ঞার আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। এ আদেশের ফলে জি এম কাদেরের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই। জাতীয় পার্ট্রি নেতা জিয়াউল হক মৃধা গত বছরের ৪ অক্টোবর জি এম কাদেরকে জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে অবৈধ ঘোষণার ডিক্রি চেয়ে প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেন। একই মামলায় দল থেকে জিয়াউল হকের বহিষ্কারাদেশকে বেআইনি ঘোষণা এবং দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০-এর উপধারা ১(১) অবৈধ ঘোষণা চাওয়া হয়।  এর আগে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর জিয়াউল হক মৃধাকে দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। জিয়াউল হক মৃধার মামলায় গত বছরের ৩০ অক্টোবর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালত জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দলীয় কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিলেন।  ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ঢাকার জেলা জজ আদালতে বিবিধ আপিল আবেদন করেন জি এম কাদের। আপিলের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানি নিয়ে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার আদালত গত ১৯ জানুয়ারি সরাসরি খারিজ করে আদেশ দেন। এরপর জি এম কাদের হাইকোর্টে ওই আদেশের বিরূদ্ধে রিভিশন আবেদন করেন। আজ শুনানি নিয়ে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।
    রাজস্ব বোর্ডের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ের শের-ই-বাংলা নগরে নবনির্মিত ভবনে ফলক উন্মোচন করেন তিনি।  পরে প্রধানমন্ত্রী ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে মোনাজাতে অংশ নেন এবং রাজস্ব ভবন পরিদর্শন করেন। এসময় এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুমিনসহ রাজস্ব বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে একই এলাকায় বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নিজস্ব প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নবনির্মিত ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বিনিয়োগ ভবন’। সুইস চেপে ১২তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত ভবনটি উদ্বোধন করেন তিনি।  এসময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। মোনাজাত পরিচালনা করেন বিডার যুগ্ম সচিব আশফাকুল আলম মুকুল।
    গ্যাস-বিদ্যুতে কত ভর্তুকি দেওয়া যায়, কেন দেব: প্রধানমন্ত্রী
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'আমি আবারও বলবো, গ্যাস-বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া যাবে যদি ক্রয়মূল্য যা হয় সেটা সবাই দিতে রাজি থাকে। তাছাড়া কত ভর্তুকি দেওয়া যায়! আর এ ক্ষেত্রে কেন ভর্তুকি দেবো?' আজ রোববার সকালে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত (বিডা) ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবো, আমরা পৌঁছে দিয়েছি।' 'বিদ্যুতের জন্য যে হাহাকার...জেনারেটারে যে ট্যাক্স ছিল, সেটা আমি প্রত্যাহার করে নিয়েছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুদ্র বিদ্যুৎকেন্দ্র, কল-কারখানা; আপনারাও যাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেন, ১০ মেগাওয়াট থেকে ৩০ মেগাওয়াট সে ব্যবস্থাও আমি করেছিলাম। শুধু তাই না, আপনারা নিজেরা উৎপাদন করে নিজেরা ব্যবহার করবেন, আবার অন্যকে দিতে পারবেন। অর্থাৎ ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে ভালোভাবে চলে, বিনিয়োগ আসে সেই চেষ্টাই আমরা করি। তবে আজকে (বিদ্যুৎ) আমরা শতভাগ দিতে পেরেছি,' বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা যে বিদ্যুৎ দেই এটা উৎপাদন করতে ১ কিলোওয়াটে খরচ হয় ১২ টাকা। সেখানে আমরা নিচ্ছি মাত্র ৬ টাকা। তাতেই আমরা অনেক চিৎকার শুনি। ইংল্যান্ডে কিন্তু ১৫০ ভাগ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এটা সবার মনে রাখতে হবে। আমরা কিন্তু এখনো সে পর্যায়ে যাইনি।' 'আমি আবারও বলবো, গ্যাস-বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া যাবে যদি ক্রয়মূল্য যা হয় সেটা সবাই দিতে রাজি থাকে। তাছাড়া কত ভর্তুকি দেওয়া যায়! আর এ ক্ষেত্রে কেন ভর্তুকি দেবো? ভর্তুকি দিচ্ছি আমরা কৃষিতে, খাদ্য উৎপাদনে। আমরা করোনাভাইরাস যখন মোকাবিলা করি, আমরা বিশেষ প্রণোদনা দেই যাতে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প কল-কারখানা চালু থাকে। এই প্রণোদনা দেওয়ার ফলেই কিন্তু আমাদের অর্থনীতির গতিটা সচল থাকে। প্রতিকূল অবস্থা অতিক্রম করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটা মাথায় রাখতে হবে—বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা। আজকে সেই অবস্থায় আমাদের চলতে হবে,' বলেন তিনি। 'তারপরও আমাদের গতি থেমে থাকেনি, সে জন্য অবশ্যই আমাদের ব্যবসায়ীদের অবদান আছে,' বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত করতে চেয়েছিলাম। অত্যন্ত সফলভাবে সেটা আমরা করতে পেরেছি।  তিনি বলেন, আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিয়েছি। আমরা বিদেশি বিনিয়োগ চাই, তার সঙ্গে সঙ্গে চাই যে, আমাদের দেশের যুব সমাজ নিজেরাই বিনিয়োগকারী হবে। আমাদের যুব সমাজের জন্য স্টার্টআপ প্রোগ্রাম করে দিয়েছি। সেজন্য আলাদা বাজেটও আছে। কোম্পানি আইন পরিবর্তন করে এক ব্যক্তি কোম্পানি করতে পারে সেই ব্যবস্থাটাও আমরা নিয়েছি। যাতে করে আমাদের নিজেদের ছেলেমেয়েরা উঠে আসতে পারে।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারে। বাঙালি পারে। একটা চ্যালেঞ্জ ছিল পদ্মা সেতু নিয়ে। এ সেতু তৈরিতে মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। আমি বলেছিলাম নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু করব, করেছি। এক্ষেত্রে জনগণ আমাকে সমর্থন করেছিল।
    জিডিপিতে আমরা মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে পেছনে ফেলেছি: তথ্যমন্ত্রী 
    সময়ের কণ্ঠস্বর, চট্রগ্রাম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গত ১৪ বছরে আমরা ২৫ দেশকে পেছনে ফেলে এখন ৩৫তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হয়েছি। এ ৩৫ দেশের মধ্যে অর্থনীতির আকারে জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) আমরা মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরকে পেছনে ফেলেছি। আর সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) হিসেবে আমরা বিশ্বের মধ্যে ৩১তম অর্থনীতির দেশ। শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) আয়োজিত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, আজ থেকে ১৪ বছর আগে মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৬০০ ডলার, এখন মানুষের মাথাপিছু আয় ২৯০০ ডলারের কাছাকাছি। ১৪ বছর আগে আমরা সব সূচকে পাকিস্তান থেকে পিছিয়ে ছিলাম, আজ থেকে ৬ থেকে ৭ বছর আগে সব সূচকে আমরা পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছি। করোনা মহামারির মধ্যে অর্থনৈতিক সূচকে মাথাপিছু আয় এর ক্ষেত্রে ভারতকে অতিক্রম করেছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে যেভাবে সাংবাদিকদের সহায়তা করা হচ্ছে উপমহাদেশের কোনো দেশে এভাবে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে সহায়তা করা হয় না। করোনাকালে বিশেষ তহবিল গঠন করে যেভাবে সাংবাদিকদের সহায়তা করা হয়েছে সেটিও উপমহাদেশের কোনো দেশে করা হয়নি। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট শেখ হাসিনার চিন্তাপ্রসূত একটি প্রতিষ্ঠান। এটি সাংবাদিকদের ভরসার স্থল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে শেখ হাসিনা একজন সাংবাদিকবান্ধব নেত্রী। তার সরকার সাংবাদিকবান্ধব। সে কারণেই সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সহায়তা করা হচ্ছে। এর বাইরেও প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব ঐচ্ছিক তহবিল থেকে মাঝেমধ্যে সাংবাদিকদের সহায়তা করে থাকেন। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি তপন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহ উদ্দিন রেজা।  

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: ওবায়দুল কাদের
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: হিরো আলমকে নিয়ে নয়, বরং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আজ সোমবার ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদের জানাজা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। তিনি মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। হিরো আলমের চমকে দেওয়া এই ফলাফল সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়। পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার কামরাঙ্গীরচরে এক সমাবেশে বগুড়ার নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠলো ফখরুলের? ফখরুল ভেবেছিলেন হিরো আলম জিতে যাবে। হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। তারা (বিএনপি) তো নির্বাচন চান নাই। হিরো আলমকে বিএনপি দাঁড় করিয়েছে। জাতীয় সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ। এই বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। হিরো আলমও ওবায়দুল কাদেরকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। এরপর সোমবার সকালে এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে ওবায়দুল কাদের বলেন, হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য ছিল না, আমার মন্তব্য ছিল মির্জা ফখরুলকে নিয়ে। তিনি বলেন, সে (হিরো আলম) প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে ভোট করেছে। ভালো ভোটও পেয়েছে।
    আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: ওবায়দুল কাদের
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: হিরো আলমকে নিয়ে নয়, বরং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আজ সোমবার ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদের জানাজা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। তিনি মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। হিরো আলমের চমকে দেওয়া এই ফলাফল সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়। পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার কামরাঙ্গীরচরে এক সমাবেশে বগুড়ার নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠলো ফখরুলের? ফখরুল ভেবেছিলেন হিরো আলম জিতে যাবে। হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। তারা (বিএনপি) তো নির্বাচন চান নাই। হিরো আলমকে বিএনপি দাঁড় করিয়েছে। জাতীয় সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ। এই বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। হিরো আলমও ওবায়দুল কাদেরকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। এরপর সোমবার সকালে এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে ওবায়দুল কাদের বলেন, হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য ছিল না, আমার মন্তব্য ছিল মির্জা ফখরুলকে নিয়ে। তিনি বলেন, সে (হিরো আলম) প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে ভোট করেছে। ভালো ভোটও পেয়েছে।
    মির্জাপুরে প্রাথমিকে যোগদানকারী শিক্ষকদের সংবর্ধনা
    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবযোগদানকারী ৬২ জন সহকারি শিক্ষককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় মির্জাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মির্জাপুর উপজেলা শাখা। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬২ জন শিক্ষককে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো ও স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ’র পক্ষ থেকে প্রত্যেককে সৌজন্য উপহার দেয়া হয়। সংবর্ধনাপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষকদের মধ্যে মো. আলতাফ হোসেন বলেন, আজকের এই সংবর্ধনা ও বিশিষ্টজনদের বক্তব্য আমাদের চাকুরিজীবনকে অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত করবে, শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে তাগিদ দিবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ’র প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি । তবে তার প্রতিনিধি হিসেবে মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ কয়েকজন নেতা প্রতিনিধিত্ব করেন। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ।  বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, মির্জাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. সহিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখার ম্যানেজার উত্তম কুমার কর্মকার।
    খবর পাচ্ছি বিএনপি তলে তলে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: জাতীয় নির্বাচনে প্রধান দলগুলো অংশগ্রহণ করলে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। আমরা খবর পাচ্ছি বিএনপি তলে তলে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না। আমরা আশাবাদী বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবেন। খবর পাচ্ছি বিএনপি তলে তলে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, জনসম্পৃক্ততার অভাবে বিএনপির আন্দোলনের টার্গেট ব্যর্থ হতে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের জোয়ারে তাদের আন্দোলন তলিয়ে যাচ্ছে। পথ হারিয়ে বিএনপির আন্দোলন এখন নীরব পদযাত্রায় নেমে এসেছে। তাদের আন্দোলনে জনগণ নেই।  কাদের বলেন, আন্দোলন ব্যর্থ হলে বিএনপি আগুন সন্ত্রাসের দিকে ঝুঁকে পড়ে, অতীতে তার প্রমাণ রয়েছে। জ্বালাও-পোড়াও সন্ত্রাসের সেই আশঙ্কা এখনও রয়েছে। তবে আন্দোলনের নামে বিএনপি তলে তলে দুরভিসন্ধি করছে কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনে বিএনপির পরাজয় ঘটেছে। জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার অপমানে তারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় যাতে একটি অনির্বাচিত সরকার আসে, আরেকটি ওয়ান ইলেভেন হয়। শেখ হাসিনা বাদে যে কেউ আসুক বিএনপির তাতে আপত্তি নেই। বিএনপির যে গোপন অভিসন্ধি, উদ্দেশ্য ও কর্মকাণ্ডের ধরন তা থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।  
    এ সরকার পদত্যাগ করলেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে: শামা ওবায়েদ
    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ১০ দফা মানতে হবে, নির্দলীয় সরাকার দিতে হবে। এ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে তবেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে। আওয়ামী সন্ত্রাস এবং সরকারের দমন নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের নি:শর্ত মুক্তি দাবীতে এবং বিদ্যুৎ গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কামানোসহ ১০ দফা দাবীতে ফরিদপুর বিভাগীয় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (০৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুর শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে কোমরপুর আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউট মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় এ সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, ওবায়দুল কাদের আগে বলতেন খেলা হবে খেলা হবে। এখন বলেন ভুয়া ভুয়া। ওনার মাথায় রোগ দেখা দিয়েছে। এ বিভাগীয় সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি এ এস এম কাইয়ুম। উপস্থাপনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একে কিবরিয়া ওরফে স্বপন ও জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল। এসময় বক্তব্য দেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আজম খান ও আফজাল হোসেন খান পলাশ, রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল আলম, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. রফিকুজ্জামান প্রমূখ।
    দেশে বৈষম্য আর দুর্নী‌তি চরমভাবে বৃ‌দ্ধি পে‌য়ে‌ছে : রা‌শেদ খান মেনন
    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রা‌শেদ খান মেনন ব‌লে‌ছেন, বাংলা‌দেশ এক‌দি‌কে উন্নয়নের ধারায় অগ্রসর হ‌চ্ছে- অন‌্যদি‌কে দেশে বৈষম‌্য এবং দুর্নীতি চরমভা‌বে বৃ‌দ্ধি পে‌য়ে‌ছে। দে‌শে সাম্প্রদা‌য়িক ও মৌলবাদী শ‌ক্তি সামাজিকভাবে মানুষের উপর আক্রমণ চালাচ্ছে, তাদের আক্রম‌ণের মাত্রা সহ্যের সীমা ছা‌ড়ি‌য়ে গে‌ছে। তারা এখন দেশের রাজনীতিকে ব্যবহার করার প্রয়াস পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সম‌য়ে দে‌শের শিক্ষাব‌্যবস্থাকে কেন্দ্র ক‌রে জামায়াতসহ দেশের রাজ‌নৈ‌তিক দলগুলো মা‌ঠে নে‌মে‌ছে। শ‌নিবার (৪ ফেব্রুয়া‌রি) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লা‌বের বঙ্গবন্ধু মিলনায়ত‌নে আ‌য়ো‌জিত বাংলা‌দেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সূবর্ণ জয়ন্তীর আ‌লোচনা সভায় বক্তব্যের আ‌গে তি‌নি সাংবা‌দিকদের এসব কথা ব‌লেন।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার নেতৃ‌ত্বে দে‌শের উন্নয়‌ন হ‌লেও এর ফলাফল জনগন পা‌চ্ছে না উল্লেখ করে রা‌শেদ খান মেনন ব‌লেন, জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী আমা‌দেরকে বি‌রোধী দলে বসার জন‌্য প্রস্তাব দি‌য়ে‌ছি‌লেন। তখন তা‌কে বলে‌ছিলাম, আমরা এক‌টি প্ল্যার্টফ‌র্মে নির্বাচন ক‌রে‌ছি। একটামাত্র বক্তব‌্য দি‌য়ে এখা‌নে বি‌রোধীদ‌লের আসনে বসার কোন সুযোগ নেই। আমরা এখনও ১৪ দ‌লীয় জো‌টে আ‌ছি। আগামী‌তে জো‌টবদ্ধ হ‌য়েই নির্বাচ‌ন করার আশা ক‌রি। বাংলা‌দেশের ওয়ার্কার্স পার্টি টাঙ্গাইল শাখার জেলা সভাপ‌তি কম‌রেড গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরীর সভাপ‌তিত্বে অনুষ্ঠা‌নে বক্তব‌্য রা‌খেন- কম‌রেড আ‌নিসুর রহমান মল্লিক, মো. আজাদ খান ভাসানী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পিপলু প্রমুখ।  বাংলা‌দেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক নারী শ্রমিক অংশ গ্রহন করেন।
    বিএনপি কীভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, আমরা দেখে নেব: যুবলীগ চেয়ারম্যান
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ‘বিএনপি আমাদের অত্যাচারী এবং কর্তৃত্ববাদী সরকার হিসেবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে’ এ কথা উল্লেখ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘তাদের এত রাজনৈতিক সুযোগ দেওয়ার পরও তারা আমাদের বলছে, আমরা নাকি কর্তৃত্ববাদী সরকার, অত্যাচারী সরকার।’ তিনি বলেন, ‘তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে ওস্তাদ। তাদের পারদর্শিতা কোনোভাবেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আরেকটা ব্যাপারে তারা পারদর্শী। মিথ্যাচারের রাজনীতি, প্রোপাগান্ডার রাজনীতি। আমরা দেখে নেব, তারা কীভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।’ আজ শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটে আনন্দ সিনেমা হলের সামনের সড়কে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।  বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য ও তাণ্ডবের অভিযোগ এনে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগ এ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে। শেখ ফজলে শামস বলেন, বিএনপি যখনই রাজনৈতিক কর্মসূচি দেয়, মানুষ আতঙ্কে থাকে, ভয় পায়, নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। এ কারণেই যুবলীগ রাজপথে থেকে সাধারণ মানুষকে সাহস দেয়। যখনই তারা কর্মসূচি দেবে, যুবলীগও রাজপথে থাকব। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি বিএনপির সহ্য হচ্ছে না উল্লেখ করে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি, সাফল্য তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যকর রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়। ২০১৪ সালেও নির্বাচনের আগে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর তারা তাণ্ডব চালিয়েছে। বাসে, ট্রেনে আগুন দিয়েছে ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। বিএনপি-জামায়াতকে হুঁশিয়ার করে শেখ ফজলে শামস বলেন, সভা-সমাবেশ করেন। বিরোধী মতামত, বিরোধী দলের কার্যক্রমকে স্বাগত জানাই। এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু কোনোভাবেই জনগণকে ভিকটিম বানানোর চেষ্টা করবেন না। জনগণের জানমালের ক্ষতি করলে, নিরাপত্তায় ব্যাঘাত ঘটালে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বসে থাকবে না। বিএনপি কীভাবে ক্ষমতায় আসবে প্রশ্ন তুলে যুবলীগ নেতা বলেন, ‘১৪ বছর কেন, এই বাংলাদেশে যত দিন মুক্তিকামী বাঙালি, তাদের প্রজন্ম এবং সন্তানেরা আছে, যত দিন যুবলীগ আছে, আমরা দেখে নেব তারা কীভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে। শেখ হাসিনার অধীনেই সাংবিধানিক ও সুশৃঙ্খলভাবে সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে, তাতে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি জয়ী হবে।’ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাঈনুল হোসেন খান। তিনি বলেন, বিএনপি একটি মানবাধিকার হরণকারী জঙ্গি দল। তারা দেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়, মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার স্বপ্ন দেখে। যুবসমাজ শপথ নিয়েছে জানিয়ে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশকে রুখে দিতে বিএনপি-জামায়াত যে ষড়যন্ত্র করছে, তার প্রতিবাদ করতে, দাঁতভাঙা জবাব দিতে যুবলীগই যথেষ্ট। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত যুবলীগ সারা দেশে রাজপথে থাকবে। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় শান্তি সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও মহানগর উত্তর যুবলীগের নেতারা বক্তৃতা করেন। সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড যুবলীগের হাজারখানেক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ থেকে সারাদেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: যুগপৎ আন্দোলনের পঞ্চম কর্মসূচি হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ ১৪ দফা দাবিতে সমাবেশ করে তারা। এর আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমাও, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করো, মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই, রাজবন্দীদের মুক্তি দাবিসহ বিভিন্ন রঙের ব্যানার নিয়ে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন নেতাকর্মীরা।  সমাবেশ শেষে মঞ্চের নেতারা প্রেসক্লাব থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পল্টন মোড়, বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্ক ও নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে কাকরাইল মোড়ে দিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা করে বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে গণতন্ত্র মঞ্চ। এদিন ঢাকায় সকাল ১০টায় মিরপুর-১২ তে সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে পদযাত্রা শুরু করবে তারা। ঢাকা শহর প্রদক্ষিণ করে বিকেলে মতিঝিলে এসে সমাবেশ শেষ হবে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এতে বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এসআর আকরাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাউয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদউদ্দিন মাহমুদ, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার।

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    কামরাঙ্গীরচরে মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
    রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পৃথক ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন- হাফেজ শরিফুল ইসলাম (১৪) ও অটোরিকশা চালক হাছিব (২৭)। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কামরাঙ্গীরচর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আশরাফুল হক।  এর আগে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে মরদেহ দুটি উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা জানান, হাফেজ শরিফুল ইসলাম মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাজী আমির হোসেনের ছেলে। কামরাঙ্গীরচর পূর্ব রসুলপুর ৯ নম্বর গলির ৬/এ নম্বর ৯ তলা বাড়ির ষষ্ঠ তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো সে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট শরিফুল। মৃতের বড় ভাই শাহিন হাসান জানান, আলিনগরের জামিয়া নূরানীয়া ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় পড়তো শরিফুল। গত শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সে হেফজ (পুরো কোরআর মুখস্থ) সম্পন্ন করে। ওই রাতেই সে বাড়িতে আসে। এরপর সব কিছু স্বাভাবিক চলছিলো। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাবা তাকে আবার মাদরাসায় যাওয়ার জন্য বললে, শরিফুল তাকে জানায়, আজ মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মাদরাসায় যাবে। এরপর রাত ১০টার দিকে রুমের দরজা বন্ধ করে দেয় সে। অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও দরজা না খোলায় তাদের সন্দেহ হলে ডাকাডাকি শুরু করেন। পরবর্তীতে রুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখেন, ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে সে। তখন তারা তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নিচে নামান।  তিনি আরও জানান, এর আগে মাদরাসার শিক্ষকরা তাকে মারধর করেছে বলে জানায় শরিফুল। এমনকি শিক্ষকরা তাকে মারধরের ঘটনাটি কাউকে জানাতে নিষেধ করেছিলেন বলেও জানায় সে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানান, শরিফুল ইসলামের মলদ্বার অস্বাভাবিক দেখা গেছে। সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক তথ্য জানা যাবে। এদিকে, ঝাউচর 'আমরা টাওয়ার' গলির বদ্দার বাড়ির নিচ তলার বাসা থেকে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে হাছিব নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান কামরাঙ্গীরচর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায়। হাছিবের বাবার নাম সিরাজ মিয়া। তার বাবা-মা হাজারীবাগ এলাকায় থাকেন বলে জানা গেছে। এসআই অনিরূদ্ধ জানান, ২-৩ মাস আগে ইভা নামে এক কিশোরীকে বিয়ে করেন অটোরিকশা চালক হাছিব। প্রেমের সম্পর্ক থেকে পরবর্তীতে পারিবারিকভাবেই বিয়ে হয় তাদের। ইভা স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করে। ঝাউচরের ওই বাসায় তারা একটি রুম নিয়ে ভাড়া থাকতেন। তবে কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। এরই জেরে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তার স্ত্রী রাগ করে বাবার বাসায় চলে যান। পরে দরজা বন্ধ করে ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন হাছিব।  খবর পেয়ে ওই বাসায় গিয়ে কাটার গ্যান্ডিং মেশিন দিয়ে দরজা কেটে রুমের ভেতর থেকে হাছিবের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। আরআই
