এইমাত্র
  • পাকিস্তানে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করল ভারতের সংসদ
  • চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়া শিশু মেজবাহ মারা গেছে
  • নির্বাচনি দায়িত্বে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু মিসবাহ উদ্ধার
  • হাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে আটক ২
  • যশোর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেই ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম
  • শেরপুরে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩০
  • ক্রিকেট দল না পাঠালেও শুটিং দলকে ভারতে যেতে অনুমতি সরকারের
  • নোয়াখালীতে বিএনপির ১৮ নেতা বহিষ্কার
  • আজ বুধবার, ১৫ মাঘ, ১৪৩২ | ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ঈশ্বরদীতে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা ও অপহরণের চেষ্টা

    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

    ঈশ্বরদীতে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা ও অপহরণের চেষ্টা

    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

    পাবনার ঈশ্বরদীতে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে মহির উদ্দিন মন্ডল নামে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও দায়িত্বরত গ্রাম পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীরা ওই চেয়ারম্যানকে অপহরণের চেষ্টাও করে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জয়নগর সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসাদুজ্জামানসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    হামলা ও মারধরের শিকার মহির উদ্দিন মন্ডল উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

    গ্রাম পুলিশ নুরুন্নবী মৃধা জানান, উপজেলার মানিকনগর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত নূর সালাম প্রামাণিকের স্ত্রী কহিনুর বেগম তার ছেলে সুলাইমান হোসেন ভুট্টোর বিরুদ্ধে অসদাচরণসহ বেশ কিছু অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই অভিযোগ সুরাহা করার জন্য সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন মন্ডলকে দায়িত্ব দেন। চেয়ারম্যান অভিযোগের ভিত্তিতে দুই পক্ষকে ২৮ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সালিশ বৈঠকে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করেন।

    নোটিশ অনুযায়ী দুই পক্ষ উপস্থিত হলে সালিশ বৈঠক শুরু হয়। একপর্যায়ে বৈঠক শেষে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় চত্বরে মা ও ছেলের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। তখন উপস্থিত গ্রাম পুলিশরা তাঁদের ইউনিয়ন কার্যালয়ের বাইরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করলে সুলাইমান হোসেন ও তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন গ্রাম পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় চেয়ারম্যানসহ মেম্বাররা ঘটনাস্থলে এসে সুলাইমানসহ তাঁদের লোকজনদের ইউনিয়ন চত্বর থেকে বের করে দেন।

    এর কিছুক্ষণ পর সুলাইমানের নেতৃত্বে রুয়েল, অনিক প্রামাণিক, গিট্টু মিয়া, ইমন, রাব্বিসহ একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঢুকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং একপর্যায়ে তাঁকে অপহরণের চেষ্টা করে। পরে গ্রাম পুলিশসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন মন্ডল জানান, "উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী আমি সালিশ বৈঠকের জন্য দুই পক্ষকে ডেকেছিলাম। আলোচনা শেষে নিজেদের মধ্যে সমাধানের জন্য কয়েক দিন সময় দিয়েছিলাম। বৈঠক শেষে তারা বাইরে এসে আবারও নিজেরা তর্কে জড়ালে গ্রাম পুলিশরা তাঁদের এখান থেকে চলে যেতে বলেছিল। কিন্তু তারা উল্টো গ্রাম পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে সুলাইমান হোসেন ভুট্টোর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায় এবং আমাকে অপহরণের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।"

    এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুলাইমান হোসেন ভুট্টোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

    ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…