ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার, প্রধানমন্ত্রীর গেজেট প্রকাশ
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পাশাপাশি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েও আলাদা গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়ে আলাদা গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।এর আগে বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।একই আয়োজনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৪৯ জন শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সবাইকে শপথ পাঠ করান।এফএস
আগামীকাল সচিবালয়ে অফিস করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী
দেশে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, নতুন সরকার গঠনের পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অফিস করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন তিনি।এছাড়া বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে ফিরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে তিনি অফিস করবেন।সেখানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। সভা শেষে সচিবালয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করে বিকাল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠক করবেন।মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।এমআর-২
জাতীয়
সব দেখুন
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যেসব সুবিধা পাবেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর আজ মঙ্গলবার শপথগ্রহণ করেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এরপর বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেন।১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকালে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’-এর ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। পাশাপাশি তিনি মাসে ১ লাখ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন, যদিও সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থাকে এবং তিনি সেখানে থাকেন।প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক ভাতা ৩ হাজার টাকা নির্ধারিত আছে। এছাড়া বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে তার জন্য ২৫ লাখ টাকার বিমা কভারেজ এবং দেড় কোটি টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল অর্পিত রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিনোদনের জন্য যে খরচ করা হয়, তা সম্পূর্ণ ভাতা হিসেবে তাকে প্রদান করা হবে। অফিস থেকে বাসায় এবং বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের সমস্ত খরচই সরকার বহন করবে।প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্দিষ্ট ব্যয়ও তিনি ভাতা হিসেবে পাবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটি খরচও সরকারই বহন করবে।এফএস
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চান জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।রাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের অবকাশে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।সাক্ষাৎকালে বিক্রম মিশ্রি দুই দেশের সম্পর্কের জনগণ-কেন্দ্রিক প্রকৃতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ডা. শফিকুর রহমানকে তার নতুন ভূমিকার জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের প্রতি ভারতের দীর্ঘস্থায়ী সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।এ সময় ডা. শফিকুর রহমান এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সভ্যতাগত বন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আরও শক্তিশালী,বন্ধুত্বপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এফএস
আব্বাস-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ
মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, রুহুল কবির রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।আজ (মঙ্গলবার) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রি পরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হলেন হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদুর রহমান, ড. মাহাদি আমিন এবং রেহানা আসিফ আসাদ।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।এর আগে আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী এমপিদের শপথ পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরুদ্দিন।আর বিকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী এবং ৪৯ জনকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।এফএস
ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার, প্রধানমন্ত্রীর গেজেট প্রকাশ
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পাশাপাশি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েও আলাদা গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়ে আলাদা গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।এর আগে বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।একই আয়োজনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৪৯ জন শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সবাইকে শপথ পাঠ করান।এফএস
যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ইশরাক
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিএনপি। এর পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলটি।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদে ডাক পেয়েছেন ঢাকা- ৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। তাদের মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জনের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলো।নতুন মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছেন, এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম, আমিনুল হক (টেকনোক্রেট)।এমআর-২
তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকার শপথ গ্রহণের পর সন্ধ্যায় তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির লোকসভার স্পিকার।স্পিকার ওম বিড়লা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। দুই নেতা জনকেন্দ্রিক সহযোগিতার তালিকা অনুসরণ করে বাংলাদেশ ও ভারতবাসীর কল্যাণে একত্রে কাজ করার আশা প্রকাশ করেছেন।নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের লোকসভার স্পিকার। তিনি এদিন দুপুরে ঢাকায় আসেন। তার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিও ঢাকায় এসেছেন।এমআর-২
কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ গ্রহণ করেছেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের উপস্থিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুর দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এরপর মন্ত্রীদের শপথ পড়ানো হয়, তারপর শপথ পাঠ করেন প্রতিমন্ত্রীরা।জানা যায়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।এছাড়া সালাউদ্দিন আহমদ- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন- মহিলা ও শিশু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আব্দুল আওয়াল মিন্টু- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, মিজানুর রহমান মিনু- ভূমি মন্ত্রণালয়, নিতাই রায় চৌধুরী- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।এছাড়া কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আরিফুল হক চৌধুরি- শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির- বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, জহির উদ্দিন স্বপন- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি- পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, এহসানুল হক মিলন- শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট), কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, খাদ্য মন্ত্রণালয়, আফরোজা খানম- বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, আসাদুল হাবীব দুলু- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, জাকারিয়া তাহের- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দীপেন দেওয়ান- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল- স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ফকির মাহবুব আনাম- ডাক ও টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং শেখ রবিউল আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, শরীফুল আলম- বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শামা ওবায়েদ- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু- কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল- ভূমি মন্ত্রণালয়, ফারহাদ হোসেন আজাদ- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট)- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এমআর-২
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হলেন মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিনি শপথ গ্রহণ করেন। তাকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ বাক্য পড়ান।এর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হন এবং ধীরে ধীরে বিএনপির প্রধান আন্দোলননির্ভর নেতৃত্বের একজন হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। এবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন তিনি। এমআর-২
সর্বশেষ প্রকাশিত
রাজনীতি
সব দেখুন
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।এর আগের সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা।এমআর-২
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।এর আগের সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা।এমআর-২
বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও হুইপ হলেন যারা
সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও হুইপ হিসেবে কারা দায়িত্ব পালন করবেন সে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন জামায়াত জোট।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমকর্মীদের এ বিষয়ে জানানো হয়। তথ্যমতে, সংসদে বিরোধী দলকে নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধী দলীয় উপনেতার দায়িত্ব পালন করবেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এছাড়া সংসদে বিরোধী দলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এরআগে, দুপুর ১২টার কিছু পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন জামায়াত ও জোটের এমপিরা। যদিও জামায়াতের সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে শপথ গ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জানিয়েছিলেন, বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াতের কেউ এমপি হিসেবে শপথ নেবে না। পরে জোটের নবনির্বাচিত সদস্যরা সংসদ ভবনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি বৈঠকে বসে। বৈঠকে শপথের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন তারা।এমআর-২
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হচ্ছেন খলিলুর রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হচ্ছেন। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে বেশ কয়েকজন। এ সময় খলিলুর রহমান ফোন পেয়েছেন বলে জানা গেছে।সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।জানা যায়, নতুন মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৫০। নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে আনা–নেওয়ার জন্য ৪৯টি গাড়ি পাঠাচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে ২৫ পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন।এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সংসদ ভবনের শপথ নেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যরা। শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।এমআর-২
মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন জোনায়েদ সাকি
নতুন মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়ার ডাক পেয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকি। তিনি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক। গণসংহতি আন্দোলনের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গণসংহতি আন্দোলন সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেও কোন মন্ত্রণালয়ের জন্য, পূর্ণ মন্ত্রী না প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি শপথ নেবেন, তা নিশ্চিত নয়।মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতটি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে।জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন হয়নি এবং জয়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।এমআর-২
তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে জুবাইদা ও জাইমা
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবনে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ানো হয়েছে সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে। এর আগে এ অনুষ্ঠান সরাসরি উপভোগ করতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে উপস্থিত হন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। বিএনপি-জামায়াতসহ সব দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথগ্রহণ কক্ষে এসে উপস্থিত হয়েছেন। এরমধ্যে বিএনপি জোটের ২১২ জন এবং জামায়াত ঐক্যের ৭৭ জন, স্বতন্ত্র ৭ ও ইসলামী আন্দোলনের একজন নির্বাচিত সদস্য রয়েছেন।এইচএ
সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।এদিন শপথ নিতে হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই সবুজ রঙের জার্সি গায়ে সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়। এরপর সেই জার্সি পরেই সংসদে শপথগ্রহণ করেন তিনি।হাসনাতের পরা সেই জার্সিটি সবুজ রঙের। সামনে স্পষ্ট করে লেখা ছিল তার বিভাগের নাম, আর বাম দিকের ওপরের অংশে ফুটে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো। জার্সির পেছনে ছিল তার নাম ‘হাসনাত’, সেই সঙ্গে রয়েছে ১০ নম্বর।এর আগে, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশের দিনও হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই জার্সি গায়ে দেখা যায়।এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।এমআর-২
বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াতের কেউ এমপি হিসেবে শপথ নেবে না: তাহের
বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াতের কেউ এমপি হিসেবে শপথ নেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সময় সংবাদকে তিনি বলেন, বিএনপি যদি সংবিধান সংশোধনী পরিষদের শপথ না নেয় তাহলে অভ্যুত্থানের পর যে সংস্কার আকাঙ্ক্ষা তা ব্যাহত হবে। আমরা জুলাইয়ের চেতনা সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। তারা সংবিধান সংশোধনী পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াতের কোনো এমপি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবে না। এখন পর্যন্ত এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। এদিকে আলোচনা করে শপথের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পাবনা-১ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান। আজ সংসদ সচিবালয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি রেখেছিল। তবে বিএনপি সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ করলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে। শপথ গ্রহণের আগে কক্সবাজার–১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ফরম থাকলেও আমরা (বিএনপি) কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। এছাড়া সংবিধানে এটা এখনও ধারণ করা হয়নি। তিনি বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের কে শপথ নেয়াবেন, সেটা বিধান করতে হবে।এইচএ
চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত
শপথ গ্রহণ করলেন তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যরা
নতুন সরকারে শপথ নিয়েছেন সংসদ সদস্যরা (এমপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে শপথ নেন তারেক রহমানসহ বিএনপির এমপিরা।শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে এমপিদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন। সূচি অনুযায়ী, শপথের পর বেলা সাড়ে ১১টায় বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন।ইখা
শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় পাকিস্তানের মন্ত্রী
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের মন্ত্রীর ঢাকায় আসার তথ্য জানিয়েছে দেশটির ঢাকার হাইকমিশন।হাইকমিশন জানায়, পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।তিনি ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম ও ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।ইখা
শপথ নিতে সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন তারেক রহমান
