এইমাত্র
  • ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
  • আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা
  • ভোট দেওয়ার আগে বুঝতে হবে কারা আমাদের পাশে থাকে: তারেক রহমান
  • ভোটের দিন কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবে...
  • দেশ স্বাধীনের সময় তারা দেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল: তারেক রহমান
  • থাইল্যান্ডে গভীর সমুদ্রে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী জাহাজ, উদ্ধার ১৬ বাংলাদেশি নাবিক
  • বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৫০
  • জাপানের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার দাবি
  • রাশিয়ায় ছুরি হামলায় ৪ ভারতীয় শিক্ষার্থী আহত
  • ক্ষমতায় জামায়াত গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন, যা জানালেন শফিকুর রহমান
  • আজ সোমবার, ২৫ মাঘ, ১৪৩২ | ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    ভোট দেওয়ার আগে বুঝতে হবে কারা আমাদের পাশে থাকে: তারেক রহমান
    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ভোট দেওয়ার আগে বুঝতে হবে কারা আমাদের পাশে থাকে। ১২ তারিখের নির্বাচনে শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদেরকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে কারা এলাকার মানুষের পাশে কারা দেশের মানুষের পাশে বিপদের সময় থাকে।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাড্ডা সাতারকুলের সানভ্যালী মাঠে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, আমরা রাত জেগে কষ্ট করে বসে আছি কারণ ১২ তারিখে একটি নির্বাচন। এর আগেও কিন্তু গত ১৬ বছরে নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে আমরা তামাশা দেখেছি। নির্বাচনের নামে নাটক হয়েছে। সেই নির্বাচনে দেশের কোনও জায়গায় কোনও মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। কিন্তু এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।তিনি বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদেরকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে কারা এলাকার মানুষের পাশে কারা দেশের মানুষের পাশে বিপদের সময় থাকে। কারা মানুষের দুঃখ কষ্টে তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়। কারা মানুষের, এলাকার উন্নয়ন করে। এই বিষয়গুলো আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৬ বছর এই দেশে অনেক মেগা প্রজেক্ট হয়েছে সাথে মেগা দুর্নীতিও হয়েছে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তেমন কোনও কাজ হয় নাই। যদি হতো তাহলে আজকে এখানে যে ধানের শীষের প্রার্থী কাইয়ুম এই এলাকার কিছু সমস্যার কথা বলেছেন সেগুলো থাকার কথা না। এই সমস্যাগুলো এখনো কেনও বিদ্যমান কারণ গত ১৬ বছরে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কোনও কাজ হয়নি।এফএস
    ভোটের দিন কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবে...
    ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রশ্ন উঠেছে ওইদিন আবহাওয়া কেমন থাকবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের দিন সারা দেশে আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমানের সই করা আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত এই দিনগুলোতে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।এদিন দেশের কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আকাশ থাকবে পরিষ্কার বা আংশিক মেঘমুক্ত। ভোরে কিছুটা শীত অনুভূত হলেও দিনের বেলায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে আবহাওয়া স্বস্তিদায়ক থেকে হালকা উষ্ণ অনুভূতি দেবে।এদিকে, রাত ও ভোরে দেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হালকা শীত থাকতে পারে।রাতের তাপমাত্রা সাধারণত ১২-১৪°সে এর মধ্যে থাকবে। শ্রীমঙ্গল এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ১১-১৩°সে পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। দিনের বেলায় দেশের সব অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়বে এবং রোদেলা আবহাওয়া বিরাজ করবে।এফএস

    জাতীয়

    সব দেখুন
    বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজারের বেশি লেনদেন করা যাবে না
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএস) এক হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। একদিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে।রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে।  নির্দেশনায় বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমএফএস ও এনপিএসবি’র আওতাধীন আইবিএফটি’র মাধ্যমে পিটুপি লেনদেনের অপব্যবহার রোধে সোমবার (৯ ফেব্রুযারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত (৯৬ ঘণ্টা) মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যক্তি হিসাবের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিকাশ, রকেট ও নগদসহ সব এমএফএস গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন। প্রতিবার লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা হবে এক হাজার টাকা। এক দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে।মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং ইউটিলিটি বিল-এর ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত লেনদেনের বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। তবে এই ৯৬ ঘণ্টা অন্যান্য সব ধরনের এমএফএস লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।বর্তমানে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ও মাসে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, নির্বাচন উপলক্ষ্যে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার কর্তৃক নিজস্ব কুইক রেসপন্স সেল গঠন করতে হবে। এসময় সব ধরনের লেনদেন এমএফএস প্রোভাইডার কর্তৃক সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণ (ক্লোজ মনিটরিং) এর আওতায় আনা এবং সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে।একইসঙ্গে আলোচ্য ৯৬ ঘণ্টায় পি-টু-পি ইন্টারনেট ব্যাংকিং (আইবিএফটি এর মাধ্যমে লেনদেন) সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে এবং এমএফএস প্রোভাইডার ও ব্যাংকগুলো নির্বাচন কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।এমআর-২
    ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪০৬টি মামলা ডিএমপির
    রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ৪০৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।ডিএমপির ট্রাফিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার রমনা বিভাগে ৪৭টি, লালবাগ বিভাগে ৩৬টি, মতিঝিল বিভাগে ৮৫টি, ওয়ারী বিভাগে ৫৪টি, তেজগাঁও বিভাগে ২৫টি, মিরপুর বিভাগে ৭৪টি, উত্তরা বিভাগে ৪৬টি ও গুলশান বিভাগে ৩৯টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযানকালে মোট ১৮৫টি গাড়ি ডাম্পিং ও ১০১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এইচএ
    সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে বিটিভিতে ভাষণ দেবেন চরমোনাই পীর
    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) রবিবার (০৮ ফ্রেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে তার রেকর্ড করা ভাষণ সম্প্রচার করা হবে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভাষণে চরমোনাই পীর মহান স্বাধীনতা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরছেন। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বোধ-বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটানোর প্রস্তাবনা হাজির করেছেন।রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারে কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি ও খাতওয়ারি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। ভোট প্রদানে ইসলামের নীতি ও অবস্থান তুলে ধরেছেন। তারুণ্যের প্রতি বিশেষ বার্তাও বহন রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরের বক্তব্যে।  এমআর-২
    জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে নারী নেত্রীদের আবেদন
    বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আবেদন জানান তারা।লিখিত আবেদনে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থিতা বাতিলসহ একাধিক দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে-অবিলম্বে ওই অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে নারীর মর্যাদা ও শ্রমকে হেয় করে এমন বক্তব্য না দেয়ার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও নৈতিকতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।  সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের ভ্যারিফায়েড ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে নারীদের নিয়ে করা অবমাননাকর ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যকে কেন্দ্র করার প্রেক্ষিতে নারী নেত্রীরা এই আবেদন জানিয়েছেন।  আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর ও গভীরভাবে নারীবিদ্বেষী। এসব মন্তব্য দেশের কোটি কোটি শ্রমজীবী নারীর আত্মমর্যাদা, সামাজিক অবদান ও শ্রমের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল। দলটির বক্তব্যকে ‘হ্যাকিং’-এর ফল বলে দাবি করা হলেও, একটি ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে আবেদনকারীরা মনে করেন। এতে আরও বলা হয়, কথিত হ্যাকিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা প্রামাণ্য তথ্য এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি। ফলে হ্যাকিংয়ের দাবি সন্দেহজনকই থেকে যাচ্ছে।  হ্যাকিং অভিযোগে বঙ্গভবনের এক কর্মীকে গ্রেফতার দেখানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে উল্লেখ করে আবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাই স্বীকার করেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ তথাকথিত হ্যাকিং দাবিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। নারী নেত্রীরা জানান, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী নারীরা তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সেই শ্রমজীবী নারীদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য সংবিধান, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।এমআর-২
    বন্দরে ধর্মঘট নিয়ে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের
    চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট চলতে দেওয়া যায় না উল্লেখ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে। ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছি। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান।বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চার দফা দাবিতে বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য শুরু হয়েছে শ্রমিক ধর্মঘট। আজ রবিবার সকাল ৮টা থেকে তা শুরু হয়।সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে। আর কয়েকদিন পরে রোজা। আমরা প্রতিনিয়ত নদীতে অভিযান চালাচ্ছি। বহির্নোঙরে পড়ে আছে ছোলা, ডাল ও তেল। ১৮ কোটি মানুষকে তারা (ধর্মঘটকারীরা) জিম্মি করেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না। সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও ধরা হবে।’এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান দাবি করেন, সেখানকার অবস্থা স্বাভাবিক। শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনি ব্যবস্থা নেবে। রবিবার দুপুরে বন্দর ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকাল ১০টা থেকে কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আমি আজ সকালে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে গিয়েছি। সবাইকে বলেছি ভোট দিতে হবে। একটি পক্ষ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কোনো অবস্থায়ই নির্বাচন বিঘ্নিত করা যাবে না।’ তিনি জানান, সামনে রমজান। একটি পক্ষ সংকট তৈরি করছে। এতে বাজারে দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়তে পারে।এইচএ
    হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাইল সরকার
    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ‍্যুত্থানের অন‍্যতম সংগঠক শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওএইচসিএইচআর-এর কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল (Note Verbale) প্রেরণ করেছে। উক্ত নোটে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশন থেকে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে, ওএইচসিএইচআর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।এমআর-২
    নির্বাচনী এলাকার অনিয়ম জানাতে কল করুন ৩৩৩ নম্বরে
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট তথ্যসেবা হেল্পলাইন ‘৩৩৩’ চালু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নম্বর থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার দফতর থেকে এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, আপনার নির্বাচনী এলাকার যে কোনো অনিয়ম ও তথ্য জানাতে কল করুন ৩৩৩ নম্বরে। সহজেই মিলবে প্রতিকার। এ নম্বর থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও যাচাইকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে হেল্পলাইন ‘৩৩৩’ তথ্যসেবা চালু করেছে সরকারি প্রোগ্রাম এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)। নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় এ বিশেষ তথ্যসেবা চালু করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে টোল ফ্রি নম্বর ৩৩৩ নম্বরে কল করে ৯ প্রেসের মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাবেন। এ সেবার আওতায় ভোটাররা ভোট দেয়ার নিয়ম ও পদ্ধতি, ভোট কেন্দ্রের অবস্থান, জাতীয় পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত তথ্য, নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, প্রবাসীদের ভোট দেয়ার নিয়ম, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধার পাশাপাশি জরুরি নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপর গতকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার বাইরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ, কোনো সতর্কতা অথবা যে কোনো তথ্য জানাতে নির্বাচন বন্ধু ‘হটলাইন ৩৩৩’ উদ্বোধন করা হয়েছে। ভোটাররা নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা জানিয়ে এ নম্বরে যোগাযোগ করলে সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।এইচএ
    ‌‘ভোট কারচুপির শঙ্কা নেই, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন হবে’
    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। খুব শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভোট কারচুপির কোনো ধরনের শঙ্কা নাই। আপনারা সহযোগিতা করবেন, কোথাও যদি কোনোরকম কারচুপি হয় আমাদের জানাবেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেব।তিনি বলেন, নির্বাচনটা খুব শান্তিপূর্ণভাবে, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে হবে। এটা একটা খুব ক্রেডিবল ইলেকশন হবে।বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যে জায়গায় যে রকম ব্যবস্থা নেওয়ার, ওই ধরনের প্রস্তুতি আমাদের নেওয়া হয়েছে। এখানে আজকের মতবিনিময় সভায়ও এটি আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণভাবে, সুষ্ঠু পরিবেশে এবং একটা উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। একটা ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন হবে।এমআর-২

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
    ব্যয় নির্বাহ করতে না পারায় ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেন তিনি। স্ট্যাটাসে মান্না লেখেন, ‘এখন আমি বগুড়ায়। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ এবং বগুড়া-২ (আসন) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং সাড়ে ছয় লক্ষের মত ভোটার এখানে।’তিনি আরও লেখেন, ‘নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে  প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তে হয়তো অনেকে মনে কষ্ট পাবেন। তাদের কাছে আমি দু:খ প্রকাশ করছি।’এফএস
    ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
    ব্যয় নির্বাহ করতে না পারায় ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেন তিনি। স্ট্যাটাসে মান্না লেখেন, ‘এখন আমি বগুড়ায়। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ এবং বগুড়া-২ (আসন) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং সাড়ে ছয় লক্ষের মত ভোটার এখানে।’তিনি আরও লেখেন, ‘নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে  প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তে হয়তো অনেকে মনে কষ্ট পাবেন। তাদের কাছে আমি দু:খ প্রকাশ করছি।’এফএস
    ভোট দেওয়ার আগে বুঝতে হবে কারা আমাদের পাশে থাকে: তারেক রহমান
    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ভোট দেওয়ার আগে বুঝতে হবে কারা আমাদের পাশে থাকে। ১২ তারিখের নির্বাচনে শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদেরকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে কারা এলাকার মানুষের পাশে কারা দেশের মানুষের পাশে বিপদের সময় থাকে।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাড্ডা সাতারকুলের সানভ্যালী মাঠে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, আমরা রাত জেগে কষ্ট করে বসে আছি কারণ ১২ তারিখে একটি নির্বাচন। এর আগেও কিন্তু গত ১৬ বছরে নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে আমরা তামাশা দেখেছি। নির্বাচনের নামে নাটক হয়েছে। সেই নির্বাচনে দেশের কোনও জায়গায় কোনও মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। কিন্তু এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।তিনি বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদেরকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে কারা এলাকার মানুষের পাশে কারা দেশের মানুষের পাশে বিপদের সময় থাকে। কারা মানুষের দুঃখ কষ্টে তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়। কারা মানুষের, এলাকার উন্নয়ন করে। এই বিষয়গুলো আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৬ বছর এই দেশে অনেক মেগা প্রজেক্ট হয়েছে সাথে মেগা দুর্নীতিও হয়েছে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তেমন কোনও কাজ হয় নাই। যদি হতো তাহলে আজকে এখানে যে ধানের শীষের প্রার্থী কাইয়ুম এই এলাকার কিছু সমস্যার কথা বলেছেন সেগুলো থাকার কথা না। এই সমস্যাগুলো এখনো কেনও বিদ্যমান কারণ গত ১৬ বছরে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কোনও কাজ হয়নি।এফএস
    দেশ স্বাধীনের সময় তারা দেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল: তারেক রহমান
    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশ স্বাধীনের সময় তারা দেশের মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল। আমরা দেখেছি তারা নব্বইয়ের আন্দোলনের সময় জনগণকে ফেলে রেখে কীভাবে নব্বইয়ের স্বৈরাচারের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন সময় এই মহলের জনগণকে ফেলে যাওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। ‘আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে, যাতে আপনাদের ভোটকে কেউ আমি-ডামির নির্বাচন করে বাক্সে বন্দী করতে না পারে। আপনাদের ভোটের অধিকারকে যাতে কেউ ছিনতাই করতে না পারে। ভোটের অধিকারকে ষড়যন্ত্র করে পাল্টে দিতে না পরে।’রোববার রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলামের সমর্থনে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ‘যে তৌফিক আল্লাহ মানুষকে দেননি, এমন কোনো প্রতিশ্রুতি আমরা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে চাই না।’সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা এমন কিছু মানুষের কাছে বলতে চাই না, যা মানুষের আওতার মধ্যে নয়। আমরা আপনাদের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, যেটা করার তৌফিক আল্লাহ মানুষকে দিয়েছেন।’বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘শুধু তা-ই নয়, তারা চেষ্টা করছে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করার। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি, তাদের দলের লোকজন নকল সিল তৈরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তাদের দলের লোকজনেরা সরল মা-বোনদের কাছে গিয়ে এনআইডি নম্বর নিয়েছে, বিকাশ নম্বর নিয়েছে বিভ্রান্ত করার জন্য।’তিনি আরও বলেন, ‘অতীতেও আমরা দেখেছি, তারা নব্বইয়ের আন্দোলনের সময় জনগণকে ফেলে রেখে কীভাবে নব্বইয়ের স্বৈরাচারের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন সময় এই মহলের জনগণকে ফেলে যাওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে।’তিনি বলেন, ‘আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো আমাদের নির্বাচনী প্রতিপক্ষের ব্যাপারে বিভিন্ন কথা বলতে পারতাম। কিন্তু তাতে কি জনগণের কোনো লাভ হতো? হতো না। জনগণের দরকার পরিকল্পনা, জনগণের দরকার কর্মসূচি। যে প্ল্যান, কর্মসূচি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে। এই মুহূর্তে বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যাদের কাছে সেই পরিকল্পনা ও কর্মসূচি রয়েছে।’তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের কোনো উন্নয়ন হয়নি, জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। মেগা প্রজেক্ট হয়েছে, হাতেগোনা কিছু মানুষের উন্নয়ন হয়েছে। যেখানে মেগা প্রজেক্ট করলে, তাদের মেগা মেগা পকেটগুলো, মেগা মেগা অর্থ দিয়ে ভরে সেখানেই তারা মেগা প্রজেক্ট তৈরি করেছে।’বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী তুলিকে (সানজিদা ইসলাম) দেখে রাখেন, ১৩ তারিখ থেকে আপনাদের সবার দায়িত্ব তুলির। আমরা এই আসনে এমন একজনকেই মনোনয়ন দিয়েছি, যে মানুষের দুঃখ বোঝে, মানুষের পাশে থাকে।’এফএস
    সমাবেশ করল জামায়াত, মাঠ পরিষ্কারে নামল বিএনপি!
    সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা শেষে পড়ে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার করেছেন বিএনপি নেতারা।রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।দলীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে মাঠজুড়ে খাবারের প্যাকেট, পলিথিন ও কাগজসহ বিভিন্ন ধরনের ময়লা ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরদিন রোববার দুপুরে বিএনপি প্রার্থী নিজে উপস্থিত থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই মাঠ পরিষ্কার করেন।ঘণ্টাব্যাপী এ কার্যক্রমে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মাঠের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো নির্দিষ্ট স্থানে অপসারণ করা হয়।বিএনপি প্রার্থী মনিরুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি যে দলেরই হোক না কেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব।আগামীকাল (সোমবার) একই মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে আমাদের কর্মসূচি হোক। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু জনস্বার্থ ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’নির্বাচনী উত্তেজনার সময়ে এ ধরনের উদ্যোগ এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির পর মাঠ পরিষ্কারের এই উদ্যোগ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এফএস
    ক্ষমতায় জামায়াত গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন, যা জানালেন শফিকুর রহমান
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন।ইন্নাল্লাহা মা’আসসবিরীন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। যিনি সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি, এমন মানুষই আগামীর রাষ্ট্রপতি হবেন।’রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণা না করে মূলত নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে সততা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠা। এমন মানুষই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং দেশের মর্যাদা রক্ষা করতে সক্ষম হয়।’তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য মানুষের ধৈর্য ও সংগ্রাম প্রয়োজন। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, শান্তি চায়, সুশাসন চায়। আমরা চাই, এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে নির্যাতিত হবে না, কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না।জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ। দেশকে সঠিক পথে নিতে হলে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে সৎ ও যোগ্য লোকদের দায়িত্ব দিতে হবে। দেশ পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটা আমানত। এই আমানত যাদের হাতে যাবে, তাদের অবশ্যই সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।এফএস
    নির্বাচনে জয়ী হলে ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে: নাহিদ
    নির্বাচনে জয়ী হলে ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। নিপীড়নের ব্যবস্থা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি সমূলে উৎপাটন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটে প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতির উদ্দেশে দেয়া নির্বাচনি ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।নাহিদ ইসলাম বলেন, বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লব ছিল একটি গণবিদ্রোহ, যার লক্ষ্য ছিল পুরোনো বন্দোবস্ত ভেঙে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু পুরোনো ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরা আবারও পূর্বের দুর্নীতিগ্রস্ত ও বেইনসাফি বৈষম্যমূলক কাঠামো ফিরিয়ে আনতে পূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমে পড়েছে।ব্যাংক ও উন্নয়ন প্রকল্প লোপাটের অর্থ উদ্ধার ও বিচার করা হবে জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। হাসিনা ও তার মদদপুষ্ট আওয়ামী ব্যবসায়ী ও আমলারা এই অর্থ বিদেশে সরিয়ে নিয়েছে— যা দেশের অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে এনেছে। দেশবাসী যদি আমাদের সরকার গঠনের দায়িত্ব দেয়, তবে ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে লুটপাট ও পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। খুনি হাসিনার দোসর ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, তাদের সুবিধাভোগী আমলা ও আত্মীয়-স্বজনদের আইন ও বিচারের আওতায় আনা হবে।’‘একই সঙ্গে চিহ্নিত লুটপাটকারীদের গণশত্রু ঘোষণা করে এদের সম্পদও বাজেয়াপ্ত করে একটি পাবলিক ট্রাস্টের মালিকানায় নিয়ে নেয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পেশাজীবীদের নিয়োগ দিয়ে দক্ষ ও স্বচ্ছ ম্যানেজমেন্ট কাঠামোর মাধ্যমে নবগঠিত এই সংস্থাটি পরিচালনা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য খুবই স্পষ্ট— ঘুষ, দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে অর্থনৈতিক বৈষম্য বিলোপের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং রাষ্ট্রের সম্পদ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেয়া’-যোগ করেন নাহিদ ইসলাম।হাসিনার আমলে বাংলাদেশ একটি নতজানু পররাষ্ট্রনীতির মধ্যে আবদ্ধ ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দেশের কূটনৈতিক কার্যক্রম কার্যত ইন্ডিয়াকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হতো, ফলে স্বাধীন, সার্বভৌম ও মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি ভেঙে ফেলা হয়েছিল। বিএসএফ শত শত বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করলেও খুনি হাসিনার সরকার চুপ করে থেকেছে। জনগণ যদি এনসিপির ওপর আস্থা রেখে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তবে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য ঘাটতি এবং কারো ওপর অতি নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে এনে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করা হবে। আমরা অগণতান্ত্রিক শাসকদের নতজানু নীতিকাঠামো ভেঙে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আত্মমর্যাদাপূর্ণ ও স্বকীয় পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব।’তিনি বলেন, ‘প্রবাসে থাকা নাগরিকদের সমস্যা সমাধান ও দ্রুত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পৃথিবীর সব প্রান্তে বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করা এবং কূটনীতিকের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। লক্ষ্য হবে, পৃথিবীর সম্ভাবনাময় সব দেশে নামমাত্র খরচে জনবল রপ্তানি করা এবং তারা যাতে কোথাও কোনোভাবে হেনস্তার শিকার না হয়, সেই সুরক্ষা দেওয়া। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা ও সহযোগিতা হবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি।’তিনি আরও বলেন, ‘একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায্য মূল্যে ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা। আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী ব্যবসায়ী, রাজনীতিক ও আমলাদের সিন্ডিকেট ভাঙা হবে। দুষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে আইন করে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। কৃত্রিমভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ, কারসাজি ও অবৈধ মজুতদারি প্রমাণিত হলে অপরাধীরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।’   এমআর-২
    নিজের বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভে উপস্থিত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলে নিজেই গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী স্মৃতি সংসদ কর্তৃক আয়োজিত এই বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরপরই তাকে অনুষ্ঠানস্থলের সামনেই দেখা যায়। অনুষ্ঠানে তাকে বক্তব্য দিতেও দেখা গেছে।হেফাজতে ইসলামের সাবেক মহাসচিব ও আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে নিয়ে তার মিথ্যাচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।পরে এ বিক্ষোভের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা শুরু হয়। এরপর নাসীরুদ্দীন নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ‘আমার কথায় বা আচরণে যারা মনঃকষ্ট পেয়ে থাকেন, তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে নিঃশর্ত দুঃখ প্রকাশ করছি।’   এমআর-২

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা অবহেলার শিকার, ইসির উদাসীনতায় হতাশ ইওএস
    বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য পাঁচ তারকা হোটেল, গাড়ি ও আনুষঙ্গিক সব সুবিধা নিশ্চিত করা হলেও, নিজ দেশের ৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষকের ন্যূনতম থাকা–খাওয়ার ব্যয় দিতেও অনাগ্রহ দেখাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এমন উদাসীনতায় হতাশা প্রকাশ করে অভিযোগ তুলেছে ইলেকশন অবজার্ভার সোসাইটি (ইওএস)।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: দেশব্যাপী সার্বিক অবস্থা ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অবস্থান’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির নেতারা।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইওএস সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন হীরা। তিনি বলেন, “নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা–খাওয়ার জন্য কমিশন পাঁচ তারকা হোটেলের ব্যবস্থা করলেও স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে কমিশনের কোনো আগ্রহ নেই। বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক।”তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী অধিকাংশ স্থানীয় পর্যবেক্ষক প্রথমবারের মতো মাঠে কাজ করবেন এবং তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন।ইওএস সভাপতি বলেন, “আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে থাকা–খাওয়া কিংবা আর্থিক সহায়তা নিচ্ছি না। অতীতে দলীয় অর্থায়নে পর্যবেক্ষণ করে অনেকেই পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দিয়েছেন, আমরা সেই পথ এড়াতে চাই।”তিনি আরও বলেন, ইসির কাছে নির্বাচনকালীন মাত্র তিন দিনের থাকা–খাওয়ার খরচ চাওয়াটাও তাদের জন্য লজ্জার, তবে নিরপেক্ষতা রক্ষার স্বার্থে রাজনৈতিক দলের সহায়তা নেওয়া সম্ভব নয়।ইওএস সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, সংগঠনের পক্ষে বিপুলসংখ্যক পর্যবেক্ষকের ন্যূনতম ব্যয় বহন করা সম্ভব নয় জানালেও কমিশন থেকে বলা হয়েছে,“আপনাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকার প্রয়োজন নেই।”সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬ হাজার ৯৯৫টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলাতেই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৩টি। এসব তথ্য মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষকদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।ইওএস জানায়, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো বিপুল ব্যয় করলেও ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষকের মাত্র তিন দিনের খাবার ও যাতায়াত খরচের বিষয়ে বারবার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও কমিশন কোনো সাড়া দেয়নি।সংগঠনটি আরও জানায়, দাবির পক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হলেও কমিশনের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি, এমনকি স্মারকলিপিও গ্রহণ করা হয়নি।তবে এই পরিস্থিতিতে পর্যবেক্ষক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের নির্বাচনী প্রত্যাশা ও জাতীয় স্থিতিশীলতার স্বার্থে আপাতত সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে জানানো হয়।নির্বাচনী পরিচয়পত্র ইস্যু নিয়েও পর্যবেক্ষকদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে ইওএস জানায়, কখনো অনলাইন, কখনো অফলাইন পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত বদলের কারণে অনেক জেলা এখনো পরিচয়পত্র পেতে বিলম্ব ও জটিলতার মুখে পড়ছে।সংবাদ সম্মেলনে ইওএস গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলে, ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষকের থাকা–খাওয়ার অর্থায়ন কীভাবে হবে এবং এর দায় কমিশনের কি না—সে প্রশ্নটি গণমাধ্যমে জোরালোভাবে তুলে ধরা জরুরি।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইওএসের প্রধান সমন্বয়কারী শহীদুল ইসলাম আপ্পি, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আমীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ, সহ-সভাপতি বশির আহমেদসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।ইখা
    নির্বাচন কমিশন দায়িত্বশীল আচরণ করছে না: মির্জা আব্বাস
    নির্বাচন কমিশন (ইনি) দায়িত্বশীল আচরণ করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের তিনি এ অভিযোগ করেন।মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচন কমিশন দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। এরইমধ্যে অনেকগুলো অভিযোগ করেছি। কিন্তু একটারও রেস্পন্স পাইনি। এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক।ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী বলেন, একটা বিশেষ দলের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে তারা নির্বাচন জিতে বসে আছে। এত বছর নির্বাচন করেছি, কিন্তু আমরা প্রেডিকশন করতে পারিনি যে আমরা জিতে গেছি, অথচ তারা পারে কীভাবে! জনগণ ঠিক করবে তারা কাকে ভোট দেবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন তো হচ্ছে, সঙ্গে পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে। এই পক্ষপাতিত্ব খুব খারাপ। একটা ভুয়া ফলাফল নিয়ে তারা সংসদে যাবে? এটা তো হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ভোটারদের অনুরোধ জানাবো তারা যেনো সব চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে ইলেকশনের দিন যথাযথভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।ইখা
    নতুন ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ইনকিলাব মঞ্চ
    নতুন ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছেড়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ ছাড়েন তারা।এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব জাবেরের নির্দেশনা অনুযায়ী, কর্মীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনটির এক নেতা। তিনি বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’এসময় ডাকসুর দুই নেতা এবি জুবাইর ও মুসাদ্দেক আলী উপস্থিত ছিলেন।এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ‘লীগ অ্যাক্টিভ হয়েছে। তারা সাধারণ জনতার সঙ্গে মিশে পরিস্থিতি অন্য দিকে প্রবাহের চেষ্টা করছে। সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানাল ইনকিলাব মঞ্চ শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার এবং নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। আপনাদের সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’এনআই
    ‘লীগ এক্টিভ হয়েছে, সবাই নিরাপদ স্থানে চলে যান’
    চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন বার্তা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৩ মিনিটে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেওয়া হয়েছে।পোস্টে বলা হয়, ‘লীগ অ্যাক্টিভ হয়েছে। তারা সাধারণ জনতার সঙ্গে মিশে পরিস্থিতি অন্য দিকে প্রবাহের চেষ্টা করছে।শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার এবং নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। আপনাদের সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’এদিকে, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এসময় যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে শাহবাগে অবস্থান নেন ছাত্র-জনতা।এ সময় ‘ব্লকেড, ব্লকেড, শাহবাগ ব্লকেড’; ‘হাদি তোমায় দেখা যায়, ইনকিলাবের পতাকায়’; ‘কে বলেরে হাদি নাই, হাদি সারা বাংলায়’; ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’; ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’; ‘তুমি কে আমি কে, জাবির জাবির’; ‘বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন’সহ নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। মিছিলটি শাহবাগে পৌঁছানোর পর তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।এনআই
    রাজধানীতে একই বাসা থেকে ৪ জনের লাশ উদ্ধার
    রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর এলাকার ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প থেকে ২ শিশু সন্তান ও তাদের বাবা-মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, শিশু সন্তানদের হত্যার পর বাবা-মা আত্মহত্যা করেছেন।‎বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্পের বি-ব্লক থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।‎নিহতরা হলেন- মোহাম্মদ মাসুম (৩৫), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি (৩০), তাদের ৪ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ ও ২ বছর বয়সী ছেলে আসাদ।‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়েছে।‎স্থানীয়রা জানান, নিহত দম্পতি বিহারি ক্যাম্পের একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন। স্বামী রিকশা চালাতেন এবং স্ত্রী বাসা-বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়েছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের কিস্তির জন্য বাসায় আসতো। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী-স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে।‎পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহীন আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো ম্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এমআর-২
    সমাবেশ করল জামায়াত, মাঠ পরিষ্কারে নামল বিএনপি!
    সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা শেষে পড়ে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার করেছেন বিএনপি নেতারা।রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।দলীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে মাঠজুড়ে খাবারের প্যাকেট, পলিথিন ও কাগজসহ বিভিন্ন ধরনের ময়লা ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরদিন রোববার দুপুরে বিএনপি প্রার্থী নিজে উপস্থিত থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই মাঠ পরিষ্কার করেন।ঘণ্টাব্যাপী এ কার্যক্রমে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মাঠের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো নির্দিষ্ট স্থানে অপসারণ করা হয়।বিএনপি প্রার্থী মনিরুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি যে দলেরই হোক না কেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব।আগামীকাল (সোমবার) একই মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে আমাদের কর্মসূচি হোক। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু জনস্বার্থ ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’নির্বাচনী উত্তেজনার সময়ে এ ধরনের উদ্যোগ এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির পর মাঠ পরিষ্কারের এই উদ্যোগ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এফএস
    যশোরের শার্শায় ধানের শীষের ব্যানারে আগুন
    যশোর-১ শার্শা আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। রোববার গভীর রাতে উপজেলার লক্ষণপুর ও শিকারপুর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা উপজেলায় উত্তেজনা বাড়ছে। বিএনপির প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানারে রাতের অন্ধকারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা এমন অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।জানা যায়, রোববার সকালে স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে পুড়ে যাওয়া পোস্টার ও ব্যানার দেখতে পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খবর দেন। পরে নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এলাকার নেতাকর্মীরা দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের আটক ও দৃস্টাš শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।লক্ষণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন লিটন বলেন, রোববার গভীর রাতে এ ইউনিয়নে একটি অনাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। আমাদের ধানের শেিষর প্রার্থী নুরুজামান লিটন ভাইয়ের ৬টি ব্যানার রাতের আধারে কে বা কারা আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে এ ইউনিয়নে অশান্ত করার জন্য, দাঙ্গা বাধানোর জন্য এ কাজ করেছে। এ ব‍্যাপারে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার ফজলে ওয়াহিদ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি শিকারপুর বাজারে ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের ব্যানার পুড়িয়ে ফেলেছে। বিষষয়টি থানাকে জানানো হয়েছে। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। সুনির্দিস্ট কারোর ব্যাপারে অভিযোগ পায়নি। তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। এফএস
    শার্শায় ধানের শীষের ব্যানারে আগুন
    যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার লক্ষণপুর ও শিকারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা উপজেলায় উত্তেজনা বাড়ছে। বিএনপির প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানারে রাতের অন্ধকারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা—এমনই অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।জানা যায়, রোববার সকালে স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে পুড়ে যাওয়া পোস্টার ও ব্যানার দেখতে পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খবর দেন। পরে নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এলাকার নেতাকর্মীরা দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।লক্ষণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন লিটন বলেন, "রোববার গভীর রাতে এ ইউনিয়নে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। আমাদের ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন ভাইয়ের ছয়টি ব্যানার রাতের আঁধারে কে বা কারা আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এ ইউনিয়নে অশান্তি সৃষ্টি ও দাঙ্গা বাধানোর জন্য এ কাজ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।"এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ বলেন, "বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি যে শিকারপুর বাজারে ধানের শীষের প্রার্থীর ব্যানার পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি থানাকে জানানো হয়েছে এবং পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"এনআই
    জীবননগরে বসন্তের জানান দিচ্ছে আমের মুকুল
    ঋতুচক্রের আবর্তনে বিদায় নিতে যাচ্ছে শীত। মাঘের শেষ ভাগে প্রকৃতির সৌন্দর্য বহুগুণ বেড়ে গেছে। ঝরা পাতার ভিড়ে গাছে গাছে জন্মেছে কচি সবুজ পাতা; আর সেই সবুজের মাঝে উঁকি দিচ্ছে সোনালি মুকুল। আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ যেন ঋতুরাজ বসন্তের আগমনেরই জানান দিচ্ছে।গাছে গাছে এখন শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। সোনালি আভার এই মুকুল প্রকৃতির রূপকে করে তুলেছে অনন্য। মুকুল দেখে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় বাগানমালিক ও কৃষকরা। বাগান পরিচর্যায় এখন থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন জাতের আম গাছে এখন মুকুলের সমারোহ। বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে এর মিষ্টি ঘ্রাণ। বসতবাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধার, পুকুরপাড় থেকে শুরু করে ফসলের মাঠ—সবখানেই আম গাছগুলো সেজেছে নতুন রূপে। হিমসাগর, তিলেবোম্বাই, ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালি ও মল্লিকা জাতের আমের বাণিজ্যিক বাগানও রয়েছে এ এলাকায়।উথলী গ্রামের বাগানমালিক আকবার আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা জমিতে আম্রপালি জাতের বাগান রয়েছে। পাশাপাশি কিছু হিমসাগর গাছও আছে। এবার ভালো মুকুল আসায় তিনি আশাবাদী। মুকুল টিকিয়ে রাখতে নিয়মিত গাছের পরিচর্যা ও জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন তিনি।তুহিন আলী নামের অপর এক চাষি বলেন, "বাড়ির আঙিনা ও জমির আইলে থাকা হিমসাগর গাছ থেকে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়েও আম বিক্রি করি। এবারও মুকুল খুব ভালো এসেছে। তবে গুটি অবস্থায় অনেক আম ঝরে পড়ে, তাই কৃষি অফিসের পরামর্শে এখন থেকেই যত্ন নিচ্ছি।"চাষি লিটন হোসেন জানান, এবার আগেভাগেই মুকুল দেখা দিয়েছে। তবে মুকুল আসার সময়টা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। ঘন কুয়াশা, ঝড়-বৃষ্টি ও রোগবালাইয়ের কারণে মুকুল ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তারা লাভের আশা করছেন।বাগানমালিক ইদ্রিস আলী জানান, তিনি নিয়মিত বাগান পর্যবেক্ষণ করছেন। কোথাও পোকার আক্রমণ দেখলে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। তার মতে, এই সময়টুকু ভালোভাবে পার হলে ফল ধরা নিয়ে আর দুশ্চিন্তা থাকে না।উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, মুকুল রক্ষায় তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সচেতন করতে কাজ করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহারের নির্দেশনা দিচ্ছেন।জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, "আমের মুকুল আসার জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার শীতের প্রয়োজন হয়, তবে অতিরিক্ত কুয়াশা ক্ষতিকর। এবার সেই ভারসাম্য বজায় ছিল। তবে অতিরিক্ত বা ভুলভাবে কীটনাশক ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই কৃষকদের সচেতন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"এনআই
