নীলফামারীর জলঢাকায় আদর্শ ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক স্থানীয় নেতাকর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত এক ‘হিন্দু উঠান বৈঠকে’ তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দেন।
নবযোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুস সোবহান চিনু, জাতীয় পার্টির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শুকুর আলী, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, তফে হোসেন, লোকমান, শিক্ষক শ্রী সুপেন্দ্র নাথ, শ্রী আনাম, ডা. পুশিনাথ চন্দ্র, শ্রী সুধীর চন্দ্র বাবু, নিরেন চন্দ্র, শ্রী কালিপদ চন্দ্র (রাজবাড়ী), শ্রী রামু চন্দ্র, ইউপি সদস্য নারায়ণ অধিকারীসহ মোট অর্ধশতাধিক স্থানীয় নেতাকর্মী।
যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি নেতা আব্দুস সোবহান চিনু বলেন, “জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ন্যায়পরায়ণতা, ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা এবং আদর্শিক আচরণ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। মূলত এসব কারণেই আমি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছি।”
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই আজ রাজনৈতিক দলগুলো প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে। আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণেই জামায়াতে ইসলামী আজ মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মতো কোনো একতরফা নির্বাচন চাই না। সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিজয় প্রমাণ করেছে—যারা গঠনমূলক কাজ করে, তারাই নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য।”
শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত উপজেলা আমীর কামরুজ্জামান, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফায়সাল মুরাদ ও জাকির হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এনআই