এইমাত্র
  • সংবাদ প্রকাশের জেরে বেনাপোলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
  • সিংড়ায় ইজিবাইক চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে আহত ৫
  • সৌদি আরব ও ওমানে সখিপুরের দুই প্রবাসীর মৃত্যু
  • সিদ্ধিরগঞ্জে পদ্মা ও মেঘনা অয়েল ডিপোতে তেল সরবরাহ কমায় ট্যাংকলরির দীর্ঘ জট
  • মুন্সিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে মারধরে বৃদ্ধের মৃত্যু
  • নারায়ণগঞ্জ সওজ অফিসে নির্ধারিত সময়েও অনুপস্থিত কর্মকর্তারা
  • সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তাকে বদলী
  • বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে ষড়যন্ত্র করেছেন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী: তাহের
  • ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
  • খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান স্থগিত
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    মধ্যে রমজানেও ভাঙ্গুড়ায় চড়া ফলের বাজার: বিপাকে সাধারণ মানুষ

    সাখাওয়াত হোসেন, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০২ পিএম
    সাখাওয়াত হোসেন, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০২ পিএম

    মধ্যে রমজানেও ভাঙ্গুড়ায় চড়া ফলের বাজার: বিপাকে সাধারণ মানুষ

    সাখাওয়াত হোসেন, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০২ পিএম

    বাজারে সারা বছরই দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ফল থাকে। পবিত্র রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে পুষ্টিকর ফলের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই রোজার আগেও যে ফল সাধারণ মানুষের নাগালে ছিল, চাহিদাকে পুঁজি করে কয়েকদিনের ব্যবধানে তার দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। খুচরা বাজারে ইফতারের প্রধান উপকরণ খেজুর থেকে শুরু করে আঙুর, আনারস বা আপেল-সবকিছুর দামই এখন আকাশচুম্বী। ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিবারের মতো এবারও ফলের বাড়তি চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অতি মুনাফা লুটছেন ফল ব্যবসায়ীরা।

    বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সকালে সরেজমিনে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন ফলের বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি ফলের দাম কেজিতে বা ডজনে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

    ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ কলার দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। রমজানে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এক কেজি আঙুর বা আপেল কেনা এখন রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌসুমি ও দেশি ফলের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। বাজারে নতুন আসা তরমুজ পিস হিসেবে নয়; বরং ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ২০ থেকে ২৫ টাকা হালির কলা এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    বিদেশি ফলের বাজার আরও চড়া। ভালো মানের প্রতি কেজি আপেল ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৩০০ টাকার মধ্যে। সবুজ আঙুর ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা এবং কালো আঙুর বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৪৭০ টাকা কেজি দরে। ভালো মানের মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ কেজি দরে এবং ভালো মানের ও বড় আকারের প্রতি পিছ আনারস বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। দেশি বেলের দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় ওঠানামা করছে। প্রতি বছর মধ্যে রমজানে বিভিন্ন ফলের দাম কমলেও এবার রোজার দুই সপ্তাহ পার হলেও বাড়তি দাম খুব একটা কমেনি।

    ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা আলহাজ্ব শেখ আব্দুস সামাদ মাষ্টার নামের এক ফল ক্রেতা জানান, পবিত্র রমজানে সব প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়া যেন এক অনিবার্য রেওয়াজ। এবারও সে একই প্রবণতা দেখা গেছে বাজারগুলোতে। রোজার অজুহাতে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া আমাদের দুষ্কর। পরিবারের সবাই রোজা রাখছেন বলেই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে বিক্রেতারা চড়া দাম আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ফল ব্যবসায়ীরা জানান, পবিত্র রমজান মাসে ফলের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়, কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বাড়তি। ইফতারে খেজুরের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, এক মাসে সারা বছরের তুলনায় অনেক বেশি বিক্রি হয়। পাইকারিতে যেমন দামে কেনা হয়, সীমিত লাভে তেমন দামেই বিক্রি করতে হয় তাদের। আড়ত থেকে দাম না কমলে খুচরা বাজারে দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম জানান তারা।

    জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, পবিত্র রমজান মাস এলে চাহিদা বাড়ায় খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দেন। ভোক্তাদের কথা বিবেচনা করে এ বছর যাতে অতিরিক্ত বাড়াতে না পারেন, সে জন্য প্রথম রমজান থেকে সব পর্যায়ে বাজার তদারকি করা হচ্ছে।


    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…