এইমাত্র
  • এবারের ইলেকশনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
  • শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক জামায়াত নেতা
  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
  • ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল-চাবি হস্তান্তর
  • ফরিদপুর–১ আসনে ‘ত্রিমুখী’ লড়াই, ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন আ.লীগের ভোটাররা
  • পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি
  • ভোটের উদ্দেশ্যে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ নেই পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে
  • ভূঞাপুরে ভোট চাইতে গিয়ে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
  • এক ধাপ অবনতি, দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম: টিআইবি
  • বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ
  • আজ মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    ১৪ বছর ধরে গুম ইবির দুই শিক্ষার্থী, সন্ধানে মানববন্ধন

    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৪ পিএম

    ১৪ বছর ধরে গুম ইবির দুই শিক্ষার্থী, সন্ধানে মানববন্ধন

    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৪ পিএম

    রবিউল আলম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভার থেকে গুম হওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।


    গুম হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন—দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মো. ওয়ালিউল্লাহ এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের আল মোকাদ্দাস। নিখোঁজ হওয়ার সময় তাঁরা ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন।


    মানববন্ধনে দাওয়াহ বিভাগের শিক্ষার্থী কাফি বলেন, “প্রশাসনের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সেই সময় আমাদের দুই ভাইকে গুম করা হয়েছে। তাঁদের অপরাধ ছিল—তাঁরা ন্যায় ও ইনসাফের কথা বলতেন। তাঁদের সঠিক সন্ধান দিন এবং অবিলম্বে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন। দুঃখের বিষয়, চব্বিশের বিপ্লবের পরও প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।”


    আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সালেহ আহমেদ বলেন, “আমার ভাই বিভাগে প্রথম স্থান অধিকারী মেধাবী ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁদের ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। তৎকালীন প্রশাসনের যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”


    শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আমরা আশা করেছিলাম তাঁরা পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তা সম্ভব হয়নি। গত ১৭ বছরে হওয়া সব গুম-খুনের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। তৎকালীন প্রক্টরসহ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসুন।”


    ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাসে (নম্বর: ৩৭৫০) যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন তাঁরা। বাসটি সাভারের নবীনগর এলাকায় পৌঁছালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ৮ থেকে ১০ জন তাঁদের নামিয়ে নিয়ে যায়। এরপর থেকে দীর্ঘ ১৪ বছরেও তাঁদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।


    উল্লেখ্য, গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ওয়ালিউল্লাহ ও মুকাদ্দাসের সন্ধানে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি পুনর্গঠন করে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


    এনআই

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…