এইমাত্র
  • মিরপুরে বহুতল ভবনে আগুন
  • হান্নান মাসউদের সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
  • বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকার খোঁজ নিচ্ছেন তারেক রহমান
  • অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন
  • জামায়াতের হামলায় বিএনপি নেতার চোখ নষ্ট হওয়ার খবরে মায়ের মৃত্যু
  • নির্বাচনে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৭০: আইজিপি
  • ভোট কারচুপির চেষ্টা হলে জনগণ অধিকার আদায়ে দাঁড়িয়ে যাবে: জামায়াত আমির
  • ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ
  • যে কেন্দ্রে ভোট দেবেন জাইমা রহমান
  • রাজনৈতিক সহিংসতায় ৪০ দিনে নিহত ১৩ : আসক
  • আজ বুধবার, ২৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আইন-আদালত

    বিয়ে-তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

    বিয়ে-তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি হাতে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান।

    রায়ে সারাদেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য একটি কেন্দ্রীয়, সার্চযোগ্য ও টেম্পার-প্রুফ ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

    ২০২১ সালের ৪ মার্চ বিয়ে ও তালাকের ঘটনার নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন রাকিব হাসানসহ তিন ব্যক্তি এবং এইড ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম নাদিম। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ছাড়াও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, ধর্ম সচিব ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানকে রিটে বিবাদী করা হয়। বিয়ে ও তালাকের ঘটনা নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানোর পরও পদক্ষেপ না নেয়ায় এই রিট আবেদন করা হয়। 

    রিট আবেদনে বলা হয়, বর্তমানে যে পদ্ধতিতে বিবাহ ও বিচ্ছেদের ঘটনা রেজিস্ট্রেশন করা হয়, তা ডিজিটালাইজেশন না করার কারণে অসংখ্য প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। আগের বিয়ে গোপন রেখে ডিভোর্স না দিয়েই নতুন করে বিয়ে করার ঘটনাও ঘটছে। ফলে সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ বেড়ে অসংখ্য মামলার জন্ম নিচ্ছে। এ কারণে বিয়ে ও ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন ডিজিটালাইজেশন পদ্ধতিতে হওয়া প্রয়োজন। 

    এছাড়াও ছবিসহ বিয়ে ও ডিভোর্স ডিজিটালাইজেশন করলে সংশ্লিষ্ট নারী বা পুরুষের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে সার্চ করলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। এতে প্রতারণার হাত থেকে অসংখ্য মানুষ রক্ষা পাবে বলেও রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…