এইমাত্র
  • এইচএসসিতে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল 
  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৫.৯৫
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেলজিয়ামের রানির সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • তুরস্কে ভূমিকম্প : ছোট্ট ভাইকে মমতায় আঁকড়ে রাখল ৭ বছরের মেয়ে
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আ. লীগের মনোনয়নের ভার শেখ হাসিনার হাতে
  • গাজীপুরে শিবিরের ২০ নেতাকর্মী গ্রেফতার
  • কামরাঙ্গীরচরে মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • উপহারের গাড়িটি জনসেবায় অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দিলেন হিরো আলম
  • আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: ওবায়দুল কাদের
  • বানর থেকে মানুষের তথ্য, পাঠ্যবইয়ের কোথাও নেই: শিক্ষামন্ত্রী
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ মাঘ, ১৪২৯ | ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

    সৌদিতে বাংলাদেশের কর্মীদের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা কার্যক্রম চালু
    সৌদিতে পাকিস্তান ও ভারতের পর এবার বাংলাদেশের কর্মীদের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে দেশটির সরকার। সৌদি কর্মসংস্থান মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, পেশাগত স্বীকৃতি কর্মসূচির মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য পরীক্ষা কার্যক্রম সক্রিয়  করতে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা কার্যক্রম সক্রিয় করা শুরু করেছে।  কর্মসূচী অনুযায়ী ৫টি পদে কর্মীদের দক্ষতা যাচাই করা হবে এদের মধ্যে রয়েছে “প্লাম্বিং, ইলেক্ট্রিসিটি, অটো ইলেকট্রিসিটি, ওয়েল্ডিং এবং রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনার এর কাজ, এছাড়াও ২৩টি স্পেশালাইজের মধ্যে মন্ত্রনালয় পেশাদার জনশক্তির মান উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।  সৌদি শ্রমবাজারে কাজ করা এবং সেবার স্তর বাড়ানো,  সঠিক পেশাদারিত্ব প্রদান, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং সৌদিআরবের শ্রমবাজারে অযোগ্য অপেশাদার শ্রমের প্রবাহ বন্ধ করাই মূল উদ্দেশ্য। পেশাদার কর্মীর বাছাই যাত্রা শুরু হবে পেশাদার পরীক্ষার পোর্টালে নিবন্ধন এর মাধ্যমে, তারপর মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করতে হবে এবং পরীক্ষা দেওয়ার আগে কেন্দ্রে পরীক্ষা পর্যবেক্ষকদের দ্বারা তার ডেটা মেলানো হবে এবং তারপর সকল বিষয়ে সফল ভাবে পাশ করলে প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে।এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস সার্বক্ষণিক প্রবাসীদের সেবা করে থাকে।
    গাজীপুরবাসীর দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান বৃহস্পতিবার
    গাজীপুর নগরের টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর জংশন পর্যন্ত রেলওয়ের ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনের উদ্বোধন বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি)।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে সকালে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে ১১ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেন চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। বিষয়টি বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান নিশ্চিত করেছেন। প্রকল্প সূত্রের তথ্যানুযায়ী, ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ৩৩ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার লুপলাইনসহ ১১৬ কিলোমিটার ও চারটি স্টেশন পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৮৪৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোয় মোট ব্যয় হয় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ট্রেনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম ঢাকা-টঙ্গী ও টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশন। কিন্তু এ দুই সেকশনের মধ্যে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে দুটি ডুয়েলগেজ লাইন ও একটি ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে একটি ডুয়েলগেজ লাইন