এইমাত্র
  • ঈদুল আজহাতেই রিজার্ভ বাড়ল ৩১ কোটি ৮৩ লাখ ডলার
  • অস্ট্রেলিয়াকে ১৪১ রানের টার্গেট দিল টাইগাররা
  • হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪১৭ হাজি
  • টসে হেরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
  • দুপুরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ঈদে ৭ খামার থেকে ৭০ লাখ টাকার গরু কেনেন সেই ইফাত
  • এরপর গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • সুনামগঞ্জ পুলিশের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
  • শ্রমিক-মালিক স্বার্থ রক্ষায় শ্রম আইন হালনাগাদ হচ্ছে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
  • সৌদিতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ অনেকে
  • আজ শুক্রবার, ৭ আষাঢ়, ১৪৩১ | ২১ জুন, ২০২৪
    অর্থ-বাণিজ্য

    ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দেশের রিজার্ভ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ৮ মে ২০২৩, ১০:৫৪ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ৮ মে ২০২৩, ১০:৫৪ পিএম

    ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দেশের রিজার্ভ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ৮ মে ২০২৩, ১০:৫৪ পিএম
    ফাইল ছবি

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। চলতি সপ্তাহের সবশেষ কার্যদিবসে তা আরও কমেছে। সোমবার (৮ মে) বিদেশি মুদ্রার সঞ্চায়ন ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে গেছে।

    এদিন এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু) মার্চ-এপ্রিলের দায় ১১৮ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এরপর রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে। আগের কার্যদিবসে (রোববার) যা ছিল ৩০ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।

    আকুর বিল পরিশোধের পর গত ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে রিজার্ভ। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছর শেষে সেটা ছিল ৩০ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার। তবে গত বছরের একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চিত ছিল ৪২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। সেখান থেকে তা শুধুই কমছে। সূত্র: চ্যানেল ২৪

    আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা হলো আকু। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তানের মধ্যকার লেনদেনের দায় নিষ্পত্তি করা হয়।

    শ্রীলঙ্কাও আকুর সদস্য ছিল। তবে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে গত অক্টোবরে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় দ্বীপ দেশটি। বাকি দেশগুলো ২ মাস অন্তর নিজেদের মধ্যকার দায় মিটিয়ে থাকে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর থেকে রিজার্ভ কমছে। ২০২২ সালের এপ্রিল শেষে তা ছিল ৪৪ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে ১ বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ১৪ বিলিয়ন ডলার। মূলত সঞ্চয় থেকে ডলার বিক্রির কারণে এ নিম্নমুখিতা সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে গত ৩ মে পর্যন্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ১২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করে তারা।

    সাধারণত, সরকারের কেনাকাটা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি বিল পরিশোধে রিজার্ভ থেকে প্রধান মুদ্রাটি বিক্রি করা হয়। করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কম ছিল। পাশাপাশি উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল। ফলে রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি ছিল। এরপর থেকেই কমছে।

    আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রকৃত রিজার্ভ ২৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে। সেই সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বরে ২৫ বিলিয়ন ডলার এবং ডিসেম্বরে ২৬ বিলিয়ন ডলার থাকতে হবে।

    এফএস

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…