এইমাত্র
  • সিলেটে সাড়ে ৪ মাসে কৈলাসটিলা-৮ কূপে গ্যাসের সন্ধান
  • জাতীয় কবির জন্মদিন আজ
  • কুষ্টিয়ায় পরকীয়ার জেরে যুবক খুন, আটক ৩
  • পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু
  • কাউকে জেলে পাঠানোর এজেন্ডা আমাদের নেই: কাদের
  • বেরোবিতে ১৫ বছরেও তৈরি হয়নি বেগম রোকেয়ার স্মৃতিচিহ্ন
  • ফটিকছড়িতে তক্ষকসহ আটক ২
  • আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাফায় ইসরাইলের হামলা
  • আমার বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই: এমপি কন্যা ডরিন
  • যশোর সদর উপজেলা পরিষদ স্থগিত
  • আজ শনিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ২৫ মে, ২০২৪
    দেশজুড়ে

    অবকাঠামো বিহীন টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

    গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১০ পিএম
    গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১০ পিএম

    অবকাঠামো বিহীন টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

    গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১০ পিএম

    ঈদের আনন্দ টুকু উপভোগ করতে কক্সবাজারের-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে শত শত পর্যটকের ঢল নেমেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ধনী,গরীব সকল পরিবারের নারী-পুরুষরা মিলে মিশে একাকার হয়ে মেতে উঠেছে ঈদের আনন্দে।

    শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় পর্যটকসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজার হাজার যুবক,যুবতী, শিশু, কিশোররা সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের পানিতে গা ভাসিয়ে খুশি আর আনন্দে মেতে উঠেছে।

    সৈকত উপকুলের চা-পান বিক্রেতা আব্দুস সালাম সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, ঈদের ছুটিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অত্র এলাকার নারী-পুরুষসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যটকদের ভিঁড় দেখা দিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পর্যটকদের পদচারণায় সৈকতের উপকুলের দীর্ঘ এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে।

    ঢাকা থেকে আসা ভ্রমন পিপাসু নিরব নামে এক শিক্ষার্থী অভিমত প্রকাশ করে বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হাজার হাজার পর্যটকের আগমন ঘটেছে। উক্ত সৈকতে তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই। টেকনাফ সৈকত উপকুলের প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে এসেছি। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশের অসাধারণ দৃশ্য গুলো চিত্র গুলো উপভোগ করলে প্রাণটা ভরে যায়।

    ঢাকার মালিবাগ থেকে আগত সরকারী চাকুরীজীবি সিকান্দার আলী সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত উপকুলের চারিদিকে অপরুপ সৌন্দর্য প্রাকৃতিক পরিবেশ ঘেরা। দীর্ঘতম সৈকত, স্বপ্নের মেরিন ড্রাইভ সড়ক,পাহাড়, সারি সারি ঝাউবন এই দৃশ্য গুলো দেখতে কার না ভালো লাগে।

    পাশাপাশি ‘সকালে সমুদ্র সৈকতের উত্তাল ঢেউ ভেঙে গোসল করা, আর বিকেল বেলায় সূর্যাস্তের ডুবন্ত দৃশ্যটা দেখার জন্য সৈকতে আসা পর্যটকদের আকৃষ্ট করে তোলে।

    তিনি আরো বলেন, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত এলাকাটি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের চেয়ে চার গুণ বড়। এক কথায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত এবং অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি পর্যটণ স্পট হচ্ছে এই টেকনাফ। তবে উক্ত সমুদ্র সৈকত এলাকা জুড়ে আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেমন কোন ব্যবস্থা এখনো তৈরি হয়নি। পর্যাপ্ত থাকা, খাওয়ার কোন সু-ব্যবস্থা নেই। তাই আমাদের দাবী বিশ্বের দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সার্বিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসতে পারলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যটন ব্যবসায়ীরা হরেক রকমের হোটেল, মোটেল,রেষ্টুরেন্টসহ নানা প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করতে আগ্রহী হবে বলেও জানান তিনি।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে, টেকনাফ ট্যুরিস্ট পুলিশের দায়িত্বরত ইন্সেপেক্টার মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত এলাকাটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হলেও এখানে ঈদুল ফিতর,ঈদুল আজহা, পহেলা বৈশাখ এলে স্থানীয় পর্যটকসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকদের আগমন ঘটে। এছাড়া এই সৈকত উপকুলটি ফাঁকা পড়ে থাকে। ইদানিং এই দীর্ঘতম সৈকত জুড়ে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা সদা জাগ্রত রয়েছে।

    উক্ত এলাকার পর্যটণ ব্যবসায়ীরা যদি দুর-দুরান্ত থেকে আগত পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত থাকা,খাওয়ার,সু-ব্যবস্থার অবকাঠামো তৈরি করে। তাহলে কক্সবাজার শহরের মত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল বৃদ্ধি হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

    পিএম

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…