এইমাত্র
  • শহীদ মিনারে ফুল দিতে বাধা: বিএনপির উদ্দেশে সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার
  • বাধার মুখে শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারলেন না রুমিন ফারহানা
  • কর্ণফুলীতে জামায়াতের হামলায় বিএনপির ৮কর্মী আহত
  • ত্রিশালে বিনম্র শ্রদ্ধায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন
  • আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করে দোয়া জামায়াতের
  • ভাষা শহিদদের স্মরণে শহিদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন
  • একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ইবি প্রশাসনের শ্রদ্ধা
  • পুঠিয়ায় একুশের প্রথম প্রহরে এমপি নজরুল মন্ডলের শ্রদ্ধা নিবেদন
  • একুশের প্রথম প্রহরে কিশোরগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল
  • এবার ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্বীকার করলেন ট্রাম্প
  • আজ শনিবার, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    রাজনীতি

    ৫২-তে ভাষা পেলেও নাগরিক অধিকার আজও অধরা : শফিকুর রহমান

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৯ এএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৯ এএম

    ৫২-তে ভাষা পেলেও নাগরিক অধিকার আজও অধরা : শফিকুর রহমান

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৯ এএম


    ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে মাতৃভাষার অধিকার অর্জিত হলেও দেশের নাগরিকরা এখনো মৌলিক ও মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 


    তিনি বলেন, ৫২-তে ভাষার অধিকার মিলেছে, কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত অধিকার আজও অধরা রয়ে গেছে।


    শুক্রবার দিবাগত রাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থান-এ ভাষা শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। 


    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ছাত্র ও তরুণরা বুক পেতে লড়াই করেছিলেন এবং শাহাদত বরণ করেছিলেন। আজিমপুর কবরস্থানে দাফনকৃত ভাষা সৈনিকদের স্মরণ করে তারা ফাতেহা পাঠ, সুরা ইখলাস তেলাওয়াত এবং বিশেষ মোনাজাত করেছেন।


    তিনি জানান, ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের সকলের জন্যই দোয়া করা হয়েছে। 


    তার বক্তব্যে ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন জামায়াত আমির । তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠিত “কায়েম স্বার্থবাদী সরকারগুলো” জনগণের অধিকার গায়ের জোরে চেপে ধরতে চেয়েছে। এর প্রতিবাদেই বারবার আন্দোলন ও বিদ্রোহ হয়েছে।


    ভাষার অধিকার আমরা পেয়েছি, কিন্তু নাগরিক অধিকার এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি—বলেন তিনি। তার দাবি, ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ যেমন বঞ্চনার সময় ছিল, তেমনি স্বাধীনতার পরও কাঙ্ক্ষিত ন্যায়বিচার ও সমঅধিকার নিশ্চিত হয়নি।


    শফিকুর রহমান বলেন, তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না বাংলাদেশে একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। তার ভাষায়, এমন একটি রাষ্ট্র দরকার যেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নির্মূল হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ জীবন পাবে।


    তিনি বলেন, “বীররা কখনো হারিয়ে যায় না। ৫২-র শহীদরা আমাদের শিখিয়ে গেছেন, সংগ্রাম করলে অধিকার ফিরে পাওয়া যায়।


    জামায়াত আমির বলেন, এই সংগ্রাম কোনো বিশেষ শ্রেণীর জন্য নয়; কৃষক, শ্রমিক, মাঝি-মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্যই তাদের রাজনীতি। তরুণদের বাস্তব স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন তিনি। একই সঙ্গে শিশুদের আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।


    তিনি আরও বলেন, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আমরা জীবন দিয়ে হলেও জাতির অধিকার ফিরিয়ে দেব। তার মতে, প্রকৃত ন্যায়বিচার তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে, যখন আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তিতে ফয়সালা কায়েম হবে।


    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…