চালু রয়েছে। এ কারণে টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বেশি সংখ্যক ট্রেন চলাচল সম্ভব ছিল না। তাই ঢাকা থেকে ট্রেন চলাচল বাড়ানো, ভ্রমণের সময় বাঁচানো, যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১২ সালের নভেম্বরে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্প পরিচালক নাজনীন আরা কেয়া জানিয়েছেন, ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'এফ কন কল্পতরু' ইতোমধ্যে টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ১১ কিলোমিটার ডাবল লাইনের নির্মাণ কাজ শেষ করেছে। ডাবল লাইনে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সব রকম প্রস্তুতি রয়েছে। জয়দেবপুর জংশনের পশ্চিম প্রান্তে ফাঁকা জায়গায় সামিয়ানা টাঙিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রেললাইন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নতুন করে পাথর বসিয়ে সাজসজ্জা করা হচ্ছে। জয়দেবপুর জংশনের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম জানান, সিঙ্গেল লাইন থাকায় এতদিন অনেক সময় অন্য আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের চলাচলে জয়দেবপুর এবং ধীরাশ্রম স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে রাখতে হতো। এখন থেকে কোনো ট্রেনকে আর অন্য ট্রেন সচল রাখতে অপেক্ষায় থাকতে হবে না। পিএম
    ভালুকা থানার এসআইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
    ময়মনসিংহের ভালুকা মডেল থানার ব্যারাক থেকে হুমায়ুন কবির (৪০) নামের এক এসআইয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে ব্যারাকের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত ডিআইজি আবিদা সুলতানা, পুলিশ সুপার মাসুম আহম্মেদ ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু রায়হান, ডিবির ওসি শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নিহত হুমায়ুন টাঙ্গাইল মধুপুর থানার মালাউরি গ্রামের মরহুম আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি ভালুকা মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যারাকের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে রশিতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন এসআই হুমায়ুন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত ডিআইজি আবিদা সুলতানা জানান, নিহত হুমায়ুন কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ কামাল হোসেন জানান, হুমায়ূন কবির ২০০০ সালে পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। এরপর পদন্নতি পেয়ে এএসআই পদে ভালুকা মডেল থানায় যোগদান করেন। কিছু দিন পর অন্যত্র বদলি হন। গত ছয় মাস আগে আবার ভালুকা মডেল থানায় যোগদান করেন।
    গাজীপুরে গলায় ছুরি মেরে বিকাশ এজেন্টের অর্থ লুট
    গাজীপর সদরে আতাউর রহমান (৪৫) নামে এক বিকাশ এজেন্টের গলায় ছুরি বসিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। যিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পিরুজালী সড়কঘাট বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনার পর আজ বুধবার তা প্রকাশ পায়। আহত আতাউর রহমান (৪৫) ঘটনার পাশ্ববর্তী এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। আতাউরের বড় ভাই মুজিবুর রহমানের ভাষ্যমতে, প্রতিদিনের ন্যায় দোকান বন্ধ করে নগদ টাকা ও বিকাশ এজেন্ট চালু থাকা মোবাইলটি নিয়ে রাতে বাড়ি ফিরতে রওনা দেন। বাড়ির প্রধান ফটকের কাছে পৌঁছলে পেছন থেকে অচেনা একজন গলায় ছুরি বসিয়ে দেয় এবং সঙ্গে থাকা অপর আততায়ী টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়। এতে সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও এজেন্ট সিমে থাকা সমস্ত অর্থসহ প্রায় চার লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়।  চিকিৎসকরা স্বজনদের জানিয়েছে, আততায়ীর ছুরিকাঘাতে আতাউরের কণ্ঠনালীর প্রায় ৯০ ভাগ কেটে গেছে। গুরুতর অবস্থায় ঘটনার পরপরই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাতাব উদ্দিন জানিয়েছেন, হামলার ঘটানায় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ না করলেও ঘটনাটি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।
    শাহজাদপুরে নববধুর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা!