নতুন সরকারে শপথ নিতে জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি সংসদ ভবনে পৌঁছান।এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে রওয়ানা হন বিএনপির চেয়ারম্যান। বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে তিন ধাপে ১০০ জন করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দুপুরে বিএনপির সংসদীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে এবং বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন, যার ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী সংসদ ভবনের উন্মুক্ত চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দক্ষিণ প্লাজায় তৈরি করা হয়েছে বিশাল অস্থায়ী মঞ্চ ও ভিভিআইপি জোন। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত সংসদ ভবনকে মেরামত করে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। দেশি-বিদেশি প্রায় হাজার খানেক অতিথির উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ উদযাপিত হবে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়।আজকের এই শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে শুরু হচ্ছে ‘জুলাই সনদ’ ও সংবিধান সংস্কারের এক নতুন পথচলা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন।ইখা
এবার রাজধানীতে জুতার কারখানায় আগুন
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পর এবার পুরান ঢাকার আগা সাদেক সড়কে একটি জুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৪৫মিনিটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার শাহজাহান হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আগা সাদেক সড়কের আগামাসি লেনের ৭তলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি জুতার কারখানায় আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।এফএস
ঢাকা-৯ আসনে জয়ী বিএনপির হাবিবুর রশিদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন।হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৬৮১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৯৩টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৮টি।ইখা
যশোরে পরকীয়ার জেরে ছেলের বাবাকে পিটিয়ে জখম
যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটিতে পরকীয়া নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে মেয়ের বাবার মারধরে ছেলের বাবা আক্কাস আলী (৫৫) গুরুত্বর জখম হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের কাছে এই ঘটনা ঘটে। আহত আক্কাস আলী ঝাউদিয়া গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।আহত আক্কাস আলী জানান, তাঁর ছেলে মারুফ হোসেনের (২৫) সাথে পাশের বাদিয়াটোলা গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে জেসমিন খাতুনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মারুফ দুই মাসের একটি কন্যাসন্তানের জনক এবং জেসমিন চার বছরের একটি পুত্রসন্তানের জননী। পরকীয়ার জেরে তারা কয়েকদিন আগে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়।মঙ্গলবার সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে ডাকা হয়। ক্যাম্পে যাওয়ার পথে জেসমিনের বাবা জাকির হোসেনসহ দুইজন আক্কাস আলীর ওপর হামলা করেন। এ সময় হেলমেট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, আহত আক্কাস আলীর মাথার আঘাতটি গুরুতর। পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে তাঁর চিকিৎসাসেবা চলছে।সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুর রউফ জানান, পরকীয়ার জেরে মারুফ নামে এক যুবক এক সন্তানের জননী জেসমিনকে নিয়ে লাপাত্তা হন। এ ঘটনায় দুই পক্ষকে ক্যাম্পে ডাকা হয়েছিল। পথিমধ্যে মেয়ের বাবার হামলায় ছেলের বাবা জখম হন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ আরও জানায়, জেসমিন বর্তমানে তাঁর স্বামী ছেড়ে মারুফের সাথেই সংসার করতে আগ্রহী।এনআই
ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার দুই সহোদর বেনাপোলে গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জ জেলার একটি হত্যা মামলার আসামি দুই সহোদর সাদিকুর রহমান শামিম (৩৬) ও সাজিদুর রহমান (৩২)-কে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তারা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে গেলে পুলিশ তাদের আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই সুনামগঞ্জের হালুরগাঁও এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে।আটককৃত শামিম হোসেনের দাবি, তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। স্থানীয় পারিবারিক গণ্ডগোলের জেরে একটি মামলা তাদের নামে রয়েছে।বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, ওই দুই সহোদর বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের নামে পারিবারিক গণ্ডগোলের জেরে একটি হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া যায়। ইমিগ্রেশনের ‘কালো তালিকায়’ তাদের দুই ভাইয়ের নাম থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিক কাজ শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।বেনাপোল পোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই হত্যা মামলার আসামি। সুনামগঞ্জ মডেল থানার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে; আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ওই থানায় হস্তান্তর করা হবে।উল্লেখ্য, গত দেড় বছরে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে প্রায় ৪০ জন পাসপোর্টধারী যাত্রীকে হত্যা ও বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।এনআই
মোংলা বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে ৩১টি কনটেইনারবাহী জাহাজসহ মোট ২১ হাজার ৬৫১ টিইইউস (TEUs) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো সময়ে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। সেই তুলনায় চলতি অর্থবছরের মাত্র সাত মাসেই আগের বছরের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে বন্দরটি, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৯.১৯ শতাংশ বেশি।বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত জুলাই ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই সাত মাসে ৫১৫টি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ মোংলা বন্দরে আগমন করেছে। এ সময়ে ৬ হাজার ৪০৪টি রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি এবং ৮২ লাখ ৬৬ হাজার মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৫.০৩ শতাংশ বেশি।বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় বন্দরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা আশাবাদী নতুন সরকারের দায়িত্বশীল নেতৃত্বে মোংলা বন্দরে জাহাজ আগমনের পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি আরও বাড়বে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”তিনি আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষ হতে এখনো ৫ মাস বাকি থাকলেও আমরা এরই মধ্যে গত বছরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছি। বন্দর ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে হিরণ পয়েন্ট এলাকায় HP-1, HP-2 এবং HP-3 নামে তিনটি নতুন অপারেশনাল অ্যাঙ্কর বার্থ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে উক্ত বার্থগুলোতে ৯ মিটার ড্রাফটের ১৬টি বাণিজ্যিক জাহাজ সফলতার সঙ্গে অপারেশনাল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। এখন থেকে এখানে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯ মিটার ড্রাফটের বাণিজ্যিক জাহাজ হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।বর্তমানে মোংলা বন্দর দিয়ে খাদ্যশস্য, সিমেন্টের কাঁচামাল, ক্লিংকার, সার, অটোমোবাইল, যন্ত্রপাতি, চাল, গম, কয়লা, তেল, পাথর, ভুট্টা ও এলপিজির মতো পণ্য আমদানি হচ্ছে। পাশাপাশি সাদা মাছ, চিংড়ি, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, কাঁকড়া ও মাটির টাইলসসহ বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।এনআই
প্রতিমন্ত্রীর ডাক পেয়েছেন রামপালের শেখ ফরিদুল ইসলাম
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রকাশিত প্রতিমন্ত্রীর তালিকার ১৭ নম্বরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম দেখা যায়।শেখ ফরিদুল ইসলাম একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও পরিবেশবিদ। গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ-সদস্য হিসেবে বিজয়ী হন রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান, বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক 'সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশন' এর চেয়ারম্যান লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।নির্বাচনে পর থেকেই এ জেলার মানুষ তাকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। এদিকে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবরে আনন্দিত রামপাল-মোংলা উপজেলার বাসিন্দারা।এসআর
নড়াইলে বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
নড়াইল সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন মোল্যার বাড়িতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে ঘরসহ ভেতরে থাকা ধান, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে হবখালী ইউনিয়নের বিলডুমুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সোমবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাগডাঙ্গা বাজারে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৬জন আহত হন। পরে গভীর রাতে হুমায়ুন মোল্যার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন মোল্যা স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলামের কলস প্রতীকের সমর্থক হওয়ায় ধানের শীষের সমর্থকেরা আগে থেকেই তাদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তারাই পরিকল্পিতভাবে এই আগুন দিয়েছেন বলে দাবি করেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ‘রাতে আগুন দেখতে পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সবাই মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।স্থানীয় বাসিন্দা নবু মোল্যা বলেন, ‘রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে একটা শব্দ হয়। আমরা বাড়ি থেকে দৌড়ে আসতে আসতে দেখি ঘরের সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরের ভেতর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মণ ধান ছিল, আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল ছিল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’তবে অভিযুক্ত রিয়াজুল ইসলাম টিংকু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,‘পরিকল্পিতভাবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা তদন্তেই বেরিয়ে আসবে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।’নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, ‘বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো মামলা হয়নি।’ইখা
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিজ ঘর থেকে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ইউসুফ আলী বুলু রাঢ়ী (৫২) উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।মঙ্গলবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ি তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায়।পারিবারিক সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ইউসুফ আলী বুলুর সঙ্গে পরিবারের টানাপোড়েন চলছিল। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সালিশ-বৈঠকও হয়। এর জের ধরে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে।মৃত্যুর আগে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাসে লেখেন, “যদি ভুলবশত কারো সঙ্গে অন্যায়-অবিচার করে থাকি, আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।” স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির সরকার বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। কয়েক দিন ধরে ইউসুফ সবার সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। সোমবার রাতে একটি ছুরি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দেন বলেও তিনি জানান।হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।”ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এনআই
আনোয়ারায় ডাকাতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের কুনিরবিল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল আলিম (৪৫)। তিনি উপজেলার ১০ নম্বর হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিরবিল এলাকার বাসিন্দা মুছা মাঝির পুত্র।র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। ভোর আনুমানিক চারটার দিকে আনোয়ারা থানাধীন হাইলধর ইউনিয়নের কুনিরবিল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশসূত্র জানায়, তিনি আনোয়ারা থানার একটি ডাকাতি মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানায় দণ্ডিত ছিলেন। দএরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, 'র্যাব একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'এসআর
দুর্বৃত্তের আগুনে অগ্নিদগ্ধ জামায়াত সমর্থকের মৃত্যু
লক্ষ্মীপুরে একটি মৎস্য খামারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ৫ দিন পর আব্বাস উদ্দিন (৫৫) নামে এক জামায়াত সমর্থক মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এরআগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের জিতু এগ্রো মৎস্য খামারে অগ্নিকান্ডে তিনি দগ্ধ হন। পরদিন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত আব্বাস উদ্দিন চররমনী মোহন এলাকার মৃত হোসেনের ছেলে ও জিতু এগ্রো মৎস্য খামারের মালিক। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সদস্য ছিলেন বলে দাবি করেছেন তার বড় ছেলে এলাহি প্রিন্স।প্রিন্স জানান, তার মা ও বাবা খামারেই থাকতেন। তার মা সুলতানা রাজিয়া লাকি লক্ষ্মীপুর পৌর ৬ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সভাপতি। ভোটের আগে রাতে দূর্বৃত্তরা বাহির থেকে খামারে থাকা ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘর পুড়ে যায়। পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত বের হয়ে যেতে পারলেও আব্বাস পারেন নি। এতে তার হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে পুড়ে দগ্ধ হয়।পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান পরিবারের লোকজন। রাজধানীর জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে এলাহি প্রিন্স বলেন, ‘আমার বাবা মারা যাননি, শহীদ হয়েছেন। তিনি জামায়াত করেন এটাই তার অপরাধ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে।’লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, ‘ঘটনাটি ভোটের আগের দিন ঘটেছে। যিনি মারা গেছেন তিনি প্রিন্সের বাবা। কয়েক মাস থেকে প্রিন্সও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁড়িপাল্লা সমর্থনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে ভোট করেছেন। প্রিন্সের কাছ থেকেই জানতে পেরেছি তার বাবা আব্বাস উদ্দিন দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে ভোট করেছেন।’সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ইখা
বাঁশখালীতে লবণ চাষিকে পিটিয়ে ৩০০ মণ লবণ লুটের অভিযোগ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে লবণের মাঠে কাজ করার সময় এক চাষিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে ৩০০ মণ লবণ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধুখালী চরপাড়া লবণের মাঠে এ ঘটনা ঘটে।হামলায় গুরুতর আহত লবণ চাষি মোহাম্মদ হোছাইন (৪৫) ওই এলাকার জেবর মুল্লুকের ছেলে। তাকে প্রথমে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে মোহাম্মদ হোছাইন তার বর্গা নেওয়া লবণের মাঠে কাজ করতে যান। এ সময় ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত জমির উদ্দিনের নেতৃত্বে মিজান, কলিম উল্লাহ, নাছির ও আবদুল কাদের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা সবাই একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়ার মৃত কবির আহমদের ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা মোহাম্মদ হোছাইনকে কিরিচ ও লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এরপর বিক্রির জন্য মজুদ রাখা প্রায় ৩০০ মণ লবণ লুট করে নিয়ে যায়।ভুক্তভোগীর ছেলে মোহাম্মদ আকতার হোছাইন বলেন, আমার বাবা সকালে লবণের মাঠে গেলে তারা নির্বিচারে হামলে পড়ে। আমাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উৎপাদন করা লবণ লুট করে নিয়ে গেছে। ওরা রেজাউল হক চৌধুরীর প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লবণ চাষিদের ওপর জুলুম করে আসছে। তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে পারে না।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে আমি চট্টগ্রাম শহরের নিজ বাসায় অবস্থান করছি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, বিষয়টি আমাকে ফোনে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এসআর
চাঁদপুরে ছত্রাকনাশক মিশ্রিত ভুট্টা, মিলকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার এলাকায় হাসিনা আটা মিলে ছত্রাকনাশক ও রং মিশ্রিত ভুট্টা গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ৩০০ বস্তা প্রলেপকৃত ভুট্টা জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান। এ সময় নিরাপদ খাদ্য ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অভিযুক্ত ব্যবসায়ী জানান, ভুট্টাগুলো সিরাজগঞ্জ থেকে আনা হয়েছে এবং এগুলো বিক্রি নিষিদ্ধ তা তিনি জানতেন না। কর্মকর্তারা জানান, বীজ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী প্রলেপকৃত ভুট্টা খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা গুরুতর অপরাধ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।এ বিষয়ে চাঁদপুর ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান জানান, হাসিনা অটো মিলে ৩০০ বস্তা ছত্রাক নাশক বীজের ভুট্টা ফেরদৌসের ব্যবহারের কারণে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভাঙ্গানো গো খাদ্যগুলো বিনষ্ট করা হয়। সব সময় এ অভিযান চলমান থাকবে।এসআর
