এইমাত্র
  • বাংলাদেশ অংশ না নিলে বিশ্বকাপ খেলবে যে দল
  • দেবীগঞ্জে বৈধ ওয়ারিশ বাদ দিয়ে সনদ প্রদানের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে
  • শাকসু নির্বাচন স্থগিত আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন
  • ভারত থেকে দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিল সরকার
  • নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ সদস্য, থাকছে ড্রোন-ডগ স্কোয়াড
  • ঈশ্বরদীতে চিরকুট লিখে অপরিচিত নারীর কোলে শিশু রেখে পালালেন মা
  • শাকসু নির্বাচন স্থগিত
  • মাস্তুল ফাউন্ডেশনের যাকাত কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
  • জমে উঠেছে ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগের শিরোপা লড়াই
  • চাটমোহরে বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
  • আজ সোমবার, ৬ মাঘ, ১৪৩২ | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    হাত-পায়ে ভর করে বাঁচার লড়াই মসুদা বেগমের

    মো. সাইফুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ভোলা) প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
    মো. সাইফুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ভোলা) প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

    হাত-পায়ে ভর করে বাঁচার লড়াই মসুদা বেগমের

    মো. সাইফুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ভোলা) প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর গ্রামে বসবাস ৫০ বছর বয়সী মসুদা বেগমের। জন্ম থেকেই তিনি স্বাভাবিকভাবে দাঁড়িয়ে হাঁটতে পারেন না। শুধু হাঁটতে পারা নয়, তিনি একজন বাকপ্রতিবন্ধীও। দু’টি হাত ও দু’টি পা ভর করে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলাই তার জীবনের একমাত্র ভরসা। এইভাবেই প্রতিদিন তিনি লড়াই করে টিকে আছেন।

    মসুদার জীবন যেন দুঃখ আর সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অন্যদের মতো সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে হাঁটা তার কল্পনার বাইরের বিষয়। গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে তিনি যখন দুই হাত ও দুই পা মাটিতে ঠেকিয়ে সামনের দিকে এগোন, তখন অনেকেই বিস্মিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন, আবার কেউ কেউ চোখ ফিরিয়ে নেন। কিন্তু কারও দৃষ্টি তাঁর জীবনের যন্ত্রণাকে লাঘব করতে পারেনি।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মসুদা জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনি পাঁচ বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। বর্তমানে বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। একমাত্র ভাইয়ের কাছেই তার আশ্রয়। তার ভাই দিনমজুরি কাজ করেন। সংসার চালানোয় দায়, বোনের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয় ভাইটির। কেউ দয়া করে কিছু দিলে তা দিয়েই কোনরকম দিন কাটাতে পারেন।

    প্রতিবেশী মাওলানা শাহে আলম বলেন, 'চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। মসুদা সরকারি কোন সহায়তাও পান না। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সহায়তার আশ্বাস মিললেও বাস্তবে তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পেলে হয়তো একটি হুইলচেয়ার বা অন্তত চলাচলের উপযোগী কোনো সহায়ক যন্ত্র পেতে পারতেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্য আর অবহেলার কারণে সে স্বপ্ন আজও অধরাই রয়ে গেছে।'

    একই এলাকার ইউনুস বলেন, ‘মসুদা বেগম মায়ের গর্ভ থেকেই প্রতিবন্ধী। একজন ভাই আছে, তাও অসহায়। মানুষ কিছু সহযোগিতা করলে খরচ চলে। সে সরকারি কোন সহযোগিতা পায়না। তবে সরকার সহযোগিতা করলে কোন রকম চলতে পারবে।’

    মসুদা বেগমের ভাই বেল্লাল বলেন, ‘আমার পাঁচ বোন ও আমি সবার ছোট। প্রতিবন্ধী বোনটি সবার বড়। আমার বোন কোন ধরনের ভাতা পাচ্ছে না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কোন সহযোগিতা করেনি। আমি একা মানুষ কাজ করে নিজের সংসার চালাই, এবং বোনেরও খরচ চালাই। সরকারের কাছে সাহায্য চাই।’

    উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন বলেন, 'বিষয়টি আপনার মাধ‌্যমে জানতে পারলাম। মসুদাকে সরকারি ভাতার আওতায় আনা হবে।’

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…