এইমাত্র
  • বাংলাদেশের প্রশংসা করে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ধুয়ে দিলেন মমতা
  • ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই’
  • ‘যা পারেন লেখেন’—টাকা কর্তন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রতি তারাগঞ্জের ইউএনও
  • নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
  • গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
  • যশোরে যুবকের পেট থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার
  • অষ্টগ্রামে স্কুল থেকে ফেরার পথে ছাত্রীকে কাঁচি দিয়ে হামলা, যুবক আটক
  • নোবিপ্রবি ভিসিসহ তিন শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগে ৭ দিনের আল্টিমেটাম
  • নারায়ণগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ফের দলীয় ব্যানার
  • `বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী মিলন ভাই'
  • আজ বুধবার, ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    'নির্বাচন কমিশনকে দাফন' করে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ

    নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
    নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

    'নির্বাচন কমিশনকে দাফন' করে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ

    নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

    ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রকাশ্যে লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি রায়হান জামিল। কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকার অভাবের অভিযোগ এনে প্রতীকীভাবে নির্বাচন কমিশনকে ‘দাফন’ করা হয়।


    অভিযোগে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী একটি ইউনিয়নে একটি ব্যানার এবং একটি ওয়ার্ডে একটি নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপনের বিধান থাকলেও এই আসনের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ব্যানার ও ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এতে নির্বাচনী আচরণবিধি চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে।


    এ ছাড়া প্রকাশ্যে ভোটারদের খিচুড়ি খাওয়ানো, চায়ের দোকানে বিনামূল্যে চা সরবরাহ, অবৈধভাবে পোস্টার লাগানো এবং নিয়ম ভেঙে গাড়ি শোডাউন দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন কমিশনের নজরদারির অভাবে ঘটছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।


    এসব অনিয়মের প্রতিবাদে সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় চরভদ্রাসন উপজেলার গোপালপুর ঘাটে মুফতি রায়হান জামিলের নেতৃত্বে এই প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে নির্বাচন কমিশনকে ‘মৃত ঘোষণা’ করে কবর দেওয়ার মাধ্যমে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।


    এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অবিলম্বে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বন্ধ করে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।


    এনআই

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…