৩ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইলে উচ্ছ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করেছে বিএনপি। নতুন মন্ত্রিসভায় বড় চমক হিসেবে একাই তিনটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণের পর নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়। দলীয় নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।জানা গেছে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে তার ওপর বিশেষ আস্থা রেখেছে নতুন সরকার।শপথ গ্রহণের পর সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলবাসী আমাকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চেয়েছিল, তাদের সেই আশা পূরণ হয়েছে। এখন আমার ওপর যে গুরু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমেই আমি জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে চাই। এজন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি এবং আমার নেতা দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য টাঙ্গাইল সদরবাসীসহ সমগ্র দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করছি। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমার দায়িত্ব পালন করব, ইনশাল্লাহ।এদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দের জোয়ার দেখা যায়। বিএনপির নেতা-কর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেন এবং আনন্দ মিছিল বের করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা হইছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ৩৬ বছর পর টাঙ্গাইল সদর থেকে নির্বাচিত কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন। এতে এলাকার মানুষ গর্বিত ও আনন্দিত। টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক বলেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ায় শুধু দলের নয়, সদর উপজেলার প্রতিটি মানুষ আনন্দিত। দীর্ঘদিন পর সদর থেকে মন্ত্রী হওয়ায় তাঁরা সবাই অনেক খুশি হয়েছেন। তার নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে তারা আশা করছেন।উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে তিনি প্রায় ৫১ হাজার ভোট বেশি পান।এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে প্রায় ৩৫০টি মামলার মুখোমুখি হতে হয় এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন। এ সময় তিনি মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন এবং টানা ৪৬ দিন রিমান্ডেও থাকতে হয়েছে।এসকে/আরআই
মানিকগঞ্জে আনন্দের জোয়ার: প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হলেন আফরোজা খান রিতা
প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খান রিতা। নবগঠিত সরকারে তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। স্বাধীনতার ৫৫ বছরে এই আসনে তিনিই প্রথম নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন।আফরোজা খান রিতা মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়ায় মানিকগঞ্জে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। জেলাবাসীও এই অর্জনে উচ্ছ্বসিত।দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা আফরোজা খান রিতা বর্তমানে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান। তাঁর স্বামী মইনুল ইসলাম একই প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।আফরোজা খান রিতার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী। মূলত বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু।পরবর্তীতে তিনি জেলা ও রাজধানী ঢাকায় দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২১ সালে জেলা বিএনপির কাউন্সিলে ৪৫ জন ভোটারের মধ্যে ৪২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ গত ২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে আহ্বায়ক করে জেলা বিএনপির সাত সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।বিগত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকায় আফরোজা খান রিতা ও তাঁর দলের অসংখ্য নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ নানাভাবে হয়রানি করা হলেও তিনি দমে যাননি। কঠিন সময়ে নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেছেন তিনি।ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা হওয়া সত্ত্বেও বিগত সময়ে মানিকগঞ্জে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি বলে মনে করেন স্থানীয়রা। আফরোজা খান রিতা মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় অবহেলিত মানিকগঞ্জসহ সারা দেশের উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খান রিতা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।এনআই
রাজবাড়ীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
রাজবাড়ীর পাংশা ও কালুখালীতে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে ডুবে পৃথক ঘটনায় সোহান ও হুসাইন নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার(১৭ ফেব্রুয়রি) দুপুরে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলো—কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের চরছিলকা গ্রামের আব্দুস সালাম শেখের ছেলে সোহান (২) এবং পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের নটাভাঙ্গা গ্রামের রনি মণ্ডলের ছেলে হুসাইন (৩)।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করার সময় হঠাৎ করেই শিশু দুটি পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এনামুল হক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।ডা. এনামুল হক জানান, শিশু দুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।পৃথক এ ঘটনায় নিহত শিশুদের পরিবার ও স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এনআই
রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, অপরজনের ৫ বছর কারাদণ্ড
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হেকমত আলী (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে রফিকুল ইসলাম সবুজ (৩০) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার ভাই মাহফুজুর রহমানকে (২৬) ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন। কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ (পিপিএম) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজ রূপগঞ্জের মোল্লাবাড়ির ইয়াকুব হোসাইনের ছেলে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মাহফুজুর রহমান সবুজের ভাই। রায় ঘোষণার সময় আসামি মাহফুজুর রহমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হেকমত আলী ভুলতার নুর ম্যানশন মার্কেটে মোটর পার্টসের একটি দোকান পরিচালনা করতেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল তার দোকানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম সবুজ, তার ভাই মাহফুজুর রহমান, মামুন মিয়া ও বাবা ইয়াকুব মোল্লাকে আসামি করে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেন হেকমতের স্ত্রী রোকসানা বেগম। আসামিদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম সবুজকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।সবুজ জানান, শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বস্তাবন্দি মরদেহ ড্রামের ভেতরে ঢুকিয়ে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সেটি একটি মাছের খামারে ফেলে দেওয়া হয়। নিখোঁজের তিন মাস পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আজ এই রায় ঘোষণা করেন।এনআই
কালিয়াকৈরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দুই বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।সোমবার(১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মোহাম্মদ ওমর দেওয়ান ও মো. শহীদ মিয়ার বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা কৌশলে বাড়ির পানির ট্যাংকে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলে। গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে চোরচক্র ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।মোহাম্মদ ওমর দেওয়ানের বাড়ি থেকে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৬ লাখ টাকা চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরদিকে মো. শহীদ মিয়ার বাড়ি থেকে একটি ল্যাপটপ ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ অর্থ নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের পরিকল্পিত চুরি আগে এলাকায় ঘটেনি।খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।এনআই
সংবাদ প্রকাশের পর আদালতের প্রসেস সার্ভার প্রত্যাহার
পটুয়াখালীর গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চৌকি আদালতের প্রসেস সার্ভারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সফিউল আলম নামের ওই প্রসেস সার্ভারের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সময়ের কন্ঠস্বরে প্রকাশিত হলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি চুরির মামলার বাদীর কাছ থেকে স্বাক্ষীর স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগী ২০০ টাকা দিতে চাইলে অভিযুক্ত দরকষাকষি করেন এবং এক পর্যায়ে ২০০ টাকা গ্রহণ করেন। ঘটনাটি প্রকাশের পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।ভিডিওতে ভুক্তভোগী মুক্তা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালের একটি চুরির মামলায় স্বাক্ষী নিয়ে তিনি আদালতে যান। স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পেশকার রুমে স্বাক্ষর দিতে গেলে তার কাছে ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। তিনি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জোরাজোরি করেন একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দেন বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, আদালতে স্বাক্ষর দিতে কোনো টাকা লাগে—এটা আমার জানা ছিল না। আদালত তো সরকারি প্রতিষ্ঠান, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে টাকা ছাড়া কাজ করতে চায় না পেশকার রুমের লোকজন।এ ঘটনায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতেই চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পটুয়াখালী মো. মামুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে অভিযুক্তকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে ‘ক্লোজ’ করা হয়। পরে জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক কারণে তাকে পটুয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখায় বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।আদালত সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে বিরত (সাসপেন্ড) করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও আবু সালেহ।এ বিষয়ে আদালত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইখা
বরিশালে ফাগুনের উৎসব
ঋতুরাজ বসন্ত মানেই প্রকৃতিতে প্রাণের নতুন ছোঁয়া। রঙিন ফুলের হাসি ও পুষ্পিত সৌরভ নিয়ে বসন্ত প্রত্যেকের হৃদয়ে নাড়া দেয়। তবে এবছর দেশজুড়ে নির্বাচনী আমেজ থাকার কারনে প্রতিবারের মত এবছর ১৪ ফেব্রুয়ারির পরীবর্তে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয় ১৭ ফেব্রুয়ারি।তাই নির্বাচনী আমেজ শেষে আজ ছোট পরিসরে নানা আয়োজনে মধ্যে দিয়ে বসন্ত উৎসব পালন করেছেন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় নগরের সরকারি মহিলা কলেজ চত্বরে শিক্ষার্থীদের আয়োজনে শুরু হয় বসন্ত উৎসব। বাসন্তি রঙের শাড়ি পড়ে ফুলে ফুলে সেজেছে শিক্ষার্থীরা। নাচ, গান ও কবিতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বসন্ত উৎসব।এ উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে ছোট পরিসরে গতবছরের মত এবছরও আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসবের। বসন্ত উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি শিক্ষার্থীরা।সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিদ্যা অর্জন করতে হবে ভালোবাসার জন্য। আজকের দিনের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসব আছে; শিক্ষার্থীরাও সেজেগুজে বেরিয়েছে, কিন্তু কোথায় যেন এক ‘প্রাণহীন’ আবহ বিরাজ করছে পুরো এলাকাজুড়ে! উৎসব নিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, “বসন্ত এলে মনে হয় নতুন করে আবার জীবন শুরু করলাম। ক্লাস-পরীক্ষার ব্যস্ততার মধ্যে এ দিনটি যখন আসে, বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা-ঘোরাফেরা সব মিলিয়ে দিনটা অনেক মজায় কাটে। তবে এবার একটু আলাদা হয়েছে। কারণ নির্বাচন হওয়ায় আজ আমরা বসন্ত উৎসব উপভোগ করলাম।”ইখা
বরিশালে সৌন্দর্যের প্রতীক জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ
বরিশাল নগরীর আমতলা পানিরট্যাংকি মোড়ে স্বাধীনতা পার্কের দক্ষিণপাশে গড়ে তোলা হয়েছে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ। নানা স্লোগান লেখনীতে ভরপুর এই স্তম্ভটি যেন একটি সৌন্দর্যের প্রতীক। বিকেল গড়ালে অনেকেই এই স্তম্ভের নিচে কিংবা আশেপাশে কিছুক্ষণ বসেন বা পায়চারি করেন। সোনালী রোদ আর মৃদু শীতল বাতাস যেন এক অন্য রকম অনুভুতি।২০২৫ সালের ৫ আগস্ট এখানে সবুজ বনায়ন কর্মসূচী ও দেয়ালচিত্র করা হয়। বরিশাল জেলা পরিষদের অর্থায়নে তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রায়হান কাওছার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তারুণ্যের আইডিয়ায় গণঅভ্যত্থানের বর্ষপূর্তি পালন ও শহীদদের স্মরণে এসব স্থাপন করা হয়।পাশের দেয়ালে জুলাইয়ে আলোচিত ঘটনাবলির দৃশ্য এবং আবেগময় স্লোগানগুলি লেখা রয়েছে। অনেকেই দাড়িয়ে দাড়িয়ে এগুলো দেখে স্মৃতিচারণ করেন। ছাত্র জনতার উপর স্বৈরাচারী সরকারের অ্যাকশনের কিছু অমানবিক চিত্র দেখে অনেকে আতকে ওঠেন।গতকাল স্মতিস্তম্ভের পাশে ঘুরতে থাকা একজন ছাত্র বলেন, জুলাই একটি চেতনা, জুলাই একটি ইতিহাস। এই ইতিহাস সংরক্ষণে রাস্ট্রিয়ভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। তাছাড়া স্বল্প পরিসরে এখানে স্থাপনা গড়া হয়েছে। জুলাইকে ঘিরে একটি বড় প্রকল্প বরিশালে স্থাপনের দাবিও জানান তিনি।স্বাধীনতা পার্ক ঘেসে গড়া এই স্থাপনা টুকু যথাযথ সংরক্ষণ ও পরিচর্যার দাবি জানান স্থানীয়রা।এসআর
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ তিন জেলে অপহরণ
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা থেকে বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার করার সময় মো. মাসুম মিয়ার মালিকানাধীন একটি ইঞ্জিনচালিত নামবিহীন ট্রলারসহ তিন জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে জলদস্যু ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনী।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সুন্দরবন এলাকায় মাছ শিকারের সময় ওই জেলেদের ধরে নিয়ে যায় জলদস্যুরা। অপহৃত জেলেরা হলেন— রুহিতা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে রাজু, আব্দুল মালেকের ছেলে মাহবুব হোসেন ও রাজন।ট্রলার মালিকের বরাত দিয়ে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, কয়েক দিন আগে বাজার-সওদা করে পাথরঘাটা উপজেলার মাসুম মিয়ার একটি নামবিহীন ছোট ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে তিন জেলে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যান। গত শনিবার দিবাগত রাতে সেখানে মাছ শিকারের সময় হঠাৎ জলদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী মুক্তিপণের দাবিতে ট্রলারসহ তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মুক্তিপণ দিতে না পারায় তাঁদের দফায় দফায় মারধর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন আগেও ওই জলদস্যুরা পাথরঘাটার ফোরকান মাঝি ও সিদ্দিকসহ ৮ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল; তাঁরা মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন।এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তার মুঠোফোনে কল করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, "এমন কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমাদের লিখিতভাবে জানাতে হবে। লিখিত অভিযোগ না পেলে আমরা জানব কীভাবে? আর ব্যবস্থা নিতেও পারব না। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"এনআই
বরগুনায় লোকালয়ে হনুমান, উচ্ছুক জনতার ভিড়
বরগুনার পাথরঘাটায় বিরল প্রজাতির একটি মুখকালো হনুমান ঘুরতে দেখা গেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩ টার সময় খাদ্যের সন্ধানে পাথরঘাটা পৌর শহরে বিভিন্ন এলাকায় হনুমানটিকে ঘুরতে দেখা যায়। বন্যপ্রাণী হঠাৎ লোকালয়ে চলে আসায় উৎসুক জনতা দেখতে ভিড় করছেন।এমনকি কেউ কলা বা পাউরুটি দিলে সেটি নিয়ে খায়।স্থানীয়রা জানান, খাবারের সন্ধানে মুখকালো হনুমানটি ছুটছে বাসাবাড়িতে, কখনও গাছের ডালে। হনুমানটি খাদ্যের অভাবে দলছুট হয়ে এই এলাকায় চলে এসেছে। খাবারের জন্য এটি মানুষের কাছাকাছি চলে আসে। মানুষ খাবার দিলে হনুমান সেই খাবার খেতে শুরু করে ।পাথরঘাটা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, মুখপোড়া হনুমান বনের বাইরে বাস করা হনুমানের একটি প্রজাতি। মনুষ্যসৃষ্ট বৈশ্বিক আবহাওয়া, মানুষের উৎপাত, খাদ্য, বন ও পরিবেশের কারণে হনুমানগুলো দলে দলে এলাকা ত্যাগ করে থাকে। কেউ ফিরে যায়, অনেক হনুমান মারাও যায়। এই হনুমানটা হয়তোবা দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই হনুমানটা প্রায় এইসব এলাকায় দেখা যায়। এ সময় তিনি হনুমানকে বিরক্ত না করে সম্ভব হলে প্রয়োজনীয় খাবার দিয়ে তাদের প্রাণ বাঁচাতে চেষ্টা করার আহ্বান জানান সবার প্রতি।এসআর
