এইমাত্র
  • তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
  • মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর
  • প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
  • ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
  • রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
  • সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
  • নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
  • শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: অদৃশ্য বিপদ ঘরে বাইরে
  • আজ বুধবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
    ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য। আগামীকাল বুধবার জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল।হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।”প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল—নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি।এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।’তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।’এফএস
    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধারপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করেছে ‍পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ওই স্কুলছাত্রের বাবা খন্দকার শামীম তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী।পুলিশ সূত্র জানায়, আজ বিকেলে খন্দকার শামীম সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বের হচ্ছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ছেলে অপহৃত হওয়ার বিষয়টি জানান। খবরটি শুনেই পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।পরে শিশুটিকে উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর স্কুলছাত্রকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন। ছাত্রটি খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। বেলা আড়াইটার সময় স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচজন তাকে খিলগাঁওয়ের জোড়পুকুর এলাকায় সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে চড়থাপ্পড় দেওয়া হয় এবং নির্যাতন করা হয়। এরপর তার বাবার নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। পুলিশ প্রথমে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কোন নম্বরে টাকা পাঠানো হবে, তাদের কাছে সেই নম্বর চাওয়া হয়। তারা প্রথমে নম্বর দিতে দেরি করছিল, দর-কষাকষিও চলে।পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ আলম বলেন, মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দর-কষাকষির মধ্যে পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ফেলে এবং ছাত্রটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু হয়। টের পেয়ে অপহরণকীরা ছাত্রকে রেখে পালিয়ে যায়। এরপর বিকেল পাঁচটার দিকে নির্মাণাধীন ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে ছাত্রটিকে উদ্ধার করা হয়।এফএস

    জাতীয়

    সব দেখুন
    তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
    ফ্যামিলি কার্ডের নামে কেউ প্রতারণা করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। ডা. জাহিদ বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে সরকার। আগামী ১০ মার্চ দেশের ১৪টি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটা ইউনিভার্সাল কার্ড। কেউ বাদ যাবে না। হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, এই তিন শ্রেণির সবাই আগেই কার্ড পাবেন।’ তারপর পর্যায়ক্রমে সবাই এই কার্ড পাবেন বলে জানান তিনি। ৪ বছরের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, উপকারভোগীদের সংগৃহীত সকল তথ্য সফটওয়্যারে সংরক্ষণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে যে ব্যাংক থেকে গ্রাহক টাকা তুলতে চান সেই ব্যাংক থেকেই তা তুলতে পারবেন।   কড়াইল বস্তিসহ ময়মনসিংহের কিছু এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি সবাইকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বেঁচে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, আমরা ম্যানুয়ালি তথ্য সংগ্রহ করছি ইউনিয়ন পর্যায়ে। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য অফলাইন ও অনলাইনেও দেয়া যাবে। তবে কেউ প্রতারণা করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কার্ড পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর জন্য তদবিরের কোনো প্রয়োজন নেই।এফএস
    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
    ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য। আগামীকাল বুধবার জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল।হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।”প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল—নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি।এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।’তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।’এফএস
    মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর
    মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, মন্ত্রী হবো না— এটা জেনেই মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদ, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম, দক্ষিণ থানার ওসি এম সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা।গয়েশ্বর বলেন, আমি জানতাম, মন্ত্রী হবো না। তবুও সেখানে গিয়েছিলাম। আমি আপনাদের বলে গেলাম, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না। আপনারা বলছেন মন্ত্রী না করায় রাগ করে চলে আসছি। এটা সত্য না। তিনি বলেন, আমি সংসদ সদস্য, জনগণের প্রতিনিধি। শেষ পর্যন্ত মানুষের পক্ষে লড়াই করব, নিয়মের কথা বলব এবং নিয়ম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব। এটাই আমার কাজ।১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বাগবিতণ্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ প্রসঙ্গে গয়েশ্বর বলেন, মন্ত্রিসভায় ডাক পেলে তিনি আগেই জানতে পারতেন। একজন সিনিয়র নেতা হিসেবে তাকে সামনের সারিতে বসার আসন দেওয়া হয়েছিল। তবে এক কর্মকর্তা না জেনে মন্ত্রী ছাড়া অন্য সবাইকে আসন ছেড়ে দিতে বলেন। এমনকি না গেলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ডাকার হুমকিও দেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে তিনি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।এফএস
    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধারপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করেছে ‍পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ওই স্কুলছাত্রের বাবা খন্দকার শামীম তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী।পুলিশ সূত্র জানায়, আজ বিকেলে খন্দকার শামীম সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বের হচ্ছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ছেলে অপহৃত হওয়ার বিষয়টি জানান। খবরটি শুনেই পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।পরে শিশুটিকে উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর স্কুলছাত্রকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন। ছাত্রটি খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। বেলা আড়াইটার সময় স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচজন তাকে খিলগাঁওয়ের জোড়পুকুর এলাকায় সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে চড়থাপ্পড় দেওয়া হয় এবং নির্যাতন করা হয়। এরপর তার বাবার নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। পুলিশ প্রথমে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কোন নম্বরে টাকা পাঠানো হবে, তাদের কাছে সেই নম্বর চাওয়া হয়। তারা প্রথমে নম্বর দিতে দেরি করছিল, দর-কষাকষিও চলে।পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ আলম বলেন, মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দর-কষাকষির মধ্যে পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ফেলে এবং ছাত্রটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু হয়। টের পেয়ে অপহরণকীরা ছাত্রকে রেখে পালিয়ে যায়। এরপর বিকেল পাঁচটার দিকে নির্মাণাধীন ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে ছাত্রটিকে উদ্ধার করা হয়।এফএস
    ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
    দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর আবার চালু হচ্ছে আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার কমলাপুর বাস ডিপো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রয়েল মৈত্রীর একটি বাস আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্তপথে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা প্রবেশ করে।আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা বাস সার্ভিসের জিএম ওয়ারিছ আলম ডিএস জানান, আপাতত সপ্তাহে দুই দিন পরীক্ষামূলকভাবে চলবে। তার পরে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে সপ্তাহে তিন দিন করে নিয়মিত এই বাস পরিষেবা শুরু হবে।ঢাকা হয়ে আগরতলা - কলকাতা এই বাস পরিষেবা আগেও চালু ছিল। তবে গত দেড় বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর ভিসা জটিলতায় সাময়িকভাবে তা বন্ধ ছিলো। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও ভিসা জটিলতার কারণে বন্ধ থাকা বাস সার্ভিস দেড় বছরের বেশি সময় পর মৈত্রী ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ভারত ও বাংলাদেশ, দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের সূত্র ধরেই এ পথে পরীক্ষামূলকভাবে ফের যাত্রা শুরু করে। ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, পর্যটন ও ব্যাবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির পথ সুগম হবে বলেও আশাবাদী তিনি।এছাড়া আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতা পর্যন্ত বাস পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও।প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় পৌঁছাতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে সেই যাত্রাপথ অনেকটাই কমে যায়। আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে বাসে কলকাতায় মাত্র ৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। এবি 
    রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
    সাবেক অবসরপ্রাপ্ত সচিব সরওয়ার আলম আবারও রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে চুক্তিতে এক বছরের জন্য এই দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।এর আগেও তিনি এই পদে দায়িত্বরত ছিলেন, তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নতুন এই আদেশের ফলে তিনি পুনরায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রেস সচিব হিসেবে তার দায়িত্ব পালন শুরু করতে যাচ্ছেন।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, 'সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর ধারা-৪৯ অনুযায়ী অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তিনি এ নিয়োগ পেয়েছেন। যোগদানের তারিখ থেকে সরওয়ার আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কার্যকর হবে।এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রেস সচিব নিয়োগ পেয়েছিলেন‌ অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব সরওয়ার আলম। তাকে সচিব পদমর্যাদায় এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরে তাকে সরিয়ে দিয়েছিল।এবি 
    সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
    সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য বাংলাদেশের অটল সমর্থন এবং প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ড. খলিল সার্ক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করার জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ব্যক্ত করেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্ক সনদে বর্ণিত নীতিমালার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পারস্পরিক সুবিধা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশ প্রথম প্রস্তাব করেছিল প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক এই অঞ্চলে জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং সম্মিলিত স্বনির্ভরতা জোরদার করার জন্য।১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে দুবার সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ অভিন্ন আঞ্চলিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, জনগণের সাথে জনগণের যোগাযোগ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সার্কের মূল্যবান ভূমিকা স্বীকার করে।এবি 
    সোহরাওয়ার্দীতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় জড়িত ৪ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড (সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার) করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ আলম।তিনি বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের সময় শিক্ষার্থীর সঙ্গে পুলিশের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার পর দায়িত্বে থাকা ৪ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এমআর-২

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী শেওড়াপাড়া এলাকায় কাফরুল পশ্চিম থানার উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিলে যাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা জানান, আজকের ইফতার মাহফিলে জামায়াত আমিরের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি যাত্রাও করেছিলেন। হঠাৎ যাত্রাপথে তিনি বমি করেন এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যান। যার কারণে তিনি প্রোগ্রামস্থলে আসতে পারেননি। সবাই তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন জানান, আমরা জামায়াত আমিরের জন্য দোয়া করি—আল্লাহ যেন ওনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন। জাতি আশা করেছিল তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। যে কোনো কারণে তিনি হেরে গিয়ে প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছেন। ইনশাআল্লাহ তিনি প্রমাণ করবেন বিরোধীদলীয় নেতার আদর্শ কেমন হওয়া উচিত।এমআর-২
    হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী শেওড়াপাড়া এলাকায় কাফরুল পশ্চিম থানার উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিলে যাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা জানান, আজকের ইফতার মাহফিলে জামায়াত আমিরের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি যাত্রাও করেছিলেন। হঠাৎ যাত্রাপথে তিনি বমি করেন এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যান। যার কারণে তিনি প্রোগ্রামস্থলে আসতে পারেননি। সবাই তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন জানান, আমরা জামায়াত আমিরের জন্য দোয়া করি—আল্লাহ যেন ওনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন। জাতি আশা করেছিল তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। যে কোনো কারণে তিনি হেরে গিয়ে প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছেন। ইনশাআল্লাহ তিনি প্রমাণ করবেন বিরোধীদলীয় নেতার আদর্শ কেমন হওয়া উচিত।এমআর-২
    রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য জামায়াত আমিরের
    সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এসব অভিযোগের ব্যাপারে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৫টা ৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে ওই মন্তব্য করেন তিনি।পোস্টে জামায়াত আমির লিখেন, ‘৫ আগস্ট ২০২৪ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গেছেন। কথিত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে উনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন, তার বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন, সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি। কোটি-কোটি মানুষ যা শুনলো এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন তার হিসেব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?’তিনি আরও বলেন, জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ অগ্রহণযোগ্য।সম্প্রতি বাংলাদেশের দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি কিছু ক্ষোভও প্রকাশ করেন।তিনি বলেছেন, তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, তবে বিএনপি ও সামরিক বাহিনী সমর্থন না দেওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি।এমআর-২
    স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় এনসিপির কমিটি গঠন
    আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলটির দফতর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে 'স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি' গঠন করা হলো।স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম, সদস্যসচিব (এমপি) আব্দুল হান্নান মাসউদ, সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও অ্যাড মঞ্জিলা ঝুমা।এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সকল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, এবং জেলার নেতৃবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করবেন।এফএস
    ‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
    কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের কার্যালয় খোলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংস্কার আর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় দায়ীদের বিচার হবে কিনা তা জানতে চাইলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ট্যাগ করে একটি পোস্টে এ প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে। নির্বাচন তো হইলো, এইবার সংস্কার আর বিচার হইব্বে।’এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই নির্বাচনে হাসনাত কুমিল্লা থেকে জয়ী হলেও ঢাকা-৮ আসনে লড়ে হেরে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।এইচএ
    জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
    সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।দলের প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক হাসান জুনাইদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল কারচুপি এবং সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে দলের অবস্থান পরিষ্কার করতেই এই জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত থেকে নির্বাচনের অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য ও পরবর্তী কর্মসূচি তুলে ধরবেন।এইচএ 
    জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল দাবির বক্তব্য আমার নয়: তনি
    জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপি সংবাদ সম্মেলনে পাঠের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)–এর সদস্যসচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তিনি বলেন, সচেতন নাগরিক সমাজ (সিসিএস)–এর আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিলের অনুরোধেই জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকলিপিটি পাঠ করেছিলেন তিনি।গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্মারকলিপিটি পাঠ করেন তনি। সে সময় তাকে সংগঠনটির সদস্যসচিব হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং আহ্বায়ক হিসেবে নীলা ইসরাফিলের নাম উল্লেখ করা হয়।তবে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে তনি জানান, নীলা ইসরাফিল ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে না পারায় তার সরাসরি অনুরোধে ও স্বাক্ষরিত লিখিত স্মারকলিপি অনুযায়ী তিনি বক্তব্যটি পাঠ করেন।বিবৃতিতে তনি বলেন, স্মারকলিপিটি সম্পূর্ণরূপে নীলা ইসরাফিল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তিনি এর রচয়িতা নন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো চিঠি দেননি বা অভিযোগ দায়ের করেননি বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত লিখিত বক্তব্য পাঠের একটি আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন।সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তার দাবি, তাকে ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, সংগঠিতভাবে অনলাইন বুলিং, ট্রলিং, মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও পেশাগত সুনামকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।তনি জানান, যারা তাকে বা তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।পাশাপাশি সংগঠিত অনলাইন হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় প্রযোজ্য সাইবার আইনসহ অন্যান্য আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তনি।হুমকিদাতা ও বিরূপ মন্তব্যকারীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকতে পারে; তবে প্রাণনাশের হুমকি, মানহানি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কার্যক্রম বন্ধ না হলে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।এমআর-২
    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য গণআকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকারের শামিল: জামায়াত
    ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দেওয়া বক্তব্য ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব ও গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান সম্পর্কে মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অসঙ্গত। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইনকিলাব’ শব্দটি আরবি উৎসভিত্তিক হলেও উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম এবং গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বহু দশক ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভাষা কোনো সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়; বরং জনগণের ব্যবহারে তা সমৃদ্ধ ও বিকশিত হয়।তিনি আরও বলেন, বাংলা ভাষা নিজেই তদ্ভব, তৎসম, আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ ও ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করে আজকের এই পরিণত রূপ লাভ করেছে। কোনো শব্দের উৎপত্তিকে কেন্দ্র করে তাকে ‘বাংলাবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া ভাষাবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ভাষার প্রশ্নে বিভাজন সৃষ্টি করে জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করার অপচেষ্টা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে কাম্য নয়।জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া স্লোগান নয়; এটি শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। দেশের ছাত্র-জনতা যখন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, তখন তাদের কণ্ঠরোধ করার ভাষাগত যুক্তি দাঁড় করানো গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।মন্ত্রী টুকুর মন্তব্যের সূত্র ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রী বলেছেন এই স্লোগান উচ্চারিত হলে তার ‘রক্তক্ষরণ’ হয়। এর বিপরীতে জুবায়ের প্রশ্ন তোলেন, জনগণের অধিকার হরণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অনিয়ম ও বৈষম্য কেন মন্ত্রীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায় না? প্রকৃতপক্ষে এগুলোই জাতির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট, কিন্তু মন্ত্রীর মতো লোকদের হৃদয়ে তা পৌঁছায় না।দেশবাসীর প্রত্যাশা তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের ন্যায্য প্রতিবাদের ভাষাকে দোষারোপ না করে বরং জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই সরকারের দায়িত্ব। জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। এই ভাষার ভেতরে বহুমাত্রিক শব্দভাণ্ডার ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় রয়েছে।কোনো শব্দ বা স্লোগানকে কেন্দ্র করে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত অবিলম্বে মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় জনগণই এর যথাযথ জবাব দেবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।এইচএ 

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
    রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২) ও তাদের ছেলে রুহান (৩), ও রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়েছে।দগ্ধ রুমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে রায়েরবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। দগ্ধ রোমানের ভাই মামুন বলেন, পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ৬ তলা ভবনের নিচতলায় ভোর ৪টার দিকে রান্না করতে গ্যাসের চুলা জ্বালালে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে র্তি করা হয়।বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ৭০ শতাংশ, পিংকি আক্তারের ৭৫ শতাংশ, রুহানের শরীরের ৩৫ ও অপুর শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।এমআর-২
    মার্কেট বন্ধ করা সেই চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার করে মাইকিং করল পুলিশ
    রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মার্কেট বন্ধ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়েই এলাকায় মাইকিং করা হয়। পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না।এফএস
    রাজধানীতে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মীর হাজারীবাগের গুন্ডিগড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতদের একজন আজিজুল ইসলাম (৪৫)। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু জানান, মীর হাজারীবাগ গুন্ডিগড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার একটি সংবাদ পেয়েছি। একটি লেগুন যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় বাহাদুরশাহ পরিবহনের একটি বাস সামনে থেকে লেগুনাটিকে সজরে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় বাহাদুরশাহ পরিবহন জব্দ ও চালককে আটক করা হয়েছে।এমআর-২
    আদাবরে চাঁদা না পেয়ে কারখানায় সশস্ত্র হামলা, গ্রেপ্তার ৩
    রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজ চক্রের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনার পর এমব্রয়ডারি ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন। পরে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাসেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  গ্রেপ্তার বাকি দুজন হলেন, মারুফ ও হাসান।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আদাবরের ১৭ নম্বর রোডে এই ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেড় শতাধিক লোক হামলার বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন।স্থানীয়রা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় আবির এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের কারখানায় আকস্মিকভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্যরা হামলা চালায়। এ সময় ওই কারখানার কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে আহত করা হয় বলে জানিয়েছেন মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের ভাতিজা মারুফ হাসান সুমন। তিনি জানান, রাসেল ওরফে কালা রাসেল নামের স্থানীয় এক কিশোর গ্যাং সদস্য তার চাচার কাছে ঈদ উপলক্ষ্যে চাঁদা দাবি করে। তিনি তা দিতে অস্বীকার করায় সন্ধ্যায় রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্য তাদের কারখানায় হামলা চালায়। এ সময় কারখানার কয়েকজন শ্রমিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলছেন, আদাবরের কিশোর গ্যাং লিডার রাসেল ওরফে কালা রাসেলের নেতৃত্বেই আজকের এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা মূলত আদাবরের আরেক কিশোর গ্যাং লিডার রানার অনুসারী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করে থাকে। এই রানা আদাবর ও মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদার দাবিতে হামলা চালায়। তবে জীবননাশের ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাসিন্দারা এসব তথ্য জানান।এদিকে, এই ঘটনার বিচারের দাবিতে রাত সাড়ে ১০টায় আদাবর থানা ঘেরাও করেন এমব্রয়ডারি মালিক ও শ্রমিকরা। তাদের আদাবর থানার সামনের সড়কে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আদাবর থানার সামনে আজ শতাধিক লোক জড়ো হয়েছিল। আবির এমব্রয়ডারি কারখানায় একটি ঘটনা ঘটার প্রেক্ষিতে তারা থানার সামনে অবস্থান নেয়। গতকাল ওই কারখানায় শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সময় ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ চাপাতি নিয়ে হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।তিনি আরও জানান, রাসেল ওরফে কালা রাসেলের আদাবর ১৬ নম্বরের বাসায় শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে ঘেরাও করলে পুলিশ তার বাবাকে হেফাজতে নেয়। এরপর সেখান থেকে শ্রমিকরা বিচারের দাবিতে থানার সামনে জড়ো হয়। আদিব এমব্রয়ডারির মালিক জহির ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাসেলসহ তিনজনকেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।এবি 
    রাজধানীতে তীব্র যানজট, ইফতারের আগে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা
    পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকারি অফিস, আদালত ও ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সময় অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া অফিস-আদালত চলবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।রমজানের প্রথম দিন কর্মঘণ্টা শেষ হতেই কর্মস্থল থেকে ঘরমুখী মানুষের চাপে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা দিয়েছে যানজট।আবার কোথাও কোথাও ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ইফতারের আগে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন কিনা- তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে অনেকের মনে।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শ্যামলী, আসাদগেট, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার এলাকা সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। এছাড়া রাজধানীর অন্যান্য সড়কেও দীর্ঘ যানজটের তথ্য মিলেছে।এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে রমজান মাস শুরু হয়েছে। আজ থেকে নতুন সময়ে চলছে সরকারি অফিস-আদালত-ব্যাংক। পুরো রমজান মাস সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।এমআর-২
    ৪ মাস পর ছাড়পত্র পেয়ে ভারতে ঢুকলো ১৭৬টি সুপারির ট্রাক
    অবশেষে চার মাস পর ভারত থেকে মান পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ায় বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা রফতানিমুখী সুপারির ১৭৬টি ট্রাক ভারতে গেছে। ভারত থেকে মান পরীক্ষার রিপোর্ট না দেওয়ায় এসব সুপারিবাহী ট্রাক ভারতে ঢুকতে পারেনি। দীর্ঘ চার মাস এসব ট্রাক ভর্তি সুপারি বেনাপোল বন্দরে পড়ে ছিল। বর্তমানে সে সব সুপারির ট্রাক আসছে সেগুলো মান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়েই ভারতে রফতানি হচ্ছে।এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা কাটতে শুরু করায় আমদানি ও রফতানিতে গতি ফিরতে শুরু করেছে। গত বছরের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয় এবং বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়।বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবছর ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি এবং দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়। রফতানি পণ্যের মধ্যে বড় একটি অংশ সুপারি। বাংলাদেশি সুপারির গুণগত মান ভালো হওয়ায় ভারতে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সুপারি ভারতে রফতানি হয়।সুপারি রফতানির ক্ষেত্রে ভারত থেকে মান পরীক্ষার রিপোর্ট সংগ্রহ বাধ্যতামূলক। তবে গত ৪ মাস ধরে ভারতীয় কাস্টমস রিপোর্ট সরবরাহ না করায় বেনাপোল বন্দরে ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় ১৭৬টি রফতানিমুখী সুপারির ট্রাক আটকা পড়ে। দুই দেশের ব্যবসায়ীরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও সমাধান আনতে পারেননি। বরং স্থলপথে পাট, পাটজাত পণ্য, গার্মেন্টসসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পণ্যের রফতানি বন্ধ হয়ে যায়।তবে ব্যবসায়ীদের ধারণা ছিল, দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে এসব প্রতিবন্ধকতা কাটবে। অবশেষে নির্বাচনের পর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা ও শর্ত শিথিল হওয়ায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্য স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গম ও চিনি রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত এবং গত রোববার সুপারির মান পরীক্ষার ছাড়পত্র দেওয়ায় আটকে থাকা সুপারি রফতানি শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পণ্যের ওপরও নিষেধাজ্ঞা ও শর্ত উঠে যাবে বলে মনে করছেন দুই দেশের বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা।সুপারিবাহী ট্রাকচালক ফিরোজ আলম জানান, ভারত থেকে মান পরীক্ষার ছাড়পত্র না দেওয়ায় ৪ মাস ধরে সুপারি নিয়ে ভারতে ঢুকতে পারেননি। এখন সুপারির ট্রাক নিয়ে ভারতে যেতে পারছেন।বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, সুপারি রফতানি বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। ১৭৬টি ট্রাকে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড গুনতে হয়েছে। ভোটের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আশা করছি, অন্যান্য পণ্যের ওপরও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।সুপারি রফতানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা জানান, ভারত ছাড়পত্র দেওয়ায় বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা ১৭৬টি সুপারির ট্রাক রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সক ট্রাক ভারতে প্রবেশ করেছে। নতুন করে যে সব সুপারির ট্রাক বেনাপোল বন্দরে আসছে সেগুলো মান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়েই ভারতে প্রবেশ করছে। রফতানির বিষয়ে কোন সমস্যার কোন অভিযোগ সংশ্লিস্ট মহল থেকে পাওয়া যায়নি। এসআর
    নড়াইলে বাবা-ছেলেসহ চারজন হত্যার ঘটনায় আটক ৬
    আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে বাবা-ছেলেসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। তবে এ হত্যার ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।আটককৃতরা হলেন, তারাপুর গ্রামের আমিন শিকদারের ছেলে বনি শিকদার (৩৩), বড়কুলা গ্রামের মৃত লালন ফকিরের ছেলে হালিম ফকির (৬০), কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের তুজাম মোল্যার ছেলে তুফান মোল্যা (৩০), সদরের তারাপুর গ্রামের রুহুল মোল্যার ছেলে সদয় মোল্যা (৩৬), তৈয়ব শিকদারের ছেলে লাজুক ওরফে সূর্য্য শিকদার (৩২), সবুর মোল্যার ছেলে জসিম মোল্যা (৩০)।র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বনি শিকদারকে, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ হালিম ফকিরকে ও সদর থানা পুলিশ তুফান মোল্যা, সদয় মোল্যা, লাজুক ওরফে সূর্য্য শিকদার, জসিম মোল্যাকে পৃথক অভিযানে আটক করে। আটক ৬ জনকে নড়াইল সদর থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রæপের সদস্য ওসিবুর মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. রকিবুল হাসান বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত চলছে। এলাকার পরিস্থিতি সাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রপ ও খলিল মোল্লার গ্রুপের মধ্যে এলাকার আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গতকাল সোমবার ভোরে সেহরির পর খায়ের গ্রুপের লোকজন খলিলের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও একজন মারা যায়। নিহতরা হলেন, বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখ। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপের সদস্য ওসিবুর মিয়া নিহত হয়েছেন। এসআর
    নড়াইলে নসিমন উল্টে চালক নিহত
    নড়াইল সদর উপজেলায় নসিমন (ইঞ্জিনচালিত যান) উল্টে নিচে চাপা পড়ে চালক নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের আগমুহূর্তে উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের হাড়িগড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো. ইমন মোল্যা (১৮)। তিনি হবখালী ইউনিয়নের নয়াবাড়ি গ্রামের আমিনুর মোল্যার ছেলে।নিহতের স্বজনরা জানান, ইমন মোল্যা বাড়ির পাশের বিলে ধানক্ষেতে সেচ দিতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে ইফতার করার জন্য নিজের নসিমন চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হাড়িগড়া বাসস্ট্যান্ডের মোড়ে পৌঁছালে নসিমনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ইমন নসিমনের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শরীফ মো. হাসান ফেরদৌস তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এসআর
    যশোরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
    যশোরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তানভীর (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।গ্রেপ্তার তানভীর যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর নুড়িতলা গ্রামের মাসুদ রানার ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি তানভীর পারিবারিকভাবে ওই নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বনিবনা না হওয়ায় ৩ ডিসেম্বর তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ওই নারী তাঁর বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বিচ্ছেদের কিছুদিন যেতে না যেতেই তানভীর পুনরায় ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তানভীর তাঁর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে কৌশলে নিজের বাড়িতে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং গোপনে সেই ভিডিও ধারণ করেন।পরবর্তীতে তানভীর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে বারবার দেখা করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তাঁর প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তানভীর ওই ভিডিও ও কিছু ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগী নারী তাঁর পরিবারকে জানান। এ ঘটনায় ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করলে পুলিশ রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে তানভীরকে গ্রেপ্তার করে।এনআই
    দামুড়হুদায় হামলার পর গণপিটুনিতে আহত যুবকের ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যু
    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম করার পর স্থানীয়দের গণপিটুনিতে আহত যুবক সাজু শেখ (৩০) মারা গেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সাজু শেখ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জ নতুনবাজার পাড়ার মৃত বাদল শেখের ছেলে। তিনি পেশায় রঙমিস্ত্রি ছিলেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা থেকে মোটরসাইকেলযোগে একদল যুবক দামুড়হুদার খাঁপাড়া এলাকায় জনৈক বাবুল মিয়ার বাড়িতে ঢুকে তাঁর দুই ছেলে রাজু ও সাজুকে কুপিয়ে জখম করে। তাঁদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা সাজু শেখ নামে এক হামলাকারীকে ধরে গণপিটুনি দেয় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রাখে।খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুমূর্ষু অবস্থায় সাজু শেখকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।ওসি শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে একটি মোবাইল ফোন ভাঙাকে কেন্দ্র করে অর্থ দাবি এবং সেই বিরোধের জেরেই এই হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। সাজুর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল থেকে সোমবার রাত ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় তাঁর নিজ বাড়িতে পৌঁছাবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।এদিকে, এ ঘটনায় খাঁপাড়ার আহত দুই ভাইয়ের পিতা বাবুল মিয়া বাদী হয়ে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।এনআই
    সাতকানিয়া থানায় ‘জিডি বাণিজ্য’, ফ্রি সেবার আড়ালে টাকা আদায়ের অভিযোগ
    আইনের কাগজে-কলমে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সেবা। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানা ঘিরে উঠেছে উদ্বেগজনক অভিযোগ—‘ফ্রি’ সেবার আড়ালে চলছে অর্থ আদায়ের এক নীরব বাণিজ্য!অভিযোগকারীদের দাবি, জিডি করতে গেলে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ‘অফিস খরচ’ বা ‘প্রসেসিং ফি’ নামে অবৈধ টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে জিডি গ্রহণে টালবাহানা, আবেদনপত্র সংশোধনের নামে হয়রানি কিংবা দীর্ঘসূত্রতার ফাঁদে ফেলা হচ্ছে নাগরিকদের।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, থানায় জিডি করার জন্য কোনো সরকারি ফি নেই—এটি পুলিশের একটি মৌলিক নাগরিক সেবা। অথচ ভুক্তভোগীরা বলছেন, “টাকা না দিলে জিডি হয় না”—এমন এক অঘোষিত নিয়মে পরিণত হয়েছে পুরো প্রক্রিয়াটি।হারানো মোবাইল, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ব্যাংকের চেকবই, পারিবারিক দ্বন্দ্ব কিংবা নিরাপত্তা শঙ্কা—এসব বিষয়ে জিডি করতে গেলেই অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘খরচ’ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কখনো সরাসরি, আবার কখনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে ইঙ্গিত দেওয়া হয়—“কিছু খরচ দিলে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে।”রায়হান নামের এক ভুক্তভোগী জানান, “মঙ্গলবার বিকেলে আমি এনআইডি হারানোর বিষয়ে জিডি করতে থানায় যাই। ডিউটি অফিসার আমাকে ওয়্যারলেস অপারেটরের কাছে পাঠান। তিনি জিডি ‘কনফার্ম’ করতে ‘অফিস খরচ’ দাবি করেন। জিডির জন্য টাকা লাগবে শুনে আমি অবাক হয়ে যাই।”রায়হানের মতো অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পান না। তাঁদের আশঙ্কা, থানায় প্রতিবাদ করলে ভবিষ্যতে আরও হয়রানির শিকার হতে হবে। ফলে অধিকাংশ মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে জিডি করে নীরবে ফিরে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুলশিক্ষক বলেন, “অভিযোগ করলেও তো আবার সেই থানাতেই যেতে হবে। তাই ঝামেলা এড়াতে টাকা দিয়েই কাজ সেরে ফেলেছি।”স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, যদি এভাবে ‘জিডি বাণিজ্য’ চলতে থাকে, তবে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করবে। এতে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাবে, যা সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।আইনজীবীদের মতে, এটি শুধু দুর্নীতি নয়, বরং নাগরিকের মৌলিক আইনি অধিকার ক্ষুণ্ণ করার শামিল। জিডি হলো কোনো অপরাধ বা নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রাথমিক তথ্য রাষ্ট্রকে জানানোর অন্যতম আইনি প্রক্রিয়া। সেখানে টাকা নেওয়া আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ডায়েরি করা একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সেবা। কোনো পুলিশ সদস্য বা কর্মচারী জিডির জন্য অর্থ দাবি করতে পারেন না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এনআই
    আনোয়ারায় আটোরিকশা ছিনতাই, আটক ৩
    চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অটোরিকশা চালকের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ধাওয়া দিয়ে তিন ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ১১ নম্বর জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের গোদারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আটককৃতরা হলেন— মো. সেলিম (৩০), মো. হৃদয় (২৮) ও মো. সাজ্জাদ (২৫)। তারা সবাই আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী অটোরিকশা চালক মো. ইলিয়াছ (৩০) বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের পুরাতন মাদ্রাসা এলাকার মনির আহমদের ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর সূত্রে জানা যায়, চালক ইলিয়াছ বটতলী থেকে যাত্রী নিয়ে গোদারপাড় এলাকায় পৌঁছালে তিন ছিনতাইকারী তাঁর চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এ সময় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে অটোরিকশা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। আহত অবস্থায় ইলিয়াছ চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন।পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে ছিনতাইকারীদের প্রায় ৭ কিলোমিটার ধাওয়া করা হয়। জুঁইদণ্ডী হয়ে রায়পুর ইউনিয়নের সরেঙ্গা গ্রামে পৌঁছালে তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয় জনতা।স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম বলেন, "সরেঙ্গা গ্রামে এসে অটোরিকশাটি গর্তে আটকে উল্টে যায়। পেছনে ধাওয়া করে আসা লোকজন জানায় অটোরিকশাটি ছিনতাই করা হয়েছে। পরে চারজনের মধ্যে তিনজনকে আটক করে আমরা পুলিশে সোপর্দ করি, তবে একজন পালিয়ে গেছে।"অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী হাসান জানান, আটককৃতরা আগেও এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরে পুলিশ এসে আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়।আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, "অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে জনতা। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে আসে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"এনআই
    মেঘনায় উচ্ছেদ অভিযানে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ
    কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কিংবা অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাত উচ্ছেদের সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের বিভিন্ন জনস্বার্থমূলক উদ্যোগের তথ্য প্রচার এবং জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বাস্তবে সেই সমন্বয় দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন সংবাদকর্মীরা।সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকারচর বাজারে অবৈধভাবে দখল করা ফুটপাত উচ্ছেদে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আগাম অবহিত না করায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সংবাদকর্মীরা জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও উচ্ছেদ অভিযান সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। এ ধরনের কার্যক্রম গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে যেমন জনসচেতনতা বাড়ে, তেমনি প্রশাসনের কর্মকাণ্ডেও স্বচ্ছতা আসে। কিন্তু সাংবাদিকদের সম্পৃক্ত না করে কেবল কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান সম্পূর্ণ জনস্বার্থেই পরিচালিত হয়। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও প্রশাসনের দায়িত্ব হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণমাধ্যমকে যথাযথভাবে অবহিত রাখা হলে প্রশাসনের পদক্ষেপের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে এবং তা প্রশ্নাতীত হয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন শিক্ষক বলেন, "প্রশাসন ও গণমাধ্যম পরস্পরের প্রতিপক্ষ নয়, বরং জনস্বার্থ রক্ষায় তারা সহযাত্রী। উচ্ছেদ বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মতো স্পর্শকাতর কার্যক্রমে সাংবাদিকদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হলে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত গুঞ্জন বা সন্দেহ দূর হবে।"এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী আক্তার বলেন, "ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান সম্পূর্ণ জনস্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে; এখানে গোপনীয়তা বা পক্ষপাতের সুযোগ নেই। অনেক সময় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের কারণে আগেভাগে সবাইকে জানানো সম্ভব হয় না। তবে গণমাধ্যম আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আরও সমন্বয় করে কাজ করার চেষ্টা থাকবে, যাতে প্রশাসনের কার্যক্রম সঠিকভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা যায়।"এনআই
    পাহাড়ে আম্রপালি চাষে তরুন চাষিরা এগিয়ে
    পার্বত্য খাগড়াছড়ির বিস্তৃত জায়গা জুড়ে রয়েছে মৌসুমী ফলফলাদির চাষাবাদ। দেশের মানুষ ইতিমধ্যে বেশ পরিচিত খাগড়াছড়ির এসব ফলফলাদির সাথে। বিশেষ করে আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, বেল, আনারস, পেপে, বরই উন্নতম। তারমধ্যে কিছু ফল বারমাসি পাওয়া যায় অন্য গুলো দেখা যায় বৈশাখ- জৈষ্ঠ্যমাসে।‎বর্তমানে স্থানীয় বহু শিক্ষিত তরুনরাও এগিয়ে যাচ্ছে আম্রপালি চাষে। গেল ৫-৬ বছরে অনেক শিক্ষিত বেকার তরুন -যুবক আম্রপালি চাষ করে এখন স্বাবলম্বী।খাগড়াছড়িতে সুস্বাদু এই আম্রপালি চাষে পরিবেশ অনুকূলে থাকায় শহরের অনেকেই বাগান করা শুরু করেছেন এদিকে।‎রামগড়ে স্থানীয় আম চাষি সোহেল জানায়,  প্রতি বছর প্রায়  ৭০-৮০ লাখ  টাকার আম্রপালি ও অন্যান্য আম বিক্রি করে থাকেন। এই বছর ফুলের পরিমান ভাল হওয়ায় ফলনও আশানুরূপ হবে বলে ধারণা করছেন তিনি। ‎খাগড়াছড়িতে প্রথম আম্রপালি চাষ শুরুটা হয়  ২০০১ সালের দিকে, তখন পরিক্ষামূলক চাষের জন্য প্রান্তিক কৃষকদের জ্ঞান ও মৌলিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করেন,  তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি।‎তার হাত ধরেই পাহাড়ের আনাচে কানাচে চাষাবাদ শুরু হয় আমের রানী আম্রপালির। বর্তমানে খাগড়াছড়ির প্রতিটি উপজেলায় প্রচুর আম্রপালি চাষ হচ্ছে। রামগড়ের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তথ্য মতে, এবছর উৎপাদনে রেকর্ড সংখ্যক ফল পেতে পারে চাষিরা। রামগড়ের প্রায় ১০ টি বাগান সরেজমিনে গিয়ে দেয়া যায়, প্রতিটি গাছেই ফুলে ফুলে চেয়ে গেছে।‎আলাউদ্দিন নামের এক চাষি জানান, তিনি ১৫ একর জায়গা জুড়ে আম্রপালি চাষ করেছেন। বিগত বছরগুলোর চাইতে এবছর উৎপাদন ভালো হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি। কারণ, পরিবেশ কিছুটা আগের চেয়ে ভালো। এদিকে নতুন বাজার সৃষ্টি, শহরে ব্যাপক চাহিদা ও বিদেশে রফতানি সহ সর্বোপরি আম্রপালি এখন সম্ভাবনাময় ফল হিসাবে স্থান অর্জন করেছে দেশজুড়ে।‎ এসআর
    নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
    নোয়াখালীর সেনবাগে র‍্যাব-৭ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে প্রাইভেটকারে করে কক্সবাজার থেকে আনা ৮ হাজার ৮৪০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ। এর আগে, গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেবারহাট পূর্ব বাজারে নাছির উদ্দিনের ফলের আড়তের সামনে মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন, ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার উত্তর গনিপুর গ্রামের মো. আমির হোসেন (৪২) ও জয়নারায়নপুর গ্রামের মো. হারুন ভূঁঞা (৪০)। অভিযান সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনী এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথভাবে উপজেলার সেবারহাট এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে। পরবর্তীতে রাত ১১টার দিকে একটি টয়োটা কালো প্রাইভেটকার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে ড্রাইভিং সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় মাদক কারবারি আমির হোসেনের কাছ থেকে ৪ হাজার ৮৪০ পিস ইয়াবা, দুটি স্মার্টফোন ও নগদ ৬৭ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে মাদককারবারি হারুন ভূঁঞার প্যান্টের উরুর সঙ্গে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা একটি স্মার্টফোন ও একটি বাটন মোবাইল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোট ইয়াবার পরিমাণ ৮ হাজার ৮৪০ পিস। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে।নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ আরও বলেন, এ ঘটনায় সেনবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলায় মাদক পাচার রোধে যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।ইখা
    নড়িয়ায় প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ
    শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আমিন রতনকে পিটিয়ে হাত ও পা ভেঙে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নড়িয়ার ভোজেশ্বর বাজারের পূর্ব পাশে ‘তিন দোকান’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।মো. নুরুল আমিন রতন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস), শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।স্থানীয় সূত্র ও আহত শিক্ষকের ভাষ্যমতে, স্কুলের উন্নয়ন কাজ তদারকি শেষে তিনি অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নড়িয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান নিক্সন খান এবং ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদারের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি দল তাঁর গতিরোধ করে। একপর্যায়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে।পরে স্থানীয়রা আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে শরীয়তপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দ্রুত ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।ভুক্তভোগী শিক্ষক নুরুল আমিন রতনের ছেলে হিমেল বলেন, "আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে। লাঠির আঘাতে তাঁর হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। আমরা এই বর্বরোচিত ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।"অভিযুক্ত নড়িয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান নিক্সন মুঠোফোনে বলেন, "ঘটনার সময় আমরা নড়িয়ায় ছিলাম না; সিডিউল সংগ্রহের কাজে বাইরে ছিলাম। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।"এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ রয়েল মাঝি বলেন, "ঘটনার কথা শুনেছি। তদন্তের পর যদি দলের কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাহার মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এনআই
    মিঠামইনে নদীভাঙন রোধের গাছ কাটার দায়ে মামলা, বিএনপি নেতা বহিষ্কৃত
    কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে রোপণ করা মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাক বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় মামলাটি করেন। মামলায় আঙ্গুর মিয়া নামের একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে দিবালোকে গাছ কেটে ফেলা হলেও চুরির অভিযোগে মামলা করে প্রকৃত ঘটনা ও মূল দোষীকে আড়াল করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।এদিকে, এই ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে এ ধরনের অন্যায় ও নিন্দনীয় কাজকে দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে বেড়িবাঁধে রোপণকৃত প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ ব্যক্তিগত স্বার্থে কেটে ফেলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি নিজ গাড়ি চলাচলের পথ সুগম করার লক্ষ্যে এ কাজ করেছেন, যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য থাকাকালে নদীভাঙন ঠেকাতে কামালপুর বেড়িবাঁধে মেহগনি গাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো এলাকাবাসীর কাছে ভাঙনরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। অভিযোগ উঠেছে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে সমস্যা হওয়ায় জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর ধাপে ধাপে গাছগুলো কাটা শুরু করেন। সর্বশেষ গত ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি ১০-১২টি গাছ কেটে ফেলেন। প্রতিটি গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। স্থানীয়রা জানান, জাহিদুল প্রভাবশালী হওয়ায় এত দিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি।উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনা জানার পর স-মিলে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আঙ্গুর মিয়া নামের এক ব্যক্তি গাছগুলো মিলে নিয়ে এসেছিলেন। তাই তাঁকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছি।”দিনের বেলায় প্রকাশ্যে গাছ কাটা হলেও কেন চুরির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা নেই। পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। আঙ্গুর মিয়া গ্রেপ্তার হলে তাঁর নির্দেশে এ কাজ হয়েছে কি না, তা জানা যাবে।”এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, “আমি কেন কাটব? জায়গা ও গাছগুলো সরকারি নয়; বেড়িবাঁধও অধিগ্রহণকৃত নয়। প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে গাছ কেটে নিয়েছে।”মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপজেলা প্রকৌশলী বাদী হয়ে একজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।এনআই
    ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত
    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার নিশিতলায় এই ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলো- মুকসুদপুর পৌরসভার দক্ষিণ চন্ডিবরদী এলাকার জাহিদ মিয়ার ছেলে রাফসান রাফি (১৬) ও শিমুলশুর গ্রামের শিশির মজুমদারের ছেলে অনুজ মজুমদার (১৬)। এ বছর মুকসুদপুরের এস জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিলো।মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুরের দিকে বন্ধু অনুজ মজুমদারকে নিয়ে পারিবারিক কাজে জন্য একটি মোটরসাইকেলে করে রাফসান নিশিতলার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে রাফসান ও অনুজ মজুমদার গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার প্রথমে তাকে মুকসুদপুর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে রাফসান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনুজ মারা যায়। এফএস
    রাজবাড়ীর সোনাপুর হাটে ইজারার টাকা নিয়ে সংঘর্ষ
    রাজবাড়ীর সোনাপুর হাটের ইজারার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষেই আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় আবারও বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গরুর হাটে রহিম মণ্ডল ও শোভন বিশ্বাস গ্রুপের মধ্যে হাটের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ উঠেছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শোভন গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রথমে রহিমের ওপর হামলা চালায়। বিষয়টি জানতে পেরে রহিম গ্রুপের লোকজন পাল্টা ধাওয়া দিলে শোভন গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।রহিম মণ্ডল সোনাপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার ওয়াজেদ আলীর ছেলে এবং শোভন বিশ্বাস একই এলাকার মো. গফুর বিশ্বাসের ছেলে।এ ঘটনায় রহিম মণ্ডলের চাচি মোছা. সাজেদা বেগম বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, শোভন বিশ্বাসের চাচি মোছা. মমতাজ আক্তার বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত করে পাল্টা মামলা করেছেন।ভুক্তভোগী রহিম মণ্ডল বলেন, "বৃহস্পতিবার বিকেলে আমি হাটের ইজারার টাকা শোভনের কাছে চাইলে সে প্রথমে অকথ্য ভাষায় আমাকে গালিগালাজ করে। পরে আমার ওপর দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হলে তা 'মিসফায়ার' হওয়ায় আমি প্রাণে বেঁচে যাই। এখনো শোভন ভাড়াটে ক্যাডার দিয়ে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে।"রহিম আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা শোভন এখনো এলাকায় সক্রিয়। হেলাল নামের একজন তাঁর ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করলেও পুলিশ তা উদ্ধার না করায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।এ বিষয়ে শোভন বিশ্বাসের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, "সেদিন যা ঘটেছিল তা সিসিটিভি ক্যামেরায় আছে, সেখান থেকেই দেখে নিন।" তবে তিনি দেশীয় অস্ত্রের কথা স্বীকার করলেও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেন।বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুর রব তালুকদার বলেন, "হাটের ইজারার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলা করেছে। আমরা আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছি। ধারণা করা হচ্ছে, উভয় পক্ষই বর্তমানে এলাকাছাড়া।"এনআই
    আর্থিক সংকটে অনিশ্চিত ভর্তি, ছাত্রদল নেতার সহায়তায় মুনায়েমের স্বপ্নপূরণ
    আর্থিক সংকটের কারণে উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ মুনায়েম ইসলামের পাশে দাঁড়িয়েছেন ছাত্রদল নেতা কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি বাসিত মুনায়েম ইসলামের ভর্তি সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করেন। ফলে মেধাবী এই শিক্ষার্থীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে যেখানে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সেখানে মানবিক সহায়তায় নতুন আশার আলো দেখেন মুনায়েম।লালমনিরহাট জেলার সন্তান মোঃ মুনায়েম ইসলাম ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে প্রথম মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করেন। মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করলেও পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে তার ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। পরিবারে সীমিত আয়ের কারণে ভর্তি ফি ও অন্যান্য ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রনেতা বাসিত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার দায়িত্ব নেন এবং ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সহায়তা করেন।গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা আমিরুল ইসলাম বাবু, মোঃ রাসেল মিয়া, মিনহাজুল আলম, ইয়াসির আরাফাত, সোলাইমান খান সাগর ও ইমরান হোসেনের উপস্থিতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর মোঃ মুনায়েম ইসলাম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়ার এই সহযোগিতা তার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।তিনি বলেন, সহযোগিতা না পেলে তার পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে মানবিক সেবার মাধ্যমে এই সহায়তার প্রতিদান দিতে চান বলেও জানান তিনি।ইখা
    নারী সহকর্মীকে হেনস্তার অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ
    মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নামে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী সহকর্মীকে হেনস্তার অভিযোগের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়। ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মধ্যে আলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান হাওলাদারকে এ অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।অভিযুক্ত মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মধ্যে আলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক। অভিযোগকারী নারী সহকর্মী খালেদা আক্তার একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।সহকারী শিক্ষিকা খালেদা আক্তার বলেন, 'আমি স্কুলে যোগদান করার পর থেকেই সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম আমাকে হেনস্তা করে আসছে। সে প্রকাশ্যে অসৎ উদ্দেশে অরুচিকর কথাবার্তাও বলেছে। আমার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।'এই বিষয়ে সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'আমার মানসম্মান নষ্ট করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সহকারী শিক্ষিকা খালেদা আক্তার এর অভিযোগ সত্য নয়।'সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান হাওলাদার বলেন, 'আমাকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার এর মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।'চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, 'সহকারী শিক্ষিকা খালেদা আক্তার একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান হাওলাদারকে সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, 'ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'এসআর
    ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা, কারবারির কামড়ে আহত পুলিশ
    ‎ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) কামড়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৮ পিস ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করা হয়।‎‎মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাঠালিয়া থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার দক্ষিণ চেঁচরী এলাকায় অভিযান চালায়। সোহরাব মাস্টারের বাড়ির সামনের সড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত সুজন হাওলাদার (৩০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।‎‎অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই রতন চন্দ্র হালদার। পুলিশ জানায়, আটক করার সময় সুজন হাওলাদার হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি এসআই রতনের হাতে কামড় দেন এবং পালানোর চেষ্টা করেন। এতে এসআই রতন আহত হন। পরে সঙ্গে থাকা অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত তাকে নিয়ন্ত্রণে আনেন।‎‎আটক সুজন উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মো. সোবাহান হাওলাদারের ছেলে।‎‎কাঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু নাছের রায়হান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযানে গিয়ে দায়িত্ব পালনকালে এসআইকে কামড় দেওয়া হয়েছে। ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। আহত এসআই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।” এসআর
    ভোলায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ আসামি গ্রেফতার
    ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনতে গিয়ে এক সন্তানের জননী এক বাকপ্রতিবন্ধী হিন্দু নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রাকিব, জুয়েল ও আল-আমীন ওরফে সম্রাট। তারা সবাই তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগী ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে ৪ জনকে এজাহারনামীয় আসামী এবং ৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশের একাধিক টিম জেলার বিভিন্ন জায়গা অভিযান চালিয়ে মামলার ৩ আসামীকে আটক করে।এছাড়াও মামলার বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।উল্লেখ, গেল রোববার রাত ৯টার দিকে অনিল সাধুর মন্দির থেকে কীর্তন শুনে বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয় রাকিব, শাকিল ও রাসেল ওই বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোরিকশা করে ধোপা বাড়ি সংলগ্ন একটি সুপারি বাগানে এনে জোরপূর্বক চেতনা নাশক খাইয়ে অচেতন করে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এসময় তাকে শারিরীক নির্যাতনও করেন তারা। পরে ওই নারীর জ্ঞান ফিরলে সে ডাক চিৎকার দেয়। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসআর
    কুয়াকাটায় উপকূলীয় মৎসজীবীদের ঝুঁকি ও সামুদ্রিক সুরক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ
    পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলীয় মৎসজীবীদের ঝুঁকিপ্রবণতা, সামুদ্রিক আবাসস্থল সুরক্ষা, সরকারি আইন ও নীতিমালা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিষয়ক সাংবাদিকদের নিয়ে এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলের হলরুমে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলাপাড়া ও কুয়াকাটার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।প্রশিক্ষণে উপকূলীয় জেলেদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও টেকসই সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা, মৎসজীবী সম্প্রদায়ের ঝুঁকি ও দুর্বলতা এবং এ সংক্রান্ত সরকারি আইন ও নীতিমালা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।বেসরকারি সংস্থা উত্তরণ-এর বাস্তবায়নে ‘ফিশনেট’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সহযোগিতা করে ওশান গ্র্যান্টস প্রোগ্রাম ও ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট।কর্মশালায় ‘ফিশনেট’ প্রকল্পের কার্যক্রম, মৎসজীবী সম্প্রদায়ের প্রাসঙ্গিক ঝুঁকি, সামুদ্রিক আবাসস্থল সুরক্ষা এবং অনুসন্ধানী ও ইস্যুভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া জেলেদের জীবন-জীবিকা ও সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরার বিষয়ে সাংবাদিকদের করণীয় নিয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তরণের ফিশনেট প্রকল্প ব্যবস্থাপক রেজওয়ানুল হক, ফিশনেট প্রকল্প মিল অ্যান্ড সেফগার্ডিং সেক্রেটারিয়েট আতিকা আজরা অয়ন, খুলনার মেরিন ফিসারিজ অফিসার আশিকুর রহমান এবং সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টুসহ অন্যান্যরা।ইখা
    বঙ্গোপসাগরে ডাকাতের গুলিতে পাথরঘাটার দুই জেলে আহত
    বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় সশস্ত্র ডাকাত দলের গুলিবর্ষণে পাথরঘাটার দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে মোংলা বয়ার পশ্চিমে, পাথরঘাটা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে এই ঘটনা ঘটে।ঘটনার পর সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহতদের চিকিৎসার জন্য পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালমেঘা ইউনিয়নের পশ্চিম গুটাবাছা এলাকার দুলাল মিয়ার মালিকানাধীন এফবি জাহিদ নামের একটি ট্রলারে ১৪ জন জেলে সাগরে মাছ ধরছিলেন। রোববার ভোরে হঠাৎ ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ট্রলারটি ধাওয়া করে। বিপদ টের পেয়ে জেলেরা জাল কেটে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে ডাকাত দল তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। এ সময় দুজন জেলে আহত হয়। আহত জেলে নুর আলম জানান, ডাকাতরা প্রায় ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলিতে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বড় টেংরা হাজির খাল এলাকার নুর আলম খান (৪৮) পিঠে এবং একই ইউনিয়নের চরলাঠিমারা এলাকার শাহজাহান (৪৫) চোখে গুলিবিদ্ধ হন।ঘটনার পর ডাকাত দল পিছু হটলে অন্য জেলেরা আহতদের নিয়ে দ্রুত উপকূলে ফিরে আসেন। তারা প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন এবং সোমবার সকালে পাথরঘাটায় পৌঁছান।আহত জেলে নুর আলম খান আক্ষেপ করে বলেন, গত দুই মাস ধরে সাগরে ডাকাতি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা আর সাগরে মাছ ধরতে যেতে পারব না। বর্তমানে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া সাধারণ জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সম্প্রতি ‘জাহাঙ্গীর বাহিনী’ নামের একটি ডাকাত দল সাগর ও নদীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এ বাহিনী মুক্তিপণের দাবিতে পাথরঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকার একাধিক জেলেকে অপহরণ করেছে। অনেকে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেও এখনো চারজন জেলে ওই বাহিনীর জিম্মায় রয়েছেন।তিনি আরও বলেন, জেলেদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জলদস্যু দমনে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় মৎস্য খাতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, সাগরে প্রশাসনিক টহল সার্বক্ষণিক রয়েছে।  টহল আরও জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে  ।এসআর
    ফুলপুরে সারের কৃত্রিম সংকট ও বেশি দামে বিক্রি, ব্যবসায়ীর জরিমানা
    ময়মনসিংহের ফুলপুরে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে বাজার মনিটরিং, সতর্কীকরণ এবং এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌরসভার আমুয়াকান্দা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ‘শফিক এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম।অভিযানে উপজেলা কৃষি অফিসার নাদিয়া ফেরদৌসি ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান কামুসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।ফুলপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নাদিয়া ফেরদৌসি জানান, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়ার অপরাধ বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এনআই
    দেওয়ানগঞ্জে মৃত গরুর মাংস বিক্রির চেষ্টা, কসাই পলাতক
    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মৌলভীর চর গ্রামে মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত কসাই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মৌলভীরচর বাজারে এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চর আমখাওয়া ইউনিয়নের টুপকার চর গ্রামের মো. তারা মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীর চর বাজারে গরুর মাংস বিক্রি করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, গত রাতে একটি মৃত গরু জবাইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক ২টার দিকে এক স্থানীয় ব্যক্তি বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি দেখতে পান, একটি গরু বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে এবং সেটি জবাইয়ের প্রস্তুতি চলছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললে অভিযুক্ত কসাইয়ের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য তাঁকে 'ঘুষ' প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি সেখান থেকে সরে যান। পরদিন সকালে বাজারে ওই মাংস বিক্রির প্রস্তুতি চলছে—এমন খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি পুনরায় ঘটনাস্থলে যান। এ সময় এলাকাবাসী জড়ো হলে অভিযুক্ত কসাই তারা মিয়া পালিয়ে যান।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন চর আমখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল ইসলাম জিয়া। উপস্থিত সকলের সামনে যাচাই-বাছাই শেষে গরুটি মৃত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। পরে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জব্দকৃত মাংস নষ্ট করার ব্যবস্থা নেয় ইউনিয়ন পরিষদ।ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জানান, সকালে মুঠোফোনে তিনি মৃত গরু জবাইয়ের খবর পান। তিনি বলেন, "আমি কয়েকজনসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কসাই তারা মিয়া ও তাঁর দুই সহযোগী যন্ত্রপাতি ও মাংস ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে মাংসগুলো মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়েছে।"এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।এনআই
    ফুলপুরে নিখোঁজের ৪৬ দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
    ময়মনসিংহ ফুলপুরে নিখোঁজের ৪৬ দিন পর এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ বাড়ির পাশের একটি বিল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ নিহত তহুরুন নেছা (৭৫) বওলা ইউনিয়নের সুতারপাড়া মহদীপুর এলাকার মৃত ওয়াহেদ আলীর স্ত্রী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরো জানা গেছে ৪৬ দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হলে থানায় সাধারণ ডায়েরি,এলাকায় মাইকিং,আত্বীয় স্বজনের বাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।গতকাল রাতে বওলার জয়কান্দা বিলে একটি ভাসমান লাশ দেখা গেছে বলে পুলিশকে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে খোঁজাখোঁজি করে ধলা বিলের একটি ঝোপের মধ্যে থেকে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।প্রথমে মরদেহটি অজ্ঞাত মরদেহ বলে খবর ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়,পরের ওই নারীর ছেলে তাইজ উদ্দিন,ময়েজ উদ্দিন লাশটি তাদের মায়ের বলে শনাক্ত করে। ফুলপুর থানার ওসি মোঃ রাশেদুল হাসান জানান অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করে,মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।এসআর
    ভালুকায় সীমানা প্রাচীর তুলে কারখানার জমি দখলের অভিযোগ
    ময়মনসিংহের ভালুকায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে কে এন্ড কে টপস্ টেক্সটাইলস্ লিমিটেড নামের একটি কারখানার জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় কারখানার কর্মচারী এম. মনিরুজ্জামান বাদি হয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও ভালুকা মডেল থানায় আলাদা অভিযোগ করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কে এন্ড কে টপস টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল উপজেলার কাঠাঁলী মৌজার সিএস ২৬৮ দাগের ৯১ শতাংশ জমি কিনে প্রায় ৪৫ বছর যাবৎ ভোগদখলে আছেন। এদিকে, কামরুল ঢালী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি কিছু দিন যাবৎ ওই জমি জবরদখলের পায়তারা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর তুলে কারখানার ওই জমি জবরদখল শুরু করেন। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন এবং ভালুকা মডেল থানা পুলিশে জানালে পুলিশ ওই নির্মাণ কাজে বাধা দেয়।কারখানার কর্মচারী মনিরুজ্জামান জানান, ভূমি উন্নয়নকর পরিশোধ করে কে এন্ড কে টপস টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল ওই জমি ৪৫ বছর যাবৎ ভোগদখলে আছেন। কামরুল ঢালী গায়ের জোরে ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করছেন।কামরুল ঢালী জানান, অন্য কারো নয়, আমি আমার নিজস্ব জমিতে কাজ করছি,তাদের জমি আলাদা বাউন্ডারি করা।ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।এসআর
    মাদারগঞ্জে অটোরিকশা-ট্রাক্টরের সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত ৩
    জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের (কাকরা গাড়ি) মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিল (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামালপুর–মাদারগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত জাহিল জামালপুর সদর উপজেলার মনিরাজপুর এলাকার মামুনের ছেলে। আহতরা হলেন—নিহতের মা বিথী (৩৬), জোনাইল ফকিরবাড়ি এলাকার ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী সামিরা (৫৫) এবং একই এলাকার মিজানুরের স্ত্রী সেলিনা (২৬)। গুরুতর আহত বিথীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর দুইজন মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চারজন আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু জাহিলকে মৃত ঘোষণা করেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগের রাতে উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া এলাকায় বিথীর মামাতো বোন খুশি মারা যান। তার মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে জামালপুর থেকে সিএনজিতে করে যাচ্ছিলেন বিথী ও তার ছেলে জাহিল। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আবু রায়হান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে জাহিল নামে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের চালককে আটক করা হয়েছে। দুটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।ইখা
    তারাগঞ্জে বিয়ের দাবিতে প্রাণি সম্পদ অফিসে নারীর অনশন
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের দাবিতে মহাসড়কে শুয়ে পড়েছেন এক নারী।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তারাগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস চত্বরে বিয়ের দাবিতে ৩০ বছর বয়সি এক নারী সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অনশন করেছে।ওই নারী দাবি করে বলেন, তারাগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসে কর্মরত ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিরোজ হোসেন (৩৭)  বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিষ্ট্যান্ট (ভিএফএ) হিসাবে কর্মরত অভিযুক্ত ফিরোজ হোসেন ওই নারীর বাড়ির সামনে বেশ কয়েক বছর ধরে ভাড়া থাকতেন। ওই সময় ওই নারীর সাথে ফিরোজ হোসেনের ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে ওই নারীকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্প্রতি ফিরোজ হোসেনের অন্যত্র বদলির খবর পেয়ে ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দেয়। এতে ফিরোজ হোসেন ওই নারীর কথায় কোন সাড়া না দিলে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই নারী বিষ খেয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন। পরিবারের লোকজন টের পেয়ে স্থানীয় তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক আশস্কাজনক হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেয়।  পরে ওই নারী বেশ কয়েকদিন রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে আসলে ফিরোজ তাকে বিয়ে করার জন্য পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে আবারো ওই নারী বিয়ে করা জন্য ফিরোজকে চাপ দিলে আজকাল করে এড়িয়ে যায়।  মঙ্গলবার সকালের দিকে ফিরোজ প্রাণি সম্পদ অফিসে আসলে ওই নারী বিয়ের দাবিতে উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের ভিতরে গিয়ে ফিরোজকে বিয়ের করার জন্য জড়িয়ে ধরেন । এসময় উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা তারাগঞ্জ থানায় বিষয়টি জানালে পুলিশ এসে  ওই নারীকে অফিসের বাহিরে যেতে বলেন। পুলিশর কথামত ওই নারী পরে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের সামনে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন। ওই নারী দাবী করেন, ফিরোজ আমার সাথে ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি করে আমাকে বিয়ে করার কথা বলে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। আমার ইজ্জত শেষ করে দিয়েছে। আমাকে আজকে বিয়ে না করলে অফিসের সামনে আত্নহত্যা করবো। তাছাড়া আমার কোন উপায় নেই। অভিযুক্ত ফিরোজ হোসেন দাবী করে বলেন, ওই নারীর সাথে আমার ভাল সম্পর্ক ছিলো। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ইফতেখারুল ইসলাম জানান, আমি শুনেছি এই বিষয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। সে যদি অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আদালত তার শাস্তি দিবে। এফএস
    গাইবান্ধায় কাভার্ড ভ্যান-সিএনজি-অটোরিকশার সংঘর্ষে ২ নিহত
    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একটি কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ২ জন অটোরিকশা যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৩ যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের আশঙ্কাজনক  অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের মন্দুয়ার এলাকার শাহানা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন, সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফ বাজিত গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে ও অটোরিকশা চালক আল আমিন মিয়া (৩০) ও গাইবান্ধা শহরের পুর্বপাড়ার নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে গৌতম চন্দ্র (৬০)। আহতদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,একটি কাভার্ড ভ্যান গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। এরই মধ্যে একটি সিএনজিকে সাইট দিতে গিয়ে অপর একটি অটোরিকশার সঙ্গে ধাকা লাগে। এতে অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত ও আরও ৩ যাত্রী আহত হয়েছেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, পরিবহনগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে, মরদেহগুলো প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।‎ এসআর
    প্রতিবন্ধিরা আমাদের বোঝা নয়: আজহারুল ইসলাম 
    রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবন্ধিদের হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে হুইল চেয়ার বিতরণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, প্রতিবন্ধিরা আমাদের বোঝা নয়, তারা আমাদের সম্পদ। তাদেরকে অবহেলা করা যাবে না। তাদের উন্নয়নে আমাদের কাজ করতে হবে। তারা কোন অবস্থাতেই যে কষ্ট না পান আমাদের সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পদের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  এসআর
    তারাগঞ্জে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে সড়কের কাজ বন্ধ
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় বাজারের প্রধান সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠিকাদারের লোকজন কাজ শুরু করলে স্থানীয়রা দেখতে পান নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেন।তারাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী ছিল। সীমাহীন কষ্ট করে আমরা চলাচল করেছি। এখন সংস্কারকাজ শুরু হলেও তা নিম্নমানের হলে মেনে নেওয়া হবে না। বরাদ্দ অনুযায়ী মানসম্মত কাজ করতে হবে।”ঘটনার পর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কামাল পাশা ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত যে কাজ হয়েছে তা পরিদর্শন করে নিম্নমানের কাজের প্রমাণ পেয়েছি। ঠিকাদারকে নিয়ম মেনে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন নিম্নমানের কাজ না হয়, সে বিষয়ে আমি নিজেও তদারকি করব।”স্থানীয়রা দ্রুত মানসম্মতভাবে সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন।ইখা
    পরিচ্ছন্ন উলিপুর কর্মসূচির উদ্বোধন
    কু‌ড়িগ্রা‌মে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে উলিপুরে মাসব্যাপী ‘পরিচ্ছন্ন উলিপুর’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী।সকালে উলিপুর মসজিদুল হুদার সামনে থেকে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে পৌর শহরের প্রধান সড়ক, বিভিন্ন অলিগলি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর, থানার মোড়, গুনাইগাছ মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সালেহী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে ঝাড়ু দিয়ে কর্মসূচির কার্যক্রমে অংশ নেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা অর্থ সম্পাদক জহুরুল হক, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমীর অ্যাড. কামাল কবির লিটন, উপজেলা সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম, পৌর সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানসহ দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য উলিপুর গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। তিনি দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।আয়োজকরা জানান, মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার-প্রচারণা ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমও চালানো হবে।ইখা
    সিংড়ায় নদীতে প্লাস্টিকের বাক্সে মিললো ৫০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি
    নাটোরের সিংড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাঁটাপুকুরিয়া মহল্লায় নাগর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশুর নজরে আসে একটি বক্স সেই বক্সে ছিল পিস্তলের ৫০ রাউন্ড গুলি ও অস্ত্র পরিষ্কারের সরঞ্জাম। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।জানা যায়, কাঁটাপুকুরিয়া মহল্লার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের শিশু পুত্র মোস্তাকিম হোসেন (৯) ও জাবের হোসেন (৭)।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে তাদের বাড়ির পশ্চিম পাশে পার্শ্ববর্তী নাগর নদীতে মাছ ধরতে যায়। এসময় তারা নদীর মধ্যে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের বাক্স দেখতে পায়। বাক্সটি খুলে তারা এর ভেতরে ৫০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, পিস্তলের ব্যারেল পরিষ্কার করার প্লাস্টিকের তৈরি ক্লিনিং রড ও দুটি ব্রাশ পায়। তবে প্রতিটি গুলির পিছনে ইংরেজিতে CBC 32 AUTO লেখা ছিলশিশুরা বিষয়টি বুঝতে না পেরে বাক্সটি নিজ বাড়িতে নিয়ে রাখে। পরে শিশুর মা মরিয়ম বেগম (৪০) সিংড়া থানায় ফোন করে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাক্সসহ ভেতরের গুলি ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।এঘটনা জানতে চাইলে শিশুদের মা মরিয়ম বেগম বলেন, নদীর পানি কমে যাওয়ায় তার দুই ছেলে মাছ ধরতে গিয়েছিল। কিছুক্ষণ পর তারা হঠাৎ একটি মাঝারি আকারের বক্স হাতে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসে। কৌতূহলবশত বক্সটি খুলে তিনি ভেতরে পিস্তলের গুলি দেখতে পান। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে থানায় খবর দেন এবং পরে উদ্ধারকৃত বক্সসহ গুলি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।এবিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.ব.ম আব্দুন নূর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি প্লাস্টিকের বাক্সের ভেতর থাকা ৫০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ও অস্ত্র পরিষ্কারের কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এসব কোথা থেকে এলো এবং কারা রেখে গেছে, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসআর
    অনুমোদনহীন পুকুর খনন, কৃষিজমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়
    দিন-রাত ভরে স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ট্রাক্টর যোগে ইট ভাটায় নেওয়ার মহাকর্মযজ্ঞ চলছে। মাটি বহনকৃত অন্তত ১০ টি ট্রাক্টর অবিরাম দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওই এলাকার ফসলি মাঠ ও রাস্তাগুলোয়। এতে একদিকে নষ্ট হচ্ছে আবাদী জমি অন্যদিকে বেহাল হচ্ছে সদ্য নির্মিত পাকা সড়কগুলো। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দপুর পর্যন্ত পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার অরনকোলার বাগবাড়িয়া মাঠপাড়া ও মুলাডুলির প্রতিরাজপুর এলাকায় গিয়ে কয়েকটি স্থানে অনুমোদন ছাড়াই ফসলি জমিতে পুকুর খননের নামে মাটি কাটার মহোৎসবের এসব চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, পুকুর খননের নামে তিন থেকে চার ফুট গভীর করে সরিষার জমি থেকে স্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। মাটিগুলো অন্তত ১০ টি ট্রাক্টরযোগে পার্শ্ববর্তী ইটভাটাগুলোতে নেওয়া হচ্ছে। প্রচন্ড ধুলা ও তীব্র শব্দে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।স্কেভেটর (ভেকু) চালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও ট্রাক্টর চালকরা জানান, মাটি কাটার জন্য ঈশ্বরদীর অরনকোলা গরুহাট এলাকার মাটি ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম তাদের ভাড়া করে নিয়ে এসেছেন। ঘন্টা ও দিন চুক্তিতে মাটি কাটা ও ট্রাক্টর যোগে ইট ভাটাসহ মাটি ক্রেতাদের চাহিদাকৃত নির্ধারিত স্থানে পৌছে দেওয়ায় তাদের কাজ।এ বিষয়ে মাটি ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম জানান, জমিটির মালিক উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মিরকামারি এলাকার জহুরুল ইসলাম। তিনিই তার জমিতে পুকুর খননের জন্য বিশেষ চুক্তিতে তাকে দিয়ে মাটি কাটাচ্ছেন। সেই মাটি তিনি নিকটবর্তী ইটভাটায় বিক্রয় করছেন। ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রয় করার জন্য প্রশাসনের নিকট থেকে কোন অনুমতি তিনি নেননি। আবার জমির মালিক জহুরুল ইসলাম প্রশাসনের নিকট থেকে অনুমতি নিয়েছেন কিনা তা তিনি জানেন না। তবে সব কিছু ম্যানেজ করেই মাটি কাটছেন বলেও দাবী করেন মাটির এই ব্যবসায়ী।মাটি ক্রেতা একটি ইটভাটার মালিক জিন্নাহ আলী জানান, ইট নির্মাণের জন্য মাটির প্রয়োজন। তাই মাটি ব্যবসায়ী আশরাফুলের নিকট থেকে মাটি কেনা হয়েছে। সেই মাটি ট্রাক্টরযোগে ইটভাটায় আনা হচ্ছে। কিভাবে, কার মাটি আশরাফুল কেটে বিক্রয় করছে তা তাদের জানা নেই বলেও দাবী করেন ইটভাটার মালিকরা।ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মমিন বলেন, কৃষি জমির মাটি কেটে পুকুর খনন করা মানে জমির শ্রেনী পরিবর্তন করা। আর জমির শ্রেনীর পরিবর্তনের জন্য জমির মালিককে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করতে হয়। জেলা প্রশাসক যদি অনুমতি দেন তাহলেই কেবল জমি মাটি কাটা সম্ভব। তিনি আরো জানান, জমির উপরিভাগের (টপ সয়েল) মাটিই হলো ফসল উৎপাদন শক্তি। জমির উপরিভাগের মাটি কাটা হলে সেই জমিতে নতুন করে ফসল উৎপাদন করতে হলে কম পক্ষে ২০ বছর সময় লাগে। ফসলি জমির মাটি কাটা আইনগত দন্ডনীয় অপরাধ। এভাবে মাটি কাটার কারণেই ক্রমেই আবাদি জমির পরিমান কমে যাচ্ছে। এই জন্য জমির মালিকদের বিশেষভাবে সচেতন হওয়া উচিত।এ বিষয়ে জানতে বিভিন্নভাবে জমির মালিক জহুরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোঃ আরিফুর রহমান জানান, ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এসআর
    যমুনার ভাঙনে মানচিত্র থেকে বিলিনের পথে চৌহালী
    যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করায় ভাঙন শুরু হয়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে। এরিমধ্যে আতঙ্কে রয়েছে  প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ বাড়িঘর ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। তাই ভাঙন বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশটুকু রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে সেখানের এলাকাবাসী।সিরাজগঞ্জ জেলার মানচিত্রে চৌহালীর স্থান থাকলেও দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থা আর দফায় দফায় নদী ভাঙনের জন্য জেলা সদর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু হওয়ায় চৌহালী উপজেলা দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। এতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটে থেকে শুরু করে ফসলে ক্ষেতও।তবে বর্তমান ভাঙ্গনের মূল কারণ যমুনা নদী দিয়ে রাতদিন বাল্বহেড দিয়ে বালি সরবরাহ করা। প্রতি বছরের মত চলতি বছর বন্যায় বিগত বছরে  উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের খাসপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার অঞ্চলে প্রায় ৩০টি বসতবাড়ি ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীতে হারিয়ে গেছে। এছাড়া তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে রেহাই পুখুরিয়া পশ্চিমপাড়া, মিটুয়ানী, চর বিনানই ও চর সলিমাবাদ এলাকায়। হুমকির মুখে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাঘুটিয়া এলাকা।ভাঙন রোধে সেখানে মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানানো হয়েছে  স্থানীয়রা   প্রতিকার পেতে বিভিন্ন দপ্তরের  দৌড়ঝাঁপ শুরু করছে। তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ। এছাড়াও এলাকাবাসী  ভাঙ্গন রোদে এবং বাল্বহেড যমুনা নদীতে চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। ভাঙ্গন কবলিত স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বেশকিছু দিন যাবত যমুনার তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের মূল কারণ বালু মহলের শতশত বাল্বহেড বালু নিয়ে চলাচলের কারণ। এবিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি মো: হাসিবুর রহমান ও চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মতিউর রহমান জানান, যমুনায় বাল্বহেড দিয়ে বালু সরবরাহ কেন্দ্র করে এলাকাবাসীদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের কারণে সব ধরনের বাল্বহেড আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। এসআর
    বাঘায় তুলা চাষে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
    রাজশাহীর বাঘা উপজেলাতে তুলা চাষে দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। আমসহ অন্যান্য প্রচলিত ফসলে আশানুরূপ লাভ না পাওয়ায় অনেক কৃষক এখন বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে ঝুঁকছেন তুলা চাষের দিকে। ইতোমধ্যে উপজেলায় প্রায় ২৭ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ হয়েছে বলে জানা গেছে।উপজেলার আড়ানী এলাকার গোচর গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, তিনি প্রায় ৯-১০ বছর ধরে তুলা চাষ করছেন। শুরুতে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও বর্তমানে ভালো ফলন ও লাভ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, তুলার সঙ্গে সাথী ফসল চাষ করে অতিরিক্ত আয় সম্ভব। অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ কম হলেও নিয়মিত পরিচর্যা জরুরি। বাজারে তুলার চাহিদা ভালো থাকলেও ন্যায্য দাম পেলে আরও লাভবান হওয়া যেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তুলা চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড। আড়ানী শাখার কটন ইউনিট অফিসার মো. হোসেন আলী জানান, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তালিকাভুক্ত চাষিদের সরকারি সহায়তাও প্রদান করা হয়। চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হলে এলাকায় তুলা চাষ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, তুলা একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ ও সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া সম্ভব। তুলা চাষ বৃদ্ধি পেলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।কৃষকদের মতে, বাজারে তুলার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এটি লাভজনক ফসল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বাজারমূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেলে লাভের পরিমাণ আরও বাড়বে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে রাজশাহীর বাঘায় তুলা চাষ হয়ে উঠতে পারে কৃষকদের জন্য নতুন আশার আলো।এসআর
    মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণে স্বপ্ন বুনছেন নওগাঁর আমচাষিরা
    মুকুলে মুকুলে ভরে উঠেছে নওগাঁর আমবাগান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আমের মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণ। সবুজ পাতার ফাঁকে হলুদ আভায় ফুটে ওঠা মুকুলে ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। ধানের পর জেলার কৃষকদের সবচেয়ে বড় ভরসা এখন আম।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। গত বছর ছিল ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর। গত বছর ৪ লাখ ৩১ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে ফলন কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টনে। এবার ৪ লাখ ৫০ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। জেলার মধ্যে সাপাহার ও পোরশা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি—প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, বড় ও মাঝারি গাছগুলোতে বেশি মুকুল এসেছে। শুধু বাগানেই নয়, বসতবাড়ি ও রাস্তার পাশের গাছেও চোখে পড়ছে মুকুলের সমারোহ। ভালো ফলনের আশায় গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগান মালিকরা।চাষিরা জানান, গত বছর দীর্ঘ শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে অধিকাংশ মুকুল ও গুটি ঝরে পড়েছিল। ফলে ফলন বিপর্যয় হয়। তবে এবার এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। শীতের তীব্রতা কম থাকায় মুকুল ভালোভাবে টিকে আছে।সাপাহার উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানা বলেন, “গত বছর আমার বাগানের ৫০-৬০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছিল। এবার প্রায় ৮০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। আরও ১৫-২০ দিনের মধ্যে বাকি গাছেও মুকুল আসবে। রোদের তাপ ভালো থাকায় ছত্রাকের আক্রমণও কম।”একই উপজেলার চাষি খশবুর রহমান বলেন, “গত বছর শীতের কারণে মুকুল আসতে দেরি হয়েছিল। এবার অনেক আগেই এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন হবে।”পোরশা উপজেলার মেহেদী হাসান জানান, “মুকুল আসার পর থেকেই পরিচর্যা করছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী স্প্রে করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো।”আরেক চাষি ফিরজ শাহ বলেন, “গাছে মুকুল যেন ঝরে না পড়ে, সেজন্য সার, কীটনাশক ও সেচ দিচ্ছি। তবে বালাইনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচও বাড়ছে।”নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হুমায়রা মণ্ডল বলেন, “জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। মুকুল আসার পর তাপমাত্রা বেড়েছে, ঘন কুয়াশাও হয়নি। ফলে এখন পর্যন্ত ঝরে পড়ার হার কম। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। চাষিদের নিয়মিত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”মুকুলের এই সুবাস এখন নওগাঁর আমচাষিদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ঘরে তুলতে পারেন কাঙ্ক্ষিত ফলন—এমন প্রত্যাশাই তাঁদের।ইখা
    সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বাজার মনিটরিং, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
    সুনামগঞ্জে পবিত্র রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ও পুলিশ সুপার আ. ব. ম. জাকির হোসেন, পিপিএম।অভিযান চলাকালে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে শহরের ৪টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা।অভিযান চলাকালে একটি দোকানে লেবুর দাম যাচাই করলে দোকানদার ১২০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা বলেন। এ সময় উপস্থিত ক্রেতারা কম দামে লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন।পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা ও পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখার লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। এদিন সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলফাত উদ্দিন স্কয়ার (ট্রাফিক পয়েন্ট), জগন্নাথবাড়ি এলাকা, কাঁচাবাজার, ডিএস রোড, ফলবাজার, মধ্যবাজার ও পাইকারি বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং সহনীয় পর্যায়ে দাম রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুনজিত কুমার চন্দ, সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, ম্যাজিস্ট্রেট সোয়াদ সাত্তার চৌধুরীসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।পুলিশ সুপার আ. ব. ম. জাকির হোসেন বলেন, “রমজান রহমতের মাস। এই মাসে ব্যবসায়ীরা কোনো প্রকার সিন্ডিকেট করে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবেন না। কোনোভাবেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো যাবে না।”ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, “কোনোভাবেই যেন রমজান মাসে পণ্যের দাম বৃদ্ধি না হয়। যদি কেউ পণ্যের দাম বেশি রাখেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।এনআই
    হবিগঞ্জে উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে আটকের পর মহাসড়ক অবরোধ
    হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম-কে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত তার নিজ বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযানে ডিবি পুলিশের একটি দল অংশ নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর আগে দুপুর ২টার দিকেও বিএনপি নেতার মুক্তির দাবিতে মহাসড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান বিক্ষোভকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে গালাগালের একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। অডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অডিওর সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত হিসেবে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রাখী রানী দাস বলেন, “আজ দুপুরে শহরের শায়েস্তানগর এলাকা থেকে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ বিষয়টিকে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত।প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ইখা
    কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না: এমপি কামরুল
    "আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো অনিয়ম সহ্য করব না, তেমনি কাউকে করতেও দেব না। এটি আমি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করে দেব," বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।তিনি আরও বলেন, "জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। কারণ তারাই আমাকে এমপি নির্বাচিত করেছে। তাদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়েই আমি আগামী দিনগুলো চলতে চাই।"রবিবার(২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।এর আগে তিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান মানিকের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সোলেমান মিয়ার সঞ্চালনায় তিনি আরও বলেন, "তাহিরপুর উপজেলা উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। তাই আমি সকল দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে সবার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেব।"এমপি কামরুল আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, হয়রানি বা দখলবাণিজ্য কেউ করতে পারবে না। আমি আমার অভিভাবকদের (ভোটার) প্রতিনিধি হিসেবে তাদের জন্যই কাজ করব। নির্বাচনে দেওয়া আমার ওয়াদা রক্ষায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অবিচল থেকে পাশে থাকব।"এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধী সমাজ ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।এনআই
    হবিগঞ্জের বাজার রোজায় হালিপ্রতি লেবুর দাম বেড়েছে ৯০০ শতাংশ
    হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে রোজার আগের সপ্তাহে লেবুর হালি ছিল কম-বেশি ২০ টাকা। প্রথম রোজার আগের দিন থেকে হঠাৎ লাফিয়ে বাড়ে দাম, যা শনিবার বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত হালি। সে হিসাবে লেবুর দাম হালিপ্রতি বেড়েছে ৯০০ শতাংশ।ইফতারির অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। মনু মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “রমজানে লেবু ছাড়া ইফতারি অসম্পূর্ণ মনে হয়। কিন্তু এবার দাম বেশি হওয়ায় লেবু ছাড়াই ইফতারি করতে হচ্ছে।”বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন, “রোজার আগে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা ৪০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বাজারে মানভেদে দাম আরো বেশি নেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ কম, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও চাহিদা বেশি হওয়ায় লেবুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।”লেবুচাষি নূরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে লেবুর উৎপাদন কম হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতির একটি কারণ। বর্তমানে এক হাজার লেবু কমপক্ষে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে সেটা ১১ থেকে ২০ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে উৎপাদন বাড়বে। তখন দামও কমে যাবে।”কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “বর্তমানে চাষিরা সেচের মাধ্যমে লেবুর ফলন অব্যাহত রেখেছেন। বৃষ্টি হলে উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমবে।”এসআর
    ডিসি সারোয়ারকে শোকজ
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সিলেটের গোলাপগঞ্জে গুলির আদেশ প্রদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২ এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার এ আদেশ দেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এ সময় পুলিশের গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ আনা হয়।পরবর্তীতে মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ গত বছরের ২২ এপ্রিল সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর শ্রীমঙ্গলের সেক্টর সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালকের কাছে পৃথক দুটি আবেদন পাঠান। এতে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নির্দিষ্ট তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়।তবে তথ্য না পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে বিষয়টি জানান। এর প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপমহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য সরবরাহের আদেশ দেন। এ আদেশের পর বিজিবি তথ্য সরবরাহ করে। অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে গোলাপগঞ্জের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য প্রেরণে নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে আর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। পরে আরও কয়েক দফা আদালত তথ্য চেয়েও পাননি।গত ৮ ফেব্রুয়ারি আদালত জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। ওই দিন এক আদেশে আদালত উল্লেখ করেন, তদন্ত কর্মকর্তাকে কোনো তথ্য সরবরাহ না করায় মামলার তদন্তকাজ বিলম্বিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট মামলাটি দায়ের হলেও এখনো তদন্ত শেষ হয়নি। ফলে বিচারকাজও শুরু করা যাচ্ছে না। আদালত থেকে আদেশ প্রদান করার দীর্ঘদিন পরও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তার চাওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ না করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।আদালতের নোটিশে বলা হয়, এমন কাজকে আদালতের আদেশ অমান্য ও বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। অথবা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া যাবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য জেলা প্রশাসককে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম জানান, আদালত শোকজ দিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে আদালতে জবাব দেওয়া হবে।এমআর-২

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    পাকিস্তানে ভালোবেসে ২২ বছরের তরুণীকে ৭০ বছরের বৃদ্ধের বিয়ে
    পাকিস্তানের ৭০ বছর বয়সী হাকিম বাবর ভালোবেসে বিয়ে করেছেন ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে। আর এ বিয়ে নিয়ে পাকিস্তানে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। প্রেমের সম্পর্কের পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির চাকলালায়।অসম বয়সের এই বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাদের বাড়িতে ভিড় জমান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ দম্পতিকে ঘিরে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা।অনেকে বৃদ্ধ হাকিম বাবরের সমালোচনা করলেও তিনি সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়েছেন। এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বয়স শুধু একটি সংখ্যা।মানুষের মনটাই আসল—সবার মনের দিক দিয়ে তরুণ হওয়া উচিত। আমার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী একজন ডিভোর্সি ছিলেন। ডিভোর্সিকে বিয়ে করা আল্লাহর নির্দেশ ও নবীর সুন্নাহ। সে অনুযায়ীই আমি বিয়ে করেছি।তাহলে আমি ভুল কী করেছি?’তিনি আরো বলেন, ‘আমি কোনো অনৈতিক কাজ করিনি। তাহলে মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করছে কেন? যারা আমাদের সমালোচনা করছে, তাদের অনেকেরই মেয়ে বন্ধু বা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তারা বিয়ে করে না। বরং প্রেমের ভান করে প্রতারণা করে।’তরুণী স্ত্রীও স্বামীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, প্রকৃত ভালোবাসার ক্ষেত্রে বয়স কোনো বাধা হতে পারে না।কারো মধ্যে সত্যিকারের ভালোবাসা খুঁজে পেলে বিয়ে করতে দেরি করা উচিত নয়।হাকিম বাবর জানিয়েছেন, আগামী ঈদুল ফিতরের পর তিনি স্ত্রীকে নিয়ে প্রথমে সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে যাবেন। এরপর তারা নেদারল্যান্ডসে ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।সূত্র : এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।এফএস
    চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল কিনছে ইরান
    ইরানে হামলা করার জন্য আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি একই কাজে ব্যবহৃত বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পানিসীমার কাছে নেওয়া হচ্ছে। যেটি ইতোমধ্যে ভূমধ্যসাগরে চলে এসেছে। এই দুই জাহাজ দিয়ে ইরানকে ধ্বংস করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব রণতরীকে ওয়াশিংটন যত ভয়ংকর করেই উপস্থাপন করুক না কে তাতে কিছুই যায়আসেনা বলে বরাবরই বলে আসছে তেহরান। এতদিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনায় ছিল খোদ যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশটির মিত্ররা। ইরান কেন আমেরিকাকে ভয় পাচ্ছে না, ঠিক কোন কারণে ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করছে না তেহরান- এই প্রশ্ন এখন পেন্টগান ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের মুখে মুখে। এমন আলোচনা চলার মধ্যেই সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছিলেন যে, মার্কিন রণতরীতে ভীত নয় তেহরান, কারণ তাদের কাছে এর চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র আছে, যা এসব দানবীয় রণতরীকে সাগরে ডুবিয়ে দিতে পারে।বিষয়টি নিয়ে সবাই যখন চিন্তায় পড়ে গেছে, তখন মার্কিন সমরবিদরা ভেবে পাচ্ছেন না যে ইরানের কাছে কী-এমন অস্ত্র আছে, যা তাদের সামরিক ময়দান ছাড়াও মানসিকভাবেও শক্তিশালী করেছে? এরই মধ্যে প্রকাশ হয়েছে গোপন চুক্তি তথ্য।চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে দেশ দুটি। আলোচনাটি সম্পর্কে অবগত এমন ছয় ব্যক্তির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন থেকে দেশটির তৈরি জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল সিএম-৩০২ কিনছে ইরান।দুই সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞ বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর সাগরে যেকোনো অস্ত্র তা রণতরী ধ্বংস করার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা বহুগুণে বেড়ে যাবে।সিএম-৩০২ চীনের তৈরি একটি সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল। এটি জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। যুদ্ধের ময়দানে এই ক্ষেপণাস্ত্র অন্যতম শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।এই মিসাইল চীনের ওয়াইজে-১২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইলের একটি রপ্তানি সংস্করণ। যা দেশটি মিত্রদের কাছে বিক্রি করে থাকে।সিএম-৩০২ সক্ষমতা ও দক্ষতার দিক দিয়েও বেশ এগিয়ে আছে, যা শত্রুপক্ষকে ভীত করতে পারে। এটি জাহাজ-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়ানোর জন্য নিচ দিয়ে এবং উচ্চ গতিতে ওড়ার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া এর অপারেশনাল রেঞ্জ বা পাল্লা প্রায় ২৯০ কিমি। ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহারও বেশ সহজ। এই পদ্ধতি স্থল-ভিত্তিক ভ্রাম্যমান স্টেশন, জাহাজ ও বিমানেও ব্যবহার করা যায়। নিক্ষেপ করা যায় এই তিন স্টেশন থেকেই।এমআর-২
    ইরানে ফলের বাজারে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৪ জন নিহত
    ইরানে ফলে বাজারে বিধ্বস্ত হয়েছে একটি সামরিক হেলিকপ্টার। এ ঘটনায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইরানের দোরচেহ শহরে ঘটেছে এ ঘটনা। এ শহরটি ইরানের ইস্ফাহান প্রদেশে অবস্থিত। রাজধানী তেহরান থেকে দোরচেহ-এর দূরত্ব ৩৩০ কিলোমিটার।ইস্ফাহান প্রদেশটি সামরিক কৌশলগত দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রদেশে ইরানের কয়েকটি বড় বিমান ঘাঁটি এবং দেশটির পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘাঁটি রয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, হেলিকপ্টারটি প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে ছিল, কিছুক্ষণ ওড়ার পর অনেকটা আকস্মিকভাবেই সেটি বাজারে আছড়ে পড়ে। পাইলট এবং সহ-পাইলট ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিহত হয়েছেন বাজারের যে স্থানে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে— সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা দু’জন মানুষ।এই নিয়ে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার বিধ্বস্ত হলো ইরানের কোনো সামরিক এয়ারক্রাফট। কয়েক দিন আগে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর হামেদানে একটি বিমান বাহিনীর একটি এ-৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। এতে বিমানটির চালক নিহত হয়েছিলেন।এমআর-২
    নামাজরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন হিন্দু সহপাঠীরা
    ভারতের লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নামাজ পড়া মুসলিম শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে তাদের হিন্দু সহপাঠীরা মানবঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো লাল বড়দারি মসজিদ কমপ্লেক্স সম্প্রতি প্রশাসন তালাবদ্ধ করে দেয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে এটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রমজান মাসে কোনো নোটিশ ছাড়াই মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।রোববার শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ চলাকালে মুসলিম শিক্ষার্থীরা মসজিদের বাইরে নামাজ আদায় করেন। এ সময় সম্ভাব্য বাধা এড়াতে হিন্দু শিক্ষার্থীরা তাদের চারপাশ ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেন।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, লাল বড়দারি ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত এবং যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। তাই গেট তালাবদ্ধ করে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা দ্রুত মসজিদ খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।এ ঘটনায় কংগ্রেস নেতা ইমরান প্রতাপগরি শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।প্রসঙ্গত, লাল বড়দারি কমপ্লেক্সটি ১৮০০ সালে নবাব নাসিরউদ্দিন হায়দার নির্মাণ করেন এবং বর্তমানে এটি সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপনা।এমআর-২
    মেক্সিকোতে মাদক সম্রাট মেনচো নিহতের ঘটনায় ৭০ জনের মৃত্যু
    মেক্সিকোতে কুখ্যাত মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগুয়েরা সার্ভান্তেস ওরফে ‘এল মেনচো’ সামরিক অভিযানে নিহত হওয়ার পর পর্যটন এলাকাগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।নিহত এল মেনচো ছিলেন জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল নামের শক্তিশালী অপরাধ চক্রের প্রধান। তাকে ধরতে চালানো অভিযানে ও পরবর্তী সংঘর্ষে ৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।ঘটনার পর জলিস্কোর পাহাড়ি পর্যটন শহর তাপালপা, সমুদ্র উপকূলীয় রিসোর্ট নগরী পুয়ের্তো ভালিয়ার্তা ও রাজধানী গুয়াদালাহারায় উদ্বেগ বেড়েছে। এসব এলাকায় দোকানপাট, হোটেল ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, সহিংসতার কারণে পর্যটক কমে যেতে পারে।২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের কিছু ম্যাচ গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।মার্কিন প্রশাসন জানায়, অভিযানে তারা গোয়েন্দা সহায়তা দিয়েছে। এল মেনচোর গ্রেপ্তারের তথ্যের জন্য আগে ১৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, কার্টেলের ভেতরে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হলে আরও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।এমআর-২
    কারাগার থেকে হাসপাতালে ইমরান খান
    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের চোখের চিকিৎসার দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্সেস (পিআইএমএস)-এ তিনি চিকিৎসা নেন। চিকিৎসকেরা বলেন, প্রক্রিয়ার আগে ও পরে তিনি শারীরিকভাবে স্থিতিশীল ছিলেন এবং তার দৃষ্টিশক্তির আরও উন্নতি হয়েছে।পিআইএমএস’র নির্বাহী পরিচালক ডা. ইমরান সিকান্দার এক মেডিকেল আপডেটে বলেন, ৭৪ বছর বয়সি ইমরান খানকে সেন্ট্রাল জেল আদিয়ালা থেকে ফলো-আপ চিকিৎসার জন্য আনা হয়। তাকে অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারির মধ্যরাতে পিআইএমএ ‘র একই অপারেশন থিয়েটারে তাকে প্রথম ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। প্রথম ডোজের পর তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি লক্ষ্য করার ভিত্তিতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক এক মাস পর দ্বিতীয় ইনজেকশন দেওয়া হয়।মাইক্রোস্কোপের সহায়তায় ইনজেকশনটি প্রয়োগ করেন আল-শিফা আই ট্রাস্ট হাসপাতালের কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আরিফ এবং কনসালট্যান্ট ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জন ডা. নাদিম কুরেশি। কঠোর মানসম্মত পরিচালন প্রটোকল অনুসরণ করে ডে-কেয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়।ইনজেকশন দেওয়ার আগে ইমরান খানকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি বোর্ড পরীক্ষা করে।একজন কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট তার ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন, যার ফলাফল স্বাভাবিক আসে। এছাড়া তাকে একজন কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ানও পরীক্ষা করেন। সবশেষে তাকে ক্লিনিক্যালি স্থিতিশীল ও চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়।বিবৃতিতে জানানো হয়, তার আনুষ্ঠানিক সম্মতি নেওয়ার পরই ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয় এবং অপারেশন থিয়েটারে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও মানসম্মত প্রটোকল অনুসরণ করা হয়েছে।এমআর-২
    বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে ইউক্রেনকে আল্টিমেটাম স্লোভাকিয়ার
    দুই দিনের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে স্লোভাকিয়া। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন।কিয়েভ দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধ রাখায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ব্রাতিসলাভা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন রবার্ট ফিকো। যদি শিগগিরই পাইপলাইন সচল না হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ তিনি।রুশ শব্দ দ্রুজবা-এর অর্থ মৈত্রী বা বন্ধুত্ব। ১৯৬৪ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলে রাশিয়া থেকে ইউক্রেন, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র ও জার্মানিতে সরাসরি তেল সরবরাহের জন্য এ পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছিল।গত ২৭ জানুয়ারি রাশিয়াকে চাপে ফেলতে এই পাইপলাইন বন্ধ করে দেয় ইউক্রেন। এখনও ইউক্রেন অংশ এটি বন্ধ আছে।পাইপলাইন বন্ধ থাকায় হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রে পৌঁছাতে পারছে না রুশ তেল। কিয়েভের দাবি—দ্রুজবা পাইপলাইনের ইউক্রেন অংশে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এত পাইপলাইনটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং মেরামত না করা হলে— এই পাইপলাইন দিয়ে তেলের চলাচল সম্ভব নয়; তবে দ্রুজবা পাইপলাইনে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো।হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া উভয়েই পাইপলাইন বন্ধের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে। দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধ করে ইউক্রেন স্লোভাকিয়ার সঙ্গে ‘ব্ল্যাকমেইলিং’ করার চেষ্টা করছে— অভিযোগ তুলে সোমবারের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ফিকো বলেন, “পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি বা মূলনীতি। (দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধের মাধ্যমে) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট যে নিষ্ঠুর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় আমরা ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছি এবং আমরা মনে করি এই পদক্ষেপ পুরোপুরি যথাযথ এবং যৌক্তিক।২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে রুশ বাহিনী। অভিযানের শুরু থেকেই হিসেবে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করছে রুশ সেনারা। যুদ্ধের শুরুর দিকে রাশিয়ার হামলায় বিধ্বস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো মেরামত করত কিয়েভ; কিন্তু দেখা গেছে মেরামত হওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকেও হামলা করে অকেজো করে দিচ্ছে রাশিয়া।এ অবস্থায় বিদ্যুতের জন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা ক্রমশ বাড়ছে ইউক্রেনের। গত প্রায় ২ বছর ধরে স্লোভাকিয়ার কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনছে ইউক্রেন। ভাষণে রবার্ট ফিকো বলেছেন, ২০২৫ সালে ইউক্রেন স্লোভাকিয়া থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ কিনেছে, তার প্রায় দ্বিগুণ বিদ্যুৎ কিনেছে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে।দ্রুজবা পাইপলাইন অকার্যকর হওয়ার জন্য কিয়েভকে সরাসরি দায়ী করেছে হাঙ্গেরিও। গত ২১ ফেব্রুয়ারি হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার শ্চিজার্তো এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইস্যু করা ১০ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ আটকে দিয়েছে হাঙ্গেরি। ইউক্রেন যত দ্রুত দ্রুজবা পাইপলাইন মেরামত করবে, তত দ্রুত ঋণের অর্থ আসার পথ সুগম হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।এমআর-২
    রমজান মাসে মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি দখলদাররা
    পবিত্র রমজান মাসে দখলকৃত পশ্চিম তীরে একটি মসজিদে আগুন দেওয়া ও দেওয়ালে বর্ণবাদী স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি দখলদারদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নামাজ পড়তে এসে মুসল্লিরা মসজিদের দরজায় আগুনের চিহ্ন ও ধোঁয়ার কালো দাগ দেখতে পান।ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, নাবলুসের কাছে সাররা ও তাল শহরের মাঝামাঝি অবস্থিত আবু বকর আস-সিদ্দিক মসজিদের দেওয়ালে অবমাননাকর স্লোগান লেখা হয়। মসজিদের প্রবেশপথে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, ফলে দরজার কাচ ভেঙে যায় এবং অলংকৃত অংশ কালো হয়ে যায়।স্থানীয় বাসিন্দা মুনির রামদান বলেন, দরজা খুলে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি জ্বালানি ও স্প্রে পেইন্টের ক্যান নিয়ে মসজিদের দিকে যায় এবং কয়েক মিনিট পর দ্রুত সরে পড়ে। হামলাকারীরা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননা করে গ্রাফিতি লেখে এবং ‘প্রতিশোধ’ ও ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দ ব্যবহার করে, যা দখলদারদের ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তির ওপর হামলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি পরিচিত শব্দগুচ্ছ।এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো, যখন গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিম তীরেও দখলদার ও ইসরায়েলি বাহিনীর সহিংসতা বেড়েছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সারের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী ও দখলদারদের হামলায় অন্তত ১ হাজার ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নীতিমালা ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়কে উচ্ছেদ করার পরিবেশ তৈরি করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দায়মুক্তির সংস্কৃতিতে দখলদারদের সহিংসতা জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ও স্থানান্তরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত।তাল গ্রামের বাসিন্দা সালেম ইশতাইয়েহ বলেন, রমজানে রোজাদার ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তার অভিযোগ, দখলদাররা কেবল ব্যক্তি নয়, ইসলামী ধর্মবিশ্বাসকে লক্ষ্য করে উসকানি দিচ্ছে।ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্দেহভাজনদের খুঁজছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের ওপর দখলদারদের হামলার ক্ষেত্রে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কার্যত দায়মুক্তি দিয়ে থাকে।সূত্র: আল-জাজিরাএসআর
    যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড পরিমাণ তুষারপাতে ৫ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল
    যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে স্থানীয় সময় সোমবার একটি বড় ঝড় আঘাত হেনেছে। এতে রেকর্ড পরিমাণ তুষারপাত হয়েছে এবং লাখ লাখ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা জানিয়েছে, রোডে আইল্যান্ড এবং ম্যাসাচুসেটসের কিছু অংশে প্রায় ৩৭ ইঞ্চি (৯৪ সেমি) তুষারপাত হয়েছে, এর মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির সেন্ট্রাল পার্কে ১৯ ইঞ্চিরও বেশি তুষারপাত হয়েছে। খবর বিবিসির।একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছে যে, নিউইয়র্কে ‌ভ্রমণ পরিস্থিতি ‌‌‘প্রায় অসম্ভব’ হয়ে উঠেছে। পূর্ব উপকূলে ৬ লাখের বেশি বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে পড়েছে। যার মধ্যে নিউ জার্সি এবং ম্যাসাচুসেটস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শীতকালীন ঝড়ের সতর্কতা উত্তর ক্যারোলিনা থেকে উত্তর মেইন পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। পূর্ব কানাডার কিছু অংশেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার সকালের দিকে উত্তর-পূর্ব উপকূলরেখার কাছাকাছি কিছু এলাকায় মোট ১ ফুট থেকে ২ ফুট (৬১ সেমি) তুষারপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।আমেরিকার সবচেয়ে ছোট রাজ্য রোডে আইল্যান্ডে ঝড়ের সময় সবচেয়ে বেশি তুষারপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ওই অঙ্গরাজ্যে আঘাত হানা সবচেয়ে ভয়াবহ তুষারঝড় এটি।রোডে আইল্যান্ড এবং পার্শ্ববর্তী কানেকটিকাটে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। পরবর্তীতে ম্যাসাচুসেটসের গভর্নর মাউরা হিলিও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।এইচএ
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করছে ইইউ
    আমেরিকার সঙ্গে গত জুলাইতে যে চুক্তি হয়েছে তা স্থগিত করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইইউ'র সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কনীতির নানা বিষয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেই সামগ্রিক ১০ শতাংশ শুল্ককে ১৫ শতাংশে নিয়ে যান ট্রাম্প। এর পরেই রবিবার ইইউর পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ব্লুমবার্গ নিউজের প্রতিবেদনে এটাই জানা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য-সমঝোতা নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের হয়ে আলোচনা করছেন জেলজোনা জোভকো। তিনি ব্লুমবার্গকে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে আর কোনো পথ নেই। পরিস্থিতির স্পষ্ট ধারণা পেতে সমঝোতা অনুমোদনের প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে, গতকাল সোমবার ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট এই সমঝোতা অনুমোদনের আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত করা হবে। পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির চেয়ারম্যান  জরুরিকালীন বৈঠক ডেকেছেন বলেও জানা গেছে। সেখানে উপস্থিত থাকার কথা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতদের।মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও শুল্ক বাড়লে মানবে না ইইউমার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও শুল্ক বাড়লে মানবে না ইইউ। প্রতিবেদন বলছে, বৈঠকে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য-সমঝোতা নিয়ে আলোচনার জন্যই বৈঠক ডাকা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর তারা কী করবে এই নিয়ে ইউরোপীয় কমিশন ওয়াশিংটনের কাছে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা দাবি করেছে। কমিশন জানিয়েছে, ইইউর ব্যবসায়ীদের আইনি স্বচ্ছতা, বাজারের অনুমানযোগ্যতা জানার অধিকার আছে। এই মুহূর্তের পরিস্থিতিতে সেই সামঞ্জস্য থাকছে না। আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল তাতে দুই পক্ষই লাভবান হতে পারত বলে জানিয়েছে কমিশন। সেই চুক্তির ভবিষ্যত্ কী হবে তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে তারা।এবি 

    বিনোদন

    সব দেখুন
    নানুভাই নেই, রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমণি
    ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি কখনো প্রেম, কখনো বিয়ে কিংবা বিচ্ছেদ; সব নিয়েই থাকে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল। নায়িকার  জন্য এবারের রমজানটা অনেকটা অন্যরকম। জীবনের প্রতিটা বাঁকে ছায়ার মতো পাশে থাকা প্রিয় নানুভাই আজ নেই। আর তাই সেহরি কিংবা ইফতারের সময়গুলো নানুভাইয়ের স্মৃতিতে বড্ড বেশি ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে এই চিত্রনায়িকার জন্য। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ব্যক্তিজীবন, আসন্ন ঈদ এবং ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন পরীমণি।তিনি বলেন, ‘বাসায় মুরুব্বীরা নেই, তাই নানুভাইকে খুব মিস করছি। রোজার দিনে নানুভাইয়ের মেমোরিগুলোই আসলে বেশি মনে পড়ে। কারণ উনার জন্য সেহরি বানানো, ইফতারের আয়োজন করা সবকিছু উনাকে ঘিরেই ছিল আমার। উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন একটা ফিকে ফিকে লাগছে।’ নিজের ইফতার প্রসঙ্গে পরী বলেন, ‘আমি দুধ-কলা-ভাত বেশি পছন্দ করি। ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাওয়া হয় না, শরবত আর খেজুর দিয়েই সেরে ফেলি।’তিনি জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে আলাদা করে কেনাকাটা করার অভ্যাস তার নেই। তবে নিজের চেয়েও ইন্ডাস্ট্রির ভালো থাকাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পরীর ভাষ্যে, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রি এবং আমাদের সিনেমা আমি চাই প্রত্যেকটা সিনেমাই ভালো করুক এবং ব্যবসায় সফল হোক। এখন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটা খুবই দরকার।’নতুন কাজ নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাইলেন না এই নায়িকা। তিনি বলেন, ‘আপাতত যে কাজের জন্য আসছি, সেটাকেই ফোকাস করতে চাই। এখনই ঘটা করে সবকিছু বলে দেওয়ার তাড়া নেই। ইনশাআল্লাহ সামনে আপনাদের সব জানাবো।’এইচএ
    টক্সিকে যশের ভিন্ন চরিত্র, নতুন লুকে চমক
    সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের কমতি নেই। আসন্ন  সিনেমাটির দুটি টিজার প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা, যা দর্শকদের মনে আগ্রহের ছাপ ফেলে দিয়েছে। টিজারগুলোতে  যশের দুটি আলাদা রূপ দেখে  সিনেমাটি নিয়ে যেমন কৌতুহল বেড়েছে, ঠিক তেমনি তার লুক নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনাও।  এর মধ্যেই সদ্য নিজের সিগনেচার দাড়ি কেটে একদম নতুন লুকে হাজির হয়ে ভক্তদের বড়সড় চমক দিয়েছেন এই সুপারস্টার । এদিকে জানা গেছে,  তার এই নতুন লুক  সিনেমারই অংশ। সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া যশের নতুন লুক দেখা যায়, দীর্ঘদিনের  লম্বা চুল ও ঘন দাড়ি ছেড়ে ছোট চুলে  ক্লিন শেভড লুকে হাজির হয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তিনি। সিনেমাটির টিজারে যশকে দুটি আলাদা চরিত্রে দেখা গেছে। একদিকে লম্বা চুল ও দাড়িতে তার চিরচেনা ‘রায়া’ চরিত্র, অন্যদিকে ছোট চুলে একেবারেই তরুণ লুকে ‘টিকিট’ নামের অন্য আরেকটি চরিত্রে।‘রায়া’ চরিত্রের পরিচয় দিতে গিয়ে তাকে কুয়াশার মধ্যে সিগারেট হাতে দেখা গেছে, যেখানে তিনি বলছেন, 'ড্যাডি ইজ হোম'। অন্যদিকে ‘টিকিট’ চরিত্রের পোস্টারে তার রক্তমাখা মুখ সিনেমার অ্যাকশনধর্মী গল্পের ইঙ্গিত দিচ্ছে।কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত এই ছবিটি হিন্দি, তামিল, তেলুগু ও মালায়লাম ভাষায় ডাবিং করে প্রকাশ করা হবে। আগামী ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ বিশ্বজুড়ে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।এইচএ
    মেহজাবীনকে ছাড়ানোর নেপথ্যে কারা? মুখ খুললেন তিশা
    হযরত শাহজালাল (রা.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল বিদেশি মদসহ জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর আটকে হয়েছেন, এমন খবরে নেটদুনিয়া তোলপাড়। এ সময় সামনে এলো আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কাস্টমসের সেই ‘রহস্যজনক’ ছাড়ের নেপথ্যে নাকি প্রভাব খাটিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে এমন তথ্য দিয়েছে। সূত্র জানায়, সম্প্রতি দেশের এক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অফিসে আড্ডায় অংশ নেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। সেখানে কথার প্রসঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরীর এই মদকাণ্ডের বিষয়টি উঠে আসে। আড্ডায় তিশা নিজেই নিশ্চিত করেন যে, মেহজাবীনের মদসহ আটকের ঘটনাটি সম্পূর্ণ সত্যি। সূত্রমতে, বিমানবন্দরে আটকের পর মেহজাবীনের পক্ষ থেকে তিশা-ফারুকীর কাছে ফোনকল আসে এবং তারাই প্রভাব খাটিয়ে অভিনেত্রীকে কাস্টমসের জাল থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করেন বলে আড্ডায় স্বীকার করেন তিশা।প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে বিএস-২১৮ ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন মেহজাবীন, তাঁর স্বামী আদনান আল রাজীব ও নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় কাস্টমসের তল্লাশিতে তাদের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে অ্যালকোহল বহনের দায়ে মামলা হওয়ার বিধান থাকলেও, অদৃশ্য ইশারায় মুচলেকা ছাড়াই তাদের সসম্মানে ছেড়ে দেওয়া হয়। সে সময় জব্দ পণ্যের রসিদ করে বিষয়টি ধামাচাপা দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। প্রটোকল দিতে আসা এভিয়েশন সিকিউরিটির দুই কর্মকর্তাও মুচলেকা দিয়ে জানান, মদের বিষয়ে তারা কিছুই জানতেন না। মদকাণ্ড ও কাস্টমসের ছাড়ের বিষয়টি শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ্যে আসার পর আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক ফেসবুক পোস্টে মুখ খোলেন মেহজাবীন। সেখানে মদের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার বা স্পষ্ট না করলেও তিনি দাবি করেন, ক্যারিয়ারের এই সময়ে তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে।পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছে, এর পেছনে কে বা কারা আছে তা আমার জানা নেই।’ 
    ‘গ্যাংস্টার’ লুকে কলকাতায় শাকিব খান, শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ্যে
    ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাচ্ছে মেগাস্টার শাকিব খানের সিনেমা ‘প্রিন্স ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’এর মধ্যেই সিনেমাটির শুটিং নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঢালিউড সুপারস্টার। গত কয়েক দিন ধরে কলকাতার বেশ কিছু এলাকায় সিনেমাটির দৃশ্যধারণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই শাকিব খানের নতুন  লুকের কিছু ছবি দেখা গেল ভারতীয় বাংলা গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে। ছবিতে শাকিব খানের চরিত্র অনুযায়ী নব্বই দশকের কুখ্যাত গ্যাংস্টার ‘কালা জাহাঙ্গীর’-এর আদলে দেখা গেছে। এলোমেলো চুল, ঘন দাড়ি-গোঁফ এবং বুক খোলা জ্যাকেটের নিচে শার্ট, যেখানে তাকে ভিন্ন এক অবতারে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। কীভাবে একজন সাধারণ মানুষ থেকে তিনি দুর্ধর্ষ গ্যাংস্টার হয়ে ওঠেন সেই  গল্পই উঠে আসবে এই সিনেমায়।গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে হাওড়ার শালিমারের একটি পরিত্যক্ত কারখানায় সিনেমাটির মারপিট বা অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং শুরু হয়।  সেখানে বাইক নিয়ে শাকিব খানের একটি প্রবেশ দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দেয়। কলকাতার এই কাজ শেষ করে পুরো ইউনিটের ভারতের হায়দ্রাবাদে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।অন্যদিকে শাকিব খানের এই সিনেমাটিতে মেগাস্টারের বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। সিনেমার চিত্রগ্রহণে রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘অ্যানিম্যাল’ খ্যাত চিত্রগ্রাহক অমিত রায় এবং শৈলেশ অবস্থী। শ্রীলঙ্কায় প্রথম লটের শুটিং শেষ হওয়ার পর এটি সিনেমার দ্বিতীয় লটের কাজ। এই সিনেমাটি চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    এলপি গ্যাসের দাম ১৫ টাকা কমলো
    দেশের বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে কমানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৫৬ টাকা থেকে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম সহনীয় রাখতে এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ আগাম কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এবার কমানো হলো এলপিজির দাম।একইসঙ্গে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ২৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এমআর-২
    বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ওয়াশিংটনের চিঠির অপেক্ষায় ঢাকা
    যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের রায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) কাঠামো বাতিল এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে নতুন করে ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা এ দুই বিপরীতমুখী সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে বাংলাদেশ সরকার। পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের সাম্প্রতিক রায়ের ফলে বাংলাদেশের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পুনরায় আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কারণ আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল।এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আদালতের রায় সত্ত্বেও সব দেশের জন্য ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছেন।যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আদালতের রায়ের প্রসঙ্গ টেনে বাণিজ্য সচিব মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আদালতের রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্র সব বাণিজ্য অংশীদারের জন্য ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পায়নি। তিনি জানান, গত আগস্টে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে এবং নতুন চুক্তির আওতায় প্রস্তাবিত ১৯ শতাংশ শুল্কহার এখনো কার্যকর হয়নি।চুক্তির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।বাণিজ্য সচিব বলেন, পরবর্তী পরিস্থিতি জানতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে। স্পারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত সব দেশকে ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা করে দেশের জন্য আরও অনুকূল শুল্কহার নিশ্চিত করতে পারবে, যা রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।অন্যদিকে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারাস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকারের করা শুল্ক চুক্তির সময় নির্বাচন নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সময়োচিত নয় এমন সিদ্ধান্ত অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। চুক্তিটি সই না হলে আমাদের আলোচনার সুযোগ আরও বেশি থাকত। এখন আমরা অনিশ্চিত অবস্থায় পড়েছি। অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ব্যক্তি নিজস্ব^ার্থে এ চুক্তি করেছেন এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক সংক্রান্ত এ অস্থিরতা নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের উচিত চুক্তিটি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার সম্ভাব্য পথ খোঁজা। বাণিজ্য চুক্তি আদর্শভাবে এইচএস কোডভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন, যাতে শুল্ক ও কাস্টম সুবিধা স্পষ্ট থাকে। পাল্টা শুল্ক চুক্তিতে স্বভাবগতভাবেই অনিশ্চয়তা থাকে। এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নতুন ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক সব দেশের জন্য প্রযোজ্য হলে বাংলাদেশ বিশেষ কোনো সুবিধা পাবে না, আবার আলাদা কোনো ক্ষতির মুখেও পড়বে না। তিনি বলেন, আগের পাল্টা শুল্ক কাঠামোয় শুল্কহার ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামানোর ভিত্তিতেই চুক্তিটি হয়েছিল। পাল্টা কাঠামো বাতিল হয়ে যাওয়ায় এ চুক্তির কার্যকারিতাও আর থাকছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, যেহেতু চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি, সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করা উচিত ছিল এবং নির্বাচনের ঠিক আগে তড়িঘড়ি করে চুক্তি সই করা ঠিক হয়নি। তিনি আরও বলেন, সাধারণত এ ধরনের চুক্তির কার্যকর তারিখ ও নোট বিনিময়ের মধ্যে ৬০ দিনের সময় থাকে। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্ট্রিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ ধরনের সব চুক্তিই সংসদে অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসও পাল্টা শুল্ক অংশটি অনুমোদন নাও দিতে পারে। বাংলাদেশ কি এই চুক্তি উপেক্ষা করতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভরশীল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুল অবস্থান নিলে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তিনি আরও জানান, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায়ে বলেছেন প্রেসিডেন্টের একতরফাভাবে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা নেই। তবে রায় অনুযায়ী, বিদ্যমান শুল্ক ১৫০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।এবি 
    আরেক দফায় বাড়লো স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার। এইচএ
    দেশের বাজারে বাড়েছে রুপার দাম
    স্বর্ণের সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। এবার ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৭ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে সবশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এদিকে, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে একভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ 
    টানা ২ দফা পতনের পর দাম বেড়েছে স্বর্ণের
    টানা ২ দফা পতনের পর দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০ টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এইচএ 
    ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধান বিচারপতির
    মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় তিনি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুবসহ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় ভাষা আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ ও অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।এর আগে প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি ও জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।পরবর্তীতে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১-দলীয় জোটের নেতারা শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এর ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিন বাহিনীর পক্ষে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ভাষা শহিদদের স্মরণে ফুল দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, এনডিএম, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি, বিজেপি, জেপি, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, জেএসডি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শ্রদ্ধা জানায়। ছাত্রদলের পাশাপাশি ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্রমৈত্রীর নেতাকর্মীরাও শহিদ মিনারে উপস্থিত ছিলেন।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজ এবং জুলাই ঐক্য, প্রথম আলো বন্ধুসভা ও জুলাই মঞ্চ উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই শহিদ মিনার এলাকায় মানুষের ঢল নামে।এইচএ
    ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
    দেশে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৩ দিনে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ বা ২.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গড়ে প্রতিদিন এসেছে ১১ কোটি ১৬ লাখ ডলার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।আরিফ হোসেন জানান, গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ১৯৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স; বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৯০ শতাংশ।এ বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; যা ছিল দেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।  উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।এবি 
    এলপি গ্যাসের দাম ১৫ টাকা কমলো
    দেশের বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে কমানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৫৬ টাকা থেকে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম সহনীয় রাখতে এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ আগাম কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এবার কমানো হলো এলপিজির দাম।একইসঙ্গে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ২৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এমআর-২
    বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ওয়াশিংটনের চিঠির অপেক্ষায় ঢাকা
    যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের রায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) কাঠামো বাতিল এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে নতুন করে ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা এ দুই বিপরীতমুখী সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে বাংলাদেশ সরকার। পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের সাম্প্রতিক রায়ের ফলে বাংলাদেশের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পুনরায় আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কারণ আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল।এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আদালতের রায় সত্ত্বেও সব দেশের জন্য ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছেন।যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আদালতের রায়ের প্রসঙ্গ টেনে বাণিজ্য সচিব মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আদালতের রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্র সব বাণিজ্য অংশীদারের জন্য ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পায়নি। তিনি জানান, গত আগস্টে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে এবং নতুন চুক্তির আওতায় প্রস্তাবিত ১৯ শতাংশ শুল্কহার এখনো কার্যকর হয়নি।চুক্তির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।বাণিজ্য সচিব বলেন, পরবর্তী পরিস্থিতি জানতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে। স্পারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত সব দেশকে ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা করে দেশের জন্য আরও অনুকূল শুল্কহার নিশ্চিত করতে পারবে, যা রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।অন্যদিকে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারাস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকারের করা শুল্ক চুক্তির সময় নির্বাচন নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সময়োচিত নয় এমন সিদ্ধান্ত অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। চুক্তিটি সই না হলে আমাদের আলোচনার সুযোগ আরও বেশি থাকত। এখন আমরা অনিশ্চিত অবস্থায় পড়েছি। অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ব্যক্তি নিজস্ব^ার্থে এ চুক্তি করেছেন এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক সংক্রান্ত এ অস্থিরতা নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের উচিত চুক্তিটি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার সম্ভাব্য পথ খোঁজা। বাণিজ্য চুক্তি আদর্শভাবে এইচএস কোডভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন, যাতে শুল্ক ও কাস্টম সুবিধা স্পষ্ট থাকে। পাল্টা শুল্ক চুক্তিতে স্বভাবগতভাবেই অনিশ্চয়তা থাকে। এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নতুন ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক সব দেশের জন্য প্রযোজ্য হলে বাংলাদেশ বিশেষ কোনো সুবিধা পাবে না, আবার আলাদা কোনো ক্ষতির মুখেও পড়বে না। তিনি বলেন, আগের পাল্টা শুল্ক কাঠামোয় শুল্কহার ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামানোর ভিত্তিতেই চুক্তিটি হয়েছিল। পাল্টা কাঠামো বাতিল হয়ে যাওয়ায় এ চুক্তির কার্যকারিতাও আর থাকছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, যেহেতু চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি, সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করা উচিত ছিল এবং নির্বাচনের ঠিক আগে তড়িঘড়ি করে চুক্তি সই করা ঠিক হয়নি। তিনি আরও বলেন, সাধারণত এ ধরনের চুক্তির কার্যকর তারিখ ও নোট বিনিময়ের মধ্যে ৬০ দিনের সময় থাকে। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্ট্রিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ ধরনের সব চুক্তিই সংসদে অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসও পাল্টা শুল্ক অংশটি অনুমোদন নাও দিতে পারে। বাংলাদেশ কি এই চুক্তি উপেক্ষা করতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভরশীল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুল অবস্থান নিলে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তিনি আরও জানান, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায়ে বলেছেন প্রেসিডেন্টের একতরফাভাবে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা নেই। তবে রায় অনুযায়ী, বিদ্যমান শুল্ক ১৫০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।এবি 
    আরেক দফায় বাড়লো স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার। এইচএ
    দেশের বাজারে বাড়েছে রুপার দাম
    স্বর্ণের সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। এবার ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৭ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে সবশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এদিকে, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে একভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ 
    টানা ২ দফা পতনের পর দাম বেড়েছে স্বর্ণের
    টানা ২ দফা পতনের পর দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০ টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এইচএ 

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    আর্থিক সংকটে অনিশ্চিত ভর্তি, ছাত্রদল নেতার সহায়তায় মুনায়েমের স্বপ্নপূরণ
    আর্থিক সংকটের কারণে উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ মুনায়েম ইসলামের পাশে দাঁড়িয়েছেন ছাত্রদল নেতা কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি বাসিত মুনায়েম ইসলামের ভর্তি সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করেন। ফলে মেধাবী এই শিক্ষার্থীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে যেখানে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সেখানে মানবিক সহায়তায় নতুন আশার আলো দেখেন মুনায়েম।লালমনিরহাট জেলার সন্তান মোঃ মুনায়েম ইসলাম ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে প্রথম মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করেন। মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করলেও পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে তার ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। পরিবারে সীমিত আয়ের কারণে ভর্তি ফি ও অন্যান্য ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রনেতা বাসিত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার দায়িত্ব নেন এবং ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সহায়তা করেন।গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা আমিরুল ইসলাম বাবু, মোঃ রাসেল মিয়া, মিনহাজুল আলম, ইয়াসির আরাফাত, সোলাইমান খান সাগর ও ইমরান হোসেনের উপস্থিতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর মোঃ মুনায়েম ইসলাম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়ার এই সহযোগিতা তার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।তিনি বলেন, সহযোগিতা না পেলে তার পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে মানবিক সেবার মাধ্যমে এই সহায়তার প্রতিদান দিতে চান বলেও জানান তিনি।ইখা
    উপাচার্য-ট্রেজারার বদল হলে জবির অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে: শিক্ষক সমিতি
    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনের উচ্চপদে কোনো রদবদল হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য ও ট্রেজারার নিয়োগ দিতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। জবির বাইরের কাউকে এ পদে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে উপ-উপাচার্যের পদ সৃষ্টির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় শিক্ষক সমিতির লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ইমরানুল হক।লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৫ সালে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ পাসের মাধ্যমে জগন্নাথ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, গণতান্ত্রিক চেতনার ধারক।তিনি দাবি করেন, ২০০৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অধ্যাপকদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের স্বকীয়তা ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান, যা স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে উল্লেখ করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে—আবাসন সংকটের স্থায়ী সমাধান, আবাসন বৃত্তি চালু, কেরাণীগঞ্জে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন, গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষা চালু, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) বাস্তবায়ন, গবেষণা বাজেট বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন।শিক্ষক সমিতি জানায়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় পূর্বের ন্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য ও ট্রেজারার নিয়োগ দিতে হবে। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা নেতৃত্বই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩৮টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউট থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে উপ-উপাচার্যের পদ সৃষ্টির দাবি জানান সমিতির নেতারা।শিক্ষক সমিতি আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু সিনিয়র ও যোগ্য অধ্যাপক রয়েছেন। তাঁদের দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করা উচিত। রাজধানীতে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এখনো কাঙ্ক্ষিত মর্যাদা পায়নি বলেও মন্তব্য করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতি ঘোষণা দেয়, প্রশাসনের উচ্চপদে পরিবর্তন এলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বাইরের কোনো ব্যক্তিকে উপাচার্য বা ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন সমিতির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    জুনিয়র বৃত্তি পাচ্ছে ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী
    চলতি সপ্তাহেই জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার এ বৃত্তি পাবে ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী। তাদের ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির জন্য কোটা বরাদ্দ করা হয়েছে। বোর্ড ভিত্তিক এ বৃত্তি বণ্টন করা হবে।মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইংয়ের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।মেধাবৃত্তিপ্রাপ্তরা বছরে এককালীন ৫৬০ টাকা ও মাসে ৪৫০ টাকা পাবে, আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা বছরে ৩৫০ টাকা ও মাসে ৩০০ টাকা পাবে। এই সুবিধা আগামী দুই বছর দেয়া হবে।এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। ফল প্রক্রিয়া করছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।এইচএ
    ঢাবির প্রশ্নে হাদির উক্তি ‘জান দেব, তবু জুলাই দেব না’
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শ্রেণির এক পরীক্ষায় শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে নিয়ে প্রশ্ন এসেছে। ওসমান হাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বিভাগেরই শিক্ষার্থী ছিলেন। গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টারের ‘পলিটিক্স অ্যান্ড ল: গ্লোবাল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনস, ইন্সট্রুমেন্টস অ্যান্ড ইস্যুজ’ শীর্ষক কোর্সের চূড়ান্ত পরীক্ষায় এ প্রশ্ন করা হয়।প্রশ্নপত্রের একটি অংশে ওসমান হাদির দুটি উক্তি - ‘জান দেবো, তবু জুলাই দেবো না’ এবং ‘আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই’ এর ভিত্তিতে মানবাধিকারের পক্ষে তার সংগ্রাম ব্যাখ্যা করতে বলা হয়।একই পরীক্ষায় ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন রাখা হয়। সেখানে জানতে চাওয়া হয়, একটি ‘সিস্টেমেটিক টুল’ হিসেবে ‘আয়নাঘর’ কীভাবে স্বৈরতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল।কোর্সটি পড়ান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠদানে সমসাময়িক বিষয়গুলো উপেক্ষিত থাকার প্রবণতা রয়েছে। জুলাই বিপ্লব, আয়নাঘর, শহীদ ওসমান হাদির আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরোধ সংগ্রাম এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ইনসাফের ধারণা, এসব বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে গবেষণা শুরু হয়েছে। অথচ দেশে এ নিয়ে একাডেমিক আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম।অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম বলেন, এসব বিষয়কে একাডেমিক ডিসকোর্সের আওতায় এনে শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণায় উৎসাহিত করাই তার উদ্দেশ্য।তিনি আরও জানান, চলতি বছর ও গত বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থীই জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক ছিলেন। তাদের অনেক সহযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কারও দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। এসব শিক্ষার্থীর নিজেদের তৈরি ইতিহাস নিয়ে একাডেমিক চর্চা করার অধিকার রয়েছে। গত বছরও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের একই কোর্সের পরীক্ষায় জুলাই বিপ্লব নিয়ে প্রশ্ন এসেছিল। সে সময়ও বিষয়টি আলোচনার জন্ম দেয়। ওসমান হাদি ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগেরই ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।এইচএ 

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবে
    কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে গুগল। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন আসল ছবি বা ভিডিও আর এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। গুগলের জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে এখন সহজেই জানা যাবে কোনো ছবি বা ভিডিও গুগলের এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডির মাধ্যমে, যা এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন সংযুক্ত করে।কীভাবে যাচাই করবেন এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট, ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো— জেমিনি অ্যাপে প্রবেশ: প্রথমে জেমিনি অ্যাপটি চালু করুন। এই যাচাই সুবিধা বর্তমানে সমর্থিত সব ভাষা ও দেশে চালু রয়েছে। সঠিক ফল পেতে অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। কনটেন্ট আপলোড: যে ছবি বা ভিডিও যাচাই করতে চান, সেটি সরাসরি জেমিনি অ্যাপে আপলোড করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ এবং ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ফাইল আপলোড করা যাবে। ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মেসেজিং অ্যাপের মতোই সহজ।ফাইল আপলোডের পর জেমিনিকে সরাসরি প্রশ্ন করুন—‘এটি কি গুগল যাচাই দিয়ে তৈরি?’ অথবা ‘এই কনটেন্টটি কি যাচাই -জেনারেটেড?’ স্বাভাবিক ও কথোপকথনের ভঙ্গিতেই প্রশ্ন করা যাবে, কারণ জেমিনি বিভিন্নভাবে করা প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম।এরপর জেমিনি আপলোড করা কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না তা স্ক্যান করে জানাবে। ভিডিওর ক্ষেত্রে অডিও ও ভিজ্যুয়াল উভয় অংশেই এই শনাক্তকরণ করা হয়। প্রয়োজনে জেমিনি নির্দিষ্ট করে জানাবে ভিডিওর কোন অংশে এআই-তৈরি উপাদান রয়েছে।কীভাবে কাজ করে সিনথআইডি:সিনথআইডি প্রযুক্তি এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরির সময়ই তাতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে। এটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই ওয়াটারমার্ক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রপ করা, ফিল্টার দেওয়া, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ: ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে গুগল ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করেছে।এইচএ
    বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
    হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ জালিয়াতি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের
    পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জনবল নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে ২ মাসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক রিট শুনানির পর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।এর আগে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে জনবল নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণা ও স্বজনপ্রীতির নজিরবিহীন অভিযোগ তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ জালিয়াতি সংক্রান্ত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিট দায়ের করা হয়।‘মোটা অঙ্কের ঘুষে বড় পদ, জাল সনদে স্থায়ী চাকরি’শিরোনামে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও স্পর্শকাতর প্রকল্প। গুরুত্ব বিবেচনায় এখানে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও মেধাবী জনবল নিয়োগ হওয়ার কথা থাকলেও ঘটেছে উল্টোটা। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও ভারতের আশীর্বাদপুষ্ট এবং মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে বসানো হয়েছে দেশবিরোধী, অসৎ ও অদক্ষদের।এমনকি জাল সনদে স্থায়ী করা হয়েছে চাকরি। প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য গঠিত নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডে (এনপিসিবিএল) জনবল নিয়োগে এমন বেপরোয়া অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণা ও স্বজনপ্রীতির নজিরবিহীন অভিযোগ পাওয়া গেছে।এইচএ

    প্রবাস

    সব দেখুন
    ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু
    ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদারীপুরের যুবক বেল্লাল বেপারী (৩২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নিহতের পরিবার। নিহত বেল্লাল ডাসার উপজেলার পূর্ব খান্দুলী এলাকার ইউনুস বেপারীর ছেলে।নিহতের চাচাতো ভাই বিএম রতন বেপারী জানান, সংসারের হাল ধরার জন্য প্রায় নয় মাস আগে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পথে ইতালিতে পাড়ি জমান বেল্লাল। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ইতালির মিলানো শহরে সড়কে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভটকারের চাপায় গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ৫ দিন পর সোমবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।এদিকে ইতালিতে বেল্লাল বেপারীর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে তার পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ পরিবার।এ ব্যাপারে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খুবই বেদনাদায়ক। নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।এবি 

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজায় কি পরিমাণ টকদই খাবেন
    রমজানে ইফতার অথবা সেহরিতে টকদই অনেকেরই পছন্দের তালিকায়। হালকা কিংবা ভারী এ খাবারটি শুধু স্বাদের জন্য নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও বেশ উপকারী। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে টকদই খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।টকদইয়ে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন এবং বিভিন্ন ভিটামিন থাকে, যা শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত টকদই খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে।এক গবেষণায় বলা হয়েছে, নিয়মিত দই খাওয়ার অভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে খুবই কার্যকর। টকদই একটি ফার্মেন্টেড খাবার, যাতে প্রোবায়োটিক থাকে। দেখা গেছে, নিয়মিত দই খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমতে পারে। ফলে ইনসুলিন কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে না।দইয়ের উপকারিতা: টকদইয়ের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী। কম জিআই খাবার ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজ ছাড়ে, ফলে হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এতে থাকা প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। ক্যালসিয়াম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন শরীরকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।কতটা টকদই খাবেন দিনে: প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম বা এক কাপের মতো টকদই খাওয়া যেতে পারে। এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তবে বেশি মিষ্টি বা ফ্লেভারযুক্ত দই এড়িয়ে চলা ভালো।নিয়মিত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে টকদই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। ছোট একটি খাদ্যাভ্যাসই  বড় উপকার এনে দিতে পারে।এইচএ

    Loading…