এইমাত্র
  • যাত্রাবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত
  • ইন্টারনেট বন্ধ করায় গ্রামীণফোনের হেডঅফিস ঘেরাও
  • অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিটিভির আগুন, যেতে পারছে না ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি
  • টাঙ্গাইলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ
  • কিশোরগঞ্জে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, আহত অর্ধশতাধিক
  • পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল-সড়ক অবরোধ
  • কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
  • জামালপুরে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, আহত ১২, আটক ৪
  • কটিয়াদীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে হামলায় আহত অর্ধশত
  • আজ মঙ্গলবার, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩১ | ২৩ জুলাই, ২০২৪
    বিচিত্র

    বেড়েই চলেছে পাকিস্তানে গাধার সংখ্যা

    বিচিত্র ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জুন ২০২৩, ০১:৪৫ পিএম
    বিচিত্র ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জুন ২০২৩, ০১:৪৫ পিএম

    বেড়েই চলেছে পাকিস্তানে গাধার সংখ্যা

    বিচিত্র ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জুন ২০২৩, ০১:৪৫ পিএম

    পাকিস্তানে গাধার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে এবং চলতি বছর এ সংখ্যা বেড়ে ৫৮ লাখে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান ইকোনমিক সার্ভে (পিইএস) ২০২২-২৩ অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

    নতুন জরিপে দেখা গেছে, পাকিস্তানে গত কয়েক বছরে ‘ভারবাহী’ পশু বলে পরিচিত গাধার সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশটিতে গাধার সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ। ২০২০-২১ অর্থবছরে সে সংখ্যা বেড়ে ৫৬ লাখ হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে গাধার সংখ্যা ছিল ৫৭ লাখ। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে সে সংখ্যা বেড়ে ৫৮ লাখে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত এক বছরে গাধার সংখ্যা ১ লাখ বেড়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার(০৮ জুন) পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইশাক দারের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে গরুর সংখ্যা বেড়ে ৫ কোটি ৫৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া মহিষের সংখ্যা বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি, ভেড়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২৩ লাখ এবং ছাগলের সংখ্যা বেড়ে ৮ কোটি ৪৭ লাখে দাঁড়িয়েছে।

    তবে গত চার বছরে উট, ঘোড়া ও খচ্চরের সংখ্যায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। পাকিস্তানে এখন উটের সংখ্যা ১১ লাখ, ঘোড়ার সংখ্যা ৪ লাখ এবং খচ্চরের সংখ্যা ২ লাখ।

    পাকিস্তানে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পশুপালন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অবলম্বন। দেশটিতে ৮০ লাখের বেশি মানুষ গবাদিপশু পালনকাজে জড়িত। তাদের আয়ের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ এ খাত থেকে আসে।

    পাকিস্তানে পশুসম্পদ রপ্তানি খাত থেকে নিট যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়ে থাকে, তা মোট রপ্তানির প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ।

    দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য পাকিস্তান সরকার পশুসম্পদ খাতকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…