এইমাত্র
  • ভাইয়ের গায়ে পানি মারায় সৎ মায়ের হাতে প্রাণ গেল শিশুর
  • ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা মাঠে নামলে কোটাবিরোধীরা টিকতে পারবে না’
  • বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
  • এ সপ্তাহে রাজধানীতে বাড়তে পারে যানজট: ডিএমপি
  • কুমিল্লায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে আহত করলো দুর্বৃত্তরা
  • ‘মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো যাবে না’
  • বাসা থেকে দেড় কোটি টাকা চুরি, ৪ দিন পর জানা গেল মেয়েই চোর
  • ট্রাম্পের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের নিষেধাজ্ঞা সরছে
  • নিজ সন্তানকে নদীতে ফেলে হত্যা: ১৩ বছর পর বাবা গ্রেফতার
  • ১০ নির্দেশনা দিল ‘বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন’
  • আজ শনিবার, ২৯ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৩ জুলাই, ২০২৪
    সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির তথ্য ভুল: কাদের
      সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা এ বছর সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমে এ বছর অন্তর্ভুক্ত হবেন না। আগামী বছরের জুলাই থেকে এই স্কিমের কার্যকারিতা শুরু হবে। ২০২৪ সালে অন্তর্ভুক্ত করার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা ভুল ছিল।আজ শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়েই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা প্রমুখ। সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ২০২৪ সালে অন্তর্ভুক্ত করার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা ভুল জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০২৫ সালের ১ জুলাই শিক্ষকদের পেনশন স্কিমের কার্যকারিতা শুরু হবে। এর আগে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ২০২৪ সালের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সঠিক নয়।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংসদে যে তথ্যটি দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালে স্কিমটি শুরু হবে—এটা ভুল ছিল। সবার পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তি হবে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে। এটা তাদের (শিক্ষকদের) পরিষ্কারভাবে বলেছি।’ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুপার গ্রেড প্রদানের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষকদের মর্যাদা ও লিখিত দাবিনামা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উত্থাপন করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা আলাপ-আলোচনা করে নিব। আলাপ আলোচনা করে আশা করি, সমাধান আসবে।’ বৈঠকে শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শিক্ষকেরা বলেছেন, ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন।’ এর আগে, বৈঠক শেষে বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া সাংবাদিকদের জানান, আলোচনা সন্তোষজনক হয়েছে। আমরা আমাদের ফেডারেশনের সঙ্গে কথা পরে আমাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। পেনশন স্কিম নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার কথা, সেটি কেন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে—এমন প্রশ্নের জবাবে নিজামুল হক ভূইয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পাশাপাশি সরকারের মন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসেছেন।’ উল্লেখ্য, বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতরুল ইসলাম, মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ঢাবির টেলিভিশন ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম প্রমুখ। উল্লেখ্য, প্রত্যয় স্কিম বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক এই কর্মবিরতি পালন করছেন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অন্য দুটি দাবি হলো সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন। দেশের ৫৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন সাড়ে ১৬ হাজার, কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন ৩৪ হাজার ৩৮২ জন। সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয় গত বছরের ১৭ আগস্ট। বর্তমানে সর্বজনীন পেনশন-ব্যবস্থায় পাঁচটি কর্মসূচি (স্কিম) রয়েছে। এগুলো হলো প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাস, সমতা ও প্রত্যয়। এগুলোর মধ্যে প্রত্যয় স্কিমে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন সব ধরনের স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো।এমএইচ
    বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
    বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।শনিবার (১৩ জুলাই) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।সরকারি চাকরিতে কোটা কখনও বৈষম্য সৃষ্টি করে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটা বনাম মেধা একটি নেতিবাচক ন্যারেটিভ। কোটা বৈষম্য তৈরি করে না, কোটার উদ্দেশ্য বৈষম্য নিরসন। মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের বংশধরেরা দীর্ঘ সময় নিগৃহীত হয়েছেন। তারপরও যারা সব ধাপ অতিক্রম করে উত্তীর্ণ হয়, তাদের কিভাবে মেধাবী নয় বলবেন-এরকম প্রশ্নও রাখেন তিনি।তিনি বলেন, সবাইকে আগে প্রিলিমিনারি, লিখিত, ভাইবা দিয়ে পাশ করতে হয়, তারপরই কোটার বিষয়টি আসে। এর আগে কোটা থেকে চাকরির সুযোগ নেই।আপিল বিভাগের রায়ের পর কোটা নিয়ে সরকারের কমিশন গঠনের কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, এবার তারা জাতীয় সংসদে কোটা সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। আদালতের বিষয় নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়; জেনেবুঝেও নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে কোটা সমস্যা সমাধানের দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। কোটা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণেই একেক সময় একেক দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা।কোটার বিষয়ে সরকার যখন ইতিবাচক ভাবছে, তখন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বারবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। কোটা নিয়ে আদালতের প্রক্রিয়া শেষে, সরকার কী করে; সে জন্য তাদের অপেক্ষা করা উচিত।প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোনো আন্দোলনে দেশবিরোধী একটি অপশক্তি প্রবেশ করে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে, এটি উদ্বেগের।এসএফ 

    জাতীয়

    সব দেখুন
    ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা মাঠে নামলে কোটাবিরোধীরা টিকতে পারবে না’
    মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা মাঠে নামলে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা এক মুহূর্তও টিকতে পারবে না এমনটাই মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।শনিবার (১৩ জুলাই) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে কোটা বাতিল আন্দোলনের নামে বঙ্গবন্ধু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৭ দফা দাবিতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, কোটা বাতিলের আন্দোলনকারীদের নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি, যারা কিনা রাজাকারের সন্তান। এরা প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে তো এখনকার মতো সুপ্রিম কোর্টের কোনো আদেশ মানবে না, ছিঁড়ে ফেলে দেবে। এরা দেশের জাতীয় পতাকা মাথায় বেঁধে পতাকার অবমাননা করেছে।মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রয়োজনে ৭১-এর মতো আবারও অস্ত্র নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিছপা হব না।’ বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ৭ দফা দাবি জানানো হয়। সেগুলো হলো- ১। ২০১৮ সালের অসাংবিধানিক ও অবৈধ পরিপত্র বাতিল করে নতুন পরিপত্র জারি করে বঙ্গবন্ধুর উপহার ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল, সংরক্ষণ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে।২। সাম্প্রতিক সময়ে কোটা বাতিল আন্দোলনের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিয়ে কটূক্তিকারীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে ছাত্রত্ব বাতিলসহ বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি হলোকাস্ট ডিনায়াল অ্যাক্টের মতো নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে।৩। রাজাকারদের নামের তালিকা প্রকাশ করে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ডে তালিকা প্রদর্শনপূর্বক নাগরিকত্ব বাতিলসহ এদের বংশধরদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করার পাশাপাশি সব সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে।৪। কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তরা সকলেই মেধাবী, কেউ অমেধাবী নয়। সাধারণ প্রার্থীদের সাথে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রিলি, লিখিত ও ভাইভায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোটা প্রয়োগ হওয়ার কারণে বৈষম্যমূলক মেধা শব্দ পরিবর্তন করে সাধারণ শব্দ সংযোজনপূর্বক সাধারণ প্রার্থী নামকরণ করে সকল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।৫। সমগ্র দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হামলা, মামলা, হত্যা, নির্যাতন ও কটূক্তি স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।৬। ২০১৮ সালে কোটা বাতিল আন্দোলনের নামে পুলিশের ওপর নগ্ন সন্ত্রাসী হামলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।৭। বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের অধিকার আদায়ের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে।এসএফ
    বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
    বৈষম্য দূর করার জন্যেই কোটার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।শনিবার (১৩ জুলাই) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।সরকারি চাকরিতে কোটা কখনও বৈষম্য সৃষ্টি করে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটা বনাম মেধা একটি নেতিবাচক ন্যারেটিভ। কোটা বৈষম্য তৈরি করে না, কোটার উদ্দেশ্য বৈষম্য নিরসন। মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের বংশধরেরা দীর্ঘ সময় নিগৃহীত হয়েছেন। তারপরও যারা সব ধাপ অতিক্রম করে উত্তীর্ণ হয়, তাদের কিভাবে মেধাবী নয় বলবেন-এরকম প্রশ্নও রাখেন তিনি।তিনি বলেন, সবাইকে আগে প্রিলিমিনারি, লিখিত, ভাইবা দিয়ে পাশ করতে হয়, তারপরই কোটার বিষয়টি আসে। এর আগে কোটা থেকে চাকরির সুযোগ নেই।আপিল বিভাগের রায়ের পর কোটা নিয়ে সরকারের কমিশন গঠনের কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, এবার তারা জাতীয় সংসদে কোটা সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। আদালতের বিষয় নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়; জেনেবুঝেও নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে কোটা সমস্যা সমাধানের দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। কোটা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণেই একেক সময় একেক দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা।কোটার বিষয়ে সরকার যখন ইতিবাচক ভাবছে, তখন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বারবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। কোটা নিয়ে আদালতের প্রক্রিয়া শেষে, সরকার কী করে; সে জন্য তাদের অপেক্ষা করা উচিত।প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোনো আন্দোলনে দেশবিরোধী একটি অপশক্তি প্রবেশ করে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে, এটি উদ্বেগের।এসএফ 
    ১০ নির্দেশনা দিল ‘বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন’
    সকল গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাশ করে কোটাপদ্ধতিকে সংস্কারের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ব্যানারে সারাদেশেরই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি চালাচ্ছেন।আন্দোলনকারীরা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন তার কিছু দিকনির্দেশনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি খোলা বার্তা শেয়ার করেন কোটা আন্দোলনকারীর সমন্বয় নাহিদ ইসলাম।এতে উল্লেখ করা হয়, যেভাবে আন্দোলন পরিচালনা করবেন-১। বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, জেলা ও মহানগরে যারা আন্দোলন সমন্বয় করছেন সবাই সংগঠিত হওয়ার জন্য আলাদা করে সমন্বয়ক কমিটি তৈরি করুন। দল, মত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখুন৷ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করুন এবং সবার আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। তবে আন্দোলনের স্বার্থে বিতর্কিত বা রাজনৈতিকভাবে প্রশ্ন উঠতে পারে এরকম কাউকে নেতৃত্ব পর্যায়ে রাখবেন না।২। আন্দোলনকে কোনো একক বা মূল নেতৃত্বের উপর নির্ভরশীল করবেন না। সবসময় বিকল্প নেতৃত্ব প্রস্তুত রাখুন। প্রথম দিকের নেতৃত্বে উপর ঝামেলা হলেও তাহলে আন্দোলন স্তিমিত হবে না। নেতৃত্বে নতুন চেহারা আনার চেষ্টা করুন।৩। ইন্টার্নালি সংগঠিত থাকুন কিন্তু আন্দোলনকে কোনো সাংগঠনিক রুপ দিবেন না। কমিটিটা শুধু শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য। আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ত চরিত্র যাতে বজায় থাকে৷ তবে কোনো পক্ষ অনুপ্রবেশ করে যাতে স্যাবোটেজ করতে না পারে এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন৷ আন্দোলন সব সময় শান্তিপূর্ণ ও অহিংস হবে।৪। যে স্থানে কর্মসূচি করবেন সেখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যোগাযোগ করতে চাইলে তাদের সঙ্গে কোঅপারেট করুন। কিন্তু সকল সিদ্ধান্ত আপনারাই নেবেন। কোনো ধরনের আপস করা যাবে না।৫। সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করার চেষ্টা করুন। জেলা বা মহানগরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করুন এবং একসঙ্গে বড় জমায়েত করার চেষ্টা করুন।৬। কারও ওপর কোনো আঘাত বা হুমকি আসলে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করুন। ভয় পাবেন না। পিছিয়ে যাবেন না। সামনে এসে কথা বলুন। এখানে গোপনীয়তার কিছু নাই। আমাদের দাবি ও বক্তব্য সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক।৭। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনকে যুক্ত করুন। কর্মসূচিতে সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখুন। জেলা ও মহানগরের নাগরিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কর্মসূচির আগে মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে ব্যাপক গণসংযোগ করুন। হলের রুমে রুমে, লাইব্রেরিতে প্রচার করুন।৮। মিডিয়া ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখুন। মিডিয়ার সামনে বুঝে শুনে কথা বলুন যাতে মূল বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ থাকে। প্রোগ্রামে ও মিডিয়ায় আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এরকম বক্তব্য বা স্লোগান দিবেন না।৯। ঢাকার সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি রাখার চেষ্টা করুন। 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' ব্যানার যারা ব্যবহার করবেন তারা অবশ্যই ঢাকার সঙ্গে আলোচনা করে নেবেন।১০। অর্থ সংগ্রহের জন্য সরাসরি ক্রাউড ফান্ডিং করুন। কোনো অনলাইন মিডিয়াম ব্যবহার করবেন না। অর্থের নিয়মিত হিসাব রাখুন এবং সমন্বয়ক টিমের কাছে হিসাব ক্লিয়ার রাখুন। কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ নেবেন না। কারও কাছ থেকে বেশি অঙ্কের টাকা নেবেন না। রাজনৈতিক স্বার্থ আছে এরকম কারও কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা নেবেন না।আরইউ
    কোটা আন্দোলনকারীদের নিয়ে যা বললেন ডিবি প্রধান
    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।তিনি বলেন, কেউ যদি আদালতের আদেশ না মানে, পুলিশের কথা মানে, আন্দোলনের নামে জানমালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিবি প্রধান।হারুন অর রশীদ বলেন, কোটা শুধু বাংলাদেশে নয়, অনেক দেশেই প্রচলন রয়েছে। কোটার বিরোধিতা করে কিছু লোক, কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত। কিন্তু কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে না গিয়ে বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও হয়েছে।তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কি আছে? আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করব। কারণ আন্দোলনরতরা যদি জানমালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবি প্রধান বলেন, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কি না, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কি না, এসব নিয়ে ডিবির টিম ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে।
    পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙায় শিক্ষার্থীদের নামে মামলা
    চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং মারধরের অভিযোগে ‘অজ্ঞাত পরিচয়ে  শিক্ষার্থী’দের নামে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে পুলিশ।শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের পরিবহন বিভাগের গাড়িচালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন।মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘গত ১১ জুলাই কোটা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্ব ঘোষিত আন্দোলনের কর্মসূচি ছিল। সে অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জড়ো হয়ে বিভিন্ন হলের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে বিকেল ৪টার সময় স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে বেআইনি জনতায় আবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করেন। তারা শাহবাগ মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেন। এসময় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে সাধারণ জখম করেন।’‘পরে তারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাত্রদের বুঝিয়ে শুনিয়ে পুনরায় শাহবাগ মোড়ে ফিরিয়ে আনতে যায়। এ সময় বিএসএমএমইউয়ের পাশে নিরাপদ স্থানে রাখা এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যাননের চারদিকে ঘেরাও করে অনেক সংখ্যক আন্দোলনকারীরা উঠে উদ্দাম নৃত্য শুরু করেন। তারা ওয়াটার ক্যানন চালককে গাড়ি থেকে জোর করে বের করার চেষ্টা ও গতিরোধ করেন। এর ফলে এপিসি ২৫ এর সামনের দুইটি এসএস স্ট্যান্ড, বনাটের উপরে বাম পাশে রেডিও অ্যান্টেনা এবং ডান পাশের পেছনের চাকার মার্টগার্ড চলি এবং ওয়াটার ক্যাননের বাম পাশের লুকিং গ্লাস ভেঙে অনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ছাত্রদের অন্যান্য সিনিয়র স্যাররা বুঝিয়ে শুনিয়ে এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যানন থেকে নামিয়ে আনেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারেন। এতে অনেক পুলিশ সমস্য আঘাতপ্রাপ্ত হন।’মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ঘটনাস্থলে উপস্থিত সব সিনিরয় কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগের আন্দোলনে যোগ দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বারডেম হাসপাতালের গেটের ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশ সদস্যদের আহত করেন। তারা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি করেন। ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশকে মারতে তেড়ে আসেন ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করেন।’আরইউ
    এবার কোটা ইস্যুতে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন সুশান্ত পাল
    সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও কোটাব্যবস্থার সংস্কারের এক দফা  দাবি, এই দুই বিষয় নিয়ে বর্তমানে উত্তাল সারা বাংলাদেশ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা দল-মত নির্বিশেষে এ আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন এবং তাদের পক্ষ থেকে ঘোষণা এসেছে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথ এই দুই ইস্যু নিয়ে উত্তাল এখন ছাত্রসমাজ। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে গণমাধ্যমের প্রধান খবর, টকশো এমনকি রাজনৈতিক অঙ্গনেও স্থান করে নিয়েছে এই দুই ইস্যু। শুধু তাই নয়, দেশের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের কাছ থেকে এসব ইস্যু নিয়ে লেখালেখি অথবা অবস্থান জানতে চান এ দেশের তরুণ সমাজ । তবে এসব ফলোয়ারদের অভিযোগ, চলমান এ দুই ইস্যুতে চুপ রয়েছেন বেশির ভাগ ইনফ্লুয়েন্সাররা। তেমনি একজন সুশান্ত পাল। ৩০তম বিসিএসের কাস্টমস কর্মকর্তা ও জনপ্রিয় ক্যারিয়ারবিষয়ক এ বক্তাও এ দুই ইস্যুতে চুপ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাদের ফ্যান-ফলোয়াররা। তারা কোটা ও প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে এ ইনফ্লুয়েন্সারের অবস্থানও জানতে চান।এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে সমালোচনার শিকার হচ্ছেন ৩০তম বিসিএসের কাস্টমস কর্মকর্তা ও জনপ্রিয় ক্যারিয়ার বিষয়ক বক্তা সুশান্ত পাল। সুশান্ত পাল এ দুই ইস্যুতে কোনো লেখালেখি করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এরপর যদি কারও খারাপ লাগে, তাহলে হয় আনফলো নতুবা ব্লক করে দিতে বলেছেন। এটা না করলে তিনি নিজেই তাদের ব্লক করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে সুশান্ত পাল তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পেজটির বর্তমান ফলোয়ারের সংখ্যা ১.৮ মিলিয়ন (১৮ লাখ)।স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, কোটা এবং প্রশ্নফাঁস বিষয়ে কিছু না লিখলে যদি আপনাদের খারাপ লাগে, তাহলে এত কথা না বলে আমাকে আনফলো করে দিন। (আরও ভালো হয় ব্লক করে দিলে।) এসব নিয়ে আমি আপনার মনের মতো করে লিখব না। এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি আরও লিখেছেন, এত বেশি বিরক্ত করবেন না। আমি আপনার ফরমাশের চাকর নই। এভাবে সহজ করে বুঝিয়ে বলার পরও যদি বিরক্ত করে যান, তাহলে বুঝব, আপনার কোনো লজ্জাশরম ও কাণ্ডজ্ঞান নেই। আপনি আমাকে ব্লক না করলে আমি আপনাকে ব্লক করব এবং অবশ্যই করব। এতে আপনার সম্মান বাড়বে না, কমবে। আমি আপনাকে সম্মান করি, আপনি নিজেও নিজের সম্মান বজায় রাখুন।‘আপনার হাতে কাজ নেই, আর আমার হাতে সময় নেই। এ কারণেই আমি চাইছি না যে, আপনি মনে এত কষ্ট নিয়েও আমাকে ফলো করুন। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।’তবে এ বিষয়ে স্ট্যাটাস দিয়েও ক্ষান্ত হননি তিনি। কমেন্টে দিয়েছেন অনেকের রিপ্লাইও।ওই পোস্টেরই কমেন্টে সুশান্ত কোটা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে লেখেন, ‘তোমাদের তো কোটা নিয়ে এত দুঃখ থাকার কথা নয়। তোমরা তো এমনিতেই চাকরি পাবে না— কোটা থাক না থাক; আরে ভাই, প্রিলিমিনারিই তো পাস করতে পারবে না! লজ্জাশরম ও পড়াশোনা থাকলে নিশ্চয়ই এখানে পড়ে থাকতে না।’এর আগে ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য ও কটূক্তি করার অভিযোগ ওঠার পর ২০১৬ সালে এ কর্মকর্তাকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক প্রজ্ঞাপনে সেই সময় বলা হয়েছিল, সুশান্ত পাল নামের ওই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত করা বা স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও আদেশ দেওয়া হয়েছিল প্রজ্ঞাপনে।জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আদিম বর্বরতা চলে, হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব ব্যাপারে উদাসীন—এমন সব কথা লিখে সুশান্ত পাল ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। পরে এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলে সুশান্ত পাল তার ফেসবুকে ক্ষমাও চেয়েছিলেন।এবি 
    সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির তথ্য ভুল: কাদের
      সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা এ বছর সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমে এ বছর অন্তর্ভুক্ত হবেন না। আগামী বছরের জুলাই থেকে এই স্কিমের কার্যকারিতা শুরু হবে। ২০২৪ সালে অন্তর্ভুক্ত করার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা ভুল ছিল।আজ শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়েই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা প্রমুখ। সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ২০২৪ সালে অন্তর্ভুক্ত করার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা ভুল জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০২৫ সালের ১ জুলাই শিক্ষকদের পেনশন স্কিমের কার্যকারিতা শুরু হবে। এর আগে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ২০২৪ সালের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সঠিক নয়।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংসদে যে তথ্যটি দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালে স্কিমটি শুরু হবে—এটা ভুল ছিল। সবার পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তি হবে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে। এটা তাদের (শিক্ষকদের) পরিষ্কারভাবে বলেছি।’ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুপার গ্রেড প্রদানের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষকদের মর্যাদা ও লিখিত দাবিনামা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উত্থাপন করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা আলাপ-আলোচনা করে নিব। আলাপ আলোচনা করে আশা করি, সমাধান আসবে।’ বৈঠকে শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শিক্ষকেরা বলেছেন, ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন।’ এর আগে, বৈঠক শেষে বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া সাংবাদিকদের জানান, আলোচনা সন্তোষজনক হয়েছে। আমরা আমাদের ফেডারেশনের সঙ্গে কথা পরে আমাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। পেনশন স্কিম নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার কথা, সেটি কেন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে—এমন প্রশ্নের জবাবে নিজামুল হক ভূইয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পাশাপাশি সরকারের মন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসেছেন।’ উল্লেখ্য, বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতরুল ইসলাম, মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ঢাবির টেলিভিশন ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম প্রমুখ। উল্লেখ্য, প্রত্যয় স্কিম বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক এই কর্মবিরতি পালন করছেন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অন্য দুটি দাবি হলো সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন। দেশের ৫৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন সাড়ে ১৬ হাজার, কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন ৩৪ হাজার ৩৮২ জন। সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয় গত বছরের ১৭ আগস্ট। বর্তমানে সর্বজনীন পেনশন-ব্যবস্থায় পাঁচটি কর্মসূচি (স্কিম) রয়েছে। এগুলো হলো প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাস, সমতা ও প্রত্যয়। এগুলোর মধ্যে প্রত্যয় স্কিমে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন সব ধরনের স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো।এমএইচ
    ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা
    সর্বজনীন পেনশন 'প্রত্যয়' স্কিম বাতিলের দাবিতে কর্মবিরতি পালনে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।বৈঠকে আরও উপস্থিত আছেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীও বৈঠকে উপস্থিত আছেন।  শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন— বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড আখতারুল ইসলাম, মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম, অধ্যাপক শফিউল আলম ভূইয়া, অধ্যাপক ইমতিয়াজসহ অনেকেই।গত ৪ জুলাই এ বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করা হয়। এর কারণ হিসেবে তখন ওবায়দুল কাদেরের রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার কথা জানা যায়।  সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ কর্মসূচি নিয়ে প্রজ্ঞাপন বাতিল করাসহ তিন দফা দাবিতে ১ জুলাই থেকে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একযোগে এই সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করে আসছেন। কর্মসূচির কারণে তালা ঝুলছে শ্রেণিকক্ষ ও অফিসে। এ কারণে ক্লাস–পরীক্ষা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ভবনেও কোনো কাজ হচ্ছে না। মঙ্গলবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের ফটকে অবস্থান কর্মসূচিতে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিনাত হুদা তার বক্তব্যে বলেন, যত দিন সমাধান না হবে, তত দিন আন্দোলন চলবে। 

