এইমাত্র
  • ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
  • রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
  • সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
  • নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
  • শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: অদৃশ্য বিপদ ঘরে বাইরে
  • আর্থিক সংকটে অনিশ্চিত ভর্তি, ছাত্রদল নেতার সহায়তায় মুনায়েমের স্বপ্নপূরণ
  • প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে
  • বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল
  • শেখ রেহানার স্বামীর আয়কর নথি জব্দ
  • আজ মঙ্গলবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    একুশে বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

    একুশে বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    আগামী বৃহস্পাতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা। এদিন দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেলার সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব সেলিম রেজা। বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। উপস্থিত ছিলেন একাডেমির পরিচালক সরকার আমিন।


    এবারের বইমেলায় অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্টল পেয়েছে। মোট ইউনিট সংখ্যা ১,০১৮টি। গত বছর অংশ নিয়েছিল ৭০৮টি প্রতিষ্ঠান, ইউনিট ছিল ১,০৮৪টি।


    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় থাকছে লিটল ম্যাগাজিন চত্বর; সেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শিশুচত্বরে থাকছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ও ১০৭টি ইউনিট।


    মেলার বিন্যাস গতবারের মতো থাকলেও মেট্রোরেল স্টেশনের অবস্থানগত কারণে বাহিরপথ কিছুটা সরিয়ে মন্দির গেটের কাছে নেয়া হয়েছে। টিএসসি, দোয়েল চত্বর, এমআরটি বেসিং প্লান্ট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অংশে থাকবে চারটি প্রবেশ ও বাহিরপথ।


    খাবারের স্টলগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সীমানা ঘেঁষে সুবিন্যস্তভাবে রাখা হয়েছে। নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবা অব্যাহত থাকবে। পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে তারাবি নামাজের ব্যবস্থাও থাকবে।


    বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির বই ও পত্রপত্রিকা বিক্রির জন্য মেলার দুই অংশেই স্টল থাকবে।


    প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থাকবে ‘শিশুপ্রহর’। শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের ব্যবস্থাও থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।


    মেলার প্রবেশ ও বাহিরপথে থাকবে পর্যাপ্ত আর্চওয়ে। সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ, র‍্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এলাকাজুড়ে বসানো হয়েছে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা। মেলা পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে।


    মেলাপ্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, ধূলিবালি নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানো এবং মশক নিধনের ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।


    অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ২০২৫ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগত মানে সেরা বইয়ের জন্য দেয়া হবে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’। শৈল্পিক বিচারে সেরা বই প্রকাশের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান পাবে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’। শিশুতোষ গ্রন্থে অবদানের জন্য দেয়া হবে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ এবং স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান পাবে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’।


    এবার নতুন করে প্রবর্তন করা হয়েছে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’। নতুন অংশগ্রহণকারী প্রকাশকদের মধ্য থেকে গুণগত মানের বিচারের সর্বাধিকসংখ্যক বইয়ের জন্য প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণ করে এই পুরস্কার দেয়া হবে।


    ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত (ছুটির দিন ব্যতীত) প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। রাত ৮টা ৩০ মিনিটের পর নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিনে মেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…