    যশোর-১ আসনে নিরাপত্তা শঙ্কা, উদ্বিগ্ন ভোটাররা
    ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, যশোরের শার্শা আসনে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। নির্বাচনী প্রচারের পাশাপাশি পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, ব্যানার পোড়ানো আর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় তৈরি হয়েছে আতঙ্কের পরিবেশ। রাজনৈতিক উত্তেজনার এই আবহে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ ভোটাররা—তাঁদের প্রশ্ন, ভোটের দিন পরিস্থিতি কতটা নিরাপদ থাকবে?এই আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের মুহাম্মদ আজীজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (লাঙ্গল) এবং ইসলামী আন্দোলনের বক্তিয়ার রহমান (হাতপাখা)। মাঠপর্যায়ের হিসাব অনুযায়ী, মূল প্রতিযোগিতা দাঁড়িপাল্লা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, যশোর-১ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১১ হাজার ৬৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮০৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৩ জন এবং হিজড়া ভোটার তিনজন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ১০২টি ভোটকেন্দ্রের ৫৭৭টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৮৩৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় এই আসনের ১০২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫১টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শার্শা উপজেলায় ৬৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টি এবং বেনাপোল পৌর এলাকার ৩৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টি ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, পরিস্থিতি ততই জটিল হয়ে উঠছে। সম্প্রতি শার্শা উপজেলার বালুন্ডা এলাকায় মাটি কাটার সময় শ্রমিকের কোদালের আঘাতে মাটির নিচে পুঁতে রাখা একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনজন শ্রমিক গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।এ ছাড়া রবিবার গভীর রাতে শার্শার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শিকারপুর বাজারে বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের ছয়টি ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দোষারোপও শুরু হয়েছে।জামায়াত প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে ভীতিকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী দাবি করেছেন, জামায়াত নিজেরাই সহিংসতা ঘটিয়ে দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে।উভয় পক্ষই নারী ভোটার ও কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলেছে। পাশাপাশি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন অভিযোগ করেন, নির্বাচনবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তবে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, “যশোর-১ আসন একটি বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা সব আসনে একইভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি এবং এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রস্তুত আছি।”নির্বাচনের আগে এমন উত্তেজনা ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে ভোটাররা চান শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে।ইখা
    দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত: জামায়াত প্রার্থী
    দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত, না দিলে গুনাহ হবে এমন মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে জামায়াত ইসলামীর 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকের প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহ। নিজ এলাকায় গণসংযোগের সময় দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।হাফিজ উল্যাহ আরও বলেন, মা-বোনদের জন্য বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা আছে। এগুলো কি আপনারা পান..? এগুলো পান না। তারপরে জেলে কার্ড আছে। সেগুলো পাওয়া যায় না। আপনাদের কাছে অনুরোধ করব, একদল দুর্নীতি করতে করতে শেষ, আরেকদল বিগত দিনে দুর্নীতি করেছে আবার করতে রেডি হচ্ছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ আমাদের দ্বারা দুর্নীতি হবে না। এবং আমি বলতে চাই, আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন। আপনারা সোয়াবের ভাগি হবেন, আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত, আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন তারা গুনাহগার হবেন। ওরা ভোট দেয়ার পরে নির্বাচিত হলে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করবে এবং রাস্তার টাকা মারি খাবে, প্রজেক্টের টাকা মারি খাবে এটা হইলো তাদের কাজ। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে সমালোচনার ঝড় দেখা যাচ্ছে। ইমরান হোসেন শাকিল লিখেন-দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত! না দিলে গুনাহ্ হবে -জামায়াত প্রার্থী এআর হাফিজ উল্লাহ (নাউজুবিল্লাহ্)। শাহ আলম সম্রাট লিখেন, দাঁড়ি পাল্লার এম পি প্রার্থীরা জান্নাতের মালিকানা দাবি করে সবাইকে বলে নিশ্চিত জান্নাত দিবে, নাউজুবিল্লাহ।  মো. মাইন উদ্দীন লিখেন-তারা এভাবে দেশের সাধারণ মানুষকে ধোঁয়া দিচ্ছে। হাফিজ ভাই এভাবে আর কত আপনারা মানুষকে ধোকা দিবেন.? হাফিজ ভাই আপনি যদি জান্নাতের টিকিট দিতে পারেন তাহলে আমি কথা দিচ্ছি আমার প্রথম ভোট আমি আপনাকে দিব, দাঁড়ি পাল্লায় দিব।এফএস
    পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদের গণমিছিলে জনসমুদ্র; পরিবর্তনের ডাক
    পেকুয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী গণমিছিলে মানুষের ঢল নেমেছে। রোববার সকাল থেকেই উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা ট্রাক, জিপ ও বিভিন্ন যানবাহনে করে মিছিলে যোগ দিতে শুরু করেন। নেতাকর্মীদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড, সালাহউদ্দিন আহমদ ও তারেক রহমানের ছবি এবং ধানের শীষের প্রতিকৃতি।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিছিলটি পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজার থেকে শুরু হয়ে বানৌজা সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাকুরপাড় স্টেশনে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণমিছিলে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটেছে, যা পেকুয়ার অতীতের সকল নির্বাচনী রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।গণমিছিলের সম্মুখভাগে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। মিছিল শেষে পথসভায় তিনি ভোটারদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “পেকুয়া বাজার থেকে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে সাকুরপাড় পর্যন্ত আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।”নির্বাচনী আচরণবিধি স্মরণ করিয়ে দিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, “আগামীকাল (সোমবার) রাতের মধ্যেই প্রচার-প্রচারণা গুছিয়ে নিতে হবে। ১০ তারিখ সকাল ৮টার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সব প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে আপনাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ত্যাগ করা যাবে না।” তিনি শান্তি বজায় রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা এবং ভোটকেন্দ্রে যেকোনো অনিয়ম রোধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মা-বোনদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দেন।সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “গত ১৬-১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ইনশাআল্লাহ, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য এক নতুন অভিযাত্রা শুরু করবে এবং শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে অধিকার আদায়ের জন্য আর কাউকে রক্ত দিতে হবে না।”গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদ, তাদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক জেড এম মুসলেম উদ্দিন, ডা. বেলাল হায়দার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আহছান উল্লাহসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।এনআই
    লামায় ৪২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পার্বত্য বান্দরবানের জনবহুল ও সর্ববৃহৎ লামা উপজেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে সহিংসতার তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে উপজেলার অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।বান্দরবান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল আলম সাংবাদিকদের জানান, "জেলায় ১৮৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৫৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে লামা উপজেলার ৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৪টিকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১১টি কেন্দ্রকে 'অতি-ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই তালিকা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে।"তিনি আরও জানান, আলীকদম উপজেলার কুরুপপাতা ইউনিয়নের কমচঙ ইয়ুংছা মাওরুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ চারটি উপজেলার মোট ১১টি দুর্গম ভোটকেন্দ্রকে ‘হেলিস্টি’ (হেলিকপ্টার নির্ভর) কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম ও জনবল আনা-নেওয়ার কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।ভোটার পরিসংখ্যান: বান্দরবান জেলায় (৩০০নং আসন) ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর বসবাস। জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৫ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৭ জন।লামা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হামিদ জানান, এই উপজেলায় ৪২টি কেন্দ্রে মোট ২২৩টি ভোটকক্ষ রয়েছে। উপজেলায় মোট ভোটার ৮৭ হাজার ৫৫৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৪ হাজার ৯২৮ এবং নারী ৪২ হাজার ৬২৬ জন। এছাড়া ১২৭৫ জন সরকারি চাকরিজীবী পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন।নিরাপত্তা ও অতীত সহিংসতা: লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সবকটি কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। বিশেষ করে ১৪টি কেন্দ্রকে অতি-ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, লামায় নির্বাচনী সহিংসতার স্মৃতি এখনো অম্লান। বিশেষ করে ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেরাখোলা স্কুলে গোলাগুলি, এম হোসেন পাড়া কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারসহ কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ রাখা এবং ফাঁসিয়াখালী ও সরই ইউনিয়নে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন বলেন, "অতীতের সহিংসতার অভিজ্ঞতা থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা করা হয়েছে। তবে সব কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।"এনআই
    হোমনায় স্বাভাবিক মৃত্যুকে হত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টার অভিযোগ
    কুমিল্লার হোমনায় এক বৃদ্ধের স্বাভাবিক মৃত্যুকে 'হত্যা' বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার(৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের নাগেরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগেরচর গ্রামের আপন দুলাল (৬০) সকালে তাঁর ভাতিজা (তালা প্রতীকের সমর্থক) মো. মবিনকে বিএনপির জনসভায় যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। মবিন রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পরই আপন দুলাল অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়দের ধারণা, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।তবে ঘটনার পর একটি পক্ষ বিষয়টিকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে 'হত্যা' বলে প্রচার শুরু করে এবং ময়নাতদন্তের দাবি তোলে। এদিকে মৃত আপন দুলালের ছেলে মো. আনিসুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করে জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন এবং এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যু।তিনি ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি প্রার্থনা করেন।মৃতের ছেলে মো. আনিসুর রহমান বলেন, "আমার বাবা হার্টের রোগী ছিলেন। সকালে তিনি হার্ট অ্যাটাক করেই মারা গেছেন। আমি আবেদন করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি চেয়েছিলাম। কিন্তু ফেসবুকে নানা বিভ্রান্তিকর লেখালেখির কারণে পুলিশ এখন লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেছে।"হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, "মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। তবে ফেসবুকে নানা রকম লেখালেখি হচ্ছে এবং ৯৯৯ থেকেও কল আসছে। তাই জনমনে সৃষ্ট সন্দেহ দূর করতে ও মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।এনআই
    ধর্ম বেচে রাজনীতি বন্ধ হবে ব্যালটেই: আমির খসরু
    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি আর চলবে না। একটি দল সাধারণ মানুষকে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তাদের প্রতীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাবে- এমন প্রলোভন দেখিয়ে ভোট ভিক্ষা চাইছে। জনগণ এখন সচেতন। তারা এসব ভণ্ডদের ভণ্ডামি প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে তাদের কথিত “বেহেশতের টিকিট” বিক্রিও বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলটির একটি বিশেষ বটবাহিনী প্রতিনিয়ত অসত্য, কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আগামী ১২ তারিখ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে এসব মিথ্যার জবাব দিতে হবে। মিথ্যেবাদী ও ভণ্ডদের কবর রচনা করেই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে- ইনশাআল্লাহ।সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিনের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আমির খসরু বলেন, “যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই ধানের শীষের জোয়ার দেখা যাচ্ছে। চারদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পুরুষ, মহিলা এমনকি শিশুরাও ধানের শীষের স্লোগান দিচ্ছে। তবে আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। ১২ তারিখ রাতে নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে যখন ঘরে ফিরব, তখনই আন্দোলনের সমাপ্তি হবে- এর আগে নয়।” আমির খসরু বলেন, নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করবে, তবে সেই জয় হতে হবে বিশাল ভোটে। বিশ্বের মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে হবে- বাংলাদেশের জনগণ কোনো অদৃশ্য শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জনগণের রায়েই সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম  দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান ও সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ফৌজুল কবির ফজলু।পথসভায় উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    ভোটের মাঠে সার্কাস: শরীয়তপুরে ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণা
    রঙিন পোশাকে কেউ আকাশছোঁয়ার ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে, কেউ এক চাকায় সাইকেল চালিয়ে দেখাচ্ছেন ঝুঁকিপূর্ণ কসরত। কখনো ডিগবাজি, কখনো জোকারের সাজে হাস্যরস—সব মিলিয়ে মুহূর্তেই উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। দেখলে মনে হয় যেন কোনো সার্কাস দলের প্রদর্শনী চলছে।তবে বাস্তবে এটি কোনো বিনোদন আয়োজন নয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে নেওয়া হয়েছে এমনই ভিন্নধর্মী নির্বাচনী প্রচারণা। প্রচলিত পোস্টার, মাইকিং কিংবা মিছিলের বাইরে গিয়ে অভিনব এই কৌশলে সাধারণ মানুষের মনোযোগ কাড়ার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা।দেশজুড়ে জমে উঠেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। এর ব্যতিক্রম নয় নদীবেষ্টিত জেলা শরীয়তপুরও। ভোটারদের কাছে ভিন্নভাবে পৌঁছাতে শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম সার্কাস দলের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।শরীয়তপুর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা—শরীয়তপুর উপজেলা মোড়, চৌরঙ্গী মোড়, মনোহর মোড়, আঙ্গারিয়া বাজার, পালং বাজার, চিতুলিয়া বাজার, টিএনটি মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা চালাতে দেখা যায়। সার্কাস দলের সদস্যরা শারীরিক কসরত ও নানা বিনোদনমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যা ভোটারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের ১৭ জন দলীয় প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। নির্বাচন ঘিরে জেলার সর্বত্রই বেড়েছে রাজনৈতিক ব্যস্ততা। ভোটের মাঠে এগিয়ে থাকতে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে, দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসব ও উত্তেজনার আমেজ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ভোটারদের প্রত্যাশা—নির্বাচনের দিন এবং পরবর্তী সময়েও যেন এই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকে।স্থানীয় কলেজ শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদ বলেন, “আমরা ছোটবেলায় সার্কাসের কথা শুনেছি, কিন্তু সামনাসামনি কখনো দেখিনি। আজ সার্কাসের সাথে নির্বাচনের প্রচারও দেখলাম। বিষয়টি খুব ভালো লেগেছে।”বগুড়া থেকে আসা ‘সোনার বাংলা সার্কাস’ দলের প্রধান সুশান্ত মোদক বলেন,  “আমরা বিএনপি প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের পক্ষে প্রচারণা করতে এসেছি। আমাদের দলে আটজন সদস্য রয়েছেন। রনপা, এক চাকার সাইকেল, জাগলান, বায়োস্কোপসহ নানা কসরত দেখাচ্ছি। সাধারণ মানুষ খুব আগ্রহ নিয়ে দেখছেন। বিনোদনের মধ্য দিয়েই আমরা ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি।”এ বিষয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ভোটারদের বিনোদন দিতেই আমরা ভিন্নধর্মী এই প্রচারণা বেছে নিয়েছি। সার্কাস দলের কসরত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং ভোটাররা বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করছেন।”   এমআর-২
    নির্বাচিত হলে দেশের উন্নয়নের তালিকায় টাঙ্গাইল থাকবে এক নম্বরে: টুকু
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হলে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নের তালিকায় টাঙ্গাইল জেলা এক নম্বরে উঠে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। এতে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ঢাকার পাশের গাজীপুর ইতোমধ্যে সিটি কর্পোরেশনের আওতায় এসে উন্নত হয়েছে। টাঙ্গাইলকেও আধুনিক ও পরিকল্পিত শহরে পরিণত করতে হলে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা প্রয়োজন। তিনি নির্বাচিত হলে শহরকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান।তিনি আরও বলেন, আমি যে প্রতীকে নির্বাচন করছি, সেটি শুধু আমার নয় এটি দেশের মানুষের প্রতীক। হৃদয়ের প্রতীক ধানের শীষ, যা দেখলে মানুষের অন্তর জুড়িয়ে যায়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। সঠিক ভোটের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।করটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এসএম বদরুদ্দোজা বদরের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোর্শেদ আলী খান পন্নী। প্রধান বক্তা ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সরকারি সাদত কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সৈয়দ জাদিদুল হক জাদিদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান উজ্জ্বল।এসকে/আরআই
    টাঙ্গাইলে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা তুঙ্গে: ভোটারদের দ্বারে দ্বারে টুকু
    দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। শেষ মূহুর্তে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন।রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই তিনি শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা নিরালা মোড়, ছয় আনি বাজার, কোর্ট চত্ত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণসংযোগ করেন। এ সময় পথচারী, ব্যবসায়ী ও ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।এছাড়া উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও পথসভার মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। শহর ও গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়কেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য ধানের শীষের বিকল্প কিছু নেই। আমরা চাই সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন। ভোট সুষ্ঠু হলে আমার বিজয় নিশ্চিত।গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এমআর-২
    নরসিংদীকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পবান্ধব নগরী গড়ার প্রতিশ্রুতি খাইরুল কবির খোকনের
    নরসিংদীকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পবান্ধব শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন নরসিংদী-১ (সদর) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন। রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে চিনিশপুরস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁর এই ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।খায়রুল কবির খোকন তাঁর বক্তব্যে জানান, নির্বাচিত হলে এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নরসিংদীর যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি নরসিংদী পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর এবং মাধবদী পৌরসভাকে আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। এর আওতায় উভয় পৌরসভায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল খনন, প্রশস্ত রাস্তা, লাইটিং ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহসহ যানজট নিরসনে কাজ করা হবে।শিক্ষার প্রসারে সদরে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরভিত্তিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে বিদেশে কর্মসংস্থানের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি। স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন ও নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করে গ্রামভিত্তিক মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন ধানের শীষের এই প্রার্থী।নরসিংদী সদরের অবহেলিত চর অঞ্চলের উন্নয়নে তিনি "সমন্বিত চর উন্নয়ন প্রকল্প" গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে চর এলাকায় রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং ফেরি চলাচলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে চরাঞ্চলের পারিবারিক আধিপত্য নিরসনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। এছাড়া আন্দোলনে আহত ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের বিষয়টিও তাঁর ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে।খায়রুল কবির খোকন তাঁর ইশতেহারে আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য সম্মানী ও উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি একটি শান্তিময় ও সমৃদ্ধ নরসিংদী গড়ার আহ্বান জানান।সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদ ভুইয়া, হারুন অর রশিদ, এম.এ জলিল, গোলাম কবির কামাল, আকবর হোসেন, আমিনুল হক বাচ্চুসহ দলের বিভিন্ন স্তরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এসআর