    ঢাকায় প্রতিদিন ৩০০ মোবাইল ছিনতাই হয়: ডিবি
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৩০০ মোবাইল ফোন ছিনতাই হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। গতকাল বিভিন্ন এলাকা থেকে ছিনতাইকারী গ্রুপের ২ নেতাসহ ১৬ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা জানান। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোঃ মিজান, আমিরুল ইসলাম বাবু, শরীফ হোসেন, রিদয়, রাজ, সুমন, সোহেল বাবু, রিদয়, মনিরুজ্জামান, নাজমুল, মনির, ইমরান, ফারুক, আশরাফুল ইসলাম সজিব, আরিফ ও হাসান। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি নম্বর বিহীন মোটরসাইকেল, ৫০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল, ৪টি চাকু, দুই জোড়া স্বর্ণের দুল এবং নগদ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। ডিবি জানায়, রাজধানীতে ছোঁ-মারা এই পার্টির প্রায় ১০০ সদস্যের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রত্যেকের দিনপ্রতি অন্তত ৩টি মোবাইল ছিনতাইয়ের টার্গেট থাকে। সে হিসেবে ঢাকায় প্রতিদিন অন্তত ৩০০ মোবাইল ছিনতাই হয়। বাস-ট্রেন বা প্রাইভেটকারে চলাচলরত যাত্রীরা মোবাইলে কথা বলার সময় জানালা দিয়ে ছোঁ-মেরে নিয়ে যায় চক্রটি। এছাড়া গাড়ির জানালা দিয়ে যাত্রীদের বা পথচারীদের ব্যাগ, স্বর্ণের চেন, ল্যাপটপও নিয়ে যায় তারা। ছিনতাইয়ের পর নামমাত্র দামে মোবাইলসহ বিভিন্ন পণ্য ‘মহাজনের’ কাছে বিক্রি করে তারা। এরপর ‘মহাজনরা’ নির্ধারিত দোকানে সেসব বিক্রি করেন। এসব দোকানি তুলনামূলক কমদামী মোবাইল ক্ষেত্রে খুচরা বাজারে বিক্রি করলেও দামী মোবাইলের যন্ত্রাংশ খুলে বিক্রি করেন। অনেক ক্ষেত্রে দামী মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বিক্রি, আবার কখনো দেশের বাইরেও পাচার করে দেন। ডিবির প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ বলেন, উত্তরখানে বিসমিল্লাহ মোবাইল সার্ভিসিং নামে একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে ছোঁ-মারা পার্টির দল নেতা ও চোরাইমাল ক্রয়-বিক্রয়কারীসহ চক্রের ১৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। চক্রটির নেতৃত্বে মহাখালী থেকে টঙ্গী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ১৫-১৬ টি স্পটে ছিনতাই কার্যক্রম চলতো। চক্রের নেতা মিজান, জয়, বাবু ও শরীফের নেতৃত্বে ছিনতাইকারীরা বাস, প্রাইভেটকার ও সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের কাছ থেকে ছোঁ-মেরে মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও গলার চেনসহ মূল্যবান মালামাল কেড়ে নেয়। এরপর সেসব চোরাইমাল ক্রয়-বিক্রয়কারী সুমন, ফারুক ও আশরাফুল ইসলাম সজিবের মাধ্যমে বিসমিল্লাহ মোবাইল সার্ভিসিং নামেও ওই দোকানে বিক্রয় করতো। তিনি বলেন, গ্রেফতারদের বেশিরভাগই মাদকাসক্ত। সাধারণত মাদক কেনার টাকা জোগাড় করতেই তারা ছিনতাই করে। কখনো কখনো দলনেতা তথা মহাজনরাই তাদেরকে মাদক সরবরাহ করে। যাতে তাদেরকে দিয়ে ছিনতাই কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া যায়। চক্রের সদস্যরা গ্রেফতার হলে তাদের জামিন করানো এবং পরিবারকে অর্থ সহায়তাও করে থাকে এই মহাজনরা। চক্রের প্রায় ১০০ সদস্য প্রতিদিন ছিনতাইয়ের জন্য বের হয়। তাদের প্রতিদিন অন্তত ৩টি মোবাইল ছিনতাইয়ের টার্গেট থাকে। তাহলে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ মোবাইল ছিনতাই করে থাকে। ডিবি প্রধান বলেন, ছিনতাইকৃত এসব মোবাইলের মধ্যে দামী হলে সবকিছু আলাদা করে যন্ত্রাংশ বিক্রি করে, কখনো বাইরে পাঠিয়ে দেয়। আমরা অনেকের নাম পেয়েছি, তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এ সমস্যা সমাধানে আমাদের মূলে যেতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করলে জামিনে বের হয়ে আবার এ কাজে জড়িয়ে পড়ে। এজন্য তাদের শাস্তির পাশাপাশি রিহ্যাব সেন্টারে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আমাদেরও অন্ধকার জায়গা এড়িয়ে চলা কিংবা গাড়িতে চলাচলের সময় জানালার পাশে ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া উচিৎ।
    ব্যাংকারদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে পূর্বাচল
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কন্ঠস্বর: দেশের ব্যাংকার কমিউনিটির বৃহত্তম রেজিস্টার্ড ক্লাব ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (বিসিবিএল) বার্ষিক পিকনিক-২০২৩ অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজধানীর পূর্বাচলে। ২ সহস্রাধিক ব্যাংকার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ পিকনিক ব্যাংকারদের বৃহত্তর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বাচলে অবস্থিত সী শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে পিকনিকের উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও সেলিম আরএফ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের সভাপতি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ আকতার, সহসভাপতি মো. লুত্ফুল হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফকির পিন্টু প্রমুখ। বার্ষিক পিকনিকে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে ছোট-বড়দের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করবে ক্লাবের নিজস্ব মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘বিসিবিএল বিটস্’ এবং সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া ও তার দল। আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে। ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ডটকম।
    রাজধানীর দারুসসালামে অজ্ঞাত কিশোরের মরদেহ উদ্ধার 
    রাজু আহমেদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ঢাকা): রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম থানাথীন গৈদারটেক এলাকা থেকে আনুমানিক ১২ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে দারুসসালাম থানা ও গাবতলী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এঘটনায় রোববার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে দারুসসালাম থানা পুলিশ। দারুসসালাম থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গৈদারটেকের হাড্ডিপট্টি বালুর মাঠ এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় এক কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে দারুসসালাম থানা পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক দারুসসালাম থানা পুলিশ ও গাবতলী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় উপস্থিত জনসাধারণের কেউই তার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গাবতলি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই মানিক সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, স্থানীয় জনসাধারণের সংবাদের ভিত্তিতে দারুসসালাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গৈদারটেক এলাকা থেকে আনুমানিক ১২ বছর বয়েসী এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। তবে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।   
    চালু হলো পল্লবী স্টেশন, ৭ মিনিটে পল্লবী টু আগারগাঁও
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: চালু হয়েছে মেট্রোরেলের পল্লবী স্টেশন। বুধবার থেকে রাজধানীর এই স্টেশনে যাত্রী উঠা নামায় থামছে ট্রেন। সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে এ স্টেশনের কার্যক্রম চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয় দিনই মেট্রোরেলে চলাচল করছে। একইসঙ্গে মেট্রোরেলের চলাচলের সময়েরও পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মিরপুরের যাত্রীদের নতুন একটি চলাচলের পথ উন্মুক্ত হলো। মেট্রোরেলের মাধ্যমে তারা এখন অনায়াসে উত্তরা ও আগারগাঁও যেতে পারবেন। প্রথমদিন রাজধানীর উত্তরা থেকে ট্রেনটি মিরপুরের পল্লবী স্টেশনে যখন পৌঁছে, তখন সকাল ৮ টা ৩৫ মিনিট। যাত্রী ওঠার পর ট্রেনটি আগারগাঁওয়ের উদ্দেশ্য রওনা হয় ৮টা ৩৭ মিনিটে। পল্লবী থেকে আগারগাঁও আসতে যাত্রীদের সময় লেগেছে মাত্র ৭ মিনিট। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড-ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক জানান, তিনটি স্টেশনে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করবে। তবে টিকিট কাটার সুবিধার্থে যাত্রীদের জন্য গেট খোলা হবে সকাল ৮টা থেকে। ট্রেনগুলো আগের মতোই ১০ মিনিট পরপর চলাচল করবে। ডিএমটিসিএলের মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রথম দিনের শুরুতে পল্লবী স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কম। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে। গত ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও মেট্রোরেল চালু হয়। এতদিন এ দুটি স্টেশনে যাত্রীরা চলাচল করতে পারতেন। আজ বুধবার থেকে পল্লবী স্টেশনে ট্রেন থামতে শুরু করেছে। ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ দিয়াবাড়ী-আগারগাঁও রুটে স্টেশনের সংখ্যা ৯টি। আজ পল্লবীসহ সচল হচ্ছে তিনটি। উত্তরা সেন্টার, উত্তরা সাউথ, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া স্টেশনে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ট্রেন থামবে। পল্লবী থেকে আগারগাঁওয়ের ভাড়া ৩০ টাকা। দিয়াবাড়ীর ভাড়াও ৩০ টাকা।
    সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড
    জাহিদ হোসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম জনাকীর্ণ আদালতে ওই রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী রবিউল ইসলাম (২৮) সাতক্ষীরা সদরের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা।  মামলার বিবরণে জানা গেছে, রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত স্ত্রী রাবেয়া খাতুন (১৮) এর কাছে ১ লাখ টাকা যৌতুক চাইলে রাবেয়ার বাবা শহিদুল বিশ্বাস ৭০ হাজার টাকা দেন। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্য রাবেয়া খাতুনকে প্রায়ই মারপিট করতেন রবিউল ইসলাম। একপর্যায়ে যৌতুকের বাকি টাকা না দেওয়ায় ২০১৪ সালের ৬ জুন সন্ধ্যা ৬ টায় রবিউল ইসলাম শ্বাসরোধ করে রাবেয়াকে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় বাদী হয়ে নিহত রাবেয়ার বাবা শহিদুল বিশ্বাস ২০১৪ সালের ৭ জুন রবিউলসহ ৫ জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার কয়েকদিন পর আসামী রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা থানার এসআই তানভির হোসেন ওই বছরের ১৭ নভেম্বর এজাহারভুক্ত ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেন।  সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিশেষ পিপি জহুরুল হায়দার বাবু বলেন, ‘১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন আসামী রবিউল ইসলাম। ১৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দী ও সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে আসামী রবিউল ইসলামকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশ এবং বাকি ৪ আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। এছাড়া রবিউল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’ আসামী রবিউল ইসলামের ভাই হাসানুজ্জামান বলেন, ‘এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।’
    ক্রিকেটের মত দেশের ফুটবলও একদিন এগিয়ে যাবে: ব্যারিস্টার সুমন
    মতিন রহমান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, মাগুরা: মাগুরায় বেরইল সুন্দরবন ক্লাব বনাম ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমি মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মাগুরা সদর উপজেলার বেরইল সুন্দরবন ক্লাব মাঠে আতিয়ার রহমান নান্নুমিয়া স্মৃতি ফ্রেন্ডসকাপ ফুটবল ২০২৩ টুর্নামেন্টের এই খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসেন খেলা প্রিয় হাজারো দর্শক। ৯০ মিনিট খেলা শেষে পেনাল্টি সর্টে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে বিজয়ী হয় ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমি। এসময় খেলাধুলার বিষয়ে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, দেশে ক্রিকেট যে ভূমিকা রেখেছে ফুটবলও একদিন এগিয়ে যাবে। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে তরুণদের গড়ে তুলতে হবে বলে মনে করেন তিনি।  খেলাটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন বেরইল গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তাজ আহমেদ ও আরিফুর রহমান রেশাদ সহ বেরইল সুন্দরবন ক্লাবের সভাপতি সাবেক ফুটবলার কাজী রেজোয়ান সৈনিক। তরুণদের মাদক থেকে বিরত রাখতে এই খেলার আয়োজন বলে জানায় আয়োজকরা।  
    ভোমরা স্থলবন্দরে দফায় দফায় হয়রানীর শিকার বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীরা
    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের দফায় দফায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) সদস্যদের বিরুদ্ধে। ফলে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত হ্রাস পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে যেখানে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পাসপোর্টযাত্রীদের বাংলাদেশ-ভারত যাতায়াত করেছে সেখানে জানুয়ারীতে নেমে গেছে তলানীতে। বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের অভিযোগ, ‘বৈধ পথে আসলেও পথে পথে বিভিন্ন জায়গায় বিজিবি তাদের তল্লাশি করছে। ভারত থেকে সঙ্গে আনা পণ্য আটক দেখিয়ে রেখে দেয়া হচ্ছে। এসব পণ্যের কোনো কাগজপত্র বা সিজার লিস্ট দেয়া হচ্ছে না। প্রতিবাদ করলে দেওয়া হচ্ছে মামলা দিয়ে চালান দেয়ার হুমকি।’  সরেজমিনে দেখা যায়, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ব্রীজ পার হতে না হতেই ভারত থেকে আগত বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের ব্যাগসহ যাবতীয় মালামাল তল্লাসী করছে বিজিবি। এরপর ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট চেকিং শেষে বের হলেই কোন কোন পাসপোর্ট যাত্রীদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আইসিপি ঘরে। সেখানে ব্যাগ থেকে পণ্য নামিয়ে ফের করা হচ্ছে তল্লাসী। এরপর সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়ার পর পাসপোর্ট যাত্রীরা যাচ্ছেন কাস্টমসে। সেখানে মালামাল চেকিং শেষ করে বাইরে আসতে না আসতেই আবার পাসপোর্ট যাত্রীদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিজিবির আইসিপি ঘরে। ব্যাগ থেকে পণ্য ইচ্ছামতো মেঝেতে নামিয়ে পুণরায় তল্লাসী চালানো হচ্ছে। আর একটু বেশি মালামাল পেলেই ঠনকু অজুহাতে সেগুলো রেখে দেওয়া হচ্ছে। একজন পাসপোর্ট যাত্রীর কাছ থেকে কিকি পণ্য নেওয়া হলো তার কোন সিজার লিস্টও দেওয়া হচ্ছেনা। এরপর সেখান থেকে ছেড়ে দিলে ভোমরা স্থলবন্দরের শেষ সীমানার বাঁশকলে এবং আলীপুর বিজিবি চেকপোস্টে আবারো চেক করা হচ্ছে।  ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগণার প্রফুল্ল নগর এলাকার বাসিন্দা পিন্টু বিশ্বাস(পাসপোর্ট নং আর০৬৯১০৪৩) বলেন, ‘আমি ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে দ্বিতীয় বার আসলাম। আত্মীয়দের দেওয়ার জন্য আমি সাথে করে একটি কম্বল, কিছু ইমিটেশন পণ্য নিয়ে এসেছিলাম। যেগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭ হাজার টাকা। ইমিগ্রেশন, কাস্টমস কম্পিলিট করার পর রাস্তায় আসামাত্র বিজিবি ডেকে নিয়ে আমার সকল পণ্য রেখে দিয়েছে। আমি অনেক রিকোয়েস্ট করলাম তবুও আমার কিছুই ফেরত দেওয়া হয়নি। তারা বলেছেন, ‘এগুলো ট্যাক্স হয়। আপনি ট্যাক্স দেননি। আমাদের মালামাল যদি এভাবে রেখে দেয় তাহলে আমরা আসবো কি করে? আমাদের যেন এরূপ হয়রানী করা না হয় সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমরা দাবী জানাচ্ছি।’  ভারতের কৃষ্ণনগর গোয়ালদাহ এলাকার সুজিত বিশ্বাস (পাসপোর্ট নং ভি১২৩৩২৪৮) বলেন, ‘আমি এই প্রথম বাংলাদেশে এসেছি। সাথে করে আমি ৫টি শাড়ী নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু বিজিবি আমার সেই শাড়ী ৫ টা নিয়ে নিয়েছে। আমি অনেক রিকোয়েস্ট করেছি। বলেছি স্যার আমিতো ব্যবসা করিনা। এগুলো আত্মীয়-স্বজনদের জন্য এনেছি। তবুও তারা মানেনি। কাস্টমস সহ সকল জায়গা কম্পিলিট করার পরও যদি বিজিবি আমাদের জিনিস এভাবে নিয়ে নেয় তবে এখানে কাসটমস থাকার দরকার কি? আমরা যে পরিমাণ হয়রানির শিকার হচ্ছি তাতে ভোমরা বর্ডার দিয়ে আর আমরা আসবোনা এবং কেউ যাতে না আসে সেজন্য নিষেধ করবো।’  খুলনা এলাকার পাসপোর্টযাত্রী ইয়াছিন বলেন, কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দারা ব্যাগ তল্লাশি করে ছেড়ে দিয়েছে। তারপর গেট পার হলে রাস্তার উপর থেকে বিজিবি ডেকে নিয়ে ওই একই ব্যাগ খুলে তল্লাশি করেছে। তারপর শুনছি সামনে আরো কয়েক জায়গায় বিজিবি তল্লাসী করবে। এটা কি কোনো সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে?  ভোমরা স্থলবন্দরের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পাসপোর্টযাত্রীর কাছ থেকে বিজিবি যেসব পণ্য রেখে দিচ্ছে তার কোনো কাগজপত্র দিচ্ছে না। এই পণ্যগুলো কোথায় কীভাবে যাচ্ছে বা কাস্টমসে সঠিকভাবে জমা হচ্ছে কি-না তার কোনো সঠিক প্রমাণাদি থাকছে না। ওইসব পণ্যের মালিক থাকার পরও মালিকবিহীন দেখিয়ে তারা সিজ করছে। এর আগে বিজিবি পাসপোর্টযাত্রীদের কাছ থেকে যেসব পণ্য আটক করতো তাদের নাম ও পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে কাস্টমসে জমা দিত এবং যাত্রীদের এক কপি কাগজও দিয়ে দিত। ওই কাগজ নিয়ে যাত্রী কাস্টমস থেকে সরকারি শুল্ক পরিশোধ করে পণ্য চালান ছাড় দিতে পারতেন। কিন্তু সিজার লিস্ট না দেওয়ার ফলে যাত্রীরা ওই পণ্য সরকারি শুল্ক দিয়ে ছাড়িয়ে নিতেও পারছেন না। আটক সব পণ্য কাস্টমস গোডাউনে জমা করা হয় কি না তা নিয়েওতো প্রশ্ন আছে। ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার হিসেবে ওহিদুল ইসলাম আসার পর থেকে সরকারি ভ্রমণ কর দিয়ে বৈধপথে ভারত থেকে ব্যবহারের কিছু জিনিসপত্র আনার পরও বিজিবির হাতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন পাসপোর্ট যাত্রীরা। কাস্টমসের একটি সূত্র জানায়, বন্ডেড এলাকার মধ্যে বৈধ পাসপোর্টযাত্রীদের কোনো পণ্য দেখার নিয়ম না থাকলেও তারা এটা দেখছে আমাদের করার কিছু নেই। এনিয়ে বার বার বৈঠক হওয়া স্বত্তেও বিজিবি তা মানছে না।  ভোমরা ইমিগ্রেশনের ওসি মাজরিয়া হোসাইন বলেন, ‘গত ডিসেম্বরের চেয়ে জানুয়ারী মাসে পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত কমে গেছে। তবে কি কারণে কমে গেছে সেটি বলতে পারবোনা।’  ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের কাস্টমস আইনে ইন্ডিয়ান নাগরিকের জন্য ১০ টাকারও লাগেজ সুবিধা নেই। এছাড়া ইন্ডিয়ান নাগরিকের কাছ থেকে যে পণ্য আমরা সিজ করি তার কোন সিজার লিস্ট আমরা দেইনা। আমরা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করি। বিজিবি আইন, পুলিশ আইন, মাদক দ্রব্য আইন শেখার পর এই ভোমরায় এসে আমাকে কাস্টমস আইন শেখা লেগেছে। এজন্য আমি সকল বিষয় জানি।’  বৈধ পথে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানী করা অমানবিক উল্লেখ করে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান বলেন, ‘যাদের সন্দেহ হয় তাদের বিজিবি চেক করুক। ১০০ জনের মধ্যেতো আর ১০০ জনইতো আর খারাপ না। ইচ্ছামতো সকলকে চেক করা বন্ধ হওয়া উচিৎ। আমরা বিভিন্ন মিটিং এই বিষয়ে কথা বলেছি কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি।’  এ ব্যাপারে জানার জন্য সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটলিয়ান অধিনায়কের মোবাইল নম্বরে একাধিক বার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 
    চোর সন্দেহে স্কুলছাত্রকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ২
    জাহিদ হোসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নবম শ্রেণির স্কুলছাত্র সুরাইমান বিল্লাল (১৫) কে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের মামলায় ঘের মালিক ও কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে সাতক্ষীরার তালা থানা পুলিশ। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, তালার আড়ংপাড়া গ্রামের সাদেক গাজীর ছেলে ও ঘের মালিক জাকির গাজী (৪৫) ও ঘেরের কর্মচারী সোহেল ফকির (২০)। তালা থানার ওসি চৌধুরী রেজাউল করিম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, টাকা চুরির অপবাদে স্কুল ছাত্রকে নির্যাতনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া এখনো এক আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আড়ংপাড়া গ্রামে (কুলিন্দার বিলে) জাকির গাজীর ঘের থেকে এক হাজার টাকা চুরির অভিযোগ এনে তেরছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ও লাউতাড়া গ্রামের মান্নান গাজীর ছেলে সুরাইমান বিল্লালকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে ঘের মালিক জাকির গাজী, ঘেরের কর্মচারী সোহেল ফকির ও জয়দেবের বিরুদ্ধে।  ওই ঘটনায় স্কুলছাত্রের দাদা হোসেন গাজী বাদী হয়ে তালা থানায় মামলা করেন।
    বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় সাতক্ষীরা পৌর মেয়র চিশতী কারাগারে 
    জাহিদ হোসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাতক্ষীরার পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ও পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।  মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ হুমায়ুন কবির তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।   মামলা সূত্রে জানা গেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন, খালেদা জিয়াসহ আলেম ওলামাদের মুক্তিসহ ১০ দফা দাবিতে সাতক্ষীরা শহরে বিক্ষোভ করে জামায়াত। সে সময় নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে ১৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এঘটনায় সদর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে তাজকিন আহমেদ চিশতী ও জেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুর রউফসহ অজ্ঞাত ২ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং জি আর ৯৬২/২২। সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি আব্দুল লতিফ বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১৫(৩)/২৫-ডি এর ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের ৩/৪/৬ ধারার মামলায় চিশতীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।  তাজকিন আহমেদ চিশতী এর পক্ষের আইনজীবী ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী জানান, ঘটনার দিন জামায়াতের মিছিল হয়েছিলো। ২৪ ডিসেম্বরের ঘটনায় তাকে আসামী করা হয়েছে। অথচ তাজকিন আহমেদ চিশতী তার মায়ের অসুস্থ্যতা জনিত কারনে গত ২২ ডিসেম্বর ভারতে গমন করেন এবং ফিরে আসেন ২৬ ডিসেম্বর। তারপরও তাকে ওই মামলায় আসামী করা হয়েছে। পাসপোর্টের ফটোকপিসহ ভারতে যাওয়ার এবং অবস্থানের সকল প্রমান আদালতে উপস্থাপন করা হলেও তার জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত।   
    চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ
    ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৬৭০ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১৩ হাজার ৭২০ জন। তার আগের বছর ছিল ১২ হাজার ১৪৩ জন। বুধবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ এফলাফল ঘোষণা করেন। নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার অংশ নেয় এক লাখেরও কম পরীক্ষার্থী। যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৮৯ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৭৪ হাজার ৩২ জন। গতবার ছিল ৮৯ হাজার ৬২ জন। যা গতবারের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে। এদিকে, পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১১১টি কেন্দ্রে ২৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯৩ হাজার ৯৯৭ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র পাসের হার ৭৭ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ছাত্রী পাসের হার ৮২ দশমিক ৯২ শতাংশ। গতবছর যেখানে ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১০২ জন পরীক্ষার্থী। গতবারের মত এবারেও ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল বেশি এবং পাসের হারও বেশি। তবে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেয় ১৮ হাজার ৬৯৩ জন। পাসের হার ৯১ দশমিক ৩০ শতাংশ।মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নেয় ৪২ হাজার ২৫ জন। পাসের ৭৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে এবার অংশ নেয় ৩৩ হাজার ২৭৯ জন এবং পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এআই 
    দর্শণার্থীদের কাছে বিনোদন স্পটে পরিণত কক্সবাজার শিল্প ও বানিজ্য মেলা