সরিষাবাড়ীতে গৃহবধূকে নির্যাতনের পর তালাকনামা পাঠানোর অভিযোগ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে এক গৃহবধূকে দীর্ঘদিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর কৌশলে তালাকনামা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে নির্যাতিত ওই নারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে স্বামী আবদুল্লাহ আল-কাফি, তার বাবা আসাদুজ্জামান, মা শেফালি আক্তার ও বোন আশা আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে ধনবাড়ী উপজেলার বাঁশনাগী গ্রামের আসাদুজ্জামানের ছেলে আবদুল্লাহ আল-কাফির সঙ্গে সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের পঞ্চমানন্দপুর গ্রামের শাহীনুর ইসলাম দুদুর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।নির্যাতিতার পরিবার দাবি করেছেন, বিয়ের সময় নগদ দুই লাখ টাকা, একটি মোটরসাইকেল ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার দেওয়া হয়েছিল। কিছুদিন সংসার স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাকে দফায় দফায় নির্যাতন করতে থাকেন।নির্যাতিতার ভাষ্য, সম্প্রতি তার স্বামীর টাঙ্গাইলের বাসাইল ডিগ্রি কলেজে চাকরি হওয়ার পর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তিনি বলেন, “চাকরি পাওয়ার পর থেকেই তিনি আমাকে অবহেলা করতে থাকেন। টাঙ্গাইলে ভাড়া বাসায় থাকাকালে বিভিন্ন সময় মারধর করতেন। এখন কৌশলে তালাকনামা পাঠিয়েছেন। আমি কাগজটি গ্রহণ করিনি। আমার একটি সন্তান আছে, আমি এখন কী করব?”নির্যাতিতার মা সুর্মি আক্তার বলেন, “বিয়ের পর থেকে বেশ কয়েকবার সালিস হয়েছে। কিন্তু ছেলের কোনো পরিবর্তন হয়নি। সব সময় মেয়েকে মারধর করত। এখন হঠাৎ তালাক দিয়ে দিয়েছে। আমরা আইনি সহায়তা চেয়েছি।”অভিযুক্ত স্বামী আবদুল্লাহ আল-কাফি বলেন, “সে আমার কথা অমান্য করে চলত। তার পরিবারের লোকজন আমাকে ছোট করেছে। আমি আর সংসার করতে চাই না। আদালতের মাধ্যমে তালাক পাঠিয়েছি। দেনা-পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।ইখা
শাহজাদপুরে সরিষার বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। ভালো দামের প্রত্যাশায় সকল ক্লান্তি ঝেড়ে মাঠ থেকে সরিষা ঘরে তুলছেন তারা। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর বাড়তি লাভের আশায় এ অঞ্চলে সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরিষা সংগ্রহ শেষে একই জমিতে বোরো ধানের চাষের প্রস্তুতি শুরু হবে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এ আবাদ থেকে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক ফলন আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির সরিষা কাটা সম্পন্ন হয়েছে।সরিষা ফুলকে কেন্দ্র করে এ এলাকায় মৌচাষও বেড়েছে। বর্তমানে ২৫ জন মৌচাষি ২ হাজার ৮৪৬টি মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। এসব বাক্স থেকে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৮৫ কেজি মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে মধু বাজারজাতও করা হচ্ছে।সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে চলতি মৌসুমে ১১ হাজার ৮০০ জন কৃষককে সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। প্রণোদনার আওতায় প্রত্যেককে ১ কেজি সরিষার বীজ, ১০ কেজি এমওপি এবং ১০ কেজি ডিএপি সার বিতরণ করা হয়।সোনাতনী ইউনিয়নের কুরশী গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, “তিন বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। বাজারে ন্যায্য দাম পেলে আমরা অনেক উপকৃত হব।”অন্যদিকে বেলতৈল ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের মোঃ ছাইফুল ইসলাম বলেন, “আমি আমার ৫০ শতক জমিতে ঘোড়াশাল তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় বারি সরিষা-১৪ জাতের একটি প্রকল্প পেয়েছি। এর মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষি আয় উন্নত হবে। আশা করি, এই ধরনের উদ্যোগ আরও কৃষকদের জন্য সহায়ক হবে।”উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “আমাদের উপজেলার কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুরুতেই আমরা সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ জন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তারা নিয়মিত কৃষকদের পাশে থেকে সরিষা ক্ষেতে পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে এ বছর মাঠে রোগবালাইয়ের উপস্থিতি ছিল খুবই কম, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।”তিনি আরও বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত অবশিষ্ট সরিষা কর্তন শেষ হবে। আমি বিশ্বাস করি, কৃষক ভাইয়েরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবেন।”এসআর
ভালুকায় মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলারের দাপট, বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে অবৈধ থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানের বেপরোয়া চলাচলে বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন শত শত অবৈধ যানবাহন মহাসড়ক ও সংযোগ সড়কে চলাচল করছে। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যানবাহনের চালকেরা।সরেজমিনে দেখা গেছে, ভালুকা বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড়, পল্লী বিদ্যুৎ মোড়, সরকারি কলেজ এলাকা, ভরাডোবা ইউনিয়নের নতুন ও পুরোনো বাসস্ট্যান্ড, হাজির বাজার, মায়ের মসজিদ ও আইডিয়াল মোড়সহ অন্তত অর্ধশতাধিক স্থানে এসব যানবাহনের আধিপত্য রয়েছে। অধিকাংশ চালকেরই নেই বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং হঠাৎ ব্রেক করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের কারণে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।পৌর এলাকার বাসিন্দা হাবিব (৩৮) বলেন, “মহাসড়কের প্রায় প্রতিটি মোড়েই অটোরিকশা উল্টো দিক থেকে ঢুকে পড়ে। পথচারীদের হাঁটার জায়গা নেই। স্কুল-কলেজের সামনে যানজটে অ্যাম্বুলেন্সও আটকে থাকে। এতে জরুরি রোগী পরিবহনে বড় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।”ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে চলাচলকারী ট্রাকচালক হুমায়ুন (৫০) বলেন, “অটোচালকেরা বড় গাড়ির সামনে হঠাৎ লাইন কেটে দেয়। ব্রেক করলে সংঘর্ষ এড়ানো যায় না। গত মাসে এমন ঘটনায় একজনের পা ভেঙে গেছে।”নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় নাগরিক অভিযোগ করেন, অবৈধ অটোরিকশা চালকদের একটি অংশ ভাসমান। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মাদক পরিবহন, চুরি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাবি, গত বছর মাস্টারবাড়ী এলাকায় অটোচালকের ছদ্মবেশে ছিনতাইয়ের পর এক যুবককে হত্যা করা হয়েছিল। এমন আরও অনেক ঘটনা আড়ালেই থেকে যায়।এ বিষয়ে ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, “ভালুকা অঞ্চলে থ্রি-হুইলার ও অটোরিকশার সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ছে। তারপরও গত দুই মাসে ছয় শতাধিক অটো জব্দ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে টহল জোরদার করা হয়েছে।”স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত অভিযান, লাইসেন্স যাচাই, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্ধারণ এবং কঠোর শাস্তির মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ চান তারা।ইখা
ভালুকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার, এমপির হস্তক্ষেপ দাবি
ময়মনসিংহের ভালুকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর শহরজুড়ে সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।স্থানীয়রা জানান, চায়ের দোকান, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নিয়মিত জটলা করে থাকে এসব দলের সদস্যরা। বিশেষ করে স্কুল–কলেজ ছুটির সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি বাড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সারোয়ার আহম্মদ অপু সংসদ সদস্য ফখরুদ্দীন আহমেদ বাচ্চুর কাছে কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত ভালুকা গড়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চান। উঠতি বয়সী কিশোররা মাদক ও সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে—এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ প্রয়োজন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাভিত্তিক ছোট-বড় কয়েকটি গ্যাং গড়ে তুলে সংঘবদ্ধভাবে নানা অপরাধে জড়াচ্ছে কিশোররা। তরুণীদের উত্ত্যক্ত করা, চুরি–ছিনতাই, মাদক বহন ও বিক্রি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।গত ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় রাতুল পাঠান (১১) নামে এক শিক্ষার্থী আহত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের সামনে একটি চায়ের দোকান এলাকায় টাকা দাবি করা হয় তার কাছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গলায় ১৮টি সেলাই দিতে হয় বলে জানান তার বাবা এমদাদ পাঠান।পৌর শহরের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচলে সড়কে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা কঠিন হয়ে পড়েছে। আরেক ব্যবসায়ী আশিকুর রহমান বলেন, দলবদ্ধ আড্ডা ও উৎপাতের কারণে দোকান চালানো দায় হয়ে গেছে।এদিকে এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও প্রভাবের কারণে এসব কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁদের দাবি, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে ভালুকাকে কিশোর গ্যাং ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত করা হোক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি, অভিভাবক সচেতনতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার সমন্বিত উদ্যোগেই ফিরতে পারে স্বস্তি।ইখা
জামালপুর-১ আসনের তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৩ প্রার্থীর, যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টির একেএম ফজলুল হক ও গণঅধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬ ভোট।বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থীর জামানত রক্ষা করতে হলে তাঁকে কমপক্ষে মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে হবে। শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ব্যতিত বাকি ৩ প্রার্থীর কেউ এই ভোট পাননি।এরমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬ ভোট পেয়ে জামানত বাজয়োপ্ত হয়।জামানত রক্ষায় এই আসনের প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ৩৪ হাজার ৫৯৪ টি ভোট না পাওয়ায় ওই তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানান, এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে। যারা প্রাপ্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট পান নি তাদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।উল্লেখ্য, জামালপুর-১ আসনে ১২৮ ভোট কেন্দ্রে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। এরমধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪ ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৬৫. ০৮ শতাংশ।এনআই
পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিত্ব পেলেন লালমনিরহাটের দুলু, জেলা জেলা জুড়ে মিষ্টি বিতরণ
লালমনিরহাটের উন্নয়ন ও উত্তরবঙ্গের রাজনীতির অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় জেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলাবাসী ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এবং দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর বাসভবনে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ২৫ জন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর তালিকায় তাকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটের শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে ইতিপূর্বে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন, তার ধারাবাহিকতায় সারা দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রমেও তিনি সফলতার স্বাক্ষর রাখবেন। জেলার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে তাকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করায় পুরো জেলায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।প্রিয় নেতার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়ে জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন এমনকি গ্রাম পর্যায়ের পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। শপথ গ্রহণের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই লালমনিরহাট সদরসহ আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতিবান্ধা ও পাটগ্রামের প্রতিটি বাজারে আনন্দ মিছিল বের করে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকরা জানান, “অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু আমাদের শুধু নেতাই নন, তিনি আমাদের অভিভাবক। তাকে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া মানে লালমনিরহাট তথা উত্তরবঙ্গের উন্নয়নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া। এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞ।”এনআই
মিশুক চালক থেকে সফল উদ্যোক্তা, বিরামপুরে দৃষ্টান্ত মোহাম্মদ আলী
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের বাগলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী এক সময় জীবিকার তাগিদে মিশুক (অটোরিকশা) চালাতেন। সীমিত আয় আর কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও তিনি লালন করতেন এক স্বপ্ন—নিজের কিছু করার, আত্মনির্ভর হওয়ার।ছোটবেলা থেকেই পাখি পালনের প্রতি ছিল তার গভীর আগ্রহ। সেই ভালোবাসা থেকেই কয়েক বছর আগে ছোট পরিসরে কোয়েল পাখির খামার শুরু করেন তিনি। শুরুতে অল্প সংখ্যক ডিম সংগ্রহ করে ইনকিউবেটর মেশিনে ফুটাতেন। নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে টানা তিন বছরের কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সাফল্যের মুখ দেখেন।বর্তমানে তার খামারে রয়েছে আধুনিক ইনকিউবেটর মেশিন, যেখানে একসঙ্গে ১,০০০ থেকে ১,৫০০টি ডিম ফোটানো যায়। একই মেশিনে কোয়েল, হাঁস, রাজহাঁস ও মুরগির ডিম ফুটানো সম্ভব। প্রায় ২০ হাজার টাকায় কেনা এই মেশিনে প্রতি ডিম ফুটানোর জন্য তিনি ১৫ টাকা করে নেন। ফলে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার খামারিরা তাদের ডিম তার খামারে এনে ফুটিয়ে নিচ্ছেন।ডিম ফুটতে সময় লাগে ৭ থেকে ১৫ দিন। একদিন বয়সী থেকে শুরু করে ১০ বা ১৫ দিন বয়সী বাচ্চা তিনি অর্ডার অনুযায়ী পাইকারি বিক্রি করেন। এতে তার আয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বর্তমানে তিনি স্বাবলম্বী এবং ভবিষ্যতে খামারের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপুল কুমার চক্রবর্তী জানান, উপজেলায় কোয়েলসহ বিভিন্ন পাখির বাচ্চার চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। তরুণ উদ্যোক্তারা এ খাতে এগিয়ে এলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ সব সময় উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।মোহাম্মদ আলীর সাফল্যের গল্প যেন নতুন করে আশার আলো দেখায়—ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম ও ধৈর্য থাকলে যে কেউ নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।এনআই
গোবিন্দগঞ্জে কার্গো ট্রাকের চাপায় ইজিবাইক চালক নিহত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কার্গোবাহী ট্রাকের নিচে পিষ্ট হয়ে রাজু মিয়া নামে এক ইজিবাইক চালক নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ঢাকা-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়কের বাগদা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাজু মিয়া (৪৫) উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের মদনপুর গ্রামের মুসা ব্যাপারির ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গোবিন্দগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী একটি কার্গোবাহী ট্রাক কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইককের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইজিবাইকটি উল্টে গিয়ে চালক কার্গো ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।দুর্ঘটনায় ইজিবাইকে থাকা অপর এক যাত্রী একই ইউনিয়নের খামারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে (২৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক কার্গো ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও সহযোগী পালিয়ে গেছে।ইখা
গাইবান্ধায় শয়ন কক্ষে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় শয়ন ঘরের ভেতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় শ্রীমতি মিতু রানী সরকার (২৫) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন বল্লমঝাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান।নিহত শ্রীমতি মিতু রানী সরকার উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর এলাকার রিপন সরকারের স্ত্রী ও একই এলাকার দুলাল মহন্তের মেয়ে। তাদের সংসারে ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদে বলেন, আজ বিকেলের দিকে খবর পেয়ে মিতু রানী নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মৃত্যুর কারন জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।এবি
ফুলবাড়ীতে আদালতের রায়ে জমির দখল ফিরে পেলেন নূর বানু