    বিএনপি দুর্নীতি কমাবে এই কথা শুনলে শয়তানও হাসে: সাদ্দাম
    বিএনপি দুর্নীতি কমানোর কথা বললে সেটি বিশ্বাসযোগ্য নয়, তারা আগে দ্রব্যমূল্য কমানো ও সিন্ডিকেট ভাঙার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। অতীত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, তাদের এমন বক্তব্য শুনলে “শয়তানও মিটিমিটি হাসে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ডাকবাংলা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।এসময় নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বিএনপি অতীতে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কৃষকদের ঋণ মওকুফ, বেকারদের ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।তিনি আরও বলেন, দেশে নতুন করে জুলুম-নির্যাতনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। জনগণ এসব কর্মকাণ্ড আর দেখতে চায় না। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের ঘটনার জন্য তিনি বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, সদ্য জামায়াতে যোগ দেওয়া বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুনসহ জেলা ও উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।এসআর
    বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৫০
    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে নির্বাচনি প্রচারণার মধ্যেই বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।এ সংঘর্ষের ঘটনার জেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহীদুল আলম তালুকদারের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রেখেছেন জামায়াত কর্মীরা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ক্যাম্পিংয়ের জন্য বাউফলের বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে যান একদল কর্মী-সমর্থক। সেখানে তাদের সঙ্গে বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে উভয়পক্ষের কয়েকজনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।এ সংঘর্ষের ঘটনার জেরে বিকাল ৪টার দিকে বাউফল থানার সামনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারকে বহনকারী গাড়ি জামায়াত সমর্থকরা অবরুদ্ধ করে রাখে। ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। পরে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়।স্থানীয় সূত্রের দাবি, চন্দ্রদ্বীপে ধানের শীষ সমর্থকদের ওপর জামায়াতের হামলা পরিকল্পিত ও সংগঠিত। এ সহিংসতায় প্রচারণা একেবারেই অচল হয়ে পড়ে এবং এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়েছি, বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে বিস্তারিত জানাব।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ জানান, চন্দ্রদ্বীপে সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে উভয়পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনার পর বাউফল উপজেলা ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন ভোটকেন্দ্র এলাকায় বিএনপি–জামায়াতের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনি প্রচারণার পরিবেশ আজ প্রায় অচল, এবং সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা ভোটের মাঠকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।এফএস
    বরিশালে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় সভা
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরিশালে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রবিবরা (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বরিশাল এলজিইডি কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, "২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।"তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরণ করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যাতে সকলে নিশ্চিন্তে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।"এ সময় সেনাবাহিনী জানায়, বরিশাল শহর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে আছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেনাবাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ সময় গণমাধ্যমকর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। মতবিনিময় সভায় বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।এনআই
    বরিশালে সেনাবাহিনীর অভিযানে ককটেলসহ দুই সন্ত্রাসী আটক
    বরিশালের গৌরনদীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী সারোয়ার প্যাদা (৫৫) ও তার ভাই বাচ্চু প্যাদাকে (৪৫) আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয়টি ককটেল ও চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে  গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের ত্রাস হিসেবে পরিচিত এই দুই ভাইকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সারোয়ার প্যাদার মিয়ারচরের বাসায় পরিচালিত এই অভিযানে ককটেল (হাতবোমা) ও দেশীয় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যে এসব ককটেল ও অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনী।এনআই
    ব্যবসায়ীরা আলাদা থাকায় রাজনীতিবিদরা দস্যু হয়ে ওঠে: পার্থ
    ভোলা-১ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধ না থাকায় রাজনীতিবিদরা দস্যু হয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে ভোলার ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য ছিল না বলেই ক্ষমতাসীনরা তাদের ওপর নানা ধরনের অন্যায়-অবিচার করতে পেরেছে।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোলা শহরের চিলি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।পার্থ বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলেও যদি কোনো অন্যায় করি, তাহলে আপনারা প্রেস কনফারেন্স করে প্রতিবাদ করবেন। প্রতিবাদ না করলে আজ এক মার্কেট, কাল আরেক মার্কেটের ব্যবসায়ীদের ওপর অন্যায় চলতেই থাকবে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্যের অভাবেই অতীতেও নানা অনিয়ম হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট উন্নয়ন সরকার এলেই হবে। কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা। একজন ব্যবসায়ী মাসে এক লাখ টাকা আয় করলেও যদি তাকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়, তাহলে সেই ব্যবসার লাভ কোথায়? নেতার নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি টাকা আদায় করে, সেটি বন্ধ হওয়া দরকার।’অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘দৌলতখান, লালমোহন কিংবা চরফ্যাশন—যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।’নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে ভোলায় কোনো চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি থাকবে না। কারণ আমার পরিবারের কেউ এখানে ব্যবসা করে না, কেউ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত নয়। তাই আপনারা আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন। ভোলায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।’সভায় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল রহমান কিরণ, সদস্য সচিব রাইসুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম কায়েদসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    মনপুরায় অগ্নিকাণ্ডে অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
    ভোলার মনপুরায় মধ্যরাতে আগুনে পুড়ে ৪ টি দোকান ঘর ও ২ টি গুদাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে হয়েছে বলে দাবী করছেন ব্যবসায়ীরা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ১টি স্বর্ণের দোকান, ৩ টি মুদি দোকান ও ২টি গুদামঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ারসার্ভিসের সদস্যরা পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বাজারের একটি স্বর্ণের দোকানে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুনে ৪টি দোকান ও ২ টি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তারা বলছেন, স্বর্ণের দোকানের হ্যান্ড গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুনে সূত্রপাত ঘটেছে। মনপুরা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো.ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ২ টি গুদামসহ ৬ টি দোকান ঘর পুড়ে প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।তিনি আরও জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।ইখা
    সবুজের অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান
    সবুজের ভেতর হারিয়ে যেতে কার না ইচ্ছা করে! শহরের কোলাহল, ধুলো আর ব্যস্ততার বাইরে প্রকৃতির কাছে একটু প্রশান্ত নিঃশ্বাস নিতে চাইলে ময়মনসিংহের ভালুকায় আছে এক নিভৃত আশ্রয়—কাদিগড় জাতীয় উদ্যান। প্রকৃতি আর মানুষের হাতে গড়া বনের অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই অরণ্য যেন সবুজের এক জীবন্ত পাঠশালা।ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীন ভালুকা রেঞ্জের কাদিগড় বিট আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ। চোখজুড়ানো গজারি আর সেগুনের বাগান, ঘন সবুজের আবরণ আর পাখির অবিরাম কিচিরমিচির মুহূর্তেই মনকে টেনে নেয় প্রকৃতির গভীরে। উঁচু গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো নেমে আসে মাটির বুকে, বাতাসে পাতার মর্মর আর দূরের পাখির ডাক মিলেমিশে তৈরি করে এক মোহময় পরিবেশ।বহু বছর আগে পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা মিনজিরি, অর্জুন ও সেগুনের বাগানগুলো সময়ের প্রবাহে আজ প্রায় প্রাকৃতিক বনের রূপ নিয়েছে। প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্যে এসে এই সবুজের সমারোহ আর পাখির কলতান প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে করে তোলে বিমোহিত। কাদিগড় উদ্যানে নিয়মিত দেখা মেলে হনুমান ও বানরের দল। ভাগ্য ভালো থাকলে গাছের ডালে ডালে তাদের লাফালাফিও চোখে পড়ে। প্রাণীকূলের মধ্যে রয়েছে শিয়াল, শজারু, মেছো বিড়াল, বনবিড়াল, বাগডাশ ও বেজি। বনের ভেতরে বিচরণ করে নানা প্রজাতির সাপ, ব্যাঙ, তক্ষক ও গুইসাপ। রঙিন প্রজাপতির উড়াউড়ি আর নানা জাতের পাখির কিচিরমিচির এই বনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।অবস্থানগত দিক থেকে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে এটি প্রায় ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এবং ভালুকা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যোগাযোগ ব্যবস্থাও তুলনামূলক সহজ। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে সিডস্টোর বাজারে নেমে সেখান থেকে সিএনজি যোগে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই পৌঁছে যাওয়া যায় কাদিগড়ে। ভাড়া পড়তে পারে প্রায় ১৫০ টাকা। তবে বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে কিছুটা ভোগান্তি হয়।শুষ্ক মৌসুমে কাদিগড় বিট হয়ে ওঠে বনভোজনপ্রেমীদের মিলনকেন্দ্র। পরিবার, বন্ধু কিংবা বিভিন্ন সংগঠনের মানুষ এখানে এসে প্রকৃতির কোলে সময় কাটান। সবুজ যে প্রাণের স্পন্দন, বেঁচে থাকার অনিবার্য অংশ—সে উপলব্ধি যেন আরও গভীর হয় কাদিগড়ের বনে এসে।লোকমুখে প্রচলিত আছে, একসময় এই জঙ্গলের কাঠ সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কাদির মিয়া নামে এক ব্যবসায়ী কিনতেন। তাঁর একক আধিপত্যের কারণে অন্য কেউ টেন্ডারে অংশ নিতে পারতেন না। সেই দাপুটে প্রভাব থেকেই এলাকাটি পরিচিত হয় ‘কাদির মিয়ার জঙ্গল’ নামে, যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে আজ কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত।প্রায় ৯৫০ একর আয়তনের এই উদ্যানে পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার, দুটি ইকো কটেজ, দুটি গোলঘর, পিকনিক স্পট এবং পুকুরপাড়। পরিকল্পিত সংরক্ষণ ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা গেলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ভবিষ্যতে হয়ে উঠতে পারে ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্য।সবুজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে দিতে চাইলে, প্রকৃতির কাছে একটু শান্তি খুঁজতে চাইলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হতে পারে সেই নিখুঁত ঠিকানা—যেখানে প্রকৃতি কথা বলে নীরবে।ইখা
    একাত্তর ও ২৪ নিয়ে রাজনীতি করতে চাইলে বিরত থাকুন: বাবর
    যারা একাত্তর আর ২৪ কে নিয়ে রাজনীতি করতে চান দয়া করে করবেন না। একটি হলো স্বাধীনতা আরেকটি হলো মুক্তি, স্বাধীনতা আর মুক্তি এক জিনিস না, স্বাধীনতা আর মুক্তি এক হতে পারে না- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরশনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নেত্রকোনা-৪ আসনের মদন উপজেলার দেওয়ান বাজার মাঠে এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতাকে আমি ভুলতে পারব না, তেমনি ২০২৪ জুলাইকেও ভুলতে পারব না। একাত্তর, একাত্তরই, চব্বিশ, চব্বিশই। একাত্তর-এর মাধ্যমে আমরা পরিচিতি লাভ করেছি, আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। তবে একাত্তরের সঙ্গে কোনো তুলনা করা যাবে না।তিনি বলেন, আমরা গর্ব করে বলতে পারি আমাদের একটি লাল সবুজের পতাকা আছে। দয়া করে চব্বিশ আর একাত্তর নিয়ে রাজনীতি করবেন না। আমার নেতা ১৭ বছর নির্বাসনে ছিলেন। সেখানে তিনি এমনি বসে থাকেননি, উনার একটা প্লান আছে। তিনি সেই প্লান বাস্তবায়ন করবেন, যদি আমরা সবগুলো আসন তাকে উপহার দিয়ে ক্ষমতায় আনতে পারি।এর আগে, দুপুর থেকে দেওয়ান বাজার মাঠে দলে দলে আসতে থাকেন নেতাকর্মীরা। স্লোগান আর নেতাদের জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। এসময় বাবর নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখ ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত করতে হবে। আমরা সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে তা দেখিয়ে দেব। তাই এখন থেকে আপনারা কাজ শুরু করুন, পাড়া-মহল্লাসহ সব স্থানে যান।’এসআর
    নান্দাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
    ময়মনসিংহের নান্দাইলে মোটরে বিদ্যুৎসংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রুকন উদ্দিন ব্যাপারী (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুকন উদ্দিন ব্যাপারী একই গ্রামের মাইজ উদ্দীনের ছেলে।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুকন উদ্দিন ব্যাপারী একজন কৃষক ছিলেন। কৃষিকাজের পাশাপাশি গ্রামের বাজারে নিয়মিত শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শনিবার সকালে তিনি পানি সেচ দিতে বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ে কৃষিজমিতে যান। মোটরে বিদ্যুৎসংযোগ দেওয়ার পর অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পাশের জমির কৃষকরা বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারকে খবর দেয়। পরিবারের লোকজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ওসি মো.আল আমীন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পিএম
    তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে সাধারণ মানুষও ভাতা পাবেন: ডা. লিটন
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেছেন, আগামীতে তারেক রহমান দেশের দায়িত্ব নিলে এবং প্রধানমন্ত্রী হলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে ভাতা পান, সাধারণ মানুষও বিশেষ সুবিধার আওতায় আসবে।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিশাল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. লিটন বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে। “তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সরকার গঠিত হলে নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ দেওয়া হবে,” বলেন তিনি।এলাকার উন্নয়নের জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান বিএনপির এই প্রার্থী।আব্দুল খালেক মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং আ. ন. ম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল পৌরসভার সাবেক মেয়র আমিনুল ইসলাম আমিন সরকার, পৌর বিএনপির সভাপতি আলেক চান দেওয়ান, সাবেক কাউন্সিলর এবি সিদ্দিক শাহজাহান, সাবেক কাউন্সিলর রাশেদুল হাসান বিপ্লব, সাবেক যুবদল নেতা মশিউর রহমান শরীফসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।বক্তারা আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।ইখা
    ভালুকায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে একজনকে জরিমানা
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভালুকা ইউনিয়নের মেদিলা বাজার এলাকায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে একজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মেদিলা বাজার এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৪(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) বসিয়ে এই অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়।আদালত পরিচালনা করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ. বি. এম. কাউসার জামান।এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, “নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভোটারদের মাঝে অর্থ বা উপহার বিতরণ করে প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”এদিকে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের এমন তৎপরতা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।এনআই
    দিনাজপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চালকের সহকারীসহ নিহত ২
    দিনাজপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় কাভার্ড ভ্যান চালকের সহকারী ও এক রিকশাভ্যান আরোহী নিহত হয়েছেন।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঘোড়াঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় একজন এবং শনিবার সন্ধ্যায় চিরিরবন্দরে বাসের ধাক্কায় অপরজন নিহত হন।নিহতরা হলেন—ঘোড়াঘাট উপজেলার সৈয়দপুর ওয়াবদা মোড় এলাকার বাসিন্দা আল-আমিন (৪০) এবং পার্বতীপুর উপজেলার উত্তর শালন্দর গ্রামের কচুয়াপাড়ার শমিজ উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০)।ঘোড়াঘাটে দুর্ঘটনা: পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘোড়াঘাট পৌরসভার আজাদমোড় এলাকায় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে একটি মালবোঝাই ট্রাকের চাকা মেরামত করছিলেন চালক ও তাঁর সহকারী। এ সময় দিনাজপুর অভিমুখী একটি দ্রুতগতির কাভার্ড ভ্যান পেছন থেকে ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ড ভ্যানটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং কেবিনের ভেতরে চালক ও সহকারী আটকে পড়েন।খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালকের সহকারী আল-আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যান চালক আমিনুল ইসলাম (৪২) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান দুটি জব্দ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।চিরিরবন্দরে দুর্ঘটনা: অপরদিকে, শনিবার সন্ধ্যার আগে দিনাজপুর-ফুলবাড়ী মহাসড়কের চিরিরবন্দর উপজেলার আমতলী বাজারের সন্নিকটে '১৩ মাইল' নামক স্থানে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় রিকশাভ্যান আরোহী রফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুন নবী জানান, ফুলবাড়ী থেকে দিনাজপুরগামী একটি বাসের সঙ্গে আমবাড়ীগামী রিকশাভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা আহত রফিকুলকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।এনআই
    তারাগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ইদ্রিস আলীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের মাঝেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, রংপুর কোতোয়ালি থানার এফআইআর নং-০৭,  ১৭ নভেম্বর ২০২৫, জিআর নং-১০৮/২৫ অনুযায়ী সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯-এর ৬(২) (ই)/৮/৯(৩১)/১০/১২ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে রংপুর জেলহাজতে পাঠানো হবে।এসআর
    কুড়িগ্রামে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের জামায়াতে যোগদান
    কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।জানা গেছে, দীর্ঘদিন বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এসব নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে দলটিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন।যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী, এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এর আগেও বিভিন্ন দলের কিছু নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।যোগদানকারী কয়েকজন বলেন, দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। তাদের মতে, ইসলামী আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে।এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে। তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ‘ইনসাফের উলিপুর’ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ইখা
    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে এনে জামায়াত কর্মীকে মারধর
    পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এক জামায়াত কর্মীকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে হামলায় জড়িতদের একটি অংশ আহত ওই ব্যক্তিকে হুইলচেয়ারে করে আবারও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।আহত ব্যক্তির নাম রিপন রানা। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কর্মী এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বোদা পৌর শাখার সভাপতি।ভাইরাল হওয়া সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, শুক্রবার রাত ১২টা ৪২ মিনিটের দিকে একে একে অন্তত ২৭ জন ব্যক্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে লাঠি ছিল। রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে সাত থেকে আটজন ব্যক্তি রিপন রানাকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যান। এ সময় একজনকে লাঠি উঁচিয়ে আঘাতের প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়। পরে হাসপাতালের বাইরের সড়কে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। একই সময় ফুটেজে দেখা যায়, কিছুক্ষণ পর দুইজনের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে রিপনকে জরুরি বিভাগের দিকে আসতে দেখা যায়। পরে একটি হুইলচেয়ারে বসিয়ে তাকে ভেতরে নেওয়া হয়।রিপন রানা অভিযোগ করেন, শুক্রবার পাঁচপীর এলাকায় জামায়াতের একটি নির্বাচনী সভা চলাকালে বিএনপির লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। ওই ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তাদের দেখতে তিনি হাসপাতালে গেলে ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে পুরুষ ওয়ার্ডে ঢুকে তাকে টেনে নিচে নিয়ে গিয়ে মারধর করেন। হামলায় জড়িতরা বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করলেও তাৎক্ষণিক কারো নাম বলতে পারেননি। হামলায় তার মাথা, কপাল, নাক ও হাঁটুতে আঘাত লেগেছে বলে জানান।এই বিষয়ে জানতে বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সেলিম মালিককে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেন নি।বোদা থানার ওসি (তদন্ত) মো. রেজওয়ানুল হক মন্ডল বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজটি আমিও দেখেছি। তবে সেটি অস্পষ্ট মনে হয়েছে। পড়ে গেছে একজন এটা দেখলাম। দুই তিনজন তুলছে এটা দেখলাম। তার আগে কি হলো, ভিডিওটি সম্ভবত কাটাকাটি করা।একজন ব্যক্তিকে জোর করে বের করে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে হাসপাতালের দিকে হেঁটে আসার বিষয়টি কেন গুরুত্ব পাচ্ছে না এমন প্রশ্নে ওসি (তদন্ত) বলেন, প্রশাসনিক বিষয়াদি ওসি দেখেন। এই বিষয়ে মন্তব্য নিতে তিনি ওসিকে কল করার অনুরোধ জানান।উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে পাঁচপীর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা ও বিএনপি'র মিছিলকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর ঘটনার প্রতিবাদে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা পাঁচপীর থেকে ফিরে সাকোয়া এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ে অবরোধ করে। পরে যৌথ বাহিনী গিয়ে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।পিএম
    কুড়িগ্রামে মোড়ে মোড়ে ভোটের পোস্টার, তবে প্রার্থী ভুয়া!
