সৌদি আরব-এ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটিতে প্রথম রোজা পালন করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুরের প্রায় অর্ধশত গ্রামের মুসলমানরা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে একই দিন থেকে রোজা পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
এদিকে রোজা শুরুর লক্ষ্যে এসব গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা তারাবির নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদ্রা দরবার শরীফ-এর পীরজাদা পীর মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধুরী।
তিনি জানান, হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর ও পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা বুধবার থেকে রোজা পালন করবেন।
পীরজাদা মাওলানা আরিফ চৌধুরী আরও জানান, আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯৩২ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরীফের পীর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন।
তিনি বলেন, “পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার ভিত্তিতেই আমরা রোজা ও ঈদ পালন করি। সৌদি আরবে চাঁদ দেখার খবর নিশ্চিত হওয়ার পরই আমরা তারাবি ও রোজা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এবি