    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এবার নববধুর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত নববধুর নাম শম্পা খাতুন (১৭), সে উপজেলার কাংলাকান্দা গ্রামের কৃষক কোবাদ শেখ এর মেয়ে ও পাড়কোলা দাখিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। জানা যায়, মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের কাংলাকান্দা পূর্ব পাড়ার কোবাদ শেখ এর মেয়ে কিশোরী শম্পার নিজ ঘরের আড়ার সাথে রশিতে ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় পিপিডি ট্রাস্ট হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শম্পার মা খোদেজা বেগম জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার একই বাড়ির সদস্য আমার ভাসুরের ছেলে ট্রাকচালক কুরবান আলীর সাথে শম্পার বিয়ে হয়। বিয়েতে শম্পার অসম্মতি ছিল এবং সে আরও পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল। নিহত শম্পার বড় বোন রিতা বেগম বলেন, বিয়ের পূর্বে অসম্মতি থাকলেও বিয়ের পর শম্পা হাসিখুশি ছিল। দুপুরে গোসল শেষে ঘুমানোর কথা জানিয়ে সে ঘরে যায়। কিছুক্ষণ পর খাবার খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করলে তার কোন সারা শব্দ না পেয়ে ঘরের জানালা দিয়ে উকি দিয়ে দেখা যায় শম্পার দেহ আড়ার সাথে ঝুলছে। পরে ঘরের দরজা ভেঙ্গে তার দেহ নামিয়ে মাথায় পানি ঢালা হয়।   খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক কাঞ্চন কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল ইসলাম ও থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম মৃধা   এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম মৃধা বলেন, নিহত নববধু শম্পার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আগামীকাল সিরাজগঞ্জ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
    শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
    শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মকবুল হোসেন ওরফে লাল (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি )দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. ইমান আলী শেখ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামি মকবুল হোসেন সদর উপজেলার মির্জাপুর কান্দিপাড়া গ্রামের মো. আশরাফ আলীর ছেলে ও তিন সন্তানের জনক৷ এদিকে একই ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মকবুল হোসেনের মা বকুলা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল৷ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, প্রায় ১৪ বছর আগে মকবুল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় ঝিনাইগাতী উপজেলার বাতিয়াগাঁও গ্রামের মো. রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে মোছা. নুরুন্নাহারের। দাম্পত্য জীবনে ২ মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয় তাদের সংসারে। কিন্তু ঘটনার ২/৩ বছর পূর্বে থেকে ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নুরুন্নাহারকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে স্বামী মকবুল হোসেন৷ এক পর্যায়ে ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নুরুন্নাহারকে যৌতুকের দাবিতে প্রচণ্ড মারপিট করে ও শ্বাসরোধে হত্যা করার পর মুখে বিষ ঢেলে তার লাশ জেলা সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় মকবুল হোসেন। ওই ঘটনায় পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি নুরুন্নাহারের বড় ভাই আব্দুল জলিল বাদী হয়ে মকবুল হোসেনসহ ৬ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং একইদিন মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২ নভেম্বর আসামি মকবুল হোসেন ও তার মা বকুলা বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার তৎকালীন এসআই শরীফ হোসেন৷ বিচারিক পর্যায়ে বাদী, চিকিৎসক, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার দুপুরে মকবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও তার মা বকুলা বেগমকে খালাসের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।
    মির্জাপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে পুলিশের সভা
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে থানা পুলিশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার সময় থানা পুলিশের উদ্যোগে এই সভা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম, পরিদর্শক (তদন্ত) গিয়াস উদ্দিন, সেকেন্ড অফিসার মোশারফ হোসেন প্রমুখ। এ সময় উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সরকার হীতেশ চন্দ্র পুলক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক বিশ্বাস দুর্লভ চন্দ্র, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রমতেশ গোস্বামী শংকর, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন পাল, অধ্যাপক শিবপদ ঘোষ, যতীন সরকার, স্বপন কুমার মন্ডল, বিঞ্চু পাল, বাস্তনী রাণীসহ হিন্দু-সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ১৪ টি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করেন দূর্বৃত্তরা। উক্ত ঘটনায় মির্জাপুর উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী যেন উদ্বিগ্ন না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পুলিশ।
    সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের ৩৫ বছর পূর্তি ও ৩৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে বুধবার দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সোনারগাঁও রয়েল রির্সোটে বুধবার বেলা ১১টায় পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূইয়া। সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক।  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজওয়ার-উল-ইসলাম, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মাহফুজর রহমান ও ফিরোজ হোসাইন মিতা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার ফেন্সি,  সোনারগাঁও থানার ওসি (তদন্ত ) আহসানউল্লাহ,  জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য এডভোকেট নুরজাহান বেগম ও কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরিন সুলতানা ঝরা। অনুষ্ঠানে  সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হুসাইন সংস্কৃতি মন্ত্রলালয়ের মিডিয়া ফেলোশিপ পুরস্কার পাওয়ায় ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেয়া হয়। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে ৩৫ পাউন্ডের কেক কেটে দিনটি উৎযাপন করা হয়। এছাড়া দুর্বার নামে একটি স্মরনিকাও প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোক্তার হোসেন মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক রবিউল হুসাইন, প্রচার সম্পাদক খায়রুল আলম খোকন, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য মনির হোসেন, সদস্য হারুন অর রশিদ, সালমা আক্তার কণা, সুমন আল হাসান, মাহবুব হোসেন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও জি আর ইন্সটিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ফারুক হুসেইন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ হোসাইন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সোনারগাঁওয়ের সমন্বয় বেলায়েত হোসেন, সাংবাদিক জাকির হোসেন ঝন্টু, আক্তার হাবীব, গাজী মোবারক, প্রেস ইউনিটির সভাপতি ফরিদ হোসেন, সোনারগাঁও  থানার সেকেন্ড অফিসার ইমরান হোসেন প্রমুখ।
    রংপুরে চিকিৎসক স্ত্রীর মামলায় বিচারক স্বামীকে গ্রেফতারের নির্দেশ
    সাইফুল ইসলাম মুকুল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (রংপুর)  রংপুরে চিকিৎসক স্ত্রীর করা মামলায় বিচারক স্বামী দেবাংশু কুমার সরকার ও তার বাবা সুধাংসু কুমার সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোস্তফা কামাল এই পরোয়ানা জারি করেন এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করার আদেশ দেন। অভিযুক্তরা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট বাজার পূর্ব গ্রামের বাসিন্দা। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি খন্দকার রফিক হাসনাইন জানান, ৩০ লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ায় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে ডা.হৃদিতা সরকার তার স্বামী দেবাংশু সরকারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এ মামলা করেন। আসামিরা হলেন, ডা. হৃদিতা সরকারের স্বামী রংপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক দেবাংশু কুমার সরকার, তার বাবা সুধাংশু কুমার সরকার এবং তাদের আত্মীয় ময়মনসিংহ জেলার গোলপুকুরপাড়া গ্রামের চন্দন দের ছেলে নিলয় দে সরকার ও হালুয়াঘাট উপজেলার আকনপাড়া গ্রামের সুধীর কুমার সরকারের ছেলে রঞ্জন সরকার। রফিক হাসনাইন আরও বলেন, মামলাটি আদালতের আদেশে রংপুর পিবিআই তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদী নারাজি করেন। ফলে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপারকে বুধবার সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেন বিচারক। বিচারক তদন্তের বিষয়ে পিবিআই পুলিশ সুপার জাকির হোসেন ও তদন্ত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দেবাংশু কুমার সরকার ও তার বাবা সুধাংশু কুমার সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। তবে সুধাংশু কুমার সরকারকে রংপুর থেকে বদলি করা হয়েছে। গত বছরের ২৪ এপ্রিল রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোস্তফা কামাল বাদীর জবানবন্দি রেকর্ডের পর মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এর আগে ওই বছরের ১৭ এপ্রিল বাদী হৃদিতা সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলা করলে আদালত ২১ এপ্রিল শুনানির দিন ধার্য করেন। কিন্তু ওইদিন বিচারক না থাকায় ২৪ এপ্রিল শুনানি হয়। মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি রংপুর মেডিকেল থেকে এমবিবিএস পাস করার পর বর্তমানে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত আছেন।  ২০১৫ সালের ১১ মে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে স্বামী ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পরে বাদীর বাবা ৫০ ভরি সোনাসহ ২৫ লাখ টাকার উপহার সামগ্রী দেন। বিয়ের কিছুদিন না যেতেই আসামি পুনরায় একটি নতুন গাড়ি কিনে দেওয়ার জন্য ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় বাদীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান।