    কুড়িগ্রামে রাস্তার মোড়ে মোড়ে টাঙানো হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মো. দুদু জোদ্দারের পোস্টার। মার্কা ব্যবহার করেছেন কুলা। কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি।জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে দুদু জোদ্দার নামে কোনো প্রার্থীর বৈধতা নেই। নির্বাচন অফিস থেকে জানানো হয়েছে, দুদু জোদ্দারকে খুঁজছে তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা সবার বৈধ ঘোষণা করেন।পরে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী কেএম ফজলুল হক মন্ডল বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনীত প্রার্থী সেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। আদালতের আদেশে সেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল হয়। এরপর সাতজন বৈধ প্রার্থীর জন্য প্রতীক বরাদ্দ করে নির্বাচন অফিস। প্রতীক পেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন প্রার্থীরা। এ অবস্থায় হঠাৎ করে দুদু জোদ্দার নামে এক ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে।তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা প্রতীকে’ ভোট চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচারণা শুরু করেন। তার এই কর্মকাণ্ডে ভোটারদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত কুড়িগ্রাম-৪ আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে মো. আজিজুর রহমান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির কেএম ফজলুল মন্ডল। এছাড়া হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. হাফিজুর রহমান, কেচি প্রতীকে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) রাজু আহমেদ ও মই প্রতীকে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই আসনে নির্বাচন করছেন মো. রুকুনুজ্জামান, যার প্রতীক বালতি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুদু জোদ্দার চিলমারী উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল নতুন আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকার ধনীয়া জোদ্দারের ছেলে। এর আগেও তিনি উলিপুর পৌরসভার ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিচয়ে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ‘হেলিকপ্টার’ প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী দাবি করে পোস্টারিং ও মাইকিং করেছিলেন। যা সে সময় আলোচনায় ছিল।সহাকরী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেন, দুদু জোদ্দার বিভিন্ন নির্বাচনে এভাবে নিজেকে প্রার্থী দাবি করে পোস্টার সাঁটান। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দুদু জোদ্দার বলেন, আমি মনোনয়ন ফরম কিনে জমা দিয়েছি কাজেই আমি বৈধ প্রার্থী।এফএস
    ধামইরহাট সীমান্তে ৫৩ ভোট কেন্দ্রের ২৭টি ঝুঁকিপূর্ণ
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ধামইরহাট সীমান্তবর্তী উপজেলায় মোট ৫৩ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ সকল কেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। তারমধ্যে ১৭ টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করেছেন প্রশাসন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলমান রয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে অধিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনির সদস্যরা কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত চক্রবর্তী। জানা গেছে, ধামইরহাট-পত্নীতলা দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত নওগাঁ-২ আসন। এই আসনে দুটি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদ মিলে মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৩লক্ষ ৭২ হাজার ৪৩৬ জন। ধামইরহাট উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১লক্ষ ৬৪ হাজার ৬৯১ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৮১ হাজার ৮৪৭ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে  ৮২ হাজার ৮৪২ জন। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ২জন। এ নির্বাচনে ৫৩টি ভোট কেন্দ্রে ৫৩জন প্রিসাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ৩২০ জন। ৩২০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবেনওগাঁ-২ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. সামসুজ্জোহা খান। এছাড়াও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন নওগাঁ জেলা শাখার জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি মনোনীত এমপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন ঈগল প্রতীকে মতিবুল ইসলাম বুলু।ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা প্রশান্ত চক্রবর্তী জানান, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা থাকবে। পাশাপাশি যে কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলোর নিরাপত্তায় প্রিসাইডিং অফিসার ও কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বডি ওর্ন ক্যামেরা চালু রাখা থাকবে। ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেটের অধিণে নির্বাচনী নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত রাখা হবে।এসআর
    শেরপুরে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন, রাজনৈতিক উত্তেজনা
    বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের কালসীমাটি গ্রামে স্থাপিত বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ওই কার্যালয়টি তৈরি করা হয়েছিল। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আগুনের বিষয়টি নজরে এলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর-ধুনট সার্কেল) সজীব শাহরীন এবং শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ পোড়া আলামত সংগ্রহ করেছে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, আগুনে কার্যালয়ের আসবাবপত্র ও প্রচারণাসামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টেবিলের ওপর রাখা কাপড় এবং বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজের নামসংবলিত একটি ব্যানার পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, রাতের আঁধারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এ অগ্নিসংযোগ করেছে।গাড়িদহ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাহফুজার রহমান বলেন, নির্বাচনী প্রচার শেষে রাত দুইটার দিকে তিনি বাড়ি ফেরেন। সকালে আগুনের খবর পান। তার দাবি, এটি পরিকল্পিত ঘটনা।তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে।একই অভিযোগ করেন গাড়িদহ ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শিপলু। তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় বিএনপির প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজের বড় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখে প্রতিপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।তবে বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় জামায়াতের আমির জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তার পাল্টা দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপিই এমন ঘটনা ঘটিয়ে জামায়াতকে দোষারোপ করছে।শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইখা
    হ্যাঁ-না ভোটের প্রার্থী কে? প্রশ্ন কৃষক জাকিরুলের
    আসন্ন গণভোটকে ঘিরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার কথা মানুষের মুখে মুখে শোনা গেলেও ভোটের প্রার্থী, প্রতীক কিংবা ব্যালট পেপার কেমন হবে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই অনেকেরই।বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের ফতেপুর বাউসা গ্রামের কৃষক জাকিরুল ইসলাম বলেন, “মানুষের মুখে শুনছি হ্যাঁ আর না ভোট আছে, কিন্তু কার জন্য ভোট দেব বা ব্যালটে কীভাবে ভোট দিতে হবে কিছুই জানি না। আমি পড়ালেখা জানি না, তাই এসব বুঝতেও পারি না। সিল দিতে হবে নাকি টিক দিতে হবে সেটাও জানি না। হয়তো ভোটকেন্দ্রে গেলে বুঝতে পারব।”জাকিরুলের স্ত্রী রাশেদা বেগমও জানান, গণভোট সম্পর্কে তিনি তেমন কিছু জানেন না। তিনি বলেন, “আমি মূর্খ মানুষ, এত কিছু বুঝব কীভাবে?”একই গ্রামের লুৎফা বেগমকে গণভোট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, “গণভোট মানে ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লা।” পরে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলে তিনি বলেন, “ওহ, এখন বুঝতে পারছি।”পাশের এলাকার ভোটার মুক্তা খাতুন বলেন, “মানুষের মুখে শুনেছি, ফেসবুকেও একটু আধটু দেখেছি। কিন্তু আসলে এই ভোটটা কী, ব্যালট পেপার কেমন, প্রতীক কী—এসব কেউ পরিষ্কার করে বুঝায়নি। একটু বুঝিয়ে বললে ভালো হতো।”এ বিষয়ে বাউসা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বলেন, “সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের যে কর্মসূচিগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আমরা যথাযথভাবে পালন করেছি।”বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার জানান, উপজেলার সব ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে মাইকিং করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া পিভিসি ব্যানার জনবহুল স্থানে টাঙানো হয়েছে এবং লিফলেটও বিতরণ করা হয়েছে।তবে মাঠপর্যায়ের ভোটারদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রচারণা থাকলেও গণভোটের প্রক্রিয়া, প্রতীক ও ব্যালট সম্পর্কে আরও সহজ ও কার্যকরভাবে বোঝানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।ইখা
    হাদির বিচার নিশ্চিতের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নওগাঁয় সড়ক অবরোধ
    শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বিচার নিশ্চিতের দাবিতে যমুনায় চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ও হামলার প্রতিবাদে নওগাঁয় মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের মুক্তির মোড় শহীদ মিনারের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নওগাঁ জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।পরে আন্দোলনকারীরা মুক্তির মোড়ের প্রধান সড়কে ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি আরমান হোসেনের সভাপতিত্বে মুখ্য সংগঠক মেহেদী হাসান, সংগঠক রাফিউল বারী রাজন, সহকারী মুখপাত্র নাইম হাসানসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও দেশে আগ্রাসন ও দমননীতি বন্ধ হয়নি। তারা দাবি করেন, পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে এবং কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে।বক্তারা আরও জানান, হাদি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।ইখা
    মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার
    নওগাঁর ধামইরহাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় রাফি চৌধুরী (১৭) ও আতিক চৌধুরী (১৫) নামে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।নিহতরা উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের লোদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। রাফি হালিম চৌধুরীর ছেলে এবং আতিক মান্নান চৌধুরীর ছেলে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর দুজন বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে সাপাহার উপজেলায় ঘুরতে যান। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে সাপাহার গোডাউনপাড়া এলাকায় একটি পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাফিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আতিককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।রাফি সাপাহার সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আতিক পত্নীতলা উপজেলার মধইল আল ইনসাফ ইসলামী একাডেমির দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।সন্তানদের হারিয়ে পরিবার দুটি শোকাহত ও দিশেহারা হয়ে পড়েছে।খেলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহিল মাহমুদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হবে।ইখা
    সুনামগঞ্জে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ
    সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি)উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।​বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা নির্বাচন অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মতিন খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং জেলা ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।​প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া,নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা, একই সাথে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।​এই কর্মশালায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী আইন, বিধিনিষেধ এবং ভোটগ্রহণের টেকনিক্যাল বিষয় গুলো সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলাতেই পর্যায়ক্রমে এই ধরণের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ডাঃ ইলিয়াস মিয়া।পিএম
    বিএনপির প্রার্থী রেজার ‘গলার কাঁটা’ বিদ্রোহী সুজাত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে আলোচিত আসন হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জ–১ (বাহুবল–নবীগঞ্জ)। এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী, সদ্য দলে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হলেও মাঠে তার অবস্থান এখনো শক্ত।প্রবাসী অধ্যুষিত এই আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া ছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন ১১–দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।এ ছাড়া ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুর রেজা এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।তবে এই আসনে বিএনপি মনোনীত হেভিওয়েট প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় জেলার চারটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে হবিগঞ্জ–১ আসন ঘিরে।নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রচার-প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠ। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। তবে বিএনপির দলীয় ও বিদ্রোহী দুই প্রার্থী থাকায় স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিভক্তি স্পষ্ট।পদ হারানোর আশঙ্কায় অনেক নেতা প্রকাশ্যে রেজা কিবরিয়ার সঙ্গে থাকলেও মাঠে অনেক কর্মীকে শেখ সুজাত মিয়ার সঙ্গেও দেখা যাচ্ছে। এ কারণে আসনটিতে রেজা ও সুজাতের মধ্যে জমজমাট লড়াইয়ের আভাস মিলছে।স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, ধানের শীষের প্রার্থীর বিপরীতে অন্য কোনো দলের হেভিওয়েট প্রার্থী না থাকলেও নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাতই এখন ড. রেজা কিবরিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ‘গলার কাঁটা’।প্রথমদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে শেখ সুজাত মিয়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন—এমন গুঞ্জন শোনা গেলেও শেষ মুহূর্তে জামায়াতের শক্ত প্রার্থী শাহজাহান আলী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় তিনি আর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।অনেকের ধারণা, জামায়াতের কিছু ভোটও শেখ সুজাত মিয়ার ঝুলিতে যেতে পারে। সে কারণেই এই আসনে তাঁর অবস্থান বেশ শক্ত বলে মনে করছেন ভোটাররা।জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শেখ সুজাত মিয়া। এরপর ২০১১ সালে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। এবার তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তাঁকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে থেকে যান। কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে এবার সংসদে যেতে চান শেখ সুজাত মিয়া।অন্যদিকে, সদ্য বিএনপিতে যোগ দিয়েই দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ড. রেজা কিবরিয়া। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এই আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের (গণফোরাম) প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। তাঁর পিতা সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হওয়ায় এলাকাতেও রয়েছে পারিবারিক জনপ্রিয়তা। এ কারণে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা।হবিগঞ্জ–১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯২১ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৪০ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন।ইখা
    হবিগঞ্জে ৮৪ বছর ধরে পড়ে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ
    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার নিতনী বিল এলাকার হাওরে প্রায় ৮৪ বছর ধরে পড়ে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ধানক্ষেতের একাংশে পড়ে আছে যুদ্ধবিমানটির কিছু অংশ।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৪২ সালের দিকে আশ্বিন মাসের এক সকালে কালিয়ারভাঙ্গা ও শ্রীমতপুর গ্রামের আকাশে একটি যুদ্ধবিমান কয়েকবার চক্কর দেয়। একপর্যায়ে বিকট শব্দে বিমানটি নিতনী বিলের হাওরে ভূপাতিত হয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অনেকে ছুটে গেলেও ঘন ধোঁয়ার কারণে প্রথমে কিছুই দেখতে পাননি। পরে ধোঁয়া সরে গেলেও প্রায় ছয় দিন ধরে বিমানে আগুন জ্বলতে থাকে।বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুদিন পর নৌকায় করে অনেকেই সেখানে গিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র সংগ্রহ করেন। এ সময় বিমানের ভেতরে থাকা একটি মিসাইল হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে শ্রীমতপুর গ্রামের সাজিদ মিয়া ও খালেক মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ওই ঘটনার পর দীর্ঘদিন আতঙ্কে কেউ বিমানের কাছে যাননি বলেও জানান স্থানীয়রা। স্থানীয়দের দাবি, মাটির ওপর বিমানের সামান্য অংশ দৃশ্যমান হলেও এর বৃহৎ অংশ এখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো রকম সংরক্ষণ না থাকায় ধ্বংসাবশেষের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছে।এলাকার শতবর্ষী কৃষক মাতাব মিয়া ও ইউসুফ মিয়াসহ কয়েকজন জানান, দুর্ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। বিস্ফোরণে কয়েকজন নিহত হওয়ার পর বহু বছর মানুষ ওই জায়গার পাশ দিয়েও যেতে ভয় পেতেন। এখনো ওই জমির কাছে গেলে তাদের চোখের সামনে সেই ভয়াবহ স্মৃতি ভেসে ওঠে।শ্রীমতপুর গ্রামের জানাল উদ্দিন ও মো. আলী মিয়া বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন। যথাযথ উদ্যোগ নিলে বিমানটি উদ্ধার করে সংরক্ষণ করা সম্ভব। এতে নতুন প্রজন্ম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে।নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করব। বিধি মোতাবেক স্মৃতি হিসেবে জাদুঘরে নেওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব হলে উপজেলা প্রশাসন সে উদ্যোগ নেবে। পিএম
    গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত
    সিলেটের গোলাপগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের নিচে পিষ্ট হয়ে শানাজ আহমদ (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গোলাপগঞ্জ সরকারি এমসি একাডেমির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত শানাজ বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রীপুর রামপাশা গ্রামের মখন মিয়ার ছেলে। তিনি সিলেট নগরীর একটি পোল্ট্রি ফার্মের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সিলেট থেকে সহকর্মীদের সঙ্গে এক বিয়ের দাওয়াত খেতে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার ফুলবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামে এসেছিলেন শানাজ। দাওয়াত খেয়ে অন্য একজনের মোটরসাইকেল নিয়ে তিনি গোলাপগঞ্জ পৌর শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে সরকারি এমসি একাডেমির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে ডিভাইডারের অপর প্রান্তে গিয়ে পড়েন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ট-১৮২৮৬৯) চাকার নিচে তিনি পিষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল শেষে মরদেহ থানায় নিয়ে যান।গোলাপগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনুপম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এনআই
    সুনামগঞ্জ ২: জামায়াত প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২
    সুনামগঞ্জ ২ (দিরাই শাল্লা) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।হামলায় প্রচার গাড়িতে থাকা ২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও দিরাই থানা পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মত সুনামগঞ্জ ২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তার প্রচারের গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসা মাত্র দুটি মোটরসাইকেল হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এসে শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করে।দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শেষে যখন জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসে তখন দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি ভাঙচুর করে।তিনি আরও জানান, সেই দুজনের হেলমেট পড়া থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে আসামিদের ধরতে কিংবা চিহ্নিত করতে।সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, হামলার ঘটনার বিষয়ে খুঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এসআর

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    থাইল্যান্ডে গভীর সমুদ্রে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী জাহাজ, উদ্ধার ১৬ বাংলাদেশি নাবিক
    মালয়েশিয়া থেকে কন্টেইনারভর্তি পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পথে থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে ডুবে গেছে একটি জাহাজ। স্থানীয় সময় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে জাহাজটিতে থাকা ১৬ বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করেছে থাই নেভির একটি দল।দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজটি পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি সিলয়েড এআরসি’ বলে জানিয়েছে এটির বাংলাদেশি এজেন্ট আলভি লাইন্স বাংলাদেশ। আলভি লাইন্স বাংলাদেশের অপারেশনাল ম্যানেজার বোরহান উদ্দিন জানান, ফুকেট উপকূল থেকে ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে জাহাজটি ৩০ ডিগ্রি কাত হয়ে ডুবে যায়। জাহাজটি মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছিল। তিনি বলেন, জাহাজটিতে থাকা ১৬ নাবিকের সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই বাংলাদেশি। ক্যাপ্টেন জাহাজটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। নাবিকদের উদ্ধার করে ফুকেটের একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা সবাই সুস্থ আছেন। কী কারণে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেননি তিনি। তবে উদ্ধার হওয়া নাবিকরা কয়েকদিনের মধ্যে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বোরহান উদ্দিন। পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি গত ৫ ফেব্রুয়ারি পোর্ট কেলাং থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সেটি ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।এবি 
    জাপানের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার দাবি
