বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় তিন মাস পর চারটি চালানে ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ১৪টি ট্রাকে করে আমদানি করা চালের চালানগুলো বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এসব চাল বন্দর থেকে খালাস করে দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ করা হবে।
চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আমদানিকৃত চালের কাস্টমস ছাড়করণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর সূত্র জানায়, দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় এই চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সর্বশেষ গত বছরের নভেম্বর মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল।
সরকার চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি নতুন করে ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়। এ চাল আগামী ৩ মার্চের মধ্যে দেশে আমদানি ও বাজারজাত করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আমদানিকারক সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত প্রতিকেজি চালের আমদানি খরচ পড়েছে প্রায় ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতিকেজি ৫১ টাকা দরে বিক্রি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘চারটি চালানে মোট ৫১০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চাল দ্রুত খালাস ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
ইখা