এইমাত্র
  • এবার রাজধানীতে জুতার কারখানায় আগুন
  • রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট
  • শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দেশজুড়ে যা করা হচ্ছে
  • অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন জুলাই সনদ: প্রধান উপদেষ্টা
  • ইন্দোনেশিয়া এপ্রিলেই গাজায় পাঠাতে পারে ১ হাজার সেনা
  • এথেন্সে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সিরিজ ‘তেহরান’-এর নির্মাতার লাশ উদ্ধার
  • আজ আমি বিদায় নেবার জন্য উপস্থিত হয়েছি: প্রধান উপদেষ্টা
  • সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে ইতিবাচক বিসিসিআই
  • রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ
  • ‘আমরা শুধু হত্যা করি না,আমরা ধর্ষণও করি’, ইসরায়েলি সেনার স্বীকারোক্তি
  • আজ মঙ্গলবার, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট
    রাজধানীর কারওয়ান বাজার এসএ পরিবহনের পাশের একটি কাঠের দোকানে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ২৮মিনিটে আগুনের খবর আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার শাহজাহান হোসেন।তিনি জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে আরও চারটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। থমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের কোনো খবর জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।এফএস
    শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দেশজুড়ে যা করা হচ্ছে
    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায়। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ২৯৬ জন এমপির শপথ অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে তথ্য মন্ত্রাণালয় থেকে এসব কথা জানিয়েছে।বলা হয়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মানিক মিয়া এভিনিউতে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।এছাড়াও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় সংসদ ও সন্নিহিত এলাকায় ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ থাকবে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর হতে মানিক মিয়া এভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ বা সীমিত থাকবে।এদিকে, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬৪ জেলায় বড় স্ক্রিনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।এফএস

    জাতীয়

    সব দেখুন
    শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দেশজুড়ে যা করা হচ্ছে
    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায়। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ২৯৬ জন এমপির শপথ অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে তথ্য মন্ত্রাণালয় থেকে এসব কথা জানিয়েছে।বলা হয়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মানিক মিয়া এভিনিউতে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।এছাড়াও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় সংসদ ও সন্নিহিত এলাকায় ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ থাকবে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর হতে মানিক মিয়া এভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ বা সীমিত থাকবে।এদিকে, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬৪ জেলায় বড় স্ক্রিনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।এফএস
    অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন জুলাই সনদ: প্রধান উপদেষ্টা
    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ছোট-বড়, ভালো-মন্দ অনেক কথা ভুলে গেলেও জুলাই সনদের কথা জাতি কখনো ভুলবে না। এই সনদ রচনা এবং গণভোটে পাস করানোর জন্য আমি সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, অধিকার রক্ষা প্রতিষ্ঠান যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে তাদের সবাইকে আজ অভিনন্দন জানাচ্ছি।’সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার ভাষণটি সম্প্রচার করে। তিনি আরো বলেন, ‘এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। যখন একজন ভোটার গর্ব ভরে এই নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে তখন একজন নাগরিক হিসেবে আমি আনন্দ ধরে রাখতে পারি না। আমি আশা করি, এই প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে আরো অনেক বেশি প্রবাসীরা নিশ্চিন্তে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব গ্রহণের সময় অর্থনীতি ছিল বিপর্যস্ত।ব্যাংকিংব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল, অর্থপাচার ছিল লাগামহীন। আমরা রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, করনীতি, মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক খাতে কাঠামোগত সংস্কার এনেছি।’তিনি বলেন, ‘তলাবিহীন অর্থনীতি আমাদের জন্য রেখে গেছিল আগের ফ্যাসিবাদী সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংককে ফতুর করে দিয়ে গেছে।২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করে নিয়ে গেছে। বিশাল ঋণের বোঝা রেখে গেছে। এসব আমাদের জানা কথা। আমরা যারা এই অর্থনীতি আবার চালু করার দায়িত্ব পেয়েছিলাম তারা দিশা খুঁজে পাচ্ছিলাম না।’তিনি আরো বলেন, ‘এখন যাওয়ার সময় স্বস্তি পাচ্ছি যে আমরা অবস্থার মোকাবেলা করতে পেরেছি এবং নতুন অর্থনীতির বুনিয়াদ রচনা করে রেখে যেতে পারছি।এখন আর পাওনাদাররা আমাদের তাড়া করতেও আসবে না। আন্তর্জাতিক লেনদেনে আমরা চোখে অন্ধকার দেখব না। আমাদের রিজার্ভের পরিমাণ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার। আমাদের দেশপ্রেমিক প্রবাসী ভাই-বোনদের রেমিট্যান্সের টাকায় এই রিজার্ভ ক্রমেই বাড়ছে।’নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে। টিসিবির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে। বাজার তদারকি ও মজুদদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।শ্রমিক অধিকারকে মানবাধিকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনসমূহ অনুসমর্থন করা হয়েছে—যা কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে। যুগান্তকারী নতুন শ্রম আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।প্রবাসীরা আমাদের অর্থনীতির প্রাণশক্তি। তাদের সুরক্ষা ও কল্যাণে আইন সংশোধন, বিদেশে আইনি সহায়তা, নতুন শ্রমচুক্তি এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।বন্দর ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ কাঠামোতে আমূল সংস্কারের মাধ্যমে ইউরোপীয় সর্ববৃহৎ বিনিয়োগসহ একাধিক কৌশলগত প্রকল্প এগিয়েছে। ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রবন্দর, মৎস্য ও আধুনিক টাউনশিপ উন্নয়নে নতুন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও দেশের মর্যাদা—এই তিনটি মূল ভিত্তি আমরা দৃঢ়ভাবে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। নতজানু পররাষ্ট্রনীতি কিংবা অপর দেশের নির্দেশনা ও পরামর্শনির্ভর বাংলাদেশ এখন আর নয়—আজকের বাংলাদেশ নিজের স্বাধীন স্বার্থ রক্ষায় আত্মবিশ্বাসী, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল। বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।রোহিঙ্গা সংকট আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতির ওপর একটি গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী চাপ সৃষ্টি করে রেখেছে। দুঃখজনকভাবে, দীর্ঘ সময় ধরে এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ দৃশ্যমান ছিল না। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মৃতপ্রায় এই ইস্যুটিকে পুনরায় বিশ্ব মনোযোগের কেন্দ্রে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।এই সংকটের গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতিসংঘ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব নিজে বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং সমস্যার টেকসই সমাধানে সহায়তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আমার অনুরোধে জাতিসংঘে রোহিঙ্গা বিষয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এফএস
    আজ আমি বিদায় নেবার জন্য উপস্থিত হয়েছি: প্রধান উপদেষ্টা
    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নেবার জন্য উপস্থিত হয়েছি।’সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন তিনি।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শুরুতেই আমি বাংলাদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ, ভোটার, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্মিলিতভাবে একটি প্রশংসনীয় নজির সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নির্বাচন কেমন হওয়া উচিত—এই নির্বাচন তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।’‘প্রিয় দেশবাসী, বিগত ১৮ মাস আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন শেষে, একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নেবার জন্য উপস্থিত হয়েছি।’৫ আগস্টের কথা স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘আজ বিদায়ের দিনে ৫ আগস্টের কথা স্মরণ করে আপনাদের কিছু কথা বলব। কী মহা মুক্তির দিন ছিল সেদিনটি! সে কী আনন্দের দিন! বাংলাদেশিরা দেশে-বিদেশে যে যেখানে ছিল আনন্দে চোখের পানি ফেলেছিল। দৈত্যের গ্রাস থেকে তরুণ ছাত্রছাত্রীরা দেশকে বের করে এনেছে। দেশ মুক্ত হয়েছে। কিন্তু দেশ সম্পূর্ণ অচল। অচল এই দেশটিকে কীভাবে সচল করা যাবে সেটা ছিল সবার মনে।’তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন জুলাই সনদ। যার ভিত্তিতে গণভোটে বিপুল ভোটের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চূড়ান্তভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এফএস
    রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ
    আজ রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেণ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার ভাষণটি সম্প্রচার করবে। এফএস
    তারেক রহমানের বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা
    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানরে বগুড়া-৬ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইসিতে চিঠি দেন। তিনি বগুড়া-৬ এবং ঢাকা-১৭ আসন দুটি থেকেই নির্বাচিত হন।ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদের (২)(ক) অনুযায়ী একজন সদস্য কেবল একটি আসনের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। তারেক রহমান ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্বাচনি এলাকা-১৯০ ঢাকা-১৭ এর প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা জানিয়ে কমিশনে স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্র দাখিল করেন। ফলে একই তারিখ থেকে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। তবে সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হওয়ার পর একজন সংসদ সদস্য কেবল একটি আসনের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এজন্য একাধিক আসনে জয়ী হলে শপথের আগেই একটি আসন রেখে বাকি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়। নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত না জানালে জয়ী হওয়া সব আসনই শূন্য ঘোষণার বিধান রয়েছে।আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট জারি হওয়ায় পরে এই আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে।১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে একজন প্রার্থী কয়টি আসনে নির্বাচন করতে পারবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট সীমা ছিল না। পরে সংশোধনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আসনের সীমা নির্ধারণ করা হয়। ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে ২০০৮-২০০৯ সালে আরপিও সংশোধন করে সেই সীমা কমিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্ধারণ করা হয়।এমআর-২
    নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াতে সিইসিকে চিঠি
    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। ওই দিন সকালে তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তাই সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সিইসিকে কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে, আমরা পেয়েছি।এদিন সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। প্রথমে বিএনপি জোটের, এরপর জামায়াত জোটের এবং পরে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের শপথ পড়াবেন তিনি।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠনের জন্য নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি ফল অনুযায়ী, ২৯৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি জয়ী হয়েছে ২০৯টি আসনে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে, এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে।এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন এবং খেলাফত মজলিস- প্রতিটি দল একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। আর সাতটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে বলেন, এমপিদের শপথ পড়ানোর জন্য আমরা সিইসিকে চিঠি দিয়েছি। সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।’এমআর-২
    বঙ্গোপসাগরে ৪.৩ মাত্রার ভূমিকম্প
    চট্টগ্রামের কক্সবাজার থেকে ২২২ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে বঙ্গোপসাগরে ৪ দশমিক ৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানায়, অগভীর এটি ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাটির নিচে ১০ কিলোমিটার। তবে কেউ এখন পর্যন্ত এটি অনুভব করার তথ্য জানায়নি।এমআর-২
    মির্জা আব্বাসের পক্ষে বাতিল হওয়া ভোট যোগ হয়নি: আফরোজা আব্বাস
    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের ভোটগ্রহণে প্রিসাইডিং অফিসাররা অনিয়ম করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আফরোজা আব্বাস।সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমন অভিযোগ করেন তিনি।আফরোজা আব্বাস বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী মির্জা আব্বাসের পক্ষ থেকে কোনো অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়নি। নির্বাচনে আমি প্রধান এজেন্ট ছিলাম বলেই সব কেন্দ্রে যাওয়ার এক্সেস আমার ছিল। আমি নিয়ম বহির্ভূতভাবে কোনো কেন্দ্রে গিয়ে প্রভাব বিস্তার করিনি।তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসাররা ফাঁকা জাগায় পড়া ভোট, ধানের শীষে যোগ করেনি; বরং তারাই অনিয়ম করেছে। বাতিল হওয়া ভোট বিষয়ে তিনি বলেন, ফাঁকা জায়গায় পড়া ভোটগুলো ধানের শীষে যোগ করার জন্য আবেদন আমরা করেছিলাম, যদিও কাজ হয়নি। যোগ হলে মির্জা আব্বাসের ঝুলিতে আরো কয়েক হাজার ভোট যোগ হতো।  এদিকে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হেরেও রাজপথের আলোচিত মুখ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও, ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছেন নাসীরুদ্দীন। ভোটের লড়াইয়ে ব্যবধান মাত্র ৫ হাজার ২০৯।  তবে এই ফল না মেনে নির্বাচন কমিশনে ভোট পুনঃগণনার আবেদন করেছেন নাসীরুদ্দীন। আবেদনে তিনি বলেন, সার্বিক বিবেচনায় ঢাকা-৮ আসনে অনিয়ম, কারচুপি ও বেআইনি প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ফলাফল অনুকূলে নেয়ার বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া এবং মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও তার সন্ত্রাসী কর্মী বাহিনীর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে ঢাকা-৮ আসনের ভোট পুনঃগণনার দাবি জানাচ্ছি এবং আইনানুগভাবে বাতিল ঘোষিত ভোট ধানের শীষের ভোট থেকে বাদ দিয়ে নতুন করে ফলাফল প্রকাশের অনুরোধ করছি।এমআর-২

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ রেখে সই করেছি: নাহিদ
    জুলাই সনদে যে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে- আমরা মনে করি নোট অব ডিসেন্ট কোনো সিদ্ধান্তের অংশ হতে পারে না। ফলে নোট অব ডিসেন্টে স্পষ্ট বক্তব্য থাকা প্রয়োজন। আমরা কিন্তু সই করিনি এবং পরবর্তীতে আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ দেওয়া হয়। যে আদেশের ভিত্তিতে এবারের নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জনগণের রায় সংস্কারের পক্ষে এসেছে, ন্যায়ের পক্ষে এসেছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় (প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে এসব কথা বলেন তিনি।  এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, স্বাক্ষরের কমেন্টে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ রেখে আমরা সই করেছি এবং গণভোটের গণরায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে এই সাপেক্ষে সই করেছি। ফলে আমাদের আজকের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদের সম্পূর্ণতা পেলো এবং আমাদের আগামীকাল থেকে এটার কাজ হচ্ছে যেই সংস্কার সভা হবে, সংস্কার পরিষদ হবে- সেই সংস্কার পরিষদে এটা জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের যে আদেশ সে আদেশ অনুযায়ী সংস্কারগুলোকে বাস্তবায়ন করা।  তিনি বলেন, এখন আমাদের আগামীকাল থেকে দায়িত্ব হচ্ছে এই রায় বাস্তবায়ন করা। এনসিপি সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ করেছে। আমরা সংসদে যাচ্ছি, এই জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা আমাদের ম্যান্ডেট। জনগণ আমাদের এই ম্যান্ডেট দিয়েছে। ফলে সেটার জন্য আমরা মনে করছি যে আগামীকাল শপথের আগে এবং এই অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে এই দলিলের সম্পূর্ণতার লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে আমাদের সই করা প্রয়োজন।নাহিদ বলেন, আজ অন্তর্বর্তী সরকারের শেষদিন। আমরা সরকারের আমন্ত্রণে যমুনায় এসেছিলাম জুলাই জাতীয় সনদ যে ঐকমত্যের দলিল সেটাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে স্বাক্ষর সম্পন্ন করার জন্য।তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বা এই সংস্কারের দাবি আমাদের একদম জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকেই ছিল। আমরা যে নতুন বন্দোবস্তের কথা বলেছি, রাষ্ট্রের সংস্কারের কথা বলেছি- পরে সংস্কার কমিশনের উদ্যোগে সবকিছুই সেই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং পরে জাতীয় নাগরিক কমিটি হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি আমরা সংস্কারের পক্ষে সবচেয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলাম। কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদ যেদিন সই হয়েছিল এনসিপি সেদিন সে অনুষ্ঠানে আসেনি এবং সই করেনি। কারণ, আমরা তখন বলেছিলাম যে এই জুলাই জাতীয় সনদের যে আইনি ভিত্তি সেই আইনি ভিত্তি নিরূপণ না হলে, আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে আমাদের আসলে এই ডকুমেন্টে সাইন করার কোনো মানে থাকবে না।    এমআর-২
    জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ রেখে সই করেছি: নাহিদ
    জুলাই সনদে যে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে- আমরা মনে করি নোট অব ডিসেন্ট কোনো সিদ্ধান্তের অংশ হতে পারে না। ফলে নোট অব ডিসেন্টে স্পষ্ট বক্তব্য থাকা প্রয়োজন। আমরা কিন্তু সই করিনি এবং পরবর্তীতে আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ দেওয়া হয়। যে আদেশের ভিত্তিতে এবারের নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জনগণের রায় সংস্কারের পক্ষে এসেছে, ন্যায়ের পক্ষে এসেছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় (প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে এসব কথা বলেন তিনি।  এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, স্বাক্ষরের কমেন্টে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ রেখে আমরা সই করেছি এবং গণভোটের গণরায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে এই সাপেক্ষে সই করেছি। ফলে আমাদের আজকের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদের সম্পূর্ণতা পেলো এবং আমাদের আগামীকাল থেকে এটার কাজ হচ্ছে যেই সংস্কার সভা হবে, সংস্কার পরিষদ হবে- সেই সংস্কার পরিষদে এটা জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের যে আদেশ সে আদেশ অনুযায়ী সংস্কারগুলোকে বাস্তবায়ন করা।  তিনি বলেন, এখন আমাদের আগামীকাল থেকে দায়িত্ব হচ্ছে এই রায় বাস্তবায়ন করা। এনসিপি সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ করেছে। আমরা সংসদে যাচ্ছি, এই জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা আমাদের ম্যান্ডেট। জনগণ আমাদের এই ম্যান্ডেট দিয়েছে। ফলে সেটার জন্য আমরা মনে করছি যে আগামীকাল শপথের আগে এবং এই অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে এই দলিলের সম্পূর্ণতার লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে আমাদের সই করা প্রয়োজন।নাহিদ বলেন, আজ অন্তর্বর্তী সরকারের শেষদিন। আমরা সরকারের আমন্ত্রণে যমুনায় এসেছিলাম জুলাই জাতীয় সনদ যে ঐকমত্যের দলিল সেটাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে স্বাক্ষর সম্পন্ন করার জন্য।তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বা এই সংস্কারের দাবি আমাদের একদম জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকেই ছিল। আমরা যে নতুন বন্দোবস্তের কথা বলেছি, রাষ্ট্রের সংস্কারের কথা বলেছি- পরে সংস্কার কমিশনের উদ্যোগে সবকিছুই সেই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং পরে জাতীয় নাগরিক কমিটি হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি আমরা সংস্কারের পক্ষে সবচেয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলাম। কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদ যেদিন সই হয়েছিল এনসিপি সেদিন সে অনুষ্ঠানে আসেনি এবং সই করেনি। কারণ, আমরা তখন বলেছিলাম যে এই জুলাই জাতীয় সনদের যে আইনি ভিত্তি সেই আইনি ভিত্তি নিরূপণ না হলে, আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে আমাদের আসলে এই ডকুমেন্টে সাইন করার কোনো মানে থাকবে না।    এমআর-২
