এইমাত্র
  • ঢাকায় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে মার্কিন রণতরী: আইআরজিসি
  • কাতারের সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা
  • চুক্তিতে চার সচিব নিয়োগ দিল সরকার
  • এবার ইসরায়েলে ক্লাস্টার বোমা হামলা চালিয়েছে ইরান
  • ইরানে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে হামলার দাবি ইসরায়েলের
  • মক্কা ও মদিনা থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ইরানি ওমরাহ যাত্রীদের
  • যশোর হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে পকেট ভরছে দালাল!
  • যশোরে ফার্মেসি মালিক অপহরণ, ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি
  • আজ বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
    সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়েছে।ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম।আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। গুঞ্জন ওঠে, ঢাকা-১০ আসন থেকে প্রার্থী হবেন তিনি। সে লক্ষ্যে কিছুদিন ওই এলাকায় তৎপরতা চালালেও শেষপর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দলটির নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নেন।এফএস
    ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে মার্কিন রণতরী: আইআরজিসি
    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যে এক চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে এনেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত দুই দিনে পরিচালিত পাল্টা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানে অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি এই দাবি করেন। তিনি জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজগুলো লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।আইআরজিসির মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে বারবার সফলভাবে আঘাত হেনেছে।নায়েনি দাবি করেন, একটি সুনির্দিষ্ট হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা বিধ্বস্ত হলে সেখানে অন্তত ১৬০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়। এছাড়াও মার্কিন নৌবাহিনীর এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজটি ইরানি নৌবাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যদিও পেন্টাগন এখন পর্যন্ত এই হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রদান করেনি।ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি আরও জানান, ইরানি নৌবাহিনীর প্রবল আক্রমণের মুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন সংশ্লিষ্ট এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ওই রণতরীটিকে লক্ষ্য করে চারটি শক্তিশালী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এর পরপরই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের দিকে পিছু হটে।উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের ওপর একযোগে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মারা যান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এর জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান।সূত্র: তাসনিম।এফএস

    জাতীয়

    সব দেখুন
    ঢাকায় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর
    যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রাজধানী ঢাকায় পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত আটটার পর ভারতের দিল্লি হয়ে তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর উচ্চপর্যায়ের কোনো মার্কিন কর্মকর্তার এটিই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সফর।সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, পল কাপুরের এই সফরটি মূলত রাজনৈতিক হলেও ওয়াশিংটন বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।এছাড়াও দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় রাজনৈতিক বোঝাপড়া, রোহিঙ্গা সংকট এবং মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির ভূ-রাজনীতি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। সফরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে মার্কিন প্রশাসন।এফএস
    চুক্তিতে চার সচিব নিয়োগ দিল সরকার
    দেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে গতিশীলতা আনতে এক মন্ত্রণালয় ও তিন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নতুন চারজন সচিব নিয়োগ দিয়েছে সরকার।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাবেক এই চার সরকারি কর্মকর্তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তারা দেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্থানীয় সরকারের মতো নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. শহীদুল হাসানকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রফিকুল আই মোহাম্মদকে কৃষি মন্ত্রণালয়, আবদুল খালেককে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশগুলো অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।প্রজ্ঞাপনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৯ ধারা মোতাবেক এই নিয়োগগুলো সম্পন্ন করা হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, এই চার কর্মকর্তা অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে তাদের আগের সব কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগ করবেন। যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর মেয়াদে তারা নিজ নিজ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। নিয়োগের অন্যান্য আনুষঙ্গিক শর্তাবলি পরবর্তীতে সম্পাদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।এফএস
    ১২ মার্চের মধ্যে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধের নির্দেশ
    আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) ৯৪তম এবং আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (আরএমজি টিসিসি) ২৩তম সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।একইসঙ্গে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ১২ মার্চের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী।সভায় শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিয়ে নির্দেশনা দিয়ে শ্রমমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে, যেন জনভোগান্তি সৃষ্টি না হয়। শ্রমিকদের কোনো কারণ ছাড়া লে-অফ বা ছাঁটাই করা যাবে না বলেও জানান তিনি।তিনি বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষ পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের ঈদের ছুটি নির্ধারণ করবেন।এমআর-২
    কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
    আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এমন তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চ বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বগুড়া-৬ (সদর) আসনের আসন্ন উপনির্বাচনের কারণে তার বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে।বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, ১০ মার্চের কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে এবং পরে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে।জেলা প্রশাসক আরও জানান, বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন চলায় ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী কোনো কর্মসূচি রাখেননি।এমআর-২
    মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটে বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল
    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির জেরে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ রুটে আগামী ৫ মার্চ পর্যন্ত নিজেদের সব ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটি।মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুরে বিমানের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।বাতিল হওয়া রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে- সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজা; সৌদি আরবের দাম্মাম; কাতারের দোহা এবং কুয়েত। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সংস্থাটি জানায়, পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে যাত্রীদের বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর পরবর্তী শিডিউল বা সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে।জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। আকাশপথ বন্ধ থাকার কারণে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সূচি তছনছ হয়ে গেছে।পরিসংখ্যান মতে, এই যুদ্ধপরিস্থিতির প্রভাবে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি এবং ২ মার্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। সব মিলিয়ে গত কয়েক দিনে মোট ১৪৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটল, যার বড় একটি অংশই ছিল মধ্যপ্রাচ্যগামী।বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আকাশপথের উত্তেজনা নিরসন ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা কাটছে না। যাত্রীদের নিয়মিত বিমানের কল সেন্টার বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    প্রধানমন্ত্রীর কাছে অর্থ চেয়েছে দুই সিটি করপোরেশন
    'ক্লিন ও গ্রিন ঢাকা' বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বরাদ্দ চেয়েছে রাজধানীর ২ সিটি করপোরেশন। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।নাগরিক সংকট সমাধানে এক মাসের ক্র্যাশ প্রোগ্রামও হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, উন্নয়নের জন্য সিটি করপোরেশনে কোনো টাকা নেই। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অর্থ চাওয়া হয়েছে।এছাড়া, খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। দখলদারদের নোটিশ দিয়ে সরকারি জমি উদ্ধার করা হবে বলেও জানান তিনি।এইচএ
    ট্রেন ও মেট্রোরেলে ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন যারা
    আন্তঃনগর ট্রেন ও মেট্রোরেলে ভাড়ায় বয়স্ক, প্রতিবন্ধী এবং শিক্ষার্থীরা ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি।মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, যাদের বয়স ৬৫ বছরের বেশি, যারা প্রতিবন্ধী এবং যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন তারা নিজ নিজ আইডি কার্ড এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ড ব্যবহার করে ট্রেনের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন। আগামী কোরবানি ঈদের আগে এই সুযোগ চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।শেখ রবিউল আলম বলেন, বিগত সরকার রেলের প্রায় এক লাখ কোটি টাকার বেশি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছে। তবে আসলে রেলের কোনো উন্নয়ন হয়নি, সবই কাগজে- কলমে। উল্টো রেলের ইঞ্জিন কম, রেল চলে না, ভেঙে যায়।তিনি বলেন, আমরা রেলের একেবারে সার্বিক উন্নয়ন চাচ্ছি। এখন যে সমস্ত ট্রেন চালু আছে তার গতিবৃদ্ধি এবং অল্প সময়ে যাতায়াত কীভাবে সম্ভব করা যায় তার জন্য বিদ্যমান কিছু প্রকল্প আছে। দ্রুত এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়া হবে।মন্ত্রীর তথ্যমতে, নতুন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে রেল সেবা আরও শক্তিশালী হবে, জনবান্ধব ও মানসম্মত হবে।এমআর-২
    পদত্যাগ করলেন দুদক চেয়ার‍ম্যান ও দুই কমিশনার
    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ–এ গিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।এর আগে দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও হাফিজ আহ্‌সান ফরিদ–কে। প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে যান।পদত্যাগের বিষয়ে কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী জানান, কোনো চাপের কারণে নয়; নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন।২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পান। এর আগে ড. মোমেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।ওই একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ। এর মধ্যে আলী আকবার আজিজী যোগদান করেন ওই বছর ১১ ডিসেম্বর। হাফিজ আহসান ফরিদ যোগদান করেন ১৫ ডিসেম্বর।এমআর-২

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ‘জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি’
    জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেওয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সোমবার (০২ মার্চ) সচিবালয়ে এ কথা জানান তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান মেনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন।তিনি বলেন, সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা জাতীয় সংসদে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরাই জাতীয় সংসদে অংশ নিতে পারেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে যেসব আলোচনা হচ্ছে বা রাজনীতির মাঠে নানা কথা হচ্ছে, সেটি রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে বলা যেতে পারে। কিন্তু অসাংবিধানিক কিছু জাতীয় সংসদে উত্থাপন করতে পারি না।তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় অনুসারে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ করতে হয়, সেটি জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী আনতে হবে। সংশোধনী এনে সেটি সংবিধানে ধারণ করার পরেই, কোন প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ হতে পারে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কারা পড়াবেন, কীভাবে হতে পারে সে বিষয় চূড়ান্ত হতে পারে।এমআর-২
    ‘জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি’
    জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেওয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সোমবার (০২ মার্চ) সচিবালয়ে এ কথা জানান তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান মেনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন।তিনি বলেন, সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তাব দিয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা জাতীয় সংসদে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরাই জাতীয় সংসদে অংশ নিতে পারেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে যেসব আলোচনা হচ্ছে বা রাজনীতির মাঠে নানা কথা হচ্ছে, সেটি রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে বলা যেতে পারে। কিন্তু অসাংবিধানিক কিছু জাতীয় সংসদে উত্থাপন করতে পারি না।তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় অনুসারে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ করতে হয়, সেটি জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী আনতে হবে। সংশোধনী এনে সেটি সংবিধানে ধারণ করার পরেই, কোন প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ হতে পারে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কারা পড়াবেন, কীভাবে হতে পারে সে বিষয় চূড়ান্ত হতে পারে।এমআর-২
    হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
    নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘মন্ত্রী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।’ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন সরকারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।এমআর-২
    ইরানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস
    ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন।জামায়াত আমির লিখেছেন, ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দাবানল—হে আল্লাহ, তোমার অসীম মেহেরবানিতে নিভিয়ে দাও। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পবিত্র রমজানের সংযম, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা ধারণ করার তাওফিক দান করো। তিনি আরও লিখেছেন, নিরীহ নারী-শিশু ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করো, আহতদের আরোগ্য দাও, বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ আশ্রয় দাও। সমগ্র দুনিয়াবাসীর প্রতি রহম করো—হৃদয়গুলোকে নরম করো, ঘৃণা ও প্রতিহিংসা দূর করো।সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, হে রব্বুল আলামিন, ন্যায়ের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করো এবং একটি নিরাপদ শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করে দাও।আমিন।এইচএ 
    এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
    ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দলটি।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সরব ছিল দলটি।সর্বশেষ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এনসিপি। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছর ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত দল হিসেবে থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এনসিপি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বছরে পা দিতে যাচ্ছে।  এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির এক বছর পূর্তি। এই দিনটি উপলক্ষ্যে গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী দল–সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সবাইকে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে এনসিপির ইফতার মাহফিল হবে উল্লেখ করে আরিফুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অসংখ্য সহযোদ্ধা, বন্ধু ও সাংবাদিকদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে ইফতার করা হবে। সেখানে চিত্রপ্রদর্শনীও চলবে। পাশাপাশি দীর্ঘ এক বছরে দলটির রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটা ধারাবাহিক প্রোমো থাকবে। নাম হবে স্ট্রিট ওয়াল। সেখানে থাকবে ফটো বুথও। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় এই আয়োজন শুরু হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে বিভাগীয় এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় ইফতার মাহফিল করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে এনসিপি। এনসিপির নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও গুণিজনেরা এসব ইফতারে অংশ নেবেন বলে তারা জানিয়েছে।এমআর-২
    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেন বাদশা
    বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানান।তিনি ফেসবুক পোস্ট করে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)-৬ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ভাইকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলো।গুঞ্জন ছিল এই আসন থেকে জিয়া পরিবারের কেউ উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত হয় জিয়া পরিবারের কেউ এখান থেকে নির্বাচন করছেন না।গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এমআর-২
    সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় শামীমা আক্তার রুবী
    সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে কারা মনোনয়ন পাবেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত আসন বণ্টনকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।গেজেট অনুযায়ী, ৩৫ সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে। অধিবেশন শুরু হলে সংসদ সচিবালয় সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে ইসিতে পাঠাবে। এরপর তফশিল ঘোষণা করা হবে।ইসি সূত্র জানায়, সংসদ সচিবালয় তালিকা পাঠালেই তফশিল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হবে এবং পরিকল্পনা রয়েছে ঈদের আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার। বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে দলটি। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয়, কারাবরণকারী, আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী ও তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখা নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা আলোচনা হচ্ছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, শুধু সুপারিশ নয়, মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা ও অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার ওপরই মূল সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন একাধিক নারী নেতৃত্ব। তারমধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসন আমলের পুরোটা সময় জুড়ে ছিলেন রাজপথে। দেশের বাইরে যেখানেই ফ্যাস্টিস হাসিনার আগমন সেখানেই ছিলো প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতিরোধ। আর এই প্রতিরোধের অগ্রভাগে ছিলেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী শামীমা আক্তার রুবী। ফ্যাসিস্ট হাসিনার ১৭ বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, খুন, ধর্ষণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি, দুর্নীতি দুঃশাসন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, বাংলাদেশের সাবেক তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী  বিএনপির চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার উপর মিথ্যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক মামলা ও প্রহসন মুলক রায়ে কারাবন্দির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারম্যানে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা রাজনৈতিক হয়রানি মামলারা সাজর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে  শামীমা আক্তার রুবী  ছুটে গেছেন   ইউরোপ, জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপিয়ান কমিশন, ইউরোপিয়ান প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জেনেভাতে নানা কর্মসূচি বিক্ষোভ প্রতিবাদ, মিটিং মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ, এম্বাসির ঘেরাও কর্মসূচি, স্মারকলিপির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছি তিনি। গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যেও ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশে এসে অংশগ্রহণ করেন জুলাই  আন্দোলনে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায়ি আন্দোলনে রাজপথের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজপথে যেমন সক্রিয় ছিলেন তেমনিভাবে বহির্বিশ্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউরোপ আমেরিকা সহ ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপীয়ান কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আন্তর্জাতিক আদালত, জাতিসংঘসহ যেখানে হাছিনা সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে তাঁর প্রতিটি মিটিং মিছিলে থেকে রাজনীতি করেছেন। মহিলা দলের পক্ষে থেকে বহুবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্টেজে বক্তব্য রেখেছেন। ঢাকা -১৭ এবং কুমিল্লা -৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সহ সমন্বয়ক, ও প্রচার প্রচারণা ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিকভাবে দক্ষ ও সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট সুপরিচিত। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন যেমনি ছিলেন রাজপথে তেমনি ছিলেন দুঃসাহসিক লেখক পত্রিকায় সম্পাদকীয় কলাম লেখালেখি করতেন। বেগম জিয়ার নামে মুক্তি চাই শিরোনামে একটি গান লিখেছেন যা মিডিয়া সেলে প্রচারিত হয়েছে ইথুন বাবুর সুরে মৌসুমি ও পরানের কণ্ঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রচারিত হয়েছে যা সারা বাংলাদেশের জনতার স্রোতে জনতার হৃদয়ে স্থান পেয়েছে।ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত শামীমা আক্তার রুবী। ১৯৯০ এরশাদের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী আদর্শকে লালন করেন তিনি।  ১৯৯৫ সালে ইমন আদি ও হাবীব পরিষদে ছাত্রদলের প্যানেলে ব্যালট ও মাইলা সম্পাদিকা পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।১৯৯৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটে পিজিডিতে অধ্যয়নরত অবস্থার ছাত্র রাজনীতি সক্রিয় থাকেন তিনি। ২০০১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ফ্রান্সে গমন করেন।  ফ্রান্স বিএনপির সাথে একত্রে কাজ করেন, এবং বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখার সহ সভাপতি পদে আছেন রুবী।২০০৫-২০০৯ সালে জাপানে অবস্থান করেন এবং সেখানে গিয়ে দলের জন্য কাজ করেন। ২৫শে এপ্রিল ২০১৬ তে 'জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ" নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন যা ফ্রান্সের সরকার কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম খুন হত্যা ধর্ষণ সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির লক্ষ্য কাজ করে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ। আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি শামীমা আক্তার রুবী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন একাধিক সামাজিক পুরস্কারএক প্রতিক্রিয়ায় শামীমা আক্তার রুবী বলেন, ‌সংরক্ষিত আসনে মহিলা এমপি হলে দেশের জন্য দেশের নারীদের জন্য আমার স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে-১️. নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন•গ্রামে গ্রামে নারী উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা।•বেকার তরুণী ও স্বল্পশিক্ষিত নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন (আইটি, হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক কাজ)।•স্থানীয় বাজারে নারীদের পণ্যের জন্য আলাদা কর্নার/ই-কমার্স সংযোগ।২️ শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন•স্কুলছুট মেয়েদের পুনরায় শিক্ষায় ফেরানো।•ডিজিটাল শিক্ষা ও ফ্রি কোচিং সাপোর্ট।•উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের স্কলারশিপের ব্যবস্থা বাড়ানো।৩️ নারী ও শিশুর নিরাপত্তা•বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর মনিটরিং।•থানায় ও প্রশাসনে নারী সহায়তা ডেস্ক সক্রিয়করণ।•সচেতনতা ক্যাম্পেইন ও আইনি সহায়তা সেল গঠন।৪️ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন•মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা জোরদার।•গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নারী চিকিৎসক নিশ্চিতের উদ্যোগ।•মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্যানিটারি ন্যাপকিন সহজলভ্য করা।৫️ নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা•সংসদে নারীর অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে সোচ্চার থাকা।•এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরাসরি সম্পৃক্ততা।•জনগণের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় সভা।সংরক্ষিত আসন শুধু একটি পদ নয়—এটি নারীদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করার একটি দায়িত্ব।আমি চাই, আমার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে যে সংরক্ষিত আসনের নারী এমপিরাও উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন।পিএম
    গোপন বিষয় প্রকাশ করে শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি: জামায়াত
    সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি’ পদটি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। এ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির প্রতিটি বক্তব্য ও পদক্ষেপ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা রাষ্ট্রীয় শপথ ও গোপনীয়তা রক্ষার নীতিমালার সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং রাষ্ট্রের গোপন বিষয়ের মতো আমানত রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এতে দেশবাসীর মনে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি তার এই সাক্ষাৎকারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার বক্তব্য জাতির সামনে নতুন বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। সংবিধান, রাষ্ট্রীয় শপথ এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রশ্নে তিনি জাতিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। ‘রাষ্ট্রপতি’ পদে থেকে এমন বক্তব্য প্রদান করে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, যা রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমর্যাদার সঙ্গে একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সাংবিধানিক শালীনতা বজায় রাখা প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তির কর্তব্য। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সংযত ও পরিমিত বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বক্তব্য প্রদান করতে হবে এবং রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আরও সতর্ক থাকতে হবে।এমআর-২

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    রাজধানীতে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৮
    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৮ জন দগ্ধ হয়েছে।সোমবার (০২ মার্চ) বিকেলে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।দগ্ধরা হলেন- মো. তারেক রহমান (২৩), মো. মনা (৪০), মিরাজ (৩৬), রেহান বাদল (২৩), মো. জনি (৩৫), মো. আকাশ (২৫), মো. আজাদ (৫৫) ও ইরফান (১১)।জাতীয় ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, মোহাম্মদপুর থেকে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে কাটা হাত-পা উদ্ধার
    ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে দুটি কাটা হাত এবং স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এগুলো।শুক্রবার রাত ২টার দিকে পা এবং শনিবার সকালে কাঁটা দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ।পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও উত্তর গেটের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তায় বিচ্ছিন্ন দুই হাত পাওয়া যায়। এছাড়া স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিচ্ছিন্ন পা।তিনি আরও জানান, পরে হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এই হাত ও পা। তার বাড়ি নরসিংদী শিবপুর উপজেলায়। দেহের অংশ বিশেষ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।এমআর-২
    রাজধানীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
    ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার হায়দার হোটেলের গলির ভেতরে ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি রায়েরবাজার হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল। তার বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। সে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের পাশে একটি ভবনে পরিবারের সঙ্গে থাকত।পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রীকে পিঠের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে স্বজনরা উদ্ধার করে, প্রথমে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কবর্ত্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেনি।  এফএস
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিচয় পেয়েও সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটুনি
    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সরাসরি সম্প্রচার করার সময় বাংলানিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর লাঠিচার্জ করে একদল পুলিশ সদস্য। বারবার নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও কোনো তোয়াক্কা না করে পুলিশ তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ।জনগুরুত্বপূর্ণ এই অভিযানের দৃশ্য জনসমক্ষে তুলে ধরতে ফেসবুক লাইভ করছিলেন সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইভ চলাকালীন কোনো উসকানি ছাড়াই একদল পুলিশ সদস্য এসে তোফায়েলকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পুলিশ। এ সময় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং একের পর এক লাঠির আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে উপস্থিত আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার কাওসের আহম্মেদ রিপন বলেন, ‘পুলিশ কোনো ধরনের বাছবিচার ছাড়াই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। তোফায়েলকে যখন মারা হচ্ছিল, তখন আমরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এতটাই মারমুখী ছিলেন যে, তারা আমাদেরও লাঠিপেটা করে।’পুলিশের পিটুনিতে গুরুতর আহত তোফায়েল আহমেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।মাথায় ও পিঠে আঘাতের ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভোঁতা অস্ত্রের (লাঠি) আঘাতে তার শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি রয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে সংবাদকর্মীদের ওপর এমন হামলাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে, তাই ভিডিও দেখে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা।এদিকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। সাংবাদিক নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর এমন আক্রমণ গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল। তারা অবিলম্বে হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।অপরাধ দমনের নামে পুলিশের এমন ‘বেপরোয়া’ আচরণ খোদ বাহিনীর ইমেজকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জননিরাপত্তার দোহাই দিয়ে রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন আইনের শাসন নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দেয়। তাছাড়া অতি উৎসাহী এসব পুলিশ সদস্যদের জন্য সরকারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।এবি 
    রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
    রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২) ও তাদের ছেলে রুহান (৩), ও রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়েছে।দগ্ধ রুমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে রায়েরবাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। দগ্ধ রোমানের ভাই মামুন বলেন, পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ৬ তলা ভবনের নিচতলায় ভোর ৪টার দিকে রান্না করতে গ্যাসের চুলা জ্বালালে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে র্তি করা হয়।বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ৭০ শতাংশ, পিংকি আক্তারের ৭৫ শতাংশ, রুহানের শরীরের ৩৫ ও অপুর শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।এমআর-২
    জীবননগরে ইয়াবাসহ যুবক আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড
    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে দুই পিস ইয়াবাসহ মো. আশিক (২১) নামে এক যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে জীবননগর মকসেদ সুপার মার্কেটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আশিক জীবননগর পৌরসভার তেঁতুলিয়া গ্রামের আরিফ উদ্দীনের ছেলে।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে আশিককে দুই পিস ইয়াবাসহ আটক করে জীবননগর থানা-পুলিশ। পরে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বিষয়টি জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম রাসেলকে অবহিত করেন।খবর পেয়ে ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আশিককে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, “মাদকসহ আটকের পর ইউএনও মহোদয়কে জানানো হয়। পরে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসামিকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। তাকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত চলবে।”এনআই
    কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ বনদস্যু আটক
    সুন্দরবনে অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আফজাল সরদার (৩২) নামে ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।মঙ্গলবার (০৩ মার্চ ) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, আউটপোস্ট নলিয়ান, স্টেশন কয়রা এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ অভিযানিক দল কয়রা থানাধীন নারায়নপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটক আফজাল সরদার খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার দৃঢ় সংকল্পে ইতোমধ্যে কোস্ট গার্ড বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান আরম্ভ করেছে।তিনি আরো জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, আউটপোস্ট নলিয়ান, স্টেশন কয়রা এবং পুলিশের সমন্বয়ে কয়রা থানাধীন নারায়নপুর এলাকায় একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আফজাল সরদার (৩২) কে আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, সকাল ১১টায় মোংলা থানাধীন পাশাখালী ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১টি শট গান, ১টি একনলা বন্দুক, ২১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে সুন্দরবনে যৌথ অভিযান শুরু হলে উক্ত ডাকাত সদস্য আতঙ্কিত হয়ে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসমূহ উক্ত এলাকায় পুঁতে রেখে কয়রার নারায়ণপুর এলাকায় আত্মগোপন করে বলে জানা যায়।সে দীর্ঘদিন যাবৎ বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলো। উল্লেখ্য উক্ত ডাকাত সদস্যের বিরুদ্ধে কয়রা ও ডুমুরিয়া থানায় মোট ৫টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। আটককৃত ডাকাত এবং জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।আমরা দস্যুদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান কোষ্টগার্ডের এ কর্মকর্তা।এসআর
    যশোর হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে পকেট ভরছে দালাল!
    যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে কোনভাবেই দালালের দৌরাত্ম্য কমছেনা। সরকারি হাসপাতাল থেকে ৫০ পার্সেন্ট কমিশনে রোগী ভাগিয়ে ভাগিয়ে পকেট ভরছে দালালরা। বিগতদিনে প্রতারণার অভিযোগে একাধিক দালাল আটক হলেও তারা ছাড়া পেয়ে আবারো ধান্দায় নেমে পড়ছে। দালালের খপ্পরে পড়ে বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ খরচ হচ্ছে। হাসপাতালের কতিপয় কর্মচারী, ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক পক্ষের নেতৃত্বে রীতিমতো দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৭টার পর থেকে দালালরা টিকিট কাউন্টারের সামনে জড়ো হচ্ছে। এরপর পুরো হাসপাতালে ছড়িয়ে যাচ্ছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিন থেকেই। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ওষুধ ফার্মেসীর অর্ধশত দালাল সরকারি এই হাসপাতালে অবস্থান নিয়ে জমপেশ প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অধিকাংশ দালাল হাসপাতালের আশেপাশের এলাকার হওয়ায় প্রভাবের সাথে প্রতারণা কর্মকান্ড করে থাকে। ২টি সিন্ডিকেটে অর্ধশতাধিক দালাল হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের কাছে নেতিবাচক নানা কথা বলে তাদের ভাগানোর কাজ করেন। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পর্কে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত ও দুর্বল করে তোলে।  বিগত দিনে ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু এই হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগদান করার পর থেকেই দালালদের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান গ্রহণ করে। দালালদের কবল থেকে রোগী ও স্বজনদের রক্ষা করতে তার নির্দেশনায় হাসপাতালের বিভিন্ন কোনে ১০টি প্রচার মাইক বসানো হয়েছিলো। এছাড়া টিকিট কাউন্টারের সামনে স্থাপন হয় তথ্যকেন্দ্র। মাইকগুলোতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দালাল বিরোধী প্রচার চলতো। এতে সচেতন রোগী ও স্বজনরা সচেতন হতেন। তথ্যকেন্দ্রে একজন কর্মচারী রোগীদের সব ধরণের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতেন। যাতে করে দালালরা মানুষকে বোকা বানিয়ে  প্রতারণার সুযোগ না পায়। বর্তমানে প্রচার মাইকগুলো নষ্ট হয়ে আছে । তথ্য কেন্দ্রে কোন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করেন না। সেখানে বহিরাগত লোকজন বসে সময় পার করেন।সূত্র জানায়, বর্তমানে একটি চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দালালি জোরদার করেছেন। এদের মধ্যে অনেকেই রোগী ও স্বজনদের সাথে প্রতারণার অভিযোগে বিগতদিনে পুলিশের কাছে আটক হয়েছে। পরে ছাড়া পেয়ে আবারো তারা দালালীতে নেমে পড়েছে। তাদের কাজ হলো সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে বাইরে নিয়ে কমিশনে বিক্রি করা। অভিযোগ উঠেছে, তাদের সাথে সখ্য রয়েছে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারীর। তারা সময় মতো পেয়ে যাচ্ছে ভাগের টাকা। আবার কিছু সরকারি কর্মচারি নিজেরা দালালীর সাথে জড়িত।জানাযায়, কতিপয় চিকিৎসকের পোষ্য দালাল আছে। কমিশন লোভে চিকিৎসকরা রোগীকে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তারা ব্যবস্থাপত্রে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা লিখে কোথা থেকে করতে হবে সেই প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে বলে দেন। ওই প্রতিষ্ঠানের দালাল অপেক্ষায় থাকে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে। অন্যথায় রোগীকে সহকারীর সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। দালালরা রোগীকে নির্দিষ্ট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। অথবা চিকিৎসকের সহকারী ওই প্রতিষ্ঠানের কার্ড ধরিয়ে পাঠিয়ে দেন।  প্রতিষ্ঠান মালিক চিকিৎসক ও দালালের কমিশন আলাদা হিসেবে পরিশোধ করে থাকেন। কিন্তু দালালরা নিজেদের যোগ্যতায় রোগী ভাগিয়ে আনতে পারলে শতকরা ৫০ ভাগ কমিশন পান। সে বহিরাগত দালাল হোক আর হাসপাতালের কর্মচারী দালাল হোক।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালে এক্সরে ২শ’ টাকা, ইসিজি ৮০ টাকা, আলট্রাসনো ১১০ টাকা খরচ হয়। অথচ বেরসরকারি হাসপাতাল অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রায় তিনগুন টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া  প্রস্রাব ও রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা তো আছেই। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরা দালালের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরছেন।ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে একজন হলেন যশোর সদর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের ফজলুর রহমান। তিনি জানান, দালালের কথামতো তাদের সাথে একটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে তার কাছ থেকে দেড় হাজারের বেশি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের  পাশেই ওই ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি অবস্থিত। বিগত দিনে সেখানে ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগ রয়েছে। এক কথায় প্রতিষ্ঠানটি দালালের ওপর নির্ভরশীল।হৈবতপুর ইউনিয়নের  লাউখালী গ্রামের শিল্পী বেগম জানান, তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখানোর জন্য আসেন। টিকিট কাউন্টারের সামনে আসলে একজন দালাল তাকে ভাগিয়ে নিয়ে একটি ক্লিনিকে যান। এরপর ডাক্তার দেখানোর জন্য দুই শ টাকা দাবি করেন। দালালের খপ্পরে পড়েছেন বুঝতে পেরে তিনি চলে আসেন।আরিচপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়া জানান, শনিবার সরকারি এই হাসপাতালে বহিঃবিভাগে ডাক্তার দেখানোর জন্য এসেছিলেন। টিকিট কাউন্টার থেকে ৫ টাকা দিয়ে টিকিট কাটার পর তিনি এক দালালের কবলে পড়েন। ওই দালাল তার রোগের কথা শুনে বলেন এখানে ডাক্তার ভালো করে দেখবেন না। সামান্য টাকার জন্য কেনো সরকারি এই হাসপাতালে রোগী দেখাবেন।  আমার সাথে চলেন তিনশ টাকা ফি দিয়ে ভালো ডাক্তার দেখিয়ে দেবো। সরল মনে তিনি ওই দালালের সাথে হাসপাতালের গাঁ ঘেষে একটি ক্লিনিকে যান। সেখানে ডাক্তার দেখানোর পর বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো হয়েছে। চিকিৎসকের ফি ও পরীক্ষা বাবদ ২২শ ৫০ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে তার কাছ থেকে।যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, ইতিমধ্যে হাসপাতালে অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। অনিয়ম-দুর্নীতি কমে গেছে। দালালের দৌরাত্ম্য কমানো একটা মিশন। ফলে দালালদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জোরালো অবস্থানে রয়েছে। গত সপ্তাহে দুইজন চিহ্নিত দালালকে পুলিশ আটক করে। নষ্ট মাইকগুলো সচল করা হবে।পিএম
    যশোরে ফার্মেসি মালিক অপহরণ, ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি
    যশোরে ফার্মেসি মালিক জাহাঙ্গীর আলম (৪৮) অপহরণের শিকার হয়েছেন। পরে তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অপহৃত জাহাঙ্গীর আলম ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সাতগাছী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারসহ যশোর শহরের খোলাডাঙ্গার কদমতলা এলাকায় বসবাস করতেন। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী রেশমা খাতুন মঙ্গলবার (৩ মার্চ) যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম দোকান বন্ধ করে পালসার মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন। পথে চাঁচড়া রায়পাড়া পীরবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে একটি প্রাইভেটকারে থাকা দুর্বৃত্তরা তাঁর গতিরোধ করে অপহরণ করে নিয়ে যায়।রাত ১০টার পর জাহাঙ্গীর আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে কল করে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছেন।যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।ইখা
    ইবিতে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন
    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে গ্রন্থাগারের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে কর্নারটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।উদ্বোধন শেষে কর্নারে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) খোন্দকার আব্দুল মজিদ স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।গ্রন্থাগারিক জানান, কর্নারে মোট ১ হাজার ৭২৭টি বই স্থান পেয়েছে। ডেকোরেশনসহ মোট ১৬ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রথম এ ধরনের কর্নার উদ্বোধন করা হলো।উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বই সরবরাহ ও কর্নার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার স্থাপন ও মোবাইল লাইব্রেরি চালুর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে, এ কর্নার শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামি সাহিত্য ও গবেষণাধর্মী বইপাঠের সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।ইখা
    ইরার হত্যাকারী বাবু শেখকে ছিনিয়ে নিতে সড়কে অবস্থান
    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আলোচিত ইরা হত্যা কাণ্ডের মূল আসামি বাবু শেখকে ছিনিয়ে নিতে সড়কে অবস্থান করেছে উৎসুক জনতা। মঙ্গলবার বাদে এশা ইরার জায়নাজা শেষে রাত ৯ টার দিকে কুমির এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান করে উৎসুক জনতা। উৎসুক জনতা অবস্থানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, আসামিকে পুলিশ থেকে ছিনিয়ে নিতে জনগণ রাস্তায় নেমে গেছে। পরপর দুটি পুলিশের গাড়ি তল্লাশি করা হয়েছে কিন্তু সেখানে ছিল না। এভাবে একে একে অনেকগুলো গাড়ি তল্লাশি করেছে। পুলিশ আসামিকে কোন গাড়ি করে নিয়ে যাচ্ছে তার খোঁজ এখনো মেলেনি। যে আসামি ইরাকে হত্যা করেছে আমরা তাকে খুঁজছি। এই সময় সড়কের মধ্যে অনেক উৎসুক জনতাকে লাটি হাতে দেখা গেছে। যার কারণে মহাসড়কের চলাচল রত গাড়ি চালক ও যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।আলমগীর নামের এক মাইক্রোবাসের যাত্রী বলেন, উৎসুক জনতার লাঠির আঘাতে আমার গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙ্গে যায়। এদিকে ইরার মৃত্যুতে পুরো উপজেলা জুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। বিকাল তিনটার দিকে জামায়াত ইসলামের উদ্যেগে ইরা হত্যার প্রতিবাদে  বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।‎এ ব্যাপারে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম বলেন, আসামিকে আমরা আদালতে প্রেরণ করেছি। তাতে কোন সমস্যা হয়নি।এর আগে গত রোববার দুপুরে ইকো পার্কে গলাকাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তার অবস্থা অসংখ্যজনক হয় দ্রুত থাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সোমবার তার শরীরে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তখন তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু হঠাৎ গভীর রাতে তার শ্বাস নালীতে সমস্যা দেখা দিলে তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হয়। তখন দ্রুত তাকে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হয়।  এক পর্যায়ে ডাক্তার সাড়ে চারটার দিকে তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এফএস
    ‎পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবু শেখ ইরাকে খুন
    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে জঙ্গল থেকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সাত বছর বয়সী শিশু ইরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে চকলেটের লোভ দেখিয়ে তাকে পার্কে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা এবং ব্যর্থ হয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায় প্রতিবেশী বাবু শেখ। পুলিশ অভিযুক্ত বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করেছে এবং সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় সীতাকুণ্ড মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রামের জেলা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান।পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার দুপুরে ইকোপার্কে জঙ্গল থেকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় ইরাকে উদ্ধার করেন সড়ক নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও পুলিশ সদস্যরা। তাকে দ্রুত সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার তার শরীরে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন তার অবস্থা উন্নতির দিকে, কিন্তু গভীর রাতে শ্বাসনালিতে সমস্যা দেখা দিলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।ঘটনার পর থেকেই কোনো ক্লু না থাকায় পুলিশের একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শিশুটির গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত বাবু শেখকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে শিশু ইরার পরিহিত কামিজ, জুতা ও চকলেটের খোসা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ইরাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ইকোপার্কে নিয়ে যায় বাবু। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গলায় ছুরিকাঘাত করে মৃত ভেবে পাহাড়ের জঙ্গলে ফেলে রেখে আসে। তবে ভাগ্যক্রমে শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় জঙ্গল থেকে হামাগুড়ি দিয়ে রাস্তায় উঠে এলে শ্রমিকরা তাকে দেখতে পান।শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। ইরার চাচা রমিজ আলী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, "আমার নিষ্পাপ ভাতিজিকে বাঁচাতে পারলাম না। যে বা যারা তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে মেরেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।" মা রোকেয়া বেগম মেয়ের শোকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন; তিনিও হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।এনআই
    চাঁদপুরে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, ৭ লাখ টাকা জরিমানা
    চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর–এর যৌথ উদ্যোগে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা এলাকায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে দুইটি ইটভাটাকে মোট ৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা। প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়া। এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯)–এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘন করে অনুমোদন ছাড়াই ইটভাটা পরিচালনার দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়। অভিযানে মোট ৭,০০,০০০ (সাত লাখ) টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতলব উত্তর থানা পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সম্ভাব্য অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবেলায় মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রস্তুত ছিল।চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের  উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন ,পরিবেশ সুরক্ষা ও আইন বাস্তবায়নের স্বার্থে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এফএস
    লোহাগাড়ায় কৃষিজমির টপসয়েল কাটার দায়ে ডাম্পার ও স্কেভেটর জব্দ
    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ফসলি জমির টপসয়েল কাটার দায়ে ১টি ডেম্পার ও ২টি স্কেভেটর গাড়ি জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব গাড়ি জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সাইফুল ইসলাম। এ সময় তার সাথে,সেনাবাহিনী, লোহাগাড়া থানা পুলিশের সদস্য, আনসার সদস্য ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযানের খবর পেয়ে দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ২টি এক্সেভেটর ও ১টি ডেম্পার জব্দ করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসআর
    লোহাগাড়ায় বনের কাঠ পুড়িয়েই চলছে অর্ধশত ইটভাটা, উদাসীন বনবিভাগ
    লোহাগাড়া উপজেলার প্রায় অর্ধশত ইটভাটায় ইট পোড়ানোর জন্য ব্যবহার হচ্ছে সংরক্ষিত বনের কাঠ। আইনে নিষিদ্ধ হলেও বছরের পর বছর ধরে বনের কাঠ পোড়ানো হচ্ছে এসব ইটভাটায়। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে বনাঞ্চল, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয় লোকজন। ‎সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ফোর বিএম, জেবিএম ব্রিকস, এমআর ব্রিকস, পিবিএম ও এসবিএম ব্রিকসসহ বেশকিছু ভাটায় ইট পোড়ানোর জন্য জড়ো করে রেখেছে বনের কাঠ। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বনবিভাগকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে এই সব কাঠ পোড়ানো হয়। যেসব ইটভাটা বনবিভাগকে ম্যানেজ করে না, সে সব ভাটায় চালানো হয় অভিযান।২০১৩ সালের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনে বলা হয়েছে, ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করা যাবে না। এর বিপরীত হলে তিন বছরের কারাদন্ড বা তিন লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইনের তোয়াক্কা না করে বা জরিমানা গুনেই ভাটায় কাঠ পুড়িয়ে যাচ্ছেন ভাটা মালিকরা। ইটভাটা আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী, আবাসিক, সংরক্ষিত বা বাণিজ্যিক এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, সরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন বন, অভয়ারণ্য, বাগান বা জলাভূমি, কৃষিজমি, প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা এবং ডিগ্রেডেড এয়ারশেড এলাকায় ভাটা স্থাপন করা যাবে না। অথচ লোহাগাড়া অঞ্চলের প্রায় ভাটাই এই আইনের পরিপন্থী। পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে তিন কিলোমিটার দুরে, লোকালয় থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ইটভাটা তৈরি করার নিয়ম। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা মানা হয় না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী খনিজ কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানোর কথা থাকলেও বেশির ভাগ ইটভাটায় তা করা হয় না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইটভাটা মালিক জানিয়েছে, প্রতি মৌসুমের আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাঁরা ম্যানেজ করে থাকেন। ফলে অভিযানের আগেই তাঁদের কাছে তথ্য চলে আসে। তখন তাঁরা জ্বালানি কাঠ সরিয়ে ফেলেন। তা ছাড়া প্রায় প্রতিটি ইটভাটার সামনেই দু-এক ট্রাক খনিজ কয়লা স্তুপ করে রাখা থাকে, যাতে কাঠ পোড়ানোর বিষয়টি বোঝা না যায়। কিছু ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ একটু দুরে ‘স্টক রুমে’ রাখা হয়। সন্ধ্যার পর জিপ, ট্রাকে ভাটায় আনা হয় সেসব কাঠ।অর্থের বিনিময়ে ইটভাটায় বনের কাঠ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কোন উত্তর না দিয়ে প্রতিবেদককে অফিসে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান পদুয়া রেঞ্জ অফিসার মো.বজলুর রশিদ।পদুয়া রেঞ্জে দায়িত্বরত সহকারী বন সংরক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান,"ইটভাটায় পোড়ানো কাঠগুলো আমাদের বনবিভাগের নয়। তারপরও আমরা নিয়মিত ইটভাটাগুলোতে অভিযান চালিয়ে থাকি। অনেকসময় কাঠ ও কাঠ বোঝায় গাড়ি জব্দ করা হয়।"এসআর
    শরীয়তপুরে পেঁয়াজ ও রসুনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি
    শরীয়তপুর জেলায় চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ ও রসুনের আবাদ গত কয়েক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক রোপণ প্রযুক্তি ও ‘বিনা চাষ’ পদ্ধতির ব্যবহারের কারণে আগাম ফলন সম্ভব হচ্ছে। এতে জেলার দ্বিফসলি জমি এখন তিনফসলি এবং তিনফসলি জমি চারফসলি জমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি আগে পতিত থাকা জমিও এখন চাষের আওতায় এসেছে।নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার কৃষকরা জানান, বর্ষা শেষে পানি নেমে যাওয়ার পর মাটি নরম থাকা অবস্থায় তাঁরা সারি সারি করে পেঁয়াজ ও রসুন রোপণ করেছেন। জমি পরিষ্কার রাখা, বিজ্ঞানভিত্তিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সার-বীজ সরবরাহের কারণে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে।শরীয়তপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, এ বছর পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৩৫২ হেক্টর এবং রসুনের ৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর। পেঁয়াজের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ৫১ মেট্রিক টন এবং রসুনের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৪২ হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন।জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকার কৃষক খালেক মোল্লা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন খুব ভালো হয়েছে। রোগবালাই কম থাকায় জমির গাছগুলো বেশ স্বাস্থ্যবান ছিল। তিনি ইতিমধ্যে স্থানীয় আড়তদারদের কাছে পেঁয়াজ ৩৪ টাকা এবং রসুন ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করেছেন। বাজারদর আরও বাড়লে লাভের পরিমাণ বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।পাইনপাড়া এলাকার কৃষক জালাল উদ্দীন শেখ বলেন, “এ বছর আমি ২ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ এবং ১ বিঘা জমিতে রসুনের চাষ করেছি। অনুকূল আবহাওয়া ও নিয়মিত পরিচর্যায় ফলন ভালো হয়েছে।” নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকার কৃষক রশিদ কাজিও একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।শরীয়তপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিনা চাষ পদ্ধতিতে রসুনের আবাদ মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। আগাম ফলন পেলে কৃষক ভালো বাজারদর পান। আমরা কৃষকদের নতুন জাত ও উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। এ কারণে জেলায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, উন্নত চাষ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে পতিত জমিও ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে, যা দীর্ঘমেয়াদে জেলার কৃষির উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।এনআই
    মাদারীপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে চাচাতো ভাইকে হত্যা
    মাদারীপুর সদর উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সাজানো ‘অপহরণ নাটক’ ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিজের আপন চাচাতো ভাইকে শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং পরিচয় গোপন করতে মুখমণ্ডলের চামড়া ও মাংস তুলে ফেলে ঘাতক।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে মাদারীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।পুলিশ সুপার জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি সদর মডেল থানাধীন দুধখালী ইউনিয়নের দুর্গাবদী এলাকায় একটি ভুট্টাক্ষেতের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্বৃত্তরা মরদেহের পরিচয় মুছে ফেলতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিহতের মুখমণ্ডলের চামড়া ও মাংস তুলে ফেলে। এর ফলে প্রাথমিক অবস্থায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমেও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তীতে জেলা পুলিশের নিবিড় তদন্তে নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি হলেন সিরাজ সরদার (৫৬)। তদন্তে বেরিয়ে আসে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী নিহতেরই চাচাতো ভাই মো. বিল্লাল হোসেন সরদার (৪৩)। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বিল্লাল হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এনআই
    মুন্সিগঞ্জে ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার
    মুন্সিগঞ্জে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের নৈরপুকুরপাড় ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. মনির হোসেন হাওলাদার (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী মালা বেগম (৩০)। তাঁরা সদর উপজেলার পূর্ব মাকহাটি এলাকার বাসিন্দা।জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইশতিয়াক আশফাক রাসেল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নৈরপুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দম্পতিকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজই তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।এনআই
    আলফাডাঙ্গায় পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
    ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পানিতে ডুবে তাসকিন শেখ নামে আড়াই বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বেলবানা গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তাসকিন ওই গ্রামের সোহেল শেখের ছেলে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে শিশু তাসকিন বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। খেলার একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে সে বাড়ির দক্ষিণ পাশে থাকা খালের পানিতে পড়ে যায়। পরে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে শিশুটির মা রিক্তা বেগম খালের পানিতে ছেলেকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয়রা দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান বলেন, “খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে ডুবেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকার সচেতন মহল শিশুদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও বেশি যত্নশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।এনআই
    গজারিয়ায় অবৈধ বালুভরাট বন্ধের নির্দেশ ইউএনও’র
    মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চরবাউশিয়া মৌজায় তিন ফসলি কৃষিজমি ও সরকারি খাস সম্পত্তিতে অবৈধভাবে বালু ভরাটের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।অভিযোগ রয়েছে, ‘সাহারা কোম্পানি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান কৃষকদের জমি ক্রয় না করেই ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাট করছে। পাশাপাশি জমির শ্রেণি পরিবর্তনের কোনো অনুমতিও নেওয়া হয়নি। বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং ভবেরচর ভূমি কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শনে যান।পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ড্রেজার দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ চলমান থাকলেও কোম্পানির কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদর্শন করতে না পারায় তাৎক্ষণিকভাবে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ এবং ড্রেজার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন ইউএনও।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, জমি ক্রয় না করেই জোরপূর্বক ভরাট করা হচ্ছে এবং একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। প্রতিবাদ করায় কয়েকজন কৃষক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা। এছাড়া সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি ও একটি জলাশয় শ্রেণি পরিবর্তনের অনুমতি ছাড়া ভরাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সরেজমিনে খাস জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ চলতে দেখা গেছে।এ বিষয়ে ‘নদী খাল ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন’-এর আহ্বায়ক মো. শফিক ঢালী বলেন, সরকারি জমি ও তিন ফসলি কৃষিজমি রক্ষায় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, অনুমতি ছাড়া ড্রেজার দিয়ে মাটি ভরাট সম্পূর্ণ অবৈধ। আইন অনুযায়ী জমির শ্রেণি পরিবর্তন ও ভরাটের জন্য যথাযথ অনুমোদন বাধ্যতামূলক। সরকারি খাস সম্পত্তি দখল রোধে ভূমি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও কৃষিজমি পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। অবৈধ বালুভরাট বন্ধে স্থায়ী ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এসআর
    বরগুনায় হরিণের ফাঁদ ও জবাইকৃত দুটি হরিণসহ আটক ১
    বরগুনার পাথরঘাটায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দুটি জবাই করা হরিণ ও ৯০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথরঘাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদুরতলা খাল সংলগ্ন এলাকায় যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানে দুটি জবাই করা হরিণ ও ৯০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদসহ মো. হানিফ নামে এক শিকারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-এর ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ এ আদেশ দেন।আটককৃত মো. হানিফ (৪৫) পাথরঘাটা পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বনবিভাগের পাথরঘাটা সদর বিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে হরিণ দুটির চামড়া ও শিং সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে মাংসে কেরাসিন মিশিয় মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। এসআর
    গলাচিপায় খাল পুনঃখনন শুরু, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বদলাচ্ছে চিত্র
    পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী রতনদি খাল পুনঃখনন ও দখলমুক্ত করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। সোমবার (০২ মার্চ) দুপুর থেকে পৌর এলাকার খেয়াঘাট থেকে কলেজপাড়া পর্যন্ত খালের দুই পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযানে খালের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা ভেঙে অপসারণ করা হচ্ছে। জানা গেছে, গলাচিপা-উলানিয়া সংযোগে প্রায় আট কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালটি পুনঃখনন ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে পানি পটুয়াখালী উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সরকারের চলমান খাল-খনন কর্মসূচির আওতায় খালটি সম্পূর্ণভাবে খনন ও পুনরুদ্ধার করা হবে। ইতোমধ্যে পৌরসভার থানাসংলগ্ন এলাকায় দুই কপাটবিশিষ্ট একটি স্লুইস গেট নির্মাণকাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খালটি আট কিলোমিটার দীর্ঘ হলেও আপাতত পৌর এলাকার সরকারি কলেজ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পুরো খাল দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।স্থানীয়দের মতে, একসময় রতনদি খাল ছিল এ অঞ্চলের বাণিজ্যর প্রাণকেন্দ্র। নিয়মিত নৌকা ও ট্রলার চলাচল করত, মালামাল ও যাত্রী পরিবহন হতো। খালের স্বচ্ছ পানিতে মানুষ গোসল ও গৃহস্থালির কাজ করত স্থানীয়রা কিন্তু দীর্ঘদিনের দখল, ময়লা-আবর্জনা ফেলা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খালটি নাব্যতা হারায়। নৌচলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা চরম আকার ধারণ করে। ময়লার স্তূপে পরিণত হয় ভরাট হয়ে যায়। ফলে দুপাড়ে দখল করে গড়ে ওঠে বাসাবাড়ি, দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা। বর্তমানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পুনঃখনন কার্যক্রম জোরালোভাবে চলমান রয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে রতনদি খাল তার পুরোনো রূপ ফিরে পাবে এবং গলাচিপা পৌরসভা জলাবদ্ধতামুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে রূপ নেবে।ঠিকাদার মো. আলামিন জানান, প্রকল্পটি ২০২৪ সালে শুরু হলেও সরকার পরিবর্তন এবং খালের ওপর অবৈধ দখল থাকায় কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়েছে। তিনি বলেন, পূর্বে প্রশাসনিক সহায়তা না পাওয়ায় অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছিল। তবে এবার প্রশাসনের সহযোগিতায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ায় খাল পুনঃখননের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে স্লুইসগেট নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং খননকাজের প্রায় ৪০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এখন খালের দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ বাকি রয়েছে।অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পটুয়াখালী জেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সাজন বসাক জানান, জনস্বার্থে ও সেচব্যবস্থা সচল রাখতে খালের দুই পাশের সব অবৈধ স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। তিনি বলেন, খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখনন সম্পন্ন হলে পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।এসআর
    বাউফলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বাউফল উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরে বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি মো. লিমন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় শিক্ষাবিদ, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি (সাধারণ) ২৮ জন, ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি (ট্যালেন্টপুল) ৬ জন, দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি (সাধারণ) ১২ জন, দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি (ট্যালেন্টপুল) ২২ জন, জুনিয়র বৃত্তি (সাধারণ) ৬৭ জন এবং জুনিয়র বৃত্তি (ট্যালেন্টপুল) ৩১ জন রয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রত্যেক কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট, শিক্ষা উপকরণ ও ইফতার সামগ্রী প্রদান করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘মেধাবী শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ সম্পদ। নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষার সমন্বয়ে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে পারলে দেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। আয়োজকরা জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এমন উদ্যোগ আগামী দিনেও ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করা হবে।ইখা
    ফেসবুকে পোস্ট-কমেন্টের রেশ টেনে সহিংসতা, নিহত ১
    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মো. ইদ্রিস (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল দশটায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। মৃত ইদ্রিস দক্ষিন দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারী বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে সে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরি সহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোষ্ট দেয় এবং কমেন্ট করে। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে সে ঢাকা থেক বাড়িতে আসেন। পরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সে পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহির সহ তার সহযোগীরা তাকে ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়নগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গতকাল রাত দশটার দিকে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।এ বিষয়য়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিলো। তবে তিনি বা তার সহযোগিরা কোন মারধর করেননি।কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।এসআর
    বরিশালে সরিষা ক্ষেতে মধুর নীরব বিপ্লব
    মধু আহরণে একসময় প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত ছিল সুন্দরবন। তবে কৃষি প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এখন সরিষা ও অন্যান্য তেলফসলের জমিতেও গড়ে উঠেছে মধু উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা। বিশেষ করে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সরিষা ক্ষেতে মৌ-বাক্স স্থাপনের মাধ্যমে মধু আহরণে শুরু হয়েছে এক নীরব বিপ্লব।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল অঞ্চলে প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর সরিষা আবাদি জমিতে ১৫ হাজারের বেশি মৌ-বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। এসব বাক্স থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার কেজি মধু উৎপাদিত হয়েছে। প্রতি বছর সরিষা ক্ষেতে মৌ-বাক্সের সংখ্যা বাড়ছে, ফলে ধারাবাহিকভাবে উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে।শুধু বরিশাল নয়, চলতি রবি মৌসুমে দেশে ২ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর সরিষা ও অন্যান্য তেলবীজের জমিতে প্রায় ২ লাখ মৌ-বাক্স বসানো হয়েছে। এসব বাক্স থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ১৯ লাখ কেজি মধু আহরিত হয়েছে। মৌসুম শেষে উৎপাদন ২০ লাখ কেজি বা প্রায় ২ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।মাঠপর্যায়ে প্রতি কেজি মধু ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে চলতি মৌসুমে প্রায় ১০০ কোটি টাকার মধুর বাজার তৈরি হয়েছে। খুচরা বাজারে এর পরিমাণ দেড়শ থেকে পৌনে দুইশ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা বাজারসংশ্লিষ্টদের।বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে সরিষা ক্ষেতে সুদূর টাঙ্গাইল থেকে মৌ-বাক্স নিয়ে আসেন প্রশিক্ষিত মৌচাষি মো. আয়নাল ও তার ভাই মো. মুন্না খান। তাদের খামারে দেড় শতাধিক মৌ-বাক্স রয়েছে। প্রতিটি বাক্সে একটি করে রাণী মৌমাছি থাকে, যা প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন হাজার ডিম দেয়। এতে দ্রুত মৌমাছির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। প্রতি সপ্তাহে একটি বাক্স থেকে গড়ে প্রায় ২ কেজি মধু সংগ্রহ করা যায়।তারা জানান, স্থানীয়ভাবে প্রতি কেজি মধু ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি দেশীয় ও বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও সরাসরি মাঠ থেকে মধু সংগ্রহ করছেন।মধু সংগ্রহের প্রক্রিয়াও বৈজ্ঞানিক। মৌমাছিরা প্রাকৃতিক মোম দিয়ে চাক তৈরি করে সেখানে মধু জমা করে। পরে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে চাক ঘুরিয়ে মধু সংগ্রহ করা হয় এবং চাক আবার বাক্সে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। একটি চাক থেকে চার থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত মধু আহরণ সম্ভব বলে জানান মৌচাষিরা।বরিশাল কৃষি অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, “সরিষার আবাদ সম্প্রসারণের পাশাপাশি মধু উৎপাদন বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে দক্ষিণাঞ্চল থেকেও মধু রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।”তেলফসলের আবাদ সম্প্রসারণের সঙ্গে সরিষা ক্ষেতে মৌচাষ যুক্ত হওয়ায় বরিশালসহ দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।পুষ্টিবিদদের মতে, মধু একটি প্রাকৃতিক শক্তিবর্ধক খাদ্য। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামসহ নানা পুষ্টিগুণ রয়েছে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু গ্রহণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।ইখা
    সরিষাবাড়ীতে ৪ শতাধিক পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী প্রদান
    আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ৪ শতাধিক দরিদ্র পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে পৌরসভার বাউসী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এসব খাদ্যসামগ্রী প্রদান করে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি।এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন, দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি’র হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অ্যাডমিন কহিনুর আলম চৌধুরী, দোস্ত এইডের প্রোজেক্ট ম্যানেজার আবুল কায়েস, দোস্ত এইডের অপারেশন ম্যানেজার জহুরুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার শওকত মিয়া, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি রমজান আলী, সাংবাদিক স্বপন মাহমুদ প্রমুখ।প্রতিটি ফুড প্যাকেটে ছিলো- ১০ কেজি চাল, ২ লিটার ভোজ্যতেল, সাবান, ডাল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, লবণ, বুট, খেজুর, মুড়ি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। উপকারভোগীরা এসব সামগ্রী পেয়ে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।ইখা
    দেওয়ানগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন, দুইজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের মাটিয়াখোলা হাজারিয়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে যমুনা নদী থেকে উত্তোলিত বালু আনলোড করার সময় দুটি বাল্কহেডসহ (বলগেট) দুইজনকে আটক করা হয়। পরে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ১৫(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে একজনকে ০২ (দুই) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়; অনাদায়ে তাঁকে আরও ২০ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অপর একজনকে ০১ (এক) মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়; অনাদায়ে তাঁকে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হাসান।ইউএনও মুরাদ হাসান জানান, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও জনপদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই নিয়মিত অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।এনআই
    গৌরীপুরে ব্রিজের সংযোগ সড়কে মাটির বদলে বালু, স্থানীয়দের ক্ষোভ!
    ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নে সুরিয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর সংযোগ সড়কে মাটির পরিবর্তে বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, বালু দিয়ে তৈরি সংযোগ সড়কটি বর্ষার মৌসুমে ধসে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাক্কলন মূল্য ৯৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৩০ টাকা ব্যায়ে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজটি পেয়েছে মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কে মাটির বদলে পাশের আবাদি জমি থেকে বালু উত্তোলন করে ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর জানান, “বালু দিয়ে সড়ক করলে বৃষ্টির সময় তা স্রোতে ভেসে যাবে। এতে সরকারের টাকা যেমন নষ্ট হবে, আমাদের ভোগান্তিও বাড়বে।”অন্য এক বাসিন্দা মো. সোহাগ মিয়া জানান, “আমরা জানতাম মাটি দিয়ে ভরাট করা হবে, কিন্তু এখানে বালু দেওয়া হচ্ছে। আমি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই যেন তদন্ত করে সঠিক উপায়ে কাজটি শেষ করা হয়।”অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম বলেন, “লোকাল মাটি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। আমি বর্তমানে যা পাচ্ছি তাই দিচ্ছি। জমির মালিকের কাছ থেকে বালু ও মাটি কিনে নিয়েছি।”এব্যাপারে কথা হয় (পিআইও) অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে তিনি জানান, ”বালু ভরাট করে সংযোগ সড়ক স্থাপনের কোনো সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে এবং দুই পাশে গাইড-ওয়াল নির্মাণ করতে হবে।”এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাল উদ্দীনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফিয়া আমীন প্পাপা জানান, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। “বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এসআর
    ত্রিশালে বইয়ের দোকানে মাদকের আসর, দুইজনের কারাদণ্ড
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেট সংলগ্ন একটি বইয়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১:৪৫ মিনিটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ত্রিশাল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেটের কাছের একটি বইয়ের দোকানের পেছনের গোপন কক্ষ থেকে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামসহ দুইজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন ওই ঘরটিতে নিয়মিত মাদকের আসর বসত। উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সামনেই তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে। আটককৃতদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দণ্ড প্রদান কর হয়েছে।  মোঃ মোশারফ হোসেন (৩৫) তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মোঃ মানিক মিয়া (৩২):তাকে  ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী জানান, মাদক নির্মূলে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান জিরো টলারেন্স নীতিতে অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্পর্শকাতর এলাকার আশেপাশে এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।এসআর
    নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামী গৌরীপুরে গ্রেফতার
    দেশজুড়ে আলোচিত নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও বাবার নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার অভিযোগে হযরত আলী নামের এক আসামীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সালাহ উদ্দিন করিম।তিনি জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর লোকেশান নিশ্চিত হয়ে গৌরীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় নরসিংদী ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এ আসামীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হযরত আলী নরসিংদীর মাধবদীতে ভ্যানচালাতো। ওই এলাকায় গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের দু’পুত্র গার্মেন্টে চাকুরি করে। চাকুরীর সুবাধে এ হয়রত আলীর সাথে পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্র ধরেই আত্মগোপন করতে এ এলাকায় হযরত আলী আশ্রয় নেয়। গৌরীপুর থানার থানার সাবইন্সপেক্টর মো. জামাল উদ্দিন জানায়, চতুর হযরত আলী আত্মগোপন করতে প্রায় ২০কিলোমিটার দূর সোহাগী এলাকায় ওর ব্যবহৃত সীম ফেলে রেখে আসে। এ ইউনিয়নের ছিলিমপুরের সোহাগবাজার মোড়ে বসে চা’খাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার মাধবদী উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দির মাঝামাঝি একটি সরিষা খেত থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কিশোরী মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকত। তার বাবা টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক।পুলিশ, নিহত কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসাবে পরিচিত নূরা নামের এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর কথাবার্তা হতো। ১৫ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন তরুণ তুলে নিয়ে যায়। তখন তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচারের জন্য মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আহমদুল্লাহর শরণাপন্ন হয় কিশোরীর পরিবার। তবে তারা বিচার পাননি। তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল।অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয় নূরাসহ অন্য তরুণরা। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। পথে বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে ছয় তরুণ ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বিলপাড় ও দড়িকান্দি এলাকার মাঝামাঝি একটি সরিষা খেতে ওই কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে মাধবদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।নিহত কিশোরীর বাবা জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার কাছ থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি মেয়ের লাশ পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।কিশোরীর বড় ভাই বলেন, ‘মেম্বার সাহেব বলছিল, মীমাংসা কইরা দিব। এছাড়া মীমাংসার পর এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলছিল। আমরা তারে বলছিলাম, ১ তারিখে এলাকা ছেড়ে চলে যাব। বুধবার রাত ৮টার দিকে আব্বা তারে নিয়া খালার বাড়ি যাচ্ছিল। পথে বিলপাড় এলাকা পার হওয়ার সময় তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসে নূরাসহ ছয়জন। পরে তারা আমার বোনকে তুলে নিয়ে যায়। সারাটা রাত তারে খুঁজছি। আজ সকালে সরিষা খেতে তার লাশ পাইলাম।’ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ তরুণরা গা ঢাকা দিয়েছে। কিশোরীর লাশ উদ্ধারের পর সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকে এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। ফোন বন্ধ রাখায় অভিযোগের ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মেয়েটির সঙ্গে নূরার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নূরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল বলে জেনেছি। পরে সকালে লাশ পাওয়া যায়।এসআর
    ফুলবাড়ীতে শিয়ালের কামড়ে বৃদ্ধ আহত
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে একটি বিশাল আকৃতির শিয়ালের কামড়ে মনছুর আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বেড়াকুটি (চাঁদ দোলাটারী) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে মনছুর আলী প্রতিবেশী হবিবর রহমানের বাড়ির পাশে একটি কৃষি জমির গর্তে শিয়ালের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে তিনি কোদাল নিয়ে ওই গর্তের মাটি খুঁড়তে শুরু করেন। এ সময় গর্ত থেকে একটি বিশাল আকৃতির শিয়াল হঠাৎ বের হয়ে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। শিয়ালের কামড়ে মনছুর আলীর বাম হাতে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়।ঘটনার পরপরই চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নরদেব চন্দ্র রায় জানান, শিয়ালের কামড়ে আহত বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং বর্তমানে তিনি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।এনআই
    ব্রহ্মপুত্রের স্রোতে ডুবে কৃষকের মৃত্যু
    কুড়িগ্রামের উলিপুরে গরু চরাতে যাওয়ার সময় ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোতে ডুবে তৈয়ব আলী (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত চর গুজিমারি গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তৈয়ব আলী ওই এলাকার আব্দুল বাতেনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে তৈয়ব আলী তাঁর ১০-১২টি গৃহপালিত গরু নিয়ে চরাঞ্চলে ঘাস খাওয়াতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি ব্রহ্মপুত্র নদের একটি চ্যানেল সাঁতরে পার হওয়ার চেষ্টা করেন। নদের স্রোত বেশি থাকায় দুটি গরুসহ তিনি পানিতে তলিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তিনি প্রাণ হারান।এ ঘটনায় তাঁর দুটি গরুও নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করেও গরু দুটি উদ্ধার করতে পারেননি।হাতিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিএম আবুল হোসেন বিএসসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “তৈয়ব আলী একজন প্রান্তিক কৃষক ছিলেন। গরু চরাতে গিয়ে নদের চ্যানেলে সাঁতার কাটার সময় তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে এবং দুটি গরুও হারিয়ে গেছে। এটি ওই পরিবারের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি।”এনআই
    ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের এক মাসেও থমকে আছে উচ্ছেদ অভিযান
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের এক মাস অতিবাহিত হলেও খাস জমিতে স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নেই কোন অগ্রগতি।গত ২৯ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক কাজী মো: সায়েমুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সোনাহার ইউনিয়নের সোনাহার মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের ২৭২১ নম্বর দাগে ০.২২ একর বা ২২ শতাংশ জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। ১৯ জন ব্যক্তি এই ২২ শতাংশ জমিতে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে অবৈধ ভাবে দখলে রেখেছে বলে জানানো হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের এক মাস অতিবাহিত হলেও স্থবির হয়ে আছে উচ্ছেদ কার্যক্রম।এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ হাটের হাই স্কুল মোড় থেকে মাংস শেড পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ দখল ও স্থাপনার ওপর জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কাছে পাঠানো হলে তিনি সেটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রেরণ করেন।উচ্ছেদ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে। তিনি ব্যস্ত আছেন, পরে কথা বলবেন বলে জানান।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকেই অভিযান পরিচালিত হবে।এসআর
    ফুলবাড়ীতে বালু উত্তোলনকারীর ১ লাখ টাকা জরিমানা
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগে এক বালু ব্যবসায়ীর ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (০২ মার্চ) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিষ্ট্রট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইন এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাগেরবাজার এলাকায় ধরলা নদী থেকে ট্রাক্টর দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে আসছে একটি বালু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসাইন অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সেখানে পুলিশসহ  অভিযান চালান। এ সময় ট্রক্টরের দেখা না পেলেও বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেটের মুলহোতা রফিক মিয়া (৩৮) কে আটক করা হয়।পরে আটক রফিক মিয়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কথা স্বীকার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নগদ এক লক্ষ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা উলিপুর উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নের গোড়াইবাড়ী মুন্সীপাড়ার এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিষ্ট্রট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধরলা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন করার অভিযোগে একজনের ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে আমাদের ভ্রাম্যমাণ অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসআর
    সৈয়দপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ২টি ব্যাংকসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই
    নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বহুতল ভবনে থাকা দুইটি ব্যাংকের শাখাসহ অন্তত ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (০২ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের একটি লেপ-তোষকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তুলা ও কাপড়ের মতো দাহ্য পদার্থ থাকায় মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। খবর পেয়ে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পর্যাপ্ত পানির অভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়।পরবর্তীতে রংপুরের তারাগঞ্জ, দিনাজপুরের পার্বতীপুর এবং নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড থেকে আরও তিনটি ইউনিট যোগ দেয়। ফায়ার সার্ভিসের মোট আটটি ইউনিট ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় পুরো সড়কজুড়ে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আগুনে ফেরদৌস কটন হাউজ, আকবর কটন শপ, রাজা বেডিং হাউজ ও একরামুল হক কটন শপ নামে চারটি টিনশেড আধাপাকা দোকানের মালামালসহ সবকিছু পুড়ে যায়। পরে আগুনের লেলিহান শিখা পাশের আটতলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকা ঢাকা ব্যাংক-এর শাখা এবং তৃতীয় তলায় থাকা ঢাকা মার্কেন্টাইল এন্ড কো-অপারেটিভ ব্যাংক-এর শাখায় আগুন লাগে। পানির স্বল্পতার কারণে দুটি ব্যাংকেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে নিচতলায় থাকা বেস্ট বাই শোরুম অল্পের জন্য রক্ষা পায়।আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আকবর কটন শপের পেছন দিক থেকে প্রথম আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।ঘটনাস্থলের পাশে থাকা ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ করে দোকানের পেছন দিক থেকে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়া উঠতে দেখি। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আমরা নিজেরা পানি ও বালু দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তুলা ও কাপড় থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পানির অভাবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদেরও অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।’সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহা ফাতিহা তাকলিমা জানান, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটের পাশাপাশি তারাগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও উত্তরা ইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ইউনিটসহ মোট আটটি ইউনিট কাজ করেছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’রংপুর রেঞ্জের উপ-পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পানির স্বল্পতার কারণে নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আর্থিক ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।’এসআর
    উল্লাপাড়ায় ইয়াবাসহ ২ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কারাদন্ড
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ইয়াবাসহ তানভীর আহমেদ মিঠু (২৮) ও আশিক আহমেদ (১৬) নামে দুই কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা গ্রামের বাসিন্দা।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে উল্লাপাড়া পৌরসভার পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে তিন পিস ইয়াবাসহ আশিক আহমেদকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেল আরোহী তানভীর আহমেদ মিঠুকেও আটক করা হয়।জানা গেছে, তানভীর ও আশিক ফেসবুকে বিনোদনমূলক বা ‘ফানি ভিডিও’ তৈরি করেন। তাঁরা একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তবে আটকের পর তানভীর দাবি করেন, ইয়াবাগুলো কেবল আশিকের কাছেই ছিল। তিনি কেবল তাঁকে মোটরসাইকেলে বহন করেছেন।উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম আরিফ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে গ্রেপ্তারকৃতদের প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ৩ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তদের সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।এনআই
    নওগাঁয় ট্রাক্টরচাপায় শিক্ষক নিহত, ৪ ট্রাক্টর ও ভেকুতে আগুন
    নওগাঁয় ইটভাটার মাটিবাহী ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী রিমন হোসেন (৩০) নামে এক কোচিং শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নওগাঁ-বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে ইটভাটার ৪টি ট্রাক্টর ও ১টি ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিনে অগ্নিসংযোগ করে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার কীর্ত্তিপুর ইউনিয়নের কাদিমপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রিমন হোসেন কীর্ত্তিপুর গ্রামের শাহীন হোসেনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে রিমন হোসেন প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে আড়চা গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে কাদিমপুর নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা 'বিবিসি' ইটভাটার মাটি পরিবহনের একটি ট্রাক্টর তাঁকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবরের পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে কীর্ত্তিপুর গ্রামের শশীর মোড়ে অবস্থিত ওই ইটভাটায় গিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন এবং সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইটভাটাটি সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেয়।এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদীন বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মুশফিকুর রহমান জানান, ঘাতক ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পলাতক রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এনআই
    ভাঙ্গুড়ায় জমে উঠেছে ইফতার বাজার
    পবিত্র রমজান মাস এলেই মুসলমানদের জীবনে এক অনন্য আমেজ তৈরি হয়। সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতার করার আনন্দই আলাদা। এ উপলক্ষে রোজার প্রথম দিন থেকেই পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জমে উঠেছে ইফতার বাজার। ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে বসেছে ইফতারসামগ্রী বেচাকেনার স্টল। প্রতিদিনই বিকেল থেকে ইফতারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। বিক্রেতাদের হাঁক-ডাক আর ক্রেতাদের ক্রয় উৎসবে জমজমাট হয়ে উঠেছে ইফতার বাজারগুলো। ছোলা, পিঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, ডালপুরি, হালিম, মুড়িমাখা, খেজুর, শরবত, মাঠা, জিলাপিসহ নানা ধরনের ইফতারসামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর বাজার, কলেজ পাড়া মোড়, স্টেশন বাজার, ভাঙ্গুড়া বাসস্ট্যান্ড, বকুলতলাসহ ইফতার সামগ্রীর দোকানে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রকমারি খাবাবের সুগন্ধে ভরে উঠেছে চারপাশ। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকার হোটেল থেকে শুরু করে রাস্তার পাশের অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হতে হচ্ছে ইফতার সামগ্রী।ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ইফতার বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোজার প্রথম দিন থেকেই ফলের প্রতিও মানুষের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন ধরনের খেজুর, তরমুজ, মালটা, কলা, আপেলসহ বিভিন্ন ফলের চাহিদা বেশি। ছোট-বড় বেগুনি ৫ থেকে ১০ টাকা, পেঁয়াজু ৫ থেকে ১০ টাকা, আলুর চপ ৫ টাকা, সবজি চপ ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ টাকা পর্যন্ত, ডিমের চপ ১৫ টাকা এবং জিলাপি রকম ভেদে ১২০ থেকে শুরু করে ১৪০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। খেজুর, আপেল, মালটা, তরমুজ ও কলার দাম প্রথম রমজানের তুলনায় বর্তমানে কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকৃতির তরমুজ কিনতেও লাগছে দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা।ভাঙ্গুড়া পৌরসভার কলেজ পাড়া মোড়ে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান আল-কাদরী বলেন, বাসায় ইফতার বানানো হলেও বাইরে থেকে ইফতার না নিলে, মনে হয় কিছু একটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আবার এ বছর ইফতারের দামও কিছুটা কম বলে মনে হয়েছে তার কাছে।ভাঙ্গুড়া উপজেলা চির-কুমার সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সেলিম রেজা মাষ্টার বলেন, ইফতারের জন্য এলাকার দোকানের ওপর নির্ভর করতে হয় তাদের মতো ব্যাচেলরদের। আমাদের তো ইফতার বানানোর লোক নাই। তাই প্রত্যেক দিন বাজারে ইফতার কিনতে আসি।ভাঙ্গুড়া উপজেলার ইফতার বিক্রেতা বাবু হোসেন শাহ সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমি প্রতিবছরই ইফতার বিক্রি করি। বেগুনি, আলুর চপ ও পেঁয়াজু বেশি বিক্রি হয়। আলুর চপ, পিয়াজু, বেগুনি, ছোলা, বুন্দি, জিলাপি, হালিমসহ বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী এখানেই তৈরি করে বিক্রি করছি। রোজার প্রথম দিন থেকেই ব্যাপকভাবে ইফতারি ক্রয়ে ভিড় জমায় ক্রেতারা। গত রোজায় অনেক ইফতার সামগ্রী ক্রেতার অভাবে অবিক্রিত থাকলেও এবার তা থাকছে না।পিএম
