উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বরাবরই আগেভাগে শীত পড়ে। হিমালয় থেকে নেমে আসা শীতল বাতাসে এই শীত আরো জেঁকে বসে। অক্টোবরের শেষ থেকেই শীত অনুভূত হতে শুরু করে। দিন যত গড়ায় তাপমাত্রা ততই কমতে থাকে।
নভেম্বরের দিনগুলোতে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রীর মধ্যে সাধারণত সীমাবদ্ধ থাকে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। গতকালও সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
ভোর থেকে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও বেলা বাড়ার সাথেসাথে তা কমতে থাকে। সকাল ৮টার মধ্যে সূর্যের দেখা মেলায় শীতের প্রবণতা কমে আসে। কর্মজীবী মানুষরা তাই দ্রুতই কাজে যেতে পারছেন। গতকাল দুপুরে পঞ্চগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
এইদিকে শীত শুরু হলে পঞ্চগড়ে জমতে শুরু করে পর্যটকদের ভিড়। উত্তরে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পেতে দূরদূরান্ত থেকে আসেন পর্যটকরা। অক্টোবর-নভেম্বরের মাসে আকাশ পরিষ্কার ও ঝলমলে রোদ থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পাওয়া যায় সহজে। যদিও মাঝেমাঝে পর্যটকদের আশাহত করে শীতের আকাশ।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ডিসেম্বরে শুরুতে তাপমাত্রা আরো কমে যাবে। সে সময় মৃদ্যু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এসআর