বিনোদন অঙ্গনের তারকারা শুধু অভিনয়, গান বা উপস্থাপনায় নয়, মানবিক কাজ এবং সামাজিক উদ্যোগেও রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। দুর্যোগ, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা, শিশু ও নারী উন্নয়ন-বিভিন্ন খাতে অনেক তারকা নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের মধ্যে প্রকাশ্যে সবচেয়ে বেশি সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আছেন।
স্ত্রীর সড়ক দুর্ঘটনার মৃত্যুর পর তিনি গড়ে তোলেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন। সড়ক দুর্ঘটনা সচেতনতা রোধে তৈরি, আইন প্রয়োগের দাবির মাধ্যমে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
মানবিক সহযোগিতার অন্যতম এক তারকা দম্পতি হচ্ছেন অনন্ত জলিল ও বর্ষা। এ তারকা দম্পতি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজের জন্য সুপরিচিত। এ ছাড়া এ দম্পতি অসহায় দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করেন।
সংগীতশিল্পী তাহসান অনেকদিন ধরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত আছেন। শিক্ষা ও শিশু অধিকার নিয়ে তিনি কাজ করেছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে। একইভাবে
জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম প্রায়ই মানবিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত হন। তিনি সরাসরি প্রচারের চেয়ে নীরবে সাহায্য করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ইউনিসেফ বাংলাদেশের জাতীয় দূত হিসাবে শিশু অধিকার ও নারী সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ মানবিক কাজ করছেন।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজের জন্য পরিচিত। তিনি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করেন।
চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজে সক্রিয় আছেন। তিনি তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘মৌসুমী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে অসহায়, এতিম ও দুস্থদের জন্য কাজ করেন।
অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা একজন উন্নয়নকর্মী ও শিশু উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ। তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, প্লে-ল্যাব মডেল ও শিশু অধিকার নিয়ে গত ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। এ ছাড়া তাকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা গেছে।
এইচএ