    যমুনার ভাঙন এলাকা পরিদর্শণ করলেন পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী
    প্রতি বছরই পানি বৃদ্ধি ও কমার সময় যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা যায়। এ বছরেও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালী, টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা। এ সব এলাকায় নদী ভাঙনের ফলে শতাধিক ঘর বাড়ি ও বহু ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।যমুনা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে এসব এলাকায় প্রকল্প গ্রহণে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সিরাজগঞ্জের পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান । মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দিনভর তিনি পায়ে হেটে যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।দুপুরে তিনি চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের যমুনা পারে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ভাঙন রোধে পাউবোর চলমান কাজের খোঁজ খবর নেন।এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে  ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় মানববন্ধন করেছিল এলাকাবাসী । তাদের দাবি ছিল  ভাঙন কবলিত এলাকা যেন বাল্বহেড না চলে এবং  তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।পাউবোর সিরাজগঞ্জে সুত্রে জানাগেছে , “ পানি কমে যাওয়ার   কারণে এবং বাল্বহেড চলাচলের ফলে অস্বাভাবিক পানির বৃদ্ধির কারণে নদীর পাড়ে ভাঙ্গন দেখা দিচ্ছে।  পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, যমুনার পশ্চিম পাড় মোটামুটি বাঁধের আওতায় আসলেও পূর্ব পাড়ের বেশিরভাগ এলাকা এখনও অরক্ষিত রয়েছে। তারই  ধারাবাহিকতায় আগামী বছরের মধ্যে নদীর এ পাড়ও বাধের আওতায় আসবে পানি উন্নয়ন বোর্ড তীর রক্ষা কাজে বহুটাকা সরকারের ব্যয়করছে।”উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও এইচ. এম খোদাদাদ হোসেন ভাঙ্গন কবলিত এলাকা দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের জানান, বাল্বহেড চলাচলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি যেমন জরুরি তেমনী এলাকার বাড়িঘর এ উপজেলার মানুষকে রক্ষাও জরুরি। এখন যেহেতু পানি কম তাই নদীর পাড় ভাঙ্গছে তাই  ভাঙ্গন কবলিত এলাকা রক্ষাকরা  সময়ের দাবি।     পিএম
    ঈশ্বরদীতে মাদকের বিরুদ্ধে যুবকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
    পাবনার ঈশ্বরদীতে নিজে মাদক সেবন না করার ঘোষণা দিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে মাইকিং করেছেন এক যুবক। তার এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পৌর শহরের ইস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মাইকিংকারী যুবকের নাম ফাহিম হোসেন (৩০)। তিনি ইস্তা মসজিদ মোড় এলাকার জিয়াউর রহমানের ছেলে।মাইকিংয়ে ফাহিম বলেন, “ইস্তা এলাকার সকল মাদকসেবী ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আজকের পর থেকে কেউ এ এলাকায় মাদক সেবন করতে আসবেন না। আমি নিজেও মাদক সেবন করতাম। আজ থেকে আর করব না। কেউ যদি আমাকে মাদক সেবন করতে দেখেন, তাহলে পুলিশে ধরিয়ে দেবেন।”স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ এমন ঘোষণা শুনে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। কেউ কেউ বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে নানা মন্তব্য করছেন।ফাহিম হোসেন বলেন, তিনি নিজ খরচে ৩৫০ টাকা ব্যয় করে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারটি গ্রামে মাইকিং করেন। তার দাবি, আগের রাতে একজন অতিথিকে নিয়ে গাঁজা সেবন করতে গেলে কয়েকজন মাদকসেবীর কাছে অপমানিত হন। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি এ উদ্যোগ নেন।তিনি বলেন, “আমি আর মাদক সেবন করব না। এলাকায় কেউ যেন মাদক সেবন করতে না পারে, সে জন্য চেষ্টা করব। কেউ যদি এ কারণে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।”এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, “মাদক সেবন না করার ঘোষণা দিয়ে মাইকিং করা ইতিবাচক উদ্যোগ। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করব।”স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ব্যক্তিগত প্রতিজ্ঞা থেকে শুরু হলেও এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।ইখা
    মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সুনামগঞ্জে নিহত ১
    মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফজল মিয়া নামে ১ জন নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ছাতকের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের পুরান নোয়াপুর গ্রামের মসজিদ কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসুক মিয়া ও ফজল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেড় ধরে দুপুরে মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটির এক প্রযায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন মসজিদের হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ফজল মিয়া নিহত হয়েছেন। বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এসআর
    মৌলভীবাজারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল আরেক বন্ধুর
    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে তারেক মিয়া (১৯) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজনগর উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তারেক ওই গ্রামের গাজি মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে গ্রামের কয়েকজন কিশোর ঘরগাঁও মাঠে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়। খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী আতিক মিয়ার সঙ্গে তারেকের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একসময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আতিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারেকের বুক, হাত ও উরুতে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, "ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ সমাজে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। কিশোরদের মধ্যে সহিংসতা রোধে পরিবার ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।এনআই
    টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ড
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টাংগুয়ার হাওরে পর্যটকবাহী মাছরাঙা নামের একটি হাউজবোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাউজবোটটির বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এ সময় হাউসবোটে কোনো পর্যটক না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাড়ে রক্তি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রতক্ষ্যদশী ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রক্তি নদীতে নোঙর করে হাউজবোটটির মেরামতের কাজ করছিল মিস্ত্রি ও কর্মচারীরা। হঠাৎ করেই হাউজবোটটির পেছন দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।টাঙ্গুয়া হাওরের পর্যটকবাহী নৌ সমিতির সভাপতি রব্বানী জানান, মাছরাঙা হাউজবোটটিতে আগুন লাগার পর আনোয়ারপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হাউজবোটটির ভেতরের অধিকাংশ সরঞ্জাম পুড়ে যায়।বালিজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, হাউজবোড লাগা আগুন সবাই মিলে নিভানো হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে বলতে পারবো।ইখা
    ঢাকা তুরাগে ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার আসামী তাহিরপুর থেকে আটক
    বহুল আলোচিত ঢাকা তুরাগে সংগঠিত  ১১ কোটি টাকা ডাকাতি মামলার মোঃ জনি মিয়া নামে এক আসামীকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা থেকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টায় উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন ট্যাকেরঘাট এলাকা থেকে আটক করা হয়।আটক জনি মিয়া(৩৫) উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামের মোঃ গনি মিয়ার ছেলে।পুলিশ জানায়, তুরাগ থানার মামলা নং ১০(৩) ২৩, ধারা ৩৯৫/৩৯৭/৪১২/৩৫ পেনাল কোড, এর পলাতক আসামী জনি মিয়া(৩৫) কে অদ্য রাতে টেকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ রিপন উদ্দিন সংর্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে বড়চড়া এলাকা থেকে ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার করে।টেকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোঃ রিপন উদ্দিন জানিয়েছেন,আটক জনি মিয়াকে তাহিরপুর থানা সোপর্দ করা হয়েছে।তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আমিনুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।এবি 
    ট্যাকেরঘাট খনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত
    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আলমকে ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা, কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনীহা এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ উঠেছে। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান টিপু স্বাক্ষরিত একাধিক স্মারক ও নোটিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অ্যাডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ জানান, ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ সরকার ‘অটোপাস’ ঘোষণা করলে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অটোপাসের পর সেই টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ নেওয়া টাকা উত্তীর্ণ হলে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও, কৃতকার্য ও অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থীই সেই টাকা ফেরত পায়নি। ওই অর্থ স্কুল ফান্ডে জমা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং অফিস সময় সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করার অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।কমিটি দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হলেও তা সন্তোষজনকভাবে দাখিল করা হয়নি। এ বিষয়ে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়া জবাব সন্তোষজনক ছিল না।সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অ্যাডহক কমিটির সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের মেয়াদ শেষে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে; অন্যথায় বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যালয় কোড ২৭০৫ এবং কলেজ কোড ২৭০২। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ খায়রুল আলমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এনআই

    অনলাইন ভোট

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগস্টের পর কিছু সাধারণ ও নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    ইরানের বিরুদ্ধে আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি: ট্রাম্প
    মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের সাথে এক বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে নিজেদের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ভালো অবস্থানে রয়েছে।ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব ভালো করছি।’ সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরান এখনো তাদের উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে বলে স্বীকার করলেও, মার্কিন বাহিনী সেই সব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে বলে তিনি জানান।যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানের শাসনভার কার হাতে থাকবে, সে বিষয়েও মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশটির সাবেক শাহের ছেলে রেজা পাহলভির পরিবর্তে ইরানের অভ্যন্তরীণ কোনো নেতৃত্বকে তিনি বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।ট্রাম্প বলেন, ‘রেজা পাহলভিকে খুব ভালো মানুষ বলেই মনে হয়। তবে আমার কাছে মনে হয়, দেশটির ভেতর থেকে উঠে আসা কোনো নেতা দায়িত্ব নিলে তা বেশি কার্যকর হবে।’ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিষয়ে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, এই যুদ্ধের সবচেয়ে খারাপ দিক হতে পারে যদি এমন কেউ ক্ষমতা দখল করে যে বর্তমান নেতৃত্বের মতোই অগ্রহণযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র এমন পরিস্থিতি এড়াতে চায় বলে জানান ট্রাম্প।এনআই
    ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে মার্কিন রণতরী: আইআরজিসি
    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যে এক চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে এনেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত দুই দিনে পরিচালিত পাল্টা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানে অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি এই দাবি করেন। তিনি জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজগুলো লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।আইআরজিসির মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে বারবার সফলভাবে আঘাত হেনেছে।নায়েনি দাবি করেন, একটি সুনির্দিষ্ট হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা বিধ্বস্ত হলে সেখানে অন্তত ১৬০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়। এছাড়াও মার্কিন নৌবাহিনীর এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজটি ইরানি নৌবাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যদিও পেন্টাগন এখন পর্যন্ত এই হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রদান করেনি।ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি আরও জানান, ইরানি নৌবাহিনীর প্রবল আক্রমণের মুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন সংশ্লিষ্ট এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ওই রণতরীটিকে লক্ষ্য করে চারটি শক্তিশালী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এর পরপরই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের দিকে পিছু হটে।উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের ওপর একযোগে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মারা যান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এর জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান।সূত্র: তাসনিম।এফএস
    এবার ইসরায়েলে ক্লাস্টার বোমা হামলা চালিয়েছে ইরান
    ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ বোমার ‘সাব-মিউনিশন’ ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, মঙ্গলবার ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় এক এলাকায় ওই বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ওই এলাকায় এক ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তেল আবিবের জেলা কমান্ডার হাইম সারগারফ বলেছেন, দেশের মধ্যাঞ্চলের একাধিক স্থানে ক্লাস্টার বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে। হামলায় অনেকে আহত এবং কিছু ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।এর আগে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছিল, ইসরায়েলে ক্লাস্টার বোমা সমৃদ্ধ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। গত বছরের জুনের যুদ্ধেও ইরান একই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল বলে জানিয়েছে আইডিএফ।ক্লাস্টার বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র নিচে নামার সময় এর মূল অংশ কিংবা ওয়ারহেড খুলে যায় এবং প্রায় ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ২০টি ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি ক্ষুদ্র বোমায় প্রায় আড়াই কেজি (৫.৫ পাউন্ড) বিস্ফোরক থাকে।আইডিএফ বলেছে, ক্লাস্টার বোমা হামলার ক্ষেত্রে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনায় আপাতত কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি।এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, ‌‌‘‘ইসরায়েলি তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল এবং জরুরি সেবা সংস্থার একাধিক ইউনিট বর্তমানে মধ্যাঞ্চলে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে কাজ করছে। হামলার পর সেখানকার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’ইসরায়েলি চিকিৎসকরা বলেছেন, ইরানের সর্বশেষ এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ১২ জন সামান্য আহত হয়েছেন।সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েলএবি 
    ইরানে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে হামলার দাবি ইসরায়েলের
    ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। এ সময় প্রেসিডেন্ট কার্যালয় এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ ভবনের ওপর ‘প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ’ ফেলা হয়েছে।টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইরানি শাসনব্যবস্থার ‘লিডারশিপ কম্পাউন্ড’ চত্বরে হামলা করেছে। একটি সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং শাসনব্যবস্থার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ‘লিডারশিপ কম্পাউন্ড’ ব্যবহার করতেন। গত শনিবার প্রথম দিনের হামলায় তিনি নিহত হন। বিবিসির যাচাই করা কিছু ভিডিওতে তেহরানের পারদিস এলাকায় বিস্ফোরণ এবং ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। পারদিস রাজধানীর পূর্ব দিকে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র পর্যালোচনা করে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেলেও সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফুটেজটি মঙ্গলবার সকাল থেকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছিল, তারা তেহরান এবং লেবাননের বৈরুতে একযোগে হামলা চালাচ্ছে।এবি 
    মক্কা ও মদিনা থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ইরানি ওমরাহ যাত্রীদের
    ওমরাহ করতে সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় যাওয়া ইরানিদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সি।বিবিসি অ্যারাবিকের একটি খবরে বলা হয়েছে, রিয়াদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।সংস্থাটি ব্যাখ্যা করেছে যে, সোমবার স্বাভাবিকভাবেই সৌদি-ইরাক সীমান্ত দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর ইরানে প্রবেশ করেন তারা।মক্কা ও মদিনায় ইরানি ওমরাহযাত্রীর সংখ্যা মোট নয় হাজার বলেও জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।এবি 
    এবার ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান
    এবার ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দেশটির চ্যানেল টুয়েলভ বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ফ্র্যাগমেন্টেশন ওয়ারহেড বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ মধ্যাঞ্চলীয় শহর পেতাহ তিকভায় আঘাত হেনেছে।দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ মধ্য ইসরায়েলে আঘাত করে কিছু ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে প্রায় ৭৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। মঙ্গলবার সংস্থাটি প্রাণহানির হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করে।এমআর-২
    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আরব আমিরাতে নিহত ৩
    ইরানের সামরিক বাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে আরব আমিরাতে ৩ জন নিহত হয়েছে। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৬৮ জন। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল আব্দুল নাসের আল হুমাইদি বলেছেন, গত কয়েক দিনে ইরান থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ১৮৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৮১২টি ড্রোন ছোড়া হয়েছে।ইরান থেকে ছোড়া এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বেশিরভাগই লক্ষ্যে আঘাত হানার আগে আকাশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ছোড়া ১৭২টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে, ১৩টি সমুদ্রে পড়েছে এবং মাত্র একটি আমিরাতের ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে।আল হুমাইদি জানান, ইরানের সামরিক বাহিনী যেসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, তার মধ্যে আটটি ড্রোন এবং আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের এই হামলায় দেশটিতে ৬৮ জন আহত হয়েছেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মাঝারি ও সামান্য পর্যায়ে সীমিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ইরানের হামলায় নিহত ৩ জনের পরিবারের প্রতি আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।আল হুমাইদি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্বের ওপর যেকোনও ধরনের আঘাত ‌‌‘‘কোনও অবস্থাতেই মেনে নেওয়া হবে না’’। আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার আমিরাতের রয়েছে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।এমআর-২