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ভয় কাকে দেখান, রাজপথের রাজা ছাত্রলীগ: সাদ্দাম
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের উদ্দেশে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, ‘কাকে ভয় দেখান? রাজপথ থেকে জন্ম নিয়েছে ছাত্রলীগ, রাজপথের রাজা ছাত্রলীগ।জনদুর্ভোগ পরিহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখা ও কোটা ইস্যুর যৌক্তিক সমাধানের দাবিতে মিছিল শেষে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।সাদ্দাম বলেন, মামা বাড়ির আবদারের মতো যেখানে সেখানে ব্লকেড দিয়ে বসেছে। এই মুুহূর্তে বাংলাদেশে কোনো কোটা পদ্ধতি নেই। এরপরও ব্লকেড ব্লকেড খেলা এবং দুর্ভোগ তৈরির কি কোনো যৌক্তিকতা আছে?তিনি আরও বলেন, বুয়েটে রাব্বির সিট বাতিল করেছে, কোথাও কোনো অবরোধ হয়েছে? কোথাও কোনো দুর্ভোগ হয়েছে? আইনের মাধ্যমে রাব্বি তার সিট ফিরে পেয়েছে।সাদ্দাম বলেন, একবার বলে মেধা না কোটা, আরেকবার বলে কোটার সংস্কার চাই। তারা আসলে কোনটা চায়? আদালত বলছে কোটা নেই, তাও তারা আন্দোলন করছে। তারা কি কোটার সংস্কার চায় নাকি কোটায় কোটায় আন্দোলন করতে চায়?বিএনপিকে উদ্দেশ করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, আগে খেলতো আন্দোলন আন্দোলন খেলা, এখন খেলছে সমর্থন সমর্থন খেলা। এখন যারা শাহবাগে রয়েছে, তারা প্রফেশনাল আন্দোলনকারী।তিনি বলেন, ব্যানারে লিখেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোটা ব্যবস্থা তুলে দেয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রামে দুজন সুযোগ পেয়েছে। কোটা তুলে দেয়ার পর পুলিশ প্রশাসনে মেয়েরা শতকরা ৪জন সুযোগ পেয়েছে।সাদ্দাম বলেন, কোটা মানে কি কম মেধা? মেয়েরা কি প্রিলিমিনারিতে পাস করে না? সব পাস করেই তো সুযোগ পায়। নারীদের যে কোটা রয়েছে তাতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মেয়ে সাংবিধানিক সুযোগ পাবে।তিনি বলেন, চার বছর পর ফুটবল খেলার জন্য অপেক্ষা করি, বিএনপি-জামায়াতের সময় বিসিএসের জন্য অপেক্ষা করা লাগতো। বিএনপির আমলে হাওয়া ভবন থেকে লিষ্ট ধরিয়ে দেয়া হতো কারা বিসিএস ক্যাডার হবে।এফএস
    ভয় কাকে দেখান, রাজপথের রাজা ছাত্রলীগ: সাদ্দাম
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের উদ্দেশে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, ‘কাকে ভয় দেখান? রাজপথ থেকে জন্ম নিয়েছে ছাত্রলীগ, রাজপথের রাজা ছাত্রলীগ।জনদুর্ভোগ পরিহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখা ও কোটা ইস্যুর যৌক্তিক সমাধানের দাবিতে মিছিল শেষে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।সাদ্দাম বলেন, মামা বাড়ির আবদারের মতো যেখানে সেখানে ব্লকেড দিয়ে বসেছে। এই মুুহূর্তে বাংলাদেশে কোনো কোটা পদ্ধতি নেই। এরপরও ব্লকেড ব্লকেড খেলা এবং দুর্ভোগ তৈরির কি কোনো যৌক্তিকতা আছে?তিনি আরও বলেন, বুয়েটে রাব্বির সিট বাতিল করেছে, কোথাও কোনো অবরোধ হয়েছে? কোথাও কোনো দুর্ভোগ হয়েছে? আইনের মাধ্যমে রাব্বি তার সিট ফিরে পেয়েছে।সাদ্দাম বলেন, একবার বলে মেধা না কোটা, আরেকবার বলে কোটার সংস্কার চাই। তারা আসলে কোনটা চায়? আদালত বলছে কোটা নেই, তাও তারা আন্দোলন করছে। তারা কি কোটার সংস্কার চায় নাকি কোটায় কোটায় আন্দোলন করতে চায়?বিএনপিকে উদ্দেশ করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, আগে খেলতো আন্দোলন আন্দোলন খেলা, এখন খেলছে সমর্থন সমর্থন খেলা। এখন যারা শাহবাগে রয়েছে, তারা প্রফেশনাল আন্দোলনকারী।তিনি বলেন, ব্যানারে লিখেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোটা ব্যবস্থা তুলে দেয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রামে দুজন সুযোগ পেয়েছে। কোটা তুলে দেয়ার পর পুলিশ প্রশাসনে মেয়েরা শতকরা ৪জন সুযোগ পেয়েছে।সাদ্দাম বলেন, কোটা মানে কি কম মেধা? মেয়েরা কি প্রিলিমিনারিতে পাস করে না? সব পাস করেই তো সুযোগ পায়। নারীদের যে কোটা রয়েছে তাতে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মেয়ে সাংবিধানিক সুযোগ পাবে।তিনি বলেন, চার বছর পর ফুটবল খেলার জন্য অপেক্ষা করি, বিএনপি-জামায়াতের সময় বিসিএসের জন্য অপেক্ষা করা লাগতো। বিএনপির আমলে হাওয়া ভবন থেকে লিষ্ট ধরিয়ে দেয়া হতো কারা বিসিএস ক্যাডার হবে।এফএস
    কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রদলের সমর্থন
    কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। নেতাদের দাবি, শিক্ষার্থীরা যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছে। চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অতি সীমিত সংখ্যা কোটা ছাড়া বাংলাদেশে এখন আর কোনো কোটার প্রয়োজন নেই।বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সংগঠনটির অবস্থান জানান। ১১ দিন ধরে নিখোঁজ ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান রাসেলের সন্ধানের দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদল। এ সময় নিখোঁজ রাসেলের বাবা আবুল হোসেন সরদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছেলেকে ফেরত চান। তারা কান্নায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের চোখে অশ্রু দেখা যায়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা কলেজ শাখার সভাপতি শাহীনুর রহমান শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক জুলহাস মিয়াসহ কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতারা।  এফএস
    ‘যাদের মেধায় আগামীর বাংলাদেশ চলবে, তাঁদের ওপর গুলি চালাচ্ছে’
      যাদের মেধায় আগামীর বাংলাদেশ চলবে, তাঁদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আমীর খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনতো আজকে নতুন শুরু হয়নি। অনেক দিন আগে থেকে চলছে। এই আন্দোলনে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। কারণ মেধাবীরা যদি দেশ গঠনে, পরিচালনার সুযোগ না পায়, সেই দেশতো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। সরকার মেধাভিত্তিক একটা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় কিনা সেটাই হচ্ছে প্রশ্ন। তাঁরা যদি সেটা চাইতো, তাহলে এই খেলাধুলা করারতো কোনো দরকার ছিল না। একবার দেয়, একবার দেয় না। একবার কোর্টের কথা বলে, আবার নিজেরা বলে, এখন গোলাগুলি করছে, আহত করছে। কাদের আহত করছেন? আগামী প্রজন্মের নাগরিকদের, যারা বাংলাদেশকে পরিচালিত করবে। যাদের মেধায় আগামীর বাংলাদেশ চলবে, তাঁদের ওপর হামলা, আক্রমণ গুলি চালাচ্ছে তাঁরা।’  আমীর খসরু আরও বলেন, ‘আজকে ছাত্রদের ওপর গুলি, তাঁদের ওপর আক্রমণ, এগুলোতো আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। দেশে যখন অবৈধ, দখলদার, দেশবিরোধী সরকার থাকে, তাঁদের কাছ থেকে সমাধান পাওয়া দূরের কথা, তাঁদের কাজ একটাই—ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এবং থাকার জন্য যেসব শক্তিগুলো আছে, তাঁদের ব্যবহার করতে হবে। আর যাদের সহযোগিতায় তাঁরা ক্ষমতায়, তাঁদের খুশি রাখতে হবে। অন্য কারও জন্য তাঁদের কোনো দায়িত্ব নেই।’ ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনে বিএনপি মদদ দিচ্ছে’—সরকারের দায়িত্বশীলদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এখানে কে মদদ দিচ্ছে, কে মদদ দিচ্ছে না এসব কথা বলেতো পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কথা হচ্ছে, তাঁদের আন্দোলনের মেরিট আছে কিনা, তাঁদের আন্দোলন যুক্তিযুক্ত কিনা, সাংবিধানিক কিনা, গণতান্ত্রিক কিনা। এই প্রশ্নগুলো বিবেচনা না করে কে মদদ দিচ্ছে এই সব কথা বলে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’ এদিন আগামী দিনের কর্মসূচি নির্ধারণে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, এনডিএম, গণফোরাম ও পিপলস পার্টির সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিএনপির নেতারা। সে বিষয়ে জানাতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আমীর খসরু। আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চলমান আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে আমাদের যুগপৎ আন্দোলনের সহযোগী যারা, আগামী দিনের কর্মসূচি কী হবে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা কী করতে পারি এবং এই আন্দোলনের সফল সমাপ্তি কীভাবে করতে পারি, এসব নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করেছি। বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আন্দোলন চলমান আছে এবং তা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। ৯৫ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে, তাঁরা এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। মিটিং ভন্ডুল করে, ডামি নির্বাচন করে, ক্ষমতা দখল করে কেউ যদি মনে করে আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে, এর চেয়ে বড় ভুল আর কিছু হতে পারে না। আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং আমাদের গন্তব্য একটাই—সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের মুক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি। সেই সঙ্গে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি। কারণ খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্রের মুক্তি আলাদা করার সুযোগ নেই। দুটো একসঙ্গে চলছে এবং বাংলাদেশের মানুষ এ ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ।’এমএইচ
    কোটা আন্দোলন যৌক্তিক হলেও সরকার মানতে পারছে না: রিজভী
    শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন যৌক্তিক হলেও সরকার তা মানতে পারছে না এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে আবার কেন আদালতে নিয়ে আসলেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে আদালতের টেলিপ্যাথিক সম্পর্ক। কারণ, তিনি যা চান তা আদালতের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়।তিনি আরো বলেন, গুম খুন, নির্যাতন করে মাফিয়া সিন্ডিকেটর গডমাদার হিসেবে ক্ষমতায় বসে আছেন প্রধানমন্ত্রী। সবাই জানে ঢাকা কলেজের ছাত্রদলের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাসেলকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে। এসব ঢাকতে রাসেলদের গুম করা হচ্ছে।   বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকতে গুম-খুন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংস্কৃতি চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী।এসএফ 
    শিক্ষার্থীরা লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
    কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে। ছাত্ররা আদালতে গিয়ে তাদের যা বলার তা যাতে বলে। এটা স্পষ্ট সুন্দরভাবে বলে দেয়া হয়েছে। কাজেই এরপরও রাস্তায় থেকে তাদের কষ্ট করার কোনো প্রয়োজন আমার মনে হয় নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সচিবালয়ে মাদকের অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।শিক্ষার্থীদের কোটা বাতিলের আন্দোলন অব্যাহত রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আদালতের যে নির্দেশনাটা এসেছিল, শিক্ষার্থীরা মনে করেছেন তাদের যে চিন্তা-ভাবনা, সেটা থেকে তাদের দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেজন্য তারা রাস্তায় চলে এসেছিলেন। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশকে আমরা বলেছি, এদের ডিমান্ড যেটা আছে, সেটা আমরা শুনবো। কিন্তু শোনারও একটা লিমিট বোধহয় থাকে। তারা বোধহয় এগুলো ক্রস করে যাচ্ছে।তিনি বলেন, বেশ কয়েকদিন হলো তারা (আন্দোলনরত শিক্ষার্থী) কিন্তু একই কাজ করছেন। এরই মধ্যে প্রধান বিচারপতি একটা নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, যে নির্দেশনা হাইকোর্ট দিয়েছেন সেটি স্থগিত। যে মামলাটি চলছে সেটির রায় না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। তাই হাইকোর্ট যে নির্দেশনা (কোটা বহাল করে) দিয়েছিলেন সেটি অচল, সেটি এখন নেই।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয় ছাত্রদের এক্ষেত্রে বোঝা উচিত, জানা উচিত। রায় যখন নেই তাহলে আন্দোলন করছে কেন? তাদেরও আত্মীয়-স্বজনকে বিভিন্ন কাজে ছুটতে হয়, হাসপাতালে যেতে হয়, চাকরির জন্য বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। রাস্তা বন্ধ করে দিলে কীভাবে চলবে?তিনি আরও বলেন, ছাত্ররা আদালতে গিয়ে তাদের যা বলার তা যাতে বলে। এটা স্পষ্ট সুন্দরভাবে বলে দিয়েছেন। কাজেই এরপর রাস্তায় থেকে তাদের কষ্ট করার কোনো প্রয়োজন আমার মনে হয় নেই। তারা যেটা চেয়েছিলেন সেদিকেই তো যাচ্ছে। আমি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো, অযথা যাতে ভিড় না করেন। তারা তাদের লেখাপড়া ছেড়ে বসে থাকবেন, জনগণের দুর্ভোগ হবে। এটাও যাতে তাদের মাথায় থাকে।আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, তাদের দাবির প্রতি সরকার সব সময় খেয়াল রাখছে। যেহেতু বিষয়টি কোর্টে আছে এজন্য কোর্টের মাধ্যমে এটি নিষ্পত্তি হবে।এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, কারাগারে মাদক মামলার আসামি ৩০ থেকে ৪০ ভাগ। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপ্রাণ চেষ্টা করছে এর সরবরাহ হ্রাসের, এটা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। সামাজিক আন্দোলন ছাড়া সরকারের পক্ষে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবাই মিলে ঘুরে দাঁড়ালে মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার হবে। ইয়াবার মূল সরবরাহ আসে মিয়ানমার থেকে। তাই মাদকমুক্ত করার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নজরদারি রয়েছে।এসএফ 
    শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে নতুন আন্দোলনের পাঁয়তারা করছে বিএনপি: কাদের
    বিএনপিসহ কিছু দল আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে। শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ফাঁদে ফেলে আন্দোলনের ব্যর্থতা পেছনে রেখে নতুন আন্দোলন শুরুর পাঁয়তারা করছে তারা। কোটাবিরোধী আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত করার চেষ্টা করছে বিএনপি এমনটাই মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কারের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণ করে আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে যখন বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান, তার প্রতি কোনো প্রকার সম্মান না করে আন্দোলনকারীরা বাংলা ব্লকেড নামে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ফখরুল বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটার দরকার নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি তাদের সম্মান নেই। কোটা বিরোধিতা করে বিএনপি যে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, তার প্রমাণ আবারও দিয়েছে।এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।এসএফ 
    ‘দেশবিরোধী চুক্তি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতেই বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করছে সরকার’
     বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশবিরোধী চুক্তি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতেই পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করছে সরকার।বুধবারর্ (১০ জুলাই) খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় রাজধানীর রামপুরার একটি মাদ্রাসায় এক মিলাদ মাহফিলে তিনি এ বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার চক্রান্ত ষড়যন্ত্র করছে এ সরকার।রিজভী বলেন, প্রতি মুহূর্তেই বিএনপির ওপর আক্রমণ চালাচ্ছেন ক্ষমতাসীনরা। ভারতের সঙ্গে রেল করিডর-সমঝোতা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। ট্রেনে করে সামরিক সরঞ্জাম বহন করবে ভারত সরকার। পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোকে মোকাবিলা করতে ভারত বাংলাদেশকে ব্যবহার করবে তারা।বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল কর্তৃক আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিমের পরিচালনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান আউয়াল।  এমএইচ

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    ‘মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো যাবে না’

    মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মেহেদী হাসান বলেছেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক বিবেচনা করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে বাধা না দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু তারা ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে মূল সড়কেও চলে আসছেন।

    শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মেহেদী হাসান অটোরিকশা সম্পর্কে ডিএমপির পরিকল্পনার কথা জানান।


    মেহেদী হাসান বলেন, মিরপুর রোডে, ভিআইপি সড়কে, প্রগতি সরণি সড়কে অটোরিকশা বা ব্যাটারিচালিত কোনো যানবাহন বা কম গতির যানবাহন চলবে না। এক্ষেত্রে সমন্বয়ে আইন প্রয়োগের কাজটি সমানতালে করে যাচ্ছি।


    ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের অনেকাংশে ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করেছি। কিছু কিছু জায়গায় উঠিয়ে দেয়ার পরও বসছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে পর্যাপ্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ফুটপাত শুধু পথচারী জনসাধারণের চলাচল বা হাঁটার জন্য, অন্য কিছুর জন্য নয়। আমরা যখনই খবর পাচ্ছি ব্যবস্থা নিচ্ছি।


    আরইউ

    বাসা থেকে দেড় কোটি টাকা চুরি, ৪ দিন পর জানা গেল মেয়েই চোর

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে চুরি হলো ব্যবসায়ীর দেড় কোটি টাকারও বেশি। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছিলেন তিনি। মামলা দায়েরের চার দিনের মাথায় পুলিশ জানতে পারে, ওই টাকা চুরির সঙ্গে জড়িত তার একমাত্র মেয়ে।

    ওই ব্যবসায়ীর নাম আবদুল হামিদ। তিনি পেশায় ঠিকাদার। এই ঘটনায় ৮ জুলাই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ব্যবসায়ীর মেয়ে মিনা হামিদ ও মেয়ের জামাই সাকিবুল হাসান।

    আবদুল হামিদ ঈদুল আজহার দুই দিন আগে সপরিবার ভোলায় গ্রামের বাড়িতে যান। ঈদ উদ্‌যাপন শেষে গত ২০ জুন ঢাকার বাসায় ফেরার ১১ দিনের মাথায় তিনি বাসায় টাকা রাখার সিন্দুক খুলে দেখতে পান, তাঁর ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা নেই। বাসায় সবাইকে টাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার কথা কেউ-ই স্বীকার করেননি। পরে হামিদ ৪ জুলাই মেয়ে মিনাকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে চুরির মামলা করেন।


    এ ঘটনায় মেয়েকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে জানান,  তিনি বার-অ্যাট ল’ পড়ছেন। পরিবারের কাউকে না জানিয়ে গত বছর রাজধানীর তিতুমীর কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস সাকিবুলকে বিয়ে করেন। তাদের বিয়ে পরিবার মানবে না। এ কারণে তিনি বাবার সিন্দুক থেকে টাকা নিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল, বাসা থেকে কাউকে না বলে সাকিবুলের সঙ্গে সংসার শুরু করবেন।

    পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায়ীর মেয়ের স্বামীকে গ্রেপ্তার করে এবং তার কাছ থেকে চুরির ৯০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, বাসার সব সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্যবসায়ী আবদুল হামিদের একমাত্র মেয়ে মিনা হামিদকে সন্দেহ হয়। টানা চার দিন বাসায় গিয়ে পুলিশ নানা কৌশলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে মিনা পুলিশের কাছে স্বীকার করেন


    মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুল হক ভূঞা বলেন, ব্যবসায়ী আবদুল হামিদের বাসার দরজা কিংবা সিন্দুকের তালা ভাঙা হয়নি, অথচ সিন্দুক থেকে টাকা চুরি হয়েছে। প্রথমেই আমরা ধরে নিই, বাসার কোনো লোক এই টাকা চুরির সঙ্গে জড়িত। জিজ্ঞাসাবাদে তারা টাকা চুরির কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।


    আরইউ

    রাজধানীর রামপুরা খাল থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

    রাজধানীর রামপুরা খাল থেকে শাজাহান (৫০) নামে সিটি করপোরেশনের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 


    শাজাহান রামপুরা পুলিশ বক্সের পাশের একটি ডাস্টবিনে পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষে হাত ধোয়ার জন্য খালের পাড়ে নেমেছিলেন শাজাহান। এ সময় পা পিছলে পড়ে যান। খালে পানি বেশি থাকায় তিনি আর উঠতে পারেননি।


    রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমাদের ধারণা, খালের পানির চাপ থাকায় তিনি আর উঠতে পারেননি। সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) কাজ করতেন।’

    এআই 

    হাঁটু-কোমর পানিতে ভাসছে ঢাকা

    ভোররাত থেকে টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সড়ক, অলি-গলি। কোথাও কোথাও পানি উঠেছে কোমরের উপরে। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারীরা।

    শুক্রবার (১২ জুলাই) ভোর রাতে মুষলধারে বর্ষণ শুরু হয়। এতে সকালের আলো ফুটতে না ফুটতেই অনেক জায়গায় পানি জমে যায়। দুপুর গড়িয়ে এলেও অনেক জায়গায় কমবেশি বৃষ্টি ঝরছেই। পানির নিচে ডুবে ছিল অনেক সড়ক, অলি-গলি।

    আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই বর্ষা মৌসুমে সর্বোচ্চ। 

    সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর গ্রিনরোড, মিরপুর, ধানমন্ডি, বনানী, মোহাম্মদপুর, মালিবাগ-মগবাজার, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বাংলা মোটর, বাড্ডা, আজিমপুর এলাকা পানির নিচে চলে গেছে। এসব এলাকায় হাটুঁ সমান পানি দেখা গেছে। কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে।

    শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই রাস্তায় মানুষ কম। অনেক জায়গায় ঘর থেকে বেরিয়েই কোমর পানি। চাকরির পরীক্ষার্থী, দিনমজুরসহ যারা বের হয়েছেন তাদের হাঁটু-কোমর সমান পানি পাড়ি দিয়েই গন্তব্যে যেতে হয়েছে।নৌকার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে হচ্ছে রিকশা।

    অন্যদিকে প্রাইভেটকার ও সিএনজির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে অনেক গাড়িই রাস্তার মাঝে আটকে পড়ে। এছাড়া, জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে গাড়ির ধীর গতির কারণে সৃষ্টি হয়েছে যানজটের।

    এদিকে টানা বৃষ্টিতে অনেক দোকান ও মার্কেটে পানি ঢুকেছে। নিউমার্কেটের নিচতলার বেশ কিছু দোকানে পানি উঠার খবর পাওয়া গেছে।

    আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, আজ সারা দিন বৃষ্টি হবে। আগামীকাল থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।


    এদিকে সকাল ৯টা থেকে দেয়া আগামী তিন দিনের আবহাওয়া বার্তায় অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে এবং এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। ফলে দেশের সব বিভাগেই আজ শুক্রবার বজ্রসহ বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণও হচ্ছে।


    আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

    আরইউ

    ছুটির সকালে ঢাকায় মুষলধারে বৃষ্টি, ভোগান্তি চরমে

    সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল সকাল ৬টা  থেকে ঢাকায় মুষলধারে বৃষ্টি ঝরছে। বৃষ্টির পানিতে ইতোমধ্যে বেশিরভাগ এলাকার রাস্তায় পানি জমে গেছে। এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারীরা। 


    শুক্রবার (১২ জুলাই) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাস্তাঘাটে মানুষজন কম। বেশিরভাগ সড়কও ফাঁকা। আজ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা রয়েছে। তাই সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থীরা। 


    এদিকে, দেশের সব বিভাগেই আজ বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা জানিয়েছে, সারা দেশে আজ বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে। মেঘলা থাকতে পারে সারা দেশের আকাশ। ফলে সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে আসতে পারে। আগামীকাল শনিবার থেকে বৃষ্টি আবার কমে আসতে পারে।


    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু আবারও শক্তিশালী হয়ে ওঠায় বৃষ্টি বেড়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে দেশের উপকূল দিয়ে প্রবেশ করছে প্রচুর মেঘ। সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় মেঘ বাধা পেয়ে বৃষ্টি বেড়েছে। 


    এদিকে, সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে পাহাড়ধসের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের নিচে ও আশপাশে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

    এসএফ 

    কুষ্টিয়া সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ জনের মৃত্যু

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে  ২ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরো একজন।

    শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাগোয়ান মধ্যে পাড়া গ্রামের মোশারফ হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- ওই এলাকার হারান বিশ্বাসের ছেলে লিটন হোসেন (৩০) ও ইয়ারুল হোসেনের ছেলে রাজন হোসেন (৩০)।

    জানা গেছে, সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে লিটন হোসেনর মৃত্যু হয়। এ সময় লিটনকে উদ্ধার করতে নেমে রাজন হোসেন নামের এক প্রতিবেশীর মৃত্যু হয়। এদিকে রাজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার ছোট ভাই মিজান হোসেন (১৮) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ও ফায়ারসার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

    অসুস্থ মিজান বলেন, সকালে বাড়ির পাশে মোশারফ হোসের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে লিটন হোসেন নামের ওই শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে আমার ভাই উদ্ধার করতে নামে। পরে আমার ভাইয়েরও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। সে সময় আমি ভাইকে উদ্ধার করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আমি এখন একটু সুস্থ।

    মথুরাপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার কবির মিন্টু বলেন, সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন।

    দৌলতপুর থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার এক যুবক অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

    এইচএ

    বাগেরহাটে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১২

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে যাত্রীবাহী দুটি বাসের সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় উভয় বাসের ১২ যাত্রী আহত হয়েছেন। 


    শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শ্রীধর গাঙ্গুলী (৪৫) গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ার দেবগ্রামের গিন গাঙ্গুলীর ছেলে। 


    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নুরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 


    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ওসি শেখ নুরুজ্জামান বলেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী দোলা পরিবহন ফকিরহাটের ফলতিতা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক দিয়ে আসা বেনাপোলগামী যাত্রীবাহী রাজিব পরিবহনের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে দোলা পরিবহন সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় রাজিব পরিবহনের যাত্রী শীধর গাঙ্গুলী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় উভয় বাসের ১২ জন যাত্রী কম-বেশি আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। 


    ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে ঘটনার পর দুই বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। পরিবহন দুটি জব্দ করা হয়েছে।

    এআই 

    যশোরে মাটি চাপা দেয়া এক বিধবার লাশ উদ্ধার,আটক ৩

    যশোরে সোনাবানু (৪০) নামে এক বিধবাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মাটি চাপা দেয়া হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের সন্ন্যাসী বটতলা গ্রামে। শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে সন্ন্যাসী বটতলা গ্রামের একটি বাগানের ভিতর থেকে মাটি খুঁড়ে ওই বিধবার মরদেহটি উদ্ধার করে যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করেছে।

     

    নিহত বিধবার স্বজনরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন সোনাবানু। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শুক্রবার দুপুরে নিহতের বাড়ির কিছু দূরে একটি বাগানের ভিতর ছড়ানো ছিটানো মাটি দেখতে পান স্বজনরা। এরপর পুলিশে সংবাদ দিলে পুলিশ এসে মাটি খুঁড়ে একটি ছোট গর্ত থেকে সোনাবানুর মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহের গলায় ওড়না পেঁচানো ছিলো। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। 


    নিহতের স্বজনদের দাবি, সোনাবানু স্বামী মারা যাবার পর এক সন্তান নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেই স্বামীর আগের ঘরের স্ত্রী সন্তান ছিলো। দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে সোনাবানুর আরও দুটি সন্তান হয়। দ্বিতীয় স্বামীও মারা যাওয়ার পর সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে নিজ ছেলে ও সতীনের ছেলের সাথে বিরোধ শুরু হয়। ওই জমির বিরোধ নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।


     এ বিষয়ে যশোর কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এলাকার আরিফ হোসেন ও তার স্ত্রী ইভাসহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুত রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি। 

    এবি

    মোটরসাইকেলের ট্যাংকির ভেতর ফেনসিডিল বহন, আটক ১

    কুষ্টিয়ায় মেহেরপুর থেকে গোপালগঞ্জে অভিনব কায়দায় ২৫ বোতল ফেনসিডিল বহনের সময় এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।


    শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের নওদাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইনায়েত মোল্লা (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

    আটককৃত আসামি গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার মৌলভী বাহারা গ্রামের আলিম মোল্লার ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী সড়কে মোটরসাইকেল যোগে মাদকের একটি চালান আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর থানা পুলিশ নওদাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করে। চেকপোস্ট পরিচালনার একপর্যায়ে বিকেল চারটার সময় একটি এপাচি আরটিআর গাড়িকে গতিরোধ করে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশীর এক পর্যায়ে তেলের টাংকির ভেতর তৈরি করা আলাদা একটি প্রকোষ্ঠের মধ্যে থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল ও আপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। 


    এ সময় আসামির কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামি মেহেরপুরের গাংনি হতে গোপালগঞ্জের মকসুদপুরে ফেনসিডিল নিয়ে যাচ্ছিল। 


    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মিরপুর থানার ওসি মোস্তফা হাবিবুল্লাহ পিপিএম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর থানার এসআই দীপন কুমার এবং এএসআই শাজাহান সঙ্গীয় ফোর্সের বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা কালে আসামিকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল ও আপাচি আরটিআর মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় মিরপুর থানায় মাদক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এআই 

    যশোরে স্বাচিপের ৯ জেলার সম্মেলন আজ, আসছে নতুন নেতৃত্ব

    যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ৯ জেলার স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায়। 

    সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। প্রথমবারের মতো এই সম্মেলনকে ঘিরে চিকিৎসকদের মধ্যে তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। সম্মেলনে সকলের মতামতে নতুন নেতৃত্ব মনোনীত করা হবে। স্বাচিপের যশোর জেলা শাখায় সভাপতি ও সম্পাদক পদে ৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 


    সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি জানিয়েছে, সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) যশোরের বর্তমান সভাপতি ডা. একে এম কামরুল ইসলাম বেনু, সাধারণ সম্পাদক ডা. এম এ বাশার,  স্বাচিপের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা. ইয়াকুব আলী মোল্যা এবং বিএমএ’র সহ সভাপতি ও স্বাচিপের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ডা. নাসিম রেজা। 


    এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা ৫ প্রার্থী হলেন- বিএমএ’র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদ স্বাচিপের কার্যকরী সদস্য ডা. মাহমুদুল হাসান পান্নু, বিএমএ’র দপ্তর সম্পাদক ও স্বাচিপের সদস্য সচিব ডা. গোলাম মোর্তুজা, বিএমএ’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বাচিপের আহবায়ক কমিটির কার্যকরী সদস্য ডা. তৌহিদুল ইসলাম, বিএমএ, কোষাধ্যক্ষ স্বাচিপ কার্যকরী সদস্য ডা. ওয়াহিদুজ্জামান ডিটু ও স্বাচিপের আজীবন সদস্য ও বিএমএ’র সেন্ট্রাল কাউন্সিলর ডা. ফয়সাল কাদির শাওন। সকলের সম্মতিতে মনোনীত হওয়ার ব্যাপারে সকল প্রার্থী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


    সভাপতি প্রার্থী ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকদের সুখে দুখে পাশে রয়েছেন। সংগঠনের উন্নয়নে এখনো নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। চিকিৎসক সমাজের বড় অংশ তার সাথে রয়েছেন। ফলে সম্মেলনে তাকে সভাপতি হিসেবে তাকে মনোনীত করা হতে পারে।


    ডা. ইয়াকুব আলী মোল্যা জানান, তিনি একজন মক্তিযোদ্ধা ও  প্রবীন চিকিৎসক হিসেবে চিকিৎসক সমাজে তার যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন স্বাচিপের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে। তিনি সর্বদা চিকিৎসকদের সাথে ছিলেন আর আগামীতেও থাকবেন। ফলে সকলের মতামতে তিনি সভাপতি হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।  


    ডা. এম এ বাশার জানান, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। চিকিৎসকদের দাবি আদায়ে সোচ্চার থেকেছেন। আশা করছি সম্মেলনে তাকে সভাপতি পদে মনোনীত করা হবে।


    ডা. নাসিম রেজা জানান, একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক হিসেবে তাকে সভাপতি পদে মনোনীত করা হতে পারে। বিগত দিনে বিভিন্ন পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।


    সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ডা. মাহমুদুল হাসান পান্নু জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের অধিকার ও জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষে স্বাচিপের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে সুখে-দুখে চিকিৎসক সমাজের পাশে থাকবেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবেন। সংগঠনের উন্নয়নে নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন। এছাড়া চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দাবি আদায়ে জোরালো ভূমিকা রাখবেন।


    ডা. গোলাম মোর্তুজা জানান, তিনি এবারের স্বাচিবের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বাচিপ যশোরের সদস্য সচিব হিসেবে ৩ বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যা যশোরের চিকিৎসক মহলে প্রশংসা পেয়েছে। আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।


    ডা. তৌহিদুল ইসলাম জানান, একজন সিনিয়র চিকিৎসক হিসেবে সিংহভাগ চিকিৎসক তার সাথে রয়েছেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।


    ডা.ওয়াহিদুজ্জামান ডিটু জানান, চিকিৎসক সংগঠনের উন্নয়নে তিনি সর্বদা সোচ্চার। যশোর স্বাচিপকে ঢেলে সাজাতে তিনি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন। মনোনীত হলে সংগঠনের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন।


    ডা. ফয়সাল কাদির শাওন জানান, স্বাচিপের কার্যক্রমে গতি আনতে ও বজায় রাখতে তরুণ ও সাহসী মানুষকেই নেতৃত্বে প্রয়োজন। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সংকল্পে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। বঙ্গুবন্ধুর একজন  আদর্শিক, অগ্রগামী সৈনিক হিসেবে তাকে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করার দাবি করেছেন। তিনি মনোনীত হলে সংগঠনের উন্নয়ন ও চিকিৎসকদের সুবিধায় কাজ করে যাবেন।


    এদিকে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক জানিয়েছেন, যশোরে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ সংগঠনের আর্তপ্রকাশের পর এটাই হবে প্রথম সম্মেলন। এর আগে সিলেকশনে কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বাচিপ যশোরের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটির সভাপতি ছিলেন ডা. সালাউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু। 


    প্রথমবারের মতো সম্মেলন সফল করতে চিকিৎসকদের মধ্যে তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। সম্মেলনে প্রধান বক্তা থাকবেন স্বাচিপের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি থাকবেন স্বাচিপ, কেন্দ্রীয় পরিষদের মহাসচিব ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম মিলন। সম্মানিত অতিথি  থাকবেন যশোর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ডা. তৌহিদুজ্জামান, মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব ডা. আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক। সভাপতিত্ব করবেন ডা. এম এ বাশার। সঞ্চালনা করবেন  ডা. গোলাম মোর্তুজা।

    এআই 

    কুমিল্লায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে আহত করলো দুর্বৃত্তরা

    কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম সবুজকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। 


    শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে কুমিল্লা নগরীর রাণীর দিঘিরপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। 


    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লোকমান হোসেন রুবেল। 


    রুবেল জানান, কুমিল্লা নগরীর রাণীর দিঘিরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন সবুজ। শনিবার সকালে রাণীর দিঘীরপাড়ে বসে ছিল সে। পরে, কয়েকজন দুর্বৃত্ত অস্ত্রসহ এসে সবুজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগীতায় কুমিল্লা মেডিকেলে নেওয়া হয়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সবুজকে ঢাকা নেওয়া হয়। 


    এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতওয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা ঘটনা শুনামাত্রই সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে জড়িতদের বের করতে আমরা কাজ করছি। 

    এআই 

    মেঘনায় মিলল অজ্ঞাত যুবকের লাশ

    নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদী থেকে এক অজ্ঞাত (৩২) যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। তবে অর্ধগলিত হওয়ায় লাশটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।


    শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর কূল থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়।


    হাতিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।


    তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগ রাতে জোয়ারের সাথে লাশটি উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর কূলে ভেসে আসে। সকালে স্থানীয় লোকজন নদীর কূলে গেলে লাশটি উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখে। পরে খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। 


    তবে তাৎক্ষণিক উদ্ধার হওয়া লাশের কোনো পরিচয় জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি ভাসমান। জোয়ারের পানিতে এখানে ভেসে আসে। শরীর পঁচে ফুলে যাওয়ায় চেহারা চেনা যাচ্ছেনা।

    এআই 

    ফেনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

    ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. রিয়াদ গাছু (১৮) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুলাই) উপজেলার গোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

    রিয়াদ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শিংগা গ্রামের মো. নয়ন গাছুর বড় ছেলে। তিনি পিএইচপি স্টিল মিলের নির্মাণশ্রমিক। 


    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে রিয়াদ স্থানীয় পিএইচপি স্টিল মিলে নির্মাণাধীন ভবনের কলামে জমে থাকা পানি সেচ করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 


    স্টিল মিলের শ্রমিক মো. জিসান (২৫) বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে পিএইচপি কারখানার নির্মাণাধীন একটি ভবনের কলামে জমে থাকা পানি সেচ করতে যায় রিয়াদ। পানির পাম্প কলামের মধ্যে রেখে সুইচ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতায়িত হন রিয়াদ। দূর থেকে দেখতে পেয়ে আমরা ছুটে যাই। পরে সুইচ বন্ধ করে তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে তার মৃত্যু হয়।’ 


    আপেল মিয়া (৩২) নামে আরেক শ্রমিক বলেন, ‘রিয়াদ এসএসসি পরীক্ষার পর গত এক মাস ধরে প্রতিদিন ৫০০ টাকা মজুরিতে কন্ট্রাক্টরের অধীনে কাজ শুরু করেন। তার মৃত্যুর খবর জেনে তার বাবা নয়ন গাছুও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।’ 


    পিএইচপি স্টিল মিলের হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা নুরুল আমিন বলেন, ‘গত এক মাস ধরে রিয়াদ এখানে কাজ করছেন। সকাল সোয়া ৮টার দিকে প্রকৌশলী মোর্শেদ ফোনে ঘটনাটি বলেন। তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দিই।’ 


    কারখানার লেবার সাব কন্টাক্টর নুরুল আবছার বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন শ্রমিক কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় আহত বা মৃত্যু বরণ করলে কোম্পানির আইন অনুযায়ী যতটুকু সহযোগিতা করা যায় রিয়াদের পরিবারও সে সহযোগিতা পাবে। আপাতত তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে।’ 


    ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান ইমাম বলেন, ‘বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি অবগত হয়েছি। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে আমাদের তদন্ত চলছে। নিহতের মরদেহ ফেনী হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’

    এআই 

    ৩৬ বছর ইমামতির পর বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইমামের রাজকীয় বিদায়

    এক মসজিদে টানা ৩৬ বছর দায়িত্ব পালনের পর ইমামকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজকীয় বিদায় জানানো হয়েছে। এ সময় অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে তাকে পেনশন হিসেবে সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়ে বিরল সম্মননা জানানো হয়। বিদায় বেলায় ইমামকে সম্মানিত করার এমন উদ্যোগের কারণে প্রশংসায় ভাসছেন প্রাক্তন ছাত্রসহ আয়োজকরা।


    শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে ইমামের সম্মানে এ বিরল বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদায়লগ্নে উপস্থিত হাজারো মুসল্লিসহ তাঁর ছাত্ররা আপ্লুত হয়ে পড়েন। ব্যতিক্রমী ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া এলাকায়। বিদায়ী ইমাম মাওলানা নুরুল হক পেকুয়া উপজেলার টেইটংয়ের বাসিন্দা। 


    এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালের দিকে মাওলানা নুরুল হককে মসজিদটিতে ইমামতির দায়িত্ব দেন। এরপর কেটে যায় প্রায় ৩৬ বছর। এ সময়ে তার উদ্যোগে মসজিদটিতে নানা সংস্কার হয়। পাশাপাশি খরুলিয়া তালিমুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। এছাড়া খরুলিয়া নূরানী এন্ড ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রতিষ্টা করতে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন। প্রিয় ইমামকে বিদায় জানাতে গ্রামবাসীসহ তাঁর ছাত্ররা ওই মসজিদে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। 


    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় বছর দুয়েক আগে ইমাম নুরুল হককে বাধ্যতামূলক অবশরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন মসজিদ কমিটি। জীবনের বেশির ভাগ সময় মসজিদটিতে কাটিয়ে দেওয়া ইমামকে হঠাৎ চারকিচ্যুত করার বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি ওই ইমামের ছাত্রসহ সাধারণ মুসল্লিরা। এসময় ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। পরে নানা অন্দোলন ও তোপের মুখে পড়ে এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হন মসজিদ কমিটি। বছরখানেক পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। পরে তাঁর প্রাক্তন ছাত্রসহ সাধারণ মুসল্লিদের উদ্যোগে ইমামকে বর্ণাঢ্য আয়োজন করেন।


    কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে ও ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মিজানুল কবিরের পরিচালনায় ইমাম নুরুল হকের কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য দেন ব্যাংকার আনিসুল কবির, ইঞ্জিনিয়ার কায়ছার উদ্দিন, মোশারফফ হোসাইন, সমাজকর্মী জাহাঙ্গীর আলম শামস, ব্যবসায়ী আজিম খান, শিক্ষক আলতাব হোসাইন, সিরাজুল হক নিজামী, শিক্ষক আব্দুল্লাহ, মসজিদ কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আজিজ, মাষ্টার গোলাম কবির, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম, ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ, ইউপি সদস্য শরীফ উদ্দিন, সিঙ্গার রহিম, মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মুস্তফা কামাল, মৌলানা আমিনুল হক, ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমূখ। খরুলিয়া কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মোহাম্মদ হাসান বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


    এসময় মুসল্লিরা বলেন, আমরা নামাজ কালাম শেখাসহ সামাজিক যাবতীয় সমস্যায় হুজুরের কাছ থেকে সমাধান নিতাম। হুজুর অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি আমাদের এলাকার জন্য একজন অনুসরণীয় ব্যক্তি হয়ে থাকবেন। বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে আমাদের কাছ থেকে আজ বিদায় নিচ্ছেন যা আমরা মেনে নিতে পারছি না। শেষে মুসল্লিসহ ইমামকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। 


    স্থানীয় সমাজ কর্মী জিয়াউল হক জিয়া, আনিসুল কবির, শরিয়ত উল্লাহ, ফয়সাল মাহমুদসহ শত শত যুবক বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য বেদনার। কেননা আত্মার আত্মীয়কে বিদায় দিচ্ছি, যিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর দ্বিনি শিক্ষায় আমাদের আলোকিত করেছেন।


    ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মিজানুল কবির বলেন, কক্সবাজার সদরে ইমামের এমন রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা এই প্রথম। এর আগে কখনো উপজেলায় এমনভাবে কোনো ইমামকে বিদায় দেওয়া হয়নি। ইমাম সমাজের নেতা। নেতাকে রাজকীয়ভাবে বিদায় দিতে পেরে আমরা স্বস্তি পেয়েছি।


    বিদায়ী ইমাম নুরুল হক বলেন, ১৯৮৯ সাল থেকে এই মসজিদে ইমামতি করে আসছি। ৩৬ বছরের বিদায় বেলাতে এত ভালোবাসা ও সম্মান দেওয়ায় আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। এসময় চোখে ছিল পানি, তবুও স্নিগ্ধ হাসি দিয়ে গ্রামবাসীর কাছে বিদায় নেন। বিদায় বেলায় তিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়া এবং ঈমান ও আমলের ওপর সবাইকে জীবন পরিচালিত করার আহ্বান জানান।

    এআই 

    চৌদ্দগ্রামে ডিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা জব্দ, গ্রেফতার ৩

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাবুর্চি বাজার এলাকা হতে ৬০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


    শনিবার (১৩ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রাজেশ বড়ুয়া।


    গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কমলপুর গ্রামের সেলিম মুন্সির ছেলে আশিকুল ইসলাম মুরাদ (১৯), চান্দিশকরা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে নাঈম হোসেন (২০), লক্ষীপুর গ্রামের হাজী এনামুল হকের ছেলে সাঈদ আব্দুল্লাহ আল সাহাব সিয়াম (১৯)।

    ওসি রাজেশ জানান, শুক্রবার রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার বাবুর্চি বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহাসড়কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।


    ওসি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যহত থাকবে। মাদক চোরাকারবারীদের ধরতে আমরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। 

    এআই 

    ‘মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো যাবে না’

    মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মেহেদী হাসান বলেছেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক বিবেচনা করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে বাধা না দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু তারা ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে মূল সড়কেও চলে আসছেন।

    শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মেহেদী হাসান অটোরিকশা সম্পর্কে ডিএমপির পরিকল্পনার কথা জানান।


    মেহেদী হাসান বলেন, মিরপুর রোডে, ভিআইপি সড়কে, প্রগতি সরণি সড়কে অটোরিকশা বা ব্যাটারিচালিত কোনো যানবাহন বা কম গতির যানবাহন চলবে না। এক্ষেত্রে সমন্বয়ে আইন প্রয়োগের কাজটি সমানতালে করে যাচ্ছি।


    ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের অনেকাংশে ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করেছি। কিছু কিছু জায়গায় উঠিয়ে দেয়ার পরও বসছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে পর্যাপ্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ফুটপাত শুধু পথচারী জনসাধারণের চলাচল বা হাঁটার জন্য, অন্য কিছুর জন্য নয়। আমরা যখনই খবর পাচ্ছি ব্যবস্থা নিচ্ছি।


    আরইউ

    বাসা থেকে দেড় কোটি টাকা চুরি, ৪ দিন পর জানা গেল মেয়েই চোর

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে চুরি হলো ব্যবসায়ীর দেড় কোটি টাকারও বেশি। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছিলেন তিনি। মামলা দায়েরের চার দিনের মাথায় পুলিশ জানতে পারে, ওই টাকা চুরির সঙ্গে জড়িত তার একমাত্র মেয়ে।

    ওই ব্যবসায়ীর নাম আবদুল হামিদ। তিনি পেশায় ঠিকাদার। এই ঘটনায় ৮ জুলাই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ব্যবসায়ীর মেয়ে মিনা হামিদ ও মেয়ের জামাই সাকিবুল হাসান।

    আবদুল হামিদ ঈদুল আজহার দুই দিন আগে সপরিবার ভোলায় গ্রামের বাড়িতে যান। ঈদ উদ্‌যাপন শেষে গত ২০ জুন ঢাকার বাসায় ফেরার ১১ দিনের মাথায় তিনি বাসায় টাকা রাখার সিন্দুক খুলে দেখতে পান, তাঁর ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা নেই। বাসায় সবাইকে টাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার কথা কেউ-ই স্বীকার করেননি। পরে হামিদ ৪ জুলাই মেয়ে মিনাকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে চুরির মামলা করেন।


    এ ঘটনায় মেয়েকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে জানান,  তিনি বার-অ্যাট ল’ পড়ছেন। পরিবারের কাউকে না জানিয়ে গত বছর রাজধানীর তিতুমীর কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস সাকিবুলকে বিয়ে করেন। তাদের বিয়ে পরিবার মানবে না। এ কারণে তিনি বাবার সিন্দুক থেকে টাকা নিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল, বাসা থেকে কাউকে না বলে সাকিবুলের সঙ্গে সংসার শুরু করবেন।

    পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায়ীর মেয়ের স্বামীকে গ্রেপ্তার করে এবং তার কাছ থেকে চুরির ৯০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, বাসার সব সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্যবসায়ী আবদুল হামিদের একমাত্র মেয়ে মিনা হামিদকে সন্দেহ হয়। টানা চার দিন বাসায় গিয়ে পুলিশ নানা কৌশলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে মিনা পুলিশের কাছে স্বীকার করেন


    মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুল হক ভূঞা বলেন, ব্যবসায়ী আবদুল হামিদের বাসার দরজা কিংবা সিন্দুকের তালা ভাঙা হয়নি, অথচ সিন্দুক থেকে টাকা চুরি হয়েছে। প্রথমেই আমরা ধরে নিই, বাসার কোনো লোক এই টাকা চুরির সঙ্গে জড়িত। জিজ্ঞাসাবাদে তারা টাকা চুরির কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।


    আরইউ

    আমি কোন দুর্নীতি করিনি, বললেন সেই মতিউরের স্ত্রী

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অপসারিত সদস্য মতিউর রহমানের প্রথম স্ত্রী নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ লাকী বলেছেন, আমি সরকারি চাকরি করেছি। কোনো অন্যায় করিনি। আমি আমার পথে এগিয়েছি। আমি রায়পুরা-নরসিংদীসহ বাংলাদেশে কোথাও কোনো দুর্নীতি করিনি।


    শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের বাঙালিনগর মাঠে আয়োজিত ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


    লাকী বলেন, আমি যদি দুর্নীতি করে থাকি তাহলে আইন আছে। আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। আইনের মাধ্যমে আমার বিচার হবে। তাছাড়া আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। গণঅভ্যুত্থানের নেত্রী ছিলাম। আমি নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।


    তিনি বলেন, এর আগে মহিলা আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য পদে ছিলাম। হুট করে রায়পুরা এসে রাজনীতি করিনি। আমি কোনো কিছুর বিনিময়ে বা কারো কাছে ভিক্ষা চেয়ে জেলা আওয়ামী লীগে পদ পাইনি।


    এর আগে, ১২ লাখ টাকার ছাগল বুকিং দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোপের মুখে পড়েন মুশফিকুর রহমান ইফাত। আয়ের উৎস অনুসন্ধানে গিয়ে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। খুলে যায় এক সাধারণ এনবিআর কর্মকর্তার অসাধারণ দুর্নীতির মুখোশ। এক ছাগল কেড়ে নিয়েছে মতিউরের দুই পরিবারের হাসি।


    নিজের ছেলে নয় সতিনের ছেলের ছাগলকাণ্ডে বেকায়দায় পড়েছেন নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ লাকী। এ ঘটনায় স্বামী মতিউরের সঙ্গে লাকীর বেড়েছে দূরত্ব, সম্পর্কে ধরেছে ফাটল। দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করলেও অবশেষে শুভাকাঙ্ক্ষিদের পরামর্শে আসলেন প্রকাশ্যে।


    তিতুমীর কলেজের একজন সাধারণ শিক্ষক থেকে রাতারাতি রাজনীতির মাঠে নেমে সাড়া ফেলে দেন লাকী। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন রায়পুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। নেতার সঙ্গে সম্পর্কের পাশাপাশি স্বামী মতিউরের অবৈধ টাকার জোরেই রাজনীতির ময়দানে তিনি জায়গা করে নেন বলেই মনে করেন নরসিংদীর মানুষ।

    এআই 

    নিকলী বেড়িবাঁধে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

    কিশোরগঞ্জের নিকলী বেড়িবাঁধ হাওর এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সাগরের মতো থইথই জলরাশির অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগে চলছে হাজারো পর্যটকের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। এতে খুশি স্থানীয় পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীসহ ট্রলার ও নৌকার মাঝিরা। 

    কিশোরগঞ্জের হাওর-অধ্যুষিত চার উপজেলা হলো নিকলী, মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম। এর মধ্যে একমাত্র নিকলী সদরের সঙ্গে ঢাকা ও জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। অন্য তিন উপজেলায় যাতায়াতের এক মাত্র মাধ্যম হলো ইঞ্জিনচালিত নৌকা কিংবা লঞ্চ।

    জানা গেছে, ২০০০ সালে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা সদরকে বর্ষার প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবল থেকে রক্ষায় সরকার পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ তৈরি করে। একই সময় ভাঙন প্রবণ উপজেলার ছাতিরচর গ্রাম রক্ষায় রোপণ করা হয় হাজারো করচগাছ। দৃষ্টিনন্দন দীর্ঘ বেড়িবাঁধ, ভাসমান পানিসহিষ্ণু করচবন এবং সাগরের ন্যায় বর্ষার দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি ‌‌পর্যটকদের মন কাড়ে। এ হাওর জলাভূমির ভিডিও গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে তিন-চার বছর ধরে ভ্রমণবিলাসী ও সৌন্দর্য প্রেমিকদের ঢল নামে এই হাওর এলাকায়।

    গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে নিকলীর বেড়িবাঁধ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে পানিতে থৈ থৈ করছে। যেদিকেই চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। নতুন পানির ঢেউয়ে গর্জে উঠে যৌবনের তরঙ্গ। তবে ছুটির দিনগুলো শুক্র শনিবার নিকলীর বেড়িবাঁধ এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঘুরতে আসছে হাজার হাজার পর্যটক। হাওরের বিশাল বুকে নৌকা স্পিটবোট নিয়ে আনন্দ ভ্রমণে মানুষের ঢল। কেউবা চাঁদনী রাতে নৌকা নিয়ে হাওরে রাত যাপন করছেন আবার অনেকেই চাঁদনী রাত দেখতে নিকলীর আবাসিক হোটেলগুলোতে রাতে অবস্থান করেন। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই বর্ষায় পর্যটকদের আগমন ঘটে নিকলী হাওরে। তারই সুবাদে উপজেলার কয়েক হাজার মাঝিসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের জীবনমানেরও উন্নয়ন ঘটছে।

    মিরপুর শেওড়াপাড়ায় থেকে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে আসা মিতু আক্তার বলেন, ‘পরিবারে সঙ্গে নিকলী হাওরে ঘুরতে এসেছি। ট্রলারে করে হাওর ঘুরলাম। অনেক আনন্দ পেয়েছি। পরিবেশটাও বেশ ভালো লেগেছে। তবে হাওড়ে ঘুরতে আসা মানুষদের জন্য নিরাপত্তা আরও বাড়াতে হবে।

    জেলা শহর থেকে আসা আবিদ হাসান ইফাত মোল্লা বলেন, হাওরের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এখানে আসলে যতই মন খারাপ থাকুক না কেন, মন ভালো হতে বাধ্য। তবে এখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা ভালো না থাকায় সন্ধ্যার পর বা রাতে অনেকেই ছিনতাইকারীর কবলে পড়ছেন। হাওর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করছি।

    নিকলীর ট্রলারচালক আলামিন হোসেন বলেন, এ বছর হাওরে পানি হওয়াতে আমরা নৌকা ও ট্রলার চালকরা খুশি ইতোমধ্যে পর্যটক আসতে শুরু হয়েছে। এখানে অতিরিক্ত নৌকা ভাড়া নেয়া হয় এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এটি সঠিক নয়। আমাদের সমিতির নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া কেউ আদায় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আল-আমিন বলেন, হাজার হাজার পর্যটক এসেছে যার জন্য করগাঁও থেকে নিকলী পর্যন্ত প্রচুর যানজট। পর্যটক দেখে আমরা খুবই আনন্দিত। পর্যটকদের জন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করি যেন তারা হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে। 

    নিকলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, নিকলীর হাওরের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে প্রচুর পর্যটক আসছেন। বেড়িবাঁধ এলাকায় সিভিল ও পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিচ্ছেন। নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ভ্রমণের জন্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব ধরনের সুবিধা পুলিশের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের দেওয়া হচ্ছে।’

    এইচএ

    ঘাটাইলে তুচ্ছ ঘটনায় পুকুরে বিষ দিয়ে ৮ লাখ টাকার মাছ নিধন

    টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাসা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিষ দিয়ে ৮ লাখ টাকার মাছ নিধন করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করলে ওইদিনই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। 


    স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের পোড়াবাসা গ্রামের মৎসচাষি পাভল ভূইয়া সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। প্রায় পাঁচ বছর প্রবাসে থেকে তেমন একটা সুবিধা করতে না পেরে দেশে এসে স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। সেই সুবাদে প্রায় দুই বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করছেন পাভেল। মৎস্য খামারটি বাবা-ছেলে মিলে দেখাশুনা করেন এবং এই মাছ চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করে আসতেছিলেন। 


    প্রতিদিনের মতো গত মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) সন্ধ্যায় মাছের খাবার দিয়ে মৎস্য খামার থেকে বাড়ি চলে আসেন। কিন্তু  পরদিন সকালে পুকুর পাড়ে গিয়ে তার  মাছগুলো মরে ভেসে উঠতে দেখে হতবাক হয়ে যান। তার প্রজেক্টের পুকুরে কার্প, গ্লাস কার্প, সরপুঁটি, কাতল, রুই, ব্রিগেড, সিলভার কার্প, পাঙ্গাস ও শিংসহ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৮০ মণ মাছ মারা গেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় আট লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন মৎসচাষি পাভেল ভূইয়া। 


