এই মাত্র
  • রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির রেকর্ড
  • সারাহ ইসলামকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবি সংসদে
  • আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ
  • সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • সার-বীজের দাম বাড়ানো হবে না: কৃষিমন্ত্রী
  • বিএনপি’র আন্দোলন ও সরকার পতন সবই ভুয়া: ওবায়দুল কাদের
  • আওয়ামী লীগ কথা দিয়ে কথা রাখে: প্রধানমন্ত্রী
  • দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • এবার সরকা‌রিভা‌বে হ‌জে যেতে লাগবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার
  • বড় ব্যবধানে জিতলেন সেই সাত্তার
  • আজ শুক্রবার, ২০ মাঘ, ১৪২৯ | ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

    লাইফস্টাইল

    দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলো এত ব্যয়বহুল কেন?

    বাংলাদেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে বিদেশী পর্যটক খুব একটা দেখা না গেলেও অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা খুব একটা কম নয়। ট্যুর অপারেটরসহ নানা সংস্থার হিসাবে স্বাভাবিক সময় বছরে ৭০/৮০ লাখ পর্যটক দেশের মধ্যেই ভ্রমণ করে বা বেড়াতে যায় তাদের পছন্দের জায়গাগুলোতে, যার শীর্ষে আছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। বেসরকারি চাকুরীজীবী তামান্না খায়ের বলেন, আশেপাশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটকবান্ধব পরিবেশ কম। কিন্তু এখানে খরচ অনেক বেশি। একই খরচ দিয়ে বাইরের অনেক দেশের তুলনায় আরো ভালোভাবে থাকা যায়। এমনি হয়ত এখন এখানে ভালো রিসোর্ট হোটেল আছে। কিন্তু অন্য দেশের তুলনায় অনেক খরচ বেশি। তামান্না খায়ের বাইরের দেশ বলতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও থাইল্যান্ডের প্রসঙ্গ টেনেছেন। বাস্তবতা হলো, এসব দেশে প্রতি বছর যে পরিমাণ বিদেশী পর্যটক বেড়াতে যায় বাংলাদেশ তার ধারে কাছেও নেই। এমনকি যে পরিমাণ বাংলাদেশী প্রতি বছর এসব দেশে বেড়াতে যায় তার তুলনায় বিদেশীদের এখানে আসার হার অনেক কম। করোনাভাইরাস মহামারীর আগে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বিদেশ থেকে ১৬ লাখের বেশি বিদেশী পর্যটক এলেও এদের বেশিরভাগই আসলে প্রবাসী বাংলাদেশী। প্রকৃত অর্থে বিদেশী পর্যটক ছিলো আড়াই লাখের মতো। তবে সব মিলিয়ে দেশের অভ্যন্তরে ৮০-৯০ লাখ পর্যটক বছরজুড়ে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান। এ কারণে অভ্যন্তরীণ পর্যটকদের নিয়ে কাজ করা ট্যুর অপারেটরদের সংখ্যাও বেশ বেড়েছে। ‘ঝটিকা সফর’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছর ধরে পরিচালনা করছেন জান্নাতুল ফেরদৌস। তার মতে, বাংলাদেশের পর্যটন স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ার মূল কারণ সিন্ডিকেট ব্যবসা আর কয়েকটি বিশেষ সময়ে পর্যটকদের অতিমাত্রায় ভিড় করা। ট্যুরিজম স্পটগুলোতে আলাদা সিন্ডিকেট থাকে। পূর্ণিমায় সুন্দরবন যাবেন কিন্তু সব শিপের ভাড়া একযোগে বাড়িয়ে দেয়া হয়। হাওরেও একই অবস্থা। সাজেকেও তাই। আগে যেটা