    ইরান ইস্যুতে মোদিকে অবস্থান স্পষ্ট করতে বললেন রাহুল গান্ধী
    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। টানা হামলা-পালটা হামলায় অস্থির হয়ে উঠেছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। এই পরিস্থিতিতে কোটি কোটি মানুষ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। এর মধ্যে প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।এমন পরিস্থিতিতে ভারতের স্পষ্ট অবস্থান চেয়ে সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাস্তব হলেও কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। একতরফা সামরিক আক্রমণ যেমন নিন্দনীয়, তেমনি পালটা হামলাও সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করে।রাহুল গান্ধী বলেন, সহিংসতা কেবল সহিংসতাকেই জন্ম দেয়। সংলাপ ও সংযমই শান্তির একমাত্র পথ। তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবজীবনের প্রশ্নে ভারতের নৈতিক অবস্থান পরিষ্কার হওয়া উচিত। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি ঐতিহ্যগতভাবে সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। বর্তমান সংকটেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন।তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রকাশ্যে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করে বিশ্ব ব্যবস্থাকে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টা সমর্থন করা যায় কি না, সে বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানানো দরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, এই সময়ে নীরবতা ভারতের আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এমন বাস্তবতায় ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ও নৈতিক অবস্থান প্রত্যাশিত বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।আন্তর্জাতিক মহলেও শান্তির আহ্বান জোরদার হচ্ছে। উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনার পথ বেছে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপরও বড় আঘাত হানতে পারে। ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যুতে আলোচনা আরও জোরদার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে কী অবস্থান নেয়।এমআর-২
    ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একের পর এক ‘নরকের দরজা খুলবে’: ইরান
    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মঙ্গলবার এই যুদ্ধ চতুর্থ দিনে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ওই দুই দেশের বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা আরও তীব্র হবে। যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইরানের এই বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য আরও অধিক ‘জাহান্নামের দরজা’ উন্মুক্ত হবে।রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে আইআরজিসির মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, শত্রুদের জন্য সামনে আরও ভয়াবহ এবং ক্রমাগত শাস্তিমূলক হামলা অপেক্ষা করছে।তিনি জানান, ‘‘শত্রুদের একের পর এক শাস্তিমূলক হামলার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর মুহূর্তের মধ্যে জাহান্নামের দরজাগুলো আরও বেশি করে উন্মুক্ত হতে থাকবে।’’ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে যোগ না দেওয়ার বিষয়ে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা ধ্বংস করার জন্য জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্স ‘‘প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’’ নিতে পারে বলে জানানোর পর তেহরান ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছে।মঙ্গলবার তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘‘এটি যুদ্ধের শামিল হবে। ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের যেকোনও পদক্ষেপকে হামলাকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই দেখা হবে।’’এমআর-২
    ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৮৭
    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ৪ দিন ধরে দেশটিতে চলা হামলায় আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকে মঙ্গলবার সরকাল পর্যন্ত ৭৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ।তবে ইরানে চলমান সংঘাতে হতাহতের বিষয়ে ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দেওয়া তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে এএফপি।সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়, ইরানে নিয়োজিত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বিভিন্ন দলের মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ৭৮৭ জন নিহত হয়েছেন।রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানায়, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে ইরানের ১৫৩টি শহর এবং ৫০০টিরও বেশি অবস্থান লক্ষ্য করে এক হাজারের বেশিবার হামলা চালানো হয়েছে।এদিকে, মঙ্গলবার ইরানের রাজধানী তেহরানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে এএফপির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। এছাড়া ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজধানী তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত কারাজ এবং মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানেও বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে।এমআর-২

    বিনোদন

    সব দেখুন
    ঈদে মুশফিক ফারহান ও সাফা কবিরের নতুন চমক
    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে ঈদের নাটক ‘বেসড অন ট্রু স্টোরি’।নাটকে দেখা যাবে, সোনিয়া ও পলাশ বিয়ে করে স্টুডেন্ট ভিসায় পাড়ি জমায় অস্ট্রেলিয়ায়। দুজনের মনেই স্বপ্ন ছিল– বিদেশ গিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন গড়া। পলাশ রেস্টুরেন্টে কাজ করে সংসার চালায়, আর সোনিয়া পড়াশোনা করে। পলাশের অল্প আয়ে টানাপোড়েন শুরু হলে সোনিয়া চাকরি নিতে চায়। শুরুতে পলাশ রাজি না হলেও শেষ পর্যন্ত মেনে নেয়। তখন থেকেই দূরত্বের শুরু। সোনিয়ার দেরিতে ফেরা, ফোনে চ্যাট– সবকিছু পলাশের মনে তখন সন্দেহ তৈরি করে। ঠিক তখনই দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অনেকদিন ঘরে পড়ে থাকেন পলাশ। সম্পর্ক এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে, সোনিয়া পলাশের সাথে সংসার করতে অমত জানায়। এক পর্যায়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। বিচ্ছেদের পরও পলাশ তাঁকে ভুলতে পারে না। ঠিক তখনই এক গল্পে আনে নতুন মোড়।নাটক প্রসঙ্গে মুশফিক ফারহান ও সাফা কবির বলেন, ‘নাটকের গল্পটি অসাধারণ। নাটকের প্রতিটি চরিত্র চ্যালেঞ্জিং ছিল। আশা করছি নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে।এইচএ
    খামেনির প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ ভারতীয় অভিনেত্রীর
    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ফারহানা ভাট। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী খামেনির বাসভবনে যৌথ বিমান হামলা চালায়। ১ মার্চ ভোরে ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ এই নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে।ফারহানা ভাট জানান, খামেনির মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে তিনি এতটাই বিপর্যস্ত যে সাহরির পর আর ঘুমাননি।ফারহানার মতে, সব কাশ্মীরি এই ঘটনায় শোকাহত। তিনি বিশ্বাস করেন, খামেনি মানুষের হৃদয়ে ও মনে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। ফারহানা জানান, অনেকের কাছেই খামেনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক।আন্তর্জাতিক মহলে খামেনিকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত থাকলেও, কাশ্মীরের একটি বড় অংশের মানুষের সাথে তার গভীর মানসিক ও আধ্যাত্মিক যোগসূত্র ছিল, যা ফারহানার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।এইচএ
    ইকরা ২ বছর আগেই জানতে পারেন আলভী মজেছেন অন্য নারীতে
    স্ত্রী ইকরার মৃত্যুর পরপরই একজন অভিনয়শিল্পী সহকর্মীর সঙ্গে জাহের আলভীর প্রেমের সম্পর্কের কথা সামনে এসেছে। এই সম্পর্কের জেরে ইকরা ‘আত্মহত্যা’র পথ বেছে নিয়েছেন, এমনটাই অভিযোগ ইকরার মা ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের, এমনকি বন্ধুদেরও।ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী জাহের আলভী ও তাঁর মায়ের নামে মামলা করা হয়েছে। রোববার (১লা মার্চ ) ঢাকার পল্লবী থানায় এই মামলা করা হয়। মামলায় ১ নম্বর আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে জাহের আলভীকে এবং ২ নম্বর আসামি তাঁর মা নাসরিন সুলতানাকে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা প্রায়ই ইকরাকে অপমান করতেন এবং তাঁদের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দিতেন। এমনকি জাহের আলভী ইকরাকে উদ্দেশ্য করে প্রায়ই উসকানিমূলক কথা বলতেন—যা তাঁর মানসিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় নিজের কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইকরা। পরে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পল্লবী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেয়।২৭ ফেব্রুয়ারি জাহের আলভী এক নারীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন, যা ইকরার মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেয়। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতন, অপমান ও উসকানির কারণে ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।এইচএ
    স্ত্রীর জানাজায় অংশ না নেওয়ার বিষয়ে ‘বিস্ফোরক’ তথ্য জানালেন আলভী
    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার ‘আত্মহত্যা’ ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার একটি ভিডিও বার্তা।দাম্পত্য কলহের জেরে ইকরার মৃত্যুর পর তার পরিবার রাজধানীর পল্লবী থানায় আলভীর বিরুদ্ধে মামলা করে। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হলেও শেষবারের মতো স্ত্রীর মুখ দেখতে উপস্থিত হননি আলভী—এ নিয়েই জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়।সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।জাহের আলভী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন। এই ভিডিওতে আমি সব কিছু ক্লিয়ার করব। শেষ প্রশ্ন থেকেই আসি। দেখলাম অনেকেই বলছেন, যে মানুষটা তার ভালোবাসার প্রমাণ দিতে গিয়ে আত্মহত্যা করল, একটাবারও শেষ দেখা দেখতে এলাম না কেন?’তিনি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আপনারা কি আমার দেশে ফেরার অবস্থা রেখেছেন? আমি দেশে আসা মাত্রই মব সৃষ্টি করা হবে, আমাকে টেনে ছিঁড়ে ফেলা হবে।আমার ফোনে এত এত থ্রেটস, আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না। আমার কাছে ইনফরমেশন আছে, এয়ারপোর্টে লোক ফিট করা আছে, আমি এয়ারপোর্টে যাওয়া মাত্রই তারা আমাকে হিট করবে, তারা আমাকে মেরে ফেলবে।’স্ত্রীর শেষ দেখা না পাওয়ার প্রসঙ্গে আলভীর বক্তব্য, ‘আমার ইকরার মুখটা আপনারা আমাকে দেখতে দেননি, ইকরার পরিবার আমাকে দেখতে দেয়নি।’নেপাল থেকে দেশে ফেরার বিষয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেকেই অনেক প্রশ্ন করতেছেন যে নেপাল থেকে আসতে কতক্ষণ লাগে? নেপাল কি মঙ্গলগ্রহে নাকি? আমি নেপালে এসেছি ১৮ বার, আমি জানি কতক্ষণ লাগে।যেদিনের ঘটনা সেদিন এমন কোনো চেষ্টা বাদ রাখিনি দেশে আসার। ডিরেক্ট ফ্লাইট ছিল না, একটা ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল, কিন্তু ওইটাতে এলে পরের দিন আসতে হতো। অনেকভাবে চেষ্টা করেছি কোনোভাবে বাংলাদেশে ঢোকার, কিন্তু কোনোভাবেই ওই দিন আমি টিকিট ম্যানেজ করতে পারিনি। তার পরদিন আমি ইমিগ্রেশন ক্রস করি, এরপর জানতে পারি এয়ারপোর্টে ঢোকা মাত্রই আমার ওপর অ্যাটাক হবে, আমাকে হিট করা হবে। ওই অবস্থায় তো আমি ঢুকব না। এটাই ছিল কারণ।’ইকরার সঙ্গে তার সম্পর্কটা শুরু থেকেই টক্সিক ছিল বলে উল্লেখ করেন আলভী। তিনি বলেন, ‘ইকরা আমাদের সম্পর্কের শুরু থেকেই অনেক সন্দেহপ্রবণ ছিল, যার কারণে আমাদের সম্পর্কটা শুরু থেকেই টক্সিক ছিল। অনেক আগে থেকেই তিথির সঙ্গে পরিচয় হওয়ারও আগে থেকে। ইকরা অনেক আগে থেকেই আমার কাছে ডিভোর্স চাইত, কিন্তু আমি এটা চাইনি।’এরপর আলভী আরো বলেন, ‘ইকরার কিছু বদ-অভ্যাস ছিল। ইকরা ট্রিগারড হয়েছে তবে আমার কারণে না। আমার কিছু ভাই ব্রাদারের কারণে যারা ওর আর আমার দুজনেরই কমন সার্কেল। ওরা দিনের পর দিন ট্রিগার করে ইকরাকে এই জায়গায় নিয়ে আসছে। আমি ইকরাকে আত্মহত্যা করতে ট্রিগার করিনি, সে ট্রিগারড হয়েছে।’উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ইকরা। ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাদ আসর তার লাশ দাফন করা হয়।এফএস

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
    দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তালিকা: এইচএ
    আরেক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৩৩২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা ১ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।এর আগে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা।এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের ১ ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা ঠিক করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ধরা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা এবং এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা।আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। জানানো হয়, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে।এর আগে, রবিবার (১ মার্চ) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এইচএ
    লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।এফএস
    ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
    সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম আজ রোববার থেকে কার্যকর হবে।গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ
    দেশে সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা
    দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা।    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। তার আগে ২১ ফেব্রুয়ারি বাড়ানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হলো ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনান দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।এবার সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এমআর-২
    ১৫ মার্চের মধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা চেয়েছে এনবিআর
    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক বাজেট প্রণয়নে  ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনা চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন চেম্বার এবং অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের স্ব স্ব বাজেট প্রস্তাব দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবের আরেকটি সফটকপি ই-মেইলে: nbrbudget2026@gmail.com এনবিআরে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এসব তথ্য জানিয়েছেন।এনবিআর জানায়, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একটি অংশগ্রহণমূলক, গণমুখী  ও ন্যায় সম্মত বাজেট প্রণয়নে বরাবরই সব পর্যায়ের সম্মানিত করদাতা, বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের কাছ থেকে এনবিআর বাজেট প্রস্তাব আহ্বান করেছে। রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রতিনিধিত্বশীল করার জন্য যারা আগ্রহী তারা এতে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এইচএ
    দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
    দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত তালিকা: এইচএ
    আরেক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৩৩২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা ১ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।এর আগে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয় ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা।এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের ১ ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা ঠিক করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ধরা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১৭৩ টাকা। এছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা এবং এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা।আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। জানানো হয়, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি দামে স্বর্ণ কিনতে হবে।এর আগে, রবিবার (১ মার্চ) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এইচএ
    লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।এফএস
    ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
    সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম আজ রোববার থেকে কার্যকর হবে।গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ইবিতে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন
    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে গ্রন্থাগারের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে কর্নারটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।উদ্বোধন শেষে কর্নারে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) খোন্দকার আব্দুল মজিদ স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।গ্রন্থাগারিক জানান, কর্নারে মোট ১ হাজার ৭২৭টি বই স্থান পেয়েছে। ডেকোরেশনসহ মোট ১৬ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রথম এ ধরনের কর্নার উদ্বোধন করা হলো।উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বই সরবরাহ ও কর্নার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার স্থাপন ও মোবাইল লাইব্রেরি চালুর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে, এ কর্নার শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামি সাহিত্য ও গবেষণাধর্মী বইপাঠের সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।ইখা
    ভারতে ট্রেনে অচেতন বাকৃবি শিক্ষার্থী জীম, আইসিইউতে সংকটাপন্ন ​
    ​ভারতের একটি ট্রেনের টয়লেট থেকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক তানিউল করিম জীমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার মনিপাল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ১ মার্চ ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে কলকাতা ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।​তানিউল করিম জীম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সদস্য। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের স্নাতকোত্তর থিসিসের শিক্ষার্থী।​ঘটনার বিবরণ দিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি মেডিকেল ভিসা নিয়ে তাঁর চাচার সাথে ভারতে যান জীম। ০১ মার্চ সকালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে তাঁর চাচার সাথে ট্রেনে করে কলকাতা আসার পথে ট্রেনের ভেতরেই নিখোঁজ হন জীম। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ট্রেনের টয়লেট থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।এরপর ট্রেনটি কলকাতায় পৌঁছালে তাঁকে প্রথমে হাওড়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে তাঁর মাথার পেছনে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়ে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে পরে কলকাতার মনিপাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ​বর্তমানে জীম হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন।পরিবারের সদস্য হিসেবে একমাত্র তার চাচাই তার সাথে আছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তার চাচা জানান, '৪৮ ঘন্টা পার হলেও জীমের এখন পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। জ্ঞান ফেরার পর শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।​এ ঘটনায় গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন তাঁর পরিবার, সহকর্মী ও বাকৃবিয়ানরা। পরিবারের কারও ভিসা না থাকায় এই কঠিন মুহূর্তে পরিবার তার পাশে থাকতে পারছে না। ভারতের অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কাছে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।​এদিকে, ছেলের চিকিৎসায় পাশে থাকতে দ্রুত ভিসার জন্য ভারতের হাই কমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা চেয়েছেন জীমের ছোট ভাই তানিউল করিম মিম। তিনি বলেন, “আমরা ভারতীয় হাই কমিশন ও আমাদের সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। আমাদের পরিবারের কোনো সদস্য বর্তমানে তাঁর পাশে নেই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভিসার ব্যবস্থা করে দিলে আমরা ভাইয়ের পাশে থাকতে পারতাম। অনুরোধ করছি, মানবিক দিক বিবেচনা করে আগামী দু-একদিনের মধ্যে আমাদের ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।”​দেশবাসীর কাছে জীমের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা। তাঁরা আশা প্রকাশ করছেন, উন্নত চিকিৎসা পেলে জীম দ্রুত সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসবেন।এসআর