    পাভেল ভূইয়া বলেন, প্রতিবেশী প্রবাসী ও মৃত আব্দুল বাছেদ মিয়ার ছেলে আজমত আলীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাতে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদান করেন। তার নির্দেশ ছোট ভাই আজগর আলী মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময় মাছের ওই পুকুরে বিষ জাতীয় কিছু প্রয়োগ করে। বুধবার  সকালে পুকুরে মরা মাছ ভেসে উঠা দেখে আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই ক্ষতি করেছে আমার। 


    তিনি বলেন, ঋণের টাকা নিয়ে মাছ চাষ করতেছিলাম। তারা  আমাকে রাস্তায় নামিয়ে দিলো। আমি আজগর ও আজমতকে অভিযুক্ত করে ঘাটাইল থানায় লিখিত  অভিযোগ দিয়েছি।  সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


    স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: শফিকুল ইসলাম জানান, মানুষের মধ্যে শত্রুতা দেখেছি। কিন্তু মাছের সঙ্গে শত্রুতা করে এমন ঘটনা আমাদের এলাকায় প্রথম দেখলাম।  এলাকাবাসীর খবর পেয়ে সকালে এসে দেখি পুকুরের মাছগুলো মরে ভেসে আছে। যারা এ কাজ করেছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। 


    এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার আওতাধীন ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সুলতান উদ্দিন খান সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পরই তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

    বরগুনায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

    বরগুনার তালতলীতে ত্রাণ ও সরকারি পাট মেলায় কাজ পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে জাকির হোসেন মাসুদ (৪২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


    বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) রাতে তালতলী থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওয়ারেজ তালুকদা। 


    এর আগে প্রতারণার শিকার একাধিক ব্যক্তি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে অবগত করে। পরে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা প্রতারক জাকির হোসেন মাসুদকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।


    গ্রেপ্তার হওয়া জাকির হোসেন মাসুদ নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের আবুল হোসেনের ছেলে।


    মামলা সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৯ জুলাই থেকে ৭ দিন ব্যাপী তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সরকারিভাবে পাট মেলার আয়োজন করার প্রলোভন দেখায় জাকির হোসেন মাসুদ। মেলা মাঠে কাঁদা থাকায় ইট বিছানোর কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শহরের হোটেল ব্যবসায়ী ওয়ারেজ তালুকদারের কাছ থেকে ৫ হাজার ৫শ' টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়াও ডেকারেটর ব্যবসায়ী রাহাত মৃধাকে সেলাই মেশিন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১ হাজার ৫শ' টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি তালতলী শহরের একাধিক ডেকারেটর ও হোটেল ব্যবসায়ীদের খাবার অর্ডার, মঞ্চসহ নানান ধরনের কাজ পায়িয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসছিলেন। এ সময় ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হলে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে অবগত করে। পরে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা প্রতারক জাকির হোসেন মাসুদকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।


    তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রণজিৎ কুমার সরকার বলেন, প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার জাকির হোসেন মাসুদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    এআই 
    নাজিরপুরে খালের বর্জ্য অপসারন ও দখলমুক্ত করতে প্রশাসন সাংবাদিক ও সুধীদের সাথে মতবিনিময়

    পিরোজপুরের নাজিরপুরে উপজেলা সদরের প্রধান খাল সহ বিভিন্ন খালের বর্জ্য অপসারন ও খাল সহ জলাধারের অবৈধ দখলমুক্ত করতে উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা সহ সাংবাদিক ও সুধীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


    বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কৃষি প্রশিক্ষন হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহীন। বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. মশিউর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন মিয়া, জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, প্রেসক্লাব সভাপতি আকরাম আলী ডাকুয়া সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।


    উল্লেখ্য, উপজেলা সদরের প্রধান খাল দখল করে অবৈধভাবে ভবন নির্মান করে খাল ছোট করে ফেলা সহ সেখানে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নোংরা করে ফেলেছে। এতে স্থানীয়দের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন খাল ও জলাশয়ের সরকারী জমি দখল করা হয়েছে। এমন বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের উদ্যোগে এ কর্মসূচী নেয়া হয়েছে।

    এসএফ 

    আমতলীতে ভ্রাম্যমান আদালতের আভিযানে পলিথিন জব্দ

    বরগুনার আমতলীতে ১১ জুলাই দুপুরে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তারেক হাসান। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ও  বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর ধারায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা ও ১২ কেজি পলিথিন জব্দ করেন।



    আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তারেক হাসান বলেন, ৭টি মামলায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা ও ১২ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

    এসএফ

    বরগুনায় স্কুলব্যাগে মিলল গাঁজা, গ্রেপ্তার ১

    বরগুনা পৌর এলাকায় স্কুলব্যাগে পাওয়া গেলে এক কেজি গাঁজা। ব্যাগ পরিবহনকারী মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


    বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বরগুনা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুপার মার্কেটের পেছনে জেলা মাইক্রোবাসচালক শ্রমিক ইউনিয়নের অফিসের উত্তর পাশের পাকা রাস্তা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


    গ্রেপ্তার মাদককারবারির হলেন- মো. ফয়সাল প্যাদা (২০)। বরগুনা সদর উপজেলার এম, বালিয়াতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চাড়াভাঙ্গা গ্রামের গ্রামের মো. সেলিম প্যাদার ছেলে তিনি।


    বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি বশির আলম বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে সদর থানা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

    এআই 
    পাথরঘাটায় ঝুঁকিপূর্ণ ১৬টি সেতু, আতঙ্কে এলাকাবাসী

    বরগুনার পাথরঘাটায় ১৬ টি সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন প্রায় কয়েক লাখ মানুষ। সংস্কারের অভাবে পাথরঘাটার  বিভিন্ন এলাকায় নির্মিত ৫০ টি লোহার সেতু ও ১৫ টি পাকা সেতু। এর মধ্যে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে রয়েছে লোহার ১৬ টি সেতু। এর মধ্যে বেশকিছু সেতু ভেঙে খালে পড়ে আছে। এসব এলাকা দিয়ে চলাচল করতে ভোগান্তিতে পড়ছে পথচারীরা। 

    পাথরঘাটা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাথরঘাটা উপজেলার মধ্যে লোহা ও পাকা মোট সেতু রয়েছে ৬৫ টি। এর মধ্যে সেতুগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না করার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে রয়েছে ১৬ টি সেতু। তাদের তথ্য অনুসারে এই সকল সেতু ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে।

    স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানায়, যেকোনো সময় এই সকল ব্রিজে বরগুনার হলদিয়া হাট ব্রিজের মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে । গত ২২ জুন হলদিয়া হাট আয়রন ব্রিজ ধসে মাইক্রোবাসসহ খালে পড়ে ৯ জন মারা যায়। এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেজন্য আতঙ্ক বিরাজ করছে তাদের  মধ্যে। এই সকল সেতু দ্রুত নির্মাণের দাবি জানান তারা । 

    স্থানীয়রা আরও জানায়, অধিকাংশ সেতুতে নেই ঝুঁকিপূর্ণ লেখা নোটিশ বোর্ড । 

    কাঠালতলীর ইয়াসিন বলেন, নির্মাণের পর থেকে  একবারের জন্যও সংস্কার করা হয়নি সেতুটি। এ কারণে সেতুটির একপাশ ডেবে যাওয়ার পাশাপাশি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে লোহার অ্যাঙ্গেল। বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে লোহার খুঁটিও। যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষ হাঁটলেও ঝাঁকুনি দেয় সেতুটিতে। তারপরও বিকল্প পথ না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই সেতু পার হচ্ছে মানুষ ও যানবাহন। 

    চরদুয়ানীর জামান বলেন, এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে রোগী পার করতে আমাদের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, হয় সেতুটি সরিয়ে ফেলুক আর না হয় দ্রুত সংস্কার করুক। এই সকল সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা পারাপার হয়। এই সকল সেতু চলাচলের জন্য উপজেলা নির্বাচনের সময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা কাঠ দিয়ে মেরামত করে দিয়েছে কিন্তু অতি বৃষ্টি হওয়ার কারণে আবার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। 

    এ বিষয়ে পাথরঘাটা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, এ পর্যন্ত উপজেলায় ১৬ টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর তালিকা করা হয়েছে। এগুলো নির্মাণের জন্য  বাজেট আকারে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এরপর বরাদ্দ পেলে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু পুনর্নির্মাণ করা হবে।

    ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয়া আছে কিনা  জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতু গুলোতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয়া হয়েছে অনেক আগে থেকেই। যে সকল নোটিশ বোর্ড নষ্ট হয়ে গেছে সেগুলো পুনরায় লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে।  

    এসএফ

    দেওয়ানগঞ্জে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বন্যায় বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।  


    শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এ.কে মেমোরিয়াল কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের মাঝে শিশু খাদ্য গুঁড়া, দুধ, বিস্কুট, চিনি, সুজি বিতরণ করেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএন ও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম খান।  


    অপর দিকে উপজেলার বাহাদুরাবাদ এবং চিকাজানী ইউনিয়নের বানভাসি মানুষের মাঝে ২ টন চাল দুই ইউনিয়নে ২০০ জনের মাঝে ত্রাণ  বিতরণ করা হয়েছে।  


    এ সময় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ,  চিকাজানী ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম আক্কাসসহ প্রমূখ। সভাপতিত্বে করেন, মুন্নী আক্তার  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ । 


    সহযোগিতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাস্তবায়নে মুন্নী আক্তার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ। 


    দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাজায়, এ পর্যন্ত উপজেলায় বন্যার্তদের মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে ৭০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    এআই 

    জামালপুরে আবারও বাড়ছে পানি, বানভাসিদের দুর্ভোগ

    ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে জামালপুরে আবারও বাড়তে শুরু করেছে যমুনা নদীর পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে পানি বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রথম দফায় বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই ফের বাড়তে শুরু করেছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের।


    পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জামালপুর কার্যালয়ের পানি পরিমাপক আবদুল মান্নান বলেন, যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট পানি কিছুটা বেড়ে বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে।


    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথমবারের বন্যার পানির ধীর গতিতে কমার মধ্যেই আবারও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগে বৃদ্ধি পেয়েছে। পানিবন্দি মানুষদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে রয়েছে। কোথাও কোথাও আবার সরকারের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের ত্রাণ এখনো পৌঁছায় নেই। দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। মানুষের কাজ নেই। হাতে টাকা নেই। সব মিলিয়ে দিশাহারা বন্যার্ত মানুষেরা। এখনো অনেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, সড়কের পাশে ও সেতুর ওপর আশ্রয় নিয়ে আছেন। 


    দুর্গত এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইসলামপুরের চিনাডুলী, কুলকান্দি, নোয়ারপাড়া, বেলগাছা, সাপধরী ইউনিয়ন এবং দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ী, চিকাজানী, বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন ও পৌরসভার উঁচু এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও ফের কিছু কিছু জায়গায় আবার পানি উঠতে শুরু করেছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের। 


    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ ও সরিষাবাড়ী উপজেলার ৪০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২ লাখ ৫০ হাজার ২২৮ জন সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে রাস্তাঘাট, হাটবাজার, ফসলি জমি, মৎস্য খামার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

    এআই 
    জামিনে মুক্ত হয়ে প্রধান আসামি বললেন, ‘এমপি নূর মোহাম্মদ মীমাংসা করে দেবেন’

    জামিনে কারামুক্ত হওয়ার পর সাংবাদিক গোলাম রব্বানি ওরফে নাদিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম ওরফে বাবু বলেছেন, ‘এবারের মাননীয় সংসদ সদস্য মো. নূর মোহাম্মদ সাহেব, উনি অত্যন্ত ভালো লোক। আমার সঙ্গে জেলে অনেকবার কথা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের কথা বলেছে। বাবু তুমি বের হয়ে আসো, এ মামলা মীমাংসা করে দেব।’


    মাহমুদুল আলমের এই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। কারাগার থেকে বেরিয়ে গত বুধবার রাতে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কেবি মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এই বক্তব্য দেন তিনি। তবে সংসদ সদস্যের দাবি, সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলা মীমাংসার বিষয়ে কারও সঙ্গে কোনো কথা হয়নি।


    হাইকোর্ট জামিন আবেদন মঞ্জুর করায় মাহমুদুল আলম বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জামালপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর তিনি নিজ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নিজ এলাকায় ফেরেন। মাহমুদুল আলম সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাময়িক বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে তিনি সাধুরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ হত্যা মামলায় প্রায় এক বছর কারাগারে ছিলেন তিনি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত এবং আওয়ামী লীগের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


    নিহত সাংবাদিক গোলাম রব্বানি ওরফে নাদিম অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ও একাত্তর টিভির বকশীগঞ্জ উপজেলার সংবাদ সংগ্রাহক ছিলেন। তিনি ওই উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের গোমের চর গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে।



    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মাহমুদুল আলমকে বলতে শোনা যায়, ‘১৭ জুন আমি গ্রেপ্তার হয়েছিলাম, পঞ্চগড় আমার নানাবাড়ি থেকে। আপনারা জানেন, এ মামলায় অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন। ওপরে আল্লাহ তাআলাই জানেন, কে মেরেছে, কে মেরে ফেলেছে। আমার সঙ্গে সাংবাদিকদের অনেক ভালো সম্পর্ক। এটা আপনারা অনেক জায়গায় জানেন। হঠাৎ করে কী কারণে, কী আমার পাপ ছিল আমি জানি না, এ মামলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আমাকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। আপনারা জানেন, আমার ছেলে ঢাকার বারিধারায় লেখাপড়া করে। ঢাকা থাকা অবস্থায় তাকেও দুই নম্বর আসামি করা করেছে।’


    তাঁকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘এ মামলা বিচারাধীন অবস্থায় আছে, বিচার চলবে। আইনকে আমি শ্রদ্ধা করি। চেয়ারম্যান হওয়ার পর পাঁচ বছরের মধ্যে আমার আড়াই বছর গিয়েছে, আরও আড়াই বছর বাকি আছে। আপনারা তো জানেন, জেলখানা ভালো জায়গা না। দীর্ঘ এক বছর আমি জেলখানায় ছিলাম। আমি এক বছর ধরে আপনাদের কাছ থেকে দূরে ছিলাম। আমি এই এক বছরে আমার অনেক ঘটনাই শুনেছি। অনেক ক্ষতিও হয়েছে। দিনে-দুপুরে ডাকাতি হয়েছে। চুরি করেছে। আমার গরিব লোকের ওপর নির্যাতনও করেছে। টাকাপয়সা খেয়েছে। অনেকের গরু বেচে টাকা নিয়েছে। ছাগল বেচে টাকা নিয়েছে। আমি আইনকে সারা জীবন শ্রদ্ধা করে যাব। জজকোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট থেকে আমাকে জামিন দিয়েছে। আমরার মামলায় আর কোনো সমস্যা হবে না।’


    ভিডিওর শেষের অংশে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এবারের মাননীয় সংসদ সদস্য মো. নূর মোহাম্মদ সাহেব, উনি অত্যন্ত ভালো লোক। আমার সাথে জেলে অনেকবার কথা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের কথা বলেছে। বাবু তুমি বের হয়ে আসো, এ মামলা মীমাংসা করে দেব। আমার বন্ধুবর দুই দুইবারের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, এবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হয়েছেন, উনি নজরুল ইসলাম সাত্তার, আমাকে বলেছেন, আমার ইউনিয়নে যা যা প্রয়োজন, সবই করে দেবেন। এক-দেড় বছর আগে আমি চেয়ারম্যান হিসেবে যেমন ছিলাম, আবার আমার ইউনিয়নে চুরি-ডাকাতি, খুন-রাহাজানি যেন বন্ধ করতে পারি।’


    মাহমুদুল আলমের বক্তব্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ আজ সন্ধ্যা ৭টার দিকে মুঠোফোনে  বলেন, ‘ওই আসামির সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগই নাই। কথা বলার তো প্রশ্নই ওঠে না। একজন সাংবাদিক হত্যা মামলার আসামির সঙ্গে আমি কেন কথা বলব? তাঁর সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি।’



    এদিকে প্রধান আসামির জামিনে মুক্ত হওয়ার পর উত্তেজনাকর বক্তব্যের বিষয়ে নিহত সাংবাদিক গোলাম রব্বানির স্ত্রী মনিরা বেগম বলেন, ‘স্বামী হত্যার এক বছর পার হয়েছে। প্রধান আসামি জামিনে জেল থেকে মুক্ত হয়েই উত্তেজনাকর বক্তব্য দিচ্ছেন। মামলায় নাকি তাঁর (মাহমুদুল) আর কোনো সমস্যা হবে না। ফলে বিচার পাওয়া নিয়ে সন্দেহ হয়। প্রধান আসামি জেল থেকে বের হওয়ায় আমরা আতঙ্কগ্রস্ত। তাঁর প্রভাবে মামলার অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। এতে আমরা ন্যায়বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছি।’


    গোলাম রব্বানির মেয়ে রাব্বিলাতুল জান্নাত বলেন, ‘আমার বাবার হত্যাকাণ্ড সারা দেশের আলোচিত একটা ঘটনা। সারা দেশের সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ প্রতিবাদ করেছিলেন। মামলার প্রধান আসামি জামিন নিয়ে এলাকায় এসেছেন। এতে আমরা পুরো পরিবার আতঙ্কিত। তিনি (মাহমুদুল) প্রভাবশালী—এটা আমরা শুরু থেকেই বলে আসছিলাম। গতকাল রাতের বক্তব্যটিই তার প্রমাণ। জেল থেকে বের হওয়ার পর কতটা ভীতিকর বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা চাই তাঁর (মাহমুদুল) জামিন বাতিল করা হোক।’



    বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইউসূফ আলী বলেন, মামলার এক নম্বর আসামি জামিনে বের হয়েছেন। তাঁর জামিনে মুক্ত হওয়াতে মামলায় প্রভাব বিস্তার করার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু তা–ই নয়, এই মামলার সাক্ষীদেরও তিনি প্রভাবিত করতে পারেন। তার প্রমাণ জেল থেকে বের হয়েই এলাকায় গিয়ে ওই সব বক্তব্য দেওয়া। এতে মামলার ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হতে পারে।


    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোলাম রব্বানি গত বছরের ১৪ জুন রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বকশীগঞ্জের পাটহাটি এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। হামলার পরদিন দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হত্যার তিন দিন পর ১৭ জুন নিহত রব্বানির স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় মাহমুদুল আলম, তাঁর ছেলে ফাহিম ফয়সাল ওরফে রিফাতসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলার পর ওই মাসেই মাহমুদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

    এআই 
    ঘুরতে গিয়ে বন্যার পানিতে ডুবে দুই বন্ধুর মৃত্যু

    শেরপুর জেলা সদরের কামারেরচরে মরা খালের বন্যার পানিতে ডুবে দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 


    বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে দুই বন্ধু মিলে কামারেরচর মরা খালে ঘুরতে যায়। এসময় পানিতে ডুবা ভাঙ্গা রাস্তায় পড়ে খালের পানিতে ডুবে যায়। 


    নিহত স্কুল ছাত্ররা হলেন- সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ বায়ান পাড়ার আমজাদ হোসেনের ছেলে সুফল (১৪) ও মহির উদ্দিনের ছেলে সুমন (১৪)। তারা দুই জনই কামারেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।


    ঘটনাটি নিশ্চিত করেন কামারেরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হাবিবুর রহমান।

      

    শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভূইয়া জানান, দুই বন্ধু মিলে খালে বন্যার পানিতে ঘুরতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়না তদন্তে ছাড়া লাশ দাফন করার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এব্যাপারে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    এআই 
    স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিজ স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রেজাউল করীম (৪৫) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    তিনি উপজেলার সমুচ্চুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক, পোড়াগাঁও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং একজন ওষুধ ব্যবসায়ী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী মাথা ব্যথার ওষুধ আনার জন্য রেজাউল করিমের ফার্মেসিতে যায়। এ সময় সে ছাত্রীকে মাথা ব্যথার ওষুধ দেওয়ার পরিবর্তে জ্বর আছে কিনা দেখার কথা বলে তার বগলে থার্মোমিটার চেপে ধরে এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দেওয়া শুরু করে। ছাত্রী শিক্ষকের কুমতলব বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করে।

    পরে অভিভাবকদের নিয়ে বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানায়। তিনি অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করার আহবান জানালেও অভিযুক্ত রেজাউল তা এড়িয়ে যান। ফলে বুধবার বিকালে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্ত রেজাউলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করে।

    নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল আলম ভুঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে৷

    এফএস

    দিনাজপুরে খানসামায় নদীতে পড়ে দুই যুবক নিখোঁজ

    দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বেলান নদীর ওপর নির্মিত রাবারড্যাম পার হতে গিয়ে নদীতে পড়ে দুই যুবক নিখোঁজ হয়েছেন।


    শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৩টায় উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের আগ্রা এলাকার বাঘার মোড়ে বেলান নদীর ওপর নির্মিত রাবারড্যাম পারাপারের সময় এ ঘটনা ঘটে।


    নিখোঁজ হওয়া দুজন হলেন- ওই ইউনিয়নের আগ্রা এলাকার পাইকপাড়ার তরণী কান্ত রায়ের ছেলে বঙ্গকেশর রায় ও একই এলাকার জিতেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে জয়ন্ত রায়।


    স্থানীয়রা জানান, কয়েকজন শ্রমিক কাজ থেকে ফেরার পথে দুজন রাবারড্যাম পারাপারের সময় পা পিছলে বেলান নদীতে পড়ে যায়। স্থানীয়রা নদীতে নেমে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও সক্ষম হয়নি। পরে খানসামা ফায়ার সার্ভিস ও থানায় খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা এখনো উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।


    খানসামা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা আবু সায়েম বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছি। রাবারড্যামের কারণে একটু স্রোত বেশি। এ কারণে রংপুর থেকে ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা এলে উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।


    খানসামা থানার ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশ গিয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কোনো ডুবুরি দল না থাকায় উদ্ধার কাজে তারা অংশ নিতে পারেনি। এছাড়া নদীতে পানির খুব স্রোত ছিল। তবে রংপুর থেকে ডুবুরি আসলে হয়তো উদ্ধার কাজ শুরু করা হতে পারে। আমরা সার্বিক খোঁজ খবর রাখছি।

    এআই 

    ফুলবাড়ীতে আড়াইশ বানভাসিদের মাঝে চাল বিতরণ

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী  উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের সোনাইকাজী, জ্যোতিন্দ্র নারায়ণ, রামপ্রসাদ ও রোশন শিমুলবাড়ীর বিভিন্ন চরের ২৫০টি বানভাসি পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।


    শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা (পিআইও) সবুজ কুমার গুপ্ত নৌকা যোগাযোগে ধরলা ও বারোমাসিয়া নদী পাড়ি দিয়ে ওই সব এলাকায় গিয়ে প্রত্যেক বানভাসি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। 


    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক অনিল চন্দ্র রায়, রণবীর চন্দ্র রায় ও সোনাইকাজী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়ালসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। 


    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সবুজ কুমার গুপ্ত জানান, আজকে আড়াইশ পরিবারসহ মোট দ্বিতীয় দফায় বন্যায় ফুলবাড়ী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ধরলা ও বারোমাসিয়া নদীর তীরবর্তী বানভাসীদের মাঝে ২৪ টন চাল, নগদ ১ লাখ টাকা ও শুকনা খাবার ২০০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। এখনো ৭ টন চাল মজুত আছে। সেগুলো দুই এক দিনের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

    এআই 

    পেপারলেস স্মার্ট সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে: প্রতিমন্ত্রী পলক

    পেপারলেস স্মার্ট সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। যেখানে জমির পর্চা, আদালতের শুনানি, পুলিশে অভিযোগের মতো সরকারি সেবা পেতে সরকারি দফতরে যেতে হবে না। আমাদের রয়েছে ডিজিটাল ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ই-নথি। প্রায় ২ কোটি ফাইল কাগজবিহীন অবস্থায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক। 

    তিনি বলেন, সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য ক্যাশলেস সোসাইটি বিনির্মাণ করা। সকল শ্রমজীবী মানুষকে ক্যাশলেস পদ্ধতিতে লেনদেনের আওতায় নিয়ে আসা। এতে যারা ক্ষুদ্র পেশার মানুষ তাদের ডিজিটাল লেনদেন দেখে ঋণের ব্যবস্থা করা যাবে।

    প্রতি মন্ত্রী বলেন, এই ট্রেনিং সেন্টারটি বাস্তবায়ন হলে পঞ্চগড়ের প্রত্যন্ত এলাকার ভাই-বোনেরা এখানে ট্রেনিং নিয়ে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশী মার্কেটপ্লেসে কাজের সুযোগ করে নিবেন। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সন্তানরা চাকরি প্রত্যাশী না হয়ে চাকরিদাতা হবে। তারা নিজে উদ্যোক্তা হয়ে আরো ১০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। তার ক্ষেত্রটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৈরি করে দিচ্ছেন। এই সেন্টার থেকে প্রতিবছর এক হাজারের বেশি স্মার্ট ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

    মন্ত্রী আরো বলেন, সারা দেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ৫৫৫টি জয় স্মার্ট সার্ভিস ইমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। আগামী ৫ বছরে আইটি সেক্টরে ১০ লাখ তরুন-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করব। সেই সাথে এই আইটি সেক্টর থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় নিশ্চিত করতে পারব।

    এসময় পঞ্চগড় ২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ হাই টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরউল্লাহ্‌, জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ৩ একর জায়গা জুড়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারটি নির্মাণ করা হবে। আগামী ২০২৬ সালে সেপ্টেম্বরে সেন্টারটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

    এইচএ

    মফস্বল শহরে চিকিৎসকদের আসতে বাধ্য করা হবে: স্বাস্থ্য মন্ত্রী

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, বাংলাদেশের সব জায়গায় চিকিৎসা সংকট আছে। চিকিৎসক সংকট কাটানোর জন্য আরো নতুন করে কিছু চিকিৎসক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি পদক্ষেপ গ্রহণের পর সংকট কাটিয়ে উঠতে পারব। এজন্য আমি সারাদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি আমার একটি আইডিয়া হচ্ছে কোথায় কি প্রয়োজন। তারপরে ঢাকায় গিয়ে আমি সেটি সমাধান করার চেষ্টা করব। 

    শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

    মফস্বল শহরে চিকিৎসকদের আসার আগ্রহ কমের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি যদি চিকিৎসককে বাসস্থান ঠিকভাবে দিতে পারি নিরাপত্তা দিতে পারি। এখন অধিকাংশ জায়গায় মেয়েরা কাজ করে তাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন, ভালো বাসস্থান প্রয়োজন। তাহলে তারা মফস্বল শহরে আসবে, আমি আসতে বাধ্য করব। কমিউনিটি ক্লিনিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি এটার উপর জোর দেওয়ার চেষ্টা করছি, কারণ আমি যদি কমিউনিটি ক্লিনিককে স্বাবলম্বী করতে পারি তাহলে উপজেলা, জেলা সব জায়গায় ভালো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। 

    পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আবুল বাশার মোঃ খোরশেদ আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাকারিয়া, দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডাঃ বোরহান-উল ইসলাম সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

    এর আগে সকালে জেলার খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন। 

    এইচএ

    লালমনিরহাট পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

    লালমনিরহাট পৌরসভার আধুনিক ও জনকল্যাণমূথী স্মাট পৌরসভা রূপান্তের লক্ষ্যে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠিত হয়েছে । 

    শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় পৌরসভা কার্যালয়ের তৃতীয় তলার হল রুমে ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপন।

    নতুন মোট আয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে রাজস্ব আয় ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ৯৫ হাজার ৭০৮ টাকা। পানি শাখা থেকে আয় ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ৩৫৬ টাকা। উন্নয়ন বাস্তবায়ন খাতে প্রাপ্তি ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ৯৭ হাজার ৪৪৭ টাকা। উক্ত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ কোটি ৯০ হাজার টাকা এবং প্রস্তাবিত উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৩৩ হাজার ৫১১ টাকা। 

    পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপ্ন বলেন, এবারের বাজেটে জনগণের উপর কোনরূপ কর বৃদ্ধি না করেই জনকল্যাণমুখী বাজেট করা হয়েছে। উক্ত বাজেট বাস্তবায়ন হলে আমরা আমাদের পৌর এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, স্মার্ট ও উন্নত অবকাঠামো সমৃদ্ধ পৌরসভা গঠনে একধাপ এগিয়ে যাবে।

    তিনি উল্লেখযোগ্যভাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, মশক নিধন, বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বৃক্ষরোপণ, ক্লাব ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতি, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন, মাদক/তামাক জাতীয় দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, রাস্তাঘাট ও রোড ডিভাইডার সৌন্দর্য বর্ধন, কঠিন ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছেন। বিশেষ করে শহরের প্রধান প্রধান রাস্তাসহ গোলীর রাস্তা, ড্রেন মেরামত ও সংস্কার খাতে ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন। এছাড়া তিনি আধুনিক বহুতল বিশিষ্ট পৌর ভবন নির্মাণে প্রায় ৫ কোটি টাকা কাজ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন চূড়ান্ত রয়েছে।    

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও কর্মকতা, কর্মচারীগণ ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

    এইচএ

    ছেলের মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল মায়ের

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছেলের মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গোলাপী বেগম (৩৫) নামে এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত গোলাপী বেগম সদর উপজেলার হরিসপুর গ্রামের বাবলুর স্ত্রী।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  
    তিনি জানান, আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে গোলাপী বেগম তার ছেলে মাসুদের মোটরসাইকেলের পেছনে বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের দিকে আসছিলেন। এ সময় নরেন্দ্রপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি ছিটকে রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    এফএস

    আবারও বাড়ছে যমুনার পানি, আতঙ্কে নদী পাড়ের মানুষ

    মৌসুমী বায়ুর প্রভাব ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আবারও সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীসহ অভ্যন্তর্রীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। 


    শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে গত ১২ ঘন্টায় ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। 


    অপরদিকে, কাজিপুরের মেঘাই ঘাট পয়েন্ট ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 


    দুইদিন পানি কমার পরে আবারও যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নদী পারের চরাঞ্চল ও নিচু এলাকার মানুষের পাশাপাশি গো খাদ্য নিয়ে মহা সংকটে পড়েছে গবাদি পশুগুলো নিয়ে। বন্যায় গবাদিপশুর চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় খাদ্য সংকটে পড়েছে জেলার প্রায় ৫০ হাজার গবাদি পশু। বন্যা দুর্গতরা নিজেদের চেয়ে গবাদি পশুর খাদ্য সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।


    সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, জেলার দুটি পয়েন্টে আবারও পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে দুটি পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এ মৌসুমে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।  


    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাবুল কুমার সূত্রধর বলেন, ইতোমধ্যে বানের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে জেলার ৪ হাজার ৬৩০ হেক্টর ফসলি জমি। এসব জমির পাট, তিল, কলা ও মরিচ প্লাবিত হয়েছে। এখনও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।  


    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, জেলার ৫টি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নের ৫ হাজার ৩৬২টি পরিবারের ২৩ হাজার ৮৩৬ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২৩ হাজার ৮৩৬ জন। তাদের মাঝে ইতিমধ্যে ৬০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। আরও নতুন করে ৪৪০ টন চাল, নগদ ১০ লাখ টাকা ও ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ রয়েছে।

    এআই 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ নিহত ৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও সদর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষক ও এক নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। এ সময় আরও অন্তত তিনজন আহত হয়েছে। 


    বৃহস্প্রতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কসবা ইউনিয়নের ঝলঝলিয়া ও নেজামপুর ইউনিয়নের কামার জগদইল গ্রামের মাঠে কৃষি কাজ করার সময় ও সদর উপজেলার আমারকে বজ্রপাতের ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। 


    বজ্রপাতে নিহতরা হলেন- গোমস্তাপুর উপজেলার বজ্রনাথপুর বাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মনতাজ আলীর ছেলে উজ্জল আলী (৪৫) ও ঝলঝলিয়া গ্রামের আব্দুল আখের কারীর ছেলে ওসমান গনি (৩০) এবং সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের আমারক গ্রামের পরশ রায়ের স্ত্রী কমলা রানী (৫০)।


    নাচোল থানার ওসি তারেকুর রহমান ও সদর থানার ওসি মেহেদী হাসান হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহতরা স্থাণীয়ভবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সু্স্থ আছেন। 


    স্থাণীয়দের বরাত দিয়ে নাচোল থানার ওসি তারেক রহমান জানান, বিকেল থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। বৃষ্টির সময় কৃষকরা মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় আকস্মিকভাবে বজ্রপাত হলে তারা দুজনেই ঘটনাস্থলেই মারা যায়। 


    অপরদিকে, সদর মডেল থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, বিকেলে বৃষ্টিপাতের সময় বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন কমলা রানী। এ সময় বজ্রপাতে তিনি মারা যান। আইনী প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এআই 

    বগুড়ায় ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

    বগুড়ার শেরপুরে চালবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের সেরুয়া বটতলা বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বাসাইল গ্রামের আরিফুল ইসলাম (৩২), তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার (২৫), ছেলে সায়মুন হোসেন (৪) ও সিএনজি অটোরিকশাচালক তাড়াশ উপজেলার সেলুন গ্রামের নাসিম (৩০)।

    আহতরা হলেন, শেরপুর উপজেলার ছোনকা গ্রামের গোলাম হোসেন (৫০) ও রায়গঞ্জ সদর উপজেলার কাওছার আলী (২৩)।

    শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আবুল হাসেম জানান, ঢাকাগামী একটি চালবোঝাই ট্রাক মহাসড়কের সেরুয়া বটতলায় পৌঁছালে বিপরীতমুখী সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়।

    এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের তিনজনসহ মোট চারজন নিহত হন। মরদেহগুলো উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও পুলিশ ফাঁড়িতে রয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও অটোরিকশা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    এফএস

    নওগাঁয় পিস্তলসহ একজন আটক

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে র‍্যাব-৫ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে পিস্তলসহ মাসুদ রানা লিটন (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। সেই সঙ্গে ২টি ওয়ান স্যুটারগান, ২টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।


    বুধবার (১০ জুলাই) রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চৌরাপাড়া এলাকার মসুদ্দির মোড়ে এ অভিযান চালায় তারা।


    আটক মাসুদ রানা লিটন রাজশাহী জেলার বোয়ালিয়া উপজেলার তালাইমারী এলাকার মৃত আমজাদ তালুকদারের ছেলে। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করে র‍্যাব-৫। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিয়ামতপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আল মাহমুদ।


    থানায় এজাহার সূত্রে জানা গেছে, র‍্যাব-৫ এর একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলায় অবস্থান করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিয়ামতপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ধানসুরা মোড় থেকে অটোভ্যানে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক নিয়ে এক ব্যক্তি নওগাঁর পথে রওনা দিয়েছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে চৌরাপাড়া মসুদ্দির মোড়ে চেকপোস্ট পরিচালনা করলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অটোভ্যান থেকে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করে র‍্যাবের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেহের বিভিন্ন জায়গা থেকে অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার করা হয়।


    নিয়ামতপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আল মাহমুদ জানান, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

    এসএফ

    হবিগঞ্জে ভাবীকে মারপিট করার অভিযোগে কৃষকলীগ নেতা গ্রেফতার

    হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর এলাকায় ভাবিকে মারপিট ও পুলিশকে নিয়ে ফেইসবুকে মন্তব্য করার পৌর কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ অজয় চন্দ্র দেবের নির্দেশে এসআই কৃষ্ণধন সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পৌর বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। 

    গ্রেফতারকৃত  আশরাফুল আহমেদ হারুন (৪০) হারুন মোহনপুর এলাকার মৃত রইছ উল্লা’র ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার নূর মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের সঙ্গে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল হারুনের। এ নিয়ে ওইদিন তাদের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে হারুন তার ভাবীর মাথায় আঘাত করলে ফাতেমা খাতুন মাটিতে পড়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ফাতেমা খাতুন সদর থানায় হারুনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতে হারুনের বাসায় যায়। এ সময় পুলিশ হারুনকে এ ধরণের বিষয় যেন আর ঘটে বলে চলে আসে। পুলিশ চলে আসলে হারুন তার ফেইসবুক আইডিতে একটি লাইভ করে। লাইভে সে জানায়, ‘আমার সন্তানের কিছু হলে পৌর কাউন্সিলরসহ দালাল চক্রের সদস্যসহ পুলিশ কর্মকর্তা সহ কাউকে ছাড় দিব না, প্রয়োজন আদালতে অভিযোগ করবো এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা’। এরপরই তার ফেইসবুকে ‘আমার সদাহাস্যজ্বল ছেলের কিছু হলে, পুলিশ অফিসার সহ যাঁরা যাঁরা সহযোগিতা করছেন কাউকে ছারবো না, হুশিয়ার করে দিলাম, ভাড়াটিয়া হিসেবে কত টাকার বিনিময়ে আসছো, সেটা ও বের করবো ইনশাআল্লাহ’ লিখে স্ট্যাটাস দেয়। হারুন লাইভে আরো বলে হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি অজয় দেবের নেতৃত্বে একদল পুলিশ, কাউন্সিলরসহ ভাড়াটি লোকজন অন্যায়ভাবে তার বাসায় প্রবেশ করে তাদের উপর চড়াও হয়ে ভয়ভীতি দেখায়। এতে তার ছেলে ভয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে বিভিন্ন ধরণের বাজে মন্তব্য করে হারুন।

    সদর থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব জানান, গ্রেফতারকৃত হারুনকে নিয়মিত মামলায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশকে নিয়ে মন্তব্যের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এইচএ

    গোপালগঞ্জে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন তাহিরপুরের ইউএনও

    সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা পারভীনকে গোপালগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

    বুধবার (১০ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার যুগ্ম সচিব ড. আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩৩তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের সদস্য সালমা পারভীন ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এরপূর্বে তিনি সততা ও দক্ষতার সঙ্গে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। তাহিরপুরে যোগদানের প্রায় ৭ মাসের ব্যবধানে তিনি উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রী চেয়েছিলেন সারাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক, সে লক্ষ্যেই দক্ষতার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হয়েছেন। তাছাড়া হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের মতো একটি জটিল ও জনগুরুত্বপূর্ণ কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করেন। তাহিরপুরবাসীর জীবিকা নির্বাহের প্রধান হাতিয়ার বোরো ফসল। তাই এ বিষয়ে কারো সঙ্গে কোন আপোষ করেননি। গত ১৫ দিনের ব্যবধানে জেলাসহ তাহিরপুরবাসী ৩বার বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। সে ক্ষেত্রেও তিনি সর্বাত্মকভাবে তাহিরপুরবাসীর পাশে ছিলেন।

    এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা পারভীন তাহিরপুর উপজেলার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধে অনিয়ম দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর ভূমিকা পালন করেন। এতে তৎকালীন সরকার দলীয় এবং সরকার বিরোধীরা তার কাছে কোনো ধরণের অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে শুরু করে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সততা ও দক্ষতার মূল্যায়ন করে তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা পারভীন বলেন, তাহিরপুরের উন্নয়ন করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তারপরেও মানুষ হিসাবে আমার ভুলত্রুটি থাকতে পারে। তবে তাহিরপুরবাসী আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেছেন। এজন্য আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং তাহিরপুর বাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। আমার পরবর্তী কর্মস্থলের জন্য আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ তাহিরপুরাসীর কাছে আমি দোয়া প্রার্থী।

    এইচএ

    মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধে শিক্ষানবিশ আইনজীবী খুন

    মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ইমাদ উদ্দিন রকিব (২৫) নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আরো একজন গুরুতর আহত ও দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।


    শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে সিন্দুরখার ইউনিয়নের তেলিআবদা কোনাগাও গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।


    পুলিশ সূত্রে জানা যায় উপজেলার সিন্দুরখার ইউনিয়নের তেলিআবদা কোনাগাও গ্রামের খলিল মিয়া ও আজিম উদ্দিনের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গ্রাম্য সালিসে সমাধান না হয়ে আদালতে মামলাও হয়। 


    শুক্রবার সকালে আজিম উদ্দিনের তিন ছেলে বিরোধপূণ জমিতে হাল চাষ করতে গেলে উভয় পক্ষ বিবাদে জড়ায়। এক পর্যায় প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আজিম উদ্দিনের ছোট ছেলে ইমাদ উদ্দিন রকিব, হেলাল উদ্দিন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইমাদ উদ্দিন রকিবকে মৃত ঘোষনা করেন। হেলাল উদ্দিনকে গুরুতর আহতবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।


    নিহত রকিবের পিতা আজিম উদ্দিন জানান, একই গ্রামের রূপ তালুকদারের স্ত্রী জরিনা বেগমের কাছ থেকে ৪২ শতক জমি ক্রয় করেন ভোগদখল করে আসছিলেন। এই জমির পূর্ব মালিক ছিলেন খলিল মিয়া গং। বিগত আরএস রেকর্ডে এই জমি চলে যায় খলিল মিয়া গংদের নামে। এ নিয়ে একাধিক সালিসে সমাধান না হলে তিনি মৌলভীবাজার দেওয়ানী আদালতে মামলা করেন। 


    তিনি জানান, তার ছেলে ইমাদ উদ্দিন রকিব সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটি থেকে আইন শিক্ষায় অনার্স মাস্টার্স করে মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন। বর্তমানে বার কাউন্সিলের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।


    শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায় জানান, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আইনগত ব্যবস্থা নেব।

    এআই 

    শাশুড়িকে বাঁচাতে অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূর হাওরে ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু

    বাড়ির পাশেই মুগরাইন হাওর। সেই পানিতে গোসল করতে যান শাশুড়ী ও অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূ। এক প্রর্যায়ে শাশুড়ী পা পিছলে হাওরের পানির স্রোতে ভেসে গেলে শাশুড়ীকে বাঁচাতে পুত্রবধুও ঝাপ দিলে বাঁচাতে পারেননি একেই সাথে নিজেও বাচঁতে পারেনি। দুজনেই নিখোঁজ হয়। পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা এসে জাল ফেলে তাদের লাশ উদ্ধার করে।


    শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুর সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মুগরাইন হাওরে এমনি ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারে ও এলাকায় সুখের ছায়া নেমে এসেছে।


    নিহতরা হলেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের জানিয়ারচর গ্রামের রেজিয়া আক্তার ও তার ছেলের বউ পিপাসা আক্তার (২১)। পিপাসা ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।


    ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শামসুদ্দোহা এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 

    এআই 

    নৌ পথে চাঁদাবাজী বন্ধ, স্বস্তিতে নৌ শ্রমিকসহ ব্যবসায়ীরা

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জ উপজেলার নৌ পথে একাধিক স্থানে বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধে জন্য ব্যবসায়ীরা দাবী জানালে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি এডভোকেট রনজিত সরকার জেলা পুলিশসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে দ্রুত চাঁবাদাবাজী বন্ধের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করেন। এতে করে চাঁদাবাজী বন্ধ করতে বাধ্য হয় চাদাবাজরা। এ নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন এমপি রনজিত।


    খোঁজ নিয়ে জান গেছে, চাঁদাবাজী বন্ধ করায় ব্যবসায়ী ও নৌযান শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দীর্ঘ ধরেই বালি পাথর ও কয়লা-চুনাপাথর ব্যবসায়ী,নৌ শ্রমিকরা চাঁদাবাজী বন্ধে বার বার পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর পরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন না করায় এ বছর আন্দোলনে নামেন ভুক্তভোগীরা এবং চাঁদাবাজি বন্ধে এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন৷ 


    আন্দোলনের খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার বিষয়টি আমলে নেন এবং ব্যবসায়ীসহ নৌশ্রমিকদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 


    চাঁদাবাজ বিরোধী শক্তিশালী অবস্থানের কারণে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা, ঘাগড়া, লাউরেরগড়, ফাজিলপুর ও ফতেপুর ইউনিয়নের রঙ্গিয়ারচর ঘাট, তাহিরপুর উপজেলার পাটলাই নদীর বিআইডব্লিউটিএ ও কোটগাড়ি নৌকা ঘাট গুলোতে অতিরিক্ত টোল ট্যাক্স আদায় বন্ধ করে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে টোল আদায় করতে বাধ্য হচ্ছেন ইজারাদার ও উপজেলা প্রশাসন। ফলে একদিকে যেমন ব্যবসায়ী ও নৌ শ্রমিকরা লাভবান হচ্ছে অন্যদিকে সরকারও পাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।


    দুর্লভপুর নৌকা ঘাটের ইজারাদার মোহাম্মদ ওয়াহেদ আলী জানান, চার্ট অনুযায়ী আমার লোকজন টাকা উত্তোলন করছে। এমপি রনজিত চন্দ্র সরকার আমাদের সব ইজারাদারদেরকে ডেকে নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন চার্টের বাইরে কোন ধরনের টাকা উত্তোলন না করি। আমরাও আমাদের লোকদেরকে বলে দিয়েছি চার্টের অতিরিক্ত কোন টাকা না তুলতে।


    জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. মুশফিকুন নূর জানান, জামালগঞ্জের ফাজিলপুর, দুর্লভপুর ঘাট গুলোতে নিয়ম অনুযায়ী টোল ট্যাক্স আদায় করা হচ্ছে। 


    তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা পারভীন জানান, ডাম্পের বাজার, শ্রীপুর, ঘাগড়া, লাউরেরগড় নৌকা ঘাট মামলা সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এসব ঘাটে সরকারী বিধি বিধান অনুযায়ী  প্রশাসনের লোকজন দিয়েই খাস কালেকশন করা হচ্ছে। এখানে কোন ধরনের সিন্ডিকেট নেই। মামলাগুলো নিষ্পত্তি হওয়ার পর ঘাটগুলো ইজারা দেওয়া হবে।


    সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি এডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার জানান, সকল ঘাটের দায়িত্বশীল দের কে আমি বলে দিয়েছি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে টোল ট্যাক্স আদায় করতে হবে। কোন ভাবেই অতিরিক্ত টাকা আদায় সহ্য করা হবে না। প্রতিটি ঘাটে  টোল ট্যাক্স আদায়ের চার্ট টানিয়ে রাখতে হবে। আমার নির্বাচনী এলাকায় কোন ধরনের লুটপাট ও চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না। কেবলমাত্র নৌ-পথের চাঁদাবাজি নয় সকল ধরনের অনিয়ম রুখতে অচিরেই ৪টি উপজেলা প্রশাসনকে নিয়ে আলোচনায় বসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    এআই 

