এই মাত্র
  • সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • সার-বীজের দাম বাড়ানো হবে না: কৃষিমন্ত্রী
  • বিএনপি’র আন্দোলন ও সরকার পতন সবই ভুয়া: ওবায়দুল কাদের
  • আওয়ামী লীগ কথা দিয়ে কথা রাখে: প্রধানমন্ত্রী
  • দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • এবার সরকা‌রিভা‌বে হ‌জে যেতে লাগবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার
  • বড় ব্যবধানে জিতলেন সেই সাত্তার
  • হেরে গেলেন হিরো আলম
  • হিরো আলমের রেকর্ড
  • উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ: সিইসি
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২০ মাঘ, ১৪২৯ | ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
    দেশজুড়ে

    রামুতে নারী ভাইস চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

    user admin
    প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ২০:৩৭ পিএম

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: কক্সবাজারের রামুতে ভিজিডি কার্ডের তালিকায় নাম দেয়া ও কর্তনকে কেন্দ্র করে উপজেলা সমন্বয় সভায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

    মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রামু উপজেলা পরিষদ মিলনাতায়নে মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেত্রী আফসানা জেসমিন পপি ও ফাতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভুট্টোর মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এনে পরিস্থিতি সামাল দেন উপজেলা প্রশাসন।  

    সভায় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভাইস চেয়ারম্যান পপি ভিজিডি কার্ডের তালিকায় তার দেওয়া তিন উপকারভোগীর নাম কর্তন করার অভিযোগ তুলে ফতেখাঁরকলের চেয়ারম্যান ভুট্টোর বিরুদ্ধে সভায় বক্তব্য দেন। এ নিয়ে উভয়ের মাঝে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান ভুট্টো পপিকে অশ্লীল ভাষায় হুমকি দিয়ে তার নিজস্ব লোকজনকে ফোন দিলে তার ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিকসহ বিভিন্ন লোকজন হাতে লাঠি নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে জড়ো হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

    উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফসানা জেসমিন পপি জানান, তিনি ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নে ভিজিডির তালিকায় তিনজন হত দরিদ্রের নাম জমা দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তার দেয়া ঐ উপকারভোগীর নামগুলো তালিকা থেকে কেটে দেন ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো। বিষয়টি সমন্বয় সভায় অভিযোগ উত্তাপন করলে ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে বক্তব্য চলাকালীন সময়ে আমাকে তুই-তোকারি করে অশোভন ও অমার্জিত আচরণ করেন। এক পর্যায়ে মাইক্রোফোন ছুড়ে মারতে উদ্যত হন। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, ইউএনও ফাহমিদা মুস্তফাসহ সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ কিংকর্তব্যবিমুঢ হন। পরে উপস্থিত সকলের অনুরোধে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পপি কান্নাজড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো মানসিকভাবে তাকে হেনস্থা করে আসছিলেন। এমনকি গত কয়েকদিন আগেও উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা ও এক জনপ্রতিনিধির সামনেও অশালীন বাক্যে বাজে ইঙ্গিত দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এটি চলে এলেও এলাকার বড়জন হিসেবে তা মাথায় নিয়নি।

    ভাইস চেয়ারম্যান পপির দাবি, এক সময় আমি ভুট্টোর পরিষদে মহিলা মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলাম। তখন ভুট্টো আমাকে উত্যক্ত করাসহ অশালীন কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলে কু-প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি আমার উপর ক্ষেপে রয়েছেন তা আমার জানা ছিলনা।

    অভিযুক্ত ফতেখাঁরকুলের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভুট্টু বলেন, তিনি এক সময় আমার খুব কাছের মানুষ ছিলেন। তাকে মাহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আমিই নির্বাচিত করেছি। ভিজিডি তালিকায় যে তিনজনের নাম তিনি দিয়েছেন তারা সবাই আর্থিকভাবে স্বচ্ছল তাই তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় একটু বাকবিতন্ডা হয়েছে সত্যি- তবে, তা আবার মিটমাট হয়ে যায়।

    মাসিক সমন্বয় সভায় এমন অপ্রীতিকর ঘটনা কাম্য নয় মন্তব্য করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মুস্তফা বলেন, এরকম একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।

    ট্যাগ :

    রামু নারী ভাইস চেয়ারম্যান

    সম্পর্কিত:

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত