এইমাত্র
  • গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ জয় পেলে ‘হ্যাঁ’
  • তারেক রহমানকে ভাই সম্বোধন করে মমতার অভিনন্দন
  • দ্রুত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস ইসির
  • দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ
  • নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট জামায়াত
  • আলোচনায় থেকেও পরাজিত হলেন যারা
  • ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত ২টি
  • ছুটি শেষে যেদিন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
  • ‘সব আশঙ্কা কাটিয়ে ঈদের উৎসবের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জনগণ’
  • জুলাই সনদে যা যা সই করেছি, সব পূরণ করবো: মির্জা ফখরুল
  • আজ শুক্রবার, ৩০ মাঘ, ১৪৩২ | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত ২টি
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুটি আসনের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে। আজ (শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপণী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২৯৭টি আসনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি দুই আসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে। ঘোষিত ফলাফলের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা কার্যক্রমের সমাপ্তি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সমাপনী বক্তব্যে আখতার আহমেদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবার সহযোগিতা ও ধৈর্যের মধ্য দিয়ে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই ধৈর্যের পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।এর আগে, গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভোটের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখার বিষয়ে তিনটি পৃথক চিঠি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই চিঠিগুলোতে বলা হয়েছিল, আদালতে মামলা চলমান থাকায় এসব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে না। তবে এরই মধ্যে শেরপুর-২ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আপাতত এ আসনের গেজেট না প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।এইচএ
    গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ জয় পেলে ‘হ্যাঁ’
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২৫ লাখের বেশি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ তথ্য জানিয়েছে। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯। আর ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৭২৭।গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের সাড়ে ৬ ঘণ্টায় ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে সংসদ নির্বাচনের ভোটের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এইচএ

    জাতীয়

    সব দেখুন
    তারেক রহমানকে ভাই সম্বোধন করে মমতার অভিনন্দন
    বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর একটায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে, জনগণকে, জানাই আমার ‘শুভনন্দন’, আমার আগাম রমজান মোবারক। বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেক ভাইকে, তার দল ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন।’তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের সঙ্গে সবসময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।’এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে মোদি লিখেছেন, আমি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুস্পষ্ট জয়ের পথে বিএনপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। মোদি বলেন, এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।  বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অগ্রসর করতে আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রইলাম। এইচএ
    গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ জয় পেলে ‘হ্যাঁ’
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২৫ লাখের বেশি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ তথ্য জানিয়েছে। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯। আর ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৭২৭।গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের সাড়ে ৬ ঘণ্টায় ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে সংসদ নির্বাচনের ভোটের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এইচএ
    দ্রুত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস ইসির
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। গণনা শেষে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রেক্ষিতে দ্রত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিব আখতার আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।তিনি বলেন, ‘দ্রত সময়ের মধ্যে গ্যাজেট প্রকাশ করা হবে। রিটার্নিং অফিসারের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নেয়ার পরই নির্ভুলভাবে গ্যাজেট প্রকাশ করবে ইসি।’আখতার আহমেদ বলেন, ‘কে শপথ পড়াবেন সেটি বলার এখতিয়ার ইসির নেই।’ এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, গতকাল অনুষ্ঠিত ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের ফল চূড়ান্ত করে আজ গেজেট আকারে প্রকাশ করার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ২টি আসনের (চট্টগ্রাম-২ ও ৪) ফল ঘোষণা স্থগিত থাকবে বলে আগেই জানিয়েছিল কমিশন।নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, সারাদেশে ২৯৯টি আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিক গণনা শেষে কমিশন নিশ্চিত হয়েছে যে, এবারের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।এইচএ
    তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা চীনের
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকাস্থ চীন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাদের অফিসিয়াল পেজে এ অভিনন্দন বার্তা দেয়।জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।চীন জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনার প্রত্যাশা রাখছে।গতকাল বৃহস্পতিবার সারাদেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ২১০টি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বিএনপি।এরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ বিশ্বনেতারা তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠাতে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রও ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুদেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।এরই ধারাবাহিকায় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এলো অভিনন্দন বার্তা।এইচএ
    ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত ২টি
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুটি আসনের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে। আজ (শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপণী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২৯৭টি আসনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি দুই আসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে। ঘোষিত ফলাফলের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা কার্যক্রমের সমাপ্তি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সমাপনী বক্তব্যে আখতার আহমেদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবার সহযোগিতা ও ধৈর্যের মধ্য দিয়ে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই ধৈর্যের পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।এর আগে, গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভোটের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখার বিষয়ে তিনটি পৃথক চিঠি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই চিঠিগুলোতে বলা হয়েছিল, আদালতে মামলা চলমান থাকায় এসব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে না। তবে এরই মধ্যে শেরপুর-২ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আপাতত এ আসনের গেজেট না প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।এইচএ
    তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জয়ে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নির্বাচনি বিজয়ের জন্য তারেক রহমান ও বিএনপিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই বিজয় গণতন্ত্রেরই বিজয়। নানা চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময় অতিক্রম করার পর বাংলাদেশের জনগণ ব্যালট বাক্সে তাদের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন।এই গুরুত্বপূর্ণ উত্তরণকালে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য ‘প্রিয় বন্ধু’ মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম।আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করে মালয়েশিয়া–বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করতে কুয়ালালামপুর আগ্রহী। তিনি মালয়েশিয়ার জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।এইচএ
    ‘সব আশঙ্কা কাটিয়ে ঈদের উৎসবের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জনগণ’
    গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সব ধরনের আশঙ্কা কেটে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্ত ভিত্তি পেয়েছে।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভবনে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সানাউল্লাহ বলেন, ‘১৩ ফেব্রুয়ারির সকালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ সকাল হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এই নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের একমাত্র অঙ্গীকার ছিল আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষ থাকা এবং একটি স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কোথাও কোনো ত্রুটি হয়ে থাকলে তা অনিচ্ছাকৃত। নির্বাচনকে কমিশন কেবল সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং একটি আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছিল।দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, ভোটাররা ঈদ উৎসবের মতো পরিবেশে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দিয়েছেন। এতে নির্বাচন ঘিরে যে শঙ্কা ছিল, তা দূর হয়েছে। জাতি হিসেবে বাংলাদেশ আজ বিজয়ী।নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিএনসিসির শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান নির্বাচন কমিশনার।এইচএ 
    তারেক রহমানকে শুভেচ্ছাবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এ শুভেচ্ছাবার্তা জানানো হয়।এতে বলা হয়, একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সাথে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন হয়েছে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এইচএ 

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    এই বিজয় গণতন্ত্র-বাংলাদেশের: মাহদী আমিন
    এই বিজয় গণতন্ত্রের, এই বিজয় বাংলাদেশের বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশামাফিক জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করবে বিএনপি। বাংলাদেশ সব শহীদের মায়ের স্বপ্নের এক দেশ হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র।আজ দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২ আসন। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭ আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্যরা পেয়েছে ৮টি আসন।এইচএ
    এই বিজয় গণতন্ত্র-বাংলাদেশের: মাহদী আমিন
    এই বিজয় গণতন্ত্রের, এই বিজয় বাংলাদেশের বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশামাফিক জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করবে বিএনপি। বাংলাদেশ সব শহীদের মায়ের স্বপ্নের এক দেশ হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র।আজ দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২ আসন। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭ আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্যরা পেয়েছে ৮টি আসন।এইচএ
    দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বিজয়ী হয়েছেন। মাসউদ ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসেবে দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি হলেন হান্নান মাসউদ।  আবদুল হান্নান মাসউদ ছাত্রনেতা ও ২০২৪ কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক।  তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির মনোনয়নে নোয়াখালী-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি ৯০ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৩৭২ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৪ জন। মোট প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫১। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯২৫ জন, না ভোট দিয়েছেন ৫৩ হাজার ২৪৮ জন। এইচএ
    নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট জামায়াত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে নিজেদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮ টায় দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে পোস্টের মাধ্যমে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।এতে বলা হয়, প্রিয় দেশবাসী, সারাদিন অত্যন্ত ইতিবাচক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিপুল সংখ্যায় ভোট প্রদান করার জন্য আমরা আপনাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট নই।এ নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তুলে বলা হয়, বিভিন্ন আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের অল্প ব্যবধানে ও সন্দেহজনকভাবে পরাজিত হওয়া, বেসরকারি ফলাফল ঘোষণায় বারবার অসঙ্গতি ও গড়মিল, নির্বাচন কমিশনের ভোটার উপস্থিতির হার প্রকাশে অনীহা এবং প্রশাসনের একটি অংশের বড় একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত। এসব বিষয় ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।১১-দলীয় জোট তাদের নেতাকর্মীদেরকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান-ও জানিয়েছে। দলটি বলেছে, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ন্যায়বিচারের জন্য আমাদের সংগ্রাম ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে।এইচএ
    আলোচনায় থেকেও পরাজিত হলেন যারা
    অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ১৮ মাস পর অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে অনেক আসনে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ মুহূর্তে পরাজয় বরণ করেছেন বিভিন্ন দলের অনেক প্রার্থী। এসব প্রার্থীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় সবচেয়ে আলোচনায় ছিল রাজধানীর ঢাকা-৮ আসন। এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্রচারণার সময় বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় আসেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মির্জা আব্বাসের সমালোচনা করে এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করে দেশের মানুষের মন কেড়ে নেন তিনি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ভোররাত ৪টার দিকে এ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে দেশের নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচনায় থাকা ঢাকা-৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পাঁচ হাজার ভোটে হারিয়ে মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সারজিস আলম: জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় ছিলেন সারজিস আলম। হেরে গিয়েও রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সারজিস আলম। পঞ্চগড়-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান। ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সম্পাদক সারজিস আলম শাপলাকলি প্রতীকে পান ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। তাসনীম জারা: জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে ক্লিন ইমেজের অধিকারী এনিসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনীম জারা বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় ছিলেন। তবে জামায়াত জোটে এনসিপি প্রবেশ করায় তিনি পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। ঢাকা-৯ আসনে হাবীবুর রহমানের বিপক্ষে পরাজয় বরণ করেন তাসনীম জারা। এ আসনে তিনি ফলাফলের দিক থেকে তিন নম্বরে ছিলেন।মামুনুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত মাওলানা মামুনুল হকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। এ আসনে আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের নেতা মামুনুল হক। আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীকে বিনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। অপরদিকে ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট পেয়েছেন মামুনুল হক। তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩২০। যদিও ভোর রাতে মাওলানা মামুনুল হক নির্বাচনের ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন। আমিনুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন আমিনুল হক। তিনি বিগত সময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন সরব। জেল-জুলম নির্যাতনের পাশাপাশি জনপ্রিয়তার কারণে জয়ের ব্যাপারে ছিলেন আশাবাদী। তবে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে তিনি পরাজিত হন। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন মোট ভোট পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৩টি। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন মোট ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট। মিয়া গোলাম পরওয়ার: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। হেবিওয়েট হয়েও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া–ফুলতলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি) এর নিকট ২ হাজার ৭০২ ভোটে পরাজিত হন। ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ২ হাজার ৭০২।মোহাম্মদ শিশির মনির: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে সবেচেয়ে ক্লিন ইমেজ ও জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও হেরে গিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জৌষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির। নেটিজেনদের ধারণা ছিল জামায়াতের একজন প্রার্থী জয় হলে সেটি হবে শিশির মনির। কিন্তু বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে ৩৯ হাজার ৯৩২ ভোট বেশি পেয়ে বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী জয় লাভ করেছেন। বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। হামিদুর রহমান আজাদ: কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতবদিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ হেরে গেছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ৩৫ হাজার ৬২৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১২৪ কেন্দ্রের ফলাফলে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট।জিএম কাদের: রংপুর-৩ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)। তিনি পেয়ছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। আর লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট।মাহমুদুর রহমান মান্না: বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি। কেটলি প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা মাত্র ৩ হাজার ৪২৬। ফলে তিনি জামানত হারিয়েছেন। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট পেয়েছেন। হারুনুর রশীদ হারুন: বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নুরুল ইসলাম বুলবুল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট।
    জুলাই সনদে যা যা সই করেছি, সব পূরণ করবো: মির্জা ফখরুল
    রাষ্ট্র সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি জাতীয় জুলাই সনদে যা যা সই করেছে, তার সবগুলো পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই কথা জানান তিনি। ফখরুল বলেন, ‘বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় জনগণের ভালোবাসা। বিএনপি জনগণের দল। বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। জুলাই সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট শাসনের ফলে জামায়াতের উত্থান হয়েছে। যখনই গণতন্ত্র চাপা থাকে, তাকে যখন আটকে দেয়া হয়, তার কণ্ঠরোধ করা হয়, তখন অন্য উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকে এবং সেটাই এই দেশে ঘটেছে। যেখানে আজকে যেটুকু উত্থান হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর, এর কারণ আওয়ামী লীগ। তাদের দমন-নিপীড়নমূলক শাসন, বিরোধী দলকে ফাংশন করতে না দেয়া এবং নির্বাচন করতে না দেয়ার ফলে আজকে এটা হয়েছে।’ বাংলাদেশের মানুষ জামায়াতকে এরইমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়েছে। জনগণ তাদের আবারো সুষ্ঠু, সৎ এবং কল্যাণমূলক রাজনীতির মধ্যে দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি সবসময় দেয়া কথায় অটল থাকে। ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে যারা রাস্তায় যুগপৎ আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি এবং তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকার গঠন করব।’ সংস্কারের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপির দেয়া ৩১ দফাকে বিস্তৃত করবো। এরইমধ্যে সংস্কার কমিশনে আমরা অনেকগুলো জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, এগুলোই আমাদের সামনে আসবে। আমরা জুলাই সনদে যা যা সই করেছি, সেগুলো আমরা সবগুলো পূরণ করব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই যেমন আনন্দে রয়েছি, তেমনি আমাদের দুঃখও-বেদনা রয়েছে। দীর্ঘকালের আমাদের নেত্রী, যিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন গণতন্ত্রের জন্য, অধিকারের জন্যে, তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন—এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের ব্যাপার।’এইচএ
    বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠাতে আর বাধা নেই
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা ৪ দিনের জন্য সীমিত করা হয়েছিল। ফলে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠাতে পারেননি। ফলে টাকা পাঠাতে গিয়ে অনেক গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েন। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে এসব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর থাকবে। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর বন্ধ থাকবে।আরও বলা হয়, সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা কার্যকর থাকবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো যাবে এবং দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০টিতে সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন চলবে। এছাড়া এমএফএসের মাধ্যমে অন্যান্য সব ধরনের লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।নির্বাচন উপলক্ষে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রতিটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া নির্ধারিত সময়ে সব ধরনের লেনদেনের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি (ক্লোজ মনিটরিং) চালানো হবে। সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ সময় পি-টু-পি ইন্টারনেট (আইবিএফটির মাধ্যমে লেনদেন) ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী এমএফএস ও ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলে স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে বলে জানানো হয়।এমআর-২
    ঢাকা-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম। তিনি ৮২ হাজার ২৩২ ভোট পেয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই ফলাফল পাওয়া যায়। এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে।এবারের নির্বাচনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই রেকর্ডসংখ্যক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল এই নির্বাচনি লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন; যার মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৪ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮০ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এইচএ

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    ঢাকা -৭ আসনে বিএনপির হামিদুর বিজয়ী
    ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)  সকাল পৌনে ছয়টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ কার্যালয়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।ঢাকা-৭ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৬১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৬টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৭৫টি।এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ হাজার ৫১৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ৫ হাজার ৮১ ভোট এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বটগাছ প্রতীকে ২ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়েছেন।পিএম
    ঢাকা-১৩: ৬৫ কেন্দ্রের ফলাফলে ২,৩৫১ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল, এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ২,৩৫১ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৬৫ টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৯১ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৪০ভোট।এসআর
    ঢাকা-১৩ : ৫৮ কেন্দ্রের ফলাফলে ৩৩১ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ৩৩১ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৫৮টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৬৪ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৩৩ ভোট।ইখা
    ঢাকা-১৩ : ৪৯ কেন্দ্রের ফলাফলে ১৭০ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল, এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ১৭০ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৪৯টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪৫৬ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৮৬ ভোট।ইখা
    ঢাকা-১৩ : ৩৭ কেন্দ্রে ৬৭৪ ভোটে মামুনুলের চেয়ে এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ৬৭৪ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে ৩৭টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ২১ হাজার ৯৯২ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ২১ হাজার ৩১৮ ভোট।ইখা
    চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ধানের শীষকে হারিয়ে জয়ী দাঁড়িপাল্লার রুহুল আমিন
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন। তিনি বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ও বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন।নির্বাচনের মোট ১৭৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ২,১০,১১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১,৬৩,২৯৯ ভোট। (নোট: আপনার দেওয়া তথ্যে ৪৬,৮১২ ভোটের ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে)।এনআই
    মহেশপুরে দুর্বৃত্তদের হামলা, প্রেসক্লাব কার্যালয়ে ভাঙচুর-লুটপাট
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় প্রেসক্লাব কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত 'প্রেসক্লাব মহেশপুর' কার্যালয়ে এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।প্রেসক্লাব সূত্রে জানা গেছে, রাতে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। দুর্বৃত্তরা অফিস কক্ষের আসবাবপত্র তছনছ করে এবং আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে একটি ল্যাপটপ, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। হামলার সময় কার্যালয়ে কেউ উপস্থিত ছিলেন না।ঘটনার কিছু সময় পর স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দকে খবর দেন। পরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাংবাদিকেরা সেখানে গিয়ে ভাঙচুরের তাণ্ডব দেখতে পান। এ সময় কার্যালয়ের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রেসক্লাবের সভাপতি সরোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, "সাংবাদিকদের সংগঠনের ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে হামলা নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাত।" নেতৃবৃন্দ দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, "আমরা বিষয়টি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"ঘটনার পর মহেশপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করে, স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।এনআই
    কুষ্টিয়ায় ৪টি আসনের তিনটিতে জামায়াত ও ১টিতে বিএনপি জয়ী
    কুষ্টিয়ার চারটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী এবং একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন।এর মধ্যে কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনে বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীকে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দীন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ হাজার ভোট।রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা এর আগেও বিএনপির থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার পিতা প্রয়াত আহসানুল হক পচা মোল্লা ও এ আসনের একাধিকবার নির্বাচিত এমপি এবং বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।এদিকে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে প্রায় ৪৬ হাজার ৫৩৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর।  দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনের মোট ১৭০ টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রতীক রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট।আব্দুল গফুর এর আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আলোচিত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মুফতি আমির হামজা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৫৩ হাজার ৭৮১ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪২ টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আমির হামজা ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন সরকার ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়েছেন। কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৫ হাজার ৯৫০ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ১৫২ টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬ ভোট। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬ ভোট।এসআর
    নড়াইলে একটিতে ধানের জাহাঙ্গীর, অন্যটিতে জামায়াতের বাচ্চু
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইলের দুটি সংসদীয় আসনের ফলাফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। একটিতে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এবং অন্যটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।নড়াইল-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ কায়সার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আজিজ হাতপাখা প্রতীকে ৬ হাজার ৩৫২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম সাজ্জাদ হোসেন ফুটবল প্রতীকে ৮৯৮ ভোট, বিএম নাগিব হোসেন কলস প্রতীকে ১ হাজার ১১৩ ভোট, মো. উজ্জল মোল্যা হরিণ প্রতীকে ২৩০ ভোট, সুকেশ সাহা আনন্দ ঘোড়া প্রতীকে ৮৬৪ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মিল্টন মোল্যা লাঙ্গল প্রতীকে ৪৬১ ভোট পেয়েছেন।নড়াইল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম কলস প্রতীকে ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ লাঙ্গল প্রতীকে ৬৮৮ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে ৪ হাজার ৭২৯ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মনোনীত প্রার্থী লায়ন নূর ইসলাম ট্রাক প্রতীকে ৩৩৯ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শোয়েব আলী ছড়ি প্রতীকে ২২০ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন জাহাজ প্রতীকে ২১৯ ভোট পেয়েছেন।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে নড়াইল-১ আসনে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও নড়াইল-২ আসনে আতাউর রহমান বাচ্চুর নাম ঘোষণা করেন। এ জেলার দুটি আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।এনআই
    কুষ্টিয়ায় ৪টি আসনের ৩টিতে জামায়াত ও একটিতে বিএনপি জয়ী
    কুষ্টিয়ার ৪টি আসনের মধ্যে ৩টি আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী এবং একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন।এর মধ্যে কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনে বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীকে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দীন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ হাজার ভোট।রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা এর আগেও বিএনপির থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার পিতা প্রয়াত আহসানুল হক পচা মোল্লা ও এ আসনের একাধিকবার নির্বাচিত এমপি এবং বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।এদিকে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে প্রায় ৪৬ হাজার ৫৩৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর।  দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনের মোট ১৭০ টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রতীক রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট।আব্দুল গফুর এর আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।  কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আলোচিত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মুফতি আমির হামজা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৫৩ হাজার ৭৮১ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪২ টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আমির হামজা ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন সরকার ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়েছেন। কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৫ হাজার ৯৫০ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ১৫২ টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬ ভোট। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬ ভোট।এইচএ 
    চট্টগ্রামে বিএনপির নিরঙ্কুশ আধিপত্য, দক্ষিণে জামায়াতের অপ্রত্যাশিত উত্থান
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বাকি দুইটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ফলাফল বিশ্লেষণে স্পষ্ট, চট্টগ্রামে এবারের নির্বাচন কার্যত বিএনপির একক আধিপত্যের চিত্র তুলে ধরেছে, তবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের দুটি আসনে জামায়াতের জয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নগর ও জেলা মিলিয়ে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১ হাজার ৯৬৫টি, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় ৫৮টি কম। নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দিনভর ভোটগ্রহণ মোটামুটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্পন্ন হয়েছে।চট্টগ্রামের সংসদীয় মানচিত্র অনুযায়ী, তিনটি আসন পুরোপুরি মহানগর এলাকায় অবস্থিত, ১০টি আসন জেলা প্রশাসনের আওতাভুক্ত এবং বাকি তিনটি আসন নগর ও জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই বৈচিত্র্যময় ভূগোলেই এবারের নির্বাচনে ভোটের সমীকরণ ভিন্ন ভিন্ন রূপ নেয়।চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই):এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ১৮৩ ভোট।চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি):বিএনপির সরওয়ার আলমগীর ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। জামায়াতে ইসলামীর নুরুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ):এ আসনে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা ৭২ হাজার ৫১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলা উদ্দীন পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫১৯ ভোট। এ আসনে ৪ হাজার ৭৮৪টি পোস্টাল ভোটের মধ্যে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পড়ে ২ হাজার ৫০৫ ভোট, আর ধানের শীষ পেয়েছে ৬৮৪ ভোট, যা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ):বিএনপির আসলাম চৌধুরী ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। জামায়াত প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট।চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ):বিএনপির ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ ভোট। জামায়াতের মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ভোট।চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান):এখানে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ১ লাখ ১১ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৯৬ ভোট এবং জামায়াতের শাহজাহান মঞ্জু পেয়েছেন ২১ হাজার ১৩ ভোট।চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া):বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬৭ ভোট। জামায়াত প্রার্থী ডা. এটিএম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৬৫ ভোট।চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও নগরীর একাংশ):বিএনপির এরশাদ উল্লাহ ৭২ হাজার ৫৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। মোমবাতি প্রতীকের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৩২ ভোট। একই জোটের আলোচিত দুই প্রার্থী, জামায়াতের মো. আবু নাসের পেয়েছেন ১৭ হাজার ২৮৬ ভোট এবং এনসিপির মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ শাপলা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫৮ ভোট।চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া):বিএনপির আবু সুফিয়ান পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮ ভোট। জামায়াতের ডা. ফজলুল হক পেয়েছেন ৫১ হাজার ৬০১ ভোট। ১২১টি কেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্রের ফল না এলেও জয়ের ব্যবধান এতটাই বেশি যে ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়েনি।চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর-খুলশী):বিএনপির সাঈদ আল নোমান ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৩৪ ভোট। সাতটি কেন্দ্রের ফল না এলেও ফলাফল নিশ্চিত হয়।চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা):বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ২১ ভোট। জামায়াতের মুহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৫২ ভোট।চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া):বিএনপির এনামুল হক এনাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮০৬ ভোট এবং জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৪০ ভোট।চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী):বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৩৩৭ ভোট। ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৬১ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাহমুদুল হাসান পেয়েছেন ২১ হাজার ৩৯১ ভোট।চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ):বিএনপির জসিম উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট। এলডিপির ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট, এই আসনটি ছিল সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের উদাহরণ।চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়ার একাংশ ও লোহাগাড়া):জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীনপেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট।চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী):জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট। বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট। বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী লেয়াকত আলী ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৭১ ভোট, যা এই আসনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে।এসআর
    চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় আনসার সদস্য নিহত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পথে চট্টগ্রামে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৪ জন সদস্য আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।দুর্ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে কর্ণফুলী টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তের চৌরাস্তা মোড়ে। (নোট: প্রতিবেদনে আগে ‘১৩ ডিসেম্বর’ ছিল, প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তা ‘১৩ ফেব্রুয়ারি’ করা হয়েছে)। জানা গেছে, সাতকানিয়ায় নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে একটি বাসে করে ব্যারাকে ফিরছিলেন ২৩ জন আনসার সদস্য। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা রেলিংয়ে উঠে উল্টে যায়।নিহত আনসার সদস্যের নাম মো. আব্দুল জব্বার। তাঁর বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায়। তিনি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন।আহতদের মধ্যে বর্তমানে তিনজন চট্টগ্রামের বিএনএস হাসপাতালের আইসিইউতে এবং সাতজন এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্য আহত সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কর্ণফুলী টানেল এলাকায় দায়িত্বরত নৌবাহিনীর কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, দুর্ঘটনাটি নেভি গেট এলাকায় সংঘটিত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন আনসার সদস্য নিহত হন এবং অন্তত ১৪ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নৌবাহিনীর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় আনসার বাহিনীতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ নিহত সদস্যের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।উল্লেখ্য, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। বিপুল সংখ্যক সদস্যকে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া ও দায়িত্ব শেষে ফিরিয়ে আনা প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।এনআই
    তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হলেন শাহজাহান চৌধুরী
    চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১,৭২,০৬১টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১,২৭,০২৫ ভোট।দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৪৫,০৩৬ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন। অন্যদিকে, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী শরীফুল আলম চৌধুরী পেয়েছেন ২,৮৭৩ ভোট।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পাবলিক হলরুমে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এই আসনে ৬২.৮৪ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।এর আগে শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ সালে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালেও তিনি এই আসন থেকে জয়লাভ করেন। তবে ২০০৮ সালের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে টানা কয়েকটি নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে পারেননি।জয়ের প্রতিক্রিয়ায় শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “এই আসনে দ্বিতীয়বার জয়ী হয়েছেন এমন কোনো প্রার্থী নেই, অথচ আমি তৃতীয়বারের মতো জয়ী হয়েছি। জনগণ রায় দিয়ে আমাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। এখন আমার লক্ষ্য হবে সংসদে গিয়ে আমার দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করা। বিজয় এবং দায়িত্ব—এই দুটোর সমন্বয় করে আমি সাতকানিয়া ও লোহাগাড়াবাসীর জন্য কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”এনআই
    বান্দরবানে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী'র জয়
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শামীম আরা রিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি প্রার্থী আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। সেই হিসেবে ধানের শীষের প্রার্থী ১ লাখ ১৫ হাজার ২৯৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে ।এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু জাফর মো. ওয়ালীউল্লাহ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট।এইচএ
    চাঁদপুরে ৪টিতে বিএনপি, ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী বিএনপি) প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। দিনভর শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে রাতে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।চাঁদপুর-১ (কচুয়া):বিএনপির প্রার্থী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন পেয়েছেন ১,৩৩,১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আবু নছর মো. মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৬৭,০৭৭ ভোট।জয়ের ব্যবধান: ৬৬,০৮৫ ভোট।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ):বিএনপির প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন পেয়েছেন ১,৭০,৫৮৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৫৪,৭৩৩ ভোট। জয়ের ব্যবধান: ১,১৫,৮৫০ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক পেয়েছেন ১,৬৪,০১০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এ্যাড. শাহাজাহান মিয়া পেয়েছেন ৯৬,৮১১ ভোট। জয়ের ব্যবধান: ৬৭,১৯৯ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ):স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী বিএনপি) প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নান পেয়েছেন ৭৩,৮৪২ ভোট। বিএনপির প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ৬৯,২১৫ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজি পেয়েছেন ৬৬,৫০৫ ভোট। জয়ের ব্যবধান: ৪,৬২৭ ভোট।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি):বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক পেয়েছেন ১,৮১,৯১১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির প্রার্থী ড. নিয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭১,৮৫০ ভোট। জয়ের ব্যবধান: ১,১০,০৬১ ভোট।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এসআর
    ঢাকা-১৮ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন
    সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে টান টান উত্তেজনা ও তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ঢাকা-১৮ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ।ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩৪,৪৫০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। একই দিনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশজুড়ে গণভোট (হ্যাঁ-না ভোট) অনুষ্ঠিত হয়।রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন পেয়েছেন ১,৪২,৯৫৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১,০৮,৫০৭ ভোট। জয়ী প্রার্থী জাহাঙ্গীর এদিন মালেকাবানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে নিজের ভোট দিয়েছেন তিনি।মো. আনোয়ার হোসেন (ইসলামী আন্দোলন): ৪,৭২৭ ভোটমো. মহিউদ্দিন হাওলাদার. মহিউদ্দিন হাওলাদার. মহিউদ্দিন হাওলাদার (স্বতন্ত্র): ৩,২০৫ ভোট জাকির হোসেন (জাতীয় পার্টি): ২,৫৫৭ ভোট। মাহমুদুর রহমান মান্না (নাগরিক ঐক্য): ৩৫০ ভোটঢাকা-১৮ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৯ জন (মতভেদে ৬ লাখ ৫০ হাজার ৩৯৮)। পোস্টাল ভোটসহ মোট ২১৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট সংগৃহীত ভোট২,৭৪,৭৭২বাতিলকৃত ভোট৪,৭৮৪ভোট প্রদানের হার৪৫৪৫ শতাংশভোটগ্রহণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। পুরো নির্বাচনী এলাকাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশ নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছিল। ফলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন। স্থানীয় সাধারণ ভোটাররা এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।এসআর
    রাজবাড়ীর- ২ আসনেই বিএনপি ও গণভোটে জয়ী ‘হ্যাঁ’
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী জেলার দুইটি সংসদীয় আসন রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) ও রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি- কালুখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (ধানের শীষ) ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট ও রাজবাড়ী-২ আসনে হারুন-অর-রশিদ (ধানের শীষ) ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বেসরকারিভাবে তাদেরকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট পেয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী ৫৩ হাজার ৪৪৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও জাকের পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস গোলাপ ফুল প্রতীকে ৮ হাজার ৮৭ ভোট ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু লাঙ্গল প্রতীকে ২ হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়েছেন।রাজবাড়ী-১ আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ৩১৫ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৭১ হাজার ৯০২ জন। এর মধ্যে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩০৬ ও বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৬ টি। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৩ দশমিক ২০ শতাংশ।রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির জামিল হিজাযী শাপলা কলি প্রতীকে ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট পেয়েছেন।এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিরুল হক সাবু কলস প্রতীকে ৩৬ হাজার ৩৩৮, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মালেক হাত পাখা প্রতীকে ৮ হাজার ৫০৩, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শফিউল আজম খান (লাঙ্গল) প্রতীকে ২ হাজার ৫২ ,স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল মোল্লা ফুটবল প্রতীকে ১ হাজার ২১৯, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাহিদ শেখ ট্রাক প্রতীকে ৬৩৩, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী কাজী মিনহাজুল আলম দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে ৩২১ ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মালেক মন্ডল ছড়ি প্রতীকে ২৬৬ ভোট পেয়েছেন।রাজবাড়ী-২ আসনে মোট ভোটার ছিল ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৩ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৪ জন। এর মধ্যে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৫ ও বাতিল হয়েছে ৯ হাজার ৩০৯ টি। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ।এছাড়াও গণভোটে রাজবাড়ী-১ আসনে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৫৫ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৭ হাজার ২২৫টি। এই আসনে গণভোট দিয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৬৩১ জন। মোট বৈধ গণভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫০ ও বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ২৬ হাজার ৮৮১।রাজবাড়ী-২ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পড়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৬২৫ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৬৭টি। এই আসনে গণভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৬১ হাজার ৯০৪ জন। মোট বৈধ গণভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ২২ হাজার ৩৯২ ও বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৫১২।এনআই
    জন্মদিনে ‘মঞ্জুরুল করিম রনি’র গলায় বিজয়ের মালা
    প্রথমবার কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেই বাজিমাত করলেন গাজীপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি।  সাবেক প্রয়াত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন প্রথম নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নানের একমাত্র ছেলে মঞ্জুরুল করিম এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হল।এদিকে যেদিনটিতে রনি নির্বাচিত হলেন দিনটি ছিল তাঁর জন্মদিন।  এ দিনেই এম এ মান্নানের ঘর আলো করে পৃথিবীতে আগমন এ নেতার। ফলে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সমর্থকদের কাছে বিজয়ের আনন্দের সাথে যোগ হয় বাড়তি আনন্দ। রাতে নেতাকর্মীদের সাথে কেক কেটে তিনি জন্মদিন পালন করেন।নির্বাচনে জয়লাভের পর এক বক্তব্যে গাজীপুর বাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গাজীপুরবাসী সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা আমাকে ভোট দেননি সকলের কাছেই আমি ঋণী। সকলকে এক সাথে নিয়েই আগামীর গাজীপুর গড়তে কাজ করতে চাই।চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলী নাসের খান (শাপলা কলি) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯২ ভোট। ফলে ৪৯ হাজার ১৬৯ ভোটের বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করেন রনি।গাজীপুরের জনপ্রিয় নেতা অধ্যাপক এম এ মান্নানের একমাত্র পুত্র মঞ্জুরুল করিম রনি এবারই প্রথম কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। এবং প্রথম বারেই বাবার জনপ্রিয়তা এবং নিজের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বাজিমাত করলেন। পিএম
    সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস নবনির্বাচিত এমপি ড. ইলিয়াসের
    ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী) আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্যা সাংবাদিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও পেশাগত কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই আশ্বাস দেন।ফরিদপুর-১ আসনের মোট ১৯৮টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্যা ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ১,৫৪,১৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৬,৪৭৬ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার খান ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে ৩৪,৩৮৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। আসনটিতে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।বিজয়-পরবর্তী বক্তব্যে ড. ইলিয়াস মোল্যা সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এলাকার সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখা হবে।” সাংবাদিকরা যেন নির্ভয়ে এবং সুষ্ঠু পরিবেশে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।ফলাফল ঘোষণার পর উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।এনআই
    রাজবাড়ী-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
    রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১টি ভোট। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তা সুলতানা আক্তার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা) মো. নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯ ভোট। এছাড়া জাকের পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস গোলাপ ফুল প্রতীকে ৮ হাজার ৬৭ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ২ হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়েছেন।আসনটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজার ২১৫ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পরেছে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩০৬টি। বাতিল ভোট ৫ হাজার ৯৬টি। ভোটের হার ৬৩ দশমিক ২০ শতাংশ।আসনটি হ্যাঁ ভোট পরেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২৫ টি। না ভোট পরেছে ৮৭ হাজার ২২৫টি। বাতিল ভোট ২৬ হাজার ৮৮১টি।ইখা
    পটুয়াখালী-৪ এ বিজয়ের পর প্রতিপক্ষকে ক্ষমার বার্তা কাওসার মনিরের
    পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনের বিজয়ের পর রাজনৈতিক সহনশীলতার বার্তা দিয়ে প্রতিপক্ষের প্রতি ক্ষমার ঘোষণা দিয়েছেন মহিপুর থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. কাওসার মনির।শুক্রবার এক লিখিত খোলা চিঠিতে তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তার ওপর হামলা, মামলা, কারাবরণ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা বন্ধের চেষ্টা, হুমকি এবং পারিবারিক সম্পত্তি দখলের মতো নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনের বিজয়কে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আজ ইতিহাস সৃষ্টির এই দিনে ব্যক্তিগতভাবে সকল জুলুমকারীদের ক্ষমা করে দিলাম।”তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে কেউ অন্যায়-অবিচার ও ষড়যন্ত্রে জড়াবে না এবং দল-মত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে।বক্তব্যের শেষে তিনি সবার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলকে চায়ের দাওয়াত জানান।রাজনৈতিক অঙ্গনে তার এ ঘোষণাকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়।  এসআর
    ঝালকাঠির দুইটি আসনে ধানের শীষের বিজয়
    মোঃ নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি: ঝালকাঠির চারটি উপজেলা নিয়ে গঠিত দুটি সংসদীয় আসন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া) এবং ঝালকাঠি-২ (সদর ও নলছিটি)। বেসরকারিভাবে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, উভয় আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা।জেলা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দুটি আসন মিলিয়ে মোট ভোটের হার শতকরা ৫৭.৯০ শতাংশ।ঝালকাঠি-১ আসন: রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠি-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল ৬২,০১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ফয়জুল হক পেয়েছেন ৫৫,১২০ ভোট। ফলে ৬,৮৯০ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন রফিকুল ইসলাম জামাল। (নোট: আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৬২,০১০ থেকে ৫৫,১২০ বিয়োগ করলে ব্যবধান ৬,৮৯০ হয়, যা প্রতিবেদনে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে)।রাষ্ট্রসংস্কার সিদ্ধান্তে এ আসনে “হ্যাঁ” ভোট পড়েছে ৯১,২৮৬টি এবং “না” ভোট পড়েছে ২৯,৫৯১টি।ঝালকাঠি-২ আসন: সদর ও নলছিটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠি-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ১,১৩,১০০ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এস. এম. নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৬৯,৮০৫ ভোট। এ আসনে ৪৩,২৯৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।রাষ্ট্রসংস্কার সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-২ আসনে “হ্যাঁ” ভোট পড়েছে ১,৪৭,২৯৭টি এবং “না” ভোট পড়েছে ৫৩,৮৯০টি।উভয় আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।এনআই
    ভোলার চার আসনেই বিএনপির বিজয়
    ভোলার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপি ও জোট প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয় লাভ করেছে।বৃহস্পতিবার ( ১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে রাতভর ফলাফল সংগ্রহ করে শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান তার কার্যালয়ের হল রুমে এ ঘোষণা করেন।ভোলা-১ আসনে বিএনপি জোটের বিজেপির প্রার্থী ও বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ তার গরুর গাড়ী প্রতীকে ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭২ হাজার ৪৭১ ভোট পেয়েছেন।ভোলা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহীম ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭০৭ ভোট।ভোলা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত জোটের বাংলাদেশ ডেভলেপমেন্ট পার্টির প্রার্থী মো. নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট।ভোলা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়ন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। একই আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৬ হাজার ৩১৬ ভোট।পিএম
    পিরোজপুরে দুইটিতে বিএনপি, ১ টিতে জামায়াত বিজয়ী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুরের তিনটি আসনের মধ্যে ২টি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পিরোজপুর-২ আসন থেকে আহম্মদ সোহেল মনজুর ও পিরোজপুর-৩ আসন থেকে রুহুল আমিন দুলাল । শুধুমাত্র পিরোজপুর-১  আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী প্রার্থী মাসুদ সাঈদী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তিনটি আসনের ৪২০টি ভোট কেন্দ্রের এসব তথ্য জানাগেছে। পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-জিয়ানগর-নাজিরপুর) : এই আসনে ১৬৮টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, পিরোজপুর-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী  দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মাসুদ সাঈদী এক লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এআসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানেরশীষ প্রতীকে নিয়ে আলমগীর হোসেন পেয়েছেন এক লাখ ৭ হাজার ১০৫ ভোট।পিরোজপুর-২ (কাউখালী-ভান্ডারিয়া-নেছারাবাদ) : এই আসনে ১৬৭টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়াগেছে। প্রাপ্ত তথ্যে , এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর পেয়েছেন ১লাখ ৫হাজার ১৮৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বি  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮১৭ ভোট। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) : এই আসনে ৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়াগেছে। প্রাপ্ত তথ্যে , এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন দুলাল পেয়েছেন ৬৩ হাজাজর ১৩৮ ভোট ।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, চারবারের এমপি ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের ডা. রুস্তম আলী ফরাজী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৯ ভোট।অপরদিকে শাপলা কলি প্রতীকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সমর্থিত প্রার্থী ডা. শামীম হামেদী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩১৮ ভোট।পিএম
    বরগুনা-১ আসনে বিজয়ী হাতপাখা
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, তালতলী ও আমতলী) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন চরমোনাই পীরের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কেওড়াবুনিয়া দরবার শরীফের পীর মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।চরমোনাই পীরের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কেওড়াবুনিয়া দরবার শরীফের পীর মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ ১,৪০,২৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা ১,৩৬,১৪৫ ভোট পেয়েছেন। তিনি ৪,১৪৬ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৪ জন।আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫১ জন। এর মধ্যে পায়রা নদীর পূর্ব পাড়ের আমতলী ও তালতলী উপজেলার ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৮ জন, যা বরগুনা সদর উপজেলার তুলনায় ২৪ হাজারের বেশি। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্রে ছিলো ১৯০ টি।এসআর
    নবনির্বাচিত এমপি ফখরউদ্দিন বাচ্চুর হাতে আনুষ্ঠানিক ফলাফল হস্তান্তর
    ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল তুলে দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিজয়ী প্রার্থীর হাতে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ এবং দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। ফলাফল গ্রহণের পর ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন তাঁর অনুসারীরা। এ সময় পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বলেন, “ভালুকাবাসীর আস্থা ও সমর্থনের প্রতিদান আমি দায়িত্বশীলতা ও সততার সঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করব।” নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি এ সময় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, “নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ফলাফল হস্তান্তর করা হয়েছে।” তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।ফলাফল ঘোষণার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শুভেচ্ছা বিনিময় ও ফুলেল সংবর্ধনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের পর ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। আনুষ্ঠানিক ফলাফল হস্তান্তরের মাধ্যমে এই আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটল।এনআই
    সরিষাবাড়ীতে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম বিপুল ভোটে জয়ী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে উপজেলা নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪ হাজার ৯২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৫১ হাজার ৫২৮ জন, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন।আসনের ৮৮টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম পেয়েছেন ১,৪৬,৫৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল আওয়াল ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৪,১৬১ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর সরিষাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।জয়ের প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম বলেন, “এ বিজয় সরিষাবাড়ীবাসীর বিজয়। জনগণের ভোটের আমানত রক্ষা করার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”এনআই
    নেত্রকোণা-৪: আসন লুৎফুজ্জামান বাবর বড় ব্যবধানে বিজয়ী
    নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বড় ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল-হেলাল তালুকদার।বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, নেত্রকোণা-৪ আসনে মোট ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের হিসেব করে দেখা গেছে, লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আল-হেলাল তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট।আসনটিতে মোট ১৫০টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। মোট ভোটার ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩০৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৯ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ২১৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৩ জন।এসআর
    ময়মনসিংহ-৩ বিদ্রোহী প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী ইকবাল হোসাইন
    ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে প্রাপ্ত বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফলে জয়লাভ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ফলাফল ঘোষণা করে।এই আসনে মূল লড়াই হয়েছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করা দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণের। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ৯,৩২৫ ভোটের ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেন ধানের শীষের প্রার্থী এম ইকবাল হোসাইন।প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফল: ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন (ধানের শীষ): ৭৫,৩২০ ভোট। আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ (ঘোড়া): ৬৫,৯৯৫ ভোট।নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর ধানের শীষের সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।এনআই
    ত্রিশালে ধানের শীষের জয়: এমপি নির্বাচিত হলেন ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে ঘোষিত সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনের ১২১টি কেন্দ্রে ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন পেয়েছেন ৯৮,২২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল (দাড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৮৩,৬১৭ ভোট। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ত্রিশালের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় প্রশাসন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট গণনা শেষে ডা.লিটনকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।এসআর
    পঞ্চগড়ে দুইটি আসনে বিএনপি'র নওশাদ-আজাদের জয়
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পঞ্চগড়ের দুই সংসদীয় আসনে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায়, পঞ্চগড়-১ ও পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট। ১৫৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে নওশাদ জমির ৮ হাজার ৩০৪ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।অন্যদিকে পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সফিউল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট। ১৩২টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ফরহাদ হোসেন আজাদ ৪৫ হাজার ৭৮৮ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বেসরকারিভাবে জয় নিশ্চিত করেন।এসআর
    খালেদা জিয়ার আসনে জয় পেলেন বিএনপির জাহাঙ্গীর 
    প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে দলটির প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ১৪ হাজার ৫৮৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।১৩০টি আসনের সবকটি মিলে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ২০৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. মইনুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬১৮ ভোট।সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তমালিকা তমালিকা পাল রাত সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে বেসরকারিভাবে সাংবাদিকদের এ ফলাফল জানান একইদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই রেকর্ডসংখ্যক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল এই নির্বাচনি লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন; যার মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৪ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮০ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এসআর
    গণতন্ত্র চাপা থাকলে উগ্রবাদের উত্থান ঘটে: জামায়াত প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল
    "যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে; তারা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটেছে" বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।বিএনপি মহাসচিব বলেন, "বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে; এটাই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। জনগণ যখন বিএনপির আদর্শ গ্রহণ করেছে, তখনই এমন বিজয় অর্জিত হয়েছে।"মির্জা ফখরুল আরও বলেন, "আমরা সবসময় আমাদের অঙ্গীকারে অটুট থাকি। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে, তাদের নিয়েই আমরা নির্বাচন করেছি এবং তাদের সঙ্গেই আমরা সরকার গঠন করব।"এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন (নোট: আপনার দেওয়া 'পয়গাম আলী' নামটি পরিবর্তন করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক করা যেতে পারে, তবে আপনি চাইলে আপনারটিই রাখতে পারেন), জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এনআই
    ঠাকুরগাঁও–২ আসনে ৩৭ বছর পর বিএনপির জয়
    আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে ৩৭ বছর পর জয় পেয়েছে বিএনপি। দলটির মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম এ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত দুইটার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৯ জন। বিএনপির প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম পান ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট।এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুন নাহার বেগম পান ২ হাজার ৮৭৬ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের ফারুক হাসান ১ হাজার ৮৪৩ ভোট, এবি পার্টির নাহিদ রানা ৪৫১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেজাউল ইসলাম ৪৩৭ ভোট এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাহাবুদ্দিন পান ৩৮০ ভোট। আসনটিতে ১০৪টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৭৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।ডা. আব্দুস সালাম ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)–এর সাবেক মহাসচিব। দীর্ঘ সময় জোট রাজনীতির বাইরে থেকে এবার প্রথমবার বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।বিজয়ের পর ডা. আব্দুস সালাম বলেন, “আমরা কারও প্রতি অন্যায় করব না। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত—সবাইকে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব।” নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেন তিনি।উল্লেখ্য, ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালে এ আসন থেকে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দবিরুল ইসলাম। পরে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে দলটির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালে তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম সুজন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এ আসনে জয় পান।ইখা
    নীলফামারীর ৪টি আসনেই জামায়াতের প্রার্থীরা জয়ী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি জোট ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ছয় উপজেলার ৫৬২ কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মো. আবদুস সাত্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি–সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের খেজুরগাছের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ ভোট। এই আসনে গণভোটের ফলাফল ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৮৫। ‘না’ ভোট ৯৫ হাজার ৭৮৫।নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ১৩৪ কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী আল ফারুক আবদুল লতীফ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৮ ভোট। এই আসনে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭২। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ৭৮৭।নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে ১০৫ কেন্দ্রে ১ লাখ ৯ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮০৭ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৩০। ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৬ হাজার ৬৩৮।নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে ১৬৯ কেন্দ্রে ১ লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী আবদুল মুনতাকিম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আবদুল গফুর সরকার পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৬ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯৪। ‘না’ ভোট ৫৯ হাজার ৭৭০।ইখা
    পাবনা-৩ আসনে বিজয়ী জামায়াতের আলী আছগার
    পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী তরবিয়াত সেক্রেটারি ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার। অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার দাড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়েছেন। তার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. হাসান জাফির তুহিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট পেয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিন উপজেলার ফলাফল ঘোষণা করা হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। সাধারণ ভোটারদের অনেকেই এই ফলাফলকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর উপজেলার মোট ১৭৭টি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।চলনবিল অধ্যুষিত চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া এবং ফরিদপুর উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৮০৪ জন। তিনটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় চাটমোহর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার ১১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৬৯ জন এবং মহিলা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪৮ জন। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৮ হাজার ৯৬৮। পুরুষ ভোটার ৫৪ হাজার ২৮৭ জন ও মহিলা ভোটার ৫৪ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে হিজড়া ভোটার রয়েছে ২ জন। ফরিদপুর উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৭১৯ জন। পুরুষ ভোটার ৫৮ হাজার ৯৮০ জন ও মহিলা ভোটার ৫৮ হাজার ৭৩৫ জন। এর মধ্যে হিজড়া ভোটার রয়েছে ৪ জন।এনআই
    পাবনা-৫ এ শিমুল বিশ্বাসের জয়, ‘এটি মানুষের ভালোবাসার বিজয়’
    পাবনা-৫ (সদর) আসনের বিএনপির অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ১৭১১৫৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির প্রিন্সিপ্যাল ইকবাল হোসাইল পেয়েছেন ১৫৮৬৭৯ ভোট।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ (পাবনা সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এক ফেসবুক বার্তায় বলেন, ‘এটি পাবনার সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আস্থার বিজয়।’শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।ফেসবুক বার্তাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো আসসালামু আলাইকুম। আলহামদুলিল্লাহ, জনগণের ঐতিহাসিক রায়ে পাবনা-৫ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি।শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস-এর এই বিজয় কোনো ব্যক্তিগত সাফল্য নয় এটি পাবনার সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আস্থার বিজয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি সংগ্রাম, ত্যাগ ও পথচলার মূল্যায়ন আজ আপনারা ভোটের মাধ্যমে করেছেন। আপনাদের অকুণ্ঠ সমর্থন, আন্তরিকতা ও দোয়া আমাকে গভীরভাবে অভিভূত করেছে। আমি কৃতজ্ঞ মহান আল্লাহর দরবারে, কৃতজ্ঞ আমার প্রিয় পাবনাবাসীর কাছে।এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে আমার জীবনে শুরু হলো নতুন অধ্যায়, নতুন দায়িত্ব ও নতুন অঙ্গীকার। আপনারা আমাকে যে বিশ্বাসের আমানত দিয়েছেন, তা রক্ষা করাই হবে আমার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমার রাজনীতির লক্ষ্য কখনোই অর্থ বা ক্ষমতা নয়; আমার একমাত্র অঙ্গীকার মানুষের কল্যাণ, ন্যায় ও উন্নয়ন। আমি সেদিনই সত্যিকারের হাসবো, যেদিন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে, যেদিন অবহেলিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে—ইনশাআল্লাহ। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, দল-মত নির্বিশেষে পাবনার প্রতিটি মানুষের পাশে থাকবো। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তায় একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ পাবনা গড়ে তুলতে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবো। আপনাদের দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন সংসদ সদস্য হিসেবে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে আপনাদের সেবায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত রাখতে পারি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।এসআর
    ৬৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে বিজয়ী ড. এম এ মুহিত
    ৬৮ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১-দলীয় জোটের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী এস এম সাইফ মোস্তাফিজ।বৃহস্পতিবার উপজেলার মোট ১৬০টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে রাত আনুমানিক ১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসফিকা হোসেন চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।মোট ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত পেয়েছেন ১,৭০,১২৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী এস এম সাইফ মোস্তাফিজ পেয়েছেন ১,০২,১৮৫ ভোট। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪,৮০,৯০৫ জন।এনআই
    সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়ী বিএনপি প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম
    সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম। ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় বেলকুচি উপজেলা ভোট ঘোষণা কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরিন জাহান। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে তিনি কেন্দ্রভিত্তিক গণনার চূড়ান্ত ফলাফল তুলে ধরেন।‎প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে আমিরুল ইসলাম খান আলীম পেয়েছেন ১৩৪১৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো: আলী আলম ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০৫১৮৮ ভোট।অন্যান্য প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের চিত্র নিচে দেওয়া হলো: নুরুন নাবী (হাতপাখা): ৫৬৯১ ভোট, মো: আকবার হোসেন (লাঙ্গল): ১১৯৬ ভোট, মো: ইউসুফ আলী (ট্রাক): ২৩২ ভোট, মো: মতিয়ার রহমান (কাস্তে): ৩২৪ ভোট। এই আসনে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২,৪৬,৮২৮ টি। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৪৭৩৪ টি। সর্বমোট ২,৫১,৫৬২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।এনআই
    নওগাঁর পাঁচ আসনে বিএনপির জয়, একটিতে জামায়াত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ছয়টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি এবং একটি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ফলাফল ঘোষণা করেন।নওগাঁ–১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর)১৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট।গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ২ লাখ ২০ হাজার ৬৮৯ এবং ‘না’ ভোট ১ লাখ ৬ হাজার ১৬।নওগাঁ–২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা)১২৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াতের মো. এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বিএনপির সামসুজ্জোহা খান পান ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট।গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৩২ এবং ‘না’ ভোট ৮৯ হাজার ৫৫৪।নওগাঁ–৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর)১২৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির মো. ফজলে হুদা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতের মাহফুজুর রহমান পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট।গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৯১ হাজার ৫০১ এবং ‘না’ ভোট ৯১ হাজার ৫৭০।নওগাঁ–৪ (মান্দা)১১৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির ইকরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জামায়াতের আব্দুর রাকিব পান ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট।গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৭৬ এবং ‘না’ ভোট ৬৮ হাজার ৩৯৩।নওগাঁ–৫ (নওগাঁ সদর)১১৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জামায়াতের আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম পান ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট।গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৮৪ এবং ‘না’ ভোট ৫৩ হাজার ১২৬।নওগাঁ–৬ (আত্রাই–রাণীনগর)১১৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতের খবিরুল ইসলাম পান ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট।গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৭৬ এবং ‘না’ ভোট ৫৮ হাজার ২৯১।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, জেলার ৭৮২টি কেন্দ্রে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।জেলায় মোট ভোট পড়েছে ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ।উল্লেখ্য, নওগাঁর ছয়টি আসনে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের মোট ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জেলায় মোট ভোটার ২৩ লাখ ২৯ হাজার ৫৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ জন, নারী ভোটার ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২১ জন।ইখা
    দিদি-মাসি বলে ভোট চায়, ভোটের পর পাওয়া যায় না
    “যখন নির্বাচন আসে তখন প্রার্থীরা আমাদের কাছে এসে দিদি-মাসি বলে ভোট চায়। তারা বলে, তোমাদের মজুরি বৃদ্ধি করে দেব, উন্নত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, সন্তানদের পড়ালেখার জন্য স্কুল করে দেব। ভোটের পরে আর তাদের পাওয়া যায় না। তারা আমাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে শুধু।” এভাবেই আপেক্ষ করছিলেন বাহুবলের রশিদপুর চা বাগানের শ্রমিক রীতা রাণী গোয়ালা। হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার দেউন্দি চা বাগানের সাবেক শ্রমিক সরদার আমোদ মালের কণ্ঠেও হতাশা। নির্বাচন ও ভোট তাদের কাছে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছাড়া কিছুই নয়।আমোদ মাল বলেন, “নির্বাচনে আসলে প্রার্থীরা আসেন, দেন নানা প্রতিশ্রুতি কিন্তু পরে আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না। তারা নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও বাস্তাবায়ন করেন না। আমাদের ভোটে নির্বাচিতদের জীবনে পরিবর্তন আসে। তাদেরকে ভোট দিয়ে আমাদের শিকলবন্দি জীবনে আসে না পরিবর্তন। সন্তানদের অনেক কষ্ট করে স্কুলে যেতে হয়। চা শ্রমিকের সন্তান হওয়ায় চাকরি পাওয়া কঠিন, এসব দেখার যেন কেউ নেই।”ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যারা আমাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন, তাদের ভোট দেব।”দেউন্দি চা বাগানের শ্রমিক পঞ্চায়েত নেতা কার্তিক বাকতির কথায় উঠে এল তারা আর ঠকতে চান না। এবার তারা এমন প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, যিনি তাদের জন্য কাজ করবেন। কার্তিক বাকতির ভাষ্য, ভোট এলে তাদের কাছে ধর্না ধরেন প্রার্থীরা। দাদা-দিদি, মেসো-মাসি ডেকে মন জয় করার চেষ্টা করেন। ভোটে নির্বাচিত হলে তাদের আর খোঁজ নিতে আসেন না। এজন্য এবার তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বুঝে-শুনে ভোট দেবেন। চা শ্রমিকরা জানান, বাগানে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭৮ টাকা ৫০ পয়সা। এ মজুরিতে সংসার চলছে না তাদের। ৫৪ বছরেও নিজেদের জীবনমান উন্নত হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। তারা জানান, নানা সময়ে দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে, পরিবর্তন আসেনি শুধু চা-শ্রমিকদের কষ্টের জীবনে।হবিগঞ্জ জেলায় ছোট ও বড় মিলিয়ে চা বাগানের সংখ্যা প্রায় ৪১টি। এসব বাগানের বাসিন্দা প্রায় দেড় লাখ। তাদের মধ্যে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ৩২ থেকে ৩৫ হাজার শ্রমিক চা পাতা উত্তোলনে জড়িত। বাগানে কাজ না পেয়ে বাকিদের জীবিকার জন্য বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অর্থ উপার্জন করতে হচ্ছে। নির্বাচনের সময় তারাও এলাকায় ফেরেন। জেলার নবীগঞ্জ-বাহুবল উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-১ আসন। এখানে ভোটার আছেন ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯২১ জন। চুনারুঘাট-মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে ভোটার ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১১জন। এই দুই আসনে চা শ্রমিকদের ভোট প্রায় লক্ষাধিক। চা বাগানের শ্রমিকদের ভোট প্রার্থীদের জয়ের ব্যাপারে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, “উচুঁ নিচু টিলায় থাকা গাছ থেকে চায়ের সবুজ পাতা সংগ্রহ করেন শ্রমিকরা। এ পাতা ফ্যাক্টরিতে প্রক্রিয়াজাত হয়ে রপ্তানি হয়। দেশি-বিদেশি অর্থ পান বাগান মালিকরা। চা শ্রমিকদের নেই উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা। পদে পদে তারা বাধার মুখে পড়েন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা এগোতে পারছেন না। তাদের জীবনমানের পরিবর্তনে উদ্যোগ নেয় না তেমন কেউ। ভোটের সময় আসলে চা শ্রমিকদের ভোট আদায় করতে প্রার্থীরা নানা ধরনের স্বপ্ন দেখান, দেন প্রতিশ্রুতি। পরে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেন না কেউ। এনিয়ে চা বাগানের বাসিন্দাদের মনে অনেক কষ্ট। এবার তারা ভোট দিতে হিসাব নিকাশ করছেন।”তিনি বলেন, “দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে চা শিল্প। এই শিল্পকে নিখুঁত হাতের ছোঁয়ায় যুগের পর যুগ টিকিয়ে রেখেছেন চা শ্রমিকেরা। শুধু ভোট নয়, চা-শিল্পের সমৃদ্ধির জন্যও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা জরুরি।”বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার বলেন, “যদি বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে চা শ্রমিকদের জীবনমান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে।”হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুখলিছুর রহমান বলেন, “জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করবে।” হবিগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির রেজা কিবরিয়া (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র শেখ সুজাত মিয়া (ঘোড়া), ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকশা), জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ (মোটরগাড়ি), ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার)। হবিগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- বিএনপির সৈয়দ মো. ফয়সল (ধানের শীষ), ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি), ইসলামিক ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন (মোমবাতি), বাসদের মো. মুজিবুর রহমান (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি), মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন), স্বতন্ত্র মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ও এস এ সাজন (ফুটবল)। এসআর
    তাহিরপুরে ধানের শীষের প্রচারে বালিজুড়ী ইউনিয়নের ১১ ইউপি সদস্য
    সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের ১১ জন ইউপি সদস্য।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিনভর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ এবং ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন তারা। প্রচার কাজে অংশ নেন ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া, ইকবাল হোসেন, যোতিশ পাল, ইসমাইল হোসেন, মো. আলী নেওয়াজ, আজিজ মিয়া, কামাল হোসেন, খলিলুর রহমান, রোহেনা বেগম, মাহমুদা বেগম ও পারুল বেগম।সকালে আনোয়ারপুর বাজারে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বালিজুড়ী বাজারসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বাজার এলাকায় প্রচার কর্মসূচি চালানো হয়। পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রও পরিদর্শন করেন তারা।এ সময় ইউপি সদস্যরা ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিপুল ভোটে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার কথাও বলেন তারা।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রচারণা কর্মসূচি শেষ করেন ইউপি সদস্যরা।ইখা
    এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকদের শেষ মুহূর্তের প্রচার তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও নিরাপত্তা বিষয়ক সহ-সম্পাদক।শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বড়লেখার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।এর আগে ওইদিন রাত পর্যন্ত তিনি দলের জেলা নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান এবং ট্রাক প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন।সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজার-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠুসহ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, গণঅধিকার পরিষদের একজন তরুণ প্রার্থী হিসেবে তিনি দিন-রাত নির্বাচনি মাঠে কাজ করেছেন। এই সময়ে তিনি উপলব্ধি করেছেন, এলাকার মানুষ পরিবর্তনের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন। এজন্য তিনি ভোটার ও সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, বড়লেখা ও জুড়ীর ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।আব্দুন নুর জানান, দলের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরের বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠুকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এ সময় তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন। আব্দুন নুর বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্র দখলের ঘটনায় জড়িত একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছিলেন। ওই ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা তাকে নিয়মিত হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এমনকি তার নিজ এলাকার ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন আব্দুন নুর।তিনি বলেন, নিজের জীবনের ঝুঁকি সম্পর্কে তিনি সচেতন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সে দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। তবে জীবনের পরোয়া না করেই মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি অতীতেও ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন বলে জানান তিনি। এফএস
    সুনামগঞ্জে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ
    সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি)উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।​বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা নির্বাচন অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মতিন খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং জেলা ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।​প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া,নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা, একই সাথে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।​এই কর্মশালায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী আইন, বিধিনিষেধ এবং ভোটগ্রহণের টেকনিক্যাল বিষয় গুলো সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলাতেই পর্যায়ক্রমে এই ধরণের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ডাঃ ইলিয়াস মিয়া।পিএম
    বিএনপির প্রার্থী রেজার ‘গলার কাঁটা’ বিদ্রোহী সুজাত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে আলোচিত আসন হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জ–১ (বাহুবল–নবীগঞ্জ)। এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী, সদ্য দলে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হলেও মাঠে তার অবস্থান এখনো শক্ত।প্রবাসী অধ্যুষিত এই আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া ছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন ১১–দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।এ ছাড়া ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুর রেজা এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।তবে এই আসনে বিএনপি মনোনীত হেভিওয়েট প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় জেলার চারটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে হবিগঞ্জ–১ আসন ঘিরে।নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রচার-প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠ। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। তবে বিএনপির দলীয় ও বিদ্রোহী দুই প্রার্থী থাকায় স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিভক্তি স্পষ্ট।পদ হারানোর আশঙ্কায় অনেক নেতা প্রকাশ্যে রেজা কিবরিয়ার সঙ্গে থাকলেও মাঠে অনেক কর্মীকে শেখ সুজাত মিয়ার সঙ্গেও দেখা যাচ্ছে। এ কারণে আসনটিতে রেজা ও সুজাতের মধ্যে জমজমাট লড়াইয়ের আভাস মিলছে।স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, ধানের শীষের প্রার্থীর বিপরীতে অন্য কোনো দলের হেভিওয়েট প্রার্থী না থাকলেও নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাতই এখন ড. রেজা কিবরিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ‘গলার কাঁটা’।প্রথমদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে শেখ সুজাত মিয়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন—এমন গুঞ্জন শোনা গেলেও শেষ মুহূর্তে জামায়াতের শক্ত প্রার্থী শাহজাহান আলী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় তিনি আর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।অনেকের ধারণা, জামায়াতের কিছু ভোটও শেখ সুজাত মিয়ার ঝুলিতে যেতে পারে। সে কারণেই এই আসনে তাঁর অবস্থান বেশ শক্ত বলে মনে করছেন ভোটাররা।জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শেখ সুজাত মিয়া। এরপর ২০১১ সালে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। এবার তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তাঁকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে থেকে যান। কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে এবার সংসদে যেতে চান শেখ সুজাত মিয়া।অন্যদিকে, সদ্য বিএনপিতে যোগ দিয়েই দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ড. রেজা কিবরিয়া। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এই আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের (গণফোরাম) প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। তাঁর পিতা সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হওয়ায় এলাকাতেও রয়েছে পারিবারিক জনপ্রিয়তা। এ কারণে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা।হবিগঞ্জ–১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯২১ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৪০ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন।ইখা

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    নির্বাসন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে তারেক রহমান: রয়টার্স
    রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে লন্ডনে প্রায় ২ দশক স্বেচ্ছানির্বাসনের ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখান থেকে দেশে ফিরে মাত্র দেড় মাসের মাথায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তিনি। একসময় যার ওপর দুর্নীতির অভিযোগে কঠোর দমন-পীড়ন নেমে এসেছিল, সেই নরম স্বভাবের ৬০ বছর বয়সী নেতা এখন দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।এদিকে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে জয়ের পথে এগিয়ে চলেছেন তারেক রহমান। তার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জোট সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশি গণমাধ্যম। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনিই হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ২০০৮ সালে সেনাবাহিনী-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার ও কারাবন্দি অবস্থায় অমানবিক নির্যাতনের পর চিকিৎসার প্রয়োজন দেখিয়ে দেশ ছাড়েন তারেক। প্রায় ১৬ বছর পর গত ২৫ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় ফেরেন।ফেরার দিন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজারো নেতাকর্মীর ভিড়, ঢাকায় বিজয়ী প্রত্যাবর্তনের আবেগ- সব মিলিয়ে এক নাটকীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। দেশের পরিবর্তিত বাস্তবতায় সময়ের স্রোত এত দ্রুত বয়ে গেছে যে, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতেও যেন সময় পাননি তিনি। গত শনিবার রয়টার্সকে তিনি বলেন, যেদিন থেকে দেশে নেমেছি, সময় কীভাবে কাটছে বুঝতেই পারছি না।তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বংশ পরম্পরার একটি প্রতীকী নাম। তার মা বেগম খালেদা জিয়া, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের বিএনপি প্রধান, যিনি গত ৩০ ডিসেম্বর দীর্ঘ অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেন। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচদিনের মাথায় মাকে হারান তারেক রহমান।তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান ছিলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ১৯৭৭-১৯৮১ মেয়াদের রাষ্ট্রপতি। ১৯৮১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে তার মৃত্যু দেশকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়। তিন বছর পর খালেদা জিয়া বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হাতে হাত মিলিয়েছিলেন। পরে দুই নেত্রীর বৈরিতা বাড়তে বাড়তে ‘ব্যাটলিং বেগমস’ আখ্যা পায়।বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি পেয়েছে ২০০টির বেশি আসন, যা দলটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিজয়গুলোর একটি। ২০০১ সালে তারা পেয়েছিল ১৯৩টি আসন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে অবশ্য আওয়ামী লীগ ২৩০টির বেশি আসন জিতেছিল। তারপর আওয়ামী লীগের অধীনে হওয়া তিনটি নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।এদিকে, গণঅভ্যুত্থানের তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলতে গেলে একপ্রকার ব্যর্থই হয়েছে। ১১ দলীয় জোট থেকে নির্ধারিত ৩০টি আসনের মধ্যে তারা পেয়েছে মাত্র ছয়টি।রাস্তায় বিপুল উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও ভোটে তা রূপ দিতে পারেনি দলটি। নির্বাচনের আগেই জরিপে এমন ইঙ্গিত ছিল। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আপস করে এনসিপির জোট গঠনের বিষয়টি অনেক তরুণ সমর্থকের কাছে দলের আদর্শবিরোধী হিসেবে ধরা পড়েছে।গণভোটেও জয়ের ইঙ্গিতজাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি সাংবিধানিক গণভোট। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, বিভিন্ন জরিপ ও স্থানীয় টিভির তথ্য অনুযায়ী- হ্যাঁ ভোট ২০ লাখের বেশি আর না ভোট ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি।গণভোটের যেসব প্রস্তাব উল্লেখযোগ্য- নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ, নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আরও দৃঢ় করা, প্রধানমন্ত্রীদের জন্য দুই মেয়াদে ১০ বছর সীমাবিএনপির নীরব উদযাপন, শুক্রবার বিশেষ দোয়ার ডাকনির্বাচনে বিপুল জয়ের পরও বিএনপি কোনো বিজয় মিছিল বা শোভাযাত্রা না করার নির্দেশ দিয়েছে। দলের বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয় সত্ত্বেও কোনো বিজয় মিছিল বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা হবে না। বরং দেশের কল্যাণে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।সামনে কোন পথে তারেক রহমান?তারেক রহমান এখনো নিজেকে ‘রাজনৈতিক বংশধর’ হিসেবে নয়, বরং ‘গণতন্ত্র পুনর্গঠনের নেতৃত্ব’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নতির পথ কেবল গণতন্ত্র চর্চার মধ্য দিয়েই সম্ভব। পররাষ্ট্রনীতির পুনর্বিন্যাস, বিনিয়োগ বাড়ানো, দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা বৃদ্ধি ও নতুন শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা- সব মিলিয়ে তিনি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছেন।এদিকে, তারেক রহমানের আকস্মিক উত্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্নও তুলেছে। তরুণদের নেতৃত্বে যে পরিবর্তনের ঢেউ এসেছিল, তা ভোটবাক্সে প্রতিফলিত হয়নি। আবার, দুই দলের আধিপত্যের পরিচিত কাঠামোয় বিএনপির এই বিজয় অনেকের কাছে প্রত্যাবর্তন বলেই ধরা পড়ছে।আবার গণভোটের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার প্রতি জনসমর্থনও স্পষ্ট। সব মিলিয়ে ২০২৪-২০২৫ সালের এই অধ্যায় ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রকে নতুন করে আঁকতে পারে।এইচএ 
    কানাডা ইস্যুতে এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দিলেন ৬ রিপাবলিকান
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে এক গুরুত্বপূর্ণ ভোটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে ছয়জন রিপাবলিকান সদস্য। কানাডার ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিলের পক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন ওই ছয় রিপাবলিকান।দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের কেন্দ্রীয় নীতি হিসেবে বিবেচিত শুল্ক আরোপ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এমন অবস্থান রিপাবলিকান দলের অভ্যন্তরে বিভাজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।শুল্ক বাতিলের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়া রিপাবলিকানরা হলেন—থমাস ম্যাসি, ডন বেকন, কেভিন কাইলি, জেফ হার্ড, ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক ও ড্যান নিউহাউস। ভোটের পক্ষে থাকা সদস্যরা বলেন, শুল্ক আরোপে তাদের অঙ্গরাজ্যের কৃষক ও উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।তাদের এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, কোনো রিপাবলিকান যদি শুল্কের বিরুদ্ধে ভোট দেয় তবে নির্বাচনের সময় তাকে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। এমনকি প্রাইমারি চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে হতে পারে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প।স্পিকার মাইক জনসন দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট এ নিয়ে ক্ষুব্ধ নন এবং প্রয়োজনে তিনি ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রতিনিধি পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না থাকায় ভেটো অতিক্রম করা সম্ভব নয়।এর আগে সিনেটেও অনুরূপ একটি প্রস্তাব সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে তা কার্যকর হতে গেলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন।ডন বেকন বলেন, আমরা কেবল রাবার স্ট্যাম্প নই। শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের হওয়া উচিত হোয়াইট হাউসের নয়।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখনো রিপাবলিকান দলে শক্ত অবস্থান ধরে রাখলেও এই ভোট তার বাণিজ্য নীতি নিয়ে অভ্যন্তরীণ অস্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সামনে মেক্সিকোসহ অন্যান্য দেশের ওপর আরোপিত শুল্ক নিয়েও আরও ভোট হতে পারে।এবি 
    মা-ভাইকে হত্যার পর স্কুলকে রক্তে ভাসাল ‘১৮ বছরের তরুণী’
    কানাডার পশ্চিমাঞ্চলে সংঘটিত স্কুলে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে শনাক্ত করেছে দেশটির পুলিশ। তদন্তকারীরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা ওই তরুণী স্কুলে হামলার আগে নিজের মা ও সৎভাইকে হত্যা করেন। তবে কানাডার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই গণহত্যার পেছনে এখনও কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য জানাতে পারেনি পুলিশ। খবর সিএনএনেরবুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) জানিয়েছে, সন্দেহভাজনের নাম জেসি ভ্যান রুটসেলার। মঙ্গলবার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রত্যন্ত জনপদ টাম্বলার রিজে বন্দুক হামলা চালানোর পর তিনি আত্মহত্যা করেন। প্রাথমিকভাবে মৃতের সংখ্যা ১০ বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে পুলিশ জানায়, নিহতের সংখ্যা ৯ জন, এর মধ্যে হামলাকারী নিজেও অন্তর্ভুক্ত।পুলিশ জানায়, জন্মসূত্রে পুরুষ হলেও ভ্যান রুটসেলার গত ছয় বছর ধরে নিজেকে নারী হিসেবে পরিচয় দিতেন। হামলার আগে তিনি নিজের বাড়িতে ৩৯ বছর বয়সী মা এবং ১১ বছর বয়সী তার সৎভাইকে হত্যা করেন। এরপর তিনি নিজের সাবেক স্কুলে গিয়ে হামলা চালান। সেখানে তিনি ৩৯ বছর বয়সী এক নারী শিক্ষক, তিনজন ১২ বছর বয়সী ছাত্রী এবং ১২ ও ১৩ বছর বয়সী দুইজন ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি লং গান ও একটি হ্যান্ডগান উদ্ধার করেছে পুলিশ।এই ঘটনায় আহত হন বহু মানুষ। তাদের মধ্যে দুজন এখনো গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহতদের একজন ১২ বছর বয়সী শিশু মায়া। সে মাথা ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে বলে তার মা সিয়া এডমন্ডস ফেসবুক পোস্টে জানান।পুলিশ জানায়, প্রথম ফোন পাওয়ার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে তারা সক্রিয় গুলির মুখে পড়েন, তাদের দিকেও গুলি ছোড়া হয়। পরে তারা ভ্যান রুটসেলারকে স্কুলের ভেতরে আত্মহত্যা করা অবস্থায় পান। পুলিশের তথ্যমতে, তিনি ওই স্কুলেরই সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। চার বছর আগে পড়াশোনা ছেড়ে দেন।ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় আরসিএমপির কমান্ডার ডেপুটি কমিশনার ডোয়াইন ম্যাকডোনাল্ড জানান, ভ্যান রুটসেলারকে একাধিকবার প্রাদেশিক মানসিক স্বাস্থ্য আইনের আওতায় এনে মূল্যায়ন করা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে একাধিকবার পুলিশ তাদের বাসায় যায়, কাজ করা হয় সন্দেহভাজনের মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও।যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে কানাডায় স্কুলে গুলির ঘটনা তেমন একটা দেখা যায় না। এ কারণে এমন ঘটনা শুধু কানাডা নয়, বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা এই শোক কাটিয়ে উঠব। আমরা এ থেকে শিক্ষা নেব।’তিনি ইউরোপ সফর স্থগিত করে আগামী সাত দিনের জন্য সব সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পরে পার্লামেন্টে এক মিনিট নীরবতাও পালন করা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পুরো দেশকে শোক ও স্তব্ধতার মধ্যে ফেলেছে।এবি 
    নতুন সংবিধান প্রশ্নে কাজাখস্তানে গণভোট ১৫ মার্চ
    নতুন সংবিধান প্রশ্নে আগামী ১৫ মার্চে গণভোট আয়োজন করতে যাচ্ছে মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তান। গণভোটের ফল নতুন সংবিধানের পক্ষে গেলে কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ ২০২৯ সালের পর পর্যন্ত শাসনক্ষমতায় থাকার সুযোগ পেতে পারেন। ২০২৯ সালের পর তোকায়েভের শাসনক্ষমতায় থাকার নিয়ম নেই। নতুন খসড়া মৌলিক আইনে কাজাখস্তানের পার্লামেন্টের আকৃতি কমবে।দুই কক্ষের পার্লামেন্টের স্থলে হবে এক কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট এবং আইনপ্রণেতার সংখ্যাও কমানো হবে। ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ পুনর্বহাল করা হবে, যে পদ বিলুপ্ত করা হয়েছিল ১৯৯৬ সালে।সাবেক সোভিয়েত ও কাজাখ কূটনীতিক তোকায়েভ ২০২২ সালে নিজেই এক মেয়াদে সাত বছর প্রেসিডেন্ট থাকার নিয়ম চালু করেছিলেন। নতুন খসড়াতেও এক মেয়াদে সাত বছরের সীমাবদ্ধতা বহাল রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, নতুন সংবিধান পাস হলে তোকায়েভের আগের মেয়াদটি পুরোনো সংবিধানের আওতাভুক্ত হিসাবে বাতিল বলে গণ্য হতে পারে, যা তাকে আবারও নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেবে।এর আগে রাশিয়া, বেলারুশ ও উজবেকিস্তানের নেতারাও একইভাবে সংবিধান সংশোধন করে নিজেদের মেয়াদের সময়সীমা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন।কাজাখস্তানে এই গণভোট এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন দেশটিতে ইউক্রেইন যুদ্ধের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি চরমে এবং কর বৃদ্ধি করা হয়েছে।২০১৯ সালে কাজাখস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট নূরসুলতান নাজারবায়েভের উত্তরসূরি হিসেবে তোকায়েভ ক্ষমতায় আসেন।শুরুতে নাজারবায়েভের প্রভাব থাকলেও ২০২২ সালের প্রাণঘাতী দাঙ্গার পর তোকায়েভ তার পূর্বসূরিকে সব ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন।বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২ শতাংশ উৎপাদনকারী এই দেশটি বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্ব, রাশিয়া এবং চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলছে।রয়টার্স জানিয়েছে, নতুন সংবিধানের অধীনে তোকায়েভের পুনরায় ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থাকলেও এ বিষয়ে এখনও কোনও স্থির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।এবি 
    মুসলিমবিশ্বের জন্য বিশাল পরিকল্পনা এরদোয়ানের
    মুসলিমবিশ্বের বিপুল অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে কার্যকর শক্তিতে পরিণত করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও কার্যকর পরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান।ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) পরিবহনমন্ত্রীদের সম্মেলনে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, মুসলিম দেশগুলো এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিস্তৃত এক বিশাল ভূখণ্ডে অবস্থান করছে। এই বিস্তৃত অঞ্চল কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক করিডোর, উদ্যমী তরুণ জনগোষ্ঠী এবং দ্রুত সম্প্রসারণশীল বাজার—এই তিন শক্তিকে সমন্বিত করতে হলে একটি আধুনিক, নির্ভরযোগ্য ও দক্ষ যোগাযোগ অবকাঠামো অপরিহার্য।সুসংহত পরিবহনব্যবস্থাই পারে এসব সম্ভাবনাকে বাস্তব উন্নয়নে রূপ দিতে।তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, মহাসড়ক, রেলপথ, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরসমূহের পারস্পরিক সংযোগ জোরদার করা গেলে তা শুধু বাণিজ্য সম্প্রসারণেই সহায়ক হবে না; বরং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগও বৃদ্ধি পাবে।নিজ দেশের অগ্রগতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি মারমারে রেল টানেল, ইউরেশিয়া টানেল এবং বৃহৎ সেতু নির্মাণের কথা উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে তুরস্ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে নিজেদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করেছে।বিশেষভাবে ট্রান্স-কাস্পিয়ান ইস্ট-ওয়েস্ট মিডল করিডোর প্রকল্পের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ঐতিহাসিক সিল্ক রোডকে আধুনিক রূপে পুনর্জীবিত করার প্রচেষ্টা।এরদোয়ান স্পষ্ট করেন, তুরস্কের এসব বৃহৎ বিনিয়োগ কেবল জাতীয় স্বার্থে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে সংহতি বৃদ্ধি এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত করিডোর প্রতিষ্ঠাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।সূত্র : আরটিএবি 
    ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন কারাবন্দি ইমরান খান
    আদিয়ালা কারাগারে বন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার দৃষ্টিশক্তির ৮৫ শতাংশই হারিয়ে অন্ধ হতে যাচ্ছেন। কারাবন্দি অবস্থায় নানা জটিলতার কারণে তার ডান চোখে মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টি অবশিষ্ট রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়া এক মেডিকেল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে এ তথ্য।ইমরান খানের আইনজীবী ব্যারিস্টার সালমান সাফদার অভিযোগ করেছেন, টানা তিন মাস অভিযোগ জানানোর পরও কারা কর্তৃপক্ষ তার চোখের চিকিৎসার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুই ঘণ্টা ধরে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং কারাগার পরিদর্শন করেন সালমান সাফদার। এরপর বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টে সাত পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দেন ওই আইনজীবী।সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান গত তিন মাসে দ্রুত দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন এবং এক পর্যায়ে তার ডান চোখে হঠাৎ সম্পূর্ণ দৃষ্টি চলে যায়।গত ৬ ফেব্রুয়ারির একটি মেডিকেল রিপোর্টে তার রাইট সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন রোগ নির্ণয় করা হয়। এ রোগে চোখে রক্ত জমাট বেঁধে রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, চিকিৎসায় আরও বিলম্ব হলে ইমরান খানের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এতে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকসহ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দ্রুত স্বাধীন মেডিকেল বোর্ড গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ইমরান খানের চোখ পরীক্ষা করতে একটি মেডিকেল টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তার দুই ছেলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ইয়াহিয়া আফ্রিদি বলেন, ইমরার খানের স্বাস্থ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এ ক্ষেত্রে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ছিল।সূত্র: আল-জাজিরাএবি 
    নীল নদে ডুবে মারা গেল নারী-শিশুসহ ২১ জন
    উত্তর সুদানের নাইল রাজ্যে নীল নদে যাত্রীবাহী একটি ফেরি ডুবে নারী, শিশু ও বৃদ্ধাসহ অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও অন্তত ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সুদানের সিভিল ডিফেন্স বিভাগ জানায়, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় টাইবা আল-খাওয়াদ ও ডেইম আল-কারাই গ্রামের মধ্যে চলাচলের সময় ফেরিটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।ফেরিটিতে আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে সুদানের সিভিল ডিফেন্স বিভাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক, পুলিশ মেজর জেনারেল কুরাশি হুসেইন জানান, দুর্ঘটনার পর ছয় থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১২ জন নিখোঁজ থাকায় তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকাজ জোরদার করতে রাজধানী খার্তুম থেকে একটি বিশেষ দক্ষ দল পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি নাইল নদী রাজ্যের সব সিভিল ডিফেন্স ইউনিটকে অভিযানে যুক্ত করা হয়েছে। এদিকে, সুদান ডাক্তার নেটওয়ার্ক এক পোস্টে জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনা সুদানের নদী পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবকে আবারও সামনে এনেছে।উত্তর সুদানের নদীতে ফেরি দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ সালে নীল নদে একটি ফেরি ডুবে অন্তত ২৩ জন প্রাণ হারান, যাদের বেশিরভাগই ছিল শিশু। সে সময় শিশুদের স্কুলে নেয়ার পথে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।সূত্র: আল জাজিরাএবি 
    উত্তরসূরি হিসেবে মেয়েকে প্রস্তুত করছেন কিম জং উন
    উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন তার মেয়েকে উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে ধারণা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদ সদস্যরা বলেছেন, দেশের নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়েও কিম জং উনের মেয়ে মতামত দিচ্ছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার এক ব্রিফিংয়ের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির সংসদ সদস্যরা।সংসদ সদস্যরা বলেছেন, কিম জং উনের কন্যা কিম জু আয়ে ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির আসন্ন বৈঠকে উপস্থিত থাকেন কি না এবং তাকে কীভাবে উপস্থাপন করা হয়, এমনকি তিনি কোনও আনুষ্ঠানিক পদ গ্রহণ করেন কি না, সেই বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএস)।এনআইএসের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির আইনপ্রণেতা লি সিয়ং কুয়েন বলেন, ‌‌অতীতে এনআইএস কিম জু আয়েকে ‘উত্তরসূরি হিসেবে শেখার পর্যায়ে আছে বলে বর্ণনা করেছিল। কিন্তু আজ যে শব্দচয়ন ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে তিনি অভ্যন্তরীণভাবে উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর্যায়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।কিম জু আয়ের বয়স কিশোর বয়সের শুরুর দিকে রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। বিশ্লেষকদের মধ্যে জল্পনা রয়েছে, তাকে দেশের চতুর্থ প্রজন্মের নেতা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এর মধ্যেই তিনি উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে ক্রমান্বয়ে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থিত হচ্ছেন। অস্ত্র প্রকল্প পরিদর্শনসহ বিভিন্ন মাঠপর্যায়ের নির্দেশনামূলক কার্যক্রমে বাবার সঙ্গে তাকে দেখা যাচ্ছে।লি সিয়ং কুয়েন ও আরেক আইনপ্রণেতা পার্ক সুন-উন বলেছেন, এনআইএস মনে করে, তিনি নীতিগত বিষয়ে মতামত দেওয়া শুরু করেছেন এবং বাস্তবে তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।উত্তর কোরিয়া ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ওয়ার্কার্স পার্টি নবম কংগ্রেসের উদ্বোধনী বৈঠক আয়োজন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ওই বৈঠকে আগামী কয়েক বছরের জন্য অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বড় ধরনের নীতিগত লক্ষ্য প্রকাশ করা হবে।আইনপ্রণেতা পার্ক ও লি বলেছেন, নেতা কিম জং উন বড় আকারের সাবমেরিন প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন, যা সর্বোচ্চ ১০টি সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (এসএলবিএম) বহনে সক্ষম হতে পারে। তাদের মতে, জাহাজটির স্থানচ্যুতি ৮ হাজার ৭০০ টন হওয়ায় এটি পারমাণবিক চুল্লিচালিত হিসেবে নকশা করা হয়ে থাকতে পারে।সূত্র: রয়টার্স।এবি 
    বাংলাদেশের নির্বাচনের ফলাফলের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি: ভারত
    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের ফলাফল না আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা উচিত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে চলমান নির্বাচন নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করব এবং দেখব কেমন ম্যান্ডেট আসে, তারপর আমরা বাকি বিষয়গুলো দেখব।’ জয়সওয়াল বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কে ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, প্রতিবেশী দেশটিতে ‘অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচ’-এর পক্ষে নয়াদিল্লি সবসময় অবস্থান নিয়েছে।হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর এটি দেশটির প্রথম নির্বাচন। এরপর থেকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দেশ পরিচালনা করে আসছে।বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার দিকে গণনা শুরু হয়। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামপন্থি জোটকে পরাজিত করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন বিএনপি প্রধান তারেক রহমান।প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, তারেক রহমান দেশের সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন একটি জোটের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন। বিএনপি শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। মা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তারেক রহমান গত বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরেন। খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর মারা যান।অন্যদিকে, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি নির্বাচনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শফিকুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ফলাফল নিশ্চিত করতে তার দল ‘যা প্রয়োজন, তাই করবে।’বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ফলাফল রাতের মধ্যেই আসতে পারে। বাংলাদেশের উভয় পক্ষের রাজনৈতিক নেতারা হুমকির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে, দেশটির নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত কেবল কয়েকটি ছোটখাটো বিঘ্নের ঘটনা জানিয়েছে।এমআর-২
    ট্রাম্পকে নিয়ে তর্ক করায় মেয়েকে গুলি করে হত্যা
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে রাজনৈতিক তর্কের জেরে টেক্সাসে নিজের বাবার হাতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন লুসি হ্যারিসন (২৩) নামে এক ব্রিটিশ তরুণী। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের চেশায়ার কর্নার্স কোর্টে শুরু হওয়া এক ইনকুয়েস্ট (তদন্ত শুনানি) থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।নিহত লুসি হ্যারিসন চেশায়ারের ওয়ারিংটনের বাসিন্দা ছিলেন। গত বছরের ১০ জানুয়ারি টেক্সাসের ডালাসের কাছে প্রসপার এলাকায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে এই দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। শুনানিতে লুসির প্রেমিক স্যাম লিটলার বলেন, ঘটনার দিন সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ ও তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে বাবা ক্রিস হ্যারিসনের সঙ্গে লুসির ব্যাপক তর্কাতর্কি হয়। তর্কের একপর্যায়ে লুসি তার বাবাকে প্রশ্ন করেন, ট্রাম্পের দ্বারা লাঞ্ছিত কোনো নারীর জায়গায় যদি লুসি নিজে থাকতেন, তবে তার বাবা কেমন বোধ করতেন? জবাবে ক্রিস হ্যারিসন তাচ্ছিল্য করে বলেন, তার আরও দুই মেয়ে আছে, তাই এতে তিনি খুব একটা বিচলিত হবেন না। বাবার এমন মন্তব্যে লুসি অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।তদন্তে জানা যায়, ওইদিনই বিকালে লুসি এবং তার প্রেমিকের বিমানবন্দরে যাওয়ার কথা ছিল। রওনা হওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে ক্রিস হ্যারিসন তার মেয়েকে হাত ধরে বেডরুমে নিয়ে যান তার নতুন কেনা ‘গ্লক ৯এমএম’ সেমি-অটোমেটিক হ্যান্ডগানটি দেখানোর জন্য। এর মাত্র ১৫ সেকেন্ডের মাথায় একটি বিকট গুলির শব্দ শোনা যায়। লুসির প্রেমিক ঘরে ঢুকে দেখেন লুসি রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন এবং ক্রিস পাগলের মতো চিৎকার করছেন।আদালত জানতে পেরেছে, ক্রিস হ্যারিসন আগে থেকেই মদ্যপানের সমস্যায় ভুগে রিহ্যাবে ছিলেন। দুর্ঘটনার দিন তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে আবারও প্রায় ৫০০ মিলিলিটার মদপান করেন। পুলিশ অফিসার লুসিয়ানা এসক্যালেরা জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ক্রিসের নিশ্বাসে অ্যালকোহলের তীব্র গন্ধ পাওয়া গিয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে ঘটনার কিছুক্ষণ আগে মদ কিনতে দেখা গেছে।টেক্সাসের গ্র্যান্ড জুরি ক্রিস হ্যারিসনের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা আনেনি, যা নিয়ে লুসির পরিবারে অসন্তোষ রয়েছে। তবে ক্রিস হ্যারিসন এক বিবৃতিতে জানান, এই ভুলের বোঝা তিনি সারা জীবন বয়ে বেড়াবেন। অন্যদিকে, লুসির মা জেন কোটস তার মেয়েকে একজন ‘প্রাণবন্ত ও সংবেদনশীল মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, লুসি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে ভালোবাসত।এমআর-২

