এইমাত্র
  • প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ
  • জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলের ছুটি শুরু
  • রমজানের প্রথম দিনেই গাজায় শিশুসহ দুজনকে হত্যা করলো ইসরায়েল
  • সংসদ সদস্যদের পেনশন বাতিল করলো শ্রীলঙ্কা
  • বাংলাদেশের প্রশংসা করে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ধুয়ে দিলেন মমতা
  • ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই’
  • ‘যা পারেন লেখেন’—টাকা কর্তন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রতি তারাগঞ্জের ইউএনও
  • নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
  • গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলের ছুটি শুরু
    মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার রমজানের প্রথম দিন থেকেই ছুটি শুরু হচ্ছে। ছুটি চলবে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত। আজ বৃহস্পতিবার রাতে এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।এতে বলা হয়েছে, বিগত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারক নম্বর: ৩৭.০০.০০০০.০৭১.০৪.০০২.০২ (অংশ)-৫০৭ মূলে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন সংশোধনক্রমে সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ (১৪৩২-১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি নিম্নোক্তরূপে নির্ধারণ করা হলো।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, শবেকদর (১৭ মার্চ),  জুমাতুলবিদা (২০ মার্চ), ঈদুল ফিতর (২১ মার্চ) এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৬ দিন ছুটি থাকবে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে। জানা যায়, দীর্ঘ আলোচনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বার্ষিক ছুটির তালিকায় সংশোধন এনেছে। ফলে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রমজানের প্রথম দিন থেকেই ছুটি শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।এদিকে পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল।১৫ ফেব্রুয়ারি সেই রিটের শুনানি হয়। এতে পুরো রমজান মাস, অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরো রমজান সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরে গত সোমবার পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত স্থগিতের আদেশ দেন।এবি 
    চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল থেকে রোজা শুরু
    দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকেই বাংলাদেশে রোজা শুরু হবে আর বুধবার এশার নামাজের পর তারাবিহ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ (বুধবার) রাতেই শুরু হচ্ছে তারাবিহ। এরপর শেষ রাতে সাহরি খেয়ে রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা।দেশের কোথাও কোথাও অবশ্য সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে আজ (বুধবার) থেকেই রোজা রাখছেন মুসলমানরা।এমআর-২

    জাতীয়

    সব দেখুন
    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় ও বেতনে (৭৮ হাজার টাকা নির্ধারিত) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা শপথ নেন। এফএস
    মব কালচারের দিন শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে আর মব কালচার বরদাশত করা হবে না। দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি অব্যাহত থাকবে। মিছিল-সমাবেশ করা যাবে, মত প্রকাশের অধিকার থাকবে। তবে মব সৃষ্টি করে জনভোগান্তি তৈরি বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা যাবে না।তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মানেই শুধু পুলিশ, এমন ধারণা অনেকের মধ্যে রয়েছে। অথচ এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে আরও বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে। পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং অতীতে যে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে তা পুনরুদ্ধার করতে হবে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সর্বস্তরে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনও ধরনের অবৈধ তদবির সহ্য করা হবে না।বাহিনীর কোনও সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।আইজিপিসহ বাহিনীর কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তারা সাক্ষাৎ করে গেছেন, সম্ভবত অন্য দায়িত্বে ব্যস্ত ছিলেন।এনআই
    জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন তারেক রহমান।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে তার এই ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়।এর আগে বেলা ১১টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরে মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন তিনি। এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান।পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবং পরে তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা মোনাজাতে অংশ নেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর থেকে সচিবালয়ে দাফতরিক কার্যক্রম শুরু করেন তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী।গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সংসদ ভবনে দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই আয়োজনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৪৯ জন শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান।এনআই
    জাতির উদ্দেশে রাত পৌনে ১০টায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
    আজ রাত পৌনে ১০টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা উম্মুল খায়ের ফাতেমা এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ভাষণটি শুরু হওয়ার কথা ছিল।গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে নতুন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।এমআর-২
    রমজানকে স্বাগত জানিয়ে যে বার্তা দিলেন আহমাদুল্লাহ
    বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত শেষরাত থেকে রমজান মাসের রোজা রাখবেন বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেন, নতুন চাঁদের রোশনিতে শুরু হলো মুমিন-জীবনের বহু আকাঙ্ক্ষিত মাস, পবিত্র মাহে রমজান। আহলান, সাহলান শাহরু রমজান।তিনি জানান, আসুন, এই মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদতের জন্য ব্যয় করি। তাকওয়া ও কোরআনের আলোয় হৃদয়কে আলোকিত করি। পোস্টের শেষে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের গুরুত্ব বুঝে অধিক পরিমাণে আমল করার তওফীক দান করুন।এমআর-২
    সরকারি গাড়ি ব্যবহার করবেন না তারেক রহমান
    সরকারি গাড়ি নয় নিজস্ব গাড়িতে চড়বেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানিয়েছেন।আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি, নিজের চালক ও নিজের ক্রয়করা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। আজ দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার ও শেরে বাংলা নগর গিয়েছিলেন নিজের টয়েটা গাড়ি চড়ে, সেখান থেকে সচিবালয়ে গিয়েছেন সেই গাড়িতেই।তিনি বলেন, যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এতোদিন প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সংখ্যা ছিলো ১৩/১৪টি। আজ সেটি কমিয়ে ৪টি করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করছেন। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে পতাকা ব্যবহৃত হবে বলে জানান রুমন।বিএনপি মিডিয়া সেলের এ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীদের সচিবালয় থেকে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে বেশিরভাগ সময়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুইধারে পোষাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে বিধান তা বন্ধ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান রুমন।সকালে গুলশানের বাসা থেকে নিজের সাদা টয়োটা গাড়িতে চড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই সময়ে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কম ছিল।সাভার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করেন। দুই জায়গাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পুরো মন্ত্রিসভার সদস্যরা ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে যান।এমআর-২
    চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল থেকে রোজা শুরু
    দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকেই বাংলাদেশে রোজা শুরু হবে আর বুধবার এশার নামাজের পর তারাবিহ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ (বুধবার) রাতেই শুরু হচ্ছে তারাবিহ। এরপর শেষ রাতে সাহরি খেয়ে রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা।দেশের কোথাও কোথাও অবশ্য সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে আজ (বুধবার) থেকেই রোজা রাখছেন মুসলমানরা।এমআর-২
    কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ বলেছেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ—এই তিনটি খাত দেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি। সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ খাতগুলোর উন্নয়ন ঘটাতে পারলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও টেকসই হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি বিশ্বাস করেন দেশে কৃষির উন্নয়ন হলে  প্রধান অর্থনীতি স্হিতিশীল হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ বছরের ছয় থেকে আট মাস বরফে আচ্ছাদিত থাকে, তবুও তারা উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে বারো মাস ফসল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর জমি আমাদের বড় সম্পদ। বাংলাদেশকে সেরা ও সুন্দর রাষ্ট্রে পরিণত করতে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।মন্ত্রী বলেন, মাছ ও ভাত বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে  অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। পৃথিবীর যেখানেই বাঙালি যান না কেন, তিনি ভাত ও মাছের স্বাদ খোঁজেন। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সকল অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে কৃষি উৎপাদনে বিশ্বে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার জনকল্যাণে আন্তরিক। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। দেশের আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। দুর্নীতিমুক্ত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ইতিহাস সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।এ সময়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়সমূহ মৎস্যসম্পদের মূল ভান্ডার। কিন্তু বিভিন্ন কারণে অনেক জলাশয় ভরাট ও দখল হয়ে গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসব জলাশয় চিহ্নিত করে পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মন্ত্রণালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সেক্টরভিত্তিক বৈঠকের মাধ্যমে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীও কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন এবং বিশ্বাস করেন যে কৃষির উন্নয়নই টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, মন্ত্রণালয়,  বিভিন্ন অধিদপ্তর ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।এমআর-২

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। সন্ধ্যা ৭টায় বিটিভিসহ সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ভাষণটি প্রচারিত হবে।আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।দেশের সব টেলিভিশন চ্যানেলকে ভাষণটি জনস্বার্থে বিটিভির সৌজন্যে সম্প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা (২৫ মন্ত্রী, ২৪ প্রতিমন্ত্রী) শপথ নিয়েছে।এর আগে, তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।এরও আগে, তাঁরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এইচএ
    সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। সন্ধ্যা ৭টায় বিটিভিসহ সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ভাষণটি প্রচারিত হবে।আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।দেশের সব টেলিভিশন চ্যানেলকে ভাষণটি জনস্বার্থে বিটিভির সৌজন্যে সম্প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা (২৫ মন্ত্রী, ২৪ প্রতিমন্ত্রী) শপথ নিয়েছে।এর আগে, তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।এরও আগে, তাঁরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এইচএ
    সচিবালয়ে এলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সচিবালয়ে এসেছেন তারেক রহমান। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এর আগে সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নতুন ১ নম্বর ভবনের তিনতলায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত কার্যালয়ে তিনি প্রথম দিনের মতো অফিস করবেন। একই ভবনের তৃতীয় তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। বৈঠকটি মূলত পরিচিতিমূলক হলেও সরকারের অগ্রাধিকার বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের প্রথম অফিস উপলক্ষে সচিবালয়ের প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। করিডোরজুড়ে রাখা হয়েছে নতুন ফুলের টব। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নামফলক সরিয়ে বসানো হয়েছে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নামফলক। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল হাতে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিলেন।নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল কঠোর। বিশেষ করে নতুন ১ নম্বর ভবন ঘিরে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। ভবনে প্রবেশের আগে বসানো হয় আর্চওয়ে। পরিচয়পত্র যাচাই করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ করানো হয়। সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের ডগ স্কোয়াডকেও ভবনের নিচতলায় অবস্থান করতে দেখা গেছে। মূল ফটকেও ছিল বাড়তি নিরাপত্তা। প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। সরকারের কার্যক্রমে গতি আনা, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে নতুন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।প্রায় দুই দশক পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করল বিএনপি। দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে এবারই প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তারেক রহমান। সচিবালয়ে তার প্রথম কর্মদিবস ঘিরে প্রশাসনে ছিল উৎসবমুখর ও সতর্ক—দুই ধরনেরই আবহ।এইচএ 
    শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই কাজ শুরু করেছি। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিদর্শন বইয়ে লিখিত মন্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিনই জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় নিজের মনোভাব লিখেন তিনি।পরিদর্শন বইয়ের মন্তব্য সারিতে তারেক রহমান লিখেন, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ফ্যাসিবাদী শাসন শোষনের অবসানের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।’তিনি আরও লিখেন, ‘বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রীসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি, যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎকালে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী লিখেন, ‘আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের আকাঙ্খা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদেরকে জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করেন। আমি আবারো আল্লাহর দরবারে সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি।’প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের আগমনকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন। মহাসড়কে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের মহড়া দেওয়া হয়। এছাড়া পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা আনা হয় সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।এইচএ
    বাবা-মায়ের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা
    নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে আসেন তিনি। সেখান থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে যাচ্ছেন তিনি।এর আগে, সকালে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে সাভার স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার জিয়া উদ্যানে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বেলা ৩টায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এছাড়া দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।এইচএ
    ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়ার মানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অপমান করা’
    সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়ার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অপমান করা হয়েছে। তবে সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে উদ্যোগ না নেয় তাহলে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো ছাড় দেবে না - এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলের নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিরপুরের ৬০ ফিটে মনিপুর স্কুলের সামনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করে একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা। তিনি বলেন, জুলাই না আসলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না এবং আমিও বিরোধী দলীয় প্রধান হতে পারতাম না। তাই আমাদের সবার উচিত সংসদে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন করা। প্রতিদিন ফজরের পর আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ময়লা পরিষ্কার করা হবে।তিনি আরও মিরপুর, কাফরুলকে মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি আশা করেন এ কাজে সরকার ফান্ডিং ঠিক রাখবে। ঢাকায় থাকলে প্রতিদিন ময়লা পরিষ্কার করবেন, ঢাকার বাইরে থাকলে সেখানেও একই কাজ করবেন বলেও জানান তিনি। এইচএ
    ফজর নামাজের পর ‘ক্লিন ঢাকা গ্রিন ঢাকা’ কর্মসূচিতে জামায়াত আমির
    ‘ক্লিন ঢাকা গ্রিন ঢাকা’ কর্মসূচির সূচনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিরপুরের ৬০ ফিটে মনিপুর স্কুলের সামনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নেন।এসময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দীন ও মিরপুর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও অংশ নেন রাস্তা পরিষ্কারের কাজে।কর্মসূচি শেষে জামায়াত আমির সাংবাদিকদের বলেন বলেন, আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করতে চাই। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন দেশ গড়বো। নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার করলে দেশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, জুলাই না এলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। আমিও হতে পারতাম না বিরোধী দলীয় প্রধান। তাই আমাদের সবার উচিত সংসদে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন করা।এইচএ
    জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
    বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ও পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নিয়ে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের আগমনকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন। মহাসড়কে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের মহড়া দেওয়া হয়। এছাড়া পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা আনা হয় সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে প্রথমবারের মতো অফিস করবেন।সচিবালয়ে এসে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। দুপুরের পর বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নেই। মূলত এটি হবে পরিচিতিমূলক। এরপর বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।এইচএ

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    শপথ গ্রহণ করলেন তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যরা
    নতুন সরকারে শপথ নিয়েছেন সংসদ সদস্যরা (এমপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে শপথ নেন তারেক রহমানসহ বিএনপির এমপিরা।শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে এমপিদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন। সূচি অনুযায়ী, শপথের পর বেলা সাড়ে ১১টায় বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন।ইখা
    শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় পাকিস্তানের মন্ত্রী
    নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়া‌রি) পা‌কিস্তা‌নের মন্ত্রীর ঢাকায় আসার তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে দেশ‌টির ঢাকার হাইক‌মিশন।হাইক‌মিশন জানায়, পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায় পৌঁছেছেন। তি‌নি বাংলা‌দে‌শের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দে‌বেন।তি‌নি ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স‌চিব (পূর্ব ও প‌শ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম ও ঢাকায়‌ নিযুক্ত পা‌কিস্তানের হাইক‌মিশনার ইমরান হায়দার।ইখা
    শপথ নিতে সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন তারেক রহমান
    নতুন সরকারে শপথ নিতে জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি সংসদ ভবনে পৌঁছান।এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে রওয়ানা হন বিএনপির চেয়ারম্যান। বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে তিন ধাপে ১০০ জন করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দুপুরে বিএনপির সংসদীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে এবং বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন, যার ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী সংসদ ভবনের উন্মুক্ত চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দক্ষিণ প্লাজায় তৈরি করা হয়েছে বিশাল অস্থায়ী মঞ্চ ও ভিভিআইপি জোন। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত সংসদ ভবনকে মেরামত করে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। দেশি-বিদেশি প্রায় হাজার খানেক অতিথির উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ উদযাপিত হবে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়।আজকের এই শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে শুরু হচ্ছে ‘জুলাই সনদ’ ও সংবিধান সংস্কারের এক নতুন পথচলা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন।ইখা
    এবার রাজধানীতে জুতার কারখানায় আগুন
    রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পর এবার পুরান ঢাকার আগা সাদেক সড়কে একটি জুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৪৫মিনিটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার শাহজাহান হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আগা সাদেক সড়কের আগামাসি লেনের ৭তলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি জুতার কারখানায় আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।এফএস
    ঢাকা-৯ আসনে জয়ী বিএনপির হাবিবুর রশিদ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন।হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৬৮১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৯৩টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৮টি।ইখা
    যশোরে যুবকের পেট থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার
    যশোরে মাসুদ রানা (২০) নামের এক যুবকের পেটের ভেতর থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের দাবি, এসব ইয়াবা তিনি কক্সবাজার থেকে এনে বেনাপোল হয়ে পাচারের চেষ্টা করছিলেন।র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে শহরের মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক্স-রে করার পর তার পেটে ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।মাসুদ রানা শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া কলোনিপাড়ার হোসেন আলীর ছেলে।র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, এক যুবক ইয়াবাসহ যশোর হয়ে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয় এবং মাসুদ রানাকে আটক করে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পেটের ভেতরে আনুমানিক ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় র‌্যাব। চিকিৎসকের সহায়তায় তার পেট থেকে ইয়াবাগুলো বের করা হয়েছে।বর্তমানে র‌্যাবের পাহারায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।ইখা
    নড়াইলে গাছে গাছে আমের মুকুল ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে
    নড়াইল জেলার শহর থেকে গ্রামে সবখানেই এখন আম গাছগুলোতে মুকুল আসতে শুরু করেছে। হলুদ রঙের মুকুলে ছেয়ে গেছে ডালপালা। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আমের মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণ। এ যেন হলুদ আর সবুজের এক মহামিলন। নানা ধরনের ফুলের সুবাসের সঙ্গে বাতাসে ভাসছে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মনকে বিমোহিত করে। আম বাগানে মৌমাছির দল ঘুরে বেড়াচ্ছে গুনগুন শব্দে। ছোট পাখিরাও মুকুলে বসেছে মনের আনন্দে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা দিচ্ছে এসব মুকুল।আম বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। মুকুলে ছেয়ে আছে গাছের ডালপালা। এমনই দৃশ্যের দেখা মিলেছে নড়াইলের প্রতিটি গ্রামে। দৃশ্যটি যে কাউকেই কাছে টানবে। দুরন্ত শৈশবে কাঁচা-পাকা আম পাড়ার স্মৃতি যেন নতুন করে মনে করিয়ে দিচ্ছে এই সময়টাকে।জেলার প্রায় সব এলাকায় মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলো। বাগানগুলোতে রয়েছে আ¤্রপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, হাঁড়িভাঙা জাতের গাছ। তবে ছোট আকারের চেয়ে বড় ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল এসেছে। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন নড়াইলের বাগান মালিকরা।জেলার কৃষক জানান, ‘এ বছর আগেভাগে মুকুল এসেছে। এখন আমের ভালো ফলন পেতে ছত্রাকনাশক প্রয়োগসহ আমগাছে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর তারা আমের বাম্পার ফলন পাবেন বলে আশা করছেন।’জেলায় বছরজুড়ে নিয়মিত পরিচর্যা, গাছের গোড়ায় বাঁধ দিয়ে পানি সেচের ফলে গাছ নিয়মিত খাদ্য পাচ্ছে। এতে পরিশ্রমের ফলও মিলছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণে এমনই চিত্র দেখা গেছে।এসআর
    ভারতের শেল্টার হোম থেকে বিশেষ পারমিটে দেশে ফিরল ২৮ শিশু
    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শেল্টার হোমে ৩ থেকে ৭ বছর আশ্রিত থাকার পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে ২৮ বাংলাদেশি শিশু। এদের অধিকাংশেরই পিতা অথবা মাতা বর্তমানে ভারতের কারাগারে সাজাভোগ করছেন। ফেরত আসাদের বয়স ৮ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি শিশুদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। এ সময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, বিজিবি এবং দুই দেশের মানবাধিকার সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফেরত আসাদের মধ্যে ২০ জন ছেলে এবং ৮ জন মেয়ে রয়েছে।ফেরত আসা শিশুদের বাড়ি কুড়িগ্রাম, রংপুর, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, বাগেরহাট, নড়াইল, নাটোর, কুমিল্লা, খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন এলাকায়।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “ভালো কাজের আশায় দালালদের মাধ্যমে তারা তাদের পিতামাতার সাথে বিভিন্ন সময়ে ভারতে গিয়েছিল। পরে তারা পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলহাজতে যায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে পিতামাতাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হলে শিশুরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হোমে আশ্রয় পায়। দীর্ঘ ৩ থেকে ৭ বছর পর দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের সমঝোতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরল।”ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শিশুদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। থানা থেকে এসব শিশুকে ‘রাইটস যশোর’ (১০ জন), ‘মহিলা আইনজীবী সমিতি’ (৮ জন) এবং ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ (১০ জন) গ্রহণ করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেবে।বেনাপোল পোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, ভারত থেকে ফেরত আসা ২৮ শিশুকে থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেসরকারি তিনটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।রাইটস যশোরের কো-অর্ডিনেটর তৌফিকুর রহমান জানান, উন্নত জীবনের প্রলোভনে সীমান্তের অবৈধ পথে এসব শিশু তাদের পিতামাতার সাথে ভারতে গিয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়ায় পিতামাতাদের সাজা হলে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের হেফাজতে নেয়। দীর্ঘ সময় পর দুই দেশের সরকারের সহযোগিতায় তারা স্বদেশে ফেরার সুযোগ পেল। শিশুদের যশোরে সংস্থার নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখা হবে এবং দ্রুত অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।এনআই
    যশোরে পরকীয়ার জেরে ছেলের বাবাকে পিটিয়ে জখম
    যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটিতে পরকীয়া নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে মেয়ের বাবার মারধরে ছেলের বাবা আক্কাস আলী (৫৫) গুরুত্বর জখম হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের কাছে এই ঘটনা ঘটে। আহত আক্কাস আলী ঝাউদিয়া গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।আহত আক্কাস আলী জানান, তাঁর ছেলে মারুফ হোসেনের (২৫) সাথে পাশের বাদিয়াটোলা গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে জেসমিন খাতুনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মারুফ দুই মাসের একটি কন্যাসন্তানের জনক এবং জেসমিন চার বছরের একটি পুত্রসন্তানের জননী। পরকীয়ার জেরে তারা কয়েকদিন আগে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়।মঙ্গলবার সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে ডাকা হয়। ক্যাম্পে যাওয়ার পথে জেসমিনের বাবা জাকির হোসেনসহ দুইজন আক্কাস আলীর ওপর হামলা করেন। এ সময় হেলমেট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, আহত আক্কাস আলীর মাথার আঘাতটি গুরুতর। পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে তাঁর চিকিৎসাসেবা চলছে।সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুর রউফ জানান, পরকীয়ার জেরে মারুফ নামে এক যুবক এক সন্তানের জননী জেসমিনকে নিয়ে লাপাত্তা হন। এ ঘটনায় দুই পক্ষকে ক্যাম্পে ডাকা হয়েছিল। পথিমধ্যে মেয়ের বাবার হামলায় ছেলের বাবা জখম হন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ আরও জানায়, জেসমিন বর্তমানে তাঁর স্বামী ছেড়ে মারুফের সাথেই সংসার করতে আগ্রহী।এনআই
    ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার দুই সহোদর বেনাপোলে গ্রেপ্তার
    সুনামগঞ্জ জেলার একটি হত্যা মামলার আসামি দুই সহোদর সাদিকুর রহমান শামিম (৩৬) ও সাজিদুর রহমান (৩২)-কে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তারা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে গেলে পুলিশ তাদের আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই সুনামগঞ্জের হালুরগাঁও এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে।আটককৃত শামিম হোসেনের দাবি, তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। স্থানীয় পারিবারিক গণ্ডগোলের জেরে একটি মামলা তাদের নামে রয়েছে।বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, ওই দুই সহোদর বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের নামে পারিবারিক গণ্ডগোলের জেরে একটি হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া যায়। ইমিগ্রেশনের ‘কালো তালিকায়’ তাদের দুই ভাইয়ের নাম থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিক কাজ শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।বেনাপোল পোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই হত্যা মামলার আসামি। সুনামগঞ্জ মডেল থানার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে; আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ওই থানায় হস্তান্তর করা হবে।উল্লেখ্য, গত দেড় বছরে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে প্রায় ৪০ জন পাসপোর্টধারী যাত্রীকে হত্যা ও বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।এনআই
    টেকনাফে ৬৩ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ
    কক্সবাজারের টেকনাফে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তর। জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি (নামটি পদবি অনুযায়ী সমন্বয়যোগ্য হলে ভালো হয়, আপনার তথ্যে সুমন-আল-মুকিত উল্লেখ আছে) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের লামার বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কোস্ট গার্ড টেকনাফ স্টেশনের বাহারছড়া আউটপোস্ট ও শাহপরীর দ্বীপ আউটপোস্টের সদস্যরা অংশ নেন। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযানে যুক্ত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও।অভিযান চলাকালে ওই এলাকার তিনটি পৃথক গুদামঘরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৯০ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জালের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা দ্রুত সটকে পড়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে জব্দ করা কারেন্ট জাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।মিডিয়া কর্মকর্তা জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহার সামুদ্রিক ও উপকূলীয় মাছের প্রজনন এবং সামগ্রিক মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি। এসব জাল পানিতে ফেলা হলে ছোট মাছ ও পোনা নির্বিচারে ধরা পড়ে, ফলে দীর্ঘমেয়াদে মাছের উৎপাদন কমে যায় এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়।তিনি আরও জানান, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড নিয়মিতভাবে উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। দেশের সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এনআই
    টেকনাফ সীমান্তে বিজিবি-মাদক কারবারি গোলাগুলি, ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
    মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক কারবারি চক্রের সাথে বিজিবির গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অভিযানে কোনো পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব না হলেও পৃথক দুটি অভিযানে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। সেই সাথে মাদক পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ (তথ্যসূত্র অনুযায়ী নাম সমন্বয়যোগ্য)।বিজিবি জানায়, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপি এলাকার চৌধুরীপাড়া নাফ নদীর স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবির একটি যৌথ টহল দল। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ৮ থেকে ১০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। এসময় পাচারকারীরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পালটা গুলি চালায়। প্রায় এক ঘণ্টা গোলাগুলির পর পাচারকারীরা ইয়াবার চালান ফেলে নাফ নদী ও কেওড়া জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে ৭ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।একই সময়ে হ্নীলা চৌধুরীপাড়া সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথে মাদক কারবারিদের সাথে স্থানীয় একটি ডাকাত দলের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা ইয়াবার চালানটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির অবনতি হয়। পরে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সহায়তা নিয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উখিয়া ৬৪ বিজিবির সদস্যরা টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এসময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।এনআই
    লক্ষ্মীপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে রকেট এজেন্টের দেড় লাখ টাকা ছিনতাই
    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে রকেট এজেন্টের এক সেলসম্যানের (৩০) কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় চরমোহনা ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়পুর বাবুরহাট থেকে রায়পুর আসার পথে শিকদার রাস্তার পশ্চিম পাশে এই ঘটনা ঘটে।আহত ইসমত আউয়াল পাবেল রায়পুর শহরের রকেট এজেন্টের সেলসম্যান এবং দক্ষিণ কেরোয়া এলাকার সালামত উল্লাহ মুন্সি বাড়ির ফিরোজ আলমের ছেলে।আহত ইসমত আউয়াল জানান, তিনি হায়দরগঞ্জ বাজার থেকে রায়পুরে ফিরছিলেন। পথে দুটি মোটরসাইকেলে আসা চারজন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করার পর ছিনতাইকারীরা তার ডান হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে এবং সাথে থাকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তার চিৎকারে ছিনতাইকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া জানান, সংবাদ পাওয়ার পরপরই ওই এলাকায় পুলিশের টহল দল পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এনআই
    ফুলের সাথে দুর্বৃত্তের এ কেমন শত্রুতা!
    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ফুল ছিঁড়তে নিষেধ করায় ১০ শতক জমির সূর্যমুখী বাগান রাতের আঁধারে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চেঁদিরপুনি বড়ুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।বাগান মালিক হেমাঙ্গ বড়ুয়া সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে গত তিন বছর ধরে তিনি বাড়ির পাশে ১০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ করে আসছিলেন। ফুলের সৌন্দর্য দেখে পথচারীরা বাগানে ঢুকে ছবি তুলতেন এবং অনেকেই ফুল ছিঁড়ে নিয়ে যেতেন। গত সোমবার যারা বাগানে এসেছিলেন, তাদের ছবি তুলতে বললেও ফুল ছিঁড়তে নিষেধ করেছিলেন হেমাঙ্গ বড়ুয়া। তার অভিযোগ, এই নিষেধ করাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।ক্ষুব্ধ কৃষক বলেন, "গতকাল রাতের আঁধারে কে বা কারা জমির সব গাছ ভেঙে ফেলেছে। বিষয়টি আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছে। আমি একজন জাত কৃষক; সবজি, পেঁয়াজ ও ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করি। অনেক মানুষ সুন্দর ও ভালো জিনিসের মূল্যায়ন করতে জানে না।"হেমাঙ্গ বড়ুয়ার স্ত্রী নীলু বড়ুয়া বলেন, "আমরা কাউকে ছবি তুলতে বাধা দিইনি, শুধু ফুল ছিঁড়তে নিষেধ করেছি। অথচ সকালে এসে দেখি আমাদের পুরো বাগানটি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।"সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-কৃষি কর্মকর্তা টিটু চক্রবর্তী জানান, এটি সরকারি প্রণোদনার আওতাভুক্ত একটি প্রজেক্ট। তেলের চাহিদা ও পারিবারিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি সৌন্দর্যের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়। বাগানটি নষ্ট হওয়ার খবর শুনে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।লোহাগাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী শফিউল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি শোনার পরপরই উপ-সহকারী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। আগামীতে হেমাঙ্গ বড়ুয়াকে দিয়ে আরও বড় পরিসরে সূর্যমুখী চাষের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রণোদনা এলে তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছি।"এনআই
    রায়পুর সরকারি কলেজে শিক্ষক ও জনবল সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম
    লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি কলেজ-এ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এতে পাঠদান, পরীক্ষার প্রস্তুতি, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থী সেবায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারি জনবল কাঠামো থাকলেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে রয়েছে।‎‎কলেজ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক নেই। বিশেষ করে রসায়ন ও উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে অধ্যাপক পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া একাধিক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা করা যাচ্ছে না।‎অনেক ক্ষেত্রে একজন শিক্ষককে একাধিক বর্ষ ও বিভাগে পাঠদান করতে হচ্ছে। ফলে সিলেবাস শেষ করা, শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।‎‎শুধু শিক্ষক নয়, প্রশাসনিক ও সহায়ক জনবলেও বড় ধরনের সংকট রয়েছে। অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) এবং নিরাপত্তা প্রহরীর একাধিক পদ শূন্য রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের সনদ, নম্বরপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেতে বিলম্ব হচ্ছে। নিরাপত্তা প্রহরীর সংকট কলেজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন অনেক বিষয়ে নিয়মিত ক্লাস হয় না। সিলেবাস শেষ করতে পারছি না। পরীক্ষার আগে প্রাইভেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অনেক সময় একটি ক্লাসে ২০০-৩০০ শিক্ষার্থী থাকে, ফলে ঠিকমতো বুঝতে সমস্যা হয়। অফিসেও কাজ করাতে গেলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।‎‎এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রসেসর মো. আবুল বাসার বলেন,“শিক্ষক ও জনবল সংকট একটি বড় সমস্যা। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা গেলে শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”‎‎স্থানীয় শিক্ষাবিদরা মনে করেন, দীর্ঘদিন শিক্ষক ও কর্মচারী সংকট চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও উচ্চশিক্ষায় প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষ করে মফস্বল এলাকার কলেজগুলোতে এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে শিক্ষার মান কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।‎‎অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও জনবল সংকটের কারণে কলেজটির কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা সেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষক ও জনবল সংকটের কারণে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শিক্ষার মান আরও অবনতির ঝুঁকিতে পড়বে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন ,সরকারি কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমরা কোন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারি না। মাধ্যমিক পর্যায়ের যে সকল শিক্ষক সংকট রয়েছে, সারা দেশব্যাপী একই রকম সমস্যা রয়েছে , তারপরও আমরা চেষ্টা করবো উধ্বর্তন কর্মকর্তাকে বলে সমস্যা সমাধানের জন্য ।পিএম
    সাঈদ আহমেদ এমপি নির্বাচিত হওয়ায় আরিফ সিকদারের ফুলেল শুভেচ্ছা
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিআইএ-এর সদস্য এবং এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্সুরেন্স’র (পিএলসি) পরিচালক আরিফ সিকদার।। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানান তিনি।শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিমা খাতের টেকসই উন্নয়নে জনাব সাঈদ আহমেদের দীর্ঘদিনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে আরিফ সিকদার বলেন, আপনার মতো একজন অভিজ্ঞ এবং প্রতিশ্রুতিশীল ব্যক্তিত্ব জাতীয় সংসদে অন্তর্ভুক্তি কেবল বিমা খাতের জন্যই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। আরিফ সিকদার আরও বলেন,  দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিমা শিল্পের আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আপনি যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তার ধারাবাহিকতা এখন জাতীয় পর্যায়েও প্রতিফলিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে আরিফ সিকদার আরও বলেন, শরীয়তপুর ১ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ বিমা খাতের সুবিধা অসুবিধা গুলো সবই জানেন, ফলে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা গুলো সংসদে উপস্থাপন করার মতো একজন মানুষ আমরা পেয়েছি। ‍ বিশেষ করে বাংলাদেশের আর্থিক সেবা খাতের সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের কাছে বিমা সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সংসদে আমাদের একজন হয়ে কথা বলবেন বলে আমরা মনে করি।অনুষ্ঠান শেষে জনাব সাঈদ আহমেদ তাঁর ওপর আস্থা রাখার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
    মুন্সিগঞ্জে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা
    মুন্সিগঞ্জ শহরের বাজারে অভিযান চালিয়ে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মুন্সিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ।অভিযানে শাহীন ফল ভান্ডারে ফলের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় দোকান মালিক মো. শাহীন বেপারীকে ১ হাজার টাকা, দুধে পানি মিশ্রিত করে বিক্রি করার অপরাধে রুহুল আমিন নামের এক দুধ বিক্রেতাকে ১ হাজার টাকা এবং দেলোয়ার স্টোরে পণ্যের মূল্য তালিকা না টাঙানোর অপরাধে দোকান মালিক দেলোয়ার শেখকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া মুদি, ফল, গরুর মাংস, মুরগি, সবজি ও মিষ্টির দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্রয় রশিদ ও মূল্য তালিকা যাচাই করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের বাধ্যতামূলকভাবে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং পণ্য ক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।অভিযানে সহযোগিতা করেন মুন্সিগঞ্জ জেলা ক্যাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর সরকার মন্টু, বাজার কমিটির সভাপতি মো. এনামুল হক, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. জামাল উদ্দিন মোল্লা ও পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর লিনা সাহাসহ সদর থানা পুলিশের একটি দল।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মুন্সিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। মূল্য তালিকা প্রদর্শন, সঠিক ওজন এবং ভেজালমুক্ত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অমান্য করলে ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পিএম
    নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হেকমত আলী (৪০) হত্যা মামলায় রফিকুল ইসলাম সবুজ (৩০) নামের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরেক আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম সবুজ রূপগঞ্জের মোল্লাবাড়ি এলাকার ইয়াকুব হোসাইনের ছেলে। দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি তাঁর ভাই মাহফুজুর রহমান (২৬)।কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ জানান, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় রফিকুল ইসলাম সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মাহফুজুর রহমানকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি মামুন মিয়া (২৩) অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল সকাল থেকে রূপগঞ্জ উপজেলার কালাদি এলাকার ব্যবসায়ী হেকমত আলী নিখোঁজ ছিলেন। তিনি ভুলতা নূর ম্যানশন মার্কেটে ‘হাসান এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি মোটর পার্টসের দোকানের মালিক ছিলেন।নিখোঁজের ১০ দিন পর ১৪ এপ্রিল তাঁর স্ত্রী রোকসানা বেগম রূপগঞ্জ থানায় অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় দোকানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম সবুজ, তাঁর ভাই মাহফুজুর রহমান, মামুন মিয়া ও তাঁদের বাবা ইয়াকুব মোল্লাকে আসামি করা হয়।পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তারের পর রফিকুল ইসলাম সবুজ জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দী করে একটি ড্রামের ভেতরে রাখা হয়। পরে ড্রামটি সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে মাছের খামারের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।নিখোঁজের প্রায় তিন মাস পর রূপগঞ্জ উপজেলার কেশবপুর এলাকায় একটি মাছের খামারের পানিতে ড্রামের ভেতর থেকে হেকমত আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পিবিআই সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।ইখা
    মাদারীপুরে নার্সিং ইনস্টিটিউটের জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত
    মাদারীপুরে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি পেশায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মাদারীপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজ প্রাঙ্গণে এ জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়।জব ফেয়ারে মাদারীপুর এবং শরিয়তপুর জেলার ১১টি বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে এবং বিপুল সংখ্যক চাকুরীপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণী উপস্থিত হন। বিশেষ করে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এ আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসময় জব ফেয়ারে চাকুরীপ্রত্যাশীরা সরাসরি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন, জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দেন এবং ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের জব ফেয়ার তরুণদের কর্মসংস্থানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।চাকুরীপ্রত্যাশীরা জানান, এমন আয়োজন নিয়মিত হলে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকুরীর চাহিদা ও শূন্যপদের তথ্য জানা সহজ হবে। এতে তাদের দক্ষতা ও পেশাগত মান আরও উন্নত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।নাসিং কলেজের ইনস্ট্রাক্টর ইনচার্জ মো.হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন সরদার খলিলউজ্জামান এবং ডিজিএনএমের সহকারী পরিচালক খাদিজা বাসমিন।পিএম
    নারায়ণগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ফের দলীয় ব্যানার
    প্রায় দেড় বছর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলীয় ব্যানার টানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। বুধবার (১৮ পেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের ২ নম্বর রেলগেইট এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ের ফটকের সামনে ব্যানারটি টানানো হয়।এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং ‘নারায়ণগঞ্জের মাটি শেখ হাসিনার ঘাঁটি’ স্লোগান দেন। পরে তাদের সেখান থেকে সরে যেতে দেখা যায়।আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই কার্যালয়টি বন্ধ রয়েছে। সে সময় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরবর্তী সময়ে দুর্বৃত্তরা ভবনের দরজা-জানালা খুলে নিয়ে যায়।পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ভবনটিতে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান। পরে ভবনের সামনের অংশ টিন দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়।ইখা
    বিয়ের পাত্রী দেখে ফেরার পথে নদীতে পড়ে নিখোঁজ যুবক, ২১ ঘণ্টায়ও হয়নি 
    পটুয়াখালীর গলাচিপায় বিয়ের পাত্রী দেখে ফেরার পথে উপজেলার চরকাজল লঞ্চঘাট টার্মিনাল থেকে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া যুবক হাসান হাওলাদার (২৮)-এর এখনো সন্ধান মেলেনি। ঘটনার প্রায় ২১ ঘণ্টা পার হলেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ডুবুরি দল ও বাংলাদেশ নৌ পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসান তার বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে চরকাজল যান। মেয়ে দেখে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তার বোনজামাই ইলিয়াসসহ আরও তিন আত্মীয়ের সঙ্গে চরকাজল থেকে গলাচিপা ফেরার উদ্দেশ্যে লঞ্চঘাট টার্মিনালে আসেন। এ সময় হাসান বাথরুমে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে অসাবধানতাবশত বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয় বলে জানা যায়। হাসান ডাকুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলখালী গ্রামের নুরু হাওলাদারের ছেলে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাতভর অনুসন্ধান চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ডুবুরি দল, নৌ পুলিশের রাঙ্গাবালী ফাঁড়ির সদস্যরা এবং স্থানীয়দের সমন্বয়ে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। নদীতে জাল টেনে ও ডুবুরি নামিয়ে যৌথভাবে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।রাঙ্গাবালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর রতন জানান, নিখোঁজের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ডুবুরি দলকে অবহিত করা হয়। নদীর গভীরতা ও স্রোতে প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।এদিকে হাসানের নিখোঁজের খবর পেয়ে তার পরিবারে শোক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। স্বজনরা জীবিত কিংবা মরদেহ যেকোনো অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এসআর 
    ইসলামী আন্দোলনের জয়ের নেপথ্যে পীর পরম্পরা ও সুসংগঠিত নেতৃত্ব
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, তালতলী ও আমতলী) একমাত্র আসনে জয় পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কেওড়াবুনিয়া দরবারের পীর মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ। পীর পরম্পরার রাজনীতি, পারিবারিক ঐতিহ্য ও দলের সুসংগঠিত নেতৃত্বের সমন্বয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন তিনি।মাওলানা অলি উল্লাহ কেওড়াবুনিয়ার মরহুম পীর সাহেব মাওলানা আব্দুর রশিদের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি পীরের দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রথম অংশ নিয়েই তিনি প্রায় ২৪ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। সেই নির্বাচন বিতর্কিত ছিল, কিন্তু ভোটের অঙ্ক তাকে রাজনীতির মানচিত্রে স্থায়ীভাবে বসিয়ে দেয়।বরগুনা-১ আসনে ইসলামী ধারার রাজনীতির শিকড় আরও পুরনো। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ৪৪ হাজার ৭২২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তখন চরমোনাই পীরের জোটের ইসলামী ঐক্য জোটের মাওঃ আব্দুর রশিদ ২৯ হাজার ৫০৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। বিএনপির প্রার্থী তৃতীয় স্থানে ছিলেন। একই চিত্র দেখা যায় ১৯৯৬ সালেও। তৎকালীন সাংসদ ধীরেন্দ্রনাথ শম্ভু তখন পান ৫৪ হাজার ৯৫৩ ভোট, আর ইসলামী ঐক্য জোটের আব্দুর রশিদ পীর সাহেব থাকেন দ্বিতীয় অবস্থানে। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ধারাবাহিকভাবে তৃতীয় স্থানে ছিলেন। ২০০১ সালে আসে ব্যতিক্রম। স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ৮৪ হাজার ৬১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। আওয়ামী লীগের সাংসদ শম্ভু পান ৫১ হাজার ৩০২ ভোট। ইসলামী জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের মাওঃ আব্দুর রশিদ তখন তৃতীয়, ১১ হাজার ৮৮৯ ভোট। ভোটের ফলাফল: টানটান লড়াইআমতলী, তালতলী ও বরগুনা সদর উপজেলা মিলিয়ে এবারের ভোটের ফল ঠিক সেই রকমই এক দীর্ঘ গল্পের নতুন অধ্যায়। আমতলীর ৬৫টি কেন্দ্রে হাতপাখা প্রতীকের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। এখানে হাতপাখা পেয়েছে ৫৫ হাজার ৪৭৫ ভোট, ধানের শীষ থেমেছে ৪১ হাজার ৩৮২ ভোটে। কিন্তু পাশ্ববর্তী উপজেলা তালতলীতে ভোটের চিত্র উল্টো। ৩০টি কেন্দ্রে ধানের শীষ এগিয়ে ছিল। সেখানে ভোট পেয়েছে ২৮ হাজার ২৬০। হাতপাখা সেখানে নেমেছে ২০ হাজার ৬৪৫ ভোটে। বরগুনা সদর উপজেলায় এসে লড়াই আরও জমে উঠেছে। ৯৫টি কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ৬৩ হাজার ৬৯৫ ভোট আর হাতপাখা ৬২ হাজার ৩৯২ ভোট। ব্যবধান এমন, যে বারবার গুনে দেখতে হয়। সব কেন্দ্রের হিসাব যোগ করলে হাতপাখা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২ ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকে। ধানের শীষের ঝুলিতে পড়ে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৬। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান মাত্র ৪ হাজার ১৭৫। এই অল্প দূরত্বেই জেলার রাজনীতিতে বড় ইঙ্গিত দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা। কারণ বরগুনার ভোট বরাবরই শুধু বর্তমানের নয়, অতীতের ধারাবাহিকতায় সমন্বয়ে তৈরি। অপর দুই প্রার্থী জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন ৬২৩২ ভোট পেয়েছেন এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত প্রার্থী পেয়েছেন ৯৮১ ভোট।ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা কমিটির সাবেক প্রচার-সম্পাদক নাজমুল হাসান বলেন, ' পীর সাহেব অলি উল্লাহ ২০১৮ সালে প্রায় ২৮ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। তবে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে এই আসনে তার বাবা প্রার্থী হননি। তার বাবা আব্দুর রশিদের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময়ের ভেতর দিয়ে বরগুনায় ভোটের রাজনীতিতে এক ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিলেন।'নির্বাচনের আগে নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মনোযোগ দেবেন জানিয়ে পীর সাহেব মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ বলেন, 'আমি নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এলাকাকে মাদক, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিমুক্ত করা। মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার। আমি কথা দিয়েছি, সেই কথা রাখাই এখন আমার প্রথম দায়িত্ব।’তিনি আরও বলেন, 'উপকূলীয় এই জেলায় অবকাঠামোগত যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের উন্নয়ন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা।'এসআর
    আজ রোজা রেখেছেন ভোলার ৫ হাজার মানুষ
    সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোজা রেখেছেন ভোলার ১৩টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। তারা চট্রগ্রামের সাতকানিয়া মির্জাখীল ও শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফের অনুসারী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে সেহরি খাওয়ার মধ্যদিয়ে আজ তারা রোজা রেখেছেন। এরআগে, গতকাল সৌদি আরবের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাত ৮টায় প্রথম  তারাবির নামাজ আদায় করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফের অনুসারী মো. সুমন মিয়া।তিনি জানান, তারা প্রতি বছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে গতকাল রাতে প্রথম তারাবি নামাজ আদায় করে আজ ভোর রাতে সেহরির খাওয়ার মধ্যদিয়ে রোজা রেখেছেন। তাঁর মতে, চাঁদ দেখার মধ্যদিয়ে সারাবিশ্বে রোজা ও ঈদ একদিনই পালন করা উচিত।জেলার ৭টি উপজেলার প্রায় ১৩টি গ্রামে তাদের অন্তত পাঁচ হাজার অনুসারী রয়েছে। যারা প্রতিবছরই এই নিয়ম অনুসরণ করেন। তবে এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। এই উপজেলার টবগী ইউনিয়নেই রয়েছে তাদের অন্তত তিন হাজার অনুসারী।এসআর
    ভিপি নুরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় গলাচিপায় মিষ্টিমুখ ও আনন্দ মিছিল
    পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় গলাচিপায় আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর মঞ্চ থেকে ‘সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা নুরুল হক নুরকে প্রতিমন্ত্রী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং তাকে নির্বাচিত করায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গলাচিপা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব জাকির মুন্সি, পটুয়াখালী জেলা যুব অধিকার পরিষদের সহসভাপতি মহিবুল্লাহ এনিম এবং বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উজ্জামান।আনন্দ র‍্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব মিয়া, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাহেব আলী মাতাব্বরসহ বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। র‍্যালি শেষে নেতাকর্মীরা মিষ্টিমুখ করেন।এর আগে একই দিন বিকেলে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গলাচিপা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে পৃথক আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আরিফ বিল্লাহর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক তাওহীদ ইমরানসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।এনআই
    সংবাদ প্রকাশের পর আদালতের প্রসেস সার্ভার প্রত্যাহার
    পটুয়াখালীর গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চৌকি আদালতের প্রসেস সার্ভারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সফিউল আলম নামের ওই প্রসেস সার্ভারের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সময়ের কন্ঠস্বরে প্রকাশিত হলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি চুরির মামলার বাদীর কাছ থেকে স্বাক্ষীর স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগী ২০০ টাকা দিতে চাইলে অভিযুক্ত দরকষাকষি করেন এবং এক পর্যায়ে ২০০ টাকা গ্রহণ করেন। ঘটনাটি প্রকাশের পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।ভিডিওতে ভুক্তভোগী মুক্তা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালের একটি চুরির মামলায় স্বাক্ষী নিয়ে তিনি আদালতে যান। স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পেশকার রুমে স্বাক্ষর দিতে গেলে তার কাছে ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। তিনি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জোরাজোরি করেন একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দেন বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, আদালতে স্বাক্ষর দিতে কোনো টাকা লাগে—এটা আমার জানা ছিল না। আদালত তো সরকারি প্রতিষ্ঠান, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে টাকা ছাড়া কাজ করতে চায় না পেশকার রুমের লোকজন।এ ঘটনায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতেই চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পটুয়াখালী মো. মামুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে অভিযুক্তকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে ‘ক্লোজ’ করা হয়। পরে জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক কারণে তাকে পটুয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখায় বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।আদালত সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে বিরত (সাসপেন্ড) করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও আবু সালেহ।এ বিষয়ে আদালত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইখা
    ভালুকায় অন্যায়-অত্যাচার বরদাশত নয়: এমপি বাচ্চু
    ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বলেছেন, ভালুকার মানুষের ওপর কোনো ধরনের অন্যায়, অত্যাচার বা অবিচার করে কেউ সম্পদ বৃদ্ধি করতে চাইলে তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখা হবে না।বুধবার এক বার্তায় তিনি বলেন, আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, ভালুকার মানুষের অধিকার নিয়ে কেউ খেলতে পারবে না। ক্ষমতার অপব্যবহার করে, প্রভাব খাটিয়ে কিংবা সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পদ গড়ার সুযোগ আর থাকবে না।তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে ভালুকার মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও অধিকার রক্ষা করা তার নৈতিক দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি সাধারণ মানুষের জমি, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করে অন্যায় সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেন, ভালুকাকে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদেরও সতর্ক করে বলেন, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয় পরিচয় তাকে রক্ষা করতে পারবে না।ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বলেন, আমি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে চাই-ভালুকার মানুষের ক্ষতি করে কেউ যদি ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেন, তিনি আমার নিকটজন হলেও ছাড় দেওয়া হবে না।এসআর
    প্রতিমন্ত্রী হলেন ইয়াসের খান চৌধুরী, নান্দাইলে আনন্দের বন্যা
    ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী বিপুল ভোটে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। তার মন্ত্রিত্ব লাভের খবরে নান্দাইল উপজেলায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। উপজেলাজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার। সাধারণ ভোটার থেকে দলীয় নেতাকর্মী সবাই উচ্ছ্বসিত।প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েই বাজিমাত করেছেন তিনি। তাঁর মেধা,যোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এই তরুণ নেতা।ইয়াসের খান চৌধুরী কেবল রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবেও পরিচিত। দীর্ঘ সময় তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বিবিসি-এর টেলিভিশন নেটওয়ার্কের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। বিদেশে সফল ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেশ ও মাটির টানে এবং প্রয়াত বাবার স্বপ্ন পূরণে তিনি দেশে ফিরে আসেন।রাজনৈতিক দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি আস্থা ও সমর্থন অর্জন করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। এরই প্রতিফলন ঘটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর বিজয়ের মাধ্যমে।তথ্যপ্রযুক্তি জগত থেকে সরাসরি রাজনীতিতে এসে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াকে নান্দাইলবাসী ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাঁদের আশা, আধুনিক ও প্রযুক্তিবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির কারণে দেশের তথ্য ও গণমাধ্যম খাতে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি “স্মার্ট নান্দাইল” গড়ার স্বপ্নও বাস্তব রূপ পাবে।এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান লিটন বলেন, আমরা একজন যোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞকে আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে পেয়ে গর্বিত। তিনি প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় নান্দাইলের উন্নয়ন আরও আধুনিক ও স্মার্ট হবে। এটি নান্দাইলের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।এসআর
    ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের নেতৃত্বে জুয়েল মন্ডলকে চান নেতাকর্মীরা
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের নেতৃত্বে মাজাহারুল আলম জুয়েল মন্ডলকে দেখতে চান দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই সাবেক ছাত্রনেতা সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূলসম্পৃক্ততার কারণে বর্তমানে যুবদলের সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা জুয়েল মন্ডল ত্রিশাল উপজেলায় যুবদলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন।নেতাকর্মীদের ভাষ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মামলা-হামলার আশঙ্কায় অনেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে গেলেও জুয়েল মন্ডল মাঠে সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সংগঠনকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করেছেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের পক্ষে কাজ করতেও তাকে সক্রিয় দেখা গেছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গণসংযোগ এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় তিনি ভূমিকা রাখেন।ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা—সুমন, ফয়সাল, শাহীন ও সাইফুল—বলেন, ‘দুঃসময়ে সংগঠনের হাল ধরে রেখে জুয়েল মন্ডল নেতৃত্বের যোগ্যতা দেখিয়েছেন।’উপজেলা যুবদলের নেতা নয়ন বলেন, ‘জুয়েল মন্ডলের নেতৃত্বে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’উপজেলার একাধিক নেতাকর্মীর মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাকে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক করা হলে সংগঠন উপকৃত হবে। তবে এ বিষয়ে দলীয় উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলভিত্তিক নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক সক্ষমতা থাকলে ত্রিশাল উপজেলা যুবদল ভবিষ্যতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে।ইখা
    জামালপুরের রশিদুজ্জামান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায়, এলাকায় মিষ্টি বিতরণ
    নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত)। মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবরে জামালপুর শহরে আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান জামালপুর-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭২ হাজার ১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর আগে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিকেলে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে জামালপুর শহরের তলামতলা থেকে একটি আনন্দমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সকাল বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সকাল বাজার এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন লোকজনের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করেন। জেলা যুবদলের সদস্যসচিব সোহেল রানা খানের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। অন্যদিকে বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা নিজেরা ও সাধারণ মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান।বিএনপি নেতা ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জামালপুরের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামানকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এটি শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং জামালপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি জামালপুরের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবেন। এতে গোটা জামালপুরবাসী আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। তাই আমরা মিছিল করলাম এবং এই খুশিতে সবাইকে মিষ্টিমুখ করালাম।’জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন তিনি। দলের প্রতি নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনকল্যাণে নিরলস কাজের স্বীকৃতি এটি। তাঁরা আশা করেন, তাঁর নেতৃত্বে জামালপুরে আগামী দিনে উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে আরও এগিয়ে যাবে।এসআর
    ভালুকায় ঋতুরাজ বসন্তে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে শিমুল
    ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে বাংলার প্রকৃতি লাল-হলুদের বাহারে সেজেছে। গাছে গাছে পলাশ, কাঞ্চন আর শিমুল ফুলের সমারোহে মুখরিত গ্রামীণ জনপদ। তবে কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির পথে শিমুল গাছসহ প্রকৃতির কিছু বৈচিত্র্য, যা বসন্তের রূপকে ম্লান করছে বলে জানিয়েছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।বসন্তের সূচনায় প্রকৃতিতে দেখা মিলছে নানান রঙের খেলা। কোকিলের কুহু ধ্বনি, মৌমাছির গুঞ্জন আর ফুলের সুবাসে গ্রামাঞ্চলের পথ-প্রান্তর যেন উৎসবমুখর। ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পলাশ-কাঞ্চনের পাশাপাশি শিমুল ফুলের লাল আভায় মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে প্রকৃতি। কাঠালী ইউনিয়নের মাঠেঘাটে রক্তলাল শিমুল ফুলের দৃশ্য পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে।তবে গ্রাম বাংলার চিরচেনা শিমুল গাছ এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। পরিবেশবিদদের মতে, বন উজাড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে এই গাছ। শিমুল সাধারণত নিজে থেকে জন্মালেও রোপণে অনীহার ফলে এর সংখ্যা কমছে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, "আগে বসন্তে শিমুল ফুলে আকাশ লাল হয়ে থাকত। এখন গাছ কমে যাওয়ায় সেই দৃশ্য বিরল।"ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা আশিকুর রহমান ইমরান বলেন, শিমুল, পলাশ আর কাঞ্চন ফুলের মেলা না দেখলে বসন্ত অসম্পূর্ণ। প্রতিটি ফুলের রঙ ও গঠন যেন প্রকৃতির অনন্য নৈপুণ্য।বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও দূষণের প্রভাবে ঋতুচক্রের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন তারা। শিমুলের মতো দেশীয় প্রজাতির গাছ রক্ষা করা গেলে বসন্তের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব। এজন্য সামাজিক সচেতনতা জরুরি।প্রকৃতির এই উৎসবকে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ ও বন ধ্বংস রোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ কর্মীরা। অন্যথায়, ভবিষ্যতে বসন্তের রঙিন আবেশ শুধু স্মৃতিতেই থাকতে পারে বলে উদ্বেগ তাদের।এসআর
    খানসামায় ভার্মিকম্পোস্ট প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
    মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে দিনাজপুরের খানসামায় ভার্মিকম্পোস্ট প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রবি মৌসুমে ভাবকী ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি ‘দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।প্রদর্শনী প্লটটি স্থাপন করা হয়েছে মুন্সিপাড়া গ্রামের তরুণ কৃষক জুনাইদ ইসলাম (২৩)-এর জমিতে। অল্প বয়সেই আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ করে তিনি এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার জমিতে কেঁচো সার বা ভার্মিকম্পোস্ট ব্যবহার করে ফসলের আশানুরূপ বৃদ্ধি ও মাটির গুণগত মান উন্নত হতে দেখে আশপাশের কৃষকদের মধ্যেও নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে।কৃষক জুনাইদ ইসলাম জানান, "আমার কাছে বর্তমানে প্রায় ৭০–৮০ কেজি কেঁচো রয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ৪,০০০ কেজি ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদন হয়। আমরা প্রতি কেজি ১২ টাকা দরে সার বিক্রি করি, যা থেকে মাসে ১৫–২০ হাজার টাকা আয়ের সুযোগ হচ্ছে। এর পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন ভালো হচ্ছে এবং চাষের খরচও কমে যাচ্ছে।" তার এই সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও এখন ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদনে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।মাঠ দিবসে ‘মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি’ বিষয়ক সেশন পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার। তিনি কৃষকদের সহজ ভাষায় বাড়িতেই কম খরচে ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির পদ্ধতি এবং এর সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা দেন। তিনি বলেন, "অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের ব্যবহার মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট করে। জৈব সার ব্যবহারে মাটির গঠন উন্নত হয়, পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে ফসলের উৎপাদন স্থিতিশীল থাকে।"অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, দিনাজপুর খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আফজাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) আবু জাফর মোহাম্মদ সাদেক এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক কৃষিবিদ আবুরেজা মো. আসাদুজ্জামান।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আল মুক্তাদির, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তমিজুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন সঞ্চয় কর্মকর্তা আতোয়ার রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ।প্রদর্শনীতে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী ও ভাবকী টেকসই কৃষি উন্নয়ন কৃষক গ্রুপের সদস্যরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা জানান, তারা নিজেরাও এখন বাড়িতে ভার্মিকম্পোস্ট তৈরি ও ব্যবহারে আগ্রহী।উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খানসামায় পর্যায়ক্রমে আরও প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা পাবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত হবে।এনআই
    বিএনপি সরকার গঠন করায় ঠাকুরগাঁওয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের আনন্দ উল্লাস
    তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হওয়া ও বিএনপি সরকার গঠন করায় ঠাকুরগাঁওয়ের দুটি গ্রাম ও কয়েকটি পাড়ায় ব্যান্ড পার্টি ভাড়া করে আনন্দ উল্লাস করেছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার পর জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের আটখড়া গ্রামের আশপাশের পাড়াগুলোতে এমন উৎসবমুখর দৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া স্থানীয় হরিবাসর মন্দিরে নারীদের সরকারের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ পূজা-অর্চনা করতেও দেখা গেছে।স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের তিনদিন আগে স্থানীয় সাদেকুল ইসলামসহ কয়েকজন মিলে রাতোর ইউনিয়ন পরিষদ বাজারে মানত করেছিলেন—যদি বিএনপি সরকার গঠন করে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, তবে তারা ব্যান্ড পার্টি ভাড়া করে পুরো গ্রামে আনন্দ উল্লাস করবেন ও সবাইকে খাওয়াবেন। সেই মানত পূরণ করতেই আজ দুপুর থেকে সবাই উৎসবে মেতেছেন।সাদেকুল ইসলাম জানান, "আমি বিএনপির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক। নির্বাচিত এমপি জাহিদুর রহমানকে পছন্দ করি বলে তাকে ভোট দিয়েছি। বাজারে চায়ের আড্ডায় জামায়াত সমর্থকদের সাথে তর্কের একপর্যায়ে ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে বড় করে আনন্দ উল্লাস করবো। সবার মনের আশা পূরণ হয়েছে, তাই আজ এই আয়োজন।"পূজা-অর্চনা শেষে তৃষ্ণা রাণী নামের এক নারী বলেন, "বিএনপি সরকার গঠন করায় আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন খুব খুশি। আমরা আশীর্বাদ করছি তারা যেন দেশ ভালোভাবে পরিচালনা করে এবং আমরা হিন্দুরা যেন দেশে শান্তিতে থাকতে পারি।"আনন্দ-উল্লাসে অংশ নেওয়া কয়েকজন নারী জানান, নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এছাড়া উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি আসনের রাস্তাঘাট দ্রুত মেরামতের দাবিও জানান তারা।উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।এনআই
    ‘যা পারেন লেখেন’—টাকা কর্তন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রতি তারাগঞ্জের ইউএনও
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানী থেকে টাকা কর্তনের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে তিনি বলেন, “আপনাদের যত ক্ষমতা আছে লেখেন। আমার বিরুদ্ধে যা পারেন করেন, মানববন্ধন করান।”অভিযোগ রয়েছে, রংপুর-২ (বদরগঞ্জ–তারাগঞ্জ) আসনের তারাগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৪৩টি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানী থেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে কর্তন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৪৮৮ জন পোলিং অফিসার, ৪৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও ২৪৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে এ অর্থ কেটে নেওয়া হয়। এতে মোট প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু হাই দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে এ টাকা সংগ্রহ করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে ১৭ ফেব্রুয়ারি তড়িঘড়ি করে টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর ও ট্যাক্স বাবদ এ অর্থ কর্তন করা হয়েছে।এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে ‘সময়ের কণ্ঠস্বর’ ও ‘দৈনিক আমাদের সময়’-এর তারাগঞ্জ প্রতিনিধি এনামুল হক দুখু এবং ‘দৈনিক আমার দেশ’-এর প্রতিনিধি আব্দুল্লাহিল শাহীন ইউএনওর কার্যালয়ে যান। তাদের অভিযোগ, প্রশ্নের জবাবে ইউএনও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।রংপুর-২ আসনের অপর উপজেলা বদরগঞ্জে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পূর্ণাঙ্গ সম্মানী প্রদান করা হলেও তারাগঞ্জে ২০০ টাকা করে কর্তনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। নির্বাচন শেষে পাঁচ দিন পর কর্তনকৃত টাকা রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের তারাগঞ্জ শাখায় সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।ইউএনও মোনাব্বর হোসেন বলেন, “আপনাদের যা ক্ষমতা আছে লেখেন। আমার নামে মানববন্ধন করান। যা খুশি করেন।”এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ইখা
    তারাগঞ্জে ভোট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা কর্তন, ব্যাখ্যায় বিভ্রান্তি
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রংপুর–২ (বদরগঞ্জ–তারাগঞ্জ) আসনে দায়িত্ব পালনকারী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কর্তন করা ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে তারাগঞ্জে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তরের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু হাই দাবি করেন, ইউএনওর নির্দেশে এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ঋষিকেশের পরামর্শ অনুযায়ী আয়কর খাতে এ টাকা কর্তন করা হয়েছে।তবে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ঋষিকেশ বলেন, কর্তনকৃত টাকার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না এবং তার পরামর্শে কোনো টাকা কর্তন করা হয়নি। বিষয়টি আয়কর অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখার পরামর্শ দেন তিনি।অন্যদিকে আবু হাই পুনরায় দাবি করেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার পরামর্শেই টাকা কর্তন করা হয়েছে। এ ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে উপজেলা প্রশাসন সমালোচনার মুখে পড়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তারাগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৪৩টি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী ৪৮৮ জন পোলিং অফিসার, ৪৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২৪৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে জন প্রতি ২০০ টাকা করে কর্তন করা হয়। এতে মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।অভিযোগ রয়েছে, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু হাই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এ টাকা কর্তন করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে এলে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের তারাগঞ্জ শাখায় টাকা জমা দেওয়া হয়।তবে কোন খাতে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কিংবা ইউএনও মোনাব্বর হোসেন স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইউএনও মোনাব্বর হোসেন বলেন, টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের রসিদ উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে নেওয়ার কথা জানান তিনি।এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ইখা