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরশহরের পশ্চিম কাটাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মোছা. নূর বানু (৫৬) দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে নিজ জমির দখল ফিরে পেয়েছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ছামিউল ইসলাম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জমির দখল হস্তান্তর করেন। এ সময় দখলে থাকা ব্যক্তি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাদীর পরিবার।দখল হস্তান্তর কার্যক্রমে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. আবু দাইয়েন, মিউটেশন কাম-সার্টিফিকেট সহকারী মনোজ কুমার শীল এবং সার্টিফিকেট পেশকার মো. শামীম ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে জমির দখল ফিরে পেতে মোছা. নূর বানু বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয় কিশোর নাগ-এর আমলী আদালতে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় হাজিরা দিতে গেলে ১ নম্বর আসামি মো. কামাল চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠান আদালত।আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের জমির ওপর কোনো বৈধ দাবি না থাকায় সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে নালিশি জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অঙ্গীকারনামার শর্ত অনুযায়ী হাজতী আসামিকে এক হাজার টাকার বন্ডে নিয়োজিত আইনজীবী ও একজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির জিম্মায় পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করা হয়।রায় কার্যকরের পর বাদী মোছা. নূর বানু বলেন, “আমরা আমাদের জায়গা বুঝে পেয়েছি। আদালতের রায়ে আমরা খুশি।”পরে মোছা. পরী বানু ও মো. জয়নাল আবেদীন জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী বিরামপুর উপজেলার মুকুন্দপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মো. মাসুদ রানার কাছে বায়নাকৃত দলিলে উল্লেখিত তফসিল অনুযায়ী জমি বুঝিয়ে দেন।এনআই
উল্লাপাড়ায় শিশু তামীম হত্যা, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে স্কুলছাত্র তামীম হোসেন (৭) হত্যা মামলায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর আসামি মান্নান আকন্দকে দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল হায়দার (রফিক সরকার) মামলার বরাতে জানান, নিহত স্কুলছাত্র তামীম হোসেন উল্লাপাড়া উপজেলার নরসিংহপাড়া গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করত। ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সে নানার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, নরসিংহপাড়া এলাকার বাবুল আকতারের সরিষাখেতের ভেতর তামীমের মরদেহ পড়ে আছে। তার গলায় রশি দিয়ে পেঁচানো এবং মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন ছিল।এ ঘটনায় নিহতের পিতা সোলেমান ফকির বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে উল্লাপাড়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত চলাকালে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে তামীমকে হত্যা করা হয়েছে।মামলার তদন্ত শেষে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন। নিহত তামীম হোসেন উল্লাপাড়া উপজেলার চকপাঙ্গাসী গ্রামের সোলেমান ফকিরের ছেলে।এনআই
অযত্ন-অবহেলায় ভাঙ্গুড়ার ‘মানবতার দেয়াল’, নেই কোনো শীতবস্ত্র
রাস্তা, ফুটপাত ও রেল স্টেশনে বেড়েছে ভ্রাম্যমাণ বাস্তুহীন মানুষের সংখ্যা। হাড়কাঁপানো শীতে এসব মানুষের প্রয়োজন অন্তত একটি গরম কাপড়। এক টুকরো উষ্ণতার আশায় এসব অসহায় মানুষ রাস্তার পাশে থাকা ‘মানবতার দেয়াল’-এর দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু সেই দেয়ালে এখন আর মানবতার চিহ্নমাত্র নেই। মানবসেবার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে পথচলা ‘মানবতার দেয়াল’ এখন কেবলই স্মৃতি।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সরেজমিনে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থিত মানবতার দেয়ালে গিয়ে দেখা যায়, কাপড় রাখার স্থানে লাগানো রয়েছে নানা রকম পোস্টার। বেশ কয়েক বছর আগে ‘আমাদের ভাঙ্গুড়া’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপ এই মানবতার দেয়ালটি গড়ে তুলেছিল। দেয়ালে ‘আপনার অপ্রয়োজন হতে পারে অন্য কারও প্রয়োজন’ লিখে সেখানে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে রাখা হতো। কিন্তু বর্তমানে দেয়ালটি খাঁ খাঁ করছে।বড়াল ব্রিজ রেলওয়ে স্টেশনের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, শুরুর দিকে উদ্যোক্তারা নিয়মিত কিছু জামাকাপড় এই দেয়ালে রাখতেন। তবে বেশ কিছুদিন ধরে এখানে কাপড় রাখা বন্ধ রয়েছে। কাপড়ের চাহিদার তুলনায় জোগান অনেক কম। দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে থাকায় দেয়ালটি এখন পোস্টারে ঢাকা পড়েছে। কোনো হ্যাঙ্গারেই এখন জামাকাপড় নেই। এই তীব্র শীতে শীতবস্ত্র না পেয়ে অসহায় মানুষগুলো খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।উদ্যোক্তারা জানান, বাস্তুহীনদের বস্ত্রের অভাব মেটাতে কয়েক বছর আগে স্টেশনে এই দেয়ালটি স্থাপন করা হয়। শুরুতে ভালো সাড়া মিললেও বর্তমানে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে রক্ষণাবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়েছে। সমাজে মানুষের দেওয়ার মানসিকতা কমে যাওয়া এবং তদারকির অভাবে দেয়ালটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসেন, তবেই মানবতার দেয়ালটি আবারও প্রাণ ফিরে পাবে।এ ব্যাপারে চলনবিল সাহিত্য সংসদের সভাপতি, সাংবাদিক ও লেখক নুরুজ্জামান সবুজ মাস্টার বলেন, "‘আমাদের ভাঙ্গুড়া’ ফেসবুক গ্রুপের সদস্যদের গড়া এই মানবতার দেয়ালটি সত্যি অনন্য উদ্যোগ। এটি কেবল সামগ্রী ভাগাভাগি নয়, বরং মানুষের মধ্যে বিশ্বাস ও সহমর্মিতা গড়ে তোলে। যখন রাষ্ট্র বা বড় সংস্থার বাইরে সাধারণ মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তখন সমাজে নীরব পরিবর্তন ঘটে। আমাদের সবার উচিত এই উদ্যোগকে সচল রেখে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে আসা।"এনআই
চৌহালীতে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও জাটকা জব্দ
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা নদীতে জাটকা শিকারের অপরাধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল ও জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জাটকাগুলো স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন— চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার রায়, বেলকুচি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আল মাসুদ, চৌহালী মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র ক্ষেত্র সহকারী মো. শফিকুল ইসলাম শফিক এবং এনায়েতপুর থানার এএসআই মো. সবুজ মিয়াসহ পুলিশের একটি চৌকস দল।মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিনব্যাপী যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি জাটকা ইলিশসহ প্রায় ৯ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জালগুলো নদীর পাড়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে এবং মাছগুলো এতিম শিশুদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হয়।এনআই
ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে ‘খাসির মাংস’ বিক্রির হোতা আটক
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে ‘খাসির মাংস’ হিসেবে বিক্রির প্রধান অভিযুক্ত কসাই এনতাজুলকে (৫৫) আটক করেছে জনতা।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার নানাইচ এলাকায় তাকে দেখতে পেয়ে আটক করে স্থানীয়রা। আটক এনতাজুল মঙ্গলবাড়ী বাজার এলাকার অলি শাহর ছেলে।এর আগে গত রবিবার সকালে মঙ্গলবাড়ী এলাকার মাংস বিক্রেতা এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মিয়া মিলে একটি আলুক্ষেতে একটি কুকুর জবাই করেন। পরে কুকুরের মাংস খাসির মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে মাংস ফেলে রেখে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে ওই দিনই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কুকুরের মাথা, চামড়া ও প্রায় ২৫ কেজি মাংস উদ্ধার করে।ধামইরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, উত্তেজিত জনগণের হাত থেকে এনতাজুলকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এনআই
অবশেষে গ্রেফতার সেই কিলার করিম
নাটোরর সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়নের নাছিয়ারকান্দী এলাকায় অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার আসামি আব্দুল করিম ওরফে কিলার করিমকে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।রবিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে তাঁর নিজ বাড়ি নাছিয়ারকান্দি থেকে তাঁকে আটক করে ডিবি পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নাটোর আদালতে হাজির করলে তাঁকে ৭ দিনের রিমান্ড মন্জুর করে সিংড়া আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান।ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল করিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি পলাতক ছিলেন। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।নাটোরের ডিবির ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোর ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে আসামি কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়, পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি রাতে উপজেলার কলম গ্রামে প্রভাষক রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামী ছিলো উপজেলার নাছিয়ারকান্দি গ্রামের মৃত পঁচাই প্রামানিক হোসেন ছেলে আব্দুল করিম (৫২) ওরপে কিলার করিম।এসআর
পৌর মেয়র থেকে জাতীয় সংসদে জি কে গউছ
হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে জনপ্রতিনিধির যাত্রা শুরু করেছিলেন জি কে গউছ। ২০০৪ সালে পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। টানা তিনবার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর এবার ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৯৬ হাজার ৭৪৯ ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।পৌর ভবন থেকে সংসদ ভবন—এই দীর্ঘ পথচলা শুধু রাজনৈতিক সাফল্যের গল্প নয়, এটি সংগ্রাম, ত্যাগ, সাহস ও জনআস্থার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নানা চক্রান্ত, কারাবরণ এবং প্রাণনাশের চেষ্টাও পেরিয়ে আজ তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য।বিজয়ের এই মুহূর্তে হবিগঞ্জ শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংসদে থেকেও তিনি হবিগঞ্জের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আগের মতোই সোচ্চার থাকবেন।স্থানীয়দের ভাষায়, জি কে গউছ একজন ক্যারিশমেটিক নেতা। অনেক ষড়যন্ত্র ও বাধা এলেও জনগণ থেকে তাঁকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। কেউ কেউ বলেন, মানুষের কাছে টানার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে তাঁর মধ্যে। তিনি হাঁটলে মিছিল হয়, বসলে তা সভায় পরিণত হয়।পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি নিজেকে জনমানুষের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। টানা তিনবার মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, শহরের মানুষের হৃদয়ে তার আলাদা জায়গা রয়েছে। এবার সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে জাতীয় রাজনীতিতেও।দীর্ঘ ৪১ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত জি কে গউছ। হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে বর্তমানে তিনি বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথ সরব রাখার ইতিহাস তার দীর্ঘ। তবে রাজনৈতিক জীবন কখনোই মসৃণ ছিল না। প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে বহু মামলার আসামি হতে হয়েছে এবং ১৫১৭ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। এমনকি কারাগারে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তিনি থেমে যাননি।প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেই সূত্র ধরে রাজনীতির পাশাপাশি হবিগঞ্জের উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন তিনি।একসময় ‘পায়জামা শহর’ হিসেবে পরিচিত হবিগঞ্জ পৌরসভাকে আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের কৃতিত্বও তার। রাস্তাঘাট উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে তিনি নিজেকে উন্নয়নবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি দুইবার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গোল্ড মেডেল অর্জন করেছেন।ইখা
দিরাইয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ সাজ্জাদ মিয়া (৩৫) নামে এক পলাতক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে তাঁর স্বজন ও সহযোগীরা।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জগদল ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাজ্জাদ মিয়া একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিরাই থানা পুলিশের একটি দল সোমবার দুপুরে তাঁর গ্রামের বাড়ি হোসেনপুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত সাজ্জাদকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসার পথে তাঁর স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় সাজ্জাদকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামি ছিনতাই ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার এবং হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এনআই
আগামীকাল টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সিলেট মহানগরীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্রান্সফরমার মেরামত ও সংস্কার এবং সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন কাজের জন্য টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেট নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টানা ৯ ঘণ্টা সিলেট নগরীর লালাবাজার ফিডারের আওতাধীন তেলিবাজার, বদিকোনা, ভালকি, ভরাউট, লালাবাজার নিজগাঁও, টেংরা, বেতসান্ধি, মুন্সীরগাঁও, মুন্সিবাজার, ফরহাদপুর, কারাড়পাড়, গাঙ্গাপাড়, মনোকুপা, আলমনগর, ছমিপুরসহ আশপাশের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে ।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে বলেও জানানো হয়। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী। এমআর-২
হবিগঞ্জে জামানত হারাচ্ছেন ১৬ প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার চারটি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) কম ভোট পেলে তাঁর জামানত ফেরতযোগ্য থাকে না।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ-১ আসনে ২ জন, হবিগঞ্জ-২ আসনে ৩ জন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে ৪ জন এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।হবিগঞ্জ-১এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ১৫ হাজার ১৭৭। জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ (মোটরগাড়ি) পেয়েছেন ৬৪৪ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার) পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭২ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।হবিগঞ্জ-২মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৯৭৫। স্বতন্ত্র প্রার্থী আফছার আহমদ (ফুটবল) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী (লাঙ্গল) ৯৪১ ভোট এবং বাসদের লুকমান আহমদ তালুকদার (মই) পেয়েছেন ৪৪৮ ভোট। তারাও নির্ধারিত সীমার কম ভোট পেয়েছেন।হবিগঞ্জ-৩এ আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৮। ইসলামী আন্দোলনের মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুমিন চৌধুরী (লাঙ্গল) ১ হাজার ২৫৯ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্টের এসএম সরওয়ার (মোমবাতি) ১৪ হাজার ১৩৩ ভোট এবং সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শাহিনুর রহমান (ছড়ি) পেয়েছেন ১৩২ ভোট। এ চারজনের জামানতও বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।হবিগঞ্জ-৪এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৭। খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৪৪৬ ভোট। এছাড়া বাসদের মো. মুজিবুর রহমান (মই) ৩২৯, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল) ৪৮৪, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি) ৪৮৪, মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন) ৫৩৬, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ৬৫২ এবং এসএ সাজন (ফুটবল) ৬১৯ ভোট পেয়েছেন। তারাও প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানত রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।উল্লেখ, এবারের নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার ৪টি আসনে মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেনএসআর
হবিগঞ্জের ৪ টি আসনেই বিএনপি প্রার্থীর জয়
হবিগঞ্জের ৪টি আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) প্রার্থীরা। এ জেলায় জামায়াত ও তার ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গী কোন দল কোন আসনে বিজয়ী হননি।বৃহস্পতিবার দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে ভোটগণনা করে রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।হবিগঞ্জ ১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী ড, রেজা কিবরিয়া ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকশা) পেয়েছেন ৫৬হাজার ২১শ ৩২ভোট।হবিগঞ্জ -২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বিএনপির ডা: আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান ধানের শীষ মার্কা ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ১১দলীয় জোটের দেয়াল ঘড়ি মার্কা আব্দুল বাছিত আজাদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৭৬২ ভোট।হবিগঞ্জ ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জি কে গউছ ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমেদ পেয়েছেন ৪৫হাজার ৫৬৮ ভোট পেয়েছেন।হবিগঞ্জ ৪ (মাধবপুর চুনারুঘাট) আসনে বিএনপির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি ঐক্য ফ্রন্টের গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন, ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট।এসআর
অনলাইন ভোট
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?