    অনলাইন ভোট

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    চীন-রাশিয়াকে যে বার্তা দিলেন ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট
     ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, চাপে ফেলে ইরানকে দিয়ে কিছু করানো যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রের এটা বোঝা উচিত।শনিবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে এ বার্তা দেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।  ‘নতুন বিশ্বকে আমার বার্তা’ শিরোনামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, আবারও সবাইকে বলছি, ইরান চাপে পড়ে কিছু করে না, করবেও না এবং ইরান সরকারের প্রতিরক্ষা কৌশলে পরমাণু অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত নয়।ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, কঠিন সময়ে চীন ও রাশিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের কাছে এ বন্ধুত্ব খুবই মূল্যবান।তিনি বলেন, রাশিয়া ইরানের মূল্যবান কৌশলগত মিত্র ও প্রতিবেশী। আমার প্রশাসন আমাদের এই সহযোগিতার সম্পর্কের আরও সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে তেহরান তাতে সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে।বিবৃতিতে তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।তবে তিনি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে কতটা সক্ষম হবেন, তা নিয়ে অনেক ইরানি সন্দিহান। কারণ, ইরানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী প্রেসিডেন্ট নন, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।৬৯ বছর বয়সি মাসুদ পেজেশকিয়ান একজন হার্ট সার্জন। সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত মাসুদ পেজেশকিয়ান ৫ জুলাই দ্বিতীয় দফা ভোটে কট্টর রক্ষণশীল সাঈদ জালিলিকে হারিয়ে ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। গত মে মাসে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় কট্টরপন্থি ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর সংবিধান মেনে ইরানকে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়। এমএইচ
    মার্কিন ৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
    তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির করার অভিযোগে মার্কিন ৬ অস্ত্র প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠান ও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বেইজিং।শুক্রবার (১২ জুলাই) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। খবর আনাদোলুর।তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিন্দা জানিয়েছে চীন। তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি করাকে চীন তার দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বে চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে মনে করে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন অস্ত্র বিক্রির ঘটনাকে বেইজিং তার একচীন নীতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন হিসেবে মনে করে। নিষেধাজ্ঞার ফলে, চীনে থাকা মার্কিন ওই অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও অর্থ বাজেয়াপ্ত করতে পারবে বেইজিং।এই নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন ওই প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি এখন থেকে চীনের পাশাপাশি হংকং এবং মেকাওয়েরও ভিসা পাবে না।১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে অস্ত্রবাণিজ্য চুক্তি করে তাইওয়ান। ২০২১ সালে জো বাইডেন প্রেসিডেন্টের হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ নিয়ে ওয়াশিংটর ও তাইপের মধ্যে ১৬টি অস্ত্র বিক্রর চুক্তি হয়।এসএফ
    ট্রাম্পের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের নিষেধাজ্ঞা সরছে
    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেটা। শুক্রবার (১২ জুলাই) মেটা এই ঘোষণা দিয়েছে বেলে জানিয়েছে মেটা।মেটা বলেছে, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি উচ্চতর স্থগিতাদেশের শাস্তির অধীন থাকছেন না।’এর আগে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের সমর্থকরা ক্যাপিটল হিলে ভাঙচুর চালানোর একদিন পর তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়।তখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের প্রশংসা করেছেন। পরে ২০২৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে মেটা ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট আবারও সক্রিয় করে। তবে তাতে নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল। অবশেষে সেই নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হলো।আরইউ
    দক্ষ কর্মীদের জন্য সুখবর দিলো সৌদি আরব
      সৌদি আরবে চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সুখবর। দক্ষ বিদেশি কর্মীদের সেখানে চাকরির সুযোগ বাড়বে। দেশটির দ্য মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এমএইচআরএসডি) দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে একটি নতুন ‘পেশাদার ভেরিফিকেশন’ পরিষেবা চালু করেছে। অবশ্য এটি অদক্ষ কর্মীদের জন্য সেখানে কাজের সুযোগ সৃষ্টি আরও কঠিন করে দেবে।এমএইচআরএসডি ইতিমধ্যে এর প্রথম ধাপটি সম্পন্ন করেছে। এটি আপাতত ১২৮টি দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হবে পরিষেবাটি। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করবে এমএইচআরএসডি।এমএইচআরডি সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে প্রবেশ করা প্রবাসী শ্রমিকদের প্রকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সৌদি শ্রমবাজারের প্রয়োজনীয় বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা থাকা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।নতুন এ পরিষেবাটিতে উচ্চ দক্ষতা প্রয়োজন এমন পেশাগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগটি সৌদি আরবে প্রবেশকারী বিদেশি শ্রমিকদের প্রকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং তারা যে চাকরির জন্য আবেদন করছে তার জন্য প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করবে।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তারা ‘পেশাদার যাচাই’ বা ভেরিফিকেশনের এই পরিকল্পনার পর্যায়গুলি সম্পূর্ণ করতে চলেছে এবং প্রকৌশল, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন পেশার জন্য বিশ্বব্যাপী ১৬০টি দেশকে এর আওতায় আনা হবে।পেশাগত ভ্যারিফিকেশন অযোগ্য প্রবাসী শ্রমিকরা শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিতের পাশাপাশি বিদেশি কর্মীদের যোগ্যতা ও দক্ষতার তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে।এই পরিষেবার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়টি শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ করতে, চাকরি ও পরিষেবার মান বাড়াতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে চায়।সুবিন্যস্ত এই স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া যোগ্যতার দ্রুত যাচাইয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়, অর্থাৎ ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত হবে কর্মীদের। এর পাশাপাশি এই উদ্যোগ দক্ষ বিদেশি কর্মীদের চাকরির সুযোগ বাড়াবে। কাজেই একজন বিদেশি কর্মীর যদি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা থাকে সৌদি আরবে চাকরি খোঁজার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত সুযোগ।সূত্র: ট্রাভেলোবিজ ডট কম, সৌদি গ্যাজেটএমএইচ
    ফিলিস্তিনি প্রতিবন্ধী তরুণকে কুকুর লেলিয়ে হত্যা করল ইসরায়েলি সেনারা
    ইসরায়েলি সেনাদের লেলিয়ে দেওয়া কুকুরের আক্রমণে মারা গেছে ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত তথা এক শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণ। গাজা উপত্যকার সুজাইয়াতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়েরপ্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণের নাম মোহাম্মদ বাহর। সে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকত। সে ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত ছিল। মোহাম্মদ বাহরের মা নাবিলা আহমেদ বলেছেন, গত ২৭ জুন থেকে সুজাইয়াতে দখলদার ইসরায়েলের সেনারা ব্যাপক হামলা চালায়। ওই দিন থেকে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন তারা। কিন্তু একদিন তাদের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় ইসরায়েলিরা। এসেই প্রথমে একটি কুকুরকে বাড়ির ভেতর ছেড়ে দেয়। ওই কুকুরটি মোহাম্মদকে কামড়ে ধরে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। নিহত ওই ফিলিস্তিনি তরুণের মায়ের আক্ষেপ, প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও মোহাম্মদকে ছেড়ে দেয়নি তারা। সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে আলাদা একটি রুমে নিয়ে যায়। সেখানে কুকুর লেলিয়ে দেয় তারা। ওই সময় সেই রুম থেকে প্রচণ্ড চিৎকার করছিল মোহাম্মদ। দখলদার ইসরায়েলিরা সুজাইয়া থেকে চলে যাওয়ার পর গত বুধবার মোহাম্মদের পরিবার দ্রুত তাদের বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান বাড়িতে পড়ে আছে তাঁর গলিত মরদেহ। এ ছাড়া তারা দেখতে পান, মোহাম্মদের মুখমণ্ডল পোকামাকড়ে খাচ্ছিল। মোহাম্মদের মা নাবিলা আহমেদ বলেন, ‘তার চিৎকার এবং কুকুর থেকে ছাড়া পাওয়ার চেষ্টার যে চিত্র আমি দেখেছি তা ভুলতে পারছি না।’ এসএফ 
    নাইজেরিয়ায় স্কুলভবন ধসে ২২ শিক্ষার্থী নিহত
    আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার মধ্য প্লাটিউ রাজ্যের একটি স্কুলে ভবন ধসে ২২ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৩০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিবিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে পাঠদান চলার সময় রাজ্যটির রাজধানী জসে সেইন্ট অ্যাকাডেমি নামের ওই স্কুলের ভবন ধসে পড়লে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়ে শিক্ষার্থীরা।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উদ্ধারকর্মীরা।  উদ্ধারকারীরা কংক্রিটের স্তূপ ভেঙ্গে আহতদের উদ্ধার করেন, এ সময় নিহতদের মরদেহও উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, স্কুলটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক হাজারের বেশি। স্থানীয় পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত অনেককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।দুর্ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ দাবি করে অ্যাবেল ফুয়ানদাই নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা বিবিসিকে জানিয়েছেন, স্কুলভবন ধসে তার বন্ধুর ছেলেও মারা গেছে।তিনি জানান, উদ্ধারকর্মীরা এবং জরুরি সেবার কর্মীরা এক্সক্যাভেটর দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চাপা পড়াদের উদ্ধারে চেষ্টা করে যাচ্ছেন।স্কুলভবনটি ধসে পড়ার কারণ জানা না গেলেও স্থানীয়রা বলছেন, প্লাটিউ রাজ্যে টানা তিনদিন ধরে ভারি বৃষ্টির পরই এ ঘটনা ঘটে।উইলিয়া ইব্রাহিম নামের আহত এক শিক্ষার্থী হাসপাতালে এএফপির কাছে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। তিনি জানান, ক্লাসে ঢুকেছি পাঁচ মিনিটও হয়নি, আমি একটি বিকট শব্দ শুনতে পাই। তারপর আমি নিজেকে এখানে (হাসপাতাল) আবিষ্কার করি। ক্লাসে আমরা অনেকেই ছিলাম, আমরা পরীক্ষা দিচ্ছিলাম।স্থানীয় বাসিন্দা চিকা ওবিওহা বলেছেন, তিনি বেশ কয়েকটি মৃতদেহ এবং কয়েক ডজন আহতকে উদ্ধার করতে দেখেছেন।এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন নাইজেরিয়ায় ইউনিসেফের প্রতিনিধি ক্রিশ্চিয়ান মান্ডুয়েট। এক্স পোস্টে তিনি লিখেছেন, সেইন্ট একাডেমিতে (ভবন) ধসে তরুণ কিছু জীবনের মর্মান্তিক ক্ষতি হলো। স্কুলভবনটি যখন ধসে পড়ে তখন স্বপ্নে ভরপুর শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা।সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ায় ভবন ধসের কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। বিশেষজ্ঞরা এজন্য নির্মাণকাজ ও নির্মাণসামগ্রীর নিম্নমান এবং দুর্নীতিকে দায়ী করেন।২০২১ সালে লাগোসের অভিজাত এলাকার একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবন ধসে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।এবি 
    অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি নেতানিয়াহু
    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে তিনি ইসরায়েলের ‘সি অব গ্যালিল’ হ্রদে অবকাশ যাপনে গিয়েছিলেন। জানা গেছে, গরমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে ব্যক্তিগত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে তেল আবিবের কাছে শেবা মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে, অতিরিক্ত গরমে পানিশূন্যতার কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে এক প্রতিবেদনে সিএনএন এ তথ্য দিয়েছে। শনিবার (১৫ জুলাই) এ খবর প্রচার করে সংবাদ মাধ্যম সিএনএন।প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাসভবনের কাছের ওই চিকিৎসাকেন্দ্রটিতে সারারাত অবস্থান করেন তিনি। অবশ্য হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ভিডিও-বার্তা দেন নেতানিয়াহু। এ সময় জানান, গ্যালিল সাগরে অবকাশ যাপনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এ নেতা।তবে তিনি বলেন, ‘আমি ভালো বোধ করছি।’ তিনি সবাইকে কড়া রোদে বেশি সময় না থাকার পরামর্শ দেন। বেশি পানি পান করতে বলেন।উল্লেখ্য, ইসরায়েলে বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহ চলছে, এর ফলে তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। সবাইকে কড়া রোদে বেশি সময় না থাকার পরামর্শসহ বেশি পানি পান করতে বল হচ্ছে। হাসপাতালের সঙ্গে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রাথমিক পরীক্ষায় সব স্বাভাবিক ছিল, অস্বাভাবিক কিছু পাওয়া যায়নি। তবে পানিশূন্যতায় বা ডিহাইড্রেশনে ভুগছেন তিনি।এবি 
    ভিয়েতনামে ভূমিধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে নিহত ৯
    ভিয়েতনামে প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছে।  শনিবার (১৩ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদেনে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে হা গিয়াং প্রদেশের বাক মে জেলার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ভূমিধসের সময় মাটির নিচে চাপা পড়ে একটি ভ্যান। এ ঘটনায় এক শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়। উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে এক শিশুসহ নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন বলে জানা গেছে।  প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছে। তাদের কাছাকাছি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চলছে।ঘটনাস্থলের বেশ কিছু ফুটেজ এবং ভিডিওতে দেখা গেছে, কর্দমাক্ত পাহাড়ি রাস্তায় কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছু অ্যাম্বুলেন্সও দেখা গেছে। বিদেশি পর্যটকদের কাছে মোটরসাইকেলে করে ভ্রমণের জন্য হা জিয়াং প্রদেশ একটি জনপ্রিয় স্থান।জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে বর্ষাকাল থাকে। এ সময়টাই উত্তর ভিয়েতনামে প্রায়ই ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যা এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটে থাকে। সূত্র: ইউএনআই, সিনহুয়াএবি 
    স্বামী-সংসার ছেড়ে প্রেমিকের হাত ধরে পালাল এক জেলার ১১ তরুণী!
    পাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক বরাদ্দ দেয় সরকার।আর সেই টাকা তুলে স্বামী-সংসার ছেড়ে প্রেমিকের হাত ধরে পালালেন ১১ তরুণী। ঘটনাটি ভারতের উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ জেলায়।এ ঘটনায় ওই তরুণীদের বিরুদ্ধে থানায় প্রতারণার অভিযোগ করেন তাদের স্বামীরা।জানা যায়, সম্প্রতি মহারাজগঞ্জের বেশ কয়েকটি গ্রামের ২ হাজার ৩৫০ জন সরকারের আবাসন প্রকল্পের আওতায় প্রথম কিস্তির টাকা পান। সবাই ৪০ হাজার করে টাকা পান। আর সেই টাকা পাওয়ার পরে তা হাতিয়ে নিয়ে বাড়ি ছাড়েন কমপক্ষে ১১ জন গৃহবধূ। সবাই প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।  ঘটনাটি জানাজানি হলে পরে স্থানীয় প্রশাসন ওই জেলায় সরকারের বরাদ্দের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এই ঘটনা সম্পর্কে সরকারিভাবে কেউই মুখ খোলেননি।উল্লেখ্য, আবাসন প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবার পাকা বাড়ি নির্মাণের আর্থিক সুবিধা পায়। কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে এ টাকা পায় তারা। আয়ের ভিত্তিতে সর্বাধিক আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেয় নরেন্দ্র মোদি সরকার। নিয়ম অনুযায়ী, যদি আবেদনে কোনো অসঙ্গতি থাকে তবে সুবিধাভোগীদের থেকে টাকা ফেরত নিয়ে নিতে পারে সরকার।
    কোটায় নিয়োগ, চাকরি শুরুর আগেই সরকারি সুবিধা চাইলেন নারী
    চাকরিতে যোগদানের আগেই সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা দাবি করেছিলেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার মিথ্যা দাবি করে ও নিজেকে কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এমন সুবিধা নিতে চেয়েছিলেন যা জুনিয়র অফিসারের পাওয়ার কথা নয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে চালু থাকা কোটা প্রথায় নিয়োগ পাওয়া পূজা খেড়কার ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে বদলি হয়েছেন। তিনি ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে এক আইএএস (ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস) কর্মকর্তা। জানা গেছে, অ্যাসিস্ট্যান্ট কালেক্টর হিসেবে যোগ দেওয়ার আগেই মুম্বাইয়ের পুনে জেলার ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরের কাছ থেকে পৃথক বাড়ি ও গাড়ি দাবি করেছিলেন পূজা।পূজা খেড়কার ভারতীয় প্রশাসন ক্যাডার আইএএসের ২০২৩ ব্যাচের কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি তার ব্যক্তিগত বিলাসবহুল সেডান গাড়িতে সাইরেন, ভিআইপি নম্বর প্লেট এবং ‘মহারাষ্ট্র সরকার’ স্টিকার ব্যবহারসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। এমনকি দায়িত্ব পালনকালে অধিকার না থাকলেও তাকে পুনের অতিরিক্ত কালেক্টর অজয় মোরের অফিস ব্যবহার করতেও দেখা গেছে।এছাড়া প্রশ্ন উঠেছে পূজা খেড়কারের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও। তিনি ভারত সরকার নির্ধারিত ওবিসি তথা অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি—কোটায় চাকরিতে নিয়োগ পান। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ছাড় পেতে পূজা নিজেকে দৃষ্টি ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী বলে দাবি করেছিলেন। তবে তার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য যে বাধ্যতামূলক পরীক্ষা করতে অস্বীকার করেন। ভারতীয় আইনে এটি বাধ্যতামূলক হলেও তিনি বারবার এড়িয়ে গেছেন।এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতের ক্যাডার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন পূজার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেছিল ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এ ছাড়া সম্প্রতি পুনের কালেক্টর সুহাস ডিভাসে মহারাষ্ট্র সরকারের মুখ্য সচিবের কাছে অভিযোগ করলে পূজা খেদকারকে ওয়াশিমে বদলি করা হয়।এদিকে এসব কুকীর্তি সামনে আসার পর এই কর্মকর্তাকে এখন বরখাস্ত করা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

    বিনোদন

    সব দেখুন
    প্রেমের গুঞ্জনের মধ্যেই একসঙ্গে কানাডায় জায়েদ-নুসরাত
      অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও সিডনিতে স্টেজ শোতে জায়েদ খানের সঙ্গে ছিলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। শোর বিরতিতে সেখানকার বিভিন্ন লোকেশনে একসঙ্গে ঘুরতে দেখা যায় তাদের। সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করেন সেসব মুহূর্তের ছবিও। এরপর থেকে মিডিয়া পাড়ায়  গুঞ্জন উঠেছে জায়েদ-নুসরাত একে অপরের প্রেমে মজেছেন। গুঞ্জনের মধ্যে আবারও  দুজনকে দেখা গেল কানাডায়। সেখানে দুজনই পারফর্ম করবেন। জায়েদ খান নিজেই ফেসবুকে একটি পোস্ট করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সেই পোস্ট নুসরাত ফারিয়াও শেয়ার করেছেন, লিখেছেন সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে ১৪ জুলাই।  জানা গেছে, কানাডার ক্যালগেরিতে অনুষ্ঠিত হবে এই শো। ইতোমধ্যে জায়েদ খান ও নুসরাত ফারিয়া দুজনই নাচের রিহার্সেলে অংশ নিয়েছেন। অনুশীলনের একটি ফটোতে দুজনকে একত্রে দেখা যায়।জায়েদ খানও নিজের শো প্রসঙ্গে বলেছেন, ব্লয়াস্ট শো হবে। কিন্তু এই শো হবে কোথায়? জানা গেছে কানাডার ক্যালগেরিতে অনুষ্ঠিত হবে এই শো। ইতোমধ্যে জায়েদ খান ও নুসরাত ফারিয়া দুজনই নাচের রিহার্সেলে অংশ নিয়েছেন। অনুশীলনের একটি ফটোতে দুজনকে একত্রে দেখা যায়। সেখানেও জায়েদ খান জানালেন দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে।এ প্রসঙ্গে জায়েদ খানের সঙ্গে হোয়াটস্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, নুসরাত ফারিয়া আমার সহকর্মী। এসব কিছু মানুষ নানা কারণেই ছড়ায়। মানুষকে ছোট করতে পারলে তাদের ভালো লাগে। ফলে এই চেষ্টা তারা করেই যায়। এসব নিয়ে মাথা ঘামানো যাবে না।এর আগে জায়েদ খান নিউ ইয়র্কে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে অংশ নেন। এরপর তাকে দেখা যায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-কানাডা ম্যাচে। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে উপস্থিত হয়েছিলেন।এমএইচ
    দিলদারকে হারানোর ২১ বছর আজ
    বাংলা সিনেমার ইতিহাসে দিলদার এক অনবদ্য নাম। বরেণ্য কৌতুক অভিনেতা দিলদার নিজের ভিতর শত কষ্ট চেপেও পর্দায় দর্শকদের হাসিয়েছেন তিনি। পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই যেন দর্শকের উন্মাদনা, করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠত সিনেমাহল। অভিনয়ে যেন জাদু ছিল তার। অভিনেতাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একচেটিয়া রাজত্ব করে গেছেন তিনি। শূন্যতা রেখেই বিদায় নিলেন দুনিয়া থেকে। ২০০৩ সালের আজকের এই দিনে মাত্র ৫৮ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন তিনি। তিনি নেই একুশ বছর। তবুও মানুষের মনে গেঁথে আছে এই অভিনেতা। তার চলে যাওয়ার ২১ বছর পার হয়ে গেলেও তার মত করে কেউ আর আসেনি। ১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার শাহতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দিলদার। এসএসসি পাস করার পর আর পড়ালেখা করেন নি, ছেড়ে দেন। এরপর ১৯৭২ সালে ‘কেন এমন হয়’ সিনেমার দিয়ে ঢালিউডে পা রাখেন। অসংখ্য সিনেমায় করেছেন তিনি ,দু হাতে কুড়িয়েছেন দর্শকের ভালোবাসা। শুধু কৌতুক অভিনেতা নয়, নায়ক হিসেবেও তাকে দেখা গিয়েছিল পর্দায়। ‘আব্দুল্লাহ’ সিনেমায় দিলদারের নায়িকা ছিলেন নূতন। সেই সিনেমাটিও দারুণ প্রশংসা কুড়ায়। কিন্তু এরপর সেভাবে আর তাকে পাওয়া যায়নি। কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই বাকিটা সময় অভিনয় করে গেছেন।একসময় শাবনূরের মতো নায়িকা হতে চেয়েছিলেন নমনিএকসময় শাবনূরের মতো নায়িকা হতে চেয়েছিলেন নমনি‘তুমি শুধু আমার’ সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে ২০০৩ সালে সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। যে বছর তিনি সেরার স্বীকৃতি পান, সে বছরই সবাইকে কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে। তার মৃত্যুর পর অনেক কৌতুক অভিনেতা এলেও সময়ের স্রোতে আবার হারিয়েও গেছেন। কেউই দিলদারের অভাব পূরণ করতে পারেননি।দিলদারের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হচ্ছে— ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘সুন্দর আলীর জীবন সংসার’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘শান্ত কেন মাস্তান’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্র।এসএফ
    কোটাব্যবস্থা থেকে তরুণ সমাজকে মুক্ত করা হোক: জিয়া
     সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে যৌক্তিক দাবি করে সংহতি জানিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘শিরোনামহীন’-এর লিডার জিয়াউর রহমান। তিনি মনে করছেন, কোটাব্যবস্থা মানেই এক্সট্রা বেনিফিট দেওয়ার রাস্তা।ফেসবুক পোস্টে জিয়া লিখেছেন, ‘‘‘কোটা ব্যবস্থা’’ মানেই এক্সট্রা বেনিফিট দেওয়ার রাস্তা। মেধার বাইরেও আলাদা করে বিশেষ ক্ষেত্র অফার, যাতে বঞ্চিত গোষ্ঠী সুবিধা পায় কিংবা অসাধারণ/বিশেষ অবদানের জন্য, নিজের চূড়ান্ত স্যাক্রিফাইসের জন্য পরিবার বেনেফিটেড হয়। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও এই এক্সারসাইজটা করার যুক্তিসংগত কোনো কারণ নেই।’মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করে জিয়া আরও লিখেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কারণেই আমরা স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বেঁচে আছি, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু লক্ষ করুন, নিশ্চয়ই মুক্তিযোদ্ধা বা ওনাদের নিকটাত্মীয় তরুণ নয়। বঞ্চিত গোষ্ঠীর বিবেচনাতেও একই রকম ইক্যুয়েশন আছে। তার মানে, কোটাব্যবস্থা একটা প্রবল মিসইউজের রাস্তা তৈরি করা ছাড়া এখন আর কোনো ভূমিকা রাখছে না। মাঝখান থেকে মেধাবী, যোগ্য তরুণ হারাচ্ছে তার সুযোগ। ফ্রাস্ট্রেশন নিয়ে পাড়ি দিতে হচ্ছে তার দৈনন্দিন জীবন।’ পোস্টের শেষে জিয়া লিখেছেন, ‘কোটাব্যবস্থা থেকে তরুণ সমাজকে মুক্ত করা হোক। মেধা ও যোগ্যতা স্বীকৃতি পাক। এটা অনস্বীকার্য যে, আমাদের দেশে সঠিক জায়গায় যোগ্য মানুষের অভাব আছে। বঞ্চিতকে বেনিফিট দিতে গিয়ে যোগ্য কাউকে বঞ্চিত করা কোনো সুফল নিয়ে আসে না।’এমএইচ
    মারা গেলেন অভিনেত্রী অপর্ণা
    ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিনা খান। নিজেই স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের কথা জানিয়েছেন। প্রথম কেমো থেরাপির পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিও পোস্ট করেছিলেন। গত ১০ জুলাই ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ ছাড়া আর কেউ তোমার এই কষ্ট দূর করতে পারবে না... দয়া করো আল্লাহ, দয়া করো।এদিকে হিনা খানের এই অসুস্থতার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। একই রোগে মারা গেলেন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপর্ণা ভাস্তারে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে ৫৭ বছর বয়স হয়েছিল এ অভিনেত্রীর।মৃত্যুর সময় স্বামী নাগরাজ ভাস্তারেকে রেখে গেছেন এ অভিনেত্রী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী অভিনেত্রীর স্বামী জানিয়েছেন, অপর্ণা ফুসফুস ক্যানসারে ভুগছিলেন। যা দুই বছর আগে শনাক্ত হয় এবং চতুর্থ স্টেজে ছিলেন।অপর্ণার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কর্ণাটকের অভিনেত্রী পদ্মজা রাও। দু’জন একসঙ্গে কয়েকটি ধারাবাহিকে কাজও করেছেন। সহকর্মীর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে তিনি বলেন, এক বছর ধরে দেখা হয়নি আমাদের। শেষকৃত্যেও যেতে পারলাম না। আবার সেভাবে কাঁদতেও পারি না।এছাড়াও পদ্মজা জানান- অপর্ণা কন্নড় ভাষার একজন উপস্থাপিকা ছিলেন। খেতে ভীষণ পছন্দ করতেন। গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। ওজনও অস্বাভাবিকভাবে কমে যাচ্ছিল। ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন। ক্যারিয়ারে বেঙ্গালুরুতে আরজে, সাংবাদিক ও উপস্থাপিকা হিসেবে খুবই পেশাদার ছিলেন অপর্ণা।ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের চিক্কামাগালুরুর কাদুর তালুকের পানাচানাহল্লিতে জন্ম অপর্ণা ভাস্তারের। বেড়ে উঠা বেঙ্গালুরুতে। তার বাবা ছিলেন কন্নড় প্রকাশনার একজন সিনেমা সাংবাদিক। ১৯৮৫ সালে কন্নড় সিনেমা ‘মাসানাদা হোভু’র মাধ্যমে পর্দায় অভিষেক হয় অপর্ণার।সুরেলা কণ্ঠ ও ব্যক্তিত্বের জন্য দর্শক-শ্রোতামহলে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। কন্নড় ভাষায় নম্মা মেট্রোয় কণ্ঠ দিয়েছেন। ১৯৯০ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে আরজে (রেডিও জকি) এবং ডিডি চন্দনাতে উপস্থাপক হিসেবে কাজ শুরু করেন অপর্ণা। এছাড়া ‘ইলাদা মেলে’ ও ‘প্রীতি ইলাদা মেলে’র মতো একাধিক হিট ধারাবাহিকে কাজ করেছেন এ অভিনেত্রী।এফএস