    বিনোদন

    সব দেখুন
    ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরেই মারা গেলেন অভিনেতা তিনু করিম
    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তিনু করিম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। অভিনেতা আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)  বরিশালে নিজ গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী হুমায়রা নওশিন। অভিনেতার ১১ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েক দিন আগেই স্ত্রী-সন্তানসহ বরিশালের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনু করিম। সবকিছু স্বাভাবিকই ছিল। হঠাৎ দুপুরের দিকে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকেই তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে নতুন করে জীবনে ফিরেছিলেন এই অভিনেতা। গত বছরের নভেম্বর মাসে বরিশালে অবস্থানকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় এনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা ৪০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্টে কাটাতে হয়েছে অনেকটা সময়। চিকিৎসকেরা যখন আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখনই আশ্চর্যজনকভাবে সাড়া দেন তিনু করিম। পরে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে জানুয়ারির শুরুতে বাসায় ফেরেন। কিন্তু সুস্থতার সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হলো না। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আবারও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন তিনি।অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন,  তিনু করিম পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বরিশাল গেল। তার গলায় দীর্ঘদিন নল দেয়ার কারণে কথা বলতে একটু সমস্যা হতো। এছাড়া সে সুস্থ ছিল। আজকে সকালে সে ভোট দিয়ে এসেছে। এর পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার স্ত্রী জানালো সে ভোট দিয়ে এসে অসুস্থ অনুভব করে, এরপর তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনু করিম। ২০০১ সালে ‘সাক্ষর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে তার। এরপর একে একে অভিনয় করেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও বিজ্ঞাপনে। ২০১০ সালে ‘অপেক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায়ও কাজ করেন। ‘রাত জাগা ফুল’, ‘আলতা বানু’সহ নানা নাটকে তার অভিনয় দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। একটি মুঠোফোন অপারেটরের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার অকাল প্রয়াণে সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে তাঁর স্মৃতিচারণ করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এইচএ
    বান্দার কঠিন সময়গুলোতে শুধু আমাদের রব থাকবেন: সালমা
    ব্যক্তিগত জীবনে বেশ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তার দ্বিতীয় স্বামী আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরে। বিচ্ছেদের এই ধকল সামলাতে গিয়ে তীব্র একাকিত্বে ভুগছেন ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ খ্যাত এই তারকা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি জানালেন নিজের বর্তমান মানসিক অবস্থার কথা।বিচ্ছেদের যন্ত্রণার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার ওপর অগাধ বিশ্বাস রেখেছেন সালমা। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “মাঝে মাঝে আল্লাহ তায়ালা আমাদের একা করে দেন, পুরোপুরি একা। ঠিক সেই মুহূর্তে আমরা বুঝি এই দুনিয়ায় আমরা যাদের বাঁচাতে চেয়েছি, যাদের আপন ভেবেছি, নিজের থেকেও যাদের ওপর বেশি ভরসা করেছি, তারা কেউই পুরোপুরি আমাদের নয়। কেউ না।”জীবনের এই দুঃসময়ে তিনি নবী-রাসুলদের পরীক্ষার উদাহরণ টেনেছেন। নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে সালমা লিখেছেন, “ইউনুস আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য গভীর সমুদ্রে মাছের পেটে যেমন কেউ ছিল না, বিবি হাজেরার জন্য জনশূন্য মরুভূমিতে যখন কেউ ছিল না, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া শিশু মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশেও কেউ ছিল না। সর্বদা মনে রাখবেন, বান্দার কঠিন সময়গুলোতে শুধু আমাদের রব ছিলেন, তিনি আছেন এবং শেষ পর্যন্ত শুধু তিনিই থাকবেন।”প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের শেষদিনে পারিবারিকভাবে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সালমা। পরের বছর জানুয়ারিতে ধুমধাম করে স্বামীকে গণমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাত বছরের মাথায় এসে সেই সংসারও টিকল না। এর আগে ২০১১ সালে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সালমা। তাদের সংসারে স্নেহা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে বনিবনা না হওয়ায় সেই সংসারেরও ইতি ঘটেছিল।এইচএ
    সৌদি বিমানবন্দরে পূর্ণিমাকে দেখে তরুণের কাণ্ড
    ওমরাহ পালন করতে কিছুদিন আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। সেখানের একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। গতকাল একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি।ভিডিওটিতে দেখা যায়, সৌদিতে অবস্থানকালে বিমানবন্দরে এক যুবকের মুখোমুখি হন পূর্ণিমা।সেখানে কথা বলার এক পর্যায়ে ওই যুবক পূর্ণিমাকে উদ্দেশ্য করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘চেহারা দেখে তো একদম পূর্ণিমা আপুর মতো লাগছে।’  সরাসরি নিজের প্রশংসা শুনে স্বভাবসুলভ হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া জানান এই অভিনেত্রী। মজার ছলে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমাকেও সবাই বলে, আমার চেহারা নাকি দেখতে পূর্ণিমার মতো লাগে।’তাদের এই কথোপকথনের ভিডিওটি সামাজিক  মাধ্যমে আসার পর থেকেই অনুরাগী ও সাধারণ নেটিজেনরা বেশ উপভোগ করছেন।মন্তব্যের ঘরে কেউ কেউ বলছেন, চিরযৌবনা এই নায়িকার চেহারার উজ্জ্বলতা যেন সময়ের সঙ্গে আরও বাড়ছে। ইবাদতের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। সেখান থেকে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকাই সিনেমার অন্যতম এই শীর্ষ নায়িকা দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন।বর্তমানে সিনেমার কাজ কমিয়ে দিলেও বিশেষ বিশেষ কাজ ও অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় তাকে প্রায়ই দেখা যায়।এইচএ
    ৫২ বছরে রানওয়েতে রাজকীয় গ্ল্যামার দেখালেন কারিশমা কাপুর
    ৯০ দশকের পর্দা কাঁপানো গ্ল্যামার কুইন কারিশমা কাপুর। সময় বদলেছে, ফ্যাশনের সংজ্ঞা বদলেছে,তবু তার স্টাইল সেন্স চিরসবুজ। ক্লাসিক শাড়ির আভিজাত্য হোক বা এলিগ্যান্ট কুর্তা সেটের সৌন্দর্য, প্রতিটি লুকে তিনি রয়ে যান মার্জিত ও আত্মবিশ্বাসী।৫২-এ পা রেখেও ফ্যাশনের ক্ষেত্রে তার কোনও আপস নেই। বরং বয়স যেন তাকে দিয়েছে আরও পরিপক্কতা। তার উপস্থিতিতেই তিনি আলাদা করে নজর কাড়েন। দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন তার মোহময় ব্যক্তিত্ব,ভঙ্গি এবং অনবদ্য স্টাইল দিয়ে।সম্প্রতি দুবাইয়ের শো-স্টাপার হিসেবে হাজির হয়ে কারিশমা যেন অন্য যুগে নিয়ে গেলেন দর্শকদের। ঝলমলে নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত রাজকীয়তায় মোড়া একটি উপস্থিতি-যেখানে আভিজাত্যই ছিল মূল আকর্ষণ। রানওয়েতে পা রাখতেই মনে হলো যেন ব্রিজারটনের রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এসেছেন।পীচ রঙের ফিটেড, মেঝে ছোঁয়া গাউন হাঁটু পর্যন্ত শরীরকে জড়িয়ে ধরে। কাঠামোবদ্ধ অথচ কোমল কাপড়, ভারী পৃষ্ঠকাজ-সব মিলিয়ে গাউনে ছিল নিখুঁত ভারসাম্য।অফ-শোল্ডার বডিসটি সাজানো ছিল থ্রিডি ফুলের অ্যাপ্লিক দিয়ে। গলার রেখা থেকে হাতা পর্যন্ত স্তরভিত্তিক পাপড়ি, স্ফটিক এবং পুঁতির সূক্ষ্ম কাজ গাউনের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ করেছে। কাঁধ থেকে ঝরে পড়া স্ফটিকের সুতা আলো স্পর্শ করলে যেন ঝলসে উঠছিল।গাউনের গায়ে জুড়ে ছোট ছোট পাথর ও সিকুইনের সূক্ষ্ম অলঙ্করণ নাটকীয়তা বাড়িয়েছে।লুকের চূড়ান্ত নাটকীয়তা আসে বিশাল ট্রেনে। প্লিটেড ফ্যাব্রিক প্যানেলে গড়া এই অংশ তরঙ্গের মতো বক্ররেখা তৈরি করে পিছনে ও পাশে স্তরে স্তরে ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রতিটি ভাঁজে সূক্ষ্ম অলঙ্করণ চলার সঙ্গে সঙ্গে আলো ধরে এক নতুনমাত্রা তৈরি করছিল।চুল ছিল মসৃণ, নিচু পনিটেলে বাঁধা, যা নেকলাইন ও গাউনের পেছনের সৌন্দর্য আরও উজ্জ্বল করেছে। মেকআপে ক্লাসিক ছোঁয়া-মসৃণ বেস, নরম কনট্যুর, পীচি ব্লাশে উজ্জ্বল ত্বক। চোখে নিউট্রাল শ্যাডো, শার্প লাইনার, ঠোঁটে ছিল গোলাপি-বাদামি আভা।গহনায় খুব সাধারণ নেকলেস বা ভারী কানের দুল না পরে শুধু একটি আংটি বেছে নিয়েছিলেন।তার এই লুক একসঙ্গে রাজকীয় এবং রোমান্টিক। ঝলক নয় বরং মাধুর্য দিয়ে সবার নজর কেড়েছেন। দুবাইয়ের সেই সন্ধ্যায়, পীচ রঙা গাউনে তিনি শুধু রানওয়ে হাঁটেননি সময়কেও যেন থামিয়ে দিয়েছিলেন।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    ভোট উৎসবে যমুনা সেতুতে একদিনে পৌনে ৩ কোটি টাকার টোল আদায়
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ, যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানবাহনের অভূতপূর্ব চাপ।  গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৩৬ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে মোট ২ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। দুই ঈদ উৎসবের সময়কাল বাদ দিলে সাধারণ সময়ে এটি যমুনা সেতুর ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের টোল ম্যানেজার প্রবীর কুমার ঘোষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।যমুনা সেতু সাইট অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ২৩ হাজার ৯৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী লেনে পারাপার হওয়া ১২ হাজার ৯৩৪টি যানবাহন থেকে সেতু কর্তৃপক্ষের তহবিলে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা টোল জমা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের বাড়ি ফেরার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যান চলাচলের হার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।যানবাহনের এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরো এলাকাটি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটলা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। ঘরমুখো মানুষের এই স্রোত আজ বুধবার সারাদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নির্বাচনের দিন যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অধিকাংশ মানুষ আজ বিকেলের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য অতিরিক্ত বুথ সক্রিয় রাখা হয়েছে। মহাসড়কের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও যানবাহনের সংখ্যার কারণে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা এবং জেলা পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে যাতে ভোটাররা সঠিক সময়ে তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছাতে পারেন।এইচএ
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    এবারের পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।এতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এমআর-২
    এবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।নতুন চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।চুক্তি স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।এর আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শুল্কহ্রাসের আশা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছিলাম যে আরও কত কমানো যায়। আশা করছি ৯ তারিখে যে চুক্তি হবে, তাতে তা (শুল্কহার) কমবে। তবে কতটুকু কমবে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে চাচ্ছি না বা পারছি না। আমরা আলোচনার ভিত্তিতে তা দেখব।এফএস
    ভোটের আগে দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলার
    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন। প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় রিজার্ভ বাড়ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ৯ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ২৯ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা ডলার সংকট কমাতে সাহায্য করেছে। একই সঙ্গে, ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ডলার কেনার ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারিতেও প্রবাসী আয়ের উল্লম্ফন অব্যাহত রয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ৮ দিনে এক বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।  এদিকে প্রবাসী আয়ের উল্লম্ফনের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হওয়ায় ডলারের মূল্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার যোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার ১৯ ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪৭৩ কোটি মার্কিন ডলার ( ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশের ডলার বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। তখন প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নিলেও ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। একপর্যায়ে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করতে হয়। এরপরও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, তিন অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করে। এর মধ্যে ২০২১-২২ অর্থবছরে সাত দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। অথচ এ সময়ে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কেনা হয়েছে মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের মতো।তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থপাচার বন্ধে বর্তমান সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। এতে রপ্তানি ও প্রবাসী আয়– উভয়ই বেড়েছে। ফলে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ বাড়লেও সে অনুযায়ী চাহিদা না থাকায় স্বাভাবিকভাবে ডলারের দাম কমে যাওয়ার কথা। তবে, ডলার বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজ উদ্যোগে বাজার থেকে ডলার কিনছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। ডলারের দাম যেন অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখছে। ডলারের দর কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে বলে জানান তিনি।এমআর-২
    নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
    সরাসরি-বেসরকা‌রি ঋণ প্রবৃ‌দ্ধি বাড়িয়ে ও নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি–জুন)  মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে কঠোর (সংকোচনশীল) মুদ্রানীতির অবস্থান বজায় রেখে নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে তৃতীয় ও শেষ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বছরে দুইবার ('জানুয়ারি-জুন' ও 'জুলাই-ডিসেম্বর' সময়ের জন্য) মুদ্রানীতি নীতি ঘোষণা করে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছর গড় মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যদিও এখন মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে রয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর প্রধান নীতি সুদহার রেপো ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে। মূলত ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সরকারি সিকিউরিটিজ বন্ধক রেখে রেপোর বিপরীতে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেয়।অন্যদিকে, নতুন মুদ্রানীতিতে আন্তঃব্যাংক ধার নেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি সুদহার স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকছে। এছাড়া স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৮ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে টাকা রাখার ক্ষেত্রে এ সুদহার প্রযোজ্য হয়। গভর্নর জানান, আমরা চাই ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা না রেখে বিনিয়োগে যাক। তাই এসডিএফ কমানো হয়েছে; আগামীতে আরও কমানো হবে। বেসরকারি খাতে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা আগের মুদ্রানীতিতে বেশি থাকলেও তা পূরণ হয়নি। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগ বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশায় নতুন ছয় মাসের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি সামান্য বাড়া‌নো হ‌য়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। আগামী জুন পর্যন্ত বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ দশ‌মিক ৫ শতাংশ নেওয়ার লক্ষ‌্য ঠিক করা হয়েছে।একইভাবে সরকারি খাতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঋণ কিছুটা কম হয়েছে। নতুন মুদ্রানীতিতে এই খাতে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ২১ দশ‌মিক ৬ শতাংশ ধরা হয়েছে। গত অর্থবছরে সরকারি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ২০ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হলেও ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়েছিল ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ।এইচএ
    আজ রাত ১২টা থেকে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বন্ধ থাকবে ৪ দিন
    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন বন্ধ থাকবে ৪ দিন। বিকাশ, রকেট ও নগদসহ সব এমএফএস প্ল্যাটফর্মে একবারে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা (শুধু পিটুপি) পাঠানো যাবে।এছাড়া, দিনে সর্বোচ্চ ১০বার লেনদেন করা যাবে, যার মোট সীমা হবে ১০ হাজার টাকা।গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর থাকবে। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর বন্ধ থাকবে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা কার্যকর থাকবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো যাবে এবং দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০টিতে সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন চলবে। এছাড়া এমএফএসের মাধ্যমে অন্যান্য সব ধরনের লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।নির্বাচন উপলক্ষে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রতিটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া নির্ধারিত সময়ে সব ধরনের লেনদেনের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি (ক্লোজ মনিটরিং) চালানো হবে। সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ সময় পি-টু-পি ইন্টারনেট (আইবিএফটির মাধ্যমে লেনদেন) ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী এমএফএস ও ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলে স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে বলে জানানো হয়।এইচএ
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    আসন্ন পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ
    ভোট উৎসবে যমুনা সেতুতে একদিনে পৌনে ৩ কোটি টাকার টোল আদায়