আন্তর্জাতিক
সব দেখুন
সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু
সৌদি আরবে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটির সরকার মহিমান্বিত এ মাস শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, চাঁদের দেখা মেলায় কাল বুধবার প্রথম রোজা হবে।সৌদিভিত্তিক ‘হারামাইন’ নামে ওয়েবসাইট থেকে বলা হয়েছে, “সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধচন্দ্রের দেখা মিলেছে। ফলে আজ রাত থেকে ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র রমজান মাস শুরু।”তারা আরও বলেছে, “মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সিয়াম, কিয়াম এবং ইবাদত কবুল করুক। এবং তিনি যেন আমাদের এই বরকতময় মাসের মূল্যবান মুহূর্তগুলোকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের কাজে ব্যয় করার তাওফিক দান করেন। আমীন।”সৌদির পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতারও এখন পর্যন্ত চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়েছে।তবে সৌদির প্রতিবেশী ওমানে আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে প্রথম রোজা হবে আগামী বৃহস্পতিবার। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুরেও চাঁদ দেখা যায়নি।মধ্য এশিয়ার কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান ও আজারবাইজানেও চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে এসব দেশেও প্রথম রোজা হবে বৃহস্পতিবার।সূত্র: গালফ নিউজএবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠিতে যা লিখলেন মোদি
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেওয়া তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্ত্রী ও কন্যাসহ সপরিবারে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে লেখা এক চিঠিতে ওই আমন্ত্রণ জানান মোদি।এর আগে, মঙ্গলবার ঢাকায় তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নরেন্দ্র মোদির লেখা চিঠি হস্তান্তর করেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। চিঠিতে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান মোদি।চিঠিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমাকে নিয়ে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান মোদি। অভিনন্দন বার্তায় তিনি লেখেন, ‘‘আপনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর অপেক্ষায় রয়েছে ভারত।’’প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের নেতৃত্ব দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন মোদি। একই সঙ্গে তিনি ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন ও যৌথ আকাঙ্ক্ষার ওপর গড়ে ওঠা গভীরভাবে প্রোথিত বন্ধুত্বের আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেন।এর আগে, গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের মা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মাধ্যমে তারেক রহমানের কাছে একটি শোকবার্তা পাঠান দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোদি।চিঠিতে শোক প্রকাশ করে মোদি লেখেন, ২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ও আলোচনা আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। তিনি লেখেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বিরল দৃঢ়তা ও প্রত্যয়ের এক নেতা এবং তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে বহু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি।সূত্র: এনডিটিভিএবি
এবার নাইজেরিয়ায় সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় সক্রিয় আইএসপন্থি যোদ্ধাদের দমন করতে দেশটিতে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে প্রায় ৩০০ মার্কিন সেনা এই দেশটিতে মোতায়েন রয়েছে। ৯ লাখ ২৩ হাজার ৭৬৯ আয়তনের দেশ নাইজেরিয়ার জনসংখ্যা ২৩ কোটি ৪৭ লাখ ৬৭ হাজার ১৩০ জন। শতকরা হিসেবে এই জনসংখ্যার ৫৩ দশমিক ৫০ শতাংশ মুসলিম, ৪৫ দশমিক ৯০ শতাংশ খ্রিস্টান এবং বাকিরা অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। খবর রয়টার্সেরপ্রায় এক যুগ আগে নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র আইএসের উত্থান ঘটে। গত দশ বছর ধরে ডাকাতি, লুটপাট, হত্যা, ধর্ষণ, বোমা হামলা, অপহরণ করে মুক্তি আদায়, নারীদের অপহরণ করে যৌনদাসী হিসেবে বিক্রি করাসহ বিভিন্ন অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে এই গোষ্ঠীটির যোদ্ধারা। নাইজেরিয়ার সাধারণ মুসলিম ও খ্রিস্টান- উভয় সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের ত্রাসের শিকার হচ্ছেন।এই সশস্ত্র যোদ্ধাদের দমন করতে সেনাবাহিনী নিয়োগ করেছে নাইজেরিয়া। তবে কয়েক বছর চেষ্টার পরও কোনো বড় সাফল্য দেখাতে পারেনি সেনাবাহিনী। উল্টো সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অনেক সেনাসদস্য ও কর্মকর্তা।এই অবস্থায় গত ডিসেম্বরে আইএস সন্ত্রাসীদের দমনে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নাইজেরিয়ার সরকার সহযোগিতা চাইলে ওয়াশিংটন তাতে সম্মত হয়। চলতি ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে ২০০ জন সেনা নাইজেরিয়ায় পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো হয়েছে আরও ১০০ জন সেনা।এবি
ব্রুনাই-সিঙ্গাপুরে রোজা শুরু বৃহস্পতিবার
সিঙ্গাপুরে বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজানের প্রথম দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না যাওয়ায় জ্যোতির্বিদ্যা ও ধর্মীয় হিসাব অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইসলামিক রিলিজিয়াস কাউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী সিঙ্গাপুরের মুসলমানরা ওই দিন থেকেই রোজা ও তারাবি শুরু করবেন।অন্যদিকে ব্রুনাই জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটিতে রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি। রাষ্ট্রীয় বেতার ও টেলিভিশনে দেওয়া ঘোষণায় দেশটির শরিয়াহ হাইকোর্টের বিচারক ইয়াং আরিফ আওয়াং হাজি হাসান বিন হাজি মেতালি জানান, ব্রুনেইতে বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হবে। দেশটির জ্যোতির্বিদ্যা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ঐতিহ্যবাহী চাঁদ দেখার প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এবারের রমজানের সূচি নির্ধারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঐতিহ্যগত চাঁদ দেখার প্রক্রিয়া চলছে। জ্যোতির্বিদদের হিসাবে কোথাও ১৮ ফেব্রুয়ারি, আবার কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরুর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তবে দেশভেদে চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে রোজা শুরুর তারিখে পার্থক্য হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়াও জানায়, বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে রমজান শুরু হবে। জ্যোতির্বিদ্যা ও ইসলামি কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরব আমিরাতে শাবানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেলেও রমজানের চাঁদ দেখার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষণের পর। ফলে দেশটিতে রোজা শুরুর তারিখ নিশ্চিত করতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অপেক্ষায় রয়েছেন।এমআর-২
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বিতীয় দফার পরমাণু আলোচনা শুরু
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পরমাণু ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় এই আলোচনা শুরু হয়। যা স্থানীয় সময় বিকেল পর্যন্ত চলবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এই আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। ‘পরোক্ষভাবে’ যুক্ত থাকবেন বলে আগেই জানিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত আছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি। এই আলোচনার লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলমান বিরোধের সমাধান। এ আলোচনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, আলোচনা ব্যর্থ হলে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে মার্কিন সেনাবাহিনী। আলোচনার সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসির সাথে দেখা করার পর এক এক্স বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, ইরান ‘একটি ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত চুক্তি অর্জনের’ চেষ্টা করছে। বলেন, ‘একটি ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত চুক্তি অর্জনের জন্য আমি বাস্তব ধারণা নিয়ে জেনেভায় এসেছি। টেবিলে যা নেই: হুমকির সামনে আত্মসমর্পণ।’ অন্যদিকে এদিন ট্রাম্প বলেন, ইরান বরাবরই আলোচনার টেবিলে কঠোর অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করে। কিন্তু গত গ্রীষ্মে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালায়, তখন তারা সেই অবস্থানের পরিণাম বুঝতে পেরেছে। ট্রাম্পের মতে, ‘চুক্তি না করার পরিণাম ভোগ করতে তারা (ইরান) আর চাইবে বলে আমার মনে হয় না।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, জেনেভা আলোচনা সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যদি আমেরিকা ‘ইসরাইলি এজেন্ডা বাদ দিয়ে নিজস্ব এজেন্ডায়’ মনোনিবেশ করে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিশ্লেষক হাসান আহমাদিয়ান বলেন, দ্বিতীয় দফার আলোচনায় সাফল্যের সম্ভাবনা মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করছে। তিনি আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে নেবে, তবে অবশ্যই মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পারমাণবিক শক্তি ইসরাইলের সাথে নয়। যদি যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলি এজেন্ডা বাদ দিয়ে নিজস্ব এজেন্ডায় মনোনিবেশ করে, তাহলে ২০১৫ সালের মতোই উভয়ের মধ্যে একটি অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।’ আহমাদিয়ান বলেন, ‘যদিও সময় ভিন্ন, আলোচনা ভিন্ন, বিষয়বস্তু ভিন্ন, কোথায় যেতে হবে সে সম্পর্কে কিছু বোঝাপড়া রয়েছে। আমেরিকান দৃষ্টিভঙ্গি বেশ অস্পষ্ট, তবে তারা এমন কিছু ধারণা নিয়ে এসেছে যা ইরানিরা ভাবতে পারে।’ এই বিশ্লেষক আরও বলেন, ‘যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলের অবস্থান গ্রহণ করেন, যেখানে শর্ত হলো আপনার [পারমাণবিক] সমৃদ্ধকরণ থাকবে না, আপনার [পারমাণবিক] অবকাঠামো থাকবে না, আপনার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থাকবে না, ইরানে আপনার জন্যও কিছুই থাকবে না।’ এমআর-২
ইরানের তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল ভারত
ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের সাম্প্রতিক উন্নতির প্রেক্ষাপটে আরব সাগরে বড় ধরনের এক অভিযানে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩টি তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করেছে ভারত। মুম্বাই উপকূল থেকে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারতের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন থেকে ‘স্টেলার রুবি’, ‘অ্যাসফল্ট স্টার’ এবং ‘আল জাফজিয়া’ নামের এই ৩টি জাহাজ আটক করা হয়। ভারতীয় কোস্টগার্ড বাহিনীর প্রায় ৫৫টি জাহাজ এবং ১০-১২টি বিমান বর্তমানে সাগরে এই ধরনের অবৈধ লেনদেন রোধে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।মূলত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা এই জাহাজগুলো বারবার নিজেদের পরিচয় ও নাম পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক আইন ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছিল। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই ট্যাংকারগুলো মাঝসমুদ্রে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তরের (শিপ-টু-শিপ ট্রান্সফার) মাধ্যমে তেলের উৎস গোপন করে আসছিল। জব্দকৃত জাহাজগুলোর মধ্যে ‘স্টেলার রুবি’ এবং ‘আল জাফজিয়া’ ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এবং ‘অ্যাসফল্ট স্টার’ মূলত চীনের পথে চলাচল করছিল বলে জানা গেছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি এই জাহাজগুলোর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছে।এই অভিযানের নেপথ্যে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উষ্ণ হতে থাকা কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের বড় ভূমিকা রয়েছে। চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছে যে তারা ভারতীয় পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নিয়ে আসবে। এর বিনিময়ে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই শুল্ক ছাড় এবং বাণিজ্য চুক্তির পর ভারতও তাদের জলসীমায় অবৈধ ইরানি তেল পাচার রোধে কড়াকড়ি বাড়িয়ে দিয়েছে।বর্তমানে জব্দকৃত ৩টি ট্যাংকারকে আরও গভীর তদন্তের জন্য মুম্বাই বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চাবাহার বন্দরে বাজেট বরাদ্দ বন্ধ করা এবং এই ধরনের জাহাজ জব্দ করার ঘটনাগুলো স্পষ্ট করছে যে ভারত বর্তমানে মার্কিন নীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাইছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক বাজারে তেল চোরাচালান রোধে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এটি ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক সমীকরণকেও সামনে নিয়ে এসেছে।এমআর-২
মধ্যপ্রাচ্যে রোজা শুরু কবে, জানা যাবে আজ
পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার জন্য আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশটির সকল মুসলিম নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক ঘোষণায় এ আহ্বান জানানো হয়।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের আকাশে নতুন চাঁদ দেখা গেলে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে। আর যদি চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে বুধবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং সে ক্ষেত্রে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম রোজা শুরু হবে। চাঁদ দেখার বিষয়ে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ। মুসলিম বিশ্ব চন্দ্রবর্ষ অনুসরণ করায় ইসলামি মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিনে পূর্ণ হয়। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শাবান মাসের ২৯ তারিখ। আল আরাবিয়া নিউজ–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১৮ ফেব্রুয়ারি অথবা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে। সৌদি সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতিতে বলা হয়, কেউ খালি চোখে বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদ দেখতে পেলে তাকে নিকটস্থ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রমজান ইসলামি চন্দ্র বর্ষপঞ্জির নবম মাস এবং এটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাস শুধু সিয়াম সাধনার নয়; বরং রহমত, ক্ষমা ও নাজাত লাভের বিশেষ সময়। কোরআন ও সহিহ হাদিসে রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। রমজান মাসে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও শারীরিক চাহিদা থেকে বিরত থাকেন। সূর্যাস্তের পর ইফতারের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করা হয়।এমআর-২
হিজরতের স্মৃতি স্মরণে ঐতিহাসিক কুবা মসজিদের পাশে বিশেষ প্রদর্শনী শুরু
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঐতিহাসিক পথ ও ঘটনাবলিকে দর্শনার্থীদের সামনে জীবন্ত করে তুলতে মদিনার ঐতিহাসিক কুবা মসজিদের সন্নিকটে শুরু হয়েছে ‘অন হিজ ফুটস্টেপস’ (On His Footsteps) শীর্ষক একটি বিশেষ প্রদর্শনী।ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই যাত্রাকে আধুনিক প্রযুক্তি ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের মাধ্যমে এখানে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।প্রদর্শনীটির মূল লক্ষ্য হলো নবী করিম (সা.)-এর হিজরতকালীন চ্যালেঞ্জ ও সেই সময়কার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সম্যক ধারণা দেওয়া। মদিনার গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন সালমান এই প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে জানান, এটি কেবল একটি প্রদর্শনী নয় বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইসলামের সঠিক ইতিহাস জানার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।এতে অত্যন্ত সুচারুভাবে মক্কা থেকে মদিনা পর্যন্ত হিজরতের দীর্ঘ পথটির মানচিত্র এবং যাত্রাপথের বিরল সব তথ্য প্রদর্শন করা হয়েছে। উন্নত অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ত্রিমাত্রিক মডেলের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা সেই ১৪০০ বছর আগের পরিবেশ অনুভব করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে হিজরতের সময় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং তৎকালীন জীবনযাত্রার আদলে তৈরি করা গ্যালারিগুলো দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। কুবা মসজিদ, যা ইসলামের ইতিহাসের প্রথম মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত, তার ঠিক পাশেই এই প্রদর্শনীর অবস্থান হওয়ায় দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হজ্জ ও উমরাহ পালন করতে আসা ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা এখন থেকে জিয়ারতের পাশাপাশি এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইসলামের স্বর্ণালি অধ্যায়ের সরাসরি অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।ইখা
