এইমাত্র
  • মিরপুরে বহুতল ভবনে আগুন
  • হান্নান মাসউদের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
  • বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকার খোঁজ নিচ্ছেন তারেক রহমান
  • অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন
  • জামায়াতের হামলায় বিএনপি নেতার চোখ নষ্ট হওয়ার খবরে মায়ের মৃত্যু
  • নির্বাচনে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৭০: আইজিপি
  • ভোট কারচুপির চেষ্টা হলে জনগণ অধিকার আদায়ে দাঁড়িয়ে যাবে: জামায়াত আমির
  • ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ
  • যে কেন্দ্রে ভোট দেবেন জাইমা রহমান
  • রাজনৈতিক সহিংসতায় ৪০ দিনে নিহত ১৩ : আসক
  • আজ বুধবার, ২৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    আওয়ামী লীগ ভোট চুরির সংস্কৃতি চালু করেছিল: এটিএম আজহারুল ইসলাম

    এনামুল হক দুখু, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
    এনামুল হক দুখু, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

    আওয়ামী লীগ ভোট চুরির সংস্কৃতি চালু করেছিল: এটিএম আজহারুল ইসলাম

    এনামুল হক দুখু, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হারিয়ারকুটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রংপুর–২ (বদরগঞ্জ–তারাগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।


    বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তারা ভোট চুরির একটি সংস্কৃতি চালু করেছিল। আওয়ামী লীগের শাসনামলে মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখেছে, তাদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে।’


    তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রসমাজের আন্দোলনের মুখে ওই সরকার শেষ পর্যন্ত পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’


    নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে বিনা অপরাধে ১৪ বছর কারাবন্দি করে রাখা হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে তিনটি মৃত্যুদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মহান আল্লাহর রহমতে আজ আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি।’


    তিনি বলেন, ‘জীবনে আমার চাওয়া–পাওয়ার আর কিছু নেই। বাকি জীবনটা আপনাদের খাদেম হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।’


    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন—এই আশাই রাখি।’


    ক্ষমতায় গেলে দলের লক্ষ্য ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষকে ত্রাণনির্ভর করে রাখব না। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব, যাতে মানুষ সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।’


    একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতি, লুটপাট ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়। এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার সংগ্রাম।’


    শেষে তিনি বলেন, ‘যদি ইনসাফভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র চান, তাহলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামিকে জয়যুক্ত করুন।’


    জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাও বক্তব্য দেন।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…