টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ জানাতে গেলে ভুক্তভোগীর বোনকে অপমান ও থানা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাব্বির রহমানের বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী নারীর বোন ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে বিচার চাইতে গেলে তাকে অশোভন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের এক স্কুলছাত্রীর ছবি সম্পাদনা করে অশালীনভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ‘রকি’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করা হলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
পরিবারটি বিষয়টি জানতে পেরে থানায় অভিযোগ জানাতে যায়। অভিযোগের পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে পুলিশ অভিযুক্ত হিসেবে নিকরাইল গ্রামের আজিম উদ্দীনের ছেলে পোশাক শ্রমিক রুবেল হোসেনকে থানায় নিয়ে আসে বলে জানান তাঁরা।
পরিবারের অভিযোগ, থানায় নেওয়ার পর অভিযুক্তের মোবাইল ফোন থেকে ছবি মুছে ফেলা হয়। পরে সুষ্ঠু বিচার দাবি করলে এসআই রুবেল মিয়া ও এএসআই অনন্ত দাস ভুক্তভোগীর বোনের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।
তাদের আরও অভিযোগ, ওসি মো. সাব্বির রহমান ওই নারীকে অপমানজনক ভাষায় গালিগালাজ করে থানা থেকে বের করে দেন এবং মামলা না নেওয়ার হুমকিও দেন।
নিকরাইল ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি ময়মনা বেগম বলেন, “একজন নারীর ছবি এভাবে বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। বিচার চাইতে থানায় গেলে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে শুনেছি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান। তিনি বলেন, “ওই নারীর অভিযোগ মিথ্যা।”
ইখা