    কক্সবাজারে আগত দেশী-বিদেশী পর্যটক ছাড়াও স্থানীয়দের কাছে বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে কক্সবাজার শিল্প ও বাণিজ্য মেলা।  বিশ্বের দীঘতর্ম সমূদ্র সৈকতসহ বিভিন পর্যটন স্পটগুলোর পাশাপাশি বাড়তি স্থান করে নিয়েছে শিল্প ও বানিজ্য মেলার বিভিন্ন প্রর্দশনী। প্রতিদিন বিকাল থেকে দর্শণার্থীদের ঢল নামে এমেলায়। দিনের বেলায় সৈকতের বালিয়াডিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ঘুরাঘুরির পরে সন্ধ্যায় বানিজ্য মেলায় বিনোদনে মগ্ন রয়েছে স্থানীয় ও পর্যটকেরা। কক্সবাজার বানিজ্য মেলার ও সমুদ্র সৈকত, বিপণী কেন্দ্রসহ জেলার পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের কোলাহলে হয়ে ওঠেছে। রাস্তা-ঘাটে সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক যানজট। ইতোমধ্যে সৈকতসহ বানিজ্য মেলায় বিভিন্ন প্রর্দশনী দেখার জন্য স্থানীয়দের সাথে সাথে পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। বানিজ্য মেলায় রয়েছে শিশুদেরও বিনোদনের জন্য মেট্রো ট্রেন, রাউন দোলনা, নৌকা দোলনাসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা। দেশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন মিলে প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে মেলায়। এছাড়াও নাগরদোলা, স্পীড বোট, রেল, পানিতে বল ভাসানো, দোলনা, নৌকা বাইচ ও যাদু প্রর্দশনী।  এবারের মেলায় স্টল রয়েছে ১০০টি সাধারণ স্টল ও ২টি ফুড স্টল। মেলায় অংশ নেয়া প্যাভিলিয়ন ও সাধারণ স্টলে রেডিমেড গার্মেন্টস, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্পজাত, আচারের স্টল, পাটজাত, গৃহস্থালি ও উপহারসামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টক, পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনী সামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি ও ফার্নিচারসহ এসব স্টলও রয়েছে। মেলায় আসা শিক্ষার্থী আসমাউল হোসনা ও নিশি মনি জানান, নৌকা দোলনা, নাগরদোলা, ফাইভার ইলেকট্রিক চর্কি ও মিনি হাতি ঘোড়ায় চড়ে প্রচুর আনন্দ পেয়েছি। দেখেছি যাদু প্রদর্শনীও। শিশুদের বিনোদনের জন্য মেট্রো রেলসহ ওয়াটার স্পীড বোট, জাম্পিং বেলুন, ওয়াটার বলে বাচ্চাদের নিয়ে ভীড় করে আছে মায়েরা। নানা ধরণের মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিয়েছি আমরা।  দিনে প্রকৃতির এদৃশ্য পর্যটকদের বিমোহিত করলেও সন্ধ্যার পর দেখা বা আনন্দের কিছু নেই- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অতীত সময়ে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, বৌদ্ধপল্লীতে হামলা, বিপুল রোহিঙ্গা আশ্রয় সর্বশেষ করোনা দূর্যোগ এভাবে একের পর এক সমস্যায় পরিকল্পিতভাবে এগুতে পারেনি কক্সবাজার। তাই রাতের বিনোদনে কোন স্থায়ী আয়োজন এখনো হয়ে উঠেনি।  জানা গেছে, সমুদ্র জলের নীল ঢেউের স্পর্শ লাগা স্থানে পিচঢালা দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। তারপাশেই সবুজ বৃক্ষরাজি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ পাহাড়। প্রাকৃতিক এদৃশ্য যেন নয়নাভিরাম-মোহনীয়। এর টানেই কক্সবাজার ছুটে আসছেন নানা বয়সী পর্যটক। কিন্তু গত মাস দুয়েক ধরে চলা কক্সবাজার শিল্প ও বাণিজ্য মেলা কক্সবাজারের স্থানীয় ভ্রমণপিয়াসী ও আগত পর্যটকদের রাতের বিনোদনের খোরাক যোগাচ্ছে। সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ঝাউবাগান ঘেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন পর্যটন গলফ মাঠে চলমান শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় রাত ১২টা পর্যন্ত কেনাকাটাসহ নানাভাবে বিনোদিত হচ্ছেন আগত আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা।  চট্টগ্রামের মিরসরাই হতে স্ব-পরিবারে বেড়াতে আসা সাহেদ ফেরদৌস লিমন বলেন, দিনে সৈকত ও প্রকৃতি দেখে সময়টা ভালোই কেটেছে সবার। কিন্তু সন্ধ্যার পর হোটেলের রুমে যেন সময় আর কাটছিল না। এক বন্ধু জানালো মোটেল শৈবালের পাশে মেলা চলছে।পরিবার নিয়ে এখানে এসে বিনোদিত হয়েছি। রাতের সময়টা ভালোই কাটলো। সদরের চৌফলদন্ডীর প্রবাসী জাহাঙ্গীর অভি বলেন, ভাই-বোন ও পরিবার নিয়ে সৈকতের বালিয়াড়িতে এসেছিলাম। সূর্য ডুবার পর আর কোথাও যাবার জায়গা পেলাম না। এত তাড়াতাড়ি বাড়িও ফিরতে মন চাইলো না। তাই মাইকের শব্দ শুনে মেলায় ঢুকেছি। এটা-সেটা কেনাকাটা, বিভিন্ন রাইডে চড়া, খাওয়ার মধ্যে কখন যে তিন ঘন্টা কেটে গেলো বুঝতেই পারিনি।   কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মেলা প্রাঙ্গণে রবিবার সন্ধ্যায় গিয়ে দেখা যায়, মেলার প্রধান ফটক নির্মিত হয়েছে রাজকীয় ফটকের আদলে। প্রবেশ মুখেই স্থাপন হয়েছে দৃষ্টিনন্দন পানির পোয়ারা। রয়েছি লাইটিংসহ সুউচ্চ টাওয়ার। বসানো হয়েছে ফায়ার ইউনিটি ও মেডিকেল টিম। ধূলো বালি কমাতে পুরো মাঠে ইট বিছানোর পাশাপাশি পরিবেশ মেলাময় রাখতে আলোকসজ্জায় ঝলমলে করা হয়েছে চারপাশ। গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়। মেলা আয়োজক কমিটির কো-চেয়ারম্যান শাহেদ আলী সাহেদ বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও মেলাটি ব্যতিক্রম ও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সাজানো। রয়েছে বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা। মেলায় বসেছে শতাধিক স্টল ও একাধিক মুখরোচক খাবারের দোকান। মেলায় অংশ নেয়া প্যাভিলিয়ন ও সাধারণ স্টলে প্রসিদ্ধ গার্মেন্টস, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্পজাত, পাটজাত, গৃহস্থালি ও উপহারসামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টক, পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনী সামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি ও ফার্নিচারের সমাহার। মেলায় স্বনামধন্য দেশীয় ব্র্যান্ড প্রাণ- আরএফএল, এসিআই, দেশী-বিদেশী কার্পেট, জামদানি ও রাজশাহী সিল্ক শাড়ির প্যাভেলিয়নও রয়েছে।  কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, পর্যটনে রাতের বিনোদনে স্থায়ী কিছু এখনো গড়ে উঠেনি। কিন্তু গত দুইমাস ধরে বাণিজ্য মেলাটিই রাতে পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থীদের বিনোদন অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। এনিয়ে পরিবারসহ বেড়াতে আসা দূরদূরান্তের পর্যটকরাও খুশি। মেলা আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক পৌর কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু জানান, মেলায় সার্বক্ষণিক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় চারপাশে-ভেতরে রয়েছে সিসিটিভি। রয়েছে পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকের গোয়েন্দা পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে মেলাস্থলে সব ধরনের হকার ও ভিক্ষুক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফুডকোটে অনিয়ম রুখতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মূল্য তালিকা।ইভটিজিং রোধে মেলায় রয়েছে পুলিশের বিশেষ টিম। আরো মাসখানেক থাকবে মেলার কার্যক্রম। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মেলার সিসি ক্যামরা সার্বক্ষনিক মনিটর করছে দায়িত্বরত পুলিশ। ইভটিজিংসহ যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে সচেষ্ট রয়েছে পুলিশের বিশেষ টিম। মেলায় স্থানীয় ছাড়াও বিদেশি ক্রেতা ও পর্যটক অংশ নিচ্ছেন, এটা আনন্দের। এআই
    কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অসুস্থ হয়ে শিশুর মৃত্যু
    কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে এসে অসুস্থ হয়ে এক পর্যটক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সৈকতের লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টের মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটনসেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ। শিশুটি বান্দরবান জেলার লামা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে ইসরাত জাহান কলি (১৩)। স্বজনদের বরাতে মাসুম বিল্লাহ বলেন, সকালে ইসরাত জাহান কলি বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। তারা সবাই ঘুরতে যান সমুদ্র সৈকতে। পরে পরিবারের স্বজনরা মিলে সৈকতের লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টের মাঝামাঝি এলাকার সাগরে গোসেল নামেন। গোসল শেষে সবাই বালিয়াড়িতে উঠে আসেন। পরে দুপুর ১ টার দিকে বাড়ীতে ফিরে আসার সময় সৈকতের বালিয়াড়ি মাথা ঘুরে পড়ে যায় ইসরাত জাহান কলি। স্বজনরা তাৎক্ষণিক তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। এসময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান পর্যটনসেলের এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) মো. আশিকুর রহমান বলেন, দুপুর দেড়টায় এক মেয়ে শিশুকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালে আনার আগে পথেই তার মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- হৃদরোগে তার মৃত্যু হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ জানান, শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের কোন আপত্তি না থাকার ব্যাপারে লিখিত আবেদন পাওয়ার পর ময়না তদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। পিএম
    কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
    কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় সমুদ্র সৈকতের রামু উপজেলার দরিয়ানগর পয়েন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের বয়স আনুমানিক ২৩ থেকে ২৪ বছর বলে তথ্য দিলেও তার নাম ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হিমছড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক হিমেল রায়। পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, দুপুরে সমুদ্র সৈকতের রামু উপজেলা অংশের দরিয়ানগর পয়েন্ট সাগর থেকে কূলে ভেসে আসা এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। তিনি জিন্স প্যান্ট ও শীতের জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে- মঙ্গলবার ভোর রাতে যে কোন সময় তার মৃত্যু হয়েছে। পরিদর্শক বলেন, এটি নিছক কোন দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকান্ড- এ ব্যাপারে পুলিশের নিশ্চিত কোন তথ্য নেই। ঘটনার রহস্য জানতে পুলিশ খোঁজ খবর নেওয়া অব্যাহত রেখেছে। নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান হিমেল রায়। আরআই
    রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বেলজিয়ামের রানি
    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেছেন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অন্যতম অ্যাডভোকেট বেলজিয়ামের রানি ম্যাথিল্ডে। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি প্রথমে উখিয়ার কুতুপালংয়ের তিন নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত এনজিও পরিচালিত একটি শিক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এরপর রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এছাড়াও ক্যাম্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ মানবিক সহায়তা বিষয়ক জাতিসংঘের নানা কার্যক্রম পরিদর্শন ও বিভিন্ন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এর আগে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান রানি ম্যাথিল্ডে। বেলজিয়ামের রানির সঙ্গে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল। রানির এসফর রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
    গাজীপুরে গলায় ছুরি মেরে বিকাশ এজেন্টের অর্থ লুট
    গাজীপর সদরে আতাউর রহমান (৪৫) নামে এক বিকাশ এজেন্টের গলায় ছুরি বসিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। যিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পিরুজালী সড়কঘাট বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনার পর আজ বুধবার তা প্রকাশ পায়। আহত আতাউর রহমান (৪৫) ঘটনার পাশ্ববর্তী এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। আতাউরের বড় ভাই মুজিবুর রহমানের ভাষ্যমতে, প্রতিদিনের ন্যায় দোকান বন্ধ করে নগদ টাকা ও বিকাশ এজেন্ট চালু থাকা মোবাইলটি নিয়ে রাতে বাড়ি ফিরতে রওনা দেন। বাড়ির প্রধান ফটকের কাছে পৌঁছলে পেছন থেকে অচেনা একজন গলায় ছুরি বসিয়ে দেয় এবং সঙ্গে থাকা অপর আততায়ী টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়। এতে সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও এজেন্ট সিমে থাকা সমস্ত অর্থসহ প্রায় চার লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়।  চিকিৎসকরা স্বজনদের জানিয়েছে, আততায়ীর ছুরিকাঘাতে আতাউরের কণ্ঠনালীর প্রায় ৯০ ভাগ কেটে গেছে। গুরুতর অবস্থায় ঘটনার পরপরই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাতাব উদ্দিন জানিয়েছেন, হামলার ঘটানায় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ না করলেও ঘটনাটি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।
    মির্জাপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে পুলিশের সভা
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে থানা পুলিশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার সময় থানা পুলিশের উদ্যোগে এই সভা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম, পরিদর্শক (তদন্ত) গিয়াস উদ্দিন, সেকেন্ড অফিসার মোশারফ হোসেন প্রমুখ। এ সময় উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সরকার হীতেশ চন্দ্র পুলক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক বিশ্বাস দুর্লভ চন্দ্র, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রমতেশ গোস্বামী শংকর, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন পাল, অধ্যাপক শিবপদ ঘোষ, যতীন সরকার, স্বপন কুমার মন্ডল, বিঞ্চু পাল, বাস্তনী রাণীসহ হিন্দু-সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ১৪ টি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করেন দূর্বৃত্তরা। উক্ত ঘটনায় মির্জাপুর উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী যেন উদ্বিগ্ন না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পুলিশ।
    সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের ৩৫ বছর পূর্তি ও ৩৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে বুধবার দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সোনারগাঁও রয়েল রির্সোটে বুধবার বেলা ১১টায় পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূইয়া। সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক।  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজওয়ার-উল-ইসলাম, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মাহফুজর রহমান ও ফিরোজ হোসাইন মিতা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার ফেন্সি,  সোনারগাঁও থানার ওসি (তদন্ত ) আহসানউল্লাহ,  জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য এডভোকেট নুরজাহান বেগম ও কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরিন সুলতানা ঝরা। অনুষ্ঠানে  সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হুসাইন সংস্কৃতি মন্ত্রলালয়ের মিডিয়া ফেলোশিপ পুরস্কার পাওয়ায় ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেয়া হয়। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে ৩৫ পাউন্ডের কেক কেটে দিনটি উৎযাপন করা হয়। এছাড়া দুর্বার নামে একটি স্মরনিকাও প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোক্তার হোসেন মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হুসাইন, প্রচার সম্পাদক খায়রুল আলম খোকন, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য মনির হোসেন, সদস্য হারুন অর রশিদ, সালমা আক্তার কণা, সুমন আল হাসান, মাহবুব হোসেন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও জি আর ইন্সটিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ফারুক হুসেইন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ হোসাইন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সোনারগাঁওয়ের সমন্বয় বেলায়েত হোসেন, সাংবাদিক জাকির হোসেন ঝন্টু, আক্তার হাবীব, গাজী মোবারক, প্রেস ইউনিটির সভাপতি ফরিদ হোসেন, সোনারগাঁও  থানার সেকেন্ড অফিসার ইমরান হোসেন প্রমুখ।
    ফরিদপুরে হত্যাচেষ্টা মামলায় আসামির ৭ বছর কারাদণ্ড
    ফরিদপুরে হত্যাচেষ্টা মামলায় চান্দু শেখ নামের এক আসামীকে ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একই মামলায় মনির শেখ নামের আরো এক ব্যক্তিকে ২ বছর ও বাকি ৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন, সাইফুল শেখ (২০), সাইদুল শেখ (২৫), বক্কার শেখ (৫৫), কালাম শেখ (৫০) ও রাকিবুল শেখ (২০)। সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তরুণ বাছাড়ের আদালত দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।  আদালতে বাদির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোসাদ্দেক হোসেন বশির। আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর উমা রানী দাস। রায়ের পরে বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোসাদ্দেক হোসেন বশির বলেন, আসলে ৩২৬ ধারার মামলায় দীর্ঘ সাজা হয় এমন নজির খুব কম। অপরাধীদের সাজা না হলে তারা আরো বেপরোয়া হয়। তাই এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। হত্যার উদ্যেশ্যে কাউকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করলে যে ছাড় পাওয়া যাবে না, এই রায়ে সেটা প্রমাণিত হয়েছে। এ রায়ের ফলে মানুষ তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ ও মারামারি থেকে বিরত থাকবে এবং এটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। রায়ের পরে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি উমা রানী দাস বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি। অপরাধী যেন ছাড় না পান এটাই রাষ্ট্রপক্ষের উদ্দেশ্যে। আর এ রায় সমাজের জন্য একটা বার্তা। মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরকান্দার আশফরদী গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ চান্দু শেখের নেতৃত্বে মনির শেখ ও আরো কয়েকজন মিলে বাদি ছালাম শরিফের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় বাড়িঘর ভাংচুর চালালে এতে বাধা দেন মামলার বাদি ছালাম শরিফ ও তার ভাই বাবলু শরিফ। পরে চান্দু শেখ রামদা দিয়ে বাবলু শরিফের মাথায় কোঁপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেইসাথে মনির শেখ ছেনদা দিয়ে সোহাগ শরিফের মাথায় আঘাত করে। এতে গুরুতর জখমের সৃষ্টি হয়।  এছাড়াও ভুক্তোভোগি পরিবারের একাধিক সদস্য লাঠিসোঁঠা দিয়ে উপর্যুপুরি মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত বাবলু শরিফ ও সোহাগ শরিফকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে উভয়ের মাথায় ১১ টা সেলায় দিতে হয় এবং দীর্ঘদিন হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকে।  পরে এ ঘটনায় মামলা হলে দীর্ঘ তদন্ত শেষে নগরকান্দা পুলিশ আসামীদের দোষী করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন। ২০২১ সালে আদালত চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন। পরে দীর্ঘ সাক্ষ্য শেষে ৭ তারিখ আদালত রায় ঘোষণা করেন। এআই
    মির্জাপুরে প্রশাসনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন সাংবাদিক সংগঠনের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।   মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার সময় উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এ আয়োজন করা হয়। এতে মির্জাপুর প্রেসক্লাব, মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি ও মির্জাপুর সাংবাদিক সংস্থার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা অংশ নেয়। সভায় মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানের নেয়া বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান, মির্জাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি নিরঞ্জন পাল, মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল ও মির্জাপুর সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. জোবায়ের হোসেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সৌজন্য উপহার দেয়া হয়। উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা হিসেবে প্রায় দুই বছর দায়িত্ব পালনকালে তিনি বেশ কিছু উদ্যোগের জন্য সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন। এরমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও মির্জাপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ, বেশকয়েকটি রাস্তা নির্মাণ, ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ উপহার এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসন স্কুলের দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো নির্মাণ উল্লেখযোগ্য। এআই 
    পিরোজপুরে আগুনে পুড়ে এক যুবকের মৃত্যু
    সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুর পৌর এলাকার ভাইজোড়া নামক স্থানে বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ডে সোহেল হাওলাদার (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।  স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩ টার দিকে পৌর এলাকার ছোট ভাইজোড়া নামক স্থানে নজরুল হাওলাদারের ছেলে সোহেলের বসতবাড়িতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে পিরোজপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে। আধাঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। ততক্ষনে ঘরে আটকা পড়ে আগুনে পুড়ে সোহেল ঘটনা স্থলেই মারা যায়।  সোহেলের বড় ভাই নাসির হাওলাদার জানান, গত রাতে সোহেল ওই ঘরে একাই ঘুম ছিলো। বন্ধ ঘরে আগুনে পুড়ে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হননি। তাদের ধারনা মশার কয়েল অথবা চুলার আগুন থেকে আগুন লাগতে পারে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাব অফিসার আব্দুর রশিদ হক বলেন, স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত সময়ে আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি কিন্তু ততক্ষণে ঘুমন্ত অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসারর ইনচার্জ (ওসি) আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
    পিরোজপুরের কিশোরীদের দিনব্যাপী সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
    সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কাউখালী অধিদপ্তরের উদ্যোগে সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী কাউখালী এস.বি সরকারি বালিকা বিদ্যালয়েল সভাকক্ষে দরিদ্র মহিলাদের পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের আওতায় কিশোরীদের সচেতনামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।  এস.বি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মেহের নিগার সুলতানা।  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল আহমেদ সুমন, কাউখালী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাসুম মিয়া, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নুসরাত নওশীন সুবর্ণা প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তফা কামাল। প্রশিক্ষণে অত্র বিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
    নানা আয়োজনে পিরোজপুরে গ্রন্থাগার দিবস পালিত
    সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস। এ উপলক্ষে রোববার দুপুরে জেলা গণ গ্রন্থাগারের আয়োজনে গ্রন্থাগার মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব আমিনুল ইসলাম। সরকারি গণ-গ্রন্থাগারের জুনিয়র লাইব্রেরিয়ান নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শেখ মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী। এ সময় বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সরকারি ইন্দুরকানি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এ কে এম মামুদুজ্জামান। পরে শেখ রাসেল দিবস, মহান বিজয় দিবস ২২০২ ও গ্রন্থাগার দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত রচনা, বই পাঠ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪০ জনকে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধান অতিথি।
    কাউখালীতে নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা
    সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা আমরাজুড়ি ইউনিয়নের আমরাজুরী ফেরিঘাট, সংযোগ সড়ক ও তৎসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সন্ধ্যা নদীতে বিলীন হবার পথে।  শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভাঙন কবলিত সন্ধ্যা নদীর তীরের ভাঙন হতে রক্ষাকল্পে প্রকল্প নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরিশাল দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মজিবুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ নাসির উদ্দিন, পিরোজপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী মাহবুবে মওলা ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।  এ সময় কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিয়া মনু, আমরা জুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন, সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আকবর হোসেন দুলাল, ঠিকাদার আব্দুল লতিফ সিকদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।  এলাকাবাসীর দাবি, এখনই ভাঙন রোধের ব্যবস্থা না করলে উক্ত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।  এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ মিয়া মনু জানান, আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সাহেবের মাধ্যমে আমরা স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ করার চেষ্টা করছি।
    চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দেওয়ার আহ্বান আমুর
    মো.নজরুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ঝালকাঠি): চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, শেখ হাসিনা মানুষের দোড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি হাসপাতালেই এখন বিশেষজ্ঞ কিচিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দিতে হবে।  বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। চিকিৎসা সেবার মান্নোয়নে সরকার নানা ধরণের পরিকল্পনা করে যাচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা আমির হোসেন আমু বলেন, সদর হাসপাতালের নতুন ভবন বরাদ্ধ দেয়ায় দ্রুতো এর উন্নয়ন কাজ চলছে। সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যা রূপান্ত করা হয়েছে। সুতরাং মানুষ যেন চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান।  অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
    শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
    শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মকবুল হোসেন ওরফে লাল (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি )দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. ইমান আলী শেখ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামি মকবুল হোসেন সদর উপজেলার মির্জাপুর কান্দিপাড়া গ্রামের মো. আশরাফ আলীর ছেলে ও তিন সন্তানের জনক৷ এদিকে একই ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মকবুল হোসেনের মা বকুলা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল৷ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, প্রায় ১৪ বছর আগে মকবুল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় ঝিনাইগাতী উপজেলার বাতিয়াগাঁও গ্রামের মো. রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে মোছা. নুরুন্নাহারের। দাম্পত্য জীবনে ২ মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয় তাদের সংসারে। কিন্তু ঘটনার ২/৩ বছর পূর্বে থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নুরুন্নাহারকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে স্বামী মকবুল হোসেন৷ এক পর্যায়ে ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নুরুন্নাহারকে যৌতুকের দাবিতে প্রচণ্ড মারপিট করে ও শ্বাসরোধে হত্যা করার পর মুখে বিষ ঢেলে তার লাশ জেলা সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় মকবুল হোসেন। ওই ঘটনায় পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি নুরুন্নাহারের বড় ভাই আব্দুল জলিল বাদী হয়ে মকবুল হোসেনসহ ৬ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং একইদিন মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২ নভেম্বর আসামি মকবুল হোসেন ও তার মা বকুলা বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার তৎকালীন এসআই শরীফ হোসেন৷ বিচারিক পর্যায়ে বাদী, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার দুপুরে মকবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও তার মা বকুলা বেগমকে খালাসের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।
