এইমাত্র
  • ইতিহাসে ৩০ ফেব্রুয়ারি যেভাবে একবারই এসেছিল
  • নামাজে যাওয়ার পথে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল শিক্ষকের
  • জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন
  • ৪ ঘন্টা পর টাঙ্গাইলে বিকল হওয়া কমিউটার ট্রেন উদ্ধার
  • ‘বিদেশিদের কথায় বিএনপির আন্দোলন নির্ভর করে না’
  • নবীগঞ্জে সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত, আটক ১৪
  • সাতক্ষীরায় উপজেলা জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার
  • অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির কারণে নিষিদ্ধ হলেন রোনালদো
  • অবশেষে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরু
  • রমজানে আল-আকসায় নামাজ পড়তে দেওয়ার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩০ | ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
    জাতীয়

    ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৩৬ এএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৩৬ এএম

    ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৩৬ এএম

    ভূমিকম্প হয়— মৃদু গতিতে অথবা থরথর করে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে। কোথাও তীব্রতা বেশি। কোথাও খানিক কম। কোথাও ধ্বংসলীলা চালায়, কোথাও শুধু আতঙ্ক তৈরি করে যায়।

    আজ শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল নয়টা ৩৬ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৫.৫। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পে পুরো ঢাকা কেঁপে ওঠে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিক কেউ হতাহত হওয়া বা কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।

    ইউরোপীয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা- ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩৫ কিমি.। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৫।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০টি হালকা ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে। এতে জানমালের তেমন ক্ষতি না হলেও বড় ধরনের ভূমিকম্পের আভাস পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত পার্বত্য এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মণিপুর, মিজোরাম, মিয়ানমারের পার্বত্য এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া, কিশোরগঞ্জের হাওর দিয়ে মেঘনা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামানের পাশ দিয়ে দক্ষিণে যদি একটি রেখা কল্পনা করা যায়, এলাকাটি হচ্ছে দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল। এ দুটি প্লেটের মধ্যে পূর্বে অবস্থিত বার্মা প্লেট, পশ্চিমে অবস্থিত ইন্ডিয়ান প্লেট। এর সংযোগস্থলের উপরের ভাগটি অর্থাৎ সুনামগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে পূর্বে মণিপুর, মিজোরাম পর্যন্ত অঞ্চলটি ‘লকড’ হয়ে আছে। অর্থাৎ এখানে শক্তি জমা হয়ে আছে।

    কী পরিমাণ শক্তি জমা হয়ে আছে— বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার শক্তিসম্পন্ন ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার মতো শক্তি জমা হয়ে আছে। যেকোনো সময় এ শক্তি বের হয়ে আসতে পারে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কারণ, বাংলাদেশের আশপাশ দিয়ে তিনটি টেকটোনিক প্লেট গেছে। এগুলোর সংযোগস্থল আমাদের সীমান্তের আশেপাশে। যেমন- আমাদের উত্তরে হিমালয় পড়েছে ইউরেশিয়ান প্লেটে। আমাদের অবস্থান ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেটে। আর আমাদের পূর্বে হচ্ছে বার্মার মাইক্রো প্লেট। এ তিনটি প্লেটই আমাদের কানেক্টেড এবং সক্রিয়। প্লেটগুলোর মুভমেন্ট আছে। এগুলো প্রতি বছরে পাঁচ সেন্টিমিটার বা ৫০ মিলিমিটার মুভমেন্ট করে। তার মানে, প্রতি বছর আমরা পাঁচ সেন্টিমিটার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মুভমেন্ট করছি। একইভাবে পুরো পৃথিবীও মুভ করছে।

    তিনি বলেন, পৃথিবীর মুভমেন্ট তিনটি ক্রাইটেরিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। প্রথমটি হলো- কনভারজেন্ট মুভমেন্ট, অর্থাৎ দুটি প্লেট একই দিকে পরিচালিত হয়ে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। দ্বিতীয়টি হলো- একটি প্লেট একদিকে এবং অপরটি বিপরীত দিকে মুভ করছে। এটিকে বলে ডাইভারজেন্ট মুভমেন্ট। তৃতীয়টি হলো- ল্যাটেরাল মুভমেন্ট, অর্থাৎ যদি কোনো একটি প্লেট স্টাবল থাকে এবং অপরটি মুভ করে। এ তিন ক্রাইটেরিয়ায় পৃথিবী মুভ করছে।

