এইমাত্র
  • গৌরনদীতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের অভিযোগ
  • বরগুনায় জেলের জালে সাড়ে ২২ কেজির কোরাল
  • মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে চায় সরকার: নৌপরিবহন মন্ত্রী
  • কুষ্টিয়ায় সিএনজি অটোরিকশা–ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫
  • দেলদুয়ারে নবনির্বাচিত এমপির মতবিনিময়
  • কিশোরগঞ্জে বাস–সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪, সড়ক অবরোধ
  • ধর্মীয়-সামাজিক স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • মেঘনায় ইজারার আড়ালে ফুটপাত বাণিজ্য, অপসারণে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন
  • চলতি মাস থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
  • পিরোজপুরে ভাষা শহীদদের প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • আজ শনিবার, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    নারায়ণগঞ্জের পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী ফারুকই যেন 'পরিচালক'

    শিপন সিকদার, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৭ এএম
    শিপন সিকদার, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৭ এএম

    নারায়ণগঞ্জের পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী ফারুকই যেন 'পরিচালক'

    শিপন সিকদার, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৭ এএম


    নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি, দালালদের দৌরাত্ম্য, অব্যবস্থা, গ্রাহকদের ভোগান্তির ঘটনা নতুন নয়৷ প্রতিনিয়ত পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজে এসে বাড়তি টাকা গোনার পাশাপাশি সীমাহীন হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা৷ আর সেসব ঘটনা গোপন রাখতে 'সাংবাদিক ঠেকাও' মিশনে নেমেছেন অফিস সহকারী ফারুক ইসলাম৷ পুরো কার্যালয়টিই যেন এখন ফারুকের দখলে৷ 


    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সময়ের কণ্ঠস্বরের প্রতিনিধি ও অন্য একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিনিধি পাসপোর্ট অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্যানুসন্ধান করতে যান৷ সাংবাদিকদের উপস্থিতির কথা জেনে নিচে নেমে আসেন ফারুক৷ মূল ফটকের সামনেই সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেন৷ ফারুক দাবি করেন, ভেতরে প্রবেশ করতে হলে ঢাকার আগারগাঁওয়ের বিভাগীয় অফিস থেকে লিখিত অনুমতি আনতে হবে৷ 


    একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং তাদেরকে বের করে দিতে নিরাপত্তারক্ষীদের বারবার বলতে থাকেন৷ ঘটনাটি ভিডিও করার চেষ্টা করলে ফারুক প্রতিবেদকের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নেন৷ 


     ফারুকের ব্যবহারের জন্য পরবর্তীতে  উপপরিচালক শামীম আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন এবং মোবাইল ফেরত দেন৷ 


    পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত থাকা সেবাপ্রত্যাশীদের সাথে কথা বলে জানা যায় ফারুকের আদ্যোপান্ত৷ মনজুর আহমেদ নামের এক গ্রাহক জানান, সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও তাকে চারবার কাউন্টার থেকে ফেরত দেয়া হয়৷ পরে দালালচক্রের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত এক 'দরবেশ'- এর শরণাপন্ন হলে বাড়তি দুই হাজার টাকা ঘুস দেয়ার সাথে সাথেই তার কাজটি করে দেয়া হয়৷ 


    নূরজাহান বেগম নামে এক গ্রাহক জানান, দালালের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা বেশি দিয়ে পাসপোর্ট করাচ্ছেন তিনি৷ দালাল তাকে জানিয়েছেন, ঘুসের এই টাকা অফিসের সিন্ডিকেটকে ভাগবাটোয়ারা করে দিতে হয়৷ ঘুস না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে গ্রাহকদের হয়রানি করে ওই সিন্ডিকেট৷ 


    পাসপোর্ট অফিসের একজন নিরাপত্তারক্ষী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দুর্নীতির পুরো সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ ফারুকের হাতে৷ ঘুস নিয়ে পাসপোর্ট করা, রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করে দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের মূল হোতা ফারুক৷ এসব যাতে গণমাধ্যমে না আসে, সেজন্যই সাংবাদিকদের প্রবেশে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ফারুক৷


    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফারুক আহম্মেদকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি৷ 



    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…