    নালিতাবাড়ীতে খালে পানি নেই, বোরো আবাদের দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা
    শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার দুদুয়ার খালে পানি না থাকায় সেচ সংকটে পড়েছে ৩০০ একর বোরো আবাদ। গত এক সপ্তাহে খেতে সেচ দিতে না পারায় অধিকাংশ আবাদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে রুপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামের দেড় শতাধিক কৃষক আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁরা বিএডিসির মাধ্যমে দুদুয়ারখালে সপ্তাহে দুই দিন পানি দেওয়ার দাবী জানান। স্থানীয় একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও পাহাড় থেকে ঝর্ণার পানি দুদুয়ার খালে নেমে আসে। এই খালটি রুপাকুড়া ও মানুপাড়া হয়ে দক্ষিণ দিকে বইয়ে গেছে। বোরো মৌসুমে এই খালের পানি দিয়ে দুই গ্রামের প্রায় তিনশতাধিক কৃষক প্রায় ৫০০ একর জমিতে বোরো আবাদ করে থাকেন। এক মাস আগে রুপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামের শতাধিক কৃষক দুদুয়ারখালে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি মজুত করেন। ১৫ দিন আগে  সেই পানি দিয়ে রুপাকুড়া গ্রামে ২০০ একর ও মানুপাড়ায় ১০০ একর জমিতে বোরো চাষ করা হয়। কিন্ত দুদুয়ার খালে এক সপ্তাহ ধরে পানি না থাকায় খেতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ক্ষেতে ছোট ছোট ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।  সেচ সংকটের কারণে স্থানীয় কৃষকরা আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।  তাঁরা ফসল রক্ষায় দুদুয়ার খালের পাশে বিএডিসির সেচপাম্পের মাধ্যমে সপ্তাহে ১/২ দিন খালে পানি দেওয়ার দাবি জানান। তা না হলে রুপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামের শতাধিক কৃষকের ৩০০ একর বোরো আবাদ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তাঁরা  বিএডিসি ও কৃষি কার্যালয়ের সমন্বয়ে দ্রুত সেচ সংকট নিরসনের জন্য পদক্ষেপে নেওয়ার অনুরোধ করেন।  আজ মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রুপাকুড়া ও মানুপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, দুদুয়ারখালটি পানি না থাকায় শুকিয়ে রয়েছে। তার দুই পাশে কৃষক জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। কিন্ত খেতে পানি না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেতে ছোট ছোট ফাটল দেখা দিয়েছে। এসময় কৃষকরা সেচ সংকটের কারণে ফেটে যাওয়া আবাদ দেখিয়ে দুশ্চিন্তার কথা বলেন।  মানুপাড়া গ্রামের কৃষক মোস্তফা আলী (৫৩) বলেন, খালের পানিতে ১৫ হাজার টাকা কইরা একর প্রতি বর্গা নিইয়া তিন একর জমিতে ৯০ হাজার টাকা খরচ কইরা বোরো চাষ করছি। কিন্ত এক সপ্তাহ ধইরা খালে পানি নাই। ক্ষেতেও সেচ দিবার পাইতাছি না। ক্ষেতে ফাটল ধরছে যদি দুই একরে মধ্যে পানি দিবার না পাই তাইলে ফসল মইরা যাইবো। অহন বিএডিসির সেচ দিয়া যদি খালে পানি দেওন যাইতো তাইলে আবাদ লইয়া শতাধিক কৃষক বাঁচবার পাইতো। রুপাকুড়া গ্রামের কৃষক মাসুম মিয়া (৪৮) বলেন, বোরো আবাদ লইয়া আমরা মহা বিপদে পড়ছি। খালে পানি নাই তাই ক্ষেতে সেচ দিবার পাইতাছি না। খালের কাছেই বিএডিসির সেচপাম্প আছে। কৃষকগর কথা চিন্তা কইরা যদি সপ্তাহে এক বা দুই দিন খালে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা অইতো। তাইলে তিনশ একর বোরো আবাদ রক্ষা করা যাইতো।  নয়াবিল গ্রামের জুলহাস উদ্দিন (৫৫) বলেন, ঋণধার কইরা ১৫ কাঠা (শতক) জমিতে বোরো লাগাইছি। বাকি ২০ কাঠা জমি ভিজাইছি। ভাবছিলাম চাষ করমু।  কিন্ত খালে পানি না থাকায় আবাদের ক্ষেত শুকাইয়া গেছে। বাকি ২০ কাঠা কেমনে লাগাইমু। সরকার যদি পানি ব্যবস্থা না করে তাইলে কৃষকগরে আবাদ করার কোন উপায় থাকবেনা।  উপজেলা কৃষি সম্প্রাসারণ কর্মকর্তা মো.আনোয়ার হোসেন বলেন, সেচ সংকটের জন্য আবাদ ব্যহত হচ্ছে বিষয়টি কেও আমাদের জানাইনি। সেচ সংকট নিরসনে দ্রুত সেচ কমিটির সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফসল রক্ষায় সেচ দিতে প্রয়োজনে বিকল্প ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।   উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খৃষ্টফার হিমেল রিছিল বলেন, সেচ সংকটের বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি৷ সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷ আরআই
    ত্রিশালে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২   
    মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বৈলর বড়পুকুর পাড় নামক স্থানে আজ বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকালে দাঁড়ানো বালিভর্তি একটি ট্রাকের সাথে অপর একটি ট্রাকের সংঘর্ষে উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের চরকুমারিয়া গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে পথচারী মিলন মিয়া (২৪)ও ট্রাকের হেলপার (৪২) অজ্ঞাতনামা ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।  নিহত মিলন মিয়ার স্বজনরা জানান, সে একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।   ত্রিশাল থানা পুলিশ নিহত দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। নিহত ট্রাকের হেলপারের এখনো কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।  
    কাঁঠাল গাছে মেছো বাঘের বাচ্চা!
    মিজানুর রহমান, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার লোকালয় থেকে একটি মেছো বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বন্দভাটপাড়া গ্রামের বখতিয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাড়ির পাশের কাঁঠাল গাছ থেকে মেছোবাঘটি উদ্ধার করেন পুলিশ ও স্থানীয়রা । এদিকে মেছোবাঘ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সেটিকে দেখার জন্য ভিড় জমায় উৎসুক জনতা৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বন্দভাটপাড়া গ্রামের বখতিয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাড়ির পাশের কাঁঠাল গাছে বাঘের মতো এক বন্যপ্রাণী দেখতে পেয়ে থানা-পুলিশকে খবর দেন৷ পরে পুলিশ গিয়ে স্থানীয়দের চেষ্টায় মেছো বাঘের বাচ্চাটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। মেছো বাঘের বাচ্চাটির উচ্চতা প্রায় দেড় ফুট, লম্বায় আড়াই ফুট। সারা গায়ে ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। মুখমণ্ডল অনেকটা বিড়ালের মতো, গায়ের রং ধূসর৷ ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কাশেম বলেন, আমরা মেছো বাঘের বাচ্চাটি উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছি। বনবিভাগের রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিট কর্মকর্তা মো. মকরুল ইসলাম বলেন, এটি গারো পাহাড়ের জঙ্গলে অবমুক্ত করা হবে৷ এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আল মাসুদ বলেন, বন-জঙ্গলে খাবার না পেয়ে হয়তো মেছো বাঘের বাচ্চাটি লোকালয়ে চলে এসেছে। এটি অবমুক্ত করার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
    ত্রিশালে মহিলা কলেজের নতুন ভবন উদ্বোধন 
    মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রী কলেজের একটি  চারতলা বিশিষ্ট নান্দনিক শিক্ষা ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে।  রোববার সকালে ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী এমপি। ভবন উদ্বোধন পূর্ব এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন  জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী।  উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অধ্যাপক আবুল বাশারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিমুল হক তরফদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শোভা মিয়া আকন্দ, আশরাফুল ইসলাম মন্ডল, হারুন-অর-রশিদ, শফিকুল ইসলাম, খবিরুজ্জামান সহ আরো অনেকে।
    ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর পোস্ট দেওয়ায় যুবককে ১১ বছরের কারাদণ্ড 
    রংপুরের পীরগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার মামলায় পরিতোষ সরকার নামে এক যুবককে ১১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক ড. মো. আবদুল মজিদ এই রায় দেন। এ সময় আসামি পরিতোষ সরকার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে জেলার পীরগঞ্জে রামনাথপুর ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে পরিতোষ সরকারকে ঘটনার পরের দিন সোমবার জয়পুরহাট থেকে গ্রেপ্তার করে রংপুর জেলা পুলিশ। পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর পরের দিন ১৯ অক্টোবর পীরগঞ্জ আমলি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার দায় স্বীকার করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি রুহুল আমিন তালুকদার জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি পরিতোষ সরকারকে চারটি ধারায় ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর ও ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।  তবে সকল সাজা একত্রে চলায় তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে। একইসঙ্গে তাকে আদালত ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীম আল মামুন বলেন, এরায়ে ন্যায়বিচার প্রতিফলন ঘটেনি। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর রাতে ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বড়করিমপুর মাঝিপাড়া গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গ্রামটির ১৫ পরিবারের ২১টি বাড়ির সবকিছু আগুনে পুড়ে যায়। সব মিলিয়ে অন্তত ৫০ বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। হামলাকারীরা গরু-ছাগল ও টাকা নিয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পরিতোষ সরকারকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন পীরগঞ্জ থানার এসআই ইসমাইল হোসেন। এআই
    ফুলবাড়ীতে লীলাকীর্ত্তন অনুষ্ঠানে হাজারও ভক্তের ঢল
    বিশ্ব শান্তি কল্পে, ১৪তম আন্তঃ উপজেলা নামযজ্ঞ মহোৎসব উদযাপন পর্ষদ এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে চারদিন ব্যাপী মহা নামযজ্ঞ মহোৎসব ও অপ্রাকৃত লীলাকীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়েছে।  সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) নামযজ্ঞ মহোৎসব ও মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত লীলা কীর্ত্তণ উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা হাজারও ভক্তের ঢলে মূখরিত কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর শিমুলবাড়ী বিদ্যালয় প্রাঙ্গন। লীলাকীর্ত্তন প্রাঙ্গনে ভক্তের সমাগমে মূখরিত হয়ে উঠেছে। যেন এক মিলন মেলায় পরিনিত হয়েছে। ভক্তরা দুর-দুরান্তর থেকে লীলা কীর্ত্তনে এসে তাদের নিকট আত্মীয়-স্বজনদের দেখা হওয়ায় অনেকটা আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মনে হয় অনেক অনেক বছর পর আপন জনদের দেখা মেলে এই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে। এই অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে দুর-দুরান্তর ভক্তরা যেন শান্তিপূর্ণ ভাবে উপভোগ করতে প্রশাসনের কট্টর নিরাপত্তার ছিল অনুষ্ঠান প্রাঙ্গন। বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে সফল করতে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ও গ্রাম পুলিশসহ কমিটির লোকজনও কঠোর ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মঙ্গলবার রাত ১০ টায় লীলাকীর্ত্তন অনুষ্ঠান গিয়ে জানা দেখা, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন আন্তঃ উপজেলা নামযজ্ঞ মহোৎসব উদযাপন পর্ষদ (সংগঠনটি) গত ১৪ বছর ধরে এঅনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি শুশীল চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র সরকার। মঙ্গলবার রাত ১০টায় লীলাকীর্ত্তন অনুষ্ঠানে পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুমন কান্তী সাহা, ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফজলুর রহমান, ওসি (তদন্ত) সারওয়ার পারভেজ ও পিআইও সবুজ কুমার গুপ্ত প্রমূখ। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা থেকে অপ্রাকৃত লীলাকীর্ত্তন শুরু হয়। এই অপ্রাকৃত লীলা কীর্ত্তন বুধবার ভোর ৬টায় সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানটি জাঁকজঁমক পূর্ণ ভাবে অপ্রাকৃত লীলাকীর্ত্তন পরিবেশন করে লীলাশিল্পীরা। আর এই লীলাকীর্ত্তন উপভোগ করতে দুর-দুরান্তর থেকে আসা হাজার হাজারও ভক্তের মনকে জয় করেন শিল্পীরা। মঞ্চে এই চার গুণী লীলাশিল্পী নিজেই কাদঁলেন এবং হাজার হাজার ভক্তদেরকেও কাদাঁলেন বগুড়া থেকে আগত সারা জাগানো লীলাশিল্পী সুজাতা মোহন্ত, নওগাঁ থেকে সুকৃতি রানী, বগুড়া থেকে উত্তম দাসও যশোর থেকে আসা চৈতান্য দাস।  লালমনিরহাট থেকে আসা নারী ভক্ত শিউলী রানী রায় ও আতসী রায় জানান, অনেকদিন পর এই অনুষ্ঠানে এসে আমার আমাদের অনেক নিকটতম আত্মীয়-স্বজনদের দেখা পাই। তিনি আরো জানান, প্রায় দুই বছর পর তার বৃদ্ধ মাকে জড়িয়ে ধরেন। যেন এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শুধু শিউলী রানী নয় এই অনুষ্ঠানে এসে অনেক ভক্তই তার আপনদের দেখা পান এবং তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এর আগে রবিবার ধর্মীয় আলোচনা, কুইজ প্রতিযোগিতা, গীতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, ভজন সংগীত ও সম্মাননা স্মারকসহ শিক্ষার্থীদেরকে ক্রেস্ট প্রদান, সোমবার ভোরে অধিবাসের মধ্য দিয়ে নামযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয় ও মঙ্গলবার অপ্রাকৃত লীলা কীর্ত্তন পরিবেশন ও বুধবার দুপুরে কুঞ্জ ভঙ্গ ও মোহন্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। আন্তঃ উপজেলা নাম যজ্ঞ মহোৎসব উদযাপন পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিকচন্দ্র সরকার জানান, দুর-দুরান্তের ভক্তরা শান্তিপূর্ণ ভাবে মহানামযজ্ঞ মহোৎসব ও অপ্রাকৃত লীলা কীর্তন উপভোগ করেছে। এই চারদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ভাবে হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনসহ ফুলবাড়ী থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্টপোষক শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল আলম সোহেল জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর-দুরান্তর থেকে আসা হাজার হাজার ভক্ত অত্যান্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে চারদিন ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও লীলাকীর্তন উপভোগের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তী ঘটে। এআই
    কাউনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী
    তিস্তা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের দারিদ্রপীড়িত এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির একমাত্র ভরসা কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নত চিকিৎসার মূল্যবান যন্ত্রপাতি কেনা হলেও টেকনোলজিস্টদের অভাবে অযন্ত্র আর অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার মালামাল।  জরুরী প্রয়োজনে রোগীকে নিয়ে স্বজনদের ছুটতে হচ্ছে কাউনিয়া থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে রংপুর জেলা শহরে। সেখানে গিয়ে বেশি টাকায় করতে হচ্ছে এক্স-রেসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এই অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত মানুষের মনে বাড়ছে ক্ষোভ, হচ্ছেন অসন্তোষ। জানা গেছে, ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে ২০১০ সালে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ভবনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। এতে বরাদ্দ দেওয়া হয় অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটারসহ বেশ কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম। একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট না থাকায় অত্যাধুনিক মানের এক্স-রে যন্ত্র চালু করা সম্ভব হয়নি। ডেন্টাল সার্জন বদলি হওয়ায় দন্ত বিভাগটিও বন্ধ রয়েছে। উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের স্বাব্দী গ্রামের নুরু মিয়া জানান, হাসপাতালে তার স্ত্রী বুক ও পেটের ব্যথায় ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসক দুটি পরীক্ষার কথা বলেছিলেন কিন্তু সেখানকার এক্স-রে যন্ত্রটি অচল অবস্থায় পড়ে থাকাতে তাকে বাইরে থেকে এক্স-রে এবং আলট্রাসনোগ্রাম করাতে হয়। আর এতে তাকে ১ হাজার ২০০ টাকার বেশি গুণতে হয়েছে।    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রথম এক্স-রে যন্ত্রটি স্থাপনের বছর খানেকের মাথায় নষ্ট হয়ে যায়। এরপর বেশ কয়েক বার ভাল করার চেষ্টা করা হলেও কিছু দিন চালু থাকার পর আবার নষ্ট হয়ে যায়। এরপর যন্ত্রটি মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার চিঠি দিয়েও কোন কাজ হয়নি। ৭ বছর আগে আরেকটি আধুনিক ডিজিটাল এক্স-রে যন্ত্র এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রদান করা হয়, যা টেকনোলজিস্ট বা অপারেটরের অভাবে আজও চালু করা সম্ভব হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর হোসেন জানান, শুধু এক্স-রে যন্ত্র ২টি নয়, দীর্ঘদিন ধরে ইসিজি যন্ত্র, রক্ত সংরক্ষণের রেফ্রিজেরেটর, ডিস্টিলওয়াটার তৈরীর যন্ত্রটিও চালু করা যায় নি। হাসপাতালের নানাবিধ সমস্যার ব্যপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন কাজ হয়নি। বর্তমান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এমপির চেষ্টার ফলে অ্যাম্বুলেন্সের সমস্যা কেটে গেছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা আগের তুলনায় বেশ উন্নত। চিকিৎসক ও নার্স সংকট না থাকলেও টেকনোলজিস্ট সংকট রয়েছে। এক্স-রে যন্ত্র থাকলেও টেকনোলজিস্ট না থাকায় তা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা তারিন জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর নানা সমস্যার কথা জেনেছি। মন্ত্রী মহোদয় ও জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় সমাধানের জন্য এসব বিষয় তুলে ধরব। উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম মায়া বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমস্যগুলো সমাধানের জন্য মন্ত্রী মহোদয়কে জানানো হবে। আর আমাদের পরিষদ থেকে যতটুকো করা যায়, সেটি আমরা করতে চেষ্টা করব।  এআই
    রংপুরে দূর্নীতির অভিযোগে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
    পাঠদানে গাফিলতি, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, ম্যানেজিং কমিটি গঠনে জালিয়াতি, স্বাক্ষর জাল করা, খেয়াল-খুশিমত স্কুলে যাতায়াতসহ অনিয়ম-দূর্নীতির বিস্তর অভিযোগে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পাকুড়িয়া শরিফ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরাকে অসদচারণ ও দূর্নীতির দায়ে সরকারী কর্মচারী বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরাখাস্তের ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।  এলাকাবাসীর অভিযোগ ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গঙ্গাচড়ার বড়বিল ইউনিয়নের পাকুড়িয়া শরিফ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছেন। তিনি নিজের খেয়াল-খুশিমত স্কুলে যাতায়াত করেন। লেখাপড়া নিয়ে অভিভাবকরা অভিযোগ তুললে তাদের অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা, গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন, শিশু শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাত করাসহ নানা অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।  এনিয়ে এলাকাবাসীরা গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন-সমাবেশ কর্মসূচী পালন করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।  এ ঘটনায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাগমা শিলভিয়া খান দুই সদস্য বিশিস্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন।   গত বছরের ১০ অক্টোবর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আশেকুল আহাদ ও আল ইমরান সরেজমিনে তদন্ত করেন এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেখানে প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা'র বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়।    স্থানীয় অভিভাবক আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ স্কুলের শিক্ষকরা খেয়াল খুশি মত আসেন। মন চাইলে বাচ্চাদের পড়ান, না মন চাইলে যখন-তখন চলে যান। এতে করে শিক্ষার্থীরা কিছুই শিখতে পারছে না। আমরা প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনও করেছিলাম। গঙ্গাচড়া পাকুড়িয়া শরিফ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি চক্র ষড়যন্ত্র করেছে। তাদের কারণে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাগমা শিলভিয়া খান বলেন, পাকুড়িয়া শরিফ আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ ছিল। এর প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং সেই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা'র বিরুদ্ধে সময় মত স্কুলে যাতায়াত না করা, গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা, শিক্ষার্থীকে মারধর, স্বাক্ষর জালিয়াতি করা, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাত করার সত্যতা পাওয়া যায়। আমরা সেই তদন্ত প্রতিবেদন দু’মাস আগে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছিলাম।  গত ৩১ জানুয়ারী প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
    রংপুর বিভাগে ৪ হাজার ৬১৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার
    বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ঐতিহাসিক প্রতীক শহীদ মিনার। যে মিনার বাংলাদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসের সাক্ষী। অথচ রংপুর বিভাগের ৫০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো সেই শহীদ মিনার গড়ে তোলা হয়নি। ভাষা আন্দোলনের ৭০ বছর আর স্বাধীনতার ৫১ বছর পেরিয়ে গেলেও উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার গড়ে না ওঠায় শিক্ষার্থীরা সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারদের আত্মত্যাগের ইতিহাস জানতে পারছে না। শুধু তাই নয় বিভিন্ন জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানও করতে পারছে না।  এ নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, দ্রুত সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হোক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রংপুরসহ বিভাগের আট জেলায় ৯ হাজার ৫৪৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে ৪ হাজার ৯২৫টিতে। বাকি ৪ হাজার ৬১৯টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। তবে বিভাগের মধ্যে দিনাজপুর জেলায় প্রায় শতভাগ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। আর সবচেয়ে কম শহীদ মিনার রয়েছে গাইবান্ধা জেলায়। স্থানীয়রা জানান, যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই, তারা জাতীয় দিবসগুলোতে বাঁশ ও কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করে সেখানে ফুলেল শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদ ও সংগ্রামীদের স্মরণ করেন। আবার কেউ কেউ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের শহীদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকেন। এতে দুর্ভোগসহ নানা সমস্যা হয়। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি করছেন সর্বস্তরের মানুষ। রংপুর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলার ১ হাজার ৪৫৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে ৮৩৫টিতে, ঠাকুরগাঁওয়ে ৯৯২টির মধ্যে ৩৫৪টিতে, পঞ্চগড়ে ৬৬৩টির মধ্যে মাত্র ১২৩টিতে, দিনাজপুরে ১ হাজার ৮৭০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১ হাজার ৮৬৪টিতে, নীলফামারীতে ১ হাজার ৮৫টির মধ্যে ৮৩২টিতে, লালমনিরহাটে ৬৬৮টির মধ্যে ৪৪৭টিতে, কুড়িগ্রামে ১ হাজার ২৪০টির মধ্যে ২১৬টি রয়েছে এবং গাইবান্ধায় ১ হাজার ৪৬৫টির মধ্যে ২৫৪টিতে শহীদ মিনার রয়েছে। সরেজমিনে রংপুর মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষার্থী অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করে দিবসটি পালন করে থাকেন। আবার কেউ কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে গিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। ভাষা আন্দোলনের ৭০ বছর পরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলো না এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয়গুলোতে সরকারিভাবে শহীদ মিনার নির্মাণে বরাদ্দের অভাব রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়গুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণে বেসরকারিভাবে কেউ এগিয়ে আসে না। অনেক বিদ্যালয়ে জায়গা স্বল্পতার কারণে শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তারা বলেন, ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার তৈরি করতে হবে। রংপুরের ভাষাসৈনিক আশরাফ হোসেন বড়দা বলেন, সরকারি-বেসরকারি সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা উচিত। এই মিনার আমাদের ইতিহাস ও অর্জনের অন্যতম স্তম্ভ। বর্তমানে বিভাগের অর্ধেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। এতে করে জাতীয় দিবসগুলোতে শিক্ষার্থীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারছে না। ফলে তারা ইতিহাস চর্চার সুযোগ পাচ্ছে না। যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই, সেসব বিদ্যালয়ে জরুরি ভিত্তিতে শহীদ মিনার নির্মাণে সরকারের সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিকের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই, সেসব বিদ্যালয়ের তালিকা করে শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। বেশ কিছু বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হচ্ছে। বাকিগুলোর জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
    পাবনায় ঈগল পাখির দু'টি বাচ্চা উদ্ধার 
    পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দেশীয় প্রজাতির ঈগল পাখির দু'টি বাচ্চা উদ্ধার করেছে বন বিভাগের কর্মকর্তারা।  মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়নের দিয়ারপাড়া গ্রামের ফরহাদ আলীর বাড়ি থেকে ঈগল পাখির বাচ্চা দুটি উদ্ধার করা হয়।  বিকেলে পাখি দু'টিকে পাবনা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের ফরহাদ আলী ২০/২২ দিন আগে ভাঙ্গুড়া রেলস্টেশন সংলগ্ন কড়ই গাছের নিচে ঈগল পাখির দু'টি বাচ্চা পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তিনি পাখি দু'টি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে লালন পালন শুরু করেন।  এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় জাতীয় বন বিভাগের চাটমোহর উপজেলার কর্মকর্তা এ.জাহিদ হোসেন গিয়ে পাখি দু'টি উদ্ধার করে নিয়ে যান। এবিষয়ে চাটমোহর উপজেলা বন কর্মকর্তা এ.জাহিদ হোসেন বলেন, ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খানের নির্দেশনায় ঈগল পাখির বাচ্চা দু'টি উদ্ধার করা হয়। ঈগল পাখির বাচ্চা দুটিই সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে। উদ্ধার করার পরপরই পাখি দুটিকে পাবনা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।' উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঈগল পাখির বাচ্চা দুটি উদ্ধার করে পাবনা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এআই
    বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদনের খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ
    জাতীয় সংসদে “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ” বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে এই বিল পাশের খবর ছড়িয়ে পড়লে খুশির উৎসবে মাতেন জেলাবাসী। খুশির স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।   এদিকে এমন বড় উপহার দেয়ায় মানবিক প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের করা হয় বেশ কয়েকটি উপজেলায়। জেলার নিয়ামতপুর, সাপাহার, মহাদেবপুর, বদলগাছী ও পোরশা উপজেলায় আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এই আনন্দ মিছিল বের করা হয়।   পাবলিক এই বিশ্ববিদ্যালয় বিলটি পাশ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে নওগাঁর ২৭লক্ষ মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য খাদ্যমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। তিনি বলেন, এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নওগাঁ কিংবা উত্তারাঞ্চল নয় পুরো দেশের জন্যই শিক্ষার নতুন দার উন্মোচন করলো।  নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার বলেন, এটি নওগাঁবাসীর জন্য আর্শিবাদ সরুপ। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রয়াত আওয়ামীলীগ জননেতা আব্দুল জলিল, শিক্ষামন্ত্রী ড. দিপুমুনি, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারসহ স্থানীয় সকল সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান তিনি। সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে শিক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেলো দেশ। আমার পিতা প্রয়াত নেতা আব্দুল জলিলেরও স্বপ্ন ছিলো এমন একটি বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠার। দীর্ঘদিন পরে হলেও এমন একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী দিপুমুনিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।  এআই
    শাহজাদপুরে কাঁঠাল গাছে যুবকের লাশ, মৃত্যু নিয়ে রহস্য
    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কাঁঠাল গাছ থেকে সাদ্দাম হোসেন (২৮) নামের এক যুবককের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার গারাদহ ইউনিয়নের মশিপুর দক্ষিণ পাড়ার আব্দুর রাজ্জাক ব্যাপারীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম হোসেন পৌর শহরের চালা শাহজাদপুর মহল্লার ইসহাক প্রামাণিকের ছেলে ও এক সন্তানের জনক। পেশায় সে একজন ভ্যানচালক। জানা যায়, মশিপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের রাজ্জাক ব্যাপারীর বাড়ির আঙিনায় প্রতিবেশী তার ভাইয়ের বৌ আনিজা খাতুন কাঁঠাল গাছের সাথে এক ব্যক্তিকে রশির সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তার ডাকাডাকিতে রাজ্জাক ব্যাপারীর পরিবারের সদস্যরা ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। পরে শাহজাদপুর থানায় খবর দেওয়া হলে উপ-পরিদর্শক মো. সরোয়ারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্তলে উপস্থিত হয়। পরে থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম মৃধা ও পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর নিহতের লাশ নামিয়ে তার পকেট থেকে একটি কার্ডে পরিচয় পাওয়া যায়, পরে তার পরিবার কে খবর দেয়া হলে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে লাশ সাদ্দামের বলে সনাক্ত করে। এই বিষয়ে আনিজা খাতুন বলেন, ভোরে নামাজ শেষে বাইরে বেড়িয়ে দেখতে পাই আমার ভাসুর রাজ্জাক ব্যাপারীর কাঠাল গাছে একজন ঝুলছে। পরে সবাইকে ডেকে জমায়েত করলেও কেউ তাকে চিনতে পারেনি।  নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর যাবৎ সাদ্দাম মানুষিক অসুস্থ ছিল। সে তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সাথে দুর্ব্যাবহার করতো। এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম মৃধা বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ সিরাজগঞ্জ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরী হয়। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা এই নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। এআই
    সাহস আর দ্রোহের আরেক নাম কমরেড প্রসাদ রায়
    আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি: ‘রাজশাহীর খাপড়া ওয়ার্ডের লড়াকু যোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, শ্রমিক-মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু, আলোকিত এক নেতার প্রতিকৃতি ছিলেন কমরেড প্রসাদ রায়। নিজের ভুমিকার কারণেই তিনি জীবিতকালেই হয়ে উঠেছিলেন ‘সাহসের আরেক নাম ‘দ্রোহের প্রতিশব্দ’। তাঁর চিন্তা-চেতনা, আদর্শ ধারণ, লালনের মধ্য দিয়েই স্মরণে চির অম্লান হয়ে থাকবেন কমরেড প্রসাদ রায়।’ পাবনা প্রেসক্লাবের প্রবীণ সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন ও প্রগতিশীল বাম রাজনীতিবিদ প্রয়াত কমরেড প্রসাদ রায়ের ২৭তম স্মরণসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) শহরের আব্দুল হামিদ রোডে আখতারুজ্জামান টাওয়ারের ৫ম তলায় মিডিয়া সেন্টারে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্র পার্টি পাবনা জেলা শাখার সভাপতি সুলতান আহমেদ বুড়োর সভাপতিত্বে ও পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক কামাল সিদ্দিকী‘র সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ সদস্য সাংবাদিক ও নাট্যকার এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিক, সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর শহীদ মো. ইব্রাহিম, প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাঈদা সবনম, প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক আঁখিনুর ইসলাম রেমন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাম রাজনীতিক সালফি আল ফাত্তা, প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মাহফুজ আলম, সিপিপির সদস্য স্মরণ স্যানাল প্রমুখ। স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সদস্য দৈনিক ইছামতির নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা সতেজ, অধ্যাপক লিমন আমীর, সাংবাদিক প্রভাষক আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী, প্রভাষক জেসমিন আরা, প্রভাষক রোজিনা খাতুন, সাংবাদিক সুশান্ত সরকার, প্রবীর সাহা, নাহিদ রহমান। পিএম
    বেলকুচিতে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
    উজ্জ্বল অধিকারী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।  মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বেলকুচি সদর ইউনিয়নের মুলকান্দি দশখাদা চর থেকে এলাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরুল ইসলাম (২০) উপজেলার মুলকান্দি দশখাদা গ্রামের মৃত আব্দুর সালাম প্রামাণিকের ছেলে। তিনি তার চাচা নুরআলম প্রামাণিকের বাড়িতে বসবাস করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরে বাড়ির লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি। মঙ্গলবার সকালে মুলকান্দি চরের মধ্যে গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, সকালে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারনে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।  এঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
    উপহারের গাড়িটি জনসেবায় অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দিলেন হিরো আলম
    হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এসে উপহারের গাড়ি গ্রহণ করলেন সাম্প্রতিক সময়ের বহুল আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় নরপতি গ্রামে এসে প্রিন্সিপাল এম মখলিছুর রহমানের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র ও চাবি গ্রহণ করেন। তবে উপহারের এই গাড়িটি হিরো আলম নিজে ব্যবহার করবেন না। এটি দরিদ্র মানুষের জন্য রোগী ও লাশ বহনের কাজে ব্যবহারের করার ঘোষণা দেন। হিরো আলমকে উপহার বুঝিয়ে দিতে নরপতি গ্রামের শিক্ষক এম মখলিছুর রহমানের বাড়ি সেজে ছিল বর্ণিল সাজে। কয়েকশ মানুষের সামনে গাড়িটি হিরো আলমকে বুঝিয়ে দেন তিনি। হিরো আলম উপহারের গাড়ি পেয়ে বলেন, ‘ভালবাসার উপহার গাড়ি গ্রহণ করলাম। আমার গাড়ি আছে। এখানে এসেছি ভালবাসার টানে। এই ভালবাসার উপহার আমি গ্রহণ করেছি। তবে গাড়িটি দরিদ্র রোগী ও লাশ পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হবে।’ শিক্ষক এম মখলিছুর রহমান বলেন, ‘হিরো আলম বাংলার বাঘ। বগুড়ায় দুটি আসনে নির্বাচনের সময় ফেসবুকে আমার ভাই এই বাংলার নায়ক হিরো আলমকে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে ছোট্ট উপহার হিসেবে ফেসবুকে মাইক্রো (নোয়া) গাড়িটি উপহার দেওয়ার জন্য ঘোষণা দেই। আজ হিরো আলম এসে গাড়িটি গ্রহণ করেছেন।’ এদিকে চুনারুঘাটের নরপতি গ্রামে আসার পথে শায়েস্তাগঞ্জে অধিক স্পিডে গাড়ি চালানোর অপরাধে হিরো আলমকে ২৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম।
    উপহারের গাড়ি নিতে এসে মামলা খেলেন হিরো আলম!
    বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে জরিমানা ও মামলা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তাকে এ জরিমানা করে হাইওয়ে পুলিশ। জেলার চুনারুঘাট উপজেলার এক শিক্ষকের দেওয়া উপহারের গাড়ি আনতে যাচ্ছিলেন হিরো আলম। পথে বেপারোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে মামলার আওতায় এলেন তিনি। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈনুল ইসলাম জানান, শায়েস্তাগঞ্জ থানার সামনের মহাসড়কে সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু হিরো আলমের টয়োটা ফিল্ডার গাড়িটি ৯০ কিলোমিটার গতিতে যাচ্ছিল। এ সময় গাড়িটি আটকের পর ২৫০০ টাকার মামলা দেওয়া হয়েছে।
    মূল্য তালিকা না থাকায় তাহিরপুরে তিন দোকানে জরিমানা
    জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ভোক্তা অধিকার আইনে তিন দোকানীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ভ্রাম্যমাণ আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি আসাদুজ্জামান রনি।  সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি সকালে সাড়ে ১১টায় তাহিরপুর সদর বাজারে এই জরিমানা করেন। জানা যায়, উপজেলা সদর বাজারের বিভিন্ন দোকানে পন্যের মূল্য তালিকা না থাকায় ও বিভিন্ন পন্যের মূল্য বেশী রাখায় অভিযোগে এই অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পন্যের মূল্য তালিকা না থাকায় আরমান মেশিনারীজ, মুক্তা টেলিকম ও ইসলাম টেলিকম প্রত্যাককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমান আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশন ভূমি আসাদুজ্জামান রনি জানান, আজকে সকালে বাজারে তিনটি দোকানে ভোক্তা অধিকার আইনে জরিমানা করে ব্যবসায়ীদের সর্তক করা হয়েছে। সরকারী নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য রাখলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, কোনো ছাড় দেয়া হবে না। 
    সুনামগঞ্জে ইজিবাইক চাপায় এক শিশুর মৃত্যু
    জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ইজিবাইক চাপায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটি উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সুখাইড় গ্রামের রতন দাসের ছেলে ঋত্তিক দাস (৪)।  রবিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সুখাইড় গ্রামের দক্ষিণ পাশের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।  এঘটনায় ইজিবাইক চালক ইয়ামিন মিয়া কে আটক করেছে র্ধমপাশা থানা পুলিশ। সে একেই ইউনিয়নের শরীয়তপুর গ্রামের মৃত নবী হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলার সুখাইড় গ্রামের দক্ষিণের জমিতে সকালে ঋত্তিক দাসের চাচা কাজ করছিলেন। ঋত্তিক তার চাচার মোবাইল ফোন দিতে সেখানে গ্রামের দক্ষিণ পাশের সড়কে দিয়ে যাচ্ছিল এসময় ইজিবাইক চাপায় ঋত্তিক গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী জামালগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এঘটনায় ইজিবাইক চালককে আটক করা হয়েছে এব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
    হবিগঞ্জে গালি দেয়ায় খুন হয় শিশু তিশা
    মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জে শিশু তিশা আক্তার (৯) হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ক্রিকেট বল মাথায় পড়ে আঘাত পেয়ে গালি দেওয়াই কাল হয়েছে তার। স্টাম্পের আঘাতে তাকে হত্যা করেছেন সিরাজুল ইসলাম আব্দাল (১৮) নামের এক তরুণ। শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি-১ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আব্দাল। তিনি সদর উপজেলার ছোট বহুলা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। আদালতের বরাত দিয়ে সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মমিনুল ইসলাম বলেন, ১০ জানুয়ারি সকালে তিশাদের বাড়ির পাশে ক্রিকেট খেলছিলেন সিরাজুল ইসলাম আব্দাল। খেলার সময় তার ক্রিকেট বল তিশার মাথায় লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিশা তাকে গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে আব্দাল হাতে থাকা স্টাম্প দিয়ে তিশার মাথায় আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। সিরাজ ভয়ে পালিয়ে যান। এসআই আরও বলেন, এঘটনায় তিশার মা বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি ও তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে আব্দালই তাকে হত্যা করেছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ও কল লিস্টের সূত্র ধরে মৌলভীবাজারের রাজনগর থানার কোনাগাঁও প্রেমপুর গ্রাম থেকে আব্দালকে আটক করে পুলিশ।  শনিবার সন্ধ্যায় জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

    অনলাইন ভোট

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    শুরু হয়েছে ভেনিস কার্নিভাল ২০২৩
     বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী ও ইউরোপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণীয় ভেনিস কার্নিভাল শুরু হয়েছে।  প্রতিবছর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ও ফেব্রুয়ারি মাসে এই সময় কার্নিভাল উপলক্ষে ভেনিসে জড়ো হয় সারাবিশ্বের লাখো পর্যটক। প্রায় ১৮ দিনের টানা কার্নেভাল উৎসবে শীতের মাঝে ইউরোপের আনন্দের নগরীতে পরিণত হয় ভেনিস।  শহরের প্রতিটি পথেঘাটে বসে পর্যটনের পসরা। সড়কে জ্বলে ঝলমলে আলো, রঙিন রাজসিক পোশাক আর ঐতিহ্যবাহী মুখোশে আবৃত মানুষ মেতে ওঠেন উৎসবের রঙে। ভেনিস কার্নিভালের বড় আকর্ষণ থাকে নানান শোভাযাত্রাকে ঘিরে, থাকে নৌ-প্যারেড, ডিজে সেট, কনসার্ট এবং বাহারি খাবারের আয়োজন।  তবে করোনার ভয়াল থাবায় দুই বছর কার্নিভাল বন্ধ ছিল ভেনিসে। এতে একরকম স্থবির হয়ে পড়েছিল পর্যটন শিল্পে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী শহর ভেনিসের অর্থনীতি।  শহর জুড়ে প্রায় তিনশতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনা কালিন খারাপ সময় কাটিয়ে বর্তমানে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। ভেনিস কার্নেভালের সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে মাস্ক, সেইসব মুখোশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অধিকাংশ নিয়ন্ত্রক ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।  ১৪০০ সালের শেষ দিকে যে কার্নেভাল উৎসব শুরু হয়েছিলো ভেনিসে, তা এখন ইতালি ও বিশ্ব ঐতিহ্য। উৎসবে মেতেছে ভেনিস সেই সঙ্গে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা, কারন ভেনিসের পর্যটকদের হাতে শোভা পাচ্ছে বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মুখোশ। এই উৎসবে স্থানীয় বাসিন্দার প্রতিযোগিতায় নামে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী কারুকার্য প্রদর্শনেরও। বাহারি এসব পোশাকের কোনও কোনওটি তৈরিতে সময় লেগে যায় প্রায় এক মাস। ইতালির স্বপ্নের শহর ভেনিস সেজেছে অপরূপ সাজে। তুষারপাতের এই সময়ে কার্নিভালকে উপলক্ষ করে আসতে শুরু করেছেন লাখ পর্যটকরা। আর এরই সঙ্গে সঙ্গে করোনা পরবর্তী সময়ে ইতালির অর্থনীতির চাকা ফের সচল হতে শুরু করেছে।  কার্নিভালে স্থানীয়দের পাশাপাশি বাংলাদেশি অসংখ্য পরিবার মেতে উঠেছে আনন্দে। তারা বলছেন, করোনা পরবর্তীতে দীর্ঘদিন পর ইতালিতে মুক্ত পরিবেশে কার্নিভালের অনুমতি মিলেছে। যা ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব দূর করবে বলে আশা প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। এআই
    সৌদিতে এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট তৈরি 
    আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৌদিআরব প্রতিনিধি: সৌদি আরব এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট তৈরি করেছে। 'সারা' নামের এই রোবটটি হল সৌদি আরবের প্রথম রোবট যে কিনা কথোপকথনে কথা বলতে পারে। রোবট সারার আছে দ্রুত বুদ্ধি এবং উপস্থিতি কাজের জ্ঞান। সৌদিআরবের রাজধানী রিয়াদে লাবীব ২০২৩ আন্তর্জাতিক কারিগরি সম্মেলনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সৌদি ডিজিটাল প্রদর্শনীতে দর্শকদের সামনে হাজির করা হয় সৌদির প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন এই রোবট সারাকে। আন্তর্জাতিক এই ফোরামের অন্যতম সহশিল্পী ছিলেন রোবট সারা। সবাই তার কাছে ছুটে আসেন কথা বলার জন্য রোবটটির সাথে সকল তাদের মত করে মতবিনিময় করেন। রোবটটি সৌদি ডিজিটাল এবং কিউএসএস দ্বারা নির্মিত। সারাহ" রোবটটিতে একটি ক্যামেরা রয়েছে যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজ করে, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের দূরত্ব বুঝতে পারে এবং দর্শনার্থীরা "হ্যালো সারাহ" বললে সে নিজ থেকে সকল কথার সঠিক উত্তর দেওয়া শুরু করে। রোবটটিতে একটি প্রাক-প্রশিক্ষিত মডেল রয়েছে যা বিভিন্ন সৌদির উপভাষা বুঝতে পারে, বাক্য বিশ্লেষণ করতে পারে, তাদের বিষয়বস্তু বুঝতে পারে এবং উপযুক্ত উত্তর প্রদান করে ।
    তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে প্রায় ৫ হাজার
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজারের কোটা ছুঁইছুঁই করছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তুরস্কে মৃত্যু তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আর সিরিয়ায় এই সংখ্যা দেড় হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধারণা করছে, ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছতে পারে ২০ হাজারে। ভূমিকম্পে ঘটনায় আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এসব মানুষের বেশির ভাগই ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীদের অভিযান চলছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে কয়েক হাজার বিল্ডিং। এ ঘটনায় তুরস্কে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় তুরস্কে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। সিএনএন তুর্কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেটিন কোকা বলেন, ‘দেশটির আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং দুর্যোগের মাত্রা উদ্ধারকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তুষারঝড় হওয়ার কারণে সাহায্যকারী হেলিকপ্টারগুলো সেখানে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার অভিযানে গতিতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।’ এদিকে, আজ মঙ্গলবার তুরস্কে উদ্ধারকারী ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী পাঠানোর নির্দেশ জারি করেছে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। আজ সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তুরস্কের প্রয়োজনে অতিরিক্ত সহায়তা ব্যবস্থা নিতে সরকারি সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। এর আগে গতকাল স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে এ ভূমিকম্প দেশ দুটিতে আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপের (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি গাজিয়ানটেপ প্রদেশের নুরদাগি এলাকা থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে আঘাত হানে। এর গভীরতা ছিল ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার।
    তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে ভূমিকম্প: নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৩শ’
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাত দশমিক আট মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল ও সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল। এতে এখন পর্যন্ত দুই দেশের এক হাজার তিনশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে জানা গেছে। ৪০ সেকেন্ড ধরে চলা এই ভূমিকম্পের কম্পন পৌঁছায় লেবানন ও সাইপ্রাাসেও। জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের পর এটাই তুরস্কে সবচেয়ে শাক্তিশালী ভূমিকম্প। ধারণা করা হচ্ছে, ধসে পড়া ভবনগুলোতে অসংখ্য মানুষ আটকা পড়েছে। কর্মীরা ধ্বসংস্তূপের মধ্য থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তৎপড়তা জোড়ালো করেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, তার দেশে ভূমিকম্পে ৯১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৮৩ জন। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবর অনুযায়ী, ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৩৮৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে, যাদের বেশির ভাগ আলেপ্পো, হামা, লাতাকিয়া ও তারতুস অঞ্চলের। ‘হোয়াইট হেলেমেটস’ হিসেবে পরিচিত সিরিয়া সিভিল ডিফেন্স নামের একটি গোষ্ঠী জানিয়েছে, সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় কমপক্ষে ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, আলেপ্পো, হামা, লাতাকিয়া ও তারতুসে ৬৪৮ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে হোয়াইট হেলমেটস জানিয়েছে, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আহত হয়েছে ৩৪০ জন। দেশটির দুর্যোগ ও জরুরি অবস্থা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএফএডি) বরাত দিয়ে টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭ মিনিটে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল কাহরামানমারাস প্রদেশের পাজারসিক জেলায়। উৎপত্তিস্থলে এর গভীরতা ছিল ৭ কিলোমিটার। পাজারসিকের পর তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গাজিয়ানটেপ প্রদেশে ৬.৪ ও ৬.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
    তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াতে পারে
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস)। ইউএসজিএস বলছে, নিহতের সংখ্যা এক হাজার থেকে ১০ হাজার জনে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে ৪৭ শতাংশ। ১০০ থেকে ১ হাজার হওয়ার শঙ্কা ২৭ শতাংশ। অন্যদিকে কম্পনে প্রাণহানি ১০ হাজার থেকে ১ লাখ হওয়ার শঙ্কা ২০ শতাংশ। ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় কমপক্ষে ৫২১ জনের মৃত্যু ও প্রায় তিন হাজার মানুষ আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশ দুটির কর্মকর্তারা। তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতাইয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে দেশটিতে মৃত বেড়ে ২৮৪ জন হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২ হাজার ৩২০ জন। সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহমেদ দামিরিয়েহর বরাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে ২৩৭ জনের মতো মানুষের প্রাণহানি হয়েছে; আহত হয়েছে ৬৩৯ জন। যেসব অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়েছে সেখানকার ঐতিহাসিক ভূকম্পন, মারাত্মক ভূকম্পনের ঝুঁকিতে থাকা জনগণ এবং সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের ভবনগুলোর ঝুঁকিপূর্ণতার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি মডেল থেকে ইউএসজিএস তাদের পূর্বাভাস দিয়েছে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ইউএসজিএস বলেছে, ভূমিকম্পে তুরস্কের ১০০ কোটি থেকে ১ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি হতে পারে, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশের সমান। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি গাজিয়ানটেপ প্রদেশের নুরদাগি এলাকা থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে আজ সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে আঘাত হানে। এর গভীরতা ছিল ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার।
    ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক-সিরিয়ায় ৫ শতাধিক মৃত্যু