    চরমোনাই পীরের বাসায় গেলেন তারেক রহমান
    জাতীয় নির্বাচন-পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাতের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করিমের বাসায় গেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় মিনিটে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকার সৈয়দ রেজাউল করিমের বাসায় প্রবেশ করেন তিনি।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। অপরদিকে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ও মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমাদ।এর আগে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রথমে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও পরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যান তারেক রহমান।এমআর-২
    ‘শেখ হাসিনায় আটকে থাকবে না বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’
    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনো ‘একটি ইস্যুতে’ আটকে থাকবে না। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান দ্বিপক্ষীয় এই সম্পর্কের অগ্রযাত্রায় বাধা হবে না বল জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রাজধানী ঢাকায় দলীয় কার্যালয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি শেখ হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। তাকে বিচারের মুখোমুখি করা এখন জনদাবি। ভারতের উচিত তাকে বাংলাদেশের (আমাদের) কাছে হস্তান্তর করা। তবে তাকে ফেরত না দিলেও বৃহত্তর সম্পর্ক-বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা-এগিয়ে নিতে তা বাধা হবে না।’ খবর দ্য হিন্দুর।বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রাক্কালে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়ে নেয়া হবে এবং ভারতের সঙ্গে উন্নয়ন অংশীদারত্ব জোরদার করা হবে। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানালেও নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক সাড়া দেয়নি।মির্জা ফখরুল বলেন, হাসিনা ও তার সরকারের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যে আইনি প্রক্রিয়া চলছে তা অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জটিল হলেও সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বন্ধ থাকা উচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, তবু তারা কাজ করছে।’গঙ্গা পানি চুক্তির নবায়ন, ফারাক্কা ইস্যু ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমরা যুদ্ধ করতে পারি না। আমাদের কথা বলতে হবে।’বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির উল্লেখ করে তিনি জানান, বাণিজ্য, প্রযুক্তি শিক্ষা, সক্ষমতা বাড়ানো ও ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে দুই দেশের সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে।এমআর-২
    প্রত্যেকটা ঘটনার হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নেব: নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী
    প্রত্যেকটি ঘটনার হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নেব বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত এক বিক্ষোভ-সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সারাদেশে সহিংসতা, নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে এ আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ওরা শুধু ভোট চুরি নয়, ডাকাতি করেছে। নির্বাচন ঘিরে যেসব বোনের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, পেটে লাথি মারা হয়েছে, বোরকা ধরে টান দেওয়া হয়েছে, গুলিবিদ্ধ করা হয়েছে; আমরা প্রত্যেকটির হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নেব ইনশাআল্লাহ।তিনি বলেন, এতদিন বলা হয়েছিল আমরা নাকি নির্বাচন চাই না। কিন্তু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি আমরাই বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই। তাই এখন আর কোনো নয়ছয় চলবে না। সংস্কারের পক্ষে জনগণ যে হ্যাঁ ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে।নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচনের পর আমরা ১১ দলীয় জোট আবারও জনগণের সামনে হাজির হয়েছি। আমরা বিরোধী দল হিসেবে রাজপথে থাকবো। জনগণের ওপর যারা নতুনভাবে জুলুম চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, আমরা তাদের কাছে ইঞ্চি ইঞ্চি করে বুঝে নেব।ওসমান হাদির বিচারের দাবি তুলে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-৮ আসনের এমপি হিসেবে আজ আমাদের মাঝে থাকতে পারতেন শহীদ ওসমান হাদি। কিন্তু আল্লাহ তাকে শহীদ হিসেবে নিয়ে গিয়েছেন। আমরা বিচারের দাবিতে মাঠে গিয়েছি। যেহেতু আজই এই বায়তুল মোকাররম থেকে বিরোধী দলীয় যাত্রা হচ্ছে, সেহেতু সরকারের কাছে আহ্বান জানাবো যেন দ্রুত গতিতে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়।এমআর-২
    জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলো এনসিপি
    জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে।জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘ সাত মাস ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়। সেদিন ২৪টি দল সনদে সই করে, পরে আরও একটি দল সই করেছে। তবে এনসিপি জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি, পরেও আর সনদে সই করেনি।তবে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগের দিন ১৬ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করলে পরবর্তী সময়ে সই করার সুযোগ থাকবে।সনদে সই না করার বিষয়ে তখন সংবাদ সম্মেলন করে তিনটি দাবি জানিয়েছিল এনসিপি। ১. জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ ও এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। ২. জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। ৩. গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’।এনসিপি পরেও আর সনদে সই করেনি। তবে গত ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এই আদেশের অধীনেই ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট হয়েছে। সেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে। গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।এমআর-২
    ‘ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় বিএনপি’
    বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত বিএনপি জানায় বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ম্যান্ডেট আছে নির্বাচন কমিশনের। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সে হিসেবে আগামীকাল সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানে  সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ পড়ানোর এখতিয়ার নেই সিইসির।  যদি সেটি সংবিধানে ধারণ করা হয়, সংবিধান সংশোধন হয় এবং কে শপথ পাঠ করাবে তা নির্ধারিত হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এমআর-২
    সন্ধ্যায় জুলাই সনদে সই করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি
    অবশেষে বহুল আলোচিত ‘জুলাই সনদে’ স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এ সময় শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।এদিন জুলাই সদন স্বাক্ষর করতে যমুনায় যাবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে থাকা নেতৃবৃন্দরা হলেন- এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।এর আগে আইনি ভিত্তি ও সংস্কারের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে ‘আপত্তির’ কারণে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত ছিল এনসিপি। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবং সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্য পূরণে দলটি ঐতিহাসিক এই সনদে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এফএস

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    ঢাকা-৯ আসনে জয়ী বিএনপির হাবিবুর রশিদ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন।হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৬৮১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৯৩টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৮টি।ইখা
    ঢাকা -৭ আসনে বিএনপির হামিদুর বিজয়ী
    ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)  সকাল পৌনে ছয়টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ কার্যালয়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।ঢাকা-৭ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৬১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৬টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৭৫টি।এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ হাজার ৫১৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ৫ হাজার ৮১ ভোট এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বটগাছ প্রতীকে ২ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়েছেন।পিএম
    ঢাকা-১৩: ৬৫ কেন্দ্রের ফলাফলে ২,৩৫১ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল, এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ২,৩৫১ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৬৫ টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৯১ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৪০ভোট।এসআর
    ঢাকা-১৩ : ৫৮ কেন্দ্রের ফলাফলে ৩৩১ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ৩৩১ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৫৮টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৬৪ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৩৩ ভোট।ইখা
    ঢাকা-১৩ : ৪৯ কেন্দ্রের ফলাফলে ১৭০ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল, এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ১৭০ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৪৯টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪৫৬ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৮৬ ভোট।ইখা
    দৌলতপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে গোলাগুলি, আহত ৩
    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।গুলিবিদ্ধরা হলেন—ওই এলাকার আনিচুর রহমান (৫৫), নবাব মাস্টার ও আশরাফুল ইসলাম।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে হঠাৎ করেই দুগ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে আনিচুর রহমানের বাড়ির টিন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই ঘটনার জের ধরেই এই গোলাগুলি হয়েছে।এ ঘটনায় দফাদারপাড়া এলাকার ময়জুদ্দিন দফাদারের ছেলে রিন্টু (২৬), সোহরাবের ছেলে দোয়েল (২৫), তুয়বুদ্দির ছেলে সিহাব (৫০) ও জালালসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮–১০ জন জড়িত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, "পূর্বশত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।"তিনি আরও বলেন, "পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"এনআই
    দামুড়হুদায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২
    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় হুমায়ুন হোসেন নামের এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর কাছ থেকে ৫০০ রিঙ্গিত ও নগদ ২০ হাজার বাংলাদেশি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠানো হয়েছে।এর আগে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামে এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী হুমায়ুন হোসেন কিশোরগঞ্জ জেলার শেওড়া গ্রামের আফতাব উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে শামীম হোসেন (২৬) ও রিন্টু (৩০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ধান্যঘরা গ্রামের রাজু নামের এক ব্যক্তি হুমায়ুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিলেন। রাজু পারিবারিক সমস্যার কথা বলে হুমায়ুনের কাছ থেকে ৫১ হাজার টাকা ধার নেন। এক মাস পর টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দীর্ঘদন ধরে টালবাহানা করছিলেন। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য হুমায়ুন রবিবার রাজুর বাড়িতে আসেন।হুমায়ুন জানান, রাজুর বাড়িতে কিছুক্ষণ বসার পর রাজু তাকে বলেন তার ভাই রানা টাকা দিয়ে দেবেন। এরপর রানা তাকে একটি ঘরের ভেতর নিয়ে যান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় এবং তার কাছে থাকা ৫০০ রিঙ্গিত ও নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন রাজু, রানা ও তাদের সহযোগীরা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়।দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, এ ব্যাপারে হুমায়ুন হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠানো হয়েছে। ছিনতাই হওয়া কিছু রিঙ্গিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এনআই
    পরিবেশবিদ থেকে সংসদে ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রী করার দাবি স্থানীয়দের
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট–৩ (রামপাল–মোংলা) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন পরিবেশবিদ ও ‘সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কও। নির্বাচনে বিজয়ের পর স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে তাকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করার দাবি উঠেছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় নির্বাচনে ২১৩টি আসনে জয়লাভের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে দলীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে। বাগেরহাট–৩ আসনের ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, পরিবেশ বিষয়ক দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে ড. শেখ ফরিদুল ইসলামকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা উপকূলীয় অঞ্চল ও সুন্দরবন সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ১৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৭৭ ভোট। তিনি ১৯ হাজার ৩১৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, রামপাল–মোংলা অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগতি এবং সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের মতে, মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে এসব বিষয়ে ভূমিকা রাখতে পারবেন।উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মৃধা ফারুকুল ইসলাম বলেন, “বিপুল ভোটে জয়লাভ জনগণের প্রত্যাশারই বহিঃপ্রকাশ। রামপাল ও মোংলা ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। উন্নয়নের জন্য বিশেষ নজর প্রয়োজন।”সুন্দরবন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন হাওলাদার বলেন, “শেখ ফরিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছেন। তাকে মন্ত্রী করা হলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”স্থানীয় দিনমজুর শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই আমাদের এলাকার উন্নয়নের জন্য শক্ত অবস্থান থাকুক। সে জন্য তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”বিশ্লেষকদের মতে, মোংলা সমুদ্রবন্দর, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকা জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ ও উন্নয়নের সমন্বয়ে দক্ষ নেতৃত্ব প্রয়োজন। তবে মন্ত্রিসভা গঠন সম্পূর্ণভাবে দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয় বলেও তারা উল্লেখ করেন।ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “এই বিজয় আমার একার নয়, বাগেরহাট–৩ আসনের মানুষের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সুন্দরবন সংরক্ষণে কাজ করাই এখন আমার অগ্রাধিকার।”উল্লেখ্য, ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ সংরক্ষণ, বনজীবী ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করে আসছেন।ইখা
    ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থেকে সংসদ সদস্য হলেন জামায়াত নেতা গফুর
    কুষ্টিয়ায় মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুল গফুর।১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গফুর প্রায় ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী কে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।জানা যায়, জামায়াত নেতা আব্দুল গফুর এর আগে ৩৩ বছর জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সর্বপ্রথম দুইবার ইউপি সদস্য, তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান, একবার উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে প্রথমবার সংসদ নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। উল্লেখ্য তার জীবনে কোন নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন নাই।এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর বলেন, ‘উপজেলার অঞ্জনগাছি গ্রামে আমাদের বাড়ি ছিল। ইউপি নির্বাচনে আমাদের সমাজ থেকে প্রতি বছর একজন ব্যক্তি ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতেন রেওয়াজ অনুযায়ী। আমার বাবাও ইউপি মেম্বার ছিলেন। ১৯৮২ সালে সমাজ থেকে একজন ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ঠিক আগ দিয়ে তিনি নির্বাচন করতে অনীহা প্রকাশ করেন। শেষ পর্যন্ত সমাজ মিটিং ডেকে হঠাৎ করেই আমাকে প্রার্থী করে। আমি তখন বয়সে তরুণ। লেখাপড়া করি। আমি তখন খুব একটা লোকজনের সাথে মিশতাম না। নির্বাচন করবো এমন ভাবনাও ছিল না। অপ্রস্তুত ছিলাম। এরপর সবার অনুরোধে ইউপি সদস্য পদে দাঁড়িয়ে আমি জয়লাভ করি। পরের বার আবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে একই পদে জয় লাভ করি। এরপর আমলা ইউনিয়ন থেকে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে জয়লাভ করি। এক টানা ১৫ বছর চেয়ারম্যান ছিলাম। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার উপজেলা নির্বাচনের তপশিল হলে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয়ী হয়।আব্দুল গফুর আরো বলেন, ‘জীবনে কখনো ভাবিনি সংসদ নির্বাচন করবো। ২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন ওই সময় মোল্লা মাহমুদ হাসান নামের একজন ইউএনও ছিলেন। তিনি আমাকে দেখে বলেছিলে আপনি এক সময় এমপি হবেন। আমি তখন বলেছিলাম, এমপি হবো এমন স্বপ্ন আমি কখনো দেখি না। এরপর আল্লাহর অশেষ রহমতে এবার নির্বাচিত হয়েছি। এটা বড় পাওয়া। আমি এলাকার মানুষের উন্নয়নে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই। এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসনে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।উল্লেখ্য এমপি আব্দুল গফুর কুষ্টিয়ায় মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের অন্জনগাছি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।এসআর
    মেহেরপুরে অপারেশনের সময় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিকে ভাঙচুর
    মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে জরায়ু-সংক্রান্ত অস্ত্রোপচারের সময় এক নারী রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ক্লিনিকে ভাঙচুর করেছেন বলে জানা গেছে। এ সময় ক্লিনিকের মালিক ও তার ছেলেকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।নিহত নাসিমা খাতুন (৫৫) গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মজিদুর রহমানের স্ত্রী।নাসিমার ছেলে নাজমুল হোসেন জানান, তার মায়ের জরায়ুতে সমস্যা থাকায় অস্ত্রোপচারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। “অপারেশনের সময় চিকিৎসকদের অবহেলা ও অসতর্কতার কারণে আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছে,” দাবি করেন তিনি।ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা ক্লিনিকের ভেতরে ভাঙচুর চালান। এ সময় ক্লিনিকের মালিক ডা. মিজানুর রহমান ও তার ছেলে ডা. অভিকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ বিষয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ইখা
    কোম্পানীগঞ্জে ভেকু চালককে পিটিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মৎস্য খামারের মাটি কাটার সময় এক ভেকু চালককে বেধড়ক পিটিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মতিন তোতার ছেলে ইব্রাহিম তোতাকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ভেকু চালক সোহাগ। এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরবালুয়া ৬নং ওয়ার্ডের তিনের খালের উত্তর পাশে এই হামলার ঘটনা ঘটে।এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সোহেল নামের এক ব্যক্তির জমিতে মাছের খামার তৈরির কাজ করছিলেন ভেকু চালক সোহাগ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ইব্রাহিম তোতার নির্দেশে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লোহার রড ও পাইপ নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা কাজ বন্ধ করতে বলে এবং চালকের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা চালক সোহাগকে গাড়ি থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে এলাপাথাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। একপর্যায়ে রিপন নামের এক সন্ত্রাসী চলন্ত গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেয়। এরপর অভিযুক্তরা রড ও পাইপ দিয়ে পিটিয়ে এসকেভেটর (ভেকু) মেশিনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।ভুক্তভোগী সোহাগ আরও অভিযোগ করেন, চাবি নিয়ে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা তাঁকে হুমকি দিয়ে বলে— ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে এলাকায় কাজ করতে দেওয়া হবে না এবং কাজ করলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) শিমুল জানান, অভিযোগ পেয়ে সোমবার দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এনআই
    অনিশ্চয়তার অবসান, নাফ নদীর ওপার থেকে ঘরে ফিরলেন ৭৩ জেলে
    নাফ নদীর ওপারে টানা কয়েক সপ্তাহ, কারও কারও ক্ষেত্রে মাসের পর মাস অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটানোর পর অবশেষে ঘরে ফিরলেন ৭৩ জেলে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফের জালিয়া পাড়া ট্রানজিট ঘাটে তাঁদের নিয়ে আসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঘাটে তখন অপেক্ষা করছিলেন স্বজনেরা; কেউ কান্না চেপে দাঁড়িয়ে, কেউবা মোবাইল ফোনে বাড়িতে খবর দিচ্ছেন। নৌকা থেকে একে একে নামতে থাকেন ক্লান্ত ও রোদে পোড়া মুখের মানুষগুলো।কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’ তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। দীর্ঘ আলোচনার পর তাঁদের ফেরত আনতে সক্ষম হয় বিজিবি।বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, "ধারাবাহিক আলোচনার ফলেই ৭৩ জেলেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আরাকান আর্মির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারে প্রবেশ করায় তাঁদের আটক করা হয়েছিল।"তিনি জানান, সোমবার দুপুরে বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্যরেখায় যায়। সেখানে আরাকান আর্মির সদস্যরা জেলেদের হস্তান্তর করেন। পরে তাঁদের জালিয়া পাড়া ট্রানজিট ঘাটে আনা হয় এবং প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।ঘাটে দেখা যায়, ফিরে এসেই অনেকে মাটিতে সেজদা দেন। কেউ জড়িয়ে ধরেন বাবাকে, কেউবা মায়ের কাঁধে মুখ লুকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। টেকনাফের হ্নীলা এলাকার এক জেলের স্ত্রী বলেন, "ওরা ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে প্রতিদিন নদীর দিকে তাকিয়ে থাকতাম। বাচ্চারা বাবাকে খুঁজত। আজ ওকে ফিরে পেয়েছি, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।"আরেক জেলে জানান, তাঁরা মাছ ধরতে গিয়ে হঠাৎ সশস্ত্র লোকজনের মুখোমুখি হন। এরপর তাঁদের ট্রলারসহ নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বলেন, "দিন-রাত একসঙ্গে কাটিয়েছি, কবে ছাড়বে জানতাম না। পরিবারের কথা মনে পড়লে বুকটা ফেটে যেত।"টেকনাফ উপকূল ও নাফ নদী এলাকায় জলসীমা নিয়ে বিভ্রান্তি নতুন নয়। স্থানীয় জেলেরা বলছেন, অনেক সময় স্রোতের টানে কিংবা মাছের পিছু নিতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে সীমারেখা অতিক্রম হয়ে যায়। কিন্তু তার পরিণতি হয়ে দাঁড়ায় আটক, অনিশ্চয়তা আর পরিবারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে অন্তত ২০০ জেলে ট্রলারসহ আরাকান আর্মির হাতে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এই ৭৩ জন ফিরলেন। বাকি জেলেদের ফেরাতে বিজিবির পক্ষ থেকে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ।ঘাটের ভিড় ধীরে ধীরে কমে এলে সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ছিল। ক্লান্ত জেলেরা পরিবারের সঙ্গে রওনা হন নিজ নিজ বাড়ির পথে। অনিশ্চয়তার অন্ধকার পেরিয়ে ফেরার এই মুহূর্ত তাঁদের কাছে যেন নতুন জীবনের শুরু। সীমান্তের টানাপোড়েনের মাঝেও ঘরে ফেরার আনন্দই শেষ পর্যন্ত বড় হয়ে ওঠে।এনআই
    উখিয়ায় বিএমইউজে’র শাখা ও দৈনিক আপন কণ্ঠের অফিস উদ্বোধন
    রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ার বিস্তীর্ণ জনপদের অনেক গল্পই মূল স্রোতের আলোচনায় আসে না। সীমান্ত, শরণার্থী শিবির, পাহাড় ও সমুদ্রঘেরা এই উপজেলার মানুষের জীবনসংগ্রাম, বঞ্চনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে)-এর উখিয়া উপজেলা শাখা। একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে দৈনিক আপন কণ্ঠ পত্রিকার উখিয়া অফিস।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী স্টেশনে ফিতা কেটে উপজেলা কার্যালয় ও অফিসের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে বিএমইউজে’র কক্সবাজার জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল আলীম নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১১ সদস্যের উখিয়া উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। নবগঠিত কমিটিতে দৈনিক আপন কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার ওসমান সরওয়ার সিকদারকে সভাপতি এবং দৈনিক মেহেদীর স্টাফ রিপোর্টার তারেকুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— সহসভাপতি জামান সিরাজী মাসুম (দৈনিক যুগ যুগান্তর) ও হেলাল উদ্দিন পল্লান (দৈনিক আপন কণ্ঠ), যুগ্ম সম্পাদক জাহেদ হোসেন (দৈনিক বাকখালী), সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম জালাল উদ্দীন কাউছার (দৈনিক গণসংযোগ), দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আইমন (বাংলাদেশ সকাল), প্রচার সম্পাদক নুরুল আলম, আইনবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাপ্পি (দৈনিক আমাদের কক্সবাজার) এবং সদস্য ওমর ফারুক ও আব্দুল আমিন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় দৈনিক যুগান্তরের ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ও গাজীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম। তিনি বলেন, “তৃণমূলের সাংবাদিকতা শক্তিশালী না হলে জাতীয় গণমাধ্যমের ভিত মজবুত হয় না। উখিয়ার মতো সংবেদনশীল এলাকায় সংগঠিত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রয়োজন আরও বেশি।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যায়যায়দিন-এর কক্সবাজার প্রতিনিধি জাবেদ আবেদীন শাহীন, দৈনিক আপন কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক সেলিম উদ্দিন সেলিম, সময়ের কণ্ঠস্বরের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট শাহীন মাহমুদ রাসেল, পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফোরকান চৌধুরী, উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিক আজাদ, দৈনিক ইনকিলাবের উখিয়া প্রতিনিধি আয়াজ রবি ও উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য আব্দুল লতিফ বাচ্চুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রায় অর্ধশত সাংবাদিক।নবনির্বাচিত সভাপতি ওসমান সরওয়ার সিকদার বলেন, “উখিয়া শুধু একটি প্রশাসনিক এলাকা নয়; এটি সীমান্ত, শরণার্থী ও স্থানীয় মানুষের সহাবস্থানের এক বাস্তবতা। আমরা চাই প্রান্তিক মানুষের কথা মূল ধারার আলোচনায় আসুক।” সাধারণ সম্পাদক তারেকুর রহমান বলেন, “সাংবাদিকতার পেশাগত মান রক্ষা এবং সহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষাই আমাদের অগ্রাধিকার। এই অফিস হবে সমন্বয় ও সহযোগিতার কেন্দ্র।”সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী এক বছরের মধ্যে উখিয়ায় কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গঠন করা হবে। পাশাপাশি পেশাগত প্রশিক্ষণ ও আইনি সহায়তার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়।এনআই
    নাঙ্গলকোটে মহানগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল ব্যাহত
    কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর ও নাঙ্গলকোট স্টেশনের মধ্যবর্তী খান্না পাড়া এলাকায় ঢাকাগামী ৭২১ নম্বর আন্তঃনগর ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, ট্রেনটির ৯ নম্বর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) চেয়ারকার বগির চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে শত শত যাত্রী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও বড় ধরনের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।নাঙ্গলকোট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার জামাল উদ্দিন এ বিষয়ে জানান, ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় আপ লাইনে (হাসানপুর-নাঙ্গলকোট অংশে) ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।তিনি আরও জানান, লাকসাম থেকে একটি রিলিফ (উদ্ধারকারী) ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করবে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এনআই
    এক ভোটে ভাঙল কর্ণেল অলির সাম্রাজ্য, চট্টগ্রাম-১৪ দখলে নিল বিএনপি!
    চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়ার একাংশ) সংসদীয় আসনে দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বড়সড় ছেদ পড়েছে। কর্নেল (অব.) অলি আহমদ-এর ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত এই আসনে পরাজিত হয়েছেন তাঁরই ছেলে, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র ছাতা প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক। আর এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই রাজনীতির মাঠে প্রকারান্তরে কর্নেল অলির দীর্ঘ দিনের একচ্ছত্র আধিপত্যের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমেদ পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। মাত্র ১ হাজার ২৬ ভোটের ব্যবধানে নির্ধারিত হয়েছে এই বহুল আলোচিত আসনের ফল।চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৪ বরাবরই কর্নেল অলির ব্যক্তিগত প্রভাবের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েও জীবনের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার কারণে বিতর্কিত হলেও ভোটের অঙ্কে অলির ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ছিল প্রশ্নাতীত।তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নিজে প্রার্থী না হয়ে উত্তরসূরি হিসেবে ছেলেকে মাঠে নামান। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সমর্থনে ছাতা প্রতীক নিয়ে ওমর ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শেষ পর্যন্ত সেই কৌশল সফল হয়নি।স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরাজয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ কর্নেল অলির রাজনৈতিক অবস্থানের বারবার পরিবর্তন। সারা জীবন জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতা করে শেষ বয়সে এসে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হওয়াকে ভোটাররা সহজভাবে গ্রহণ করেননি।একই সঙ্গে বিএনপি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর বিএনপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বক্তব্য, ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, এমনকি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, সবকিছু মিলিয়ে একসময়কার আস্থাভাজন এই নেতার প্রতি সাধারণ ভোটারের আস্থা বড় ধরনের চাপে পড়ে।প্রায় দুই যুগ পর বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয় বিএনপি। আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দীন আহমেদকে দলে টেনে এনে বড় ধরনের রাজনৈতিক চমক সৃষ্টি করে দলটি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিদ্ধান্তটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, তবে ফলাফলের বিচারে কার্যকর।এ পর্যায়েই উঠে আসে সবচেয়ে বিতর্কিত অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের আগে থেকেই জসিম উদ্দীন আহমেদ স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক, প্রথম সারির বেসরকারি টেলিভিশন এবং অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের ভূঁইফোড় সাংবাদিকদের বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে নিজের পক্ষে টেনে নেন। নির্বাচনের দিন আনুমানিক ২০০ জন সাংবাদিক হাইস ও নোহা গাড়িতে করে চন্দনাইশে অবস্থান করেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।এই অভিযোগ বিএনপি কিংবা জসিম উদ্দীন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করলেও, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।নির্বাচনী প্রচারণায় কর্নেল অলি ও জসিম উদ্দীন আহমেদ একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লিপ্ত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জয়ী হন জসিম উদ্দীন, আর পরাজিত হন অলি পরিবার।এ আসনে বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুল হক চৌধুরীর উপস্থিতিও নির্বাচনী সমীকরণে ভূমিকা রাখে। যদিও ভোট বিভক্তির আশঙ্কা ছিল, তবে চূড়ান্ত ফলাফল বলছে, সেই বিভক্তি বিএনপির মূল প্রার্থীর জয় ঠেকাতে পারেনি।নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫১৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৪৭ জন, নারী ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৫ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন।মোট বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৮টি। ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। মোট প্রার্থী ছিলেন ৮ জন।ভোট শেষে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন কর্নেল অলি আহমদ। ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, বিকেল চারটার পর কয়েকটি কেন্দ্রে জোরপূর্বক ব্যালট পেপার বাক্সে ঢোকানো হয়েছে। তিনি হাশিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাশিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান হাইস্কুলের নাম উল্লেখ করেন।এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকও আচরণবিধি লঙ্ঘন ও জাল ভোটের অভিযোগ করেন। অন্যদিকে এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে বিজয়ী প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমেদ সময়ের কণ্ঠস্বর-কে বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষের পক্ষে রায় দিয়েছে।১৯৮১ সাল থেকে ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া, যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং চন্দনাইশে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়নের ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও ৮৭ বছর বয়সে এসে কর্নেল অলির রাজনৈতিক জীবনে এই পরাজয় বড় এক প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে।রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের মতে, বয়স বিবেচনায় আগামী নির্বাচনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সে হিসেবে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে অলির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সাম্রাজ্যের অবসান ঘটেছে বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন, এই পরাজয় কি শুধুই একটি নির্বাচনী হার, নাকি দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সমাপ্তি?এসআর
    সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন
    রক্ত যখন, প্রয়োজন তখন, আমরা আছি এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংক-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের এম জে হলিডে রিসোর্টে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মো. ইকরামুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন আইসোডো কোম্পানি জাপানের চেয়ারম্যান মো. হিমু উদ্দিন।সিরাজদিখান ব্লাড ব্যংকের প্রতিষ্ঠিতা মিলন হাওলাদারের সঞ্চালনায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব মো. সাইয়্যেদুল বাশার।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এম জে হলিডে রিসোর্টের চেয়ারম্যান মিয়া আব্দুল মোমেন, সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের উপদেষ্টা মো. ইমরান হোসাইন,উপদেষ্টা মো. ইয়ার আলী হাওলাদার, উপদেষ্টা মো. জুয়েল শেখ, উপদেষ্টা ইকবাল হোসেন, সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, উপদেষ্টা মো. আমির হোসেন ঢালি, মুন্সিগঞ্জ জেলা হীরণ কিরন থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর আলম ঢালী, মুন্সিগঞ্জ জেলা হীরণ কিরন থিয়েটারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক  এসএম সুমন।এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক সাইফুজ্জামান লিটন, সমাজ সেবক জসিম চোকদার, শুভ সংঘের সভাপতি আবু রহমান রুয়েম, শান্তি সংঘের সভাপতি আল মামুনসহ অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকরা।আলোচনা সভা শেষে মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য ৪৩ টি সংগঠনের প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।এসআর
    মুন্সিগঞ্জে অটোরিকশা চালক সাকিল হত্যায় গ্রেপ্তার ৪
    মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার চর হায়দ্রাবাদ এলাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক সাকিল খালাসী (২৪) হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছিনতাইয়ের পর বিক্রি করে দেওয়া অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—রাজন শেখ (২৫), ইমরান সরকার (১৯), শরীফ সুলতান আফসু (২৫) ও মো. ইউসুফ গাজী (৬০)। তাদের বাড়ি সদর উপজেলার উত্তর চরমশুরা ও শহরের দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকায়।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম।তিনি জানান, গত রবিবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার রমজানবেগ এলাকার কাশবন থেকে নিখোঁজ অটোরিকশা চালক সাকিলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই জেলা ডিবি ও সদর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তার শরীফ সুলতান আফসু জুয়া খেলায় ২৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই টাকা পরিশোধ করতে বন্ধুদের নিয়ে তিনি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। গত ১৭ জানুয়ারি দুপুরে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে তারা সাকিলের অটোরিকশায় ওঠেন। ওই দিন সন্ধ্যার দিকে চরকিশোরগঞ্জ এলাকার ‘মিনি কক্সবাজার’-এর অদূরে মাফলার দিয়ে পেঁচিয়ে সাকিলের শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। পরে ইউসুফ গাজীর কাছে ২০ হাজার টাকায় অটোরিকশাটি বিক্রি করে দেন তারা।এনআই
    কালিয়াকৈরে উচ্ছেদ অভিযান, ৫ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার
    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় শামসুদ্দিন স্পিনিং মিলস সংলগ্ন সরকারি জায়গায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করা হচ্ছিল এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানকালে নেতৃত্ব দেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফাহিম শাহরিয়ারসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।প্রশাসন জানায়, সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ ফকরুল হোসাইন বলেন, “সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। কোনোভাবেই সরকারি জমি দখল করে রাখার সুযোগ দেওয়া হবে না।”এবি 
    সিদ্ধিরগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ির পানির ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
    নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সানারপাড় সাহেবপাড়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পানির ট্যাংক থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর স্থানীয় এক ব্যক্তি বাড়িটির ভেতরে গিয়ে পানির ট্যাংকের ভেতরে মরদেহটি দেখতে পান।তিনি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত ওই নারীর পরনে কালো বোরকা ছিল। মরদেহটি ট্যাংকের ভেতরে কীভাবে গেল এবং এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলামত সংগ্রহ ও নিহতের পরিচয় শনাক্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ করেছে।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক জানান, অজ্ঞাত নারীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং তদন্ত কার্যক্রম শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।এনআই
    কালিয়াকৈরে কাটা হাত উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ
    গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় একটি কাটা হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)  সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হাতটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাতটি কোনো ব্যক্তির শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে এটি দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের অংশ—তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কালিয়াকৈর থানার ওসি খন্দকার নাছির উদ্দিন  জানান, এখন পর্যন্ত হাতটির মালিকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের থানা ও হাসপাতালগুলোতে কোনো নিখোঁজ  গুরুতর আহত ব্যক্তির তথ্য মিলছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে ফরেনসিক পরীক্ষা ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন দিক তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তদন্তে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।পিএম
    বরগুনায় লোকালয়ে হনুমান, উচ্ছুক জনতার ভিড় 
    বরগুনার পাথরঘাটায় বিরল প্রজাতির একটি মুখকালো হনুমান ঘুরতে দেখা গেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩ টার সময় খাদ্যের সন্ধানে পাথরঘাটা পৌর শহরে বিভিন্ন এলাকায় হনুমানটিকে ঘুরতে দেখা যায়। বন্যপ্রাণী হঠাৎ লোকালয়ে চলে আসায় উৎসুক জনতা দেখতে ভিড় করছেন।এমনকি কেউ কলা বা পাউরুটি দিলে সেটি নিয়ে খায়।স্থানীয়রা জানান, খাবারের সন্ধানে মুখকালো হনুমানটি ছুটছে বাসাবাড়িতে, কখনও গাছের ডালে। হনুমানটি খাদ্যের অভাবে দলছুট হয়ে এই এলাকায় চলে এসেছে। খাবারের জন্য এটি মানুষের কাছাকাছি চলে আসে। মানুষ খাবার দিলে হনুমান সেই খাবার খেতে শুরু করে ।পাথরঘাটা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান  বলেন, মুখপোড়া হনুমান বনের বাইরে বাস করা হনুমানের একটি প্রজাতি। মনুষ্যসৃষ্ট বৈশ্বিক আবহাওয়া, মানুষের উৎপাত, খাদ্য, বন ও পরিবেশের কারণে হনুমানগুলো দলে দলে এলাকা ত্যাগ করে থাকে। কেউ ফিরে যায়, অনেক হনুমান মারাও যায়। এই হনুমানটা হয়তোবা দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই হনুমানটা প্রায় এইসব এলাকায় দেখা যায়। এ সময় তিনি হনুমানকে বিরক্ত না করে সম্ভব হলে প্রয়োজনীয় খাবার দিয়ে তাদের প্রাণ বাঁচাতে চেষ্টা করার আহ্বান জানান সবার প্রতি।এসআর
    চতুর্থবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় উপকূলবাসী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনে বিএনপি’র ভাইস-চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম মনি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। একাধিকবার নির্বাচিত হওয়ার কারণে তিনি এ অঞ্চলের রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলায় মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে এবং স্থানীয়রা আনন্দ প্রকাশ করেছেন।আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম মনি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-২ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৯১ ও ২০০১ সালে একই আসন থেকে বিজয়ী হন। এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নূরুল ইসলাম মনি পেয়েছেন ৯০ হাজার ৬৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা) ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৫ হাজার ২৪৭ ভোট। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২২টি এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৪০ জন। পোস্টাল ভোটার ছিলেন ৫ হাজার ৪ জন।বরগুনা-২ আসনটি বিষখালী ও বলেশ্বর নদীবেষ্টিত উপকূলীয় জনপদ। এখানে নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচিত। নির্বাচনি ইশতেহারে নূরুল ইসলাম মনি এ অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, মৎস্যসম্পদের আধুনিকায়ন, আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, উপকূল রক্ষা বাঁধ শক্তিশালীকরণ, আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানের বন্দরনগরী হিসেবে এলাকাকে গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন। বিজয়ের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।পাথরঘাটা পৌর শহরের বাসিন্দা কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “চারবারের এমপি হিসেবে মনি সাহেব এলাকার জন্য অনেক কাজ করেছেন। এবার আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানের কাছে চাই, মনিকে মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। তখন বরগুনা-২ আসনের উন্নয়ন আরও দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।”বামনা উপজেলার শিক্ষক আলম বলেন, “উপকূলীয় এই অঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে আরও বড় বিনিয়োগ দরকার। বরগুনা জেলায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই। যদি তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান, তাহলে এসব খাতে বিশেষ প্রকল্প আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।”রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনসমর্থন এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম মনি জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।তিনি মন্ত্রিত্ব পেলে উপকূলবাসীর জন্য সুফল বয়ে আনবে। এসআর
    ভোলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হত্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ
    ভোলার চরফ্যাশনে মাদক কেনার টাকা নিয়ে ছেলের সঙ্গে দ্বন্দ্বে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সম্রাটকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবী করেছেন তিনি।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ছাত্রদল নেতা সম্রাট।তিনি বলেন, ‘নিহত আবদুর রহিম ভূট্রুর ছেলে আমির হোসেন সাথে স্থানীয় দুই মাদক ব্যবসায়ী মো. আমজাদ হোসেন ও বেল্লালের মাদক বিক্রির চার হাজার টাকা নিয়ে বিরোধ ছিলো। আমি তাদের মধ্যকার বিরোধ মিমাংসার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাদের বিরোধ নিস্পত্তিতে আমি ব্যার্থ হই। এ দ্বন্ধের জেরে গত শনিবার রাতে দুর্বৃত্তরা আমির হোসেনের বাবা আবদুর রহিমেক কুপিয়ে হত্যা করে। কিন্ত একটি মহল আমাকে রাজনৈতিকভাবে সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ওই হত্যাকাণ্ডের মাস্মাটারইন্ড হিসেবে আমাকে সাংবাদিকেদের কাছে উপস্থাপন করে। এ হত্যার সঙ্গে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আমার প্রতিপক্ষ নিহতের পরিবারকে দিয়ে এ হত্যাকাণ্ডে আমি জড়িত বলে সংবাদকর্মীদের জানানো হয়েছে ‘ হত্যাকাণ্ডে তাকে জড়ানোর ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে এঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন।নিহতের ভাই মো. মফিজ বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্রাটের কোন সম্পর্ক নাই, যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত, আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো। একটি মহল হত্যাকাণ্ডটিকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।’ইখা
    বাউফলে হাত-পা বাঁধা যুবকের লাশ উদ্ধার
    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মো. শাকিল মৃধা (২২) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এলাকার একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় এই লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত শাকিল ওই ইউনিয়নের আব্দুস সোবাহান মৃধার ছেলে। তিনি ঢাকা-বাউফল-দশমিনা রুটের পরিবহনের আদাবাড়িয়া কাউন্টারের দায়িত্বে ছিলেন।স্থানীয় দফাদার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রবিবার ঘর থেকে বের হয়ে শাকিল রাতে আর ফেরেননি। সোমবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এলাকার একটি পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত-পা বাঁধা ও শীতের পোশাক পরিহিত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শাকিলের স্বজনরা এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন।শাকিলের বড় ভাই অ্যাডভোকেট লিটন মৃধা দাবি করেন, তার ভাই শাকিলকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, "লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"এনআই
    চরফ্যাশনে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় ‘সাজানো’ ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
    ভোলার চরফ্যাশনে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তিন যুবককে ‘সাজানো’ ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নুর করিমসহ মামলার অন্য আসামিরা এই অভিযোগ করেন।লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা জানান, হাসান সরদার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান করলেও বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও সহকারীদের সঙ্গে সখ্য থাকায় সেসব যানে করে চরফ্যাশনসহ ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় মাদক পাচার করে আসছিলেন। এতে যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ায় আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শত শত নারী-পুরুষ তার বিচারের দাবিতে ইতিপূর্বে ঝাড়ু মিছিল করেছেন।মাদকের বিরুদ্ধে এই জনমত ও প্রতিবাদ গড়ে তোলায় হাসান সরদারের মাদক ব্যবসায় ব্যাঘাত ঘটে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাসান সরদার স্থানীয় প্রতিবাদকারী নুর করিমের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন এবং তার স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে জখমসহ তাকে মারধর করেন। এরপরও ক্ষান্ত না হয়ে নিজের মাদক ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে নুর করিম, হানিফ ও নাজমুলকে আসামি করে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নিজের স্ত্রীকে দিয়ে চরফ্যাশন থানায় একটি ‘সাজানো’ ধর্ষণ মামলা করিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা এই মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।অভিযোগ প্রসঙ্গে হাসান সরদার বলেন, "আমি চট্টগ্রামে ব্যবসা করি। এলাকায় মাদক বিক্রির সাথে আমি জড়িত নই।"চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্তেই ঘটনার সত্য-মিথ্যা বেরিয়ে আসবে।এনআই
    ভালুকায় মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলারের দাপট, বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে অবৈধ থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানের বেপরোয়া চলাচলে বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন শত শত অবৈধ যানবাহন মহাসড়ক ও সংযোগ সড়কে চলাচল করছে। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যানবাহনের চালকেরা।সরেজমিনে দেখা গেছে, ভালুকা বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড়, পল্লী বিদ্যুৎ মোড়, সরকারি কলেজ এলাকা, ভরাডোবা ইউনিয়নের নতুন ও পুরোনো বাসস্ট্যান্ড, হাজির বাজার, মায়ের মসজিদ ও আইডিয়াল মোড়সহ অন্তত অর্ধশতাধিক স্থানে এসব যানবাহনের আধিপত্য রয়েছে। অধিকাংশ চালকেরই নেই বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং হঠাৎ ব্রেক করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের কারণে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।পৌর এলাকার বাসিন্দা হাবিব (৩৮) বলেন, “মহাসড়কের প্রায় প্রতিটি মোড়েই অটোরিকশা উল্টো দিক থেকে ঢুকে পড়ে। পথচারীদের হাঁটার জায়গা নেই। স্কুল-কলেজের সামনে যানজটে অ্যাম্বুলেন্সও আটকে থাকে। এতে জরুরি রোগী পরিবহনে বড় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।”ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে চলাচলকারী ট্রাকচালক হুমায়ুন (৫০) বলেন, “অটোচালকেরা বড় গাড়ির সামনে হঠাৎ লাইন কেটে দেয়। ব্রেক করলে সংঘর্ষ এড়ানো যায় না। গত মাসে এমন ঘটনায় একজনের পা ভেঙে গেছে।”নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় নাগরিক অভিযোগ করেন, অবৈধ অটোরিকশা চালকদের একটি অংশ ভাসমান। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মাদক পরিবহন, চুরি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাবি, গত বছর মাস্টারবাড়ী এলাকায় অটোচালকের ছদ্মবেশে ছিনতাইয়ের পর এক যুবককে হত্যা করা হয়েছিল। এমন আরও অনেক ঘটনা আড়ালেই থেকে যায়।এ বিষয়ে ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, “ভালুকা অঞ্চলে থ্রি-হুইলার ও অটোরিকশার সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ছে। তারপরও গত দুই মাসে ছয় শতাধিক অটো জব্দ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে টহল জোরদার করা হয়েছে।”স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত অভিযান, লাইসেন্স যাচাই, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্ধারণ এবং কঠোর শাস্তির মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ চান তারা।ইখা
    ভালুকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার, এমপির হস্তক্ষেপ দাবি
    ময়মনসিংহের ভালুকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর শহরজুড়ে সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।স্থানীয়রা জানান, চায়ের দোকান, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নিয়মিত জটলা করে থাকে এসব দলের সদস্যরা। বিশেষ করে স্কুল–কলেজ ছুটির সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি বাড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সারোয়ার আহম্মদ অপু সংসদ সদস্য ফখরুদ্দীন আহমেদ বাচ্চুর কাছে কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত ভালুকা গড়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চান। উঠতি বয়সী কিশোররা মাদক ও সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে—এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ প্রয়োজন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাভিত্তিক ছোট-বড় কয়েকটি গ্যাং গড়ে তুলে সংঘবদ্ধভাবে নানা অপরাধে জড়াচ্ছে কিশোররা। তরুণীদের উত্ত্যক্ত করা, চুরি–ছিনতাই, মাদক বহন ও বিক্রি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।গত ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় রাতুল পাঠান (১১) নামে এক শিক্ষার্থী আহত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের সামনে একটি চায়ের দোকান এলাকায় টাকা দাবি করা হয় তার কাছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গলায় ১৮টি সেলাই দিতে হয় বলে জানান তার বাবা এমদাদ পাঠান।পৌর শহরের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচলে সড়কে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা কঠিন হয়ে পড়েছে। আরেক ব্যবসায়ী আশিকুর রহমান বলেন, দলবদ্ধ আড্ডা ও উৎপাতের কারণে দোকান চালানো দায় হয়ে গেছে।এদিকে এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও প্রভাবের কারণে এসব কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁদের দাবি, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে ভালুকাকে কিশোর গ্যাং ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত করা হোক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি, অভিভাবক সচেতনতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার সমন্বিত উদ্যোগেই ফিরতে পারে স্বস্তি।ইখা
    জামালপুর-১ আসনের তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
    জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৩ প্রার্থীর, যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টির একেএম ফজলুল হক ও গণঅধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)   দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬ ভোট।বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থীর জামানত রক্ষা করতে হলে তাঁকে কমপক্ষে মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে হবে। শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ব্যতিত বাকি ৩ প্রার্থীর কেউ এই ভোট পাননি।এরমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬ ভোট পেয়ে জামানত বাজয়োপ্ত হয়।জামানত রক্ষায় এই আসনের প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ৩৪ হাজার ৫৯৪ টি ভোট না পাওয়ায় ওই তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানান, এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে। যারা প্রাপ্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট পান নি তাদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।উল্লেখ্য, জামালপুর-১ আসনে ১২৮ ভোট কেন্দ্রে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। এরমধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪ ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৬৫. ০৮ শতাংশ।এনআই
    জামালপুরের পাঁচটি আসনে জামানত হারালেন ২৪ প্রার্থী
    জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টির ও গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ ২৪ জন জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, ‘কোনো সংসদীয় আসনে সংগৃহীত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট অর্জন করতে না পারলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী প্রাপ্ত ফলাফলে এসব প্রার্থী নির্ধারিত সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত হারিয়েছেন।’জামালপুর-১ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি।এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রউফ তালুকদার। তিনি ৪ হাজার ১২১ ভোট পেয়েছেন। গণ অধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলামের ২২৬ ভোট ও জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ৯৩১ ভোট পেয়েছেন। জামালপুর-২ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৬০ হাজার ১৮১।জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান মাহমুদ। তিনি ভোট পান ১ হাজার ৭১৩, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান ১৭৪ ভোট পেয়েছেন। জামালপুর-৩ আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৪৬। এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী।তিনি ভোট পান ২ হাজার ৫৪৬টি, গণ অধিকার পরিষদের লিটন মিয়া ৪১২টি, জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম ৮৪৪টি, গণসংহতি আন্দোলনের ফিদেল নঈম ৬৪৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাদিকুর রহমান ১২ হাজার ৫২ ভোট, শিবলুল বারী রাজু ১০ হাজার ৫২৩ ভোট এবং ফারজানা ফরিদ ২৮৪টি ভোট‌ পেয়েছেন। জামালপুর-৪ এ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩১। এ আসনে ১ হাজার ৩০২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলী আকবর। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের মো. ইকবাল হোসেন পান ৩৮৩টি, নাগরিক ঐক্যের মো. কবির হাসান ৩৭৯টি ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মাহবুব জামান জুয়েল ১ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।  জামালপুর-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৬টি বৈধ ভোট পড়েছে।এখানে জামানত হারিয়েছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সাঈদ মোহাম্মদ সা. আদাত-উল করীম। তিনি ভোট পান ২২৫টি, গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন ৫৩৯টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আমিন উদ্দিন ৫৮০টি, জাতীয় পার্টির মো.বাবর আলী খান ৩ হাজার ৭৩৯টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শেখ মো. আক্কাস আলী ৫৪৭ টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ ইউনুস আলী ৪ হাজার ২৮২ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ইব্রাহীম আহমদ ৩৫৪টি এবং হোছনেয়ারা বেগম ২৪৫ ভোট পেয়েছেন। প্রাপ্ত ভোটের হার প্রয়োজনীয় সীমার নিচে থাকায় তাদের জামানত হারিয়েছেন।জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থী মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।এসআর
