এইমাত্র
  • পদত্যাগ নিয়ে বিভ্রান্তি, মুখ খুললেন আইজিপি
  • মাদুরোকে অপহরণে অ্যানথ্রপিকের এআই ‘ক্লড’ ব্যবহার
  • তারেক রহমানের শপথে আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব
  • নাহিদ-সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান
  • নতুন সরকারের নির্দেশনা পেলে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
  • ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
  • শফিকুর রহমানের বাসায় তারেক রহমান
  • নাহিদের বাসায় তারেক রহমান
  • দেশে নির্বাচন পরবর্তী কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটেনি: প্রেস সচিব
  • ফের পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
  • আজ সোমবার, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    নাহিদ-সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান
    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বাসায় প্রবেশের সময় নাহিদ ও সারজিসকে বুকে টেনে নেন তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাড্ডায় তার বাসায় গিয়ে এ সাক্ষাৎ করেন।মূলত, নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশে ইতিবাচক রাজনীতির সূচনার অংশ হিসেবে তারেক রহমান নাহিদের বাসায় গিয়ে এ সাক্ষাৎ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুর নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ আরও অনেকে।অপরদিকে এনসিপি নেতাদের মধ্যে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    দেশে নির্বাচন পরবর্তী কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটেনি: প্রেস সচিব
    প্রথমবারের মতো নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বা সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি জানান।প্রেস সচিব বলেন, এবার এমন একটা নির্বাচন হয়েছে, যে নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশে গুম-খুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দল এবং জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারীরা বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আর এবারই প্রথম একটি নির্বাচন হয়েছে যে নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমি আশা করবো আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা এ বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন। ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে তার অনুপস্থিতিতে প্রেস সচিব আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেয়ায় উপদেষ্টা পরিষদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচন কমিশনের পারফরম্যান্সেও খুশি উপদেষ্টা পরিষদ। তাদেরও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই নির্বাচনের মধ্যদিয়ে পুলিশ বাহিনী তার আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে। এ সময় হাতিয়ায় ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে শফিকুল আলম বলেন, সরকার ধর্ষণের ঘটনায় একটি কমিটি করে দেবে, যারা এর সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করবে।এদিকে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত সব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানান প্রেস সচিব। এইচএ

    জাতীয়

    সব দেখুন
    তারেক রহমানের শপথে আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য এই শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিদল যোগ দেবে বলে ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র নিশ্চিত করেছে।এদিকে জানা গেছে, শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।তবে ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, একই সময়ে ভারতে এআই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছ। এতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত থাকবেন। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদীর পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।এবি 
    নাহিদ-সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান
    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বাসায় প্রবেশের সময় নাহিদ ও সারজিসকে বুকে টেনে নেন তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাড্ডায় তার বাসায় গিয়ে এ সাক্ষাৎ করেন।মূলত, নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশে ইতিবাচক রাজনীতির সূচনার অংশ হিসেবে তারেক রহমান নাহিদের বাসায় গিয়ে এ সাক্ষাৎ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুর নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ আরও অনেকে।অপরদিকে এনসিপি নেতাদের মধ্যে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    নতুন সরকারের নির্দেশনা পেলে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
    নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর যখন নির্দেশনা দেবে, তখনই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় সেনাসদস্যদের চমৎকার দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সেনাপ্রধান বলেছেন, দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে এবং সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে। দেশের জনগণের স্বার্থে যা করণীয় ছিল, তা সম্পন্ন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী এখন নতুন সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকবে। সরকারের নির্দেশনা পেলেই তারা ব্যারাকে ফিরে যাবে।এ সময় সেনাপ্রধান আরও বলেন, নির্বাচনের সময় অতিরিক্ত যে ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছিল, তা এরইমধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে।সূত্রে আরও জানা যায়, ভাষণে সেনাপ্রধান ইউনিটপ্রধানদের চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি সেনাসদস্যদের মনোবল দৃঢ় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন।মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন বিষয়ে সতর্ক এবং সচেতন থাকার জন্য সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।এবি 
    নতুন মন্ত্রিসভা হতে পারে ৪০ সদস্যের, যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। দলীয় অন্দরমহল ও রাজনৈতিক মহলে এখন মূল আলোচনা নতুন মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যদের তালিকা ঘিরে।যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত মন্ত্রিসভার আকার বা গঠন নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্বশীল সূত্র সময়ের কন্ঠস্বরকে জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রিসভা প্রায় ৪০ সদস্যের হতে পারে। ইতিমধ্যে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৪০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।সূত্রগুলো বলছে, এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ ও মেধাবী নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে। বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক নেতাকে মন্ত্রিসভায় না-ও দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।জানা গেছে, সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এরপর একইদিন বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন।এবারই প্রথম বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ আয়োজন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।এদিকে শপথের আগে আজ রোববার বিএনপির কয়েকজন নেতা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘুরে দেখেন। এ সময় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তারা। শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত করা হবে। পরে সেই দলনেতা রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করবেন এবং রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে দুই শতাধিক আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে অন্তত ৯০ শতাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হবে এবং সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ টেকনোক্র্যাট সদস্য রাখা যাবে।নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পরই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। সে পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে।এনআই
    দেশে নির্বাচন পরবর্তী কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটেনি: প্রেস সচিব
    প্রথমবারের মতো নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বা সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি জানান।প্রেস সচিব বলেন, এবার এমন একটা নির্বাচন হয়েছে, যে নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশে গুম-খুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দল এবং জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারীরা বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আর এবারই প্রথম একটি নির্বাচন হয়েছে যে নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমি আশা করবো আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা এ বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন। ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে তার অনুপস্থিতিতে প্রেস সচিব আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেয়ায় উপদেষ্টা পরিষদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচন কমিশনের পারফরম্যান্সেও খুশি উপদেষ্টা পরিষদ। তাদেরও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই নির্বাচনের মধ্যদিয়ে পুলিশ বাহিনী তার আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে। এ সময় হাতিয়ায় ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে শফিকুল আলম বলেন, সরকার ধর্ষণের ঘটনায় একটি কমিটি করে দেবে, যারা এর সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করবে।এদিকে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত সব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানান প্রেস সচিব। এইচএ
    নির্বাচন ঘিরে ৯৯৯-এ কল ৮৩৮০টি, ৩৭১৩ অভিযোগ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনসংক্রান্ত নানা অভিযোগ ও তথ্য জানতে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এ মোট ৮৩৮০টি ফোনকল এসেছে এর মধ্যে ৩৭১৩টি কল ছিল আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের সংঘর্ষ, নিষিদ্ধ সময়ে প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।জানা গেছে, বাকি ৪৬৬৭টি কল আসে নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চালু থাকা বিশেষ কর্মপরিকল্পনার আওতায় প্রতিটি অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশসহ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ৯৯৯ কর্তৃপক্ষ।আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম এসব তথ্য জানান।অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’ –এর সঙ্গে সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে সেবাপ্রত্যাশী নাগরিকদের ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি সেবা দিয়েছে। এই কার্যক্রম ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাতদিন চব্বিশ ঘণ্টা চলমান থাকে।তিনি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগগুলো ৯৯৯ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই সময়ে ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত মোট ৮৩৮০টি ফোনকল গ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩৭১৩টি ফোনকল ছিল নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে মারামারি, নিষিদ্ধ সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম এবং আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ। এসব ফোনকলে ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভবে সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে বিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এছাড়া বাকি ৪৬৬৭টি ফোনকল ছিল নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে চেয়ে।এইচএ
    ‘তৈয়্যবের সংস্কার কাজ অনেকের পছন্দ হয়নি, তাই পালানোর কথা ছড়াচ্ছে’
    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই দেশ ছেড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশ ছাড়েন। তবে তার দেশ ছাড়ার পরপরই অনলাইন-অফলাইনে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, সম্প্রতি শুলকফাঁকির মোবাইলফোন কেনাবেচা নিষিদ্ধ করে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া তার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজ নিয়েও অসন্তোষ ছিল। এ কারণে তিনি এক অর্থে পালিয়ে গেছেন। তবে আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি দাবি করেন, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সংস্কার কাজ অনেকের পছন্দ হয়নি। তাই একটা গ্রুপ পালানোর কথা ছড়াচ্ছে। এদিকে দেশ ছাড়া এবং এ নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনার মুখে জবাব দিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈায়্যবও।  শনিবার দিবাগত রাত ১টা ১৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, মোবাইল ব্যবসায়ী ও টেলিকম সংশ্লিষ্ট কিছু গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছে। তিনি লেখেন, ‘ফেব্রুয়ারির ৮, ৯, ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি, পিটিডি ও বিটিআরসি থেকে। এরপরে নির্বাচনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রযুক্তি নির্ভর নির্বাচনি আয়োজনে আমার কিছু কন্ট্রিবিউশন ছিল। কলিগদের থেকেও ঠিকঠাক বিদায় নিয়েছি। ১০ ফেব্রুয়ারি অফিসিয়ালি শেষ কর্ম দিবস ছিল। সেদিন কর্মকর্তা কর্মচারী সবার সঙ্গে একসাথে ফেয়ারওয়েল ডিনার করেছি। গান গেয়ে বিদায় দিয়েছেন আমার সহকর্মীরা, ওয়ালে পাবেন।’ নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও কটূক্তির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘একজন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন এবং সৎ ব্যক্তিকে দুটো অসম্মানজনক কটু কথা শোনানোর আগে, তথ্য যাচাই-বাছাই করে নেবেন, চাওয়াটা খুব বেশি বড় না। বিদায়ের সময় এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল পরে কি করবেন? বলেছি একটা চাকরি খুঁজতে হবে দ্রুত। দেশের জন্য কাজ করতে এসে ফাইনান্সিয়ালি অনেক লোকসান হয়েছে। সেভিংস যা ছিল সব শেষ হয়েছে।’ পুনশ্চ অংশে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দাবি করেন,  দায়িত্ব পালনকালে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন এবং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। পুরোনো আইন ও নীতিমালা পরিবর্তনে তিনি ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারেন যে তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। পোস্টের শেষে সবার কাছে দোয়া কামনা করে তিনি লেখেন, ‘ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন।’ প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি দুবাই হয়ে তিনি জার্মানি যান।এইচএ 
    আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল
    আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, সংবিধানের ১৪৮ আর্টিকেল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে তিন দিনের মধ্যে যদি স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার শপথ না পড়ান তাহলে চতুর্থ দিন থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন। আরও যে আইনগত বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলোর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছেন, তারা হয়তো করবেন। তবে, এর বাইরে বেশি কিছু বলা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। কারণ কবে, কখন এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে সেটি এখনো আমরা অফিশিয়ালি অবগত নই। সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসন থেকে আমাদের কাছে কোনো অফিশিয়াল চিঠিপত্র আসেনি।তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে যারা এসেছেন, তাদের বক্তব্য আমরা শুনেছি। তারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। তড়িঘড়ি করে ফলাফল প্রকাশের কোনো প্রশ্ন আসে না। নিয়ম অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করেছি আরও স্মার্টলি কীভাবে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা যায়। গেজেট প্রকাশের সময়কাল আরও আগে দেওয়া গেলে ভালো হতো। আমাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন, তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই ফলাফল তৈরির কাজটি করেছেন।নির্বাচন কমিশনার বলেন, ১১ দলীয় জোটের দাবিগুলোর বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। আইন তাদেরকে এই সুযোগ দিয়েছে যে, যদি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা নিয়ে হাইকোর্টের কাছে গেলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত পাবে। একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমার বিশ্বাস ছিল যে একটি ভালো নির্বাচন হবে। আল্লাহ সরাসরি আমাদেরকে সহায়তা করার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।এইচএ

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    শপথের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নতি হবে: এ্যানী
    লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানিয়েছেন, দেশে ছোটখাটো ঘটনা ঘটছে। তবে শপথ দ্রুত হয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।রবিবার(১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে তিনি এ কথা জানান। এ্যানী চৌধুরী বলেন, সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান এক ব্যক্তিই হতে পারবেন না সেই শর্তের বিষয়ে বিএনপির পদক্ষেপ কি হবে তা শপথের আগেই পরিষ্কার করবে দল।তিনি জানান, টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি'র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে তিনিও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে সমন্বয় এবং সকল প্রস্তুতি তদারকি করছেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই নিয়ে এক সমন্বয় সভা‌ অনুষ্ঠিত হয়েছে রবিবার।এনআই
    শপথের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নতি হবে: এ্যানী
    লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানিয়েছেন, দেশে ছোটখাটো ঘটনা ঘটছে। তবে শপথ দ্রুত হয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।রবিবার(১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে তিনি এ কথা জানান। এ্যানী চৌধুরী বলেন, সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান এক ব্যক্তিই হতে পারবেন না সেই শর্তের বিষয়ে বিএনপির পদক্ষেপ কি হবে তা শপথের আগেই পরিষ্কার করবে দল।তিনি জানান, টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি'র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে তিনিও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে সমন্বয় এবং সকল প্রস্তুতি তদারকি করছেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই নিয়ে এক সমন্বয় সভা‌ অনুষ্ঠিত হয়েছে রবিবার।এনআই
    শফিকুর রহমানের বাসায় তারেক রহমান
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার বাসায় পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তারেক রহমান জামায়াত আমিরের বসুন্ধরার বাসায় পৌঁছান।এর আগে, গতকাল (শনিবার) বিএনপির পক্ষ থেকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাতের বিষয়ে জানানো হয়।এদিকে, তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে জামায়াত আমিরের বাসার সামনে দুই দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নিয়োজিত রয়েছেন।এবি 
    নাহিদের বাসায় তারেক রহমান
    ভোটের মাঠের প্রতিপক্ষ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় গিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডে নাহিদের বাসায় পৌঁছান তিনি৷ এসময় বাসার সামনে এগিয়ে এসে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান নাহিদ।তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।এর আগে সন্ধ্যায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের বাসায় যান তিনি। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে নাহিদের বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। এবি 
    ভোট পুনর্গণনা ও আব্বাসের শপথ বিরত রাখার আবেদন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
    নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে শপথগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে আবেদন করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। গত সপ্তাহের নির্বাচনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য জোটের পক্ষে তিনি এই আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বরাবর পাটওয়ারীর লেখা আবেদনটি তার পক্ষে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম। আবেদনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ১১ দফায় ১২টি কেন্দ্রের অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেন।আবেদনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, তার নেতাকর্মী, এজেন্ট ও পরিবারের সদস্যরা ভোট কারচুপি, প্রভাব বিস্তার, ফলাফল আটকে রাখা, বাতিল করা ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করাসহ নানা অনিয়মের আশ্রয় নেয়। একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনি অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। পাটওয়ারী আরও বলেন, ভোট কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে আমাকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণা না করে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন তারা। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমি এই আবেদনের মাধ্যমে কারচুপি ও অনিয়মের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনছি এবং আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি। এই আসনে ভোট পুনর্গণনার পর চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা এবং এর আগ পর্যন্ত শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন বিরত রাখার আবেদন জানাচ্ছি।প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন মির্জা আব্বাস। আসনটিতে ধানের শীষের এই প্রার্থী মোট ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। আর পোস্টাল ভোটে আব্বাস পেয়েছেন ২৮১৪ ভোট এবং নাসীরুদ্দীন পেয়েছেন ২৫৫৫ ভোট।এছাড়া এই আসনের অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা হাতপাখা মার্কায় ১ হাজার ৪৩৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের মেঘনা আলম ৬০৮ ভোট পেয়েছেন।উল্লেখ্য, ঢাকা-৮ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭৪ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৪৮৪টি। বাতিল হয় ২ হাজার ৮১৭টি ভোট। বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৭টি। এই আসনে পোস্টাল ভোটার ছিলেন ৮ হাজার ৯৯২ জন। এর মধ্যে ভোট পড়ে ৬ হাজার ১২টি। বাতিল হয় ৩২০টি ভোট।এইচএ
    ৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানাল ১১ দলীয় জোট
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে দেখা করে তারা এ দাবি জানায় তারা। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের মুখপাত্র হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো বিভিন্ন উপাদান সক্রিয় ছিল। যেমন-অবৈধ অস্ত্র, কালো টাকা, হুমকি-ধমকি ও জাল ভোটের মতো ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪০০ পিস্তল এখনও উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে।জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে- আমরা লক্ষ্য করেছি। কিছু কেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সিল মারার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি বারবার কমিশনকে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।’নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট তড়িঘড়ি প্রকাশ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। হামিদুর রহমানের দাবি, দ্রুত গেজেট প্রকাশের কারণে অনেক প্রার্থী যথাসময়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে পারেননি।ভোটের হার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ১১ দলীয় জোটের এই নেতা। তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে বিকেল সাড়ে ৪টায়। কিন্তু কিছু কেন্দ্রে ভোট শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই এক ধরনের ভোটের হার দেখা গেছে। আবার ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই কেন্দ্রগুলোতে অস্বাভাবিক হারে ভোট পড়ার তথ্য দেখা যায়।ফলাফল শিটে ঘষামাজার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ঢাকা-৬ আসনে তাদের প্রার্থীর একজন এজেন্ট মুসলিম হলেও ফলাফল শিটে একজন হিন্দুর স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। এছাড়া কিছু স্থানে পেনসিল দিয়ে ফলাফল লেখা হয়েছে। এসবের মাধ্যমে সূক্ষ্মভাবে কারচুপি করা হয়েছে।১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ৩২টি আসনে পুনঃগণনা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করা হয়েছে।এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠকটি শুরু হয়।চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ কমিশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা বৈঠকে ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা।এর আগে গতকাল শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বৈঠকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন জোটের নেতারা।এইচএ
    ৩০ আসনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ দিতে ইসিতে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও ফলাফল শিটে ঘষামাজার অভিযোগ তুলে ভোট পুনঃগণনার দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে ইসিতে এসেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পৌঁছান তারা। বিষয়টি নিয়ে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন আসনে জালিয়াতি, ভোট প্রদানে বাধা, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং ফলাফল শিটে ওভাররাইটিং ও ঘষামাজার মতো অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছিল।জুবায়ের অভিযোগ করেন, কিছু আসনে ফল প্রকাশে অস্বাভাবিক দেরি হয়েছে, আবার কিছু আসনে ‘বিদ্যুৎগতিতে’ ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেসব আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি মানা হয়নি এবং অনিয়ম হয়েছে, সেসব আসনে পুনঃগণনার আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন।নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে হামলায় আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় পাওয়া দলের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ব্রিফিংয়ে জামায়াতের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসেন হেলাল, ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, পাবনা-১ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ওলি উল্লাহ নোমান উপস্থিত ছিলেন।অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসেন হেলাল বলেন, ৩০টি আসনে পুনঃগণনা করলে প্রকৃত ফলাফল প্রকাশ পাবে এবং যাদের পরাজিত দেখানো হয়েছে, তাদের অনেকেই বিজয়ী হবেন।ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান তার আসনের কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফল শিটে অসংগতি তুলে ধর অভিযোগ করেন, এজেন্টদের নামের গরমিল, এনআইডি নম্বর না থাকা, ওভাররাইটিং, কার্বন কপি করে লেখা, পেন্সিলে লেখা, পোলিং এজেন্টের নাম অনুপস্থিত থাকা, ফটোকপির ফলাফল শিট ব্যবহার এবং প্রিন্টের পরিবর্তে কলম দিয়ে কেন্দ্রের নাম লেখার মতো অনিয়ম পাওয়া গেছে।যেসব আসনে পুনঃগণনার আবেদন করা হবে: অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ৩০টি আসনে পুনঃগণনার আবেদন করা হবে বলে জানা গেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট-২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৫, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১, ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ ও কক্সবাজার-৪।এইচএ
    জামায়াতে আমির ও নাহিদ ইসলামের বাসায় আজ যাচ্ছেন তারেক রহমান
    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসভবনে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।জানা গেছে, রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় জামায়াত আমির ও রাত ৮টায় নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তিনি।   এর আগে, গতকাল শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্য ও সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান।এছাড়াও, বিএনপি সরকার গঠনের পর অবশ্যই দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা হবে বলে জানান তারেক রহমান।সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থ সবার আগে দেখা হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে বিএনপি সরকার আইনী পথে হাটবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এইচএ

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    ঢাকা -৭ আসনে বিএনপির হামিদুর বিজয়ী
    ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)  সকাল পৌনে ছয়টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ কার্যালয়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।ঢাকা-৭ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৬১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৬টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৭৫টি।এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ হাজার ৫১৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ৫ হাজার ৮১ ভোট এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বটগাছ প্রতীকে ২ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়েছেন।পিএম
    ঢাকা-১৩: ৬৫ কেন্দ্রের ফলাফলে ২,৩৫১ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল, এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ২,৩৫১ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৬৫ টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৯১ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৪০ভোট।এসআর
    ঢাকা-১৩ : ৫৮ কেন্দ্রের ফলাফলে ৩৩১ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ৩৩১ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৫৮টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৬৪ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৩৩ ভোট।ইখা
    ঢাকা-১৩ : ৪৯ কেন্দ্রের ফলাফলে ১৭০ ভোটে পিছিয়ে মামুনুল, এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ১৭০ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনের ৪৯টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪৫৬ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৮৬ ভোট।ইখা
    ঢাকা-১৩ : ৩৭ কেন্দ্রে ৬৭৪ ভোটে মামুনুলের চেয়ে এগিয়ে ববি হাজ্জাজ
    ঢাকা-১৩ আসনে এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রিক্সা প্রতীকের মামুনুল হক পিছিয়ে আছেন ৬৭৪ ভোটে।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে ৩৭টি কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ২১ হাজার ৯৯২ ভোট। মামুনুল হক পেয়েছেন ২১ হাজার ৩১৮ ভোট।ইখা
    জীবননগরে শিয়ালের সঙ্গে ধাক্কায় আলমসাধু উল্টে নারীর মৃত্যু, আহত ১৫
    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলীতে শিয়ালের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি আলমসাধু উল্টে গেছে। এ ঘটনায় সন্ধ্যা রানি (৬৩) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।আহতরা সবাই চুয়াডাঙ্গার দর্শনা রামনগর গ্রামের বাগদীপাড়ার বাসিন্দা। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার উথলী গ্রামের মালোপাড়ার নিকট এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত সন্ধ্যা রানি দর্শনা রামনগর বাগদীপাড়ার দুলাল মণ্ডলের স্ত্রী।আহতদের মধ্যে কয়েকজন হলেন— বাদোলি রানি (৩০), বিকাশ মণ্ডল (৪৫), রিকা রানি (৪০), শেফালী (৪৫), সন্ধ্যা (৫০), জোসনা (৫০), চায়না (৩০), টুকুল (৩০), অশোক (৪০) এবং আলমসাধু চালক মিলন (৩০)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দর্শনার বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন হাটবাজারে ঝুড়ি-ঝাঁপি বিক্রি শেষে আলমসাধুযোগে খালিশপুর থেকে দর্শনায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে উথলী মালোপাড়ার নিকট পৌঁছালে দুটি শিয়াল হঠাৎ সামনে চলে আসে। এ সময় দ্রুতগতির আলমসাধুটি শিয়ালকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে আলমসাধুতে থাকা যাত্রীরা রাস্তার ওপর ছিটকে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই সন্ধ্যা রানি মারা যান।উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক ঝন্টু জানান, "উথলী মালোপাড়ায় আলমসাধু উল্টে একজন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি।"জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এনআই
    যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলে জামায়াতের ১৭ সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-কুষ্টিয়া বৃহত্তর অঞ্চলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত ১৭ জন সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে দলটির পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসেন। সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল।প্রধান অতিথি মোবারক হোসেন বলেন, "জনগণের রায় একটি আমানত। এই আমানতের মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি বিজয়ী সংসদ সদস্যের নৈতিক ও সাংগঠনিক দায়িত্ব।" তিনি বিজয়ী এমপিদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে।তিনি আরও বলেন, যাঁরা নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারেননি, তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বার্তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা করতালির মাধ্যমে নবনির্বাচিত এমপিদের অভিনন্দন জানান। বক্তারা বলেন, এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং সংগঠনের দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষার ফসল। সংবর্ধনাপ্রাপ্ত সংসদ সদস্যরা হলেন: কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা): আব্দুল গফুর,কুষ্টিয়া-৩ (সদর): মুফতি আমীর হামজা, কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী): মাওলানা আফজাল হোসেন, মেহেরপুর-১ (সদর): মাওলানা তাজউদ্দীন খান, মেহেরপুর-২ (গাংনী): মাওলানা নাজমুল হুদা, চুয়াডাঙ্গা-১: অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, চুয়াডাঙ্গা-২: অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন, ঝিনাইদহ-২: অধ্যাপক আলী আজম মো. আকর, ঝিনাইদহ-৩: অধ্যাপক মতিয়ার রহমান,ঝিনাইদহ-৪: আবু তালেব, নড়াইল-২: অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু, যশোর-১: মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২: ডা. মসলেহ উদ্দিন ফরিদ, যশোর-৪: অধ্যাপক গোলাম রসুল, যশোর-৫: অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, যশোর-৬: অধ্যাপক মুক্তার আলী।এনআই
    শার্শায় জেলা পরিষদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ
    যশোরের শার্শা উপজেলায় জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার বাগআঁচড়া এলাকার একটি খাস জমিতে আমের আড়ৎ নির্মাণ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহাজান কবির পন্ডিত।জানা গেছে, বাগআঁচড়া বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারসংলগ্ন নাভারণ–সাতক্ষীরা সড়কের পশ্চিম পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন প্রায় চার শতক জমি ঘিরে ইটের দেয়াল ও পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। টিন দিয়ে ঘর নির্মাণও প্রায় শেষ পর্যায়ে।এলাকাবাসী জানান, বাগুড়ী মৌজার প্রধান সড়কের পাশে জেলা পরিষদের একাধিক জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি ধীরে ধীরে বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শুরুতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও পরে স্থাপনা নির্মাণ সম্পন্ন হয়ে যায়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, “আমরা দেখেছি জায়গাটি সরকারি। কাজ শুরু হলে বন্ধও করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন পর আবার নির্মাণকাজ চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ঘর দাঁড়িয়ে গেল। তাহলে নির্দেশ কার্যকর হলো কোথায়?”আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সরকারি জমি এভাবে দখল হয়ে গেলে ভবিষ্যতে জনস্বার্থে রাস্তা প্রশস্তকরণ বা অন্য কোনো উন্নয়নকাজে সমস্যা তৈরি হবে।অভিযোগের বিষয়ে শাহাজান কবির পন্ডিত জানান, তিনি নিজের জমিতেই ঘর নির্মাণ করছেন। তবে জেলা পরিষদের জমির কিছু অংশ যুক্ত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি স্বীকার করেন। জেলা পরিষদ নিষেধ করলে তিনি ঘর ভেঙে ফেলবেন বলেও দাবি করেন।কায়বা ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে পারবেন না। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম জানান, জেলা পরিষদের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকারি জমি অবমুক্ত করা হবে।ইখা
    ঝিনাইদহে গৃহকর্মীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় এক গৃহকর্মীকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আহত ওই নারীর নাম আয়েশা বেগম। তিনি সদর উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের মৃত শওকত আলীর স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে।আয়েশা বেগম জানান, তিনি বাড়ির কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের মো. বশির উল্লাহর ছেলে নূর মোহাম্মদ আকস্মিকভাবে তার ওপর হামলা চালান। অভিযোগ করে তিনি বলেন, নূর মোহাম্মদ কোদাল দিয়ে তার পায়ে একাধিকবার আঘাত করেন এবং ভোট দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাকে হুমকি দেন।আয়েশার ভাষ্য, হামলাকারী তাকে বলেন, “আমার কথা না শুনে ভোট দিতে গেলি কেন।”আহত নারী দাবি করেন, তিনি ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি আওয়ামী লীগের কর্মী।স্থানীয়রা আহত অবস্থায় আয়েশাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন।আয়েশা বেগম জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী। দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে এবং তারা শ্বশুরবাড়িতে থাকেন।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আয়েশা জানান, অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে পারছেন না।ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ছোঁয়া ইসরাইল জানান, শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে আয়েশা বেগমকে হাসপাতালে আনা হয়। তার ডান পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে এবং বাম পায়ের আঘাত তুলনামূলক কম। বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলতে পারবেন।ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ইখা
    বেনাপোল পিকনিক ট্রাজেডির ১২ বছর: স্মরণ আয়োজন নেই, ক্ষোভ স্থানীয়দের
    বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে বুকে তীরবিদ্ধ অবস্থায় উড়ছে নয়টি কবুতরের প্রতীক। পাশে লেখা—‘আমার বর্ণমালা তুমি ভালো থেকো।’ ২০১৪ সালের পিকনিক ট্রাজেডিতে নিহত নয় শিশুশিক্ষার্থীর স্মরণে বেনাপোল পৌরসভা এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছিল।আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ১২ বছর পূর্ণ হলো। তবে এবার দিনটি উপলক্ষে কোনো আলোচনা সভা, শোক র‌্যালি বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন হয়নি। শুধু পৌরসভার পক্ষ থেকে স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর এ দিনে বেনাপোল পৌরসভা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র‌্যালি, কালো পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু এবার কোনো আয়োজন না থাকায় নিহত শিশুদের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে বেদনা আরও গভীর হয়েছে।বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আম্বিয়া খাতুন বলেন, “আগে প্রতিবছর পৌরসভা থেকে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। স্কুল থেকেও মিলাদ ও আলোচনা সভা করা হতো। এবার নির্বাচন ও সরকারি ছুটির কারণে সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি। তাই আয়োজন হয়নি।”সকাল ১০টার দিকে বেনাপোল পৌরসভার সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ্বাসের নেতৃত্বে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোক র‌্যালি করে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।পৌরসভার সচিব বলেন, “প্রতিবছরের মতো এবারও পৌরসভা দায়িত্ব পালন করেছে। অন্য সংগঠন বা স্কুল কর্তৃপক্ষ আয়োজন না করলে আমাদের বলার কিছু নেই।”বেনাপোল নাগরিক কমিটির সদস্য মোস্তাক আহমেদ স্বপন বলেন, “দিন দিন আমরা স্মৃতি ভুলে যাচ্ছি। আগে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিত। এবার প্রশাসন বা স্কুল কমিটির মনেই নেই দিনটির কথা।”২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী বেনাপোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফরে মুজিব নগরে যান। সেখান থেকে চৌগাছা হয়ে বেনাপোলে ফেরার পথে চৌগাছার ঝাউতলা কাঁদবিলা পুকুর পাড় নামক স্থানে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় ৯ জন এবং আহত হয় আরো ৪৭ জন শিশু শিক্ষার্থীরা। ঘটনাস্থলে নিহতরা হলো, বেনাপোল পৌরসভার ছোটআঁচড়া গ্রামের সৈয়দ আলীর দুই মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী সুরাইয়া (১০) ও তার বোন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী জেবা আক্তার (৮), ছোটআঁচড়া গ্রামের ইউনুস আলীর মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী মিথিলা (১০), রফিকুল ইসলামের মেয়ে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী রুনা আক্তার মীম (৯), লোকমান হোসেনের ছেলে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র শান্ত (৯), গাজিপুর গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র সাব্বির হোসেন (১০) ও নামাজ গ্রামের হাসান আলীর মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী আঁখি (১১)। ১৩ দিন পর ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ছোটআঁচড়া গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ইকরামুল (১১)। সর্বশেষ দুর্ঘটনার ৩২ দিন পর ১৯ মার্চ ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় একই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইয়ানুর রহমান (১১)।ইখা
    কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
    কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচ থেকে সাতজন আহত হয়েছেন।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে দাউদকান্দি উপজেলার জিংলাতলী এলাকায়, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘ইকোনো সার্ভিস’ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-৬২০৩) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার পর বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক ফারুক (৪২) এবং বাসের যাত্রী মিজানুর রহমান (৪৮) নিহত হন। অটোরিকশাটিতে চালক ছাড়া অন্য কোনো যাত্রী ছিলেন না বলে জানা গেছে।দুর্ঘটনায় আহত বাসযাত্রীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত তৎপরতায় বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এনআই
    বাঁশখালীতে পিতৃত্ব অস্বীকারের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা
    চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ইউনিয়নে ১৩ বছর বয়সী ফাতেমা বেগমের আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রভাবশালী ব্যক্তি নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় পিতৃত্ব স্বীকার না করা, সামাজিক একঘরে করা এবং মামলা প্রত্যাহারের চাপ; এসবের সমন্বিত প্রভাবে এই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটেছে।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজ বাড়ি থেকে ফাতেমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি শেখেরখীল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাহামনিখীল এলাকার বাসিন্দা মো. এরফানুল হকের মেয়ে।বাঁশখালী থানার ওসি মো. খালেদ সাইফুল্লাহ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নেজাম উদ্দিনকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বোন জুবায়দা নাহার রিকু। এর আগে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম ইউনিটে তদন্তাধীন রয়েছে। সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়াও চলমান।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছনুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেমটখালী এলাকার মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে নেজাম উদ্দিন শেখেরখীল ইউনিয়নের বাংলাখাল ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় বসবাস শুরু করেন। তার ভবনে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন ফাতেমার বড় বোন ও দুলাভাই। সেই সূত্রে প্রায় দুই বছর আগে নেজামের বাড়িতে ফাতেমা গৃহকর্মীর কাজ নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এক বছর আগে নেজাম জোরপূর্বক তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ফাতেমা গর্ভবতী হলে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। পরিবারের দাবি, স্থানীয় প্রভাবশালীরা ফাতেমাকে একঘরে করে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয়। এক মাস বয়সী কন্যা সন্তান রেখে তার আত্মহত্যা; এই সামাজিক চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার ফল হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।নিহতের বোন জুবায়দা নাহার রিকু বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি ফাতেমা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করেন এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে নেজাম।স্থানীয় সমাজপতি শহীদুজ্জামান চৌধুরী জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিক সালিশ বৈঠক হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পিতৃত্ব স্বীকার না করায় সমাধান হয়নি।ফাতেমার মৃত্যু কেবল একটি আত্মহত্যার ঘটনা নয়; এটি গ্রামীণ সমাজে ক্ষমতার প্রভাব, নারীর নিরাপত্তাহীনতা, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং সামাজিক কলঙ্কের সম্মিলিত প্রতিফলন। এখন নজর থাকবে, ডিএনএ পরীক্ষার ফল, পিবিআই তদন্তের অগ্রগতি এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর। একটি একমাস বয়সী শিশু মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলো। সমাজ ও রাষ্ট্র কি এই শিশুর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারবে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।ইখা
    আলীকদমে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
    বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রহিমা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের পুরাতন কানামাঝি ঘাট এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত রহিমা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেবের স্ত্রী। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে দুই পুত্রবধূসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে।নিহতের ছেলে নুরুল আমিন জানান, তার মা দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতে (প্যারালাইসিস) ভুগছিলেন। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য অলিউর রহমান জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান এবং থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।প্রত্যক্ষদর্শী জসিম উদ্দিন বলেন, বাড়ির ভেতরে এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন।আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহ বলেন, রাত ৯টার দিকে ৯৯৯-এ কল পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনে। এ ঘটনায় দুই পুত্রবধূসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইখা
    সাতকানিয়ায় সূর্যমুখীর বাগান কেটে নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক
    চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কৃষি বিভাগের প্রণোদনার বীজ দিয়ে গড়ে তোলা সূর্যমুখীর একটি বাগান রাতের আঁধারে কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন কৃষক নুরুল ইসলাম। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজালিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম চলতি মৌসুমে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে সূর্যমুখীর বীজ পান। বাড়ির পাশের জমিতে বীজ রোপণ করে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত পরিচর্যা করেন তিনি। একসময় গাছগুলো বড় হয়ে হলুদ ফুলে ভরে ওঠে পুরো বাগান।মনোরম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সেখানে ভিড় করতেন। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা ছবি তুলতে যেতেন।তবে শনিবার রাতে কে বা কারা বাগানের অধিকাংশ সূর্যমুখী গাছ কেটে ফেলে। সকালে জমিতে গিয়ে সারি সারি কাটা গাছ দেখে হতবাক হয়ে পড়েন নুরুল ইসলাম।নুরুল ইসলাম বলেন, “প্রণোদনার বীজ পেয়ে অনেক আশা নিয়ে সূর্যমুখীর চাষ শুরু করি। নিজের শ্রম ও খরচে গাছগুলো বড় করেছি। ফুল ফোটার পর মানুষ এসে উৎসাহ দিত। কিন্তু রাতের আঁধারে সব কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছি।”স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সূর্যমুখীর বাগানটি এলাকায় একটি আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছিল। হঠাৎ এভাবে বাগান নষ্ট হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই ধারণা করছেন, ঈর্ষান্বিত হয়ে কেউ পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রণোদনার আওতায় সূর্যমুখীর বীজ দেওয়া হয়েছিল। নুরুল ইসলামের বাগানটি ভালো অবস্থায় ছিল। গাছ কেটে ফেলার ঘটনাটি দুঃখজনক। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সহায়তার বিষয়েও আলোচনা করা হবে।”ইখা
    কক্সবাজারের চার আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বিজয়ী ও তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য প্রার্থীরা প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশও (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে।জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী চার আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া)এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৩৭। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল অন্তত ৪৫ হাজার ৩০৪ ভোট। বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দীন আহমদ ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সারওয়ার আলী কুতুবী পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২৮ ভোট। ফলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)এ আসনে মোট বৈধ ভোট ২ লাখ ৩২ হাজার ৭০৯। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৯ হাজার ৮৮ ভোট। বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের জিয়াউল হক পেয়েছেন ৮ হাজার ৭৯৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল হক পেয়েছেন ৭৫৭ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের এস এম রোকনুজ্জামান খান পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)এই আসনে মোট বৈধ ভোট ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯৪। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৪৪ হাজার ৫৭৪ ভোট। বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদুল আলম বাহাদুর ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের আমিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ১৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া পেয়েছেন ৯৪৭ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া পেয়েছেন ৬০২ ভোট এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার পেয়েছেন ৩৬৭ ভোট। চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ)এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ২৩১। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজার ৯০৩ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের নুরুল হক পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৮ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাইফুদ্দিন খালেদ পেয়েছেন ৩৭৯ ভোট। ফলে তাদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, কক্সবাজারের চারটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত বড় দুই রাজনৈতিক শক্তিকে ঘিরে ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাংগঠনিক দুর্বলতা ও প্রচার–প্রচারণার সীমাবদ্ধতায় ভোটারদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান জানান, বিধি অনুযায়ী যেসব প্রার্থী নির্ধারিত ভোট পাননি, তাঁদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।ইখা
    কালিয়াকৈরে কাটা হাত উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ
    গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় একটি কাটা হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)  সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হাতটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাতটি কোনো ব্যক্তির শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে এটি দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের অংশ—তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কালিয়াকৈর থানার ওসি খন্দকার নাছির উদ্দিন  জানান, এখন পর্যন্ত হাতটির মালিকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের থানা ও হাসপাতালগুলোতে কোনো নিখোঁজ  গুরুতর আহত ব্যক্তির তথ্য মিলছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে ফরেনসিক পরীক্ষা ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন দিক তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তদন্তে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।পিএম
    আসামি ধরে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের
    কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আসামি গ্রেপ্তার করে থানায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নজরুল ইসলাম (৫০) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত কনস্টেবল নজরুল ইসলাম টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার শিমলা গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের পদোরগাতি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সদস্য বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কনস্টেবল নজরুল ইসলামসহ ছয়জন গুরুতর আহত হন।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নজরুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার্ড) করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশার চালক, গ্রেপ্তারকৃত আসামি এবং আরও তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।এনআই
    মুন্সিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে ফাস্টফুড বিক্রি, বেকারিকে জরিমানা
    মুন্সিগঞ্জে প্রদর্শিত মূল্য তালিকার চেয়ে বেশি দামে ফাস্টফুড বিক্রির দায়ে একটি বেকারিকে চার হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার পুরাতন কাচারি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মুন্সিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ।অভিযানে আসলাম সুইটস অ্যান্ড বেকারিতে প্রদর্শিত মূল্য তালিকার চেয়ে বেশি দামে ফাস্টফুড বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মো. ইকরামকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে মূল্য তালিকা অনুযায়ী পণ্য বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়।অভিযানে সহযোগিতা করেন জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. সামির হোসাইন সিয়াম এবং মুন্সিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল।সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মূল্য তালিকার বাইরে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইখা
    ‘সংসদে এমন মানুষ দরকার, যারা ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থ দেখবে’: ডা. শফিকুর রহমান
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদে এমন প্রতিনিধিদের যাওয়া উচিত, যারা ব্যক্তিস্বার্থ নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থ রক্ষা করবেন।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখলা ফেরিঘাটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংসদ থেকেই দেশ পরিচালিত হবে। সেখানে সরকার দল থাকবে, বিরোধী দলও থাকবে। একটি গাড়ি যেমন এক চাকা দিয়ে চলে না, তেমনি গণতন্ত্রেও কার্যকর সরকার ও শক্তিশালী বিরোধী দল প্রয়োজন।”তিনি বলেন, সরকারি দল জনস্বার্থে ইতিবাচক কাজ করলে সহযোগিতা করা হবে। তবে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে বিরোধিতা করা হবে। “আমাদের অবস্থান পরিষ্কার থাকবে,” বলেন তিনি।ঋণ খেলাপি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যারা জনগণের টাকা পরিশোধ করতে পারেন না, তাদের নেতৃত্বে আসা উচিত নয়।” তিনি দুর্নীতি ও বিচারব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, “সমাজ দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”সংস্কারবিষয়ক গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এর পূর্ণ বাস্তবায়ন দেখতে চান তারা।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সম্ভাব্য সাক্ষাৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কী বিষয়ে আলোচনা হবে, তা তার ব্যাপার। তবে দেশের ও জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে যেকোনো আলোচনা হবে।”শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রশ্নে তিনি বলেন, “সরকারি দল ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে, যদি দেশ সঠিক পথে চলে। ভুল পথে গেলে আমরা সমর্থন দেব না।”জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, অতীতে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণেই তারা জনসমর্থন হারিয়েছে বলে তার মত।এর আগে সকালে কিশোরগঞ্জে পৌঁছে ডা. শফিকুর রহমান নিকলী উপজেলার শিমুলবাঁক এলাকায় নিহত জামায়াত সমর্থক শাহ আলমের বাড়িতে যান। সেখানে পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে সহায়তার আশ্বাস দেন।পরে তিনি নিকলী উপজেলার ছাতিরচর এলাকায় নিহত আরেক কর্মী আব্দুস সালামের পরিবারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুস সালাম নিহত হন। এছাড়া ৮ ফেব্রুয়ারি ইটনায় একটি নির্বাচনি সমাবেশে যাওয়ার পথে শাহ আলমের মৃত্যু হয়।ইখা
    টিকটকে পরিচয়, শিশু সন্তান রেখে দুই নারী নিখোঁজ!
    টিকটকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভৈরব ও ফেনীর দুই নারীর মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর এক নারী সংসার ও শিশু সন্তান রেখে নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।নিখোঁজ ওই নারীর নাম নদী বেগম (১৮)। তিনি ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার স্বামী কাউসার মিয়া একজন পাদুকা শ্রমিক।কাউসার মিয়া অভিযোগ করেন, টিকটকে পরিচয়ের মাধ্যমে নদীর সঙ্গে ফারহানা বেগম (২৩) নামের এক নারীর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয় বলে দাবি করেন তিনি।কাউসার মিয়া জানান, গত ৮ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ১৫ মাস বয়সী শিশুকে শাশুড়ির কাছে রেখে বাড়ি থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় ঘরে থাকা ৭ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি বলেন, “আমার জন্য না হোক, অন্তত সন্তানের জন্য হলেও স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।”এ ঘটনায় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।অন্যদিকে, ফারহানা বেগমের পরিবারও জানিয়েছে, তিনিও কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ। ফারহানার ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, “আমার বোন তার চার বছরের মেয়েকে বাড়িতে রেখে চলে গেছে। আমরা বুঝতে পারছি না কীভাবে বিষয়টি ঘটল। আমরা চাই দ্রুত তাকে উদ্ধার করা হোক।”ফারহানার শ্বশুরবাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার রাজারামপুর এলাকায় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিখোঁজ নারীদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।”তিনি আরও বলেন, ‘সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।’ইখা
    প্রথমবার সংসদে যাচ্ছেন তিনজন
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীরা। এরমধ্যে প্রথমবারের মতো বরিশাল-২, ৩ ও ৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাচ্ছেন।এছাড়া বরিশাল-৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচিত প্রার্থী পঞ্চমবারের মতো, বরিশাল-১ আসনের বিএনপি মনোনীত নির্বাচিত প্রার্থী তৃতীয়বারের মতো এবং বরিশাল-৬ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।একইসাথে প্রতিটি আসনে গণভোটে "হ্যা" ভোট বিজয়ী হয়েছে। বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গত ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী এম জহির উদ্দিন স্বপন ১ লাখ ৫৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এনিয়ে তিনি (স্বপন) তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। ওই আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' পড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮টি আর 'না' ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ২৮৯টি।‎বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে ‎ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামী মনোনীত আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট। ওই আসনে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৮ টি আর না ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ৯৬৬টি।‎বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে ‎ধানের শীষ প্রতীকে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ১১ দলীয় জোট সমর্থিত এবি পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। এ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি আর 'না' ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৬৩টি।‎বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রাজীব আহসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। ওই আসনে '‎হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯০০টি আর 'না' ভোট পড়েছে ৬৪ হাজার ৫১১টি।‎বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে পঞ্চম বারের মতো (উপ-নির্বাচনসহ) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার। এর আগে তিনি বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, হুইপ এবং সিটি মেয়র পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট। এ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭টি আর '‎না' ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৩৮৪টি। ‎‎বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে ‎ধানের শীষ প্রতীকে ৮২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল হোসেন খান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাহমুদুন্নবী তালুকদার পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট। ওই আসনে '‎হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৪টি আর 'না' ভোট পড়েছে ৪১ হাজার ৭০০টি।ইখা
    সহিংসতার অভিযোগ: তদন্ত কমিটি গঠন, শান্ত থাকার আহ্বান নুরের
    পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গলাচিপা উপজেলা বিএনপি হামলা ও সংঘর্ষের অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।এদিকে, বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছে, পরাজিত প্রার্থী অপপ্রচার চালাচ্ছেন। অন্যদিকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পটুয়াখালী–৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ও গণঅধিকার পরিষদের ‘ট্রাক’ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হক নুর বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, ‘ঘোড়া’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন।নির্বাচন চলাকালে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে থানায় অন্তত পাঁচটি মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।নির্বাচনের পর বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন হাসান মামুন। তিনি গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে।তিনি আরও দাবি করেন, দশমিনা ও গলাচিপার কয়েকটি এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। তার ভাষ্যমতে, এ পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।এদিকে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. আলতাফ খান। তিনি বলেন, নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে ‘ট্রাক’ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।তিনি জানান, এসব অভিযোগ তদন্তে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন মিয়াকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি অভিযোগ যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা দাবি করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকেরাই হামলা চালিয়ে পরে উল্টো অপপ্রচার করছেন।এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ইখতিয়ার রহমান কবির বলেন, নুরুল হক নুরকে সমর্থন করায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। তিনি চরবিশ্বাস ইউনিয়নে মহিলা দলের নেত্রী ও এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগও করেন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শিপলু খানসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।অন্যদিকে শনিবার বিকেলে গলাচিপা অফিসার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা।উপজেলা আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, নুরুল হক নুরের নির্দেশনা হচ্ছে সবাইকে ধৈর্য ধারণ ও শান্ত থাকতে হবে। তারা সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে চান।জেলা যুব অধিকার পরিষদের সহসভাপতি মহিবুল্লাহ এনিম বলেন, পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত তৈরির চেষ্টা করছেন। তবে গণঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।তিনি বলেন, কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নুরুল হক নুর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, তিনি প্রতিশোধ ও সংঘাতের রাজনীতি ঘৃণা করেন। তিনি ট্রাক প্রতীকের সমর্থকসহ বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কারও উসকানিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না।তিনি আরও বলেন, এখন লক্ষ্য হচ্ছে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে “ঐক্য, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির নতুন গলাচিপা–দশমিনা” গড়ে তোলা।গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, কিছু ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং অনেক ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি জানান, সংঘাত এড়াতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। চর কাজলের একটি মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও দুটি অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন।দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।ইখা
