এইমাত্র
  • গৌরনদীতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের অভিযোগ
  • বরগুনায় জেলের জালে সাড়ে ২২ কেজির কোরাল
  • মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে চায় সরকার: নৌপরিবহন মন্ত্রী
  • কুষ্টিয়ায় সিএনজি অটোরিকশা–ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫
  • দেলদুয়ারে নবনির্বাচিত এমপির মতবিনিময়
  • কিশোরগঞ্জে বাস–সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪, সড়ক অবরোধ
  • ধর্মীয়-সামাজিক স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • মেঘনায় ইজারার আড়ালে ফুটপাত বাণিজ্য, অপসারণে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন
  • চলতি মাস থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
  • পিরোজপুরে ভাষা শহীদদের প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • আজ শনিবার, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    ধর্ম ও জীবন

    বরকতময় সেহরি খাওয়ার সঠিক সময়

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম

    বরকতময় সেহরি খাওয়ার সঠিক সময়

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    সাহরি মানে শেষ রাতের খাবার। রোজার জন্য সেহরি খাওয়াকে হাদিসে বরকতময় কাজ বলা হয়েছে। আর সাহরি (সেহরি নামে যেটা আমাদের দেশে সমধিক পরিচিত) শব্দের অর্থ ভোরের খাবার। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে পানাহার করা হয়, সেটাকে ইসলামের পরিভাষায় সাহরি বলে।

    বরকত অর্জনের জন্য কখন সেহরি খেতে হবে? রাতের যে কোনো সময় সেহরির নিয়তে খেলেই হবে? নবীজি (সা.) কখন সেহরি খেতেন? 

    রোজা রাখার নিয়তে সাহরি খাওয়া সুন্নত। সাহরি অত্যন্ত বরকতময় খাবার। সাহরি খাওয়ার অনেক ফজিলত হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সাহরি খাও, কারণ সাহরিতে বরকত আছে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৯২৩)

    কিন্তু সাহরি শেষ রাতের কোন সময়ে খাওয়া ভালো? এটা অনেকে জানেন না। তাদের জেনে রাখার সুবিধার্থে এই লেখায় সংক্ষেপে তা তুলে ধরা হলো। 

    সাহরি খাওয়া সুন্নত: পেটে ক্ষুধা না থাকলে দু-একটি খেজুর খেয়ে নেওয়া উত্তম অথবা অন্য কোনো জিনিস খেয়ে নেবে। (হেদায়া, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা ১৮৬)

    বিলম্বে সাহরি খাওয়া উত্তম: আগে খাওয়া হয়ে গেলে শেষ সময়ে কিছু চা, পানি, পান ইত্যাদি খেলেও সাহরির ফজিলত অর্জিত হবে। (হেদায়া, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা ১৮৬)

    সময় আছে, নাকি নেই:  এমন সন্দেহ নিয়ে সাহরি খাওয়া মাকরুহ। (আলমগিরি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা : ২০১)

    সুবহে সাদিকের যে সময়: সঠিক ক্যালেন্ডারে সুবহে সাদিকের যে সময় দেওয়া থাকে, তার দু-চার মিনিট আগে খানা বন্ধ করে দেবে। এক-দুই মিনিট আগে-পিছে হলে রোজা হয়ে যাবে, তবে ১০ মিনিট পর খাওয়ার দ্বারা রোজা হবে না। (আপকে মাসায়েল, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা ২০১)

    কিন্তু মনে রাখতে হবে, শুধু ক্যালেন্ডারের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়, কেননা অনেক সময় তাতে ভুলও হয়ে থাকে, তাই এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়া দরকার।

     সাহরি খেতে না পারলে: নিদ্রার কারণে সাহরি খেতে না পারলেও রোজা রাখতে হবে। সাহরি খেতে না পারায় রোজা না রাখা অত্যন্ত পাপ। (বেহেস্তি জেওর, পৃষ্ঠা ৩৫৩) 

    আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত জায়েদ ইবনে সাবেত তাকে জানিয়েছেন যে, তারা নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) সাথে সেহরি খেয়ে ফজরের নামাজ পড়তে উঠে গেছেন। আনাস বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেহরি খাওয়া ও আজান হওয়ার মধ্যে কতটুকু সময় ছিল? উত্তরে জায়েদ (রা.) বললেন, পঞ্চাশ অথবা ষাটটি আয়াত পড়তে যতটুকু সময় লাগে। (সহিহ বুখারি)

    এখানে আয়াত বলতে মধ্যম ধরনের আয়াত গণ্য হবে। আর এই ধরনের ৫০/৬০ আয়াত পড়তে মোটামুটি ১৫/২০ মিনিট সময় লাগে। অতএব সুন্নত হলো, আজানের ১৫/২০ মিনিট আগে সেহরি খাওয়া।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…