এইমাত্র
  • আবারও ভূমিকম্পে কাঁপলো দেশ
  • মহাত্মা গান্ধীর ৪২৬ কেজি ওজনের ভাস্কর্য চুরি
  • এবার পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা
  • উত্তেজনার মধ্যেই লোহিত সাগরে মার্কিন-ইসরায়েলের মহড়া
  • প্যারিসে মাস্কের এক্স কার্যালয়ে তল্লাশি
  • প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট
  • ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত ১৩৯ বিদেশি গ্রেপ্তার
  • কারাবন্দি সাফিকুরের নিয়োগ বাতিল, বিমানের নতুন এমডি হুমায়রা
  • ৩৫০০ প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল কুয়েত
  • নির্বাচন ও গণভোটে প্রস্তুতির কথা জানালেন সেনাপ্রধান
  • আজ বুধবার, ২০ মাঘ, ১৪৩২ | ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    এবার পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা
    পে-স্কেলের দাবি বাস্তবায়নের জন্য টানা তিন দিনের কর্মসূচি দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এদিকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, পে-স্কেল বাস্তবায়ন হতে সময় লাগলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবে না পরবর্তী নির্বাচিত সরকার।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।বর্তমান সরকারের অবস্থান ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পরবর্তী সরকারের জন্য একটা স্বস্তিদায়ক অর্থনৈতিক অবস্থা রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর নড়বড়ে অর্থনীতি দেড় বছরে ঠিক হয়েছে।অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার গণভোটের জন্য বরাদ্দ রেখেছে। কিন্তু ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য নয়। গণভোটের কারণে এবার নির্বাচনে অন্যবারের চেয়ে বরাদ্দ বেশি লাগছে।তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান কমে গেছে। সেটা চ্যালেঞ্জ হবে কিছুটা।এফএস
    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট
    যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সাপ্তাহিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে সাময়িকীটি লিখেছে, ‘খ্যাতনামা এক রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শীর্ষ দাবিদার।’বিশ্লেষণে বলা হয়, এ নির্বাচন হবে ১৮ মাস আগে সংঘটিত এক ‘বিপ্লব’-এর পর প্রথম নির্বাচন, যখন ‘জেনারেশন জেড’র আন্দোলনকারীরা ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের হত্যাযজ্ঞ ও দুর্নীতিগ্রস্ত ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়।’এতে আরও বলা হয়, ‘গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবে, বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করবে এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক মেরামত শুরু করবে।’তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে দ্য ইকোনমিস্টের এই পূর্বাভাস এসেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন ও ব্লুমবার্গ-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের একই ধরনের বিশ্লেষণের পর।সাময়িকীটি ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার দৃশ্য বর্ণনা করে লিখেছে, বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি যখন ফিরছিলেন, তখন উচ্ছ্বসিত সমর্থকরা রাস্তায় ছুটে আসেন এবং বাসটি ‘কয়েক মাইল ধীর গতিতে চলছিল, যেন অপেক্ষমাণ সমর্থকেরা তাকে ভালোভাবে দেখতে পারেন।’দ্য ইকোনমিস্ট মন্তব্য করেছে, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে আর কোনো ‘যথাযথ’ নির্বাচন হয়নি এবং দেশের প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ কখনো প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি।নিরাপত্তা বিষয়ক থিঙ্কট্যাংক বিআইপিএসএসের শাফকাত মুনিরকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়- ‘আমার জীবনের দুই দশক ধরে আমার ভোটের কোনো মূল্য ছিল না’। তিনি আরও বলেন, এখন রাজধানীর রাস্তাঘাটজুড়ে নির্বাচনি ব্যানার শোভা পাচ্ছে।বিশ্লেষণে বলা হয়, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বর্তী সরকারের জন্য এ নির্বাচন তত্ত্বাবধান করাই হবে শেষ দায়িত্ব। তবে ‘অধিকাংশ মানুষ একমত যে, এই সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছে।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্র্বর্তী সরকার রাজনীতিকদের সঙ্গে কাজ করে এমন সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছে, যা নতুন করে স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে পতন ঠেকাতে সহায়ক হবে- যেমন একটি নতুন উচ্চকক্ষ গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরে সীমিত করা।জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে বলা হয়, দলটি নির্বাচিত হলে ‘সব বাংলাদেশির জন্য সংযতভাবে শাসন করবে’ বলে দাবি করলেও, তাদের অগ্রগতি শহুরে মধ্যবিত্তদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।বিশ্লেষণে দ্য ইকোনমিস্ট লিখেছে, দলটি নির্বাচনে একজনও নারী প্রার্থী দেয়নি। এছাড়া, এটাও স্পষ্ট নয় যে, যে দলটি আগে কখনও সংসদে ১৮টির বেশি আসন পায়নি, তারা দেশ পরিচালনার জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এ সবকিছুই রহমানের জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে,’ কারণ তার বিএনপি ‘জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছে।’দ্য ইকোনমিস্ট স্মরণ করিয়ে দেয়, বহু বছর ধরে দলটি পরিচালিত হয়েছে তার প্রয়াত মা খালেদা জিয়ার মাধ্যমে এবং তার আগে এটি পরিচালনা করেছিলেন তার বাবা-বাংলাদেশের একজন প্রেসিডেন্ট, যিনি ১৯৮১ সালে নিহত হন। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে তিনবার ক্ষমতায় আসে।সাময়িকীটি লিখেছে, তারেক রহমান বিস্তারিত না দিলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন-নির্বাচিত হলে তার দল বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এবং আরও বেশি তরুণ বাংলাদেশিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেবে, যাতে তারা বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি পেতে পারে।‘তিনি পানির সংকট মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের এবং বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভালো মানিয়ে নিতে পারবেন: ‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বেশ দক্ষ, বেশ বাস্তববাদী-তিনি একজন ব্যবসায়ী,’-প্রতিবেদনে বলা হয়।দ্য ইকোনমিস্ট আরও লিখেছে, রহমান বলেছেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো’- তার সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ২০২৪ সালে বিক্ষোভকারীদের হত্যার জন্য দায়ীদের বিচার হতে হবে, তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার তিনি করবেন না।প্রতিবেদনে বলা হয়, রহমানের যুক্তি-২০২৪ সালের বিপ্লব দেখিয়েছে, যেসব সরকার ‘জনগণের জন্য কোনো কর্মসূচি রাখে না,’ তাদের কী পরিণতি হতে পারে। তিনি বলেন, ‘প্রতিশোধপরায়ণ হওয়া কারও জন্যই ভালো কিছু বয়ে আনে না।’দেশে ফেরার পর থেকে রহমান মানুষের চাওয়া অনুযায়ী অনেক কথাই বলেছেন, ‘যদিও এখনো অনেকেই ‘অফ দ্য রেকর্ড’ কথা বলতে পছন্দ করেন-যদি অন্য পক্ষ জিতে যায়, সেই আশঙ্কায়।’‘পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, লন্ডন থেকে ফিরে আসা এই মানুষটিকে আগের চেয়ে ভিন্ন মনে হচ্ছে,’-প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়।এফএস

    জাতীয়

    সব দেখুন
    আবারও ভূমিকম্পে কাঁপলো দেশ
    ভূমিকম্পে কাঁপলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অনুভূত হয় এই ভূকম্পন। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) তথ্য জানিয়েছে।তবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যালার্ট সিস্টেমের সূত্রে গুগল প্রথমে জানিয়েছিল, ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ৯ এবং এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের ম্রাউক-ইউ শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে।ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, মিয়ানমারের ইয়েনাংইয়াং শহর থেকে ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে মাঝারি মাত্রার এই ভূমিকম্প উৎপত্তি হয়। এর কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২ কিলোমিটারর গভীরে।তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে অনুভূত সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।এফএস
    কারাবন্দি সাফিকুরের নিয়োগ বাতিল, বিমানের নতুন এমডি হুমায়রা
    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ড. হুমায়রা সুলতানা।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিমান-১ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।অফিস আদেশে বলা হয়, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ড. হুমায়রা সুলতানা অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বিমানের এমডি ও সিইওর দায়িত্ব পালন করবেন।একই আদেশে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাবন্দি থাকায় বিমান বাংলাদেশের এমডি ও সিইও ড. মো. সাফিকুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।এর আগে গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় ড. মো. সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তরা থানার পুলিশ নিজ বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় আদালত মোট চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অপর দুই আসামি হলেন—শফিকুর রহমানের বাসার গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও মোছা. সুফিয়া বেগম।ড. মো. সাফিকুর রহমান ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি ১৯৮৬ সালে ট্রেইনি কমার্সিয়াল অফিসার হিসেবে বিমানে কর্মজীবন শুরু করেন। কর্মজীবনে তিনি পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ), পরিচালক (প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস সাপোর্ট) এবং পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়)সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।এছাড়া ট্যারিফ, মার্কেট রিসার্চ, রিজারভেশন ও কার্গো বিভাগে কাজ করার পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও গ্রিসে বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে তিনি ২০১৭ সালে অবসরে যান।এফএস
    নির্বাচন ও গণভোটে প্রস্তুতির কথা জানালেন সেনাপ্রধান
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল সংস্থা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পরিদর্শন ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এই দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়। সেনাপ্রধান বলেন, একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে কোনো ধরণের ঘাটতি নেই এবং সেখানে নির্বাচন সফল না হওয়ার কোনো সুযোগ বা অবকাশ নেই।নির্বাচনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সেনাপ্রধান সতর্ক করে বলেন, নির্বাচনের সময় কোথাও কোথাও অর্থ লেনদেন কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিশদ আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতিটি নির্বাচনি আসনেই কিছু চিহ্নিত অপরাধী বা দুষ্কৃতকারী থাকতে পারে, তবে তারা যেন কোনোভাবেই ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দিতে না পারে সে ব্যাপারে সশস্ত্র বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে। ভোটের দিন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে বা অপরাধ সংঘটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আটক কিংবা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।এদিন গাজীপুর সফরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    ‘জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর’
    জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।আলী রীয়াজ বলেন, 'যে তরুণ পথে নেমে এসেছে, যে যুবক কাজ ফেলে রাজপথে নেমেছে, যে বাবা ছেলেকে মিছিলে পাঠিয়ে প্রার্থনায় বসেছে, যে শ্রমিক প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে, তাদের সবার কাছে আমাদের অনেক ঋণ। আর সে ঋণ-ই 'জুলাই সনদ'। এর প্রতিটি অক্ষর কালো কালিতে লেখা হলেও এর পটভূমি রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে। রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর-ই জুলাই সনদ।'তিনি বলেন, আর কোনো স্বৈরাচার যাতে জাতির ঘাড়ে চেপে বসতে না পারে, জনগণের অধিকার পদদলিত করতে না পারে, কাউকে গুম করতে না পারে, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে সে জন্য 'জুলাই সনদের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে জয়যুক্ত করতে হবে।আলী রীয়াজ বলেন, দীর্ঘ ষোলো বছর যারা ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের নিগড় থেকে মুক্ত স্বদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জীবন বিনিময় করেছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, গ্রেপ্তার-নির্যাতন ভোগ করেছেন, তারা আমাদের কয়েকটি দায়িত্ব সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন।তিনি বলেন, দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সেই পথ রুদ্ধ করা। আরেকটি দায়িত্ব হচ্ছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের পথনকশা নির্মাণ। দেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ ২৭ থেকে ৩৭ বছরের নিচে। আগামী অন্তত ৪০ বছর আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি কোন পথে যাবে, আমার ও আপনার দায়িত্ব হচ্ছে সে পথ নির্ধারণ করা।আলী রীয়াজ বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি অগুনতি শহিদের আত্মাহুতি বৃথা যাবে না, এ দেশের জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে কথা বলবে এবং সাফল্য ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।'তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ত্রুটি- বিচ্যুতি সংশোধন করার জন্য জাতীয় সংসদের একটি কমিটি করা হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের সদস্যরা ছিল না। সেই কমিটি ২৫টি বৈঠক, ১০৪ জন ব্যক্তির মতামত নিয়ে বলেছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে। তবে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন ৯০ দিনের বেশি এটা থাকতে পারবে না। বিদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। একটা বৈঠকে সেটা পরিবর্তিত হয়েছে। সেই বৈঠকটা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে পঞ্চদশ সংশোধনী তৈরি হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে এক ব্যক্তির ইচ্ছায়। সংবিধান সংশোধনী আর যাতে ছেলেখেলায় পরিণত না হয় সেটা বন্ধ করা সময়ের দাবি। এমআর-২
    ‘ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির আগে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে’
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পর এই নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম গত ১ জানুয়ারি থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করেছে।বিটিআরসি জানিয়েছে, এনইআইআর চালুর ফলে বর্তমানে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে অথবা ফোনটি অন্য কারও ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর কিংবা বিক্রয়ের আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্ট—জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বিটিআরসি’র কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে কিংবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া যাবে। এমআর-২
    রমজানে রাজধানীর ২৫ স্থানে কম দামে বিক্রি হবে ডিম, দুধ ও মাংস
    আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ব্রয়লার মুরগি বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ঢাকা ও সিটি করপোরেশন এলাকার ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন এই কার্যক্রম চলবে। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মাংস, ডিম ও দুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, রমজান মাসে সাধারণ জনগণ যেন সহজেই প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উদ্যোগে মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি করবে সরকার।ঢাকার যেসব স্থানে মিলবে এই সুবিধাপ্রাথমিকভাবে ঢাকার ২৫টি স্থানে এই সুলভ মূল্যের পণ্য পাওয়া যাবে। স্থানগুলো হলো- আব্দুল গনি রোড (সচিবালয়ের পাশে), খামারবাড়ি (ফার্মগেট), মিরপুর ৬০ ফুট রোড, আজিমপুর মাতৃসদন, পুরান ঢাকার নয়াবাজার, উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, মতিঝিলের আরামবাগ, মিরপুর কালশী, যাত্রাবাড়ীর মানিকনগর গলির মুখ, বাড্ডার শাহজাদপুর, বনানীর কড়াইল বস্তি, কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও রেলক্রসিংয়ের দক্ষিণ পাশ, নাখালপাড়া লুকাস মোড়, সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুর বাবর রোড, বসিলা, কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং বঙ্গবাজার।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। এছাড়া ঢাকার বাইরে বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সুলভ মূল্যে এসব পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হবে।এইচএ
    নতুন নাম পাচ্ছে র‍্যাব, পরিবর্তন হচ্ছে পোশাক–কাজেও
    পুলিশের বিশেষ ইউনিট র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবর্তন আসছে এই বাহিনীর পোশাক ও কাজেও। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশের বিশেষ ইউনিট র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবর্তন আসছে এই বাহিনীর পোশাক ও কাজেও। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ) রাখা হয়েছে। অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। শিগগিরই এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হবে।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, র‍্যাবের পোশাক ও কার্যক্রম শুরু হবে নতুন করে। ৭হাজার ৭৩১ অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী এককভাবে। পুলিশের কর্মক্ষমতা অনেক বেড়েছে।এ সময় উপদেষ্টা আরও বলব, খুবই ভালেভাবে নির্বাচন করতে পারব। ক্রেডিবল নির্বাচন হবে।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে পরিচালিত র‍্যাব ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ গঠিত হয় এবং একই বছরের ১৪ এপ্রিল তাদের কার্যক্রম শুরু করে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‍‍্যাব গঠিত হয়। এইচএ
    শবে বরাতে রাজধানীতে আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ
    সারাদেশে আজ রাতে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত শবেবরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে মুসলমানরা পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত। পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র শবে বরাত উদযাপিত হবে। শবে বরাতের পবিত্রতা রক্ষা, শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপি অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬–এর ২৮ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ডিএমপি আরও জানায়, নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো ছাড়াও বিস্ফোরক দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এইচএ

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    এবার জামায়াতে ইসলামীর আরও একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাকড
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, সংগঠনটির আরও একটি অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টটি দলের নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার-এর নামে পরিচালিত ছিল বলে দাবি করেছে দলটি। তবে কোন মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি দলটি।দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে এমন কিছু কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়, যা অননুমোদিত এবং জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান বা মতাদর্শের প্রতিফলন নয়। এসব বক্তব্য ভুলভাবে দলের নামে চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।জামায়াতে ইসলামী জানায়, ঘটনার পরপরই অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে সংগঠনের নির্বাচনী প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে দলটি সতর্ক রয়েছে।এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে শিগগিরই একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।জামায়াতে ইসলামী আরও জানায়, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য দলটি ইতিবাচক, নীতিনিষ্ঠ ও জনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপরই মনোযোগী থাকবে।এর আগে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্টও হ্যাক করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জামায়াত।এনআই
    এবার জামায়াতে ইসলামীর আরও একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাকড
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, সংগঠনটির আরও একটি অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টটি দলের নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার-এর নামে পরিচালিত ছিল বলে দাবি করেছে দলটি। তবে কোন মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি দলটি।দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে এমন কিছু কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়, যা অননুমোদিত এবং জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান বা মতাদর্শের প্রতিফলন নয়। এসব বক্তব্য ভুলভাবে দলের নামে চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।জামায়াতে ইসলামী জানায়, ঘটনার পরপরই অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে সংগঠনের নির্বাচনী প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে দলটি সতর্ক রয়েছে।এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে শিগগিরই একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।জামায়াতে ইসলামী আরও জানায়, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য দলটি ইতিবাচক, নীতিনিষ্ঠ ও জনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপরই মনোযোগী থাকবে।এর আগে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্টও হ্যাক করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জামায়াত।এনআই
    বিএনপিকে অস্তিত্বহীন করতে গিয়ে হাসিনা নিজেই অস্তিত্বহীন: এসএম জাহাঙ্গীর