    ঝালকাঠিতে ঘুমন্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবার আত্মসমর্পণ
    ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত বাবা থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর চারটার দিকে উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ছোনাউটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মেহেদী হাসান শুভ খান (২৫)। এ ঘটনায় তার বাবা মো. বারেক খানকে আটক করেছে পুলিশ।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মো. কবির হোসেন জানান, শুভ মাদকাসক্ত ছিলেন এবং প্রায়ই নেশার টাকার জন্য বাবার ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন।তিনি বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যার দিকে শুভ মোটরসাইকেল কেনার জন্য বাবার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। বাবা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।’অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনার পরে শুভ স্থানীয় বাজার থেকে একটি ধারালো দা কিনে এনে বাবাকে হত্যার হুমকি দেন। রাতে তিনি ঘরের বারান্দায় ঘুমাতে যান। একপর্যায়ে ক্ষোভ ও উত্তেজনার বশে বাবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর মো. বারেক খান থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজাপুর সার্কেল) শাহ আলম বলেন, ‘অভিযুক্ত বাবাকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ইখা
    বরগুনায় জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার
    বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সবুজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ নভেম্বর) রাত ১০ টার দিকে বরগুনা শহরের পিটিআই এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সবুজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরগুনা সদর থানায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনের একটি মামলার আসামি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরগুনা বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই মামলা করা হয়।এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. আলীম বলেন, গোপন সংবাদের পাশাপাশি প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।ইখা
    ভোলায় মাদক দ্বন্দ্বে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা
    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণে আব্দুর রহিম ওরফে ভুট্টো (৫০) নামের এক মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) রাত ১০টার দিকে রসুলপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নিহতের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ভুট্টো ওই ওয়ার্ডের মৃত আখতারুজ্জামান সৈয়ালের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মত শনিবার রাতে স্থানীয় কলেরহাট রাস্তার মাথা বাজার থেকে ফেরার সময় দুর্বৃত্তরা ভুট্টোর পথরোধ করে মাদক কিনতে চায়। পরে মাদক নেই জানিয়ে ভুট্টো চিৎকার চেচামেচি করলে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে, শুক্রবার মাদক কেনাবেচা নিয়ে স্থানীয় আমজাদ ও বেল্লাল নামের দুই যুবকের সঙ্গে ভুট্টোর ছেলে আমির হোসেনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় আমির হোসেনকে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করেন আমজাদ ও বেল্লাল। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে শনিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করেন।জানা গেছে, ভুট্টো ও তার ছেলে আমির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাদকসহ বেশ কয়েকবার পুলিশের হাতে ধরা পরেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে, মাদক কেনাবেচা নিয়ে বিরোধের জেড়েই খুন হয়েছেন ভুট্টো।এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাদক বেচাকেনাকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ভুট্টোর নামে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।এবি 
    জামালপুর-১ আসনের তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
    জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৩ প্রার্থীর, যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টির একেএম ফজলুল হক ও গণঅধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)   দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬ ভোট।বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থীর জামানত রক্ষা করতে হলে তাঁকে কমপক্ষে মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে হবে। শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ব্যতিত বাকি ৩ প্রার্থীর কেউ এই ভোট পাননি।এরমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬ ভোট পেয়ে জামানত বাজয়োপ্ত হয়।জামানত রক্ষায় এই আসনের প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ৩৪ হাজার ৫৯৪ টি ভোট না পাওয়ায় ওই তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানান, এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে। যারা প্রাপ্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট পান নি তাদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।উল্লেখ্য, জামালপুর-১ আসনে ১২৮ ভোট কেন্দ্রে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। এরমধ্যে বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪ ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৬৫. ০৮ শতাংশ।এনআই
    জামালপুরের পাঁচটি আসনে জামানত হারালেন ২৪ প্রার্থী
    জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টির ও গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ ২৪ জন জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, ‘কোনো সংসদীয় আসনে সংগৃহীত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট অর্জন করতে না পারলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী প্রাপ্ত ফলাফলে এসব প্রার্থী নির্ধারিত সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত হারিয়েছেন।’জামালপুর-১ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি।এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রউফ তালুকদার। তিনি ৪ হাজার ১২১ ভোট পেয়েছেন। গণ অধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলামের ২২৬ ভোট ও জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ৯৩১ ভোট পেয়েছেন। জামালপুর-২ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৬০ হাজার ১৮১।জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান মাহমুদ। তিনি ভোট পান ১ হাজার ৭১৩, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান ১৭৪ ভোট পেয়েছেন। জামালপুর-৩ আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৪৬। এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী।তিনি ভোট পান ২ হাজার ৫৪৬টি, গণ অধিকার পরিষদের লিটন মিয়া ৪১২টি, জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম ৮৪৪টি, গণসংহতি আন্দোলনের ফিদেল নঈম ৬৪৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাদিকুর রহমান ১২ হাজার ৫২ ভোট, শিবলুল বারী রাজু ১০ হাজার ৫২৩ ভোট এবং ফারজানা ফরিদ ২৮৪টি ভোট‌ পেয়েছেন। জামালপুর-৪ এ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩১। এ আসনে ১ হাজার ৩০২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলী আকবর। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের মো. ইকবাল হোসেন পান ৩৮৩টি, নাগরিক ঐক্যের মো. কবির হাসান ৩৭৯টি ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মাহবুব জামান জুয়েল ১ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।  জামালপুর-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৬টি বৈধ ভোট পড়েছে।এখানে জামানত হারিয়েছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সাঈদ মোহাম্মদ সা. আদাত-উল করীম। তিনি ভোট পান ২২৫টি, গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন ৫৩৯টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আমিন উদ্দিন ৫৮০টি, জাতীয় পার্টির মো.বাবর আলী খান ৩ হাজার ৭৩৯টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শেখ মো. আক্কাস আলী ৫৪৭ টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ ইউনুস আলী ৪ হাজার ২৮২ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ইব্রাহীম আহমদ ৩৫৪টি এবং হোছনেয়ারা বেগম ২৪৫ ভোট পেয়েছেন। প্রাপ্ত ভোটের হার প্রয়োজনীয় সীমার নিচে থাকায় তাদের জামানত হারিয়েছেন।জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থী মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।এসআর
    চাঁদাবাজমুক্ত ভালুকা ঘোষণায় কঠোর বার্তা নবনির্বাচিত এমপির
    ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু আজ থেকে “চাঁদাবাজমুক্ত ভালুকা” ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।বিকেল গড়াতেই মাঠে জড়ো হন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। বক্তব্যের শুরুতেই নবনির্বাচিত এমপি বলেন, ভালুকাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজি, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।তিনি প্রশাসনের প্রতি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। যারা চাঁদাবাজি বা জুয়ার আসর বসিয়ে অর্থ উপার্জন করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।নিজ দলের নেতাকর্মীদের প্রতিও কঠোর বার্তা দেন তিনি। বলেন, দলের কোনো নেতা বা কর্মী যদি চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ কিংবা জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে আজ থেকেই নিজেকে সংশোধন করুন। অন্যথায় দলীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না, আইনের আওতায় আনা হবে।বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি আবেগঘন আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রিয় ভালুকাবাসী, আসুন আমরা কাঁধে কাঁধ রেখে আগামী দিনে ভালুকাকে একটি আধুনিক শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তুলি। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ আমাকে সহযোগিতা করুন।জনসভায় উপস্থিত অনেকেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের এ ঘোষণাকে স্বাগত জানান। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন ঘটলে ভালুকায় শৃঙ্খলা ও সুশাসনের নতুন পরিবেশ তৈরি হবে।এসআর
    নির্বাচন শেষে কর্মস্থলে ফেরা, নেত্রকোণায় বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ
    নির্বাচনের আমেজ শেষ হতেই কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরতে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। উত্তরের জেলা নেত্রকোণা থেকে বাস, ট্রাক ও সিএনজিযোগে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ফিরছেন যাত্রীরা। তবে এই সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পরিবহন চালকদের বিরুদ্ধে।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর থেকেই নেত্রকোণা শহরের পারলা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের সড়কে দেখা গেছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ফিরছেন শ্রমিক ও কর্মজীবীরা।যাত্রীদের অভিযোগ, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জনপ্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। শুধু বাস নয়, ট্রাক ও সিএনজিতেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনের তদারকি না থাকায় চালকরা এই সুযোগ নিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তারা।একাধিক যাত্রী জানান, হঠাৎ করে ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অপরদিকে কয়েকজন পরিবহন চালক বলেন, যাত্রীচাপ বেশি থাকা এবং ফেরার পথে গাড়ি ফাঁকা যাওয়ার আশঙ্কায় বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এসআর
    নান্দাইলে ৩৫ বছর পর বাবার আসনে ছেলের অভিষেক
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর ইয়াসের খান চৌধুরী বাবা আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর আসন ফিরে পেলেন। ১৯৯১ সালে বাবা এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এমপি হয়েছিলেন।ধানের শীষ প্রতীকে ইয়াসের খান চৌধুরী পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত বিডিপির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট। জানা যায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর একান্ত সচিব ছিলেন সাবেক এমপি আনোয়রুল । এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেটের নির্বাচিত সদস্যও ছিলেন তিনি।তাঁর ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞানী। দীর্ঘদিন ধরে  বিবিসি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক লন্ডনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। একপর্যায়ে দেশে ফিরে এলাকার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তাঁর বাবা ছাড়াও চাচা খুররম খান চৌধুরী ছিলেন চারবারের সংসদ সদস্য। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী অনেকের মধ্যে নিজেকে দলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলেন ইয়াসের খান। মনোনয়ন পেয়েই ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভোটের মাঠে ভোটারদের মধ্যে প্রচারণা শুরু করেন তিনি।নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বাবার স্বপ্ন ছিল আমি যেন উন্নত ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য কিছু করতে পারি। কাছ থেকে বাবার মানবিকতার রাজনীতি দেখেছি। দেখেছি সাধারণ  মানুষের জন্য তিনি কিভাবে নিজেকে বিলিয়ে দিতেন। বাবার রেখে যাওয়া এই কর্মকাণ্ডকে এখন আমি বাস্তবায়ন করতে চাই।পিএম
    দিনাজপুরে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট '২৬ -এ দিনাজপুরের  ৬টি সংসদীয় আসনে ২৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নিয়মানুযায়ী মোট বৈধ ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।দিনাজপুর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিলহাজ উদ্দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি  সকালে ভোরের আকাশকে  জানান, বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ১৩ জন প্রার্থী ছাড়া বাকি সবার জামানত বাতিল হয়।তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দিনাজপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৩৩ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪ হাজার ৯৫ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. মনজুরুল ইসলাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই হিসেবে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন অন্তত ৩৮ হাজার ১১টি ভোট পাওয়া। এই আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে দুই জন ছাড়া অন্য ৪ প্রার্থীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫ জন ভোটার। এই আসনে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭১ হাজার ১৯৯টি।এ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামি প্রার্থী এ.কে.এম আফজালুল আনাম পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮৭ ভোট। আসনটিতে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া অন্য ৬ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৩৭ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এই আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬২৮টি। আসনটিতে বিএনপি'র মনোনীত  প্রার্থী প্রাক্তন মেয়র  সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ১ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত  প্রার্থী অ্যাড. মো. মাইনুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট। আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৩৫ হাজার ৪৫৩ ভোট। এই আসনের ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত ছাড়া অন্য ৬ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।দিনাজপুর-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬ হাজার ৯৯১ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৯৮ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এই আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৬২৪টি। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান মিয়া এক লাখ ৩৬ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. আফতাব উদ্দীন মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট।আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৩৭ হাজার ৫৭৮ ভোট। এ আসনের ৪'জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত ছাড়া অন্য ২ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-৫ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫১৬ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৭৫৮ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এই আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৫টি। আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) এজেডএম রেজওয়ানুল হক ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় সমর্থিত  এনসিপি'র শাপলাকলি প্রতীকের প্রার্থী  ডা. আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। এছাড়া বিএনপি'র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের  প্রার্থী ব্যারিস্টার একেএম কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৫৪৪ ভোট।আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৪১ হাজার ৬৩০ ভোট। এ আসনের ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি, এনসিপি ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া অন্য ৩ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।দিনাজপুর-৬ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৬১২ জন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭ হাজার ২৭৭ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এ আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৪ লাখ ১ হাজার ১৮৮টি। আসনটিতে বিএনপি'র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ২ লাখ ৫ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেন।   তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের  প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট।আসনটিতে জামানত ফিরে পেতে একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৫০ হাজার ১৪৮ ভোট। এ আসনের ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া অন্য ৪ প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ এর দিনাজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এনআই
    কারাগারে অসুস্থ হয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা আ.লীগ সভাপতির মৃত্যু
    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে একটি মামলায় হাজতি ছিলেন।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।গাইবান্ধা জেলা কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শামিকুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধা সদর থানার জিআর ১৭৬/২৫ মামলায় হাজতি ছিলেন। এর আগেও তিনি কারাগারে থাকাকালে চিকিৎসা নিয়েছেন।কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শামিকুল ইসলাম সরকারকে ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে পলাশবাড়ী থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর চলতি মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি তাকে আবারও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সর্বশেষ তিনি গাইবান্ধা সদর থানার জিআর ১৭৬/২৫ মামলার হাজতি হিসেবে জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।ইখা
    পরকীয়া প্রেমিকার সাথে মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের কর্মচারী আটক