    চাঁদাবাজমুক্ত ভালুকা ঘোষণায় কঠোর বার্তা নবনির্বাচিত এমপির
    ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু আজ থেকে “চাঁদাবাজমুক্ত ভালুকা” ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।বিকেল গড়াতেই মাঠে জড়ো হন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। বক্তব্যের শুরুতেই নবনির্বাচিত এমপি বলেন, ভালুকাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজি, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।তিনি প্রশাসনের প্রতি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। যারা চাঁদাবাজি বা জুয়ার আসর বসিয়ে অর্থ উপার্জন করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।নিজ দলের নেতাকর্মীদের প্রতিও কঠোর বার্তা দেন তিনি। বলেন, দলের কোনো নেতা বা কর্মী যদি চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ কিংবা জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে আজ থেকেই নিজেকে সংশোধন করুন। অন্যথায় দলীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না, আইনের আওতায় আনা হবে।বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি আবেগঘন আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রিয় ভালুকাবাসী, আসুন আমরা কাঁধে কাঁধ রেখে আগামী দিনে ভালুকাকে একটি আধুনিক শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তুলি। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ আমাকে সহযোগিতা করুন।জনসভায় উপস্থিত অনেকেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের এ ঘোষণাকে স্বাগত জানান। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন ঘটলে ভালুকায় শৃঙ্খলা ও সুশাসনের নতুন পরিবেশ তৈরি হবে।এসআর
    ফুলবাড়ীতে জমিদারবাড়ির শিবমন্দিরে চতুর্দশী ব্রত, ভক্তদের ঢল
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়ির শিবমন্দিরে শিব চতুর্দশী ব্রত উপলক্ষে হাজারো ভক্তের সমাগম হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এই ধর্মীয় আয়োজনে পূজা-অর্চনা, ভজন সংগীত ও নানা আনুষ্ঠানিকতায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার পর তিথি অনুযায়ী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নারী ভক্তরা শিবমন্দিরে দুধ, কলা ও প্রদীপ জ্বালিয়ে স্বামীর মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি বহু কুমারী মেয়ে ভালো জীবনসঙ্গী লাভের আশায় বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন।সোমবার সকাল থেকে পুনরায় পূজা-অর্চনা শুরু হয়। দিনভর শতশত নারী-পুরুষ ও কুমারী মেয়ের উপস্থিতিতে জমিদারবাড়ির মন্দির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। ভক্তরা দুধ, ফল, চিনি ও আগরবাতি নিয়ে শিবের আরাধনা করেন। আয়োজক কমিটির উদ্যোগে রাতে ভজন সংগীতের আয়োজন করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রত পালনের সমাপ্তি ঘটে।মন্দির কমিটির সদস্যরা জানান, বাংলা বর্ষপঞ্জির ফাল্গুন মাসের চতুর্দশী তিথিকে শিব চতুর্দশী বা মহাশিবরাত্রি হিসেবে পালিত হয়। এদিন উপবাস, স্নান ও বিশেষ পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে ভক্তরা শিবের কাছে প্রার্থনা করেন।ফুলবাড়ী উপজেলা সদর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী শিবমন্দিরটি অবিভক্ত ভারতবর্ষের সময় নাওডাঙ্গা পরগনার জমিদার বাহাদুর শ্রীযুক্ত বাবু প্রমদা রঞ্জন বক্সী নির্মাণ করেন। আট দেয়ালবিশিষ্ট মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট এবং ভেতরের ব্যাস ১২ ফুট। জমিদারি আমলে এখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হতো বলে জানা যায়।স্থানীয় কুমারী মেয়ে প্রজ্ঞা রায় ও স্মৃতি রায় বলেন, “শিবের কাছে মনের ইচ্ছা প্রকাশ করলে তা পূরণ হয়—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা প্রার্থনা করতে এসেছি।” অসীম চন্দ্র রায় বলেন, “পরিবারের সুখ-শান্তি ও কল্যাণ কামনায় শিবের আরাধনা করেছি।”নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ি শিবমন্দির উদযাপন কমিটির সভাপতি সৌরেন্দ্র চন্দ্র গোস্বামী (পল্টু) বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শিব চতুর্দশী ব্রত পালিত হয়েছে। শতশত নারী ও কুমারী মেয়েরা শিবের মাথায় দুধ ও ফুল অর্পণ করে পরিবার, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেছেন।”বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি কার্তিক চন্দ্র সরকার এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ফুলবাড়ী শাখার সভাপতি সুনীল চন্দ্র রায় জানান, নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ির শিবমন্দিরসহ উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শিব চতুর্দশী ব্রত পালিত হয়েছে।ইখা
    বিরামপুরে ভুট্টা ক্ষেত থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
    দিনাজপুরের বিরামপুরে ভুট্টা ক্ষেত থেকে স্বাধীন (১৬) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের কাউয়াভাসা এলাকার রাস্তা সংলগ্ন একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা প্রথমে ক্ষেতের মধ্যে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।স্বাধীন (১৬) পাশ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের নরহরিপুর গ্রামের মো. ওবাইদুল ইসলামের ছেলে।খবর পেয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি তদন্ত) আতাউর রহমান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এনআই
    ঠাকুরগাঁওয়ে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
    ঠাকুরগাঁওয়ে গভীর রাতে ওয়ারন্ট ভুক্ত আসামী ধরতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহিদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের সেনুয়া সরদারপাড়া গ্রামে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার।তিনি জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনে পীরগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই পদে শহিদুল ইসলামের ১ম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ী রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। সেখানে ২য় দফায় জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।এসআর
    দিনাজপুরে নারীর মরদেহ উদ্ধার
    দিনাজপুরের হিলিতে ফাহিমা বেগম (৪৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার চুরিপট্টি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।​নিহত ফাহিমা বেগম গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার বড়াই পাড়া গ্রামের বাদল দেওয়ানের মেয়ে।​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সন্ধ্যায় চুরিপট্টি এলাকার মুক্তার নামের এক স্থানীয় বাসিন্দার বাড়িতে এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ​হাকিমপুর থানার উপ-পরিদর্শ (এসআই) মাহফুজ আলম বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।এনআই
    দিনাজপুরে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট '২৬ -এ দিনাজপুরের  ৬টি সংসদীয় আসনে ২৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নিয়মানুযায়ী মোট বৈধ ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।দিনাজপুর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিলহাজ উদ্দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি  সকালে ভোরের আকাশকে  জানান, বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ১৩ জন প্রার্থী ছাড়া বাকি সবার জামানত বাতিল হয়।তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দিনাজপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৩৩ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪ হাজার ৯৫ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. মনজুরুল ইসলাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই হিসেবে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন অন্তত ৩৮ হাজার ১১টি ভোট পাওয়া। এই আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে দুই জন ছাড়া অন্য ৪ প্রার্থীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫ জন ভোটার। এই আসনে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭১ হাজার ১৯৯টি।এ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামি প্রার্থী এ.কে.এম আফজালুল আনাম পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮৭ ভোট। আসনটিতে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া অন্য ৬ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৩৭ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এই আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬২৮টি। আসনটিতে বিএনপি'র মনোনীত  প্রার্থী প্রাক্তন মেয়র  সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ১ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত  প্রার্থী অ্যাড. মো. মাইনুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট। আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৩৫ হাজার ৪৫৩ ভোট। এই আসনের ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত ছাড়া অন্য ৬ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।দিনাজপুর-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬ হাজার ৯৯১ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৯৮ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এই আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৬২৪টি। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান মিয়া এক লাখ ৩৬ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. আফতাব উদ্দীন মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট।আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৩৭ হাজার ৫৭৮ ভোট। এ আসনের ৪'জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত ছাড়া অন্য ২ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-৫ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫১৬ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৭৫৮ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এই আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৫টি। আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) এজেডএম রেজওয়ানুল হক ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় সমর্থিত  এনসিপি'র শাপলাকলি প্রতীকের প্রার্থী  ডা. আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। এছাড়া বিএনপি'র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের  প্রার্থী ব্যারিস্টার একেএম কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৫৪৪ ভোট।আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৪১ হাজার ৬৩০ ভোট। এ আসনের ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি, এনসিপি ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া অন্য ৩ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-৬ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৬১২ জন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭ হাজার ২৭৭ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এ আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৪ লাখ ১ হাজার ১৮৮টি। আসনটিতে বিএনপি'র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ২ লাখ ৫ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেন।   তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের  প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট।আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৫০ হাজার ১৪৮ ভোট। এ আসনের ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া অন্য ৪ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ এর দিনাজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এনআই
    চৌহালীতে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও জাটকা জব্দ
    সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা নদীতে জাটকা শিকারের অপরাধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল ও জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জাটকাগুলো স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন— চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার রায়, বেলকুচি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আল মাসুদ, চৌহালী মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র ক্ষেত্র সহকারী মো. শফিকুল ইসলাম শফিক এবং এনায়েতপুর থানার এএসআই মো. সবুজ মিয়াসহ পুলিশের একটি চৌকস দল।মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিনব্যাপী যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি জাটকা ইলিশসহ প্রায় ৯ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জালগুলো নদীর পাড়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে এবং মাছগুলো এতিম শিশুদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হয়।এনআই
    ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে ‘খাসির মাংস’ বিক্রির হোতা আটক
    নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে ‘খাসির মাংস’ হিসেবে বিক্রির প্রধান অভিযুক্ত কসাই এনতাজুলকে (৫৫) আটক করেছে জনতা।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার নানাইচ এলাকায় তাকে দেখতে পেয়ে আটক করে স্থানীয়রা। আটক এনতাজুল মঙ্গলবাড়ী বাজার এলাকার অলি শাহর ছেলে।এর আগে গত রবিবার সকালে মঙ্গলবাড়ী এলাকার মাংস বিক্রেতা এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মিয়া মিলে একটি আলুক্ষেতে একটি কুকুর জবাই করেন। পরে কুকুরের মাংস খাসির মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে মাংস ফেলে রেখে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে ওই দিনই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কুকুরের মাথা, চামড়া ও প্রায় ২৫ কেজি মাংস উদ্ধার করে।ধামইরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, উত্তেজিত জনগণের হাত থেকে এনতাজুলকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এনআই
    অবশেষে গ্রেফতার সেই কিলার করিম 
    নাটোরর সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়নের নাছিয়ারকান্দী এলাকায় অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার আসামি আব্দুল করিম ওরফে কিলার করিমকে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।রবিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে তাঁর নিজ বাড়ি নাছিয়ারকান্দি থেকে তাঁকে আটক করে ডিবি পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নাটোর আদালতে হাজির করলে তাঁকে ৭ দিনের রিমান্ড মন্জুর করে সিংড়া আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান।ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল করিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি পলাতক ছিলেন। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।নাটোরের ডিবির ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোর ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে আসামি কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়, পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি রাতে উপজেলার কলম গ্রামে প্রভাষক রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামী ছিলো উপজেলার নাছিয়ারকান্দি গ্রামের মৃত পঁচাই প্রামানিক হোসেন ছেলে আব্দুল করিম (৫২) ওরপে কিলার করিম।এসআর
    সাবেক চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করায় যুবদল নেতা বহিষ্কার
    নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১১নং ছাতারদিঘী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামিম হোসেনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি গত শনিবার দুপুরে ছাতারদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন আকন্দকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তিনি আলোচনায় আসেন।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং নানা অনাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে কার্যকর করেছেন।কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুর ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত নেতা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অপকর্মে জড়িত হলে তার দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা শামিম হোসেন বলেন, "ঘটনার দিন পরিস্থিতি আকস্মিকভাবে সৃষ্টি হয়েছিল। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করিনি। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং দলের আদর্শের প্রতিই আস্থাশীল।"এনআই
    সিরাজগঞ্জে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
    ভোট কারচুপি ও প্রশাসনের একপেশে আচরণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডস্থ জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, "প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দেওয়ার পরও কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো সাধারণ ভোটার ও আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি প্রদর্শন, মিথ্যা অপপ্রচার, প্রচার মিছিলে হামলা এবং নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে।"ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, "ভোটের আগের দিন আমার পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে আমার প্রাপ্ত ভোটকে অবৈধ ঘোষণা এবং প্রতিপক্ষের বাতিল হওয়া ভোটকে বৈধ দেখানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। ফলাফল শিটে প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে ঘষামাজা করে জালিয়াতি করা হয়েছে।"সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ, কামারখন্দ উপজেলা আমির আবু ইউসুফ ও শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামীম রেজাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (ধানের শীষ) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট।এনআই
    আগামীকাল টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
    সিলেট মহানগরীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্রান্সফরমার মেরামত ও সংস্কার এবং সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন কাজের জন্য টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেট নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টানা ৯ ঘণ্টা সিলেট নগরীর লালাবাজার ফিডারের আওতাধীন তেলিবাজার, বদিকোনা, ভালকি, ভরাউট, লালাবাজার নিজগাঁও, টেংরা, বেতসান্ধি, মুন্সীরগাঁও, মুন্সিবাজার, ফরহাদপুর, কারাড়পাড়, গাঙ্গাপাড়, মনোকুপা, আলমনগর, ছমিপুরসহ আশপাশের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে ।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে বলেও জানানো হয়। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী।   এমআর-২
    হবিগঞ্জে জামানত হারাচ্ছেন ১৬ প্রার্থী 
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার চারটি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) কম ভোট পেলে তাঁর জামানত ফেরতযোগ্য থাকে না।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ-১ আসনে ২ জন, হবিগঞ্জ-২ আসনে ৩ জন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে ৪ জন এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।হবিগঞ্জ-১এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ১৫ হাজার ১৭৭। জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ (মোটরগাড়ি) পেয়েছেন ৬৪৪ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার) পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭২ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।হবিগঞ্জ-২মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৯৭৫। স্বতন্ত্র প্রার্থী আফছার আহমদ (ফুটবল) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী (লাঙ্গল) ৯৪১ ভোট এবং বাসদের লুকমান আহমদ তালুকদার (মই) পেয়েছেন ৪৪৮ ভোট। তারাও নির্ধারিত সীমার কম ভোট পেয়েছেন।হবিগঞ্জ-৩এ আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৮। ইসলামী আন্দোলনের মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুমিন চৌধুরী (লাঙ্গল) ১ হাজার ২৫৯ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্টের এসএম সরওয়ার (মোমবাতি) ১৪ হাজার ১৩৩ ভোট এবং সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শাহিনুর রহমান (ছড়ি) পেয়েছেন ১৩২ ভোট। এ চারজনের জামানতও বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।হবিগঞ্জ-৪এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৭। খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৪৪৬ ভোট। এছাড়া বাসদের মো. মুজিবুর রহমান (মই) ৩২৯, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল) ৪৮৪, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি) ৪৮৪, মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন) ৫৩৬, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ৬৫২ এবং এসএ সাজন (ফুটবল) ৬১৯ ভোট পেয়েছেন। তারাও প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানত রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।উল্লেখ, এবারের নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার ৪টি আসনে মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেনএসআর
    হবিগঞ্জের ৪ টি আসনেই বিএনপি প্রার্থীর জয় 
    হবিগঞ্জের ৪টি আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) প্রার্থীরা। এ জেলায় জামায়াত ও তার ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গী কোন দল কোন আসনে বিজয়ী হননি।বৃহস্পতিবার দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে ভোটগণনা করে রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।হবিগঞ্জ ১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী ড, রেজা কিবরিয়া ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকশা) পেয়েছেন ৫৬হাজার ২১শ ৩২ভোট।হবিগঞ্জ -২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বিএনপির ডা: আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান ধানের শীষ মার্কা ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ১১দলীয় জোটের দেয়াল ঘড়ি মার্কা আব্দুল বাছিত আজাদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৭৬২ ভোট।হবিগঞ্জ ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জি কে গউছ ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমেদ পেয়েছেন ৪৫হাজার ৫৬৮ ভোট পেয়েছেন।হবিগঞ্জ ৪ (মাধবপুর চুনারুঘাট) আসনে বিএনপির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি ঐক্য ফ্রন্টের গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন, ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট।এসআর
    সুনামগঞ্জের ৫ টি আসনে সবকয়টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি
    সুনামগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে নিকটতম ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের পরাজিত করে সবকয়টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।সুনামগঞ্জ ১ আসনে(তাহিরপুর,জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম ছিলেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী তোফায়েল আহমদ খান।সুনামগঞ্জ ২ আসনে(দিরাই -শাল্লা) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী। নিকটতম ছিলেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির।সুনামগঞ্জ ৩ আসনে(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ। নিকটতম রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র আনোয়ার হোসেন।সুনামগঞ্জ ৪(সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নূরুল ইসলাম নূরুল। নিকটতম রয়েছেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রতিকের নিয়ে মো. সামছ উদ্দিন।সুনামগঞ্জ ৫ আসনে(ছাতক দোয়ারা বাজার) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। নিকটতম রয়েছেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপালার প্রতিক নিয়ে আবু তাহির মোহাম্মদ আব্দুস সালাম। এবি 
    দিদি-মাসি বলে ভোট চায়, ভোটের পর পাওয়া যায় না
    “যখন নির্বাচন আসে তখন প্রার্থীরা আমাদের কাছে এসে দিদি-মাসি বলে ভোট চায়। তারা বলে, তোমাদের মজুরি বৃদ্ধি করে দেব, উন্নত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, সন্তানদের পড়ালেখার জন্য স্কুল করে দেব। ভোটের পরে আর তাদের পাওয়া যায় না। তারা আমাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে শুধু।” এভাবেই আপেক্ষ করছিলেন বাহুবলের রশিদপুর চা বাগানের শ্রমিক রীতা রাণী গোয়ালা। হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার দেউন্দি চা বাগানের সাবেক শ্রমিক সরদার আমোদ মালের কণ্ঠেও হতাশা। নির্বাচন ও ভোট তাদের কাছে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছাড়া কিছুই নয়।আমোদ মাল বলেন, “নির্বাচনে আসলে প্রার্থীরা আসেন, দেন নানা প্রতিশ্রুতি কিন্তু পরে আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না। তারা নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও বাস্তাবায়ন করেন না। আমাদের ভোটে নির্বাচিতদের জীবনে পরিবর্তন আসে। তাদেরকে ভোট দিয়ে আমাদের শিকলবন্দি জীবনে আসে না পরিবর্তন। সন্তানদের অনেক কষ্ট করে স্কুলে যেতে হয়। চা শ্রমিকের সন্তান হওয়ায় চাকরি পাওয়া কঠিন, এসব দেখার যেন কেউ নেই।”ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যারা আমাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন, তাদের ভোট দেব।”দেউন্দি চা বাগানের শ্রমিক পঞ্চায়েত নেতা কার্তিক বাকতির কথায় উঠে এল তারা আর ঠকতে চান না। এবার তারা এমন প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, যিনি তাদের জন্য কাজ করবেন। কার্তিক বাকতির ভাষ্য, ভোট এলে তাদের কাছে ধর্না ধরেন প্রার্থীরা। দাদা-দিদি, মেসো-মাসি ডেকে মন জয় করার চেষ্টা করেন। ভোটে নির্বাচিত হলে তাদের আর খোঁজ নিতে আসেন না। এজন্য এবার তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বুঝে-শুনে ভোট দেবেন। চা শ্রমিকরা জানান, বাগানে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭৮ টাকা ৫০ পয়সা। এ মজুরিতে সংসার চলছে না তাদের। ৫৪ বছরেও নিজেদের জীবনমান উন্নত হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। তারা জানান, নানা সময়ে দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে, পরিবর্তন আসেনি শুধু চা-শ্রমিকদের কষ্টের জীবনে।হবিগঞ্জ জেলায় ছোট ও বড় মিলিয়ে চা বাগানের সংখ্যা প্রায় ৪১টি। এসব বাগানের বাসিন্দা প্রায় দেড় লাখ। তাদের মধ্যে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ৩২ থেকে ৩৫ হাজার শ্রমিক চা পাতা উত্তোলনে জড়িত। বাগানে কাজ না পেয়ে বাকিদের জীবিকার জন্য বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অর্থ উপার্জন করতে হচ্ছে। নির্বাচনের সময় তারাও এলাকায় ফেরেন। জেলার নবীগঞ্জ-বাহুবল উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-১ আসন। এখানে ভোটার আছেন ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯২১ জন। চুনারুঘাট-মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে ভোটার ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১১জন। এই দুই আসনে চা শ্রমিকদের ভোট প্রায় লক্ষাধিক। চা বাগানের শ্রমিকদের ভোট প্রার্থীদের জয়ের ব্যাপারে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, “উচুঁ নিচু টিলায় থাকা গাছ থেকে চায়ের সবুজ পাতা সংগ্রহ করেন শ্রমিকরা। এ পাতা ফ্যাক্টরিতে প্রক্রিয়াজাত হয়ে রপ্তানি হয়। দেশি-বিদেশি অর্থ পান বাগান মালিকরা। চা শ্রমিকদের নেই উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা। পদে পদে তারা বাধার মুখে পড়েন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা এগোতে পারছেন না। তাদের জীবনমানের পরিবর্তনে উদ্যোগ নেয় না তেমন কেউ। ভোটের সময় আসলে চা শ্রমিকদের ভোট আদায় করতে প্রার্থীরা নানা ধরনের স্বপ্ন দেখান, দেন প্রতিশ্রুতি। পরে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেন না কেউ। এনিয়ে চা বাগানের বাসিন্দাদের মনে অনেক কষ্ট। এবার তারা ভোট দিতে হিসাব নিকাশ করছেন।”তিনি বলেন, “দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে চা শিল্প। এই শিল্পকে নিখুঁত হাতের ছোঁয়ায় যুগের পর যুগ টিকিয়ে রেখেছেন চা শ্রমিকেরা। শুধু ভোট নয়, চা-শিল্পের সমৃদ্ধির জন্যও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা জরুরি।”বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার বলেন, “যদি বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে চা শ্রমিকদের জীবনমান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে।”হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুখলিছুর রহমান বলেন, “জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করবে।” হবিগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির রেজা কিবরিয়া (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র শেখ সুজাত মিয়া (ঘোড়া), ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকশা), জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ (মোটরগাড়ি), ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার)। হবিগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- বিএনপির সৈয়দ মো. ফয়সল (ধানের শীষ), ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি), ইসলামিক ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন (মোমবাতি), বাসদের মো. মুজিবুর রহমান (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি), মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন), স্বতন্ত্র মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ও এস এ সাজন (ফুটবল)। এসআর

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    ইন্দোনেশিয়া এপ্রিলেই গাজায় পাঠাতে পারে ১ হাজার সেনা
    ইন্দোনেশিয়া এপ্রিলের মধ্যেই গাজায় প্রথম দফায় এক হাজার সেনা পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে এই সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, জুনের মধ্যে মোট আট হাজার সেনা প্রস্তুত রাখা হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।তিনি বলেন, সেনা পাঠানোর সময়সূচি পুরোপুরি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।এর আগে ইন্দোনেশীয় সেনাপ্রধান মারুলি সিমানজুন্তাক জানিয়েছিলেন, গাজায় পাঁচ হাজার থেকে আট হাজার সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো আলোচনাধীন।শনিবার ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জইনয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজায় সেনা পাঠানোকে ইসরায়েলের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ হিসেবে দেখা উচিত নয়।মন্ত্রণালয় বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বা জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যে কোনো প্রচেষ্টা ইন্দোনেশিয়া ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে।এছাড়া, এই মোতায়েন হবে সম্পূর্ণ অ-যুদ্ধভিত্তিক ও মানবিক ম্যান্ডেটের অধীনে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইন্দোনেশীয় সেনারা কোনো যুদ্ধ অভিযানে বা সরাসরি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন না। তাদের ওপর কোনো পক্ষকে নিরস্ত্রীকরণের ম্যান্ডেটও থাকবে না।তবে প্রস্তাবিত স্থিতিশীলতা বাহিনীর ম্যান্ডেটে গাজা উপত্যকার নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রয়োজন হলে বাহিনীকে ‘সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।ইন্দোনেশিয়া নিশ্চিত করেছে, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী বৈঠকে অংশ নেবেন। সদস্যরা যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে পাঁচ বিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।ইন্দোনেশীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাবোও এই ফোরামে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা ও টেকসই শান্তির পক্ষে দুই-রাষ্ট্র সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরবেন।তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে একটি শুল্ক চুক্তিও সই করতে পারেন। একই সঙ্গে বোর্ডের কথিত এক বিলিয়ন ডলারের সদস্য ফি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন।প্রাবোও সাংবাদিকদের বলেন, চুক্তি হলে এবং শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে হলে আমরা প্রস্তুত থাকতে চাই।ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম বড় সেনা প্রেরণকারী দেশ। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মিশনে দেশটির ২ হাজার ৭০০র বেশি সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীতে ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনা রয়েছে।ফিলিস্তিনের প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় জনসমর্থন ব্যাপক। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে দেশটিতে বহুবার গণবিক্ষোভ হয়েছে। গত ৩ আগস্ট জাকার্তার ন্যাশনাল মনুমেন্ট এলাকায় হাজারো মানুষ ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে সমাবেশ করে।বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম-অধ্যুষিত দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া গাজায় সহিংসতা বন্ধ এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। দেশটি মানবিক সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা এবং কূটনৈতিক সমর্থনও প্রদান করেছে।সূত্র: মিডল ইস্ট আইএবি 
    এথেন্সে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সিরিজ ‘তেহরান’-এর নির্মাতার লাশ উদ্ধার
    হিট ইসরায়েলি গুপ্তচর থ্রিলার সিরিজ ‘তেহরান’-এর সহ-নির্মাতা টিভি প্রযোজক ডানা ইডেনকে মধ্য এথেন্সের একটি হোটেলকক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে গ্রিক পুলিশ সোমবার এএফপিকে জানিয়েছে।৫২ বছর বয়সী ইডেনের মরদেহ রবিবার গভীর রাতে গ্রিক রাজধানীর কেন্দ্রস্থল সিনতাগমা স্কয়ারের কাছে তার হোটেলকক্ষে পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানায়।পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সবকিছু থেকে আত্মহত্যার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।’সিরিজটির চতুর্থ মৌসুমের শুটিংয়ের জন্য ইডেন ৪ ফেব্রুয়ারি এথেন্সে পৌঁছেছিলেন।সিরিজটি আন্তর্জাতিকভাবে অ্যাপল টিভিতে সম্প্রচারিত হয়। ইরানের রাজধানীতে গোপনে কাজ করা মোসাদের এক এজেন্টকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘তেহরান’-এর প্রথম তিনটি মৌসুম এথেন্সে ধারণ করা হয়েছিল।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের চালানো হামলা এবং পরবর্তী সময়ে গাজায় বোমাবর্ষণের পর চতুর্থ মৌসুমের শুটিং বিলম্বিত হয়।সিরিজটি আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক বিক্রীত ইসরায়েলি প্রযোজনাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে এবং ২০২১ সালে সেরা নাটক সিরিজ বিভাগে এমি পুরস্কার অর্জন করেছে।ইডেন প্রযোজক শুলা স্পিগেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন এবং তাদের যৌথ প্রতিষ্ঠান ডোনা অ্যান্ড শুলা প্রোডাকশন্স ‘তেহরান’সহ আরো কয়েকটি সিরিজের মূল চালিকাশক্তি ছিল।ইসরায়েলের সংস্কৃতিমন্ত্রী মিকি জোহর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ইডেনকে ‘ইসরায়েলি টেলিভিশন শিল্পের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী প্রযোজক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।এবি 
    ভারত মহাসাগরে তেলবাহী জাহাজ দখলে নিলো মার্কিন বাহিনী
    মার্কিন বাহিনী ভারত মহাসাগরে আরেকটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালিয়েছে। এটি ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল বহনের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, পানামা-নিবন্ধিত ‘ভেরোনিকা-৩’ নামের জাহাজটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত অবরোধ অমান্য করে ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া পোস্টে পেন্টাগন দাবি করে, জাহাজটি ‘মার্কিন অবরোধকে অমান্য করার চেষ্টা করেছিল’ এবং গোপনে সরে যেতে চেয়েছিল। তবে ‘আমরা ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত এটিকে অনুসরণ করেছি, দূরত্ব কমিয়ে এনে জাহাজটি থামিয়ে দিয়েছি’-বলা হয় পোস্টে। সঙ্গে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেখা যায় মার্কিন সেনারা হেলিকপ্টার থেকে জাহাজের ডেকে নামছেন। খবর আল জাজিরার।ভেনেজুয়েলার তেল খাত কয়েক বছর ধরেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দেশটি ভুয়া পতাকা ব্যবহারকারী ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া নৌবহরের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পাচার করছিল। গত ডিসেম্বর ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ট্যাঙ্কারগুলোর ওপর ‘কোয়ারেন্টাইন’ বা অবরোধ জারি করে। এর পর জানুয়ারিতে মার্কিন বিশেষ বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়।মাদুরো আটক হওয়ার পর কয়েকটি ট্যাঙ্কার ভেনেজুয়েলার উপকূল ছেড়ে পালিয়ে যায়। ‘ভেরোনিকা-৩’ গত ৩ জানুয়ারি, অর্থাৎ মাদুরোকে আটক করার দিনই, প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও ফুয়েল অয়েল নিয়ে দেশটি ছাড়ে বলে জানিয়েছে ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার ডটকম। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, ‘২০২৩ সাল থেকে জাহাজটি রাশিয়া, ইরান ও ভেনেজুয়েলার তেল পরিবহনের সঙ্গে জড়িত ছিল।’এবি 
    হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করল ইরান
    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালীতে ধারাবাহিক সামরিক মহড়া শুরু করেছে।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসির প্রধানের তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনী এসব নিবিড় মহড়া পরিচালনা করছে।সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় আকারের নৌবাহিনী মোতায়েন করার পরই এই মহড়া শুরু হলো।হরমুজ প্রণালী বিশ্ব তেল পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত, ফলে সেখানে সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি নজর কাড়ছে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা জন্য জেনেভায় পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সোমবার জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আলোচনার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।তেহরান জানায়, ওমানের মধ্যস্থতায় ‌‘পরোক্ষ’ ইরান-মার্কিন পারমাণবিক আলোচনা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। যদিও ওয়াশিংটন এর আগে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের সমর্থনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য চাপ দিয়েছে।গত জুনে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন বোমা হামলা চালালে পূর্ববর্তী আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর তেহরান এবং ওয়াশিংটন চলতি মাসে পুনরায় আলোচনা শুরু করে।জুন মাসে পারমাণবিক পর্যবেক্ষণকারীরা সর্বশেষ ইরানের ৪০০ কিলোগ্রামেরও বেশি অর্থাৎ ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেখেছে।এমআর-২
    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরানকে সহায়তার ঘোষণা দিল আফগানিস্তান
    ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে এবং ইরান সহায়তা চাইলে তাদের সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, “ইরানের প্রতি আফগানদের সহমর্মিতা থাকবে এবং ইরান চাইলে সহায়তা করা হবে।”ইরান সাম্প্রতিক সময়ে সহনশীলতা দেখিয়েছে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের প্রত্যাশা থাকবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো যুদ্ধ বাধবে না।জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, আফগানিস্তান যুদ্ধের পক্ষে নয়। তারা আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছে। দেশ দুটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলছে।গত কয়েকদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। ইরানকে চাপে ফেলতে ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী অব্রাহাম লিঙ্কনসহ অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ জড়ো করেছে। এছাড়া আরেকটি রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে আসছে।আশঙ্কা করা হচ্ছে যদি আলোচনা ভেস্তে যায় তাহলে ইরানে হামলা চালাবে মার্কিন সেনারা।মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সম্ভাব্য এ যুদ্ধ আটকানোর চেষ্টা করছে। তাদের ভয়, যদি একবার বড় যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে পুরো অঞ্চলে এর আর্থিক ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব পড়বে।বার্তাসংস্থা রয়টার্স দুদিন আগে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি নির্দেশ দেন তাহলে ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী হামলা চালানো হবে।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনার মাধ্যমে সমাধান পাওয়ার আশা প্রকাশ করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, তিনি মনে করছেন আলোচনা সফল হবে না।এদিকে গত কয়েক বছর ধরে আফগানিস্তান এবং ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিকসহ সবদিকে সম্পর্ক ভালো হয়েছে।এমআর-২
