এইমাত্র
  • জাতীয় পার্টিকে বলা হয় গৃহপালিত রাজনৈতিক দল: জিএম কাদের
  • মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের বৈঠক
  • সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
  • গালে হাত দিয়ে একাকিত্ব প্রকাশ করলেন মাহি
  • সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির উপর দায় চাপাচ্ছে: রিজভী
  • স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে সরকার নিরন্তর প্রয়াস চালাচ্ছে: রাষ্ট্রপতি
  • পুলিশি বাধায় পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ পণ্ড ১২ দলের
  • ২০২৮ সালে মধ্যে ম্যানুয়াল ইটভাটা থাকবে না: পরিবেশ মন্ত্রী
  • সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির বিকট শব্দ, আতঙ্কে এপারের বাসিন্দারা
  • আজ শনিবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩০ | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

    মানবতাবিরোধী অপরাধ: ময়মনসিংহের ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সময়েরকণ্ঠস্বর প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:০২ পিএম
    সময়েরকণ্ঠস্বর প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:০২ পিএম

    মানবতাবিরোধী অপরাধ: ময়মনসিংহের ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সময়েরকণ্ঠস্বর প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:০২ পিএম

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ৬ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার (২৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

    আসামিরা হলেন, মোখলেছুর রহমান মুকুল, শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, সুলতান মাহমুদ ফকির, নাকিব হোসেন আদিল সরকার ও সাইদুর রহমান রতন। তারা সবাই পলাতক।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল।

    এর আগে এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য সোমবার দিন ঠিক করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ রায় ঘোষণা করা হলো।

    ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল জানান, এ মামলায় মোট নয়জন আসামি ছিলেন। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন দুজন। কারাগারে থাকা দুজন ও পলাতক একজনসহ মোট তিনজন মারা গেছেন। আর বাকি ছয়জন পলাতক।

    ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত শুরু করা হয়। পরে ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়। চার্জ গঠনের সময় আসামির সংখ্যা ছিল ৯।

    এরপর ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করার পর শেষ হয় ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি। এতে মোট ১৯ জন সাক্ষ্য দেন। ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর যে কোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…