ছিলো দামটা ধারণা করতে পারতাম। কিন্তু এখন ওরা একটা সিন্ডিকেট। আমার তিন বছরের প্রতিষ্ঠান। কিন্তু কক্সবাজারেই আমি নেই না পর্যটকদের। কারণ দাম। এত হোটেল তাও এত দাম! অর্থাৎ এখানে পর্যটন স্পটভিত্তিক ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে সিন্ডিকেট করে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে তোলে বলেই পর্যটকদের খরচ প্রতিনিয়ত বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় সেবা বা বিনোদনের কোনো সুযোগ পাওয়া যায় না বলেই বিদেশীরা সাধারণত এখানে আসতে আগ্রহী হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে পর্যটন একটি বিশেষ মৌসুম আর সুনির্দিষ্ট কিছু ইভেন্টভিত্তিক হওয়াকেই অতিরিক্ত দামের প্রধান কারণ বলে অনেকে মনে করেন। যেমনটি বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক সামসাদ নওরীন। তিনি বলেন, আমাদের এখানে একটা মৌসুমে অনেক বেশি টুরিস্ট আসে। আর অন্য মৌসুমে থাকেই না। সে কারণে পিক সিজনে ব্যবসায়ীরা বেশি লাভ করে। এখানে যদি সারা বছর বিভিন্ন ট্যুরিজম থাকত তাহলে এমন হতো না। পশ্চিমা বিশ্বে শীতের সময় টুরিস্টরা অন্য দিকে যায়। আমাদের এদিকে শীতে বেড়াতে যায় বেশি। একইভাবে গ্রীষ্ম বা বর্ষা মৌসুমেও পর্যটক টানার ব্যবস্থা করা যেত তাহলে অসামঞ্জস্যতাটা দেখা যেতো না। আর এই অসামঞ্জস্যতাই দেশের ট্যুরিজমকে ব্যয়বহুল করে তুলেছে বলে মনে করেন তিনি। অর্থাৎ সারা বছরের টাকা এক শীত মৌসুম বা কয়েকটি উৎসবের সময় তুলে নেয়ার মতো ব্যবসায়িক নীতিই দেশের পর্যটনকে ব্যয়বহুল করে ফেলেছে। তবে এ অভিযোগ মানতে রাজী নন দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন নগরী কক্সবাজারের হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ। তিনি বলেন, পর্যটকরা বিভিন্ন ক্যাটাগরির হয়। বিভিন্ন জনের বিভিন্ন বাজেট থাকে। কক্সবাজারকে ব্যয়বহুল বলা যায় না। এখানে পাঁচ-এক হাজার থেকে বিভিন্ন দামের হোটেল আছে। দামীও আছে। যে যেভাবে চায়। এখন আপনি ভারত নেপাল যেতে পারেন। ভারতের সাথে আমাদের পার্থক্য হলো ওখানে ভিন্ন ধরণের ব্যবস্থাপনা আছে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী কদর বলেন, পর্যটন ব্যয় বাস্তবতার নিরিখে খুব বেশি বলে তারা মনে করেন না তবে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেটি মনে হয়। যারা এই খাতে ব্যবসা করেন তাদের অবকাঠামোগত সুবিধার ওপর ভিত্তি করে দাম হিসাব করেন। আমাদের সম্ভাবনা আছে কিন্তু সেভাবে অবকাঠামো গড়ে তোলা যায়নি। সে কারণেই কিছু ইউনিট (বেসরকারি) গড়ে তোলার কারণে তাদের বিনিয়োগ বেশি হয়েছে এবং সার্ভিস চার্জ বেশি আছে। কিন্তু সার্বিকভাবে ট্যুরিজম ব্যয় এখানে বেশি বলে যেটা বলা হয় সেটা খুব বেশি যুক্তিসংগত নয়। তিনি বলছেন, সরকার পর্যটন খাততে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে ঘোষণা করায় পর্যটন স্পটগুলোতে খরচের তুলনায় সুযোগ সুবিধা এবং নিরাপত্তা বেড়েছে সে কারণে পর্যটক সংখ্যাও বাড়ছে। আবার বেসরকারি খাতও এগিয়ে আসায় বিলাসবহুল ট্যুরিজম ফ্যাসিলিটিজ তৈরি হয়েছে, যা পর্যটন খাতকে অনেকদূর এগিয়ে নেবে বলেই মনে করছে সরকার। 