    জাপানের সংসদ নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ আসন জিতে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। রোববার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে ক্ষমতাসীন জোটের ভূমিধস জয়ের খবর দেওয়া হয়েছে।এনএইচকে বলেছে, ভোট-পরবর্তী জরিপ, ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্যসহ বিভিন্ন উৎসের ভিত্তিতে করা পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন জোট অন্তত ৩১০টি আসন পেয়েছে।দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষের নির্বাচনে দলের বিজয়ের পূর্বাভাস গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।তিনি বলেছেন, ‌‌‘‘আমরা ধারাবাহিকভাবে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় রাজস্বনীতির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে এসেছি।’’তাকাইচি বলেন, ‘‘আমরা রাজস্বনীতির স্থায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেব। প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব। সরকারি ও বেসরকারি; উভয় খাতেই বিনিয়োগ করতে হবে। আমরা একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ে তুলব।’’সানায়ে তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব শুনিচি সুজুকি দেশটির গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দায়িত্বশীল ও সক্রিয় রাজস্বনীতি এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের পক্ষে আমরা জনসমর্থন পেয়েছি।দেশটির দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের মধ্যে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনের জয়ের বিষয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিল এলডিপি।নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি জাপানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার নীতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিতে চান। তবে চীনের সঙ্গে সংলাপও বজায় রাখার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।৬৪ বছর বয়সী সানায়ে তাকাইচি জাপানের ইতিহাসের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। গত বছরের অক্টোবরে এলডিপির নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি। দেশের অর্থনীতি, প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে নতুন নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেশটিতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।এবি 
    ভারতে কয়লার খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ২৭
    ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব জৈন্তিয়া হিলস জেলায় একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ‘র‍্যাট-হোল’ কয়লা খনিতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বেতার সংস্থা অল ইন্ডিয়া রেডিও। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণটি একটি অবৈধ কয়লা খনিতে ঘটেছে এবং এ ঘটনায় একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। জেলা পুলিশের প্রধান বিকাশ কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ডিনামাইট বিস্ফোরণের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে বেশ কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।‘র‍্যাট-হোল’ খনি বলতে পাহাড় বা উঁচু ভূমিতে খোঁড়া গভীর উল্লম্ব গর্ত ও সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়া সংকীর্ণ সুড়ঙ্গকে বোঝানো হয়, যেখানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কয়লা উত্তোলন করা হয়। এই ধরনের খনিতে সাধারণত কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে না।উল্লেখ্য, পরিবেশ দূষণ ও শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে ভারতের জাতীয় পরিবেশ আদালত ২০১৪ সালে মেঘালয়ে র‍্যাট-হোল খনন নিষিদ্ধ করে। তবে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পূর্ব জৈন্তিয়া হিলসসহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এই অবৈধ খনন কার্যক্রম এখনো ব্যাপকভাবে চলমান রয়েছে। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনা ফের মেঘালয়ের অবৈধ কয়লা খনন ও শ্রমিক নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে ধরেছে।এবি 
    চীনে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৮ জনের প্রাণহানি
    চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি জীবপ্রযুক্তি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিনহুয়া এই তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সিনহুয়া জানায়, চীনের শানসি প্রদেশের জিয়াপেং বায়োটেক কোম্পানিতে এই বিস্ফোরণ হয়। বেইজিং থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে শানইন কাউন্টিতে কোম্পানিটি অবস্থিত ।সিনহুয়া জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত শনিবার ভোরে বিস্ফোরণটি ঘটে এবং এর কারণ তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং কঠোর তদারকির অভাবে চীনে শিল্প দুর্ঘটনা একটি সাধারণ ঘটনা। গত জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে, পার্শ্ববর্তী প্রদেশ ইনার মঙ্গোলিয়ার একটি ইস্পাত কারখানায় বিস্ফোরণে কমপক্ষে নয়জন নিহত হন।  এমআর-২
    ‘যুদ্ধ চাপিয়ে দিলেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে না ইরান’
    ইরান উরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে না। এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক মোতায়েনেও ভীত নয় তেহরান বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।আরাঘচি বলেন, ‘আমাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হলেও ইরান কখনই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার ত্যাগ করবে না।তেহরানে একটি ফোরামে আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘ইরান তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য অত্যন্ত চড়া মূল্য দিয়েছে।’  ‘কেন আমরা সমৃদ্ধকরণের উপর এত জোর দিচ্ছি এবং আমাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিলেও তা ত্যাগ করতে চাইছি না? কারণ আমরা মনে করি, আমাদের আচরণ নির্ধারণ করার অধিকার কারও নেই।’ ওমানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফের সাথে দেখা করার দুই দিন পর আরাঘচি এসব বলেন।আব্বাস আরও বলেন যে, তার দেশ উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েন করায় ‘ভীত’ নয়।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাধ্য করার জন্য হুমকি দিয়েছেন। ইরানের সাম্প্রতিক দেশব্যাপী বিক্ষোভের উপর তেহরান রক্তাক্ত দমন-পীড়ন চালায়। প্রতিবাদে এই অঞ্চলে সামরিক মোতায়েন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার লোককে আটক করেছে ইরান। গত বছর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘাতের আগে, ইরান ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতা পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছিল, যা অস্ত্র-গ্রেড স্তর থেকে একটি একটু পিছিয়ে।বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে হলে ৯০ শতাংশের ওপরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার প্রয়োজন হয়। সেখানে ইরান এখন পর্যন্ত ৬০ শতাংশের মতো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে বলে গত মার্চে জানায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে তার দেশ এবং ইরানের মধ্যে আলোচনায় তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, এর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, অঞ্চলজুড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন এবং নিজ জনগণের সাথে আচরণ পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এমআর-২
    ইরানকে নতুন ৫ শর্ত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
    চলমান উত্তেজনার মধ্যে ওমানের রাজধানী মাস্কাটে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) আলোচনায় বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এ আলোচনার আগেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। এমন চাপের মধ্যে ইরানকে আলোচনায় বসতে রাজি করাতে সমর্থ হয়েছেন তিনি। তবে ট্রাম্প ইরানকে ৫টি শর্ত দিয়েছেন।শর্তগুলো কি?ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম মারিভ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ইরানের কাছে পাঁচটি প্রধান দাবি জানিয়েছে। সেগুলো হলো—১। সমৃদ্ধকৃত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম অন্যত্র সরানো।২। ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া৩। ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া।৪। মিসাইল পোগ্রাম বা উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া।৫। সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক ও লেবাননে যেসব সশস্ত্র মিত্র বাহিনী আছে তাদের সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া।আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থা চাথাম হাউজের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ব্রোনওয়েন ম্যাডোক্সের মতে, ট্রাম্পের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দাবি হলো, যেটি ইরানের মানতে খুবই কষ্ট হবে, সেটি হলো তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া। তিনি জানান, ‘এসব মিসাইল একমাত্র রক্ষাকবচ যেগুলো শত্রুদের হাত থেকে ইরানের সরকারকে রক্ষা করছে। এসব মিসাইল ছাড়া ইরান খালি এবং ইসরাইলের  আকাশ শক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টিলথ বোম্বারের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ইরানের কোনো সরকারই এ থেকে রক্ষা পাবে না।’ইরানকে যে পাঁচটি শর্ত দেওয়া সেগুলো শুধুমাত্র মানাই অসম্ভব নয়, এগুলো দেওয়া হয়েছে যেন প্রত্যাখ্যান করা হয়। আর বর্তমান যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, সেটি অনুযায়ী প্রত্যাখ্যানের অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্র ইরানে দ্বিতীয় হামলা চালাবে।এমআর-২
    নিউইয়র্কে নবীজির হিজরতের গল্প শোনালেন মেয়র মামদানি
    নিউইয়র্কবাসীর সামনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হিজরতের ঘটনা তুলে ধরে অভিবাসন ইস্যুতে ভিন্ন মাত্রার আলোচনা তৈরি করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) একটি আন্তধর্মীয় সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে মামদানি বলেন, তিনি ইসলামকে দেখেন এমন একটি ধর্ম হিসেবে, যার ভিত্তি গড়ে উঠেছে অভিবাসনের এক গভীর মানবিক কাহিনির ওপর।  যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে সহমর্মিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে অবস্থান জানাতে তিনি ইসলামি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের কথা উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, হিজরতের ঘটনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও একসময় পরবাসী ছিলেন, যিনি মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় আশ্রয় লাভ করেছিলেন। মামদানি বলেন, এই ইতিহাস আমাদের শেখায় আশ্রয়, সহানুভূতি এবং নিরাপত্তার গুরুত্ব। সেই শিক্ষা থেকেই তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে অভিবাসীদের সুরক্ষা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি সিটি সম্পত্তিতে ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রম সীমিত করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। তিনি জানান, এই আদেশ অভিবাসী সম্প্রদায়ের সুরক্ষা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং জননিরাপত্তার প্রতি নিউইয়র্ক সিটির দৃঢ় প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। মামদানি বলেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু অভিবাসী নিউইয়র্কবাসীদের জন্য নয়, বরং শহরের সব বাসিন্দাকে অবৈধ ও নিপীড়নমূলক অভিবাসন প্রয়োগ থেকে সুরক্ষা দেবে। নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট সংস্থা বা আইসিই বিচারিক ওয়ারেন্ট ছাড়া নিউইয়র্ক সিটির কোনো সম্পত্তিতে প্রবেশ করতে পারবে না। মামদানি বলেন, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো অভিবাসন অবস্থান যাই হোক না কেন, প্রতিটি বাসিন্দা যেন নির্ভয়ে শহরের বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, কোনো নিউইয়র্কবাসী যেন কেবল অভিবাসী হওয়ার কারণে শিশু যত্ন বা সামাজিক সেবার জন্য আবেদন করতে ভয় না পান। একটি নিরাপদ ও মানবিক শহর গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এইচএ
    নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ২০০ জন নিহত
    নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় কোয়ারা এবং উত্তরাঞ্চলীয় কাতসিনা রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ২০০ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞে নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুসহ বহু সাধারণ নাগরিক রয়েছেন। স্থানীয় আইনপ্রণেতা, বাসিন্দা এবং পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর নিশ্চিত করেছে।মধ্যাঞ্চলীয় কোয়ারা রাজ্যের ওরো এবং নুকু গ্রামে চালানো হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৭০ ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদু বাবা আহমেদ জানান, বন্দুকধারীরা বাসিন্দাদের ঘেরাও করে তাদের হাত পেছনে বেঁধে নৃশংসভাবে হত্যা করে। হামলাকারীরা গ্রামবাসীর বাড়িঘর ও দোকানপাটে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং গবাদি পশু লুট করে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হামলাকারীরা মূলত উগ্রবাদী গোষ্ঠী, যারা দীর্ঘক্ষণ ধরে গ্রামবাসীর ওপর নির্যাতন চালায়। গ্রামবাসী তাদের 'শরিয়া আইন' মেনে চলার ও নাইজেরীয় সরকারের প্রতি আনুগত্য ত্যাগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তারা নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু করে।অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলীয় কাতসিনা রাজ্যেও বন্দুকধারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালিয়ে অন্তত ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এই হামলার মাধ্যমে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সশস্ত্র চক্রের মধ্যে গত ছয় মাস ধরে চলা একটি শান্তি চুক্তি ভেঙে পড়ল। নাইজেরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দারা প্রায়ই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে চাঁদা ও খাবার দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু সেই ব্যবস্থাও এখন হুমকির মুখে।নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর নাইজেরীয় সরকারকে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ ডিসেম্বর মার্কিন বাহিনী নাইজেরিয়ায় একটি বিমান হামলাও পরিচালনা করে। বর্তমানে নাইজেরীয় সরকার ওয়াশিংটনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বলে দাবি করলেও, সাম্প্রতিক এই গণহত্যাকাণ্ড দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ভঙ্গুরতাকে পুনরায় সামনে এনেছে।এমআর-২
    পাকিস্তান থেকে মালবাহী ওয়াগন ও বগি কিনতে চায় বাংলাদেশ
    অন্যান্য দেশের তুলনায় কম মূল্যে দেওয়ায় পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ মালবাহী ওয়াগন ও বগি কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।প্রতিবেদনে তারা বলেছে, উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ এবং লাহোরের মুঘলপুরাতে অবস্থিত পাকিস্তান রেলওয়ের ক্যারিজ ফ্যাক্টরি ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তারা ট্রেনের বগি, ওয়াগনসহ অন্যান্য জিনিসপত্র তৈরির বিষয়টি স্বচক্ষে দেখেছেন।পাকিস্তান রেলওয়ের লাহোরভিত্তিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংগঠন ও কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স সচিব এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হুসেইন খান গত শুক্রবার মুঘলপুরা ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেন।সেখানকার প্রধান মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ নাসির খালিলি পুরো ওয়ার্কশপের কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং রেলওয়ের চলমান প্রজেক্ট নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেন। এছাড়া ওয়ার্কশপের কাজকর্ম নিয়ে তৈরি একটি ছোট প্রামাণ্যচিত্র তাদের দেখানো হয়।পরবর্তীতে তাদের মুঘলপুরার লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণ ও উৎপাদন সম্পর্কে অবহিত করা হয়।বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বলেন, তাদের এ সফর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শক্তিশালী সম্পর্ককে প্রকাশ করেছে।পাকিস্তান রেলওয়ে এখন ৪টি দেশে— শ্রীলঙ্কা, নেপাল, চিলি ও আর্জেন্টিনায় ব্রডগেজ লাইনের জন্য ওয়াগন ও বগি সরবরাহ করছে।পাক রেলওয়ের কর্মকর্তা খালিলি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের রেলওয়ের বিশেষজ্ঞ দল পাকিস্তান সফর করবে। সেখানে তারা প্রযুক্তিগত বিস্তারিত তথ্য জানবেন।সংবাদমাধ্যম ডনকে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ ওয়াগন ও বগি কেনা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছে। কিন্তু এরমধ্যে ঢাকা আমাদের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।”পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী হানিফ আব্বাসি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে রেলওয়ে টু রেলওয়ে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এতে উভয়ই লাভবান হবে।এইচএ
    যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু, ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে করবেন আলোচনা
    আগামী বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসিতে বৈঠক করবেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ওই বৈঠকে ইরান নিয়ে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প আলোচনা করবেন বলে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। গত শুক্রবার ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ জানিয়েছে, সামনে তাদের মধ্যে আরও আলোচনা হবে।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম মারিভ জানিয়েছে, এই আলোচনায় ইরানকে পাঁচটি শর্ত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেগুলো হলো—১। সমৃদ্ধকৃত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।২। ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দিতে হবে।৩। ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করে দিতে হবে।৪। মিসাইল পোগ্রাম বা উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হবে।৫। সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক ও লেবাননে যেসব সশস্ত্র মিত্র বাহিনী আছে তাদের সহায়তা বন্ধ করতে হবে।আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থা চাথাম হাউজের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ব্রোনওয়েন ম্যাডোক্স, ট্রাম্পের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দাবি হলো, যেটি ইরানের মানতে খুবই কষ্ট হবে, সেটি হলো তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া। তিনি বলেন, “এসব মিসাইল একমাত্র রক্ষাকবচ যেগুলো শত্রুদের হাত থেকে ইরানের সরকারকে রক্ষা করছে। এসব মিসাইল ছাড়া ইরান খালি এবং ইসরায়েলের আকাশ শক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টিলথ বোম্বারের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ইরানের কোনো সরকারই এ থেকে রক্ষা পাবে না।ইরানকে যে পাঁচটি শর্ত দেওয়া সেগুলো শুধুমাত্র মানাই অসম্ভব নয়, এগুলো দেওয়া হয়েছে যেন প্রত্যাখ্যান করা হয়। আর বর্তমান যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, সেটি অনুযায়ী প্রত্যাখ্যানের অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্র ইরানে দ্বিতীয় হামলা চালাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সূত্র: রয়টার্স, মারিভএবি 

    বিনোদন

    সব দেখুন
    ৫২ বছরে রানওয়েতে রাজকীয় গ্ল্যামার দেখালেন কারিশমা কাপুর
    ৯০ দশকের পর্দা কাঁপানো গ্ল্যামার কুইন কারিশমা কাপুর। সময় বদলেছে, ফ্যাশনের সংজ্ঞা বদলেছে,তবু তার স্টাইল সেন্স চিরসবুজ। ক্লাসিক শাড়ির আভিজাত্য হোক বা এলিগ্যান্ট কুর্তা সেটের সৌন্দর্য, প্রতিটি লুকে তিনি রয়ে যান মার্জিত ও আত্মবিশ্বাসী।৫২-এ পা রেখেও ফ্যাশনের ক্ষেত্রে তার কোনও আপস নেই। বরং বয়স যেন তাকে দিয়েছে আরও পরিপক্কতা। তার উপস্থিতিতেই তিনি আলাদা করে নজর কাড়েন। দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন তার মোহময় ব্যক্তিত্ব,ভঙ্গি এবং অনবদ্য স্টাইল দিয়ে।সম্প্রতি দুবাইয়ের শো-স্টাপার হিসেবে হাজির হয়ে কারিশমা যেন অন্য যুগে নিয়ে গেলেন দর্শকদের। ঝলমলে নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত রাজকীয়তায় মোড়া একটি উপস্থিতি-যেখানে আভিজাত্যই ছিল মূল আকর্ষণ। রানওয়েতে পা রাখতেই মনে হলো যেন ব্রিজারটনের রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এসেছেন।পীচ রঙের ফিটেড, মেঝে ছোঁয়া গাউন হাঁটু পর্যন্ত শরীরকে জড়িয়ে ধরে। কাঠামোবদ্ধ অথচ কোমল কাপড়, ভারী পৃষ্ঠকাজ-সব মিলিয়ে গাউনে ছিল নিখুঁত ভারসাম্য।অফ-শোল্ডার বডিসটি সাজানো ছিল থ্রিডি ফুলের অ্যাপ্লিক দিয়ে। গলার রেখা থেকে হাতা পর্যন্ত স্তরভিত্তিক পাপড়ি, স্ফটিক এবং পুঁতির সূক্ষ্ম কাজ গাউনের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ করেছে। কাঁধ থেকে ঝরে পড়া স্ফটিকের সুতা আলো স্পর্শ করলে যেন ঝলসে উঠছিল।গাউনের গায়ে জুড়ে ছোট ছোট পাথর ও সিকুইনের সূক্ষ্ম অলঙ্করণ নাটকীয়তা বাড়িয়েছে।লুকের চূড়ান্ত নাটকীয়তা আসে বিশাল ট্রেনে। প্লিটেড ফ্যাব্রিক প্যানেলে গড়া এই অংশ তরঙ্গের মতো বক্ররেখা তৈরি করে পিছনে ও পাশে স্তরে স্তরে ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রতিটি ভাঁজে সূক্ষ্ম অলঙ্করণ চলার সঙ্গে সঙ্গে আলো ধরে এক নতুনমাত্রা তৈরি করছিল।চুল ছিল মসৃণ, নিচু পনিটেলে বাঁধা, যা নেকলাইন ও গাউনের পেছনের সৌন্দর্য আরও উজ্জ্বল করেছে। মেকআপে ক্লাসিক ছোঁয়া-মসৃণ বেস, নরম কনট্যুর, পীচি ব্লাশে উজ্জ্বল ত্বক। চোখে নিউট্রাল শ্যাডো, শার্প লাইনার, ঠোঁটে ছিল গোলাপি-বাদামি আভা।গহনায় খুব সাধারণ নেকলেস বা ভারী কানের দুল না পরে শুধু একটি আংটি বেছে নিয়েছিলেন।তার এই লুক একসঙ্গে রাজকীয় এবং রোমান্টিক। ঝলক নয় বরং মাধুর্য দিয়ে সবার নজর কেড়েছেন। দুবাইয়ের সেই সন্ধ্যায়, পীচ রঙা গাউনে তিনি শুধু রানওয়ে হাঁটেননি সময়কেও যেন থামিয়ে দিয়েছিলেন।এইচএ
    শাকিব-বুবলীর ঘরে আসছে নতুন অতিথি
    ফের বাবা-মা হতে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেতা শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী। প্রথম সন্তানের জন্মের ৫ বছর পর ফের মাতৃত্বের পথে হাঁটছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি এই নায়িকা।গত বছরের শেষের দিকে ছেলেকে নিয়ে শাকিব খানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ছুটি কাটান বুবলী। তখন তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে কথা ওঠে। অনেকেই বলতে শুরু করেন শাকিব-বুবলী ফের এক হতে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে সম্প্রতি বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন ওঠে। এটা গুঞ্জন হিসেবে চলতে শুরু করার মাঝেই জানা গেল ঘটনার সত্যতা। শাকিব ও বুবলীর ঘরে শেহজাদ খান বীর নামে এক সন্তান রয়েছে। শাকিব খানের পরামর্শেই সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী।বুবলী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তাই ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমার শুটিং করতে চাইছেন না বুবলী। প্রথম দফায় আদর আজাদের বিপরীতে ৪ দিন শুটিংয়ে অংশও নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় লটের শুটিংয়ের জন্য শিডিউল দিচ্ছিলেন না। সন্তান জন্মের পর শারীরিকভাবে ফিট হয়ে বাকি অংশের শুটিংয়ে অংশ নেবেন বলে প্রযোজক-পরিচালককে জানিয়েছেন বুবলী।সিনেমাটির প্রযোজক জাহাঙ্গীর সিকদার একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন, সিনেমার প্রথম লটে ৪ দিনের শুটিং হয়েছে। দ্বিতীয় লটে রোজার মধ্যে শুটিং থাকলেও বুবলীকে ছাড়া বাকি কাজ শেষ করতে হবে। সন্তান জন্ম দিতে এই মাসেই তিনি আমেরিকায় যাচ্ছেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী জুনে শিডিউল দিলেও আমরা ধারণা করছি, তখন তিনি পুরোপুরি ফিট নাও হতে পারেন। তাই সেপ্টেম্বরের দিকে শুটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।জানা গেছে, এখন বুবলী শুটিং করছেন না ঝুঁকির কারণে। তবে আগামীকাল রাজধানীর একটি শপিং কমপ্লেক্সে হাজির হবেন বুবলী। একটি আউটলেট-এর ওপেনিং সেরেমনি হবে বুবলীর হাত ধরে। সেখানেই বুবলী জানাতে পারেন মা হতে যাওয়ার বিষয়টি।এদিকে আরেকটি সূত্র বলছে, বুবলী সন্তান জন্ম দিতে এ মাসেই উড়াল দেবেন যুক্তরাষ্ট্রে। শেহজাদ খান বীরেরও জন্ম হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন বুবলী। এ খবর ফেসবুকে ছবি শেয়ার করে বুবলী নিজেই সামনে আনেন। তবে তার আগে নানা নাটকীতায় অংশ নেন তিনি। মা হওয়ার খবর কেন্দ্র করে সাংবাদিকদেরও হুমকি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে শেষ পর্যন্ত মা হওয়ার গুঞ্জনই সত্যি হয়েছিল। এবারও দেখানো পথেই হাটছেন বুবলী। বর্তমানে এই অভিনেত্রীর ‘পিনিক’ সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায়। সর্বশেষ তাকে ‘জংলি’ সিনেমায় দেখা গেছে।এইচএ
    কেন বিয়ে করতে পারছেন না অভিনেত্রী সাফা?
