যশোরে একদিনে তিন যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (২৬ আগস্ট) যশোর শহরের বারান্দীপাড়া, সদর উপজেলার বিরামপুর ও নওয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তারা তিনজনই পারিবারিক কলহের জের ধরে গলায় ফাঁস দেয়।
আত্মহননকারীরা হলেন বারান্দীপাড়া স্কুল মোড়ের নুরুল আলমের ছেলে সোহাগ হোসেন (২৫), বিরামপুর গ্রামের জালাল হোসেনের ছেলে সজিব হোসেন (২৩) ও নওয়াপাড়া গ্রামের ঘোষপাড়ার সাধন দেবনাথের ছেলে আশু দেবনাথ (৩৬)।
জানা গেছে, রোববার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে সোহাগ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আনলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে বেলা পৌনে ১১ টার দিকে সজিব হোসেন পারিবারিক কলহে তার স্ত্রীর ওপর অভিমান করে নিজ ঘরে বাঁশের আড়ার সাথে বউয়ের ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনেন। দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, রাত ৮ টার দিকে আশু দেবনাথ নিজ ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দেয়। পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই আশু দেবনাথের মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য মনির হোসেন জানান, তিনজনের আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। সোহাগ ও আশু দেবনাথের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। সজিবের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এফএস