    পরিচর্যা করেও শীতে ত্বক ক্রমশ জেল্লা হারাচ্ছে, কিন্তু কেন?

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: শীতে ত্বকের খেয়াল রাখা সহজ নয়। অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। কারণ এই সময় ত্বক অত্যধিক শুষ্ক হয়ে পড়ে। পরিচর্যা করা হলেও শুষ্কতা যেন কিছুতেই দূর হতে চায় না। মাঝেমাঝে আরও জাঁকিয়ে বসে। ত্বকের মসৃণতা ধরে রাখতে চেষ্টার ঘাটতি রাখেন না অনেকেই। বাজারচলতি প্রসাধনীর ব্যবহার থেকে ঘরোয়া টোটকা— ত্বকের শুশ্রূষায় ব্যবহার করা হয় সবই। তা-ও যেন ত্বকের হাল ফিরতে চায় না। যত্ন তো নিচ্ছেন, কিন্তু কী কী ভুল থেকে যাচ্ছে? সঠিক প্রসাধনী বাছুন ময়েশ্চারাইজার, ক্রিম, তেল— শীতকালে ত্বকের দেখাশোনায় কমতি রাখছেন না। কিন্তু যেগুলি ব্যবহার করছেন আপনার ত্বকের জন্য তা উপযুক্ত তো? শীতকালে দ্রুত ত্বকের কোমলতা ফেরাতে তেলের পরিমাণ বেশি এমন লোশন ব্যবহার করেন। এতে আরও হিতে বিপরীত হয়। লোশনে থাকা অতিরিক্ত তেল ত্বকের ছিদ্রগুলি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দেখা দেয় ব্রণ। এ ছাড়া যে প্রসাধনীর উপকরণে অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি, সেগুলিও এড়িয়ে চলুন। এতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। বেশি করে পানি পান করুন শীতকালে ত্বক ভাল রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। শীতে পানি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমে যায়। এতে শুধু শরীর নয়, আর্দ্র হয়ে যায় ত্বকও। পানি কম খাওয়ার ফলে ত্বক ভিতর থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ত্বকের নিজস্ব যে জেল্লা, তা হারিয়ে যায়। বাইরে থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু তার চেয়ে বেশি জরুরি ভিতর থেকে ত্বক পরিষ্কার রাখা। এই কাজটি করতে জলের উপর ভরসা রাখা ছাড়া উপায় নেই। খুব ঠান্ডা লাগলে পানি একটু ফুটিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু সারা দিনে অন্তত ৬-৮ গ্লাসর পানি খেতেই হবে। শীতকালে রোদের দেখা খুব কম সময়ের জন্য পাওয়া যায়। ফলে সানস্ক্রিনের প্রয়োজন নেই। এমনটাই মনে করেন অনেকে। ভুলের শুরুটা হয় এখান থেকেই। শীতকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করাটা একেবারেই বোকামি। সারা বছর সানস্ক্রিন ব্যবহার করাটা জরুরি। শীতেও তা ভুললে চলবে না।

    হবিগঞ্জ শিমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

    মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: বাহুবলে শীত মৌসুমের সবজি শিমের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এতে শিম চাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারে এখন শিমের সমারোহ। প্রতিদিন এখানকার উৎপাদিত শিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জানা যায়, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী, সুখচর, যাদবপুর, মিরেরপাড়া, লামাপুটিজুরী, আব্দানারায়ণ, রাজসূরত, ভবানীপুর, কল্যাণপুর, হাজিনাদাম গ্রামসহ পুরো উপজেলাজুড়ে শীতকালীন সবজি হিসেবে শিমের চাষাবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাহুবল উপজেলার সীমানায় প্রবেশ করার পর মহাসড়কের দুই পাশে বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজ শিমের বাগান দৃষ্টিগোচর হয়। এসময় শিম বাগানের পরিচর্যায় কৃষকদের সাথে তাদের পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরকেও তৎপর দেখা যায়। গত ২৫/২৬ বছরে ওই এলাকায় বিশেষ করে গুঙ্গিয়াজুরী হাওরের পাশে অর্থকরী ফসল হিসেবে শিম চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাহুবলের দ্বিগাম্বর, মিরপুর, ডুবাঐ বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বাজারে দেশি জাতের শিমের প্রচুর সরবরাহ। বর্তমানে এখানকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। প্রতিদিন ভোর বেলা জমে উঠে দ্বিগাম্বর বাজার। এ সময় ব্যবসায়ীরা পাইকারী দরে শিম ক্রয় করে ট্রাক বা বিভিন্ন যানবাহনে করে তা ঢাকা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারী বাজারে নিয়ে যান। দ্বিগাম্বর বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, বাজারে বেশি পরিমাণে স্থানীয়ভাবে চাষকৃত শিম আসতে শুরু করেছে। দেশি শিমের স্বাদ আলাদা হওয়ার কারণে ক্রেতারা অন্য সবজির পাশাপাশি শিম বেশি কিনছেন। পাইকারী ব্যবসায়ী সানু মিয়া জানান, চাষিদের ক্ষেত থেকে নগদ টাকায় শিম কিনে ট্রাকে করে পাঠানো হয় ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। কয়েক বছর ধরে এ ব্যবসায় জড়িয়ে আমার পাঁচ সদস্যের সংসার ভালোই চলছে।  

    ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা উপজেলার সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি তৌকির হাসান তমালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোছাব্বীর রহমান। হ্যাভেনের সঞ্চলনায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান শেখ, সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন। সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম মন্ডল বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আবুবক্কর সিদ্দিক মিলন ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এমদাদুল হক মিলন প্রমূখ।     