    বিএনপিতে যোগ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না কৃষক লীগ নেতার
    নীলফামারীতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পরও শেষ রক্ষা হলো না ‘রামগঞ্জ ট্র্যাজেডি’ হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের (৪৫)। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার ইটাখোলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হেদায়েত আলী শাহ ফকির ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং জেলা কৃষক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হেদায়েত আলীর বিরুদ্ধে আলোচিত ‘রামগঞ্জ ট্র্যাজেডি’ হত্যা মামলা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নীলফামারী সদরের রামগঞ্জ বাজার এলাকায় সংঘটিত বহুল আলোচিত ও ভয়াবহ ‘রামগঞ্জ ট্র্যাজেডি’ হত্যাকাণ্ডে হেদায়েত আলী শাহ ফকির প্রত্যক্ষ সহযোগী ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। ওই ঘটনায় অসংখ্য মানুষ আসামি হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস ও নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজের ঘটনাতেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। সেদিন জেলা শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ি, রাজনৈতিক কার্যালয় ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর হেদায়েত আলীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মামলা দায়ের করা হয়।নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, “হেদায়েত আলী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।”প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি নীলফামারী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছিলেন হেদায়েত আলী শাহ ফকির।এনআই
    বগুড়ার শেরপুরে হত্যা মামলা তুলে নেয়াসহ দেশত্যাগের হুমকি
    বগুড়ার শেরপুরে বৃদ্ধকে হত্যা মামলা তুলে নেয়াসহ বাদী পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকি দেয়া হচ্ছে। হত্যা মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের গ্রেফতার না করায় জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন ভুক্তভোগী পরিবার। প্রতিপক্ষের হুমকী-ধামকী ও তাদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে মামলার বাদী আলতাফ আলী।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১টার দিকে জেলার শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন শাহ্বন্দেগী ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ী কলোনী এলাকার ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আলতাফ আলী ও তার ভাতিজা আশরাফুল ইসলাম।তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, “আমাদের পৈত্রিক ৮৬ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলে আসছিল। হঠাৎ করেই প্রতিপক্ষ একই এলাকা ঘোলাগাড়ী কলোনীর ভূমিদস্যু মো. নবাব আলী ও মোছা. মর্জিনা বেগমসহ বেশ কয়েকজন জমি বেদখল দেয়। এসময় আমরা বাধা দিলে প্রতিপক্ষরা আমাদের ওপর নৃশংস হামলা চালায় ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। এর ফলে আমি (আলতাফ আলী) বাদি হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলাম (মামলা নং ৬০৯ সি/২০২৪)। অত্যন্ত গুরুত্বের বিষয় হলো, এই মামলার প্রধান ও ১নং সাক্ষী ছিলেন আমার বড় ভাই মো. ইয়াকুব আলী। কিন্তু প্রতিপক্ষরা জানতো ইয়াকুব আলী একজন সাহসী মানুষ এবং তিনি আদালতে সত্য সাক্ষ্য দিলে তাদের পরাজয় ও সাজা নিশ্চিত। মূলত সাক্ষী কমিয়ে নিজেদের রক্ষা করার আক্রোশ থেকেই তারা ইয়াকুব আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে।সে অনুযায়ী বিগত ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর সকাল সোয়া ৮টার দিকে  বৃদ্ধ ইয়াকুব আলী যখন মাঠ থেকে কাজ শেষে খড় নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন নবাব আলী ও মর্জিনা বেগমসহ তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা তাঁর পথরোধ করে অতর্কিত হামলা চালায়। একজন নিরপরাধ বৃদ্ধ মানুষকে তারা ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে তাঁর বুকে ও পাঁজরে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে মারাত্মকভাবে জখম করে। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেলে আমরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি (মামলা নং ১৫৮ সি/২০২৫)। তবে আসামিরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এই খুনের ঘটনাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বা হার্ট অ্যাটাক বলে প্রচারের অপচেষ্টা চালিয়েছিল।অথচ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট (পিএম নং: ৫৮৮/২৪)। ফরেনসিক রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহতের বুকের বাম পাশে পাঁজরের হাড়ের নিচে ভোঁতা অস্ত্রের বা কিল-ঘুষির গুরুতর আঘাতের ফলে প্রচুর জমাট বাঁধা রক্ত পাওয়া গেছে। ডাক্তাররা তাঁদের চূড়ান্ত মতামতে একে একটি পরিষ্কার হত্যাকান্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে এমন ময়নাতদন্তের প্রমাণ থাকার পরও আসামিরা দম্ভ করে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।অন্যদিকে প্রতিপক্ষ হত্যা মামলার আসামী নবাব আলী ও মর্জিনা সহ অন্যান্য স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে আমাদের মামলা তুলে নিতে এবং সপরিবারে দেশত্যাগের হুমকি দিচ্ছে। তাদের অন্যায় ভয়ভীতি ও হুমকী-ধামকীতে আমরা পুরো পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি”। তাই অনতিবিলম্বে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হত্যাকান্ড প্রমাণিত আসামীদের গ্রেফতারসহ আমাদের জানমালের নিরাপত্তার আশু ব্যবস্থার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিস্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী পরিবার।এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার অফিসার ইনচাজর্ (ওসি) মো. ইব্রাহিম আলী বলেন, “এ ঘটনায় মামলা চার্জশীট দেয়া হয়েছে। আদালত থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা আসলেই আসামীদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে”।পিএম
    উলিপুরে মুন্সিবাড়ী জমিদার বাড়ির ২ মন্দিরে চুরির অ‌ভি‌যোগ
    কুড়িগ্রামের উলিপুরে ঐতিহ্যবাহী মুন্সিবাড়ী জমিদার বাড়ি এলাকায় অবস্থিত দুইটি প্রাচীন মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত থেকে বুধবার সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটান বলে মন্দির কমিটির লোকজন অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার ধরণীবাড়ী ইউনিয়নের প্রাচীন মুন্সিবাড়ী চত্বরে অবস্থিত লক্ষ্মী নারায়ণ জিও মন্দির এবং গৌড় নিতাই মন্দিরে প্রবেশ করে মূল্যবান মূর্তি ও পূজার সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।বুধবার সকালে মন্দিরে পূজা দিতে এসে পু‌রো‌হিত ও এলাকাবাসী মন্দিরের দরজা খোলা ও ভেতরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। পরে খোঁজ নিয়ে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা।এ সময় লক্ষ্মী নারায়ণ জিও মন্দির থেকে একটি পূজার ঘণ্টা, একটি কাঁসি, একটি শঙ্খ ও একটি কর্তাল। অপরদিকে গৌড় নিতাই মন্দির থেকে কাসার তৈরি একটি গোপালের মূর্তি (যার ওজন আনুমানিক ৫০০ গ্রাম) এবং প্রায় এক কেজি ওজনের গৌড়-নিতাইয়ের দুটি মূর্তি চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মন্দির দুটি বহু পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী। এসব মূর্তি ও পূজা সামগ্রী কেবল ধর্মীয় নয়, ঐতিহাসিক মূল্যও বহন করে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে চুরি হওয়া মূর্তি ও সামগ্রী উদ্ধারের দাবি করেন তারা।লক্ষ্মী নারায়ণ জিও মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী গৌরঙ্গ চন্দ্র সরকার বলেন, মন্দিরের পুরোহিত পঙ্গ চন্দ্র মোহন্ত বাদী হয়ে মামলা করবেন। তবে কারো প্রতি আমাদের সন্দেহ নেই। কে বা কারা এই কাজটি করেছে।উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনায় মন্দিরের পুরোহিত বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য থানায় এসেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।এসআর 
    শাহজাদপুরে বাড়িঘরে হামলা, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ
    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে বেশ কয়েকটি বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এসময় ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে ১০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।বুধবার (১৮ই ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের আলোকদিয়ার দক্ষিণ ষপাড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেন, মানিক মিয়া, সেরাজুল ইসলাম, মোহাররম প্রামাণিক ও মফিজ প্রামাণিকের বাড়িতে এই হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. হুমায়ুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখে।ভুক্তভোগী মনোয়ার হোসেনের স্ত্রী জানায়, সকালে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের মজিদ প্রামাণিক, আজগার প্রামাণিক ও আজিম প্রামাণিকের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একদল ব্যাক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় প্রাণ ভয়ে সন্তানদের নিয়ে আমি খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ি।এসময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়ি ঘর কুপিয়ে ও ভাঙচুর চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পরে তারা ঘরে ঢুকে ভাঙচুর চালায় ও গরু বিক্রি রক্ষিত ১০ লাখ টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এর আগে তারা অন্যান্য বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুর চালায়। হামলার ঘটনায় আলোক দিয়ার গ্রামে ২ পক্ষে মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পিএম
    ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্তের দাবিতে পাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
    পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে ‘জুলাই-৬’ হল, স্বাধীনতা হল ও স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘জিয়ার সৈনিক এক হও লড়াই করো’, ‘যুগে যুগে জিতলো কারা জিয়ার সৈনিকেরা’, ‘যে জিয়া জনতার সে জিয়া মরে নাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।মিছিল শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কে. এম. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলে কিছু মহল সুবিধা পায়। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালে অবৈধভাবে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।’তিনি বলেন, “আমরা তখন প্রতিবাদ করেছিলাম, কিন্তু প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। গত কয়েক মাসে একাধিকবার স্মারকলিপি দেওয়া হলেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। অনতিবিলম্বে ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্ত করা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।”ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন বলেন, “৫ আগস্টের পর সবার স্বাধীনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চার অধিকার তৈরি হয়েছে। কিন্তু একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল সেই অধিকার খর্ব করতে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে। আমরা আমাদের অধিকার ফিরে চাই।”সমাবেশে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান তাফহীমুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওলি উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মইন অলিভসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    মামা-ভাগ্নে মন্ত্রীসভায়, সিরাজগঞ্জে উৎসবের আমেজ
    সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের সংসদ সদস্য এম এ মুহিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় পুরো জেলায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সম্পর্কে তাঁরা মামা-ভাগনে।এই খবরে আনন্দিত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জে সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জ বড় বাজার এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুভেচ্ছার জোয়ার বইছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন চান সাধারণ মানুষ।ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও পরে কৃষি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বাবা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ছিলেন পাকিস্তান সরকারের শিল্পমন্ত্রী।অন্যদিকে সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ মতিনের ছেলে ড. এম এ মুহিত। শাহজাদপুর আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবারই তিনি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।এনআই
    গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
    সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ফাহাদ হাসান (২৭) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে সিলেট–জকিগঞ্জ সড়কের হিলালপুর এলাকায় স্থানীয়রা রাস্তায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা–পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।নিহত ফাহাদ হাসান বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাঠিজুরা গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের একমাত্র ছেলে।গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।ইখা
    শপথের পর ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণে বিএনপি নেতাকর্মীরা
    মৌলভীবাজারে ধানের শীষের প্রার্থী ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানের শপথ গ্রহণের পরপরই নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণে নেমেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।সকালে শহরের কোর্ট রোড, পৌরসভা স্কুল এলাকা ও প্রেসক্লাব মোড়ে নিজ হাতে ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করেন মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি অলিউর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কামাল। এ সময় তাদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।নেতৃবৃন্দ জানান, নির্বাচন শেষ হয়েছে এখন সময় শহরকে স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ফিরিয়ে আনার। অলিউর রহমান বলেন, “পর্যায়ক্রমে শহরের সব স্থানের নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করা হবে। আমরা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রাখতে চাই।”স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর এমন দায়িত্বশীল আচরণ নাগরিক শৃঙ্খলা ও সচেতনতার বার্তা বহন করে।শপথের পরপরই এ উদ্যোগকে অনেকে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।এসআর
    কমলগঞ্জে গৃহবধূর বিষপান করে আত্মহত্যা
    মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা চা বাগানে পারিবারিক কলহের জেরে রিনা রানী পাল (৩১) নামে এক গৃহবধূ বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগানে এই ঘটনা ঘটে।নিহত রিনা রানী পাল ওই বাগানের বাসিন্দা এবং স্থানীয় কুরমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুনীল কুমার পালের স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রথম দফায় ঝগড়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকালে আবারও তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সকালে রিনা রানী পাল বাথরুমে গিয়ে চা বাগানে ব্যবহৃত বিষপান করেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক বিষপানে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “পারিবারিক কলহের কারণেই রিনা রানী পাল আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।”কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।এনআই
    পৌর মেয়র থেকে জাতীয় সংসদে জি কে গউছ
    হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে জনপ্রতিনিধির যাত্রা শুরু করেছিলেন জি কে গউছ। ২০০৪ সালে পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। টানা তিনবার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর এবার ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৯৬ হাজার ৭৪৯ ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।পৌর ভবন থেকে সংসদ ভবন—এই দীর্ঘ পথচলা শুধু রাজনৈতিক সাফল্যের গল্প নয়, এটি সংগ্রাম, ত্যাগ, সাহস ও জনআস্থার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নানা চক্রান্ত, কারাবরণ এবং প্রাণনাশের চেষ্টাও পেরিয়ে আজ তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য।বিজয়ের এই মুহূর্তে হবিগঞ্জ শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংসদে থেকেও তিনি হবিগঞ্জের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আগের মতোই সোচ্চার থাকবেন।স্থানীয়দের ভাষায়, জি কে গউছ একজন ক্যারিশমেটিক নেতা। অনেক ষড়যন্ত্র ও বাধা এলেও জনগণ থেকে তাঁকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। কেউ কেউ বলেন, মানুষের কাছে টানার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে তাঁর মধ্যে। তিনি হাঁটলে মিছিল হয়, বসলে তা সভায় পরিণত হয়।পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি নিজেকে জনমানুষের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। টানা তিনবার মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, শহরের মানুষের হৃদয়ে তার আলাদা জায়গা রয়েছে। এবার সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে জাতীয় রাজনীতিতেও।দীর্ঘ ৪১ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত জি কে গউছ। হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে বর্তমানে তিনি বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথ সরব রাখার ইতিহাস তার দীর্ঘ। তবে রাজনৈতিক জীবন কখনোই মসৃণ ছিল না। প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে বহু মামলার আসামি হতে হয়েছে এবং ১৫১৭ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। এমনকি কারাগারে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তিনি থেমে যাননি।প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেই সূত্র ধরে রাজনীতির পাশাপাশি হবিগঞ্জের উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন তিনি।একসময় ‘পায়জামা শহর’ হিসেবে পরিচিত হবিগঞ্জ পৌরসভাকে আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের কৃতিত্বও তার। রাস্তাঘাট উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে তিনি নিজেকে উন্নয়নবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি দুইবার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গোল্ড মেডেল অর্জন করেছেন।ইখা
    দিরাইয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই
    সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ সাজ্জাদ মিয়া (৩৫) নামে এক পলাতক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে তাঁর স্বজন ও সহযোগীরা।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জগদল ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাজ্জাদ মিয়া একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিরাই থানা পুলিশের একটি দল সোমবার দুপুরে তাঁর গ্রামের বাড়ি হোসেনপুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত সাজ্জাদকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসার পথে তাঁর স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় সাজ্জাদকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামি ছিনতাই ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার এবং হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এনআই

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    রমজানের প্রথম দিনেই গাজায় শিশুসহ দুজনকে হত্যা করলো ইসরায়েল