    মঙ্গলবার রমজানের চাঁদ অনুসন্ধানের আহ্বান জানাল সৌদি
    সাধারণ নাগরিকদের আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ অনুসন্ধানের আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। গতকাল রোববার এ আহ্বান জানানো হয়।তারা বলেছে, মঙ্গলবার হবে শাবান মাসের ২৯তম দিন। এদিন সন্ধ্যার পর পূর্ব গগনে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে।সাধারণ নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রয়্যাল কোর্ট বলেছে, কেউ যদি খালি চোখে অথবা দূরবীণ ব্যবহার করে চাঁদ দেখতে পান তাহলে তা যেন নিকটস্থ কোর্টে অবহিত করেন।যাদের চাঁদ দেখার প্রতি আগ্রহ আছে তাদের আঞ্চলিক চাঁদ দেখা কমিটিতে যোগ দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে রয়্যাল কমিটি। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও মুসলিমদের স্বার্থে এতে আগ্রহীদের সামিল হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।এমআর-২
    রমজান শুরু উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্তা
    পবিত্র রমজান মাসের শুরু উপলক্ষে বিশ্ববাসীর প্রতি শান্তি, মানবিকতা ও সংহতির আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।এক বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন,পবিত্র রমজান মাস হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য আত্মচিন্তা ও প্রার্থনার এক পবিত্র সময়। রমজান আশা ও শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক। কিন্তু মানবজাতির বহু মানুষের জন্য সেই আশা এখনো অনেক দূরের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে ইয়েমেন, গাজা থেকে সুদান এবং তারও বাইরে—সংঘাত, ক্ষুধা, বাস্তুচ্যুতি, বৈষম্যসহ নানা দুর্ভোগে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। বিভেদ দূর করতে ও দুঃখ-কষ্টে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা ও আশা পৌঁছে দিতে, এবং প্রত্যেক মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করতে এই কঠিন ও বিভক্ত সময়ে আসুন, আমরা রমজানের চিরন্তন বার্তাকে স্মরণ করি।প্রতি বছর আমি সংহতির নিদর্শন হিসেবে একটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে যাই এবং তাদের সঙ্গে রোজায় অংশ নিই। রমজানের শান্তি ও সহমর্মিতার চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে ফিরে আসি।তিনি আরও জানান, এই পবিত্র মাস সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করুক—যাতে মানুষের জন্য আরও শান্তিপূর্ণ, উদার ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি।এইচএ 
    গাজা ও লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ১৫
    ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসলায়েল। প্রাণঘাতী এই হামলায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। এছাড়া লেবানন-সিরিয়া সীমান্তেও পৃথক ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, রোববার সকালে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানায়, উত্তর গাজায় একটি তাবু শিবিরে হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন। একই সময়ে গাজার দক্ষিণ অংশে আরেকটি হামলায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় একটি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসা যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন নিহত হয়।গত বছরের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েল ও হামাস একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স জানায়, হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। তবে আল-শিফা হাসপাতালের কর্মীরা বলেন, বিমান হামলার বাইরে আলাদা গোলাগুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন।গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ৬০০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ মাসের শুরুর দিকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলার একাধিক ঘটনায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছিলেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।সাম্প্রতিক হামলাগুলো এমন সময়ে চালানো হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে। গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন সংস্থার ঘোষণা দেন। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত এ সংস্থা গাজায় সীমান্ত এলাকা নিরাপদ রাখা এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণ তদারকির জন্য একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের দায়িত্ব পাবে।আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে এ বোর্ডের প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সংস্থাটি গাজায় একটি নতুন টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি সরকার গঠন এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমও তদারকি করবে। বৈঠকের আগে রোববার ট্রাম্প জানান, বোর্ডের সদস্যরা গাজার পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে তিনি হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে এগিয়ে আসার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। হামাস এর আগে বলেছিল, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হলে তারা নিরস্ত্রীকরণে রাজি হবে না।এর আগে গত সপ্তাহে ঘোষণা করা হয়, বোর্ড অব পিসের সদস্য ইন্দোনেশিয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য ৮ হাজার সেনা গাজায় পাঠাবে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৮২০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।পৃথক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানির খবর দিয়েছে। লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, লেবানন-সিরিয়া সীমান্তের কাছে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে এ হামলা হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানায়, নিহতদের একজন সিরিয়ার নাগরিক। তার নাম খালেদ মোহাম্মদ আল-আহমদ। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলার কথা নিশ্চিত করে জানায়, তারা লেবাননে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের (পিআইজে) সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ দেয়নি তারা।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, লেবাননের মাজদাল আঞ্জার এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। পিআইজে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করেনি।অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সক্রিয় সশস্ত্র সংগঠন পিআইজে গাজায় হামাসের সঙ্গে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াই করছে। তারা লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহরও মিত্র। ২০২৩ সালে গাজায় ইসরায়েলের অঅগ্রাসন শুরুর পর ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালায়।২০২৪ সালের নভেম্বর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই চুক্তি সত্ত্বেও ইসরায়েল লেবাননে প্রায় প্রতিদিন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর থেকে এক বছরে ইসরায়েলি বাহিনী ১০ হাজারের বেশি আকাশ ও স্থল হামলা চালিয়েছে।জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানায়, যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২১ জন নারী ও ১৬ জন শিশু রয়েছে। একই সময়ে অন্তত ১১ জন লেবাননি বেসামরিক নাগরিককে ইসরায়েলি বাহিনী অপহরণ করেছে বলেও জানানো হয়েছে।এবি 
    দেশ ছেড়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী
    দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর সময় জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কো। ইউক্রেনের জাতীয় দুর্নীতি দমন ব্যুরো (নাবু) গতকাল এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।“আজ রোবববার গোপনে দেশত্যাগ করার সময় সাবেক ‘মিডাস’ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী গেরমান গালুশচেঙ্কোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারা হেফাজতে আছেন। আইন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।”ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির একজন ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন গালুশচেঙ্কো। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার অবৈধভাবে উপার্জন ও সেই অর্থ বিদেশে পাচার করার অভিযোগ ওঠে।গালুশচেঙ্কোর বিরুদ্ধে অভিযোগ— তিনি অর্থের বিনিময়ে নিজের প্রভাব খাটিয়ে দেশের জ্বালানি খাতে ইউক্রেনীয় ব্যবসায়ী তিমরুর মিন্ডিচকে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া ইউক্রেনের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির সবগুলো পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনার্জোঅ্যাটমের ঠিকাদারদের কাছ থেকে যে কোনো কন্ট্রাক্টের বিনিময়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার তার বিরুদ্ধে।এসব অভিযোগ ওঠার পর গত নভেম্বরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। তারপর গতকাল দেশ ছেড়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করা হলো তাকে।২০২৫ সালে ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তাইমোশেঙ্কোসহ কয়েক জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গেরমান গালুশচেঙ্কোও তাদের মধ্যে অন্যতম।দুর্নীতি ইউক্রেনের সরকারি প্রশাসনের একটি বড় সমস্যা। মূলত এই কারণেই এখন পর্যন্ত ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের সদস্যপদ প্রাপ্তির ব্যাপারটি এখনও ঝুলে আছে।সূত্র : আলজাজিরাএবি 
    বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ মঙ্গলবার, বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে?
    ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)।  মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা বিশ্বের মানুষ। বলয়াকার এ সূর্যগ্রহণ অনেকের কাছে ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ থেকে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। কারণ গ্রহণের সময় সূর্য এ দুই দেশের দিগন্তের নিচে অবস্থান করবে। এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরও (আইএসপিআর) বাংলাদেশ থেকে সূর্যগ্রহণটি দেখা না যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ আর্জেন্টিনা, চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে এই সূর্যগ্রহণটি দৃশ্যমান হবে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শুরু হবে।জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে অবস্থান নেয়, কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল আগুনের বলয়ের মতো একটি অংশ দৃশ্যমান থাকে। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’। নাসার দেয়া তথ্যানুযায়ী, পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র মহাকাশে নিজ কক্ষপথে অবিরত পরিভ্রমণকালে সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে, অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থানকালে কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রের ছায়া পৃথিবীতে পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে। সাধারণত চন্দ্র, পৃথিবী এবং সূর্যের অবস্থানের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন প্রকার সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয় (পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, আংশিকগ্রাস সূর্যগ্রহণ, বলয়াকারগ্রাস সূর্যগ্রহণ)।ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় বেলা ১ টা ১ মিনিটে। স্পেস ডটকমের তথ্য বলছে, সর্বোচ্চ ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত বলয়াকার সূর্যগ্রহণ স্থায়ী হতে পারে। এ সময় চাঁদ সূর্যের কেন্দ্রের প্রায় ৯৬ শতাংশ ঢেকে ফেলবে।এবি 

    বিনোদন

    সব দেখুন
    ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই করা হিনা খানের মা হওয়ার গুঞ্জন
    ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাওয়া ভারতীয় অভিনেত্রী হিনা খান মা হতে চলেছেন- এমনটাই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সম্প্রতি তার কিছু ছবি এবং একটি রিয়্যালিটি শো-তে দেওয়া বার্তার সূত্র ধরে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এই জল্পনা শুরু হয়। তবে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত হিনা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।  মূলত ‘পতি পত্নী অউর পঙ্গা’ নামের একটি অনুষ্ঠানে হিনা খান ও তার স্বামী রকি জায়সওয়াল অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক মুনাব্বার ফারুকী হঠাৎ করেই হিনাকে সন্তান লালন-পালন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ দিতে শুরু করেন। বিষয়টি নজর এড়ায়নি দর্শকদের। সেখান থেকেই অনেকে ধারণা করছেন, হিনা হয়তো তার প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন।জল্পনা আরও উসকে দেয় হিনা খানের শেয়ার করা সাম্প্রতিক কিছু ছবি। সালোয়ার-কামিজ পরা ওই ছবিগুলোতে নেটিজেনদের দাবি, অভিনেত্রী ওড়না দিয়ে তার ‘বেবি বাম্প’ আড়াল করার চেষ্টা করছেন। যদিও নিন্দুকেরা একে ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল বা পোশাকের ধরণ হিসেবেও দেখছেন।২০২৪ সালে হিনা খান তার ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানান। কঠিন এই সময়ে নিজেকে শক্ত রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অসুস্থতার মধ্যেই দীর্ঘদিনের প্রেমিক রকি জায়সওয়ালকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ক্যানসারের যন্ত্রণাদায়ক দিনগুলোতেও তিনি সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের কাছ থেকে নিয়মিত সাহস পেয়েছেন।প্রথমবার ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার স্মৃতিচারণ করে হিনা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, খবরটি শুনে ভেঙে না পড়ে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছিলাম। এমনকি ওই সময় নিজের প্রিয় খাবার ফালুদাও অর্ডার করে খেয়েছিলাম। বর্তমানে সুস্থতার লড়াইয়ে থাকা এই অভিনেত্রীর মা হওয়ার খবরটি সত্য কি না, তা জানতে মুখিয়ে আছেন তার ভক্তরা।এইচএ
    ভোট দিলেন ৩ কন্যা, নতুন সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা ববিতার
    নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফ্রেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশ সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে শোবিজ অঙ্গনেও।আজ দুপুরে গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা’ অভিনেত্রী তিন বোন সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। গাড়ি থেকে নেমে হাস্যোজ্জ্বল মুখে ছবির জন্য পোজ দেন তারা।নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা জানিয়ে ববিতা বলেন, ‘দেশটা সুন্দরভাবে এগিয়ে নিক। আমরা দেশের সব মানুষ শান্তিতে যেন থাকি, দুর্নীতি যেন দেশে না থাকে। শিল্পীরা যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে শিল্পচর্চা করে যেতে পারে- এটাই চাই।’এদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের তথ্য আমরা পেয়েছি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সচিব আরও জানান, কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়নি।এইচএ
    প্রথম ভোট নিয়ে তারকাদের উচ্ছ্বাস
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও শামিল হয়েছেন এই গণতান্ত্রিক আয়োজনে। এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন অনেক নতুন মুখ। তাদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল, চিত্রনায়িকা জান্নাতুল ঐশী, অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান ও তমা মির্জা।অভিনয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা এই তিন তরুণ তারকার কাছে প্রথম ভোট কেবল নাগরিক দায়িত্ব নয়, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে নিজের মত প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।সুনেরাহ বিনতে কামাল: ঢাকার ভোটার সুনেরাহ বিনতে কামাল রাজনীতির জটিল হিসাব-নিকাশে না গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা তুলে ধরেছেন। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি রাজনীতির এত কিছু বুঝি না। তবে আমার দেশটা ভালো থাকুক, সেটাই চাই। একজন সাধারণ নাগরিকের জীবনে স্বস্তি আসুক, মানুষ মানসিকভাবে শান্তিতে থাকুক।” তিনি আরও প্রত্যাশা করেন, দেশে শৃঙ্খলা ফিরুক এবং সৃজনশীল খাতসহ সব সেক্টর এগিয়ে যাক।জান্নাতুল ঐশী: পিরোজপুরে বাড়ি হলেও জান্নাতুল ঐশী ভোট দেবেন ঢাকায়। দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “নির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের বহু প্রত্যাশা নেই, কিন্তু আমাদের স্বস্তি দরকার, শান্তি দরকার। সংবিধানমতো দেশ চলুক, সেটাই চাই।”বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই চিত্রনায়িকা।সাদিয়া আয়মান: বরিশালের ভোটার সাদিয়া আয়মান অগ্রাধিকার দিয়েছেন নিরাপত্তাকে। তিনি বলেন, “প্রথমত নিরাপদ দেশ চাই। সবাই যেন নিরাপদে থাকেন, নিরাপদে চলাচল করতে পারেন-এটাই প্রত্যাশা।”আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি যোগ করেন, “দিন শেষে আমরা তো মানুষ, তাই জীবনের নিরাপত্তাই সবার আগে।” তমা মির্জা: অভিনেত্রী তমা মির্জা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের নাগরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের ভোটারদেরকেও উৎসাহ দিয়েছেন।তমা মির্জা বলেন, ‘আমি আগে কখনও ভোট দিইনি। আজকে জীবনের প্রথমবার ভোট দিলাম। যারা এখনো ভোট দেননি, দয়া করে ভোট দিতে চলে আসুন। ভোট আমাদের অধিকার। এই অধিকার সবারই প্রয়োগ করা উচিত।’ তিনি আরও জানান, ‘আমি চাই যে ইন্ডাস্ট্রিতে আমি কাজ করি, সেটি সঠিকভাবে কাজ করুক। যারা সরকার হয়ে ক্ষমতায় আসবে, তারা যেন শিল্পী ও বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির কল্যাণের দিকে খেয়াল রাখে। এটি আমার প্রত্যাশা।’তমা মির্জা দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় মহানগর কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। ভোট প্রদানকালে তিনি বলেন, দেশের জন্য ভোটদান শুধু অধিকার নয়, এক ধরনের দায়িত্বও। প্রত্যেক নাগরিককে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে যাতে দেশ সঠিক পথে এগোতে পারে। তিনি নতুন ভোটারদের জন্য উদাহরণ হিসেবে বলেছেন যে ভোটদান একটি উৎসবের মতো অভিজ্ঞতা হতে পারে। তিনি মনে করান, নির্বাচনের দিন এক ধরনের একত্রিত হওয়ার অনুভূতি তৈরি করে এবং এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করে।  প্রথম ভোটের উত্তেজনায় উচ্ছ্বসিত এই তিন অভিনেত্রীর কথায় স্পষ্ট-তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা শান্তি, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ।এইচএ
    বান্দার কঠিন সময়গুলোতে শুধু আমাদের রব থাকবেন: সালমা
    ব্যক্তিগত জীবনে বেশ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তার দ্বিতীয় স্বামী আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরে। বিচ্ছেদের এই ধকল সামলাতে গিয়ে তীব্র একাকিত্বে ভুগছেন ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ খ্যাত এই তারকা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি জানালেন নিজের বর্তমান মানসিক অবস্থার কথা।বিচ্ছেদের যন্ত্রণার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার ওপর অগাধ বিশ্বাস রেখেছেন সালমা। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “মাঝে মাঝে আল্লাহ তায়ালা আমাদের একা করে দেন, পুরোপুরি একা। ঠিক সেই মুহূর্তে আমরা বুঝি এই দুনিয়ায় আমরা যাদের বাঁচাতে চেয়েছি, যাদের আপন ভেবেছি, নিজের থেকেও যাদের ওপর বেশি ভরসা করেছি, তারা কেউই পুরোপুরি আমাদের নয়। কেউ না।”জীবনের এই দুঃসময়ে তিনি নবী-রাসুলদের পরীক্ষার উদাহরণ টেনেছেন। নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে সালমা লিখেছেন, “ইউনুস আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য গভীর সমুদ্রে মাছের পেটে যেমন কেউ ছিল না, বিবি হাজেরার জন্য জনশূন্য মরুভূমিতে যখন কেউ ছিল না, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া শিশু মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশেও কেউ ছিল না। সর্বদা মনে রাখবেন, বান্দার কঠিন সময়গুলোতে শুধু আমাদের রব ছিলেন, তিনি আছেন এবং শেষ পর্যন্ত শুধু তিনিই থাকবেন।”প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের শেষদিনে পারিবারিকভাবে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সালমা। পরের বছর জানুয়ারিতে ধুমধাম করে স্বামীকে গণমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাত বছরের মাথায় এসে সেই সংসারও টিকল না। এর আগে ২০১১ সালে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সালমা। তাদের সংসারে স্নেহা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে বনিবনা না হওয়ায় সেই সংসারেরও ইতি ঘটেছিল।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
