এইমাত্র
  • তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মো‌দির ফোন
  • গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ জয় পেলে ‘হ্যাঁ’
  • তারেক রহমানকে ভাই সম্বোধন করে মমতার অভিনন্দন
  • দ্রুত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস ইসির
  • দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ
  • নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট জামায়াত
  • আলোচনায় থেকেও পরাজিত হলেন যারা
  • ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত ২টি
  • ছুটি শেষে যেদিন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
  • ‘সব আশঙ্কা কাটিয়ে ঈদের উৎসবের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জনগণ’
  • আজ শুক্রবার, ৩০ মাঘ, ১৪৩২ | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    শার্শার দাউদখালী খালমুখের বাঁধ কাটার দাবিতে বিক্ষোভ, পরিদর্শন করলেন এসিল্যান্ড

    মো. জামাল হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৮ পিএম
    মো. জামাল হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৮ পিএম

    শার্শার দাউদখালী খালমুখের বাঁধ কাটার দাবিতে বিক্ষোভ, পরিদর্শন করলেন এসিল্যান্ড

    মো. জামাল হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৮ পিএম

    যশোরের শার্শা উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের মাখলা ঠেঙামারি ও গোমর বিলে জলাবদ্ধতায় জমে থাকা পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্কাশনের দাবি জানালেন স্থানীয় কৃষকরা। 

    মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে দাউদখালী খালমুখে নির্মিত বাঁধ পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। এসময় কৃষকরা খালের মুখের বাধ কেটে দেয়ার জোর দাবি জানান। এক পর্যায়ে তারা বিক্ষোভ করেন। প্রশাসন বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

    এ সময় শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা, বাগআঁচড়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, শার্শা থানা বিএনপির সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলামসহ বাগআঁচড়া, বসতপুর, কায়বা, ভবানীপুর, দাউদখালী ও রুদ্রপুর গ্রামের পাঁচ শতাধিক কৃষক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের দাবি জানান।

    জানা যায়, এ বছর ভারি বর্ষনে ওই এলাকার ছোট বড় ও মাঝারি সব বিল তলিয়ে রয়েছে আষাঢ় মাসের শুরু থেকে। ১৯৭০ সালের পর থেকে ইছামতী নদী তার নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। আর সেই ৫৪ বছর আগে থেকেই কপাল পুড়েছে এ অঞ্চলের চাষীদের। বিলের পানি আগের মত আর নিষ্কাশিত হতে পারেনা। উপরন্ত ইছামতি নদীর উজানের পানি উপজেলার রুদ্রপুর-দাউদখালী খালদিয়ে মাখলা ও সোনামুখি বিলে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। ৬ মাস ধরে বিল তলিয়ে থাকে। 

    এর সমাধানের জন্য ৮০ র দশকে রুদ্রপুর-দাউদখালী খালের ওপর তিন ব্যান্ডের সøুইসগেট নির্মান করা হয়। কিন্তু উজানের পানি রোধ করা যায়নি। এরপর ৯০ দশকে ২০ গজ দুরত্বে আরো একটি পাঁচটি ব্যান্ডের সøুইসগেট নির্মান করা হয়। এতে নির্মান কাজে ক্রুটি থাকায় আগের মতই উজানের পানি প্রবেশ করে মাঠ ঘাট তলিয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে দাউদখালী খালের প্রবেশ মুখে বাধ দিয়ে মেশিনের সাহায্যে পানি সেচে ঠেঙামারী বিলে ধান রোপনের ব্যাবস্থা করা হয়। এবছর পানির চাপ অনেক বেশি থাকায় ও অনেক ব্যয়বহুল হওয়ায় সেটিও সম্ভব হবে না। ঠেঙামারী বিলে এখনো ৬ থেকে ৮ ফুট পানি রয়েছে। যে কারনে মৌসুমে ধান চাষ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। 

    মাখলা বিলে ৪০০ একর, ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একর ও গোমর বিলে ২০০ একর জমিতে ইরিধানের চাষ করা হয়। বিলে জলাবদ্ধতার কারনে চলতি মৌসুমে মাখলা বিলে ২০০ একর, ঠেঙামারী বিলে ২৫০ একর ও গোমর বিলে ১০০ একর জমি পতিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে বীজতলা তৈরির জন্য চাষিরা দ্রুত পানি নিস্কাসনের দাবি জানিয়েছেন।  অনেকে মটরের সাহায্যে পানি সেচের দাবি করছেন আবার অনেকে বাঁধ কেটে পানি নিস্কাসনের দাবি তুলেছেন। 

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিলে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার লোকজনকে বিষয়টি লিখিত ভাবে জানানো কথা বলা হয়েছে। লিখিত পেলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

    এমআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…