    ফরিদপুরে হত্যাচেষ্টা মামলায় আসামির ৭ বছর কারাদণ্ড
    ফরিদপুরে হত্যাচেষ্টা মামলায় চান্দু শেখ নামের এক আসামীকে ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একই মামলায় মনির শেখ নামের আরো এক ব্যক্তিকে ২ বছর ও বাকি ৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন, সাইফুল শেখ (২০), সাইদুল শেখ (২৫), বক্কার শেখ (৫৫), কালাম শেখ (৫০) ও রাকিবুল শেখ (২০)। সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তরুণ বাছাড়ের আদালত দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।  আদালতে বাদির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোসাদ্দেক হোসেন বশির। আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর উমা রানী দাস। রায়ের পরে বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোসাদ্দেক হোসেন বশির বলেন, আসলে ৩২৬ ধারার মামলায় দীর্ঘ সাজা হয় এমন নজির খুব কম। অপরাধীদের সাজা না হলে তারা আরো বেপরোয়া হয়। তাই এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। হত্যার উদ্যেশ্যে কাউকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করলে যে ছাড় পাওয়া যাবে না, এই রায়ে সেটা প্রমাণিত হয়েছে। এ রায়ের ফলে মানুষ তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ ও মারামারি থেকে বিরত থাকবে এবং এটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। রায়ের পরে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি উমা রানী দাস বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি। অপরাধী যেন ছাড় না পান এটাই রাষ্ট্রপক্ষের উদ্দেশ্যে। আর এ রায় সমাজের জন্য একটা বার্তা। মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরকান্দার আশফরদী গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ চান্দু শেখের নেতৃত্বে মনির শেখ ও আরো কয়েকজন মিলে বাদি ছালাম শরিফের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় বাড়িঘর ভাংচুর চালালে এতে বাধা দেন মামলার বাদি ছালাম শরিফ ও তার ভাই বাবলু শরিফ। পরে চান্দু শেখ রামদা দিয়ে বাবলু শরিফের মাথায় কোঁপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেইসাথে মনির শেখ ছেনদা দিয়ে সোহাগ শরিফের মাথায় আঘাত করে। এতে গুরুতর জখমের সৃষ্টি হয়।  এছাড়াও ভুক্তোভোগি পরিবারের একাধিক সদস্য লাঠিসোঁঠা দিয়ে উপর্যুপুরি মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত বাবলু শরিফ ও সোহাগ শরিফকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে উভয়ের মাথায় ১১ টা সেলায় দিতে হয় এবং দীর্ঘদিন হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকে।  পরে এ ঘটনায় মামলা হলে দীর্ঘ তদন্ত শেষে নগরকান্দা পুলিশ আসামীদের দোষী করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন। ২০২১ সালে আদালত চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন। পরে দীর্ঘ সাক্ষ্য শেষে ৭ তারিখ আদালত রায় ঘোষণা করেন। এআই
    মির্জাপুরে প্রশাসনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন সাংবাদিক সংগঠনের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।   মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার সময় উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এ আয়োজন করা হয়। এতে মির্জাপুর প্রেসক্লাব, মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি ও মির্জাপুর সাংবাদিক সংস্থার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা অংশ নেয়। সভায় মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানের নেয়া বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান, মির্জাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি নিরঞ্জন পাল, মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল ও মির্জাপুর সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. জোবায়ের হোসেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সৌজন্য উপহার দেয়া হয়। উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা হিসেবে প্রায় দুই বছর দায়িত্ব পালনকালে তিনি বেশ কিছু উদ্যোগের জন্য সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন। এরমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও মির্জাপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ, বেশকয়েকটি রাস্তা নির্মাণ, ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ উপহার এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসন স্কুলের দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো নির্মাণ উল্লেখযোগ্য। এআই 
    ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর পোস্ট দেওয়ায় যুবককে ১১ বছরের কারাদণ্ড 
    রংপুরের পীরগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার মামলায় পরিতোষ সরকার নামে এক যুবককে ১১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক ড. মো. আবদুল মজিদ এই রায় দেন। এ সময় আসামি পরিতোষ সরকার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে জেলার পীরগঞ্জে রামনাথপুর ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে পরিতোষ সরকারকে ঘটনার পরের দিন সোমবার জয়পুরহাট থেকে গ্রেপ্তার করে রংপুর জেলা পুলিশ। পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর পরের দিন ১৯ অক্টোবর পীরগঞ্জ আমলি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার দায় স্বীকার করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি রুহুল আমিন তালুকদার জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি পরিতোষ সরকারকে চারটি ধারায় ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর ও ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।  তবে সকল সাজা একত্রে চলায় তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে। একইসঙ্গে তাকে আদালত ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীম আল মামুন বলেন, এরায়ে ন্যায়বিচার প্রতিফলন ঘটেনি। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর রাতে ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বড়করিমপুর মাঝিপাড়া গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গ্রামটির ১৫ পরিবারের ২১টি বাড়ির সবকিছু আগুনে পুড়ে যায়। সব মিলিয়ে অন্তত ৫০ বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। হামলাকারীরা গরু-ছাগল ও টাকা নিয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পরিতোষ সরকারকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন পীরগঞ্জ থানার এসআই ইসমাইল হোসেন। এআই
    মিরপুরে তুরাগতীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ 
    রাজধানীর মিরপুরে তুরাগতীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজ ও পাইলিংয়ে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট এস.এস. রহমান নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।  স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী রক্ষায় সীমানা পিলার ও ওয়াকয়ে নির্মাণ প্রকল্পে সরকার ১১৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও দুর্নীতির থাবায় সেই অর্থের বেশিরভাগই ঢুকছে চিহ্নিত প্রভাবশালী মহল ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত পকেটে।  বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে মিরপুরের দিয়াবাড়ী খেয়াঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, পাথরের পরিবর্তে পূর্বে ব্যবহৃত ভাঙা ঢালাই ও নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে চলছে ওয়াকয়ে নির্মাণ ও পাইলিং এর কাজ। শুধু তাই নয়, নির্মাণকাজে বরাদ্দকৃত রড এর ব্যবহারেও বেশ বড় মাপের গরমিল করছে সংশ্লিষ্ট এসএস রহমান নামের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।  সূত্র বলছে, ঢাকার চারপাশের চার নদী রক্ষায় সীমানা পিলার ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়ে ২০১৮ সালে  ১১৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। এরই মধ্যে পিলার স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার পাশাপাশি দৃশ্যমাণ হয়ে উঠেছে নদীতীর রক্ষার প্রকল্প। মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার স্থায়ী পিলার, সাড়ে ৩ কিলোমিটার আধুনিক ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ নদীতীর রক্ষার অসংখ্য স্থাপনা। চলমান রয়েছে বাদবাকি ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ। অপরদিকে, গাবতলীর বড়বাজার থেকে দিয়াবাড়ী খেয়াঘাট হয়ে দুই কিলোমিটার চলমান ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজে পাথরের পরিবর্তে পূর্বে ব্যবহৃত ভাঙা ঢালাই ও নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করছে এস.এস.রহমান নামে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাইটে কর্মরত একজন নির্মাণ শ্রমিক বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোনোকিছুই বলতে পারবো না৷ আমরা হুকুমের গোলাম। উপরের স্যাররা আমাদেরকে যে মাল সামানা এনে দিয়ে যেভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন; আমরা সেভাবেই কাজ করি। এ কাজে পাথরের পরিবর্তে ভাঙা ঢালাই কিংবা কাজের প্রয়োজনে নির্ধারিত পরিমাণ রডের অর্ধেক ব্যবহার করলেও আমাদের কিছুই করার নেই। কাজে কি পরিমাণে কি কি নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হবে সে দায়িত্ব আমাদের নয়। আমরা যে পরিমাণে যে মাল পাচ্ছি তা দিয়েই কাজ চালাচ্ছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক নির্মাণ শ্রমিক বলেন, এখানে পাইলিংয়ের কাজে পাথর ব্যবহার করার কথা থাকলেও