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, পলাতক হাসিনা বিএনপিকে অস্তিত্বহীন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আজ তিনি নিজেই অস্তিত্বহীন হয়ে গেছেন। জুলুম-নির্যাতনের ফল কখনোই ভালো হয় না, আর তার প্রমাণ তিনি নিজেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর দক্ষিণখান ৪৭নং ওয়ার্ডের ফায়দাবাদ চৌরাস্তা প্রাঙ্গণে নির্বাচনের ১৩তম দিনের প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরুর আগে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।বক্তব্যে এস এম জাহাঙ্গীর বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা থেকে শুরু করে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেল খাটতে হয়েছে। তিনি বলেন,"আমরা যখন ফ্যাসিস্ট সরকারের মিথ্যা মামলায় জেলে ছিলাম, তখন সেখানে আলেমদের সাথে আমাদের দেখা হতো। এই সরকারের জুলুমের কারণে বিএনপির বহু নেতাকর্মীর পরিবার আজ চরম দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছে। ভবিষ্যতে আর কোনো নেতাকর্মী যেন এমন অন্যায়ের শিকার না হয়, আমি সেই চেষ্টা করবো।বিগত নির্বাচনগুলোতে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পলাতক হাসিনার আমলে আপনারা আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এবার সময় এসেছে। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবেন।দক্ষিণখান এলাকার বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে এই বিএনপি নেতা বলেন, এই এলাকাটি বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। আমি যদি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তবে এই এলাকার প্রতিটি সমস্যাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার কাজ শুরু করবো।গণসংযোগ ও পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম.কফিল উদ্দিন। এছাড়া দক্ষিণখান ও উত্তরখান থানা এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পথসভা শেষে তিনি বিশাল এক মিছিল নিয়ে এলাকার বিভিন্ন সড়কে গণসংযোগ করেন।পিএম
    জীবন দেবো তবু মায়ের সম্মান নিয়ে কাউকে টানাটানি করতে দেবো না: ডা. শফিকুর রহমান
    মায়ের সম্মান, শ্রমিকের অধিকার, নারীর মর্যাদা ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকারে গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে অনুষ্ঠিত হলো ১১ দলীয় জোটের বিশাল নির্বাচনী জনসভা। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, 'জীবন দেবো কিন্তু মায়ের সম্মান নিয়ে কাউকে টানাটানি করতে দেবো না। যারা মায়ের গায়ে হাত তোলে, মায়ের সন্তানেরা তাদের ক্ষমা করবে না।তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো বেকার ভাতা কিংবা সাময়িক দাবির জন্য হয়নি, হয়েছে ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক কর্মসংস্থানের দাবিতে। কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-যুবক ও মায়েরা একটি বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন নিয়ে রাজপথে নেমেছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতেই ইনসাফের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আ স ম ফারুকের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নুল আবেদীন, ঢাকা উত্তর জামাতের অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা জামাতের আমির ডঃ জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর জামাতের নায়েবে আমির মোঃ হোসেন আলী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আজহারুল ইসলাম মোল্লা, মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের গাজীপুর জেলা সভাপতি ইয়াসিন আরাফাতসহ  ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গাজীপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে শ্রমিকদের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। শিল্প যেখানে থাকবে, পরিকল্পনাও সেখানে থাকতে হবে। ইনসাফের বাংলাদেশ হলে গাজীপুরকে শিল্পাঞ্চলের মর্যাদায় সাজানো হবে। তিনি শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করে বলেন, বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা চরম বৈষম্যের শিকার-একই কাজ করেও পুরুষ ও নারীর বেতন ভিন্ন। এই বৈষম্য আর থাকবে না।নারীদের মর্যাদা ও মাতৃত্ব সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, সন্তান গর্ভে আসার পর থেকে জন্ম ও লালন-পালনের জন্য দুই থেকে আড়াই বছর নারীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা পাঁচ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। বাকি সময় সন্তান পরিচর্যার জন্য বরাদ্দ থাকবে এবং সেই সময়ের বেতন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। কারণ একটি সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুই আগামী দিনের সুস্থ সমাজ।তিনি বলেন, গাজীপুর জিডিপিতে বিশাল অবদান রাখলেও রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় চরম অবহেলা করা হয়েছে। কৃষকের অবদান সবচেয়ে বেশি হলেও তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হয়নি। ইনসাফ মানে সবাইকে এক করে দেওয়া নয়, যার যতটুকু অবদান তাকে ততটুকু ন্যায্য মূল্য দেওয়া।রাজনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি-রাজার ছেলে রাজা-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তানও যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক-এটাই আমাদের স্বপ্ন।তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে রডের বদলে বাঁশ, সিমেন্টের বদলে ছাই ব্যবহার করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। উন্নয়নের নামে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। ঋণখেলাপিদের বগলের নিচে রেখে কখনোই দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়া সম্ভব নয়। যারা সত্যিই দুর্নীতিমুক্ত দেশ চায়, তাদের আগে নিজেদের ঘর থেকে শুরু করতে হবে।জনসভায় তিনি গাজীপুর-১ আসনে শাহ আলম বখশী (দাঁড়িপাল্লা), গাজীপুর-২ আসনে অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান (শাপলা কলি), গাজীপুর-৩ আসনে মাওলানা এহসানুল হক (রিকশা), গাজীপুর-৪ আসনে সালাহউদ্দিন আইউবী (দাঁড়িপাল্লা), গাজীপুর-৫ আসনে মো. খায়রুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা) এবং নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার (শাপলা কলি)-কে জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রাজবাড়ী মাঠ রূপ নেয় গণমানুষের ইনসাফের মঞ্চে। জনতার কণ্ঠে ছিল একটাই প্রত্যাশা-অবাধ ভোট, নিরাপদ সমাজ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ।পিএম
    ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ভাষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে বিটিভি মহাপরিচালককে চিঠি দিয়েছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক।চিঠিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নির্বাচনী পরিবশে সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।বাংলাদেশ টেলিভিশনে দলীয় প্রধানের নির্বাচনী প্রচারের জন্যে স্লট বরাদ্দের বিষয়ে কমিশন নির্দেশনা দিয়েছেন। এক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৬ (জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠান)-এর উপবিধি (গ)- এর অনুসরণে লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে স্লট নির্ধারণ করতে হবে; বিটিভি কর্তৃক প্রতি রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্য স্লট বরাদ্দ এবং স্লটের মেয়াদ নির্ধারণ করতে হবে; প্রচারণা রেকর্ডিংয়ের তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে বিটিভি নিষ্পত্তি করবে।এছাড়া, যেসব রাজনৈতিক দল বিটিভিতে প্রচারণার সুযোগ চাইবে তাদের আবেদনের সময়ের ক্রমানুয়ায়ী বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দিতে হবে। তবে যেহেতু বিএনপি ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দল হতে আবেদন পাওয়া যায়নি তাই বিএনপির দলীয় প্রধানকে তাদের চাহিত ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ স্লটে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেছে কমিশন।এবার ভোটে প্রার্থী দিয়েছে ৫১টি দল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে তারা ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচার চালাতে পারবে। এইচএ
    ‘নারীবিদ্বেষী বক্তব্য ঢাকতেই স্বাধীনতার ঘোষক ইস্যু তুলছে জামায়াত’
    নারীদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্যকে ঘিরে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই স্বাধীনতার ঘোষক ইস্যু সামনে আনা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নারীদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য সারাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই জামায়াতের আমির নতুন করে স্বাধীনতার ঘোষক ইস্যু সামনে এনেছেন।প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার চট্টগ্রামে এক সমাবেশে জামায়াত আমির মন্তব্য করেন একাত্তরে এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ উই রিভল্ট ঘোষণা করেন। এ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের সম্পর্কে যে অবমাননাকর ও কুৎসিত বক্তব্য দিয়েছেন, তা সারাদেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। এই ঘটনার দায় এড়াতে এবং জনমতকে বিভ্রান্ত করতে এখন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক তোলা হচ্ছে। কিন্তু স্বত:সিদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত কোনো সত্যকে এভাবে আড়াল করা যাবে না।তিনি বলেন, আপনারা মনে করছেন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক তৈরি করলে নারীদের প্রতি অবমাননার বিষয়টি ঢাকা পড়ে যাবে—এটা কখনোই হবে না। আপনাদের আসল চরিত্র, স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য এখন প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। আপনারা যদি কখনো ক্ষমতায় আসেন, তাহলে সেই শাসন কতটা ভয়াবহ, অন্ধকারাচ্ছন্ন ও যন্ত্রণাদায়ক হবে—তা গোটা জাতি কল্পনাও করতে চায় না। এতে গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়বে এবং আরেকটি ফ্যাসিবাদের নতুন রূপ দেখা দেবে।স্বাধীনতার ঘোষক প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, জামায়াতের আমির রাজনৈতিক উদ্দেশে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছেন। প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান। তিনি সেই সময় মেজর হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার দিশা দিয়েছিলেন। তার সঙ্গে যারা সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন, তারাও নিজেদের লেখা বইয়ে বারবার সম্মানের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন।তিনি বলেন, এখন রাজনৈতিক স্বার্থে জামায়াতের আমির আমাদের বড় ভাই অলি আহমেদকে স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছেন। অথচ তিনি নিজেও কখনো এমন দাবি করেননি। তিনি সবসময় বলেছেন, তিনি জিয়াউর রহমানের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী আরও বলেন, স্বাধীনতার সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক কী? যখন হানাদার বাহিনী আমাদের মা-বোনদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, তখন আপনারা সেই নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়াননি; বরং তাদের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। আজ কোন মুখে, কোন উদ্দেশে আপনারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কথা বলেন?এমআর-২
    বিপক্ষ দলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার এই সংস্কৃতি ছাড়ুন: তাসনিম জারা
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও  সাবেক এনসিপি নেত্রী তাসনিম জারা তার নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তুলেছেন।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেছেন।পোস্টে তিনি লিখেন,  ‘আমাদের ব্যানার যেখানে যেখানে ছিল, সেই জায়গাগুলোতে এখন কাদের ব্যানার টাঙানো আছে, তা এলাকার মানুষ দেখছেন।’আমরা আবারও কিছু সাদাকালো কাপড়ের ব্যানার টাঙ্গানোর উদ্যোগ নিচ্ছি, নির্বাচনের কমিশনের বিধিনিষেধ মেনেই সেটা করছি। আপনারা বিপক্ষ দলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার এই সংস্কৃতি ছাড়ুন।ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি আরও বলেন, আপনারা অনেস্ট রাজনীতির কথা মানুষকে বলেন। অনেক ধন্যবাদ। তবে অনেস্ট রাজনীতি একা করা যায় না। নেতা-কর্মীদেরও অনেস্ট হতে হয়। আপনারা নেতা-কর্মীদের সামলান, প্লিজ।এর আগে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সবুজবাগের রাজারবাগ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষ পেশিশক্তির রাজনীতি দেখতে চায় না। পরিবর্তনের রাজনীতি চায়। প্রথাগত রাজনীতি ভেঙে প্রমাণ করতে চাই দেশে ভিন্ন ধারার রাজনীতি সম্ভব।’ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবার মাঝে ভোট দেওয়া নিয়ে উৎসাহ আছে। প্রবীণ ভোটারদের মতোই নতুন ভোটাররাও ভোট দিতে মুখিয়ে আছে। তবে ভোট দেওয়া নিয়ে কিছুটা শঙ্কার কথাও শুনছি। আশাকরি আগের মতো কিছু হবে না।’এইচএ
    আমিরের এক্স আইডি হ্যাকড: বঙ্গভবনে যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নারীবিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানোর অভিযোগ তুলে বঙ্গভবনে যাচ্ছে দলটির একটি প্রতিনিধি দল। দলটির অভিযোগ, বঙ্গভবনের একটি সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করেই এই সাইবার হামলা চালানো হয়েছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বঙ্গভবনে যাবে। সেখানে তারা এই ঘটনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন।জামায়াতের দাবি, বঙ্গভবনের ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে একটি ফিশিং মেইলের মাধ্যমে জামায়াতের আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশ করা হয়। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে স্বল্প সময়ের মধ্যে নারীবিদ্বেষমূলক একটি পোস্ট দেয়া হয়, যা দলটির ভাষায় ডা. শফিকুর রহমানের অবস্থান ও রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিকল্পিতভাবে এই সাইবার হামলা চালানো হয়েছে এবং এর পেছনে সরকারি ই-মেইলের অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহমুদুর রহমান জানান, হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ বঙ্গভবনের একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস থেকে পাঠানো হয়েছে। ওই ই-মেইল থেকে জামায়াতের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতাকে সিসিতে রেখে ‘Case-Study-Election.accdr’ নামের একটি ফাইল পাঠানো হয়, যার বিষয় হিসেবে ‘আর্জেন্ট’ উল্লেখ ছিল। পরে ওই ফাইলেই ক্লিক করার মাধ্যমে হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামারের অফিসিয়াল ই-মেইল [email protected] ব্যবহার করে ওই ফিশিং মেইলটি পাঠানো হয়েছিল। ডা. শফিকুর রহমানের মেইলে পাঠানো ওই ফাইলে ক্লিক করার পরই এক্স অ্যাকাউন্টটি হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।দলটির ভাষ্য অনুসারে, গত শনিবার বিকেলে অল্প সময়ের জন্য ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্টটি হ্যাকড ছিল। ওই সময়ের মধ্যেই বিতর্কিত পোস্টটি দেয়া হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যেই অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন তারা।জামায়াতে ইসলামী স্পষ্ট করে জানায়, ওই নারীবিদ্বেষমূলক পোস্টটি ডা. শফিকুর রহমান বা তার অ্যাকাউন্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কেউই দেননি। বরং পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিকভাবে বিব্রত করতে এবং ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই এই সাইবার হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা মনে করছে।এমআর-২

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    রাজধানীতে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নের কারণ জানাল তিতাস
    অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থার উন্নতি কখন হবে, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর শনির আখড়া, রায়েরবাগ, হাবিব নগর এলাকায় উচ্চচাপ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইন থেকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজ চলছে। এ অবস্থায় ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।গ্রাহকদের এ সমস্যার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে। এমআর-২
    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফ্রি ইন্টারনেট পাবে সবাই: মাহদী আমিন
    বিএনপি যদি ক্ষমতায় যায়, তাহলে সবার জন্য বিনা মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। পাশাপাশি দলটি জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিতেও কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীতে ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি সেক্টরের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করবে।’তিনি আরও জানান, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভ করলে বাংলাদেশের জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি।’তিনি আরও বলেন, ‘যারা মেধাবী তাদের জন্য জুতসই সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার পরিকল্পনায় এ বিষয়গুলো রেখেছেন।’ আরডি 
    ‘কিছু অর্বাচীন বালকদের হাত থেকেও দেশকে রক্ষা করতে হবে'
    শেখ হাসিনার হাত থেকে দেশ পরিত্রাণ পেয়েছে। পাশাপাশি কিছু অর্বাচীন বালকদের হাত থেকেও দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর পল্টনের আনন্দ ভবনে বায়রা ও হাব নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।মির্জা আব্বাস বলেন, ‘কিছু ছেলে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে লম্বা লম্বা কথা বলছে। ঘুম থেকে উঠে আল্লাহর নাম না নিলেও তারা আমার নাম নেয়। আরে ভাই, ঘুম থেকে উঠে আল্লাহর নাম নাও, প্রশংসা করো।’তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা ৮ আসনে তারা এমন কিছু করতে চাচ্ছে যাদের সারাদেশের ভোট বন্ধ হয়ে যায়। তবুও আমরা ধৈর্য ধরে আছি, সহ্য করে আছি। কিন্তু ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙ্গবে না। বিএনপি স্বচ্ছ নির্বাচন চায়।’তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন কেউ দান করেনি। কেউ কেউ বলে ৫ আগস্ট সবকিছু করে ফেলেছে, অথচ ১৭ বছর আমরা কী পরিমাণ ত্যাগ করেছি। শেখ হাসিনা পালানোর পালানোর পর আমাদের যেই রকম ভালো থাকার কথা ছিলো, সেই রকম ভালো আমরা নেই। কোন স্বার্থের জন্য মির্জা আব্বাসকে কেউ এক কাপ চা খাওয়াতে পারেনি।’এসময় নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব করা হলে তা মেনে নেয়া হবে না জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটের পর যদি ১২ ঘন্টার বেশি ফল দিতে দেরি করে, সেটা কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। এজন্য ভোটের আগে দরকার হলে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কেন্দ্র ভিত্তিক ফল ঘোষণার আগে কোন পোলিং এজেন্ট কেন্দ্র ছাড়বে না।’
    উনি সকালে উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
    ঢাকা-৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পাবলো এসকোবার কার্টেল কিং ছিলেন তেমনি ঢাকা-৮ আসনেও তার মতো একজন রয়েছেন। উনি সকাল বেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি)  সকালে ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। সমাজের সবচেয়ে উপরস্থ কর্মকর্তা ব্যক্তি উনি। সকাল বেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে।’তিনি বলেন, ‘এখানে অনেকগুলা অসভ্য মানুষদের পাল্লায় পড়েছি। কথা বলে গ্যাংস্টারদের ভাষায়। জুনিয়রদেরকে ভালোবাসা ও সম্মান দিতে শিখেনি। একটা আইয়ামে জাহেলিয়াতে আছি। পাকিস্তানের একজন গ্যাংস্টার আছে দাউদ ইব্রাহিম, তেমনি এখানেও এ ধরনের দাউদ ইব্রাহিমরা চলে এসেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘ভোটের মাধ্যমে আপনারা তাদেরকে সভ্য করবেন। ভোটের মাধ্যমে আগামী ১২ তারিখে আমরা আইয়ামে জাহেলিয়া থেকে মুক্ত হতে চাই। ভোটের মাধ্যমে আমরা যারা মানুষের সঙ্গে বেয়াদবি করছে, সন্ত্রাসী আচরণ করছে; আমরা তাদের থেকে মুক্ত হতে চাই।’আরডি
    ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ
    মাসব্যাপী আয়োজিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ছুটির দিন হওয়ায় শেষদিনেও ভালো বেচাকেনার প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার শেষ দিনের বিক্রি তুলনামূলক বেশি হতে পারে। বিশেষ করে ছুটির দিনে মেলার সমাপ্তি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই শেষ মুহূর্তে কেনাকাটার সুযোগ নিতে এসেছেন। কর্মদিবসে দর্শনার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও ছুটির দিনগুলোতে ছিল উল্লেখযোগ্য ভিড়।তবে ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ বলছেন, পুরো মেলার সময়জুড়ে ব্যবসা প্রত্যাশামতো হয়নি। রাষ্ট্রীয় শোক পালনের কারণে এবার তিন দিন কম সময় পেয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি মেলার শুরুতে বৈরী আবহাওয়া এবং জাতীয় নির্বাচনের প্রভাবও বেচাবিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করছেন অনেকে।অন্যদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, সার্বিক হিসাবে এবছর মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবছর দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি ছিল। পাশাপাশি ভ্যাট আদায়ও বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ।শেষ দিনের ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অধিকাংশ স্টল ও প্যাভিলিয়নে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ মূল্যছাড়। কোথাও ১০ শতাংশ, কোথাও আবার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উপহার ও গিফট ভাউচারের নানা অফার, যা শেষ দিনে কেনাকাটার আগ্রহ বাড়িয়েছে।উল্লেখ্য, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসর চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। পহেলা জানুয়ারি উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিবিসিএফইসি ভবনে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।আরডি
    একই পদে একই কাজ, ভিন্ন নীতি কেন—ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