    সহকর্মীরা অনেকেই সংসারী হয়েছেন, কিন্তু সাফা কবির কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন? এই প্রশ্ন বারবার ধেয়ে আসে তার দিকে। তবে অভিনেত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, বিয়ে নিয়ে তার কোনো তাড়াহুড়ো নেই। বয়স বাড়ছে বা লোকে কী বলবে এসব ভেবে তিনি জীবনসঙ্গী বাছতে নারাজ।সাফা জানান, পরিবার থেকে তার ওপর কোনো চাপ নেই। বাবা-মা তাকে সবসময় পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। তার কথায়, “হুটহাট বিয়ে করে কিছুদিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”কেমন পাত্র চান সাফা? উত্তরে অভিনেত্রী জানান, চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্য তার কাছে মুখ্য নয়। তিনি এমন একজন ‘ভালো মানুষ’ খুঁজছেন যিনি সৎ, স্বচ্ছ এবং যত্নশীল হবেন। যার সঙ্গে জীবনটা আরামে কাটানো যাবে, তেমন মানুষের খোঁজ পেলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।এসআর
    দীর্ঘ বিরতির পর প্লেব্যাকে ফাহমিদা নবী, সঙ্গে ইমরান
    দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সিনেমার গানে কণ্ঠ দিলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। ২ বছরের বেশি সময় পর ২০২৪ সালের মাঝামাঝিতে এস এম কাইয়ুম পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘অন্তর্বর্তী’–এর একটি গানে প্লেব্যাকের মাধ্যমে তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘটে। এবার সেই ছবিরই আরও একটি নতুন গানে কণ্ঠ দিলেন তিনি। এই গানে ফাহমিদা নবীর সহশিল্পী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। এই প্রথম কোনো গানে একসঙ্গে শোনা যাবে এই দুই শিল্পীকে।‘তোর ঋণ’ শিরোনামের গানটির কথা লিখেছেন সিনেমার নির্মাতা এস এম কাইয়ুম নিজেই। এতে সুর দিয়েছেন রাহুল কুমার দত্ত এবং সংগীত আয়োজন করেছেন মুশফিক লিটু। গত শুক্রবার মুশফিক লিটুর স্টুডিওতে ফাহমিদা নবীর কণ্ঠ ধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।নির্মাতা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইমরান মাহমুদুলের অংশের রেকর্ডিং শেষ হওয়ার কথা।নতুন গানটি প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, ‘এটি ছোট ছোট কথায় গাঁথা একটি মিষ্টি প্রেমের গান। কাজের পরিবেশ ও পুরো টিমের পেশাদারিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। ইমরানের সঙ্গে এই প্রথম গাওয়ার অভিজ্ঞতাও ভীষণ ভালো।এর আগে ‘অন্তর্বর্তী’ সিনেমায় ফাহমিদা নবী কণ্ঠ দিয়েছিলেন ‘থাক না দূরের হয়ে’ শিরোনামের আরেকটি গানে।‘অন্তর্বর্তী’ এস এম কাইয়ুমের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল, আবু হুরায়রা তানভীর ও নীলাঞ্জনা নীলা। এটি প্রয়াত অভিনেতা আহমেদ রুবেলের শেষ অভিনীত সিনেমা। বর্তমানে ছবিটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে।সব প্রস্তুতি শেষে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পাশাপাশি চলতি বছরই দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আশা নির্মাতার।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বন্দর ইজারা চুক্তি করছে না অন্তর্বর্তী সরকার: আশিক
    এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র ২টি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি বিডা চেয়ারম্যান বলেন, প্রজেক্টটা ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। গত এক মাসে ফাইনাল বোঝাপড়ার ধাপটা শুরু হয়েছিল। যা এখনো চলমান। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। যা চলমান থাকবে। এটা সম্পন্ন করতে আরো কিছু সময় লাগবে।তিনি বলেন, উনাদের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছ থেকে আজকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি এসেছে। এখানে উনারা যেটা বলেছেন, উনারা অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন যে আমাদের সঙ্গে যে নেগোসিয়েশন চলছে— সেটার প্রগ্রেস নিয়ে উনারা খুশি হয়েছেন। উনারা আশা করছেন, এটা ভবিষ্যতে গ্রো করবে এবং ভবিষ্যতে একটা রাইট ডিরেকশনে যাবে। এই নেগোসিয়েশন অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর উনারা যে মেসেজটা আমাদের দিয়েছে, সেটা হচ্ছে— ড্রাফট কনসেশন অ্যাগ্রিমেন্ট, যেটা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে। উনারা আমাদের কাছে বেসিক্যালি কিছু সময় চেয়েছেন, এটাকে রিভিউ করার জন্য। আশিক চৌধুরী বলেন, এই সরকারের আমলে সাইন হচ্ছে না। আমার মনে হয়, এটা ফেয়ার অ্যামাউন্ট অব সার্টেনটি নিয়ে বলা যায়। কারণ আর দুটি কার্যদিবস আছে। এই দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওনারা ফেরত আসবেন, তারপরে আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে গিয়ে এটাকে অ্যাপ্রুভ করিয়ে তারপরে সাইন করবো। এটা আমাদের নিজেদের কিছু প্রসেস স্টেপ আছে। যদি হঠাৎ করে ফেরত চলেও আসেন, আমার ধারণা প্রসেসগুলো কমপ্লিট করা খুব ডিফিকাল্ট হবে। আর চুক্তি করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ নির্ধারিত ছিল না। এদিকে আজ থেকে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ডেলিভারির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিসরে সকালে জেটিতে কিছুক্ষণ পণ‍্য খালাসের কাজ চললেও এখন সেটিও বন্ধ আছে। বহির্নোঙরে পণ‍্য খালাসের কার্যক্রমও ব‍্যাহত হচ্ছে।   এমআর-২
    অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’।  কর্মসূচির ফলে বন্দরের অভ্যন্তরে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের অপারেশন কার্যক্রম।আজ রবিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকরা এই ধর্মঘট শুরু করেন।জানা গেছে, বন্দরের ভেতরে কোনো ধরনের কাজ হচ্ছে না। জাহাজ থেকে পণ্য খালাস, পণ্য পরিবহন কিংবা ডেলিভারি-সবকিছুই বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বন্দরের গেটগুলোতে সকাল থেকেই পুলিশের বিশেষ সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। ৪ নম্বর গেট এলাকায় সাঁজোয়া যান ও জলকামানের গাড়িও মোতায়েন রয়েছে।এদিকে আন্দোলন বানচালে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শ্রমিক নেতারা।এর আগে গত বৃহস্পতিবার নৌ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ও শনিবার ধর্মঘট স্থগিত রেখেছিলেন শ্রমিকরা। তবে তাদের দাবি, উপদেষ্টার দেয়া প্রতিশ্রুতির কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন তারা। এবারের কর্মসূচিতে শ্রমিকরা শুধু জেটি বা টার্মিনালে কাজ বন্ধ রাখেননি, বহির্নোঙরে থাকা জাহাজ থেকেও পণ্য খালাস বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। যেসব জাহাজের পণ্য খালাস প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল, সেগুলোর কাজ কিছুটা চললেও নতুন করে আসা জাহাজগুলো থেকে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ রবিবার সকালে সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।একই দাবিতে এর আগেও ৬ দিনের কর্মবিরতি পালন করেছিলেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। তবে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার আশ্বাসের ভিত্তিতে শুক্রবার ও শনিবার কাজ করলেও আজ থেকে নতুন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এদিকে টানা কর্মসূচির কারণে বন্দরে তৈরি হয়েছে কন্টেইনার ও জাহাজ জট। খালাস কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।শ্রমিকদের দাবগুলো হলো- বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল বা এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া, সংকট সৃষ্টির প্রধান কারণ বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করা, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া।এইচএ
    ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।  স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।   আজ শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এই দাম কমানোর ২৪ ঘণ্টা পর একই পরিমাণ দাম বাড়ানো হলো।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। এর আগে গতকাল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে।স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    রোজার আগেই বাড়ল মুরগি-খেজুর-লেবুর দাম
    পব্ত্রি রমজানের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন পণ্যের দাম। এর মধ্যেই ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ লেবু ও খেজুরের দাম বাড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে মুরগি ও কাঁচা মরিচের দামও। তবে কিছুটা স্বস্তি মিলছে সবজি ও পেঁয়াজের বাজারে।শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। দেখা যায়, রমজানে বেশি চাহিদা থাকা লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে। এরই সঙ্গে বেড়েছে খেজুরের দাম।খুচরা বিক্রেতারা বলেন, শবে বরাতের দুদিন আগে থেকেই লেবুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। প্রতি বছরই রোজার আগে লেবুর চাহিদা বাড়ে, তাই দামও বেড়ে যায়। কারওয়ান বাজারের এক লেবু বিক্রেতা বলেন, এ সময় চাহিদা বেশি থাকে, সরবরাহও কমে যায়। তাই দাম একটু বাড়তি।এদিকে, তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে সবজির বাজারে। প্রতিকেজি বেগুন ৫০-৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, করলা ১০০-১২০ টাকা, মূলা ৩০-৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতিপিস (সাইজভেদে) ৩০-৪০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিপিস (সাইজভেদে) ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা এবং আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়।পেঁয়াজের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে। নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজার করতে আসা ক্রেতা বলেন, পেঁয়াজের দাম এখন মোটামুটি ঠিক আছে। যদি এমন থাকে, তাহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি।গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শবেবরাত উপলক্ষে মাংসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগে গরুর মাংস ও মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও যেখানে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে তা বেড়ে ৮০০ টাকা হয়েছে।সোনালি মুরগির দাম বেড়ে বিভিন্ন জাতভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা কেজিতে উঠেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১৮০ টাকা হয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম এখনো স্বস্তি দিচ্ছে। প্রতি ডজন ডিম ১১৫ থেকে ১২০ টাকা।তবে মুরগির বাজারে বাড়তি চাপ দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা এবং সোনালি মুরগির কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি।বিক্রেতারা বলছেন, বিয়ে-শাদি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে চাহিদা বেড়েছে, তাই দামও বাড়ছে। এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, এ সময় অনুষ্ঠান বেশি থাকে, চাহিদা বেড়ে যায়। তাই দাম একটু বেশি।বর্তমানে বাজারে কম দামে বিক্রি হয় জাহিদী খেজুর কেজি ২৮০ টাকা। এই খেজুরের দাম সপ্তাহখানেক আগে ছিল ২৫০ টাকার আশপাশে। অন্যান্য ধরনের মধ্যে বরই খেজুর ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, দাবাস ৫০০ টাকা, কালমি ৬০০-৭০০ টাকা; সুক্কারি ৭০০-৮০০ টাকা, মাবরুম ৮৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মরিয়ম ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, মেডজুল ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এমআর-২
    রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ১৯.৬৫ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    দেশের ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ (১৯৬.৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় করা এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ডলার কেনার ক্ষেত্রে কাট-অফ হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে, গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ (১৭১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ (২১৮.৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।এসব ডলার কেনার ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৫৮৬ মিলিয়ন বা ৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে মোট ক্রয় দাঁড়াল ৪৫১৯.৫০ মিলিয়ন (৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ) মার্কিন ডলার।এর আগ একই দরে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ (৫৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তার আগে গত ২০ জানুয়ারি দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ আমরা ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৯৬.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করেছি। ফলে, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৫৮৬.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ ৪,৫১৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।এফএস
    ফেব্রুয়ারির ৪ দিনে দেশে এলো ৫০ কোটি ডলার
    চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম চার দিনে দেশে প্রবাস আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৫০ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ছয় হাজার ১৭৩ কোটি ২০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)। এর মধ্যে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রবাস আয় এসেছে দুই হাজার ১৯৬ কোটি টাকা।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, গত বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম চার দিনে প্রবাস আয় এসেছিল ৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। এ সময়ে প্রবাস আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাস আয় এসেছে ১ হাজার ৯৯৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাস আয় এসেছিল ১ হাজার ৬৩৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার।এবি 
    নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নির্বাচনের আগে সরকারি দপ্তরে নতুন গাড়ি কেনার অনুমোদন
    নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারি দপ্তরে নতুন গাড়ি কেনার অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ৯ জেলার এসিল্যান্ডের গাড়ির জন্য ১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।আর্থিক সংকটে গত ৪ বছর ধরে সরকারি দপ্তরে নতুন গাড়ি কেনা বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর বিধিনিষেধের ফাঁকফোকরে আমলারা বায়নার পসরা সাজালেও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে তেমন সাড়া মেলেনি। এরমধ্যেই নির্বাচনের মাসখানেক আগে সরকারি দপ্তরে গাড়ি কেনার মূল্যসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।এদিকে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে ভোটের মাঠ চষে বেড়াতে কর্মকর্তাদের জন্য নতুন গাড়ি কেনার কথা জানায় ভূমি মন্ত্রণালয়। অবশেষে ভোটের কয়েকদিন আগে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নতুন গাড়ি কেনার অনুমোদন দিলো অর্থ মন্ত্রণালয়।আপাতত ৯ জেলার সহকারী কমিশনারদের (এসিল্যান্ড) দেয়া হচ্ছে কেবিন পিকআপ। প্রতিটি গাড়ির দাম ধরা হয়েছে ৮৬ লাখ টাকা। যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে গুণতে হবে বাড়তি ১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা।এবি 
    ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বন্দর ইজারা চুক্তি করছে না অন্তর্বর্তী সরকার: আশিক
    এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র ২টি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি বিডা চেয়ারম্যান বলেন, প্রজেক্টটা ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। গত এক মাসে ফাইনাল বোঝাপড়ার ধাপটা শুরু হয়েছিল। যা এখনো চলমান। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। যা চলমান থাকবে। এটা সম্পন্ন করতে আরো কিছু সময় লাগবে।তিনি বলেন, উনাদের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছ থেকে আজকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি এসেছে। এখানে উনারা যেটা বলেছেন, উনারা অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন যে আমাদের সঙ্গে যে নেগোসিয়েশন চলছে— সেটার প্রগ্রেস নিয়ে উনারা খুশি হয়েছেন। উনারা আশা করছেন, এটা ভবিষ্যতে গ্রো করবে এবং ভবিষ্যতে একটা রাইট ডিরেকশনে যাবে। এই নেগোসিয়েশন অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর উনারা যে মেসেজটা আমাদের দিয়েছে, সেটা হচ্ছে— ড্রাফট কনসেশন অ্যাগ্রিমেন্ট, যেটা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে। উনারা আমাদের কাছে বেসিক্যালি কিছু সময় চেয়েছেন, এটাকে রিভিউ করার জন্য। আশিক চৌধুরী বলেন, এই সরকারের আমলে সাইন হচ্ছে না। আমার মনে হয়, এটা ফেয়ার অ্যামাউন্ট অব সার্টেনটি নিয়ে বলা যায়। কারণ আর দুটি কার্যদিবস আছে। এই দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওনারা ফেরত আসবেন, তারপরে আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে গিয়ে এটাকে অ্যাপ্রুভ করিয়ে তারপরে সাইন করবো। এটা আমাদের নিজেদের কিছু প্রসেস স্টেপ আছে। যদি হঠাৎ করে ফেরত চলেও আসেন, আমার ধারণা প্রসেসগুলো কমপ্লিট করা খুব ডিফিকাল্ট হবে। আর চুক্তি করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ নির্ধারিত ছিল না। এদিকে আজ থেকে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ডেলিভারির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিসরে সকালে জেটিতে কিছুক্ষণ পণ‍্য খালাসের কাজ চললেও এখন সেটিও বন্ধ আছে। বহির্নোঙরে পণ‍্য খালাসের কার্যক্রমও ব‍্যাহত হচ্ছে।   এমআর-২
    অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’।  কর্মসূচির ফলে বন্দরের অভ্যন্তরে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের অপারেশন কার্যক্রম।আজ রবিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকরা এই ধর্মঘট শুরু করেন।জানা গেছে, বন্দরের ভেতরে কোনো ধরনের কাজ হচ্ছে না। জাহাজ থেকে পণ্য খালাস, পণ্য পরিবহন কিংবা ডেলিভারি-সবকিছুই বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বন্দরের গেটগুলোতে সকাল থেকেই পুলিশের বিশেষ সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। ৪ নম্বর গেট এলাকায় সাঁজোয়া যান ও জলকামানের গাড়িও মোতায়েন রয়েছে।এদিকে আন্দোলন বানচালে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শ্রমিক নেতারা।এর আগে গত বৃহস্পতিবার নৌ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ও শনিবার ধর্মঘট স্থগিত রেখেছিলেন শ্রমিকরা। তবে তাদের দাবি, উপদেষ্টার দেয়া প্রতিশ্রুতির কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন তারা। এবারের কর্মসূচিতে শ্রমিকরা শুধু জেটি বা টার্মিনালে কাজ বন্ধ রাখেননি, বহির্নোঙরে থাকা জাহাজ থেকেও পণ্য খালাস বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। যেসব জাহাজের পণ্য খালাস প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল, সেগুলোর কাজ কিছুটা চললেও নতুন করে আসা জাহাজগুলো থেকে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ রবিবার সকালে সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।একই দাবিতে এর আগেও ৬ দিনের কর্মবিরতি পালন করেছিলেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। তবে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার আশ্বাসের ভিত্তিতে শুক্রবার ও শনিবার কাজ করলেও আজ থেকে নতুন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এদিকে টানা কর্মসূচির কারণে বন্দরে তৈরি হয়েছে কন্টেইনার ও জাহাজ জট। খালাস কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।শ্রমিকদের দাবগুলো হলো- বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল বা এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া, সংকট সৃষ্টির প্রধান কারণ বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করা, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া।এইচএ
    ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।  স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।   আজ শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এই দাম কমানোর ২৪ ঘণ্টা পর একই পরিমাণ দাম বাড়ানো হলো।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। এর আগে গতকাল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে।স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    রোজার আগেই বাড়ল মুরগি-খেজুর-লেবুর দাম