এক্ষেত্রে পূর্বে ব্যবহৃত ভাঙা ঢালাই ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়া কাজের প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক রড ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কাজে বড় ধরণের দুর্নীতি ও অপরাধ করা হচ্ছে জেনেও আমাদের কিছুই করার থাকছে না। এর বাইরে আর কিছু বললে কর্তৃপক্ষ হয়তো আমাকে কাজ থেকেই বের করে দেবে। পরে বউ বাচ্চা নিয়ে আমাকে হয়তো না খেয়ে থাকতে হবে। এ বিষয়ে মুঠোফোনে এস এস রহমান নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি প্রকল্পের কাজে পাথরের পরিবর্তে ভাঙা ঢালাই ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এখানে যে ভাঙা ঢালাই ব্যবহার করা হচ্ছে তা এই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্য প্লাস্টার ভেঙে বের করা হয়েছে। সেগুলো আগে থেকেই সাইটে ছিল। তাই সেগুলো ফেলে না দিয়ে দিয়াবাড়ি ওয়াকয়ে নির্মাণ ও পাইলিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকল্পটির পরিচালক ও বিআইডব্লিউটিএ'র ড্রেজিং বিভাগের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু জাফর মোহাম্মাদ শাহনেওয়াজ বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সর্বশেষ তিনি বলেন, এই কাজে পাইলিংয়ের পুরোপুরি কাজেই পাথর দিয়েই ঢালাই করার কথা রয়েছে। তবে সেখানে পাথরের পরিবর্তে ভাঙা ঢালাই, নিম্নমাণের নির্মাণ সামগ্রী কিংবা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক রড ব্যবহারের বিষয়টি আমার জানা নেই। এআই
    এইচএসসিতে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল 
    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সোয়া ১২ টার দিকে প্রধানমন্ত্রী এ ফলাফল প্রকাশ করেন। এবারের ফলাফলে পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ।   তবে এবারে পরীক্ষায় ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউই পাস করেনি। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ৯ হাজার ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় এবার ২৮টি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। আর শতভাগ পাস করেছে এক হাজার ৩৩০টি প্রতিষ্ঠান। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এতে জানানো হয়, ২০২২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এরমধ্যে ১ হাজার ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করলেও ৫০টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে সবচেয়ে বেশি ফেল করা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৩টি। এছাড়া রাজশাহীতে ৯টি, ঢাকায় ৮টি, যশোরে ৬টি, কুমিল্লায় ৫টি এবং ময়মনসিংহে ৩টি প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল করেছেন। এছাড়া ৪টি মাদরাসা ও ২টি টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। আরআই
    মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে এইচএসসিতে শতভাগ জিপিএ-৫
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে ৫২ জন অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীই চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। এতে করে বেশ আনন্দে মেতে উঠেছে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা। জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা শিক্ষার্থীরা হলেন, মো. আব্দুর রহমান, আমির হামজা আশিক, ফারহান আঞ্জুম, তাসিন হান্নান কারেব, মুবাল্লিগ মোর্শেদ ওমর, কাজী আরাফাত হোসেন জিসান, ফয়সাল হোসেন, নাবেদ ফারদিন খান, একে খালিদ বিন জাফর, জাবির আল জিহাদ, উবায়দুর রহমান অয়ন, এএম সামিউল হায়দার, আসাদুল্লাহ্, নাফিস রেজা, আবিদ ইসরাক লিজন, আবু সাইফ আল সামি, রুশদি হাসান, নুজাদ আহমেদ ওয়াসিকে, আতিকুর রহমান খান রিওন, এসএম মাহিবুল্লাহ্ তানভীর, সিয়াম তালুকদার রাফি, রাকিবুল হাসান কায়েস, মুবাচ্ছির নাজিব, রাহিমুল ইসলাম রিয়াদ, আবির কর্মকার, সুশময় চক্রবর্তী, আবু মোসা রোহান, রুবায়েদ সরকার সিয়াম, আবদুল্লাহ্ বিন শাহনূর জাহিন, আশরাফ জাহান হিমেল, সরোয়ার হোসেন, দিদারুল ইসলাম, জাহিন রহমান, আল-আমিন, জাওয়াদ মুহতাদী আফনান, ইফতেখার হোসেন, রাহাত বিন আনিকুল, আবরার শাহরিয়ার সরকার, হাসিবুল ইসলাম সুপ্ত, নাহিদ সাদমান, নাহিদুজ্জামান ইমন, মুহতাসিম হাসান সিনদীপ, মাহাফুজুল ইসলাম দীপ্ত, তাসিন সামিউল্লাহ্, মোহাম্মদ মুহতাসিম, নাফিস রাফিদ, তানভীর আহমেদ, মুশরাথ মুনাওয়ার ইউশা, সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, ওয়ালীউল্লাহ, সাদমান সাবেব আজাদ, আবদুল্লাহ হোসেন মনি।  এবিষয়ে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে সুনাম অর্জন করেছে। আমাদের ক্যাডেট কলেজে কঠোর নিয়ম, শৃঙ্খলা, লেখাপড়ায় গুরুত্ব এবং শিক্ষকদের চেষ্টা ও অভিভাবকদের আন্তরিকতায় এই ফলাফল। এঅর্জন আমাদের একার নয় সারাদেশের।  আশা করছি পরবর্তী দিনগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে শিক্ষার্থীরা। এআই
    {{ post['title'] }}
    {{ post['description'] | stripHTML | truncate(80, '...')}}