মায়ের মরদেহ বাসায় লুকিয়ে রেখে বছরের পর বছর পেনশন তুলেছেন নারী
জার্মানিতে এক নারী তার মায়ের মরদেহ বছরের পর বছর বাসায় লুকিয়ে রেখে পেনশন তোলার অভিযোগে তদন্তের মুখে পড়েছেন। দেশটির জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক বিল্ডের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।পুলিশ জানায়, বাভারিয়ার ছোট শহর রাহমানসফেলডেনের একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১০০ বছরের বেশি বয়সী এক নারীর মমি করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত নারী ১৯২২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার ৮২ বছর বয়সী কন্যার সঙ্গে একই বাসায় বসবাস করতেন।তদন্তকারীদের সন্দেহ, মাসে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬২০ টাকা) পেনশন তুলতেই দীর্ঘদিন ধরে মায়ের মৃত্যুর তথ্য গোপন করে আসছিলেন ওই কন্যা।স্থানীয় মেয়র ভার্নার ট্রয়িবার জানান, প্রতি বছর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে গত আট বছর ধরে তিনি ওই বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করলেও প্রতিবারই দরজা বন্ধ পাওয়া যেত বা মেয়ের পক্ষ থেকে নানা অজুহাত দেওয়া হতো।অবশেষে ২০২৫ সালের শেষ দিকে ওই নারী দাবি করেন, তার মা দুই বছর আগে চেক প্রজাতন্ত্রে মারা গেছেন। বিষয়টি পরে পাবলিক প্রসিকিউটরের দপ্তরে জানানো হলে তদন্ত শুরু হয়।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে পুলিশ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মমি করা মরদেহ উদ্ধার করে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও মৃত্যুর সঠিক সময় বা কারণ নির্ধারণ করা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক বছর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা নাকচ করলেও পেনশন জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।এবি
ইন্দোনেশিয়া এপ্রিলেই গাজায় পাঠাতে পারে ১ হাজার সেনা
ইন্দোনেশিয়া এপ্রিলের মধ্যেই গাজায় প্রথম দফায় এক হাজার সেনা পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে এই সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, জুনের মধ্যে মোট আট হাজার সেনা প্রস্তুত রাখা হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।তিনি বলেন, সেনা পাঠানোর সময়সূচি পুরোপুরি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।এর আগে ইন্দোনেশীয় সেনাপ্রধান মারুলি সিমানজুন্তাক জানিয়েছিলেন, গাজায় পাঁচ হাজার থেকে আট হাজার সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো আলোচনাধীন।শনিবার ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জইনয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজায় সেনা পাঠানোকে ইসরায়েলের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ হিসেবে দেখা উচিত নয়।মন্ত্রণালয় বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বা জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যে কোনো প্রচেষ্টা ইন্দোনেশিয়া ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে।এছাড়া, এই মোতায়েন হবে সম্পূর্ণ অ-যুদ্ধভিত্তিক ও মানবিক ম্যান্ডেটের অধীনে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইন্দোনেশীয় সেনারা কোনো যুদ্ধ অভিযানে বা সরাসরি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন না। তাদের ওপর কোনো পক্ষকে নিরস্ত্রীকরণের ম্যান্ডেটও থাকবে না।তবে প্রস্তাবিত স্থিতিশীলতা বাহিনীর ম্যান্ডেটে গাজা উপত্যকার নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রয়োজন হলে বাহিনীকে ‘সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।ইন্দোনেশিয়া নিশ্চিত করেছে, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী বৈঠকে অংশ নেবেন। সদস্যরা যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে পাঁচ বিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।ইন্দোনেশীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাবোও এই ফোরামে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা ও টেকসই শান্তির পক্ষে দুই-রাষ্ট্র সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরবেন।তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে একটি শুল্ক চুক্তিও সই করতে পারেন। একই সঙ্গে বোর্ডের কথিত এক বিলিয়ন ডলারের সদস্য ফি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন।প্রাবোও সাংবাদিকদের বলেন, চুক্তি হলে এবং শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে হলে আমরা প্রস্তুত থাকতে চাই।ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম বড় সেনা প্রেরণকারী দেশ। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মিশনে দেশটির ২ হাজার ৭০০র বেশি সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীতে ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনা রয়েছে।ফিলিস্তিনের প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় জনসমর্থন ব্যাপক। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে দেশটিতে বহুবার গণবিক্ষোভ হয়েছে। গত ৩ আগস্ট জাকার্তার ন্যাশনাল মনুমেন্ট এলাকায় হাজারো মানুষ ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে সমাবেশ করে।বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম-অধ্যুষিত দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া গাজায় সহিংসতা বন্ধ এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। দেশটি মানবিক সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা এবং কূটনৈতিক সমর্থনও প্রদান করেছে।সূত্র: মিডল ইস্ট আইএবি
খেলা
সব দেখুন- কারাবন্দি ইমরানের সুচিকিৎসা দেওয়ার আকুতি জানালেন ওয়াসিম
- বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
- মার্চেই শুরু হচ্ছে ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ
- নিউজিল্যান্ড-আফ্রিকা বিশ্বকাপ ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অঘটন, অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিলো জিম্বাবুয়ে
- টিভিতে আজকের খেলা (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
বিনোদন
সব দেখুন
ভোটের কালির কারণে অজু নিয়ে দুশ্চিন্তায় বর্ষা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা। তবে ভোট দেওয়ার পাঁচ দিন পরও আঙুলে থাকা কালি এখন তাকে ফেলেছে ভিন্ন এক ভাবনায়। ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী অজু ঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়েই সংশয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী।আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে নিজের উদ্বেগের কথা জানান তিনি।বর্ষার পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে এখনো স্পষ্ট ভোটের কালির দাগ রয়ে গেছে। পোস্টের ক্যাপশনে বর্ষা লিখেছেন, ‘ভোটের কালি, ভাবছি অজু হচ্ছে নাকি? আজ ৬ দিন।’পোস্টটি প্রকাশের পরপরই মন্তব্যে ভক্তরা নানা মতামত ও পরামর্শ দিতে শুরু করেন। কেউ আশ্বস্ত করেছেন, আবার কেউ দিয়েছেন ধর্মীয় ব্যাখ্যা।এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এই চিত্রনায়িকা। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি জানান, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভোট দিয়েছি। আপনিও ভোট দিন আপনার পছন্দের মানুষকে। আমরা যেন ভালো থাকতে পারি, ইনশাআল্লাহ। এইচএ
জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারালেও এবার মেয়র হতে চান মেঘনা আলম
জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারিয়ে এবার মেয়র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত মডেল মেঘনা আলম। এবার ঢাকা-৮ আসন থেকে ‘ট্রাক’ প্রতীকে নির্বাচন করে ৬০৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান তিনি; কিন্তু এক দিন না যেতেই তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন।বিবৃতিতে মেঘনা বলেন, ‘এটি শেষ নয়, দীর্ঘমেয়াদি যাত্রার শুরু। ১১ বছর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছি। জাতীয় রাজনীতিতে আমার অভিষেক হয়েছে ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাধ্যমে। এবার মেয়র নির্বাচনের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।’নিজের প্রচারণা নিয়ে তিনি জানান, তার ছিল না কোনো বিলবোর্ড, বড় ক্যাম্প বা ব্যয়বহুল প্রচারণা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত প্রচারও করেননি। মাত্র তিন দিন এলাকায় হেঁটে মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন।তার ভাষ্য, ‘এই ৬০৮ ভোট এসেছে সততা থেকে, মানুষের সাথে সরাসরি সংযোগ থেকে। অন্যরা মাসের পর মাস প্রচারণা চালিয়েও যে স্বীকৃতি পান না, আমি তা পেয়েছি সীমিত সময় ও শূন্য খরচে। সময় ও অর্থ পেলে ৬০৮ ভোট হয়তো ৬০ হাজারেও পৌঁছাত।’ মেঘনা আরো জানান, তার দল গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির সাথে সমন্বয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি বিএনপির পোলিং এজেন্ট সহায়তা নেননি নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখার জন্য।সবশেষে তিনি বলেন, রাজনীতি অর্থ আর আড়ম্বরের খেলা নয়; এটি সাহস ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার জায়গা। ‘যে নারী ভয় পেয়ে দমে যায় না, তাকে থামানো যায় না। একদিন শহর, হয়তো দেশও বদলে দেবেন’- এমন আত্মবিশ্বাসী বার্তাও দেন তিনি।এফএস
ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরেই মারা গেলেন অভিনেতা তিনু করিম
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তিনু করিম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। অভিনেতা আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে নিজ গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী হুমায়রা নওশিন। অভিনেতার ১১ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েক দিন আগেই স্ত্রী-সন্তানসহ বরিশালের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনু করিম। সবকিছু স্বাভাবিকই ছিল। হঠাৎ দুপুরের দিকে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকেই তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে নতুন করে জীবনে ফিরেছিলেন এই অভিনেতা। গত বছরের নভেম্বর মাসে বরিশালে অবস্থানকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় এনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা ৪০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্টে কাটাতে হয়েছে অনেকটা সময়। চিকিৎসকেরা যখন আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখনই আশ্চর্যজনকভাবে সাড়া দেন তিনু করিম। পরে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে জানুয়ারির শুরুতে বাসায় ফেরেন। কিন্তু সুস্থতার সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হলো না। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আবারও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন তিনি।অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন, তিনু করিম পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বরিশাল গেল। তার গলায় দীর্ঘদিন নল দেয়ার কারণে কথা বলতে একটু সমস্যা হতো। এছাড়া সে সুস্থ ছিল। আজকে সকালে সে ভোট দিয়ে এসেছে। এর পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার স্ত্রী জানালো সে ভোট দিয়ে এসে অসুস্থ অনুভব করে, এরপর তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনু করিম। ২০০১ সালে ‘সাক্ষর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে তার। এরপর একে একে অভিনয় করেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও বিজ্ঞাপনে। ২০১০ সালে ‘অপেক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায়ও কাজ করেন। ‘রাত জাগা ফুল’, ‘আলতা বানু’সহ নানা নাটকে তার অভিনয় দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। একটি মুঠোফোন অপারেটরের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার অকাল প্রয়াণে সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে তাঁর স্মৃতিচারণ করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এইচএ
ভোট দিলেন ৩ কন্যা, নতুন সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা ববিতার
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফ্রেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশ সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে শোবিজ অঙ্গনেও।আজ দুপুরে গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা’ অভিনেত্রী তিন বোন সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। গাড়ি থেকে নেমে হাস্যোজ্জ্বল মুখে ছবির জন্য পোজ দেন তারা।নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা জানিয়ে ববিতা বলেন, ‘দেশটা সুন্দরভাবে এগিয়ে নিক। আমরা দেশের সব মানুষ শান্তিতে যেন থাকি, দুর্নীতি যেন দেশে না থাকে। শিল্পীরা যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে শিল্পচর্চা করে যেতে পারে- এটাই চাই।’এদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের তথ্য আমরা পেয়েছি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সচিব আরও জানান, কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়নি।এইচএ
অর্থ-বাণিজ্য
সব দেখুন
দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিকেশন জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কনটেন্টে আসল নোটের ডিজাইন ও আকার হুবহু অনুকরণ করে বড় আকৃতির ‘নমুনা নোট’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। একটি অসাধু চক্র এসব নোট ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অবৈধ বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে বলা হয়, বাজারে কিংবা জনসমাগমস্থলে আসল টাকার সদৃশ কোনও কাগজ বা নোট ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়। বাংলাদেশ সাধারণ জনগণকে আসল নোটের আদলে কোনও কাগজ তৈরি, ব্যবহার বা প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনও আর্থিক তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, জালিয়াতি এড়াতে এবং নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সর্বসাধারণকে সচেতন থাকতে হবে। আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।আর্থিক বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে নির্ভরযোগ্য ও দাপ্তরিক উৎসের তথ্যের ওপর নির্ভর করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এইচএ
রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
রমজান উপলক্ষে বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি প্রতিদিন আরও ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতি প্যাকেজে ৬০ টাকা বেশি গুনতে হবে নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের।নির্বাচনের পর রমজানের বেচাকেনায় ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে রাজধানীর বাজার। এবার পণ্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা না থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।এর মধ্যেই রমজান উপলক্ষে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি সারাদেশে সাড়ে ৪শ’ ট্রাকে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম। প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের প্রতিটিতে ৪০০ জন হিসেবে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাক সেলে ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। তবে নিয়মিত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির দাম আগের মতোই বহাল থাকবে। পণ্যের মূল্য তালিকা অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ২ লিটার সয়াবিন তেল পাবেন ২০০ টাকায়। কিন্তু ট্রাক সেল থেকে কিনলে একই পরিমাণ তেলের জন্য। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, এসব পণ্য আলাদা শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না; একই শ্রেণির মানুষের জন্যই কর্মসূচি। সেখানে দুই রকম দাম নির্ধারণ বৈষম্য তৈরি করবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জন হিসেবে দৈনিক সাড়ে ৪শ’ ট্রাক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। ২০ দিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে মোট সুবিধা পাবেন ৩৬ লাখ জন। ডাল, চিনি ও তেলের বাড়তি মূল্যে প্রতি প্যাকেজে তাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। এভাবে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তুলনায় ট্রাক সেলে ভর্তুকি বাবদ ২০ দিনে সরকারের ব্যয় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিসিবির। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা নিম্নবিত্তের ওপর চাপিয়ে দুই রকম দামে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ড. মাহফুজ কবিরের মতে, সরকার যে ভালো উদ্দেশ্যে ট্রাক সেল ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, দুই রকম দাম নির্ধারণ করলে তার বদনাম হতে পারে। তাই উভয় প্রক্রিয়ায় একই দাম নির্ধারণ করা উচিত। এদিকে বছরব্যাপী ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।এইচএ