    ঈদ উল ফিতর ও জাতীয় দিবস ঘিরে ১২ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বাকৃবি
    পবিত্র রমজান, শব-ই-কুদর, জুমাতুল বিদা, ঈদ-উল-ফিতর ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ১২দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। আগামী ১৫ মার্চ (রবিবার) হতে ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে। রবিবার (১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দিনের সাক্ষতির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, 'পবিত্র রমজান, শব-ই-কুদর, জুমাতুল বিদা, ঈদ-উল-ফিতর এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও অফিসসমূহ আগামী ১৫ মার্চ (রবিবার) হতে ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে এসময় নিরাপত্তা শাখার কাজ যথারীতি চালু থাকবে। হেলথ এন্ড স্যানিটেশন ফলের ১১ নং ধারা অনুযায়ী হেলথ কেয়ার সেন্টার শুধুমাত্র ঈদের দিন এবং ঈদের পরের দিন বন্ধ থাকবে।'বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরী কাজের জন্য আগামী ২৪ মার্চ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রোস্টার ডিউটির ব্যবস্থা থাকবে। এসময় নিরাপত্তা শাখার কাজ যথারীতি চালু থাকবে। যে কোনো কর্মচারীকে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/শাখা/অফিস/হলের জরুরী কাজের জন্য বন্ধের দিনেও নিয়োজিত রাখা যাবে।''বিশ্ববিদ্যালয়ের খামার ব্যবস্থাপনা শাখা, ডেয়ারি ফার্ম, পোল্ট্রি ফার্ম, কৃষিতত্ব খামার, কৃষিতত্ত্ব খামার গবেষণাগার, উদ্যানতত্ত্ব খামার, ফিশফার্ম, কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, গ্যারেজ এন্ড ওয়ার্কসপ, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল, ওয়েদার ইয়ার্ড, পাওয়ার হাউজ, বিদ্যুৎ বিভাগ, পানি সরবরাহ, গ্যাস, পর্যাপ্রণালী ও স্যানিটেশন বিভাগ, যন্ত্রদ্র সংরক্ষণ শাখা (পিএবিএক্স), স্বাস্থ্য প্রতিষেধক শাখা ও আইসিটি সেলের কাজ ন্যূনতম সংখ্যক কর্মচারীর সাহায্যে চালু থাকবে।'এদিকে ১৫ মার্চের আগে দুইদিন ও ২৬ মার্চের পরের দুইদিন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির কারনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস এবং অফিসসমূহ যথারীতি বন্ধ থাকবে। তাই পবিত্র রমজান ও ঈদে সব মিলিয়ে ১৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী ২৯ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।এসআর
    গবেষণায় দেশের শীর্ষস্থান দখল করেছে বেরোবি
    স্পেনের শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশনের র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী গবেষণায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। সিমাগো ইনস্টিটিউশন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১০ হাজার ৮২৭টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে করা ২০২৬ সালের র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। দেশভিত্তিক র‍্যাঙ্কিং এর তথ্যমতে বাংলাদেশের সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় গবেষণা ক্ষেত্রে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ঢাবি, রাবি, জাবি, চবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করেছে। গত বছর ২০২৫ সালের রাঙ্কিং অনুযায়ী বেরোবির অবস্থান ছিল ৭ম। সিমাগোর ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, গবেষণা, সামাজিক প্রভাব এবং উদ্ভাবন এই তিনটি সূচকের ফলাফল পর্যালোচনা করে র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এ তিনটি সূচকের ফলাফল অনুযায়ী আলাদা র‌্যাঙ্কিং এবং একসাথে মিলিয়ে সার্বিক র‌্যাঙ্কিং (overall ranking) প্রকাশ করে থাকে। সার্বিক র‌্যাঙ্কিং করার জন্য তারা গবেষণায় ৫০ ভাগ, উদ্ভাবনে ৩০ ভাগ এবং সামাজিক প্রভাবে ২০ ভাগ ওয়েট দিয়ে থাকে। র‍্যাংকিংয়ের তথ্যে দেখা গেছে, এতে বাংলাদেশের মোট ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তিন ক্যাটাগরিতে সার্বিক অবস্থানে বেরোবি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৬ষ্ঠ অবস্থানে হলেও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে গবেষণায় প্রথম স্থান দখল করেছে বেরোবি, ৪র্থ অবস্থানে ঢাবি,  ১১ তম অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিষয়ে বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পাওয়া ও বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, গবেষণা হলো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই দিকটাতে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে কীভাবে একটা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় করা যায়, সে চেষ্টা সবসময়‌ অব্যাহত থাকবে।এইচএ

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ, কখন-কীভাবে দেখবেন
    আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক দুর্লভ মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। পূর্ণিমার রুপালি চাঁদ আজ ঢাকা পড়বে পৃথিবীর ছায়ায়, আর মুহূর্তেই ধারণ করবে টকটকে লাল কিংবা তামাটে আভা।২০২৬ সালের প্রথম এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামে পরিচিত। আজকের পর ২০২৮ সালের আগে বিশ্ববাসী আর কোনো পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের দেখা পাবে না।আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে চন্দ্রোদয়ের ঠিক পর থেকেই গ্রহণের শেষ অংশ দেখার সুযোগ মিলবে।গ্রহণের সময়সূচি ও স্থায়িত্ব: আইএসপিআরের তথ্যমতে, আজ দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং কেন্দ্রীয় গ্রহণ হবে বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ১.১১৫। নাসা জানিয়েছে, পুরো মহাজাগতিক প্রক্রিয়াটি ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে, যার মধ্যে প্রায় ১ ঘণ্টা চাঁদকে টকটকে লাল দেখা যাবে। বাংলাদেশে কখন দেখা যাবে: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস অংশটি সরাসরি দেখা না গেলেও চন্দ্রোদয়ের পর থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড পর্যন্ত গ্রহণের শেষ অংশ দেখা যাবে।বিভাগীয় শহরগুলোতে গ্রহণ দেখার সময়: নিচে প্রধান শহরগুলোতে চন্দ্রোদয়ের পর গ্রহণ শুরু ও শেষ হওয়ার সময় দেয়া হলো–শহর শুরু (সন্ধ্যা)                          গ্রহণ শেষ (রাত)ঢাকা =  ৬টা ০১ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৪ মি. ৪২ সে.চট্টগ্রাম= ৫টা ৫৬ মি. ২৪ সে.           ৮টা ১৯ মি. ৫৪ সে.সিলেট=   ৫টা ৫৪ মি. ৩০ সে.           ৮টা ১৮ মি. ০০ সে.রাজশাহী= ৬টা ০৭ মি. ৩৬ সে.           ৮টা ৩১ মি. ০৬ সে.খুলনা=       ৬টা ০৫ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৮ মি. ৪২ সে.বরিশাল= ৬টা ০১ মি. ৫৪ সে.           ৮টা ২৫ মি. ১২ সে.রংপুর= ৬টা ০৪ মি. ৩৬ সে.           ৮টা ২৮ মি. ০৬ সে.ময়মনসিংহ= ৬টা ০০ মি. ২৪ সে.         ৮টা ২৩ মি. ৪৮ সে.‘ব্লাড মুন’ কেন হয়: যখন সূর্য ও চাঁদের ঠিক মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে, তখন পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদ পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায়। সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে না পারায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল চিরে আসা লাল আলোর প্রতিফলন চাঁদের গায়ে পড়ে। ফলে চাঁদকে গাঢ় লাল বা তামাটে দেখায়, যাকে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।অনলাইনে দেখার সুযোগ: আকাশ মেঘলা থাকলে বা সরাসরি দেখার সুযোগ না মিললে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে এটি লাইভ দেখা যাবে। লস অ্যাঞ্জেলেসের গ্রিফিথ অবজারভেটরি, টাইমএন্ডডেট ডটকম এবং ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রকল্প তাদের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে এই মহাজাগতিক দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করবে।জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আজকের এই বিরল সুযোগটি হাতছাড়া করা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের জন্য আমাদের ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এইচএ   
    উঁকি দিয়েও দেখতে পারবে না চ্যাট, স্যামসাং ফোনে নতুন ফিচার
    প্রতিবছরই নতুন কিছু চমক নিয়ে হাজির হয় স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। কখনো ক্যামেরার মেগাপিক্সেল যুদ্ধ, কখনো বা এআই ফিচারের বিস্তার। তবে ২০২৬ সালে এসে তারা নজর কাড়ল এক ভিন্নধর্মী উদ্ভাবনে। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আলট্রা-তে যুক্ত হয়েছে ইন-বিল্ট ‘প্রাইভেসি ডিসপ্লে’, যা স্মার্টফোন নিরাপত্তাকে একধাপ এগিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষার অভিনব প্রযুক্তি এই ডিভাইসটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। ব্যক্তিগত চ্যাট, ব্যাংকিং তথ্য বা সংবেদনশীল নোটিফিকেশন এবার সেগুলোতে পাশের কেউ উঁকি দিতে পারবে না। ফলে আপনি সামনে থেকে পরিষ্কারভাবে সব দেখতে পেলেও পাশের ব্যক্তি শুধুই অন্ধকার বা ঝাপসা স্ক্রিন দেখবেন।ফোনের সেটিংসে একটি নির্দিষ্ট টগল চালু করলেই সক্রিয় হবে প্রাইভেসি মোড। সবচেয়ে বড় কথা, এতে ডিসপ্লের কালার, ব্রাইটনেস বা শার্পনেসে কোনো আপস করতে হয় না। ব্যবহারকারী চাইলে এমন কাস্টম সেটিংও বেছে নিতে পারবেন, যেখানে পুরো স্ক্রিন দৃশ্যমান থাকলেও নির্দিষ্ট মেসেজ বা নোটিফিকেশন শুধু মালিকের চোখেই ভেসে উঠবে। ডিজাইনে বড় পরিবর্তন না আনলেও ফোনটি আগের তুলনায় আরও পাতলা ও হালকা করা হয়েছে। হাতে নিলে প্রিমিয়াম ও শক্তপোক্ত অনুভূতি দেয়। লেটেস্ট স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটের কারণে গেমিং, মাল্টিটাস্কিং কিংবা হাই-রেজুলেশন ফটো এডিটিং সবই হবে সাবলীল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোজন দৈনন্দিন ব্যবহারে এনে দিয়েছে বাড়তি স্মার্টনেস।গ্যালাক্সি এস২৬ আলট্রা কেবল আরেকটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন নয়; এটি যেন ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার এক ডিজিটাল দুর্গ। যারা পাবলিক প্লেসে বসে চ্যাট বা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করতে দ্বিধায় থাকেন, তাদের জন্য এই প্রাইভেসি ডিসপ্লে হতে পারে সত্যিকারের গেম-চেঞ্জার।এইচএ
    ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, জানবেন যেভাবে
    কনটেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে গুগল। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন আসল ছবি বা ভিডিও আর এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট আলাদা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। গুগলের জেমিনি অ্যাপ ব্যবহার করে এখন সহজেই জানা যাবে কোনো ছবি বা ভিডিও গুগলের এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না। এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে গুগলের বিশেষ ওয়াটারমার্কিং প্রযুক্তি সিনথআইডির মাধ্যমে, যা এআই-তৈরি কনটেন্টের ভেতরে অদৃশ্য ডিজিটাল চিহ্ন সংযুক্ত করে।কীভাবে যাচাই করবেন এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট, ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো— জেমিনি অ্যাপে প্রবেশ: প্রথমে জেমিনি অ্যাপটি চালু করুন। এই যাচাই সুবিধা বর্তমানে সমর্থিত সব ভাষা ও দেশে চালু রয়েছে। সঠিক ফল পেতে অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল। কনটেন্ট আপলোড: যে ছবি বা ভিডিও যাচাই করতে চান, সেটি সরাসরি জেমিনি অ্যাপে আপলোড করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ এমবি সাইজ এবং ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ফাইল আপলোড করা যাবে। ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মেসেজিং অ্যাপের মতোই সহজ।ফাইল আপলোডের পর জেমিনিকে সরাসরি প্রশ্ন করুন—‘এটি কি গুগল যাচাই দিয়ে তৈরি?’ অথবা ‘এই কনটেন্টটি কি যাচাই -জেনারেটেড?’ স্বাভাবিক ও কথোপকথনের ভঙ্গিতেই প্রশ্ন করা যাবে, কারণ জেমিনি বিভিন্নভাবে করা প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম।এরপর জেমিনি আপলোড করা কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না তা স্ক্যান করে জানাবে। ভিডিওর ক্ষেত্রে অডিও ও ভিজ্যুয়াল উভয় অংশেই এই শনাক্তকরণ করা হয়। প্রয়োজনে জেমিনি নির্দিষ্ট করে জানাবে ভিডিওর কোন অংশে এআই-তৈরি উপাদান রয়েছে।কীভাবে কাজ করে সিনথআইডি:সিনথআইডি প্রযুক্তি এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরির সময়ই তাতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে। এটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই ওয়াটারমার্ক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রপ করা, ফিল্টার দেওয়া, কমপ্রেশন বা ফ্রেমরেট পরিবর্তনের পরও তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ: ২০২৩ সালে চালুর পর থেকে গুগল ইতোমধ্যে ২০ বিলিয়নের বেশি এআই-তৈরি কনটেন্টে সিনথআইডি ওয়াটারমার্ক যুক্ত করেছে।এইচএ
    বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট ইউটিউব এখন স্বাভাবিক, জানা গেল কারণ
    হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিভ্রাটের কবলে পড়েছিল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েক লাখ ব্যবহারকারী সাইটটিতে প্রবেশ করতে বা ভিডিও দেখতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে ভোর রাতে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে জানা গেছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যাটি এখন সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে এবং সব পরিষেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।ইন্টারনেট বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টার দিকে সমস্যার পরিমাণ চরমে পৌঁছায়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী ইউটিউবে ঢুকতে না পারার অভিযোগ জানান। বিভ্রাট চলাকালীন অনেক ব্যবহারকারী সাইটটির হোমপেজে গেলে তাদের ‘পরে আবার ফিরে আসার’ বার্তা দেখানো হচ্ছিল।ইউটিউব জানিয়েছে, মূলত তাদের ‘সুপারিশ ব্যবস্থা’ বা রিকমেন্ডেশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস এবং টিভি—সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই ভিডিও প্রদর্শনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।বিভ্রাট কাটিয়ে ওঠার পর এক বিবৃতিতে ইউটিউব জানায়, ‘আমাদের সুপারিশ ব্যবস্থার সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ইউটিউব ডটকমসহ আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপ এখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকেরা জিএমটি ভোর ৪টার দিকে সাইটটি ব্যবহার করে দেখেছেন যে এটি পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।গুগলের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ইউটিউব ব্যবহার করেন। এত বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জীবনে ইউটিউব একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার এই বিভ্রাট বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে।এইচএ
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    কণ্ঠশিল্পী আসিফের বিরুদ্ধে মামলার যুক্তিতর্ক ৯ মার্চ
    অফিসে ৪ বোতল বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলায় মোট ৩জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-২–এ বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৯ মার্চ শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা যায়, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ায় আগামী ৯ মার্চ যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করবেন।মামলার বাদী সিআইডির সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার ১৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য দেন।আজ মঙ্গলবার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক জামাল উদ্দিন ও তার সঙ্গে শাহিনুল ইসলাম আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। এর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়।রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মামলার বাদী প্রশান্ত কুমার সিকদার বলেন, ২০১৮ সালের ৬ জুন পান্থপথের আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট কার্যালয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেফতারের সময় আসিফ আকবরের অফিস কক্ষে চার বোতল টাকিলা মদ উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য অধিদফতরে পাঠানো হয়।লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই রাজধানীর তেজগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটি ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) টেবিলের ২৪ (ক) ধারায় দায়ের করা হয়।এইচএ

    প্রবাস

    সব দেখুন
    আরব আমিরাতে প্রাণ গেল বড়লেখার সালেখের
    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সালেখ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলী (৪৮) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বজনদের দাবি, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হয়েছেন। নিহত সালেখ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। রোববার (১ মার্চ) রাত নয়টায় দেশে থাকা সালেখের স্বজনরা তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সালেখ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করেন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। শনিবার তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পানির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যার সময় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপনাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেখসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা সালেখকে মৃত ঘোষণা করে। এদিকে সালেখের মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দেশে থাকা সালেখের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম রোববার রাত নয়টায় মুঠোফোনে জানান, গতকাল শনিবার থেকেই তারা সালেখের মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। আজ দুপুরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা সালেখের ভাইয়েরা তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। কীভাবে তিনি মারা গেলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা শুনেছেন ইরানের ছোড়া ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য যাচ্ছেন।স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান জানান, সালেখের মৃত্যুর খবর তিনি শুনে দুপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।এফএস

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ইফতারে বানিয়ে ফেলুন ঝটপট পটেটো চিজ বল
    প্রতিদিন ইফতারে একই খাবার খেতে কারই বা ভলো লাগে। তাই ইফতারে স্বাদের পরিবর্তন আনতে চট জলদি বানিয়ে ফেলুন মজাদার পটেটো চিজ বল। অল্প সময়ে খুব সহজ উপকরণে এই চিজ বল ঘরেই বানিয়ে ফেলুন। চলুন জেনে নেয়া যাক পুরো রেসিপিউপকরণ:১. সেদ্ধ আলু ২ কাপ২. কর্ণফ্লাওয়ার ৩ টেবিল চামচ৩. মোজারেলা চিজ কিউব প্রয়োজন অনুযায়ী৪. গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ৫. চিলি ফ্লেক্স অথবা কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ৬. ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ৭. লবণ স্বাদমতো৮. ডিম ১টি৯. ব্রেডক্রাম্ব বা বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ১০.তেল প্রয়োজনমতোপ্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে সেদ্ধ আলু ভালো করে ম্যাশ করে নিন। এরপর এতে লবণ, গোলমরিচ, চিলি ফ্লেক্স, কুচি করা ধনেপাতা ও কর্ণফ্লাওয়ার যোগ করে ভালোভাবে মেখে নিন।এরপর হাতের তালুতে সামান্য তেল মেখে আলুর মিশ্রণ থেকে অল্প পরিমাণ নিয়ে চ্যাপ্টা করুন। মাঝখানে এক টুকরো চিজ রেখে চারপাশ থেকে আলু তুলে ভালোভাবে মুড়িয়ে গোল বল বানিয়ে নিন।বলগুলো প্রথমে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে নিন,এরপর ব্রেডক্রাম্বে বলগুলো কোট করে নিন। বলগুলো তৈরি হয়ে গেলে ৩০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। এতে ভাজার সময় বল ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে।এরপর মাঝারি আঁচে পরিমান মতো দিয়ে তেল গরম করে বলগুলো সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।এইচএ

    Loading…