শরতের আগমনের বার্তা নিয়ে সাদা কাশফুলে প্রকৃতি সেজেছে তার আপন রূপে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে সৌন্দর্য ও প্রশান্তির প্রতীক কাশফুল। ছয় ঋতুর এই দেশে প্রত্যেক ঋতুর রয়েছে আলাদা রূপ ও বৈচিত্র্য। সেটি বহন করে এবারও শরৎ এসেছে। তীব্র গরম আর কাঠফাটা রোদে ময়ূরের মতো কাশফুলের পালকের অপরূপ সৌন্দর্য মন জুড়ায় সব বয়সী মানুষের।
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পথের ধারে, গ্রাম-গঞ্জের জমির আইলে, পুকুরপারে, নদীর ধারে, মাঠে-ঘাটে শোভা পাচ্ছে কাশফুল। মূলত ছন গোত্রীয় এই ঘাস কমবেশি দেশের সব অঞ্চলেই দেখা যায়। কাশফুল পালকের মতো নরম এবং রং ধবধবে সাদা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের কাশবনে এ সৌন্দর্য দেখতে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, নাটোরসহ আশপাশের জেলা ও উপজেলার ভ্রমণপ্রেমীরাও ভিড় করেছে। কাশফুল কাছে পেলেই ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। কেউ সেলফি তুলছেন, আবার কেউবা ভিডিও করছেন। সূর্যাস্তের সময় নদীতে গোধূলির লাল, একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকার মতো। এর অপার সৌন্দর্যে নীরব সাক্ষী হতে চাইছে ভ্রমণপিপাসুরা।
একসময় ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ও গুমাণী নদীর ধারে, গ্রামগঞ্জে কাশফুল দেখা যেত। কালের বিবর্তনে এর পরিমাণ অনেক কমে গেছে। এখনও উপজেলার অষ্টমনিষা, খানমরিচ, দিলপাশার, মন্ডতোষসহ ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা মেলে নান্দনিক সৌন্দর্যের কাশফুল। কাশফুলের গাছগুলো প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম হয়। বেড়ে ওঠার সময় চোখে না পড়লেও ফুল ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।
এসআর