    প্রভাষক নিয়োগে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বৈষম্য বাতিলের দাবিতে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আল কুরআন, আল হাদিস, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ বিষয়ে প্রভাষক পদে আবেদনের ক্ষেত্রে আলাদা যোগ্যতা নির্ধারণকে বৈষম্যমূলক বলে অভিযোগ করেন তারা।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এ সময় তারা ‘একই পদ একই কাজ, ভিন্ন নীতি কেন আজ?’, ‘অনার্স দিয়ে বিসিএস হয়, প্রভাষক কেন নয়’, ‘একশন টু একশন, ডাইরেক্ট একশন’, ‘অনার্সে যোগ্যতা, তবুও কেন বঞ্চনা’ এবং ‘২৪-এর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’—এমন নানা স্লোগান দেন।শিক্ষার্থীরা বলেন, সাম্প্রতিক প্রভাষক নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার কিছু বিষয়ে—আল হাদিস, আল কুরআন, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ—আবেদনের জন্য মাস্টার্স ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অথচ সমমনা অন্যান্য বিষয়ে অনার্স ডিগ্রিধারীরাই প্রভাষক পদের জন্য আবেদন করতে পারছেন। এতে করে মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার শিক্ষার্থীরা বারবার বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে বৈষম্য দূর হওয়ার যে প্রত্যাশা ছিল, বাস্তবে তা প্রতিফলিত হচ্ছে না। শিক্ষাগত যোগ্যতায় সমতা থাকা সত্ত্বেও শুধু বিভাগভিত্তিক ভিন্ন নীতি গ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।এ সময় শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—১) মাদ্রাসা শিক্ষায় আরবি প্রভাষক পদের ক্ষেত্রে মাস্টার্সের শর্ত বাতিল করে অনার্স ডিগ্রিকে যোগ্যতা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে, যেসব বিষয়ে অনার্স ডিগ্রিধারীরা প্রভাষক পদের জন্য আবেদন করতে পারছেন, সেসব ক্ষেত্রেও মাস্টার্স বাধ্যতামূলক করতে হবে।২) কামিল পর্যায়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। আগে যেখানে ৮০০ নম্বরের পরীক্ষা ছিল, বর্তমানে তা ১৭০০ নম্বরে উন্নীত হলেও শিক্ষক সংখ্যা কমানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। বিষয় বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সব ক্যাটাগরিতে শিক্ষক নিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানান তারা।৩) অনার্স ডিগ্রিধারীদের সহকারী মৌলভী পদে বিএড ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ দিতে হবে এবং পদটিকে দশম গ্রেডভুক্ত করতে হবে।শিক্ষার্থীরা জানান, দাবি আদায় না হলে তারা আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।ইখা
    বেনাপোলে বাছুরসহ গরু জবাই: দুই কসাইকে জরিমানা
    যশোরের বেনাপোলে বাছুরসহ গরু জবাইয়ের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে দুই কসাইকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পৌরসভা। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস বাজেয়াপ্ত করে পরবর্তীতে নষ্ট করা হয়।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেনাপোল বাজারের মাংস পট্রিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আলম কসাই ও মানিক কসাইকে একত্রে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল পৌরসভার স্যানিটার ইন্সপেক্টর রাশেদা খাতুন। তিনি জানান, বাছুরসহ গরু জবাই আইনত দন্ডনীয় অপরাধ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।তবে অভিযানের পরপরই ঘটনাটি নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন এই অপরাধের দায় এককভাবে কসাইদের নয়। তাদের অভিযোগ, পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত স্যানিটারি অফিসারের অনুমতি ও অবহেলার কারণেই এসব পশু জবাই করা হয়ে থাকে।স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন টাকার বিনিময়ে অসুস্থ ও রুগ্ন গরু জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়। অথচ নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি পশু পরীক্ষা করে তবেই জবাইয়ের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব স্যানিটারি অফিসারের। তারা জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি ।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, যদি সঠিকভাবে পশু পরীক্ষা করা হতো, তাহলে বাছুরসহ বা অসুস্থ গরু জবাইয়ের সুযোগই থাকত না। তাই এ ঘটনায় শুধু কসাই নয়, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট স্যানিটারি অফিসারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।এ ব্যাপারে বেনাপোল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দুই কসাইকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়েছে। তাদেরকে শেষবারের মত সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ রকম কোন ঘটনা ঘটলে শুধু জরিমানা নয় জেলও দেয়া হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।ইখা
    পবিত্র শবেবরাতে বুধবার বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে
    পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটির কারণে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এর ফলে এদিন এ বন্দর দিয়ে কোন আমদানি-রপ্তানি হবে না। তবে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে আবারও এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চলবে বলে বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষনা করায় বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল কাস্টমস ও বন্দরের সকল কাজকর্ম বন্ধ থাকবে। সে কারণে এ পথে কোন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম হবে না। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পূনরায় এ পথে আমদানি-রপ্তানি চলবে।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্ত্তজা আলী বলেন, বুধবার এ পথে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দু‘দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন জানান, বুধবার পবিত্র শবেবরাতের সরকারি ছুটি থাকায় বন্দরের পাশাপাশি কাস্টমসের কার্যক্রমের সাথে দু‘দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও যেসব ভারতীয় ট্রাক পণ্য বন্দরে আনলোড করে খালি ট্রাক নিয়ে ফিরে যেতে চাইবে তাদের অনুমতি দেয়া হবে। এ জন্য চেকপোস্ট কার্গো শাখা খোলা থাকবে।এসআর
    বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি
    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুইদিনে ৯টি চালানে ৩৭টি ট্রাকে এক হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় আমদানিকৃত চালের দুটি চালানে ১৫ ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি ৭৭০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এ নিয়ে দুইদিনে এক হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হলো।এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়েছে ৫০ টাকা।বেনাপোল স্থলবন্দরের (পরিচালক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুইদিনে ৩৭টি ট্রাকে এক হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত এবার যশোর জেলায় মোট ৪৪ জন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও এ পর্যন্ত বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাত্র একজন আমদানিকারক চাল আমদানি করেছেন।এসআর
    নিপা ভাইরাস: বেনাপোল বন্দরে নেই বিশেষ সতর্কতা
    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তের অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশদ্বার বেনাপোল স্থলবন্দরে এ নিয়ে এখনো কোনো বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা না আসায় বন্দর এলাকায় নজরদারি সীমাবদ্ধ রয়েছে শুধু যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপায়।বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ও শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিপা ভাইরাস প্রতিরোধ বা বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের বিষয়ে এখনো স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় প্রতিদিনই বেনাপোল দিয়ে যাত্রী যাতায়াত চলছে। যাত্রী সংখ্যা আগের তুলনায় কম হলেও বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে এক হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী এই বন্দর দিয়ে পারাপার করছেন।বেনাপোল বন্দরের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রী ও অপেক্ষমান অনেকের মুখে মাস্ক নেই। তবে ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের মাস্ক পরতে দেখা গেছে। চেকপোস্টে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী। বর্তমানে এখানে একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, একজন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং একজন এনজিওকর্মী দায়িত্বে রয়েছেন।স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুই নার্স নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তারা এখন সুস্থ আছেন। সেখানে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ায় সংক্রমণ আর ছড়ায়নি বলে জানানো হয়েছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত সব যাত্রীর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার নির্দেশনা আসেনি। তবে নিয়মিতভাবে থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। উপসর্গ পাওয়া গেলে তখন পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্ত্তজা আলী বলেন, “ভারত থেকে আসা প্রত্যেক যাত্রীকে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে প্রবেশের আগে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মাস্কবিহীন যাত্রীদের বিনা মূল্যে মাস্ক দেওয়া হচ্ছে।”বেনাপোল ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল মজিদ জানান, “সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী হ্যান্ডহেল্ড থার্মোমিটার দিয়ে যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো যাত্রীর শরীরে নিপা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তবে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।”বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নেই এবং চলাচলে কোনো বিধিনিষেধ আরোপের প্রয়োজনও নেই। সংস্থাটি জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ১৯৬ জনকে পরীক্ষা করা হলেও কারও শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হয়নি।ডব্লিউএইচওর মতে, নিপা ভাইরাস মূলত বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। তবে সীমান্তবর্তী এলাকায় বাদুড়ের উপস্থিতির কারণে সতর্ক থাকা জরুরি। এ কারণে খেজুর রস ও খোলা ফল খাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হলেও তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। সংক্রমণের উৎস শনাক্তে ইতিমধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় দল বাদুড়ের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।ইখা
    লক্ষ্মীপুরে ৬টি জাল ব্যালট সিলসহ প্রেস মালিক আটক
    লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত ৬টি ভোটের সিলসহ সোহেল রানা নামে এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় সিলসহ একটি মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের পুরাতন আদালত রোডের 'মারইয়াম প্রেস' থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ওই প্রেসের স্বত্বাধিকারী।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ মারইয়াম প্রেসে অভিযান চালায়। এ সময় দোকান থেকে ভোটে ব্যবহৃত ৬টি জাল সিল উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে সিলগুলোসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম জব্দ করে সোহেলকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।আটক সোহেল রানা জানান, অর্ডার পেয়ে তিনি সিলগুলো তৈরি করেছেন। তবে কে বা কারা এই অর্ডার দিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, “কোনোভাবেই ব্যক্তিগত প্রেসে ভোটের সিল বানানো যাবে না, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।”অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেননি।এনআই
    মিরসরাইয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ
    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট পৌর সদরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।বিক্ষোভ মিছিলে ‘ছাত্রদলের সন্ত্রাস রুখে দাও ছাত্রসমাজ’, ‘তারেক রহমান চায় কী—ধর্ষণ আর দুর্নীতি’, ‘লন্ডনের কামলা ধর্ষকদের সামলা’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা। মিছিলটি বারইয়ারহাট পৌর সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ট্রাফিক মোড় চত্বরে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।প্রতিবাদ সভায় ছাত্রশিবিরের নেতারা বলেন, গত ২৬ জানুয়ারি বারইয়ারহাট কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন ও তার সহযোগীরা সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে। পরে তাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় এবং পরবর্তীতে পরিবারকে মামলা না করার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। মামলা দায়েরের পর গতকাল পুলিশ ঘটনার মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।তারা আরও বলেন, “ক্রমাগত নারী হেনস্তা ও ধর্ষণের এই ভয়াবহ ঘটনা প্রমাণ করে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দেশকে অন্ধকার যুগে নিমজ্জিত করতে চায়।” আগামীতে মিরসরাইয়ে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মাঈনউদ্দিন রায়হানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের শিক্ষা সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন, চাকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান ইমরান এবং মিরসরাই ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাকিব হোসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।এনআই
    আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন গুইমারা সেক্টরের ৪০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মুহাম্মদ শাহীনুল ইসলাম।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মাঠে দায়িত্ব পালন করছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিজিবি অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করছে, যাতে ভোটাররা নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। জনগণের মধ্যে আস্থা বাড়াতে বিজিবির পক্ষ থেকে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে।সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সারাদেশের ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। গুইমারা সেক্টরের অধীন তিনটি ব্যাটালিয়ন দুই জেলার সাতটি উপজেলায় ১০টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে টহল ও চেকপোস্ট জোরদার করেছে, যাতে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র ও মাদক পাচার রোধ করা যায়।মোতায়েনকৃত সদস্যরা পাঁচ মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বডি ওর্ন ক্যামেরা, ড্রোন, রায়ট কন্ট্রোল সরঞ্জাম, র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম (Rapid Action Team) ও কে-নাইন (K-9) স্কোয়াড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া দুর্গম কেন্দ্রের সহায়তায় হেলিকপ্টারও প্রস্তুত রয়েছে।এনআই
    দীঘিনালা সেনা জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ
    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সেনা জোনের উদ্যোগে অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা ও মানবিক সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দীঘিনালা জোন সদরে আয়োজিত এই মানবিক কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা সেনা জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল আল-আমিন।অনুষ্ঠানে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন, ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় জোন অধিনায়ক উপকারভোগীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”এ সময় উপস্থিত ছিলেন জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রূশাদ, জোন অ্যাডজুট্যান্ট লেফটেন্যান্ট জাওয়াদ মোহাম্মদ জাহিন, কিউএম শেখ সাব্বির আহমেদসহ অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা। সহায়তা পেয়ে স্থানীয় উপকারভোগীরা সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।এনআই
    খাগড়াছড়িতে প্রার্থীদের সঙ্গে সেনাবাহিনী রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়
    খাগড়াছড়ি জেলার ২৯৮ নং সংসদীয় আসনের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকল প্রার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রিজিয়ন সদর দপ্তরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় নির্বাচনকালীন পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং অবাধ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক বলেন, “নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। তাই জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।” তিনি সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান এবং সহিংসতা, ভয়ভীতি ও অনিয়ম থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন।তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী প্রশাসন ও অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে মাঠে দায়িত্ব পালন করবে, যাতে ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারেন। সভায় প্রার্থীরা বিভিন্ন বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরলে তিনি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।এনআই
    নির্বাচন ঘিরে সালথায় সেনা-পুলিশের যৌথ মহড়া
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর ব্যাপক নির্বাচনী মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মহড়ায় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস অংশ নেয়।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই মহড়া পরিচালিত হয়। সালথা বাজার থেকে শুরু করে রামকান্তপুর ও আটঘর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যৌথ বাহিনীর টহল ও উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ সময় তারা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ও জনসমাগমস্থল পরিদর্শন করেন।মহড়াকালে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে স্থানীয় জনগণকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে তাদের কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যৌথ বাহিনীর পেট্রোল টিম মোতায়েন করা হয়। এই মহড়া ও টহলের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার, সালথা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন নিমান মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান এবং নগরকান্দা বিজিবি ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলামসহ বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।মহড়া চলাকালে সালথা সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন নিমান মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং ভোটাররা যেন নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—এ লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ও সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। কেউ নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংবিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গুজব ও অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সবার সহযোগিতায় আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই।”মহড়ায় উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে গঠিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।এনআই
    ভৈরবে কলেজছাত্র সুফিয়ান হত্যা মামলায় আরও ৬ জন গ্রেপ্তার
    কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আলোচিত কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ান হত্যা মামলায় আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।এছাড়া গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে মামলার প্রধান আসামি মিরাজ ও তার সহযোগী ইব্রাহীম ওরফে নিদানকে গ্রেপ্তার করে গতকাল আদালতে পাঠানো হয়েছিল। ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: পৌর শহরের ভৈরবপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার দানিয়াল (২৫), সায়েম ওরফে বাংলা (২৬), ঘোড়াকান্দা এলাকার রনি মিয়া (২০), শিবপুর ইউনিয়নের শম্ভুপুর এলাকার আলমগীর হোসেন (২৫), কুলিয়ারচর থানার সরারচর এলাকার সবুজ মিয়া পাপ্পু ওরফে তামিম (১৪) এবং বাজিতপুর উপজেলার সুজন মিয়া (২২)।ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশ জানায়, গত ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় পৌর শহরের নিউটাউন এলাকার রেললাইনের পাশ থেকে কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের (১৯) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানার বাদে কড়িয়াল এলাকার আবু তাহের মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ৩১ জানুয়ারি নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ভৈরব রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।ওসি সাঈদ আহমেদ জানান, প্রধান আসামি মেরাজ ও তার সহযোগী নিদানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গত রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত ১৪ বছরের এক কিশোর রয়েছে। আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।হত্যার কারণ: পুলিশি তদন্তে জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী এগারসিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ভৈরবে আসেন আবু সুফিয়ান। স্টেশনে ট্রেনের ইঞ্জিন ঘুরানোর সময় তিনি ট্রেনের ইঞ্জিনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় ছিনতাইকারীরা তাকে স্টেশনের অদূরে ইঞ্জিন থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে ছুরিকাঘাত করে। পরে তার কাছ থেকে নগদ ৮০০ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাত ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে যেকোনো সময় আবু সুফিয়ান মৃত্যুবরণ করেন।এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এনআই
    শিবপুরে হারানো আসন পুনরুদ্ধারে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে বিএনপি
