মালয়েশিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় ৭টি রাজ্য প্লাবিত হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ কমান্ড কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত সাত রাজ্যের ১১০টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে (পিপিএস) মোট ২২ হাজার ৯৮৩ জন বন্যা দুর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
এই মুহূর্তে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ পরিবার অবস্থান করছে এবং এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে, কেলান্তান রাজ্য। এই রাজ্যের বাচক ও পাসির পুতেহ শহরে বন্যা কবলিত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।
পার্লিস রাজ্যের একটি জেলা সম্পূর্ণ প্লাবিত, যেখানে ৫ হাজার ৯৬৬ জন দুর্গত, পেরাক রাজ্যে ৩৫টি পিপিএসে ৩ হাজার ৯২ জন আশ্রয় নিয়েছেন। সেলাঙ্গর রাজ্যে ২০টি পিপিএসে ২ হাজার ৭২৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন।
এ ছাড়াও কেদাহ রাজ্যে ১ হাজার ৫০৩ জন, পেনাং রাজ্যে ৮৭ জন এবং পাহাং রাজ্যে ৪২ জন দুর্গত হয়েছেন।
মালয়েশিয়ান আবহাওয়া দপ্তর উপদ্বীপ জুড়ে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বজ্রঝড়, ভারি বৃষ্টি এবং প্রবল বাতাসের সতর্কতা জারি রেখেছে।
কেলান্তান, তেরেঙ্গানু, পেরাক এবং পাহাং-এর কিছু অংশে বুধবার পর্যন্ত একটানা বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।
বেশ কয়েকটি অঞ্চলকে ‘মারাত্মক’ এবং ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কেলান্তানের তুম্পাট, পাসির মাস এবং পার্লিস।
চলমান বৃষ্টির কারণে কয়েকটি নদী যেমন জোহর রাজ্যের সুঙ্গাই বাতু পাহাত এবং পেনাংয়ের সুঙ্গাই পেরাই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যদিও কোনো নদী এখনও বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছায়নি।
বন্যা, ভূমিধস বা কাঠামোগত ক্ষতির কারণে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্যাপ্লাবিত রাজ্যগুলোতে ১০০টিরও বেশি রাস্তা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।
ইখা