বিগ ব্যাশে টানা তিন জয়ে দারুণ ছন্দে ফিরেছিল হোবার্ট হারিক্যান্স। কিন্তু সেই ধারা অব্যাহত রাখা গেল না। পার্থ স্কর্চার্সের বিপক্ষে ৪০ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বসেছে রিশাদ হোসেনের দল। বিগ ব্যাশ লিগে এই হার হোবার্টকে আবারও কিছুটা চাপে ফেলেছে।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি পার্থের। ওপেনার ফিন অ্যালেন ১০ বলে ১৬ রান করে ফিরে যান, কুপার কনোলিও থামেন ৮ বলে ৪ রানে। কিন্তু তৃতীয় উইকেটে অ্যারন হার্ডি ও মিচেল মার্শ যা করলেন, তাতেই ম্যাচ কার্যত একপেশে হয়ে যায়। দুজন মিলে গড়েন ১৬৪ রানের বিশাল জুটি।
মিচেল মার্শ ছিলেন পুরোপুরি বিধ্বংসী মেজাজে। ৫৮ বলে ১০২ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। অন্য প্রান্তে হার্ডিও কম যাননি। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করে ৪৩ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২২৯ রানের পাহাড়সমান সংগ্রহ দাঁড় করায় পার্থ স্কর্চার্স।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং ধস নামে হোবার্টের ইনিংসে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি তারা। কেউই বড় ইনিংস খেলতে না পারায় চাপ বাড়তেই থাকে।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন নিখিল চৌধুরী। ম্যাথু ওয়েডের ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান, ওপেনার টিম ওয়ার্ড করেন ২৭। বাকি ব্যাটারদের কেউই বিশের ঘর পেরোতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৮৯ রানে থেমে যায় হোবার্টের ইনিংস।
বাংলাদেশি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের জন্যও দিনটি ছিল হতাশার। বোলিংয়ে ৪ ওভারে ৩৫ রান দিলেও উইকেটের দেখা পাননি তিনি। ব্যাট হাতে নামলেও ৮ বলে ১০ রান করে ফিরতে হয় তাকে।
পার্থের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যাস্টন আগার, নেন তিনটি উইকেট। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করা মিচেল মার্শ ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন।
এই হারের ফলে টানা জয়ের ধারায় ছেদ পড়ল হোবার্ট হারিক্যান্সের, আর পার্থ স্কর্চার্স নিজেদের শক্তির জানান দিল আরেকবার।
আরডি