ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর–১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আটজন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জমাকৃত জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়া প্রার্থীদের জামানত বিধি অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হবে। জমাকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।’
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এম. রুহুল আমীন (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৬ ভোট, জাতীয় পার্টির এস. এম. শফিকুল ইসলাম (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩২৫ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী (আনারস) পেয়েছেন ১৬৮ ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর তাসলিমা আক্তার (কাঁচি) পেয়েছেন ২৩২ ভোট, গণফ্রন্টের আতিকুল ইসলাম (মাছ) পেয়েছেন ১২৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এমারত হোসেন খান (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৬ হাজার ৭০৩ ভোট।
প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে দেখা গেছে, এসব প্রার্থী কেউই মোট বৈধ ভোটের নির্ধারিত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করতে পারেননি। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটে অংশ নেওয়াই ছিল উদ্দেশ্য। জনগণ যে রায় দিয়েছেন, তা মেনে নিচ্ছি।”
উল্লেখ্য, গাজীপুর–১ আসনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
ইখা