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় কমপক্ষে ৫২১ জনের মৃত্যু ও প্রায় তিন হাজার মানুষ আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশ দুটির কর্মকর্তারা। তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতাইয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে দেশটিতে মৃত বেড়ে ২৮৪ জন হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২ হাজার ৩২০ জন। সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহমেদ দামিরিয়েহর বরাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে ২৩৭ জনের মতো মানুষের প্রাণহানি হয়েছে; আহত হয়েছে ৬৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত বাহিনী ও বিদ্রোহী উভয়ের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি অবস্থা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএফএডি) বরাত দিয়ে টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭ মিনিটে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল কাহরামানমারাস প্রদেশের পাজারসিক জেলায়। উৎপত্তিস্থলে এর গভীরতা ছিল ৭ কিলোমিটার। পাজারসিকের পর তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গাজিয়ানটেপ প্রদেশে ৬.৪ ও ৬.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটি তুরস্কের ১০০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস)। ইউএসজিএস বলছে, এর আগে ১৯৩৯ সালে তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। জর্জিয়া টেক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব আর্থ অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক সায়েন্সেসের সহকারী অধ্যাপক কার্ল ল্যাং সিএনএনকে বলেছেন, ‘সোমবার যে এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে, সে এলাকায় ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক। সোমবারের ভূমিকম্পটি সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পগুলোর চেয়ে অনেক শক্তিশালী।’
    সৌদিতে অমুসলিমদের জন্য কবরস্থান তৈরির নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের
    আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৌদিআরব প্রতিনিধি: সৌদি মিনিস্ট্রি অফ মিউনিসিপ্যাল ​​ও গ্রামীণ অ্যাফেয়ার্স এবং হাউজিং সেক্টরের বেশ কয়েকটি মেয়রদেরকে তাদের অঞ্চলে অমুসলিমদের জন্য কবরস্থান স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে। অমুসলিমদের মধ্যে মৃত ব্যক্তিদের দাফনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য এবং তাদের মৃতদেহগুলিকে সীমিত সংখ্যক কবরস্থানে স্থানান্তর করার জন্য কাজ করছে, যদিও জেদ্দার গভর্নরেটে অবস্থিত অতীতে এমনটি ব্যবস্থা ছিল। ওয়াকিবহাল সূত্রের মতে, মন্ত্রণালয় মুসলিম কবরস্থানগুলির স্পেসিফিকেশনের বিপরীতে এই কবরস্থানগুলির জন্য নির্দিষ্টকরণ নির্ধারণ করেছে। তায়েফ মেয়র ঘোষণা করেছে যে, মৃতদের সম্মান জানানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র বিশেষজ্ঞদের সাথে একটি বৈঠক করেছে, এতে মৃত ব্যক্তির দাফন সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং মৃতদের পরিবারের জন্য স্বস্তি প্রদানের উপায় হিসেবে উক্ত কাজ করা হচ্ছে। মৃতদের  পরিবারের মধ্যে যৌথ সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেয়রগণ অমুসলিমদের মধ্যে মৃতদের জন্য কবর প্রস্তুত করার চেষ্টা করছে, সেইসাথে মৃতের আত্মীয়দের সাথে ইলেকট্রনিক সেবার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক দাফন সনদ যাতে পেতে পারে তা আরও সহজ করা হচ্ছে৷ প্রতিদিন কবরস্থানগুলিকে সজ্জিত করার জন্য কাজ করা হবে এর মধ্যে কবরস্থানের প্রাচীর নির্মাণ করা এবং খনন করা, মৃতদেহ ধোয়ার জায়গাসহ সমস্ত কিছু স্থাপন করা ছাড়াও দাফন অনুষ্ঠানের পরিচালনার সুবিধার্থে মৃতদেহের সাঁজ এবং প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা করা।  কবরস্থান পরিষ্কার করার পাশাপাশি কবরের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য মৃত ব্যক্তিদের আত্মীয়দের কবরের নিদিষ্ট অবস্থান জানা এবং পরে কবরস্থান পরিদর্শন করার সকল ব্যবস্থা করা হবে।
    তুরস্ক-সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়ালো ৩০০
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গাজিয়ানতেপে সিরিয়া সীমান্তের কাছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে সিরিয়া এবং তুরস্ক মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৩০০ ছাড়িয়েছে।  এই দুই দেশের বাইরে লেবানন ও সাইপ্রাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের নূরদাগি শহরের পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্প। অঞ্চলটি সিরিয়ার সীমান্তবর্তী। তুরস্কের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এজেন্সির বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭৬, এছাড়াও আহত হয়েছে ৪৪০ জন। অন্যদিকে বিবিসি বলছে, সিরিয়ায় ২৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কে প্রায় ৪৪০ জন এবং সিরিয়ায় ৬৩৯ জন আহত হয়েছে।     এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বহু মানুষ; পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   দিয়ারবাকিরে থাকা বিবিসির তুরস্ক প্রতিনিধি জানান, শহরটির একটি শপিংমল ধসে পড়েছে। গাজা উপত্যকায় থাকা বিবিসির প্রযোজক রুশদি আবুয়ালুফ জানান, তিনি যে বাড়িতে থাকেন সেখানে প্রায় ৪৫ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সিসমোলজিস্টরা ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭ দশমিক ৪ ছিল বলে জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, ভূমিকম্পটি আঘাত হানার কয়েক মিনিট পরেই দ্বিতীয় আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়।  তুরস্ক পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলোর একটিতে অবস্থিত। এর আগে ১৯৯৯ সালে দেশটির উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
    শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহত শতাধিক
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। শক্তিশালী ভূমিকম্পে এরই মধ্যে ১০০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব খবর জানানো হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় আজ সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে গাজিয়ানটেপ শহরের কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর গভীরতা ছিল ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার। রাজধানী আঙ্কারাসহ তুরস্কের অন্যান্য শহরেও এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। এছাড়া সিরিয়াসহ তুরস্কের প্রতিবেশী দেশগুলোতে ভূকম্পন অনুভূত হয়। তুরস্কের স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৫৩ জন নিহত হয়েছেন। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটির সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ২০০ জন। সিরিয়ার স্থানীয় একটি হাসপাতাল সূত্র আরও অন্তত আটজন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে। ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন উভয় দেশে মানুষ ঘুমে ছিল। দ্য গার্ডিয়ান জানায়, তুরস্কে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ধসে পড়া ভবনের ভেতরে অনেক লোক আটকে থাকতে পারেন। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ভূমিকম্পের ফলে ৩৪টি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। এই ধ্বংসস্তূপের তলায় বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা। ফলে, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
    পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ আর নেই
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সেনাশাসক পারভেজ মোশাররফ মারা গেছেন।  রোববার (৫ জানুয়ারি) দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার পরিবার এ তথ্য নিশ্চিত করে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, পারভেজ মোশাররফ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুবাইয়ের ‘আমেরিকান হসপিটাল’-এ ভর্তি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।  ডন জানিয়েছে, এর আগে গত বছরের জুনে পারভেজ মোশাররফ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সে সময় তিনি ভেন্টিলেটরে ছিলেন বলেও গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এমনকি তার মৃত্যুর গুজবও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে তা নাকচ করা হয়েছিল। মোশাররফের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তার পরিবার তখন একটি বিবৃতি দিয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, তিনি ভেন্টিলেটরে নেই। অসুস্থতাজনিত (অ্যামাইলয়েডোসিস) জটিলতার কারণে তিনি গত তিন সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার অবস্থা সংকটাপন্ন। শারীরিক অবস্থা ক্রমশ জটিলতর হচ্ছে এবং বিভিন্ন অঙ্গ অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে। সেই সব অঙ্গ আর কার্যকর করে তোলা সম্ভব নয়। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো পারভেজ মোশাররফের অসুস্থতার কথা জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়। তখন অল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এপিএমএল) জানিয়েছিল, তিনি বিরল রোগ অ্যামাইলয়েডোসিসে ভুগছেন। মানবশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও টিস্যুতে অ্যামাইলয়েড নামক একটি অস্বাভাবিক প্রোটিন তৈরির কারণে অ্যামাইলয়েডোসিস রোগ হয়। এই রোগ হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও টিস্যুগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। পারভেজ মোশাররফ ১৯৪৩ সালের ১১ আগস্ট ব্রিটিশ ভারতের দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালের ১৯ এপ্রিল তিনি কাকুলের পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি থেকে কমিশন পান। তিনি ১৯৯৮ সালে জেনারেল পদে পদে উন্নীত হন ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৯৯ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের শাসক ছিলেন। ২০১৯ সালে তাকে দেশদ্রোহীতার দোষে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। প্রাণদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়।

    বিনোদন

    সব দেখুন
    উপহারের গাড়িটি জনসেবায় অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দিলেন হিরো আলম
    হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এসে উপহারের গাড়ি গ্রহণ করলেন সাম্প্রতিক সময়ের বহুল আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় নরপতি গ্রামে এসে প্রিন্সিপাল এম মখলিছুর রহমানের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র ও চাবি গ্রহণ করেন। তবে উপহারের এই গাড়িটি হিরো আলম নিজে ব্যবহার করবেন না। এটি দরিদ্র মানুষের জন্য রোগী ও লাশ বহনের কাজে ব্যবহারের করার ঘোষণা দেন। হিরো আলমকে উপহার বুঝিয়ে দিতে নরপতি গ্রামের শিক্ষক এম মখলিছুর রহমানের বাড়ি সেজে ছিল বর্ণিল সাজে। কয়েকশ মানুষের সামনে গাড়িটি হিরো আলমকে বুঝিয়ে দেন তিনি। হিরো আলম উপহারের গাড়ি পেয়ে বলেন, ‘ভালবাসার উপহার গাড়ি গ্রহণ করলাম। আমার গাড়ি আছে। এখানে এসেছি ভালবাসার টানে। এই ভালবাসার উপহার আমি গ্রহণ করেছি। তবে গাড়িটি দরিদ্র রোগী ও লাশ পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হবে।’ শিক্ষক এম মখলিছুর রহমান বলেন, ‘হিরো আলম বাংলার বাঘ। বগুড়ায় দুটি আসনে নির্বাচনের সময় ফেসবুকে আমার ভাই এই বাংলার নায়ক হিরো আলমকে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে ছোট্ট উপহার হিসেবে ফেসবুকে মাইক্রো (নোয়া) গাড়িটি উপহার দেওয়ার জন্য ঘোষণা দেই। আজ হিরো আলম এসে গাড়িটি গ্রহণ করেছেন।’ এদিকে চুনারুঘাটের নরপতি গ্রামে আসার পথে শায়েস্তাগঞ্জে অধিক স্পিডে গাড়ি চালানোর অপরাধে হিরো আলমকে ২৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম।
    ইতিহাস গড়লো ‘পাঠান’
    বিনোদন ডেস্ক- পাঠান সিনেমা মুক্তির প্রথম দিন থেকেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে বলিউড ইতিহাসেই ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে আলাদা জায়গা করে নিচ্ছে সিনেমাটি। ভারত থেকে সিনেমাটির আয় ৪০০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’র। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় হয়েছে ৭০০ কোটি রুপির বেশি। ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমির খান অভিনীত দঙ্গল সিনেমাটি ভারত থেকে ৩৮৭ কোটি রুপি আয় করেছিল। গত সাত বছর ধরে এটিই ছিল ভারত থেকে সর্বোচ্চ আয় করা কোনো বলিউড সিনেমা। ভারত থেকে ৪০০ কোটি রুপির বেশি আয় করে পাঠান সিনেমাটি সেই রেকর্ড ভেঙে ফেললো। শুধু তাই না, বলিউড ইতিহাসের প্রথম সিনেমা হিসেবে ৪০০ কোটি রুপি আয় করার রেকর্ড গড়লো পাঠান। পাঠান সিনেমার চোখ এখন ইন্ডিয়ান দুই চলচ্চিত্র ‘কেজিএফ ২’ এবং ‘বাহুবালি ২’র হিন্দি কালেকশনের দিকে। পাঠানের আয় যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে সিনেমাটি অনায়াসেই আগামী পাঁচ দিনে “কেজিএফ ২”র হিন্দি সংস্করণের আয়কে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে যা বললেন হিরো আলম
    বিনোদন ডেস্ক- জাতীয় সংসদকে খাটো করতে বিএনপি মো. আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করেছিল বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দিয়েছেন। তার এ বক্তব্যকে ‘ঘৃণ্য মন্তব্য’ দাবি করেছেন বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে অল্প ভোটে হেরে যাওয়া এই স্বতন্ত্র প্রার্থী (একতারা প্রতীক)। শনিবার রাত ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন তিনি। হিরো আলম বলেন, 'আমার কথা আমাকে বিএনপি কেন দাঁড়িয়ে দিবে? তাহলে তো আমি বিএনপির সাইনবোর্ড নিয়ে ভোট করতাম। ভোটকেন্দ্রে দেখছেন বিএনপির কোন নেতা আমাকে সাহায্য করেছে। তারা কি মাঠে আমার পাশে ছিল? ছিলনা। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করেছি। আমাকে কিন্তু বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দেয়নি।' তিনি আরও বলেন, 'ওবায়দুল কাদের বলেছেন হিরো আলম জিরো হয়েছেন। এটা তিনি ভুল বলেছেন। হিরোকে কেউ কোনদিন জিরো বানাতে পারে না। হিরো হিরোই থাকে। কারণ আমাকে জিরো কেউ বানাতে পারেনি, পারবেও না। হিরোকে যারা জিরো বানাতে এসেছে তারাই জিরো হয়েছে।' বিএনপির কাঁধে ভর করে হিরো আলম এসেছেনে এ কথাও ওবায়দুল কাদেরের ভুল বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, হিরো আলম কারো কাঁধে ভর করে চলে না। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বলেন, 'এই সরকার অসহায় হয়েছে কিনা তা আমি জানিনা। কিন্তু হিরো আলম অসহায় হয়েছে। হিরো আলম বলেন, 'আমার যে ভোট, ভোটের ফলাফল যে কেড়ে নেওয়া হল সেই বিচার আমি কার কাছে দিবো? প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি বিচার দিলাম, আমার ভোট সুষ্ঠুভাবে হলো কিন্তু আমার ভোটের ফলাফল সুষ্ঠুমতো দেওয়া হলো না কেন।' তিনি বলেন,'অনেকে বলছেন, পার্লামেন্টকে ছোট করা হবে, হিরো আলম নির্বাচন করলে...। তাহলে পার্লামেন্টে যেতে হলে কিছু আইন করতে হবে। যার যোগ্যতা নেই সে যেতে পারবে না। যার লেখাপড়া নেই সে সংসদে যেতে পারবে না।' হিরো বলেন, 'আর একটা বিষয়ে আইন করছেন। যারা ভোট করবে স্বতন্ত্রভাবে তাদের ১ শতাংশ ভোটার তালিকা লাগবে। যদি তাই হয়, তাহলে দলীয়ভাবে যারা করবে তাদের ১ শতাংশ লাগে না কেন? আইন সবার জন্য সমান। তাহলে আইন চেঞ্জ করতে হবে। যারা দলীয়ভাবে বা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন, তাদের সবার ১ শতাংশ ভোটার তালিকা দিতে হবে। না হলে ১ শতাংশ তুলে দিতে হবে।' লাইভে হিরো আলম সবার উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আমি হিরো আলম চ্যালেঞ্জ করছি সুষ্ঠু নির্বাচন দেন। প্রতি সেন্টারে সিসি ক্যামেরা দেন। বুথে সিসি ক্রামেরা দেন। ইভিএম দিবেন না। কারণ ইভিএম হলো চোর। বাইরের দেশে ইভিএম ডাস্টবিনে ফেলে দিছে। সেটা আমাদের দেশ কুড়িয়ে নিয়ে এসে ভোট করছে। এখানেও কারচুপি হয়। ইভিএমের টিপি মারলে একটায় যায় আরেকটায়।’ লাইভের শেষের দিকে তিনি বলেন, ‘আমি হিরো আলম কোনো দলের সাথে জড়িত না। না বিএনপি, না আওয়ামী লীগ, না অন্য কোনো দল। তাই আপনারা আমাকে নিয়ে কোনো মাখামাখি করবেন না। আপনারা একজন আরেকজনকে দোষ দিবেন না আমাকে নিয়ে।’ হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪-এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ বিকেলে কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল মাঠে ‘বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ বিরুদ্ধে ‘শান্তি সমাবেশ’ করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। এতে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বললেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠল তার। তিনি ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে।’ ওবায়দুল কাদের এই বক্তব্যের জবাব দিতেই ফেসবুক লাইভে এসে এসব কথা বলেন হিরো আলম।
    ঢাকায় মুক্তি পেল হলিউড সিনেমা ‘মেগান’ 
    গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিনির্ভর ভৌতিক সিনেমা ‘মেগান’। মুক্তির পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা হলগুলোতে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে পুতুলের মতো দেখতে ভয়ংকর ভূত মেগান। বাংলাদেশের ভূতের সিনেমার ভক্তদের নড়েচড়ে বসার সময় চলে এসেছে। কারণ, ‘মেগান’ চলে এসেছে বাংলাদেশে। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেয়েছে ১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সিনেমাটি। কী আছে সিনেমার গল্পে? খেলনা প্রস্তুতকারক এক কোম্পানির রোবট-বিশেষজ্ঞ জেমা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চালিত একটি পুতুল তৈরি করে। জেমার বোন ও বোনের স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলে তাদের একমাত্র কন্যা কেডি (ভায়োলেট ম্যাকগ্রো) আশ্রয় নেয় জেমার কাছে। কেডির অভিভাবক জেমা হলেও সে কেডির দায়িত্ব দেয় মেগানের কাছে। কেডিকে দেখভালের দায়িত্ব ঠিকঠাকভাবেই পালন করে পুতুলটি; তবে দায়িত্বের নামে বাড়াবাড়িও করে। একসময় পুতুলটি সহিংস হয়ে ওঠে। এরপর একের পর এক ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী হতে থাকেন পর্দার সামনের দর্শকেরা। সাধারণ দর্শকের পাশাপাশি সমালোচকেরাও সিনেমাটির প্রশংসা করেছেন। মুক্তি মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আলোচিত সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রায় ১২ গুণ অর্থ আয় করেছে। সিনেমায় মেগান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যামি ডোনাল্ড ও জেনা ডেভিস। মেগানের নির্মাতা জেমা চরিত্রে অ্যালিসন উইলিয়ামস ও তার ভাগনি কেডি চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভায়োলেট ম্যাকগ্রো। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জেরার্ড জনস্টন।

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    ব্যাংকারদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে পূর্বাচল
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কন্ঠস্বর: দেশের ব্যাংকার কমিউনিটির বৃহত্তম রেজিস্টার্ড ক্লাব ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (বিসিবিএল) বার্ষিক পিকনিক-২০২৩ অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজধানীর পূর্বাচলে। ২ সহস্রাধিক ব্যাংকার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ পিকনিক ব্যাংকারদের বৃহত্তর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বাচলে অবস্থিত সী শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে পিকনিকের উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও সেলিম আরএফ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের সভাপতি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ আকতার, সহসভাপতি মো. লুত্ফুল হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফকির পিন্টু প্রমুখ। বার্ষিক পিকনিকে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে ছোট-বড়দের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করবে ক্লাবের নিজস্ব মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘বিসিবিএল বিটস্’ এবং সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া ও তার দল। আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে। ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ডটকম।
    রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির রেকর্ড
    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রিজার্ভ থেকে রেকর্ড পরিমাণ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউ উল হক বলেন, ‘সাত মাসে ৯২০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে পুরো অর্থ বছরেও রিজার্ভ থেকে এত পরিমাণ ডলার বিক্রি হয়নি। এর আগে ২০২১-২২ অর্থ বছরের পুরো সময়ে রিজার্ভ থেকে ৭৬২ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছিল। মেজবাউ উল হক বলেন, ‘দেশে প্রায় এক বছর ধরে ডলারের তীব্র সংকট চলছে। ডলারের এ সংকট কাটাতে উচ্চাভিলাষী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। এরপরও সংকট কাটছে না। এ জন্য জরুরি আমদানি দায় মেটাতেই বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চায়ন থেকে ডলার সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবুও আটকে থাকছে পণ্য। ডলার সংকটে ব্যাংক এলসি খুলছে না, শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করা যাচ্ছে না-  ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও হচ্ছে প্রয়োজন মতো। গত নভেম্বর থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার করে রপ্তানি হচ্ছে। আমাদের রেমিট্যান্স ও রপ্তানি মিলে ৪৪ বিলিয়ন আয় হয়েছে আর এলসিতে আমদানির দায় পরিশোধ হয়েছে ৩৯ বিলিয়ন ডলার। আমাদের রপ্তানিতে মিসম্যাচ আছে, যেটা ১৮০ দিনের আয় আসে তখন সমন্বয় হয়।
    ব্যাংকার্স ক্লাবের পিকনিকে মিডিয়া পার্টনার সময়ের কণ্ঠস্বর
    আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ব্যাংকার কমিউনিটির বৃহত্তম রেজিস্টার্ড ক্লাব ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের মিলন মেলা (বিসিবিএল বার্ষিক পিকনিক-২০২৩)। এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ডটকম। দেশের আড়াই হাজার ব্যাংকার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত সী শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই পিকনিক।  সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আনন্দময় সময় কাটাবেন অংশগ্রহণকারীরা। আয়োজনে থাকবে ছোট-বড়দের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।  এতে সংগীত পরিবেশন করবে ক্লাবের নিজস্ব মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘বিসিবিএল বিটস্’ এবং সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া ও তার দল।  আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি ২২ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিসিবিএল। একই বছরের ১০ জুলাই জয়েন্ট স্টক কোম্পানির নিবন্ধন নেয় ক্লাবটি। বর্তমানে ক্লাবের সদস্যসংখ্যা প্রায় ২ সহস্রাধিক। বেসরকারি ব্যাংক ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারাও এ ক্লাবের সদস্য।
    ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলায় আগ্রহের কেন্দ্রে দোয়েল ল্যাপটপ
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর: 'স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে সংযুক্তির মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ' এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী 'ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩'। উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং দেশে উৎপাদিত ডিজিটাল পণ্য সমূহকে জনগণের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্য নিয়ে শতাধিক দেশী বিদেশী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে এ মেলা। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় শতভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত দোয়েল ল্যাপটপ নিয়ে মানুষের মাঝে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। দোয়েল ল্যাপটপ তাদের উৎপাদিত কোর-আই৩, কোর-আই৫, কোর-৭ এবং এএমডি-৯৪২৫ প্রসেসরসহ ১২ জেনারেশনের নতুন আপকামিং প্রোডাক্ট নিয়ে মেলায় অংশগ্রণ করেছে। এর মাঝে এএমডি-৯৪২৫ প্রসেসরের ল্যাপটপটি দামে সাশ্রয়ী এবং ষ্টুডেন্ট ব্যবহার উপযোগী হওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে সাড়া ফেলতে সমর্থ হয়েছে। এছাড়াও টেশিস উৎপাদিত স্মার্ট প্রিপেইড এনার্জি মিটার এবং স্বল্প মুল্যের ডিজিটাল টেলিফোন সেট ক্রেতা চাহিদার শীর্ষে রয়েছে।
    আরও দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল এনআরবিসি ব্যাংক
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর: এনআরবিসি ব্যাংক উদ্ভাবনী সেবা ও দ্রুত সময়ে সর্বোত্তম সেবার প্রসারে দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। ‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)’ ও ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো-ফাইনান্স ব্যাংক’ শীর্ষক অ্যাওয়ার্ড দুটি দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন দ্য গ্লোবাল ইকোনমিক্স। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে জমকালো অনুষ্ঠানে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে পুরস্কার দুটি তুলে দেওয়া হয়। এসময় ব্যাংকের পরিচালক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ নাজিম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম আউলিয়া এবং আইসিটি বিভাগের প্রধান ও সিটিও দিদারুল হক মিয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সহজ শর্ত ও স্বল্পসুদে ঋণ দিতে ২০২১ সালের মার্চে বিশেষ ক্ষুদ্রঋণ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। খুব অল্প সময়ে সারা বাংলাদেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষুদ্রঋণ পেয়েছেন। এই সেবার দ্রুত প্রসারের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো ফাইন্যান্স ব্যাংক-২০২২’ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাতের মুঠোয় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা সহজে দেওয়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০১৯ সালে ‘এনআরবিসি প্ল্যানেট অ্যাপ’ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। উদ্ভাবনী এই অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কিউআর কোড ব্যবহার করে কার্ড ও চেক ছাড়া টাকা উত্তোলনের সুবিধা চালু হয়। এছাড়া এই অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা স্থানান্তর, মোবাইল ব্যাংকিং, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সরকারি সেবার বিল প্রদান, মোবাইল রিচার্জ, ব্যাল্যান্স অনুসন্ধানসহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা রাত-দিন সবসময় যে কোনো স্থানে বসে পাওয়া যায়। তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবনী এ সেবা চালুর জন্য ‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)-২০২২’ দেওয়া হয়েছে। এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল বলেন, প্রবাসীদের স্বপ্নের এই ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খুব সহজে সব মানুষের দুয়ারে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়া। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মোবাইলঅ্যাপের মাধ্যমে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি। আর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ যারা ব্যাংকিং থেকে বঞ্চিত, তাদের জন্য চালু করেছি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প। এতে বিনাজামানতে স্বল্পসুদে ঋণ নিয়ে ঘরে বসেই তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। এসব ভালো কাজের আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গরিব মানুষের ভরসা ও আস্থার ব্যাংকে পরিণত হতে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে এনআরবিসি ব্যাংক। সারাবিশ্বের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘বার্ষিক গ্লোবাল ইকোনমিক্স অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে এনআরবিসি ব্যাংক। সাধারণ মানুষের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে সর্বপ্রথম উপ-শাখা ধারনায় ব্যাংকিং শুরু করে ব্যাংকটি। এরই মধ্যে ১০৩টি শাখাসহ সারাদেশে এক হাজারেরও বেশি উপ-শাখা, বুথ ও বিভিন্ন সেবাকেন্দ্র রয়েছে। উদ্ভাবনী সেবার জন্য এর আগে দুইবার ছয় ক্যাটাগরিতে এশিয়ার সেরা ব্যাংক হিসেবে- সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বেস্ট ডিলার ব্যাংক, আরটিভি কৃষি পদক, এসিএস চালানের মাধ্যমে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ রাজস্ব সংগ্রহকারী ব্যাংকের স্বীকৃতি পেয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।