    নরসিংদী-৩ (শিবপুর) সংসদীয় আসনটি একসময় বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত নেতা আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ধানের শীষ প্রতীকে এ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ১/১১-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে গত কয়েকটি নির্বাচনে আসনটি হাতছাড়া হওয়ায় এবার তা পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শিবপুর আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মঞ্জুর এলাহী। নির্বাচনকে সামনে রেখে পুনরায় আসনটিতে বিজয় অর্জন করতে মঞ্জুর এলাহীর নেতৃত্বে সকল নেতাকর্মী একযোগে মাঠে কাজ করছেন।দীর্ঘদিন ধরে শিবপুরের রাজনীতিতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন মঞ্জুর এলাহী। বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনামলে তিনি অসংখ্যবার জেল-জুলুম, মামলা-হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গত কয়েক মাস ধরে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নিয়মিত উঠান বৈঠক, পথসভা এবং গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার এই নিরলস তৎপরতায় ঝিমিয়ে পড়া তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি শিবপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার সমর্থনে আয়োজিত বিশাল জনসভাগুলো জানান দিচ্ছে—জনপ্রিয়তায় তিনি এখন শীর্ষে রয়েছেন। সাধারণ মানুষের এই সাড়াজাগানো অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মঞ্জুর এলাহীর ব্যক্তিগত ইমেজ এবং দলীয় ঐক্য শিবপুরে বিএনপির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে মঞ্জুর এলাহীর সামাজিক ও জনবান্ধব কাজ সাধারণ ভোটারদের কাছে তাকে আস্থার প্রতীক করে তুলেছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে একতাবদ্ধ বিএনপি নির্বাচনী মাঠে নামলে আসনটি পুনরুদ্ধার করা অনেকটা সহজ হবে।তবে নির্বাচনী মাঠে মঞ্জুর এলাহীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের শক্তিশালী অবস্থান এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রভাব। তা সত্ত্বেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ধানের শীষের প্রতি পুরনো আবেগ এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে মঞ্জুর এলাহীর গ্রহণযোগ্যতা তাকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।গণসংযোগ চলাকালে এক উঠান বৈঠকে মঞ্জুর এলাহী বলেন, “শিবপুর সবসময়ই ধানের শীষের ঘাঁটি ছিল এবং আছে। সাধারণ মানুষ বর্তমান দুঃশাসন থেকে মুক্তি ও পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে মাঠে থাকি, তবে ইনশাআল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারি এই আসনটি আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানকে উপহার দিতে পারব।”নির্বাচন সন্নিকটে আসায় প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নানা প্রত্যাশার বাণী নিয়ে ঘুরছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা। সব মিলিয়ে শিবপুরের রাজনীতির মাঠ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এখন দেখার বিষয়, আসন্ন ১২ তারিখ মঞ্জুর এলাহীর এই ব্যাপক গণসংযোগ ভোটের বাক্সে কতটা সফল প্রতিফলন ঘটায়।এনআই
    আলফাডাঙ্গায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির মূল হোতা মেহেদী গ্রেপ্তার
    ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ঘরের দরজা ভেঙে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার মূল হোতা মেহেদী খানকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনা জেলার লবণচরা এলাকায় র‍্যাব-১০ ও র‍্যাব-৬-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মেহেদী খান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার নড়াইল গ্রামের আসাদ খানের ছেলে। র‍্যাবের রেকর্ড অনুযায়ী, মেহেদী একজন পেশাদার ডাকাত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ আরও চারটি মামলা রয়েছে।র‍্যাব জানায়, গত ১১ জানুয়ারি দিবাগত রাত ৩টার দিকে আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেজিডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ ডাকাতি সংঘটিত হয়। ৭-৮ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রসহ একটি বসতবাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা পরিবারের সদস্যদের হাত বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যমানের স্বর্ণালঙ্কার ও মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় ১৩ জানুয়ারি আলফাডাঙ্গা থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে র‍্যাব ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে খুলনার লবণচরা এলাকা থেকে আসামি মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়।র‍্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এনআই
    ভৈরবে ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ নিহত
    কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে সাদেক মিয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব বাসস্ট্যান্ড দুর্জয় মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত সাদেক মিয়া উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের জাফরনগর গ্রামের বরহী বাড়ির বাসিন্দা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় এলাকায় যানজট ছিল। ওই বৃদ্ধ নূরানী মসজিদের বিপরীত পাশে সড়কের রোড ডিভাইডারের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন। যানজটে ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহনগুলো তখন স্থির ছিল। বৃদ্ধ লোকটি রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করলে হঠাৎ একটি ট্রাকের নিচে পড়ে যান। ট্রাকচালক বিষয়টি বুঝতে না পারায় গাড়ি চালিয়ে দেন এবং ঘটনাস্থলেই ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।ভৈরব থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শক্তিপদ মৃধা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সিলেট থেকে ঢাকাগামী ঘাতক ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো-ট ২০-৪২০২) জব্দ করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেছে।তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহ ভৈরব হাইওয়ে থানার মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এনআই
    ভোলায় ফের বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০
    ভোলার দৌলতখানে নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াতের ৫ জনকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিএনপির ৩ জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় একে অপরকে দায়ী করে অভিযোগ করছেন।জামায়াতের আহতদের মধ্যে রয়েছেন–মো. রাসেল, মো.নাঈম, মো.বিল্লাল, মো.মিজান ও মো. সিফাত। অন্যদিকে বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছেন- রাসেল, মিজান, রাকিব ও রিয়াজ। তাদের সকলের বাড়ি মুন্সিরহাট এলাকায়।জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা জামায়াতের ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের কর্মী–সমর্থকেরা অবস্থান করছিল। দুই দলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থানে আসলে তাদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে উভয় দলের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আশ্রাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা-রড নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের মোট ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৫ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।এদিকে, দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণার নামে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের গুরুতর আহত ৩ কর্মীকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, বিএনপি-জামায়াতের মারামারির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গেল ৩১ জানুয়ারি  সকালে একই আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে উভয় দলের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হন।ইখা
    মহিপুরে যৌথ অভিযানে দুই নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার
    মহিপুর থানার আওতাধীন এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশের যৌথ অভিযানে দুইজন চিহ্নিত নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।মহিপুর আর্মি ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন সাদির নেতৃত্বে মহিপুর থানা রোড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ওই এলাকার চিহ্নিত দুই নারী মাদক কারবারি শুকি ও আখিকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতদের হেফাজত থেকে ৭৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক অবৈধ  বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ১২ হাজার টাকা। এছাড়া নগদ ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহিপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এসআর
    পাথরঘাটার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিনয় ভূষণ আর নেই
    পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার পাথরঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিনয় ভূষণ (খোকন কর্মকার) আর নেই। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার পরে রাজধানীর আলী আজগর হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে পাথরঘাটার সাংবাদিকতা, ব্যবসা ও সামাজিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।বিনয় ভূষণ পাথরঘাটা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং প্রয়াত লক্ষী কর্মকারের সন্তান। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে। কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা ও ব্যবসা উভয় ক্ষেত্রেই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের মাধ্যমে তিনি পাথরঘাটার গণমাধ্যম অঙ্গনে একজন শ্রদ্ধাভাজন ও নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি একজন সফল ও সুনামধন্য স্বর্ণ ব্যবসায়ী হিসেবেও তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্বর্ণকার সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে ছিলেন।তার মৃত্যুতে পাথরঘাটার স্বর্ণকার ব্যবসায়ীরা গভীরভাবে শোকাহত হয়ে সম্মান প্রদর্শনস্বরূপ দোকানপাট বন্ধ রাখেন। একই সঙ্গে সাংবাদিক মহল, ব্যবসায়ী সমাজ ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে নেমে আসে গভীর বেদনা।পাথরঘাটা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।বিনয় ভূষণের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং শোকাহত পরিবার-পরিজনকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।ইখা
    অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে প্রস্তুত নৌবাহিনী: সহকারী নৌ-প্রধান
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ভোলায় নৌবাহিনীর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকা ও ভোটকেন্দ্রগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌবাহিনীর সহকারী প্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরিদর্শন শেষে ভোলা সদর নৌবাহিনী কন্টিনজেন্টে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।এর আগে, তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।প্রেস ব্রিফিংয়ে রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, সাধারণ জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে রয়েছে। ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট মোতায়েন ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থলপথে যানবাহন টহলের পাশাপাশি নৌপথে পর্যাপ্ত সংখ্যক বোট ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েন রয়েছে। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দক্ষতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলায় নৌ-বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।তিনি বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচন আয়োজনে নৌবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।সরকার, নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এফএস
    হিজলায় ১২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৪ জেলের অর্থদণ্ড
    জাটকা নিধন প্রতিরোধ অভিযানের অংশ হিসেবে বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে দিনব্যাপী যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন ও হিজলা নৌ-পুলিশের এই অভিযানে ১২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ এবং ৪ জন জেলেকে জাটকা ধরার অপরাধে আটক করা হয়।সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হিজলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভ্র জ্যোতি বড়াল।আটককৃত জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জব্দকৃত জালগুলো পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।অভিযানে মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য কর্মকর্তা জানান, জাটকা রক্ষায় জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এনআই
    ত্রিশালে লিটনের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনকে বিজয়ী করতে দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ মতভেদ ভুলে একক প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।দলীয় সূত্রগুলো জানায়, ডা. লিটনের প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের মধ্যে সাংগঠনিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ধানের শীষের পক্ষে একযোগে মাঠে কাজ করছেন।উপজেলা বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, শিক্ষিত ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে ডা. লিটন দলের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পেরেছেন। তাঁদের ভাষ্য, ‘দলের ভেতরে এখন আর কোনো গ্রুপ নেই—সবাই এক গ্রুপ, তা হলো ধানের শীষ।’নির্বাচনী প্রচারণায় ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন উন্নয়নভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে—ত্রিশালের শিল্পাঞ্চলকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য পরিবহনে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি শান্ত ত্রিশাল গড়ে তোলার অঙ্গীকার।দলীয় নেতারা বলছেন, জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি ডা. লিটন দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। চিকিৎসক হিসেবে তার সেবাধর্মী ভাবমূর্তি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ত্রিশালের স্বাস্থ্যসেবা ও সামগ্রিক জীবনমানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপির এই ঐক্য যদি ভোটের দিন পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে ময়মনসিংহ-৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হবে। ধানের শীষের পক্ষে যে সাংগঠনিক তৎপরতা ও জনসমর্থনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, তা আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।ইখা
    শীর্ষ ধনী প্রার্থীদের তালিকায় তৃতীয় ফখর উদ্দিন আহমেদ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শীর্ষ ধনী প্রার্থীদের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৯৯ কোটি টাকা।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে প্রার্থীদের প্রচারণা তুঙ্গে উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ১ হাজার ৯৯৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ২৫৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বাকিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচন করছেন।প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ২৬ জনের সম্পদের পরিমাণ শত কোটি টাকার বেশি। পাশাপাশি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বাজারমূল্য বিবেচনায় মোট ৮৯১ জন প্রার্থী কোটিপতির তালিকায় রয়েছেন।টিআইবির প্রতিবেদন ও নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য পর্যালোচনা করে শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থীর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ।হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ফখর উদ্দিন আহমেদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট পরিমাণ প্রায় ২৯৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের নামে রয়েছে প্রায় সাত কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ।হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ফখর উদ্দিন আহমেদ ও তার স্ত্রী দুজনই পেশায় ব্যবসায়ী। পাশাপাশি তার নামে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ব্যাংকঋণের তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।এদিকে শীর্ষ ধনী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক ভোটার মনে করছেন, সম্পদের পাশাপাশি প্রার্থীর সততা, যোগ্যতা ও এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সক্ষমতাই হওয়া উচিত ভোটের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।ইখা
    খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী গাজী মোহাম্মদ আব্দুর রহীম রুহি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির প্রার্থী ডা. আনোয়ারুল হককে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।সংবাদ সম্মেলনে গাজী মোহাম্মদ আব্দুর রহীম রুহি বলেন, “আমরা যারা বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করি, জনগণ আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে দেখতে চায়। নেত্রকোণা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা ও স্থানীয়ভাবে লিয়াজোঁর মাধ্যমে আমাদের ফোরামে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, “নেত্রকোণা সদর ও বারহাট্টা এলাকার মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে বটগাছ মার্কার প্রার্থী হিসেবে আমি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি না। দলীয় ও ব্যক্তিগতভাবে ধানের শীষের প্রার্থী ডা. আনোয়ারুল হককে সমর্থন দিচ্ছি।”জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দলটি ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে মুনাফিকি করে আসছে। খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে আসন সমঝোতার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে খেলাফত আন্দোলনকে ব্যবহার করা হয়েছে।নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটে অবমূল্যায়নের কারণেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “রিকশা মার্কা ও জামায়াত ছাড়া বাকি দলগুলো জামায়াতের ‘বি’ টিম হিসেবে কাজ করছে।”এ সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নাকি স্থানীয়—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এটি জেলা খেলাফত আন্দোলন কমিটির সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয়ভাবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।এনআই
    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব শুরু
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু হয়েছে। নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো কলা ভবনের জিয়া হায়দার ল্যাবের সামনে এ নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, নাটক, সাহিত্য ও সিনেমা সমাজের দর্পণ। নাটকের মাধ্যমে সমাজের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়। এতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারে। নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজের বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও ছড়িয়ে দেবে।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা। উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।নাট্যোৎসব উপলক্ষে এদিন একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরোনো কলা ভবনে এসে শেষ হয়।নাট্যোৎসবে সাত দিনে মোট ১৪টি নাটক মঞ্চায়িত হবে। প্রতিদিন দুটি করে নাটক পরিবেশিত হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ও রাত ৮টা ৩০ মিনিটে নাটক শুরু হবে। নাটকগুলোর নির্দেশনা, পরিচালনা ও পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।পিএম
    ভালুকায় ভোটের হাওয়া: প্রতিশ্রুতি আর গণসংযোগে মুখর প্রার্থীরা
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ ও জনসভায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাঁরা তুলে ধরছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি এবং এলাকার বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা। পাশাপাশি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানানো হচ্ছে।দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনায় ভালুকার ভোটারদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ ও উদ্দীপনা। বিএনপি, স্বতন্ত্র, গণ অধিকার পরিষদ, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের প্রচারণায় উপজেলা জুড়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে দিনব্যাপী গণসংযোগ ও পথসভা করছেন। বক্তৃতায় তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য কার্ড চালু করা হবে। পাশাপাশি ভালুকায় অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম হরিণ প্রতীকে প্রচারণায় গুরুত্ব দিচ্ছেন তরুণদের কর্মসংস্থান, কৃষিপণ্য বিপণন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নারী শিক্ষার প্রসারে। তাঁর ভাষায়, দলীয় চাপ নয়, ভোটারদের প্রত্যাশাই তাঁর রাজনীতির মূল ভিত্তি।এনসিপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম শাপলাকলি প্রতীকে কৃষি ভর্তুকি, সারের সহজলভ্যতা এবং গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। অপরদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল হাতপাখা প্রতীকে নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজ গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরছেন।এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও গণভোটকে কেন্দ্র করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পৌরসভা ও জনবহুল এলাকায় গণভোট ও নতুন বাংলাদেশ বিষয়ক ব্যানার-বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে সভা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে সরকারি উদ্যোগগুলোর প্রচার করা হচ্ছে।ভালুকা আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় রয়েছে মোট ১০৭টি ভোটকেন্দ্র—এর মধ্যে ৭টি নারী, ৭টি পুরুষ ও ৯৩টি সাধারণ কেন্দ্র।ভালুকা পৌরসভার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, “এবার নির্বাচন অনেক জমজমাট। প্রার্থীরা অনেক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে আমরা চাই, যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি যেন কথা নয়, কাজের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেন।”আরেক ভোটার সজিব খান বলেন, “কৃষি কার্ড বা ভর্তুকির চেয়ে আমাদের বেশি দরকার ন্যায্য দামে ফসল বিক্রির নিশ্চয়তা।”রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে ভালুকায় চার থেকে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠতে পারে। জোরদার প্রচারণা ও ভোটারদের উচ্চ অংশগ্রহণের কারণে এ আসনে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তাঁরা।ইখা
    সড়ক দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যুর পরদিন পৃথিবীতে এলো সন্তান
    ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারের বাইরে তখন নীরবতা। ভেতরে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি, আর বাইরে অপেক্ষা করছে এক পরিবার, যাদের জীবনে আনন্দ আর শোক একই সঙ্গে এসে দাঁড়িয়েছে, এমন পরিস্থিতির মূলে একটি সড়ক দুর্ঘটনা।  সোমবার (২ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেবীগঞ্জ পৌর শহরের এডভান্স ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জন্ম নেয় এক ছেলে শিশু। কিন্তু জন্মের আগেই সে হারিয়েছে তার বাবাকে।নবজাতকের মা রিক্তা রানীর স্বামী সমেশ চন্দ্র বর্মন (৩৮) এর মৃত্যু হয়েছিল ঠিক একদিন আগে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারী) রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। সন্তানের জন্মের খবরে যাকে প্রথম ফোন করার কথা ছিল, সেই মানুষটি তখন পৃথিবীতে নেই।সমেশ চন্দ্র বর্মন দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের কাটনহারী আরাজী এলাকার হরি কিশোর বর্মনের ছেলে। তিনি দেবীগঞ্জ পৌর শহরের মায়ের হাসি স্মার্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই দম্পতির সাত বছরের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।গত রবিবার রাত ৯টার দিকে কর্মস্থল শেষ করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে দেবীগঞ্জ পৌরসভার পাকড়িতলা এলাকায় বোদা-দেবীগঞ্জ মহাসড়কে মদিনা কোল্ড স্টোরেজের সামনে দেবীগঞ্জ শহরমুখী একটি বালুবোঝাই ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি তাকে চাপা দিয়ে প্রায় ১৫ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আপন চন্দ্র রায় বাদী হয়ে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।এদিকে স্বামীর মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েই সোমবার দিনভর ক্লিনিকে ছিলেন রিক্তা রানী। রাতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় তার ছেলে সন্তান। জন্মের মুহূর্তে শিশুটির কান্না আর পরিবারের চোখের পানি এক হয়ে যায়।এডভান্স ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক হিমন দাস বলেন, সমেশ দা ছিলেন অত্যন্ত দায়িত্বশীল একজন মানুষ। তার মৃত্যুতে আমরা সবাই ব্যথিত। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটি কখনো বাবার মুখ দেখতে পারবে না। আমরা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছি। সিজারিয়ান অপারেশনের যাবতীয় ব্যয় আমরা বহন করেছি।সমেশের বোন কল্পনা রানী ও শোভা রানী বলেন, ভাইয়ের ছেলেটাকে কোলে নিলেই চোখের সামনে ভাইয়ের মুখ ভেসে ওঠে। কীভাবে এই শোক মেনে নেব, সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না। নিজেদের সান্ত্বনা দিয়ে ভাবছি, হয়তো ঈশ্বর আমাদের কপালে এমন অঘটনই লিখে রেখেছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে কষ্টের কথা, ভাইয়ের ছেলেটা জন্মের পর বাবার আদর পেল না।পিএম
    পঞ্চগড়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগ
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আসসাদ আলী। তিনি দেবীগঞ্জ উপজেলার লক্ষীরহাট দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি পামুলী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।ঘটনাটি ঘটে রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে। দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের ঢাঙ্গীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনী জনসভায় আসসাদ আলীকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। সভাটির আয়োজন করে পামুলী ইউনিয়ন বিএনপি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৪৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আসসাদ আলী ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ধানের শীষে ভোট দিলে ইহকাল ও পরকালে শান্তি ও মুক্তি মিলবে।’ একই সঙ্গে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান জানান এবং ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয় কামনা করেন।এদিকে, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের স্বাক্ষরিত গত ২৭ জানুয়ারির সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ তালিকায় ১৩৫ নম্বর ক্রমিকে আসসাদ আলীর নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আসসাদ আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকেও পাওয়া যায়নি।তবে পঞ্চগড় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, ‘এখনো প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি। আসসাদ আলীর নাম সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার প্রাথমিক তালিকাতেও নেই।’ইখা
    একটি গোষ্ঠী ৭১-কে পিছনে ফেলতে চায়: মির্জা ফখরুল
    বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘একাত্তরের স্বাধীনতা আমাদের অস্তিত্ব। তবে একটা গোষ্ঠী ৭১-কে পিছনে ফেলতে চায়।’ একাত্তরকে পিছনে ফেললে আমি আমার অস্তিত্বেকে হারিয়ে ফেলবো বলেও তিনি মন্তব্য করেন ।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজতি নির্বাচনী সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।ফখরুল বলেন, একাত্তর আমাদের নতুন দেশ দিয়েছে, ভূখন্ড দিয়েছে। আমাদের সামনে অনেক সুযোগ করে দিয়েছে, আমাদেরকে বেঁচে থাকার, সামনে এগিয়ে যাবার ও আমাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়ার। এটা কিন্তু খুব জরুরী।তিরি বলেন, দূর্ভাগ্যজনকভাবে একটি গোষ্ঠী ওই একাত্তরকে পিছনে ফেলতে চায়। একাত্তরকে পিছনে ফেললে আমাদের অস্তিত্ব থাকবেনা। একাত্তর হচ্ছে আমাদের মূল অস্তিত্ব। এটাকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।এ সময় তিনি আরও বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, মিথ্যা প্রচারণা করা হচ্ছে। যেগুলোর কারণে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হতে পারে।নির্বাচন ৫ বছরে আমরা একবারই দেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোট কিন্তু একটি আমানত। এটাকে খেয়ানত করা উচিত না অর্থ্যাৎ নষ্ট করা উচিত না। আমরা সেই ব্যক্তিকে ভোট দিব যেই ব্যক্তি সঠিকভাবে সেই ভোটের মর্যাদা রক্ষা করবে। এটা একটা ইমপরটেন্ট বিষয়।এ সময় জেলা বিএনপির নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    লালমনিরহাট ৩ আসনে ম্যাজিক ম্যান দুলুর গণজোয়ার, শক্ত অবস্থানে বাকিরাও
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই  আনুষ্ঠানিক ভাবে মাইকিং, মিছিল, গণসংযোগ ও পথসভায় সরগরম হয়ে উঠছে পুরো নির্বাচনি এলাকা। প্রার্থীরা ঘুরছেন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা।ভোট যুদ্ধে বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি'র মনোনীত প্রার্থী, সাবেক উপমন্ত্রী  অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, তবে পিছিয়ে নেই বাকিরাও। তবে বিএনপি’র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর প্রচারণায় যোগ হয়েছে ব্যতিক্রম মাত্রা। প্রচার প্রচারণা গণ সংযোগে নেমেছে ভিক্ষুকরাও। তাঁরা আলাদা আলাদা ভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দুলুর প্রচার-প্রচারণা গণসংযোগের ব্যতিক্রম মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্বাচনি উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে ধানের শীষের পক্ষে।ভোটযুদ্ধে বিজয়ী করার জন্য তার ছেলের পাশাপাশি প্রচারে নামেন তার স্ত্রী, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লায়লা হাবিব। তিনি বেশকিছু দিন ধরে প্রচারণা শুরু করেছেন। নারী নেতা-কর্মীদের নিয়ে আলাদাভাবে প্রচারণা চালান। আবার কখনো দুলুর সঙ্গেই জনসভার মঞ্চে থেকে বক্তব্য দিচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ছাড়াও পথসভায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি প্রচারণা বক্তব্য দেন। আসাদুল হাবিব দুলু একদিকে প্রচারণার গেলে, অন্যদিকে যাচ্ছেন স্ত্রী  লায়লা হাবিব।লালমনিরহাট তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্য( সদর) উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে, লালমনিরহাট-৩ (সদর)  আসন গঠিত। যা সংসদীয় আসন ১৮। (সদর) ৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩ তিন ৯১৩ জন। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৭০৪ জন আর নারী ভোটার ১ লক্ষ ৫২ হাজার ২০৮ জন। এ আসনের ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ্যাড. আবু তাহের (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপি’র অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির জাহিদ হাসান লিমন (লাঙ্গল), কমিউনিস্ট পার্টির এ্যাড, মধুসুদন রায় (কাস্তে), গণসংহতি আন্দোলন দীপক কুমার রায় (মাথাল), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা)।এসব প্রার্থীর মধ্যে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের হেভিওয়েট প্রার্থী, সাবেক উপমন্ত্রী, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপমন্ত্রী ছিলেন। সেই সময় ১৩ টি অপরাধ মুক্ত আলোকিত লালমনিরহাট গঠনের রুপকার হিসেবে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু একজন সুপরিচিত প্রার্থী।গণসংযোগকালে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায়ের পক্ষে আমি নির্বাচনে নেমেছি। (তিন আসনের) মানুষ এবার ধানের শীষের পক্ষেই রায় দেবে বলে আমি আশাবাদী। এ আসনের মানুষ ধানের শীষ কে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে আসনটি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে উপহার দিবে বলে আমি আশা করি।এদিকে জামায়াতের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সভাপতি এডভোকেট আবু তাহের তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন  রয়েছেন। প্রচারণায় তিনি বলেন,ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস মুক্ত এবং মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য  আমরা কাজ করছি। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখবে বলে বিশ্বাস করি।এছাড়া, জেলা জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক, জাহিদ হাসান ( নাঙ্গল) প্রতীক নিয়ে  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তিনিন একজন ক্লিন ইমেজের মানুষ। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে দেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন করার লক্ষ্যে কাজ করব, এবং এ আসনের মানুষ নাঙ্গল মার্কা কে ভালোবেসে ভোট দিবে। এদিকে ভোটাররা বলছেন, তারা যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চাননির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে  নির্বাচনী প্রচারণা দিন দিন বাড়বে। শেষ পর্যন্ত কারা ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে পারেন, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পুরো সদর  উপজেলার মানুষ।এসআর
    ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক অবরোধ করে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
    ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। দশম গ্রেডে সাধারণ বিএসসি ডিগ্রিধারীদের চাকরিতে প্রবেশের অনুমতির প্রতিবাদে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মূল ফটক থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীরা বিসিক এলাকার তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।দুপুর দেড়টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সড়ক ছাড়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, পরদিন শবে বরাত উপলক্ষে মানুষ কেনাকাটায় বের হবে। তবে শিক্ষার্থীরা তার অনুরোধে সাড়া দেননি। এরপর আরও প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে স্লোগান দেন তারা।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, কারিগরি শিক্ষায় ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার পর দীর্ঘ সময় ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা যে দক্ষতা অর্জন করেন, তা উপেক্ষা করে সাধারণ বিএসসি ডিগ্রিধারীদের দশম গ্রেডে চাকরির সুযোগ দেওয়া সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক। এতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হবে এবং কারিগরি শিক্ষার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে।তারা আরও বলেন, আগে কারিগরি খাতে দশম গ্রেডের পদগুলো ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য নির্ধারিত ছিল। হঠাৎ নীতিমালা পরিবর্তনের মাধ্যমে একই গ্রেডে বিএসসি ডিগ্রিধারীদের নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হলে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল না হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মনির হোসেন বলেন, দীর্ঘ সময় পর শিক্ষার্থীরা পুলিশের অনুরোধে সড়ক থেকে সরে যান। পরে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।ইখা
    ইনসাফ ও সুশাসনের বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছি: নাটোরে আসিফ মাহমুদ
    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, ইনসাফ ও সুশাসনের বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেশের সব নাগরিকের। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সে দায়িত্ব পালন করবেন।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় নাটোর-৩ আসনের ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জার্জিস কাদিরের নির্বাচনী পদযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।আসিফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রশাসন তার ‘পুরোনো রূপ’ দেখাতে শুরু করেছে। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগজনক।প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, পঞ্চগড়ে একজন প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এটি একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। তিনি দাবি করেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে একাধিক অভিযোগ জানানো হলেও সেগুলোর কার্যকর কোনো প্রতিকার দেখা যায়নি।আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপির এক প্রার্থীকে শোকজ করার ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও অন্য অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। এর ফলে প্রশাসনের ভেতরে পক্ষপাতিত্বের প্রবণতা তৈরি হচ্ছে এবং সরকারি কর্মকর্তারাও প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রশাসনকে ব্যবহার করে যদি কেউ আবারও পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চান, তাহলে তারা ভুল করছেন। অতীতে এমন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকা গেলেও বর্তমান বাস্তবতায় তা আর সম্ভব নয়। প্রয়োজনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার রক্ষায় জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর-৩ আসনের ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জার্জিস কাদির, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান ময়না, যুগ্ম আহ্বায়ক তাহাশ নূর, কেন্দ্রীয় সংগঠক ফয়সাল আহমেদসহ ১১–দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।ইখা
    নওগাঁয় জামায়াতের আমির আসছেন বৃহস্পতিবার
    সারাদেশে নির্বাচনী প্রচার এবং রাজনৈতিক সফরের অংশ হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নওগাঁয় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এদিন বেলা ১১ টায় শহরের এ টিম মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্বাচনী জনসভায় তার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সাকল সাড়ে ১০ টার দিকে মাঠ পরিদর্শন শেষে জেলা জামাতের সেক্রেটারি এবং নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ স ম সায়েম এ তথ্য জানান। আ স ম সায়েম বলেন, ‘৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) আমিরে জামাত ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নওগাঁয় আসবেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে আমরা জনসভার মাঠ পরিদর্শন করে দেখলাম, মাঠের কাজ চলমান রয়েছে। শুধু নওগাঁ না সারাদেশের মানুষ এবার পরিবর্তন দেখতে চায়। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। আশাকরি ৫ তারিখ নওগাঁ শহর দাঁড়িপাল্লার শহরের রূপ নেবে এবং একটি সফল সমাবেশ হবে। মানুষ জানতে পারবে আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে, আমরা কেমন মাতৃভূমি চাই তার একটি রূপরেখা আমিরে জামাত তুলে ধরবেন। যেহেতু ১১টি উপজেলা থেকেই মানুষ আসবে সেই হিসেবে আমরা মনে করছি ৫-৬ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। আমরা দল-মত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন করতে চাই।’এ সময় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন, সদর উপজেলা আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, অফিস সম্পাদক মাওলানা শফিকুল ইসলাম বাহারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    ভাঙ্গুড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন
    সরকার কর্তৃক গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে সম্প্রসারিত উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলা কর্মসূচিতে ভাঙ্গুড়া পৌর কর্মচারী সংসদসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। কর্মসূচি চলাকালে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে তারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি তুলে ধরেন।কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছেন। জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন ‘এক দফা এক দাবি’ দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা আর্থিক ও পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশে বিলম্বের কারণে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করেও ভিন্ন বেতন কাঠামোর মুখে পড়তে হচ্ছে, যা বৈষম্য আরোও স্পষ্ট করে তুলছে।’তিন ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল আউয়াল, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, সরকারি চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী ঐক্য পরিষদ ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি মো. আছাদুল ইসলাম, সাধারণ মো. আরিফুল ইসলাম ও সাংগঠনিক মো. শহীদুল ইসলাম।এ সময় ভাঙ্গুড়া উপজেলা, ভাঙ্গুড়া পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    সিংড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১
    নাটোরের সিংড়া উপজেলায় যৌথ অভিযানে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক মোটরসাইকেল মিস্ত্রিকে আটক করেছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বামিহাল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে বামিহাল বাজারে অবস্থিত একটি মোটরসাইকেল সার্ভিসিং দোকান থেকে মো. আব্দুল্লাহ (২৯) নামের এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি মুকুল হোসেনের ছেলে।আটক আব্দুল্লাহের স্থায়ী বাড়ি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার দিয়ারবাঘল গ্রামে। বর্তমানে তিনি সিংড়া উপজেলার বামিহাল গ্রামে মিলনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন এবং পেশায় একজন মোটরসাইকেল মিস্ত্রি।অভিযানকালে তার দোকান থেকে একটি দেশীয় পিস্তল সদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় সিংড়া থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।পিএম
    স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনা: ঈশ্বরদীর ৬ যুবদল নেতা বহিষ্কার 
    পাবনা-৪ আসনের(ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর নির্বাচনী প্রচারনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের আহবায়কসহ ৬ যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার(২ ফেব্রুয়ারী) সন্ধার দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অমান্য করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর পক্ষে সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেওয়াই ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের আহবায়কসহ ৬ যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন- ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের আহবায়ক জাকির হোসেন জুয়েল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম রিপন, মোঃ আক্তারুজ্জামান রাজু, মোঃ এনামূল হক আতিয়ার, মোঃ মাহমুদ হাসান সোনামনি ও উপজেলা যুবদল সদস্য মোঃ মতিউর রহমান। বাংলাদশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারন সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম নয়নের নির্দেশে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতারা শুরু থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া  পিন্টুর নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। তারা সরাসরি ধানের শীষের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে দলকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছিল।এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সুলতান আলী বিশ্বাস টনি বলেন, দল থেকে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে তারা ব্যর্থ হয়েছে যার ফলে দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কার করেছে।এসআর
    সুনামগঞ্জ ২: জামায়াত প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২
    সুনামগঞ্জ ২ (দিরাই শাল্লা) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।হামলায় প্রচার গাড়িতে থাকা ২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও দিরাই থানা পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মত সুনামগঞ্জ ২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তার প্রচারের গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসা মাত্র দুটি মোটরসাইকেল হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এসে শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করে।দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শেষে যখন জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসে তখন দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি ভাঙচুর করে।তিনি আরও জানান, সেই দুজনের হেলমেট পড়া থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে আসামিদের ধরতে কিংবা চিহ্নিত করতে।সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, হামলার ঘটনার বিষয়ে খুঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এসআর
    সুনামগঞ্জ ২: জামায়াত প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২
