এইমাত্র
  • সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
  • চলছে শেষ দিনের আপিল শুনানি, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও সিদ্ধান্ত দেবে ইসি
  • চরফ্যাশনে নড়বড়ে কাঠের সেতু, ঝুঁকিতে মানুষ
  • বাকৃবিতে শহীদ হাদীর সাহসী রূপ, গ্রাফিতিতে প্রতিবাদের ভাষা
  • ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের
  • কক্সবাজারে জ্বালানি অচলাবস্থা, গ্যাস সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত
  • নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ভূমিহীনদের বিক্ষোভ
  • কুমিল্লায় এলপি গ্যাস সংকট, অতিরিক্ত দামে কিনতে বাধ্য ভোক্তারা
  • ফরিদপুরে শরীফ ওসমান হাদী স্মরণে খেলাফত মজলিসের দোয়া মাহফিল
  • আজ থেকে টানা ৩ দিন ৭ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
  • আজ রবিবার, ৫ মাঘ, ১৪৩২ | ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট থেকে বেরোচ্ছে ইরান, আনছে নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন-ম্যাসেজিং অ্যাপ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম

    আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট থেকে বেরোচ্ছে ইরান, আনছে নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন-ম্যাসেজিং অ্যাপ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম

    ইরান সরকার স্থায়ীভাবে বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বেরিয়ে আশার পরিকল্পনা করছে। জানা গেছে, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যবহার আর নাগরিক অধিকার হিসেবে গণ্য হবে না দেশটিতে। আর এ সুবিধা নিশ্চিতে নিজস্ব প্রযুক্তির ইন্টারনেট সুবিধা আনার পরিকল্পনা করছে দেশটি।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াছের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইন্টারনেটকে ‘সরকারি বিশেষাধিকার’ হিসেবে রূপান্তরের একটি গোপন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

    প্রতিবেদনে ইরানের ভেতরের একাধিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও সরকারি মুখপাত্ররা ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ২০২৬ সালের পর আন্তর্জাতিক ইন্টারনেটের আর অবাধ ইন্টারনেট ফেরানো হবে না।

    ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি বলেন, নতুন এই ব্যবস্থায় শুধুমাত্র নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত বা সরকারি যাচাই প্রক্রিয়া উত্তীর্ণ ব্যক্তিরাই সীমিত ও ফিল্টার করা বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সাধারণ নাগরিকদের জন্য থাকবে কেবল একটি জাতীয় ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণভাবে দেশীয়, আর এটি হবে বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন।

    এই জাতীয় ইন্টারনেট মূলত একটি সমান্তরাল ডিজিটাল অবকাঠামো, যা সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এতে থাকবে শুধু সরকার অনুমোদিত সার্চ ইঞ্জিন, মেসেজিং অ্যাপ, ন্যাভিগেশন সেবা এবং দেশীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যাকে অনেকেই ‘ইরানি নেটফ্লিক্স’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

    টানা ১২ দিনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর গত ৮ জানুয়ারি ইরানে চলমান ইন্টারনেট বন্ধের সূচনা হয়। ওই আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। কঠোর দমন-পীড়নের মুখে বিক্ষোভ কিছুটা স্তিমিত হলেও দেশটি কার্যত তথ্য-বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। ব্যাপক দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু স্থাপনা, নিহত হয়েছেন বহু নিরাপত্তাকর্মীও।

    এই ব্ল্যাকআউটকে ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ ও কঠোর ইন্টারনেট বন্ধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি ২০১১ সালের মিশরের তাহরির স্কয়ার আন্দোলনের সময়কার ইন্টারনেট বন্ধের চেয়েও দীর্ঘ। ইরানের এক সরকারি মুখপাত্র দেশীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অন্তত নওরোজ বা পারস্যের নববর্ষ (২০ মার্চ) পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে।

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…