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় কর্মরত হিসাব সহকারী কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার সাইফুল ইসলামকে নিজের ভাড়া বাসায় পরকীয়া প্রেমিকার সাথে আটক করেছেন তারই স্ত্রী সখিনা খাতুন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে পৌর শহরের সবুজপাড়া এলাকায় এক ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। সেই বাসায় পরিবারসহ ভাড়া থাকতেন সাইফুল ইসলাম।পরকীয়া প্রেমিকার নাম যুথি বেগম। তিনি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতাধীন কিশোর কিশোরী ক্লাব প্রকল্পে দেবীগঞ্জ উপজেলায় আবৃত্তি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি বোর্ডিং পাড়া এলাকার মোশারফের স্ত্রী।সখিনা বেগম ও স্থানীয়রা জানায়, সাইফুল ও সখিনা দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। যুথির সাথে পরকীয়ায় জড়ানোর পর থেকেই সখিনাকে প্রায়ই মারধর করতেন সাইফুল। শনিবার বিকেলে সাইফুল যুথিকে তার ভাড়া বাসায় ডেকে আনেন। যুথি আসার পর সাইফুল তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এই সময় সখিনাকে জোর করে ঘরের বাইরে বের করে দিলে সখিনা দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়ে থানায় চলে যান। এরই মধ্যে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে জড়ো হতে থাকে। মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। সখিনা থানায় গিয়ে দেবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইফুল ও যুথিকে তাদের হেফাজতে থানায় নিয়ে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ আসতে দেরী করলে সাইফুল-যুথিকে স্থানীয় নারী-পুরুষরা গণপিটুনি দিতেন।এইদিকে থানায় আনার পর যুথি জানান, এত কিছু হওয়ার পর তিনি আর সংসারে ফিরে যেতে পারবেন না। সাইফুলকে তিনি বিয়ে করতে চান। সাইফুলও এই সময় তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে যুথিকে বিয়ে করবেন বলে জানান। সখিনা বেগমের দাবি, এর আগেও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় থাকতে পরকীয়ায় জড়ান সাইফুল। সেবারও সেখানে এই নিয়ে শালিস হয়। পরে সেখান থেকে দেবীগঞ্জে বদলী করে দেওয়া হয় সাইফুলকে। দেবীগঞ্জে এসে পুনরায় পরকীয়ায় জড়ান সাইফুল।তিনি আরও বলেন, এর আগে সাইফুল না জানিয়ে দুইটি বিয়ে করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে সেই দুই স্ত্রীকে তালাক দেন সাইফুল। এভাবে যেখানেই যান সেখানেই নারী কেলেঙ্কারিতে জড়ান তিনি। শুধু পরকীয়া নয় বরং প্রায় সময় টাকার জন্য সখিনাকে চাপ দিতেন ও মারধর করতেন বলেও জানান তিনি।এই ঘটনায় সখিনা বেগম বাদী হয়ে সাইফুল ও যুথিকে আসামী করে শনিবার রাতে দেবীগঞ্জ থানায় এজাহার দাখিল করেন। এইদিকে এই ঘটনার পর উপজেলা পরিষদ চত্বরের বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রকল্পে চাকরী করলেও যুথির অফিসে কোন দায়িত্ব ছিল না। তার দায়িত্ব ছিল দেবীগঞ্জ মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিশোর কিশোরী ক্লাবে আবৃত্তি শিক্ষক হিসেবে। কিন্তু এরপরও যুথিকে সব সময় অফিস সময়ে সাইফুলের সাথে অফিসে দেখা যেত। বেশ কয়েকবার অপ্রস্তুত অবস্থায়ও তাদের অফিসে দেখা গেছে বলে দাবি করেন দুইজন। শুধু অফিসে নয় সাইফুল অফিসের কোন কাজে বাইরে গেলেও সাথে যুথিকে নিয়ে যেতেন। তাদের এই অনৈতিক সম্পর্কের কথা উপজেলা পরিষদ চত্বরের কম-বেশি অনেকে জানলেও কখনো মুখ খুলেননি।দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মনিরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এই ঘটনায় থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। আজ আসামী দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।এবি 
    ভালোবাসা দিবসে ছাদখোলা গাড়িতে প্রিয় শিক্ষককে রাজকীয় বিদায়
    ভালোবাসা দিবসের এই বিশেষ দিনে এক প্রিয় শিক্ষককে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায় জানিয়েছেন তাঁর প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। ফুল দিয়ে সাজানো ছাদখোলা মাইক্রোবাস আর পেছনে শতাধিক মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে শিক্ষককে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার এই আয়োজন ছিল দেখার মতো।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কাশুয়া খাদেমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলীকে এমন রাজকীয় সম্মানে বিদায় জানান তাঁর প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী।দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাশুয়া খাদেমগঞ্জ সরকারি বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, কাদিহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুলতান আলী মানিক, বালিয়া হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমানসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলেন, পিছিয়ে থাকা সীমান্ত এলাকার এই প্রত্যন্ত স্কুলটিকে তিনি তিন দশক ধরে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছেন। শিক্ষক ইউসুফ আলীর হাতে গড়া অসংখ্য ছাত্র আজ চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদে আসীন হয়ে দেশসেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “ইউসুফ স্যারের শাসন আর পরম যত্নেই আজ আমরা সফল হতে পেরেছি। আমাদের সাফল্যের পেছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।”বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিদায়ী শিক্ষক ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, “জীবনের শেষ বেলায় এসে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এমন ভালোবাসা পাব, তা কল্পনাও করিনি। সারাজীবন ছাত্রদের নিজের সন্তানের মতো দেখার চেষ্টা করেছি, আজ সেই কর্মের ফল পেলাম। বাকি জীবনটুকু এই ভালোবাসা নিয়েই কাটিয়ে দিতে চাই।”উল্লেখ্য, ইউসুফ আলী কাশুয়া খাদেমগঞ্জ সরকারি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ছিল তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের শেষ দিন।এনআই
    কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামানত হারালেন ৩ প্রার্থী
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৭ কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের ন্যূনতম ১২.৫ শতাংশ বা এক-অষ্টমাংশ ভোট না পান, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে জামানত রক্ষার ন্যূনতম সীমায় ভোট না পাওয়ায় ৩ প্রার্থীর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।জামানত বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হলেন, আব্দুস সোবহান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ২ হাজার ১১২ ভোট, অ্যাডভোকেট এসএম নুরে এরশাদ সিদ্দিকী (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক) ৫৯৯ ভোট এবং অ্যাডভোকেট ড. মো. সাফিউর রহমান (স্বতন্ত্র, হাঁস) ২৩৯ ভোট পান।তারা ৩ জনই ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় ও গণভোট নির্বাচনে প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট পাননি।ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৭ কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪ জন এবং নারী ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ জন। পোস্টাল ভোট গণনাকেন্দ্রসহ মোট ১৪১ ভোটকেন্দ্রে ৬৯৭টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।এরমধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৩৫ জন। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৪ হাজার ১২৫টি। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ টি। প্রদত্ত ভোটের হার ৬১.৮৬ শতাংশ।নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৭ হাজার ৯৭৬ ভোট। তারা ওই পরিমাণ ভোট পাননি। তবে নির্বাচনে এ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী তাসভীর-উল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫২ ভোট। বেসরকারিভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী ২৮ হাজার ৫৭৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।##এনআই
    সিরাজগঞ্জে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
    ভোট কারচুপি ও প্রশাসনের একপেশে আচরণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডস্থ জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, "প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দেওয়ার পরও কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো সাধারণ ভোটার ও আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি প্রদর্শন, মিথ্যা অপপ্রচার, প্রচার মিছিলে হামলা এবং নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে।"ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, "ভোটের আগের দিন আমার পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে আমার প্রাপ্ত ভোটকে অবৈধ ঘোষণা এবং প্রতিপক্ষের বাতিল হওয়া ভোটকে বৈধ দেখানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। ফলাফল শিটে প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে ঘষামাজা করে জালিয়াতি করা হয়েছে।"সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ, কামারখন্দ উপজেলা আমির আবু ইউসুফ ও শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামীম রেজাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (ধানের শীষ) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট।এনআই
    শেরপুরে ব্যাংক কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার
    শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের সুলতানপুর মধ্যপাড়া এলাকায় সৈয়দ হুমায়ুন কবির বাবু নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় লোকজন তার মরদেহ একটি গাছে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেন।ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার দিবাগত রাতে তিনি গাছে চড়ে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা।ওসি সোহেল রানা বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”স্থানীয়রা জানান, হুমায়ুন কবির বাবু পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন।ইখা
    ধামইরহাটে কুকুরের মাংস বিক্রির অভিযোগ, কসাই পলাতক
    নওগাঁর ধামইরহাটে এমতাজুল ও দুলু নামক দুজন কসাইয়ের বিরুদ্ধে কুকুরের মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের মঙ্গলবাড়ী বাজারে খাসির গোস্ত বিক্রয়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। মুহুর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাংস উদ্ধার করে।স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবাড়ী বাজারের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ের খাসির গোস্ত বিক্রেতা স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগি দুলু মৌলভী তার বাড়ী থেকে রেগুলার গোস্ত এনে বিক্রয় করেন। সকালে তার বাড়ীতে কুকুর ধরে জবাইয়ের ঘটনাটি স্থানীয়রা জানতে পেরে বাজারে বলাবলি করতে থাকলে দ্রুত গোস্ত ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যান কসাই এনতাজুল ও দুলু মৌলভী। ঘটনার পরে শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভীড় জমান।জাহানপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘প্রায় ২৫ কেজি জবাই করা কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলো অপসারণ করা হচ্ছে।’ধামইরহাট থানার ওসি মো. মোখলেছুর রহমান জানান, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে, আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।ইখা
    নাটোরে যুবদল নেতার চড়–থাপ্পড়ে হাসপাতালে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান
    নাটোরের সিংড়ায় এক যুবদল নেতার চড়–থাপ্পড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কালিগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত ব্যক্তির নাম আলতাব হোসেন আকন্দ। তিনি উপজেলার ১১ নম্বর ছাতারদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সহসভাপতি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে একই বাজার এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা শামীম হোসেনকে চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার লোকজন মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আট বছর পর শনিবার একই স্থানে সাবেক চেয়ারম্যান আলতাব হোসেনকে চড় ও কিল–ঘুসি মারেন শামীম হোসেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।অভিযুক্ত শামীম হোসেন বলেন, ২০১৭ সালে উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় তাকে মারধর করা হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি চড় দিয়েছেন বলে দাবি করেন।অন্যদিকে আলতাব হোসেন আকন্দ বলেন, তিনি কখনো শামীম হোসেনকে মারধর করেননি। তবে ২০১৭ সালে বাজার এলাকায় একটি ইসলামী জলসাকে কেন্দ্র করে কিছুটা হট্টগোল হয়েছিল বলে জানান তিনি।সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুন নূর বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইখা
    উল্লাপাড়ায় বিএনপি নেতার প্রতিষ্ঠানে হামলা–লুটপাটের অভিযোগ, জামায়াতের দুই নেতা গ্রেপ্তার
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির এক নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর জামায়াতের দুই ইউনিয়ন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল আলিম সরদার ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে গজাইল বাজারে উধুনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের দোকানে হামলা চালিয়ে মালামাল ভাঙচুর ও লুট করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তের দাবি, এতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পরাজয়ের পর জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল আলিম সরদার বলেন, বিএনপির লোকজনই আগে তাদের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছেন।উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।ইখা
    হবিগঞ্জের ৪ টি আসনেই বিএনপি প্রার্থীর জয় 
    হবিগঞ্জের ৪টি আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) প্রার্থীরা। এ জেলায় জামায়াত ও তার ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গী কোন দল কোন আসনে বিজয়ী হননি।বৃহস্পতিবার দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে ভোটগণনা করে রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।হবিগঞ্জ ১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী ড, রেজা কিবরিয়া ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকশা) পেয়েছেন ৫৬হাজার ২১শ ৩২ভোট।হবিগঞ্জ -২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বিএনপির ডা: আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান ধানের শীষ মার্কা ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ১১দলীয় জোটের দেয়াল ঘড়ি মার্কা আব্দুল বাছিত আজাদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৭৬২ ভোট।হবিগঞ্জ ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জি কে গউছ ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমেদ পেয়েছেন ৪৫হাজার ৫৬৮ ভোট পেয়েছেন।হবিগঞ্জ ৪ (মাধবপুর চুনারুঘাট) আসনে বিএনপির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি ঐক্য ফ্রন্টের গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন, ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট।এসআর
    সুনামগঞ্জের ৫ টি আসনে সবকয়টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি
    সুনামগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে নিকটতম ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের পরাজিত করে সবকয়টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।সুনামগঞ্জ ১ আসনে(তাহিরপুর,জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম ছিলেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী তোফায়েল আহমদ খান।সুনামগঞ্জ ২ আসনে(দিরাই -শাল্লা) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী। নিকটতম ছিলেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির।সুনামগঞ্জ ৩ আসনে(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ। নিকটতম রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র আনোয়ার হোসেন।সুনামগঞ্জ ৪(সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নূরুল ইসলাম নূরুল। নিকটতম রয়েছেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রতিকের নিয়ে মো. সামছ উদ্দিন।সুনামগঞ্জ ৫ আসনে(ছাতক দোয়ারা বাজার) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। নিকটতম রয়েছেন জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপালার প্রতিক নিয়ে আবু তাহির মোহাম্মদ আব্দুস সালাম। এবি 
    দিদি-মাসি বলে ভোট চায়, ভোটের পর পাওয়া যায় না
    “যখন নির্বাচন আসে তখন প্রার্থীরা আমাদের কাছে এসে দিদি-মাসি বলে ভোট চায়। তারা বলে, তোমাদের মজুরি বৃদ্ধি করে দেব, উন্নত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, সন্তানদের পড়ালেখার জন্য স্কুল করে দেব। ভোটের পরে আর তাদের পাওয়া যায় না। তারা আমাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে শুধু।” এভাবেই আপেক্ষ করছিলেন বাহুবলের রশিদপুর চা বাগানের শ্রমিক রীতা রাণী গোয়ালা। হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার দেউন্দি চা বাগানের সাবেক শ্রমিক সরদার আমোদ মালের কণ্ঠেও হতাশা। নির্বাচন ও ভোট তাদের কাছে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছাড়া কিছুই নয়।আমোদ মাল বলেন, “নির্বাচনে আসলে প্রার্থীরা আসেন, দেন নানা প্রতিশ্রুতি কিন্তু পরে আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না। তারা নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও বাস্তাবায়ন করেন না। আমাদের ভোটে নির্বাচিতদের জীবনে পরিবর্তন আসে। তাদেরকে ভোট দিয়ে আমাদের শিকলবন্দি জীবনে আসে না পরিবর্তন। সন্তানদের অনেক কষ্ট করে স্কুলে যেতে হয়। চা শ্রমিকের সন্তান হওয়ায় চাকরি পাওয়া কঠিন, এসব দেখার যেন কেউ নেই।”ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যারা আমাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন, তাদের ভোট দেব।”দেউন্দি চা বাগানের শ্রমিক পঞ্চায়েত নেতা কার্তিক বাকতির কথায় উঠে এল তারা আর ঠকতে চান না। এবার তারা এমন প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, যিনি তাদের জন্য কাজ করবেন। কার্তিক বাকতির ভাষ্য, ভোট এলে তাদের কাছে ধর্না ধরেন প্রার্থীরা। দাদা-দিদি, মেসো-মাসি ডেকে মন জয় করার চেষ্টা করেন। ভোটে নির্বাচিত হলে তাদের আর খোঁজ নিতে আসেন না। এজন্য এবার তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বুঝে-শুনে ভোট দেবেন। চা শ্রমিকরা জানান, বাগানে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭৮ টাকা ৫০ পয়সা। এ মজুরিতে সংসার চলছে না তাদের। ৫৪ বছরেও নিজেদের জীবনমান উন্নত হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। তারা জানান, নানা সময়ে দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে, পরিবর্তন আসেনি শুধু চা-শ্রমিকদের কষ্টের জীবনে।হবিগঞ্জ জেলায় ছোট ও বড় মিলিয়ে চা বাগানের সংখ্যা প্রায় ৪১টি। এসব বাগানের বাসিন্দা প্রায় দেড় লাখ। তাদের মধ্যে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় ৩২ থেকে ৩৫ হাজার শ্রমিক চা পাতা উত্তোলনে জড়িত। বাগানে কাজ না পেয়ে বাকিদের জীবিকার জন্য বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অর্থ উপার্জন করতে হচ্ছে। নির্বাচনের সময় তারাও এলাকায় ফেরেন। জেলার নবীগঞ্জ-বাহুবল উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-১ আসন। এখানে ভোটার আছেন ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯২১ জন। চুনারুঘাট-মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে ভোটার ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১১জন। এই দুই আসনে চা শ্রমিকদের ভোট প্রায় লক্ষাধিক। চা বাগানের শ্রমিকদের ভোট প্রার্থীদের জয়ের ব্যাপারে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, “উচুঁ নিচু টিলায় থাকা গাছ থেকে চায়ের সবুজ পাতা সংগ্রহ করেন শ্রমিকরা। এ পাতা ফ্যাক্টরিতে প্রক্রিয়াজাত হয়ে রপ্তানি হয়। দেশি-বিদেশি অর্থ পান বাগান মালিকরা। চা শ্রমিকদের নেই উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা। পদে পদে তারা বাধার মুখে পড়েন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা এগোতে পারছেন না। তাদের জীবনমানের পরিবর্তনে উদ্যোগ নেয় না তেমন কেউ। ভোটের সময় আসলে চা শ্রমিকদের ভোট আদায় করতে প্রার্থীরা নানা ধরনের স্বপ্ন দেখান, দেন প্রতিশ্রুতি। পরে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেন না কেউ। এনিয়ে চা বাগানের বাসিন্দাদের মনে অনেক কষ্ট। এবার তারা ভোট দিতে হিসাব নিকাশ করছেন।”তিনি বলেন, “দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে চা শিল্প। এই শিল্পকে নিখুঁত হাতের ছোঁয়ায় যুগের পর যুগ টিকিয়ে রেখেছেন চা শ্রমিকেরা। শুধু ভোট নয়, চা-শিল্পের সমৃদ্ধির জন্যও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা জরুরি।”বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার বলেন, “যদি বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে চা শ্রমিকদের জীবনমান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে।”হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুখলিছুর রহমান বলেন, “জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করবে।” হবিগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির রেজা কিবরিয়া (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র শেখ সুজাত মিয়া (ঘোড়া), ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকশা), জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ (মোটরগাড়ি), ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার)। হবিগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- বিএনপির সৈয়দ মো. ফয়সল (ধানের শীষ), ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি), ইসলামিক ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন (মোমবাতি), বাসদের মো. মুজিবুর রহমান (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি), মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন), স্বতন্ত্র মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ও এস এ সাজন (ফুটবল)। এসআর
    তাহিরপুরে ধানের শীষের প্রচারে বালিজুড়ী ইউনিয়নের ১১ ইউপি সদস্য
    সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের ১১ জন ইউপি সদস্য।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিনভর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ এবং ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন তারা। প্রচার কাজে অংশ নেন ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া, ইকবাল হোসেন, যোতিশ পাল, ইসমাইল হোসেন, মো. আলী নেওয়াজ, আজিজ মিয়া, কামাল হোসেন, খলিলুর রহমান, রোহেনা বেগম, মাহমুদা বেগম ও পারুল বেগম।সকালে আনোয়ারপুর বাজারে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বালিজুড়ী বাজারসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বাজার এলাকায় প্রচার কর্মসূচি চালানো হয়। পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রও পরিদর্শন করেন তারা।এ সময় ইউপি সদস্যরা ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিপুল ভোটে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার কথাও বলেন তারা।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রচারণা কর্মসূচি শেষ করেন ইউপি সদস্যরা।ইখা
    এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকদের শেষ মুহূর্তের প্রচার তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও নিরাপত্তা বিষয়ক সহ-সম্পাদক।শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বড়লেখার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।এর আগে ওইদিন রাত পর্যন্ত তিনি দলের জেলা নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান এবং ট্রাক প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন।সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজার-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠুসহ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, গণঅধিকার পরিষদের একজন তরুণ প্রার্থী হিসেবে তিনি দিন-রাত নির্বাচনি মাঠে কাজ করেছেন। এই সময়ে তিনি উপলব্ধি করেছেন, এলাকার মানুষ পরিবর্তনের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন। এজন্য তিনি ভোটার ও সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, বড়লেখা ও জুড়ীর ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।আব্দুন নুর জানান, দলের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরের বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠুকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এ সময় তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন। আব্দুন নুর বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্র দখলের ঘটনায় জড়িত একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছিলেন। ওই ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা তাকে নিয়মিত হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এমনকি তার নিজ এলাকার ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন আব্দুন নুর।তিনি বলেন, নিজের জীবনের ঝুঁকি সম্পর্কে তিনি সচেতন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সে দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। তবে জীবনের পরোয়া না করেই মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি অতীতেও ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন বলে জানান তিনি। এফএস

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    মাদুরোকে অপহরণে অ্যানথ্রপিকের এআই ‘ক্লড’ ব্যবহার
    চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। শাসরুদ্ধকর ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’ পরিচালনায় অ্যানথ্রপিকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল ‘ক্লড’ ব্যবহার করেছে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স। অভিযানে বিষয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে বলা হয়, মার্কিন প্রতিরক্ষা ও ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ঠিকাদার প্যালান্টির টেকনোলজিস্টের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ক্লড ব্যবহার করা হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানের পর অ্যানথ্রপিকের এক কর্মী প্যালান্টিরের একজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চান, কীভাবে ক্লড ওই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে।অ্যানথ্রপিকই প্রথম পরিচিত এআই ডেভেলপার যাদের প্রযুক্তি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একটি গোপন অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে ক্লড ঠিক কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে-তা এখনো স্পষ্ট নয়।উল্লেখ্য, এই এআই মডেলটি পিডিএফ বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে স্বয়ংক্রিয় ড্রোন পরিচালনায় সহায়তার মতো বিভিন্ন কাজে সক্ষম।অ্যানথ্রপিকের একজন মুখপাত্র অভিযানে ক্লড ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।তিনি বলেন, বেসরকারি খাত বা সরকারি সংস্থায়—ক্লডের যেকোনো ব্যবহার আমাদের ব্যবহার নীতিমালার আওতায় হতে হবে। আমরা আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করি যাতে নীতিমালা অনুসরণ নিশ্চিত করা যায়।এই ঘটনা সামরিক ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।এবি 
    নতুন করে ফ্রান্সে শুরু হল এপস্টেইন ফাইল তদন্ত
    জেফরি এপস্টেইন মামলার রেশ ধরে ফ্রান্সে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এপস্টেইন সংক্রান্ত অপ্রকাশিত গোপন নথিগুলো জনসমক্ষে আসার পর সেখানে নতুন কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে, যার ভিত্তিতে ফরাসি প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। মূলত এই নথিপত্রগুলোতে এমন কিছু ফরাসি নাগরিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম উঠে এসেছে, যারা এপস্টেইনের যৌন পাচার চক্র বা তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ফোর্বসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফরাসি প্রসিকিউটররা এখন খতিয়ে দেখছেন যে ফ্রান্সের মাটিতে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের ওপর যৌন নির্যাতন বা পাচারের ঘটনা ঘটেছিল কি না।এর আগেও ২০১৯ সালে এপস্টেইনের মৃত্যুর পর ফ্রান্সে একটি তদন্ত শুরু হয়েছিল, বিশেষ করে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী জঁ-লুক ব্রুনেলের কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। ব্রুয়েল নিজেও কারাগারে থাকা অবস্থায় মারা যান। তবে নতুন করে প্রকাশিত এই ফাইলগুলো তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।  তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই নথিগুলোতে নতুন ভুক্তভোগী এবং সম্ভাব্য অপরাধীদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে, যা আগে অজানা ছিল। ফলে ফরাসি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এখন আন্তর্জাতিক স্তরে সমন্বয় করে এই অপরাধ চক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে কাজ শুরু করেছে।এই তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্যারিসে এপস্টেইনের মালিকানাধীন বিলাস বহুল অ্যাপার্টমেন্ট এবং সেখানে হওয়া বিভিন্ন গোপন আয়োজন। ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি এবং নতুন নথির তথ্যগুলো মিলিয়ে দেখে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স সরকার। এপস্টেইন মারা গেলেও তার অপরাধের জালে আটকে থাকা রাঘববোয়ালদের মুখোশ উন্মোচন করতেই এই নতুন তদন্তের পরিধি বাড়ানো হয়েছে।সূত্র: ফোর্বস।এইচএ
    ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন
    যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো যখন অভিভাসীবিরোধী নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখন অভিবাসীবান্ধব পদক্ষেপ নিচ্ছে ইউরোপের দেশ স্পেন।স্পেনে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সে দেশের সরকার। এর ফলে অন্তত পাঁচ লাখ অবৈধ অভিবাসী উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।স্পেন সরকার ঘোষণা করেছে যে, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিয়মিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই পদক্ষেপের আওতায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা অনেকেই নিয়মিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং পাসপোর্ট ইস্যুতে দীর্ঘসূত্রতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী এই সুবর্ণ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।স্পেন সরকার সম্প্রতি ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিয়মিত করার ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ স্পেনের অভিবাসী ইতিহাসে একটি বড় ঘটনা এবং স্পেনসহ ইউরোপের অন্য দেশগুলোর জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়াবে। ২০০১ ও ২০০৫ সালে স্পেনে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হলেও, ২০২৬ সালের আগে এ রকম সহজ শর্তে অভিবাসীদের নিয়মিত করার সিদ্ধান্ত আগে কখনো নেওয়া হয়নি।স্পেনের এই উদ্যোগে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা, যাদের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই সুযোগ থেকে উপকৃত হতে পারবেন। তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫–এর আগে যারা স্পেনে প্রবেশ করেছেন, শুধু তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন।স্পেনের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া যদিও সহজ শর্তে, তবে এর জন্য আবেদনকারী প্রবাসীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং পাসপোর্ট ইস্যু দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্য সরকারি দপ্তরের কাজের গতি খুব ধীর হওয়ায় প্রবাসীরা এই প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করতে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন। পাসপোর্ট নবায়ন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ইস্যুর প্রক্রিয়ায় দেরির কারণে অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী যথাসময়ে আবেদন করতে পারছেন না, যা তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে যদি সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তারা এই সুযোগ হারাবেন। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উচিত, পাসপোর্ট নবায়ন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা, যাতে প্রবাসীরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।বাংলাদেশি প্রবাসীরা তাদের সঠিক ডকুমেন্টেস সম্পন্ন করতে স্পেন সরকারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাস স্পেনকে আরও কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে।স্পেন সরকার জানিয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হবে এবং শেষ তারিখ হবে ৩০ জুন ২০২৬। আবেদনকারীদের জন্য কোনো কাজের কন্ট্রাক্ট লাগবে না, শুধু পাসপোর্ট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রমাণপত্র যথাযথভাবে জমা দিতে হবে।বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি আল মামুন বলেন, কারও প্রলোভনে পড়ে আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এখনো চূড়ান্ত বুলেটিন আসেনি, তখনই আপনারা সঠিক তথ্য পাবেন।অ্যাসোসিয়েশন ভালিয়ান্তে বাংলার সভাপতি ফজলে এলাহী বলেন, স্পেনের এই নিয়মিতকরণ পদক্ষেপ বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য একটি বিরল সুযোগ, তবে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এটি অনেকেই হারাতে পারেন। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাস স্পেনকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।মাদ্রিদের বাইতুল মোকাররম জামে মসজিদের সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার বলেন, যদি এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়, তবে স্পেনের অভিবাসী নিয়মিতকরণের এই উদ্যোগ বাংলাদেশিদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। মাদ্রিদে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমি সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি, সবাই আন্তরিকভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের সর্বাত্মক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে দূতাবাস এবং কমিউনিটির সমন্বয় করা উচিত বলে মনে করেন অভিজ্ঞ কমিউনিটি ব্যক্তিত্বরা।এবি 
    বিএনপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আসার সম্ভাবনা নেই মোদির
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ আঞ্চলিক অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।তবে বিএনপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আসার সম্ভাবনা নেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির। সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারতে আসবেন। ওইদিন মুম্বাইয়ে মোদি ও ম্যাক্রোঁর বৈঠকের কথা আছে।ম্যাক্রোঁ পরবর্তীতে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে এআই ইমপেক্ট সম্মেলনে অংশ নেবেন। তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করে নিজ দেশে ফিরে যাবেন।শপথে তাহলে কে আসবেন?হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের উচ্চপদস্থ কেউ অংশ নেবেন। এরমধ্যে ভাইস-প্রেসিডেন্ট অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছাবাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিএনপি প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।পোস্টে মোদি লিখেছেন, ‌‌‘‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন থাকা দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আমি উভয় দেশের জনগণের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’’সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমসএবি 
    সাইবেরিয়ায় তেলের বড় খনির সন্ধান পেয়েছে রাশিয়া
    নিজেদের বৃহত্তম প্রদেশ সাইবেরিয়ার ইয়ামাল উপদ্বীপে জ্বালানি তেলের বড় একটি খনির সন্ধান পেয়েছে রাশিয়া। নতুন এ খনিটি গত ৩০ বছরের মধ্যে সাইবেরিয়ায় প্রাপ্ত খনিগুলোর মধ্যে বৃহত্তম।রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব তেল উত্তোলন কোম্পানি গ্যাজপ্রম নেফ্ট গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য।ইয়ামাল উপদ্বীপটি উত্তর মেরুর আর্কটিক অঞ্চলের কাছাকাছি। উপদ্বীপের বড় অংশই পুরু বরফে ঢাকা থাকে প্রায় সারা বছর। সেই বরফে ঢাকা এলাকাতেই সন্ধান পাওয়া গেছে খনিটির। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খনিটিতে কমপক্ষে ৫ কোটি ৫০ লাখ টন তেলের মজুত আছে।ইয়ামাল উপদ্বীপটি সাইবেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। সাইবেরিয়ার এই অঞ্চলটি তেল এবং গ্যাসে বেশ সমৃদ্ধ। শুক্রবারের বিবৃতিতে গ্যাজপ্রম নেফ্ট জানিয়েছে প্রায় তিন বছর ধরে টু-ডি এবং থ্রি-ডি সিসমিক, জিওলজিক্যাল এবং হাইড্রোনেমিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধান চালানোর পর সন্ধান মিলেছে এই খনির।গ্যাজপ্রম নেফ্টের নির্বাহী বোর্ডের চেয়ারম্যান আলেক্সান্দার দিউকভ রুশ সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে-কে বলেন, “ইয়ামাল উপদ্বীপে যে খনিটির সন্ধান আমরা পেয়েছি, গত ৩০ বছরের মধ্যে এত বড় খনির সন্ধান এ অঞ্চলে পাওয়া যায়নি। আমাদের ধারণা, সাইবেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে এমন আরও তেল ও গ্যাসের খনি রয়েছে, যেগুলোর সন্ধান আমরা পাইনি। তাই দক্ষিণ সাইবেরিয়ায় আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।উল্লেখ্য, ১ কোটি ৭০ লাখ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশ রাশিয়ায় স্থলভাগে এবং সাগরে বেশ কয়েকটি তেলের খনি রয়েছে। যেসব তেলের খনিতে ৩ কোটি থেকে ৩০ কোটি টন তেলের মজুত রয়েছে, সেগুলোকে বড় খনি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া।সূত্র : আরটিএবি 
    তারেক রহমানের শপথে শেহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা
    বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ এক নেতা বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে অতিথিদের বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।তবে শপথের সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং অতিথি তালিকা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। এদিকে, একই দিনে বিএনপির একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার মাঝে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি।এতে বলা হয়েছে, ঢাকায় তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণের প্রস্তুতি চলছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মূল আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় থাকবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিএনপি প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।পোস্টে মোদি বলেন, ‌‌‘‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’এছাড়া একই দিনে (শুক্রবার) পো‌স্টে দেওয়া পোস্টে তা‌রেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমাদের ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও দক্ষিণ এশিয়া, তার বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের আমাদের যৌথ লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ।সূত্র: বিবিসি বাংলা, ইন্ডিয়া টুডেএবি 
    নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে মহাসড়কে নামল উড়োজাহাজ
    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বহনকারী একটি উড়োজাহাজ জাতীয় সড়কে অবতরণ করেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে মডেলের প্লেনটি সবাইকে একপ্রকার অবাক করে দিয়েই মোদীকে নিয়ে আসামের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অবতরণ করে। তবে এটা কোনো চিরাচরিত জরুরি অবতরণ নয়। ‘ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি (ইএলএফ)’ হিসেবে তৈরি করা সড়কটির সক্ষমতার যাচাইয়ে এই কাণ্ড ঘটায় ভারতীয় বিমান বাহিনী।জানা যায়, মোরান বাইপাসের ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ শক্তিশালী অংশটিকে এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে এটি বিকল্প রানওয়ে হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর আগে মোদী এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে জরুরি অবতরণের এই সুবিধা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।প্রায় ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত ইএলএফটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান ও পরিবহন বিমানের জন্য একটি কৌশলগত, বহুমুখী রানওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই সুবিধায় ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান ও ৭৪ টন সর্বোচ্চ ওজনের পরিবহন বিমান অবতরণ করতে পারবে। এটি সামরিক ও বেসামরিক- উভয় উদ্দেশ্যে ব্যবহারের উপযোগী ও জরুরি পরিস্থিতিতে দিঘরুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করতে পারে।ভারতের প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটি ২০২১ সালে রাজস্থানের বার্মের জেলায় চালু হয়েছিল। আসামের এই নতুন ইএলএফ বিশেষত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপূর্ব অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।অবতরণের পর নরেন্দ্র মোদী প্রায় ৪০ মিনিটের এক বর্ণিল এয়ার শো উপভোগ করেন, যেখানে অংশ নেয় তেজস, সুখোই ও রাফালে যুদ্ধবিমান।এমআর-২
    দেড় লাখ আফগানিকে ফেরত পাঠালো পাকিস্তান ও ইরান
    পাকিস্তান ও ইরান থেকে চলতি বছরে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার আফগান নাগরিক দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এত বিপুল ও দ্রুত প্রত্যাবর্তন আফগানিস্তানকে আরও গভীর সংকটে ঠেলে দিচ্ছে।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।ইউএনএইচসিআরের আফগানিস্তান প্রতিনিধি আরাফাত জামাল জেনেভায় জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার আফগান ইরান ও পাকিস্তান থেকে ফিরে এসেছেন। কাবুল থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, তীব্র শীত, তুষারপাত ও হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রার মধ্যে এত মানুষের ফিরে আসা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৫ সালে ইতোমধ্যে ২৯ লাখ মানুষ দেশে ফিরেছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট প্রত্যাবর্তনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লাখে।সংস্থাটির মুখপাত্র বাবর বালুচ বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রত্যাবর্তনের হার ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত বছর এ সময়ে সংখ্যা ছিল এক লাখের কিছু কম।দশকের পর দশক আফগান শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পর সম্প্রতি পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে কড়াকড়ি বাড়িয়ে ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রম জোরদার করেছে। ফলে লাখ লাখ মানুষ এমন এক দেশে ফিরছেন, যেখানে দারিদ্র্য, মানবাধিকার সংকটে নাজুক অর্থনীতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব বিদ্যমান।জামাল বলেন, ইউএনএইচসিআরের জরিপ অনুযায়ী অনেক পরিবারের সদস্যদের নাগরিক নথিপত্র নেই এবং ৯০ শতাংশের বেশি পরিবার দৈনিক ৫ ডলারেরও কম আয়ে জীবনযাপন করছে। তিনি আরও জানান, অনেকে টেকসই জীবিকা গড়তে না পেরে আবার দেশ ছাড়ার কথাও ভাবছেন।বর্তমানে ইউএনএইচসিআর পুনর্বাসন ও পুনঃএকীভূতকরণ কার্যক্রমে জোর দিচ্ছে। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, এ বছর বাস্তুচ্যুত ও প্রত্যাবর্তনকারীদের সহায়তায় ২১ কোটি ৬০ লাখ ডলার প্রয়োজন হলেও এখন পর্যন্ত তহবিলের মাত্র ৮ শতাংশ সংগ্রহ হয়েছে।জামাল বলেন, দীর্ঘ নির্বাসনের পর নিজ দেশে ফিরে আসা আফগানদের জন্য টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার এখনই গুরুত্বপূর্ণ সময়।এমআর-২
    ইরানে শাসক পরিবর্তনই সেরা সমাধান, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