    সুনামগঞ্জ ২ (দিরাই শাল্লা) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।হামলায় প্রচার গাড়িতে থাকা ২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও দিরাই থানা পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মত সুনামগঞ্জ ২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তার প্রচারের গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসা মাত্র দুটি মোটরসাইকেল হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এসে শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করে।দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শেষে যখন জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসে তখন দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি ভাঙচুর করে।তিনি আরও জানান, সেই দুজনের হেলমেট পড়া থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে আসামিদের ধরতে কিংবা চিহ্নিত করতে।সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, হামলার ঘটনার বিষয়ে খুঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এসআর
    টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
    ট্রান্সফরমার মেরামত, সঞ্চালন লাইন উন্নয়ন কাজের জন্য আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে সিলেট নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গতকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৩ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৩ কেভি গোটাটিকর ও জগন্নাথপুর এবং ১১ কেভি বরইকান্দি, স্টেশন, কদমতলী, শিববাড়ী, লালাবাজার, কামারবাজার ও মাসুকগঞ্জ ফিডারের আওতাধীন নগরীর অন্তত ৬২টি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে বরইকান্দি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সুনামপুর, কামুসনা, ধরাধরপুর, পুরান তেতলী, টেকনিক্যাল রোড, খোজারখলা, বাবনা পয়েন্ট, পুলেরমুখ, ঝালপাড়া, চাঁদনীঘাট, কদমতলী, রেলওয়ে স্টেশন, বঙ্গবীর রোড, মোমিনখলা, বারখলা, গালিমপুর, মুন্সিবাজার, আলমনগর, পিঠাকরা, ফরহাদপুর, গাঙপাড়, বনগাঁও, কামালবাজার, পুরানগাঁও, ছোট দিঘলী, বাইপাস রোড, মাসুক বাজার, তাজপুর, মিরেরগাঁও, গুপ্তেরগাঁওসহ আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৩ এর কর্তৃপক্ষ।এইচএ
    সুনামগঞ্জে আড়াই শতাধিক ভারতীয় শটগানের গুলিসহ যুবক আটক
    সুনামগঞ্জে আড়াই শতাধিক ভারতীয় শটগানের গুলিসহ এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার সদর উপজেলার আব্দুজ জহুর সেতু এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯-এর একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজন এক যুবককে আটক করা হয়। পরে তার সাথে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ভারত থেকে আনা শটগানের সিসার গুলির ৬টি প্যাকেট জব্দ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেট কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল এবং প্রতিটিতে ১০টি করে সিসার গুলি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে আড়াই শতাধিক সিসার গুলি জব্দ করে র‍্যাব।বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯-এর এএসপি মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান (বা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)। তিনি জানান, আটককৃত যুবক বর্তমানে র‍্যাব হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।এনআই
    শায়েস্তাগঞ্জ র‍্যাব-৯ এর অভিযানে এয়ারগান উদ্ধার
    র‍্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার হয়েছে।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।এর আগে শুক্রবার রাত ১০টায় র‍্যাব-৯ সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অস্ত্র উদ্ধারের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর ইউনিয়নের সুতাং বাজারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার এয়ারগান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এ প্রেক্ষিতে ব্যাপক তল্লাশী করে হলুদ রঙের প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় ১টি এয়ারগান উদ্ধার হয়। ওই সময় এয়ারগানটির সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে র‍্যাব-৯ এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত এয়ারগানটি নাশকতার কাজে ব্যবহার করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত এয়ারগানটি জিডি মূলে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এসআর

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    মহাত্মা গান্ধীর ৪২৬ কেজি ওজনের ভাস্কর্য চুরি
    অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের রোবিলে ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে মহাত্মা গান্ধীর ৪২৬ কেজি ওজনের একটি ভাস্কর্য চুরির ঘটনা ঘটেছে। নয়াদিল্লির ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেসন্স ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল। সংবাদমাধ্যম অস্ট্রেলিয়া টুডে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্য চুরির ঘটনা ঘটে।চোররা অ্যাঙ্গেল গ্রিন্ডার ব্যবহার করে পায়ের কাছ থেকে ভাস্কর্যটি কেটে নিয়ে চলে যায়। কারা এটি চুরি করেছে এটি এখনো স্পষ্ট নয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে ভাস্কর্যটি পায়ের কাছ থেকে কাটা। এটির পায়ের তালুগুলো শুধুমাত্র সেখানে রয়ে গেছে।চুরির পর ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সদস্যরা। ভাঙা ব্রোঞ্জের ব্যবসায়ীদের পুলিশ সতর্ক করেছে কেউ যদি তাদের কাছে ব্রোঞ্জ বিক্রি করতে আসে তাহলে তাদের যেন অবহিত করা হয়।ইন্ডিয়ান কমিউনিটি চ্যারিটেবল ট্রাস্টের কমিটি মেম্বার সান্তোস কুমার বলেছেন, চুরির ঘটনা আংশিক ভবনের সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে এবং পরেরদিন এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে।অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধামন্ত্রী স্কট মরিসন ২০২১ ভাস্কর্য স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ভাস্কর্যটি স্থাপন করার মাত্র ২৪ ঘণ্টা পরই এটিতে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল।অস্ট্রেলিয়ায় সম্প্রতি ভারতবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যেই এই ভাস্কর্য চুরির ঘটনা ঘটল। অভিযুক্তরা একটি সাদা ভ্যানগাড়িতে করে এসে এটি কেটে নিয়ে যায়। ওই সময় তাদের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল।সূত্র: অস্ট্রেলিয়া টুডে, এনডিটিভিএবি 
    উত্তেজনার মধ্যেই লোহিত সাগরে মার্কিন-ইসরায়েলের মহড়া
    ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী লোহিত সাগরে একটি যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছে বলে সোমবার সামরিক সূত্র জানায়। এ খবর জানিয়েছে আনাদোলু।ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, রবিবার মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক এবং ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত এই মহড়াটি ছিল লোহিত সাগর এলাকায় ইসরায়েলি নৌবাহিনী ও মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের মধ্যে চলমান সহযোগিতার অংশ।বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটি পূর্বপরিকল্পিত ও নিয়মিত সফরের অংশ হিসেবে এবং দুই নৌবাহিনী ও নিজ নিজ সামরিক বাহিনীর মধ্যে কৌশলগত ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার কাঠামোর আওতায় ইলাত বন্দরে নোঙর করে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই মহড়াকে নিয়মিত সামুদ্রিক মহড়া হিসেবে উল্লেখ করেছে।সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, এই যৌথ প্রশিক্ষণ মার্কিন পঞ্চম নৌবহর ও ইসরায়েলি নৌবাহিনীর মধ্যে শক্তিশালী সামরিক অংশীদারিত্বের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।এই মহড়াটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরের নেতৃত্বে আরব ও আঞ্চলিক উদ্যোগের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা চলছে।এবি 
    ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত ১৩৯ বিদেশি গ্রেপ্তার
    সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ১৩৯ বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ইরান সরকার। তবে তাদের নাগরিকত্ব এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আজ মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম ডেইলি সাবাহ।ইয়াজদ শহরের পুলিশ প্রধান আহমাদ নেগাহবান বলেছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দাঙ্গামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা বিশৃঙ্খলাকারীদের সংগঠিত করা, উসকানি দেওয়া ও দিকনির্দেশনায় জড়িত ছিলেন। কিছু ক্ষেত্রে তারা দেশের বাইরে থাকা নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন।আহমাদ নেগাহবান আরো বলেন, সাম্প্রতিক দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে সম্পর্কিত মামলাগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এসব অস্থিরতায় গ্রেপ্তার হওয়া ১৩৯ জনই বিদেশি নাগরিক।ইরানে অর্থনৈতিক দুরবস্থার প্রেক্ষাপটে গত ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হয়।পরবর্তী সময়ে তা দেশজুড়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।তেহরান স্বীকার করেছে, এ অস্থিরতায় তিন হাজারের বেশি মানুষের মারা গেছে। তবে তাদের দাবি, নিহতদের বেশির ভাগই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ পথচারী। সরকার এই সহিংসতাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বা ‘দাঙ্গা’ বলে বর্ণনা করেছে।এবি 
    ৩৫০০ প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল কুয়েত
    দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে সাড়ে তিন হাজার প্রবাসীকে গ্রেপ্তারের পর নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করেছে কুয়েত। আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গত মাসে দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেপ্তারের পর ওই অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন করা হয়।মঙ্গলবার কুয়েতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারিতে কুয়েতের সব প্রশাসনিক অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে কুয়েতের নিরাপত্তা বাহিনী।এই অভিযানে বিভিন্ন দেশের ৩ হাজার ৫০০ নাগরিককে আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।আবাসন ও শ্রম আইনের প্রয়োগ জোরদার করার অংশ হিসেবে ওই কঠোর নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসন করা প্রবাসীদের মাঝে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবৈধ শ্রমিক, পলাতক কর্মী এবং অন্যান্য আইন লঙ্ঘনকারীরাও ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।গত কয়েক বছর মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি থেকে হাজার হাজার অবৈধ প্রবাসী ও আইন লঙ্ঘনকারীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, আইনি বাধ্যবাধকতা কার্যকর করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এসব অভিযানের লক্ষ্য।এবি 
    জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা: ইরানের প্রেসিডেন্ট
    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ‘খারাপ পরিণতি’ হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।পেজেশকিয়ান বলেন, আমি আমার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। যদি ন্যায়সঙ্গত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ থাকে তাহলে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় স্বার্থের কাঠামোর মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। গত মাসে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ইরানি কর্তৃপক্ষের মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার পর ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী দল পাঠিয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি আশাবাদী যে ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘কিছু একটা সমাধান’ করবে। তবে সোমবার তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ‘খারাপ পরিণতি ঘটবে’।তেহরান জোর দিয়ে বলেছে যে তারা কূটনীতি চায় এবং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি অবাধ প্রতিক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।ইরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে আলোচনা কেবল পারমাণবিক ইস্যুতেই কেন্দ্রীভূত থাকা উচিত। ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।সোমবার সিএনএন সম্প্রচারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি অর্জন করা সম্ভব।তিনি বলেন, তাই আমি আরেকটি আলোচনার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি যদি মার্কিন আলোচনাকারী দল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথা অনুসরণ করে। একটি ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব যেন কোনো পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে তা নিশ্চিত করা যায়। তিনি আরও বলেন, যদি তাই হয়, তাহলে আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। এমআর-২
    ইরান থেকে সেই যুদ্ধজাহাজ দূরে সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র
    অবস্থান পরিবর্তন করে যুক্তরাষ্ট্রের সেই যুদ্ধজাহাজকে দক্ষিণ ইয়েমেনের জলসীমায় নেয়া হয়েছে, যা ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।সংশ্লিষ্ট একটি সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএনএ।সূত্রের মতে, একাধিক ডেস্ট্রয়ার ও একটি সহায়ক সাবমেরিনসহ যুক্তরাষ্ট্রের এই বহরটি বর্তমানে ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপের পূর্বে এডেন উপসাগরের কাছে মোতায়েন রয়েছে। সেই হিসাবে বহরটি ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার থেকে আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে, যা আগের তুলনায় ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরও বেশি দূরত্ব নির্দেশ করে। ইরানি কর্মকর্তারা যখন ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি নিয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন, তখনই যুদ্ধজাহাজের অবস্থান পরিবর্তনের খবর এলো।   তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি। মার্কিন কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি।  যদিও যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে বলে স্থানীয় সময় সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ফের দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।  ওভাল অফিসে ট্রাম্প জানান, আমাদের জাহাজ এখন ইরানের দিকে যাচ্ছে, বড় জাহাজ– সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে শক্তিশালী। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আমাদের আলোচনাও চলছে, দেখা যাক বিষয়টি কীভাবে এগোয়।  তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি, সেটি খুব ভালো হবে। আর যদি না পারি, তাহলে সম্ভবত খারাপ কিছু ঘটবে।’ এদিকে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে দেশটির সামরিক নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং তা এখন আরও ‘আক্রমণাত্মক’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।   এমন পরিস্থিতিতে, অঞ্চলটির গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সামরিক গতিবিধি ও কৌশলগত বার্তা আন্তর্জাতিক মহলে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাবও মূল্যায়ন করছেন বিশ্লেষকেরা।  এমআর-২
    তেল না কেনার ব্যাপারে এখনও কিছু জানায়নি ভারত: রাশিয়া
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ভারত আর রাশিয়ার তেল কিনবে না। এর বদলে দেশটির পণ্যে শুল্কের পরিমাণ ১৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন তিনি।তবে রাশিয়া বলছে, তেল না কেনার ব্যাপারে ভারত এখনো তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি এবং এ সংক্রান্ত কোনো বিবৃতিও দেননি।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ বলেন, “এ ব্যাপারে আমরা নয়াদিল্লির কাছ থেকে কোনো বিবৃতির ব্যাপারে শুনিনি। আমরা ভারত-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সম্মান জানাই। কিন্তু আমরা রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে উন্নত কৌশলগত সম্পর্ক বিকাশকেও কম গুরুত্ব দেই না। এ বিষয়টি আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দিল্লির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও বেশি এগিয়ে নিতে চাই।”বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ওই সময় তিনি দাবি করেন নয়াদিল্লি রাশিয়ার তেল কেনার বদলে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার তেল কিনতে রাজি হয়েছে।তিনি জানান, “মোদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন। এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র এবং সম্ভাব্য ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবেন। এটি ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ করবে। যা এখন চলছে এবং প্রতিদিন-প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন।”এর কয়েক মিনিট পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিবৃতি দেন। এতে তিনি ট্রাম্পকে ১৪০ কোটি ভারতীয়র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। এমআর-২
    ইরানে বিক্ষোভে জড়িত থাকায় ১৩৯ বিদেশি গ্রেপ্তার
    ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে অন্তত ১৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ওই বিদেশিরা কোন দেশের নাগরিক, সেই বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।ইরানের ইয়াজদ প্রদেশ মরু অঞ্চলে অবস্থিত। ওই প্রদেশের জনসংখ্যা অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় কম। ইয়াজদে ১০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস রয়েছে। গত জানুয়ারিতে ইরানজুড়ে সরকারবিরোধী যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, তা অন্যান্য প্রদেশের মতো ইয়াজদেও দেখা যায়।গত ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে শুরু হওয়া ওই বিক্ষোভ দ্রুত রাজনৈতিক সহিংসতায় রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই ছিল ইরানের  সবচেয়ে সহিংস বিক্ষোভ।দেশটির সরকার বলেছে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভ-সহিংসতায় ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলেছে, ইরানে বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।সাম্প্রতিক ওই বিক্ষোভ-সহিংসতা উসকে দেওয়ার জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ইরান।ইয়াজদের পুলিশপ্রধান আহমাদ নেগাহবান বলেন,‌ ‌‌‘‘এই (বিদেশি) ব্যক্তিরা দাঙ্গামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করা, উসকানি দেওয়া ও পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। কিছু ক্ষেত্রে তারা বিদেশে থাকা নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন।’’ইরানের বিচারিক কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, অস্থিরতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মঙ্গলবার ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গির বলেন, মার্কিন উসকানিতে যারা ভূমিকা রেখেছে এবং এটিকে সমর্থন করেছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ইরানি গণমাধ্যম বলেছে, গত মাসের বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় তেহরানে চারজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমআর-২
    চুক্তি না হলে খারাপ কিছু ঘটবে, ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
    আগামী শুক্রবার তুরস্কে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো না গেলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে।সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলি জানায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের অবসান ঘটাতে এবং নতুন করে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা কমাতে ইস্তাম্বুলে বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।সৌদি আরব ও মিশরের মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন একজন আঞ্চলিক কূটনীতিক।   তবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প আবারও উল্লেখ করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে। ওভাল অফিসে ট্রাম্প জানান, আমাদের জাহাজ এখন ইরানের দিকে যাচ্ছে, বড় জাহাজ– সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে শক্তিশালী। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আমাদের আলোচনাও চলছে, দেখা যাক বিষয়টি কীভাবে এগোয়। তিনি বলেন, যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি, সেটি খুব ভালো হবে। আর যদি না পারি, তাহলে সম্ভবত খারাপ কিছু ঘটবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমি চাই একটি চুক্তি হোক। তবে সেটা আদৌ হবে কি না, আমি নিশ্চিত নই।’  এমআর-২
    ‘আমি শয়তান নই’, সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন এপস্টেইন
    যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে। সেখানে এপস্টেইন দাবি করেছেন যে তিনি ‘শয়তান’ নন। নিজেকে খুবই ‘স্বল্পমাত্রার যৌন শিকারি’ বলেও দাবি করেন তিনি।এপস্টেইনের এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন। নিউইয়র্ক সিটিতে এপস্টেইনের যে প্রাসাদোপম বাড়ি আছে, সেখানেই গ্রহণ করা হয়েছিল এই সাক্ষাৎকারটি। তবে কবে, কোন মাসে এই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন এপস্টেইন, তা জানা যায়নি।সাক্ষাৎকারে দেখা গেছে, ব্যানন এপস্টেইনকে জিজ্ঞেস করছেন, “আপনি কি নিজেকে শয়তান মনে করেন?”কালো শার্ট এবং সানগ্লাস পরিহত এপস্টেইনকে বলতে দেখা গেছে, “না, আমি শয়তান নই। আমার ঘরে একটি খুব ভালো মানের আয়না আছে। সেখানে প্রায়েই আমি নিজেকে দেখি।”এরপর ফের ব্যানন তাকে একই প্রশ্ন করলে এপস্টেইন বলেন, “আমি জানি না; কিন্তু আপনি আমাকে এই প্রশ্ন কেন করছেন?”এরপর ব্যানন এপস্টেইনকে প্রশ্ন করেন, “লোকজন আপনাকে ক্লাস থ্রি যৌন শিকারি’ বলে ডাকে। এটা কি সঠিক?”প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে ‘ক্লাস থ্রি যৌন শিকারি/অপরাধী’ বলতে সেই সব যৌন অপরাধীদের বোঝানো হয়— যারা সামাজিক কিংবা জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।জবাবে এপস্টেইন বলেন, “না, আমি ক্লাস থ্রি যৌন অপরাধী নই। আমি যৌন শিকারি এটা সত্য, কিন্তু তা একেবারেই স্বল্পতম মাত্রার।”তারপর ব্যানন জিজ্ঞেস করেন, “তার মানে আপনি স্বীকার করছেন যে আপনি অপরাধী।”জবাবে এপস্টেইন বলেন, “হ্যাঁ।”ফের ব্যানন জিজ্ঞেস করেন, “আপনি অর্থের বিনিময়ে অনেক জঘন্য ব্যক্তির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। আপনি কি মনে করেন যে আপনার উপার্জিত অর্থ নোংরা?”উত্তরে এপস্টেইন বলেন, “না, আমি তা মনে করি না। আমি যে অর্থ উপার্জন করেছি, বৈধভাবেই করেছি। তবে ন্যায়-নীতির ব্যাপারটি খুবই জটিল। এ ব্যাপারে আমার সঙ্গে অনেকের দ্বিমত থাকতেই পারে।”নিউইয়র্কে একটি ইহুদি পরিবারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা জেফরি এপস্টেইনের। গত শতকের ৭০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউইয়র্কের ডাল্টন স্কুলে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।শিক্ষক থাকাকালেই ডাল্টন স্কুলের এক শিক্ষার্থীর বাবার সঙ্গে ভালো সম্পর্কের সুবাদে  তারপর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগ ব্যাংক বিয়ার স্টিয়ার্নসের এক জ্যেষ্ঠ অংশীদারের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। সেই পরিচয়ের চার বছরের মাথায় বিয়ার স্টিয়ার্নসের অংশীদার বনে যান এপস্টেইন।১৯৮২ সাল নাগাদ এপস্টেইন তাঁর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান জে এপস্টেইন অ্যান্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এই কোম্পানিটি এমন সব গ্রাহকের সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করত, যার মূল্য ১০০ কোটি ডলারের (৮০ কোটি পাউন্ড) বেশি। কোম্পানিটি দ্রুতই সাফল্য পায়। এপস্টেইনও তখন তাঁর ভাগ্য গড়তে শুরু করেন।বিনিয়োগ ব্যবসায় দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সুবাদে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল অর্থের মালিক হয়ে যান জেফ্রি এপস্টেইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন আইল্যান্ড, পাম বিচে নিজের ‘সাম্রাজ্য’ গড়ে তোলেন। দেশ-বিদেশের প্রভাবশালী সব রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা আমোদ-ফূর্তির জন্য এপস্টেইনের ‘সাম্রাজ্যে’ যেতেন। ২০১৯ সালের ৬ জুলাই নিউইয়র্কে গ্রেপ্তার করা হয় জেফ্রি এপস্টেইনকে। তার পরের মাসেই কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। অনেকের দাবি, কারাগারে আত্মহত্যা করেছেন এপস্টেইন।এমআর-২

