রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ব্যস্ততম মহাসড়কের নতুন চৌপথি এলাকা বর্তমানে তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে। মহাসড়কের ওপর অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশাভ্যান যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাভাবিক যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষসহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বিশ্বরোডসংলগ্ন লালদীঘিগামী সড়কে অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশাভ্যানের অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এবং যাত্রী ওঠানামার কারণে প্রায়ই দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে থাকছে। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কলেজ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেনের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের জন্য সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তারাগঞ্জ স্বপ্নসিঁড়ি স্কুলের এক অভিভাবক মো. রমজান আলী বলেন, ‘যানজটের মধ্যে দ্রুতগতির বাস ও অনিয়ন্ত্রিত ছোট যানবাহনের ভিড়ে শিশুদের রাস্তা পার করানো প্রতিদিন আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
স্থানীয় ব্যবসায়ী একরাম হোসেন বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত ঢাকাগামী ডে-কোচ ও নাইট কোচ ছাড়াও রংপুর ও দিনাজপুরগামী বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। বড় যানবাহন চলাচলের সময় রাস্তার দুই পাশে ও মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা অটো রিকশা ও সিএনজির কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সামান্য অসতর্কতায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
কয়েকজন পথচারী অভিযোগ করে বলেন, ‘সড়কের পাশে নির্দিষ্ট কোনো স্ট্যান্ড না থাকায় চালকেরা যেখানে-সেখানে যানবাহন দাঁড় করিয়ে যাত্রী তুলছেন। এতে ফুটপাত ও রাস্তার একাংশ দখল হয়ে যাচ্ছে। ফলে বয়স্ক মানুষ, নারী ও শিশুদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে।’
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি জেলা পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত। এ বিষয়ে তাদের করণীয় নেই।
ইখা