সরু চালের বাজার দর বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে ও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ২৩২ টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৮ জানুয়ারি ব্যবসায়ীদের চাল আমদানির অনুমতি প্রদান করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী। এবার কোন আতপ চাল আমদানির অনুমতি দেয়নি খাদ্য মন্ত্রণালয়। অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ৩০০ থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করতে পারবে।
চাল আমদানির শর্তে বলা হয়, চালে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা দানা থাকতে পারবে। অনুমোদিত আমদানিকারকেরা বরাদ্দ অনুযায়ী আগামী ১০ মার্চ এর মধ্যে পুরো চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা চালের পরিমাণ, গুদামজাত ও বাজারজাত করার তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে জানাতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) ইস্যু/জারি করা যাবে না। আমদানি করা চাল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নামে ফের প্যাকেটজাত করা যাবে না। আমদানি করা চাল বস্তায় বিক্রি করতে হবে বলেও শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্প্রতি দেশে সরু চালের বাজার দর বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাঝারি ও মোটা চালের বাজার দর আপাতত স্থিতিশীল থাকরেও সরু চালের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতার ন্যায় মাঝারি ও মোটা চালের বাজার দরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ার আশংকা থাকায় এই চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। বেনাপোলের চাল আমদানিকারক হাজী মুছা করিম এন্ড সন্সের সত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ বলেন, দেশের বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনায় সরকার চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছেন। চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে দেশের বাজারে চালের দাম দ্রæত নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
তিনি আরো বলেন, এবার যশোর জেলায় মোট ৪৪ জন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ৪৫ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী হেমন্ত কুমার সরকার জানান, চাল আমদানির খবর পত্রিকায় দেখেছি। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে এখনো কোন কাগজপত্র আসেনি। কোন আমদানিকারক কোয়ারেন্টাইন ছাড়পত্র নিতে আবেদনও করেননি।
ইখা