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ, যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানবাহনের অভূতপূর্ব চাপ।  গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৩৬ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে মোট ২ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। দুই ঈদ উৎসবের সময়কাল বাদ দিলে সাধারণ সময়ে এটি যমুনা সেতুর ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের টোল ম্যানেজার প্রবীর কুমার ঘোষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।যমুনা সেতু সাইট অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ২৩ হাজার ৯৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী লেনে পারাপার হওয়া ১২ হাজার ৯৩৪টি যানবাহন থেকে সেতু কর্তৃপক্ষের তহবিলে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা টোল জমা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের বাড়ি ফেরার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যান চলাচলের হার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।যানবাহনের এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরো এলাকাটি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটলা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। ঘরমুখো মানুষের এই স্রোত আজ বুধবার সারাদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নির্বাচনের দিন যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অধিকাংশ মানুষ আজ বিকেলের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য অতিরিক্ত বুথ সক্রিয় রাখা হয়েছে। মহাসড়কের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও যানবাহনের সংখ্যার কারণে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা এবং জেলা পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে যাতে ভোটাররা সঠিক সময়ে তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছাতে পারেন।এইচএ
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    এবারের পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।এতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এমআর-২
    এবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।নতুন চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।চুক্তি স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।এর আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শুল্কহ্রাসের আশা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছিলাম যে আরও কত কমানো যায়। আশা করছি ৯ তারিখে যে চুক্তি হবে, তাতে তা (শুল্কহার) কমবে। তবে কতটুকু কমবে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে চাচ্ছি না বা পারছি না। আমরা আলোচনার ভিত্তিতে তা দেখব।এফএস
    ভোটের আগে দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলার
    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন। প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় রিজার্ভ বাড়ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ৯ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ২৯ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা ডলার সংকট কমাতে সাহায্য করেছে। একই সঙ্গে, ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ডলার কেনার ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারিতেও প্রবাসী আয়ের উল্লম্ফন অব্যাহত রয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ৮ দিনে এক বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।  এদিকে প্রবাসী আয়ের উল্লম্ফনের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হওয়ায় ডলারের মূল্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার যোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার ১৯ ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪৭৩ কোটি মার্কিন ডলার ( ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশের ডলার বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। তখন প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নিলেও ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। একপর্যায়ে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করতে হয়। এরপরও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, তিন অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করে। এর মধ্যে ২০২১-২২ অর্থবছরে সাত দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। অথচ এ সময়ে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কেনা হয়েছে মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের মতো।তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থপাচার বন্ধে বর্তমান সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। এতে রপ্তানি ও প্রবাসী আয়– উভয়ই বেড়েছে। ফলে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ বাড়লেও সে অনুযায়ী চাহিদা না থাকায় স্বাভাবিকভাবে ডলারের দাম কমে যাওয়ার কথা। তবে, ডলার বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজ উদ্যোগে বাজার থেকে ডলার কিনছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। ডলারের দাম যেন অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখছে। ডলারের দর কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে বলে জানান তিনি।এমআর-২
    নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
    সরাসরি-বেসরকা‌রি ঋণ প্রবৃ‌দ্ধি বাড়িয়ে ও নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি–জুন)  মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে কঠোর (সংকোচনশীল) মুদ্রানীতির অবস্থান বজায় রেখে নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে তৃতীয় ও শেষ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বছরে দুইবার ('জানুয়ারি-জুন' ও 'জুলাই-ডিসেম্বর' সময়ের জন্য) মুদ্রানীতি নীতি ঘোষণা করে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছর গড় মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যদিও এখন মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে রয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর প্রধান নীতি সুদহার রেপো ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে। মূলত ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সরকারি সিকিউরিটিজ বন্ধক রেখে রেপোর বিপরীতে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেয়।অন্যদিকে, নতুন মুদ্রানীতিতে আন্তঃব্যাংক ধার নেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি সুদহার স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকছে। এছাড়া স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৮ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে টাকা রাখার ক্ষেত্রে এ সুদহার প্রযোজ্য হয়। গভর্নর জানান, আমরা চাই ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা না রেখে বিনিয়োগে যাক। তাই এসডিএফ কমানো হয়েছে; আগামীতে আরও কমানো হবে। বেসরকারি খাতে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা আগের মুদ্রানীতিতে বেশি থাকলেও তা পূরণ হয়নি। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগ বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশায় নতুন ছয় মাসের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি সামান্য বাড়া‌নো হ‌য়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। আগামী জুন পর্যন্ত বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ দশ‌মিক ৫ শতাংশ নেওয়ার লক্ষ‌্য ঠিক করা হয়েছে।একইভাবে সরকারি খাতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঋণ কিছুটা কম হয়েছে। নতুন মুদ্রানীতিতে এই খাতে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ২১ দশ‌মিক ৬ শতাংশ ধরা হয়েছে। গত অর্থবছরে সরকারি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ২০ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হলেও ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়েছিল ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ।এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ছুটি শেষে যেদিন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
    দেশে অনুষ্ঠিত হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আজ ১৩ ও আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এর পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত (স্কুল–কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।সে হিসেবে টানা ৫ দিনের ছুটির পর আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরের প্রথম বড় ছুটি এটি। আর তালিকায় থাকা পঞ্চম ছুটি এটি। সবকিছু ঠিক থাকলে টানা ৫ দিন ছুটির পর আগামী সোমবার খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।একই সঙ্গে আগামী রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) টানা ৪ দিনের ছুটির পর খুলতে যাচ্ছে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা।এইচএ
    রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করা হয়েছে: সাদিক কায়েম
    রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, স্পষ্টতই মিডিয়া, এজেন্সি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে।বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে এ মন্তব্য করেন।পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর সন্ধ্যা থেকেই সারাদেশের বিভিন্ন আসনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের আচরণ হঠাৎ বদলে যায়। একইসাথে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে অনেক আসনে জনগণের রায় বদলানোর অপচেষ্টা করা হয়।এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-৮, ১৩, ১৭সহ দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল আটকে রেখে জনরায় বদলানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যার প্রমাণ স্পষ্ট। একইসাথে ঢাকা- ৪ ও ১৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরও স্থগিত করা হয়েছিল।সকল আসনের ফলাফল এখনও ঘোষণা করা না হলেও প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলকে ২০০+ আসনে বিজয়ী হয়েছে বলে প্রচার করে।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বলব, প্রতিটি আসনের সঠিক রেজাল্ট জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আরেকটি সাজানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে একটা দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা জুলাইয়ের শহীদদের স্পিরিটের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।এমআর-২
    নারী ভোটে বাজিমাত করবে জামায়াত: সাদিক কায়েম
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারী ভোটে বাজিমাত করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।পোস্টে তিনি লিখেন, নারী ভোটে বাজিমাত করবে জামায়াত। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গ্রামে-গঞ্জে নারীদের গণজোয়ার।এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট দিতে ফজরের নামাজ শেষ করেই কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন ভোটাররা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে। নারী, পুরুষ, তরুণ, প্রবীণ— সব বয়সি ভোটারদের উপস্থিতিতে অনেক কেন্দ্রেই তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ আবার প্রতিবেশীদের সঙ্গে এসেছেন।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সবশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচন বিতর্কের জন্ম দেয়। তাই সবার চোখ এবারের নির্বাচনে।এমআর-২
    পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি
    হঠাৎ করেই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিকাল ৩টায় ঘোষিত এই সংবাদ সম্মেলনকে ‘বিশেষ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে জনসংযোগের তরফে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে।জানা গেছে, উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এটি অনুষ্ঠিত হবে। রেজিস্ট্রার অফিস সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, এটি পূর্ব সিদ্ধান্ত নয়, হঠাৎ করেই জরুরি ভিত্তিতে সাংবাদিকদের ডাকা হয়েছে; যেখানে উপাচার্য নিজেই কথা বলবেন।এদিকে সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয় মহলে উপাচার্যের পদত্যাগের গুঞ্জন উঠেছে। এর আগেও উপাচার্যের বিদেশ সফরকে ঘিরে এই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। স্বভাবতই চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ক্যাম্পাস তথা শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট মহলে কৌতূহল বাড়ছে।যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগের গুঞ্জন নিছকই ‘গুজব’। তবে নির্বাচনের দুদিন আগে ঘোষিত এই সংবাদ সম্মেলনে ড. নিয়াজ তার উপাচার্য থাকা কিংবা না থাকার বিষয়টি পরবর্তী সরকারের ওপর ছেড়ে দেবেন। সে হিসেবে ‘সরকার যদি তাকে চান তবে থাকবেন; না চাইলে থাকবেন না’- এমন বক্তব্যও আসতে পারে জুলাই পরবর্তী এই উপাচার্যের পক্ষ থেকে। তবে ঠিক উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন; সেটি তিনি নিজেই জানেন।এইচএ

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    কাইয়ুমের বিরুদ্ধে নাহিদের আবেদনের শুনানি নির্বাচনের পর: আপিল বিভাগ
    দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে একই আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।  ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে বিএনপির দুই প্রার্থীর বৈধতা নিয়ে আপিল বিভাগে করা লিভ টু আপিল শুনানি হবে নির্বাচনের পর। আজ মঙ্গলবার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য থাকলেও নট টুডে আদেশ দেওয়া হয়।বিএনপির দুই প্রার্থী হলেন— ঢাকা-১১ আসনের এম এ কাইয়ুম ও বগুড়া-১ আসনের কাজী রফিকুল ইসলাম। এছাড়া কুমিল্লা-৩ আসনের কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রিটটি করেন একই আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। রিটে কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়। রিট খারিজ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, আপিল বিভাগে যাবেন নাহিদ ইসলাম। এদিকে এমএ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ ও সেখানে সম্পত্তি থাকার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেন তিনি। গত ১৯ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে গুঞ্জন ছড়ানো হয়েছে যে আমি ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক এবং সেখানে আমার বাড়ি বা বিনিয়োগ রয়েছে। এসব তথ্য মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ। ভানুয়াতুতে আমি কখনো পা ফেলিনি এবং অন্য কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিক হওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষাও আমার কখনো ছিল না।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।এইচএ

    প্রবাস

    সব দেখুন
    দূর মরিশাস থেকেও নাড়ির টান: সাত মাদ্রাসার এতিমদের দায়িত্বে প্রবাসী আকাশ
    হাজার মাইল দূরের মরিশাসের ব্যস্ত কর্মজীবনও তাকে শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রমের ফাঁকে ফাঁকে তার মন পড়ে থাকে দেশের সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের কথা ভেবে। সেই নাড়ির টান থেকেই ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সাতটি মাদ্রাসার এতিমদের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন প্রবাসী যুবক আকাশ মিয়া।নিজের উপার্জনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি নিয়মিত ব্যয় করছেন এসব এতিমখানার জন্য। প্রতিমাসে চাল ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার পাশাপাশি তীব্র শীত থেকে শিশুদের রক্ষায় এবার পাঠিয়েছেন বিশেষ উপহার—নতুন কম্বল।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই উপজেলার সাতটি মাদ্রাসার এতিমখানায় প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে নতুন কম্বল পৌঁছে দেওয়া হয়। কনকনে শীতের সকালে উষ্ণ কম্বল পেয়ে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি আর আনন্দের হাসি।আকাশ মিয়া ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রাম এলাকার জাকির মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে মরিশাসের ঈশান কামিনী কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে কর্মরত। প্রবাসে থেকেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদ্রাসাগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে আসছেন।আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরের তাহফিজুল কুরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ ইমামুদ্দিন ও জাটিগ্রাম শাহ আরজানিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মারুফ বিল্লাহ বলেন, “আকাশ মিয়া নিয়মিত আমাদের মাদ্রাসায় চালসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পাঠান। ফলে এতিম শিশুদের খাদ্যসংকটের চিন্তা করতে হয় না। এবার শীতের সময় কম্বল পাঠিয়ে তিনি বাচ্চাদের প্রতি তার মমতার প্রমাণ দিয়েছেন।”কাশিয়ানীর পোনা মারকাযুল উলুম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম ও খায়েরহাট ছায়াদাতিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা নুরুজ্জামানও একই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে আকাশ মিয়া যেভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের সামর্থ্যবানরা এভাবে এগিয়ে এলে এতিমদের জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়।”নিজের এই মানবিক উদ্যোগ সম্পর্কে মুঠোফোনে আকাশ মিয়া বলেন, “আমি প্রবাসে থাকলেও আমার এলাকার এতিম শিশুদের কথা সব সময় মনে পড়ে। আল্লাহ আমাকে যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন, তা দিয়ে তাদের পাশে থাকতে চাই। তাদের মুখে হাসি দেখলেই আমার সব কষ্ট ভুলে যাই। এটা কোনো দান নয়, এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা।”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আকাশ মিয়ার মতো প্রবাসী ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তাহলে দেশের এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ ও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।ইখা

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ঘাড় ব্যথা থেকে প্রতিকারের উপায়
    অনেকেরই ঘাড় ব্যথা একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান যুগে দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা, স্মার্টফোন ব্যবহারের আধিক্য এবং ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে এই সমস্যাটি সাধারণ মনে হলেও এটি কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এক সপ্তাহের বেশি ঘাড়ে ব্যথা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ঘাড় ব্যথা তীব্র হলে তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটায়, তাই সময়মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।চিকিৎসকদের মতে, ঘাড় ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা মাথা নিচু করে কাজ করা, যা ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, খেলাধুলার সময় চোট বা মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা যেমন স্পন্ডাইলোসিস এই ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত টানের ফলে সৃষ্ট মাসল স্প্যাজম যেমন কষ্টদায়ক হতে পারে, তেমনি সংক্রমণ, টিউমার বা আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও এই ব্যথার উৎস হতে পারে।ঘাড় ব্যথার লক্ষণ হিসেবে মূলত ঘাড়ে তীব্র বা হালকা ব্যথা, জ্বালাপোড়া অনুভব করা, ব্যথা হাতে বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়া এবং ঘনঘন মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।ঘাড় ব্যথার চিকিৎসা সাধারণত এর কারণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা পেশি শিথিলকারী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম ঘাড়ের পেশি শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর।এ ছাড়া ব্যথা কমাতে হিট বা আইস থেরাপি এবং মেরুদণ্ডের চাপ কমাতে ট্রাকশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন বা সবশেষে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।তবে প্রতিরোধের কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। দীর্ঘ সময় একভাবে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করার সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা এবং নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম করা জরুরি। পাশাপাশি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো যায়।নিজেই করুন প্রতিকার: প্রতিদিনকার রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে সাধারণ ঘাড় ব্যথার প্রতিকার করা যায়। বসে থাকার সময় আপনার মেরুদণ্ড যেন সরলরেখায় থাকে এবং কান সরাসরি আপনার কাঁধের ওপরে থাকে। দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ না করে এক ঘণ্টা পরপর ১০ মিনিট বিরতি নিন। যদি দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারে কাজ করেন, তবে উঠে পড়ুন, ঘুরে দেখুন এবং ঘাড় ও কাঁধ সামনে–পেছনে প্রসারিত করুন। কাজের টেবিল–চেয়ার ও কম্পিউটার এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যাতে মনিটর চোখের স্তরের সমান থাকে।  এইচএ 

    Loading…