    বিনোদন

    সব দেখুন
    দীর্ঘ বিরতির পর প্লেব্যাকে ফাহমিদা নবী, সঙ্গে ইমরান
    দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সিনেমার গানে কণ্ঠ দিলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। ২ বছরের বেশি সময় পর ২০২৪ সালের মাঝামাঝিতে এস এম কাইয়ুম পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘অন্তর্বর্তী’–এর একটি গানে প্লেব্যাকের মাধ্যমে তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘটে। এবার সেই ছবিরই আরও একটি নতুন গানে কণ্ঠ দিলেন তিনি। এই গানে ফাহমিদা নবীর সহশিল্পী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। এই প্রথম কোনো গানে একসঙ্গে শোনা যাবে এই দুই শিল্পীকে।‘তোর ঋণ’ শিরোনামের গানটির কথা লিখেছেন সিনেমার নির্মাতা এস এম কাইয়ুম নিজেই। এতে সুর দিয়েছেন রাহুল কুমার দত্ত এবং সংগীত আয়োজন করেছেন মুশফিক লিটু। গত শুক্রবার মুশফিক লিটুর স্টুডিওতে ফাহমিদা নবীর কণ্ঠ ধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।নির্মাতা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইমরান মাহমুদুলের অংশের রেকর্ডিং শেষ হওয়ার কথা।নতুন গানটি প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, ‘এটি ছোট ছোট কথায় গাঁথা একটি মিষ্টি প্রেমের গান। কাজের পরিবেশ ও পুরো টিমের পেশাদারিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। ইমরানের সঙ্গে এই প্রথম গাওয়ার অভিজ্ঞতাও ভীষণ ভালো।এর আগে ‘অন্তর্বর্তী’ সিনেমায় ফাহমিদা নবী কণ্ঠ দিয়েছিলেন ‘থাক না দূরের হয়ে’ শিরোনামের আরেকটি গানে।‘অন্তর্বর্তী’ এস এম কাইয়ুমের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল, আবু হুরায়রা তানভীর ও নীলাঞ্জনা নীলা। এটি প্রয়াত অভিনেতা আহমেদ রুবেলের শেষ অভিনীত সিনেমা। বর্তমানে ছবিটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে।সব প্রস্তুতি শেষে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পাশাপাশি চলতি বছরই দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আশা নির্মাতার।এইচএ
    ২৩ বছর পর আবার মুক্তি পাচ্ছে সালমানের ‘তেরে নাম’
    বলিউডের বিখ্যাত একটি চরিত্র রাধে। ২০০৩ সালের সিনেমা ‘তেরে নাম’-এ সালমান খান অভিনয় করেছিলেন এই চরিত্রটিতে। মুক্তির পর গান, গল্প ও সালমানের দুর্দান্ত অভিনয়ে সিনেমাটি ভারতবর্ষজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। কামাই করে নেয় কাড়ি কাড়ি টাকাও। পুনরায় দর্শকদের সামনে আসছে ছবিটি।সিনেমাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতের বিভিন্ন হলে প্রদর্শিত হবে। পিঙ্কভিলা এমনই তথ্য দিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু সিনেমা আবার নতুন করে প্রেক্ষাগৃহে ফিরে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালের ‘তেরে নাম’-ও ফিরে আসছে। নতুন শোতে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। সালমান খানের প্রেমিক চরিত্রের জন্য আলোচিত এই সিনেমা ধীরে ধীরে একটি কাল্ট ফলোয়িং অর্জন করেছে। এবার শক্তিশালী কমব্যাকের প্রত্যাশা রয়েছে ছবিটিকে ঘিরে।‘তেরে নাম’ সিনেমায় সালমান খানের অসহায়ত্বের অভিনয় দর্শকের মন কাঁদায় আজওসিনেমার জনপ্রিয় গানগুলো গেয়েছিলেন ছিলেন হিমেশ রেশমিয়া। সাজিদ ওয়াজিদ গানের সংযোজন করেছেন, এবং ব্যাকগ্রাউন্ড সংগীত তৈরি করেছেন বিক্রম বিকি গোস্বামী। মুক্তির সময় এটি ১৫ আগস্টের বিশেষ প্রেক্ষাপটে প্রকাশ পেয়েছিল এবং বাজেটের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি আয় করেছিল। তবে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পেয়েছে সিনেমার আবেগপূর্ণ দৃশ্যায়নের জন্য।সালমান খানের নায়িকা হয়ে রাতারাতি তারকা বনে যান ভূমিকাগল্পের কেন্দ্রে রয়েছে রাধে মোহন চরিত্রে সালমান খান এবং নির্জারা ভরাডওয়াজ চরিত্রে ভূমিকা চাওলা। গল্পটি তাদের দুঃখজনক ও নাটকীয় প্রেমের উপর ভিত্তি করে যা নানা মোড় নিয়ে দর্শকদের অবাক করে। রাধে অবিরাম চেষ্টা করেন নির্জারাকে জিততে। যদিও তার পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশা তাদের একসঙ্গে হতে বাধা দেয়।সিনেমার ট্র্যাজিক সমাপ্তি দর্শকদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন ধরে অম্লান হয়ে আছে। এবার বড় পর্দায় এই আবেগ পুনরায় অনুভব করার সুযোগ মিলবে।এইচএ
    বিমানবন্দরে নিরাপত্তারক্ষীর হাতে আটকালেন শাহরুখ খান
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলিউড মেগাস্টার শাহরুখ খানের নতুন একটি ভিডিও। বিমানবন্দরের চেকিংয়ে ক্যামেরাবন্দি হন এ অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মুম্বাই বিমানবন্দরে পা রাখেন শাহরুখ। এ সময় নায়ক পরেছিলেন আকাশি রংয়ের হুডি ও জিন্স প্যান্ট। মাথায় কালো টুপিও।ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুম্বাই বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাকে আটকে দেন। হঠাৎ শাহরুখকে সানগ্লাস খুলে ফেলতে বলেন। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কোনও তর্ক-বিতর্কে জড়াননি অভিনেতা। বরং বিরক্তি প্রকাশ না করে সহযোগিতা করতে যায় তাকে। নিরাপত্তারক্ষীর কথায় সানগ্লাস খুলে হাসেন শাহরুখ। নিরাপত্তা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতেই গার্ডের কাঁধে হাত রেখে চলে যান। এ ভিডিও নেটদুনিয়ায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। বলিউড কিং খ্যাত এ তারকার ব্যবহারে মুগ্ধ নেটিজনরা। প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্তব্যের ঘরে এক ভক্ত লেখেন, ‘এই জন্যই তিনি রাজা।’ আরেক জন লেখেন , ‘একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে শাহরুখ খান জানেন যে এটি নিরাপত্তারক্ষীর কর্তব্য। যা তিনি সততার সঙ্গেই পালন করেছেন।’ বর্তমানে ‘কিং’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন শাহরুখ খান। নতুন এ সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন শাহরুখের একমাত্র মেয়ে অভিনেত্রী সুহানা খান। ‘কিং’ সিনেমায় জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে দেখা যাবে রানি মুখার্জি, দীপিকা পাডুকোন এবং অভিষেক বচ্চনকে। সিদ্ধার্থ আনন্দের পরিচালনায় নতুন এ সিনেমার পোস্টার ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে নেটদুনিয়ায়। এইচএ
    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হচ্ছেন ৩০ জন
    ২০২৩ সালের জন্য চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ২৮টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ৩০ জন শিল্পী ও কুশলীকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে। এবারের আসরে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান আজীবন সম্মাননা যৌথভাবে পাচ্ছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং বরেণ্য চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু। বছরের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে কে. এম. হালিমুজ্জামান (খন্দকার সুমন) প্রযোজিত সিনেমা ‘সাঁতাও’। একই সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের পুরস্কারও জিতেছেন খন্দকার সুমন।এদিকে, প্রথম সিনেমা দিয়েই বাজিমাত করেছেন আফরান নিশো ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন। অন্যদিকে ‘সাঁতাও’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন আইনুন পুতুল।পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মাননা পাচ্ছেন মনির আহমেদ শাকিল (সুড়ঙ্গ) এবং শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাজিয়া হক অর্ষা (ওরা সাত জন)। শ্রেষ্ঠ খল চরিত্রে আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন) এবং শ্রেষ্ঠ কৌতুক চরিত্রে শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ) জয়ী হয়েছেন। শিশু শিল্পী শাখায় শ্রেষ্ঠ হয়েছেন মো. লিয়ন এবং বিশেষ পুরস্কার পাচ্ছেন আরিফ হাসান আনাইরা খান (উভয়ই ‘আম কাঁঠালের ছুটি’ সিনেমার জন্য)।আবার, সংগীতে একক প্রাধান্য দেখিয়েছে ‘প্রিয়তমা’ ও ‘সুড়ঙ্গ’। ‘ও প্রিয়তমা’ গানের জন্য বালাম শ্রেষ্ঠ গায়ক এবং ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমার জন্য অবন্তী দেব সিঁথি শ্রেষ্ঠ গায়িকা নির্বাচিত হয়েছেন। 'ঈশ্বর' গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে সোমেশ্বর অলি এবং সুরকার হিসেবে প্রিন্স মাহমুদ পুরস্কৃত হয়েছেন। শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হয়েছেন ইমন চৌধুরী (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন)।সেরা কাহিনিকার হিসেবে ফারুক হোসেন (প্রিয়তমা), চিত্রনাট্যকার হিসেবে নিয়ামুল মুক্তা (রক্তজবা) এবং শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা হিসেবে যৌথভাবে রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা (সুড়ঙ্গ) নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘মরিয়ম’ এবং প্রামাণ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘লীলাবতী নাগ: দ্য রেবেল’ রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতি পেয়েছে।এফএস

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ১০ হাজার ৯০৬ টাকা
    মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম)  স্বর্ণের দাম ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে এক ভরি  স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিন দফা সোনার দাম কমানো হয়। প্রথমে ১ হাজার ৯২৫ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং তৃতীয় দফায় ৫ হাজার ৪২৪ কমানো হয়। এতে একদিনে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হম ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা।একদিনে তিন দফা কমানোর পর আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। এ দাম বাড়ানোর পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৮ হাজার ৯২৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা। আজ বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এ দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৬৩ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    স্বর্ণের দাম বাড়লো ভরিতে ৫৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণের) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।গতকাল তিন দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। প্রথমে ১ হাজার ৯২৫ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং তৃতীয় দফায় ৫ হাজার ৪২৪ কমানো হয়। এতে একদিনে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয় ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা। একদিনে তিন দফা কমানোর পর এখন আবার দাম বাড়ানো হলো। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ১৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।এর আগে গতকাল বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ১৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত এই দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার
    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য মতে, ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৭৪৮ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন বা ২৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ২৮ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। প্রসঙ্গত, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।এমআর-২
    এলপি গ্যাসের দাম বাড়ল
    দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দাম বাড়ানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একইসঙ্গে সোমবার অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এমআর-২
    অস্থির স্বর্ণের বাজার, ভরিতে কমেছে ৬৫৯০ টাকা
    সোনার বাজারে অস্থিরতা যেন কাটছেই না। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ফের সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে। এদিন বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।এর আগে গত রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষণা দিয়ে আজ থেকে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়েছিল। তবে রাতের সেই সিদ্ধান্তের পর সোমবার সকালে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা এলো।নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৯৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা। তবে স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বাজুসের তথ্যমতে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।এইচএ
    জ্বালানি তেলের পর এবার এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ আজ
    জ্বালানি তেলের পর এবার ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নতুন করে সমন্বয় করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। ভোক্তা পর্যায়ে এই মাসে এলপিজির দাম বাড়ছে নাকি কমছে, তা জানা যাবে আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি)। এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে এদিন।গতকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরামকো ঘোষিত ফেব্রুয়ারি (২০২৬) মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এই মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা সোমবার দুপুর ৩টায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) ঢাকাস্থ কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে।জানুয়ারি মাসে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর গত ডিসেম্বরে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।ইতোমধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে করেছে সরকার। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবার ২ টাকা করে কমানো হয়েছে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম।নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, প্রতি লিটার কেরোসিন ১১২ টাকা, প্রতি লিটার পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি হবে ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে। গতকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হয়েছে জ্বালানি তেলের নতুন এই দাম।জানা গেছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ গত বছরের মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার। এরপর থেকে প্রতি মাসেই নতুন দাম ঘোষণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দর নির্ধারণ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।এইচএ   
    এবার পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা
    পে-স্কেলের দাবি বাস্তবায়নের জন্য টানা তিন দিনের কর্মসূচি দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এদিকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, পে-স্কেল বাস্তবায়ন হতে সময় লাগলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবে না পরবর্তী নির্বাচিত সরকার।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।বর্তমান সরকারের অবস্থান ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পরবর্তী সরকারের জন্য একটা স্বস্তিদায়ক অর্থনৈতিক অবস্থা রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর নড়বড়ে অর্থনীতি দেড় বছরে ঠিক হয়েছে।অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার গণভোটের জন্য বরাদ্দ রেখেছে। কিন্তু ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য নয়। গণভোটের কারণে এবার নির্বাচনে অন্যবারের চেয়ে বরাদ্দ বেশি লাগছে।তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান কমে গেছে। সেটা চ্যালেঞ্জ হবে কিছুটা।এফএস
    ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ১০ হাজার ৯০৬ টাকা
    মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম)  স্বর্ণের দাম ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে এক ভরি  স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিন দফা সোনার দাম কমানো হয়। প্রথমে ১ হাজার ৯২৫ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং তৃতীয় দফায় ৫ হাজার ৪২৪ কমানো হয়। এতে একদিনে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হম ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা।একদিনে তিন দফা কমানোর পর আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। এ দাম বাড়ানোর পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন আবার দাম বাড়ানো হলো।এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৮ হাজার ৯২৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা। আজ বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এ দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৬৩ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
    স্বর্ণের দাম বাড়লো ভরিতে ৫৪২৪ টাকা
    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণের) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।গতকাল তিন দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। প্রথমে ১ হাজার ৯২৫ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং তৃতীয় দফায় ৫ হাজার ৪২৪ কমানো হয়। এতে একদিনে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয় ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা। একদিনে তিন দফা কমানোর পর এখন আবার দাম বাড়ানো হলো। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ১৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।এর আগে গতকাল বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৫ হাজার ১৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত এই দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে। স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার
    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য মতে, ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৭৪৮ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন বা ২৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ২৮ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। প্রসঙ্গত, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।এমআর-২
    এলপি গ্যাসের দাম বাড়ল
    দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দাম বাড়ানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একইসঙ্গে সোমবার অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এমআর-২
    অস্থির স্বর্ণের বাজার, ভরিতে কমেছে ৬৫৯০ টাকা
    সোনার বাজারে অস্থিরতা যেন কাটছেই না। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ফের সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে। এদিন বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।এর আগে গত রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষণা দিয়ে আজ থেকে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়েছিল। তবে রাতের সেই সিদ্ধান্তের পর সোমবার সকালে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা এলো।নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৯৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা। তবে স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বাজুসের তথ্যমতে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    একই পদে একই কাজ, ভিন্ন নীতি কেন—ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
    প্রভাষক নিয়োগে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বৈষম্য বাতিলের দাবিতে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আল কুরআন, আল হাদিস, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ বিষয়ে প্রভাষক পদে আবেদনের ক্ষেত্রে আলাদা যোগ্যতা নির্ধারণকে বৈষম্যমূলক বলে অভিযোগ করেন তারা।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এ সময় তারা ‘একই পদ একই কাজ, ভিন্ন নীতি কেন আজ?’, ‘অনার্স দিয়ে বিসিএস হয়, প্রভাষক কেন নয়’, ‘একশন টু একশন, ডাইরেক্ট একশন’, ‘অনার্সে যোগ্যতা, তবুও কেন বঞ্চনা’ এবং ‘২৪-এর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’—এমন নানা স্লোগান দেন।শিক্ষার্থীরা বলেন, সাম্প্রতিক প্রভাষক নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার কিছু বিষয়ে—আল হাদিস, আল কুরআন, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ—আবেদনের জন্য মাস্টার্স ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অথচ সমমনা অন্যান্য বিষয়ে অনার্স ডিগ্রিধারীরাই প্রভাষক পদের জন্য আবেদন করতে পারছেন। এতে করে মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার শিক্ষার্থীরা বারবার বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে বৈষম্য দূর হওয়ার যে প্রত্যাশা ছিল, বাস্তবে তা প্রতিফলিত হচ্ছে না। শিক্ষাগত যোগ্যতায় সমতা থাকা সত্ত্বেও শুধু বিভাগভিত্তিক ভিন্ন নীতি গ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।এ সময় শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—১) মাদ্রাসা শিক্ষায় আরবি প্রভাষক পদের ক্ষেত্রে মাস্টার্সের শর্ত বাতিল করে অনার্স ডিগ্রিকে যোগ্যতা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে, যেসব বিষয়ে অনার্স ডিগ্রিধারীরা প্রভাষক পদের জন্য আবেদন করতে পারছেন, সেসব ক্ষেত্রেও মাস্টার্স বাধ্যতামূলক করতে হবে।২) কামিল পর্যায়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। আগে যেখানে ৮০০ নম্বরের পরীক্ষা ছিল, বর্তমানে তা ১৭০০ নম্বরে উন্নীত হলেও শিক্ষক সংখ্যা কমানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। বিষয় বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সব ক্যাটাগরিতে শিক্ষক নিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানান তারা।৩) অনার্স ডিগ্রিধারীদের সহকারী মৌলভী পদে বিএড ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ দিতে হবে এবং পদটিকে দশম গ্রেডভুক্ত করতে হবে।শিক্ষার্থীরা জানান, দাবি আদায় না হলে তারা আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।ইখা
    গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন
    সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (গবিসাস) ত্রয়োদশ কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোজাহিদুল ইসলাম নিরব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন তাহমিদ হাসান।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি সভাকক্ষে এক বছর মেয়াদি এই কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।১০ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্য সদস্যরা হলেন—যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুজ্জামান সিয়াম, অর্থ সম্পাদক মো. রাজিউল ইসলাম শান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক মবিনুল ইসলাম রাশা, দপ্তর সম্পাদক সানজিদা খানম ঊর্মি, ক্রীড়া সম্পাদক জান্নাতুল লামিশা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রুবাই ইসলাম চয়ন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য শামিম রেজা ও শরীফুল ইসলাম রিফাত।নতুন কমিটি ঘোষণার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবিসাসের সদ্য বিদায়ী সভাপতি সানজিদা জান্নাত পিংকি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ও কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গবিসাসের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (গকসু) সদস্য এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।ইখা
    নোবিপ্রবিতে ৭ মাস ধরে পিএইচডি ফেলোশিপ বন্ধ, গবেষণায় স্থবিরতা
    নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পিএইচডি ফেলোশিপ ব্যবস্থাপনায় চরম অসঙ্গতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে রিসার্চ সেলের বিরুদ্ধে । একদিকে গবেষণা নীতিমালা, ফেলোশিপ এগ্রিমেন্ট ও রিসার্চ ইথিক্স নিয়ে ধারাবাহিক প্রশাসনিক কার্যক্রম চললেও, দীর্ঘ ৭ মাস ধরে ফেলোশিপের অর্থ পাচ্ছেন না পিএইচডি গবেষকরা। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর গবেষণা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার পাশাপাশি গবেষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।রিসার্চ সেল সূত্রে পাওয়া অফিসিয়াল নোটিশ অনুযায়ী, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে নোবিপ্রবি রিসার্চ সেলের উদ্যোগে ‘রিসার্চ ইথিক্স ও পিএইচডি ফেলোশিপ এগ্রিমেন্ট’ সংক্রান্ত ওয়ার্কশপ ও সেশন আয়োজন করার কথা থাকলেও পরবর্তীতে দুইবার নোটিশ দিয়ে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ এ করার কথা ছিলো। কিন্তু অদৃশ্য কারণে ১৯ তারিখেও সেশনটি আয়োজন করা হয় নাই।তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব কার্যক্রম চলাকালীন সময়েই একাধিক পিএইচডি গবেষক দীর্ঘ ৭ মাস ধরে ফেলোশিপের অর্থ পাননি। ফলে প্রশাসনের অগ্রাধিকার ও বাস্তব পদক্ষেপ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পিএইচডি গবেষক জানান, তিনি ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেন। প্রথম বছর থেকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে গেছেন। দিন রাত এক করে, এমনকি ঈদের ছুটিও ক্যাম্পাসে কাটাতে হয়েছে গবেষণার চাপে। তার গবেষণার অগ্রগতি পিএইচডি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সন্তোষজনক বলে মূল্যায়ন করেছেন। প্রথম বছরের কাজের ভিত্তিতে তিনি তিনটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি একটি রিভিউ পেপার ও একটি ল্যাবভিত্তিক গবেষণাপত্র বর্তমানে Q1 মানের আন্তর্জাতিক জার্নালে ‘under review’ অবস্থায় রয়েছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তিনি পিএইচডি বোর্ডের সামনে সফলভাবে প্রথম বছরের কাজ উপস্থাপন করেন। বর্তমানে দ্বিতীয় বছরের গবেষণা চলমান, যার প্রায় ৫০ শতাংশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক সংকটে গবেষণা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্যমতে, গবেষণার প্রয়োজনীয় খরচ চালাতে গিয়ে সুপারভাইজারকে ব্যক্তিগতভাবে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে, যা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে গবেষক নিজেও প্রায় ৫০ হাজার টাকা নিজের পকেট থেকে খরচ করেছেন।তিনি আরোও জানান, প্রায় ৩ মাস আগে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার গবেষণা ব্যয়ের বাউচার রিসার্চ সেলে জমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি বা লিখিত জবাব পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণের জন্য বরাদ্দ অর্থের বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। গবেষণাসংক্রান্ত কাজে তাইওয়ানে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলেও প্রয়োজনীয় আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তা না থাকায় তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, টানা ৭ মাস ধরে নিয়মিত ফেলোশিপের অর্থ প্রদান বন্ধ থাকা সত্ত্বেও কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।অন্য আরেকজন পিএইচডি স্টুডেন্ট বলেন- পিএইচডি ফেলোশিপ পাওয়া গিয়েছিল শেষ জুন ২০২৫ এর পরে ৭ মাস হয়ে গিয়েছে, ফেলোশিপের কোন আপডেট পাওয়া যাচ্ছে না। জানুয়ারী মাসে ১২,১৪,১৯ তারিখ ৩ টা নোটিশ হয়েছে। কোন আপডেট পাওয়া যাচ্ছে না। ফেলোশিপ এর অর্থ এবং বার্ষিক অর্থায়নের না পাওয়ার কারণে গবেষণা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন- আমরা তাদের সাথে এগ্রিমেন্ট এ যাচ্ছি। এগ্রিমেন্ট ছাড়া টাকা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না কারণ যদি মাঝখানে কেউ পিএইচডি ফেলোশিপ ছেড়ে চলে যায় তাহলে টাকার কি হবে,যেহেতু এটা সরকারি টাকা এটার কি হবে। এই জন্য আমরা তাদের সাথে একটা এগ্রিমেন্ট এ যাচ্ছি। এগ্রিমেন্টটা প্রক্রিয়াধীন আছে, এটা বিশ্ববিদ্যালয় এগ্রিমেন্ট করবে। পিএইচডি ফেলোশিপ এর সাথে রিসার্চ সেলের একটা এগ্রিমেন্ট হবে যে এরা যদি মাঝপথে ইনকমপ্লিটলি কাজটা রেখে দিয়ে চলে যায় তাহলে তাহলে টাকার কি হবে যেহেতু এটা সরকারি টাকা। এই জন্য এগ্রিমেন্টটা হবে।৭ মাস ধরে টাকা না পাওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন- পিএইচডি ফেলোশিপ এর টাকা দেওয়ার বিষয়টি অফিসিয়াল প্রসেস এ আছে। আগামী বৃহস্পতিবার দেওয়ার কথা।পিএইচডি শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধার বিষয়ে তিনি আরোও বলেন, আমরা আমাদের আন্ডার গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা দিতে পারতেছি নাহ, পিএইচডি স্টুডেন্টদের তো দেওয়ার কথায় নাহ। তারপরে আমরা লাস্ট মিটিংয়ে আমাদের আবাসিক এলাকার কিছু ফ্ল্যাটকে পিএইচডি স্টুডেন্টদেরকে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য চিন্তা করছি, এই বিষয়ে নীতিমালা হচ্ছে। নীতিমালা হলে আমরা সেই আলোকে ব্যবস্থা করবো।পিএম
    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব শুরু
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু হয়েছে। নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো কলা ভবনের জিয়া হায়দার ল্যাবের সামনে এ নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, নাটক, সাহিত্য ও সিনেমা সমাজের দর্পণ। নাটকের মাধ্যমে সমাজের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়। এতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারে। নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজের বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও ছড়িয়ে দেবে।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা। উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।নাট্যোৎসব উপলক্ষে এদিন একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরোনো কলা ভবনে এসে শেষ হয়।নাট্যোৎসবে সাত দিনে মোট ১৪টি নাটক মঞ্চায়িত হবে। প্রতিদিন দুটি করে নাটক পরিবেশিত হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ও রাত ৮টা ৩০ মিনিটে নাটক শুরু হবে। নাটকগুলোর নির্দেশনা, পরিচালনা ও পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।পিএম

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ
    শিশুদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা
    যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন মামলার মুখে পড়েছে বিশ্বের ৩ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্ম ফেসবুক, গুগল ও টিকটক। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আসক্তি তৈরি এবং এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার অভিযোগে আদালতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে জনপ্রিয় এই ৩ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।  এএফপির প্রতিবেদন মতে, স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা, অ্যালফাবেট ও বাইটড্যান্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আদালত এই মামলার জুরি নির্বাচন শুরু করবে। এই মামলাকে মার্কিন বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসের একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা।এই মামলার রায় ৩ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে গেলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এ ধরনের আরও হাজারো মামলার ঢেউ উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতে মেটার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হতে পারে বলে জানা গেছে। কম বয়সি শিশু, তরুণ ও তরুণীরা ওই তিন প্রতিষ্ঠানের সেবা ও পণ্য ব্যবহার করে অবসাদ, খাবারে অনাসক্তি, মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, এমনকি, আত্মহত্যাও করেছেন—এমন দাবি করেছেন বাদী পক্ষের হাজারো মানুষ। বাদী-পক্ষের আইনজীবীরা ১৯৯০ ও ২০০০ এর দশকে তামাক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা আইনি কৌশল বেছে নিচ্ছেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিশ্বখ্যাত সিগারেট উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ পণ্য বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছিল। বিচারক নিয়োগের পর আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে বিচারপতি ক্যারোলিন কুল-এর আদালতে মামলার কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ১৯ বছর বয়সি এক মার্কিন নারী। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে শুধু নামের আদ্যাক্ষর ‘কে জি এম’ ব্যবহার করে তার পরিচয় দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তির কারণে তিনি ‘মানসিক ক্ষতির’ শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের মামলা ও আদালতের অভিযোগ গ্রহণের নজির নেই। সোশাল মিডিয়া ভিক্টিমস ল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথু বার্গম্যান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এবারই প্রথম কোনো সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে শিশুদের ক্ষতি করার অভিযোগে বিচারকদের সামনে দাঁড়াতে হচ্ছে।’ বার্গম্যানের আইনজীবীরা এ ধরনের প্রায় এক হাজার মামলার দায়িত্বে আছেন। আইনজীবীদের এই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে তরুণ-তরুণীদের ক্ষতি করার জন্য সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছে। বার্গম্যান বলেন, ‘কে জি এম ও তার পরিবার যে একটি আদালতকক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে বড়, ক্ষমতাবান ও বিত্তবান প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখোমুখি দাঁড়াতে পেরেছেন, এটাই একটি উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিজয়।’  তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটা বুঝতে পারছি যে এ ধরনের মামলাগুলো জেতা অনেক কঠিন এবং আগের, একই ধরনের ঘটনার নজির ও তথ্য-প্রমাণ টেনে বিজয়ী হওয়ার দায়ভার আমাদের ওপর বর্তেছে। আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে, এসব প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তাদের প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন করেছে যা কেজিএম-এর (মানসিক) ক্ষতি নিশ্চিত করে। এই দায়িত্ব আমরা খুশি মনেই কাঁধে নিয়েছি।’ এই বিচারের রায় ভবিষ্যতে একই ধরনের সব মামলার রায়কে সরাসরি প্রভাবিত করবে বলে মত দেন বার্গম্যান। গত সপ্তাহে অপর সমাজমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাট আদালতের বাইরে চুক্তি করে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছে। ওই চুক্তির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্মগুলোর দাবি, মার্কিন যোগাযোগ নৈতিকতা আইনের ২৩০ ধারা তাদেরকে সুরক্ষা দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কী পোস্ট করছেন, তা নিয়ে কোনো ধরনের দায়বদ্ধতা থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেহাই দেয় এই ধারা। তবে মামলায় বিবাদীদের যুক্তি—সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তাদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, যা মানুষের মনোযোগ ধরে রাখে। পাশাপাশি সেখানে এমন সব কনটেন্টের প্রচারণা করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়।  বার্গম্যান আরও বলেন, ‘আমরা সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্ষতিকারক কন্টেন্ট সরিয়ে নিতে না পারার জন্য মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করছি না।’ তার ভাষায়, ‘তাদের দোষ, তারা এমনভাবে প্ল্যাটফর্মগুলো বানিয়েছে যা শিশুদের আসক্ত করে তোলে। তাদের এলগরিদম এমন যে শিশুরা কনটেন্ট থেকে চোখ সরাতে পারে না।’ ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল আদালতেও একই ধরনের অভিযোগে অসংখ্য মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার বিষয়ে উল্লেখিত তিন প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।  এইচএ
    প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রজাপতির জীবনরহস্য উন্মোচনের চেষ্টা
    মোনার্ক জাতের প্রজাপতির বৈচিত্রময় জীবনরহস্য ও গতিপথ উন্মোচনে নতুন এক পদ্ধতি অবলম্বন করতে যাচ্ছেন একদল মার্কিন বিজ্ঞানী। এই পদ্ধতিতে প্রজাপতির পাখায় ট্র্যাকিং ডিভাইস বসিয়ে অনুসরণ করা হবে গতিপথ। সেলুলার প্রযুক্তির এই ছোট ট্যাগগুলো মানচিত্রে প্রজাপতি চলাচলের সুনির্দিষ্ট পথ ফুটিয়ে তুলতে পারে। যার মাধ্যমে তাদের অভিবাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। হলদে ডানার কালো ডোরাকাটা দাগ বিশিষ্ট বড় জাতের প্রজাপতি মোনার্ক। যাদের গতিপথ রহস্যে ঘেরা। শীতকাল কাটাতে তারা পাড়ি দেয় হাজার হাজার মাইল পথ। কানাডা ও উত্তর আমেরিকা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে সুদূর লাতিন আমেরিকার দেশ ম্যাক্সিকোয় জায়গা করে নেয়। যা কোনো পোকামাকড়ের দীর্ঘতম অভিবাসন প্রক্রিয়া। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তারা কোথায় যায়, কোন কোন পথ ব্যবহার করে এবং কিভাবেই বা স্থানীয় প্রজাতি থেকে নিজেদের আলাদা করে রাখে তা ঘিরে রয়েছে হাজারো প্রশ্ন।সেই রহস্যের জট খুলতে গবেষণা করে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন এবং মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। মোনার্ক জাতের প্রজাপতির পিঠে ক্ষুদ্র ও হালকা ওজনের রেডিও ট্যাগ বসাতে যাচ্ছেন গবেষকরা। এসব ডিভাইস পোকামাকড়ের ভ্রমনের সময় অবস্থানের তথ্য ও গতিবিধি নজরদারির সুযোগ করে দেবে। গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. শন বার্চার বলেন, আমার দক্ষতার ক্ষেত্র ছিল প্রজাপতি নিয়ে গবেষণা। আর ইসলার দক্ষতা ছিল প্রযুক্তি, ড্রোন ও এআইয়ের মতো বিষয়। আমরা ভাবছিলাম দুজন মিলে কী করা যায়। একই সময়ে বাজারে নতুন এক প্রযুক্তি আসে, যেখানে খুব ছোট ট্যাগ প্রজাপতির গায়ে লাগিয়ে তাদের গতিপথ অনুসরণ করা যায়। এই প্রযুক্তিটি আমাদের দুজনের আগ্রহের মধ্যে পড়ে। তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিই এটি ব্যবহার করে আমরা একটি প্রকল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।ট্যাগগুলো সেলুলার ট্র্যাকিং টেকনোলজি দ্বারা তৈরি। এতে ব্লুটুথ সিগনাল ও ছোট সৌর প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারি ছাড়াই তথ্য পাঠাতে সক্ষম। আশপাশে থাকা যেকোনো রিসিভার এমনকি স্মার্টফোনও এই সিগনাল শনাক্ত করতে পারে। কোম্পানির মতে, এই প্রযুক্তির ফলে ট্যাগগুলো প্রজাপতির পুরো জীবনকালজুড়ে কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। ট্যাগ থেকে পাওয়া তথ্য ইন্টারঅ্যাকটিভ মানচিত্রে দেখানো হয়, যেখানে প্রজাপতিগুলোর চলাচলের সুনির্দিষ্ট পথ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। এতে মনার্ক প্রজাপতিগুলো কীভাবে পথ খুঁজে নেয়, কোথায় থামে এবং পরিবেশগত উপাদান অভিবাসনে কী প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। গবেষকদের মতে, একই প্রযুক্তি শিগগিরই ড্রাগনফ্লাই ও পঙ্গপালসহ অন্যান্য পোকামাকড়ের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরিবেশগত গবেষণার পাশাপাশি বিধ্বংসী পোকা মাকড়ের আগমন শনাক্তের মাধ্যমে মানবিক সহায়তাতেও কাজে আসতে পারে।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপি প্রার্থী কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই
    দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে ঢাকা-১১ আসনে ড. এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।মঙ্গলবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ ইসলাম এ রিট দায়ের করেন। রিটে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।নাহিদ ইসলামের পক্ষে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা ও অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী রিটটি দায়ের করেন।এর আগে, ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।এমআর-২

    প্রবাস

    সব দেখুন
    দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত
    দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খালেদ নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার জোহানেসবার্গ শহরের ইন্ড স্ট্রিট এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।নিহত খালেদের বাড়ি বাংলাদেশের সিলেট জেলায়। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বরাতে জানা যায়, তিনি তার মামা এডভোকেট আফরোজ উদ্দিনের মালিকানাধীন একটি ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। প্রতিদিনের মতো আজও দোকানে করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খালেদকে দ্রুত উদ্ধার করে জোহানেসবার্গের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালেই রাখা হয়েছে।খালেদ জোহানেসবার্গে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ। তার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে গভীর শোক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।এফএস

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ঘাড় ব্যথা থেকে প্রতিকারের উপায়
    অনেকেরই ঘাড় ব্যথা একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান যুগে দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা, স্মার্টফোন ব্যবহারের আধিক্য এবং ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে এই সমস্যাটি সাধারণ মনে হলেও এটি কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এক সপ্তাহের বেশি ঘাড়ে ব্যথা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ঘাড় ব্যথা তীব্র হলে তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটায়, তাই সময়মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।চিকিৎসকদের মতে, ঘাড় ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা মাথা নিচু করে কাজ করা, যা ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, খেলাধুলার সময় চোট বা মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা যেমন স্পন্ডাইলোসিস এই ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত টানের ফলে সৃষ্ট মাসল স্প্যাজম যেমন কষ্টদায়ক হতে পারে, তেমনি সংক্রমণ, টিউমার বা আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও এই ব্যথার উৎস হতে পারে।ঘাড় ব্যথার লক্ষণ হিসেবে মূলত ঘাড়ে তীব্র বা হালকা ব্যথা, জ্বালাপোড়া অনুভব করা, ব্যথা হাতে বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়া এবং ঘনঘন মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।ঘাড় ব্যথার চিকিৎসা সাধারণত এর কারণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা পেশি শিথিলকারী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম ঘাড়ের পেশি শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর।এ ছাড়া ব্যথা কমাতে হিট বা আইস থেরাপি এবং মেরুদণ্ডের চাপ কমাতে ট্রাকশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন বা সবশেষে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।তবে প্রতিরোধের কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। দীর্ঘ সময় একভাবে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করার সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা এবং নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম করা জরুরি। পাশাপাশি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো যায়।নিজেই করুন প্রতিকার: প্রতিদিনকার রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে সাধারণ ঘাড় ব্যথার প্রতিকার করা যায়। বসে থাকার সময় আপনার মেরুদণ্ড যেন সরলরেখায় থাকে এবং কান সরাসরি আপনার কাঁধের ওপরে থাকে। দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ না করে এক ঘণ্টা পরপর ১০ মিনিট বিরতি নিন। যদি দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারে কাজ করেন, তবে উঠে পড়ুন, ঘুরে দেখুন এবং ঘাড় ও কাঁধ সামনে–পেছনে প্রসারিত করুন। কাজের টেবিল–চেয়ার ও কম্পিউটার এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যাতে মনিটর চোখের স্তরের সমান থাকে।  এইচএ 

    Loading…