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    বৃষ্টি-ব্লকেডের অজুহাতে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার
    বৃষ্টি ও কোটাবিরোধী ‘বাংলা ব্লকেড’ অজুহাত দেখিয়ে ফের নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন। এসব অজুহাতে সরবরাহ ঠিক থাকলেও বাড়ানো হয়েছে ডাল, আলু ও ডিমসহ সকল পণ্যের দাম।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ৪৫-৫০ টাকার প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়, গত সপ্তাহের ১৩৫ টাকা কেজি মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় এবং গত সপ্তাহের ১৪০টাকা ডজন ফার্মের ডিম কিনতে হচ্ছে ১৫০-১৫৫ টাকায়। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা, যা আগে ১৬০-১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগেও ৯৫-১১০ টাকা ছিল।খুচরা বাজারে ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। গত সপ্তাহের ৫০ টাকার পেঁপে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে প্রতি কেজি লতি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। যা সপ্তাহ আগে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি করলার দাম ৬০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির কেজি ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা কেজি। যা ৭ দিন আগেও ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।এদিকে খুচরা বাজারে এক সপ্তাহ আগের ১৭০ টাকা কেজির ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৬০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়, মৃগেল ২৫০-৩৫০, পাঙাশ ১৯০-২২০, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০-১০০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৮০০-১২০০ টাকা, কাতল ৩০০-৪০০, পাবদা ৪০০-৫০০ টাকায় এবং তেলাপিয়া ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।কারওয়ান বাজারে পণ্য কিনতে আসা মো. রাতুল হাসান বলেন, বাজারে সব পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও নিত্য নতুন অজুহাত দিয়ে পণ্যের দাম বাড়িয়ে নাজেহাল করা হচ্ছে। মাসের বাজেট সপ্তাহে ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এমন এখন ডাল, ডিম ও আলুভর্তা করে ভাত খাবো তাও ভাবতে পারি না। যেন এসব দেখার কেউ নেই।একই বাজারের খুচরা বিক্রেতা শাহিন আলী বলেন, এখানে কারসাজি নেই। বৃষ্টিতে খেতের নেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া কাদার কারণে মাঠ থেকে সবজি সরবরাহ কম হচ্ছে। সেই সঙ্গে ছাত্রদের বাংলা ব্লকেডের কারণে পরিবহণ ব্যবস্থায় সমস্যা হচ্ছে। ফলে সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে।এসএফ
    পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে
    সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কমেছে।ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১২১৯ ও ১৯৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।এদিন ডিএসইতে ৬৬৪ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে প্রায় ৩০৩ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে। আগেরদিন ডিএসইতে ৯৬৭ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।  বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টি কোম্পানির, কমেছে ৩৪৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।এদিন লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো-সী পার্ল, সালভো কেমিক্যাল, অরিয়ন ইনফিউশন, লাভেলো আইসক্রিম, আলিফ ইন্ডাস্ট্রি, আফতাব অটো, ওয়াইমেক্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও দেশবন্ধু পলিমার।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১২৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ৭৫৭ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৬৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৪৩টির, কমেছে ২১২টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির কোম্পানির শেয়ার দর।বৃহস্পতিবার সিএসইতে ৯ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।এসএফ
    লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার, দফায় দফায় বাড়ছে দাম
    গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে পেঁয়াজের বাজারে। কোরবানির ঈদের আগে থেকে দফায় দফায় বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম।বাজার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকা সংশ্লিষ্টরা যেন কোনোভাবেই ঊর্ধ্বমুখী এ পণ্যটির দামের লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না।পেঁয়াজের দাম প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকার কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকটের কথা বলছেন বিক্রেতারা। যদিও রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সরবরাহের সংকট দেখা যায়নি। বরং ক্রেতারা এর পেছনে ব্যবসায়ীদের অসাধু মনোভাবকে দায়ী করছেন।সোমবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও পশ্চিম রাজাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারগুলোতে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। প্রতিটি দোকানেই সাধারণ সময়ের মতোই যথেষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে। দাম বাড়ায় পেঁয়াজ বিক্রি কিছুটা কমলেও চাহিদায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি।কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে প্রতিপাল্লা (পাঁচ কেজি) পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ ৫২০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে ৫১০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৯০ থেকে ৫০০ টাকা পাল্লা।এক সপ্তাহ আগে এ বাজারেই প্রতিপাল্লা পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ ৪৬০ টাকা, ফরিদপুরের পেঁয়াজ ৪২০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৪০ টাকা বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের পেঁয়াজের দাম পাল্লায় ৫০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কেজি হিসেবে বেড়েছে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।কোরবানির ঈদের আগে এ বাজারে প্রতিপাল্লা পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪০০ টাকা, ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৩৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৩৫০ টাকায়।পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও অনেক বেশি। পশ্চিম রাজাবাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি পাবনার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১০০ টাকা এবং ঈদের আগে ছিল ৯০ টাকা।দফায় দফায় পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, এখন বাজারে যে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে সেটি হালি পেঁয়াজ। এ পেঁয়াজ আরও ৪-৫ মাস আগে কৃষক ঘরে তুলেছেন। এ পেঁয়াজ এখন শেষের দিকে। তাই কৃষক হাটে পেঁয়াজ কম বিক্রি করছেন। এ কৃষকদের কাছ থেকেই আড়তদাররা পেঁয়াজ কিনে আনেন। তাদের কাছ থেকে আমরা পাইকারি বিক্রেতারা কিনি। আমাদের কাছ থেকে কেনে খুচরা বিক্রেতারা।এছাড়া গত কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে কৃষক তার পেঁয়াজ হাটে কম বিক্রি করছেন। যার কারণে বাজারে সরবরাহের সংকট তৈরি হয়েছে। দামও বেশ খানিকটা বেড়েছে। গত দুদিন বৃষ্টি না থাকায় পেঁয়াজের দাম কিছুটা স্থির হয়েছে। কিছুটা হয়তো কমবেও। তবে পেঁয়াজের দাম অনেক কমার সম্ভাবনা নেই। যদি বাইরে থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয় তাহলে পেঁয়াজের দাম আবার আগের অবস্থায় আসতে পারে। নাহলে আবার পেঁয়াজের মৌসুম না আসা পর্যন্ত এভাবেই থাকবে।মিঠু নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ভারতেই পেঁয়াজের দাম বেশি। যার কারণে বাংলাদেশে আসা ভারতীয় পেঁয়াজের দামও বেশি। নতুন দেশি পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজের দাম এমনই ৯০-১০০ টাকা থাকবে।পশ্চিম রাজাবাজারের মুদি দোকানদার মো. রুবেল বলেন, ঈদের আগে থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। আড়তদাররা বলছেনু, সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। আসল কারণ জানি না। আমরা আড়ত থেকে দুই এক বস্তা পেঁয়াজ কিনে আনি। যদি আড়তে পেঁয়াজের দাম কমে তাহলে আমরাও কম দাম বিক্রি করতে পারবো।এদিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীদের দায়ী করছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি, বড় বড় ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফার লোভে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। চাহিদার তুলনায় তাদের কম পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ কিনতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী ফেরদৌস রহমান। একটি পাইকারি দোকান থেকে ৫২০ টাক দরে এক পাল্লা পেঁয়াজ কিনেছেন তিনি।  তিনি বাংলানিউজকে বলেন, দুই সপ্তাহ আগে ৩৪০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনেছি। আজ কিনতে হলো ৫২০ টাকা দিয়ে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম এত বেশি বাড়ার কথা না। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো অদৃশ্য সিন্ডিকেট কাজ করছে। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে এ বাজার সিন্ডিকেটকে থামানো। নাহলে মানুষ এক সময় তার মৌলিক অধিকার পূরণে ব্যর্থ হবে। এখনই বাজার করতে গিয়ে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।সামশ তাবরিজ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, প্রতিদিন রান্নায় পেঁয়াজ প্রয়োজন হয়। চাইলেও এটিকে বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে পেঁয়াজ না খাওয়া ছাড়া উপায় নেই। এখনই চাহিদার তুলনায় অর্ধেক কিনতে হচ্ছে। শুধু পেঁয়াজ নয়, আলু, কাঁচা মরিচসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামই এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।এদিকে বেশ কয়েক সপ্তাহ বাড়তি দামের পর কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। বর্তমানে কারওয়ান বাজারে প্রতিহালি লাল ডিম ৪৮ টাকা ও সাদা ডিম ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও যথাক্রমে ৫০ ও ৪৬ টাকা ছিল। ঈদের আগে ছিল যথাক্রমে ৬০ টাকা ও ৫৫ টাকা।এসএফ
    ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
    ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০৯ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম হবে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা।রোববার (৭ জুলাই) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৭ হাজার ২৭৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮০ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, গত ৩০ জুন ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৩ টাকা ক‌মিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য ১ লাখ ১৭ হাজার ২৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।এসএফ
    জুনে খাদ‍্য মূল‍্যস্ফীতি ১০.৪২ শতাংশ
    গত জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ হয়েছে। এর আগে মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। একই সঙ্গে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও তিন মাস ধরে তা ১০ শতাংশের বেশি আছে। জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ।রোববার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে মূল্যস্ফীতির এই চিত্র পাওয়া গেছে।বিবিএসের তথ্যে দেখা গেছে, মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ; আগের মাস এপ্রিলেও তা ছিল দুই অঙ্কের ঘরে, ১০ দশমিক ২২ শতাংশ।মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭২ শতাংশের মানে হলো, গত বছরের জুন মাসে যেসব পণ্য ও সেবা ১০০ টাকায় কেনা গেছে, চলতি বছরের জুনে সেই একই পণ্য ও সেবা কিনতে একজন ভোক্তাকে ১০৯ টাকা ৭২ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এই এক বছরে বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেলে নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের কষ্ট সবচেয়ে বেশি বাড়ে। তাঁদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ হয়েছে। বিবিএসের হিসাব অনুসারে, আগের মাস অর্থাৎ মে মাসে এই মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ।দুই বছর ধরে বাংলাদেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এই পুরো সময় ধরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে। মূল্যস্ফীতির রাশ টানতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও তাতে লাভ হয়নি। বরং মূল্যস্ফীতি উচ্চ স্তরেই রয়েছে, মাঝেমধ্যে কেবল সামান্য একটু ওঠানামা করছে। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখন দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।বিশ্লেষকেরা বলেন, মূল্যস্ফীতি একধরনের কর; ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতি। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে ভোগান্তিতে পড়েন। দুই বছর ধরে চলা এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। প্রভাব পড়ছে মানুষের যাপিত জীবনে।অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, প্রকৃত মূল্যস্ফীতি বিবিএসের তথ্যের চেয়ে বেশি। এসএফ
    এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা
    রাজধানীতে সপ্তাহের ব্যাবধানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৩০ টাকা। রবিবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর নিউমার্কেট, আজিমপুর, পলাশী এবং চাঁনখারপুল এলাকার বিভিন্ন খুচরা দোকান ঘুরে পেঁয়াজের বাড়তি দামের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এলাকাভেদে এসব দোকানে সর্বনিম্ন ১২০ থেকে সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা পর্যন্ত দেশি পেঁয়াজের দাম চাইতে দেখা গেছে। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৯০ টাকা। এমন অবস্থায় বেশ বিপাকেই পড়েছেন সাধারণ মানুষ।সরকারি সংস্থার ঢাকা মহানগরীর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের খুচরা বাজার দরের প্রকাশিত তথ্যেও পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, বর্তমানে নতুন দেশি পেঁয়াজ সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ সপ্তাহ আগে যার বিক্রয়মূল্য ছিল সর্বনিম্ন ৯০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। এই একই পেঁয়াজ ১ মাস আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৮০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকায়। আর ১ বছর আগে এই সময়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৭০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা দরে। সেই হিসাব অনুযায়ী ১ বছরে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশের চেয়েও বেশি।অপরদিকে টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, আমদানি করা পেঁয়াজ এখন খুচরা বাজারে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ সপ্তাহ আগে এর বিক্রয়মূল্য ছিল সর্বনিম্ন ৯৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। আর ১ মাস আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ টাকায়। আর ১ বছর আগে এই সময়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা দরে।এই হিসাব অনুযায়ী ১ বছরে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশের চেয়েও বেশি।পেঁয়াজের বাড়তি দামের বিষয়ে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।সাম্প্রতিক সময়ে খরা, অতিবৃষ্টি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় রেমালসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে বাজারে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়া দাম বাড়ার কারণ হতে পারে।মালিবাগ এলাকার বাসিন্দা মাহমুদা আলম বলেন, ‘রাতারাতি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি আমাদের বিস্মিত করেছে। এভাবে মাংস, সবজিসহ সব জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকলে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষ কী করবে।’রাজারবাগ এলাকার গৃহকর্মী জহুরা বেগম বলেন, ‘কাঁচাবাজারে সবকিছুর দাম বেশি। এখন আমরা পেঁয়াজকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য মনে করি না। বেশিরভাগ সময় এটি ছাড়াই রান্না করার চেষ্টা করি।’প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর গত ৪ মে ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর ১৪ মে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। গত ২৩ মার্চ পেঁয়াজ রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়ানো হয়। নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও ছিল।
    যে কোনো দেশ থেকেই আলু ও পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
     আলু ও পেঁয়াজের আমদানিতে আইপি অনুমোদন দেয়া হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, যে কোনো আমদানিকারক এখন যে কোনো দেশ থেকে চাইলেই পেঁয়াজ ও আলু আমদানি করতে পারবেন। শনিবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে টিসিবি অডিটোরিয়ামে জাতীয় রফতানি ট্রফি ২০২১-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। গত ৬ মাসে মজুতদারি করে কোনো পণ্যে কেউ কারসাজি করতে পারেনি দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারি বৃষ্টির কারণে দেশের ১৮ জেলা তলিয়ে গেছে। এতে পণ্য আসতে সমস্যা হচ্ছে, যা সাময়িক। তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করা হবে। এছাড়া চাইলেই এখন যে কোনো দেশ থেকে পেঁয়াজ ও আলু আমদানি করা যাবে। জাতীয় রফতানি ট্রফি ২০২১-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। ছবি: সংগৃহীত দেশের গার্মেন্টস খাতে নির্ভরশীলতা কমিয়ে কৃষি ও চামড়া খাতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, রফতানি বাণিজ্যসহ সরকারের সব কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য দেশের বেকারত্ব দূর করা। এজন্য শুধু গার্মেন্টস খাতের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। তাই দেশের গার্মেন্টস খাতে নির্ভরশীলতা কমিয়ে কৃষি ও চামড়া খাতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ সময়ে রফতানি বাড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। তাই সব রফতানিকারকের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তথ্যভান্ডার তৈরির কথাও জানান তিনি।   প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব তৈরিতে সহায়তা করতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীনের ব্যবসায়ীরা। এছাড়া কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ আরবের দেশগুলোর সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ইউরোপসহ পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে রফতানি বাণিজ্য বাড়ানো হবে। এসময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রফতানির হিসাব জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করে, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) শুধু তা প্রকাশ করে। এখন থেকে এনবিআরের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রফতানিকারকদের সঙ্গে সরাসরি তথ্য নিয়ে কাজ করবে ইপিবির পরিসংখ্যান বিভাগ। তাহলে রফতানি তথ্য নিয়ে আর বিভ্রান্তি তৈরি হবে না আগামীতে।এমএইচ
    বৃষ্টি-ব্লকেডের অজুহাতে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার
    বৃষ্টি ও কোটাবিরোধী ‘বাংলা ব্লকেড’ অজুহাত দেখিয়ে ফের নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন। এসব অজুহাতে সরবরাহ ঠিক থাকলেও বাড়ানো হয়েছে ডাল, আলু ও ডিমসহ সকল পণ্যের দাম।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ৪৫-৫০ টাকার প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়, গত সপ্তাহের ১৩৫ টাকা কেজি মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় এবং গত সপ্তাহের ১৪০টাকা ডজন ফার্মের ডিম কিনতে হচ্ছে ১৫০-১৫৫ টাকায়। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা, যা আগে ১৬০-১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগেও ৯৫-১১০ টাকা ছিল।খুচরা বাজারে ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। গত সপ্তাহের ৫০ টাকার পেঁপে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে প্রতি কেজি লতি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। যা সপ্তাহ আগে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি করলার দাম ৬০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির কেজি ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা কেজি। যা ৭ দিন আগেও ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।এদিকে খুচরা বাজারে এক সপ্তাহ আগের ১৭০ টাকা কেজির ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৬০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়, মৃগেল ২৫০-৩৫০, পাঙাশ ১৯০-২২০, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০-১০০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৮০০-১২০০ টাকা, কাতল ৩০০-৪০০, পাবদা ৪০০-৫০০ টাকায় এবং তেলাপিয়া ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।কারওয়ান বাজারে পণ্য কিনতে আসা মো. রাতুল হাসান বলেন, বাজারে সব পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও নিত্য নতুন অজুহাত দিয়ে পণ্যের দাম বাড়িয়ে নাজেহাল করা হচ্ছে। মাসের বাজেট সপ্তাহে ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এমন এখন ডাল, ডিম ও আলুভর্তা করে ভাত খাবো তাও ভাবতে পারি না। যেন এসব দেখার কেউ নেই।একই বাজারের খুচরা বিক্রেতা শাহিন আলী বলেন, এখানে কারসাজি নেই। বৃষ্টিতে খেতের নেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া কাদার কারণে মাঠ থেকে সবজি সরবরাহ কম হচ্ছে। সেই সঙ্গে ছাত্রদের বাংলা ব্লকেডের কারণে পরিবহণ ব্যবস্থায় সমস্যা হচ্ছে। ফলে সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে।এসএফ
    পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে
    সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কমেছে।ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১২১৯ ও ১৯৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।এদিন ডিএসইতে ৬৬৪ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে প্রায় ৩০৩ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে। আগেরদিন ডিএসইতে ৯৬৭ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।  বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টি কোম্পানির, কমেছে ৩৪৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।এদিন লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো-সী পার্ল, সালভো কেমিক্যাল, অরিয়ন ইনফিউশন, লাভেলো আইসক্রিম, আলিফ ইন্ডাস্ট্রি, আফতাব অটো, ওয়াইমেক্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও দেশবন্ধু পলিমার।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১২৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ৭৫৭ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৬৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৪৩টির, কমেছে ২১২টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির কোম্পানির শেয়ার দর।বৃহস্পতিবার সিএসইতে ৯ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।এসএফ
    লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার, দফায় দফায় বাড়ছে দাম
    গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে পেঁয়াজের বাজারে। কোরবানির ঈদের আগে থেকে দফায় দফায় বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম।বাজার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকা সংশ্লিষ্টরা যেন কোনোভাবেই ঊর্ধ্বমুখী এ পণ্যটির দামের লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না।পেঁয়াজের দাম প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকার কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকটের কথা বলছেন বিক্রেতারা। যদিও রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সরবরাহের সংকট দেখা যায়নি। বরং ক্রেতারা এর পেছনে ব্যবসায়ীদের অসাধু মনোভাবকে দায়ী করছেন।সোমবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও পশ্চিম রাজাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারগুলোতে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। প্রতিটি দোকানেই সাধারণ সময়ের মতোই যথেষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে। দাম বাড়ায় পেঁয়াজ বিক্রি কিছুটা কমলেও চাহিদায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি।কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে প্রতিপাল্লা (পাঁচ কেজি) পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ ৫২০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে ৫১০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৯০ থেকে ৫০০ টাকা পাল্লা।এক সপ্তাহ আগে এ বাজারেই প্রতিপাল্লা পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ ৪৬০ টাকা, ফরিদপুরের পেঁয়াজ ৪২০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৪০ টাকা বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের পেঁয়াজের দাম পাল্লায় ৫০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কেজি হিসেবে বেড়েছে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।কোরবানির ঈদের আগে এ বাজারে প্রতিপাল্লা পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪০০ টাকা, ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৩৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৩৫০ টাকায়।পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও অনেক বেশি। পশ্চিম রাজাবাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি পাবনার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১০০ টাকা এবং ঈদের আগে ছিল ৯০ টাকা।দফায় দফায় পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, এখন বাজারে যে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে সেটি হালি পেঁয়াজ। এ পেঁয়াজ আরও ৪-৫ মাস আগে কৃষক ঘরে তুলেছেন। এ পেঁয়াজ এখন শেষের দিকে। তাই কৃষক হাটে পেঁয়াজ কম বিক্রি করছেন। এ কৃষকদের কাছ থেকেই আড়তদাররা পেঁয়াজ কিনে আনেন। তাদের কাছ থেকে আমরা পাইকারি বিক্রেতারা কিনি। আমাদের কাছ থেকে কেনে খুচরা বিক্রেতারা।এছাড়া গত কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে কৃষক তার পেঁয়াজ হাটে কম বিক্রি করছেন। যার কারণে বাজারে সরবরাহের সংকট তৈরি হয়েছে। দামও বেশ খানিকটা বেড়েছে। গত দুদিন বৃষ্টি না থাকায় পেঁয়াজের দাম কিছুটা স্থির হয়েছে। কিছুটা হয়তো কমবেও। তবে পেঁয়াজের দাম অনেক কমার সম্ভাবনা নেই। যদি বাইরে থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয় তাহলে পেঁয়াজের দাম আবার আগের অবস্থায় আসতে পারে। নাহলে আবার পেঁয়াজের মৌসুম না আসা পর্যন্ত এভাবেই থাকবে।মিঠু নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ভারতেই পেঁয়াজের দাম বেশি। যার কারণে বাংলাদেশে আসা ভারতীয় পেঁয়াজের দামও বেশি। নতুন দেশি পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজের দাম এমনই ৯০-১০০ টাকা থাকবে।পশ্চিম রাজাবাজারের মুদি দোকানদার মো. রুবেল বলেন, ঈদের আগে থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। আড়তদাররা বলছেনু, সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। আসল কারণ জানি না। আমরা আড়ত থেকে দুই এক বস্তা পেঁয়াজ কিনে আনি। যদি আড়তে পেঁয়াজের দাম কমে তাহলে আমরাও কম দাম বিক্রি করতে পারবো।এদিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীদের দায়ী করছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি, বড় বড় ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফার লোভে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। চাহিদার তুলনায় তাদের কম পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ কিনতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী ফেরদৌস রহমান। একটি পাইকারি দোকান থেকে ৫২০ টাক দরে এক পাল্লা পেঁয়াজ কিনেছেন তিনি।  তিনি বাংলানিউজকে বলেন, দুই সপ্তাহ আগে ৩৪০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনেছি। আজ কিনতে হলো ৫২০ টাকা দিয়ে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম এত বেশি বাড়ার কথা না। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো অদৃশ্য সিন্ডিকেট কাজ করছে। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে এ বাজার সিন্ডিকেটকে থামানো। নাহলে মানুষ এক সময় তার মৌলিক অধিকার পূরণে ব্যর্থ হবে। এখনই বাজার করতে গিয়ে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।সামশ তাবরিজ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, প্রতিদিন রান্নায় পেঁয়াজ প্রয়োজন হয়। চাইলেও এটিকে বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে পেঁয়াজ না খাওয়া ছাড়া উপায় নেই। এখনই চাহিদার তুলনায় অর্ধেক কিনতে হচ্ছে। শুধু পেঁয়াজ নয়, আলু, কাঁচা মরিচসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামই এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।এদিকে বেশ কয়েক সপ্তাহ বাড়তি দামের পর কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। বর্তমানে কারওয়ান বাজারে প্রতিহালি লাল ডিম ৪৮ টাকা ও সাদা ডিম ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও যথাক্রমে ৫০ ও ৪৬ টাকা ছিল। ঈদের আগে ছিল যথাক্রমে ৬০ টাকা ও ৫৫ টাকা।এসএফ
    ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
    ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০৯ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম হবে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা।রোববার (৭ জুলাই) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৭ হাজার ২৭৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮০ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, গত ৩০ জুন ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৩ টাকা ক‌মিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য ১ লাখ ১৭ হাজার ২৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।এসএফ
    জুনে খাদ‍্য মূল‍্যস্ফীতি ১০.৪২ শতাংশ
    গত জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ হয়েছে। এর আগে মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। একই সঙ্গে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও তিন মাস ধরে তা ১০ শতাংশের বেশি আছে। জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ।রোববার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে মূল্যস্ফীতির এই চিত্র পাওয়া গেছে।বিবিএসের তথ্যে দেখা গেছে, মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ; আগের মাস এপ্রিলেও তা ছিল দুই অঙ্কের ঘরে, ১০ দশমিক ২২ শতাংশ।মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭২ শতাংশের মানে হলো, গত বছরের জুন মাসে যেসব পণ্য ও সেবা ১০০ টাকায় কেনা গেছে, চলতি বছরের জুনে সেই একই পণ্য ও সেবা কিনতে একজন ভোক্তাকে ১০৯ টাকা ৭২ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এই এক বছরে বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেলে নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের কষ্ট সবচেয়ে বেশি বাড়ে। তাঁদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ হয়েছে। বিবিএসের হিসাব অনুসারে, আগের মাস অর্থাৎ মে মাসে এই মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ।দুই বছর ধরে বাংলাদেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এই পুরো সময় ধরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে। মূল্যস্ফীতির রাশ টানতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও তাতে লাভ হয়নি। বরং মূল্যস্ফীতি উচ্চ স্তরেই রয়েছে, মাঝেমধ্যে কেবল সামান্য একটু ওঠানামা করছে। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখন দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।বিশ্লেষকেরা বলেন, মূল্যস্ফীতি একধরনের কর; ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতি। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে ভোগান্তিতে পড়েন। দুই বছর ধরে চলা এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। প্রভাব পড়ছে মানুষের যাপিত জীবনে।অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, প্রকৃত মূল্যস্ফীতি বিবিএসের তথ্যের চেয়ে বেশি। এসএফ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ১০ নির্দেশনা দিল ‘বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন’
    সকল গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাশ করে কোটাপদ্ধতিকে সংস্কারের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ব্যানারে সারাদেশেরই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি চালাচ্ছেন।আন্দোলনকারীরা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন তার কিছু দিকনির্দেশনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি খোলা বার্তা শেয়ার করেন কোটা আন্দোলনকারীর সমন্বয় নাহিদ ইসলাম।এতে উল্লেখ করা হয়, যেভাবে আন্দোলন পরিচালনা করবেন-১। বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, জেলা ও মহানগরে যারা আন্দোলন সমন্বয় করছেন সবাই সংগঠিত হওয়ার জন্য আলাদা করে সমন্বয়ক কমিটি তৈরি করুন। দল, মত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখুন৷ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করুন এবং সবার আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। তবে আন্দোলনের স্বার্থে বিতর্কিত বা রাজনৈতিকভাবে প্রশ্ন উঠতে পারে এরকম কাউকে নেতৃত্ব পর্যায়ে রাখবেন না।২। আন্দোলনকে কোনো একক বা মূল নেতৃত্বের উপর নির্ভরশীল করবেন না। সবসময় বিকল্প নেতৃত্ব প্রস্তুত রাখুন। প্রথম দিকের নেতৃত্বে উপর ঝামেলা হলেও তাহলে আন্দোলন স্তিমিত হবে না। নেতৃত্বে নতুন চেহারা আনার চেষ্টা করুন।৩। ইন্টার্নালি সংগঠিত থাকুন কিন্তু আন্দোলনকে কোনো সাংগঠনিক রুপ দিবেন না। কমিটিটা শুধু শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য। আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ত চরিত্র যাতে বজায় থাকে৷ তবে কোনো পক্ষ অনুপ্রবেশ করে যাতে স্যাবোটেজ করতে না পারে এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন৷ আন্দোলন সব সময় শান্তিপূর্ণ ও অহিংস হবে।৪। যে স্থানে কর্মসূচি করবেন সেখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যোগাযোগ করতে চাইলে তাদের সঙ্গে কোঅপারেট করুন। কিন্তু সকল সিদ্ধান্ত আপনারাই নেবেন। কোনো ধরনের আপস করা যাবে না।৫। সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করার চেষ্টা করুন। জেলা বা মহানগরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করুন এবং একসঙ্গে বড় জমায়েত করার চেষ্টা করুন।৬। কারও ওপর কোনো আঘাত বা হুমকি আসলে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করুন। ভয় পাবেন না। পিছিয়ে যাবেন না। সামনে এসে কথা বলুন। এখানে গোপনীয়তার কিছু নাই। আমাদের দাবি ও বক্তব্য সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক।৭। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনকে যুক্ত করুন। কর্মসূচিতে সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখুন। জেলা ও মহানগরের নাগরিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কর্মসূচির আগে মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে ব্যাপক গণসংযোগ করুন। হলের রুমে রুমে, লাইব্রেরিতে প্রচার করুন।৮। মিডিয়া ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখুন। মিডিয়ার সামনে বুঝে শুনে কথা বলুন যাতে মূল বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ থাকে। প্রোগ্রামে ও মিডিয়ায় আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এরকম বক্তব্য বা স্লোগান দিবেন না।৯। ঢাকার সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি রাখার চেষ্টা করুন। 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' ব্যানার যারা ব্যবহার করবেন তারা অবশ্যই ঢাকার সঙ্গে আলোচনা করে নেবেন।১০। অর্থ সংগ্রহের জন্য সরাসরি ক্রাউড ফান্ডিং করুন। কোনো অনলাইন মিডিয়াম ব্যবহার করবেন না। অর্থের নিয়মিত হিসাব রাখুন এবং সমন্বয়ক টিমের কাছে হিসাব ক্লিয়ার রাখুন। কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ নেবেন না। কারও কাছ থেকে বেশি অঙ্কের টাকা নেবেন না। রাজনৈতিক স্বার্থ আছে এরকম কারও কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা নেবেন না।আরইউ
    পরীক্ষা পার করতে ছাত্রলীগ নেতার দেড় লাখ টাকায় চুক্তি
    ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলি পরীক্ষায় পাস করার পর লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে ‘প্রক্সিম্যান’ এর সঙ্গে চুক্তির অভিযোগ উঠেছে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে রেজার বিরুদ্ধে।শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে কাউছার নামে ওই প্রক্সিম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে দক্ষ ‘প্রক্সিম্যান’ খুঁজতে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করতে আসলে কয়েকজন শিক্ষার্থীর জেরার মুখে সব স্বীকার করেন। পরে শিক্ষার্থীরা তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন।‘প্রক্সিম্যান’ কাউছার আলীর বাড়ি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবির কুয়াতপুরে। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগ থেকে ২০১৪ সালে তিনি পড়ালেখা শেষ করেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে রেজার বাড়ি ওই জেলার ক্ষেতলার উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের দামগর গ্রামে।আজ (শনিবার) অনুষ্ঠিত ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ‘প্রক্সি’ প্রার্থী ঠিক করে দেওয়ার জন্যই চুক্তি হয় তাদের মধ্যে। কাউছারের সঙ্গে ছাত্রলীগের ওই নেতার হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনও প্রকাশ্যে চলে আসে।জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে প্রার্থীর খোঁজে ‘রবিন’ নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসেন কাউছার আলী। মূলত রবিন নামটি ব্যবহার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী কৌশলে কাউছারকে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। পরে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে নিয়ে যান কয়েকজন শিক্ষার্থী।আটক কাউছার আলী বলেন, রেজা প্রিলিমিনারিতে পাস করেন। তার লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি ভালো না। তিনি আমাকে বলেন, দেখো তো মামা, তুমি কোনও লাইন করতে পারো কি না। তার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রক্সি’ পরীক্ষার্থী পেলে পরীক্ষায় বসার জন্য ২০ হাজার টাকা এবং পাস করলে দেড় লাখ টাকার চুক্তিও হয়েছিল। কাউছার নিজেও কয়েকটি চাকরির পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে নিয়েছেন। তিনি বলেন, রেলওয়ের পয়েন্টসম্যান, খালাসি ও ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২-এর মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার পদসহ আরও বিভিন্ন পরীক্ষায় ‘প্রক্সি’ প্রার্থী হিসেবে অংশ নিই। গত ২৮ জুন রেলওয়ের পয়েন্টসম্যান পদের পরীক্ষা ছিল। ওই পরীক্ষায় একজন প্রার্থীর হয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। গত বছরের নভেম্বরে রেলওয়ের খালাসি পদে পরীক্ষা একজন প্রার্থীর হয়ে পরীক্ষায় বসেছি। মূলত পরীক্ষায় বসার জন্যই তিনি ২০ হাজার টাকা করে নেন। নিজে পরীক্ষা না দিতে পারলে ‘প্রক্সি’ পরীক্ষার্থী জোগাড় করে দেন। আর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর পাস করলে চাকরিভেদে এক থেকে দেড় লাখ টাকা নিয়ে থাকেন।জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থায় (এনএসআই) কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাসহ কয়েকটি পরীক্ষায় ‘প্রক্সি’ দিতে গিয়ে কয়েকবার কাউছার আলী আটক হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। এমনকি প্রক্সিকাণ্ডে তাকে হাজতবাসও করতে হয়েছে।এ বিষয়ে জানতে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক রেজার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।শাহবাগ থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান বলেন, গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী কাউছারকে থানায় সোপর্দ করেন। অভিযুক্ত এখনও থানায় রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন৷ মামলার পরে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।আরইউ
    রাবির সব হল, অনুষদ ও বিভাগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করলো ছাত্রলীগ
    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক বছরের হল কমিটি আড়াই বছর এবং ৭ বছর পর বিভাগ ও অনুষদ কমিটিও বিলুপ্তি ঘোষণা করেছে শাখা ছাত্রলীগ।  শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এসব কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর নির্দেশ অনুসারে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধিই মূলত লক্ষ্য।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ১১টি আবাসিক হল, অনুষদ ও বিভাগ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হলো।এর আগে, ২০১৮ সালে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার ৫টি অনুষদ ও ১৩টি বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি দেন তৎকালীন সভাপতি গোলাম কিবরিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু। ২০২২ সালের ১৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে হল ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।২৪ মার্চ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১৭টি আবাসিক হলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ১ বছর পরে এ কমিটি পূর্ণাঙ্গ হয়।  এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ১ বছর মেয়াদি নতুন কমিটির প্রায় ৯ মাস হতে চলছে। তবে এই আংশিক কমিটি এখনও পূর্ণাঙ্গ হয়নি।শাখার কমিটি পূর্ণাঙ্গ না করে অন্য ইউনিট কমিটি বিলুপ্ত ও গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এ ব্যাপারে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা দ্রুতই শাখা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করব। তারপরই হল, বিভাগ, ইনিস্টিউট ও অনুষদের কমিটি গঠন করব।  এর আগে গত বছর ২১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি ও আসাদুল্লা-হিল-গালিবকে সাধারণ সম্পাদক সহ ২০ জন সহ-সভাপতি, ৮ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৯ জন সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করা হয়। বিগত কমিটি সাত বছর দায়িত্ব পালন করেছে। এইচএ
    তৃতীয় ধাপেও কলেজ পায়নি ১২ হাজার শিক্ষার্থী
    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তৃতীয় ও শেষ ধাপের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) রাত ৮টায়। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সময় শেষ হয়ে গেলেও কলেজ পাননি প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭শ’ জন।শুক্রবার (১২ জুলাই) রাত ৮টায় একাদশে ভর্তির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে তৃতীয় ও শেষ ধাপের ফল প্রকাশের পর এসব তথ্য জানা গেছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জানান, ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী- তিন ধাপে আবেদন নেওয়ার কথা ছিল। এ তিন ধাপ শেষেও ১২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী কলেজ বরাদ্দ পাননি। তার মধ্যে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ৭শ’ জনের মতো।আবারও ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে কিনা সে বিষয়েও পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেননি অধ্যাপক তপন কুমার। তিনি জানান, আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে সিদ্দান্ত নেওয়া হবে। তবে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তিবঞ্চিত হোক, এমনটা কারও কাম্য নয়।অধ্যাপক তপন কুমার বলেন, হিসাব অনুযায়ী এসএসসিতে কৃতকার্য দেশের প্রায় ১৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর বিপরীতে কলেজে আসন আছে ২৫ লাখের মতো। এরপরেও শিক্ষার্থীদের ভর্তিবঞ্চিত হওয়ার কারণ পছন্দের কলেজ না পাওয়া।ভর্তি তথ্যানুযায়ী, তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা, চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত।ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।এইচএ

