এইমাত্র
  • যারা ভাবছেন আন্দোলনটা শুধুই চাকরির জন্য, তারা বোকা: ফারুকী
  • কোটা আন্দোলনের কর্মসূচি ঠিক করে দিচ্ছে বিএনপি-জামায়াত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • স্ত্রী-সন্তানের সামনেই লংকান ক্রিকেটারকে গুলি করে হত্যা
  • সন্ধ্যার পর ঢাবি প্রশাসন যে নির্দেশনা দেবে তাই করব: র‍্যাব
  • 'ছাত্রশিবির-ছাত্রদল এবং বহিরাগতরা ঢাবির হলে তাণ্ডব চালিয়েছে'
  • জবিতে হল প্রভোস্টকে অবরুদ্ধ, বঙ্গমাতা হল খোলা রাখার ঘোষণা
  • বিএনপির গায়েবানা জানাজা কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
  • শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ জাফর ইকবাল
  • সহিংসতা থামাতে মুশফিক-তামিমদের আকুতি
  • থানা থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনলেন ঢাবি শিক্ষকরা
  • আজ বুধবার, ২ শ্রাবণ, ১৪৩১ | ১৭ জুলাই, ২০২৪
    ফিচার

    ঈদুল আজহা

    ২২০০ পশুর গোশতো বিতরণ হবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৪, ১১:২৬ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৪, ১১:২৬ পিএম

    ২২০০ পশুর গোশতো বিতরণ হবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৪, ১১:২৬ পিএম

    মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রায় অধিকাংশ মুসলিম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় তারা ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে দুই হাজারের বেশি গরু-ছাগল জবাই করা হবে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার (এনজিও) পক্ষ থেকে পাওয়া এসব পশু উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পগুলোতে পাঠানোর প্রক্রিয়াও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এর মধ্য ১ হাজার ৮০০টি গরু এবং ৪০০টি ছাগল রযেছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরসি) মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা।

    তিনি বলেন, ‘অন্য বছরের তুলনায় এবার ক্যাম্পগুলোতে কোরবানি পশু বরাদ্দ কমেছে। এবারে রোহিঙ্গাদের জন্য ২ হাজার ২০০টি কোরবানির পশু পাওয়া গেছে। এগুলো চাহিদার অনুযায়ী অপ্রতুল। তবে যেসব পশু পেয়েছি, সেগুলো একত্রিত করে যেখানে, যতটা দরকার পাঠানো হচ্ছে। এসব পশু জবাইয়ের পর মাঝিদের সহযোগিতায় ক্যাম্প ইনচার্জদের তত্ত্বাবধানে মাংস বণ্টন করা হবে।

    আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, ‘বাংলাদেশে সোমবার পর্যন্ট সাতটি কোরবানির ঈদ পার করতে যাচ্ছি। আমরা মিয়ানমারে থাকা অবস্থায় ২-৩টি বড় গরু কোরবানি দিতাম। কিন্তু এখানে আসার পর সেই সুযোগ হয়নি।

    তিনি বলেন, সাত বছর হতে চলছে। তবুও আমাদের কোনো কূল-কিনারা হচ্ছে না। রোহিঙ্গাদের ঈদের আনন্দ বলতে কিছু নেই। আমরা ‘খোলা কারাগারে’ কষ্টের জীবনযাপন করছি। এরপরও আমাদের আশা, অন্তত আগামী বছর নিজ দেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবো।

    টেকনাফের জাদিমুড়া শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা বজলুল রহমান বলেন, আমার অধীনে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের বসতি। এখানে সন্ধ্যার মধ্যে কোরবানির পশু পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    এফএস

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…