    এ আবহাওয়াবিদ বলেন, নেপালে যেমন ইউরেশিয়ান প্লেট আর আমাদের ইন্ডিয়ান প্লেট (বাংলাদেশ যে প্লেটে অবস্থান করছে)। দুটি প্লেটের কনভারজেন্ট মুভমেন্ট বিদ্যমান। কনভারজেন্ট মুভমেন্ট হওয়ায় একটি প্লেট আরেকটি প্লেটের দিকে মুভ করছে এবং একটি প্লেট গ্রাজুয়ালি রাইজিং করছে। অর্থাৎ হিমালয়ের যে উচ্চতা, যেটি গত বছর যা ছিল তার চেয়ে একটু হলেও বেড়েছে। এজন্য যখন প্লেট মুভ করে এবং কোনো কারণে যদি ওখানে মুভমেন্ট কম হয় বা মুভমেন্ট না হয় তখনই সেখানে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। দেখা যায়, আমাদের প্লেট বাউন্ডারির লাইনগুলোতে প্রতিনিয়ত সংঘর্ষ হচ্ছে। অনেক বিজ্ঞানী বলেন, সংঘর্ষের ফলে যদি এনার্জি রিলিজ হয়, তাহলে ভালো। আর যদি এনার্জি রিলিজ না হয়, যদি সেখানে প্লেট বাউন্ডারি থাকে তাহলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, পরে যখন সেখান থেকে বড় ধরনের এনার্জি রিলিজ হয় তখন ভূমিকম্পের মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। আমাদের আশপাশে সক্রিয় তিনটি প্লেটের কারণে বলতে পারি যে, আমরা প্রবল ভূমিকম্প ঝুঁকির মধ্যে আছি, এটি নিশ্চিত।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে শুধু বাংলাদেশ ঝুঁকিতে আছে, বিষয়টি সেরকম নয়। পুরো পৃথিবীই ঝুঁকির মধ্যে আছে। সারা পৃথিবীতে অনেকগুলো প্লেট আছে। যেমন- ইউরেশিয়ান প্লেটটি ইউরোপ জুড়ে বিস্তৃত, এটি নেপাল পর্যন্ত চলে এসেছে। আমরা ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেটে অবস্থিত। এটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ ও তৎসংলগ্ন মহাসাগর হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতীয় উপমহাদেশ ও তৎসংলগ্ন জলভাগ পর্যন্ত প্রসারিত। পুরো প্লেটই মুভ করছে। ফলে বলা যায়, পুরো পৃথিবীই ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে।

    আরেক প্রশ্নের জবাবে মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, অতীতের ঘটনা থেকে বলা যায় যে, যেখানে প্লেট বাউন্ডারি লাইন থাকবে অর্থাৎ দুটি প্লেটের সংযোগস্থল থাকবে, তার আশেপাশে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি। যেহেতু বাংলাদেশ প্লেট বাউন্ডারির খুবই কাছাকাছি (বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে ১০০ বা ১২০ কিলোমিটারের মধ্যে প্লেট বাউন্ডারি অবস্থিত) অবস্থান করছে, সুতরাং আমরা অবশ্যই ঝুঁকির মধ্যে আছি। অতীতেও এ অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়েছে। যেহেতু পৃথিবী মুভ করে এনার্জি গেইন করে এবং প্লেট বাউন্ডারি দিয়েই এনার্জি রিলিজ করে, সেজন্য বলা যায় বাংলাদেশেও বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    তিনি বলেন, অতীতে বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে ব্যাপক ভূমিকম্প হয়েছে। তার মানে, আমরা ভূমিকম্প এরিয়ার মধ্যেই আছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঘন ঘন ভূকম্পন হচ্ছে কেন? যেহেতু এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা, এখানে বছরের কোনো এক সময় বা অতীতেও ভূমিকম্পের প্রবণতা ছিল, এখনও অতীতের মতো ভূমিকম্প প্রবণতা রয়ে গেছে। যেহেতু বাংলাদেশ ঝুঁকিতে আছে, সেহেতু বাংলাদেশের উচিত হলো অতীতের রেকর্ডগুলো আমলে নিয়ে যতটা সম্ভব সতর্ক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কারণ, এটি এমন একটি দুর্যোগ, যেটির কোনো পূর্বাভাস নেই। ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য আমাদের নিজেদেরই সতর্ক থাকতে হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, ভূতত্ত্ববিদ ও খ্যাতনামা ভূবিজ্ঞানী এবং বর্তমানে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, আমরা কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গে ২০০৩ সাল থেকে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। যেহেতু বাংলাদেশ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং প্লেটগুলোর ত্রিমাত্রিক গতি নির্ণয় করার জন্য আমরা জিপিএস স্থাপন করি। এর মাধ্যমে আমরা ১৪ বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্লেটের গতির পরিমাপ নির্ণয় করি। প্রতিটি প্লেট এক স্থান থেকে আরেক স্থানে প্রতি বছর সরে যাচ্ছে। প্লেটগুলো কোন দিকে যাচ্ছে, দুটি প্লেটের সংযোগ বা পরস্পরমুখী যে গতি এবং সাবডাকশন জোনে প্রতি বছর কী পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত হচ্ছে, সেটিও আমরা পরিমাণ করি। এগুলো পরিমাপ করে আমরা ২০১৬ সালে প্রতিবেদন প্রকাশ করি।

    প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সিলেট থেকে কক্সবাজার অঞ্চলে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার শক্তিসম্পন্ন ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার মতো শক্তি জমা হয়ে আছে। যেকোনো সময় এ শক্তি বের হয়ে আসতে পারে। এ শক্তি একবারে বের হতে পারে আবার ধীরে ধীরেও বের হতে পারে। তবে, পৃথিবীর বিভিন্ন সাবডাকশন জোনে যেসব ভূমিকম্প হয়েছে, সেগুলো থেকে ৬৫ থেকে ৮০ ভাগ শক্তি একবারে বের হয়েছে। বাকিটা ধীরে ধীরে বের হতে থাকে। একই রকম অবস্থা আমাদের এখানে বিরাজ করছে।

    এর আগে, ৮০০ থেকে এক হাজার বছর আগে কুমিল্লার ময়নামতিতে ভূমিকম্পের মাধ্যমে প্লেটগুলো জমাটবাঁধা শক্তি বের করেছিল। এরপরই নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করে এ অবস্থায় এসেছে। তার মানে, গত এক হাজার বছর ধরে শক্তি জমা হতে হতে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার মতো শক্তি জমা হয়েছে। এ শক্তিই যেকোনো সময় বের হয়ে আসতে পারে। গত বছর থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে ভূমিকম্প হয়েছে। ভূমিকম্পগুলো হয়েছে সাবডাকশন জোনের মধ্যে। এগুলোই বড় ভূমিকম্প হওয়ার আলামত। বড় ভূমিকম্প আজ হতে পার, কালও হতে পারে, আবার ৫০ বছর পরেও হতে পারে।

    ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা

    বড় ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকায় কেমন প্রভাব পড়তে পারে— এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকা হচ্ছে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকে ভূমিকম্পের উৎস ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে হলেও ঢাকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, ঢাকাতে সবচেয়ে বেশি জনগণের বাস। এখানে অপরিকল্পিত, অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণ এবং ভূমিকম্পের বিষয়ে মানুষদের মধ্যে চরম সচেতনতার অভাব রয়েছে। এ শহরের মানুষ জানে না ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে বা আগে কী কী প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। তারা এটিও জানে না যে ভূমিকম্পের সময় মানুষ কীভাবে নিরাপদে অবস্থান করবে। সরকারেরও এ বিষয়ে প্রস্তুতির অভাব রয়েছে।

    সরকার যদিও ২০০৮ সালে সিবিএমপি’র মাধ্যমে প্রস্তুতি নিয়েছে, কিন্তু সেটি যথেষ্ট নয় বা তার ধারাবাহিকতা নাই। সরকারের পক্ষ থেকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কাজটি করতে হবে। ঢাকা থেকে দূরে ভূমিকম্পের উৎস হলেও ঢাকাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয় তাহলে ঢাকা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হতে পারে। যেহেতু আমাদের কোনো পরিকল্পনা নাই সেহেতু ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যাবে।

    এজন্য পরিকল্পনা করে ঢাকার ওপর চাপ কমিয়ে দেশের জনবসতি পশ্চিমাঞ্চলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত হবে রেজিলিয়েন্স সোসাইটি গঠনের মাধ্যমে কার্যকর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া এবং তার বাস্তবায়ন করা।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…