এইমাত্র
  • ফের ভারতীয়দের জন্য বড় ধাক্কা এলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে
  • পাকিস্তানে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করল ভারতের সংসদ
  • চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়া শিশু মেজবাহ মারা গেছে
  • নির্বাচনি দায়িত্বে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু মিসবাহ উদ্ধার
  • হাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে আটক ২
  • যশোর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেই ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম
  • শেরপুরে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩০
  • ক্রিকেট দল না পাঠালেও শুটিং দলকে ভারতে যেতে অনুমতি সরকারের
  • আজ বুধবার, ১৫ মাঘ, ১৪৩২ | ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    তথ্য-প্রযুক্তি

    ঘুমানোর সময় রাউটার বন্ধ রাখলে শরীর যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়

    তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
    তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩২ পিএম

    ঘুমানোর সময় রাউটার বন্ধ রাখলে শরীর যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়

    তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    সম্প্রতি এমন দাবি বেশ ছড়িয়ে পড়েছে যে, মাত্র এক সপ্তাহ রাতে ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখলেই নাকি ঘুম গভীর হয়, মানসিক চাপ কমে, এমনকি দীর্ঘদিনের মাথাব্যথাও সেরে যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই দাবিগুলো কতটা সত্যি। বিশেষজ্ঞরা এ প্রসঙ্গে কথা বিস্তারিত কথা বলেছেন।   

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে যে রেডিয়েশন বের হয়, তা অত্যন্ত নিম্নমাত্রার এবং ‘নন-আয়নাইজিং’ ধরনের। হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালের কনসালট্যান্ট চিকিৎসক ডা. হিরণ এস. রেড্ডি জানান, এই ধরনের রেডিয়েশন বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নয়। তাই টানা সাত রাত ঘুমানোর সময় রাউটার বন্ধ রাখলেও শরীরে বড় কোনও জৈবিক পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    তবে কিছু মানুষ মনে করেন, তারা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। এমন ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, অস্বস্তি বা ঘুমের সমস্যা কিছুটা কম মনে হতে পারে। যদিও ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক হাইপারসেন্সিটিভিটি’ নামে পরিচিত এই ধারণার পক্ষে এখনও শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। 

    নিউরোলজিস্টদের মতে, ঘুমের সবচেয়ে বড় শত্রু ওয়াই-ফাই নয় বরং আমাদের হাতে থাকা স্মার্টফোন আর ল্যাপটপ। অ্যাপোলো হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. সুধীর কুমার বলেন, রাউটার থেকে নির্গত তরঙ্গ ঘরের কয়েক মিটার দূরত্বেই আরও দুর্বল হয়ে যায় এবং তা ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনে তেমন প্রভাব ফেলে না। কিন্তু মোবাইল বা ল্যাপটপের নীল আলো সরাসরি মেলাটোনিন নিঃসরণে বাধা দেয়। ফলে দেরিতে ঘুম আসে, ঘুম হয় হালকা, আর সকালে উঠেও ক্লান্ত লাগে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতে ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই স্বাভাবিকভাবেই স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে দেন। নোটিফিকেশন বন্ধ থাকে, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং কমে যায়। এর ফলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে শান্ত হয় এবং ঘুমের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। ভালো ঘুম মানেই ভালো মন, উন্নত স্মৃতিশক্তি, কম মানসিক চাপ এবং শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। 

    রাতে ৭ দিন ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখলেই শরীরে বড় কোনও অদ্ভুত পরিবর্তন হবে এমন দাবি করার মতো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো নেই। তবে যদি এর ফলে আপনার স্ক্রিন টাইম কমে, ঘুম গভীর হয় এবং মন শান্ত থাকে, তাহলে সেটি নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো অভ্যাস হতে পারে। অর্থাৎ, উপকারটা রাউটার বন্ধে নয় বরং ভালো ঘুমের অভ্যাসে।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…