    পুরনো ৫ শিক্ষককে বাদ দিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে নতুন নিয়োগের অভিযোগ

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলে প্রতিষ্ঠিত দইখাতা নাজিরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানটির ৭ বছর চাকরি করে আসা পুরনো ৫ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।  জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা করে নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল ও প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম গোপনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন নিয়োগকৃত শিক্ষকদের তালিকা প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষে রাসেল হোসেন। তারা জানান, বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কেউ এগিয়ে না এলেও তারা মোটা অঙ্কের ডোনেশন দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি খুব অল্প সময়েই এমপিওভুক্ত হয়। গত বছর এমপিওভুক্ত ঘোষণার পর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। গোপনে বিদ্যালয়ের সভাপতি আর প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ত্যাগী ও পরিশ্রমী শিক্ষক রাসেল হোসেন, গোকুল চন্দ্র রায়, আয়েশা খাতুন, শাহনাজ পারভীন ও মজিবুল ইসলামকে বাদ দিয়ে রাতারাতি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের নামের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে অধিদপ্তরে। দীর্ঘদিন শ্রম দিয়ে আসা শিক্ষককে এমন অমানবিকভাবে বাদ দেয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককের অনিয়ম তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এদিকে বিদ্যালয়ের নামে ২ বিঘা জমি স্টাম্পে লিখে দিয়ে নিজের সন্তানকে চাকরি নিয়ে দেন আমজাদ আলী নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি। তবে সেই দুই বিঘা জমি বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল নিজের নামে নিয়ে বিদ্যালয়ে দান করে নিজেই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বনে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে আমজাদ আলীকে সেখানে দাতা সদস্য রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম বলেন, নিবন্ধন না থাকায় তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। এখানে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল বলেন, আমজাদ আলী নামে ওই ব্যাক্তির অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জমির বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন। কোন জমি দান করেননি। কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন বলেন, আমি ওই বিদ্যালয়ের বিষয়ে নানা অভিযোগ পেয়েছি। কয়েকজন শিক্ষককে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যদের নিয়োগ দেয়ার কথা জানতে পেরেছি। এছাড়া আমজাদ আলী নামে এক লোকের জমি বিদ্যালয়ের নামে দানের পরেও তাকে দাতা না করে অন্য একজন দাতা হয়েছেন মর্মে অভিযোগ পেয়েছি। আমি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে শীঘ্রই জানাবো।  

    লটারিতে ১০৫ কোটি টাকা জিতলেন বাংলাদেশি রয়ফুল

    প্রবাসের কথা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে নতুন বছরের প্রথম ‘দ্য বিগ টিকিট’ লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রয়ে ২৪৭ সিরিজের প্রথম ও সবচেয়ে বড় পুরস্কার জিতেছেন মুহাম্মদ রায়ফুল নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি। তার পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৫ কোটি টাকা)। রায়ফুলের লটারি টিকিট নম্বর ছিল ০৪৩৬৭৮। তিনি গত ১০ ডিসেম্বর অনলাইনে টিকিটটি কিনেছিলেন। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব আমিরাতের আল আইনে বসবাস করেন রায়ফুল। তবে এই ড্রয়ের পর বাংলাদেশ কিংবা আমিরাতে তার বসবাসের বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৯ বছর বয়সী রায়ফুল আবুধাবির আল আইনের একটি কোম্পানিতে পিকআপ চালক হিসেবে কর্মরত। তিনি ৯ বছর ধরে এ লটারির টিকিট কিনছেন। তবে এবার যে টিকিটে লটারি জিতেছেন, সেটি তিনি ২০ বন্ধুর সঙ্গে মিলে কিনেছিলেন। এখন পুরস্কারের অর্থ সবাই মিলে নেবেন। টিকিটটির মূল্য ছিল ৫০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার টাকা)। দুটি টিকিট কিনলে একটি ফ্রি ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন লটারির র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়, তখন অনুষ্ঠানের হোস্ট বেশ কয়েকবার রায়ফুলের ফোনে ফোন করেন। কিন্তু তাকে তখন পাওয়া যায়নি। তিনি তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য আয়োজকরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ লটারি জয়ের খবর তাকে দেন। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় রায়ফুল বলেন, ১২ বছর ধরে আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছি। বিশ্বাস করতে পারছি না, আমি এ লটারি জিতেছি। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত।. এই টাকা তিনি কীভাবে খরচ করবেন—জানতে চাইলে জানান, তিনি এখনো কোনো পরিকল্পনা করেননি। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি এয়ারপোর্ট ও শহরের প্রমোশনের জন্য ‘বিগ টিকিট’ লটারি চালু করা হয়। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র হয়। প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ প্রতি মাসে পরিবর্তন হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারির প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ লাখ দিরহাম। এ মাসের দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম।

    দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছবে: শিক্ষামন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, চাঁদপুর: আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীরা শ্রেণির সব বই হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বলেন, বিগত অতিমারি ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও বছরের প্রথমদিন আমরা বই উৎসব করতে পেরেছি এটিই বড় বিষয়। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ সময় মতো বই বিতরণের সাফল্যকে পাশ কাটাবার জন্য নানান রকম কথা বলছে। আমি মনে করি প্রতিটি শিশুই বই পেয়েছে। তবে যে শিশু ৫টি বই পাওয়ার কথা সে ৩টি বই পেয়েছে। তিনি বলেন, এ বছর বই ছাপানোর জন্য বিদেশ থেকে কাগজ আনার কোন সুযোগ ছিল না। আমাদের যে কাগজছিল সেই কাগজ দিয়েই বই ছাপাতে হয়েছে। সেই ছাপাতে মান একেবারে খারাপ হওয়ার কথা নয়। শুধু কাগজের উজ্জ্বলতা কম হবে। এটিতে কোনো সমস্যা নয়। কারণ কাগজে বেশি উজ্জ্বলতা হলে চোখের জন্যও ভাল হয় না। বিদেশেও যখন বই ছাপা হয় তখনও উজ্জ্বলতা কমিয়ে বই ছাপানো হয়। আমাদের দেশে অনেকেই মনের করেন কাগজ যতবেশি সাদা হবে ততই ভালো। দীপু মনি বলেন, আমরা কাগজ আনার সুযোগ না থাকায় বইয়ের রং কিছুটা ভিন্ন হয়েছে। এর কোনটাই নিউজ প্রিন্ট না। আর আগে একটি বই কতজন শিক্ষার্থী পড়েছে। এখন একটি বই একজন শিক্ষার্থী একবছরই শুধু পড়েন। সংতরাং এই বই নিয়ে বড় ধরণের কোনো অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। আমাদের যে কোনো বিষয় নিয়ে গেল গেল বলে রব উঠে। কিন্তু সেটি সত্যিকার অর্থে দেখে এবং তার গুণাগুণ বিচার না করে, এটা কেন করতে হল, কি ধরণের সমস্যা হল, সেগুলো নিয়ে আমরা কেউ মাথা গামাই না।

    রোববার পর্যন্ত ফখরুল-আব্বাসের কারামুক্তিতে বাধা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের কারামুক্তিতে জামিননামা দাখিল না করতে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এ সময় তারা মুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার (৮ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় রাষ্ট্রপক্ষের এক আবেদনের শুনানি করে চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এই আদেশ দেন। আদেশে চেম্বার আদালত বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিষয় কোনো জামিননামা দাখিল করা যাবে না। রোববার এ বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। এদিন সকালে বিএনপির এই শীর্ষ দুই নেতাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে বিচারিক আদালতে চার দফা জামিন নাকচ হওয়ার পর সোমবার (২ জানুয়ারি) মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাদের আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে শুনানি করে বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।

    ফরিদপুরে রাস্তার পাশে পড়ে ছিল ভ্যানচালকের মরদেহ

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় রাস্তার পাশে থেকে জিহাদ হোসেন নামে (১৫) এক কিশোর ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের চরমুরারদিয়া ব্রীজ সংলগ্ন একটি রাস্তার পাশে থেকে ওই ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  নিহত ভ্যান চালক জিহাদ ওই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দিঘলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত লালু শেখের ছেলে বলে জানা যায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিহাদ মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান নিয়ে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার (০৪ জানুয়ারি) মৃতদেহ পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানার পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জিহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত ওই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।  তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ওই কিশোরের ভ্যান ছিনতাই করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    নোরা ফাতেহির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান!