১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠানোর বাধা শেষ হলো আজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা চার দিনের জন্য সীমিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি অর্থ পাঠাতে পারেননি। ফলে অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরও বন্ধ রাখা হয়।সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা বহাল ছিল। এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করার সুযোগ ছিল।এবি
রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
আসন্ন পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ
আজ থেকে সারা দেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আজ (মঙ্গলবার) থেকে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনায় নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় এই বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত মোট ২০ দিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) এই বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।বিতরণ ব্যবস্থার চিত্রঢাকা মহানগরীতে ৫০টি, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০টি, অন্যান্য ৭টি বিভাগীয় শহরে ১৫টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৫টি জেলা শহরে ৫টি করে মোট ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে ৪০০ জন সাধারণ ভোক্তা ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর ক্রয়ের সুযোগ পাবেন। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ৩৫ লাখ উপকারভোগীর মাঝে মোট ২৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য সরবরাহ করা হবে।পণ্যের দাম ও পরিমাণএকজন ভোক্তা ট্রাক থেকে সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল (প্রতি লিটার ১১৫ টাকা), ১ কেজি চিনি (প্রতি কেজি ৮০ টাকা), ২ কেজি মসুর ডাল (প্রতি কেজি ৭০ টাকা), ১ কেজি ছোলা (প্রতি কেজি ৬০ টাকা) এবং আধা কেজি খেজুর (১৬০ টাকা) কিনতে পারবেন।ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ সুবিধাটিসিবি জানায়, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রায় ৬৬ লাখ পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে নিয়মিত পণ্য বিতরণ কার্যক্রমও চলমান থাকবে। রমজান উপলক্ষ্যে এই কার্ডধারীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন এবং মার্চ মাসে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কার্ডধারী পরিবারগুলো নির্ধারিত মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল পাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত পণ্য হিসেবে ছোলা (৬০ টাকা/কেজি) এবং খেজুর (১৬০ টাকা/কেজি) ক্রয় করতে পারবেন।যে কোনো সাধারণ ভোক্তা নির্ধারিত ট্রাক সেল পয়েন্ট থেকে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন বলে টিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এবি
দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিকেশন জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কনটেন্টে আসল নোটের ডিজাইন ও আকার হুবহু অনুকরণ করে বড় আকৃতির ‘নমুনা নোট’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। একটি অসাধু চক্র এসব নোট ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অবৈধ বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে বলা হয়, বাজারে কিংবা জনসমাগমস্থলে আসল টাকার সদৃশ কোনও কাগজ বা নোট ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়। বাংলাদেশ সাধারণ জনগণকে আসল নোটের আদলে কোনও কাগজ তৈরি, ব্যবহার বা প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনও আর্থিক তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, জালিয়াতি এড়াতে এবং নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সর্বসাধারণকে সচেতন থাকতে হবে। আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।আর্থিক বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে নির্ভরযোগ্য ও দাপ্তরিক উৎসের তথ্যের ওপর নির্ভর করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এইচএ
রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
রমজান উপলক্ষে বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি প্রতিদিন আরও ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতি প্যাকেজে ৬০ টাকা বেশি গুনতে হবে নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের।নির্বাচনের পর রমজানের বেচাকেনায় ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে রাজধানীর বাজার। এবার পণ্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা না থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।এর মধ্যেই রমজান উপলক্ষে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি সারাদেশে সাড়ে ৪শ’ ট্রাকে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম। প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের প্রতিটিতে ৪০০ জন হিসেবে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাক সেলে ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। তবে নিয়মিত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির দাম আগের মতোই বহাল থাকবে। পণ্যের মূল্য তালিকা অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ২ লিটার সয়াবিন তেল পাবেন ২০০ টাকায়। কিন্তু ট্রাক সেল থেকে কিনলে একই পরিমাণ তেলের জন্য। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, এসব পণ্য আলাদা শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না; একই শ্রেণির মানুষের জন্যই কর্মসূচি। সেখানে দুই রকম দাম নির্ধারণ বৈষম্য তৈরি করবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জন হিসেবে দৈনিক সাড়ে ৪শ’ ট্রাক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। ২০ দিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে মোট সুবিধা পাবেন ৩৬ লাখ জন। ডাল, চিনি ও তেলের বাড়তি মূল্যে প্রতি প্যাকেজে তাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। এভাবে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তুলনায় ট্রাক সেলে ভর্তুকি বাবদ ২০ দিনে সরকারের ব্যয় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিসিবির। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা নিম্নবিত্তের ওপর চাপিয়ে দুই রকম দামে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ড. মাহফুজ কবিরের মতে, সরকার যে ভালো উদ্দেশ্যে ট্রাক সেল ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, দুই রকম দাম নির্ধারণ করলে তার বদনাম হতে পারে। তাই উভয় প্রক্রিয়ায় একই দাম নির্ধারণ করা উচিত। এদিকে বছরব্যাপী ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।এইচএ
১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠানোর বাধা শেষ হলো আজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা চার দিনের জন্য সীমিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি অর্থ পাঠাতে পারেননি। ফলে অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরও বন্ধ রাখা হয়।সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা বহাল ছিল। এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করার সুযোগ ছিল।এবি
শিক্ষাঙ্গন
সব দেখুন
রাজবাড়ী জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, টানানো হলো উদ্বোধনী ব্যানার
দীর্ঘ ১৮ মাস পর রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যালয়ের সামনে টানানো হয়েছে অফিস উদ্বোধনের একটি ফেস্টুন (ব্যানার)।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা আ'লীগের কার্যালয়ে গিয়ে এ চিত্র দেখা যায়।প্রত্যক্ষদর্শী ভ্যানচালক ইসমাইল হোসেন জানান, সকাল ১০টার দিকে তিনি কার্যালয়ের সামনে একটি ট্রাক থেকে ভ্যানে মালামাল তুলছিলেন। এ সময় আনুমানিক ১৭-১৮ বছর বয়সী দুই যুবক এসে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করে এবং একটি ব্যানার টানিয়ে রেখে যায়। পরে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।সরেজমিনে দেখা যায়, টানানো ব্যানারটি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মিয়া সোহেলের নামে। ব্যানারে উল্লেখ রয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় অফিসের শুভ উদ্বোধন করা হলো।উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে কার্যালয়টিতে প্রকাশ্যে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখা যায়নি বলে স্থানীয়রা জানান। প্রায় ১৮ মাস পর হঠাৎ পতাকা উত্তোলন ও উদ্বোধনী ব্যানার টানানোকে ঘিরে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল বলেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি জানার পর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এসআর
ইডেন কলেজে টানা ৩৬ দিনের ছুটি
টানা ৩৬ দিন ছুটিতে যাচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজ। পবিত্র রমজান, দোলযাত্রা, শবেকদর, জুমাতুল বিদা, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে ইডেন মহিলা কলেজ এর সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।গতকাল রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোর্শেদা নাজনীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) থেকে ২৫ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।এতে আরও জানানো হয়, এ সময়ের মধ্যে কলেজের অফিস, বিভাগীয় অফিসসমূহ এবং পরীক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলমান থাকবে।এইচএ
জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর গেন্ডারিয়া থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের (১২তম ব্যাচ) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম ইমরান নাবিল।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গেন্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।পরিদর্শক নাজমুল হাসান জানান, "গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা এলাকার মনিজা রহমান স্কুলের পাশের রজনী চৌধুরী রোডের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।"এনআই
ছুটি শেষে যেদিন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
দেশে অনুষ্ঠিত হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আজ ১৩ ও আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এর পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত (স্কুল–কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।সে হিসেবে টানা ৫ দিনের ছুটির পর আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরের প্রথম বড় ছুটি এটি। আর তালিকায় থাকা পঞ্চম ছুটি এটি। সবকিছু ঠিক থাকলে টানা ৫ দিন ছুটির পর আগামী সোমবার খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।একই সঙ্গে আগামী রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) টানা ৪ দিনের ছুটির পর খুলতে যাচ্ছে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা।এইচএ
তথ্য-প্রযুক্তি
সব দেখুন
নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ
আইন-আদালত
সব দেখুন
গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ ফলাফল ঘোষণা করেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।ইসি সচিব বলেন, গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার। অন্যদিকে, বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।এমআর-২
প্রবাস
সব দেখুন
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫
সৌদি আরবের আবহা শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এরমধ্যে লক্ষ্মীপুরের দুই শিশুসহ চার সদস্য রয়েছেন।নিহতরা হলেন,- মোহনা (১৩), দেড় বছর বয়সী শিশু সুবাহ, তাদের মা মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বাবা মিজানুর রহমান (৪২) ও বাবর (৩০)। একই ঘটনায় এই পরিবারের আরেক কন্যা ফাইজা আক্তার (১১) মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৩টা ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।পরিবারের সদস্য ব্যবসায়ী বাহারুল আলম বলেন, আমার ছোট ভাই মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবের আবহা শহরে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি ছোট ভাই মিজানুর রহমান তার স্ত্রী মেহের আফরোজ সুমী, তিন কন্যা মোহনা, ফাইজা ও ছোট মেয়ে সুবাহকে নিয়ে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যান।নিহত মিজানুর রহমানের মামাত ভাই রিফাতুল ইসলাম বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূইয়ার মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, কিছুক্ষণ আগে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। লাশ দেশে আনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।এফএস
লাইফস্টাইল
সব দেখুন
যেভাবে রান্না করবেন পেশোয়ারি কাবুলি পোলাও
পেশোয়ারি কাবুলি পোলাও তার স্বাদ, ঐতিহ্য ও বিশেষ রান্নার কৌশলের জন্য বিখ্যাত। এই খাবারটির উৎপত্তি আফগানিস্তানে হলেও এটি পাকিস্তানের পেশোয়ার অঞ্চলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই পোলাও সাধারণ বিরিয়ানির তুলনায় কম মশলাদার হলেও এতে মাংস, এলাচ, দারুচিনি, জাফরান, বাদাম ও কিসমিসের অনন্য সংমিশ্রণ এক রাজকীয় স্বাদ তৈরি করে।এই খাবারের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো এর মিষ্টি ও ঝাল স্বাদের ভারসাম্য। গাজর ও কিসমিসের হালকা মিষ্টত্ব মাংস ও মসলার ঝাঁঝালো স্বাদের সাথে মিলিয়ে এক অসাধারণ স্বাদ নিয়ে আসে। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পোলাওর প্রচলন থাকলেও, কাবুলি পোলাও তার সুগন্ধি উপাদান ও রান্নার পদ্ধতির জন্য আলাদা স্বীকৃতি পেয়েছে।ইতিহাস বলে, এটি একসময় আফগান রাজাদের প্রিয় খাবার ছিল। যা ধীরে ধীরে পাকিস্তান, ইরান, তাজিকিস্তানসহ নানা দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কাবুলি পোলাও শুধুমাত্র স্বাদেই অনন্য নয়। বরং এটি এক ধরনের ঐতিহ্যের প্রতীক। যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রচলিত হয়ে আসছে।দেখে নিন কাবুলি পোলাওয়ের পারফেক্ট রেসিপি।উপকরণ: বাসমতি চাল ২ কাপ (৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখাতে হবে), পানি ৬ কাপ, তেজপাতা ১টি, লবণ ১ চা-চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, গরু বা খাসির মাংস হাফ কেজি, পেঁয়াজ ১টি (মিহি করে কাটা), রসুন বাটা ১ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, দারুচিনি ১ টুকরো, এলাচ ২-৩টি, লবঙ্গ ৩-৪টি, গোলমরিচ ৫-৬টি, পানি ২ কাপ, তেল বা ঘি ৩ টেবিল চামচ, গাজর ১টি (পাতলা করে কাটা), কিসমিস ২ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, কাঠবাদাম ৮-১০টি, পেস্তাবাদাম ৫-৬টি (ঐচ্ছিক) ও ঘি ১ টেবিল চামচ।প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ ভেজে নরম ও হালকা বাদামি করে নিন। এরপর আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মাংস, লবণ, ধনে গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, গরম মসলা, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ ও গোলমরিচ দিয়ে কষিয়ে নিন। ২ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন (প্রয়োজনে কুকারে ২-৩টি সিটি দিন)। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে ঝোল থেকে আলাদা করে রাখুন। ঝোল পরবর্তীতে ব্যবহৃত হবে।লেমন জিঙ্গার চিকেন যেভাবে বানাবেন, রইল রেসিপিলেমন জিঙ্গার চিকেন যেভাবে বানাবেন, রইল রেসিপিঅন্য একটি প্যানে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে গাজর কেটে ভেজে নরম করুন। এরপর কিসমিস ও চিনি দিয়ে ১-২ মিনিট নেড়ে নিন। কাঠবাদাম ও পেস্তা দিয়ে অল্প ভাজুন। তারপর আলাদা রেখে দিন।একটি পাত্রে ৬ কাপ পানি গরম করে তাতে লবণ, তেজপাতা ও তেল দিন। চাল দিয়ে ৭০-৮০ শতাংশ সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন।এখন একটি বড় হাঁড়িতে নিচে রান্না করা মাংস বিছিয়ে দিন। এরপর তার ওপর ১ স্তর সেদ্ধ চাল দিন। এবার মাংসের ঝোল চালের ওপরে ছড়িয়ে দিন। এরপর গাজর-কিসমিস-কাঠবাদামের মিশ্রণ ছড়িয়ে দিন। এবার হাঁড়ির ঢাকনা বন্ধ করে খুব অল্প আঁচে (দমে) ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন।গরম গরম সুগন্ধি পেশোয়ারি কাবুলি পোলাও পরিবেশন করুন রায়তা বা সালাদের সাথে। এই পোলাওয়ের মিষ্টি-মসলাদার স্বাদ একদম পারফেক্ট হবে।এবি
