এইমাত্র
  • কোটা আন্দোলনের সমন্বয়ককে বিশেষ নিরাপত্তা দিল চবি প্রক্টরিয়াল বডি
  • ঢামেকে ঢুকে আহত আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
  • উপাচার্য কেন এখনো বাসভবনে, প্রশ্ন ঢাবি শিক্ষার্থীদের
  • বদলে গেল ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক প্রোফাইল
  • ক্ষত চিহ্ন লুকিয়ে ফের শুটিংয়ে ক্যানসার আক্রান্ত হিনা খান
  • সংঘর্ষে ‘রণক্ষেত্র’ ঢাবি, উপাচার্যের বাসভবনে জরুরি বৈঠক
  • কোটা সংস্কার আন্দোলন চলবে: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
  • আমার পুরো বংশেরও এতো টাকা হবে না: পিয়ন জাহাঙ্গীর
  • ছাত্রদল-শিবিরের চিহ্নিত ক্যাডাররা হামলা করেছে: সৈকত
  • টাঙ্গাইলে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪
  • আজ মঙ্গলবার, ৩১ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৬ জুলাই, ২০২৪
    রাজধানী

    শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৫ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৫ পিএম

    শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৫ পিএম

    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজও রাজধানীর শাহবাগ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় অবরোধ করে রেখেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এর ফলে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে কাওরানবাজারেও শিক্ষার্থীদের অবরোধের খবর পাওয়া গেছে।

    বুধবার সকাল ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে লেকচার থিয়েটার ভবন, মাস্টার দা সূর্য সেন হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, ভিসি চত্বর, টিএসসির রাজু ভাস্কর্য হয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার শাহবাগ মোড় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আন্দোলনকারীদের ভয়ে সকাল ১০টার আগে থেকেই রাস্তায় গণপরিবহন চলাচল কমে যায়। সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাও কম। শুধু শাহবাগ মোড়ের উপর দিয়ে চলাচল করা মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    এদিকে নিরাপত্তার জন্য পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্যকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিতে দেখা যায়।

    এর আগে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সর্বাত্মক ‘বাংলা ব্লকেড’ অনুযায়ী আগামীকাল (বুধবার) সারাদিন দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থান অবরোধ করা হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের পাশাপাশি হাইওয়ে এবং রেলপথও এই ব্লকেডের আওতায় থাকবে।

    তিনি বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আমাদের কর্মসূচি পালন করছি। এই আন্দোলনের ফলে জনসাধারণের যে ভোগান্তি হচ্ছে তার প্রতি আমরা সংবেদনশীল। কিন্তু এর দায়ভার সরকারকে বহন করতে হবে। কারণ এতদিনের আন্দোলনের পরেও তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি এবং বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেনি। আমরা চূড়ান্ত সমাধান চাই। আমরা চাই, অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম ৫ শতাংশে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংশোধন করতে হবে। যেন পরবর্তীতে এটি আবার সমস্যা হিসেবে সামনে না আসে।

    এদিকে ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল চেয়ে ২ শিক্ষার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সকালে সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) জারি করে আদেশ দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্র ও শিক্ষার্থীদের করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (১০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ চার সপ্তাহের জন্য এই আদেশ দেন।

    তবে শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

    আন্দোলনের অন্যতম সমম্বয়ক সারজিস আলম বলেন, আমাদের দাবি সরকারের কাছে। আদালতের কাছে নয়। আমরা সকল গ্রেডে কোটা যৌক্তিক পর্যায়ে সংস্কার চাই। আমরা মনে করি তা ৫ শতাংশ থাকতে পারে। সরকার সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে একটি কমিশন গঠন করে কোটা সংস্কারের আশ্বাস দিলে আমরা রাজপথ ছাড়ব৷

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…