    বিনোদন ডেস্ক: বছরের শুরুতে আবারও নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন। এবার গুঞ্জনটা যাদের ঘিরে তাদের একজন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান এবং আরেকজন বলিউড আইটেম গার্ল মরোক্কান সুন্দরী নোরা ফাতেহি। কানাঘুষো চলছে, ২৫ বছর বয়সী আরিয়ান বছর ৩০-এর নোরার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন! খবর- আনন্দবাজার পত্রিকার বলিউডের ‘দিলবার গার্ল’ এই মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। যদিও বলিউডে নিজের মাটি শক্ত করাটা সহজ ছিল না নোরার জন্য। কিন্তু এখন নোরার ওঠাবসা সবটা বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের সঙ্গে। কখনও মালাইকার সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাকে। কখনও আবার ডাক পেয়েছেন করণ জোহরের পার্টিতে। এবার একই অনুষ্ঠানে দেখা গেল আরিয়ানের সঙ্গে। তবে এই প্রথম নয়, আজকাল নাকি বিভিন্ন সময় একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে তাদের। এককথায় ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে দুজনের। সম্প্রতি এক রেডিট ব্যাবহারকারী আরিয়ান ও নোরার সঙ্গে আলাদা আলাদা ছবি দেন। কিন্তু ক্যাপশনে লেখেন, ‘তোমাদের দুজনের সঙ্গে দেখা করে ভালো লাগল।’ এরপরই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে শুরু করেন নেটাগরিকরা। বছর পঁচিশের আরিয়ানের সঙ্গে সত্যি সত্যি কি প্রেমে করছেন বলিউডের এই আইটেম গার্ল? নাকি অনুরাগীদের কল্পনা, সেটা সময় বলবে। আরিয়ানের সঙ্গে নোরা ফাতেহির প্রেম নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে তখন শাহরুখ পুত্রের চর্চিত প্রেমিকা অনন্যা পান্ডেকে কিন্তু, মোটেই ভোলেননি নেটিজেনরা। নোরার সঙ্গে ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই অনন্যাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে নেটপাড়া। আরিয়ানের বোন সুহানার বেস্টি অনন্যা। কফি উইথ করণের সেটে লাইগার অভিনেত্রী স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে আরিয়ানকে তার বেশ ভালোই লাগে। সোশাল মিডিয়ায় সেই এপিসোডের ভিডিও যথেষ্ট ভাইরালও হয়। একই সঙ্গে আরিয়ানের অনন্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্তও নজর এড়ায়নি নেটিজেনদের। আরিয়ানের সঙ্গে অনন্যা পান্ডের নাম জড়ানোর আগে ঈশান খট্টরের প্রেমিকা হিসাবে পরিচিত ছিলেন অনন্যা পান্ডে। খালি পিলি ছবির শুটিংয়ের সময়ই তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে বলেই ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন। কিন্তু ২০২২ সালে নিজেদের সম্পর্কে ইতি টানেন ওই স্টার কাপল। তবে খান পরিবারে নতুন করে প্রেমের হাওয়া লাগল কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।

    ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে চাল কিনবে সরকার

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৪২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি জানান, সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়া চারটি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ৭৩৯ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬ টাকা। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের মেসার্স বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ চাল কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর। ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল কিনতে মোট খরচ হবে ২১০ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৪২ টাকা ৭ পয়সা। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের এগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চালও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কিনছে খাদ্য অধিদপ্তর। এজন্য ব্যয় হবে ২১৩ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চাল কিনতে খরচ হবে ৪২ টাকা ৬৮ পয়সা।

    ফরিদপুরে শীতে কাপছে জনপদ, দেখা মিলছেনা সূর্যের

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: উত্তরের হিমেল হওয়া ও তীব্র শীত জেঁকে বসেছে ফরিদপুরে। আর এই শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। গরমের কাপড়ের চাহিদাও দেখা দিয়েছে। সাথে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগও। ফরিদপুরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিনই এ তাপমাত্রা কমছে।  টানা দুই দিন সূর্যের দেখা নেই এ জেলাতে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা, আর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও হাড় কাঁপানো বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসছে। বৃদ্ধ ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কষ্ট নেমে এসেছে। দিনমজুর ও কৃষকও পড়েছেন বিপাকে। চাকুরীজীবি ও জরুরি কাজ ব্যতিত ঘরের বাহির বেড় হচ্ছেনা মানুষ। রিক্সা ও অটোরিকশার সংখ্যা সড়কে কম দেখা মিলছে। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলতে দেখা গেছে।

    সংসদ ভবন এলাকায় ডিএমপির বিধিনিষেধ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক। তিনি জানান, সংসদ অধিবেশন কেন্দ্র করে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সই করা এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বুধবার রাত ১২টা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়, বুধবার (৪ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে অত্র এলাকায় সব প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও যে কোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষেধ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে— ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা ও এ সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।