    ইরানে সম্ভাব্য শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শিগগিরই ‌‘‘অসাধারণ ক্ষমতা’’ দেখা যাবে। এদিকে, ইরানে ওপর চাপ তৈরি করার লক্ষ্যে ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে পেন্টাগন।ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিতর্ক নিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টার মাঝেই ট্রাম্পের কঠোর সামরিক পদক্ষেপের এই হুঁশিয়ারি এসেছে।এই বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার জেনেভায় ইরানের সঙ্গে এক বৈঠকে বসবেন মার্কিন কূটনীতিক স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। ওই বৈঠকে ওমানের প্রতিনিধি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। একই দিনে ইউক্রেনে যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মার্কিন প্রতিনিধিরা।ইরানে শাসন পরিবর্তন চান কি না, সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, মনে হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে ভালো বিষয়; যা ঘটতে পারে। তবে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটলে দেশটি কারা নিয়ন্ত্রণ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘‘লোকজন আছে।’’নর্থ ক্যারোলিনায় সামরিক এক অনুষ্ঠানের পর ট্রাম্প বলেন, ৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথা বলছে। এসময় আমরা অনেক জীবন হারিয়েছি; পা, হাত, মুখও হারিয়েছে মানুষ। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এগোচ্ছি।ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা বন্ধ এবং ইরানি জনগণের প্রতি সরকারের দমন-পীড়নের মতো বিভিন্ন ইস্যুকে পারমাণবিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে চায় ওয়াশিংটন। ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচিতে লাগাম টানার বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে। তবে তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে আলোচনায় যুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।  ট্রাম্প বলেন, যদি কোনও চুক্তি না হয়, তাহলে তিনি ইরানের ওপর হামলা চালাতে পারেন। তেহরানও পাল্টা হামলার হুমকি দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর একযোগে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, পারমাণবিক স্থাপনাতে এখন যা বাকি আছে তা কেবল ‘‘ধুলোবালু’’। তিনি বলেন, যদি হামলা চালানো হয়, তাহলে এটি মিশনের সবচেয়ে ছোট অংশ হবে। কিন্তু ইরানের হাতে যা বাকি আছে, তার সবটুকুই ধ্বংস করা হবে।যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছেন, সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াটি জটিল। তবে বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড মধ্যপ্রাচ্যে আব্রাহাম লিনকন ক্যারিয়ারের সঙ্গে যুক্ত হবে। এর সঙ্গে থাকবে বিভিন্ন ধরনের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমান। জেরাল্ড আর. ফোর্ড সম্প্রতি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।এমআর-২
    ফের ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
    ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী হামলা চালানোর সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার নির্দেশ দিলেই এ অভিযান শুরু হবে। পরিস্থিতি সেই পর্যায়ে গেলে এটি দুই দেশের মধ্যে আগে দেখা যে কোনো সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর রূপ নিতে পারে।পরিকল্পনার গোপনীয়তার কারণে ওই কর্মকর্তারা নিজেদের নাম প্রকাশ করেননি। তবে এই খবর বাইরে আসা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গত সপ্তাহে ওমানের মাসকাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। তবে এর আগে থেকেই ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি জোরদার করেছে, যা নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।শুক্রবার মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এছাড়া হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান, গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা সক্ষম অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হচ্ছে।শুক্রবার নর্থ ক্যারোলিনার একটি ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, কখনো কখনো ভয় দেখাতে হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এটাই একমাত্র কার্যকর উপায়। সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ইরানকে ঘিরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব বিকল্পই খোলা রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, তিনি যে কোনো ইস্যুতে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি শোনেন, তবে দেশের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে ভালো যেটি সেটি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।যদিও পেন্টাগন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছিল এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। তবে গত জুন মাসের ‘মিডনাইট হ্যামার’ অভিযান ছিল একক মার্কিন হামলা, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড্ডয়ন করা স্টেলথ বোমারু বিমান ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানে। জবাবে ইরান কাতারে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে সীমিত পাল্টা হামলা চালায়। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, এবার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল। একজন কর্মকর্তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী শুধু পারমাণবিক অবকাঠামো নয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত স্থাপনায়ও হামলা চালাতে পারে।তবে এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে কোনো তথ্য দিতে অস্বীকার করেছেন ওই মার্কিন কর্মকর্তা।এমআর-২

    বিনোদন

    সব দেখুন
    জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারালেও এবার মেয়র হতে চান মেঘনা আলম
    জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারিয়ে এবার মেয়র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত মডেল মেঘনা আলম। এবার ঢাকা-৮ আসন থেকে ‘ট্রাক’ প্রতীকে নির্বাচন করে ৬০৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান তিনি; কিন্তু এক দিন না যেতেই তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন।বিবৃতিতে মেঘনা বলেন, ‘এটি শেষ নয়, দীর্ঘমেয়াদি যাত্রার শুরু। ১১ বছর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছি। জাতীয় রাজনীতিতে আমার অভিষেক হয়েছে ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাধ্যমে। এবার মেয়র নির্বাচনের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।’নিজের প্রচারণা নিয়ে তিনি জানান, তার ছিল না কোনো বিলবোর্ড, বড় ক্যাম্প বা ব্যয়বহুল প্রচারণা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত প্রচারও করেননি। মাত্র তিন দিন এলাকায় হেঁটে মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন।তার ভাষ্য, ‘এই ৬০৮ ভোট এসেছে সততা থেকে, মানুষের সাথে সরাসরি সংযোগ থেকে। অন্যরা মাসের পর মাস প্রচারণা চালিয়েও যে স্বীকৃতি পান না, আমি তা পেয়েছি সীমিত সময় ও শূন্য খরচে। সময় ও অর্থ পেলে ৬০৮ ভোট হয়তো ৬০ হাজারেও পৌঁছাত।’ মেঘনা আরো জানান, তার দল গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির সাথে সমন্বয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি বিএনপির পোলিং এজেন্ট সহায়তা নেননি নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখার জন্য।সবশেষে তিনি বলেন, রাজনীতি অর্থ আর আড়ম্বরের খেলা নয়; এটি সাহস ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার জায়গা। ‘যে নারী ভয় পেয়ে দমে যায় না, তাকে থামানো যায় না। একদিন শহর, হয়তো দেশও বদলে দেবেন’- এমন আত্মবিশ্বাসী বার্তাও দেন তিনি।এফএস
    প্রথম ভোট নিয়ে তারকাদের উচ্ছ্বাস
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও শামিল হয়েছেন এই গণতান্ত্রিক আয়োজনে। এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন অনেক নতুন মুখ। তাদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল, চিত্রনায়িকা জান্নাতুল ঐশী, অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান ও তমা মির্জা।অভিনয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা এই তিন তরুণ তারকার কাছে প্রথম ভোট কেবল নাগরিক দায়িত্ব নয়, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে নিজের মত প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।সুনেরাহ বিনতে কামাল: ঢাকার ভোটার সুনেরাহ বিনতে কামাল রাজনীতির জটিল হিসাব-নিকাশে না গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা তুলে ধরেছেন। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি রাজনীতির এত কিছু বুঝি না। তবে আমার দেশটা ভালো থাকুক, সেটাই চাই। একজন সাধারণ নাগরিকের জীবনে স্বস্তি আসুক, মানুষ মানসিকভাবে শান্তিতে থাকুক।” তিনি আরও প্রত্যাশা করেন, দেশে শৃঙ্খলা ফিরুক এবং সৃজনশীল খাতসহ সব সেক্টর এগিয়ে যাক।জান্নাতুল ঐশী: পিরোজপুরে বাড়ি হলেও জান্নাতুল ঐশী ভোট দেবেন ঢাকায়। দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “নির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের বহু প্রত্যাশা নেই, কিন্তু আমাদের স্বস্তি দরকার, শান্তি দরকার। সংবিধানমতো দেশ চলুক, সেটাই চাই।”বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই চিত্রনায়িকা।সাদিয়া আয়মান: বরিশালের ভোটার সাদিয়া আয়মান অগ্রাধিকার দিয়েছেন নিরাপত্তাকে। তিনি বলেন, “প্রথমত নিরাপদ দেশ চাই। সবাই যেন নিরাপদে থাকেন, নিরাপদে চলাচল করতে পারেন-এটাই প্রত্যাশা।”আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি যোগ করেন, “দিন শেষে আমরা তো মানুষ, তাই জীবনের নিরাপত্তাই সবার আগে।” তমা মির্জা: অভিনেত্রী তমা মির্জা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের নাগরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের ভোটারদেরকেও উৎসাহ দিয়েছেন।তমা মির্জা বলেন, ‘আমি আগে কখনও ভোট দিইনি। আজকে জীবনের প্রথমবার ভোট দিলাম। যারা এখনো ভোট দেননি, দয়া করে ভোট দিতে চলে আসুন। ভোট আমাদের অধিকার। এই অধিকার সবারই প্রয়োগ করা উচিত।’ তিনি আরও জানান, ‘আমি চাই যে ইন্ডাস্ট্রিতে আমি কাজ করি, সেটি সঠিকভাবে কাজ করুক। যারা সরকার হয়ে ক্ষমতায় আসবে, তারা যেন শিল্পী ও বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির কল্যাণের দিকে খেয়াল রাখে। এটি আমার প্রত্যাশা।’তমা মির্জা দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় মহানগর কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। ভোট প্রদানকালে তিনি বলেন, দেশের জন্য ভোটদান শুধু অধিকার নয়, এক ধরনের দায়িত্বও। প্রত্যেক নাগরিককে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে যাতে দেশ সঠিক পথে এগোতে পারে। তিনি নতুন ভোটারদের জন্য উদাহরণ হিসেবে বলেছেন যে ভোটদান একটি উৎসবের মতো অভিজ্ঞতা হতে পারে। তিনি মনে করান, নির্বাচনের দিন এক ধরনের একত্রিত হওয়ার অনুভূতি তৈরি করে এবং এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করে।  প্রথম ভোটের উত্তেজনায় উচ্ছ্বসিত এই তিন অভিনেত্রীর কথায় স্পষ্ট-তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা শান্তি, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ।এইচএ
    বান্দার কঠিন সময়গুলোতে শুধু আমাদের রব থাকবেন: সালমা
    ব্যক্তিগত জীবনে বেশ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তার দ্বিতীয় স্বামী আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরে। বিচ্ছেদের এই ধকল সামলাতে গিয়ে তীব্র একাকিত্বে ভুগছেন ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ খ্যাত এই তারকা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি জানালেন নিজের বর্তমান মানসিক অবস্থার কথা।বিচ্ছেদের যন্ত্রণার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার ওপর অগাধ বিশ্বাস রেখেছেন সালমা। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “মাঝে মাঝে আল্লাহ তায়ালা আমাদের একা করে দেন, পুরোপুরি একা। ঠিক সেই মুহূর্তে আমরা বুঝি এই দুনিয়ায় আমরা যাদের বাঁচাতে চেয়েছি, যাদের আপন ভেবেছি, নিজের থেকেও যাদের ওপর বেশি ভরসা করেছি, তারা কেউই পুরোপুরি আমাদের নয়। কেউ না।”জীবনের এই দুঃসময়ে তিনি নবী-রাসুলদের পরীক্ষার উদাহরণ টেনেছেন। নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে সালমা লিখেছেন, “ইউনুস আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য গভীর সমুদ্রে মাছের পেটে যেমন কেউ ছিল না, বিবি হাজেরার জন্য জনশূন্য মরুভূমিতে যখন কেউ ছিল না, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া শিশু মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশেও কেউ ছিল না। সর্বদা মনে রাখবেন, বান্দার কঠিন সময়গুলোতে শুধু আমাদের রব ছিলেন, তিনি আছেন এবং শেষ পর্যন্ত শুধু তিনিই থাকবেন।”প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের শেষদিনে পারিবারিকভাবে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সালমা। পরের বছর জানুয়ারিতে ধুমধাম করে স্বামীকে গণমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাত বছরের মাথায় এসে সেই সংসারও টিকল না। এর আগে ২০১১ সালে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সালমা। তাদের সংসারে স্নেহা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে বনিবনা না হওয়ায় সেই সংসারেরও ইতি ঘটেছিল।এইচএ
    সৌদি বিমানবন্দরে পূর্ণিমাকে দেখে তরুণের কাণ্ড
    ওমরাহ পালন করতে কিছুদিন আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। সেখানের একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। গতকাল একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি।ভিডিওটিতে দেখা যায়, সৌদিতে অবস্থানকালে বিমানবন্দরে এক যুবকের মুখোমুখি হন পূর্ণিমা।সেখানে কথা বলার এক পর্যায়ে ওই যুবক পূর্ণিমাকে উদ্দেশ্য করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘চেহারা দেখে তো একদম পূর্ণিমা আপুর মতো লাগছে।’  সরাসরি নিজের প্রশংসা শুনে স্বভাবসুলভ হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া জানান এই অভিনেত্রী। মজার ছলে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমাকেও সবাই বলে, আমার চেহারা নাকি দেখতে পূর্ণিমার মতো লাগে।’তাদের এই কথোপকথনের ভিডিওটি সামাজিক  মাধ্যমে আসার পর থেকেই অনুরাগী ও সাধারণ নেটিজেনরা বেশ উপভোগ করছেন।মন্তব্যের ঘরে কেউ কেউ বলছেন, চিরযৌবনা এই নায়িকার চেহারার উজ্জ্বলতা যেন সময়ের সঙ্গে আরও বাড়ছে। ইবাদতের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। সেখান থেকে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকাই সিনেমার অন্যতম এই শীর্ষ নায়িকা দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন।বর্তমানে সিনেমার কাজ কমিয়ে দিলেও বিশেষ বিশেষ কাজ ও অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় তাকে প্রায়ই দেখা যায়।এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
    দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠানোর বাধা শেষ হলো আজ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা চার দিনের জন্য সীমিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি অর্থ পাঠাতে পারেননি। ফলে অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরও বন্ধ রাখা হয়।সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা বহাল ছিল। এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করার সুযোগ ছিল।এবি 
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    আসন্ন পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ
    ভোট উৎসবে যমুনা সেতুতে একদিনে পৌনে ৩ কোটি টাকার টোল আদায়
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ, যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানবাহনের অভূতপূর্ব চাপ।  গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৩৬ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে মোট ২ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। দুই ঈদ উৎসবের সময়কাল বাদ দিলে সাধারণ সময়ে এটি যমুনা সেতুর ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের টোল ম্যানেজার প্রবীর কুমার ঘোষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।যমুনা সেতু সাইট অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ২৩ হাজার ৯৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী লেনে পারাপার হওয়া ১২ হাজার ৯৩৪টি যানবাহন থেকে সেতু কর্তৃপক্ষের তহবিলে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা টোল জমা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের বাড়ি ফেরার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যান চলাচলের হার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।যানবাহনের এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরো এলাকাটি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটলা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। ঘরমুখো মানুষের এই স্রোত আজ বুধবার সারাদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নির্বাচনের দিন যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অধিকাংশ মানুষ আজ বিকেলের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য অতিরিক্ত বুথ সক্রিয় রাখা হয়েছে। মহাসড়কের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও যানবাহনের সংখ্যার কারণে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা এবং জেলা পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে যাতে ভোটাররা সঠিক সময়ে তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছাতে পারেন।এইচএ
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    এবারের পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।এতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এমআর-২
    এবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।নতুন চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।চুক্তি স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।এর আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শুল্কহ্রাসের আশা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছিলাম যে আরও কত কমানো যায়। আশা করছি ৯ তারিখে যে চুক্তি হবে, তাতে তা (শুল্কহার) কমবে। তবে কতটুকু কমবে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে চাচ্ছি না বা পারছি না। আমরা আলোচনার ভিত্তিতে তা দেখব।এফএস
    ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
    চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৫১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বা ৬১০ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৪ দিনে ১৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।তাছাড়া, জুলাই ২০২৫ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২০৭৮৭ মিলিয়ন (২০৭৮ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার এসেছে। জুলাই ২০২৪ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এসেছিল ১৭২৬৬ মিলিয়ন (১৭২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার।সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।এবি 
    দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
    দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বণের দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম ওই দিন সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবারও (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে স্বণ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় স্বণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।স্বণের নতুন দাম—২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকাসনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্বণেরর বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে।তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ 
    বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা পাঠানোর বাধা শেষ হলো আজ
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার অপব্যবহার ঠেকাতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা চার দিনের জন্য সীমিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদ-এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা একবারে এক হাজার টাকার বেশি অর্থ পাঠাতে পারেননি। ফলে অনেক গ্রাহক টাকা পাঠাতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরও বন্ধ রাখা হয়।সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা এমএফএস ও পিপিআই (প্রিপেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লেনদেনে বিশেষ সীমা বহাল ছিল। এ সময়ে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করার সুযোগ ছিল।এবি 
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    আসন্ন পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।এতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এইচএ
    ভোট উৎসবে যমুনা সেতুতে একদিনে পৌনে ৩ কোটি টাকার টোল আদায়
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ, যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানবাহনের অভূতপূর্ব চাপ।  গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৩৬ হাজার ৯২৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে মোট ২ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৬৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। দুই ঈদ উৎসবের সময়কাল বাদ দিলে সাধারণ সময়ে এটি যমুনা সেতুর ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের টোল ম্যানেজার প্রবীর কুমার ঘোষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।যমুনা সেতু সাইট অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ২৩ হাজার ৯৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী লেনে পারাপার হওয়া ১২ হাজার ৯৩৪টি যানবাহন থেকে সেতু কর্তৃপক্ষের তহবিলে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা টোল জমা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের বাড়ি ফেরার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যান চলাচলের হার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।যানবাহনের এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরো এলাকাটি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটলা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। ঘরমুখো মানুষের এই স্রোত আজ বুধবার সারাদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নির্বাচনের দিন যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় অধিকাংশ মানুষ আজ বিকেলের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য অতিরিক্ত বুথ সক্রিয় রাখা হয়েছে। মহাসড়কের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও যানবাহনের সংখ্যার কারণে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা এবং জেলা পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে যাতে ভোটাররা সঠিক সময়ে তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছাতে পারেন।এইচএ
    রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ
    এবারের পবিত্র রমজানে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি)।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন সময় অনুযায়ী, রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।এতে আরও বলা হয়, ফলে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে, এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে।সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয় এবং ব্যাংকের অফিশিয়াল কার্যাবলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান থাকে।রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এমআর-২

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    ছুটি শেষে যেদিন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
    দেশে অনুষ্ঠিত হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আজ ১৩ ও আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এর পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত (স্কুল–কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।সে হিসেবে টানা ৫ দিনের ছুটির পর আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরের প্রথম বড় ছুটি এটি। আর তালিকায় থাকা পঞ্চম ছুটি এটি। সবকিছু ঠিক থাকলে টানা ৫ দিন ছুটির পর আগামী সোমবার খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।একই সঙ্গে আগামী রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) টানা ৪ দিনের ছুটির পর খুলতে যাচ্ছে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা।এইচএ
    রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করা হয়েছে: সাদিক কায়েম
    রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, স্পষ্টতই মিডিয়া, এজেন্সি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে।বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে এ মন্তব্য করেন।পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর সন্ধ্যা থেকেই সারাদেশের বিভিন্ন আসনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের আচরণ হঠাৎ বদলে যায়। একইসাথে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে অনেক আসনে জনগণের রায় বদলানোর অপচেষ্টা করা হয়।এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-৮, ১৩, ১৭সহ দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল আটকে রেখে জনরায় বদলানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যার প্রমাণ স্পষ্ট। একইসাথে ঢাকা- ৪ ও ১৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরও স্থগিত করা হয়েছিল।সকল আসনের ফলাফল এখনও ঘোষণা করা না হলেও প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলকে ২০০+ আসনে বিজয়ী হয়েছে বলে প্রচার করে।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বলব, প্রতিটি আসনের সঠিক রেজাল্ট জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আরেকটি সাজানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে একটা দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা জুলাইয়ের শহীদদের স্পিরিটের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।এমআর-২
    নারী ভোটে বাজিমাত করবে জামায়াত: সাদিক কায়েম
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারী ভোটে বাজিমাত করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।পোস্টে তিনি লিখেন, নারী ভোটে বাজিমাত করবে জামায়াত। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গ্রামে-গঞ্জে নারীদের গণজোয়ার।এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট দিতে ফজরের নামাজ শেষ করেই কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন ভোটাররা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে। নারী, পুরুষ, তরুণ, প্রবীণ— সব বয়সি ভোটারদের উপস্থিতিতে অনেক কেন্দ্রেই তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ আবার প্রতিবেশীদের সঙ্গে এসেছেন।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সবশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচন বিতর্কের জন্ম দেয়। তাই সবার চোখ এবারের নির্বাচনে।এমআর-২
    পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি
    হঠাৎ করেই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিকাল ৩টায় ঘোষিত এই সংবাদ সম্মেলনকে ‘বিশেষ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে জনসংযোগের তরফে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে।জানা গেছে, উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এটি অনুষ্ঠিত হবে। রেজিস্ট্রার অফিস সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, এটি পূর্ব সিদ্ধান্ত নয়, হঠাৎ করেই জরুরি ভিত্তিতে সাংবাদিকদের ডাকা হয়েছে; যেখানে উপাচার্য নিজেই কথা বলবেন।এদিকে সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয় মহলে উপাচার্যের পদত্যাগের গুঞ্জন উঠেছে। এর আগেও উপাচার্যের বিদেশ সফরকে ঘিরে এই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। স্বভাবতই চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ক্যাম্পাস তথা শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট মহলে কৌতূহল বাড়ছে।যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগের গুঞ্জন নিছকই ‘গুজব’। তবে নির্বাচনের দুদিন আগে ঘোষিত এই সংবাদ সম্মেলনে ড. নিয়াজ তার উপাচার্য থাকা কিংবা না থাকার বিষয়টি পরবর্তী সরকারের ওপর ছেড়ে দেবেন। সে হিসেবে ‘সরকার যদি তাকে চান তবে থাকবেন; না চাইলে থাকবেন না’- এমন বক্তব্যও আসতে পারে জুলাই পরবর্তী এই উপাচার্যের পক্ষ থেকে। তবে ঠিক উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন; সেটি তিনি নিজেই জানেন।এইচএ

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    নিজের ফোনেই পাবেন ভোটের ফলাফল
    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে ঘরে বসেই এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল জানতে পারবেন-অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উভয়েই পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোডের পর ফোনে ইনস্টল করে অ্যাপটি ওপেন করতে হবে।অ্যাকাউন্ট বা লগইন প্রক্রিয়া: সাধারণত ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন করতে হয় না। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে অ্যাপটি আপনাকে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে ভোটের নথি, ভোটার স্ট্যাটাস এবং নির্বাচনী কেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।ভোটের ফলাফল দেখার ধাপক. নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনটি থাকবে। এখানে নির্বাচনের ধরন নির্বাচন করতে হবে (জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা, বা ইউনিয়ন নির্বাচন)। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।খ. কেস্টিং এবং ফলাফল: নির্বাচনি কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের লাইভ আপডেট দেখার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। ভোটের ভোটের সংখ্যা, প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভাগফল এবং ভোটের শতাংশ দেখা যাবে।গ. গ্রাফ এবং চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা: অ্যাপটি ফলাফলকে গ্রাফ বা চার্টে দেখায়, যাতে কোন প্রার্থী বা দলের অবস্থান সহজে বোঝা যায়। লাইভ আপডেটের ফলে ভোটের ধাপ ধাপে অগ্রগতি দেখা যাবে।এইচএ
    ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বাতিল করবেন যেভাবে
    নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে কিংবা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতে হলে অথবা বিক্রির আগে অবশ্যই মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনআইআর)’ সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।ফলে এখন থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধিত মুঠোফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিটিআরসি’র কল সেন্টার (১০০) অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।এমআর-২
    আইফোন বিক্রিতে নতুন রেকর্ড অ্যাপলের
    আইফোন বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে অ্যাপল। সর্বশেষ প্রান্তিকে আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৮৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটাই আইফোনের ইতিহাসে এক প্রান্তিকে সর্বোচ্চ আয়।২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানায় অ্যাপল। সব মিলিয়ে এ সময়ে কোম্পানির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬ শতাংশ বেশি।অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আইফোনের চাহিদা ছিল “অবিশ্বাস্যরকম বেশি”। তার ভাষায়, “এটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী আইফোন লাইনআপ।” তিনি আরও বলেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।তবে সাফল্যের পেছনে বড় বাধাও ছিল। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সিরি সংস্করণ চালু হতে দেরি হয়েছে। তারপরও বিক্রি কমেনি।আইফোন ১৭ সিরিজ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বেস মডেলেই দেওয়া হয়েছে আগে শুধু ‘প্রো’ সংস্করণে থাকা কিছু ফিচার। যেমন- অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে। এ ছাড়া রয়েছে বেশি রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন।‘আইফোন এয়ার’ মডেলের বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে- এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে সেটির প্রভাব মোট বিক্রিতে তেমন পড়েনি বলে ইঙ্গিত মিলেছে।তবে বাড়তি চাহিদার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। টিম কুক জানান, আইফোন ১৭–এর উচ্চ চাহিদার কারণে সরবরাহ কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সরবরাহে চাপ রয়েছে।অন্যদিকে অ্যাপলের সেবাভিত্তিক আয়ও বেড়েছে। অ্যাপল মিউজিক, আইক্লাউড, অ্যাপল টিভি প্লাসসহ বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ। তবে ম্যাক কম্পিউটার ও ওয়্যারেবল পণ্যের আয় কিছুটা কমেছে।এখন অ্যাপলের বড় লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী মাসগুলোতে সিরিতে আনা হবে নতুন এআই সুবিধা। এ কাজে গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে অ্যাপল। গুগলের জেমিনি এআই মডেলের বিশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা হবে সিরির উন্নত সংস্করণে।এ ছাড়া একটি এআই স্টার্টআপও কিনছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির নাম কিউ.এআই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে এ অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।এই স্টার্টআপের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের পেটেন্টে এমন প্রযুক্তির ইঙ্গিত আছে যা হেডফোন বা চশমায় ব্যবহার করা যাবে। মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নড়াচড়ার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হবে—এমন ধারণাও আছে।শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সিরিকে পুরোপুরি এআই চ্যাটবটে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আইফোন ও ম্যাক ডিভাইসের ভেতরেই থাকবে এই স্মার্ট সহকারী। শোনা যাচ্ছে, সিরির জন্য আলাদা এআইভিত্তিক ওয়েব সার্চ টুলও তৈরি করছে অ্যাপল।এইচএ
    কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
    কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দক্ষ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। চালু করা হয়েছে একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স। এর মধ্যে অনেক কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তি খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোর্স তৈরিতে যুক্ত রয়েছে। অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফট এ উদ্যোগে সহায়তা করেছে। মোট ১৪টি কোর্স শেষ করলে পাওয়া যাবে ভার্চুয়াল ব্যাজ।কোর্সগুলোতে শেখানো হবে এআই টুল ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। যেমন- চ্যাটবটকে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে হয়? প্রশাসনিক কাজের সহকারী হিসেবে এআই ব্যবহার, দ্রুত নোট লেখা, ইমেইল খসড়া তৈরি ও তথ্য গোছানো।সরকারের লক্ষ্য বড় হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। এ উদ্যোগকে ১৯৭১ সালে ওপেন ইউনিভার্সিটি চালুর পর সবচেয়ে বড় দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বলা হচ্ছে।যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তিমন্ত্রী লিজ কেন্ডাল বলেছেন, তাদের লক্ষ্য মানুষ যেন কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী হয়। পরিবর্তন থামানো যাবে না। তবে পরিবর্তনের ফল কী হবে, তা নীতিনির্ধারণেই ঠিক হয়। ঝুঁকি থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এআইয়ের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।তবে সমালোচনাও আছে। ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (আইপিপিআর) বলছে, শুধু চ্যাটবট ব্যবহার শেখালেই হবে না। কর্মীদের দরকার বিশ্লেষণী চিন্তা। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ। থাকতে হবে এআই নিরাপদভাবে ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস।সংস্থাটির গবেষক রোয়া পাওয়েল বলেন, এআই যুগের দক্ষতা ছোট টেকনিক্যাল কোর্সে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষকে বিস্তৃত দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে।ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস)–ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা বলছে, দায়িত্ব শুধু কর্মীদের নয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়েও প্রযুক্তি বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বোর্ড পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারকদেরও এআই সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।কোর্সগুলোর সময়সীমা ভিন্ন। কিছু কোর্স ২০ মিনিটের। কিছু আবার কয়েক ঘণ্টার। যুক্তরাজ্যের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক এতে অংশ নিতে পারবেন।এ উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা। এর মধ্যে আছে এনএইচএস, ব্রিটিশ চেম্বার্স অব কমার্স এবং লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। তারা তাদের কর্মী ও সদস্যদের অংশ নিতে উৎসাহ দেবে।এইচএ
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    পদত্যাগ নিয়ে বিভ্রান্তি, মুখ খুললেন আইজিপি
    চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে খবর বের হয়েছে সেটি সঠিক নয়। পদত্যাগ করেননি বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম নিজেই।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, আমি পদত্যাগ করিনি।এর আগে, বিকেল থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে বলা হয়, তিনি এরইমধ্যে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আইজিপি হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয় বাহারুল আলমকে।এফএস

    প্রবাস

    সব দেখুন
    দূর মরিশাস থেকেও নাড়ির টান: সাত মাদ্রাসার এতিমদের দায়িত্বে প্রবাসী আকাশ
    হাজার মাইল দূরের মরিশাসের ব্যস্ত কর্মজীবনও তাকে শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রমের ফাঁকে ফাঁকে তার মন পড়ে থাকে দেশের সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের কথা ভেবে। সেই নাড়ির টান থেকেই ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সাতটি মাদ্রাসার এতিমদের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন প্রবাসী যুবক আকাশ মিয়া।নিজের উপার্জনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি নিয়মিত ব্যয় করছেন এসব এতিমখানার জন্য। প্রতিমাসে চাল ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার পাশাপাশি তীব্র শীত থেকে শিশুদের রক্ষায় এবার পাঠিয়েছেন বিশেষ উপহার—নতুন কম্বল।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই উপজেলার সাতটি মাদ্রাসার এতিমখানায় প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে নতুন কম্বল পৌঁছে দেওয়া হয়। কনকনে শীতের সকালে উষ্ণ কম্বল পেয়ে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি আর আনন্দের হাসি।আকাশ মিয়া ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রাম এলাকার জাকির মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে মরিশাসের ঈশান কামিনী কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে কর্মরত। প্রবাসে থেকেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদ্রাসাগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে আসছেন।আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরের তাহফিজুল কুরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ ইমামুদ্দিন ও জাটিগ্রাম শাহ আরজানিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মারুফ বিল্লাহ বলেন, “আকাশ মিয়া নিয়মিত আমাদের মাদ্রাসায় চালসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পাঠান। ফলে এতিম শিশুদের খাদ্যসংকটের চিন্তা করতে হয় না। এবার শীতের সময় কম্বল পাঠিয়ে তিনি বাচ্চাদের প্রতি তার মমতার প্রমাণ দিয়েছেন।”কাশিয়ানীর পোনা মারকাযুল উলুম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম ও খায়েরহাট ছায়াদাতিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা নুরুজ্জামানও একই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে আকাশ মিয়া যেভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের সামর্থ্যবানরা এভাবে এগিয়ে এলে এতিমদের জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়।”নিজের এই মানবিক উদ্যোগ সম্পর্কে মুঠোফোনে আকাশ মিয়া বলেন, “আমি প্রবাসে থাকলেও আমার এলাকার এতিম শিশুদের কথা সব সময় মনে পড়ে। আল্লাহ আমাকে যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন, তা দিয়ে তাদের পাশে থাকতে চাই। তাদের মুখে হাসি দেখলেই আমার সব কষ্ট ভুলে যাই। এটা কোনো দান নয়, এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা।”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আকাশ মিয়ার মতো প্রবাসী ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তাহলে দেশের এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ ও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।ইখা

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    ঘাড় ব্যথা থেকে প্রতিকারের উপায়
    অনেকেরই ঘাড় ব্যথা একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান যুগে দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা, স্মার্টফোন ব্যবহারের আধিক্য এবং ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে এই সমস্যাটি সাধারণ মনে হলেও এটি কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এক সপ্তাহের বেশি ঘাড়ে ব্যথা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ঘাড় ব্যথা তীব্র হলে তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটায়, তাই সময়মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।চিকিৎসকদের মতে, ঘাড় ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা মাথা নিচু করে কাজ করা, যা ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, খেলাধুলার সময় চোট বা মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা যেমন স্পন্ডাইলোসিস এই ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত টানের ফলে সৃষ্ট মাসল স্প্যাজম যেমন কষ্টদায়ক হতে পারে, তেমনি সংক্রমণ, টিউমার বা আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও এই ব্যথার উৎস হতে পারে।ঘাড় ব্যথার লক্ষণ হিসেবে মূলত ঘাড়ে তীব্র বা হালকা ব্যথা, জ্বালাপোড়া অনুভব করা, ব্যথা হাতে বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়া এবং ঘনঘন মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।ঘাড় ব্যথার চিকিৎসা সাধারণত এর কারণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা পেশি শিথিলকারী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম ঘাড়ের পেশি শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর।এ ছাড়া ব্যথা কমাতে হিট বা আইস থেরাপি এবং মেরুদণ্ডের চাপ কমাতে ট্রাকশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন বা সবশেষে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।তবে প্রতিরোধের কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। দীর্ঘ সময় একভাবে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করার সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা এবং নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম করা জরুরি। পাশাপাশি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো যায়।নিজেই করুন প্রতিকার: প্রতিদিনকার রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে সাধারণ ঘাড় ব্যথার প্রতিকার করা যায়। বসে থাকার সময় আপনার মেরুদণ্ড যেন সরলরেখায় থাকে এবং কান সরাসরি আপনার কাঁধের ওপরে থাকে। দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ না করে এক ঘণ্টা পরপর ১০ মিনিট বিরতি নিন। যদি দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারে কাজ করেন, তবে উঠে পড়ুন, ঘুরে দেখুন এবং ঘাড় ও কাঁধ সামনে–পেছনে প্রসারিত করুন। কাজের টেবিল–চেয়ার ও কম্পিউটার এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যাতে মনিটর চোখের স্তরের সমান থাকে।  এইচএ 

    Loading…