    রমজান উপলক্ষে বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি প্রতিদিন আরও ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতি প্যাকেজে ৬০ টাকা বেশি গুনতে হবে নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের।নির্বাচনের পর রমজানের বেচাকেনায় ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে রাজধানীর বাজার। এবার পণ্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা না থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।এর মধ্যেই রমজান উপলক্ষে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি সারাদেশে সাড়ে ৪শ’ ট্রাকে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম। প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের প্রতিটিতে ৪০০ জন হিসেবে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাক সেলে ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। তবে নিয়মিত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির দাম আগের মতোই বহাল থাকবে। পণ্যের মূল্য তালিকা অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ২ লিটার সয়াবিন তেল পাবেন ২০০ টাকায়। কিন্তু ট্রাক সেল থেকে কিনলে একই পরিমাণ তেলের জন্য। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, এসব পণ্য আলাদা শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না; একই শ্রেণির মানুষের জন্যই কর্মসূচি। সেখানে দুই রকম দাম নির্ধারণ বৈষম্য তৈরি করবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জন হিসেবে দৈনিক সাড়ে ৪শ’ ট্রাক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। ২০ দিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে মোট সুবিধা পাবেন ৩৬ লাখ জন। ডাল, চিনি ও তেলের বাড়তি মূল্যে প্রতি প্যাকেজে তাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। এভাবে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তুলনায় ট্রাক সেলে ভর্তুকি বাবদ ২০ দিনে সরকারের ব্যয় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিসিবির। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা নিম্নবিত্তের ওপর চাপিয়ে দুই রকম দামে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ড. মাহফুজ কবিরের মতে, সরকার যে ভালো উদ্দেশ্যে ট্রাক সেল ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, দুই রকম দাম নির্ধারণ করলে তার বদনাম হতে পারে। তাই উভয় প্রক্রিয়ায় একই দাম নির্ধারণ করা উচিত। এদিকে বছরব্যাপী ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।এইচএ
    ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
    চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি 
    দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
    দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠানোর বাধা শেষ হলো আজ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা চার দিনের জন্য সীমিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি অর্থ পাঠাতে পারেননি। ফলে অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরও বন্ধ রাখা হয়।সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা বহাল ছিল। এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করার সুযোগ ছিল।এবি 
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    আসন্ন পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ
    ভোট উৎসবে যমুনা সেতুতে একদিনে পৌনে ৩ কোটি টাকার টোল আদায়
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ, যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানবাহনের অভূতপূর্ব চাপ।  গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৩৬ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে মোট ২ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। দুই ঈদ উৎসবের সময়কাল বাদ দিলে সাধারণ সময়ে এটি যমুনা সেতুর ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের টোল ম্যানেজার প্রবীর কুমার ঘোষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।যমুনা সেতু সাইট অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ২৩ হাজার ৯৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী লেনে পারাপার হওয়া ১২ হাজার ৯৩৪টি যানবাহন থেকে সেতু কর্তৃপক্ষের তহবিলে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা টোল জমা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের বাড়ি ফেরার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যান চলাচলের হার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।যানবাহনের এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরো এলাকাটি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটলা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। ঘরমুখো মানুষের এই স্রোত আজ বুধবার সারাদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নির্বাচনের দিন যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অধিকাংশ মানুষ আজ বিকেলের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য অতিরিক্ত বুথ সক্রিয় রাখা হয়েছে। মহাসড়কের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও যানবাহনের সংখ্যার কারণে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা এবং জেলা পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে যাতে ভোটাররা সঠিক সময়ে তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছাতে পারেন।এইচএ
    দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিকেশন জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কনটেন্টে আসল নোটের ডিজাইন ও আকার হুবহু অনুকরণ করে বড় আকৃতির ‘নমুনা নোট’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। একটি অসাধু চক্র এসব নোট ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অবৈধ বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে বলা হয়, বাজারে কিংবা জনসমাগমস্থলে আসল টাকার সদৃশ কোনও কাগজ বা নোট ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়। বাংলাদেশ সাধারণ জনগণকে আসল নোটের আদলে কোনও কাগজ তৈরি, ব্যবহার বা প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনও আর্থিক তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, জালিয়াতি এড়াতে এবং নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সর্বসাধারণকে সচেতন থাকতে হবে। আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।আর্থিক বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে নির্ভরযোগ্য ও দাপ্তরিক উৎসের তথ্যের ওপর নির্ভর করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এইচএ  
    রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
    রমজান উপলক্ষে বিশেষ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের পাশাপাশি প্রতিদিন আরও ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। তবে কার্ডধারীদের তুলনায় ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতি প্যাকেজে ৬০ টাকা বেশি গুনতে হবে নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের।নির্বাচনের পর রমজানের বেচাকেনায় ধীরে ধীরে সরগরম হচ্ছে রাজধানীর বাজার। এবার পণ্যমূল্য বাড়ার প্রবণতা না থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।এর মধ্যেই রমজান উপলক্ষে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৭৫ লাখ সুবিধাভোগীর পাশাপাশি সারাদেশে সাড়ে ৪শ’ ট্রাকে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে টিসিবি। সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম। প্রতিদিন প্রায় ৪৫০টি ট্রাকের প্রতিটিতে ৪০০ জন হিসেবে পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রাক সেলে ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। তবে নিয়মিত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির দাম আগের মতোই বহাল থাকবে। পণ্যের মূল্য তালিকা অনুযায়ী, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীরা ২ লিটার সয়াবিন তেল পাবেন ২০০ টাকায়। কিন্তু ট্রাক সেল থেকে কিনলে একই পরিমাণ তেলের জন্য। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, এসব পণ্য আলাদা শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে না; একই শ্রেণির মানুষের জন্যই কর্মসূচি। সেখানে দুই রকম দাম নির্ধারণ বৈষম্য তৈরি করবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতি ট্রাকে ৪০০ জন হিসেবে দৈনিক সাড়ে ৪শ’ ট্রাক থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পণ্য কিনতে পারবেন। ২০ দিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে মোট সুবিধা পাবেন ৩৬ লাখ জন। ডাল, চিনি ও তেলের বাড়তি মূল্যে প্রতি প্যাকেজে তাদের ৬০ টাকা বেশি দিতে হবে। এভাবে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তুলনায় ট্রাক সেলে ভর্তুকি বাবদ ২০ দিনে সরকারের ব্যয় ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিসিবির। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা নিম্নবিত্তের ওপর চাপিয়ে দুই রকম দামে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ড. মাহফুজ কবিরের মতে, সরকার যে ভালো উদ্দেশ্যে ট্রাক সেল ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, দুই রকম দাম নির্ধারণ করলে তার বদনাম হতে পারে। তাই উভয় প্রক্রিয়ায় একই দাম নির্ধারণ করা উচিত। এদিকে বছরব্যাপী ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি।এইচএ
    ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
    চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি 
    দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
    দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠানোর বাধা শেষ হলো আজ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা চার দিনের জন্য সীমিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি অর্থ পাঠাতে পারেননি। ফলে অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরও বন্ধ রাখা হয়।সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা বহাল ছিল। এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করার সুযোগ ছিল।এবি 
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    আসন্ন পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ইডেন কলেজে টানা ৩৬ দিনের ছুটি
    টানা ৩৬ দিন ছুটিতে যাচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজ। পবিত্র রমজান, দোলযাত্রা, শবেকদর, জুমাতুল বিদা, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে ইডেন মহিলা কলেজ এর সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।গতকাল রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোর্শেদা নাজনীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) থেকে ২৫ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।এতে আরও জানানো হয়, এ সময়ের মধ্যে কলেজের অফিস, বিভাগীয় অফিসসমূহ এবং পরীক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলমান থাকবে।এইচএ
    জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
    রাজধানীর গেন্ডারিয়া থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের (১২তম ব্যাচ) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম ইমরান নাবিল।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গেন্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।পরিদর্শক নাজমুল হাসান জানান, "গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা এলাকার মনিজা রহমান স্কুলের পাশের রজনী চৌধুরী রোডের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।"এনআই
    ছুটি শেষে যেদিন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
    দেশে অনুষ্ঠিত হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আজ ১৩ ও আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এর পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত (স্কুল–কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।সে হিসেবে টানা ৫ দিনের ছুটির পর আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরের প্রথম বড় ছুটি এটি। আর তালিকায় থাকা পঞ্চম ছুটি এটি। সবকিছু ঠিক থাকলে টানা ৫ দিন ছুটির পর আগামী সোমবার খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।একই সঙ্গে আগামী রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) টানা ৪ দিনের ছুটির পর খুলতে যাচ্ছে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা।এইচএ
    রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করা হয়েছে: সাদিক কায়েম
    রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, স্পষ্টতই মিডিয়া, এজেন্সি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে।বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে এ মন্তব্য করেন।পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর সন্ধ্যা থেকেই সারাদেশের বিভিন্ন আসনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের আচরণ হঠাৎ বদলে যায়। একইসাথে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে অনেক আসনে জনগণের রায় বদলানোর অপচেষ্টা করা হয়।এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-৮, ১৩, ১৭সহ দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল আটকে রেখে জনরায় বদলানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যার প্রমাণ স্পষ্ট। একইসাথে ঢাকা- ৪ ও ১৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরও স্থগিত করা হয়েছিল।সকল আসনের ফলাফল এখনও ঘোষণা করা না হলেও প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলকে ২০০+ আসনে বিজয়ী হয়েছে বলে প্রচার করে।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বলব, প্রতিটি আসনের সঠিক রেজাল্ট জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আরেকটি সাজানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে একটা দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা জুলাইয়ের শহীদদের স্পিরিটের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।এমআর-২

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    রমজানে হাই স্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত
    রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মারিয়া তানজিমা। এর আগে, রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।গত ৫ জানুয়ারি পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের অধিকাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে-এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের তর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক। নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার আশঙ্কা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় যা কারও কাম্য নয়। পরে পুরো রমজান মাস হাই স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে রিট করেন ইলিয়াছ আলী মন্ডল। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাই স্কুল বন্ধ চেয়ে রিট করেছিলাম। প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে কোনো রিট করা হয়নি। কেউ চাইলে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধে রিট করতে পারেন। সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২১ রমজান পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মাদরাসাগুলোতে পবিত্র রমজানের ছুটি শুরু হবে।এইচএ

    প্রবাস

    সব দেখুন
    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫
    সৌদি আরবের আবহা শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এরমধ্যে লক্ষ্মীপুরের দুই শিশুসহ চার সদস্য রয়েছেন।নিহতরা হলেন,- মোহনা (১৩), দেড় বছর বয়সী শিশু সুবাহ, তাদের মা মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বাবা মিজানুর রহমান (৪২) ও বাবর (৩০)। একই ঘটনায় এই পরিবারের আরেক কন্যা ফাইজা আক্তার (১১) মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৩টা ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।পরিবারের সদস্য ব্যবসায়ী বাহারুল আলম বলেন, আমার ছোট ভাই মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবের আবহা শহরে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি ছোট ভাই মিজানুর রহমান তার স্ত্রী মেহের আফরোজ সুমী, তিন কন্যা মোহনা, ফাইজা ও ছোট মেয়ে সুবাহকে নিয়ে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যান।নিহত মিজানুর রহমানের মামাত ভাই রিফাতুল ইসলাম বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূইয়ার মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, কিছুক্ষণ আগে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। লাশ দেশে আনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।এফএস

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ঘাড় ব্যথা থেকে প্রতিকারের উপায়
    অনেকেরই ঘাড় ব্যথা একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান যুগে দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা, স্মার্টফোন ব্যবহারের আধিক্য এবং ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে এই সমস্যাটি সাধারণ মনে হলেও এটি কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এক সপ্তাহের বেশি ঘাড়ে ব্যথা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ঘাড় ব্যথা তীব্র হলে তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটায়, তাই সময়মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।চিকিৎসকদের মতে, ঘাড় ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা মাথা নিচু করে কাজ করা, যা ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, খেলাধুলার সময় চোট বা মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা যেমন স্পন্ডাইলোসিস এই ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত টানের ফলে সৃষ্ট মাসল স্প্যাজম যেমন কষ্টদায়ক হতে পারে, তেমনি সংক্রমণ, টিউমার বা আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও এই ব্যথার উৎস হতে পারে।ঘাড় ব্যথার লক্ষণ হিসেবে মূলত ঘাড়ে তীব্র বা হালকা ব্যথা, জ্বালাপোড়া অনুভব করা, ব্যথা হাতে বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়া এবং ঘনঘন মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।ঘাড় ব্যথার চিকিৎসা সাধারণত এর কারণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা পেশি শিথিলকারী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম ঘাড়ের পেশি শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর।এ ছাড়া ব্যথা কমাতে হিট বা আইস থেরাপি এবং মেরুদণ্ডের চাপ কমাতে ট্রাকশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন বা সবশেষে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।তবে প্রতিরোধের কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। দীর্ঘ সময় একভাবে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করার সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা এবং নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম করা জরুরি। পাশাপাশি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো যায়।নিজেই করুন প্রতিকার: প্রতিদিনকার রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে সাধারণ ঘাড় ব্যথার প্রতিকার করা যায়। বসে থাকার সময় আপনার মেরুদণ্ড যেন সরলরেখায় থাকে এবং কান সরাসরি আপনার কাঁধের ওপরে থাকে। দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ না করে এক ঘণ্টা পরপর ১০ মিনিট বিরতি নিন। যদি দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারে কাজ করেন, তবে উঠে পড়ুন, ঘুরে দেখুন এবং ঘাড় ও কাঁধ সামনে–পেছনে প্রসারিত করুন। কাজের টেবিল–চেয়ার ও কম্পিউটার এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যাতে মনিটর চোখের স্তরের সমান থাকে।  এইচএ 

    Loading…