এইমাত্র
  • জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দিল সরকার
  • রেমিট্যান্স আহরণেও এগিয়ে ভালুকা কৃষি ব্যাংক, বাড়ছে আমানত
  • জ্বালানি তেলের পাচার ঠেকাতে হবিগঞ্জ সীমান্তে সতর্ক বিজিবি
  • সৌদি আরবের তেলের খনিতে প্রথমবারের মতো ইরানের ড্রোন হামলা
  • ধামইরহাট সীমান্তে জ্বালানি তেলের পাচার ঠেকাতে সতর্ক বিজিবি
  • ইরানে এযাবৎকালের ‘বৃহত্তম বোমাবর্ষণ’ হবে আজ রাতে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী
  • ছিনতাইয়ের অপবাদে যুবককে পেটালেন যুবদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল
  • ঈদযাত্রায় ট্রেনের ১৭ মার্চের টিকিট বিক্রি শুরু
  • আমন মৌসুমে ব্লাস্ট প্রতিরোধী ও সুগন্ধি দুই জাতের ধান উদ্ভাবন
  • কয়েকটি দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান
  • আজ শনিবার, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৭ মার্চ, ২০২৬
    জাতীয়

    জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দিল সরকার

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬, ১২:২৬ পিএম

    জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দিল সরকার

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি তেলের বাজারে দেখা দেওয়া অস্থিরতা ও গ্রাহকদের অযথা আতঙ্ক কাটাতে বড় ধরনের কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। রাজধানীসহ সারাদেশে ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় এবং অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার প্রবণতা ঠেকাতে এবার যানবাহনে তেল বিক্রির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    গতকাল শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিপিসি এই নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে।

    বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত হচ্ছে। এই সুযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক খবর প্রচার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে। অনেক ডিলার ও সাধারণ গ্রাহক প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে অবৈধভাবে মজুত করছেন, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতেই এখন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল কেউ কিনতে পারবেন না। 

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন সংগ্রহ করতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির (কার) ক্ষেত্রে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার। এছাড়া এসইউভি বা জিপ এবং মাইক্রোবাসের জন্য প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ লিটারের বেশি তেল দেওয়া হবে না। 

    বাণিজ্যিক ও গণপরিবহনের ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা হয়েছে; যেখানে একটি লোকাল বাস বা পিকআপ দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল পাবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বড় বাস, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটারের বেশি জ্বালানি নিতে পারবে না। 

    বিপিসি আরও জানায়, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় প্রত্যেক ভোক্তাকে অবশ্যই রসিদ গ্রহণ করতে হবে। পরবর্তী সময় যখনই কেউ তেল কিনতে আসবেন, তাকে আগের রসিদটি দেখাতে হবে। ডিলারদের ক্ষেত্রেও নিয়ম কড়াকড়ি করা হয়েছে। এখন থেকে ডিলাররা তাদের বর্তমান মজুত এবং বিক্রির সঠিক তথ্য প্রদান সাপেক্ষে ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত বরাদ্দের অতিরিক্ত জ্বালানি কোনো ডিলারকে প্রদান করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…