    পব্ত্রি রমজানের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন পণ্যের দাম। এর মধ্যেই ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ লেবু ও খেজুরের দাম বাড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে মুরগি ও কাঁচা মরিচের দামও। তবে কিছুটা স্বস্তি মিলছে সবজি ও পেঁয়াজের বাজারে।শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। দেখা যায়, রমজানে বেশি চাহিদা থাকা লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে। এরই সঙ্গে বেড়েছে খেজুরের দাম।খুচরা বিক্রেতারা বলেন, শবে বরাতের দুদিন আগে থেকেই লেবুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। প্রতি বছরই রোজার আগে লেবুর চাহিদা বাড়ে, তাই দামও বেড়ে যায়। কারওয়ান বাজারের এক লেবু বিক্রেতা বলেন, এ সময় চাহিদা বেশি থাকে, সরবরাহও কমে যায়। তাই দাম একটু বাড়তি।এদিকে, তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে সবজির বাজারে। প্রতিকেজি বেগুন ৫০-৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, করলা ১০০-১২০ টাকা, মূলা ৩০-৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতিপিস (সাইজভেদে) ৩০-৪০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিপিস (সাইজভেদে) ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা এবং আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়।পেঁয়াজের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে। নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজার করতে আসা ক্রেতা বলেন, পেঁয়াজের দাম এখন মোটামুটি ঠিক আছে। যদি এমন থাকে, তাহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি।গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শবেবরাত উপলক্ষে মাংসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগে গরুর মাংস ও মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও যেখানে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে তা বেড়ে ৮০০ টাকা হয়েছে।সোনালি মুরগির দাম বেড়ে বিভিন্ন জাতভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা কেজিতে উঠেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১৮০ টাকা হয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম এখনো স্বস্তি দিচ্ছে। প্রতি ডজন ডিম ১১৫ থেকে ১২০ টাকা।তবে মুরগির বাজারে বাড়তি চাপ দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা এবং সোনালি মুরগির কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি।বিক্রেতারা বলছেন, বিয়ে-শাদি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে চাহিদা বেড়েছে, তাই দামও বাড়ছে। এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, এ সময় অনুষ্ঠান বেশি থাকে, চাহিদা বেড়ে যায়। তাই দাম একটু বেশি।বর্তমানে বাজারে কম দামে বিক্রি হয় জাহিদী খেজুর কেজি ২৮০ টাকা। এই খেজুরের দাম সপ্তাহখানেক আগে ছিল ২৫০ টাকার আশপাশে। অন্যান্য ধরনের মধ্যে বরই খেজুর ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, দাবাস ৫০০ টাকা, কালমি ৬০০-৭০০ টাকা; সুক্কারি ৭০০-৮০০ টাকা, মাবরুম ৮৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মরিয়ম ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, মেডজুল ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এমআর-২
    রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ১৯.৬৫ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    দেশের ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ (১৯৬.৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় করা এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ডলার কেনার ক্ষেত্রে কাট-অফ হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে, গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ (১৭১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ (২১৮.৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।এসব ডলার কেনার ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৫৮৬ মিলিয়ন বা ৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে মোট ক্রয় দাঁড়াল ৪৫১৯.৫০ মিলিয়ন (৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ) মার্কিন ডলার।এর আগ একই দরে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ (৫৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তার আগে গত ২০ জানুয়ারি দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ আমরা ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৯৬.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করেছি। ফলে, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৫৮৬.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ ৪,৫১৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।এফএস

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
    ৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। এতে এক হাজার ৪৫৭ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়েছে।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   এমআর-২
    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন পরীক্ষা কাঠামো প্রকাশ
    স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সংশোধিত রেগুলেশন অনুযায়ী ৪, ৩ ও ২ ক্রেডিট কোর্সের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময়, নম্বর বণ্টন ও প্রশ্নপত্রের কাঠামো নির্ধারণ করে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়। নতুন এই পদ্ধতিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও চূড়ান্ত পরীক্ষার সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৪ ক্রেডিট কোর্সে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ২০ নম্বর এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৮০ নম্বরের। এই পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্লেষণধর্মী, ধারণাভিত্তিক, সংখ্যাগত ও সমালোচনামূলক বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ১২টি প্রশ্নের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ তিনটি উপ-প্রশ্নে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর।এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ২০ নম্বরের বিভাজন হলো– অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশন/কুইজ পরীক্ষায় ৫, ক্লাসে উপস্থিতিতে ৫ এবং দুটি ইন-কোর্স পরীক্ষার গড় নম্বর হিসেবে ১০।৩ ক্রেডিট কোর্সে মোট নম্বর ৭৫। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ১৫ এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা ৬০ নম্বরের। পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় থেকে বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ৯টি প্রশ্নের মধ্যে ৬টির উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ তিনটি উপ-প্রশ্নে বিভক্ত করা যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর। এই কোর্সে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ১৫ নম্বরের মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশন বা কুইজে ৪, ক্লাসে উপস্থিতিতে ৩ এবং দুটি ইন-কোর্স পরীক্ষার গড় হিসেবে ৮ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।২ ক্রেডিট কোর্সে মোট নম্বর ৫০। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ১০ এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা ৪০ নম্বরের। পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় থেকে বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ৬টি প্রশ্নের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ তিনটি উপ-প্রশ্নে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর।এই কোর্সে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ১০ নম্বরের মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশন/কুইজে ৩, ক্লাসে উপস্থিতিতে ২ এবং দুটি ইন-কোর্স পরীক্ষার গড় হিসেবে ৫ নম্বর থাকবে।এইচএ
    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ দিনের টানা ছুটি
    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলতি ফেব্রুয়ারিতেই আসছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই একের পর এক ছুটি মিলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবারও বন্ধ থাকবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম।আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ছুটি, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার।এরই ঠিক পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরের প্রথম বড় ছুটি এটি। আর তালিকায় থাকা পঞ্চম ছুটি এটি।এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।আর ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে বলে সিদ্ধান্ত রয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়।এফএস
    ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ
    রাজধানীতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশের হামলা ও গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নেতৃত্ববৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে রায়সাহেব বাজার প্রদক্ষিণ করে বিশ্বজিৎ চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হাদি হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেন এবং ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘জাস্টিস জাস্টিস’, ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।সমাবেশে জকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, “আমাদের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া সরকার আমাদের ওপর গুলি করেছে। এ সরকার আমাদের নয়। পুলিশ সংস্কার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। আবার যদি কোনো শিক্ষার্থী পুলিশের গুলিতে আহত হয়, আমরা এর জবাব দেব।”জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, “এক জুম্মাবারে আমার ভাই হাদিকে হত্যার পর আরেক জুম্মায় আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা আর মার খেতে চাই না। আমরা পুলিশের সংস্কার চাই।”জকসুর সহসভাপতি (ভিপি) রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বহিষ্কার করে নতুন করে নিয়োগের দাবি জানিয়েছিলাম। পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু ন্যায্য দাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালায়। আমরা পুলিশের সংস্কার চাই।”ইখা

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ
    শিশুদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা
    যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন মামলার মুখে পড়েছে বিশ্বের ৩ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্ম ফেসবুক, গুগল ও টিকটক। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আসক্তি তৈরি এবং এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার অভিযোগে আদালতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে জনপ্রিয় এই ৩ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।  এএফপির প্রতিবেদন মতে, স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা, অ্যালফাবেট ও বাইটড্যান্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আদালত এই মামলার জুরি নির্বাচন শুরু করবে। এই মামলাকে মার্কিন বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসের একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা।এই মামলার রায় ৩ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে গেলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এ ধরনের আরও হাজারো মামলার ঢেউ উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতে মেটার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হতে পারে বলে জানা গেছে। কম বয়সি শিশু, তরুণ ও তরুণীরা ওই তিন প্রতিষ্ঠানের সেবা ও পণ্য ব্যবহার করে অবসাদ, খাবারে অনাসক্তি, মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, এমনকি, আত্মহত্যাও করেছেন—এমন দাবি করেছেন বাদী পক্ষের হাজারো মানুষ। বাদী-পক্ষের আইনজীবীরা ১৯৯০ ও ২০০০ এর দশকে তামাক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা আইনি কৌশল বেছে নিচ্ছেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিশ্বখ্যাত সিগারেট উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ পণ্য বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছিল। বিচারক নিয়োগের পর আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে বিচারপতি ক্যারোলিন কুল-এর আদালতে মামলার কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ১৯ বছর বয়সি এক মার্কিন নারী। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে শুধু নামের আদ্যাক্ষর ‘কে জি এম’ ব্যবহার করে তার পরিচয় দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তির কারণে তিনি ‘মানসিক ক্ষতির’ শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের মামলা ও আদালতের অভিযোগ গ্রহণের নজির নেই। সোশাল মিডিয়া ভিক্টিমস ল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথু বার্গম্যান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এবারই প্রথম কোনো সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে শিশুদের ক্ষতি করার অভিযোগে বিচারকদের সামনে দাঁড়াতে হচ্ছে।’ বার্গম্যানের আইনজীবীরা এ ধরনের প্রায় এক হাজার মামলার দায়িত্বে আছেন। আইনজীবীদের এই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে তরুণ-তরুণীদের ক্ষতি করার জন্য সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছে। বার্গম্যান বলেন, ‘কে জি এম ও তার পরিবার যে একটি আদালতকক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে বড়, ক্ষমতাবান ও বিত্তবান প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখোমুখি দাঁড়াতে পেরেছেন, এটাই একটি উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিজয়।’  তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটা বুঝতে পারছি যে এ ধরনের মামলাগুলো জেতা অনেক কঠিন এবং আগের, একই ধরনের ঘটনার নজির ও তথ্য-প্রমাণ টেনে বিজয়ী হওয়ার দায়ভার আমাদের ওপর বর্তেছে। আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে, এসব প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তাদের প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন করেছে যা কেজিএম-এর (মানসিক) ক্ষতি নিশ্চিত করে। এই দায়িত্ব আমরা খুশি মনেই কাঁধে নিয়েছি।’ এই বিচারের রায় ভবিষ্যতে একই ধরনের সব মামলার রায়কে সরাসরি প্রভাবিত করবে বলে মত দেন বার্গম্যান। গত সপ্তাহে অপর সমাজমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাট আদালতের বাইরে চুক্তি করে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছে। ওই চুক্তির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্মগুলোর দাবি, মার্কিন যোগাযোগ নৈতিকতা আইনের ২৩০ ধারা তাদেরকে সুরক্ষা দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কী পোস্ট করছেন, তা নিয়ে কোনো ধরনের দায়বদ্ধতা থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেহাই দেয় এই ধারা। তবে মামলায় বিবাদীদের যুক্তি—সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তাদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, যা মানুষের মনোযোগ ধরে রাখে। পাশাপাশি সেখানে এমন সব কনটেন্টের প্রচারণা করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়।  বার্গম্যান আরও বলেন, ‘আমরা সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্ষতিকারক কন্টেন্ট সরিয়ে নিতে না পারার জন্য মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করছি না।’ তার ভাষায়, ‘তাদের দোষ, তারা এমনভাবে প্ল্যাটফর্মগুলো বানিয়েছে যা শিশুদের আসক্ত করে তোলে। তাদের এলগরিদম এমন যে শিশুরা কনটেন্ট থেকে চোখ সরাতে পারে না।’ ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল আদালতেও একই ধরনের অভিযোগে অসংখ্য মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার বিষয়ে উল্লেখিত তিন প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।  এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    আগামীকাল ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি
    সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে।গত ৩ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্ট বিভাগের বিচার শাখার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. মেসবাহ্ উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।আজ রবিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মহোদয়গণের অংশগ্রহণে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিকাল ৪টা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে।’এমআর-২

    প্রবাস

    সব দেখুন
    মালয়েশিয়ায় ক্রেনচাপায় বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
    মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের জালান পেরাক এলাকায় কাজ করার সময় একটি ‘স্পাইডার লিফট’ (এক ধরনের ছোট ক্রেন) উল্টে চাপা পড়ে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে সাইন বোর্ড মেরামতের কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিহত বাংলাদেশি রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে স্পাইডার লিফটটি পরিচালনা করছিলেন। ফুটপাতের ধারে ধাক্কা লেগে ক্রেনটি হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং তৎক্ষণাৎ ওই বাংলাদেশি কর্মীর ওপর উল্টে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ক্রেনটি উল্টে যাওয়ার সময় পাশে থাকা একটি প্রোটন পারসোনা এবং একটি বিএমডব্লিউ ৫২৩আই গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। তবে সৌভাগ্যবশত গাড়ি দুটির ভেতরে থাকা কেউ আহত হননি। কুয়ালালামপুর ট্রাফিক তদন্ত ও প্রয়োগ বিভাগের প্রধান অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার মোহাম্মদ জামজুরি মোহাম্মদ ঈসা জানিয়েছেন, ঘটনাটি সড়ক পরিবহন আইন ১৯৮৭-এর ধারা ৪১(১) অনুযায়ী তদন্ত করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এবং ক্রেন মালিকের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। কুয়ালালামপুর সিটি হলের পক্ষ থেকে কাজের কোনো বৈধ পারমিট ছিল কি না, তাও যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। এদিকে, পুলিশ এই ঘটনা সম্পর্কে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা তথ্য থাকলে নিকটস্থ থানায় বা ট্রাফিক পুলিশের ০৩-২০৭১ ৯৯৯৯ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।ইখা

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ঘাড় ব্যথা থেকে প্রতিকারের উপায়
    অনেকেরই ঘাড় ব্যথা একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান যুগে দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা, স্মার্টফোন ব্যবহারের আধিক্য এবং ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে এই সমস্যাটি সাধারণ মনে হলেও এটি কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এক সপ্তাহের বেশি ঘাড়ে ব্যথা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ঘাড় ব্যথা তীব্র হলে তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটায়, তাই সময়মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।চিকিৎসকদের মতে, ঘাড় ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা মাথা নিচু করে কাজ করা, যা ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, খেলাধুলার সময় চোট বা মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা যেমন স্পন্ডাইলোসিস এই ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত টানের ফলে সৃষ্ট মাসল স্প্যাজম যেমন কষ্টদায়ক হতে পারে, তেমনি সংক্রমণ, টিউমার বা আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও এই ব্যথার উৎস হতে পারে।ঘাড় ব্যথার লক্ষণ হিসেবে মূলত ঘাড়ে তীব্র বা হালকা ব্যথা, জ্বালাপোড়া অনুভব করা, ব্যথা হাতে বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়া এবং ঘনঘন মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।ঘাড় ব্যথার চিকিৎসা সাধারণত এর কারণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা পেশি শিথিলকারী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম ঘাড়ের পেশি শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর।এ ছাড়া ব্যথা কমাতে হিট বা আইস থেরাপি এবং মেরুদণ্ডের চাপ কমাতে ট্রাকশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন বা সবশেষে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।তবে প্রতিরোধের কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। দীর্ঘ সময় একভাবে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করার সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা এবং নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম করা জরুরি। পাশাপাশি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো যায়।নিজেই করুন প্রতিকার: প্রতিদিনকার রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে সাধারণ ঘাড় ব্যথার প্রতিকার করা যায়। বসে থাকার সময় আপনার মেরুদণ্ড যেন সরলরেখায় থাকে এবং কান সরাসরি আপনার কাঁধের ওপরে থাকে। দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ না করে এক ঘণ্টা পরপর ১০ মিনিট বিরতি নিন। যদি দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারে কাজ করেন, তবে উঠে পড়ুন, ঘুরে দেখুন এবং ঘাড় ও কাঁধ সামনে–পেছনে প্রসারিত করুন। কাজের টেবিল–চেয়ার ও কম্পিউটার এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যাতে মনিটর চোখের স্তরের সমান থাকে।  এইচএ 

    Loading…