    চলতি বছর রমজানের প্রথম দিনেই বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) গাজায় এক শিশু ও এক তরুণসহ দুজনকে হত্যা করলো দখলদার ইসরায়েল। একই সঙ্গে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া রাফাহ সীমান্ত দিয়ে চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে চাওয়া হাজারো মানুষকে আটকে রেখেছে ইসরায়েল। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরায়েলের গণহত্যামূলক অভিযানের মধ্যেই এ দমবন্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর গাজায় নিজেদের বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি দেখতে যাওয়ার পথে শিশুদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এই হামলায় এক শিশু ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। অন্যদিকে, গাজার দক্ষিণে খান ইউনুসের পূর্বদিকে বানি সুহেইলা গোলচত্বরে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন ২০ বছর বয়সী মুহান্দ জামাল আল-নাজ্জার। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।গাজার হাসপাতাল সূত্র জানায়, মধ্য গাজার আল-মুঘরাকা এলাকায় ও দক্ষিণের রাফাহ শহরের আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি গুলিতে আরও তিনজন আহত হয়েছেন।এদিকে, গাজা থেকে চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে চাওয়া হাজারো মানুষের কাতর অপেক্ষা চলছেই। আংশিকভাবে পথ খুললেও বাস্তবে রাফাহ পারাপারে কঠোর বাধা বজায় রেখেছেন ইসরায়েলি সেনারা।জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তরের (ওসা) হিসাব অনুযায়ী, আড়াই সপ্তাহ আগে আংশিকভাবে পথ খোলার পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা থেকে মাত্র ২৬০ রোগী বের হতে পেরেছেন। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার ৫০০, তার তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য।মিশরীয় সীমান্ত কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রথম দিন থেকেই প্রতিদিন দুদিকে অন্তত ৫০ জন ফিলিস্তিনি পারাপার করতে পারবেন। বাস্তবে প্রথম দিন মাত্র পাঁচজন রোগীকেই যেতে দেওয়া হয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ মানবাধিকার ও চিকিৎসাসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বারবার দাবি তুলছে যে গুরুতর অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের যেন অবিলম্বে গাজার বাইরের চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়েসুস এ মাসের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, পশ্চিম তীর বিশেষ করে, পূর্ব জেরুজালেমে চিকিৎসার পথ অবিলম্বে খুলে দিতে হবে ও গাজার বাইরে যেসব দেশে বিশেষায়িত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব, তাদেরও রোগী গ্রহণে এগিয়ে আসা উচিত। তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেন যে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর পদক্ষেপ গাজা কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।ওসার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৬৯ জন গাজায় ফিরে এসেছেন। গত সপ্তাহে ৪১ জনকে নাসের চিকিৎসা কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাদের বক্তব্য, সীমান্তে ইসরায়েলি সেনারা তাদের অপমানজনকভাবে তল্লাশি ও কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।এর আগেও ফিরে আসা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের চোখ বাঁধা হয়েছিল, ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাজনৈতিক প্রশ্ন, মানসিক চাপ- সব সয়ে তবেই গাজায় ফিরতে দেওয়া হয়।গত বছরের অক্টোবরে কার্যকর তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতির’ পর থেকে এখন পর্যন্ত ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক হাজার ছয় শতাধিক। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সপ্তাহের শুরুতে এই সর্বশেষ হিসাব প্রকাশ করেছে।সূত্র: আল-জাজিরাএবি 
    সংসদ সদস্যদের পেনশন বাতিল করলো শ্রীলঙ্কা
    সংসদ সদস্যদের (এমপি) পেনশন বাতিল করলো শ্রীলঙ্কা। এখন থেকে দেশটির কোনো সাবেক এমপি ও প্রয়াত এমপিদের স্ত্রী আর পেনশন পাবেন না। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলঙ্কান সংসদে এ সংক্রান্ত বিল পাস হয়।জানা গেছে, রাজনীতিকদের সুবিধা কমানোর সরকারি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদে এ বিষয়ে ভোটাভুটির আগে ন্যায়বিচারমন্ত্রী হর্ষনা নানায়াক্কারা বলেন, মানুষ যখন এই সংসদে বিতর্কের মান আর সদস্যদের কথাবার্তা দেখেন, তখন মনে করেন না যে সংসদ সদস্যরা পেনশন পাওয়ার যোগ্য।শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকের নেতৃত্বাধীন বামপন্থি সরকার ৪৯ বছরের পুরোনো সংসদীয় পেনশন আইন বাতিল করলো। এর আগে কয়েক মাসের মধ্যেই সাবেক প্রেসিডেন্টদের বাসভবন, যানবাহন ও হাজারের বেশি দেহরক্ষীর সুবিধাও প্রত্যাহার করে তার সরকার।২২৫ সদস্যের এই সংসদে সরকারদল দুই-তৃতীয়াংশ আসনের মালিক। তারা পেনশন আইন বাতিলে ১৫৪টি ভোট দেয়, বিরোধিতা করেন মাত্র দুই জন।বিরোধীদলীয় নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা আপত্তি তুলে বলেন, পদত্যাগের পর আইনপ্রণেতাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেনশন অপরিহার্য। অন্যথায়, অবসরের পর নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের দিকে ঝুঁকে যাবেন।আগের আইনে সংসদ সদস্যরা মাত্র পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করলেই পেনশনের যোগ্য হতেন, যেখানে অন্য সরকারি কর্মচারীদের এই সুবিধার জন্য ১০ বছর চাকরি করতে হতো।গত বছরের সেপ্টেম্বর সরকার সাবেক নেতাদের বিশেষ সুবিধা বাতিলে আইন প্রণয়ন করে। এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে সরকারি বাংলো ছাড়ার অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা মানেননি।শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্টরা বিলাসবহুল যানবাহন, সরকারের জ্বালানি সহায়তা, দাপ্তরিক কর্মী ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারী ছিলেন। এখন এসব সুবিধা ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে।২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় মাহিন্দা রাজাপাকসে একটি সরকারি বাসভবন সংস্কারে প্রায় ৮০০ কোটি রুপি (প্রায় আড়াই কোটি ডলার) সরকারি অর্থ ব্যয় করেছিলেন বলে জানা যায়। তার ছোট ভাই সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ২০২২ সালে দুর্নীতির দায়ে পদত্যাগের পর অল্প সময় ওই সরকারি বাংলোয় থাকার পর সেটি খালি করে দেন।এসব বাসভবনের বেশির ভাগই নির্মিত হয়েছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে লন্ডন থেকে আসা উচ্চপদস্থ প্রশাসকদের জন্য।সূত্র: ডেইলি মিরর (শ্রীলঙ্কা), এনডিটিভিএবি 
    চীনে আতশবাজির দোকানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১২
    চীনের মধ্যাঞ্চলে এক শহরে আতশবাজির একটি দোকানে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। চন্দ্র নববর্ষের ছুটির দ্বিতীয় দিনে বুধবার ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে।চীনে ছুটি উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফুটানো একেবারে সাধারণ ঘটনা। বিশেষ করে চন্দ্র নববর্ষ উপলক্ষে দেশজুড়েই চীনা নাগরিকরা উৎসবের আমেজে মেতে উঠেন। এ বছর চন্দ্র নববর্ষ মঙ্গলবার উদযাপন করা হলেও দেশটিতে এখনও সরকারি ছুটি চলছে।তবে গত কয়েক বছরে দেশটির রাজধানী বেইজিং ও অন্যান্য অনেক বড় শহরে আতশবাজি ও পটকা ফুটানোর এই প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে দেশটির ছোট ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকায় ছুটির পুরো সময়জুড়ে কয়েক দিন ধরে পটকার শব্দ ও ‘মিসাইল’ আতশবাজির বিস্ফোরণ শোনা যায়।সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‌‌‘‘বুধবার দুপুর ২টার দিকে ঝেংজি শহরের একটি আতশবাজি ও পটকার দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় দোকানে রাখা আতশবাজি ও পটকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।’’কর্তৃপক্ষ বলেছে, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৫০ বর্গমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।এর আগে, গত রোববার চীনের পূর্বাঞ্চলের জিয়াংসু প্রদেশের একটি আতশবাজির দোকানে বিস্ফোরণে ৮ জন নিহত এবং দু’জন আহত হন। ওই ঘটনার পর চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সারা দেশে আতশবাজি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে তদারকি জোরদার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং বিপদ শনাক্তে কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের নির্দেশ দেয়।এছাড়া দোকানের বাইরে পরীক্ষামূলকভাবে আতশবাজি ফুটানো কিংবা ধূমপানের মতো অনিরাপদ আচরণ থেকে বিরত থাকার বিষয়ে নাগরিকদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    ধ্বংসস্তুপেই রমজানকে স্বাগত জানাল গাজাবাসী
    রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান এসে গেছে। ইসরাইলি আগ্রাসনে ধ্বসস্তুপের মধ্যে থেকেও এ মাসকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজার বাসিন্দারা।  তাদের একজন মধ্য গাজার বুরেজ শরণার্থী শিবিরের মাইসুন আল-বারবারাউই। তিনি তার তাঁবুতে ইসলামের রমজানকে স্বাগত জানিয়েছেন। জীর্ণ ছাদ থেকে ঝুলছে সাধারণ কিছু সাজসজ্জা, আর কাপড়ের দেয়ালে রঙিন সব আঁকিবুকি—পবিত্র মাসের আগমন উপলক্ষে শিবিরের বাসিন্দারাই এসব তৈরি করেছেন।মাইসুন তার ৯ বছর বয়সী ছেলে হাসানকে জানান, ‘আমি তোমার জন্য সাজসজ্জার সরঞ্জাম আর ছোট্ট একটা ফানুস এনেছি’। তবে সেই হাসিতে লেগে ছিল ক্লান্তি, আর ছেলেকে একটি রমজানের ফানুস কিনে দিতে পারার আনন্দ।পঞ্চাশোর্ধ্ব মাইসুন বলেন বলেন, ‘আমার সামর্থ্য সীমিত, কিন্তু দিনশেষে সন্তানদের হাসিটাই বড় কথা।  গত দুই বছর যুদ্ধের কারণে আমাদের মধ্যে যে শোক আর বিষণ্ণতার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, আমি চেয়েছি এই সাজসজ্জার মাধ্যমে তা থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে।’৫২ বছর বয়সী মাইসুন সবার কাছে ‘উম্মে মোহাম্মদ’ নামে পরিচিত; তিনি দুই সন্তানের জননী। তিনি বলেন, ‘আমার বড় ছেলের বয়স ১৫, আর ছোটটির ৯ বছর। ওরাই আমার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। প্রতিটি দিন যখন ওরা নিরাপদে থাকে, তখন আমি কৃতজ্ঞতা আর আনন্দ অনুভব করি।’ মাইসুন গর্ব মেশানো কণ্ঠে কথাগুলো বললেও তার কথায় ভয়ও লুকিয়ে ছিল—যুদ্ধের সময় সন্তানদের হারানোর আশঙ্কায় যে আতঙ্ক তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করেছে, সে কথাই তিনি বলছিলেন।গাজার অন্যান্য ফিলিস্তিনিদের মতো মাইসুনের কাছে এবারের রমজান কিছুটা ভিন্ন, কারণ বর্তমানে একটি তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বা যুদ্ধবিরতি চলছে। গত দুই বছরের তুলনায় পরিস্থিতি এখন কিছুটা আলাদা, যখন গাজায় ইসরাইলের ভয়াবহ হামলায় ৭০ সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ চরম পর্যায়ে ছিল।মাইসুন ব্যাখ্যা করেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত নয়। সবাই জানে যুদ্ধ আসলে থামেনি; মাঝে মধ্যেই গোলাবর্ষণ হয়। তবে যুদ্ধের ভয়াবহ সময়ের তুলনায় এখন তীব্রতা কিছুটা কম।রমজানের প্রথম দিনে আজানের ঠিক আগ মুহূর্তে রুটি তৈরি এবং খেজুর ও পানি বিতরণের ব্যবস্থায় সাহায্য করার মাধ্যমে মাইসুন শিবিরের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেন।তিনি বলেন, ‘উদ্বাস্তু অবস্থায় এটি আমাদের কাটানো তৃতীয় রমজান। আমরা আমাদের ঘরবাড়ি, পরিবার এবং অনেক প্রিয়জনকে হারিয়েছি। কিন্তু এই শিবিরে আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধুরা আছে যারা একই ব্যথা ও কষ্টের ভাগীদার। আমরা সবাই সামাজিকভাবে একে অপরকে সাহায্য করতে চাই ‘যুদ্ধের শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব গাজায় নিজের বাড়ি হারিয়েছিলেন মাইসুন। স্বামী হাসুনা এবং সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে এসে বিভিন্ন শিবিরে ঘোরার পর অবশেষে বুরেজে থিতু হন তিনি, যাকে তিনি খুবই শোচনীয় অবস্থা বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।এমআর-২
    বিহারে প্রকাশ্যে মাছ-মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করল সরকার
    ভারতের বিহার রাজ্যে প্রকাশ্যে মাছ ও মাংস বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্তে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, এখন থেকে রাস্তার পাশে বা খোলা স্থানে মাছ ও মাংস বিক্রি করা যাবে না। শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট দোকানেই এসব পণ্য বিক্রি করা যাবে।রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা জানান, এই নিয়ম সবার জন্য প্রযোজ্য হবে। কেউ আইন ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ঠিক কবে থেকে নিয়মটি কার্যকর হবে বা কী ধরনের শাস্তি দেয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।বিহার রাজ্যে আগে থেকেই মদ বিক্রি নিষিদ্ধ। এবার প্রকাশ্যে মাছ ও মাংস বিক্রিতেও কড়াকড়ি আরোপের পথে রাজ্য সরকার। বিহারের এই নতুন সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ। তিনি জেলা প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।  এর আগে ২০২৫ সালে উত্তর প্রদেশ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সরকার ধর্মীয় স্থানের ৫০০ মিটারের মধ্যে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করে। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিহার সরকারের নির্দেশের প্রতিবাদ করে বলেছেন, ‘তবে কি শপিং মলে মাংস বিক্রি হবে? আমাদের মাছ–মাংসের চাষিরা তো রাস্তায় বসেন। পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে এসে বিক্রি করেন। তাই আজ যদি বলা হয়, বাংলায় মাছ বিক্রি বন্ধ। মাংস বিক্রি, ডিম বিক্রি বন্ধ? কারণ, আজ বিজেপি অন্ধ?’ অনেকেই মনে করছেন, মাংস বিক্রি নিয়ে প্রকৃতপক্ষে বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশের সরকারের পথে হাঁটতে শুরু করেছে বিহার সরকার।এমআর-২
    এমপিদের পেনশন বাতিল করলো শ্রীলঙ্কা
    এমপিদের পেনশন বা অবসরকালীন ভাতা বাতিল করেছে শ্রীলঙ্কা। এখন থেকে দেশটির কোনো সাবেক এমপি কিংবা প্রয়াত এমপিদের স্ত্রী আর পেনশন পাবেন না।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বিচার বিষয়ক মন্ত্রী হরসানা নানায়াক্কারা। পার্লামেন্টে বক্তব্য দেওয়র সময় তিনি বলেন, “জনগণ যখন টেলিভিশনে পার্লামেন্টে এমপিদের বিতর্ক এবং বক্তব্য দেখে, তখন তারা মনে করে যে এমপিরা পেনশন পাওয়ার জন্য উপযুক্ত নন।”মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এমপিদের পেনশন বাতিল সংক্রান্ত বিলটি উত্থাপনের পর সেটি পাস হয়েছে বলে জানা গেছে। শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের মোট আসনসংখ্যা ২২৫টি। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে বিলটি ভোটের জন্য উত্থাপনের পর ১৫৪ জন সেটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন।করোনা মহামারি এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় ২০২১ সাল থেকে টালমাটাল অবস্থায় আছে দেশটির অর্থনীতি। এখনও দেশটির অর্থনীতি পুরোপুরি মহামারিপূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে পারেনি।এই পরিস্থিতিতে আমূল অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন বামপন্থি রাজনীতিক অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণের পর একে একে এমপিদের আবাসন, যানবাহন এবং দেহরক্ষীগত সুবিধা বাতিল করেন তিনি। এবার বাতিল হলো পেনশন।মঙ্গলবার পার্লামেন্টে যখন বিলটি তোলা হয়, তখন সেটির বিরোধিতা করেছিলেন শ্রীলঙ্কার বিরোধীদলীয় নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা। এ ব্যাপারে পার্লামেন্টের বক্তৃতায় তিনি বলেছেন, “এই বিল আসলে আইনপ্রণেতাদের দুর্নীতি করার বৈধতাপত্র। পেনশন আইনপ্রণেতাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যদি এটি বাতিল হয়ে যায়, তাহলে তারা দ্বিধাহীনভাবে দুর্নীতি করা শুরু করবেন।”এমআর-২
    ইসরায়েলি বাঁধা পেরিয়ে আল-আকসায় প্রথম তারাবিহ আদায় ফিলিস্তিনিদের
    ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবগুলো দেশে বুধবার থেকে পবিত্র রমজান শুরু হয়েছে। তাই রমজানের প্রথম তারাবিহ নামাজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আদায় করেছে এসব দেশের মানুষ। তাই প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় করতে ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছিলেন হাজারো ফিলিস্তিনি।তবে, নানা অজুহাতে বিধি-নিষেধ আরোপের পাশাপাশি তরুণ ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে ঢুকতে বাঁধা দেওয়া হয়। এছাড়া নামাজ আদায়ের সময় ইসরায়েলি পুলিশ পুরো মসজিদ ঘিরে রাখে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নামাজের সময় মসজিদের প্রার্থনালয় এবং খোলা প্রাঙ্গণগুলো পূর্ণ ছিলক। আল-আকসা মসজিদের খতিব শেখ ইউসুফ আবু স্নেইনে নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন। অনলাইনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, ইসরায়েলি পুলিশ প্রার্থীদের মধ্যে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা তদারকি করছে।এর আগে, জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনি অঞ্চলের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মুহাম্মদ হুসাইন ঘোষণা করেন, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রমজানের প্রথম দিন। তিনি বলেন, রমজানের চাঁদ ইসলামী বিধি অনুসারে দেখা গেছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ ইসলামী হিজরি ১৪৪৭ সালের রমজানের প্রথম দিন।নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে, বিশেষ করে প্রাচীন শহর ও আল-আকসা কমপ্লেক্সের আশেপাশে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কড়া পাহারায় ছিলো। এতে আটক এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের সাময়িক নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত।ইউরো-মেডিটেরেনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর জানিয়েছে, রমজানের আগে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি বিধিনিষেধ আরও কঠোর হয়েছে যা উপাসনাস্থলে প্রবেশকে প্রভাবিত করেছে।জেরুজালেম গভর্নরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে আল-আকসায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ২৫০-এর বেশি ফিলিস্তিনির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।এর আগে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসরায়েলি পুলিশ আল-আকসার ইমাম শেখ মুহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এক সপ্তাহের জন্য মসজিদে তার প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।ইসরায়েল ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর গাজার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে কার্যক্রম জোরদার করেছে। মার্কিন সমর্থনে গাজায় নৃশংস হামলা চালিয়ে দুই বছরের যুদ্ধে ৭২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১,০০০ আহত হন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।এছাড়া ৯০ শতাংশ গাজাবাসীর বসবাসের অবকাঠামো ধ্বংস হয়। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল এখনও বিভিন্ন অংশে বিমান হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।এমআর-২
    প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিহত ১১
    প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী তিনটি নৌকায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অভিযানে কোনও মার্কিন সেনা সদস্য হতাহত হননি। তবে এসব হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। খবর বিবিসিযুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী তিনটি নৌকায় চালানো একাধিক হামলায় মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন।সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত ১১ জনই পুরুষ এবং তাদের ‘নারকো-সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের প্রথম নৌকায় চারজন, একই অঞ্চলের দ্বিতীয় নৌকায় আরও চারজন এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের একটি নৌকায় তিনজন নিহত হন।গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ক্যারিবিয়ান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকাগুলোর ওপর ৪০টির বেশি প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নৌকাগুলো পরিচিত মাদক পাচারের রুটে চলাচল করছিল এবং পাচার কার্যক্রমে যুক্ত ছিল। সোমবার গভীর রাতে পরিচালিত এই অভিযানে কোনও মার্কিন সেনা সদস্য আহত হননি।মূলত গত সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে মাদক পাচার করছে এমন সন্দেহে বিভিন্ন নৌযানকে টার্গেট করে হামলা করছে।তবে জানুয়ারির শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর থেকে হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারকারী গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করার অভিযোগ তুলেছিল।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, পুরো অভিযানটির উদ্দেশ্য হলো ‘আমাদের গোলার্ধ থেকে নারকো-সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দেয়া’ এবং ‘যে মাদক আমাদের মানুষকে হত্যা করছে, তা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত করা।’তবে যেসব নৌকায় হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলোতে মাদক ছিল— এমন কোনও প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ করেনি। কিছু আইন বিশেষজ্ঞের মতে, এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে পারে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকলে তা অবৈধ হতে পারে।ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য বলেছে, এসব হত্যাকাণ্ড আইনসম্মত। কংগ্রেসে দেয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, যুক্তরাষ্ট্র মাদক কার্টেলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘নির্ধারণ করেছেন’ এবং মাদকবাহী নৌকার কর্মীদের ‘যোদ্ধা’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।এ পর্যন্ত এসব হামলায় ১৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।এর আগে গত সপ্তাহে ক্যারিবিয়ানে একটি আক্রমণ জাহাজ থেকে সাগরে পড়ে যাওয়া এক মার্কিন মেরিন সদস্য নিহত হন। মাদক পাচারকারী নৌকার বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযানে এটিই প্রথম মার্কিন সেনার প্রাণহানি বলে মনে করা হচ্ছে।এবি 
    হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান
    বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গতকাল এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীর লাইভ মহড়ার কারণে সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে। মহড়া শেষ হলে ফের এটি খুলে দেওয়া হবে।তবে কবে মহড়া শেষ হবে— সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য বা ইঙ্গিত আইআরজিসির বিবৃতিতে দেওয়া হয়নি।অবশ্য হরমুজ প্রণালী যে বন্ধ করা হতে পারে— এমন ইঙ্গিত গত মঙ্গলবার দিয়েছিল রেভোল্যুশনারি গার্ড। আইআরজিসি’র কমান্ডার ও মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল আলীরেজা তাঙ্গসিরি এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে লাইভ মহড়ার আয়োজন করতে যাচ্ছে। যতদিন এই মহড়া চলবে— ততদিন এই প্রনালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল বন্ধ থাকবে।“বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ কবে খুলে দেওয়া হবে— তা রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে”, বিবৃতিতে বলেছেন আলীরেজা তাঙ্গসিরি।উল্লেখ্য, আরব সাগর এবং পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট। প্রতিদিন বিশ্বে যত তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে, তার ২০ শতাংশই যাতায়াত করে এই প্রণালী দিয়ে।ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আলোচনা শুরু হয়েছে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। ওমানের রাজধানী মাস্কাটে আলোচনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার থেকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হয়েছে সংলাপের দ্বিতীয় পর্ব।চলমান এই সংলাপের মধ্যেই সামরিক মহড়ার জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান। অবশ্য আলোচনার প্রথম পর্ব শুরুর দু’সপ্তাহ আগে জানুয়ারির মাঝামাঝি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নিজেদের বিশাল নৌবহর পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই বহরের যুদ্ধজাহাজ ও রণতরীগুলো বর্তমানে আরব সাগর, লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে।সূত্র : এএফপিএবি 
    সৌদির অনুরোধে ৩ পাকিস্তানি সেনাকে মুক্তি দিল আফগানিস্তান
    আফগানিস্তান চার মাসের বেশি আগে সংঘটিত প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষে আটক তিনজন পাকিস্তানি সেনাকে মুক্তি দিয়েছে বলে তালেবান সরকারের মুখপাত্র মঙ্গলবার জানিয়েছেন।অক্টোবরে কয়েক দিনব্যাপী সীমান্তপারের লড়াইয়ে উভয় পক্ষ মিলিয়ে প্রায় ৭০ জন নিহত হন। কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘর্ষের অবসান ঘটে।সে সময় তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছিলেন, আফগান বাহিনী একাধিক পাকিস্তানি সামরিক চৌকি দখল করেছে, তবে পাকিস্তানি নিরাপত্তা সদস্য আটক করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করেননি।মুজাহিদ মঙ্গলবার গভীর রাতে আটক সেনাদের মুক্তির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সৌদি আরবের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; সৌদি আরব এ সপ্তাহে কাবুলে একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিল।তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে পাকিস্তানি পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় আটক তিনজন পাকিস্তানি সেনাকে মুক্তি দিয়ে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ সৌদি আরব থেকে আগত সম্মানিত প্রতিনিধিদলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’মুজাহিদ কতজন পাকিস্তানি সেনা আফগান বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।সহিংসতার সময় দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তা এখনো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বন্ধ রয়েছে, ফলে বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে।গত বছরের যুদ্ধবিরতি আলোচনা দুই প্রতিবেশীর মধ্যে দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো—বিশেষ করে নিরাপত্তা ইস্যু—পুরোপুরি সমাধান করতে পারেনি।ইসলামাবাদ বারবার অভিযোগ করেছে, আফগান সরকার তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গি গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে, যারা বহু বছর ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অভিযান চালিয়ে আসছে।তালেবান কর্মকর্তারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেন, পাকিস্তান আফগানিস্তানবিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং দেশটির সার্বভৌমত্বকে সম্মান করছে না।এবি 

    বিনোদন

    সব দেখুন
    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে মনোনয়ন চাইবেন হিরো আলম
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে এ আসন ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম।এবার আর আমজনতা দলের হয়ে নয়, জামায়াত বা এনসিপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘আমাকে মানুষ চেনে। বগুড়া-৬ আসনে আমার বাড়ি। যেহতু এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। তাই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। তবে দল থেকে করতে চেষ্টা করছি। সেই হতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অথবা ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-র হয়ে।’ ‘জামায়াত ও এনসিপিকে আমার ভালো লাগে। তাই আমি এই দুই দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। আমি আশা করছি দল দুটি; আমাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করবে’, - যোগ করেন আলম।তবে মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই আবারও নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আরও প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবো।’রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নধর্মী উপস্থিতির কারণে হিরো আলম বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ২০২৩ সালে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারিয়ে ছিলেন হিরো আলম। এই উপনির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে ৫ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য দরকার ছিল ১১ হাজার ৪৬৮ ভোট।এইচএ
    ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই করা হিনা খানের মা হওয়ার গুঞ্জন
    ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাওয়া ভারতীয় অভিনেত্রী হিনা খান মা হতে চলেছেন- এমনটাই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সম্প্রতি তার কিছু ছবি এবং একটি রিয়্যালিটি শো-তে দেওয়া বার্তার সূত্র ধরে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এই জল্পনা শুরু হয়। তবে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত হিনা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।  মূলত ‘পতি পত্নী অউর পঙ্গা’ নামের একটি অনুষ্ঠানে হিনা খান ও তার স্বামী রকি জায়সওয়াল অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক মুনাব্বার ফারুকী হঠাৎ করেই হিনাকে সন্তান লালন-পালন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ দিতে শুরু করেন। বিষয়টি নজর এড়ায়নি দর্শকদের। সেখান থেকেই অনেকে ধারণা করছেন, হিনা হয়তো তার প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন।জল্পনা আরও উসকে দেয় হিনা খানের শেয়ার করা সাম্প্রতিক কিছু ছবি। সালোয়ার-কামিজ পরা ওই ছবিগুলোতে নেটিজেনদের দাবি, অভিনেত্রী ওড়না দিয়ে তার ‘বেবি বাম্প’ আড়াল করার চেষ্টা করছেন। যদিও নিন্দুকেরা একে ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল বা পোশাকের ধরণ হিসেবেও দেখছেন।২০২৪ সালে হিনা খান তার ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানান। কঠিন এই সময়ে নিজেকে শক্ত রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অসুস্থতার মধ্যেই দীর্ঘদিনের প্রেমিক রকি জায়সওয়ালকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ক্যানসারের যন্ত্রণাদায়ক দিনগুলোতেও তিনি সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের কাছ থেকে নিয়মিত সাহস পেয়েছেন।প্রথমবার ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার স্মৃতিচারণ করে হিনা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, খবরটি শুনে ভেঙে না পড়ে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছিলাম। এমনকি ওই সময় নিজের প্রিয় খাবার ফালুদাও অর্ডার করে খেয়েছিলাম। বর্তমানে সুস্থতার লড়াইয়ে থাকা এই অভিনেত্রীর মা হওয়ার খবরটি সত্য কি না, তা জানতে মুখিয়ে আছেন তার ভক্তরা।এইচএ
    জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারালেও এবার মেয়র হতে চান মেঘনা আলম
    জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারিয়ে এবার মেয়র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত মডেল মেঘনা আলম। এবার ঢাকা-৮ আসন থেকে ‘ট্রাক’ প্রতীকে নির্বাচন করে ৬০৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান তিনি; কিন্তু এক দিন না যেতেই তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন।বিবৃতিতে মেঘনা বলেন, ‘এটি শেষ নয়, দীর্ঘমেয়াদি যাত্রার শুরু। ১১ বছর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছি। জাতীয় রাজনীতিতে আমার অভিষেক হয়েছে ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাধ্যমে। এবার মেয়র নির্বাচনের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।’নিজের প্রচারণা নিয়ে তিনি জানান, তার ছিল না কোনো বিলবোর্ড, বড় ক্যাম্প বা ব্যয়বহুল প্রচারণা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত প্রচারও করেননি। মাত্র তিন দিন এলাকায় হেঁটে মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন।তার ভাষ্য, ‘এই ৬০৮ ভোট এসেছে সততা থেকে, মানুষের সাথে সরাসরি সংযোগ থেকে। অন্যরা মাসের পর মাস প্রচারণা চালিয়েও যে স্বীকৃতি পান না, আমি তা পেয়েছি সীমিত সময় ও শূন্য খরচে। সময় ও অর্থ পেলে ৬০৮ ভোট হয়তো ৬০ হাজারেও পৌঁছাত।’ মেঘনা আরো জানান, তার দল গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির সাথে সমন্বয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি বিএনপির পোলিং এজেন্ট সহায়তা নেননি নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখার জন্য।সবশেষে তিনি বলেন, রাজনীতি অর্থ আর আড়ম্বরের খেলা নয়; এটি সাহস ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার জায়গা। ‘যে নারী ভয় পেয়ে দমে যায় না, তাকে থামানো যায় না। একদিন শহর, হয়তো দেশও বদলে দেবেন’- এমন আত্মবিশ্বাসী বার্তাও দেন তিনি।এফএস
    ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরেই মারা গেলেন অভিনেতা তিনু করিম
    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তিনু করিম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। অভিনেতা আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)  বরিশালে নিজ গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী হুমায়রা নওশিন। অভিনেতার ১১ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েক দিন আগেই স্ত্রী-সন্তানসহ বরিশালের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনু করিম। সবকিছু স্বাভাবিকই ছিল। হঠাৎ দুপুরের দিকে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকেই তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে নতুন করে জীবনে ফিরেছিলেন এই অভিনেতা। গত বছরের নভেম্বর মাসে বরিশালে অবস্থানকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় এনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা ৪০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্টে কাটাতে হয়েছে অনেকটা সময়। চিকিৎসকেরা যখন আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখনই আশ্চর্যজনকভাবে সাড়া দেন তিনু করিম। পরে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে জানুয়ারির শুরুতে বাসায় ফেরেন। কিন্তু সুস্থতার সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হলো না। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আবারও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন তিনি।অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন,  তিনু করিম পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বরিশাল গেল। তার গলায় দীর্ঘদিন নল দেয়ার কারণে কথা বলতে একটু সমস্যা হতো। এছাড়া সে সুস্থ ছিল। আজকে সকালে সে ভোট দিয়ে এসেছে। এর পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার স্ত্রী জানালো সে ভোট দিয়ে এসে অসুস্থ অনুভব করে, এরপর তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনু করিম। ২০০১ সালে ‘সাক্ষর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে তার। এরপর একে একে অভিনয় করেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও বিজ্ঞাপনে। ২০১০ সালে ‘অপেক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায়ও কাজ করেন। ‘রাত জাগা ফুল’, ‘আলতা বানু’সহ নানা নাটকে তার অভিনয় দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। একটি মুঠোফোন অপারেটরের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার অকাল প্রয়াণে সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে তাঁর স্মৃতিচারণ করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের ১ ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এইচএ
    আজ থেকে সারা দেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
    পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আজ (মঙ্গলবার) থেকে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনায় নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় এই বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত মোট ২০ দিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) এই বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।বিতরণ ব্যবস্থার চিত্রঢাকা মহানগরীতে ৫০টি, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০টি, অন্যান্য ৭টি বিভাগীয় শহরে ১৫টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৫টি জেলা শহরে ৫টি করে মোট ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে ৪০০ জন সাধারণ ভোক্তা ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর ক্রয়ের সুযোগ পাবেন। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ৩৫ লাখ উপকারভোগীর মাঝে মোট ২৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য সরবরাহ করা হবে।পণ্যের দাম ও পরিমাণএকজন ভোক্তা ট্রাক থেকে সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল (প্রতি লিটার ১১৫ টাকা), ১ কেজি চিনি (প্রতি কেজি ৮০ টাকা), ২ কেজি মসুর ডাল (প্রতি কেজি ৭০ টাকা), ১ কেজি ছোলা (প্রতি কেজি ৬০ টাকা) এবং আধা কেজি খেজুর (১৬০ টাকা) কিনতে পারবেন।ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ সুবিধাটিসিবি জানায়, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রায় ৬৬ লাখ পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে নিয়মিত পণ্য বিতরণ কার্যক্রমও চলমান থাকবে। রমজান উপলক্ষ্যে এই কার্ডধারীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন এবং মার্চ মাসে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কার্ডধারী পরিবারগুলো নির্ধারিত মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল পাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত পণ্য হিসেবে ছোলা (৬০ টাকা/কেজি) এবং খেজুর (১৬০ টাকা/কেজি) ক্রয় করতে পারবেন।যে কোনো সাধারণ ভোক্তা নির্ধারিত ট্রাক সেল পয়েন্ট থেকে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন বলে টিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এবি 
    দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিকেশন জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কনটেন্টে আসল নোটের ডিজাইন ও আকার হুবহু অনুকরণ করে বড় আকৃতির ‘নমুনা নোট’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। একটি অসাধু চক্র এসব নোট ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অবৈধ বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে বলা হয়, বাজারে কিংবা জনসমাগমস্থলে আসল টাকার সদৃশ কোনও কাগজ বা নোট ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়। বাংলাদেশ সাধারণ জনগণকে আসল নোটের আদলে কোনও কাগজ তৈরি, ব্যবহার বা প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনও আর্থিক তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, জালিয়াতি এড়াতে এবং নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সর্বসাধারণকে সচেতন থাকতে হবে। আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।আর্থিক বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে নির্ভরযোগ্য ও দাপ্তরিক উৎসের তথ্যের ওপর নির্ভর করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এইচএ  
    রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
    রমজান উপলক্ষে বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি প্রতিদিন আরও ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতি প্যাকেজে ৬০ টাকা বেশি গুনতে হবে নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের।নির্বাচনের পর রমজানের বেচাকেনায় ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে রাজধানীর বাজার। এবার পণ্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা না থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।এর মধ্যেই রমজান উপলক্ষে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি সারাদেশে সাড়ে ৪শ’ ট্রাকে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম। প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের প্রতিটিতে ৪০০ জন হিসেবে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাক সেলে ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। তবে নিয়মিত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির দাম আগের মতোই বহাল থাকবে। পণ্যের মূল্য তালিকা অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ২ লিটার সয়াবিন তেল পাবেন ২০০ টাকায়। কিন্তু ট্রাক সেল থেকে কিনলে একই পরিমাণ তেলের জন্য। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, এসব পণ্য আলাদা শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না; একই শ্রেণির মানুষের জন্যই কর্মসূচি। সেখানে দুই রকম দাম নির্ধারণ বৈষম্য তৈরি করবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জন হিসেবে দৈনিক সাড়ে ৪শ’ ট্রাক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। ২০ দিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে মোট সুবিধা পাবেন ৩৬ লাখ জন। ডাল, চিনি ও তেলের বাড়তি মূল্যে প্রতি প্যাকেজে তাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। এভাবে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তুলনায় ট্রাক সেলে ভর্তুকি বাবদ ২০ দিনে সরকারের ব্যয় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিসিবির। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা নিম্নবিত্তের ওপর চাপিয়ে দুই রকম দামে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ড. মাহফুজ কবিরের মতে, সরকার যে ভালো উদ্দেশ্যে ট্রাক সেল ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, দুই রকম দাম নির্ধারণ করলে তার বদনাম হতে পারে। তাই উভয় প্রক্রিয়ায় একই দাম নির্ধারণ করা উচিত। এদিকে বছরব্যাপী ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।এইচএ
    ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
    চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি 
    দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
    দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    সাঈদ আহমেদ এমপি নির্বাচিত হওয়ায় আরিফ সিকদারের ফুলেল শুভেচ্ছা