    আবারও বাড়ল চিনির দাম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বাজারে চিনির সংকটের মধ্যেই আবারও পণ্যটির দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরএ)। খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে নতুন দাম। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। বিএসআরএ’র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে চিনি। খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম। প্রতি কেজি পরিশোধিত খোলা চিনি বিক্রি হবে ১০৭ টাকায়। আর পরিশোধিত প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হবে প্রতি কেজি ১১২ টাকায়। দেশের চিনির বাজার এখনও অস্থির। বাজারে প্যাকেটজাত চিনি নেই বললেই চলে। এমনকি ডিলার পর্যায়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত চিনি। আবার যাও পাওয়া যাচ্ছে, তাও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। বিএসআরএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির ঊর্ধ্বমুখী দাম, ডলারের বাড়তি বিনিময় হার এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলগুলোর উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর খোলাবাজারে কেজি প্রতি চিনির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০২ টাকা, আর প্যাকেটজাত চিনির মূল্য ১০৮ টাকা।  এই চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন এবং চিনি কম্পানিগুলোর চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।
    ব্যাংকার্সদের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মাণের ঘোষণা বিসিবিএলের
    রবিউল ইসলাম, সময়ের কন্ঠস্বর: দেশের বৃহত্তম ব্যাংকার কমিউনিটির রেজিস্টার্ড ক্লাব ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের (বিসিবিএল) বার্ষিক পিকনিক-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর অদূরে পূর্বাচলের সী শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে এই আয়োজন করেছিল সংগঠনটি। এতে সংগঠনের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। ২ সহস্রাধিক হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার ছিল দেশের জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ডটকম। সকাল সাড়ে ১০টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতার সূচনা হয়। পরে খেলাধুলাসহ নানা ধরণের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় যা চলে রাত পর্যন্ত। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিরা মঞ্চে বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করেন।  উক্ত অনুষ্ঠানে ব্যাংকার্সদের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন। পরে ফিতা কেটে 'মাই বিসিবিএল ভবন'র আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি ২২ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিসিবিএল। একই বছরের ১০ জুলাই জয়েন্ট স্টক কোম্পানির নিবন্ধন নেয় ক্লাবটি। বর্তমানে ক্লাবের সদস্যসংখ্যা ১৫০০ ছাড়িয়েছে। যা ব্যাংকার্সদের সর্ববৃহৎ সংগঠনে পরিণত হয়েছে।  কিন্তু দুঃখের বিষয় রাজধানী ঢাকার বুকে আমাদের নিজস্ব একটি ভবন নেই। ৪ বছর ধরে ভাড়া অফিসে কার্যক্রম চলছে। অবশেষে এবার আমাদের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।  এসময় নিজস্ব ভবন নির্মাণ হলে ব্যাংকাররা যেসব সুবিধা পাবেন, তার বিস্তারিত তুলে ধরেন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ আকতার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের উপদেষ্টা মুহাম্মদ আলী, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যাংকিং সেক্টরের চিফ অপারেটিং অফিসার রাজিব সামাদ, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম মাইনূল কবির, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইয়ূম চৌধুরী, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যব্যস্থাপনা পরিচালক নূরুল আজিম, এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মামুন মাহদুদ শাহসহ ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।  পরে পিকনিকের পৃষ্ঠপোষক বসুন্ধরা গ্রুপ, রূপায়ণ সিটি ও আম্বালা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানান ক্লাবের সভাপতি-সম্পাদক। দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যার পর অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করেন ক্লাবের নিজস্ব মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘বিসিবিএল বিটস্'।  এছাড়া জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্নিয়ার সুরের মূর্ছনায় মুখরিত ছিল ব্যাংকারদের এই বৃহত্তর মিলনমেলা। সর্বশেষ আকর্ষণীয় র‌্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন- ব্যাংকারদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে পূর্বাচল ব্যাংকার্স ক্লাবের পিকনিকে মিডিয়া পার্টনার সময়ের কণ্ঠস্বর
    ব্যাংকারদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে পূর্বাচল
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কন্ঠস্বর: দেশের ব্যাংকার কমিউনিটির বৃহত্তম রেজিস্টার্ড ক্লাব ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (বিসিবিএল) বার্ষিক পিকনিক-২০২৩ অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজধানীর পূর্বাচলে। ২ সহস্রাধিক ব্যাংকার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ পিকনিক ব্যাংকারদের বৃহত্তর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বাচলে অবস্থিত সী শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে পিকনিকের উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও সেলিম আরএফ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের সভাপতি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ আকতার, সহসভাপতি মো. লুত্ফুল হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফকির পিন্টু প্রমুখ। বার্ষিক পিকনিকে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আনন্দময় সময় কাটাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে ছোট-বড়দের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করবে ক্লাবের নিজস্ব মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘বিসিবিএল বিটস্’ এবং সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া ও তার দল। আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে। ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ডটকম।
    রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির রেকর্ড
    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রিজার্ভ থেকে রেকর্ড পরিমাণ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউ উল হক বলেন, ‘সাত মাসে ৯২০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে পুরো অর্থ বছরেও রিজার্ভ থেকে এত পরিমাণ ডলার বিক্রি হয়নি। এর আগে ২০২১-২২ অর্থ বছরের পুরো সময়ে রিজার্ভ থেকে ৭৬২ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছিল। মেজবাউ উল হক বলেন, ‘দেশে প্রায় এক বছর ধরে ডলারের তীব্র সংকট চলছে। ডলারের এ সংকট কাটাতে উচ্চাভিলাষী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। এরপরও সংকট কাটছে না। এ জন্য জরুরি আমদানি দায় মেটাতেই বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চায়ন থেকে ডলার সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবুও আটকে থাকছে পণ্য। ডলার সংকটে ব্যাংক এলসি খুলছে না, শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করা যাচ্ছে না-  ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও হচ্ছে প্রয়োজন মতো। গত নভেম্বর থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার করে রপ্তানি হচ্ছে। আমাদের রেমিট্যান্স ও রপ্তানি মিলে ৪৪ বিলিয়ন আয় হয়েছে আর এলসিতে আমদানির দায় পরিশোধ হয়েছে ৩৯ বিলিয়ন ডলার। আমাদের রপ্তানিতে মিসম্যাচ আছে, যেটা ১৮০ দিনের আয় আসে তখন সমন্বয় হয়।
    ব্যাংকার্স ক্লাবের পিকনিকে মিডিয়া পার্টনার সময়ের কণ্ঠস্বর
    আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ব্যাংকার কমিউনিটির বৃহত্তম রেজিস্টার্ড ক্লাব ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের মিলন মেলা (বিসিবিএল বার্ষিক পিকনিক-২০২৩)। এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম সময়ের কণ্ঠস্বর ডটকম। দেশের আড়াই হাজার ব্যাংকার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত সী শেল পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই পিকনিক।  সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আনন্দময় সময় কাটাবেন অংশগ্রহণকারীরা। আয়োজনে থাকবে ছোট-বড়দের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।  এতে সংগীত পরিবেশন করবে ক্লাবের নিজস্ব মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘বিসিবিএল বিটস্’ এবং সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া ও তার দল।  আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি ২২ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিসিবিএল। একই বছরের ১০ জুলাই জয়েন্ট স্টক কোম্পানির নিবন্ধন নেয় ক্লাবটি। বর্তমানে ক্লাবের সদস্যসংখ্যা প্রায় ২ সহস্রাধিক। বেসরকারি ব্যাংক ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারাও এ ক্লাবের সদস্য।
    ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলায় আগ্রহের কেন্দ্রে দোয়েল ল্যাপটপ
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর: 'স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে সংযুক্তির মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ' এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী 'ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩'। উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং দেশে উৎপাদিত ডিজিটাল পণ্য সমূহকে জনগণের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্য নিয়ে শতাধিক দেশী বিদেশী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে এ মেলা। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় শতভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত দোয়েল ল্যাপটপ নিয়ে মানুষের মাঝে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। দোয়েল ল্যাপটপ তাদের উৎপাদিত কোর-আই৩, কোর-আই৫, কোর-৭ এবং এএমডি-৯৪২৫ প্রসেসরসহ ১২ জেনারেশনের নতুন আপকামিং প্রোডাক্ট নিয়ে মেলায় অংশগ্রণ করেছে। এর মাঝে এএমডি-৯৪২৫ প্রসেসরের ল্যাপটপটি দামে সাশ্রয়ী এবং ষ্টুডেন্ট ব্যবহার উপযোগী হওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে সাড়া ফেলতে সমর্থ হয়েছে। এছাড়াও টেশিস উৎপাদিত স্মার্ট প্রিপেইড এনার্জি মিটার এবং স্বল্প মুল্যের ডিজিটাল টেলিফোন সেট ক্রেতা চাহিদার শীর্ষে রয়েছে।
    আরও দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল এনআরবিসি ব্যাংক
    নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর: এনআরবিসি ব্যাংক উদ্ভাবনী সেবা ও দ্রুত সময়ে সর্বোত্তম সেবার প্রসারে দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। ‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)’ ও ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো-ফাইনান্স ব্যাংক’ শীর্ষক অ্যাওয়ার্ড দুটি দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন দ্য গ্লোবাল ইকোনমিক্স। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে জমকালো অনুষ্ঠানে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে পুরস্কার দুটি তুলে দেওয়া হয়। এসময় ব্যাংকের পরিচালক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ নাজিম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম আউলিয়া এবং আইসিটি বিভাগের প্রধান ও সিটিও দিদারুল হক মিয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সহজ শর্ত ও স্বল্পসুদে ঋণ দিতে ২০২১ সালের মার্চে বিশেষ ক্ষুদ্রঋণ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। খুব অল্প সময়ে সারা বাংলাদেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষুদ্রঋণ পেয়েছেন। এই সেবার দ্রুত প্রসারের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো ফাইন্যান্স ব্যাংক-২০২২’ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাতের মুঠোয় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা সহজে দেওয়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০১৯ সালে ‘এনআরবিসি প্ল্যানেট অ্যাপ’ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। উদ্ভাবনী এই অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কিউআর কোড ব্যবহার করে কার্ড ও চেক ছাড়া টাকা উত্তোলনের সুবিধা চালু হয়। এছাড়া এই অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা স্থানান্তর, মোবাইল ব্যাংকিং, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সরকারি সেবার বিল প্রদান, মোবাইল রিচার্জ, ব্যাল্যান্স অনুসন্ধানসহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা রাত-দিন সবসময় যে কোনো স্থানে বসে পাওয়া যায়। তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবনী এ সেবা চালুর জন্য ‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)-২০২২’ দেওয়া হয়েছে। এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল বলেন, প্রবাসীদের স্বপ্নের এই ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খুব সহজে সব মানুষের দুয়ারে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়া। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মোবাইলঅ্যাপের মাধ্যমে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি। আর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ যারা ব্যাংকিং থেকে বঞ্চিত, তাদের জন্য চালু করেছি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প। এতে বিনাজামানতে স্বল্পসুদে ঋণ নিয়ে ঘরে বসেই তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। এসব ভালো কাজের আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গরিব মানুষের ভরসা ও আস্থার ব্যাংকে পরিণত হতে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে এনআরবিসি ব্যাংক। সারাবিশ্বের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘বার্ষিক গ্লোবাল ইকোনমিক্স অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে এনআরবিসি ব্যাংক। সাধারণ মানুষের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে সর্বপ্রথম উপ-শাখা ধারনায় ব্যাংকিং শুরু করে ব্যাংকটি। এরই মধ্যে ১০৩টি শাখাসহ সারাদেশে এক হাজারেরও বেশি উপ-শাখা, বুথ ও বিভিন্ন সেবাকেন্দ্র রয়েছে। উদ্ভাবনী সেবার জন্য এর আগে দুইবার ছয় ক্যাটাগরিতে এশিয়ার সেরা ব্যাংক হিসেবে- সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বেস্ট ডিলার ব্যাংক, আরটিভি কৃষি পদক, এসিএস চালানের মাধ্যমে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ রাজস্ব সংগ্রহকারী ব্যাংকের স্বীকৃতি পেয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    এইচএসসিতে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল 
    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সোয়া ১২ টার দিকে প্রধানমন্ত্রী এ ফলাফল প্রকাশ করেন। এবারের ফলাফলে পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ।   তবে এবারে পরীক্ষায় ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউই পাস করেনি। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ৯ হাজার ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় এবার ২৮টি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। আর শতভাগ পাস করেছে এক হাজার ৩৩০টি প্রতিষ্ঠান। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এতে জানানো হয়, ২০২২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এরমধ্যে ১ হাজার ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করলেও ৫০টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে সবচেয়ে বেশি ফেল করা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৩টি। এছাড়া রাজশাহীতে ৯টি, ঢাকায় ৮টি, যশোরে ৬টি, কুমিল্লায় ৫টি এবং ময়মনসিংহে ৩টি প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল করেছেন। এছাড়া ৪টি মাদরাসা ও ২টি টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। আরআই
    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৫.৯৫
    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে মোট পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে বেলা ১১টা ৪৬ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরে ঢাকাসহ ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা ফল হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের অনুলিপি হস্তান্তরের পর বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দিয়ে মাউসে ক্লিক করে ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। ঢাকা বোর্ডে জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪২১ জন।  চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৭০ জন। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৫৫ জন। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭১ জন। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৮৬ জন। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ। জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭১ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯ শতাংশ। ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭০৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন ১১ হাজার ৮৩০ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন ৭ হাজার ১৭৯ জন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ৭ শতাংশ। ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯৯১ জন। এছাড়া কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন ৭ হাজার ১০৫ জন। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন ৯ হাজার ৪২৩ জন। যেভাবে জানা যাবে ফলাফল মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২২ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসেই ফল পাওয়া যাবে। আলিমের ফল পেতে ALIM লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২২ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২২ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।  
    ইবি আইটি সোসাইটির ভাইবা সম্পন্ন
    যায়িদ বিন ফিরোজ, ইবি প্রতিনিধি: আইটি বিষয়ক সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) আইটি সোসাইটি সংগঠনটি তাদের মৌখিক পরিক্ষার মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ করছেন। মঙ্গলবার ( ০৭ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১১ টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের ১১৬ নাম্বার কক্ষে নবীন সদস্য সংগ্রহের জন্য মৌখিক পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পরিক্ষায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এসময় সংগঠনটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মৃত্তিকা মৌ উপস্থিতিতে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।  সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মৃত্তিকা মৌ বলেন, আইটি সোসাইটির সদস্য হতে ভাইবায় সতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহন জানান দেয় ইবিতে আইটি সোসাইটির সফলতা। তিনটি ভাইবা বোর্ডে ভাইবা নিয়েও সদস্যদের ভাইবা নেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের আইটি নিয়ে এমন আগ্রহ সংগঠনের সাথে কাজ করার অনুপ্রেরণা আরও গাঢ় করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, ইবি আইটি সোসাইটি সংগঠনটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের কার্যক্রম শুরু করেন। করোনাকালিন সময়ে সংগঠনটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. প্রফেসর শেখ আবদুস সালাম, সুশান্ত পাল সহ বিভিন্ন অনলাইন কর্মসূচির আয়োজন করেন। এছাড়াও নাম মাত্র মূল্যে নারীদের ফ্রিল্যান্সিং শেখায়। এতে ইবির অনেক নারী শিক্ষার্থী বর্তমানে অনলাইন থেকে আয় করছে।
    ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের যুগপূর্তি উদযাপিত
    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিবিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের একযুগ পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।  সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) এ উপলক্ষে সকালে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্বিবিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালী শেষে ১২-তলা একাডেমিক ভবনের সামনে যুগপূর্তির কেক কাটা হয়। এসময় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    প্রথম প্রজন্মের আইফোন নিলামে, ভিত্তিমূল্য ৫০ হাজার ডলার
    প্রথম প্রজন্মের একটি আইফোন নিলামে তোলা হয়েছে। তৎকালীন অ্যাপল ইনকরপোরেশনের তৈরি এই ফোনটির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০০৭ সালে স্টিভ জবসের হাত ধরে বাজারে সেই আইফোনটি অবশ্য এখনো অব্যবহৃতই রয়ে গেছে। সম্প্রতি ডিভাইসটির মালিক এটিকে নিলামে তোলেন। চলতি ফেব্রুয়ারিতে আইফোন বাজারে আনার ১৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০০৭ সালে প্রথম প্রজন্মের এই আইফোন আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আনেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন প্রধান নির্বাহী স্টিভ জবস। ৩ দশমিক ৫ ইঞ্চি পর্দার আইফোনটি যখন বাজারে আসে তখন এটির দাম ছিল ৫৯৯ মার্কিন ডলার। এতে ছিল ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা এবং আইটিউনস। তবে এতে কোনো অ্যাপ স্টোর ছিল না। ডিভাইসটি টু-জি মোবাইল নেটওয়ার্কে চলত এবং শুধু এটিঅ্যান্ডটি নেটওয়ার্কে এটি ব্যবহার করা যেত। ৪ গিগাবাইট (জিবি) এবং ৮ জিবি এই দুই মেমোরি স্টোরেজ ফিচারে এসেছিল প্রথম প্রজন্মের এই আইফোন। নিলামে ওঠা আইফোনটির ৮ জিবি সংস্করণ উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন মেকআপ ট্যাটু শিল্পী ক্যারেন গ্রিন। তবে তিনি আইফোনের মোড়কটি কখনো খোলেননি। ২০১৯ সালে এক টিভি শোতে সর্বপ্রথম এটি জানিয়েছিলেন ক্যারেন। তখন একজন ডিভাইসটির মূল্য পাঁচ হাজার ডলার বলে জানিয়েছিলেন। নিলামকারী প্রতিষ্ঠান এলসিজি অকশন ডিভাইসটি নিলামে উঠিয়েছে। গত অক্টোবরেও একই ধরনের আরেকটি আইফোন ৩৯ হাজার ডলারে নিলামে বিক্রি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যারেনের আইফোন নিলামে থাকবে।
    এক মাসেই বিশ্বব্যাপী চাকরি হারিয়েছেন ১ লাখ প্রযুক্তি কর্মী
    প্রযুক্তি কর্মীদের জন্য সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ মাস হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে চলতি বছরের জানুয়ারিকে। আমাজন, মাইক্রোসফ্ট, গুগল, সেলসফোর্সের মতো সংস্থাগুলোতে এসময় বিশ্বব্যাপী প্রায় ১ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। এ হিসেবে বিশ্বব্যাপী ২৮৮ টিরও বেশি কোম্পানি গড়ে প্রতিদিন ৩,৩০০ জনের বেশি প্রযুক্তি কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। অ্যাপল ছাড়া অন্য সব বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জানুয়ারিতে তাদের কর্মী ছাঁটাই করেছে। আমাজন ১৮০০০, গুগল ১২০০০ এবং মাইক্রোসফট ১০,০০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে। তার আগের মাসের সেলসফোর্স ৭,০০০ আইবিএম ৩৯০০ এবং এসএপি ৩০০০ কর্মী ছাঁটাই এর ঘোষণা করেছিল। লে অফ ট্র্যাকিং সাইট 'লে-অফস ডট এফওয়াইআই'র তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে এক হাজারেরও বেশি কোম্পানি ১,৫৪,৩৩৬ জন কর্মী ছাঁটাই করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে ২০২২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ২.৫ লাখের বেশি প্রযুক্তি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের কর্মী ছাঁটাই অব্যাহত রেখেছে এবং এই বিষয়ে তারা বিভিন্ন কারণ দেখিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা এবং করোনা মহামারী। ১১ হাজার কর্মী ছাঁটাই এর পর মেটার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ জানান ২০২৩ সালকে তিনি দক্ষতার বছর হিসেবে দেখতে চান। বৈশ্বিক মন্দা ও মন্দার আশঙ্কার অংশ হিসেবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওএলএক্স গ্রুপ  ভারতসহ বিশ্বব্যাপী ১৫০০ এরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে। এডটেক কোম্পানি তাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম থেকে আরও ১৫ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। জানা গেছে, নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের পর আরো ১,০০০ এর বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করতে বলা হয়েছে।
    কত দিন বন্ধ থাকলে সিমের মালিকানা হারাবেন?
