এইমাত্র
  • জনগণের রায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ চলবে : তারেক রহমান
  • তিস্তা হবে উত্তর অঞ্চলের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু: ডা. শফিকুর রহমান
  • শাহজালাল বিমানবন্দর: সক্ষমতার দ্বিগুণ চাপে স্থবির যাত্রী সেবা
  • বিশ্ব কাঁপছে এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে, দেশ কাঁদছে মোহনার যন্ত্রণায়
  • ধানের শীষে ভোট চাইলেন সাংবাদিক হত্যার প্রধান আসামি আ.লীগ নেতা বাবু চেয়ারম্যান
  • অপহরণের নাটক সাজিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা, যুবক আটক
  • আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি, শক্তি জানান দিতে প্রস্তুত জামায়াত
  • বেনাপোলের পল্লীতে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণ, তিন শ্রমিক আহত
  • যশোরে আলমসাধু উল্টে দুই ভাই হতাহত
  • পাবনা-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
  • আজ বুধবার, ২১ মাঘ, ১৪৩২ | ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    রাজনীতি

    ৩০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করল ইসলামী আন্দোলন

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

    ৩০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করল ইসলামী আন্দোলন

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই ইশতেহারে ৩০টি মৌলিক দফা এবং ১২টি বিশেষ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলটির আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

    ৩০ দফা মৌলিক ইশতেহার-

    ১. দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন।

    ২. দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

    ৩. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

    ৪. রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বত্র শরিয়াহর প্রাধান্য।

    ৫. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যমুক্ত অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ গঠন।

    ৬. নৈতিকতায় সমৃদ্ধ, কর্মমুখী ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা।

    ৭. সর্বজনীন কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।

    ৮. পর্যায়ক্রমিক রাষ্ট্রসংস্কার।

    ৯. মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতি দায়বদ্ধতা।

    ১০. আর্থিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

    ১১. নারী, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সব জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও মানবাধিকার সুরক্ষা।

    ১২. রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতিতে বৈষম্য বিলোপ।

    ১৩. সবার জন্য সাশ্রয়ী ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা।

    ১৪. পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় গুরুত্ব।

    ১৫. ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ।

    ১৬. শুধু দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমন নয়, নির্মূলকরণ কর্মসূচি গ্রহণ।

    ১৭. শুধু আইনের শাসন নয়, ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।

    ১৮. জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতি বাস্তবায়ন।

    ১৯. মানুষের সার্বিক কল্যাণে ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয়।

    ২০. দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন ও অনৈতিক পেশার সঙ্গে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধকরণ।

    ২১. খুন, গুম, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও দুঃশাসনের অবসান।

    ২২. জনগণের বাক্‌স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ।

    ২৩. নারীদের শুধু সমঅধিকার নয়, অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা।

    ২৪. শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, স্যুয়ারেজ ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু।

    ২৫. সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ।

    ২৬. কওমি মাদরাসার ডিগ্রিধারীসহ দক্ষ ও যোগ্য ওলামায়ে কিরামকে সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা।

    ২৭. সড়ক নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ।

    ২৮. বাংলাদেশকে ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা।

    ২৯. শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা।

    ৩০. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে সকল সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।

    ১২টি বিশেষ কর্মসূচি-

    ১. হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা।

    ২. প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন একবেলা পুষ্টিকর খাবার।

    ৩. ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী যুবকদের জন্য সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এককালীন ঋণ।

    ৪. সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি বা স্বাস্থ্যকার্ড চালু, ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং কৃষিকার্ড প্রবর্তন।

    ৫. ন্যাশনাল জব পোর্টাল, যেখানে দেশে ও বিদেশে চাকরি খোঁজা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের সুবিধা থাকবে।

    ৬. কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন।

    ৭. ঢাকাসহ সব নগরে সরকার নিয়ন্ত্রিত ও ফ্র্যাঞ্চাইজভিত্তিক বাস ব্যবস্থাপনা।

    ৮. সেবাকেন্দ্রিক কর ব্যবস্থা চালু।

    ৯. সবার জন্য নির্বিঘ্ন নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ।

    ১০. নারী পোশাকশ্রমিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা।

    ১১. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।

    ১২. কওমি সনদের স্বীকৃতির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রীয় পদে ওলামায়ে কেরামের পদায়ন।

    ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…