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    কম্পিউটার কিবোর্ডের অক্ষরগুলো এলোমেলো থাকে কেন
      টাইপ করার জন্য কিবোর্ডে কোথায় কোন অক্ষর আছে তা মনে রাখতে হয়। এটা কিন্তু সহজ কোনো বিষয় নয়। কারণ কিবোর্ডে বর্ণমালাগুলো এলোমেলো থাকে।তাই এগুলো মনে রাখতে প্রচুর অনুশীলন করতে হয়। কিবোর্ডের অক্ষরগুলো সাধারণ বর্ণনানুক্রমিক অনুসারে সাজানো হলে মানুষের এত অনুশীলনের প্রয়োজন হতো না। তাহলে কেন অক্ষরগুলো এলোমেলোভাবে রেখে কিবোর্ড তৈরি করা হয়। সাধারণত আমরা যে কিবোর্ড ব্যবহার করি তার নাম হলো কোয়ার্টি। এই কিবোর্ডের বাম পাশে Q, W, E, R, T ও Y–এই ছয়টি ইংরেজি অক্ষর পাশাপাশি থাকে। এই ছয় অক্ষরবিন্যাস থেকে কিবোর্ডটির নামকরণ কোয়ার্টি। কোয়ার্টি কিবোর্ডের সঙ্গে ১৮৭০ সালে তৈরি করা প্রথম টাইপরাইটারের সম্পর্ক রয়েছে। ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলেস প্রথম ব্যবহারযোগ্য ‘রেমিংটন মডেল ১’ টাইপরাইটার তৈরি করেন। তাঁর তৈরি প্রথম টাইপরাইটারের অক্ষরগুলো বর্ণানুক্রমিক ছিল। তবে এই টাইপরাইটারে দ্রুত টাইপ করার সময় এর কি গুলো আটকে যেত। কারণ এর রডগুলোর প্রায়ই একটি আরেকটির সঙ্গে সংঘর্ষ হতো। তাই এই টাইপরাইটারে ধীর গতিতে টাইপ করতে হতো।  ফাউন্ড্রি শোলেস তাঁর সহকর্মী কার্লোস গ্লিডেন ও আমোস ডেন্সমোর নামে এক শিক্ষাবিদের সঙ্গে মিলে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। তাঁরা কিবোর্ডের অক্ষরগুলো এমনভাবে সাজান যেন এগুলোর রড একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত না হয়। ফলে তাঁরা টাইপরাইটারের অক্ষরগুলো কোয়ার্টি বিন্যাসে সাজান। ১৯৭৮ সালে এই কোয়ার্টি কিবোর্ডের পেটেন্ট হয়। টাইপরাইটারের জন্য এই বিন্যাসকেই মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। যারা টাইপরাইটারে লিখতেন তাঁরা এই বিন্যাসেই অভ্যস্ত হয়ে যান। এরপর রেমিংটন ২মডেলের টাইপরাইটারের জনপ্রিয়তার মাধ্যমে টাইপরাইটারের জন্য এই বিন্যাস একেবারেপাকাপোক্ত হয়ে যায়। পরে কম্পিউটারে টাইপের জন্য কিবোর্ড তৈরি করা হলে এতেও অক্ষরের একই ক্রম অনুসরণ করা হয়। কারণ এত দিনে সবাই এই বিন্যাসেই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আর কিছুদিন অনুশীলনের পরই কোয়ার্টি কিবোর্ডে দ্রুত টাইপ করা যায়। তাই এখনো সর্বজনীনভাবে এই বিন্যাসের কিবোর্ডই ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের কিবোর্ড তৈরি করা হয়েছে। আঙুলের আরাম ও দ্রুত টাইপিংয়ের জন্য ডভোরাকের মতো বেশ কিছু কিবোর্ড বাজারে এসেছে। তবে কোয়ার্টি কিবোর্ডের জনপ্রিয়তার ধারেকাছে কোনোটি যেতে পারেনি। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়াএমএইচ
    জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ধরা পড়লো যমজ গ্যালাক্সির ছবি
    জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের তোলা একটি ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তাতে যমজ বা একে অপরের সাথে জোড়া লাগা দুটি গ্যালাক্সি দেখা যাচ্ছে। প্রচুর গ্যাস, ধূলিকণা এবং কোটি কোটি গ্রহ-উপগ্রহ ও নক্ষত্রের সমাহারকে গ্যালাক্সি বলা হয়। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে গ্যালাক্সির মধ্যে এই সব কিছু এক সঙ্গে আবদ্ধ থাকে। নাসা যে দুটি গ্যালাক্সির ছবি প্রকাশ করেছে, তার একটির নাম দেয়া হয়েছে পেঙ্গুইন। কারণ গ্যালাক্সিটি দেখতে অনেকটা পেঙ্গুইনের মতোই। আরেকটি ডিমের মতো দেখতে। তাই এর নাম ডিম।  ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে গত শুক্রবার (১২ জুলাই)। এদিন ছিল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মহাকাশের ছবি তোলার কাজের দুই বছর পূর্তির দিন। ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাকাশের পথে উড়াল দেয় বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। প্রায় এক মাসের যাত্রা শেষে ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি পৃথিবী থেকে ১০ লাখ মাইলের দূরের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয় এটি। এরপর জুলাইয়ে নিজের কাজ শুরু করে সে। আরও পড়ুন: বৃহস্পতির উপগ্রহে প্রাণের অনুকূল পরিবেশ, ধরা পড়ল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রঙিন ছবি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ১২ই জুলাই। তখন থেকেই মহাবিশ্বের নিত্যনতুন দৃশ্য দেখে আসছে হাবল টেলিস্কোপের এই উত্তরসূরী। গত দুই বছরে এই দূরবীক্ষণ যন্ত্রের তোলা বহু বিস্ময়কর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সবশেষ প্রকাশ করা হলো যমজ গ্যালাক্সির ছবি। যমজ গ্যালাক্সি এমন এক জোড়া জ্বলজ্বলে গ্যালাক্সি, যাদেরকে একে অপরের সাথে আলিঙ্গনরত দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ ক্রমেই একটি অপরটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। এই জোড়া গ্যালাক্সি ৩২৬ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এক আলোকবর্ষ ৫.৮ ট্রিলিয়ন মাইলের সমান। নাসা বলছে, কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে পরস্পরের সঙ্গে এভাবে জট পাকিয়ে রয়েছে পেঙ্গুইন ও ডিম। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের পাঠানো ছবিতে স্পষ্ট, প্রায় সংযুক্ত গ্যালাক্সি দুটি নীল তারকা ও গ্যাসের কুয়াশা দ্বারা বেষ্টিত। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এক সময় একক গ্যালাক্সিতে পরিণত হবে পেঙ্গুইন ও ডিম। ৪০০ কোটি বছর পর একদিন আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি এবং অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সিও একই মিথস্ক্রিয়ায় একক গ্যালাক্সিতে পরিণত হবে।   প্রিমিয়ার অবজারভেটরি জেমস ওয়েবের ইনফ্রারেড আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মহাবিশ্বের অভূতপূর্ব সব চিত্র পাঠাচ্ছে, যা আগে মানুষ কখনও দেখেনি। জেমস ওয়েব বর্তমানে পৃথিবী থেকে ১০ লাখ মাইল (১৬ লাখ কিলোমিটার) দুরে অবস্থান করছে।  নাসার বিজ্ঞানী মার্ক ক্ল্যাম্পিন বলেছেন, মাত্র দুই বছরে, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়েছে, যা বৈপ্লবিক। সূত্র: আল জাজিরা। 
    সারাদেশে আজ থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি
    রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য কক্সবাজারে দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল (সিমিউই-৪) আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা আংশিকভাবে বন্ধ থাকবে। এর ফলে দেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ধীরগতি হতে পারে।শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস কোম্পানি লিমিটেড পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবমেরিন কেবল (সিমিউই-৪) সিস্টেমের সিঙ্গাপুর প্রান্তে কনসোর্টিয়াম কর্তৃক গৃহীত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করার জন্য শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা এ কেবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো আংশিক বন্ধ থাকবে। এ কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হতে পারে।এতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসসিপিএলসি। তবে এই সময় কুয়াকাটায় দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (সিমিউই-৫) যথারীতি চালু থাকবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিপিএলসি) সিমিউই-৪ এবং সিমিউই-৫ নামের দুটি আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবল কনসোর্টিয়ামের (কোম্পানি) সদস্য। কেবল দুটির মাধ্যমে বাংলাদেশের ইন্টারনেট এবং আন্তর্জাতিক ভয়েস ট্র্যাফিক চলছে। প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়। এটি প্রায় ৮০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করে থাকে।আরইউ
    বিশ্বের প্রথম এআই সুন্দরী বিজয়ী কেনজা লাইলি
    বিশ্বজুড়ে এইআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে চলছে না আয়োজন। কী না করা যায় এআই দিয়ে? মানুষের চেহারাও তৈরি করা এআই এর কাছে এখন এক তুরির কাজ। কিন্তু, এআইকে ব্যবহার করে একজন মানুষের চেহারা কতটা আকর্ষণীয় করা যায়, সেখানেই রয়েছে যত দক্ষতা। গত কয়েক বছর যাবত আকর্ষণীয় চেহারা তৈরিতে বেশ জনপ্রিয় উঠেছে এ প্রযুক্তি। সম্প্রতি বিশ্বে প্রথমবারের মত হয়েছে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সুন্দরী প্রতিযোগিতা। এতে বিজয়ীর মুকুট অর্জন করেছেন কেনজা লাইলি নামে এক মরক্কোর ইনফ্লুয়েন্সার।তবে, সাধারণ বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার মত কেনজা লাইলি তার সৌন্দর্যের ওপর মুকুট অর্জন করেননি। এখানে অংশগ্রহণকারীরা এআইকে ব্যবহার করে একটি ভার্চুয়াল মডেলকে নিজের মত রূপ দিয়েছেন। সবমিলিয়ে মডেলের গঠন, পোশাক, ডিজাইন দেখে বিবেচনা করা হয়েছে কোন প্রতিযোগী এআই মডেলকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় রূপে তৈরি করেছে। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরের দক্ষতা এবং কোন টুলের মাধ্যমে ক্রিয়েটর এ মডেল বানিয়েছেন, তা যাচাই করা হয়েছে। এখানে প্রম্পট সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আয়োজন করা হয় বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস এআই’। এআই কনটেন্ট-নির্ভর ওয়েবসাইট ফ্যানভ্যু আয়োজন করে ইভেন্টটি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। এতে মরক্কোর হিজাবি ইনফ্লুয়েন্সার কেনজা লাইলির মাথায় উঠেছে বিজয়ীর মুকুট।এবি 
    পরকীয়া করে পাখিরাও, যা বলছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা
    পাখির মতো প্রাণী, যাদের বেশির ভাগকেই আমরা এক সঙ্গীতে জীবন পার করে দিতে দেখি, সেসব পাখিদের কিছু কিছু আবার পরকীয়ায় মেতে ওঠে।কোকিল গোষ্ঠীর পাখিরা বাসা বাঁধে না। তাই এদের নির্দিষ্ট কোনো সঙ্গীও থাকে না। শুধু প্রজনন মৌসুমে সঙ্গী নির্বাচন করে।  প্রজননের পর অন্য পাখিদের বাসায় ডিম পাড়ে। তাই প্রজননের পর সঙ্গীর সঙ্গে থাকার প্রয়োজন মনে করে না।কিন্তু যেসব পাখিদের নিজেদের জোড়া থাকে, তাদের জন্য পরকীয়াটা একটু অদ্ভুদ বটে। তবে এদের পরকীয়ার পেছনেও রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ।বৈজ্ঞানিক কারণগুলো জানার আগে জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন পাখির মধ্যে পরকীয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এই তালিকায় সবচেয়ে পরিচিত পাখিটির নাম চড়ুই। আমাদের বসত বাড়িতে যেসব চড়ুই বাসা করে, এরা পরকীয়ায় অভ্যস্ত। এছড়া বিশ্বের আরও পাখির নাম সং স্প্যারো, ইউরোপিয়ান স্টারলিং, মালার্ড ডাক, রেড-ব্যাকড ফেয়ারিউরেন রয়েছে এ তালিকায়।কেন এরা পরকীয়া করে? এর পেছনে রয়েছে জেনেটিক কারণ। জেনিটিক বৈচিত্র বাড়ানোর জন্য অনেক পাখি পরকীয়া করে। একাধিক পুরুষে পাখির সঙ্গে মিলনের ফলে তাদের সন্তানেরা বৈচিত্রপূর্ণ জেনেটিক বৈশিষ্ট্য লাভ করে। এট প্রাকৃতিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাদের বেশি দেয়।পরকীয়া করে পাখিরা প্রজনন সাফল্য বাড়াতে চায়। একাধিক পুরুষের সঙ্গে মিলিত হলে মেয়ে পাখির প্রজনন সাফল্য বৃদ্ধি পায় এবং তাদের সন্তানদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।পুরুষ পাখিদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনেক সময় পরকীয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যারা শক্তিশালী বা সুস্থ তারা বেশি সংখ্যক মেয়ে পাখির সঙ্গে মিলিত হতে পারে। আবার কিছু পাখির যেমন মালার্ড হাঁস (ডাক)—এদের সামাজিক কাঠামো বেশ জটিল। এই সমাজ কাঠামোতে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠা খুব সাধারণ ব্যাপার। এতে তারা নিজেদের সামাজিক অবস্থান দৃঢ় করতে পারে।গবেষকদের মতে, পাখিদের পরকীয়া সম্পর্কের পেছনে হরমোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেসটোস্টেরন এবং এস্ট্রোজেনের হরমনোর মাত্রা পাখিদের যৌন আকাঙ্ক্ষা ও যৌন আচরণকে প্রভাবিত করে। পাখিদের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা প্রমাণ করে যে, প্রকৃতি কেবলমাত্র একগামীতা দ্বারা পরিচালিত হয় না। জেনেটিক বৈচিত্র্য, প্রজনন সাফল্য, পুরুষের প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক কাঠামো পাখিদের পরকীয়া সম্পর্কের প্রধান কারণ। সূত্র : সায়েন্স ডিরেক্ট ওমলিকুলার ইকোলজি জার্নাল 
    দূরের গ্রহে ‘পচা ডিমের দুর্গন্ধ’, দাবি বিজ্ঞানীদের
    গ্রহটির খোঁজ মিলেছিল ২০০৫ সালে। এর পর থেকে এক্সোপ্ল্যানেটের বায়ুমণ্ডল সংশ্লিষ্ট গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এটি। দূরের এক ভয়ঙ্কর গ্রহে ‘পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ’ থাকতে পারে, সম্প্রতি এমনই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।এ অর্জন শুধু বিভিন্ন অতি গরম ভিন গ্রহ সম্পর্কে মানুষের প্রচলিত বোঝাপড়াই বাড়ায় না, বরং ভিন্ন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট।নতুন গবেষণা অনুসারে, হাইড্রোজেন সালফাইডের অস্তিত্ব থাকতে পারে ‘এইচডি ১৮০৭৩৩বি’ নামের গ্যাস জায়ান্ট এক্সোপ্ল্যানেটে, যা আকারে বৃহস্পতির সমান।দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞানীদেরকে নতুন তথ্যও দিচ্ছে এ অণুটি, যেখানে সালফার, যা কোনো গ্রহের গঠনপ্রক্রিয়ায় ‘বিল্ডিং ব্লক’ হিসাবে কাজ করে, সেটি কীভাবে সৌরজগতের বাইরের বিভিন্ন গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেটের বায়ুমণ্ডলে প্রভাব ফেলতে পারে।সূর্য ও বুধ গ্রহের মধ্যকার দূরত্বের তুলনায় গ্রহটি নিজের কেন্দ্রীয় তারার চেয়ে প্রায় ১৩ গুণ কাছে। আর কোনো কক্ষপথ প্রদক্ষিণের বেলায় এটি মাত্র পৃথিবীর দুই দিন সমান সময় নিয়ে থাকে।গ্রহটির তাপমাত্রা প্রায় ৯২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এর চরম বৈরি আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। এর মধ্যে রয়েছে কাঁচওয়ালা বৃষ্টিপাত, যা আড়াআড়িভাবে প্রতি ঘণ্টায় আট হাজার ৪৮ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হয়।“সেখানে যে হাইড্রোজেন সালফাইডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ অণু রয়েছে, সেটা আমরা জানতাম না”,বলেন এ গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি’র জোতির্পদার্থবিদ গুয়াংওয়েই ফু।“আমাদের অনুমান ছিল, এটা শুধু বৃহস্পতি গ্রহেই থাকতে পারে। তবে আমরা আসলে সৌরজগতের বাইরে একে কখনও শনাক্ত করে দেখিনি।”“আমরা এই গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজছি না। কারণ এটা অনেক গরম। তবে, এতে হাইড্রোজেন সালফাইড পাওয়ার বিষয়টি অন্যান্য গ্রহে এই অণু খুঁজে পাওয়া ও বিভিন্ন ধরনের গ্রহ কীভাবে গঠিত হয়, সে সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনায় এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”‘জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি’র নতুন এ গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘নেচার’-এ, যেখানে নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তথ্য ব্যবহার করেছেন গবেষকরা।২০০৫ সালে পৃথিবী থেকে ৬৫ আলোকবর্ষ দূরে ভালপেকুলা নক্ষত্রপুঞ্জে একটি নতুন বহির্গ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। নব আবিষ্কৃত এই গ্রহের নাম রাখা হয়েছিল এইচডি ১৮৯৭৩৩ বি। বৃহস্পতি গ্রহের সঙ্গে মিল থাকার পাশাপাশি এই গ্রহের তাপমাত্রাও অনেক। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই গ্রহের তাপমাত্রা ৯২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একে ‘তপ্ত বৃহস্পতি’ নামেও ডাকেন।‘হট জুপিটার’ নামে ডাকা এই গ্রহটির অবস্থান পৃথিবী থেকে মাত্র ৬৪ আলোকবর্ষ দূরে হওয়ায় জোতির্বিদরা এর কেন্দ্রীয় তারার সামনে দিয়ে চলে যাওয়ার গতিবিধিও পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন।গ্রহটির খোঁজ মিলেছিল ২০০৫ সালে। এর পর থেকে এক্সোপ্ল্যানেটের বায়ুমণ্ডল সংশ্লিষ্ট গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এটি।এদিকে, জেমস ওয়েবের পাওয়া নতুন তথ্যে ‘এইচডি ১৮৯৭৩৩ বি’-তে মিথেনের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনাও নাকচ হয়ে গেছে।“আমরা ভেবেছিলাম, অতিরিক্ত মিথেন থাকার কারণে গ্রহটি খুব উত্তপ্ত। তবে এখন আমরা জানি, বিষয়টি এমন নয়,” বলেন ফু।এসএফ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে পারবে সরকার: হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
     ২০১৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে পরিপত্র অবৈধ ঘোষণার রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, সরকার চাইলে কোটা পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে পারবে। কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে পারবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করেন।  গত ৫ জুন সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর ৯ জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওইদিন এই আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত। সেদিন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছিলেন, কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে নাকি বাতিল হবে এ বিষয়ে আপিল বিভাগই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।   ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বুধবার (১০ জুলাই) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের এই রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করতে বলেছেন আদালত। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।এমএইচ 

    প্রবাস

    সব দেখুন
    ইতালিতে স্পন্সর ভিসায় জালিয়াতি, বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৪৪
    ইতালিতে স্পন্সর ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে ৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরমধ্যে ইতালি নাগরিকের পাশাপাশি আছেন বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকজন এশীয় ও আফ্রিকান।ইতালিতে স্পন্সর ভিসায় জালিয়াতি। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তালিকার বাইরের অযোগ্য প্রার্থীরা পাচ্ছেন সুযোগ। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মেলনে এমন তথ্য দেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।তিনি জানান, এই প্রক্রিয়ায় জড়িতরা মানি লন্ডারিংয়েও জড়িত। প্রধানমন্ত্রীর এমন অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসে দেশটির পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দারা।এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার (১০ জুলাই) রাত থেকে শুরু হয় অভিযান। অত্যন্ত গোপনীয় এ অভিযানে দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয় ৪৪ জনকে। এরমধ্যে ১৩ জনকে কারাগারে, ২৪ জনকে গৃহবন্দী এবং সাত জনকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে ইতালির পুলিশ প্রশাসন ও প্রসিকিউটররা। নাপলির পাশে সালের্নোতে অস্তিত্বহীন ও ভুয়া তথ্যে বিপুল অর্থের বিনিময়ে প্রায় আড়াই হাজার স্পন্সর ভিসা দেয়া হয়েছে। চক্রের সঙ্গে সরকারি আমলারাও জড়িত বলে জানা গেছে। অভিযানে দালালদের কাছ থেকে নগদ প্রায় ছয় মিলিয়ন অবৈধ ইউরো জব্দ করা হয়েছে। অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেফতার ৪৪ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানা গেছে। ইতালির স্পন্সর ভিসা জালিয়াতির প্রধান টার্গেট বাংলাদেশিরা। দালালের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন অনেক অভিবাসন প্রত্যাশী। তাই অবৈধ লেনদেন এবং দালাল চক্রের খপ্পরে না পড়ার পরামর্শ ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির।এসএফ

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    বাসায় বসে বানিয়ে নিন রেড ভেলভেট ওয়াফল
    মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশিরভাগ বাঙালির খুব প্রিয়। বর্তমান সময়ে নানা শারীরিক সমস্যার কারনে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া বারণ থাকে, কিন্তু কতজন প্রিয় খাবার থেকে মুখ সরিয়ে রাখতে পারে! আবার সেটা যদি হয় পেস্ট্রি, পাফ, ক্রিম রোল, রেড ভেলভেট ইত্যাদি। অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে রেড ভেলভেট। এমন অনেকেই আছেন যারা কেক শপে গেলেই রেড ভেলভেটের খোঁজ করেন। তাহলে আর দেরি কেনো ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন এই রেড ভেলভেট ওয়াফল গ্লেইজ তৈরির উপকরণ: ক্রিম পনির ১১০ গ্রাম, মাখন ৫০ গ্রাম, চিনি ২৫০ গ্রাম, ভ্যানিলা নির্যাস ৫ গ্রাম, দুধ ১২০ মিলিলিটার।গ্লেইজ তৈরির প্রণালি: একটি বড় পাত্রে ক্রিম পনির ও মাখন একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর একে একে চিনি, ভ্যানিলা নির্যাস ও দুধ যোগ করুন। মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত মেশাতে থাকুন।ওয়াফল তৈরির উপকরণ: ময়দা ২৫০ গ্রাম, চিনি ৫০ গ্রাম, বেকিং পাউডার ১০ গ্রাম, কোকো পাউডার ২০ গ্রাম, লবণ স্বাদমতো, বাটার মিল্ক ৪০০ মিলিলিটার, মাখন ৭০ গ্রাম, ডিম ২টি, ভ্যানিলা নির্যাস ৫ গ্রাম, আপেল সিডার ভিনেগার ২ মিলিলিটার, ফুড কালার (লাল রং) ২০ মিলিলিটার।ওয়াফল তৈরির প্রণালি: বড় আরেকটি পাত্রে ময়দা, চিনি, বেকিং পাউডার, কোকো ও লবণ দিয়ে মিশিয়ে আলাদা করে রাখুন। অন্য একটি পাত্রে বাটার মিল্ক, মাখন, ডিম, ভ্যানিলা ও আপেল সিডার ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। ফুড কালার যোগ করুন। এবার দুই বাটির মিশ্রণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।ওয়াফল মেকার গরম করে তাতে নন–স্টিক স্প্রে দিয়ে স্প্রে করুন। এরপর মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ৩ মিনিট পর ওয়াফল তুলে নিন। ক্রিম চিজ গ্লেইজ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।এবি 

    Loading…