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিআইএ-এর সদস্য এবং এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্সুরেন্স’র (পিএলসি) পরিচালক আরিফ সিকদার।। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানান তিনি।শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিমা খাতের টেকসই উন্নয়নে জনাব সাঈদ আহমেদের দীর্ঘদিনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে আরিফ সিকদার বলেন, আপনার মতো একজন অভিজ্ঞ এবং প্রতিশ্রুতিশীল ব্যক্তিত্ব জাতীয় সংসদে অন্তর্ভুক্তি কেবল বিমা খাতের জন্যই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। আরিফ সিকদার আরও বলেন,  দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিমা শিল্পের আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আপনি যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তার ধারাবাহিকতা এখন জাতীয় পর্যায়েও প্রতিফলিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে আরিফ সিকদার আরও বলেন, শরীয়তপুর ১ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ বিমা খাতের সুবিধা অসুবিধা গুলো সবই জানেন, ফলে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা গুলো সংসদে উপস্থাপন করার মতো একজন মানুষ আমরা পেয়েছি। ‍ বিশেষ করে বাংলাদেশের আর্থিক সেবা খাতের সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের কাছে বিমা সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সংসদে আমাদের একজন হয়ে কথা বলবেন বলে আমরা মনে করি।অনুষ্ঠান শেষে জনাব সাঈদ আহমেদ তাঁর ওপর আস্থা রাখার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
    দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের ১ ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।এইচএ
    আজ থেকে সারা দেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
    পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আজ (মঙ্গলবার) থেকে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনায় নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় এই বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত মোট ২০ দিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) এই বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।বিতরণ ব্যবস্থার চিত্রঢাকা মহানগরীতে ৫০টি, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০টি, অন্যান্য ৭টি বিভাগীয় শহরে ১৫টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৫টি জেলা শহরে ৫টি করে মোট ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে ৪০০ জন সাধারণ ভোক্তা ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা ও খেজুর ক্রয়ের সুযোগ পাবেন। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ৩৫ লাখ উপকারভোগীর মাঝে মোট ২৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য সরবরাহ করা হবে।পণ্যের দাম ও পরিমাণএকজন ভোক্তা ট্রাক থেকে সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল (প্রতি লিটার ১১৫ টাকা), ১ কেজি চিনি (প্রতি কেজি ৮০ টাকা), ২ কেজি মসুর ডাল (প্রতি কেজি ৭০ টাকা), ১ কেজি ছোলা (প্রতি কেজি ৬০ টাকা) এবং আধা কেজি খেজুর (১৬০ টাকা) কিনতে পারবেন।ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ সুবিধাটিসিবি জানায়, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রায় ৬৬ লাখ পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে নিয়মিত পণ্য বিতরণ কার্যক্রমও চলমান থাকবে। রমজান উপলক্ষ্যে এই কার্ডধারীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন এবং মার্চ মাসে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন পণ্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কার্ডধারী পরিবারগুলো নির্ধারিত মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল পাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত পণ্য হিসেবে ছোলা (৬০ টাকা/কেজি) এবং খেজুর (১৬০ টাকা/কেজি) ক্রয় করতে পারবেন।যে কোনো সাধারণ ভোক্তা নির্ধারিত ট্রাক সেল পয়েন্ট থেকে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন বলে টিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এবি 
    দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিকেশন জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কনটেন্টে আসল নোটের ডিজাইন ও আকার হুবহু অনুকরণ করে বড় আকৃতির ‘নমুনা নোট’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। একটি অসাধু চক্র এসব নোট ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অবৈধ বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে বলা হয়, বাজারে কিংবা জনসমাগমস্থলে আসল টাকার সদৃশ কোনও কাগজ বা নোট ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়। বাংলাদেশ সাধারণ জনগণকে আসল নোটের আদলে কোনও কাগজ তৈরি, ব্যবহার বা প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনও আর্থিক তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, জালিয়াতি এড়াতে এবং নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সর্বসাধারণকে সচেতন থাকতে হবে। আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।আর্থিক বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে নির্ভরযোগ্য ও দাপ্তরিক উৎসের তথ্যের ওপর নির্ভর করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এইচএ  
    রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
    রমজান উপলক্ষে বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি প্রতিদিন আরও ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতি প্যাকেজে ৬০ টাকা বেশি গুনতে হবে নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের।নির্বাচনের পর রমজানের বেচাকেনায় ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে রাজধানীর বাজার। এবার পণ্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা না থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।এর মধ্যেই রমজান উপলক্ষে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি সারাদেশে সাড়ে ৪শ’ ট্রাকে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম। প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের প্রতিটিতে ৪০০ জন হিসেবে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাক সেলে ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। তবে নিয়মিত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির দাম আগের মতোই বহাল থাকবে। পণ্যের মূল্য তালিকা অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ২ লিটার সয়াবিন তেল পাবেন ২০০ টাকায়। কিন্তু ট্রাক সেল থেকে কিনলে একই পরিমাণ তেলের জন্য। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, এসব পণ্য আলাদা শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না; একই শ্রেণির মানুষের জন্যই কর্মসূচি। সেখানে দুই রকম দাম নির্ধারণ বৈষম্য তৈরি করবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জন হিসেবে দৈনিক সাড়ে ৪শ’ ট্রাক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। ২০ দিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে মোট সুবিধা পাবেন ৩৬ লাখ জন। ডাল, চিনি ও তেলের বাড়তি মূল্যে প্রতি প্যাকেজে তাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। এভাবে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তুলনায় ট্রাক সেলে ভর্তুকি বাবদ ২০ দিনে সরকারের ব্যয় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিসিবির। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা নিম্নবিত্তের ওপর চাপিয়ে দুই রকম দামে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ড. মাহফুজ কবিরের মতে, সরকার যে ভালো উদ্দেশ্যে ট্রাক সেল ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, দুই রকম দাম নির্ধারণ করলে তার বদনাম হতে পারে। তাই উভয় প্রক্রিয়ায় একই দাম নির্ধারণ করা উচিত। এদিকে বছরব্যাপী ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।এইচএ
    ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
    চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি 

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    জবি ছাত্রদলের উদ্যোগে 'গণতন্ত্রের বসন্ত' শীর্ষক সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
    ফাল্গুনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ‘আগুনরাঙা ফাগুনে আবারও উচ্চারিত হোক গণতন্ত্রের শপথ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘গণতন্ত্রের বসন্ত’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জবি শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।বসন্তের আবহে ক্যাম্পাস রূপ নেয় এক ভিন্ন সাজে। ছাত্রীরা বাসন্তী, হলুদ ও লাল রঙের শাড়ি এবং ছাত্ররা বাহারি রঙের পাঞ্জাবি পরে উৎসবে যোগ দেন। শিক্ষার্থীদের রঙিন পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।উৎসব প্রাঙ্গণের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প, গহনা ও সাজসজ্জার স্টলগুলো। স্টলগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এসব স্টল ঘুরে দেখেন এবং পছন্দের জিনিসপত্র সংগ্রহ করেন।দিনব্যাপী এই আয়োজনের স্মৃতি ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল বিশেষ উচ্ছ্বাস। ছবি তোলার জন্য তৈরি করা বিশেষ ফটোবুথকে ঘিরে ছিল তরুণ-তরুণীদের বাঁধভাঙা উল্লাস। একে অপরের সাথে ফ্রেমবন্দি হয়ে বসন্তের আনন্দময় মুহূর্তগুলো ক্যামেরার লেন্সে বন্দি করেন তারা। উৎসবের অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল সঙ্গীতানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য এবং ব্যান্ড দলের পারফরম্যান্স। এছাড়া উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুল বিতরণ করা হয়।উৎসবে অংশ নেওয়া ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা বলেন, "জাতীয় নির্বাচনের ছুটির পর ক্যাম্পাসে এমন প্রাণবন্ত একটি উৎসব পেয়ে আমরা আনন্দিত। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে গান, আড্ডা আর হস্তশিল্পের স্টল ঘুরে দেখা ও ছবি তোলার মাধ্যমে বসন্তের এই দিনটি দারুণভাবে উপভোগ করলাম।"সার্বিক আয়োজনের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, "দীর্ঘদিন পর দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এর আগে ১৭-১৮টি বসন্ত কেটেছে স্বৈরাচারের অধীনে। আমরা সকল শিক্ষার্থীকে ফুল দিয়ে বরণ করেছি, তাদের মতামত নিয়েছি ও কথা শুনেছি। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে গান ও কবিতায় অংশ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই আনন্দঘন পরিবেশে 'গণতন্ত্রের বসন্ত' শিরোনামে অনুষ্ঠানটি আমরা সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।"এনআই
    বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলের ছুটি শুরু
    মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার রমজানের প্রথম দিন থেকেই ছুটি শুরু হচ্ছে। ছুটি চলবে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত। আজ বৃহস্পতিবার রাতে এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।এতে বলা হয়েছে, বিগত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারক নম্বর: ৩৭.০০.০০০০.০৭১.০৪.০০২.০২ (অংশ)-৫০৭ মূলে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন সংশোধনক্রমে সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ (১৪৩২-১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি নিম্নোক্তরূপে নির্ধারণ করা হলো।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, শবেকদর (১৭ মার্চ),  জুমাতুলবিদা (২০ মার্চ), ঈদুল ফিতর (২১ মার্চ) এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৬ দিন ছুটি থাকবে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে। জানা যায়, দীর্ঘ আলোচনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বার্ষিক ছুটির তালিকায় সংশোধন এনেছে। ফলে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রমজানের প্রথম দিন থেকেই ছুটি শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।এদিকে পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল।১৫ ফেব্রুয়ারি সেই রিটের শুনানি হয়। এতে পুরো রমজান মাস, অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরো রমজান সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরে গত সোমবার পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত স্থগিতের আদেশ দেন।এবি 
    ইবি শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হচ্ছে ফ্রি সেহেরি-ইফতার প্রজেক্ট
    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য মাসব্যাপী ফ্রি সাহরি ও ইফতার কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে ক্যাম্পাসের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি'। সংগঠন সূত্রে জানা যায়, সাহরিতে সকল হলের ডাইনিং ম্যানেজারদের কাছে আগে থেকেই রাখা নির্দিষ্ট খাতাতে শুধুমাত্র টোকেনের মূল্য ও স্বাক্ষর করেই শিক্ষার্থীরা সাহরি নিতে পারবে। এক্ষেত্রে উক্ত শিক্ষার্থীর কোনো পরিচয় লেখার প্রয়োজন নেই। এছাড়া সেন্ট্রাল ফিল্ডে সবাইকে একসাথে বসে ইফতার করানো হবে। সেখানে মেয়েদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানানে হয়।প্রজেক্ট চালু সম্পর্কে সংগঠনটি জানান, সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ ফান্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সহায়তায় এ প্রজেক্টের আয়োজন করা হয়েছে। তবে যদি প্রজেক্টে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ করলে সেক্ষেত্রে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ করা হতে পারে। তবে সেটা প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে বলে জানা যায়।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংগঠনটির আহ্বায়ক আমির ফয়সালকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি সাহরি ও ইফতার প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। আশাকরি এতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। পবিত্র মাহে রমজানে আমাদের সম্মানিত রোজাদার ভাইবোনদের জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।’এর আগে প্রজেক্টটি চালু করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। এতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে হাতে নেন এই প্রজেক্ট।পিএম
    নোবিপ্রবি ভিসিসহ তিন শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগে ৭ দিনের আল্টিমেটাম
    নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল, উপ-উপাচার্য ড. রেজুয়ানুল হক ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হানিফ মুরাদের পদত্যাগ দাবি করে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের শিক্ষকরা। একই সঙ্গে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয়করণের অভিযোগের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে নোবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও সাদা দলের সভাপতি ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে প্রশাসনিক ও নৈতিক সংকটে রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গত ১৭ মাস ধরে শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব, দলীয় বৈষম্য, আইনি ও নৈতিকতার লঙ্ঘন, আর্থিক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির ঘটনা ঘটছে।ফিমস বিভাগের অধ্যাপক ও সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক ড. জাহাঙ্গীর সরকার এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও সাদা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ অভিযোগ করেন, উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্যতার চেয়ে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তারা নিয়োগে বৈষম্য, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক সুপারিশে নিয়োগ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন।বক্তারা এসব অভিযোগের তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগ দাবি করেন। সাত দিনের মধ্যে দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. আবিদুর রহমান, জামাল উদ্দিন, আব্দুর বারেক, মিনহাজুল আবেদীন, জনি মিয়া, মোকাররম হোসেন, সাদ্দাম হোসেন ও মোজাম্মেল হোসেনসহ অন্যরা।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ইখা

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
    হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট
    জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং তার কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন তিনি। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।আগামী সপ্তাহে রিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী।এর আগে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণভোটের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ। একই সঙ্গে ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিলেরও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।এমআর-২

    প্রবাস

    সব দেখুন
    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫
    সৌদি আরবের আবহা শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এরমধ্যে লক্ষ্মীপুরের দুই শিশুসহ চার সদস্য রয়েছেন।নিহতরা হলেন,- মোহনা (১৩), দেড় বছর বয়সী শিশু সুবাহ, তাদের মা মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বাবা মিজানুর রহমান (৪২) ও বাবর (৩০)। একই ঘটনায় এই পরিবারের আরেক কন্যা ফাইজা আক্তার (১১) মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৩টা ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।পরিবারের সদস্য ব্যবসায়ী বাহারুল আলম বলেন, আমার ছোট ভাই মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবের আবহা শহরে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি ছোট ভাই মিজানুর রহমান তার স্ত্রী মেহের আফরোজ সুমী, তিন কন্যা মোহনা, ফাইজা ও ছোট মেয়ে সুবাহকে নিয়ে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যান।নিহত মিজানুর রহমানের মামাত ভাই রিফাতুল ইসলাম বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূইয়ার মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, কিছুক্ষণ আগে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। লাশ দেশে আনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।এফএস

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ওজন কমানো থেকে হার্টের যত্নে যা করতে পারবেন
    দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান ২০২৬। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলিম যখন সিয়াম সাধনা, আত্মশুদ্ধি আর আধ্যাত্মিক উন্নতির চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও দিচ্ছে চমকপ্রদ সব তথ্য। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখা কেবল ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি শরীর ও মনের ওপর এক জাদুকরী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস-এর সাম্প্রতিক এক তথ্যে দেখা গেছে, রমজানের রোজা শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন আনে। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি সামগ্রিক সুস্থতায় পালন করে এক অনবদ্য ভূমিকা।ওজন নিয়ন্ত্রণ ও মেদমুক্তি : রোজার মাসে সেহরি ও ইফতারের নির্দিষ্ট সময়সীমার কারণে শরীরে ক্যালরি গ্রহণের একটি স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়। হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথের মতে, রোজা রাখার ফলে আমাদের পরিপাকতন্ত্র দীর্ঘ সময় বিশ্রামের সুযোগ পায়। এতে শরীর তার সঞ্চিত পুষ্টি উপাদানগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে পারে, যা কোনো কঠোর ডায়েট ছাড়াই স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমাতে দারুণ সহায়ক।ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস : চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, রমজানের রোজা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতেও রোজার ভূমিকা অপরিসীম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসায় হৃদযন্ত্র দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকে।মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি : রোজার একটি চমকপ্রদ দিক হলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি। গবেষণায় দেখা গেছে, উপবাসের সময় আমাদের মস্তিষ্কে 'ব্রেন-ডিরাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর' (BDNF) নামক এক বিশেষ প্রোটিনের উৎপাদন বাড়ে। এটি মস্তিষ্কের কোষগুলোকে সজীব রাখে এবং স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।মানসিক প্রশান্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণ : রমজান মানেই ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির মাস। হার্ভার্ডের গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় একাগ্রতা ও নেতিবাচক অভ্যাস ত্যাগের ফলে রোজাদারদের মধ্যে 'মেন্টাল ক্ল্যারিটি' বা মানসিক স্পষ্টতা বৃদ্ধি পায়। এই এক মাস আবেগীয় ভারসাম্য বজায় রাখা ও মানসিক প্রশান্তি পাওয়ার এক অনন্য সুযোগ তৈরি হয়।এবি 

    Loading…