এইমাত্র
  • গণভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • নেপালকে হারিয়ে সুপার এইটে বাংলাদেশ
  • জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত, নামাজ পড়লেন রাষ্ট্রপতি
  • ৪০ হাজারের বেশি মুসল্লি নিয়ে আল-আকসায় ঈদের জামাত
  • ২২০০ পশুর গোশতো বিতরণ হবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে
  • ঈদের দিন রাজধানীসহ দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা
  • বায়তুল মুকাররমে ঈদুল আজহার ৫ জামাতের সময়সূচি
  • দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও বার্তায় যা বললেন
  • সীমান্ত সু-রক্ষায় কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশ
  • ঈদের ছুটিতে বেনাপোলে উপচে পড়া ভিড়, দুই ইমিগ্রেশনেই ভোগান্তি
  • আজ সোমবার, ৩ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৭ জুন, ২০২৪
    দেশজুড়ে

    বরগুনায় এক বছরে ১২৪ জনের আত্মহত্যা

    মাহমুদুর রহমান, বরগুনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জুন ২০২৩, ০৬:১৩ পিএম
    মাহমুদুর রহমান, বরগুনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জুন ২০২৩, ০৬:১৩ পিএম

    বরগুনায় এক বছরে ১২৪ জনের আত্মহত্যা

    মাহমুদুর রহমান, বরগুনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জুন ২০২৩, ০৬:১৩ পিএম

    দিন দিন বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা। বিশেষ করে পরিবার, প্রেমিক কিংবা প্রেমিকার সঙ্গে অভিমান ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে কম বয়সী তরুণ-তরুণীরা বেশি আত্মহত্যার দিকে ঝুঁকছে।

    বরগুনায় গত এক বছরে ১২৪ জন আত্মহত্যা করেছেন এদের মধ্যে প্রায় ৬২% নারী। তাঁদের মধ্য ৫৮ জনই কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বরগুনা সদর হাসপাতালের গত এক বছরের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    বরগুনা সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্ত রিপোর্টের তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বরগুনায় মোট ১৪৯টি অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১২৪ জনের রিপোর্ট এসেছে আত্মহত্যা। এর মধ্যে ৭৬ জনই নারী, বাকি ৪৮ জন পুরুষ। নারী ৭৬ জন এর মধ্যে ৪২ জনই কীটনাশক (গ্যাস ট্যাবলেট) খেয়ে এবং বাকি ২৪ জন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এসব নারীর বয়স ১৫ থেকে ৩২ বছর। আত্মহত্যাকারী ৪৮ জন পুরুষদের মধ্যে ৩২ জন গলায় ফাঁস এবং ১৬ জন কীটনাশক (গ্যাস ট্যাবলেট) খেয়ে আত্মহত্যা করেন। তাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে।

    এদিকে হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু ২০২৩ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে বরগুনায় মোট ১৯টি অপমৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টিই আত্মহত্যা। বাকি ছয়জন রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

    জেলার সচেতন নাগরিকেরা মনে করছেন, আত্মহত্যা রোধে প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি কীটনাশকের সহজলভ্যতার কারণেও আত্মহত্যা প্রবণতা বেড়েছে।

    বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন জাগো নারীর নির্বাহী পরিচালক হোসনেয়ারা হাসি বলেন, ‘উপকূলীয় জেলা বরগুনার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। এ বিষয়ে এখনই সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়া জরুরি। গত কয়েক বছরে আমরা আত্মহত্যার যে প্রবণতা দেখছি, তা রীতিমতো ভয়াবহ ও শঙ্কাজনক পর্যায়ে।’

    সার্বিক বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ বলেন, প্রতিটি আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। আমরা তদন্ত করে আদালতের কাছে প্রতিবেদন দেই। আমরা তদন্তে দেখেছি, বেশির ভাগ আত্মহত্যাই পারিবারিক কলহের জের, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, হতাশা, প্রতারণা ও আর্থসামাজিক কারণে হয়ে থাকে।

    বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম বলেন, বরগুনায় আত্মহত্যার হার বেড়েছে। এখানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০টিরও বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। আত্মহত্যা আসলে মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক ব্যাধি। এর প্রতিরোধও সম্মিলিত সামাজিকভাবে করতে হবে। আমি বলব এটা প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই।

    এআই

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…