রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার ও জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ফটোফ্রেম প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জানান, গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
এ বিষয়ে ছাত্রশিবির নোবিপ্রবি শাখার সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহত ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব নির্বাচনের পাশাপাশি রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার এবং জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে।
শাখা সভাপতি আরিফুর রহমান (সৈকত) বলেন, বাংলাদেশ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক সময় অতিক্রম করছে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা যে ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবি জানিয়েছিল, সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের প্রশ্ন আজ আবার সামনে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট কেবল একটি নির্বাচন নয়; এটি রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের পক্ষে মতামত দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এই প্রেক্ষাপটে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নোবিপ্রবি শাখার এই সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অব্যাহত থাকবে বলে জানান ছাত্রশিবির নেতারা।
ইখা