এইমাত্র
  • ফের ভারতীয়দের জন্য বড় ধাক্কা এলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে
  • পাকিস্তানে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করল ভারতের সংসদ
  • চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়া শিশু মেজবাহ মারা গেছে
  • নির্বাচনি দায়িত্বে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু মিসবাহ উদ্ধার
  • হাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে আটক ২
  • যশোর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেই ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম
  • শেরপুরে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩০
  • ক্রিকেট দল না পাঠালেও শুটিং দলকে ভারতে যেতে অনুমতি সরকারের
  • আজ বুধবার, ১৫ মাঘ, ১৪৩২ | ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    আইন-আদালত

    মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি নেয়ার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

    মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি নেয়ার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
    মো. কামাল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

    আপন চাচাকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে মো. কামাল হোসেনকে। বর্তমানে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে কর্মরত।

    আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তার জামিন বাতিল করে এ আদেশ দেন। 

    দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    তিনি জানান, আসামি জামিনের শর্ত ভঙ্গ করায় আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

    আদালত জানান, কামাল হোসেন গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করা হয়। তবে দুই দফায় জামিনের শর্ত পালন না করায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জামিন বাতিলের আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠান। 

    গত ২৬ ডিসেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে মামলাটি করেন। 

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামি মো. কামাল হোসেনের প্রকৃত জন্মদাতা পিতা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তিনি আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজান। এই জালিয়াতির মাধ্যমেই তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। 

    দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কামাল হোসেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার সময় তার প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেছিলেন। তবে নবম শ্রেণিতে ওঠার পর একই স্কুলে রেজিস্ট্রেশনের সময় তিনি কৌশলে চাচা-চাচিকে নিজের পিতা-মাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। 

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে চরম প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…