    বর্তমানে আমাদের মোবাইল ফোনের ব্যবহার যে হারে বাড়ছে তাতে বলাই যায় এই যুগ মোবাইল ফোন ব্যবহারের যুগ। মোবাইল ফোন ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে যে বস্তুর নাম জড়িয়ে আছে তা হলো মোবাইল সিম। কেননা সিম ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করা একদম অসম্ভব। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়। তার এই আবিষ্কৃত বিস্ময়কর বস্তু বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের মাধ্যমে কাজ করে। আর এই নেটওয়ার্কটি তৈরি করে দেয় বিভিন্ন কোম্পানি। বাংলাদেশে এই নেটওয়ার্ক কোম্পানিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ব্র্যান্ড হলো গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটক ইত্যাদি। এসব বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিম কেনার পর তা মোবাইলের নির্দিষ্ট স্লটে সেট করার পর আপনার মোবাইল অন্যপ্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য উপযুক্ত হয়। জাতীয় নম্বর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশে মুঠোফোন নম্বর শুরু হয় ০১ দিয়ে। এর সঙ্গে আরও ৯টি অঙ্ক যোগ করে ১১ অঙ্কবিশিষ্ট একটি মুঠোফোন নম্বর তৈরি হয়। প্রতি অপারেটর তাদের জন্য বরাদ্দ নম্বর কোড দিয়ে ১১ অঙ্কের ১০ কোটি নম্বর তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে টেলিটক ০১৫, গ্রামীণফোন ০১৭, রবি ০১৮ ও ০১৬ এবং বাংলালিংক ০১৯ নম্বর সিরিজ ব্যবহার করে। এই সংখ্যাবিশিষ্ট সিমকার্ড কেনার পর মোবাইলে ব্যবহার করা হলে তাকে একটি সচল সিমকার্ড হিসেবে ধরা হয়। আর এটি কেনার পর যদি তা মোবাইলের নির্দিষ্ট স্লটে না লাগানো হয় বা কিছুদিন ব্যবহার করার পর তা খুলে অন্যত্র রেখে দেওয়া হয় তবে সেই সিমটিকে বন্ধ সিম হিসেবে ধরা হয়। আপনার ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত সিম যদি টানা ১৫ মাস বন্ধ থাকে তবে সেই সিমটিকে একটি পরিত্যক্ত সিম হিসেবে ধরা হবে। এই অবস্থায় আপনি আপনার সিম কার্ডের মালিকানা হারাতে পারেন। বিটিআরসি বলছে নতুন নিয়ম অনুযায়ী টানা ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন একটি সিম ব্যবহার না করা হলে সিম কার্ডের মালিককে মালিকানা ধরে রাখতে বাড়তি ৩০ দিন সময় দেওয়া হবে। এই হিসেব অনুযায়ী ৪৮০ দিনের মধ্যে বন্ধ থাকা সিমটি চালু না করা হলে সেটির মালিকানা আর গ্রাহকের থাকবে না। এ সময়ের মধ্যে সিম সচল না করা হলে সংশ্লিষ্ট সিম কর্তৃপক্ষ বা মুঠোফোন অপারেটর সেটি নতুন করে আবার বিক্রি করতে পারবে। উল্লেখ্য, দেশে শেষ ১ বছরে মুঠোফোন গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ। আর নভেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকসংখ্যা ১৮ কোটি ১৩ লাখ। আর চলতি অর্থবছরে দেশে উৎপাদিত মুঠোফোনের সংখ্যা ২ কোটি ৬১ লাখ। গত অর্থবছরে ছিল ১ কোটি ৪৯ লাখ। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ মুঠোফোন। গত অর্থবছরে তা ছিল ১ কোটি ৪৫ লাখ। এ ছাড়া দেশে গত এক বছরে ফোর-জি গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে ২ কোটি ৩৪ লাখ। নভেম্বর পর্যন্ত মোট গ্রাহকসংখ্যা ৬ কোটি ৯১ লাখ।
    যেসব কারণে মোবাইল হ্যাং করে
    বর্তমানে মোবাইল ফোন ছাড়া জীবনটাকে একমুহূর্তও কল্পনা করা সম্ভব নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই মুঠোফোনের আয়ু বড়জোর ৩ থেকে ৪ বছর। শুরু হয় একটির পর একটি সমস্যা। প্রথমে ইন্টারফেস স্লো হয়ে যায়। এরপর নিয়মিত হ্যাং হওয়া থেকে শুরু হয় হাজারটা অসুবিধা। তবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করে বাড়াতে পারেন স্মার্টফোনের আয়ু।  মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ কাজেও লাগে না বা দু-একবার মাত্র ব্যবহার হয়েছে, এমন অ্যাপ আনইনস্টল করে দিন। তারপরেও মোবাইলে এমন কয়েকটি অ্যাপ থেকে যায়, যা আনইনস্টল করা যায় না। তবে সেসব প্রি-ইনস্টল ইনবিল্ড অ্যাপকে আনইনস্টল করা না গেলেও ডিজেবল করা যায়।তাতে মোবাইলের স্পেস বাঁচে। ফলে স্লো হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায় অনেকটাই।  বন্ধ করে দিন গ্ল্যান্স লকস্ক্রিন অনেক মোবাইলের লকস্ক্রিনের ওয়ালপেপারই নিজে থেকে বদলে যায় সময়ে-অসময়ে। বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপনও দেখা যায় সেই ওয়ালপেপারের সঙ্গে। সাম্প্রতিক বাজারে আসা মোবাইলগুলোকে এই গ্ল্যান্স লকস্ক্রিনের অপশন থাকে। এই গ্ল্যান্স সবসময়ে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, এবং প্রচুর পরিমাণে ব্যাটারি ও ডেটা ক্ষয় করতে থাকে। Settings অপশনে গিয়ে এই থার্ড পার্টি অ্যাপটিকে বন্ধ করে দিতে পারেন আপনি। এতে আপনার ফোনের স্পিড অনেকটাই বাড়বে। অ্যাপের লাইট ভার্সন ব্যবহার করুন সাধারণ ভাবে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রম অ্যাপ বড় স্টোরেজ দখল করে থাকে। বিশেষত ৪জিবি ইন্টারনাল র‌্যাম বিশিষ্ট ফোনগুলোর ক্ষেত্রে বড়সড় সমস্যা তৈরি করে বড় সাইজের অ্যাপগুলো। সেক্ষেত্র এই সব অ্যাপগুলো আনইনস্টল করে ব্যবহার করুন অ্যাঅ্যাপগুলিরর লাইট ভার্সন, যা আকারে অনেকটাই ছোট, তাতে বাঁচবে ডেটাও। অ্যানিমেশন স্পিড নিয়ন্ত্রণ করুন  অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাবাউটঅপশনে যান, সেখানে গিয়ে বিল্ডার অপশনে ক্লিক করুন। সেখানে গিয়ে উইন্ডোজ অ্যানিমেশনে ক্লিক করলে প্রতিটি অ্যানিমশন মোডের স্পিড কমিয়ে ০.৫এক্স করে দিন। অ্যানিমেশনের জন্য আপনার মোবাইলের স্পিড অনেক কমে যায়। তাই অ্যানিমেশন স্পিড কমালে আপনার মোবাইলের স্পিড  বাড়বে।
    ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি সময় দেওয়া মানুষের তালিকায় বাংলাদেশ ৩য়
    যে তিনটি দেশের মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকেন, তার একটি বাংলাদেশ। এ তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও আরও রয়েছে ভারত ও ফিলিপাইন। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এই তথ্য জানায়।  সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ একবার হলেও ফেসবুকে প্রবেশ করেছেন। সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ, ভারত ও ফিলিপাইন থেকে।  ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ফেসবুকে দৈনিক গড় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৯৩ কোটি। সেই বছরের তুলনায় গত ডিসেম্বরে এই সংখ্যা বেড়েছে ৭ কোটি। যা প্রায় চার শতাংশ বেশি। মেটা বলছে, মূলত এই তিনটি দেশের নাগরিকদের জন্যই ফেসবুকের গড় ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে। মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর তালিকাও প্রকাশ করেছে মেটা। এই তালিকায়ও শীর্ষ তিনে রয়েছে বাংলাদেশ। শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্য দুটি দেশ ভারত ও নাইজেরিয়া।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ, ভারত ও নাইজেরিয়ার নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়া ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ফেসবুকের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়েছে। এই প্রতিবেদনের মেটা আরও জানিয়েছে, ভারত ও তুরস্কের মতো কিছু দেশ ডাটা নিয়ন্ত্রণ শর্ত, স্থানীয় স্টোরেজ এবং প্রসেসিংয়ে বিধিনিষেধ বা এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা কার্যকরের শর্ত দিয়েছে বা কার্যকরের পরিকল্পনা করছে। ফলে এসব দেশে মেটার স্বাভাবিক সেবা ও কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে বা কার্যক্রম চালানোর ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। শর্তের কারণে কিছু দেশে ‘নির্দিষ্ট সেবা স্থগিত’ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। কিংবা ভোগ করতে হচ্ছে জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তি।  মেটার জন্য ২০২২ সাল ছিল খারাপ একটি বছর। গত বছরের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দেয়, তারা প্রতিষ্ঠানের মোট ১১ হাজার বা ১৩ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাই করবে। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে কখনো একসঙ্গে এত বেশি কর্মী ছাঁটাই করা হয়নি। মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ‘২০২৩ সালে আমার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার প্রতিপাদ্য হচ্ছে “দক্ষতার বছর”। আমরা আরও শক্তিশালী ও গতিময় প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।’ জাকারবার্গ বলেন, 'ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে দৈনিক ব্যবহারকারী যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।'  গত বছর মেটা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে বলেছিল, ফেসবুকে এই প্রথম দৈনিক ব্যবহারকারী কমছে। তারা ইঙ্গিত দিয়েছিল, মেটা এখন মেটাভার্স হিসেবে পরিচিত ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটিতে বিনিয়োগে গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে গত ডিসেম্বরে বছরের প্রথম দিকের তুলনায় দৈনিক ব্যবহারকারী ৪ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপের দেশ, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায়ও ব্যবহারকারী বেড়েছে।  মেটা বলেছে, তাদের সব অ্যাপে সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশ বেড়েছে।
    বিশ্ববিজয়ী প্রযুক্তিবিদ তৈরি হবে আমাদের শিফট থেকে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
    মেহেদী হাসান সোহাগ, স্টাফ করেসপন্ডেট (মাদারীপুর): বিকেএসপি থেকে যেমন বিশ্বজয়ী খেলোয়ার সাকিব আল হাসান তৈরি হয়েছে’ একইরকম ভাবে বিশ্ববিজয়ী প্রযুক্তিবিদ তৈরি হবে আমাদের শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি (শিফট) থেকে। শিফট হবে আমাদের বাংলাদেশের এমআইটি।  মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে মাদারীপুর জেলার শিবচরের কুতুবপুরের ইউনিয়নে ৭০ একর জমিতে ১৫শ কোটি টাকা ব্যায়ে শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি ভিত্তি স্থাপন করার পরে সাংবাদিকদের সামনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী এই (শিফট) শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক আমারা তৈরি করছি, যেখানে একটি একাডেমি হবে শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, একটি বিজনেস এরিয়া থাকবে, পাশাপাশি ৪১সাল কে স্বরণী করে রাখতে ২০ একর জমি রেখে দিয়েছি সংরক্ষিত, যেখানে ভিশন ২০৪১ সালের ৪১তলা বিশিষ্ট একটি টাওয়ার এখানে নির্মান করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নুরে ই আলম চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ একাধিক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে হাই-টেক পার্কের কর্তৃপক্ষ ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, মাদারীপুুর জেলা পরিষদের চেয়াম্যান মো. মুনির চৌধুরী প্রমুখ।

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    আদালতে মায়ের কোলে শিশুর কান্না, ফের বিয়ে তালাকপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রীর
    অসীম কুমার সরকার, রাজশাহী প্রতিনিধি: দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি), তখন বেলা ১১টা। সপ্তাহের শেষ দিন হওয়ায় আদালত অঙ্গনে বিচার প্রার্থীদের উপস্থিতি ছিল বেশ। প্রতিটি আদালতের সামনেই গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বিচার প্রার্থীদের।  রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ আদালতে বিচারক মাসুদুজজামান (মির্জা মাসুদ) একটি যৌতুকের মামলায় জামিন শুনানিকালে ছোট্ট শিশুর কান্নার আওয়াজ দৃষ্টি আকর্ষণ হয় তাঁর। বাদীর কাঠগড়ায় একটি সদ্য সাবালিকা মেয়ে। বয়স আঠার কিংবা উনিশ হবে। কোলে ছয় মাসের ফুটফুটে এক ছোট্ট শিশু কান্না করছে। আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বাইশ কিংবা তেইশ বছরের এক যুবক। আদালত সূত্র থেকে জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর কাটাখালি থানার সমসাদিপুর গ্রামের শরিফুল ইসরামের ছেলে শিমুল পারভেজ এর সাথে একই গ্রামের স্বপন আলীর মেয়ে জান্নাত ফেরদৌস মিতুর ২০২১ সালের ২ এপ্রিল বিয়ে হয়। এর পরে সামান্য ভুল বোঝাবুঝিতে আসামি বাদীনিকে তালাক দেন। ইতিমধ্যে তালাক কার্যকর হয়ে যায়। জামিন শুনানিকালে বাদীনির চোখে পানি এবং আসামিকে মাথা নিচু করে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বাদী ও আসামির পক্ষে-বিপক্ষে আইনজীবীদের বক্তব্য চলতে থাকলেও আদালতের দৃষ্টি ছিল অসহায় শিশুটির দিকে। শুনানীর এক পর্যায়ে বিচারক বলে উঠলেন শিশুটির ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বাদী এবং আসামি এক হতে চায় কিনা? ঠিক তখনই বাদীনি এবং আসামী পরস্পরের কিছু দোষ-ত্রুটি উল্লেখ করেন আদালতের সামনে। আদালত মনোযোগ দিয়ে তাঁদের কথা শোনার পর বর্তমান সামাজের প্রেক্ষাপটে কিছু উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তারপর আদালতে বাদী বিবাদী উভয়েই যেন কিছুটা নমনীয় হয়ে যান। এক পর্যায়ে বাদী এবং আসামী উভয়ে আদালতের মধ্যস্থতায় নতুনভাবে সংসারে ফিরতে রাজি হন।  ঘড়িতে বেলা তখন দুপুর ১টা। রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ আদালতে তৈরি হয় এক উৎসবের আমেজ। একে একে আদালতের এজলাস কক্ষে হাজির হন মেয়ে পক্ষের অভিভাবক, ছেলে পক্ষের অভিভাবক, রাজশাহী আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী, বাদী ও আসামী পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী, বিভিন্ন কোর্টের কর্মচারী ও বিচার প্রার্থীরা।  সর্বশেষ হাজির হন রাজশাহী মহানগর ৪ নং ওয়ার্ডের কাজী মো: জহিরুল ইসলাম। আদালতে কক্ষের ভিতরেই ১ লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ছেলে এবং মেয়েকে বিয়ে পরানো হয়। বিয়ের পরেই আদালত অঙ্গনে শুরু হয় মিষ্টি বিতরণ। এ সময় উৎসুক জনতা বিবাহিত দম্পতিদের দেখতে আদালতে ভীড় করতে থাকেন। অনেকেই তাদের স্বাগতম জানান। বিয়ে শেষে রাজশাহী মেট্রপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ আদালতের বিচারক মাসুদুজজামান (মির্জা মাসুদ) বাদীনি ও আসামিকে তার খাস কামরায় ডেকে নিয়ে সংসারের বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং তাদের শিশুটিকে কোলে নিয়ে কিছুক্ষণ আদর করেন।  এসময় উপস্থিত ছিলেন বাদী পক্ষের আইনজীবী রেবেকা সুলতানা (সুমি), মোর্শেদা বানু হেনা, আসামী পক্ষের আইনজীবী মো: শহিদুল ইসলাম, রুবিনা খাতুন, বাদীর বাবা মো: স্বপন আলী, মা মিতা বেগম, আসামীর বাবা শরিফুল ইসলাম, মা শ্যামলি বেগমসহ আদালতের বেঞ্চসহকারী ও অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ। এনিয়ে রাজশাহী আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রতিটি সন্তানেরই স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। আদালতের মানবিকতায় আজ যে বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো তা একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

    প্রবাস

    সব দেখুন
    সৌদিতে বাংলাদেশের কর্মীদের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা কার্যক্রম চালু
    সৌদিতে পাকিস্তান ও ভারতের পর এবার বাংলাদেশের কর্মীদের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে দেশটির সরকার। সৌদি কর্মসংস্থান মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, পেশাগত স্বীকৃতি কর্মসূচির মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য পরীক্ষা কার্যক্রম সক্রিয়  করতে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা কার্যক্রম সক্রিয় করা শুরু করেছে।  কর্মসূচী অনুযায়ী ৫টি পদে কর্মীদের দক্ষতা যাচাই করা হবে এদের মধ্যে রয়েছে “প্লাম্বিং, ইলেক্ট্রিসিটি, অটো ইলেকট্রিসিটি, ওয়েল্ডিং এবং রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনার এর কাজ, এছাড়াও ২৩টি স্পেশালাইজের মধ্যে মন্ত্রনালয় পেশাদার জনশক্তির মান উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।  সৌদি শ্রমবাজারে কাজ করা এবং সেবার স্তর বাড়ানো,  সঠিক পেশাদারিত্ব প্রদান, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং সৌদিআরবের শ্রমবাজারে অযোগ্য অপেশাদার শ্রমের প্রবাহ বন্ধ করাই মূল উদ্দেশ্য। পেশাদার কর্মীর বাছাই যাত্রা শুরু হবে পেশাদার পরীক্ষার পোর্টালে নিবন্ধন এর মাধ্যমে, তারপর মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করতে হবে এবং পরীক্ষা দেওয়ার আগে কেন্দ্রে পরীক্ষা পর্যবেক্ষকদের দ্বারা তার ডেটা মেলানো হবে এবং তারপর সকল বিষয়ে সফল ভাবে পাশ করলে প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে।এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস সার্বক্ষণিক প্রবাসীদের সেবা করে থাকে।

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    খাঁটি ঘি চেনার উপায় জেনে নিন
    নামে ‘খাঁটি’ লেখা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই ঘি খাঁটি হয় না। এখন বাড়িতে ঘি তৈরির চল অনেকটাই কমে এসেছে। অনেক সময়েই ঘি কেনা হয় বাজার থেকে। প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে বাজার থেকে ভেজাল ঘি বাজেয়াপ্ত করেছে। কিন্তু এখনও কিছু অসাধু ব্যক্তির চক্রান্তে  চলছে ভেজাল ঘিয়ের ব্যবসা। আজকাল বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ ঘি এরমধ্যেই ডালডা মেশানো থাকে। কিছু ক্ষেত্রে পাম তেলও থাকে। সঙ্গে থাকে কৃত্রিম রং। গন্ধের জন্য কিছুটা ঘি মিশিয়ে দেওয়া হয়। অনেক সময়ে মহিষের দুধের ঘিয়ে রং মিশিয়ে গরুর দুধের ঘিয়ের মতো রূপ দেওয়া হয়। কখনো কখনো এমন রং ব্যবহার করা হয়, যা আদৌ ভোজ্য নয়। ঘিয়ের মধ্যে দানা তৈরি করার জন্যও নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো হয়। তবে খাঁটি ঘি চেনার সহজ একটি উপায় রয়েছে। কিছুটা ঘি হাতের তালুতে নিয়ে পরীক্ষা করা যেতে পারে। ঘি বিশুদ্ধ হলে হাতের তালুর তাপেই কিছু ক্ষণ পর তা গলে যাবে। আবার কিছুক্ষণ চুলার সামনে ঘিয়ের বোতল রেখেও গলাতে পারেন। ঘি যদি গলতে সময় নেয় কিংবা রং হলুদ হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে ঘি খুব একটা খাঁটি নয়। চাইলে আরও একটি পদ্ধতি অবলম্বন করে ঘি পরীক্ষা করা যায়। একটি শিশিতে ঘি গলিয়ে নিন প্রথমে। তার পর শিশিটি তুলে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। যদি দেখেন গোটা শিশিতে জমাট বাধা ঘি একই রঙের তবে বুঝতে হবে ঘি খাঁটি। মনে রাখতে হবে, ঘিয়ে ভেজাল থাকলে আলাদা আলাদা স্তরে আলাদা আলাদা রং থাকবে। এরপরেও ঘি ভালো না খারাপ তা একদমই বুঝতে না পারলে কোনো একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন।